Thursday, December 12, 2013
৩৬৫ দিনই হরতাল-অবরোধ ডাকুন! by এ কে এম শাহ নাওয়াজ

এদেশের কোটি কোটি সাধারণ মানুষ বুঝে পায় না তাদের অপরাধ কী! ঝগড়া আঠারো দলের সঙ্গে মহাজোটের। অথবা ছোট করে বললে বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের। আরও ছোট করে বললে খালেদা জিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনার। তাহলে প্রতিদিন সাধারণ মানুষকে শাস্তি দিচ্ছেন কেন? এভাবে আন্দোলনের নামে যখন দেশবাসীর ওপর সহিংসতা চাপিয়ে দেয়া হয়, তখন এর দায়টি প্রধানত পড়ে হরতাল-অবরোধ ডাকিয়ে দলের ওপর। অর্থাৎ বিরোধী দলের ওপর। আর আচার-আচরণ, বক্তৃতা-বিবৃতিতে বিরোধী দল তো সততার সঙ্গে জানিয়েই দিয়েছে যে, জনগণের ওপর তাদের আস্থা নেই। যা কিছু করবে পেশিশক্তি দিয়েই করবে। যখন বিএনপি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচন করবে না বলে জানাচ্ছিল, তখন আওয়ামী লীগ প্রস্তুতি নিচ্ছিল দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের। এরপর একটু সরে এসে বহুদলীয় নামের একটি সরকার গঠন করে। আওয়ামী লীগের অনড় অবস্থা দেখে বিএনপি নেত্রী, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব থেকে শুরু করে অন্য নেতারা মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলতেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচন হবে না, হতে দেয়া হবে না।’ দ্বিতীয় লাইনটি যদি বলতেন, ‘জনগণ হতে দেবে না’, তাহলে একরকম মেনে নেয়া যেত। কিন্তু যখন বলা হয়, ‘হতে দেয়া হবে না’ তখন এর মধ্যে একটি বলপ্রয়োগের ইঙ্গিত থাকে। অর্থাৎ জনগণের শক্তির প্রতি আমাদের নেতানেত্রীর আস্থা নেই। তারা পেশিশক্তিরই সাধনা করছেন।
এখন সে হুমকিরই বাস্তবায়ন করছেন বিএনপি-জামায়াত নেতারা। আওয়ামী লীগের দলীয় বা বহুদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে দেবেন না বিধায় এখন শক্তি প্রয়োগে পথে নেমেছেন। রণসাজে মাঠে নামিয়েছেন জামায়াত-শিবিরের জঙ্গি ক্যাডারদের। ছাত্রদল-যুবদলের কর্মীদের। নেতারা আত্মগোপনে থেকে জেহাদি প্রেরণা দিচ্ছেন আর মাঠের কর্মী-শিষ্যরা বোমা-ককটেল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ছে। যদিও এরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বা অন্য মন্ত্রীদের টিকি ছুঁতে পারছেন না। সরকারি দলের রাজনীতিক এবং মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের গাড়িতে পেট্রল বোমা মারতে পারছেন না। তাই সব রাগ এসে পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপর। সরকার কেন বিএনপির প্রস্তাব মানল না, তাই প্রতিবাদে বাসে ছুড়ে দেয়া হয় পেট্রল বোমা। তাতে ঝলসে যাচ্ছে নিরীহ মানুষ। ঋণ নিয়ে কেনা অটোরিকশা বা ট্রাক চালকসহ পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। অনিশ্চিত অন্ধকারে ঠেলে দেয়া হচ্ছে পরিবারগুলোকে। প্রাইমারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত স্থবির হয়ে যাচ্ছে শিক্ষা পরিবেশ। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য থমকে গেছে। অর্থনীতির মেরুদণ্ডে পড়ছে আঘাত। কর্মহীন হয়ে পড়ছেন খেটে খাওয়া মানুষ। মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ঝলসে যাওয়া মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। বোমার আঘাত থেকে শিশু রক্ষা পাচ্ছে না। এসব দেখে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে, সরকারের আচরণে ক্ষুব্ধ বিএনপি-জামায়াত সাধারণ মানুষের ওপর প্রতিশোধ নিচ্ছে। তাহলে কি আমাদের বিরোধী শিবিরের আঠারো দলের নেতারা বলতে চাচ্ছেন- এদেশের ষোল কোটি মানুষের অধিকাংশ আওয়ামী লীগের পক্ষে? তাই আওয়ামী লীগকে শিক্ষা দিতে সাধারণ মানুষের ওপর চালানো হচ্ছে সন্ত্রাসী আক্রমণ!
