Sunday, March 2, 2025
রোজার মধ্যেই গাজায় সব ধরনের ত্রাণ ও পণ্যের প্রবেশ বন্ধ করে দিচ্ছে ইসরায়েল
ইসরায়েলের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় দেশটির বিরুদ্ধে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টার অভিযোগ তুলেছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস। তারা বলেছে, ‘গাজায় ত্রাণের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া নির্যাতনের এক সহজ উপায়, যুদ্ধাপরাধ ও চুক্তির (যুদ্ধবিরতি) ঘোরতর লঙ্ঘন।’
ইসরায়েলের সঙ্গে হামাসের সম্পাদিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় এক মাসের কিছু বেশি সময় ধরে গাজা উপত্যকায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছিল। প্রথম দফার এ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ গতকাল শনিবার শেষ হয়েছে।
দ্বিতীয় দফার যুদ্ধবিরতিতে উপনীত হওয়ার ব্যাপারে ইসরায়েল ও হামাস এখনো কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি। দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধবিরতি হলে গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার এবং একটি টেকসই যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে নিজেদের কাছে থাকা অবশিষ্ট জিম্মিদের মুক্তি দেবে হামাস।
ওই হুঁশিয়ারি দেওয়ার আগে আজই ইসরায়েল বলেছে, পবিত্র রমজান মাস এবং ইহুদিদের পাসওভার উৎসব উপলক্ষে প্রথম দফার যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাবকে সমর্থন করে তারা। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফের তরফে এ প্রস্তাব এসেছে।
প্রস্তাবে হামাসকে তাদের কাছে থাকা জিম্মিদের অর্ধেককে বর্ধিত মেয়াদে যুদ্ধবিরতি শুরুর প্রথম দিনই এবং অবশিষ্টদের স্থায়ী যুদ্ধিবিরতিতে পৌঁছানোর পর মুক্তি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র, মিসর বা কাতারের তাৎক্ষণিক মন্তব্য জানা যায়নি। দেশগুলো ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে সম্পাদিত যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতাকারী।
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হবে কি না, এ বিষয়ে ইসরায়েল সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে একটি বৈঠক ডেকেছিলেন নেতানিয়াহু। চার ঘণ্টার বৈঠকের পর সরকার যুদ্ধবিরতির মেয়াদ সাময়িকভাবে বাড়ানোর পক্ষে মত দেয়।
গত শুক্রবার রাতে হামাস বলে, যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ কার্যকর হবে, এমন নিশ্চয়তা ছাড়া তারা প্রথম ধাপের কোনো সম্প্রসারণে সম্মত হবে না।
![]() |
| রাফায় ধ্বংসস্তূপে আহত শিশুকে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন এক ফিলিস্তিনি নারী। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বড় লক্ষ্য অর্জনে ইউক্রেনকে দূরে ঠেলছেন ট্রাম্প
তিন বছর ধরে চলমান যুদ্ধের পর কিয়েভের ওপর থেকে যে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন তুলে নিচ্ছে, তা শুক্রবার হোয়াইট হাউসের ঘটনায় স্পষ্ট। আগের মতোই জেলেনস্কির উদ্দেশে ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ থামাতে রাশিয়ার সঙ্গে সমঝোতার ক্ষেত্রে ইউক্রেনের হাতে কোনো ‘কার্ড’ নেই। অর্থাৎ যে কোনো সমঝোতায় কিয়েভকে বড় ছাড় দিতে হতে পারে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও এক হাত নিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে। তাঁর ভাষায়, জেলেনস্কি একজন ‘অকৃতজ্ঞ’। ‘অসম্মানজনক’ আচরণ করেছেন তিনি।
ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নেওয়া পদক্ষেপে বহু আগে থেকেই বিরক্ত ছিলেন ট্রাম্প। শুক্রবারও বাইডেনকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেছেন, একজন ‘নির্বোধ’ প্রেসিডেন্ট ইউক্রেনকে ৩৫০ বিলিয়ন ডলার দিয়েছেন। ইউক্রেনকে দেওয়া এই অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের ফেরত আনার কথা সম্প্রতি বেশ কয়েকবার বলেছেন ট্রাম্প। সে লক্ষ্যে ইউক্রেনের খনিজ সম্পদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে জেলেনস্কিকে চাপ দিচ্ছিলেন। শুক্রবার হোয়াইট হাউসে সেই চুক্তিতে দুই প্রেসিডেন্টের সই করার কথা ছিল। তবে বাগ্বিতণ্ডার পর চুক্তিটি আর আলোর মুখ দেখেনি।
ট্রাম্প আসলে কী চাইছেন, সে সম্পর্কে একটি ধারণা দিয়েছেন নিউইয়র্ক টাইমস-এর ওয়াশিংটন প্রতিনিধি ডেভিড ই স্যাঙ্গার। ইউরোপের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে তিনি বলেন, ট্রাম্প যা চান, তা হলো রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা। এর জন্য যদি ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা নিয়ে ইতিহাস নতুন করে লিখতে হয়, মস্কোর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের তদন্ত খারিজ করতে হয় এবং ইউক্রেনের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পায়ে ঠেলতে হয়—ট্রাম্পকে দেখে মনে হয়, তা করতেও রাজি আছেন তিনি।
ট্রাম্পের সামনে আরও লক্ষ্য রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ইউরোপ ও এশিয়ায় নিজেদের শক্তিমত্তা বাড়াতে বিভিন্ন দেশকে মিত্র বানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে অনেক সময় যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে ওই দেশগুলোকে অর্থনৈতিক ছাড়ও দিতে হয়েছে। ডেভিড ই স্যাঙ্গার বলেন, আগে থেকেই ট্রাম্প এই নীতির বিরোধী। ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণায় তিনি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র কেন এমন দেশের সুরক্ষা দেবে, যাদের সঙ্গে ওয়াশিংটনের বাণিজ্যিক ঘাটতি রয়েছে।
ডেভিড ই স্যাঙ্গার বলেন, এবার ক্ষমতায় বসার পর সেই বিরোধীতা বাস্তবায়নে নেমেছেন ট্রাম্প। গত পাঁচ সপ্তাহে তাঁর নানা পদক্ষেপে সেটি স্পষ্ট হয়েছে। যেমন, ডেনমার্কের মালিকানা থেকে গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের আওতায় নেওয়ার কথা বলেছেন। পানামা খালও নিজেদের নিয়ন্ত্রণে চান তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানায় ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা পুনর্গঠনে ট্রাম্পের পরিকল্পনা তো বিশ্বব্যাপী সমালোচনা ছড়িয়েছে। আর ট্রাম্প ও ভ্যান্স কয়েক মাস ধরেই ইঙ্গিত দিয়ে আসছেন—ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র আর অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবে না।
এদিকে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসার পর থেকে মার্কিন সরকারের ব্যয় কমাতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিয়েছেন ট্রাম্প। এ লক্ষ্যে সরকারি দক্ষতা বিভাগ নামে নতুন একটি বিভাগও খুলেছেন। অনেক দেশে মার্কিন সহায়তা স্থগিত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি কর্মকর্তাদের ছাঁড়াই করা হচ্ছে। এর মধ্যে ইউক্রেনকে সহায়তা জারি রাখা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় একটি বোঝা। বাইডেনের আমল থেকেই এই সহায়তার বিরোধী ছিলেন ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির অনেক আইনপ্রণেতা।
ট্রাম্পকে জেলেনস্কির ‘ধন্যবাদ’, রাশিয়ার প্রশংসা
হোয়াইট হাউসের রীতি হলো কোনো দেশের শীর্ষ নেতার সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। তবে শুক্রবারের বিতণ্ডার পর এমন কোনো সংবাদ সম্মেলন হয়নি। এর আগেই জেলেনস্কিকে হোয়াইট হাউস ছাড়তে দেখা যায়।
এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জেলেনস্কি লেখেন, ‘ধন্যবাদ আমেরিকা, আপনাদের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ, এই সফরের জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, কংগ্রেস এবং আমেরিকার জনগণ আপনাদের ধন্যবাদ। ইউক্রেনের ন্যায্য ও স্থায়ী শান্তির প্রয়োজন এবং আমরা ঠিক সেই লক্ষ্যে কাজ করছি।’ পোস্টে ৩৩টি ইংরেজি অক্ষরের মধ্যে চারবার ধন্যবাদ জানান তিনি।
শুক্রবারই ফক্স নিউজকে একটি সাক্ষাৎকার দেন জেলেনস্কি। সেখানে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করা সম্ভব কি না। জবাবে তিনি বলেন, অবশ্যই। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের মধ্যকার সম্পর্ক দুই প্রেসিডেন্টের সম্পর্কের চেয়ে বেশি। ট্রাম্পের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘আপনার (ট্রাম্প) সমর্থন ছাড়া এটি (লড়াই চালানো) কঠিন হবে।’
গত জানুয়ারিতে ক্ষমতায় বসার পরপরই ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে তৎপরতা শুরু করেছিলেন ট্রাম্প। এ নিয়ে গত মাসে সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার প্রতিনিধিরা বৈঠকও করেছেন। সেই আলোচনায় ইউক্রেন বা ইউরোপের কোনো দেশকে যুক্ত করা হয়নি। এ ছাড়া যুদ্ধবিরতির বিষয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও ফোনালাপ করেন ট্রাম্প। দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ইউক্রেন ইস্যুতে ক্রমেই রাশিয়া ও পুতিনকে নিয়ে নরম সুরে কথা বলতে দেখা গেছে তাঁকে।
শুক্রবার জেলেনস্কির সঙ্গে ট্রাম্পের বিতণ্ডার পর মস্কো বেশ খুশি। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা টেলিগ্রাম পোস্টে লেখেন, ‘ট্রাম্প ও ভ্যান্স কীভাবে সেই বদমাশকে (জেলেনস্কি) আঘাত করা থেকে বিরত ছিলেন; সেটা সংযম প্রদর্শনের এক অলৌকিক ঘটনা।’ ট্রাম্প-জেলেনস্কির বাগ্বিতণ্ডার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভও।
