Thursday, October 24, 2019
জলবায়ু বিষয়ক বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশের এক কোটি ৯০ লাখ শিশু

কিন্তু তাদের মধ্যে খুব সামান্যই বিকাশ বা বৃদ্ধি ঘটছে। এ বছর বাংলাদেশ সরকার ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ স্ট্রাটেজি অ্যান্ড অ্যাকশন প্লান’-এর দ্বিতীয় দফা শুরু করতে যাচ্ছে। এতে সবচেয়ে দরিদ্র ও বিপন্নদের প্রয়োজনের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে যাতে শিশুদের পুষ্টি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা ও অন্যান্য সেবা সুরক্ষিত থাকে তা নিশ্চিত করতে এই পরিকল্পনায় প্রয়োজন আরো মনোযোগ ও উৎস বা সম্পদ। বন্যা ও নদীভাঙনের শিকার হয়ে বহু পরিবার শহরে বস্তিমুখী হচ্ছে। সেখানে তারা গাদাগাদি করে বসবাস করে। পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সেবা ও পুষ্টি বিষয়ক সেবার রয়েছে সেখানে ঘাটতি। আছে পুষ্টিকর খাদ্যের ঘাটতি। বিশেষ করে প্রথম এক হাজার দিন তারা শিক্ষা, পয়ঃনিষ্কাশন, স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপদ পানির পর্যাপ্ত সুবিধা পায় না। ‘দ্য স্টেট অব দ্য ওয়ার্ল্ডস চিলড্রেন ২০১৯: চিলড্রেন, ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন- গ্রোয়িং ওয়েল ইন এ চেঞ্জিং ওয়ার্ল্ড’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলেছে ইউনিসেফ।
বস্তিতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই শিশুরা নিজেরাই নিজেদের সুরক্ষা করে থাকে। তবে তারা অপুষ্টি, শিশুশ্রম, বাল্য বিবাহ, দূষণের কারণ, সহিংসতা ও নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকে। ওই রিপোর্টের দক্ষিণ এশিয়া সেকশনে এ কথা বলা হয়েছে। এতে আরো বলা হয়েছে, খরা ও আকস্মিক বন্যার মতো জলবায়ু বিষয়ক চরম অবস্থার কারণে কৃষিখাতে বিপুল লোকসান হয়। যেদেশে শতকরা ৬০ ভাগ মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন কৃষির ওপর নির্ভর করে, সেখানে এর অর্থ হলো অধিক দরিদ্র পরিবারের শিশুরা অনাহারে ভোগার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ছাড়া উৎপাদন কমিয়ে দেয়ার কারণেও খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি আঘাত পড়ছে দরিদ্র পরিবারগুলোতে। জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে যোগসূত্র থাকা সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ছাড়া অপরিকল্পিত শহরায়নের ফলে শিশু ও তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে ঝুঁকি হয়ে দেখা দিচ্ছে। ইউনিসেফের মতে, এতে শিশু ও পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দেখা দিচ্ছে ডায়রিয়া, হেপাটাইটিস এ, কলেরা, আমাশয়, টাইফয়েড, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া জ্বর।
ওই রিপোর্টে মেঘনাপাড়ের রুমা ও তার পরিবারের কথা তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, রুমা, তার স্বামী আলী আকবর ও তাদের দুই সন্তান সানজিদা (৩) এবং শাহাউন (৯) কে নিয়ে ঢাকার চলন্তিকা বস্তিতে আসতে বাধ্য হয়েছেন। কারণ, মেঘনা নদীর পানিতে বার বার তাদের বাড়িঘরে পানি উঠেছে। রুমা বলেন, আমরা জীবন বাঁচানোর সঙ্গে যুদ্ধ করলেও এখানে দাঁড়ানোর জন্য অন্তত একটু শুকনো জায়গা পাই। আমার স্বামী মাসে ৭ হাজার টাকার মতো আয় করেন। সেই টাকা দিয়ে আমরা বাসা ভাড়া দিই। দরকারি জিনিসপত্র কিনি। কিন্তু তাতে অনেক কিছু থেকে যায় অপূরণীয়। তা সত্ত্বেও আমরা এখানে উপার্জনের সক্ষমতা রাখি। কিন্তু গ্রামে থাকতে এটা আমাদের পক্ষে সম্ভব ছিল না। রিপোর্টে বলা হয়, অন্য কমপক্ষে ১০ টি পরিবারের সঙ্গে একটি ছোট্ট রান্নাঘর শেয়ার করতে হয় রুমাকে। প্রথম দিকে তারা বিউটেন গ্যাস ব্যবহার করতেন। কিন্তু তা সমভাবে বন্টন করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে তারা রান্নার কাজে ব্যবহার করেন কাঠ। এতে বস্তির বাতাসের মান খারাপ হচ্ছে। রুমার পরিবার বেশির ভাগ দিন ভাত আর ডাল খায়। হঠাৎ হঠাৎ তারা মাংস বা মাছের ব্যবস্থা করতে পারেন। তার ছেলে শাহাউন অপুষ্টিতে ভোগার একটি প্রতীক হয়ে উঠেছে।
পরিবারকে স্বাস্থ্যকর খাবার দেয়ার জন্য অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তার পরিবার। রুমা বর্ণনা করেছেন সেখানে নিরাপদ পানির অভাব, ভাল টয়লেট ও স্বাস্থ্যবিধির অভাবে অস্বাস্থকর পরিবেশ বিরাজ করছে। এ ছাড়া বস্তিতে বিদ্যুত সরবরাহ অনিয়মিত। এ ছাড়া আছে তাদের রুমের ভিতর তীক্ষ্ণ দাঁতবিশিষ্ট বিভিন্ন প্রাণী ও পোকামাকড়। এর মধ্যে মাত্র একটি রুমে তাদের জীবন চালিয়ে নেয়া দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রেমিকাকে দেওয়া রাজ-মর্যাদা ফিরিয়ে নিলেন থাই রাজা

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ড-এর এক প্রতিবেদন বলছে, ৩৪ বছর বয়সী সিনিনাত ওংভাজিরাপাকদি থাই রাজার দীর্ঘদিনের প্রেমিকা। তিনি একজন দক্ষ বিমানচালক। সামরিক বাহিনীতে তিনি মেজর জেনারেল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এরপর রাজার দেহরক্ষী ও সেবিকার ভূমিকাও পালন করেছেন তিনি। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, জুলাই মাসের শেষ দিকে প্রায় ১০০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো সিনিনাতকে ‘রয়াল নোবেল কনসর্ট’ হিসেবে নিয়োগ দেন থাই রাজা। সেই ঘোষণার কয়েক মাসের মধ্যে রানির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার অভিযোগ তুলে সিনিনাতের পদবি কেড়ে নেওয়া হলো।
থাই রাজা ভাজিরালংকরানের চার স্ত্রী। তারা হলেন রাজকুমারী সোমশাওয়ালি (১৯৭৭-১৯৯৩), ইয়ুভাধিদা পলপ্রাসের্থ (১৯৯৪-১৯৯৬), শ্রিরাসমি সুয়াদি (২০০১-২০১৪) ও রানি সুথিদা (২০১৯-)। ৪১ বছর বয়সী রানি সুথিদা আগে একজন বিমানবালা হিসেবে কাজ করতেন। এছাড়া রাজার দেহরক্ষী বাহিনীর উপ-প্রধান ছিলেন তিনি। ফলে অনেক দিন ধরেই তিনি রাজার সঙ্গী। এ বছর মে মাসে বিয়ের আগে থেকেই জনসম্মুখে তাদের একসঙ্গে বেশ কয়েকবার দেখা গেছে। তবে রানি সুথিদার সঙ্গে রাজার বিয়ের পরও সিনিনাতের প্রাধান্য ছিল রাজার কাছে। রাজকীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়মিত মেহমান ছিলেন তিনি। তাকে রাজ-মর্যাদাও দেওয়া হয়েছিল রাজার বিয়ের পরে। তবে হঠাৎ করেই সিনিনাত রাজার সুনজরের বাইরে চলে যান বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম।
সোমবারে প্রকাশিত রাজবার্তায় দাবি করা হয়, গত মে মাসে রাজার চতুর্থ স্ত্রী সুথিদাকে রানি হিসেবে নির্বাচন করার আগে সিনিনাত এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। তিনি নতুন রানি নির্বাচনের সব প্রক্রিয়া নস্যাতের চেষ্টা করেছেন। রাজবার্তায় বলা হয়, সিনিনাতকে রাজ-মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল, যেন তিনি বিভিন্ন চাপ ও ষড়যন্ত্র থামাতে পারেন। তবে তিনি রাজা এবং বর্তমান রানির বিরোধিতা করেন এবং রাজার পক্ষ হয়ে বিভিন্ন আদেশ প্রদান করে তাকে দেওয়া ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। একপর্যায়ে রাজা বুঝতে সক্ষম হয়েছেন, সিনিনাতকে যে ক্ষমতা এবং পদ দেওয়া হয়েছিল সেই পদের জন্য তিনি কখনোই কৃতজ্ঞ ছিলেন না এবং তিনি কখনোই তার পদ ও ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার করেননি। এরপরই রাজা তার সব রাজকীয় ও সামরিক পদমর্যাদা ও উপাধি কেড়ে নেওয়ার আদেশ দেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, থাইল্যান্ডের রাজপ্রাসাদের বিভিন্ন বিষয়ের গোপনীয়তাজনিত কারণে সিনিনাতের পদমর্যাদা কেড়ে নেওয়ার প্রকৃত তথ্য হয়তো জনসম্মুখে প্রচার হবে না। দেশটির রাজকীয় আইন তার রাজতন্ত্রের প্রতি যেকোনও ধরনের অপমানজনক বিষয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে, যা কিনা বিশ্বের কঠিনতম আইনগুলোর একটি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বলুন তো এটা কিসের ছবি!