সাধারণ মানুষের ওপর প্রাণঘাতী আঘাত হানার জন্য এখন প্রতিদিন আদেশ জারি হচ্ছে বহু ঘণ্টার অবরোধ-হরতালের। কখনও কর্মসূচিকে জোরালো করার জন্য নানা উপলক্ষ এনে অবরোধের ওপর আরেকটি হরতালও চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। দুর্ভাগ্য এই, আমাদের রাজনীতিকরা জনগণের কথা বলে রাজনীতি করেন আবার জনগণের বুকেই ধরেন তীক্ষè ছুরি। ৭২ ঘণ্টা অবরোধের ডাক দিয়ে মাঝপথে টেনে দেন পুরো সপ্তাহ পর্যন্ত। খেলাচ্ছলেই যেন অবরোধের পরিধি বাড়িয়ে করেন ১৪৪ ঘণ্টা। ভিডিও টেপে ঘোষণা দিলেই হল। এরপর নিরাপদ আশ্রয়ে নেতারা। আর খুচরো কর্মী এবং টাকার বিনিময়ে মাঠে নামানো টোকাইরা গ্রেফতার, পুলিশি ঠেঙানি আর বুলেট হজম করে মানুষ খুনে মত্ত হয়। আহত করে নিজ স্বজনদেরই। পুড়িয়ে দেয় রাষ্ট্রের সম্পত্তি। নিজেদেরই অর্থনীতিতে আঘাত হানে। আর নেতারা গুনতে থাকেন কতটা অরাজকতা করে লক্ষ্য পূরণের কাছাকাছি যেতে পেরেছেন। এভাবে প্রতারণার রাজনীতিতে নাভিশ্বাস উঠছে মানুষের। সাধারণ মানুষকে শাস্তি দেয়ার ছলের অভাব নেই আমাদের রাজনীতিকদের। বিরোধী দল যেন নিশ্চিত হয়েছে এদেশের সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন করলে, অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিলে দুর্বল হয়ে যাবে সরকার। সরকার পক্ষও ভাবছে, দৃঢ়তার সঙ্গে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকতে হবে। যতক্ষণ ঢাল হিসেবে সাধারণ মানুষ আছে ততক্ষণ তাদের গায়ে কোনো আঁচড় লাগবে না। এভাবে বিরোধী দল সাধারণ মানুষের জীবন সংহার করতে করতে একসময় নির্জীব হয়ে যাবে। সাধারণ মানুষ এদের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ হবে। আর সেই ফাঁক গলে পুনরুজ্জীবন ঘটবে সরকারের।
এখন তো বিরোধী দলের যেন নেশা চেপে গেছে হরতাল-অবরোধের রেকর্ড গড়তে। কারণটি কতটা যৌক্তিক তা নিয়ে আর ভাবছেন না নেতানেত্রীরা। এখন অবরোধের ভেতরেই জাতীয় হরতাল, আঞ্চলিক হরতাল হরদম হচ্ছে। আর উপলক্ষ? তা পেতেও সমস্যা নেই। বড় নেতারা গ্রেফতার হলে জাতীয় বা আঞ্চলিক হরতাল আর ছোটখাটোরা ধরা পড়লে বা অন্তর্ঘাতে নিহত হলে যার যার জেলায় বা উপজেলায় হরতাল। ভোটার লিস্টে তারেক জিয়ার নাম নেই কেন, সেজন্য বগুড়ায় ৩৬ ঘণ্টা হরতাল আর মানিকগঞ্জে একদিনের হরতাল। বিচারিক সব কার্যক্রম নিয়মমাফিক শেষ হয়েছে। আপিল পর্যন্ত আইনি লড়াই করেছে আসামি পক্ষ। রায় হয়েছে জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার ফাঁসি। আমরা ছোট থেকে জেনে এসেছি হাকিম নড়ে তো হুকুম নড়ে না। এখন হুকুম নড়ানোর জন্যই কি হরতাল ডাকা হয়? নিয়মমতো তো কাদের মোল্লার মৃত্যু পরোয়ানা জেলখানায় যাবে। কিন্তু জামায়াত নেতাদের প্রশ্ন- কেন যাবে? সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধেই যেন দু’দিনের জামায়াতি হরতাল চাপিয়ে দেয়া হল সাধারণ মানুষের ঘাড়ে। ভিন্ন কোনো আইনি ব্যাখ্যা থাকলে তার জন্য আইনের পথে লড়াই হতে পারে। মানুষকে জিম্মি করা কেন! সাধারণ মানুষ কি কাদের মোল্লাকে ফাঁসি দিয়েছে? হ্যাঁ, একটি অপরাধ
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশেও কি শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রয়োজন হবে! by মামুন রশীদ