জেলেনস্কির পাশে ইউরোপীয় নেতারা, লন্ডনে সম্মেলন
ইউক্রেন যুদ্ধ ইস্যুতে জেলেনস্কির ওপর ট্রাম্প খড়্গহস্ত হলেও ইউরোপীয় মিত্রদেশের নেতারা কিন্তু বরাবরই তাঁকে সমর্থন জানিয়ে গেছেন। সম্প্রতি ওয়াশিংটন সফর করেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। তাঁরাও সেখানে গিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করে ইউক্রেনের পক্ষে কথা বলেন।
দ্য গার্ডিয়ান-এর খবরে বলা হয়, শুক্রবারের ঘটনার পরও তাঁরা জেলেনস্কির প্রতি এককাট্টা সমর্থন জানিয়েছেন। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বলেছে, জেলেনস্কিকে ‘অটল সমর্থন’ দিয়ে যাবেন কিয়ার স্টারমার। আর মাখোঁ বলেছেন, ‘শুরু থেকে যাঁরা লড়াই করে যাচ্ছেন, তাঁদের প্রতি আমাদের অবশ্যই সম্মান দেখাতে হবে।’ ইতালি, জার্মানি, স্পেন, পোল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসও কিয়েভের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে।
এদিকে ইউক্রেনে ‘দীর্ঘমেয়াদি শান্তি’ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আজ রোববার যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে ইউরোপীয় নেতাদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর প্রধান মার্ক রুটে যোগ দেবেন। এদিন রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন জেলেনস্কি। এর আগে গতকাল শনিবার ডাউনিং স্ট্রিটে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শুরুর আগে স্টারমার বলেন, যতদিন প্রয়োজন ইউক্রেনের পাশে থাকবে যুক্তরাজ্য। এর সময় জেলেনস্কি বলেন, ‘যুক্তরাজ্যের মতো বন্ধ পেয়ে আমরা খুশি।’
ইউক্রেনের সামনে কী
ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে কিয়েভের ভাগ্য যে বদলাতে যাচ্ছে—এমন আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল। শুক্রবারের ঘটনার পর সে আশঙ্কা আরও গভীর হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের (আইসিজি) জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ব্রায়ান ফিনুকেন বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘ওভাল অফিসে প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্টের আচরণ ছিল অপ্রত্যাশিত। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা করা নিয়ে যা ভাবেন এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধের বিষয়ে তিনি যে বর্ণনা প্রচার করেন, তা সবারই জানা। তাই তাদের ওই আচরণ অতটাও অবাক করা ছিল না।’
ইউক্রেন ঘিরে এরপর কী হতে চলেছে তা অস্পষ্ট, তবে এটা কিয়েভের জন্য খারাপ কিছু হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন ফিনুকেন। তিনি বলেন, প্রশাসন থেকে শোনা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইউক্রেনে অস্ত্রের যে চালান যাওয়ার কথা রয়েছে, সেটা প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাবলে বাতিল করা হতে পারে।
জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা ছাড়ার আগে ইউক্রেনকে ওই অস্ত্র পাঠানোর অনুমতি দিয়েছিলেন। ওয়াশিংটন পোস্ট-এর খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবারের বৈঠকের পর এরই মধ্যে ওই অস্ত্রের চালান বন্ধের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এমনটি হলে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি কয়েক শ কোটি ডলারের রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ হাতে পাবে না ইউক্রেন। এতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়া কিয়েভের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়বে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জেলেনস্কির প্রতি কেন এত মারমুখী ছিলেন ভ্যান্স
এ ঘটনা দেখিয়ে দিল, ভ্যান্স তাঁর কিছু পূর্বসূরির মতো নিজেকে রাজনৈতিক ছায়াখেলোয়াড়ের মতো লুকিয়ে রাখেন না। তিনি খোলা মঞ্চে আক্রমণকারীর ভূমিকা নিতে মোটেও ভয় পান না।
হোয়াইট হাউসের বৈঠকে জেলেনস্কির ওপর আক্রমণে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ভ্যান্স। এরপর আক্রমণে যোগ দেন ট্রাম্প।
বৈঠকটি ততক্ষণ সৌহার্দ্যপূর্ণ ছিল, যতক্ষণ ভ্যান্স ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কূটনৈতিক সমাধানের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রশংসার প্রসঙ্গ তোলেন।
জবাবে জেলেনস্কি বলেন, ‘জে ডি (ভ্যান্স), কী ধরনের কূটনীতির কথা আপনি বলছেন?’
ওয়াশিংটন-মস্কোর মধ্যে সরাসরি আলোচনার সমালোচক জেলেনস্কি আরও বলেন, ‘আপনি কী বলতে চান?’
জবাবে ইউক্রেনীয় নেতাকে কড়াভাবে ভ্যান্স বলেন, ‘আমি এমন কূটনীতির কথা বলছি, যা আপনার দেশকে ধ্বংস হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে চলছে।’
ভ্যান্স আরও বলেন, ‘জনাব প্রেসিডেন্ট, আপনাকে মান্য করেই বলছি, আমি মনে করি, ওভাল অফিসে ঢুকে মার্কিন গণমাধ্যমের সামনে এই বাহাসের চেষ্টা সম্মানজনক নয়।’
২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে প্রচার চালানোর অভিযোগও জেলেনস্কির বিরুদ্ধে আনেন ভ্যান্স।
নির্বাচনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্য পেনসিলভানিয়ার একটি অস্ত্র কারখানা গত সেপ্টেম্বরে পরিদর্শন করেছিলেন ইউক্রেনীয় নেতা। তখন তিনি হোয়াইট হাউসে গিয়ে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী তৎকালীন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন।
জেলেনস্কির প্রতি ভ্যান্সের ভর্ৎসনা রিপাবলিকানদের ব্যাপক সমর্থন কুড়িয়েছে। সাউথ ক্যারোলাইনার সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বলেছেন, ‘আমাদের দেশের পক্ষে জে ডি ভ্যান্স দাঁড়ানোয় আমি খুবই গর্বিত।’
জেলেনস্কির পদত্যাগ করা উচিত বলেও পরামর্শ দেন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম।
আলাবামার সিনেটর টমি টিউবারভিল জেলেনস্কির কথা বলতে গিয়ে তাঁকে ‘ইউক্রেনীয় বেজি’ বলে উল্লেখ করেন।
নিউইয়র্কের কংগ্রেসম্যান মাইক ললার এ বৈঠককে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেন উভয়ের জন্য হারিয়ে ফেলা একটি সুযোগ বলে অভিহিত করেন।
সফররত একজন রাষ্ট্রপ্রধানের ওপর ভ্যান্স যে আক্রমণটা করলেন, একজন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট সচরাচর তেমনটা করেন না।
কেউ মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে থাকেন প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর রানিংমেট। রানিংমেট হিসেবে তাঁর কাজ প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে নির্বাচনে জয়ী করতে সাহায্য করা। আর ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তাঁর কাজ হয় প্রেসিডেন্টের পাশে চুপচাপ বসে থাকা।
বিদেশ সফরে প্রেসিডেন্টের প্রতিনিধিত্ব করেন ভাইস প্রেসিডেন্ট। এ সময় তিনি প্রেসিডেন্টের একজন অনুগত ব্যক্তি হিসেবেই সব কাজ করেন, বলেন।
ট্রাম্পের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন মাইক পেন্স। ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি অনেক বেশি মৃদু স্বভাবের ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ভ্যান্সের বৈপরীত্য ব্যাপক।
ভ্যান্স দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনে মার্কিন সহায়তার বিষয়ে খোলামেলাভাবে সংশয় প্রকাশ করে আসছেন।
২০২২ সালে ভ্যান্স যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও থেকে সিনেটর হওয়ার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তখন তিনি একটি পডকাস্টে বলেছিলেন, ইউক্রেনের সঙ্গে কী ঘটছে, তা নিয়ে তিনি সত্যিই চিন্তা করেন না।
আট বছর আগে ট্রাম্পকে একজন ‘হাঁদারাম’ বলে উপহাস করেছিলেন ভ্যান্স। পরে সেই তিনিই ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ আন্দোলনের উত্তরাধিকারী হয়ে ওঠেন।
রক্ষণশীল ভোটারদের মধ্যে ভ্যান্সের জনপ্রিয়তা আছে। তবে ট্রাম্প সম্প্রতি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে ভ্যান্স তাঁর উত্তরসূরি হবেন কি না, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।
ট্রাম্পের এমন কথা সত্ত্বেও তাঁর পক্ষে ভ্যান্স রাজনৈতিক ঝগড়াবাজের ভূমিকা পালন করছেন বলে মনে হচ্ছে। এমনকি ট্রাম্প প্রশাসনের শত্রুদের স্পষ্ট সমালোচনায় তিনি প্রেসিডেন্টের চেয়েও এগিয়ে যাচ্ছেন।
একটি সাধারণ বিষয় হলো, ভ্যান্সের আক্রমণের অনেক শিকারই আমেরিকার মিত্র। এই আক্রমণের সূত্রপাত হয়েছিল গত মাসে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে। সেখানে তিনি ইউরোপীয় গণতন্ত্র সম্পর্কে অনেক ঝাল ঝাড়েন।
ভ্যান্সের ভূমিকা নিয়ে অনেকগুলো প্রশ্ন উঠছে। যেমন হোয়াইট হাউসে জেলেনস্কির ওপর ভ্যান্সের তীব্র আক্রমণ কি পূর্বপরিকল্পিত ছিল?
কূটনীতিকেরা তেমনটাই বিশ্বাস করেন। তবে হোয়াইট হাউসের একাধিক সূত্র মার্কিন সংবাদমাধ্যমে বলেছে, আক্রমণ পূর্বপরিকল্পিত ছিল না।
আরও যেসব প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, তা হলো ভ্যান্সের নতুন ভূমিকা কি ট্রাম্পের নির্দেশেই আবির্ভূত হচ্ছে?
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরোধীদের শায়েস্তা করার কাজ ইলন মাস্কের সঙ্গে কি ভ্যান্স ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন?
নাকি ভ্যান্স স্বাধীনভাবে এই কাজ করছেন, যা তাঁকে পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার করার ভিত্তি তৈরি করে দেবে?
