Monday, October 19, 2015
হিন্দু উগ্রবাদ কোথায় নেবে ভারতকে?
![]() |
| মুখে কালি ও মবিল নিয়েই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন জম্মু-কাশ্মীরের স্বতন্ত্র বিধায়ক প্রকৌশলী রশিদ। ছবি: রয়টার্স |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচনে থাকার ঘোষণা কাদের সিদ্দিকীর
তিনি আজ সোমবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন।
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, আমরা আগেই জানতাম নির্বাচন কমিশন এরকম কিছু একটা করবে। এজন্য আগেই আমরা এগিয়ে ছিলাম। চারজন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলাম। তাদের দুইজন এখনও আছেন। আদালতের রায় আমাদের পক্ষে না এলে এ দুজনের একজনকে দলীয় প্রার্থী করা হবে।
তিনি বলেন, মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন পর্যন্ত আমরা ব্যাংকের দায়মুক্ত ছিলাম। এরপর ব্যাংক থেকে দায়ের কথা বলা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বীর প্রতীক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম একথা বলেন। নির্বাচন কমিশনে মনোনয়ন বাতিলের পর তিনি তার দলীয় সিদ্ধান্ত জানাতে এ সাংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
ঋণ খেলাপির অভিযোগে জাতীয় সংসদের টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতি) আসনের উপ-নির্বাচনে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম ও তার স্ত্রী নাসরিন সিদ্দিকীর প্রার্থীতা বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। তবে ওই আসনে তার দল নির্বাচনের মাঠে থাকবে বলে জানান তিনি। আগামী ১০ নভেম্বর এ আসনে ভোট হবে।
সংবাদ সম্মেলনে কাদের সিদ্দিকী আরো বলেন, এদেশের মানুষ তাদের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতেই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়। ভোটাধিকারের জন্য রক্ত দেয়। কিন্তু এখনো ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা হয়নি। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র এখন অনেক দূরে।
তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের উপর মানুষের আস্থা নেই। বর্তমান সংসদের অধিকাংশ সদস্য বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। আইনগতভাবে বলা যায় এরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছেন। জাতি প্রতিদ্বন্দ্বীতামূলক নির্বাচন চায়। মানুষের কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা নির্বাচনে অংশ নিতে চাই।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন ও সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন আদৌ হতে পারে কি-না, সেটি প্রমাণ করতে নির্বাচনে অংশ নিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমি ও আমার সহধর্মিনীর মনোনয়ন বাতিল করে সরকার একটি বড়ো সুযোগ হাতছাড় করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে তার প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে ছলনার আশ্রয় নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এতে করে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সন্মান ক্ষুণ্ণ হয়ে বলে আমি মনে করি।
কাদের সিদ্দিকীর দাবি, অগ্রণী ব্যাংকের যে ঋণের জন্য তাকে খেলাপি হিসেবে অভিযুক্ত করে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে সে অভিযোগ সত্য নয়। সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে প্রমাণাধি তুলে ধরেন তিনি।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, যেদিন আমি মনোনয়নপত্র দাখিল করেছি, তার পরদিন পর্যন্ত ব্যাংকের কাগজে ঋণখেলাপি ছিলাম না। কিন্তু এরপরেও অগ্রণী ব্যাংকের টাঙ্গাইল শাখা ঋণখেলাপি বলে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে একটি চিঠি দেয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা পরে নির্বাচন কমিশনের কাছে সে চিঠি দেয়। এভাবে আমার ও আমার স্ত্রীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।’
তিনি আরো জানান, তার প্রার্থিতা যে বাতিল হবে তা জেনেশুনেই কি চারজনের মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন। তিনি বলেন, এমন কিছু হতে পারে, আমাদের মনে সন্দেহ ছিল। এ জন্য চারজন মনোনয়নপত্র দাখিল করে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ অক্টোবর টাঙ্গাইল-৪ আসনের উপ-নির্বাচনের প্রার্থী কাদের সিদ্দিকীর প্রার্থীতা ঋণ খেলাপির অভিযোগে বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। এর বিরুদ্ধে কাদের সিদ্দিকী নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। কমিশন ১৮ অক্টোবর কাদের আপিল খারিজ করে দেয়।
প্রার্থিতা বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতে যাবেন বলে জানান বঙ্গবীর।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলটির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকী, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আসছে বড় ভূমিকম্প, প্রাণ যেতে পারে ৪ কোটি মানুষের
বৈজ্ঞানিক এবং নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ার ড. মেহরান কেশে এ কথা জানিয়েছেন। তাঁর গবেষণায় উঠে এসেছে, এই মেগা ভূমিকম্পের ফলে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা ভেঙে টুকরো হয়ে যাবে। সব থেকে বেশি ক্ষতি হবে এই দুই মহাদেশের পশ্চিম উপকূল জুড়ে। এখানে কমপক্ষে ২ কোটি মানুষ প্রাণ হারাতে পারেন। এর আগাম প্রস্তুতি হিসাবে আমেরিকা এবং কানাডার বড় শহরগুলিতে আপত্কালীন পরিস্থিতিতে কী কী করণীয় তা নিয়ে মক ড্রিল করা হচ্ছে নিয়মিত।
ড. কেশে বলেন, আমরা জানি ৬ থেকে ৮.৩ মাত্রার যে কোনও ভূমিকম্প বেশ বড় কম্পন হিসাবে ধরা হয়ে থাকে। কিন্তু মেগাকোয়েক-এ এই মাত্রা থেকে কম্পন শুরু হবে। তা গিয়ে পৌঁছবে ১০-১৬ কম্পন মাত্রায়। সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে দক্ষিণ আমেরিকার বিস্তীর্ণ আঞ্চল। এর ফলে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা একে অপরের থেকে আলাদা হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে মধ্যেই উত্তর চিন এবং জাপানে পর পর বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প হবে। তাতেও প্রচুর মানুষ প্রাণ হারাবেন। বলে ধারণা। ক্যারিবায়ান দ্বীপপুঞ্জও বড় ক্ষতির সম্মুখীন হবে। বিশ্বের গোটা অর্থনীতি ভেঙে পড়বে। আমি চাই যেন এমনটা না হয়, তবে এটা এড়ানো যাবে না বলেই আমার বিশ্বাস।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গরুর মাংস খাওয়ায় এবার মুসলিম বিধায়কের মুখে কালি
![]() |
| মুখে কালি ও মবিল নিয়েই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন জম্মু-কাশ্মীরের স্বতন্ত্র বিধায়ক প্রকৌশলী রশিদ। ছবি: রয়টার্স |
কয়েক দিন আগে পার্লামেন্টে জম্মু-কাশ্মীরের বিজেপির বিধায়কেরাও একই অভিযোগে রশিদকে মারপিট করেন।
এর আগে দেশটির ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সাবেক উপদেষ্টা সুধীন্দ্র কুলকার্নির মুখে কালি মাখিয়ে দিয়েছিলেন ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন শিবসেনার সমর্থকেরা। পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী খুরশিদ মাহমুদ কাসুরির একটি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান আয়োজন করায় ১৩ অক্টোবর মুম্বাইয়ে কুলকার্নির বাড়ির সামনেই এ ঘটনা ঘটানো হয়। ওই ঘটনার এক সপ্তাহের মাথায় আবারও মুখে কালি মাখানোর ঘটনা ঘটল।
এনডিটিভি ও দ্য হিন্দুর খবরে বলা হয়, আজ বিকেলে দিল্লির প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন জম্মু-কাশ্মীরের স্বতন্ত্র বিধায়ক প্রকৌশলী রশিদ। সংবাদ সম্মেলন চলার সময়ে সাংবাদিক ও পরিবারের সদস্যদের সামনেই তিনজন হঠাৎ করেই ওই বিধায়কের মুখে কালি এবং মবিল মাখিয়ে দেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দীপক ও দেব ইন্দিরা ইন্দ্রা সিং নামের দুজনকে পুলিশ আটক করেছে। সংবাদ সংস্থাগুলোর খবরে বলা হচ্ছে, এ ঘটনার দায় স্বীকার করেছে বিষ্ণু গুপ্তার নেতৃত্বাধীন হিন্দু সেনা নামের একটি কট্টরপন্থী হিন্দু সংগঠন।
খবরে বলা হয়েছে, ৭ অক্টোবর নিজের বাড়ি শ্রীনগরে রশিদ ‘গোমাংস’ ভোজের আয়োজন করেন। এতে রাগান্বিত হয়ে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তিনি কোনো রাজনৈতিক দল করেন না।
আজ এ ঘটনার পর রশিদ বলেন, ‘বিশ্ব দেখুক ভারত কীভাবে বদলে যাচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘অনেকে বলে থাকেন তালেবান পাকিস্তানকে গিলে ফেলছে; কিন্তু তারা দেখুক এখানে (ভারত) কী ঘটছে।’ তিনি বলেন, ‘তারা মানসিকভাবে অসুস্থ। কাশ্মীরে এ পর্যন্ত ৮০ হাজার লোককে মেরে ফেলা হয়েছে। একজন প্রকৌশলীর মুখে কালি ছিটানোর ঘটনায় আর এমন কী-ইবা হবে। তাদের জানা উচিত এটা নরেন্দ্র মোদির ভারত, মহাত্মা গান্ধীর ভারত নয়।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৫ বছরেই সেরা বিজ্ঞানী!