অথচ বিশ্বব্যাপী শান্তিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীতে সুনাম অর্জন করেছে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী এবং পুলিশ সদস্যরা। পুলিশসহ আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা পাশ্চাত্য, উত্তর আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, এমনকি দু’-একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে এবং এশিয়ার অনেক দেশে শান্তি স্থাপনে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হয়েছেন। বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে ও অঞ্চলে জাতিসংঘের সমর্থনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জেনারেলদের ফোর্সেস কমান্ডার হিসেবেও নিযুক্ত করা হয়েছে। শুধু আমাদের সৈন্যরা ভালো প্রশিক্ষণপ্রাপ্তই নন, তারা এসব অঞ্চলে যুদ্ধ বন্ধ এবং শান্তি ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এবং নিজেদের জীবন পর্যন্ত বিসর্জন দিয়েছেন। শুধু বাংলাদেশই নয়, ভারত-পাকিস্তানসহ অনেক উন্নয়নশীল দেশই শান্তিরক্ষী মিশনে অংশগ্রহণ করছে এবং রাজনৈতিক পরিবর্তন আর গৃহযুদ্ধের সময় সফলভাবে শান্তি নিশ্চিত করে বিশ্বশান্তির মডেল স্থাপন করেছে।
আমি উদ্বিগ্ন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তা যেন এমন খারাপ পর্যায়ে পৌঁছে না যায়, যাতে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপে এদেশে ‘শান্তিরক্ষী বাহিনীর’ মোতায়েন অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠে। ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা ও হানাহানির পরিপ্রেক্ষিতে কোনো ভালোই এখন আর দেখতে পাচ্ছি না। মসৃণ বা আধা মসৃণ রাজনৈতিক পরিবর্তনে মানুষের সন্দেহ বাড়ছে। আমাদের রাজনৈতিক গুরু ও তাদের সঙ্গী-সাথীরা একটি দুর্বল নির্বাচন কমিশন, বিচারব্যবস্থা, আদুরে বেসামরিক-সামরিক আমলাতন্ত্র এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, একটি অদক্ষ আইন-শৃংখলা বাহিনীর সহযোগিতায় এগোচ্ছে। তাদের বেশিরভাগ সময় ও মেধা ব্যয় হচ্ছে বিরোধী দলকে দমনের কাজে। কোনো সন্দেহ নেই, বাংলাদেশে আজ গণতন্ত্র ঝুঁকির মুখে। দেশের মানুষ এখন ‘বাংলাদেশের মতো গণতন্ত্র’ চায় না। এরকম ছেড়ে দেয়া ভাব আরও কয়েক মাস অব্যাহত থাকলে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে বলেও ভাবছেন কেউ কেউ।
রাজনৈতিক দল, সুশীল-সামরিক আমলা, সাংবাদিক, এমনকি জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের মধ্যেও একটি গুরুতর আস্থাহীনতার জায়গা তৈরি হয়েছে। যেখানে চেইন অব কমান্ড কাজ করার কথা, সেখানে তা করছে না। মর্যাদাপূর্ণ জায়গায় রাজনৈতিক বিবেচনায় কনিষ্ঠরা জ্যেষ্ঠদের ওপর ছড়ি ঘোরাচ্ছে। নীতি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া এডহক সিস্টেমে হচ্ছে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চলমান সংকট : বিদেশী হস্তক্ষেপ এবং সমঝোতার প্রত্যাশা by ড. ফেরদৌস আহমদ কোরেশী

ভারত বড় দেশ। ‘বড়র পিরিতি বালির বাঁধ’। ভারতের প্রতি তার সব প্রতিবেশী রাষ্ট্রেরই অভিজ্ঞতা প্রায় অভিন্ন। ভারত তার আধিপত্য এবং নানাবিধ স্বার্থ বিবেচনায় প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে নিজস্ব প্রভাব বলয় নির্মাণে নানাবিধ উদ্যোগ নিয়ে থাকে। বাংলাদেশ তার ব্যতিক্রম নয়।
কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডে এটি নতুন কিছু নয়। আধিপত্য বিস্তারে আগ্রহী সব বড় দেশই এ কাজ করে থাকে। কিন্তু এতে হিতে বিপরীত ঘটার সম্ভাবনাও থেকে যায়। কারণ, এর ফলে ক্ষুদ্রতর প্রতিবেশী দেশ তার বড় প্রতিবেশীকে সন্দেহের চোখে দেখতে থাকে। অনেক সময় যা অহেতুক সন্দেহ বাতিকের পর্যায়ে চলে যায়। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এ বিষয়টি লক্ষণীয়রূপে বিরাজমান।
ভারত সরকারের পক্ষ থেকে প্রায়শ বলা হয়, তারা বাংলাদেশের কোনো বিশেষ দলের সঙ্গে নয়, জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতেই আগ্রহী। কিন্তু বাংলাদেশকে ঘিরে ভারতের এযাবৎকালের কূটনীতি ও নানা পদক্ষেপ তা প্রমাণ করে না। ভারত নিশ্চিতরূপেই এ দেশে বিশেষ বিশেষ দল বা গোষ্ঠীকে বরাবর পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে এসেছে। এখনও যা অব্যাহত আছে। বিশেষ করে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস। ভারতীয় রাজনীতিকরা যেন অতীতের বৃত্ত থেকে কিছুতেই বের হয়ে আসতে পারেন না। এর কিছু ঐতিহাসিক কারণ থাকলেও সময়ের বিবর্তনে এবং বর্তমানের বাস্তবতায় এই বৃত্ত ভেঙে নতুনভাবে পথ চলার উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। দুর্ভাগ্যবশত ভারত এখন বিশ্ব পরাশক্তি হওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। এতদঞ্চলে সর্বময় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় ভারতের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এতই আত্মনিমগ্ন যে, প্রতিবেশী দেশগুলোর কল্যাণ-অকল্যাণ কিংবা সেসব দেশের জনমতের দিকে দৃষ্টি দেয়ার সময়ও তাদের আছে বলে মনে হয় না।
২.
যাই হোক, আমাদের দুর্দিনে শ্রীমতী সুজাতা সিং ঢাকায় এসেছেন। মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসেছিলেন কয়েকদিন আগে। জাতিসংঘ মহাসচিবের দূত মি. তারানকো এসেছেন। বাংলাদেশ এখন বিদেশী হাইপ্রোফাইল মেহমানদের পদচারণায় মুখর। তারা সবাই উদ্বেগ প্রকাশ করছেন, সমঝোতার তাগিদ দিচ্ছেন। মি. তারানকো তো দিন-রাত ছুটে বেড়াচ্ছেন। সেজন্য তাদের ধন্যবাদ।
কিন্তু তাদের কিছু কিছু মন্তব্য ও কর্মকাণ্ড কি কূটনৈতিক শালীনতার সীমা অতিক্রম করে যাচ্ছে না? শ্রীমতী সিং জাপা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে দেখা করে নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য তাকে চাপ দিয়েছেন বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। জনাব এরশাদকে নির্বাচনে যোগ দেয়ার জন্য ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব চাপ প্রদান করার বিষয়টি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। একে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সরাসরি হস্তক্ষেপের শামিল মনে করা কি অযৌক্তিক হবে?
একইভাবে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূতগণও প্রায়শ আমাদের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করে প্রকাশ্যেই নানা শলাপরামর্শ দিয়ে চলেছেন। সম্প্রতি একজন রাষ্ট্রদূত আমাদের একজন মন্ত্রীর সঙ্গে পাশাপাশি বসে যৌথ সংবাদ সম্মেলনও করেছেন। এ এক ব্যতিক্রমী ঘটনা। তাদের নিজ নিজ দেশে অন্য কোনো দেশের একজন রাষ্ট্রদূত কি এ ধরনের সুযোগ পেতে পারেন?