প্রশ্নগুলোর উত্তর যা-ই হোক না কেন, ট্রাম্প প্রশাসনের দুই নম্বর ব্যক্তির চেয়ে বেশি কিছু হয়ে উঠছেন ভ্যান্স।
![]() |
| হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসের বৈঠকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে তীব্রভাবে আক্রমণ করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ কি নতুন দলের স্লোগান, কীভাবে এল by মোস্তাফা ইউসুফ
নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে দলের প্রায় সব শীর্ষ নেতা বক্তব্যের ইতি টেনেছেন ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগানটি দিয়ে।
দল গঠনের আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা এবং জাতীয় নাগরিক কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের অনেকে ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগানটি ব্যবহার করতেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নতুন দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে একই স্লোগান অনেক নেতা ব্যবহার করায় কৌতূহল তৈরি হয়েছে যে স্লোগানটি কি জাতীয় নাগরিক পার্টি দলীয় স্লোগান হিসেবে গ্রহণ করেছে।
সে প্রশ্নের উত্তরের আগে জেনে নেওয়া যাক, ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগানটি কোথা থেকে এল।
প্রখ্যাত ভারতীয় ইতিহাসবিদ ইরফান হাবিবের এক লেখায় উঠে এসেছে এ স্লোগানের আদ্যোপান্ত। ২০২২ সালের ২৯ মে ভারতীয় পত্রিকা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে এক লেখায় তিনি উল্লেখ করেছেন, ১৯২১ সালে মাওলানা হাসরাত মোহানি (১৮৭৫-১৯৫১) প্রথম স্লোগানটি ব্যবহার করেন। এরপরে এ স্লোগান ঠাঁই করে নেয় উপনিবেশবিরোধী সশস্ত্র সংগ্রামের নেতা ভগত সিংয়ের কণ্ঠেও।
নানা পরিচয়ে পরিচিত ছিলেন হাসরাত মোহানি। উর্দু ভাষার এ কবি ছিলেন শ্রমিকনেতা, ছিলেন ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যও।
হাসরাত মোহানি ভারতের উত্তর প্রদেশের উন্নাও জেলার মোহন নামের একটি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ইরফান হাবিব লিখেছেন, জন্মের পর হাসরাত মোহানির নাম রাখা হয় ফজলুল হাসান। এ নামেই তিনি বেড়ে ওঠেন। একজন বিপ্লবী উর্দু কবি হিসেবে ‘হাসরাত’ ছিল তাঁর কলমি নাম, যা একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবেও তাঁকে পরিচিতি দিয়েছিল। তিনি ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির এক নেতার সঙ্গে প্রথম ভারতীয় কংগ্রেসের অধিবেশনে পূর্ণ স্বরাজ বা পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি উত্থাপন করেছিলেন।
ব্রিটিশ শাসনের অবসানের পর হাসরাত মোহানি গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ভারতীয় সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগানটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অংশ হিসেবে দিয়েছিলেন হাসরাত মোহানি।
ইরফান হাবিবের লেখায় দেখা যাচ্ছে ১৯২৯ সালে আদালতে দেওয়া এক জবানবন্দিতে ভগত সিং বলেন, ’ ইনকিলাব বা বিপ্লব বোমা বা পিস্তলের সংস্কৃতি নয়। আমাদের বিপ্লবের অর্থ হলো প্রকাশ্য অন্যায়ের ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে থাকা বর্তমান পরিস্থিতিকে সম্পূর্ণ বদলে দেওয়া।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের অধ্যাপক জাফর আহমেদ ভূঁইয়া প্রথম আলোকে জানান, ইনকিলাব আরবি শব্দ। জিন্দাবাদ উর্দু শব্দ। মানে হলো ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগানটি আরবি ও উর্দুর মিশেল। তিনি বলেন, জিন্দাবাদ মানে অভিনন্দন জানানো। ফলে ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগানের মানে হলো বিপ্লবকে অভিনন্দন জানানো।
অবশ্য ইতিহাসবিদ ইরফান হাবিব তাঁর লেখায় ইনকিলাব জিন্দাবাদের অর্থ হিসেবে লিখেছেন, ‘বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক’।
দেশে স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে গত জুলাইয়ে যখন ছাত্র-জনতার আন্দোলন তীব্র হয়ে ওঠে, তখন তরুণদের অনেকেই ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগানটি ব্যবহার করেন।
জানতে চাইলে জাতীয় নাগরিক পার্টির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব শুক্রবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটি জাতীয় নাগরিক পার্টির দলীয় স্লোগান নয়। যেহেতু জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগানটি বেশ আলোচিত ছিল, তারই ধারাবাহিকতায় এখনো আমরা এই স্লোগানটি বিভিন্ন কর্মসূচিতে ব্যবহার করছি।’
’আমাদের দলীয় স্লোগান ও মূলনীতি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আপাতত আত্মপ্রকাশ, কমিটি প্রকাশ আর ঘোষণাপত্র হয়েছে। বাকি বিষয়গুলো সামনে চূড়ান্ত করা হবে’, বলেন তিনি।
নতুন বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আত্মপ্রকাশ করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারীদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ‘সেকেন্ড রিপাবলিক’ (দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র) প্রতিষ্ঠার জন্য গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা এই দলের অন্যতম প্রাথমিক লক্ষ্য। তাঁরা বলেছেন, সেকেন্ড রিপাবলিকে জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় শক্তিশালী প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। ভেঙে পড়া রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তোলা ও গণতান্ত্রিক চরিত্র রক্ষা করা হবে তাঁদের রাজনীতির অগ্রাধিকার।
জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন। আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে দলের সাংগঠনিক কাঠামোতে কারা রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের নাম ঘোষণা করেন সদস্যসচিব আখতার হোসেন। তবে আহ্বায়ক কমিটির একটি তালিকা পাওয়া যায়, যেখানে বিভিন্ন পদে ১৭১ জনের নাম রয়েছে।
নতুন দলের নেতাদের মুখে ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে।
জানতে চাইলে লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, ইনকিলাব জিন্দাবাদ বা বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক স্লোগানটি ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি এখনো দেয়। তিনি বাংলাদেশে অতীতে ছাত্র ইউনিয়নের নেতা-কর্মীদের এ স্লোগান দিতে শুনেছেন।
‘এ স্লোগানটা তাঁরা (ছাত্ররা) দিচ্ছে, সেটা কমিউনিস্ট ভাবাদর্শ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে দিচ্ছে, তা ভাবার কোনো কারণ নেই। তাঁরা ইতিমধ্যে ক্লিয়ারলি (পরিষ্কারভাবে) বলে দিয়েছে তারা মধ্যপন্থী দল’, বলেন মহিউদ্দিন আহমদ। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের পরিচয় প্রকাশ করে কিছু প্রতীক দিয়ে। দলের পতাকা থাকে, লোগো থাকে, স্লোগান থাকে।
মহিউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘তাঁদের (অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী ছাত্র) মতে ৫ আগস্ট যদি একটি বিপ্লব হয়, সে বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক—সেই সেন্সে (অর্থে) এ স্লোগান ঠিক আছে।’ তিনি বলেন, ’জাসদ একসময় স্লোগান দিত বাংলার মেহনতি মানুষের জয় হোক, বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক। বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বিএনপি দেয়, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ স্লোগান। এখন এঁরা ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগান দিচ্ছে, তো সেটা দেখা যাক….।’
![]() |
| জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ঘোষণাপত্র পাঠ করছেন। মঞ্চে আছেন দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতারা। পেছনে ডিজিটাল পর্দায় দেখা যাচ্ছে জমায়েতের একাংশ। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি। ছবি: আশরাফুল আলম |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোজার মধ্যেই গাজায় সব ধরনের ত্রাণ ও পণ্যের প্রবেশ বন্ধ করে দিচ্ছে ইসরায়েল
ইসরায়েলের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় দেশটির বিরুদ্ধে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টার অভিযোগ তুলেছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস। তারা বলেছে, ‘গাজায় ত্রাণের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া নির্যাতনের এক সহজ উপায়, যুদ্ধাপরাধ ও চুক্তির (যুদ্ধবিরতি) ঘোরতর লঙ্ঘন।’
ইসরায়েলের সঙ্গে হামাসের সম্পাদিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় এক মাসের কিছু বেশি সময় ধরে গাজা উপত্যকায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছিল। প্রথম দফার এ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ গতকাল শনিবার শেষ হয়েছে।
দ্বিতীয় দফার যুদ্ধবিরতিতে উপনীত হওয়ার ব্যাপারে ইসরায়েল ও হামাস এখনো কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি। দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধবিরতি হলে গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার এবং একটি টেকসই যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে নিজেদের কাছে থাকা অবশিষ্ট জিম্মিদের মুক্তি দেবে হামাস।
ওই হুঁশিয়ারি দেওয়ার আগে আজই ইসরায়েল বলেছে, পবিত্র রমজান মাস এবং ইহুদিদের পাসওভার উৎসব উপলক্ষে প্রথম দফার যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাবকে সমর্থন করে তারা। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফের তরফে এ প্রস্তাব এসেছে।
প্রস্তাবে হামাসকে তাদের কাছে থাকা জিম্মিদের অর্ধেককে বর্ধিত মেয়াদে যুদ্ধবিরতি শুরুর প্রথম দিনই এবং অবশিষ্টদের স্থায়ী যুদ্ধিবিরতিতে পৌঁছানোর পর মুক্তি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র, মিসর বা কাতারের তাৎক্ষণিক মন্তব্য জানা যায়নি। দেশগুলো ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে সম্পাদিত যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতাকারী।
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হবে কি না, এ বিষয়ে ইসরায়েল সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে একটি বৈঠক ডেকেছিলেন নেতানিয়াহু। চার ঘণ্টার বৈঠকের পর সরকার যুদ্ধবিরতির মেয়াদ সাময়িকভাবে বাড়ানোর পক্ষে মত দেয়।
গত শুক্রবার রাতে হামাস বলে, যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ কার্যকর হবে, এমন নিশ্চয়তা ছাড়া তারা প্রথম ধাপের কোনো সম্প্রসারণে সম্মত হবে না।
![]() |
| রাফায় ধ্বংসস্তূপে আহত শিশুকে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন এক ফিলিস্তিনি নারী। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এবার যুক্তরাষ্ট্রকে খনিজ চুক্তির প্রস্তাব দিলেন পুতিন
এতে বলা হয়, ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে পুতিনকে বলতে শোনা গেছে, পৃথিবীর বিরল খনিজ সম্পদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রাশিয়া। পুতিন বলেন, আমরা আমাদের মার্কিন অংশীদারদের সঙ্গে এ বিষয়ে সহযোগিতপূর্ণ পথ প্রশস্ত করব। যখন আমি ‘অংশীদার’ বলি তার অর্থ শুধু সরকার এবং তার প্রশাসনকে বুঝায় না। এর মধ্যে বেসরকারি কোম্পানিগুলোও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। যদি তারা একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে।
পুতিন বলতে চাইছেন যে, ইউক্রেনের তুলনায় আরও বেশি খনিজ সম্পদের মালিক রাশিয়া। তিনি বলেন, ইউক্রেনের তুলনায় রাশিয়ার কাছে এই ধরনের (পৃথিবীর বিরল খনিজ) সম্পদ উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি রয়েছে। এখানে বলে রাখা ভালো বিরল খনিজ সম্পদ মজুদকারী দেশগুলোর মধ্যে রাশিয়ার অবস্থান বেশ উঁচুতে।
পুতিন বেশ কিছু অঞ্চলের নাম উল্লেখ করেছেন। যেগুলোর মধ্যে রয়েছে মুরমানস্ক, ককেশাস অঞ্চল, ইরকুটস্ক অঞ্চল, ইয়াকুটিয়া এবং টুভাসহ আরও প্রধান প্রধান অঞ্চল। তিনি বলেন, এসব সম্পদ অর্জনে বিশালাকার বিনিয়েগ প্রয়োজন। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য বিদেশি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ইচ্ছা পোষন করেছেন পুতিন।
২০২২ সালে ইউক্রেনে হামলার পর যেসকল অঞ্চল দখলে নিয়েছে রাশিয়া সেসব অঞ্চলেও খনিজ সম্পদ রয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। যুক্তরাষ্ট্র চাইলে সেখানেও রাশিয়ার অংশীদার হতে পারবে।
হোয়াইট হাউসে গত শুক্রবার জেলেনস্কি এবং ট্রাম্পের মধ্যে এক উত্তেজনাপূর্ণ বৈঠকের পর পৃথিবীর বিরল ওই খনিজ সম্পদের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তুললেন পুতিন। ওই বৈঠকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানের বিষয়ে দুই নেতার মধ্যে বেশ উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। ওই বৈঠকে ইউক্রেনের খনিজ সম্পদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি হওয়ার কথা ছিল। তবে তাদের উত্তেজনাপূর্ণ বৈঠকের পর তা ভেস্তে গেছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২০২৪ সালের নির্বাচনে জেলেনস্কি কি কমালা হ্যারিসের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিলেন?