হান্না ফ্লোরিডার বোকা রেটনের বাসিন্দা এবং ফ্লোরিডা আটলান্টিক ইউনিভার্সিটি হাই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। কীভাবে সমুদ্র থেকে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদনে উন্নতি করা সম্ভব? এ বিষয়ে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় আমেরিকায়। ওই প্রতিযোগিতায় একটি উদ্ভাবনী প্রোটোটাইপ আবিষ্কার করে এই পুরস্কার জিতে নেয় হান্না। প্রতিযোগিতায় জিতে হান্না জানায়, উদ্ভাবনী প্রোটোটাইপ আবিষ্কার করার ধারণাটা সে পেয়েছিল তারই এক বন্ধুর কাছ থেকে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফিলিস্তিনে ইন্তিফাদা : বান্টুস্তানের বিরুদ্ধে লড়াই by জামাল জুমা
বর্তমান এ প্রতিরোধ সংগ্রামের মূলে রয়েছে সেই চিরাচরিত একই কারণ। ইসরাইলি দখলদারিত্ব, জাতিগত বিদ্বেষ এবং উপনিবেশবাদ ফিলিস্তিনিদের জীবনকে অসহনীয় করে তুলেছে। ফিলিস্তিনি এলাকায় বসতি স্থাপনকারী ইসরাইলিরা সশস্ত্র, সংগঠিত এবং জঙ্গি আদর্শে বিশ্বাসী। তারা ফিলিস্তিনিদের গ্রামে প্রবেশ করে এমনকি ঘরে ঢুকে পর্যন্ত হামলা করছে। গত বছর তরুণ মুহম্মদ আবু খিদিরকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যার পর থেকে সম্প্রতি দিমায় দাওয়াব শাহের বাড়িতে আগুন দিয়ে তার মা-বাবা এবং ছোট্ট একটি শিশুকে পুড়িয়ে মারা পর্যন্ত নিয়মিতভাবে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীরা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরাইলি বর্বর দখলদারিত্ব এবং নিষ্পেষণ বজায় রাখার জন্য ইসরাইলি সৈন্যরা বসতি স্থাপনীকারীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে সহায়তা করে যাচ্ছে পশ্চিমতীরে।
ফিলিস্তিনিদের বান্টুস্তানে ঠেলে দেয়া

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর পশ্চিমতীরে বেশির ভাগ ফিলিস্তিনি এলাকা পুনরায় দখল করাসহ ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণায় উৎসাহিত হয়েছে বসতি স্থাপনীকারী সন্ত্রাসীরা। অসলো চুক্তি অনুসারে পশ্চিমতীরে ‘এ’ এলাকার বেশির ভাগ জায়গা পুনর্দখলের ঘোষণা দেন নেতানিয়াহু। ‘এ’ এরিয়ায় ব্যাপকভাবে ইসরাইলি সেনা মোতায়েন সেখানকার বসতি স্থাপনকারী বা ইসরাইলি অভ্যন্তরীণ রাজনীতির স্বার্থে করা হয়নি। তাদের সবার লক্ষ্য একটি আর তা হলো জেরুসালেম এবং পশ্চিমতীর থেকে যত বেশি সম্ভব ফিলিস্তিনিদের বহিষ্কার করে ইসরাইল সৃষ্ট প্রাচীরঘেরা বান্টুস্তানে (দক্ষিণ আফ্রিকার কালোদের পাঠানোর জন্য তৈরি অচ্ছুত এলাকা) ঠেলে দেয়া। ফিলিস্তিনজুড়ে ইসরাইলি দখলদারিত্ব প্রতিরোধে প্রথম ইন্তিফাদা গড়ে উঠেছিল। আর এখন পশ্চিমতীরে ফিলিস্তিনিদের সব অবকাঠামো ধ্বংস এবং দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে আরেক ইন্তিফাদা গড়ে উঠেছে।
একই দখলদারিত্বের লক্ষ্যে তারা গাজায়ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এর আগে। পশ্চিমতীরে জাতিবিদ্বেষী দেয়াল নির্মাণ, বাড়িঘর ধ্বংস, পানির অধিকার থেকে বঞ্চিত করাসহ নানাবিধ বর্বরতা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইলিরা।
নির্ভয় তারুণ্য
জাতিগত নিধনের ইসরাইলি এ চক্রান্ত প্রভাবিত করেছে ফিলিস্তিনি তরুণদের। বর্তমানে তাদের যে প্রতিরোধ লড়াই চলছে তার মূলে রয়েছে ইসরাইলি এ জাতিগত নিধনের ষড়যন্ত্র। অর্থনীতি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বাড়িঘর ধ্বংসের ইসরাইলি নীতির বিরুদ্ধে জেরুসালেমের তরুণেরা তাদের মিশন ‘শেকিং অফ’ চালিয়ে যাচ্ছে। এরা কোনো কিছুর ভয়ে ভীত নয়। ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা অথবা পাথর ছোড়ার বিরুদ্ধে ২০ বছরের সাজার নতুন আইন কোনো কিছুর ভয়ে ভীত নয় তারা। মুহম্মদ আবু খিদিরকে পুড়িয়ে হত্যার পর থেকে জেরুসালেমে ইন্তিফাদা চলমান রয়েছে। পশ্চিমতীরের বাকি এলাকায় প্রতিবাদের ঢেউ আছড়ে পড়ছে।

গত সপ্তাহে সাতজন তরুণ নিহত হয়েছেন এবং আট শতাধিক আহত হয়েছে। গ্রিনলাইনের মধ্যে ফিলিস্তিনিরা সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন শহরে প্রতিবাদ আন্দোলন করে যাচ্ছে। তারা ইসরাইল কর্তৃক চূড়ান্ত বর্ণবাদ, প্রাতিষ্ঠানিক জাতিবিদ্বেষ, জাতিগত নিধনের শিকার। পশ্চিমতীরে ‘এ’ এলাকায় বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনভাবে চলাচলেরও কোনো অধিকার নেই। তারা রাজনৈতিক নেতৃত্বশূন্য। ইসরাইলি জাতিবিনাশী নীতির বিরুদ্ধে সেখানে তাদের ফিলিস্তিন জাতীয় কর্তৃপক্ষ (পিএনএ) বা কোনো রাজনৈতিক দল কোনো দিকনির্দেশনা দিতে পারছে না। ইসরাইল সৃষ্ট কলোনিতে বসবাসকারী এসব ফিলিস্তিনির আত্মনিয়ন্ত্রণ বা প্রত্যাবর্তন এবং বর্ণবাদের হাত থেকে রক্ষায় তারা কিছুই করতে পারছে না।
ইসরাইল এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ
ফিলিস্তিনি তরুণদের বর্তমান এ ইন্তিফাদা শুধু ইসরাইলের বিরুদ্ধে নয় বরং ইসরাইলি নিষ্পেষণ থেকে রক্ষায় ব্যর্থ ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের (পিএ) বিরুদ্ধেও। ফিলিস্তিন অথরিটিও এ জনরোষ বিষয়ে অবহিত । মাহমুদ আব্বাস জাতিসঙ্ঘের সাম্প্রতিক ভাষণেও এ বিষয়টি তুলে ধরেছেন। বান্টুস্তানে ফিলিস্তিনি অথরিটির কর্তৃত্ব এবং অস্তিত্ব বিলীন না করার বিষয়ে তিনি এক ধরনের অনুরোধ জানিয়েছেন ইসরাইল ও তার সমর্থকদের প্রতি। তার ধারণা, ফিলিস্তিনিরা মনে করবে ইসরাইল কর্তৃক ফিলিস্তিনিদের জাতিগত নিধন পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছে ফিলিস্তিন ন্যাশনাল অথরিটি বা পিএনএ।

বান্টুস্তানের ‘এ’ এলাকায় সংহতি স্থাপনের জন্য ইসরাইল এবং পিএনএ’র মধ্যে যে ক্ষমতার ভাগাভাগি হয়েছে তা শেষ পর্যন্ত টিকবে না। ফিলিস্তিনিদের মাঝে পিএনএকে ন্যূনতম একটি বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষা করতে হবে। ইসরাইলি বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে ফিলিস্তিনিদের রক্ষা এবং স্বাধীনতার জন্য একটি আন্দোলন গড়ে তোলা, ইসরাইলের সাথে অর্থনৈতিক চুক্তি বাতিল করা, ইসরাইলকে পুরোপুরি বয়কট এবং অবরোধের ডাক দিতে হবে। যদি এ ন্যূনতম কাজগুলো পিএনএ করতে না পারে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের অভ্যুত্থান ঘটবে। ফিলিস্তিনের সব রাজনৈতিক, আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট এখন এই অভ্যুত্থানের পক্ষে দাঁড়িয়ে আছে। টু স্টেট সল্যুশনের বিষয়ে যারা আশাবাদী ছিলেন, তারা এখন হতাশ। তরুণদের বেকারত্ব এবং হতাশা চূড়ান্ত আকার ধারণ করেছে। তারা মর্যাদা চান। স্বাধীনভাবে বাঁচতে চান।
ইসরাইল এবং ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ বর্তমান এ অভ্যুত্থান থামাতে পারে কি না তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে অনেকে। ইসরাইল-ফিলিস্তিন নিরাপত্তা সংস্থার পক্ষ থেকে পরিস্থিতি শান্ত করার বিষয়ে একমত হয়েছে। নেতানিয়াহু এবং মাহমুদ আব্বাস সঙ্ঘাত বন্ধের আহবান জানিয়েছেন উভয় পক্ষকে। কিন্তু এ আহ্বানের পর পশ্চিমতীরে নতুন করে যে প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়েছে তা ছিল আগের চেয়ে অনেক ব্যাপক। তা ছাড়া আবারো ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা চালিয়েছে।
তৃতীয় আরেকটি ইন্তিফাদা ঘটবে কি না সেটা আসল প্রশ্ন নয় বরং প্রশ্ন হলো, কখন এটা ঘটতে যাচ্ছে? মূল বিষয় হলো ইসরাইলের বসতি স্থাপনকারী কলোনি প্রকল্প। এমনকি যদি ফিলিস্তিনি নেতৃত্ব নাও থাকে এবং ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীরা এভাবে ফিলিস্তিনিদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত রাখে তাহলে আজ হোক কাল হোক অভ্যুত্থান হবেই।