নানা কারণে বাংলাদেশ এখন আঞ্চলিক ও বিশ্ব রাজনীতির দাবার ঘুঁটি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আমাদের দুই বড় দলের রাজনৈতিক সংঘাতের সুযোগ নিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারে আসছেন অনেকে। দেশের শীর্ষ রাজনীতিকরা দেশের মানুষের ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে মর্যাদা দেয়ার বদলে বিদেশী শক্তির অনুকম্পা ও সমর্থন আদায়ের লক্ষ্যে দিন-রাত কূটনীতিকপাড়ায় ধরনা দিচ্ছেন। কেবল দেশের ভেতরেই নয়, বিদেশের মাটিতেও তারা পরস্পরের ‘বস্ত্রহরণে’ লিপ্ত হয়ে দেশের মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করছেন। ক্ষুদ্র দলীয় স্বার্থে তাদের অনেকে বাংলাদেশের রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ বিশেষ বিশেষ বিদেশী শক্তির হাতে তুলে দিতেও কুণ্ঠিত নন বলে অনেকের আশংকা।
বাংলাদেশ ১৬ কোটি মানুষের দেশ। একটি সফল মুক্তি সংগ্রাম ও রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে লাখো প্রাণের বিনিময়ে আমরা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছি। এই স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে এ দেশের মানুষ কখনও আপস করতে পারে না। এই প্রশ্নে সামান্যতম আপসকামী রাজনৈতিক দলকেও জনগণ কিভাবে প্রত্যাখ্যান করে, তা স্বাধীনতা-উত্তর আওয়ামী লীগের বিড়ম্বনা ও বিপর্যয়ের দিকে তাকালেই বোঝা যাবে। বঙ্গবন্ধুর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তাও যা ঠেকাতে পারেনি।
এ বাস্তবতা আমাদের বিদেশী বন্ধুদেরও মনে রাখতে হবে। বাংলাদেশে রাজনৈতিক বিবাদ-বিসংবাদ যত তীব্রই হোক না কেন, এই দেশকে কেউ যদি আফ্রিকা বা মধ্যপ্রাচ্যের কোনো কোনো দেশের মতো বিবেচনা করেন এবং বেশি বেশি হস্তক্ষেপ করতে অভিলাষী হন, তাহলে তাদের হাত নিশ্চিতরূপেই পুড়বে।
আমাদের সমস্যা আমাদেরই সমাধান করতে দিতে হবে। এ ধরনের রাজনৈতিক সংঘাত এ দেশে নতুন কিছু নয়। অতীতেও এ ধরনের সংঘাতে বিদেশী হস্তক্ষেপের চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। শেষ পর্যন্ত নিজেরাই আমরা পথ খুঁজে পেয়েছি। স্যার নিনিয়ানের মধ্যস্থতায় যে সমস্যার কোনো সমাধান হয়নি, তারও সমাধান হয়েছে। আপস-সমঝোতা না হলেও নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে আমরা নিজেরাই একটা সমাধানে পৌঁছতে পেরেছি।
আমাদের বিদেশী বন্ধুরা, যারা আমাদের এই সংকটের দ্রুত সমাধান কামনা করছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েই বলা যায়, এবারেও শেষ পর্যন্ত একটা সমাধান বের হয়ে আসবে। গ্রাম-বাংলায় প্রবাদ আছে- ‘বাছুর কুঁদে খুঁটির জোরে’। তাই বাইরের হস্তক্ষেপ না থাকলে বিবদমান পক্ষগুলো নিজ নিজ স্বার্থেই আলোচনার টেবিলে বসে দ্রুত মীমাংসায় পৌঁছতে বাধ্য হবে।
৩.
কিছু বিদেশী মিডিয়া বর্তমান পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর আশু হস্তক্ষেপের সম্ভাবনার কথা বলছে। আমাদের সশস্ত্র বাহিনী দুনিয়ার দেশে দেশে শান্তি রক্ষায় নিয়োজিত। ভয়ংকর গৃহযুদ্ধে নিমগ্ন দেশে নির্বাচন করে ক্ষমতা হস্তান্তরের দায়িত্ব সম্পন্ন করে তারা প্রশংসিত হয়েছে। নামিবিয়ার সাম্প্রতিক নির্বাচন জাতিসংঘ শান্তি মিশনের তত্ত্বাবধানে সুসম্পন্ন হয়েছে। আর সেই মিশনের নেতৃত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশেরই একজন সাবেক আইজিপি।
২০০৭ সালে এমনই এক বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ক্ষমতার আওতায় ‘জরুরি আইন’ জারি হয় এবং সেনাবাহিনী দেশের আইন-শৃংখলা রক্ষায় প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করে। মনে রাখা দরকার, জরুরি আইন আর ‘সামরিক শাসন’ এক কথা নয়। অনেকে এই দুই ব্যবস্থাকে এক করে ফেলেন। জরুরি আইন একটি সাময়িক সাংবিধানিক পদক্ষেপ। রাষ্ট্রপতি প্রয়োজনবোধে দেশের কোনো অংশে বা সারা দেশে তা জারি করতে পারেন। অন্যদিকে সামরিক শাসন একটি অসাংবিধানিক পদক্ষেপ, যা দেশের সংবিধান বিলুপ্ত বা স্থগিত না করে কার্যকর করার কোনো সুযোগ নেই।
দেশে এখন যে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে তার প্রেক্ষিতে অনেকে ইতিমধ্যেই জরুরি আইন জারির সপক্ষে কথা বলছেন। আমাদের রাজনীতিকরা, বিশেষ করে দুই বড় দল, সজাগ ও তৎপর হয়ে পরিস্থিতির লাগাম টেনে ধরলে তেমন পরিস্থিতি এড়ানো এখনও সম্ভব।
৪.