এই বক্তব্যের সত্যতা কতখানি? মার্কিন নির্বাচনে রিপাবলিকান নেতা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী ছিলেন কমালা হ্যারিস। শুক্রবার ভান্স জানান, ভোটে কমালার হয়ে প্রচার করেছেন জেলেনস্কি। যদিও তথ্য বলছে গত বছর ২২ সেপ্টেম্বর পেনসিলভানিয়ার সফরে জেলেনস্কির সঙ্গে যেমন ছিলেন পেনসিলভানিয়ার তৎকালীন গভর্নর তথা ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা জোশ শাপিরো এবং ওই দলেরই সিনেটর বব ক্যাসি। তেমনই ছিলেন রিপাবলিকান নেতা ম্যাট কার্টরাইটও।
সেবার পেনসিলভানিয়ায় ‘স্ক্র্যান্টন আর্মি অ্যাম্যুনিশন প্ল্যান্ট’ পরিদর্শন করতে গিয়েছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে পেন্টাগনের সামরিক সহয়তা চাইতেই সে বার আমেরিকা সফরে গিয়েছিলেন জেলেনস্কি। কারখানা পরিদর্শনের সময়ও মার্কিন সমর্থনের গুরুত্বের কথা বলেছিলেন তিনি। তবে সরাসরি কোনও প্রার্থীর নাম করে সমর্থন বার্তা দেননি। সে সময় বাইডেন সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন কমালা। বস্তুত, ওই সফর চলাকালীন ২৬ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে বাইডেন এবং কমালার সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠকও করেছিলেন জেলেনস্কি। এমনকি, তার পরদিন ট্রাম্পের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন তিনি।
বিবিসি প্রকাশিত এক খবরে প্রশ্ন তোলা হয়েছে ট্রাম্প নিজেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন। আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তার বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রকাশিত হয় ওই খবর। অর্থাৎ, প্রকাশ্যে কূটনৈতিক ভারসাম্য রেখে চলেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। তারপরেও সমালোচনার মুখে পড়তে হলো তাঁকে।
সূত্র : টাইমস নাও

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জেলেনস্কির পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি স্টারমারের
সেখানে স্টারমার আশ্বস্ত করেছেন যে, তিনি জেলেনস্কির সঙ্গেই আছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে প্রতিরক্ষা সুরক্ষা আদায়ে ব্যর্থ হয়েছেন কিয়েভের প্রেসিডেন্ট। শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসির ওভাল অফিসে ট্রাম্প ও জেডি ভান্সের সঙ্গে উত্তপ্ত তর্কে জড়িয়ে পড়েন তিন। এক পর্যায়ে জেলেনস্কিকে ওয়াশিংটন থেকে বের হয়ে যেতে বলা হয়। এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করেন। পৌঁছেই তিনি স্টারমারের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। মূলত ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে দেশটির ইউরোপীয় মিত্রদের সম্মেলনের আগে লন্ডনে এই বৈঠক করলেন তারা। যুক্তরাষ্ট্র পাশে না থাকলেও ইউরোপ ও বৃটেন জেলেনস্কির পাশে থেকে পূর্ণ সমর্থনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।
ইউক্রেনে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য দেশটির সঙ্গে ২ দশমিক ২৬ বিলিয়ন পাউন্ডের একটি ঋণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন স্টারমার। রাশিয়ার জব্দ করা সম্পদের লভ্যাংশ থেকে এই ঋণ পরিশোধ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এদিকে শনিবার জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রনের সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী।
রোববার লন্ডনে অনুষ্ঠেয় ইউরোপিয়ান নেতাদের নিয়ে এক শীর্ষ সম্মেলনের প্রতিনিধিত্ব করবেন স্টারমার। সেখানে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান নিয়ে ইউরোপিয়ান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করবেন নেতারা। এরপর বৃটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে দেখা করবেন জেলেনস্কি। ওয়াশিংটনের সেই ঘটনাবলী এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের উদ্বেগের মধ্যেই লন্ডনে বৈঠকে বসছেন ইউরোপিয়ান নেতারা। শনিবার ডাইনিং স্ট্রিটে জেলেনস্কির সফরটি ছিল স্টারমারের জন্য একটি সুযোগ। ওয়াশিংটনে কিয়েভের প্রেসিডেন্টকে অপমান করার পর জেলেনস্কির প্রতি পূর্ণাঙ্গ সমর্থনের সুযোগটি হাতছাড়া করেননি তিনি।
জেলেনস্কির গাড়িবহর ডাউনিং স্ট্রিটে পৌঁছালে তার সমর্থকরা উল্লাস প্রকাশ করেন এবং সেখানে স্টারমার তাকে আলিঙ্গন করেন এবং বৃটেনের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি আবাসস্থলে প্রবেশের আগে তারা ছবি তোলেন। সেখানে স্টারমার প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে বলেন, আপনাকে এখানে, এই ডাউনিং স্ট্রিটে অনেক অনেক স্বাগতম। তিনি আরও বলেন, যেমনটি আপনি বাইরে রাস্তায় উল্লাস ধ্বনি শুনছেন, গোটা বৃটেনজুড়ে আপনার প্রতি পূর্ণ সমর্থন রয়েছে এবং যতদিনই লাগুক আমরা আপনার সঙ্গে, ইউক্রেনের সঙ্গে আছি। জবাবে জেলেনস্কি বলেন: রাস্তায় আমি অনেক মানুষ দেখেছি এবং আমি আপনাকে এবং বৃটেনের জনগণকে ধন্যবাদ জানাতে চাই; তাদের ব্যাপক সমর্থনের জন্য।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন ইসরাইলের
এতে বলা হয়, শনিবার মধ্যরাতে পূর্বঘোষিত যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরপরই অস্থায়ীভাবে মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিল প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়। তারা জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফের প্রস্তাব অনুযায়ী গাজায় আটক ইসরাইলি সকল মৃত ও জীবিত জিম্মিদের প্রথম দিনেই মুক্তি দেয়া হবে। আর স্থায়ী যুদ্ধবিরতির চুক্তি হলে বাকি সকল জিম্মিদের মুক্তি দেয়া হবে। তবে ইসরাইলের সর্বশেষ পদক্ষেপ নিয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেনি হামাস। নেতানিয়াহুর ডাকা দীর্ঘ ৪ ঘণ্টাব্যাপী এক বৈঠকের পর গাজায় অস্থায়ীভাবে যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। নেতানিয়াহুর কার্যালয় দাবি করেছে, এখনও মার্কিন পরিকল্পনায় রাজি হয়নি হামাস। সংগঠনটি যদি ওই চুক্তিতে সম্মত হয় তাহলে তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে ইসরাইল।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের ওই রাষ্ট্রদূতের দেয়া ওই পরিকল্পনা অনুযায়ী যদি যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ ব্যর্থ হয় তাহলে ৪২ দিন পর আবারও গাজায় হামলা করতে পারবে ইসরাইল। এদিকে হামাস জানিয়েছে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ শেষ হবে এমন নিশ্চয়তা পেলে প্রথম ধাপের মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে সম্মত হবে না হামাস। জেরুজালেম থেকে বিবিসির পল অ্যাডামস জানিয়েছেন, গাজায় নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে এখনও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠনটি। এমনকি ইসরাইল অধিকৃত পশ্চিম তীরের কোনো ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছেও ক্ষমতা হস্তান্তরে রাজি নয় তারা।
গাজায় যুদ্ধবিরতি শুরু হয় এ বছরের ১৯ জানুয়ারি। যার প্রথম ধাপ এই শনিবার শেষ হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী আরও দুটি ধাপ রয়েছে। দীর্ঘ ১৫ মাস সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় উভয় পক্ষ। প্রথম ধাপে থাইল্যান্ডের পাঁচজন এবং ইসরাইলের ৩৩ জন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। বিনিময়ে ইসরাইলের কারাগার থেকে ১৯০০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। এখনও যে সকল জিম্মি আটক রয়েছে তাদের মুক্তি এবং গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার সহ দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা শুরু করেনি কোনো পক্ষ। ধারণা করা হচ্ছে, ২৪ জন জিম্মি জীবিত আছেন, আর ৩৯ জন মারা গেছেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় সেহরি ও ইফতার : ক্ষুধা ও কষ্টে রমজান শুরু
শনিবার (১ মার্চ) বার্তাসংস্থা আনাদুলু এজেন্সির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
বৃষ্টিতে ভিজে সেহরি, ক্ষুধার্ত দিনের শুরু