লেখক: জামাল জুমা জেরুসালেমে জন্মগ্রহণকারী একজন ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক বিশ্লেষক
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গরু হত্যা গুজবে আবার খুন, উত্তাল কাশ্মির
![]() |
| জাহিদের মৃত্যুর খবরে শোকার্ত পরিবার। রবিবার অনন্তনাগে। ছবি : পিটিআই |
৯ অক্টোবরের ঘটনা। উধমপুরের চেনানি গ্রামের রাস্তায় তিনটি গরুর মৃতদেহ দেখতে পাওয়া যায়। তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিষাক্ত কোনো কিছু খেয়ে মারা গিয়েছিল গরুগুলি। কিন্তু গো-হত্যা করা হয়েছে সন্দেহে বিক্ষোভ শুরু হয়ে যায় উধমপুরে। ইতিমধ্যে জম্মু-কাশ্মীরের এক নির্দলীয় এমপি ইঞ্জিনিয়ার রশিদের বিফ-পার্টি নিয়েও ক্ষোভ জমা হয়েছিল দক্ষিণপন্থীদের মধ্যে। ঘটনার প্রতিবাদে পথে নেমে পড়ে তারা। রাস্তার ধারে দাঁড় করানো ছিল একটি ট্রাক। সেটিকে লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা ছোড়ে বিক্ষোভকারীরা। গুরুতর জখম হন বছর পঁয়ত্রিশের ট্রাকচালক শওকত আহমেদ দার ও ২৩ বছর বয়সি জাহিদ রাসুল বাট। ৭০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় সফদরজঙ্গের হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন জাহিদ। রোববার সেখানেই মৃত্যু হয়েছে তার।
খবর ছড়িয়ে পড়ে দাবানলের মতো। জাহিদ ও শওকত, দু’জনেই দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগের বাসিন্দা। অনন্তনাগের রাস্তায় নেমে পড়েন বিক্ষুব্ধ লোকজন। জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন তারা। টায়ার পোড়াতে শুরু করেন। কাশ্মীরকে দেশের সঙ্গে জুড়ে রেখেছে ওই একটি রাস্তা। গোটা ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে কাশ্মীর। শেষে পরিস্থিতি সামলাতে রাস্তায় নামে সেনা-পুলিশ। বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে। পাল্টা জবাব দেয় পুলিশও। কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়তে থাকে তারা।
উত্তরপ্রদেশের দাদরি, হিমাচলের সিরমৌর, মধ্যপ্রদেশের সিহোরা, কাশ্মীরের অনন্তনাগ...। প্রতি দিনই খবরে উঠে আসছে দেশের কোনও না কোনও প্রান্তের নাম। কারণ সেই একটাই, গো-হত্যা ও গো-মাংস বিক্রি নিষিদ্ধকরণ। আজ এ নিয়ে সরাসরি মোদী সরকারকে আক্রমণ করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘‘গো-মাংস নিষিদ্ধ করার নামে আর একটা অর্থহীন মৃত্যু। যার জন্য বিজেপি ও তার শরিক দলগুলোই সম্পূর্ণ দায়ী। আর এ বার রাজ্য সরকার জাহিদের পরিবারকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলবে।’’ ওমর আরও লেখেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী তো দাদরির ঘটনা নিয়েও অখিলেশ যাদব আর উত্তরপ্রদেশ সরকারের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে হাত তুলে নিয়েছে।’’
২৮ সেপ্টেম্বর গো-মাংস খেয়েছেন সন্দেহে মোহম্মদ আখলাক নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় উত্তরপ্রদেশের দাদরিতে। এর বেশ কিছু দিন পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, ‘‘কেন্দ্রের কী করার আছে এতে?’’
প্রথম থেকেই গোটা বিষয়টি এড়িয়ে চলতে দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। সে জন্য বারবার বিরোধীদের আক্রমণের মুখেও পড়তে হয়েছে তাকে। এমনকী শিরোমণি অকালি দলের মতো শরিক দলগুলোও সরব হয়েছে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। কিন্তু বিজেপি তাতে পাল্টা প্রশ্ন তুলেছে, সব বিষয়ে কৈফিয়ত দিতে হবে প্রধানমন্ত্রীকে? আগে ক’জন প্রধানমন্ত্রী এমন কাজ করেছেন?
সোমবার কাশ্মীর স্তব্ধ করে দেওয়ার ডাক দিয়েছেন বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সৈয়দ আলি শাহ গিলানি। তাকে সমর্থন জানিয়েছে স্বাধীনতাকামী নেতা মিরওয়াইজ উমর ফারুক ও জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের নেতা ইয়াসিন মালিক।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমেরিকায় শিশুদের গুলি চালানোর রোমহর্ষক তথ্য
দেখা গেছে, চলতি বছরের এখনও পর্যন্ত ৪৩টি গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৩১ শিশু নিজেকেই গুলি করেছে। এদের মধ্যে ১৩ জন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া, ১২টি শিশু গুলি চালিয়ে অন্যান্যদের আহতও করেছে। শিশুর গুলিতে মৃতের সংখ্যা ২ জন।
অ্যালবামা অঙ্গরাজ্যে ২ বছরের এক ছেলে বন্দুক হাতে পেয়ে তার ঘুমন্ত বাবাকে গুলি করে হত্যা করে। অন্য আরেক শিশু তার মা-বাবাকে গুলি করলে তারা সৌভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে যান। এছাড়া, কালেব আহের নামের ২ বছরের এক শিশু বাবার পিস্তল দিয়ে নিজেকে গুলি করে। বাড়ি বদল করার সময় গাড়ির গ্লোব কপার্টমেন্টে থেকে পিস্তলটি সবার অজান্তে হাতিয়ে নিয়েছিল এই শিশু। অন্যদিকে মিশিগানের জোনাথন কাউম্যান বাবার ক্লোজেট থেকে গুলি ভর্তি পিস্তল হাতিয়ে নিয়ে নিজের মাথায় গুলি করে। তারা বাবা এবং বড় ভাই এই সময়ে বাইরে ছিলেন। তিন বছরের জোনাথন পরে মারা যায়।
টেক্সাসে তিন বছরের আরেক শিশু ৩৮০ সেমিঅটোমেটিক পিস্তল হাতিয়ে নেয়। দাদার শোবার ঘর থেকে এটি হাতিয়ে নিয়ে নিজের মুখে গুলি চালায় সে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাকে বাঁচাতে পারেননি চিকিৎসকরা। দায়িত্বজ্ঞানহীন ভাবে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কারণেই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই জাতীয় ঘটনা ঘটে বলে খবরে বলা হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পশ্চিম তীরে উদ্বাস্তু শিবিরে অভিযান
![]() |
| পশ্চিম তীরে উদ্বাস্তু শিবিরে ইসরায়েলি সেনা অভিযান |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঐক্যের ডাক সু চির
![]() |
| রাখাইন রাজ্যের থ্যানদোয়ে শহরে গতকাল নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেন অং সান সু চি। রয়টার্স |
নির্বাচনের আগে সংখ্যাগুরু বৌদ্ধদের না চটানোর নীতিই সু চির নীরবতার কারণ বলে মনে করা হয়। সমাবেশে সু চি স্থানীয় মুসলিম ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজনের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন। সু চির দল ক্ষমতায় এলে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈষম্য নিরসনে কী করবে এমন প্রশ্ন করেন এক মুসলিম ব্যক্তি। জবাবে সু চি বলেন, তাঁর দল আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে। এক বৌদ্ধ ব্যক্তি প্রশ্ন করেন, এমন গুজব রটেছে যে সু চির দল ক্ষমতায় এলে মুসলিমরা দেশের ক্ষমতা পাবে। এর জবাবে সু চি বলেন, এ ধরনের প্রশ্ন জাতিগত ও ধর্মীয় সহিংসতাকে উসকে দেবে। গতকাল থ্যানদোয়ে শহর এবং আশপাশের গ্রামগুলো থেকে হাজার হাজার মুসলিম সমাবেশে যায়। সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) এবারের নির্বাচনে যে ১ হাজার ১০০ জনকে মনোনয়ন দিয়েছে, এর মধ্যে একজন মুসলিমও নেই। তবু সমাবেশে আসা মুসলিমদের অনেকেই সু চির প্রতি তাদের সমর্থনের কথা জানায়। এদের একজন ওয়েন নাইং (৪১) বলছিলেন, ‘আমাদের আশা ছোটই। আমাদের সমান অধিকার নেই। আমি আশা করি মা সু চি নির্বাচনে জিতলে আমরা আমাদের অধিকার ফিরে পাব।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরিয়ান অবজারভেটরির নেপথ্যে কারা?