সু র্যাডফোর্ড আবার অন্তঃসত্ত্বা। তিনি ২২ নম্বর সন্তান প্রসব করতে যাচ্ছেন। এই সন্তানের আগমন বার্তা তারা ইউটিউবে একটি ভিডিও ক্লিপের মাধ্যমে জানিয়েছেন। এতে আল্ট্রাসাউন্ডের একটি ভিডিও দেয়া হয়েছে। সু র্যাডফোর্ড বলেছেন, তিনি ১৫ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। এখনও গর্ভস্থ শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ করা হয় নি। আগামী এপ্রিলে তিনি এই সন্তান প্রসব করতে চলেছেন। চাইছেন, এবার যেন একটি টুকটুকে পুত্র সন্তান হয়। বৃটেনের একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে এ কথা বলা হয়েছে।

বৃটিশ এই দম্পতির বাড়ি ল্যাঙ্কাশায়ারের মোরেক্যাম্বে। এই পরিবারের প্রধান নোয়েল র্যাডফোর্ড বেকারি ব্যবসা করে সংসার চালান। সেখান থেকেই এত্ত বিশাল একটি পরিবারের ভরণপোষণ করতে হয়। ১০টি বেডরুমের বাড়ির খরচ মেটাতে হয়। ২০০৪ সালে তারা এই বাড়িটি কিনেছেন দুই লাখ ৪০ হাজার পাউন্ডে। সপ্তাহে শিশুদের জন্য সরকারি ১৭০ পাউন্ড সহায়তা পান। নোয়েল র্যাডফোর্ড নবম সন্তানের পিতা হওয়ার পর আর সন্তান চাইছিলেন না। এ জন্য তিনি বন্ধ্যাত্বকরণে ভ্যাসেক্টমি পদ্ধতি অবলম্বন করেন। পরে তারা আরও সন্তান নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ফলে ভ্যাসেক্টমি পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে আসেন।

এ দম্পতির সর্বশেষ সন্তানের মধ্যে বোনি রায়ের জন্ম ২০১৮ সালের নভেম্বরে। অন্যরা হলো ক্রিস (৩০), সোফি (২৫), ক্লোই (২৩), জ্যাক (২২), ডানিয়েল (২০), লুক (১৮), মিলি (১৭), কেটি (১৬), জেমস (১৫), ইলি (১৪), আইমি (১৩), যোশ (১২), ম্যাক্স (১১), টিলি (৯), অস্কার (৭), ক্যাসপার (৬), হ্যালি (৩), ফোয়েবে (২) এবং আরচি (১৮ মাস)। এর মধ্যে ক্রিস ও সোফি ছাড়া বাকি সবাই পিতামাতার সঙ্গে বসবাস করে। অন্যদিকে সোফির রয়েছে তিনটি সন্তান। খাবারের পেছনে সপ্তাহে তাদের খরচ করতে হয় ৩৫০ পাউন্ড। আর প্রতিদিন বাড়িঘর পরিষ্কার রাখতে রাতে তিন ঘন্টা ব্যয় করতে হয়। যদি পরিবারকে কোনো নৈশভোজে বাইরে খাওয়াতে নিয়ে যান তাহলে র্যাডফোর্ড দম্পতিকে কমপক্ষে ১৫০ পাউন্ড খরচ করতে হয়।

আর যদি কোনো অবকাশ যাপনে যেতে চান তাহলে তাদেরকে কাপড়চোপড় ও আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র বহন করতে হয় কমপক্ষে ৭টি সুটকেসে। আর কাপড় কাচার বিষয়! তা তো অনবরত চলতেই থাকে। সপ্তাহের প্রতিদিন এ বাড়িতে ১৮ কেজি কাপড় ধোয়া হয়। এরই মধ্যে এই পরিবার এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অবকাশ কাটিয়ে এসেছে। আবার পরিকল্পনা করছে নেদারল্যান্ডসে যাওয়ার জন্য। কিন্তু প্যাকিং অপারেশনকে সামরিক প্রস্তুতির সঙ্গে তুলনা করেছেন সু র্যাডফোর্ড। কারণ, সন্তানদের কোন পোশাক সঙ্গে নেবেন তা তাকে বাছাই করতে হয়। তাদেরকে বোঝাতে হয় কোন কাপড়টি ময়লার ঝুড়িতে ফেলতে হবে তা বোঝাতে হয়।
একনজরে র্যাডফোর্ড পরিবার
১৯৭০ সালের ২৪ শে ডিসেম্বর জন্ম হয় নোয়েল র্যাডফোর্ডের।
সু র্যাডফোর্ড জন্মগ্রহণ করেন ১৯৭৫ সালের ২২ শে মার্চ।
সু র্যাডফোর্ডের বয়স যখন মাত্র সাত বছর তখন ১৯৮২ সালে নোয়েলের সঙ্গে তার প্রথম সাক্ষাত হয়।
১৯৮৯ সালে তাদের প্রথম সন্তান ক্রিস জন্মগ্রহণ করে।
সন্তান জন্মের প্রায় ৫ বছর পরে তারা ১৯৯৩ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এ বছরে তাদের দ্বিতীয় সন্তান সোফির জন্ম হয়। এরপর ঘন ঘন সন্তানের পিতামাতা হতে থাকেন তারা।
২০১২ সালের আগস্টে তাদের মেয়ে সোফি প্রথম সন্তান ডেইজিকে প্রসব করেন।
২০১৪ সালের জুলাইয়ে ছেলে আলফি জন্ম নেয়। একই বছর তাদের মেয়ে সোফি দ্বিতীয় সন্তান আয়পরলকে প্রসব করেন।
২০১৫ সালের আগস্টে জো ব্রোডলিকে বিয়ে করেন সোফি।
২০১৫ সালের ডিসেম্বরে তৃতীয় সন্তান লিও থমাসের জন্ম দেন সোফি।
২০১৭ সালের জুনে র্যাডফোর্ড দম্পতির প্রথম সন্তান ক্রিসের একটি মেয়ে মেইজির জন্ম হয়।
২০১৮ সালের নভেম্বরে র্যাডফোর্ড দম্পতি ২১তম সন্তানের পিতামাতা হন।
২০১৯ সালের অক্টোবরে তারা ঘোষণা করেন ২২তম সন্তানের পিতামাতা হতে যাচ্ছেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেমন আছে রুয়ান্ডা?
![]() |
| ২৫ বছর ধরে ক্ষমতায় আছেন তুতসি নেতা পল কাগামে |
গণহত্যার ২৫ বছর পার হয়ে গেলেও রুয়ান্ডা এখনো একটি ধাঁধা হয়েই রয়েছে। দেশটির সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি রয়েছে অনেক প্রশ্ন। শুধু বর্তমান নয়, অতীত নিয়েও রয়েছে বহু প্রশ্ন। গণহত্যায় ঠিক কত মানুষ মারা গিয়েছিল? বাইরের কোনো শক্তি, বিশেষ করে জাতিসংঘ কি চাইলে এই গণহত্যা আটকাতে পারত?
তবে বর্তমানে এগুলোর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ধরা দিয়েছে অন্য কিছু প্রশ্ন। রুয়ান্ডা কি তার ২৫ বছর আগের সেই ক্ষত ভুলতে পেরেছে? গণহত্যার পরপরই ক্ষমতায় আসা পল কাগামে কি রুয়ান্ডাকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরত আনতে পেরেছেন? না কি ভয়ানক সেই স্মৃতির ফায়দা তুলে নিজের একনায়কতন্ত্রকে জায়েজ করতে চাইছেন তিনি? কাগামে দেশটির সংখ্যালঘু সম্প্রদায় তুতসির অন্তর্ভুক্ত। ২৫ বছর আগে যাদের হাতে মারা গিয়েছিল অজস্র তুতসি, সেই সংখ্যাগরিষ্ঠ হুতুরা কি আবারও ক্ষমতায় আসার জন্য সংঘবদ্ধ হচ্ছে? রুয়ান্ডায় কি আদৌ গণতন্ত্র ফিরবে?
মাত্র ১০০ দিন চলা সেই গণহত্যায় প্রাণ গিয়েছিল ৮ লাখ মানুষের, যার চার ভাগের তিন ভাগই ছিল তুতসি জনগোষ্ঠীর। নিহতের সংখ্যা নিয়ে অবশ্য বিতর্ক রয়েছে। জাতিসংঘের ধারণা নিহতের সংখ্যা ৮ লাখ। কাগামের ভাষ্যমতে, এই সংখ্যা ১০ লাখ। অ্যালিসন ডে ফরজেস নামের এক মানবাধিকারকর্মী আবার ৫ লাখ মানুষের মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায় বলে উল্লেখ করেন।
গণহত্যায় নির্বিচারে তুতসিদের হত্যা করেছিলেন হুতুরা। হুতু স্বামী তাঁর তুতসি স্ত্রীকে হত্যা করেছেন, হুতু ধর্মযাজকেরা সরাসরি তুতসিদের হত্যা করার ব্যাপারে প্ররোচনা দিয়েছেন। হুতুদের মনে তুতসিদের সম্পর্কে ঘৃণার বিষ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল বেশ ভালোভাবেই।
এই গণহত্যার কোনো স্বীকৃত বিচার পায়নি রুয়ান্ডা। ২০০২ থেকে ২০১২ পর্যন্ত ১০ বছরে অসংখ্য স্থানীয় আদালত বসিয়ে প্রথাগত উপায়ে বিচারের ব্যবস্থা করা হতো। স্থানীয় ভাষায় এই আদালতগুলোকে বলা হয় ‘গাচাচা’। ব্রিটিশ অধ্যাপক নিক জনসন বলেছেন, ‘এই গাচাচার বিচার ব্যবস্থা নির্ভুল ছিল, এমন দাবি কোনো রুয়ান্ডারই কোনো মানুষ করবে না। কিন্তু এই আদালতগুলো যে রুয়ান্ডাকে রক্ষা করেছে, এই বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।’ পল কাগামের দাবি, গত ২৫ বছরে রুয়ান্ডায় কোনো বড় আকারের সহিংস ঘটনা ঘটেনি।
রুয়ান্ডা
অবস্থান: আফ্রিকা মহাদেশ
প্রতিবেশী: উগান্ডা, বুরুন্ডি, তানজানিয়া, কঙ্গো
রাজধানী: কিগালি
আয়তন: ২৬,৩৩৮ বর্গ কিলোমিটার
জনসংখ্যা: এক কোটি ১২ লাখ (২০১৫)
ভাষা: কিনারান্ডা, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ
মুদ্রা: রুয়ান্ডান ফ্রাঁ
সূত্র: বিবিসি
![]() |
| ১০০ দিনের গণহত্যায় এভাবেই প্রাণ গিয়েছিল ৮ লাখ মানুষের। ছবি: রয়টার্স |
তবে রুয়ান্ডার এই স্থিতিশীলতা কিন্তু এমনি এমনিই আসেনি। শান্তি ও অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য নিজেদের রাজনৈতিক ও বাকস্বাধীনতা বিসর্জন দিতে হয়েছে রুয়ান্ডার জনগণকে। দেশটির অর্থনীতি এখন উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ১৯৯৫ সালে দেশটিতে মাথাপিছু আয় যেখানে ছিল ১২৫ ডলার, সেটি এখন ৮০০ ডলারে উঠে এসেছে। ২০০০ সালের পর দেশটিতে শিশু মৃত্যুর হার প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। কিন্তু এসব উন্নয়নের জন্য নিজেদের রাজনৈতিক মতপ্রকাশের অধিকার বলি দিতে হয়েছে রুয়ান্ডাবাসীকে। সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত হওয়ার সাহস রুয়ান্ডার খুব কম মানুষেরই রয়েছে। একজন রুয়ান্ডান সাংবাদিক বলেছেন, ‘আপনি এমন একজনকেও খুঁজে পাবেন না, যিনি মনের ভাবনাকে মুখে বলার সাহস রাখেন।’ আগের তুলনায় নিয়ন্ত্রণ কিছুটা কমিয়ে এনেছেন কাগামি, কিন্তু দেশটির রাজনীতিতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের বিন্দুমাত্র কোনো সুযোগ নেই। ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত সবশেষ নির্বাচনে ৯৯% ভোট পেয়েছেন কাগামে। এ থেকেই বোঝা যায় দেশটিতে গণতন্ত্রের বর্তমান অবস্থা কেমন।
শুরুর দিকে বলা হয়েছিল, প্রতিবেশী দেশ কঙ্গোর জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা অপরাধীদের খুঁজে বের করতে সেনা সদস্যদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা গেলো, রুয়ান্ডার সেনাবাহিনী কঙ্গোতে গিয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে এবং কঙ্গো থেকে খনিজ সম্পদ লুট করে নিয়ে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে বন্ধুরাষ্ট্র উগান্ডার সঙ্গেও সম্পর্ক খারাপ হয়েছে কাগামের। রুয়ান্ডার ‘দেশদ্রোহীদের’ আশ্রয় দিচ্ছে উগান্ডা, এমন অভিযোগ এনে উগান্ডার সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করছেন কাগামে।
কাগামের সমর্থকদের দাবি, একমাত্র তাদের নেতাই পারেন ভঙ্গুর এই রুয়ান্ডাকে অক্ষত রাখতে। কিন্তু প্রতি বছরই এমন ধারণা নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জের সামনে পড়ছে। ২৫ বছর ক্ষমতায় কাটিয়ে দেওয়ার পর কাগামে তাই এখন দুটি পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁর প্রথম চ্যালেঞ্জ, কোনো উত্তরসূরির হাতে ক্ষমতা সুষ্ঠুভাবে হস্তান্তর করা। আর দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ, তিনি ক্ষমতা থেকে বিদায় নেওয়ার পরে রুয়ান্ডায় যেন আবার সেই সাম্প্রদায়িকতা মাথাচাড়া দিয়ে না ওঠে, সেটি নিশ্চিত করা। তবে আরও একটি বাধার সামনেও পড়তে পারেন তিনি। এই একনায়কতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থা রুয়ান্ডার জনগণ আর কত দিন মেনে নেবেন, না কি গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করবেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে পাঁচটি বিষয় নিয়ে পুরুষরা কথা বলে না