নির্বাচন সামনে রেখে চলমান রাজনৈতিক সংঘাত-সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে ইতিপূর্বেকার জাতীয় নির্বাচন থেকে আমরা চারটি ‘মডেল’ বিবেচনায় নিতে পারি।
১৯৮৬ সালে গোপন সমঝোতার নির্বাচন
১৯৮৬’র নির্বাচনে তৎকালীন ‘স্বৈরাচার’-এর বিরুদ্ধে আন্দোলনরত দলগুলোর অন্যতম আওয়ামী লীগ রাতারাতি ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ নিয়ে নির্বাচনে যোগ দিলে বিএনপিসহ আন্দোলনকারী দলগুলো বেকায়দায় পড়ে যায়। আন্দোলন বিপর্যস্ত হয়ে নির্বিঘেœ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এই সংসদ ২ বছরও টিকে থাকতে পারেনি।
১৯৮৮ সালে ‘গৃহপালিত বিরোধী দল’ নিয়ে নির্বাচন দুই বছর পর ১৯৮৮ সালে ‘স্বৈরাচার’-এর অধীনে আরেকটি সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এবারে আওয়ামী লীগ আর নির্বাচনে যোগ দেয়নি। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারি উদ্যোগে গঠিত হয় ৭২ দলের একটি জোট। যাকে ‘গৃহপালিত বিরোধী দল’ নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে। বলা হয়, সেই নির্বাচনে প্রকৃত ভোটার উপস্থিতি ছিল ৩ শতাংশ মাত্র। তারপরও ৩০০ আসনে যথারীতি ফলাফল ঘোষিত হয়। ২ বছরের মধ্যে সেই সংসদও ভেঙে দিতে হয়।
১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্র“য়ারির ‘৩ মাস মেয়াদি’ নির্বাচন ১৯৯৬তে বিরোধী দলের আন্দোলনের মুখে ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার’-এর দাবি ক্ষমতাসীন বিএনপি নীতিগতভাবে মেনে নেয়। কিন্তু সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সন্নিবেশিত করার জন্য সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের দরকার। ১৪৪ জন সদস্য পদত্যাগ করার কারণে তখনকার সংসদে সেই সংখ্যক সদস্য ছিল না। অতএব শুধু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিল পাস করার জন্যই একটি স্বল্পমেয়াদি সংসদ নির্বাচন দিতে হয়। সেটাই ছিল ১৯৯৬-এর ১৫ ফেব্র“য়ারির নির্বাচন। আওয়ামী লীগসহ বিরোধী দলগুলো এ নির্বাচনে অংশ না নিলেও তা যথারীতি সম্পন্ন হতে দিয়েছে। বিএনপি নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ী হয়। তবে দলটি প্রতিশ্র“তি মোতাবেক ৩ মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন দেয়ার প্রশ্নে গড়িমসি করতে থাকলে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে ওঠে। চাপের মুখে সরকারকে পদত্যাগ করতে হয়। ১২ জুন নতুন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় চলে আসে। বর্তমান অবস্থায় সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য অনুরূপ একটি ‘স্বল্পমেয়াদি’ পার্লামেন্ট গঠন করার সম্ভাব্যতা যাচাই করে দেখা যেতে পারে।
২০০৮ সালে ‘জরুরি আইনে’ নির্বাচন ২০০৭-এর ২২ জানুয়ারি নির্বাচনের তারিখ ছিল। তখন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিনের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায়। আওয়ামী লীগ নির্বাচন বর্জন করে তা প্রতিহত করার ঘোষণা দেয়। আন্দোলন সহিংস রূপ নেয়। স্পষ্টতই দেশ এক ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘাতের দিকে এগিয়ে চলেছিল। এ অবস্থায় রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমদ ‘জরুরি আইন’ জারি করেন। দেশের জনগণ সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্গঠিত হয়। কিন্তু এ প্রক্রিয়ায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ৩ মাসের সাংবিধানিক মেয়াদ পার হয়ে যায়। তবে ‘জাতীয় প্রয়োজন’ (ফড়পঃৎরহব ড়ভ হবপবংংরঃু) বিবেচনায় তা সবাই মেনে নেয়। অতঃপর প্রায় ২ বছর পর ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে আবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