![]() |
| রামি আবদুল রহমান |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিপর্যয়ের মুখে ঢাকা by হারুন-আর-রশিদ
মোহাম্মদপুর থেকে মতিঝিলের শাপলা চত্বর সাত কিলোমিটার রাস্তা পাড়ি দিতে আধুনিক শহরে বড় জোর ৩০ মিনিট লাগার কথা। বাস্তবে সময় লাগে আড়াই ঘণ্টা থেকে তিন ঘণ্টা। ৬ সেপ্টেম্বর মিনিবাসে মতিঝিল আসতে মোহাম্মদপুর থেকে সময় লেগেছে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা। শাপলা চত্বরে এসে যখন পৌঁছি তখন ৩টা ২৫ মিনিট। মোহাম্মদপুর থেকে যাত্রা করেছিলাম দুপুর ১২টায়। কোনো কাজ নিয়ে মতিঝিলে এলে ওই একটি মাত্র কাজ করাও সম্ভব হচ্ছে না যানজটে এত বেশি বিলম্ব ঘটার কারণে। প্রযুক্তির যুগে এটা চরম দুঃখজনক সংবাদ। আমার মতো শত শত মানুষ প্রতিদিন যানজটের বেহাল দশায় আক্রান্ত হয়ে আর্থিকভাবে প্রচুর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আসা-যাওয়ায় সময় লাগার কথা যেখানে এক ঘণ্টা, সেখানে সময় ব্যয় হচ্ছে এমনকি সাত ঘণ্টাও। অতিরিক্ত ছয় ঘণ্টা (৭-১) সময় যে অযথা নষ্ট হচ্ছে এর ক্ষতিটা অপূরণীয়। অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিদিন কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে ছয় ঘণ্টা। ঢাকায় মতিঝিল-গুলশানে প্রতিদিন যারা আসা-যাওয়া করেন সব মিলিয়ে যদি ধরি প্রায় ৩০ হাজার মানুষ, তাহলে ছয় ঘণ্টা নষ্ট হওয়ার অর্থ কি দাঁড়ায়? অর্থাৎ পরিসংখ্যানই বলে দেয় নগরীর অন্তত ৩০ হাজার মানুষের কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে (৩০,০০০´৬) = ১,৮০,০০০ ঘণ্টা। জাতীয় অর্থনীতির ক্ষতির এ ধাক্কাটা প্রতিদিন যে ঘটছে সে ব্যাপারে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে যারা আছেন, তাদের কোনো মাথাব্যথা আছে বলে মনে হয় না। রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রধান থেকে শুরু করে মন্ত্রী মহোদয়রা কি এটা তাৎক্ষণিকভাবে অনুভব করতে পারেন? পারেন না। কারণ তাদের চলাচলের সময় সড়ক যানজটমুক্ত থাকে।
গত ১ সেপ্টেম্বর একটি স্মরণীয় দিন বিশেষ করে ঢাকাবাসীর জন্য। পত্রিকা লিখেছে- পানিপথের আরেক যুদ্ধ : শুক্রাবাদে বুক সমান পানি। ফুটপাথের এক দোকানদার তার বিক্রয়সামগ্রী নিয়ে রিকশায় করে যাত্রা শুরু করেছেন। গন্তব্য কী নিজেও জানেন না। রিকশাওয়ালাকে বললেন, মামা শুকনো কোনো জায়গা পেলে আমার মালসামানসহ আমাকে নামিয়ে দিলে খুশি হবো। ছবিসহ এ ধরনের একটি সংবাদ পত্রিকায় উঠেছে। ঢাকার জলাবদ্ধতার কোনো নিরসন হয়নি। বরং এ সমস্যা আরো জটিল রূপ নিয়েছে। ওই দিনের একটি টিভি চ্যানেলে তিনজন নগরবিশারদ যে বক্তব্য দিয়েছেন- তার সার সংক্ষেপ হলো (১) ঢাকার ১৬টি প্রধান খাল দখল ও ভরাট হয়ে গেছে। (২) ড্রেনেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়নি। (৩) ৪৮০ কিলোমিটার নালা-নর্দমা প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হয়নি। ঢাকার সমস্যাগুলো নিয়ে প্রতিদিন পত্রিকায় নিউজ ছাপানো হচ্ছে। নগরবিদদের সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হচ্ছে। গোলটেবিল বৈঠক, মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা দীর্ঘ দিন ধরে চলেছে। অথচ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ কোনো সরকার নেয়নি। উল্টো দেখা যায়, কিভাবে ঢাকার মৃত্যু ত্বরান্বিত করা যায় সে অপচেষ্টায় আমরা সবাই ব্যস্ত।
তিন ধরনের জট ঢাকাকে ব্যাধির শহরে পরিণত করেছে। এগুলো হলো- যানজট, জলজট এবং মানবজট। একদিন যদি সব যান বন্ধ হয়ে যায় সে দিন ঢাকা পরিণত হয় অধিকতর মানবজটে। এমনিতেই ঢাকায় এখন মানবজট প্রায় জায়গায় পরিলক্ষিত হয়। মতিঝিল অফিসপাড়ায় সব সময় মানবজট লেগে থাকে। মনে হয় যেন মস্ত বড় একটি বাজার। সব কিছুই এখন অফিসপাড়ায় মূল সড়কেও বেচাকেনা হচ্ছে। আজব সব কর্মকাণ্ড মহানগরীর সড়কপথকে অবলম্বন করে গড়ে উঠেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলতে গেলে নীরব। শোনা যায়, এসব অবৈধ ব্যবসায় সরকারি দলের লোকজনদের সাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও জড়িত। বহু বছর ধরে সড়ক পথের ব্যস্ত স্থানে এ ধরনের বাণিজ্য চলায় পথচারীর ভোগান্তি কী পরিমাণ বেড়েছে তা সবার জানা। মূল সড়ক পথে গুলশান, বনানী, ধানমন্ডিতেও দেখা যায়। নগরীর ফুটপাথ বহু আগেই ভাসমান হকারদের দখলে। এখন কিছু ফুটপাথে মোটরসাইকেল চলতে দেখা যায়। বড় ফুটপাথে গাড়ি পার্কিং করে রাখা হয়। গণপরিবহন যেসব সড়কপথে চলে, তা সরু হতে হতে মাত্র ১৫ থেকে ২০ ফুটে পৌঁছেছে। সড়কের ডান বামে সাত ফুট করে (৭´২) ১৪ ফুট জায়গা দখল করে রেখেছেন প্রাইভেট গাড়ির মালিকেরা।
আইন নিজস্ব গতিতে চলার পথে প্রতিবন্ধকদের বিরুদ্ধে আইনের রক্ষকেরাই নীরব। তাহলে আইন কাগজে থাকবে- বাস্তবে থাকবে না। বাংলাদেশে এ ধরনের বহু আইন আছে কিন্তু তার প্রয়োগ নেই। আইন কার্যকর না থাকার কারণে দেশে যানজট, জলজট, বর্জ্যজট এবং মানবজট চরম আকার ধারণ করেছে।
আমরা নিজের দোষেই নিজে মরছি। দেশের চেয়ে বেশি ভাবছি নিজেকে নিয়ে। আসলে আমরা অদূরদর্শী। রাষ্ট্র ভালো থাকলে যে গোটা রাষ্ট্রের মানুষ ভালো থাকে- আমরা অবিবেচক বলে এ সত্যতা বুঝতে চাচ্ছি না। পৃথিবীর ১৯৪টি রাজধানী শহরের মাঝে ঢাকার অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয়। আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় এ তথ্য প্রকাশ করেছে। ঢাকার সৌন্দর্য ৭১-এর আগের চেয়ে নিম্নমানের হওয়ার পেছনে কারণগুলো নিয়ে সরকার শুধু কথাই বলেছে- কিন্তু কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি।
ঢাকার কোটি মানুষ মাত্র পৌনে চার শত বর্গ কিলোমিটার এলাকায় বাস করছেন। একটি দেশে যত লোক বাস করে না- তা যদি একটি শহরে বাস করে তাহলে সেই দেশের রাজধানী কিভাবে পরিবেশবান্ধব হবে? বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ কানাডা- সেই কানাডার লোকসংখ্যা মাত্র সাড়ে তিন কোটি। নতুন ঢাকার মেগা পরিকল্পনার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদও অবৈধ পথে ক্ষমতায় এসে কয়েকবারই বলেছিলেন, ঢাকার চিত্রকে পাল্টিয়ে দেবো। একটি বেড়িবাঁধ ও কিছু রাস্তা সংস্কার হয়েছে বটে কিন্তু সমস্যার জট কি কমেছে? যদি কমতো তাহলে ঢাকার আজকের চেহারাটা এতো কদর্য হলো কেন। একটি সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে যদি আরেকটি সমস্যার সৃষ্টি হয়, তাহলে বুঝতে হবে- পরিকল্পনার মধ্যে কোনো সমন্বয় ছিল না। যেমন ধরুন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা রাজধানী ঢাকার রাস্তার পাশে ফেলে রাখা বিশাল ভাগাড়ের কনটেইনারগুলো রাস্তার প্রসারতা কমাচ্ছে- অন্য দিকে দুর্গন্ধ ও দূষিত বায়ু ছড়াচ্ছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দীর্ঘ ৪০ বছর কোনো সরকারই করতে পারেনি। এলাকাভিত্তিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, যা দিয়ে সার তৈরি করা যায়- এ রকম কিছু সরকার গড়ে তুলতে পারেনি। এ কারণে ঢাকা আবর্জনার শহরে রূপ নিয়েছে।