নিজেদের সমস্যা নিয়ে কথা বলা অথবা কোন বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়ার প্রবণতা সম্ভবত তাদের কম।
এক্ষেত্রে জেনে নেয়া জরুরি যে পাঁচটি বিষয় নিয়ে পুরুষদের কথা বলা দরকার।
নিঃসঙ্গতা নিয়ে কথা বলুন
বিবিসি নিজে ওয়েলকাম কালেকশন নামে একটি সংস্থার সাথে নিঃসঙ্গতা নিয়ে জরিপ চালিয়েছিল।
তাতে দেখা গেছে ১৬ থেকে ২৪ বছর বয়সীরা সবচেয়ে বেশি নিঃসঙ্গতা অনুভব করে।
খুব দীর্ঘ সময়ের নিঃসঙ্গতা একজন মানুষের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। গবেষণায় দেখা গেছে সহজে নিরাময় হয়না শরীরে এমন রোগের জন্ম দেয় নিঃসঙ্গতা।
তা মানুষের মধ্যে বেপরোয়া আচরণের জন্ম দেয়।
একাকীত্বের সাথে স্মৃতিভ্রংশ জনিত রোগেরও সম্পর্ক রয়েছে।
২০১৭ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে বিশেষ করে পুরুষদের জন্য এই নিঃসঙ্গতা থেকে বেরিয়ে আসা মুশকিল।
এই গবেষণার প্রধান রবিন ডানবার বলছেন, যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব বজায় রাখার ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের মধ্যে বিশাল ফারাক তারা দেখতে পেয়েছেন।
পুরুষরা নিজেদের একাকীত্ব স্বীকারও করেন না। ২০১৭-১৮ সালে যুক্তরাজ্যের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, 'একা বোধ করি না' এই কথাটিই বরং পুরুষরা মেয়েদের তুলনায় বেশি বলেন। কান্না ও পুরুষালী ধারনা
সমাজের প্রচলিত একটি কথাই রয়েছে যে 'ছেলেদের কাঁদতে নেই'।
যুক্তরাজ্য ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইউগভ-এর ২০১৮ সালের এক হিসেব অনুযায়ী দেশটির ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী পুরুষদের ৫৫ শতাংশ মনে করেন কান্না পুরুষের আচরণের সাথে যায় না বা কান্না পুরুষালী বিষয় নয়।
আত্মহনন প্রবণতায় ভোগে এমন মানুষদের সহায়তা করে অস্ট্রেলিয়ান দাতব্য প্রতিষ্ঠান লাইফলাইন। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক কোলম্যান ওড্রিসকল বলছেন, "আমরা খুব ছোটবেলা থেকে ছেলেদের এমনভাবে তৈরি করি যেন তাদের আবেগ প্রকাশ করতে নেই। সমাজ সেভাবেই ছেলেদের বড় করে তোলে। তাদের ধারনা দেয়া হয় যে আবেগ প্রকাশ করা দুর্বলতার লক্ষণ।"
অথচ বহু গবেষণায় দেখা গেছে নিজের মন হালকা করার জন্য কান্না খুব কাজে আসে। পরিবারের জীবিকার প্রধান দায়িত্ব পুরুষের জন্য বড় চাপ
যুক্তরাজ্যে এক গবেষণায় দেখা গেছে ৪২ শতাংশ পুরুষরা মনে করে তাদের নারী সঙ্গীদের তুলনায় তাদের আয় বেশি হওয়া উচিৎ।
সেরকম একজন নাইজেরিয়ান ফুটবলার অলুমাইড ডরুযাইয়ে। তিনি বলছেন, "আমি দেখেছি আমার বাবা ছিলেন পরিবারের প্রধান রুটির যোগানদাতা। দিনরাত খাটতেন। আমিও সেরকমই হয়েছি। যেকোনভাবেই হোক আমাকে অর্থ উপার্জন করতে হয়েছে কারণ আমাকে সেই পুরুষের ভূমিকাটি নিতে হয়েছে।"
পরিবারের সবার রুটির যোগান দেয়া পুরুষের দায়িত্ব এই ধারনার কারণে পুরুষরা অনেকেই বাড়তি চাপের মধ্যে থাকেন।
পুরুষদের জন্য এই দায়িত্ব বাড়তি বোঝা বলে মনে করা হয়। অর্থনৈতিক বোঝা মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে।
বেকারত্বের সাথে আত্মহত্যার সম্পর্ক রয়েছে বলে ২০১৫ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ও বাস্তবতা
গবেষকরা বলছেন, মানসিক স্বাস্থ্যের উপর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম সম্ভবত খুব গভীর প্রভাব ফেলছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা যত বেশি সময় কাটাই তাতে আমরা আরও বেশি নি:সংগ ও বিষণ্ণ হয়ে পরি।
এই গবেষণার লেখক মেলিসা হান্ট বলছেন, "সামাজিক যোগাযোগের ব্যবহার কমিয়ে দিলে সাধারণত বিষণ্ণতা ও নিঃসঙ্গতার মাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসে।"
কিন্তু সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এমন কি আছে যা আসলে ক্ষতিকর?
মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক অস্কার ইয়াবারা বলছেন, "সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে যা দেখা যায় তা খুব কম ক্ষেত্রেই বাস্তব জীবনের প্রতিফলন। আপনি এতে ঢুকে যা দেখছেন তা সচরাচর খুবই বাছাই করা বিষয়াদি। কিন্তু মানুষ তবুও নিজের জীবনের সাথে তার তুলনা করে।" নিজের শরীর সম্পর্কে ধারনা
যুক্তরাজ্যে গত বছর লাভ আইল্যান্ড নামে টেলিভিশনে একটি রিয়ালিটি শোতে অংশ নিয়ে কিছুটা খ্যাতি অর্জন করেছিলেন এমন একজন জশ ডেনজেল।
তিনি বলছেন, এই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার আগে তিনি সারাদিন জিমে কাটাতেন।
তারপরও আয়নায় নিজের দিকে তাকাতেন এবং নিজের শরীর নিয়ে সংকোচ বোধ করতেন।
তিনি বলছেন, "এখনো সৈকতে হয়ত আমার পাশ দিয়ে দারুণ সিক্স প্যাক শরীর নিয়ে কেউ হেঁটে যাচ্ছে, আমি তখন নিজের দিকে তাকিয়ে নিজেকেই খুব হীন পুরুষ মনে হয়েছে।"
তরুণ প্রজন্মের মধ্যে একটি দারুণ ফিগার নিয়ে এখন অনেকেই খুব চিন্তা করেন।
তাই স্থূল হয়ে যাওয়া বা শরীরের কোন খুঁতের সাথেও মানসিক স্বাস্থ্যের যোগসূত্র রয়েছে বলে মনে করা হয়।
এই সকল বিষয় নিয়ে পুরুষদের খোলাখুলি আলাপ করাকেই এখন উৎসাহিত করা হচ্ছে।
নিজের আবেগকে দুরে ঠেলে না দিয়ে, বোতল বন্দি করে না রেখে তার সংস্পর্শে এলেই বরং মানসিক স্বাস্থ্যের উপকার হয়- সেই বার্তা দেয়া হচ্ছে পুরুষদের।
সুত্রঃ বিবিসি বাংলা by মানবজমিন
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এমপিওভুক্ত হলো ২৭৩০ প্রতিষ্ঠান