এই ৪টি মডেলের নির্বাচন সামনে রেখে আমরা বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করতে পারি।
বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রথমে ১৯৮৬ মডেলে বিএনপিকে বাদ দিয়ে একদিকে বিভিন্ন বামপন্থী দল এবং অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ছাড়া অন্যান্য ইসলামী দলকে নির্বাচনে আনার চেষ্টা হয়েছে। এমনকি ‘হেফাজতে ইসলাম’কে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। কিন্তু এই প্রয়াস ফলপ্রসূ হয়নি। অতঃপর ১৯৮৮ স্টাইলে একটি ‘গৃহপালিত বিরোধী দল’ দাঁড় করিয়ে ‘ভোটারবিহীন নির্বাচন’ করার চেষ্টা হয়েছে। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, এবারে এরশাদ সাহেব স্বয়ং সেই ‘গৃহপালিত বিরোধী দল’ গড়ার দায়িত্ব নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন। তার পরিণতি এখন আমরা চোখের সামনে দেখছি।
অবশিষ্ট আছে অপর দুই মডেল-১৯৯৬ (ফেব্র“য়ারি) ও ২০০৮।
বর্তমান সরকার যে কোনো প্রকারে নির্বাচন সম্পন্ন করতে আগ্রহী। বলা হচ্ছে, ঘোষিত তফসিল আর বদলানো যাবে না। নির্বাচন পেছাতে হলে বড়জোর ৮/১০ দিন পেছানো সম্ভব; তার বেশি নয়। এ অবস্থায় ১৯৯৬ সালের ফেব্র“য়ারির মতো নির্বাচন করতে হলে প্রথমত সরকারি দলকে সুস্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা দিতে হবে যে, এই নির্বাচন কেবল সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার নির্বাচন এবং পূর্বাহ্নেই এর মেয়াদ সর্বাধিক তিন মাস নির্দিষ্ট করে ঘোষণা দিতে হবে। তাহলে সব পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে ‘দশম’ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ৩ মাসের মাথায় ‘একাদশ’ জাতীয় সংসদের জন্য আরেকটি নির্বাচন হতে হবে। ’৯৬-এর ১৫ ফেব্র“য়ারির নির্বাচনের পর যেভাবে ১২ জুনের নির্বাচন হয়েছিল। এ ক্ষেত্রে সেই নির্বাচনকালীন সময়ে সরকারের রূপরেখাসহ অন্য কিছু বিষয় সমঝোতার ভিত্তিতে পার্লামেন্টে প্রয়োজনীয় বিল পাস করিয়ে নিতে হবে। এই মডেল বাস্তবায়নের আরেকটি পথ হতে পারে নবগঠিত মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়ে বর্তমান সংসদের সদস্যদের মধ্যে যারা আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না তেমন ১০ জনকে নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভা গঠন করা। এতে সরকারের ইচ্ছা অনুযায়ী সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা অটুট থাকবে। অপরদিকে বিরুদ্ধ পক্ষের দাবিও বহুলাংশে মিটে যাবে।
সবশেষে ২০০৮ সালের নির্বাচনকে মডেল হিসেবে নিতে হলে অবধারিতরূপে ২০০৭ সালের ১/১১, অর্থাৎ ‘জরুরি আইন’ জারির পথে যেতে হয়। সেটা সর্বশেষ পন্থা। আমাদের সংবিধানে জরুরি আইন জারির বিধান রয়েছে। কিন্তু তার অবশ্যম্ভাবী নানা ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার অভিজ্ঞতাও আমাদের সামনে রয়েছে। যার সবকিছু সুখকর না হলেও এটাই সংকট নিরসনের সর্বশেষ পন্থা।
সমঝোতার এত পথ খোলা থাকলেও আমরা নিজেরা আলোচনায় বসে সংকট নিরসন করতে পারছি না, বিদেশী মধ্যস্থতাকারী ডেকে আনতে হচ্ছে, আমাদের গণতন্ত্রের ভবিষ্যতের জন্য তা সুখকর নয়।
ড. ফেরদৌস আহমদ কোরেশী : রাজনীতিক, ভূ-রাজনীতি ও উন্নয়ন গবেষক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আল জাজিরার রিপোর্ট- বাংলাদেশে গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি বিরাজ করছে

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বাক-স্বাধীনতার ওপর নিয়ন্ত্রণ চলছে’

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সব মনোনয়নপত্র বাতিল করতে ইসিকে এরশাদের চিঠি