জলাবদ্ধতার মূল কারণ নালা-নর্দমা-জলাশয়, খাল ভরাট করে বাণিজ্যে মেতে ওঠা, যা ঢাকাবাসীকে চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে। পয়ঃনিষ্কাশন, ড্রেনেজ সিস্টেম এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এখনো আধুনিকায়ন করা হয়নি। দীর্ঘমেয়াদি কাজ স্বল্পমেয়াদি টার্গেট নিয়ে করা হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করলে কাজটির টেন্ডার বারবার সিটি করপোরেশন বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া যাবে না। কাজটি নিম্নমানের, কারণ কম খরচে সম্পন্ন করা হয়। কিন্তু বিলে দেখানো হয় বড় অঙ্কের হিসাব। এভাবেই আমরা সঙ্কীর্ণ স্বার্থে জনস্বার্থকে উপেক্ষা করছি। জনস্বার্থের কাজটি যখন বাণিজ্যে রূপ নেয় তখন জনগণ ও রাষ্ট্র বঞ্চিত হবে।
ঢাকাকে মেগাসিটি করতে নাকি মহাপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে, বাস র্যাপিড ট্রানজিট, কয়েকটি নতুন ফ্লাইওভার, ঢাকার চার পাশে ২৪ কিলোমিটার নৌরুট নির্মাণের মহাপরিকল্পনার কথা বলছে সরকার। কিন্তু কোনো পরিকল্পনাই অদ্যাবধি পানিজট, যানজট ও মানবজট থেকে ঢাকাকে মুক্ত করতে পারেনি। বাপদাদার আমলে শোনা প্রবাদ বাক্যটি যে সত্য- সেটা বিশ্বাস করতে হয়। অর্থাৎ, যায় দিন ভালো, আসে দিন খারাপ। একসময়ে ঢাকায় খেলার মাঠ ছিল, খোলা জায়গা ছিল। ফুটপাথে হাঁটা যেত। সারা দিন বৃষ্টি হলেও ঢাকায় জলাবদ্ধতার দৃশ্য দেখা যায়নি। এখন কোনো খাল নেই- যা-ও দু-একটি ছিল সেগুলো ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৬ মিলিমিটার বৃষ্টিতে পুরো ঢাকা শহর বলতে গেলে প্রায় সাড়ে তিন শত বর্গ কিলোমিটার এলাকা প্লাবিত। বুকসমান পানি ঢাকার কোনো কোনো স্থানে। কেন এর নেই কোনো প্রতিকার?
৪৪ বছরে জনসংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি। কিন্তু ভূখণ্ড এক ছটাকও বাড়েনি। আবাদি জমি কমেছে স্ফীত জনসংখ্যার কারণে। খাল, বিল, জলাশয়, নদী কমেছে। মানবসৃষ্ট পরিবর্তনের কারণে পরিবেশেরও বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। ঢাকা সিটি এসব বিপর্যয়ের কেন্দ্রভূমি। যে শহরে মানুষ বেশি- সেই শহর দূষণমুক্ত রাখা কঠিন। সুতরাং সরকারের মেগাসিটি পরিকল্পনা অতীতের মতো মুখ থুবড়ে পড়তে পারে। ঢাকার অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ যেকোনো উপায়ে রোধ করতে হবে। ঢাকা শহরে মানুষ কেন আসছে- সেটা চিহ্নিত করে এরপর এর সমস্যার পথ খুঁজতে হবে। এককথায় বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি। ঢাকাকেন্দ্রিক বড় বড় অফিস, কলকারখানা, আবাসিক ভবন, বাণিজ্যিক ভবন, সেক্রেটারিয়েট ভবন যেখানে দৈনিক ৩০ থেকে ৪০ হাজার মানুষ আসে, আদালতপাড়া, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় প্রভৃতি অপসারণ করতে হবে। নগরীর বাইরে এসব সরিয়ে নিতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের কারণে ব্যক্তিগত ও সরকারি পরিবহন বাড়ছে এবং মূল সড়ক পথকে গাড়ি পার্কিং হিসেবে ব্যবহার করছে। যানজট ও মানবজট বাড়ার মূল কারণ এগুলো। ঢাকার ধানমন্ডি মাঠ, ওসমানী উদ্যান ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান- এসব উদ্যানও এখন বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। বড় বড় ইমারত, অফিস কাম শপিং কমপ্লেক্সের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রাখা হয়েছে খেলার মাঠের পাশে।
শিশুদের খেলার মাঠও কর্তৃপক্ষ ‘খেয়ে ফেলেছে’। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন (Neat and clean) শহরের মুখরোচক শব্দ আওড়াবেন, আবার নিজেরাই ঢাকাকে কিভাবে শ্বাসরুদ্ধকর, ভাগাড় ও আবর্জনার শহরে রূপ দেয়া যায়- এর অনুমোদন দেবেন রাজউক ও সিটি করপোরেশনের কর্তৃপক্ষের সহায়তায়। তাহলে তো মেগা সিটির পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কঠিন হবেই। জরিপে স্পষ্ট উল্লেখ আছে- ঢাকার বর্তমান আয়তন হিসাবে লোকসংখ্যা এক কোটিই যথেষ্ট। এর বেশি জনসংখ্যা হয়েছে বলেই যান, জল ও মানবজট বেড়েছে ঢাকায়। ঢাকাকে বাঁচাতে হলে মেগা সিটির পরিকল্পনার আগে বিকেন্দ্রীয়করণ পদক্ষেপ নিতে হবে। ঢাকাকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারের পাশাপাশি জনসচেতনতার উপায় বাতলিয়ে দিতে হবে। ঢাকাকে নিয়ে বাণিজ্য করতে গিয়ে আমরা ঢাকাকে অসুস্থ নগরীতে পরিণত করেছি। রাষ্ট্রকে নিয়ে বাণিজ্য, রাজধানীকে নিয়ে বাণিজ্য- যারা করেছে তারা দেশের কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুর নয়। এ মুহূর্তে বঙ্গবন্ধুর সে বচনটি যথার্থ বলেই মনে হলো- মানুষ পায় সোনার খনি, আমি পেয়েছি চোরের খনি।
লেখক : গ্রন্থকার, গবেষক ও কলামিস্ট
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুর্গাপূজায় এক টুকরো মশালডাঙ্গা by অমর সাহা
প্রতিবছরই এই লড়াইয়ে মেতে ওঠে কলকাতাসহ গোটা পশ্চিমবঙ্গ। শুধু কি তাই, মোটকথা ভারতে যেখানে বাঙালির বাস, সেখানেই দেবীদুর্গার আরাধনা। ত্রিপুরা, ঝাড়খন্ড, বিহার, উত্তর প্রদেশ, দিল্লি, আসাম, মেঘালয়, ছত্তিশগড়, বিহার, মহারাষ্ট্র—সর্বত্রই যেন চলে এই দেবীর আরাধনা। থিমের লড়াই। কারণ, এসব রাজ্যে রয়েছে প্রচুর বাঙালির বাস।