নিম্ন মাধ্যমিকে (৬ষ্ঠ-৮ম) আবেদন জমা পড়ে ১ হাজার ৯৬৭টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২ হাজার ৭৩৯টি, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় (একাদশ- দ্বাদশ) ৩৩৬, কলেজ ৫৪৪টি, ডিগ্রি কলেজ ৫৫৫টি আবেদন জমা পড়ে। অর্থ্যাৎ মোট আবেদন জমা পড়ে ৬ হাজার ১৪১টি। এর মধ্যে মাদ্রাসায় দাখিল স্তরে ৩৫৮টি, আলিম ১২৮টি, ফাযিল ৪২টি, কামিল ২৯টি, মোট ৫৫৭টি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়। একই সঙ্গে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫২২টির মধ্যে কৃষি ৬২টি, ভোকেশনাল স্বতন্ত্র ৪৮টি, ভোকেশনাল সংযুক্ত ১২৯টি, বিএম স্বতন্ত্র ১৭৫টি, বিএম সংযুক্ত ১০৮টি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়।
এই এমপিও গতকাল ঘোষণা করা হলেও এই কার্যকর হবে চলতি বছরের গত জুলাই থেকে। গতকাল এমপিও ঘোষণার সময় প্রধানমন্ত্রী হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, আপনারা নীতিমালা অনুযায়ী সকল নির্দেশনা পূর্ণ করতে পেরেছেন বলে এমপিও ভুক্ত হয়েছে। কাজেই এটা ধরে রাখতে হবে। কেউ যদি এটা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়, সঙ্গে সঙ্গে তার এমপিও ভুক্তি বাতিল হবে। কারণ এমপিও ভুক্তি হয়ে গেছে- বেতনতো পাবই, ক্লাশ করানোর দরকার কি, পড়ানোর দরকার কি, এ চিন্তা করলে কিন্তু চলবে না। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের কথা হচ্ছে, আমাদের নীতিমালার যে নির্দেশনাগুলো রয়েছে, যারা সেই নির্দেশনাগুলো পুরণ করতে পারবেন এবং সেই স্কুলগুলো আসলে প্রয়োজন আছে সেটা বিবেচনা করেই এমপিওভুক্ত করবো। কাজেই, এমপিও ভুক্তি চান তাদের এই নির্দেশনা মানতে হবে। এমপিও ভুক্তির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়ের প্রতি ধন্যবাদ এবং এমপিও ভুক্ত নতুন প্রতিষ্ঠানগুলোকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এটা দীর্ঘদিনের একটা চাহিদা ছিল। আমরা এই নিয়ে অনেক দিন থেকেই কাজ করছি।
সবাই মিলে কাজ করে একটা তালিকাভুক্ত করে আজ এমপিওভুক্তির ঘোষণা দিতে পারলাম। প্রচণ্ড একটা দাবি ছিলো এমপিওভুক্তকরণের। আর এজন্য শিক্ষকরা আন্দোলনও করেছেন। তখন আমরা বলেছি আমরা সবই করবো। কিন্তু একটা নীতিমালার ভিত্তিতে করবো। শিক্ষাকে আমরা যথেষ্ট গুরুত্ব দেই বলেই একে একটি নীতিমালার ভিত্তিতে করতে চেয়েছে সরকার। যাতে মান সম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। তবে, এই নীতিমালা ঠিক করে একে যাচাই বাছাই করে তালিকাটা করতে একটু সময় লেগে যায়। সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে, দেশের বাজেট বৃদ্ধি করে শিক্ষা খাতে সর্বাধিক ব্যয় বরাদ্দ রেখেছে, যাতে করে শিক্ষাকে আধুনিক এবং বিজ্ঞান সম্মত করে যুগের চাহিদা মোতাবেক প্রযুক্তি নির্ভর করে তোলা যায়। শিক্ষামন্ত্রণালয়ের এই আয়োজনে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন। এদিকে, এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকরা মঙ্গলবার রাতে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় বৈঠকের পর তাদের চলমান কর্মসূচি স্থগিত করে বাড়ি ফিরে গেছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রকে সংঘাতের কিনারে পৌঁছে দিয়েছিল :-হেনরি কিসিঞ্জার