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) গাজায় শুরু হয় পবিত্র রমজান। বিশ্বজুড়ে মুসলিমরা রোজার প্রথম দিন সেহরির মাধ্যমে শুরু করলেও গাজার ফিলিস্তিনিদের জন্য এই রাত ছিল দুঃসহ। ভারী বৃষ্টিতে তাদের অস্থায়ী তাঁবুগুলো প্লাবিত হয়ে যায়। অনেকেই ঘুম থেকে উঠে দেখেন, তাঁবুর ভেতর পানি জমে গেছে, খাবার ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ভিজে গেছে। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে তাঁবু ছেড়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। কিন্তু প্রচণ্ড ঠাণ্ডা আবহাওয়ার কারণে সেটিও ছিল কঠিন।
যারা ধ্বংসস্তূপে ফিরে গেছেন, তারাও দুর্ভোগের মধ্যে ছিলেন। ফাঁকা দেয়াল ও ছাদের ফাটল দিয়ে পানি প্রবেশ করায় অনেকের ঘুমানোর সুযোগও হয়নি। ফলে সেহরির সময় তারা তেমন কিছুই খেতে পারেননি। কেউ শুকনো রুটি বা খেজুর দিয়ে সেহরি করেছেন, আবার কেউ পানি পান করেই রোজা শুরু করেছেন।
ইফতারে খাবারের সংকট, ত্রাণ সহায়তাও অপ্রতুল
দিনভর রোজা রাখার পর গাজার মুসলিমরা যখন ইফতারের অপেক্ষায় ছিলেন, তখনও তাদের কপালে জুটেছে চরম দুর্ভোগ। ইসরায়েলের অবরোধের কারণে গাজায় খাদ্য সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে পর্যাপ্ত ইফতার সামগ্রী জোগাড় করা অধিকাংশ মানুষের পক্ষেই সম্ভব হয়নি।
যারা কিছুটা খাদ্য পেয়েছেন, তারা সাধারণত শুকনো রুটি, খেজুর এবং সামান্য পানি দিয়ে ইফতার করেছেন। রান্না করার মতো পর্যাপ্ত গ্যাস ও বিদ্যুৎ না থাকায় অনেকেই কোনো গরম খাবার তৈরি করতে পারেননি। কিছু পরিবার মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভর করলেও ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণের কারণে গাজায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রবেশ করতে পারছে না, যার ফলে সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠেছে।
গাজার বাসিন্দা মুহাম্মদ আল-মাসরি আনাদোলু এজেন্সিকে বলেন, ‘রমজান আমাদের জন্য আনন্দের সময় হওয়ার কথা, কিন্তু বাস্তবতা আমাদের দুর্ভোগ বাড়িয়ে তুলেছে। আমরা ইফতারের জন্য পর্যাপ্ত খাবার পাচ্ছি না, আমাদের শিশুদের জন্য দুধ নেই, আমরা কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।’
যুদ্ধবিরতি, কিন্তু সংকট এখনো অব্যাহত
গত ১৯ জানুয়ারি ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যার আওতায় গাজায় ত্রাণ ও পুনর্নির্মাণ সামগ্রী প্রবেশের কথা ছিল। কিন্তু দখলদার ইসরায়েল সে চুক্তি বাস্তবায়ন না করায় হাজার হাজার ফিলিস্তিনি এখনো তাঁবুতে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার ৮৮ শতাংশ অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে, যার মধ্যে হাসপাতাল, বাজার, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত।
আন্তর্জাতিক সহায়তার আকুতি
গাজার স্থানীয় প্রশাসন, বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এবং ইসলামিক সংস্থাগুলো ফিলিস্তিনিদের জন্য আরও বেশি সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানিয়েছে। গাজার পৌরসভার মুখপাত্র হোসনি মাহনা বলেন, ইসরায়েল অবিলম্বে ত্রাণ সহায়তা প্রবেশের অনুমতি না দিলে আগামী দিনগুলো আরও ভয়াবহ হতে পারে।
গাজার মানুষের লড়াই অব্যাহত
দীর্ঘ দখলদারিত্ব, হামলা ও অবরোধের মধ্যেও গাজার মানুষ তাদের আত্মমর্যাদা রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। রমজানের প্রথম দিন চরম দুর্ভোগের মধ্যে কাটলেও তারা ধৈর্য ও সংযমের সঙ্গে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করছেন।
তবে সংকট সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন। ইসরায়েলের অবরোধ অব্যাহত থাকলে গাজার মানুষদের জন্য রমজানের দিনগুলো আরও কঠিন হয়ে উঠবে, যা মানবিক বিপর্যয়কে চরম পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে।
![]() |
| গাজা উপত্যকার ধ্বংসস্তূপের মাঝে প্রথম রোজায় ইফতার করছে এক ফিলিস্তিনি পরিবার। ছবি : সংগৃহীত। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরিয়াকে দুর্বল করতে নতুন পরিকল্পনা ইসরায়েলের
লেবাননের সংবাদমাধ্যম আল মায়াদিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ায় রাশিয়ার অব্যাহত উপস্থিতিকে তুরস্কের সম্প্রসারণবাদী এজেন্ডার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ হিসেবে বিবেচনা করছে ইসরায়েল। কারণ, দেশটি তুরস্ককে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করে।
তুরস্ককে প্রতিহত করার ইসরায়েলি কৌশল
ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো, তুরস্ক সিরিয়ায় নতুন ইসলামপন্থী গোষ্ঠীগুলোর সুরক্ষা প্রদান করবে। এই গোষ্ঠীগুলো ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধা এবং অন্যান্য সশস্ত্র দলগুলোর ঘাঁটিতে পরিণত হতে পারে। মার্কিনভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেঞ্চুরি ইন্টারন্যাশনালের ফেলো অ্যারন লুন্ডের মতে, এই আশঙ্কা থেকেই ইসরায়েল সিরিয়ার নতুন নেতৃত্বকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
গাজা যুদ্ধের মধ্যে ইসরায়েল ও তুরস্কের মধ্যকার উত্তেজনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে সিরিয়ার বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর, সেখানে ইসলামপন্থী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তুরস্কের সমর্থন ইসরায়েলের দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রভাবিত করার চেষ্টা
সিরিয়াকে টুকরো টুকরো করার লক্ষ্যে দেশটির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রভাবিত করছে ইসরায়েল। গত ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ইসরায়েল তার এই দাবিগুলো তুলে ধরে। মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সিরিয়াকে দুর্বল রাখার জন্য ইসরায়েল তার কৌশলগত রূপরেখা তুলে ধরে এবং নির্বাচিত ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তাদের কাছে একটি শ্বেতপত্রও বিতরণ করে।
সিরিয়ার স্থিতিশীলতার পথে বাধা
বর্তমানে সিরিয়ার নতুন নেতৃত্ব দেশটিকে স্থিতিশীল করার পাশাপাশি প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রগুলোর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ইসরায়েলি কর্মকর্তারা দাবি করছেন, নতুন সিরিয়ান সরকার ভবিষ্যতে ইসরায়েলের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
বাশার আল আসাদের পতনের পর, ইসরায়েল সিরিয়ায় সামরিক আগ্রাসন আরও তীব্র করেছে। দেশটি সিরিয়ার সামরিক স্থাপনাগুলোতে বিমান হামলা চালিয়েছে এবং জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে থাকা একটি অসামরিকীকৃত অঞ্চলে তাদের সেনা মোতায়েন করেছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন যে, ইসরায়েল দক্ষিণ সিরিয়ায় হায়াত তাহরির আল শাম বা সিরিয়ার নতুন শাসকদের সঙ্গে মিত্র অন্য কোনো গোষ্ঠীর উপস্থিতি সহ্য করবে না।
রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটিকে সমর্থন
তুরস্কের প্রভাব বৃদ্ধির আশঙ্কায় ইসরায়েল তারতুস এবং লাতাকিয়ায় রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের সময়, কিছু মার্কিন প্রতিনিধি ইসরায়েলের এমন অবস্থানে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, কারণ ন্যাটো মিত্র হিসেবে তুরস্ক যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র। তবুও, ইসরায়েলি প্রতিনিধিরা যুক্তি দেন যে সিরিয়ায় রাশিয়ার উপস্থিতি ইসরায়েলের স্বার্থকে আরও ভালোভাবে রক্ষা করবে।
ইসরায়েল স্পষ্টতই চায়, সিরিয়া যেন একটি দুর্বল রাষ্ট্র হিসেবে থেকে যায়। দেশটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রভাবিত করার মাধ্যমে সিরিয়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখতে চায় এবং সেখানে রাশিয়ার উপস্থিতিকে ব্যবহার করে তুরস্কের প্রভাব কমাতে চায়। তবে এই নীতির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
![]() |
| ইসরায়েলি সেনারা সিরিয়ার ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ করার মুহূর্তে। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টক অব দ্য ওয়ার্ল্ড