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাছ ফেলে ১২ কিলোমিটার মহাসড়ক অবরোধ উত্তরের ৮ জেলা বিচ্ছিন্ন

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘হক আদায় করতে পারিনি ক্ষমা করে দিও’ by আহমেদ জামাল
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোল্লার চিঠি, সমালোচনা এবং রনির জবাব by গোলাম মাওলা রনি
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত, কথা বলতে চান আইনজীবীদের সঙ্গে
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শত্রুর সঙ্গে করমর্দন করে বিপাকে ওবামা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বে নিবন্ধনহীন শিশুর সংখ্যা ২৩ কোটি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রেসিডেন্ট ভবনে মাদিবা
এক নজরে গৃহীত কর্মসূচি
* স্মরণানুষ্ঠানের পর ১১ থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রিটোরিয়ায় প্রেসিডেন্টের বাসভবন ‘ইউনিয়ন বিল্ডিংয়ে’ রাখা হবে ম্যান্ডেলার মরদেহ। এই তিন দিন বিশ্ব সম্প্রদায়ের নেতা ও আগত ভিআইপি অতিথিরা ম্যান্ডেলার মরদেহ পরিদর্শন করতে পারবেন।
* ১১ ডিসেম্বর দুপুর ১২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত এবং ১২ ও ১৩ ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত এ ম্যান্ডেলার মরদেহ পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন সাধারণ জনগণ।
* ১৪ ডিসেম্বর শনিবার প্রিটোরিয়ার ওয়াটারক্লুপ বিমান বাহিনীর ঘাঁটি থেকে বিমানে চড়িয়ে পূর্বাঞ্চলীয় ক্যাপে প্রদেশের কুনু গ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে ম্যান্ডেলার মরদেহ। সেখানে রাষ্ট্রীয় ও ঐতিহ্যবাহী শেষকৃত্য শেষে পারিবারিক সমাধিস্থলে চির সমাহিত করা হবে ম্যান্ডেলাকে। তথ্যসূত্র : এবিসি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইনি বাধা নেই তফসিল পুনর্বিন্যাসে
এম সাখাওয়াত হোসেন (অব.): অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, সাবেক নির্বাচন কমিশনার ও কলাম লেখক।
hhintlbd@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অনন্য নেলসন ম্যান্ডেলা
![]() |
| নেলসন ম্যান্ডেলা |
সালমা খান: অর্থনীতিবিদ, নারীনেত্রী।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দিনে সাড়ে ১২ কোটি শ্রেণী-ঘণ্টা!
ড. সৌমিত্র শেখর: অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
scpcdu@gmail.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
December
(526)
-
▼
Dec 12
(16)
- ৩৬৫ দিনই হরতাল-অবরোধ ডাকুন! by এ কে এম শাহ নাওয়াজ
- বাংলাদেশেও কি শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রয়োজন হবে! by ম...
- চলমান সংকট : বিদেশী হস্তক্ষেপ এবং সমঝোতার প্রত্যাশ...
- আল জাজিরার রিপোর্ট- বাংলাদেশে গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি ব...
- ‘বাক-স্বাধীনতার ওপর নিয়ন্ত্রণ চলছে’
- সব মনোনয়নপত্র বাতিল করতে ইসিকে এরশাদের চিঠি
- গাছ ফেলে ১২ কিলোমিটার মহাসড়ক অবরোধ উত্তরের ৮ জেলা ...
- ‘হক আদায় করতে পারিনি ক্ষমা করে দিও’ by আহমেদ জামাল
- মোল্লার চিঠি, সমালোচনা এবং রনির জবাব by গোলাম মাওল...
- মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত, কথা বলতে চান আইনজীবীদের সঙ্গে
- শত্রুর সঙ্গে করমর্দন করে বিপাকে ওবামা
- বিশ্বে নিবন্ধনহীন শিশুর সংখ্যা ২৩ কোটি
- প্রেসিডেন্ট ভবনে মাদিবা
- আইনি বাধা নেই তফসিল পুনর্বিন্যাসে
- অনন্য নেলসন ম্যান্ডেলা
- দিনে সাড়ে ১২ কোটি শ্রেণী-ঘণ্টা!
-
▼
Dec 12
(16)
-
▼
December
(526)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...