হেনরি কিসিঞ্জার বলেছেন, বাংলাদেশ সঙ্কট ওই সময় এই দুটি দেশকে সংঘাতের কিনারে পৌঁছে দিয়েছিল। এ বিষয়ে বিপরীত দৃষ্টিভঙ্গিও আছে। তা সত্ত্বেও এ দুটি দেশ নিরাপত্তা ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সমান্তরাল উন্নয়ন করতে পারতো।
পিটিআই লিখেছে, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত হয় ভারত ও পাকিস্তান। ওই সময়ে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে যুদ্ধজাহাজ বহনকারী ইউএসএস এন্টারপ্রাইজের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের ৭ম নৌবহর প্রবেশ করে বঙ্গোপসাগরে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা দেয়া। কিন্তু একে দেখা হচ্ছিল ভারতের প্রতি ছদ্মবেশী হুমকি হিসেবে। হেনরি কিসিঞ্জার বলেন, ওই সময়টা ছিল শীতল যুদ্ধেরও সময়। তখন ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ছিল।
১৯৬১ সালে বার্লিন সঙ্কটের সময় বার্লিন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রবাহিনীকে বেরিয়ে যেতে আলটিমেটাম দেয় সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন বা ইউএসএসআর। এ প্রসঙ্গ টেনে কিসিঞ্জার বলেন, ওই সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওয়াহর লাল নেহেরু ও ভারত সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন না করায় মার্কিন সরকারের অনেকেই ছিলেন হতাশ। কিসিঞ্জারের ভাষায়, ভারত ছিল তখন ঐতিহাসিক বিবর্তনের সূচনালগ্নে। যেসব সমস্যা বেরিয়ে এসেছিল তার সবটা সমান গুরুত্বপূর্ণ ছিল না ভারতের কাছে। ভারত তখন তার নিজস্ব বিবর্তন ও নিরপেক্ষতার নীতিতে খুব বেশি মনোনিবেশ করেছিল।
তিনি আরো বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যখন চীনের জন্য নিজেকে উন্মুক্ত করে দিয়েছিল সেই সময়ে হয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ। তার ভাষায়, আমরা এই সঙ্কটকে দেখেছি বিপরীত দৃষ্টিকোণ থেকে। কিন্তু দৃঢ়তার সঙ্গে বলা যায় যে, শুধু মৌলিক বিবর্তনই ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমান্তরাল উন্নয়ন করতে পারে। অনেক বছর ধরে আমরা এমন একটি পরিস্থিতিতে এসে পৌঁছেছি যেখানে অনেক ইস্যুতে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অভিন্ন লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য রয়েছে।
হেনরি কিসিঞ্জার বলেছেন, এই দুটি দেশের (ভারত-যুক্তরাষ্ট্র) মধ্যে বিশ্বের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক বিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে ঐক্যমত তৈরি হয়েছে। পূর্ববর্তী কোনো আয়োজন ছাড়াই এ সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে এই দু’দেশের মধ্যে। হেনরি কিসিঞ্জারের ভাষায়, যদি আপনি বিশ্বের দিকে তাকান তাহলে দেখবেন পৃথিবীর প্রতিটি স্থান উত্তাল, অশান্তি বিরাজ করছে। আপনি অগত্য তাদের প্রত্যেকের জন্য একটি সাধারণ ধারণার বিকাশ ঘটাতে পারবেন না। কিন্তু আপনি শান্তি ও অগ্রগতির জন্য অত্যাবশ্যক কাজ করতে পারেন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে। তারপরও আমি বলব যে, এখন কোনোও দুটি দেশ তাদের মধ্যে বন্ধুত্বকে বিকশিত করার মতো ভাল অবস্থানে নেই।
হেনরি কিসিঞ্জার বৈরিতার অবসান ও চীনের প্রতি উন্মুক্ত নীতির জন্য পরিচিত। তিনি বলেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে স্বাভাবিক করার জন্য তৎকালীন চীনা প্রধানমন্ত্রী ঝাউ এনলাইয়ের সঙ্গে সমঝোতায় দু’বছর সময় ব্যয় করেছেন। তার এই প্রচেষ্টা সফল হয় ১৯৭২ সালে। ১৯৪৯ সালে কমিউনিস্ট বিপ্লবের পরে ওই সময় প্রথমবার প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে চীন সফরে যান রিচার্ড নিক্সন। তখনই সম্পর্কের বরফ গলে।
এই সমঝোতার জন্য তিনি আগে থেকে কতটুকু প্রস্তুতি নিয়েছিলেন এমন প্রশ্ন করা হলে মার্কিন সাবেক এই কূটনীতিক বলেন, অন্য পক্ষ সম্পর্কে তার আগে থেকে কোনো ধারণা ছিল না। তাই তিনি তাদের চিন্তাভাবনা এবং তারা যে লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করছে তা বুঝার জন্য প্রচুর সময় ব্যয় করেছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফেসবুকে ধর্ম বা নবীর অবমাননার গুজব তুলে বারবার সাম্প্রদায়িক হামলা, কৌশল একই by রাকিব হাসনাত
![]() |
| রামুর হামলার পর তোলা ছবি |
কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ পল্লির হামলা
ব্রাক্ষ্মনবাড়িয়ার নাসিরনগরে আক্রান্ত হিন্দুরা
রংপুরেও নাসিরনগর মডেল
সিলেটের ওসমানীনগরেও সেই ফেসবুক স্ট্যাটাস
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পর্নো ব্যবসা এত বিপুল হয়ে উঠলো কীভাবে : পর্ব ১ by ফ্রাঙ্কি কুকনি

এছাড়া আদালতের পর্যবেক্ষণে ‘অশ্লীলতা’রও কোনো সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা ছিল না।
ওদিকে ডেনমার্কের ওই পর্নোগ্রাফি ট্রেড শো দেখতে যায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। ওই শো’র নাম দেওয়া হয় ‘সেক্স ৬৯’। এতে অংশগ্রহণ করেন আমেরিকান চলচ্চিত্র নির্মাতা অ্যালেক্স দ্য রেঞ্জি, যিনি ওই শো নিয়ে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৭০ সালে মুক্তি পায় ‘সেন্সরশিপ ইন ডেনমার্ক- অ্যা নিউ অ্যাপ্রোচ’ নামে ওই তথ্যচিত্র। এতে ওই বাণিজ্য মেলার প্রতিবেদন যেমন ছিল, তেমনি কোপেনহেগেনের বিভিন্ন স্থান থেকে জনগণের মন্তব্যও ছিল। কিন্তু ওই তথ্যচিত্র যে কারণে দৃষ্টি আকর্ষণ করে তা হলো, সেখানে ওই বাণিজ্য মেলায় প্রদর্শিত অত্যন্ত খোলামেলা যৌনতার ছবিও প্রায় স্পষ্টভাবেই দেখানো হয়। এ ধরণের দৃশ্য সম্বলিত যেকোনো মুভি তখন আমেরিকান সিনেমায় দেখানো নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু ‘সেন্সরশিপ ইন ডেনমার্ক’ সেই বিধিনিষেধ এড়াতে সক্ষম হয়, কেননা এটি ছিল একটি তথ্যচিত্র।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় তখন লেখা হয়, ‘সেন্সরশিপ ইন ডেনমার্ক- তথ্যচিত্রে খোদ ওই পণ্যেরই অনেককিছু দেখানো হয়েছে। সেখানে ছবি, নীলছবি এবং নীলছবি তৈরির সেট দেখানো হয়। এমনকি ওই সেটে অর্থাৎ পর্নো ক্লাবে যৌনমিলনরত অবস্থায় অভিনেতা-অভিনেত্রীদেরও দেখানো হয় সরাসরি। কিন্তু সম্ভবত, এটি আইনগতভাবে এখানে দেখানো সিদ্ধ। কারণ, এটি আসলে পর্নোগ্রাফি নিয়ে একটি তথ্যচিত্র।’
১৯৭০ থেকে এবার সরাসরি ২০১৯-এ চলে আসুন। বার্লিন পর্নো চলচ্চিত্র উৎসব হতে যাচ্ছে এ নিয়ে ১৩তম বারের মতো। এতে ছয় দিন ধরে টানা দেখানো হবে প্রায় ১০০টি প্রাপ্তবয়স্কদের ছবি। আজকের দিনে এসে অনলাইন পর্নো শিল্প ব্যবসার প্রকৃত আকার পরিমাপ করা কঠিন। তবে অনেকে অনুমান করে বলেন, এই ব্যবসার আর্থিক মূল্য ৬০০ কোটি থেকে ৯৭০০ কোটি ডলার। কিন্তু পর্নো ব্যবসা এত বিপুল হয়ে উঠলো কীভাবে?
১৯৭০ সালে দ্য রেঞ্জির ওই তথ্যচিত্রই একমাত্র আলোড়ন সৃষ্টিকারী চলচ্চিত্র ছিল না। ১৯৬৯ সালেই অ্যান্ডি ওয়ারহল মুক্তি দিলেন তার বিতর্কিত চলচ্চিত্র ‘ব্লু মুভি’ (নীল ছবি)। এটি ছিল প্রথম কোনো চলচ্চিত্র যেখানে প্রকৃত যৌনদৃশ্য দেখানো হয়। কিন্তু ‘সেন্সরশিপ ইন ডেনমার্ক’-এর মতো ওই ছবিও ‘অশ্লীল দৃশ্য’ থাকা সত্ত্বেও পার পেয়ে যায়। কেননা, ওই ছবিকে বিবেচনা করা হচ্ছিল শিল্প হিসেবে। ওয়ারহল পরে নিজের আত্মজীবনীতে বলেন, ‘ব্লু মুভি’ প্রকৃত ছিল। কিন্তু এটি পর্নোগ্রাফি হিসেবে বানানো হয়নি। স্রেফ একটি পরীক্ষা হিসেবে এটি বানানো হয়।’
সেই ১৯৬৯ থেকে শুরু। ১৯৬৯ থেকে ১৯৮৪ পর্যন্ত সময়কে এখন বলা হচ্ছে পর্নোগ্রাফির সোনালী সময় হিসেবে। তখন খুব সামান্য বাজেটের নীলছবিও বক্স অফিসে সাফল্য পেতো। ১৯৭৫ সাল নাগাদ, সরাসরি যৌনদৃশ্য সম্বলিত পর্নোগ্রাফির খুচরা বাজারদর ছিল ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি ডলারে, যা আজকের মূল্যে ২ কোটি ৪০ লাখ থেকে ৪ কোটি ৮০ লাখ ডলারের সমতুল্য।
প্রযুক্তির উৎকর্ষতার কারণেই ব্যবসার ধরণ পরিবর্তিত হয়। ভিএইচএস, ভিসিআর ও পরে ক্যামকর্ডার আসে আশির দশকে। ফলে দৃশ্যধারণ করার খরচ কমে যায়। সত্তরের দশকের পর্নো ছবিতেও এক ধরণের কাহিনী বা চলচ্চিত্রের আবরণ লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু আশির দশকে ‘অ্যামেচার’ পর্নের আধিক্য দেখা যেতে শুরু করে। এরপর নব্বইয়ের দশকে ডিভিডি ও ইন্টারনেটের বদৌলতে পর্নো ব্যবসা সম্পূর্ণ পাল্টে যায়।
(ফ্রাঙ্কি কুকনি একজন লেখিকা ও সাংবাদিক। তার এই নিবন্ধ মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস-এর ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া হয়েছে। আগামী পর্বে সমাপ্য।)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওই দেখা যায় হাওর-পাহাড়-মেঘ by হিমাদ্রি শেখর ভদ্র
![]() |
| মেঘালয় পাহাড় (ছবি– প্রতিনিধি) |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নগর জীবন: কাবুলের শহুরে চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা by আলি এম লতিফি
![]() |
| যানজট এখন কাবুল শহরের অতিপরিচিত দৃশ |
![]() |
| দুই বছর আগে নগর কর্তৃপক্ষ শহরের পাহাড়গুলোর পৃষ্ঠদেশ রঙ্গীণ করতে শুরু করে, ছবি: আলি লতিফি |
![]() |
| পরিবেশ দূষণ কাবুল শহরের আরেকটি বড় সমস্যা, ছবি: আলি লতিফি |
![]() |
| কাবুলে শিশুদের জন্য বিনোদনেরও তেমন সুযোগ নেই, ছবি: আলি লতিফি |
![]() |
| জনাকীর্ণ হয়ে পরা কাবুল শহরে এখন তৈরি হচ্ছে বহুতল ভবন, ছবি: আলি লতিফি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিসরে পাওয়া গেল ইদুর, বিড়াল আর পাখির মমি