কথোপকথনে ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের জন্য অধিক পরিমাণ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার দাবি জানান ট্রাম্প ও জেডি ভান্স। বিশ্ব মিডিয়ার সামনে ব্যতিক্রমী পোশাকে উপস্থিত হন ভলোদিমির জেলেনস্কি। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি করতে কঠোর কাজ করা উচিত বলে অধিক শক্তিধর অংশীদার ট্রাম্প ও জেডি ভান্স পরামর্শ দেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন ভলোদিমির জেলেনস্কি। ট্রাম্প ও ভান্স ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট সম্পর্কে বলেন, তিনি কৃতজ্ঞ নন। আলোচনার পর ট্রাম্প ও জেলেনস্কির সংবাদ সম্মেলন করার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই জেলেনস্কিকে হোয়াইট হাউস ত্যাগ করতে বলা হয়। উভয় পক্ষ গত সপ্তাহে যে খনিজ চুক্তি নিয়ে প্রশংসা করেছিলেন- তা স্বাক্ষরবিহিন অবস্থায়ই রয়ে যায়। এরপর জেলেনস্কির গাড়ি হোয়াইট হাউস ত্যাগ করার সামান্য আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাম্প লিখেছেন- যখন শান্তির জন্য প্রস্তুত হবেন, তখন ফিরে আসবেন। হোয়াইট হাউস থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসেন জেলেনস্কি। তখন সাংবাদিকরা দূর থেকে বিভিন্ন প্রশ্ন ছুড়ে মারেন। তিনি কোনো কথার উত্তর না দিয়ে সোজা গাড়িতে গিয়ে বসেন।
ট্রাম্প, জেডি ভান্স এবং ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে শুরুতে আন্তরিকতার সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টা আলোচনা হয়। আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। এরপর ওভাল অফিসে জেডি ভান্স বলেন- শান্তির পথ এবং সমৃদ্ধির পথ নিহিত থাকতে পারে কূটনৈতিক সংশ্লিষ্টতার মধ্যে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেটাই করছেন। এ সময়েই আলোচনার পারদ চড়তে শুরু করে। জেডি ভান্সের কথার মধ্যেই জেলেনস্কি ফোড়ন কাটেন। তিন বছর আগে শুরু হওয়া রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসন এবং ২০১৯ সালে যুদ্ধবিরতিতে ব্যর্থতার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তিনি। প্রেসিডেন্ট পুতিনের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন- তাকে কেউই থামায়নি।
এ সময়ই কথোপকথনে উত্তেজনা দৃশ্যমান হয়। জেলেনস্কির জবাবে জেডি ভান্স বলেন- সেই ধরনের (কূটনীতির) কথা বলছি, যা আপনাদের দেশে ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করবে। এরপরই জেলেনস্কি কৃতজ্ঞ নন বলে অভিযোগ করেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। যুদ্ধ বন্ধের জন্য ট্রাম্পের উদ্যোগের পক্ষ অবলম্বন করেন জেডি ভান্স। এজন্য পুতিনের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছেন ট্রাম্প এবং দ্রুত একটি যুদ্ধবিরতির দিকে তাকে ঠেলে দিয়েছেন। কিন্তু ভান্সের কথায় প্রথম ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠে।
সামরিক বাহিনী এবং এ সংক্রান্ত বিষয়ে জেলেনস্কি যেসব সমস্যার মুখোমুখি তা চ্যালেঞ্জ জানান ভান্স। জবাবে জেলেনস্কি বলেন- যুদ্ধের সময় সবারই সমস্যা থাকে। এমনকি আপনারও। আপনাদের তো একটি চমৎকার সমুদ্র আছে। কিন্তু আপনারা এটা অনুধাবন করতে পারছেন না। কিন্তু ভবিষ্যতে তা টের পাবেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি পুতিনের আগ্রাসী নীতির দিকে ইঙ্গিত করেছেন। এর পূর্ব পর্যন্ত কথাকাটাকাটি চলছিল জেডি ভান্স ও জেলেনস্কির মধ্যে। কিন্তু জেলেনস্কি ওই মন্তব্য করার পরই ট্রাম্পের গাত্রদাহ শুরু হয়ে যায় এবং কথাকাটাকাটির মধ্যে তিনি লিপ্ত হন। জেলেনস্কি দাবি করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগ্রাসীদের মোকাবিলার নৈতিকতা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন। জেলেনস্কির বার্তা সমালোচকদের হৃদয়ে দাগ ফেলেছে। তারা বলছেন, রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্প বোঝাপড়ায় ভুল করছেন বলে বোঝাতে চেয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে মস্কো যে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে সেখান থেকে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করছেন, একটি দ্রুত যুদ্ধবিরতির মধ্য দিয়ে পুতিনকে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করছেন, ইউরোপকে দুর্বল করছেন এবং ইউক্রেনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছেন বলে মনে করা হয়। ডনাল্ড ট্রাম্প এই যুদ্ধকে দু’টি পক্ষের মধ্যে এক ধরনের বাইনারি যুদ্ধ বলে রূপ দেয়ার চেষ্টা করেন। এই চিন্তাধারার ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করার চেষ্টা করেন জেলেনস্কি। এই প্রথমবার ওভাল অফিসে সরাসরি ট্রাম্পের চোখে চোখ রেখে তিনি বলেন- রাশিয়াকে সন্তুষ্ট করার মাধ্যমে এই যুদ্ধ আপনার কাছে চলে আসবে। তার এ মন্তব্যে ট্রাম্পের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। তিনি বলেন, আমাদেরকে এটা বলবেন না যে- আমরা কেমন অনুভব করবো। আমাদেরকে নির্দেশনা দেয়ার মতো অবস্থানে নেই আপনি। এ সময় ট্রাম্পের কণ্ঠ ক্রমশ জোরালো হতে থাকে। জেলেনস্কির উদ্দেশ্যে তিনি বলতে থাকেন- বিষয়টি এখন আপনার কাছে নেই। লাখ লাখ মানুষের জীবন নিয়ে আপনি জুয়া খেলছেন।
এই কথোপকথনে ওইসব বিজ্ঞজন মনে করতে পারেন জেলেনস্কি জিতেছেন, যারা চান যে- তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কথার জবাব দেন। কিন্তু বিষয়টি এখন এমন একপর্যায়ে পৌঁছেছে যা সিদ্ধান্ত দেবে এই যুদ্ধ এবং ইউরোপে শান্তির বিষয়। কথোপকথনের পরের একপর্যায়ে জেলেনস্কি বলেন, যুদ্ধ শুরুর একেবারেই শুরু থেকে আমরা একেবারে একা ছিলাম এবং আমরা কৃতজ্ঞ। তার এ কথায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষোভ ধরে রাখতে পারেননি। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের ট্যাক্সদাতাদের অর্থ এই যুদ্ধে বার বার দেয়া হয়েছে সহায়তা হিসেবে। জেলেনস্কির ওই মন্তব্যের জবাবে ট্রাম্প বলেন, আপনি একা ছিলেন না। তিনি বলেন- আপনাকে আমরা এই স্টুপিড প্রেসিডেন্টের (জো বাইডেন) মাধ্যমে দিয়েছি ৩৫০০০ কোটি ডলার।
গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়। তাতে বর্তমানের বিরোধী দল (তখন ক্ষমতাসীন) ডেমোক্রেটদের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেয়ার জন্য জেলেনস্কিকে অভিযুক্ত করেন জেডি ভান্স। তিনি জেলেনস্কিকে প্রশ্ন করেন- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই সাক্ষাৎ নিয়ে তিনি ধন্যবাদ জানাবেন কিনা। উল্লেখ্য, গত বছর ৫ই নভেম্বর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কয়েক বছর আগে জো বাইডেনের নিজের শহর পেনসিলভ্যানিয়ার স্যাক্রান্টনে একটি অস্ত্রের কারখানা পরিদর্শন করেন জেলেনস্কি। সেদিকে ইঙ্গিত করে জেডি ভান্স ওই প্রসঙ্গ সামনে আনেন। ওই সময়ে জেলেনস্কির সফর নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিলেন রিপাবলিকানরা। তারা অভিযোগ করেন, ডেমোক্রেট প্রার্থী কমালা হ্যারিসকে ব্যাটলগ্রাউন্ড রাজ্যে জয় পাওয়ার জন্য দলীয় প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন জেলেনস্কি। বৈশ্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে হোয়াইট হাউসে এই উত্তেজনার মধ্যে জেলেনস্কি বলেন, দয়া করে ভাবুন আপনারা যুদ্ধ সম্পর্কে খুব চিৎকার করে কথা বলবেন কিনা। সঙ্গে সঙ্গে জেডি ভান্সের দিকে ইঙ্গিত করে ট্রাম্প বলেন- তিনি চিৎকার করে কথা বলছেন না। দৃশ্যত এ সময় ট্রাম্পকে বেশ খিটমিটে মেজাজে দেখা যায়। তিনি বলেন- আপনার দেশ বড় রকম সমস্যায়। আপনি বিজয়ী হবেন না। এই যুদ্ধে আপনি বিজয়ী হবেন না। আমাদের কারণে এই যুদ্ধ থেকে আপনার বেরিয়ে আসার ভালো সুযোগ আছে।
ট্রাম্প বলেন, এভাবে কথা বলা খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এভাবে একটি চুক্তি করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। কারণ, এই মনোভাব পরিবর্তন করতে হবে। কিন্তু মনোভাব বা ইংরেজিতে অ্যাটিটিউড শব্দটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স উভয়কেই খুব বেশি ক্ষুব্ধ করে তোলে। ফলে জেডি ভান্স একপর্যায়ে বলে বসেন- শুধু বলেন, ধন্যবাদ। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর হিসেবে পরিচিত দুই ব্যক্তির সামনে নিজেকে একপেশে মনে করেন জেলেনস্কি। তাকে তার অস্তিত্ব প্রমাণের অবস্থানে নিয়ে যান তারা। জেলেনস্কি রাশিয়ার আগ্রাসন থেকে তার দেশকে রক্ষা করার জন্য তিনটি বছর ব্যয় করেছেন। তার দেশকে পুতিন বিভক্ত করার চেষ্টা করেছেন। সেই দেশের সমাজ এবং এর নেতৃত্বকে শক্তভাবে ধরে রাখার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু ওই কক্ষের আরেকটি দৃশ্য ধরা পড়ে মূল ক্যামেরায়। তাতে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত জেলেনস্কির রাষ্ট্রদূত ওকসানা মারকারোভা উত্তেজনার সময়ে তার দু’হাত মাথায় দিতে দেখা যায়।