এবার কলকাতার পূজায় দুটি পূজামণ্ডপ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। এর একটি ভারতের ভূখণ্ডে থাকা বাংলাদেশের সাবেক একটি ছিটমহলের জীবনধারাকে নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। আর অন্যটি এবার পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু দুর্গাপ্রতিমা তৈরি করে নতুন ভাবনার সৃষ্টি করেছে। দক্ষিণ কলকাতার কসবার শক্তিসংঘ পল্লীবাসী দুর্গোৎসব কমিটি এবারের পূজামণ্ডপ করেছে কোচবিহারের দিনহাটা মহকুমার মধ্য মশালডাঙ্গা ছিটমহলের আদলে। ভারতের ভূখণ্ডে থাকা এই মধ্য মশালডাঙ্গা ছিটমহল ছিল বাংলাদেশের। গত ৩১ জুলাই মধ্যরাতে ভারত ও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থাকা ১৬২টি ছিটমহল বিনিময় হওয়ার পর মশালডাঙ্গা ছিটমহল অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায় ভারতের ভূখণ্ডে। আর সেই এক টুকরো মশালডাঙ্গাকে এবার তুলে আনা হয়েছে কসবার শক্তিসংঘের পূজামণ্ডপে। একেবারে মশালডাঙ্গা ছিটমহলই যেন এখানে ঠাঁই পেয়েছে। সেই খড় ও বাঁশের তৈরি বাড়ি। বাঁশঝাড়, কলাবাগান, গোশালা, বাড়ির উঠোন—কী নেই এখানে। রয়েছে ছিটমহলের ঐতিহাসিক শিবমন্দিরও। হঠাৎ এই পূজামণ্ডপে ঢুকলে মনে হবে যেন আমরা চলে এসেছি কোনো একটি ছোট্ট গ্রামে। শুধু কি তাই, উদ্যোক্তারা এখানে লাইট অ্যান্ড সাউন্ডের মাধ্যমে শোনাচ্ছে ছিটমহলবাসীর ৬৮ বছরের নানা জ্বালা-যন্ত্রণার কথা। আর এই এক টুকরো মশালডাঙ্গাকে দেখার জন্য ছুটে আসছে কলকাতার মানুষ।
আর পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও উঁচু দুর্গাপ্রতিমা গড়ে এবার রেকর্ড গড়েছে দক্ষিণ কলকাতার দেশপ্রিয় পার্কের দুর্গোৎসব কমিটি। বিশাল মাপের দুর্গা। মা দুর্গার মুখমণ্ডলই হলো ১২ ফুট লম্বা। ভাবা যায়! তবে পূজা কমিটির একজন বলেছেন, ৭০ থেকে ৮০ ফুট উঁচু এই দুর্গাপ্রতিমা। পূজা কমিটির সম্পাদক সুদীপ্ত কুমার বলেছেন, মণ্ডপ করা হয়েছে ১৬২ ফুট লম্বা ও ৯০ ফুট চওড়ার। দেবীকে দর্শন করা যাচ্ছে ৫০ ফুট দূর থেকে। এই পূজার সহযোগিতায় রয়েছে একটি সিমেন্ট কোম্পানি।
কসবা বা দেশপ্রিয় পার্কই নয়; এবার নানা ভাবনা আর নানা সৃষ্টিধর্মী মণ্ডপ এবং প্রতিমা তৈরি হয়েছে কলকাতাজুড়ে। দক্ষিণ কলকাতার বেহালার নতুন দল পূজা কমিটি এবার মণ্ডপ করেছে সেই পৌরাণিক কাহিনি সমুদ্র মন্থনের ধাঁচে। দেখানো হয়েছে অমৃতভান্ডের উত্থানকে। নিমতলা সর্বজনীন পূজা কমিটি পূজামণ্ডপে এবার এনেছে শ্রাবণধারা। বৃষ্টি। বৃষ্টিভেজা এক নতুন ভাবনার পূজামণ্ডপ। সোদপুরের শহীদ কলোনির পূজামণ্ডপ তৈরি হয়েছে নেপালের সেই ভূমিকম্পের ধাঁচে। আর সোদপুরের উদয়ন সংঘ মন্দির নির্মাণ করেছে পৌরাণিকের হস্তিনাপুর ও কুরুক্ষেত্রকে কেন্দ্র করে। এখানেই দেখানো হচ্ছে অর্জুনের লক্ষ্যভেদ, দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ, কুরুপাণ্ডবদের পাশা খেলার দৃশ্যও। কলকাতার সন্তোষ মিত্র স্কয়ারে এবার পূজামণ্ডপ তৈরি হয়েছে ঘুরন্ত মণ্ডপের ধাঁচে। কর্মকর্তারা বলেছেন, তাঁদের মণ্ডপ এবার ‘উড়ন্ত চাকি, ঘুরন্ত প্যান্ডেল’। কলকাতার মহম্মদ আলি পার্কের পূজার ভাবনা এবার দক্ষিণ আফ্রিকার জঙ্গল সাফারিকে ঘিরে। আমেরিকার পার্লামেন্ট ভবনের ধাঁচে এবার মণ্ডপ তৈরি হয়েছে শিয়ালদহ অ্যাথলেটিক ক্লাবের, আর কলেজ স্কয়ার সর্বজনীন তাদের মণ্ডপ তৈরি করেছে হাঙ্গেরির পার্লামেন্টের আদলে। বারাসাতের চড়কডাঙ্গা পূজা কমিটি মণ্ডপ তৈরি করেছে থাইল্যান্ডের লোটাস টেম্পলের আদলে। আর্য সমিতি মণ্ডপ তৈরি করেছে বাউলদের বাদ্যযন্ত্র দিয়ে।
সেই গঙ্গা, যমুনা, কৃষ্ণা, গোদাবরী ও সরস্বতী—এই পঞ্চ নদীর সঙ্গম তুলে আনা হয়েছে খিদিরপুর পল্লী সমিতির দুর্গোৎসব। রাজডাঙ্গা নব উদয় সংঘ মন্দির তৈরি করেছে ইস্পাতের প্লেট দিয়ে। সত্যজিৎ রায়ের হীরক রাজার দেশকে ভাবনা করে মণ্ডপ তৈরি করেছে জগৎপুর জ্ঞানেন্দ্র পল্লীর অধিবাসীরা। আর দক্ষিণ কলকাতার সুরুচি সংঘ এবার পূজার থিম করেছে দক্ষিণ ভারতের তামিল স্থাপত্যকে নিয়ে। দাসপাড়া সর্বজনীন পূজার থিম এবার ‘লঙ্কেশ্বরের নরেশ’ বা লঙ্কার রাবণ। উত্তর কলকাতার পাতিপুকুর নতুন পল্লীর পূজামণ্ডপের এবারের ভাবনা তেভাগা আন্দোলন থেকে তেলেঙ্গানা আন্দোলন। আরও একটি আকর্ষণীয় পূজামণ্ডপ তৈরি করেছে গাঙ্গুলীবাগান রবীন্দ্র পল্লী দুর্গোৎসব কমিটি। এখানে বিশ্বের সেই সপ্তাশ্চর্যকে তুলে ধরা হয়েছে। ভারতের তাজমহল থেকে পেরুর ইনকা সভ্যতা, ব্রাজিলের আকাশছোঁয়া যিশু, জর্ডানের পেট্রা, ইতালির কলোসিয়াম, মেক্সিকোর চিচেন ইতজা আর চীনের ঐতিহাসিক প্রাচীর। এক অবিভক্ত বাংলার এক টুকরো ছবি তুলে এনেছে হরিদেবপুর বিবেকানন্দ স্পোর্টিং ক্লাব। অবিভক্ত বাংলার সেই মেলবন্ধনের ছবিকে তুলে ধরেছে উদ্যাপন কমিটি। আবার বৈষ্ণবঘাটায় ট্রামকে ভাবনা নিয়ে মণ্ডপ তৈরি করেছে চিৎপুরের যাত্রা শুরু সংঘ। এখানেই তুলে ধরা হয়েছে চিৎপুরের যাত্রাপালার নানা দৃশ্যকে। উত্তরাখন্ডের সেই ঐতিহাসিক মন্দির কেদারনাথকে দেখা যাবে বারাসাতের কল্যাণকৃত পূজামণ্ডপে। কন্যাভ্রূণ হত্যার বিরুদ্ধে প্রচার চালানোর ভাবনা নিয়ে মেয়েবেলার গল্পকাহিনি নিয়ে মণ্ডপ তৈরি করেছে কলকাতার কাশী বোস লেনের পূজা কমিটি। কলকাতার বাদামতলার আষাঢ় সংঘ মণ্ডপ তৈরি করেছে গুজরাটের সেই ডান্ডিয়া উৎসবকে সঙ্গী করে। আহিরীটোলার মণ্ডপ তৈরি হয়েছে রুটি বেলার বেলন আর বসার পিঁড়ি দিয়ে। আর কলকাতার বিধাননগরের এফ ই বোলোকের মণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে দিল্লির বাহাই লোটাস টেম্পলের আদলে।
সত্যি কথা কি, এমন ধরনের নানা ভাবনা আর চিন্তা নিয়ে কলকাতাসহ গোটা ভারতবর্ষের নানা প্রান্তে গড়ে উঠেছে দুর্গামণ্ডপ। বৈচিত্র্য আনা হয়েছে যেমন মণ্ডপ নির্মাণে, ঠিক তেমনি প্রতিমা নির্মাণ ও সাজসজ্জায়ও।
অমর সাহা: প্রথম আলোর কলকাতা প্রতিনিধি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিনায় ১৩৭ বাংলাদেশি নিহত, নিখোঁজ ৫৩
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বড়লেখায় কিশোরী নাজমাকে নির্যাতন- তোলপাড় by ওয়েছ খছরু
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশেষ পরিস্থিতিতে মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৬ করার প্রস্তাব
উল্লেখ্য, গতবছর মেয়েদের বিয়ের বয়স কমানো নিয়ে বিভিন্ন নারীবাদী সংগঠনের তীব্র আপত্তির মুখে সুর নরম করেছিল সরকার।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিজেপি নেতাদের গরুর মাংস নিয়ে মন্তব্যে ক্ষুব্ধ মোদি
অথচ ঘটনার পরপরই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মহেশ শর্মা গণপিটুনির ওই ঘটনাকে ‘দুর্ঘটনা’ হিসেবে বর্ণনা করেন। দলের আইনপ্রণেতা সঙ্গীত সোম দাদ্রি সফর করেন। সেখানে গিয়ে তিনি ‘গরু হত্যাকারীদের’ উত্তর প্রদেশের আখিলেশ যাদব সরকার রক্ষা করছে। হরিয়ানার বিজেপি দলীয় মুখ্যমন্ত্রী এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ভারতে থাকতে হলে, মুসলমানদের অবশ্যই গরুর মাংস খাওয়া ছাড়তে হবে। তিনি দাদ্রির হত্যাকারী জনতার কর্মকাণ্ডকে যৌক্তিকতা দেয়ারও চেষ্টা করেন। যদিও একদিন পরই তীব্র সমালোচনার মুখে সুর নরম করেন তিনি। আরেক বিতর্কিত বিজেপি নেতা সাক্ষী মহারাজ গরু জবাইয়ের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবি জানান।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের হাতছাড়া হচ্ছে নেপাল by ট্রেইল ওকিয়া আর অ্যারিয়েল