এবার মিসরে নতুন আবিষ্কার হওয়া এক 'সুসজ্জিত' প্রাচীন 'নেক্রোপলিস' বা সমাধিক্ষেত্রের ধ্বংসাবশেষের ভেতরে একটি কবরের মধ্যে পাওয়া গেছে মমি করা কয়েকটি ইঁদুর।
মিসরের সোহাগ শহরে ঐ সমাধিতে উদ্ধার হওয়া ইঁদুর ও আরো কয়কটি প্রাণীর মমিগুলো দুইজন মানুষের মানুষের মমির পাশে ছিল। সমাধিস্তম্ভের মধ্যে শেষকৃত্যের বিস্তারিত অংকন করা চিত্রকর্মও পাওয়া গেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সমাধিটি দুই হাজার বছরের বেশি পুরনো, এবং ধারণা করা হচ্ছে মমি দুটি তৎকালীন রাজপরিবারের সিনিয়র কর্মকর্তা টুটু ও তার স্ত্রীর। অক্টোবরে অবৈধভাবে চোরাকারবারিরা এই সমাধি খনন করার সময় এটি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।
মিশরের কর্তৃপক্ষ অ্যান্টিকস বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আশা কায়রো কাছে মরুভূমির মধ্যে আবিষ্কৃত এই সমাধি হয়ত নতুন করে এখানে পর্যটক আকর্ষণ করবে।
প্রত্মতত্ত্ব বিভাগের কর্মকর্তা মোস্তফা ওয়াজিরি জানিয়েছেন, সমাধিক্ষেত্রটি "খুব সুন্দর ও রঙ্গিন।"
২০১১ সালে দেশটিতে আরব বসন্তের পর কায়রোর কাছে এই সমাধিক্ষেত্রগুলো আবিষ্কার হওয়াকেই সবচেয়ে বড় ঘটনা বলে তিনি অভিহিত করেছেন।
সমাধিক্ষেত্রের বাইরে একজন নারী ও এক কিশোরের মমি দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছৈ। মমি করা নারীর বয়স মৃত্যুর সময় ৩৫ থেকে ৫০ বছর ছিল এবং কিশোরটির বয়স মারা যাওয়ার সময় ছিল ১২ থেকে ১৪ বছর।
২০১৮ সালে আবিষ্কার হওয়া প্রাচীন 'নেক্রোপলিস' বা সমাধিক্ষেত্রের ধ্বংসাবশেষের মধ্যে পাওয়া গেছে বহু মমি, পাথরের তৈরি শবাধার ও অন্যান্য সামগ্রী, এবং একটি গলার হার -বলা হচ্ছে 'এটি হলো মৃত্যুর পরের জীবন থেকে পাঠানো বার্তা।' সমাধির ভেতরে অন্তত ৫০টি মমি করা ইঁদুর, বিড়াল এবং পাখি পাওয়া গেছে।
আর মূল্যবান সম্পত্তির মধ্যে দুর্লভ চিত্রকর্ম, এবং নানারকম উৎসবের রঙ্গিন মুখোশ। কায়রোর দক্ষিণে মিনিয়া শহরের কাছে এই পুরো প্রত্নস্থানটি এতই বড় যে তা পুরোপুরি খনন করতে পাঁচ বছর লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে।
কয়েকটি পাত্র পাওয়া গেছে যাতে মৃতদের দেহের ভিতরের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ মমি করে রাখা আছে। ওপরে লেখা আছে তাদের নাম ও পদ। এগুলো দেখতে হোরাস নামে এক প্রাচীন দেবতার চার পুত্রের মুখের মতো।
সূত্র : বিবিসি বাংলা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কফি সংকট যেভাবে আপনার ওপরে প্রভাব ফেলতে পারে
![]() |
| কফি কি হারিয়ে যাচ্ছে শিগগিরই? |
![]() |
| গ্রাহকদের কাছে কফির দাম না কমলেও উৎপাদক পর্যায়ে দাম পড়ে গেছে |
![]() |
| ইথিওপিয়ার একটি খামারে বুনো কফি শুকানো হচ্ছে |
![]() |
| চাক জোনসের আত্মীয়রা গুয়াতেমালা থেকে কফি পাঠাতেন |
সমাধানের পথ কি?
![]() |
| কলম্বিয়ায় অনেক চাষি ছোট ছোট ক্ষেতে কফি চাষ করেন |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘হাস্যোজ্জ্বল’ ইরাবতি ডলফিন বিলুপ্তির পথে

দক্ষিণপূর্ব এশিয়া জুড়ে নদী, হ্রদ ও সাগর উপকূলে একসময় প্রচুর ইরাবতি ডলফিনের দেখা পাওয়া যেতো। উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর থেকে দক্ষিণে ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃর্ণ অঞ্চল এই ডলফিনের আবাস। মিয়ানমারের নদীগুলোতে থাকা ডলফিনগুলোর সঙ্গে স্থানীয় জেলেদের একধরনের সখ্যতা রয়েছে। প্রজন্মের প্রজন্ম ধরে গড়ে ওঠা এই সখ্যতা নিয়ে স্থানীয় লোককাহিনীতে অনেক গল্পও লেখা হয়েছে। স্থানীয় জেলেদের ডাকে ডলফিনগুলো সাড়া দেয়। গলায় বিশেষ ধরনের শব্দ করে, দাঁড় দিয়ে পানির ঝাপটা দিয়ে, নৌকার পাশে পানিতে হালকা আঘাত করে তারা ডলফিনকে ডাকে। ডলফিনগুলো প্রথমে তাদের পাখনা ঝাড়া দিয়ে জানান দেয় যে মাছ শিকারে সাহায্যের জন্য তারা প্রস্তুত। এরপর প্রাণীগুলো মাছের ঝাঁক তাড়া করে জেলেদের নৌকার কাছাকাছি নিয়ে আসে। পেতে রাখা জালে ওই মাছ ধরা পড়ে।
সাম্প্রতিক সময়ে রেকর্ডসংখ্যক ইরাবতি ডলফিন হত্যার পর ২০১৬ সালের অক্টোবরে বিশ্ব বন্যপ্রাণী রক্ষা তহবিল (ডব্লিউডব্লিউএফ) লাওসে এই প্রাণী ‘কার্যত বিলুপ্ত’ বলে ঘোষণা করে। প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ জরিপে মাত্র তিনটি ডলফিনের দেখা মেলে। পরিস্থিতি পরিবর্তনের আশা ক্ষীণ বলে মনে করে ডব্লিউডব্লিউএফ। মিয়ানমার কর্মকর্তাদের ধারণা সেখানে মাত্র ৬২টি ইরাবতি ডলফিন এখনো টিকে আছে। গত বছর তিনটি ডলফিনের মৃত্যু ঘটার কথা এএফপি’কে জানান মিয়ানমারের মৎস্য বিভাগের এক কর্মকর্তা। এর জন্য নদীর উজানে কাচিন রাজ্যের খনিগুলোকে দায়ি করে তিনি।
কৃষি সার ব্যবহারের ফলেও নদীর পানি বিষাক্ত হচ্ছে। কিন্তু জেলেরা বলছেন, জলজ প্রাণীকূলের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জক হলো দুর্বৃত্ত চক্রগুলো। এরা সহজে টাকা কামানোর জন্য এসব প্রাণী হত্যা করছে। এক সময় কিছু জেলে বাঁশের মাথায় ছোট ছোট ব্যাটারি বসিয়ে এমনভাবে তার যুক্ত করতো যেন তা দিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করে কাছাকাছি থাকা মাছগুলো শিকার করা যায়। তাদের কাছে এ পদ্ধতি সহজ ও বেশ কার্যকর মনে হয়। স্থানীয়রা বলছেন, দুর্বৃত্তরা এখন এ কাজে গাড়ির ব্যাটারি, উচ্চ-ভোল্টেজের ট্রান্সফরমার এবং টানা জাল ব্যবহার করছে।
একজন জেলে বার্তা সংস্থাকে বলেন, এই শক খেয়ে একটি বড় ষাড়ও আছড়ে পড়তে পারে। মিয়ানমারের মান্দালয় রাজ্যে এই ইলেক্ট্রফিসিং নিষিদ্ধ। এর জন্য তিন বছরের জেল ও দু’লাখ কিয়াত (স্থানীয় মুদ্রা) জরিমানার বিধান রয়েছে। এরপরও দুর্বৃত্ত চক্রগুলোকে থামানো যাচ্ছে না বলে প্রাণী সংরক্ষণ কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন। এরা স্থানীয় অধিবাসীদের ওপরও হামলা করে। তাই ভয়ে কোন গ্রামবাসী ইলেক্ট্রোফিসিং কারা করে সে বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে মুখ খুলতে চান না।
ইরাবতি নদীর দু’তীরে বসবাসকারি জেলেরা আক্ষেপ করে বলেন, এসব ডলফিন বিলুপ্ত হলে তা শুধু ওই অঞ্চলের অতীত ঐতিহ্যকেই ধ্বংস করবে না, এলাকাবাসীর ভবিষ্যতকেও হুমকির মুখে ঠেলে দেবে। মৎস্যভান্ডার ফুরিয়ে গেলেও অন্তত ইকোটুরিজম থেকে কিছু আয়ের আশা থাকে।
মিয়ানমারে পাঁচ বছর আগে সামরিক শাসন অবসানের পর থেকে পর্যটকদের আগমন সংখ্যা বেড়েছে। ২০১৯ সাল নাগাদ দেশটিতে বছরে ৭৫ লাখ পর্যটকের আগমন ঘটবে বলে কর্তৃপক্ষ আশা করছেন।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ সোসাইটি’র ইকোটুরিজম ম্যানেজার থান্ট জিন পর্যটকদের ডলফিন দেখানোর জন্য সেখানে কর্মসূচি চালু করেছে। এতে স্থানীয়রা বন্যপ্রাণী ও সেগুলোর বাসস্থান সংরক্ষণেও উৎসাহিত হবে বলে মনে করেন তিনি। তিনি ইরাবতির বিভিন্ন গ্রামের মানুষকে রান্না, আতিথেয়তা ও পরিবেশ রক্ষার ব্যাপারে বিভিন্ন নির্দেশনা দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, এলাকাবাসীর জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যবসা। কিন্তু অনেক জেলের আশঙ্কা ইলেক্ট্রোফিসিং চক্র ইতোমধ্যে মানুষ ও প্রাণীর মধ্যে এতদিনের বিশেষ বন্ধনটি নষ্ট করে দিয়েছে।
থিয়েন সান মিন নামে এক জেলে বলেন, আমরা যেভাবেই ডাকতাম ইরাবতি ডলফিন সেই ডাকে সাড়া দিতো। তারা এখন আমাদের ডাকে কোনভাবেই সাড়া দেয় না। আগামীতে হয়তো দূর থেকে দেখেই আমাদের সন্তুষ্ট থাকতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিন দশকে বন্ধ অর্ধেক তাঁত by জাহাঙ্গীর শাহ