চেয়ারম্যান মাও জে দংয়ের নেতৃত্বে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি যখন চীনের গৃহযুদ্ধে জয়লাভ করে ১৯৪৯ সালে পিপলস রিপাবলিক অব চায়না গঠন করে, তখন আমেরিকানরা বিষয়টিকে ‘চীনকে হারানো’ হিসেবে দেখে। আমেরিকান কূটনীতিক ও রাজনীতিবিদেরা কমিউনিজমের কাছে চীনকে হারানোর জন্য একে অপরকে দোষারোপ করেন। যুক্তরাষ্ট্র এই নবগঠিত পিপলস রিপাবলিকের সাথে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে। তবুও চীনা কমিউনিস্টরা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের সব পথ খোলা রাখে।
এ ছাড়াও, চীনের হাতে যাওয়ার পর পণ্ডিত ব্যক্তি ও অন্যরা কমিউনিস্ট হয়ে গেছেন, অথবা কমিউনিস্টদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে উঠেছেন বলে আমেরিকানরা সন্দেহ পোষণ করেন। আমেরিকা ১৯৭০ দশকের প্রথমার্ধ পর্যন্ত তাইওয়ানে জিয়াং জিশির ‘পরাজিত’ সরকারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে। রিচার্ড নিক্সন ও হেনরি কিসিঞ্জার যখন হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করেন, যুক্তরাষ্ট্র তখন চীনের সাথে তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক গড়ে তোলে। চীনও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রয়োজন বোধ করে।
২০১৫ সালে নেপালের নতুন সংবিধান ঘোষণার পর ভারত যেভাবে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে তার সাথে পিপলস রিপাবলিক অব চায়না প্রতিষ্ঠার সময় আমেরিকা যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল তার সাথে মিল পাওয়া যায়। ভারতীয়দের কারণে নেপাল চীন এবং খ্রিশ্চিয়ানিটির কাছাকাছি চলে গেছে। কিন্তু কী কারণে নেপাল হাতছাড়া হয়ে গেছে, তা খুঁজে বের করা এবং নিজেদের ত্রুটিবিচ্যুতি চিহ্নিত করার পরিবর্তে ভারত সরকার নেপালের প্রতি অসঙ্গত আচরণ করছে। নেপাল এখন সেসব খেলোয়াড়দের কাছে চলে গেছে যাদের কাছে ভারত হারতে চায়নি। এ জন্য ভারতের নিজেকেই দোষারোপ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্র যেমন কমিউনিজমের কারণে চীনকে হারিয়েছিল। জেনারেল জর্জ সি মার্শালের ভুল হিসাব নিকাশ এবং চীনের সাথে আচরণের ব্যাপারে পররাষ্ট্র দফতর ও প্রতিরক্ষা বিভাগের মধ্যে মতপার্থক্য থাকায় এই ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। গত দেড় দশকে ভারত নেপালকে নিয়ে একের পর এক কৌশলগত ভুল হিসাব করেছেÑ যার কারণে উভয় দেশ পরস্পর মুখোমুখি অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং নেপালের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের নির্বাসনে পাঠানÑ যা ছিল একটি মারাত্মক কৌশলগত ভুল। গোয়েন্দাদের নেপালে ভারতের স্বার্থকে সমুন্নত রাখার জন্য প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। যত দ্রুত সম্ভব ভারতের স্বার্থ হাসিলের জন্য এই কৌশল নেয়া হয়। এ জন্য প্রথমে নেপালে ভারতের আজ্ঞাবাহ একটি পুতুল সরকারকে ক্ষমতায় বসানো হয়। ওই নির্দেশনা অনুসারে ভারত মাওবাদীদের প্রতি সমর্থন দেয়। প্রথমে একদল থেকে অন্য দলে পরিবর্তিতভাবে এবং পরবর্তী সময়ে প্রকাশ্যে এই সমর্থন দেয়া হয়। ভারতীয় গোয়েন্দারা উপলব্ধি করতে পারেননি, মাওবাদী পার্টি একটি একক দল নয়। অথবা যদি তারা এটা জানত তাহলে তারা এই গুরুত্বপূর্ণ সত্যটির ব্যাপারে এত বেশি গুরুত্ব দিত না। মাওবাদী দলে বহু উপদল রয়েছে এবং প্রত্যেক উপদলের নেতারা তাদের নিজেদের স্বার্থে পরিচালিত হন। নেপালের বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও কূটনীতিকেরা অন্যান্য স্থানের কমিউনিস্ট বিপ্লবের ইতিহাস কি পড়েছেন? তারা বুঝতে পারবেন সফল বিপ্লবের পর কোনো কমিউনিস্ট পার্টিই আর অবিভক্ত থাকেনি। কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষপর্যায়ে ভাঙন একটি নিয়মে পরিণত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নেপালও ব্যতিক্রম নয়। ভারতীয় পক্ষ মনে করেছিল এরা যেহেতু বিদ্রোহীদের সমর্থন দিয়েছে এবং বিদ্রোহী গ্রুপ ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ১২ দফা চুক্তি স্বাক্ষরের ব্যাপারে যেহেতু এরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, সেহেতু নেপালে এরা বড় ধরনের ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু শিগগির ভারতীয়দের এই আশা বর্থতায় পর্যবসিত হয়। এ ছাড়াও, ব্যক্তিগত ট্রেইটস এবং আমাদের কমিউনিস্ট নেতৃবৃন্দের প্রেরণাদায়ক বিষয় পড়তে ব্যর্থ হয়ে ভারতীয় গোয়েন্দারা ও
কূটনীতিকেরা এটা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন যে, মাওবাদী পার্টিতে অন্যান্য শক্তি থেকে অনুপ্রবেশ ঘটানো হয়েছে, অথবা উপদলগুলো নিজেরাই অন্যদের কাছে চলে গেছেÑ খুব সম্ভবত এরা চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বিভিন্ন ধর্মীয় স্বার্থের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। মাওবাদী এবং অন্যান্য দল সম্পূর্ণভাবে নৈতিকভাবে, অথবা বস্তুগত সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল নয়।
আবার, নেপালে ভারতের আধিপত্যের ব্যাপারে মুখে অনর্গল বলে গেলেও তাদেরকে ভারতের সাথে আচরণের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তিকর নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হয়। কাঠমান্ডুতে পরবর্তী ভারতীয় রাষ্ট্রদূত নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্রাজেন হস্তক্ষেপ করেন। মাওবাদী দল অথবা অন্য যেকোনো দল থেকে আমাদের যেসব নেতা তৈরি করা হয় তারা জনগণের কাছে উচ্চ জাতীয়তাবাদী হিসেবে উপস্থিত হন। নেপাল বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারতীয়রা ‘ভারতের বিরুদ্ধে চলে যাচ্ছে’ বলে আবারো ব্যাখ্যা করা হয়।
আমাদের নেতৃবৃন্দও তাদের পছন্দের বিষয়ে স্পষ্টভাবে কথা বলেন। কেউ কেউ চীনপন্থী, কেউ কেউ ভারতপন্থী এবং কেউ কেউ অন্য কোনো পন্থী। এমনকি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও দলগুলোর পছন্দের বিষয় সুস্পষ্ট। ভারত সরকার এসব নেতার সাথে গঠনমূলকভাবে সম্পৃক্ত হয় না। চীনপন্থী একজন প্রধানমন্ত্রীকে ভারত আমন্ত্রণ জানায়নি। নতুন প্রধানমন্ত্রী খোলামেলাভাবে ভারতের প্রতি তাকে আমন্ত্রণ জানানোর আহ্বান জানানো সত্ত্বেও নয়াদিল্লি সে আমন্ত্রণ জানায়নি। একই ইনস্টিটিউশনÑ যারা অতীতে ভুল হিসাব করেছে তারাও নেপালের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করতে গেছে।