• নিরুপায় তাঁতিরা পেশা পরিবর্তন করছেন।
দেশের হস্তচালিত তাঁতিদের দুর্দিন চলছে। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলার গৃহস্থালি ও শিল্পকারখানার ঐতিহ্যবাহী তাঁতগুলো। নিরুপায় তাঁতিরা পেশা পরিবর্তন করছেন। সরকারি এক হিসাবে উঠে এসেছে, গত তিন দশকে অর্ধেক তাঁত বন্ধ হয়ে গেছে এবং তাঁতির সংখ্যা ১০ লাখ থেকে ৩ লাখে নেমে এসেছে। এদিকে মাত্র ১৫ বছরে বন্ধ হয়ে গেছে দেশের ৯৫ শতাংশ হস্তচালিত তাঁত কারখানা।
একসময় নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ তাঁতশিল্পের জন্য প্রসিদ্ধ হলে এখন দেশের হস্তচালিত শিল্পটি বেঁচে আছে পার্বত্য তিন জেলায়। এই তিন জেলায় আছে দেশের অর্ধেকের বেশি তাঁত।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হস্তচালিত তাঁতশুমারি ২০১৮–এর প্রাথমিক ফলাফলে এই চিত্র উঠে এসেছে। শিগগিরই প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশ করা হবে। তাঁত বন্ধ হয়ে যাওয়ার বেশ কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে ওই শুমারিতে। অন্যতম কারণ হলো অন্য পেশায় বেশি আয়, তাই অনেক তাঁতি পেশা পরিবর্তন করেছেন। এ ছাড়া অনেকেই যন্ত্রচালিত তাঁতে নিজেদের ব্যবসা স্থানান্তর করেছেন। অন্যদিকে মূলধনের অভাবেও তাঁত বন্ধ হচ্ছে। এ ছাড়া তাঁতপণ্যের বিক্রির জন্য শক্তিশালী বাজারজাত ব্যবস্থা নেই।
এবারের তাঁতশুমারিতে গৃহস্থালির তাঁতে কমপক্ষে গড়ে ২ দশমিক ৩ সংখ্যায় এবং কারখানায় ৯ দশমিক ২ সংখ্যায় তাঁতযন্ত্র আছে, তাদের মধ্যে শুমারি করা হয়েছে। বিবিএসের এই শুমারির সঙ্গে সম্পৃক্ত একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাজারজাতকরণে সমস্যা এবং পেশা পরিবর্তনের কারণেই তাঁতের সংখ্যা কমেছে।
এ নিয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক গবেষণা পরিচালক রুশিদান ইসলাম রহমান প্রথম আলোকে বলেন, কিছু কিছু তাঁত স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তিতে চলে গেছে। ফলে হস্তচালিত তাঁত ও তাঁতির সংখ্যা কমেছে। এ ছাড়া তাঁতের কাপড়ের চাহিদাও কমেছে। মানুষের আয় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা আরও মিহি বুননের কাপড়ের দিকে ঝুঁকছেন।
রুশিদান ইসলাম রহমান মনে করেন, প্রযুক্তির উন্নয়ন করে সবকিছু করা সম্ভব, কিন্তু দেশের ঐতিহ্যও ধরে রাখতে হবে। তাঁতশিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হবে। সে জন্য হস্তচালিত তাঁতিদের জন্য নতুন নতুন নকশার পাশাপাশি পণ্যের বাজারজাতকরণের সহযোগিতা দিতে হবে।
বিবিএসের শুমারি অনুযায়ী, ১৯৯০ সালে সারা দেশে ১০ লাখ ২৭ হাজার ৪০৭ জন তাঁতি ছিলেন। পরের ১৩ বছরে তাঁতির সংখ্যা কমেছে ১ লাখ ২৫ হাজার। কিন্তু এরপরের ১৫ বছরে সবচেয়ে বেশি প্রায় ছয় লাখ তাঁতি নিজেদের পেশা ছেড়ে দিয়েছেন। ২০১৮ সাল শেষে দেখা গেছে, দেশে হস্তচালিত তাঁত পেশায় আছেন মাত্র ৩ লাখ ১ হাজার ৭৫৭ জন। আবার গত তিন দশকে তাঁত বন্ধ হয়েছে প্রায় ৯৬ হাজার। এখন সারা দেশে তাঁতের সংখ্যা ১ লাখ ১৬ হাজার ৬টি।
সমতলে হারাচ্ছে, পাহাড়ে টিকে আছে
একসময় ঐতিহ্যবাহী হস্তচালিত তাঁতের জন্য বিখ্যাত ছিল নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইলের মতো জেলাগুলো। এই জেলাগুলো প্রসিদ্ধ ছিল তাঁতের জন্য। এসব জেলা সেই ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারছে না। সেই জায়গা দখল করে নিয়েছে পার্বত্য তিন জেলা। রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে দেশের এখন ৫৫ শতাংশ তাঁত আছে। এসব জেলায় দেশের এক-তৃতীয়াংশ বা ৯৪ হাজার ১৯৭ জন হস্তচালিত তাঁতি আছেন।
শুমারির তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৯২ শতাংশ বা ১ লাখ ৭ হাজারের মতো তাঁত আছে মাত্র ১৫টি জেলায়। এর মধ্যে ঐতিহ্যবাহী জেলা হিসেবে পরিচিত নারায়ণগঞ্জে আছে চার হাজার তাঁত। আর টাঙ্গাইলে ৩ হাজার ২৯০টি এবং নরসিংদীতে মাত্র ১ হাজার ১২৮টি তাঁত। এই তালিকায় ১৫ নম্বর স্থানে আছে নরসিংদী।
রাজধানীর পার্শ্ববর্তী জেলায় বড় শিল্পের উত্থানের কারণে ঐতিহ্যবাহী ছোট শিল্প হারিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, নব্বইয়ের দশকে রাজধানীর পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে বড় ও মুনাফামুখী শিল্পের বিকাশ হতে থাকে। তখন তাঁতের মতো ছোট শিল্পগুলো দেশের আরও প্রান্তিক এলাকায় চলে যায়। নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীতে বড় শিল্পের বিকাশ ঘটায় শ্রমিকের মজুরি বেড়েছে। এতে তাঁতের মতো ঐতিহ্যবাহী শিল্পের শ্রমিকেরা পেশা পরিবর্তন করেছেন। তিনি মনে করেন, এসব ঐতিহ্যবাহী শিল্পকে ধরে রাখতে সরকারের নীতিগত সহায়তাও পর্যাপ্ত ছিল না।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোন দিকে যাচ্ছে সংগীতশিল্প? by ফয়সাল রাব্বিকীন