২০১৪ সালে বিজেপির নেতৃত্বে ভারত একটি নতুন সরকার পেয়েছে। বিজেপি দক্ষিণ এশিয়া ও নেপালের সাথে পূর্বসূরির ভুুল শুধরে নেয়ার চেষ্টা করেছে। ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাসের মধ্যেই নেপাল সফর করেন। তিনি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন যুগ শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। মোদির আন্তরিকতার ব্যাপারে সন্দেহের কোনো কারণ নেই। কিন্তু তিনিও নেপালে ব্যষ্টিক পর্যায়ের সম্পর্ক বজায় রাখা না রাখার আহ্বান প্রতিরোধ করতে পারেননি। মোদি ভারতের ইতিহাসে অন্যান্য প্রধানমন্ত্রীর মতো নন। মোদি নেপালের হিন্দু-ইজমকে উচ্চকিত করতে চাওয়ার একাধিক কারণ রয়েছে।
ক্ষমতাসীন বিজেপি প্রধানত হিন্দুদের সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল। ধর্মের ব্যাপারে তাদের অবস্থান স্পষ্ট। নেপালের নতুন ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান ভারত সমর্থন না করার এটা একটা কারণ হতে পারে। সাপ্তাহিক ট্যাবলয়েড পত্রিকাগুলো গুজব ছড়ায়Ñ ভারত নেপালের নতুন সংবিধানে দেশটি একটি হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা চায়। ভারত এ ব্যাপারে অনড় অবস্থান নেয়। নেপাল ভারতের বিশেষ দূত এস জয়শঙ্করের সাথে যখন শীতল আচরণ করে, তখনই স্পষ্ট হয়ে যায় যে ভারত নেপালকে হারাচ্ছে এবং অন্যরা এর সুযোগ নিচ্ছে।
বিজেপির মতো একটি দলের জন্য ধর্মনিরপেক্ষ নেপাল মানে বিরোধী দলগুলো ভবিষ্যতে সেখানে একটি ক্ষেত্র খুঁজে পাবে এবং ভারতের জাতীয় নির্বাচনের জন্যও এটা গুরুত্বপূর্ণ। বিজেপি হাস্যা স্পদ হতে যাচ্ছেÑ কারণ কেবল হিন্দু রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ব্যর্থতার জন্য নয়। সাথে সাথে নেপালকে অন্যদের কাছে হারানোর জন্য। তাই নেপালকে তার নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পেরে ভারত হতাশ ও ক্ষুব্ধ। এ জন্য ভারত কিছু করতেও পারছে না। ক্ষুব্ধ ভারত সরকার একটি বড় ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি করেছে। ভারত সত্যিকার অর্থে নেপালকে একটি হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চাইলে নেপালের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিবর্তে সেখানকার হিন্দুপন্থী ও রাজতন্ত্রপন্থী গ্রুপগুলোকে ভারতের সহায়তা ও সমর্থন দেয়া উচিত ছিল।
নেপালের নতুন সংবিধানকে একটি ক্ষতি হিসেবে দেখার পরিবর্তে বিজেপির উচিত ছিল নেপালের সাথে নতুনভাবে সম্পর্ক শুরুর জন্য এটাকে একটা সুযোগ হিসেবে নেয়া। ভারত হিন্দু রাষ্ট্র ও রাজতন্ত্রের ব্যাপারে সিরিয়াস হলে তাদের উচিত ছিল হিন্দুপন্থী ও রাজতন্ত্রপন্থী গ্রুপগুলোকে আর্থিক ও নৈতিক সহায়তা ও উৎসাহ দেয়াÑ যাতে এরা সাধারণ নির্বাচনে অংশ নিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নেপালে পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়। নেপালের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ হিন্দু রাষ্ট্র চাইলেÑ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের আকাক্সক্ষা বাস্তবায়নের বিরাট সুযোগ ও সম্ভাবনা আছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে অবশ্য রাজনৈতিক দলগুলো এই সুযোগকে বিদায় করে দিয়েছে। কেন এরা এটা করেছে, তা এরাই ভালোভাবে বলতে পারবেন।
গণতন্ত্রকে তার স্বাভাবিক গতিতে চলতে দিলে জনগণ চাইলে অবশ্যই ভবিষ্যতে নেপাল হিন্দু রাষ্ট্র হওয়ার সুযোগ ও সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু ভারতের প্রধানমন্ত্রীর জন্য এবং সাউথ ব্লকের জন্য খারাপ দৃশ্যপট হচ্ছে, নেপালের রাজনীতিতে এরা নতুন খেলোয়াড় সৃষ্টি করতে পারবেন না। এমনকি অধিকতর প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমেও সে ধরনের কোনো সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। নেপাল ভারতের স্বার্থের কাছে নিজেকে বিকিয়ে দিতে বা এ নিয়ে সমঝোতায় আগ্রহী নয়।
অনুবাদ : মুহাম্মদ খায়রুল বাশার
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1421)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
October
(966)
-
▼
Oct 19
(32)
- হিন্দু উগ্রবাদ কোথায় নেবে ভারতকে?
- নির্বাচনে থাকার ঘোষণা কাদের সিদ্দিকীর
- আসছে বড় ভূমিকম্প, প্রাণ যেতে পারে ৪ কোটি মানুষের
- গরুর মাংস খাওয়ায় এবার মুসলিম বিধায়কের মুখে কালি
- ১৫ বছরেই সেরা বিজ্ঞানী!
- ফিলিস্তিনে ইন্তিফাদা : বান্টুস্তানের বিরুদ্ধে লড়াই...
- গরু হত্যা গুজবে আবার খুন, উত্তাল কাশ্মির
- আমেরিকায় শিশুদের গুলি চালানোর রোমহর্ষক তথ্য
- পশ্চিম তীরে উদ্বাস্তু শিবিরে অভিযান
- ঐক্যের ডাক সু চির
- সিরিয়ান অবজারভেটরির নেপথ্যে কারা?
- বিপর্যয়ের মুখে ঢাকা by হারুন-আর-রশিদ
- দুর্গাপূজায় এক টুকরো মশালডাঙ্গা by অমর সাহা
- মিনায় ১৩৭ বাংলাদেশি নিহত, নিখোঁজ ৫৩
- বড়লেখায় কিশোরী নাজমাকে নির্যাতন- তোলপাড় by ওয়েছ খছরু
- বিশেষ পরিস্থিতিতে মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৬ করার প্রস্তাব
- বিজেপি নেতাদের গরুর মাংস নিয়ে মন্তব্যে ক্ষুব্ধ মোদি
- ভারতের হাতছাড়া হচ্ছে নেপাল by ট্রেইল ওকিয়া আর অ্যা...
- ‘তাভেলা খুনের পরিকল্পনাকারী শনাক্ত’
- অকস্মাৎ বাস বন্ধ নাকাল যাত্রীরা
- শেরপুরে দুই লেন সড়ক নির্মাণ- সড়কের পাশে ঘর তোলার...
- ব্যাংকে অলস ৩০ হাজার কোটি টাকা by হামিদ বিশ্বাস
- পাহাড়ে সেনাবাহিনী সন্ত্রাসী গুলিবিনিময় ভিডিপি সদস্...
- তুচ্ছ কারণে বাড়ছে ডিভোর্স
- আকস্মিক ধর্মঘটে ভোগান্তি- অধিক ভাড়া আদায় : বাসশ্রম...
- কার বিরুদ্ধে ভারত-জাপান-মার্কিন নৌমহড়া?
- নিরাপত্তা ইস্যুতে জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন
- দুই মুসলিম যুবককে নির্মমভাবে পেটাল মুম্বাই পুলিশ
- বিশাল সামরিক মহড়া শুরু করতে যাচ্ছে ইরান
- হুজুর (সঃ) এর বৈবাহিক জীবন by ইসতিয়াক আহমেদ রাফি
- আরো ৩ শিশু শরণার্থীর মৃত্যু
- ফলের জুসে ভালো ফল
-
▼
Oct 19
(32)
-
▼
October
(966)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...




