অন্যদিকে ইউটিউব থেকে আয় দিয়ে নতুন গানের বিনিয়োগ সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছে বেশির ভাগ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। এ সময়ে জনপ্রিয় ও শীর্ষ সংগীত তারকাদের গান প্রকাশের সংখ্যাও কমে এসেছে। একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান একটি উৎসবে কোনো শিল্পীর গান প্রকাশ করলে পরবর্তী দুই কিংবা তিন উৎসবে সেই শিল্পীর গান প্রকাশ থেকে বিরত থাকছে। এদিকে ইউটিউবে কোনো সেন্সর না থাকায় অনেকেই কুরুচিকর কথার গান ও অশ্লীল ভিডিও প্রকাশ করছেন দেদারছে। সব মিলিয়ে কোন দিকে যাচ্ছে সংগীতশিল্প? এমন প্রশ্ন শিল্পী ও সংগীত সংশ্লিষ্টদের মনে উঁকি দিলেও এর কোনো উত্তর নেই। কারণ কোনো নিয়মের মধ্যে নেই ইন্ডাস্ট্রি। যে যার মতো করে চলছে। যেভাবে খুশী সেভাবে গান প্রকাশ করছে। এর ওপর নতুন কিছু ইউটিউব চ্যানেলও মিউজিক কোম্পানি নাম দিয়ে প্রকাশ করছে গান। সেসব গানের মান আরো ভয়াবহ। এসব নিয়ে অনেক কথা, সভা ও আলোচনা হলেও কোনা সুরাহা হয়নি এখন পর্যন্ত। কিন্তু অনিয়মের মধ্যে এভাবে চলতে থাকলে একটা সময় ভয়ঙ্কর অবস্থা ধারণ করবে ইন্ডাস্ট্রি। এ বিষয়ে গুণী সংগীতশিল্পী সামিনা চৌধুরী বলেন, সমস্যা আসলে অনেক। বিভিন্ন দিকে সমস্যা। এখন সবাই যেন শিল্পী হওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু এটা কি এত সহজ ব্যাপার। আবার কোম্পানিগুলোও সব সময়ের মতো বলছে ব্যবসা নেই। তাছাড়া ই্উটিউবে যেভাবে গান ও ভিডিও প্রকাশ হচ্ছে কোনো ধরনের নিয়ম নীতির বালাই নেই। ইউটিউবে গান প্রকাশেও একটা নিয়ম কিংবা সেন্সর তৈরি করা উচিত। না হলে এমনটা হতেই থাকবে। আর যেসব সমস্যা আছে সেগুলো তো কেউ একা সমাধান করতে পারবে না। সবাই মিলে আলোচনায় বসলে তবেই তো সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া যাবে। সেই উদ্যোগইতো নেই। এসব সমস্যা সমাধানে একতার কোনো বিকল্প নেই। এদিকে এ বিষয়ে এমআইবি সভাপতি ও লেজারভিশনের চেয়ারম্যান একেএম আরিফুর রহমান বলেন, সত্যি বলতে ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা এখন ভালো নেই। ডিজিটালি গান প্রকাশের পর থেকে অবস্থা স্থিতিশীল হচ্ছে না। এই ভালো, এই খারাপ। এখন অবস্থা এমনই। এখন আমাদের অফিস চালানোই কষ্টকর হয়ে গেছে। তাই নতুন গানে বিনিয়োগও সেভাবে করা হচ্ছে না, যেভাবে করা উচিত। এটা প্রায় সব কোম্পানির ক্ষেত্রে কম বেশি হচ্ছে। কারণ মোবাইল কন্টেন্ট থেকে যে আয় আসতো সে আয় গত বছরের শেষ দিক থেকে একেবারে কমে গেছে। তাছাড়া অ্যাপস থেকে আয়ও তেমন বেশি নয়। ইউটিউবের ওপর নির্ভর করে আসলে কোম্পানি চালানো কষ্টকর। এ কারণেই গানের সংখ্যা কমছে। তাছাড়া এই সুযোগে কিছু চ্যানেলে প্রকাশ করা হচ্ছে মানহীন গান। এর ফলে শ্রোতারা আরো বেশি দ্বিধায় পড়ছেন। তারপরও এমআইবি’র পক্ষ থেকে আমরা দফায় দফায় বৈঠক করে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এ অবস্থা থেকে উত্তরণের। বছরের দশম মাস চলছে। আমরা আশা করবো নতুন বছরে অবস্থার পরিবর্তন হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংগীতশিল্পে অশনি সংকেত by ফয়সাল রাব্বিকীন

যার ফলাফল হিসেবে সে বছরের ৯ই জুলাই উচ্চ আদালত থেকে একটি ঐতিহাসিক স্থগিতাদেশ দেয়া হয়। ঐদিন বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের রিংটোন ও ওয়েলকাম টিউনে হিন্দি গানের ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। এই পরিস্থিতিতে এমআইবি’র পক্ষ থেকে গত ১৭ই সেপ্টেম্বর মুঠোফোন প্রতিষ্ঠান রবি আজিয়াটা লিমিটেড বরাবর একটি উকিল নোটিশ পাঠানো হয়। জানতে চাওয়া হয়, কেন উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ অমান্য করে প্রতিষ্ঠানটি ফের হিন্দি গান বিপণন করছেন। এ ঘটনার বেশ ক’দিন অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু কোনো ধরনের উত্তর পাননি এমআইবি নেতারা। উত্তর না পাওয়া ও পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে এমআইবি’র সভাপতি ও লেজারভিশনের চেয়ারম্যান একেএম আরিফুর রহমান মানবজমিনকে বলেন, আমরা নোটিশ পাঠানোর অনেক দিন অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু কোনো ধরনের উত্তর পাইনি। আমরা অপেক্ষা করছি। উত্তর না মিললে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে আপনাদের? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আসলে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা ছাড়া তো আর কিছু করার নেই আমাদের। কারণ আমাদের চেষ্টায় হিন্দি গানের আগ্রাসন থেকে বাংলা গানকে বাঁচাতে ২০১৫ সালে ঐতিহাসিক রায় এসেছিল। যার ফলে বাংলা গানের জন্য একটি সুন্দর পথ তৈরি হয়। এতদিন আমরা ভালোভাবেই ইন্ডাস্ট্রিকে এগিয়ে নিচ্ছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করে জিফাইভের আগমনে আমরা হতবাক হয়েছি। কারণ আদালদের রায়কে অমান্য করে তারা হিন্দি গান বিপণন করছে এদেশে। খুব শিগগিরই আমরা আইনি পদক্ষেপ নেবো। এদিকে বিষয়টি নিয়ে এমআইবির সাধারণ সম্পাদক ও সিএমভির কর্ণধার শেখ সাহেদ আলী পাপ্পু বলেন, আমাদের অবস্থা কিন্তু এমনিতেই খারাপ। কারণ বিভিন্ন দিক থেকে আয় আগেই কমেছে। এখন হিন্দি গানের আগ্রাসনটা যদি আবার শুরু হয় তাহলেতো আমরা মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবো না। কারণ দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। এখন যদি কয়েকদিনের মধ্যে উকিল নোটিশের উত্তর আমরা না পাই তবে সংবাদ সম্মেলন করবো। এরপর আমরা আইনি লড়াইয়ে যাবো। এ নিয়ে চলতি প্রজন্মের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমরান বলেন, কোনোভাবেই বাংলা গানের বাজারকে নষ্ট করা যাবে না। এ নিয়ে এমআইবি যে উদ্যোগ গ্রহণ করছে আমরা তার সঙ্গে আছি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1429)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
October
(602)
-
▼
Oct 24
(17)
- জলবায়ু বিষয়ক বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশের এক কোটি ৯০ ...
- প্রেমিকাকে দেওয়া রাজ-মর্যাদা ফিরিয়ে নিলেন থাই রাজা
- বলুন তো এটা কিসের ছবি!
- কেমন আছে রুয়ান্ডা?
- যে পাঁচটি বিষয় নিয়ে পুরুষরা কথা বলে না
- এমপিওভুক্ত হলো ২৭৩০ প্রতিষ্ঠান
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রকে স...
- ফেসবুকে ধর্ম বা নবীর অবমাননার গুজব তুলে বারবার সাম...
- পর্নো ব্যবসা এত বিপুল হয়ে উঠলো কীভাবে : পর্ব ১ by...
- ওই দেখা যায় হাওর-পাহাড়-মেঘ by হিমাদ্রি শেখর ভদ্র
- নগর জীবন: কাবুলের শহুরে চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা by আল...
- মিসরে পাওয়া গেল ইদুর, বিড়াল আর পাখির মমি
- কফি সংকট যেভাবে আপনার ওপরে প্রভাব ফেলতে পারে
- ‘হাস্যোজ্জ্বল’ ইরাবতি ডলফিন বিলুপ্তির পথে
- তিন দশকে বন্ধ অর্ধেক তাঁত by জাহাঙ্গীর শাহ
- কোন দিকে যাচ্ছে সংগীতশিল্প? by ফয়সাল রাব্বিকীন
- সংগীতশিল্পে অশনি সংকেত by ফয়সাল রাব্বিকীন
-
▼
Oct 24
(17)
-
▼
October
(602)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...