আলোচনায় উত্তেজনা সত্ত্বেও জেলেনস্কি বলেছেন, এখনও আমরা কৌশলগত অংশীদার। তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে লন্ডনের স্ট্যানস্টেড বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এক্সে তিনি এক পোস্টে বলেছেন, আমাদেরকে বেঁচে থাকতে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এটা আমি স্বীকার করি। উত্তেজনাপূর্ণ কথোপকথনের পরও আমরা কৌশলগত অংশীদার। তবে আমাদেরকে সৎ থাকতে হবে। অভিন্ন লক্ষ্য সত্যিকারভাবে অনুধাবনের জন্য একে-অন্যের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে হবে। তিনি বলেন, সব রকম সমর্থনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইউক্রেন কৃতজ্ঞ। এ সময় তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন দলের বার্তা নিয়ে ধোঁয়াশা, কৌশল নির্ধারণে তৎপরতা by মুনির হোসেন
এদিকে আগামী তিন মাসের মধ্যে পুরোপুরি রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে শহর থেকে গ্রামে পৌঁছাতে চায় নতুন দল। একইসঙ্গে মহানগর, জেলা, উপজেলায় কমিটি দিতে চায় তারা। সেক্ষেত্রে জাতীয় নাগরিক কমিটির ঘোষিত কমিটি এনসিপি’র কমিটিতে রূপ পাবে। তবে এক্ষেত্রে কিছু যোগ-বিয়োগ হতে পারে বলে জানা গেছে। গতকাল রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে পারেনি দলটি। আত্মপ্রকাশের দিন একটি কমিটি প্রস্তুত করা হলেও সেটি নিয়ে অনেকের আপত্তি থাকায় তাতে সংশোধন আনা হচ্ছে বলে দলটির অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে। এ ছাড়া রমজানের মধ্যেই দলের প্রতীক চূড়ান্ত করে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ করতে চায় এনসিপি।
গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেয়া ছাত্ররা দল গঠনের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জাতীয় নাগরিক কমিটি গঠন করে। যেখানে যোগ দেয়, ডান ও বামপন্থি রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্রসংগঠনের নেতারা। এ ছাড়াও এতে বিভিন্ন জাতি ও ধর্মীয় গোষ্ঠীকে যুক্ত করা হয়। তখন থেকেই প্রশ্ন উঠেছে এত মতের মানুষের সংগঠন রাজনৈতিক দলে পরিণত হলে তাদের মতাদর্শগত ঐক্য হবে কিনা। এ ছাড়াও তারা যে মধ্যপন্থি রাজনীতির কথা বার বার বলছেন সেটি কতোটুকু সম্ভব হবে। গতকাল এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব মোহাম্মদ মিরাজ মিয়ার কাছে। তিনি বলেন, নানা মত ও পথের মানুষকে এক জায়গায় আনা চ্যালেঞ্জ এটা ঠিক। আবার এটি দলকে অনেক বেশি শক্তিশালীও করবে। আমরা বলছি এনসিপি হবে মধ্যপন্থি দল। এ দলে সব মতের মানুষ থাকবে। আমরা এখানে সবাইকে নাগরিক হিসেবে দেখতে চাই। তার মতে, আগামী দিনে এটি পরিষ্কার হবে দলগত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে সবাইকে ঐকমত্যে আনা যাবে কিনা। তিনি বলেন, আমাদের গঠনতন্ত্র, কর্মসূচি নিয়ে এখনো কাজ হয়নি। এ নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে তারা আমাদের মতাদর্শ, দফা, মূলনীতি কী হবে বাকি সব ঠিক করবেন। মূল বিষয় হচ্ছে আমরা মানুষের অধিকার ভিত্তিক আমাদের দফাসমূহ ঠিক করবো।
দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে সেকেন্ড রিপাবলিক, নতুন সংবিধান ও গণপরিষদের কথা বলেছেন। দলের সদস্য সচিব বলেছেন, নতুন সংবিধান এখন বাস্তবতা। নাহিদ তার ঘোষণাপত্রে বলেছেন, জুলাই ২০২৪ গণঅভ্যুত্থান আমাদের সেকেন্ড রিপাবলিক প্রতিষ্ঠার লড়াই সূচনা করেছে। একটি গণতান্ত্রিক নতুন সংবিধান প্রণয়নের মাধ্যমে আমাদের সাংবিধানিক স্বৈরতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সকল সম্ভাবনার অবসান ঘটাতে হবে। আমাদের সেকেন্ড রিপাবলিক প্রতিষ্ঠার জন্য গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন আমাদের অন্যতম প্রাথমিক লক্ষ্য। আমাদের সেকেন্ড রিপাবলিকে জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। ভেঙে পড়া রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় গড়ে তোলা ও তাদের গণতান্ত্রিক চরিত্র রক্ষা করা হবে আমাদের রাজনীতির অগ্রাধিকার। এর মধ্যদিয়েই কেবল আমরা একটি পরিপূর্ণ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হতে পারবো।
তিনি বলেন, আমরা এমন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিকাশ চাই যেখানে সমাজে ও রাষ্ট্রের সর্বস্তরে বিভেদের বদলে ঐক্য, প্রতিশোধের বদলে ন্যায়বিচার এবং পরিবারতন্ত্রের বদলে মেধা ও যোগ্যতার মানদণ্ড প্রতিষ্ঠিত হবে। আমাদের রাজনীতিতে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির কোনো স্থান হবে না। নাহিদ বলেন, আমাদের সেকেন্ড রিপাবলিকে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বরকে মূলধারায় তুলে আনা হবে। আমাদের রিপাবলিকে সাধারণ মানুষ, একমাত্র সাধারণ মানুষই হবে ক্ষমতার সর্বময় উৎস। তাদের সকল ধরনের গণতান্ত্রিক ও মৌলিক অধিকারের শক্তিশালী সুরক্ষাই হবে আমাদের রাজনীতির মূলমন্ত্র। আমরা রাষ্ট্রে বিদ্যমান জাতিগত, সামাজিক, লিঙ্গীয়, ধর্মীয় আর সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ ও বৈচিত্র্য রক্ষার মাধ্যমে একটি বহুত্বপূর্ণ ও সমৃদ্ধ সমাজ বিনির্মাণ করতে চাই। আমাদের রিপাবলিক সকল নাগরিককে দারিদ্র্য, বৈষম্য ও ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে শক্তিশালী সুরক্ষা প্রদান করবে। আমাদের সেকেন্ড রিপাবলিকে বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর কোনো অংশকেই অপরায়ন করা হবে না। বরং রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিককে সমান গুরুত্ব প্রদান ও সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। মিরাজ মিয়া এ বিষয়ে বলেন, সেকেন্ড রিপাবলিক বলে আমরা কী বোঝাতে চেয়েছি সেটি নাহিদ ইসলামের ঘোষণাপত্রেই পরিষ্কার। তবে আমরা বলছি একটি গণপরিষদ গঠনের কথা। যারা নতুন সংবিধান প্রণয়ন করবে। ওই অনুযায়ী দেশ চলবে। আগামী সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীরাই গণপরিষদের সদস্য হিসেবে ৩ থেকে ৬ মাস দায়িত্ব পালন করবেন। তারা নতুন সংবিধান প্রণয়ন করবেন। তারপর তারা সংসদের সদস্য হিসেবে থেকে যাবেন। গণপরিষদের কথা আমরা এজন্য বলছি যে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা কিন্তু সংবিধানে বড় পরিবর্তন আনতে পারেন না। তারা কেবল কিছু আর্টিকেল চেঞ্জ করেন। যেটি আবার অন্য দল আসলে বাদ দিয়ে দেয়। তাই আমরা চাই গণপরিষদের মাধ্যমে এমন একটি সংবিধান প্রণয়ন করতে যেটি পরবর্তীতে অন্য কেউ চাইলেও আর পরিবর্তন করতে পারবে না।
এদিকে নতুন দলের কর্মকৌশল ঠিক করতে শিগগিরই তিনটি কমিটি গঠন করা হবে বলে জানা গেছে। যারা দলের গঠনতন্ত্র প্রণয়ন, নির্বাচনী প্রস্তুতি ও কেন্দ্রীয়ভাবে দলকে পরিচালনার কাজ করবে। এ বিষয়ে সদস্য সচিব মোহাম্মদ মিরাজ মিয়া বলেন, আমাদের প্রাথমিক কমিটির পর আমরা তিনটি কমিটি করে দেবো। প্রথম কমিটিতে যারা নির্বাচন করবে তারা নির্বাচনী কলাকৌশল ও মাঠ গোছানো নিয়ে কাজ করবেন। দ্বিতীয়টি পার্টি শক্তিশালী করা ও গঠতন্ত্র নিয়ে কাজ করবে। আর তৃতীয়টি ন্যাশনাল পলিটিক্স নিয়ে কাজ করবে।
এদিকে শিগগিরই সব জেলা উপজেলায় কমিটি চূড়ান্ত করতে চায় এনসিপি। দলের যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, রমজানে আমরা দল গোছানো, কর্মবণ্টন- এসব নিয়ে কাজ করবো। জেলা, থানা কমিটি নিয়ে কাজ করবো। আমাদের সংগঠন গোছানো প্রায় শেষ। সারা দেশে ৪৩০ থানায় নাগরিক কমিটির কমিটি আছে। সেগুলো পর্যায়ক্রমে এনসিপি’র কমিটি হিসেবে রূপ নেবে। আশা করছি মার্চের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি শেষ করতে পারবো।
দলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) আবু সাঈদ লিয়ন বলেন, ফ্যাসিবাদী খুনি হাসিনার বিগতদিনের স্বৈরশাসনের পরও তাকে এদেশের রাজনৈতিক দলগুলো সরাতে পারেনি। রাজনীতিতে সেই ঘাটতি ছিল। যেটি পোষাতেই আমরা নতুন দল নিয়ে এসেছি। আমরা মনে করি এনসিপি সেই কাজটি করতে পারবে। রাজনৈতিক যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে সেটি পূরণ করবে। সম্পূর্ণ বাংলাদেশপন্থি একটি দল হবে এনসিপি। তিনি বলেন, রমজানের মধ্যেই আমরা নিবন্ধন ও প্রতীক চূড়ান্ত করার চেষ্টা করবো। কারণ আমাদের সাংগঠনিক কাঠামো ইতিমধ্যে চূড়ান্ত। তিনি বলেন, আমাদের মূল টার্গেট এদেশের কৃষক, শ্রমিক, প্রবাসী ও প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ। আমরা মনে করি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে এরাই ছিল আমাদের অন্যতম শক্তি। তারাই ফ্যাসিবাদকে সরিয়েছে। তাই আগামীদিনের বাংলাদেশও তাদের গুরুত্ব দিয়ে তৈরি হবে। সেই লক্ষ্যেই আমরা আমাদের কর্মসূচিতে তাদের গুরুত্ব দিচ্ছি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমেরিকা পাঠানোর কথা বলে নেপালে জিম্মি: ৪৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ
ভুক্তভোগী তারেক আজিজ কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার মৈশাতুয়া ইউনিয়নের খানাতুয়া গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে। অভিযুক্ত আশেক একই উপজেলার তাহেরপুর গ্রামের মৃত ইছহাক মিয়ার ছেলে। তিনি কুমিল্লা পশ্চিম অঞ্চলের ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি। শনিবার দুপুরে কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ সংলগ্ন একটি রেস্টুরেন্টের হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করে ভুক্তভোগী পরিবারটি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তারেক বলেন, বিগত ২০২৩ সালের ১১ই নভেম্বর দুপুরে আশেক তার বাবাকে জানান, তার ছেলেকে কম কষ্টে সহজ রুটে আমেরিকা নেয়া হবে। বিনিময়ে ৪৫ লাখ টাকা দিতে হবে। আশেক আরও জানান, বৈধ পথে ঙহ অৎৎরাধষ ভিসায় নেপাল গিয়ে সেখান থেকে ইঋঝ এর মাধ্যমে ভিসা নিয়ে ব্রাজিল হয়ে মেক্সিকো বর্ডার দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়। আশেক একজন রাজনীতিবিদ হওয়ায় তারেকের বাবা ছেলের
ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে রাজি হয়। পরে আশেক এবং তারেক ও তার পরিবারকে ঢাকার ফার্মগেট এলাকার টুরিজম এইড লিমিটেড নামে একটি এজেন্সিতে নিয়ে যান। সেখানে চুক্তি হয় ৪৫ লাখ টাকার মধ্যে প্রথমে ২ লাখ টাকাসহ পাসপোর্ট ও অন্যান্য কাগজপত্র নিয়ে জমা নেন। বাকি ৪৩ লাখ টাকা তারেক মেক্সিকো অবস্থান করছেন এমন সত্যতা নিশ্চিত করলে মধ্যস্থতাকারী লাকসাম উপজেলার আঙ্গারিয়া এলাকার বাসিন্দা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রেজাউল করিম রতনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পরিশোধ করা হবে।
চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ই ডিসেম্বর তারেককে নেপালের কাঠমুণ্ডুর একটি গোডাউনে নিয়ে আটকে রাখা হয়। সেখানে তার মোবাইল ফোন, পাসপোর্ট এবং অন্যান্য কাগজপত্র কেড়ে নেয় আশেকের ভাড়া করা লোকজন। পরে তারেকের মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার বাবার হোয়াটসঅ্যাপে ভয়েস রেকর্ড পাঠাতে বাধ্য করে ‘তারেক মেক্সিকো অবস্থান করছে বলে’ বলতে। তারেক বাধ্য হয়ে তার বাবাকে ভয়েস পাঠান। রেকর্ড পেয়ে তার বাবা চুক্তির বাকি ৪৩ লাখ টাকার মধ্যে ৪০ লাখ টাকা রেজাউলের অ্যাকাউন্টে এবং ৩ লাখ টাকা নগদ পরিশোধ করেন।
টাকা পাওয়ার পর, চক্রটি তারেকের চোখ-মুখ বেঁধে গাড়িতে করে কাঠমুণ্ডুর একটি রাস্তায় ফেলে চলে যায়। পরে ঘটনার কথা তারেক তার বাবাকে ফোন করে বিস্তারিত জানান।
পরে নেপাল পুলিশের সহযোগিতায় আউট পাসের মাধ্যমে ওই বছরের ২৩শে ডিসেম্বর বাংলাদেশে ফেরত আসেন তারেক। পরে স্থানীয় গণ্যমান্যদের সহায়তায় কয়েক দফায় সালিশ বৈঠক বসে। সালিশে আশেক ৪৫ লাখ টাকা এবং ক্ষতিপূরণসহ ৪৬ টাকা পরিশোধ করবেন বলে স্ট্যাম্প করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তারেক অভিযোগ করে বলেন, স্ট্যাম্প দেয়ার পরেও আশেক ১ টাকাও পরিশোধ না করে উল্টো হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। ২০২৪ সালের ৯ই মে ঢাকার মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে চারজনকে আসামি করে মামলা করেন তারেক। কিন্তু মামলার পর পরোয়ানা জারি হলেও অদ্যাবধি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেনি।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশের সাবেক উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মশিউর রহমান বলেন, এ মামলার দেড় মাসের মধ্যে আমি তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছি। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জেলেনস্কির পাশে ইউরোপ: রাশিয়া বলল চপেটাঘাত
বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেননি। তবে শনিবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে লন্ডনের স্ট্যানস্টেড বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন জেলেনস্কি। এরপর ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হওয়ার কথা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, স্টারমার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি- উভয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি আরো বলেন, ইউক্রেনের জন্য অটুট সমর্থন আছে স্টারমারের এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় তার যা করার তিনি সেগুলো সব করছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের সমর্থনও পেয়েছেন জেলেনস্কি। ইউরোপীয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরশুলা ভন ডার লিয়েন বলেন, আপনি একা নন প্রিয় প্রেসিডেন্ট। তিনি আরো বলেন, দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় আমরা আপনার সঙ্গে কাজ করবো। জেলেনস্কিকে ‘ওয়ার লিডার’ বলেও সম্বোধন করেন উরশুলা। জেলেনস্কি অবশ্য অনেকের বার্তায় সাড়া দিয়েছেন। তিনি তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। রাশিয়ান সাবেক প্রেসিডেন্ট ও সিকিউরিটি কাউন্সিলের উপ-প্রধান দমিত্রি মেদভেদেভ টেলিগ্রামে এক পোস্টে বলেন, ট্রাম্প ইউক্রেনের কব্জির ওপর জোরে চপেটাঘাত করেছেন।
জেলেনস্কিকে ‘কোকেইন ক্লাউন’ বলেও মন্তব্য করেন দমিত্রি। তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো জেলেনস্কির মুখের ওপর কেউ সত্য বলেছেন। তিনি আরো বলেন, ‘ওই অকৃতজ্ঞ শূকরের’ কব্জির ওপর জোরে চপেটাঘাত করা হয়েছে। এটা প্রয়োজন ছিলো। তবে তা পর্যাপ্ত না । আমাদের অবশ্যই ইউক্রেনকে মিলিটারি সাহায্য বন্ধ করতে হবে। জেলেনস্কির সঙ্গে সংযম দেখানোর জন্য ট্রাম্পের প্রশংসা করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা। তিনি বলেন, আমার মনে হয় হোয়াইট হাউসে বলা জেলেনস্কির মিথ্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ২০২২ সালে কিয়েভ একা ছিলো। দেশটির পাশে কেউ ছিলো না। ইউরোপীয় ইউনিয়নের কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরশুলা ভন ডার লিয়েন এক্সে এক পোস্ট দিয়ে ইউক্রেনের মানুষকে সাহসী, নির্ভিক ও শক্তিশালী হতে বলেন। ইইউয়ের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা ক্যালাস বলেন, এটা পরিষ্কার যে মুক্ত বিশ্বের একজন নতুন নেতা প্রয়োজন। এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি বলেন, ইউক্রেনই ইউরোপ। আমরা ইউক্রেনের পাশে আছি। রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আমরা ইউক্রেনকে সাহায্য করবো। জেলেনস্কির প্রশাংসা করেছেন ইউরোপীয়ান পার্লামেন্ট প্রেসিডেন্ট রবার্তা মেৎসোলা ও ইউরোপীয়ান কাউন্সিল প্রেসিডেন্ট অ্যান্তোনিও কস্তা। আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মিকায়েল মার্টিন বলেন, ইউক্রেনের পাশে আছে আয়ারল্যান্ড।
ইউক্রেন সফরের কথা স্বরণ করে তিনি বলেন, আমি যখন জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলাম তখন দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাকে পূর্ণ সমর্থনের বিষয়টি পুনরাবৃত্তি করেছি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিমোন হ্যারিস মনে করেন - যুদ্ধের জন্য ইউক্রেন দায়ী নয়। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইউক্রেনের পাশে থাকবে কানাডা। এক্সে দেয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, রাশিয়া অন্যায়ভাবে ইউক্রেনে আক্রমণ করেছে। তিন বছর ধরে ইউক্রেনীয়রা সাহসের সঙ্গে যুদ্ধ করছে। গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য তাদের যে লড়াই তা আমাদের সবার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গহর স্টোরে হোয়াইট হাউসের ঘটনাকে হৃদয়বিদারক বলে নিন্দা করেছেন। ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লাক রাসমুসেন সাম্প্রতিক ঘটনাকে কিয়েভের জন্য বিপত্তি বলে মন্তব্য করেছেন।
সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন এক্সে বলেন, ইউক্রেনের পাশে আছে সুইডেন। তিনি আরো বলেন, ইউক্রেন শুধু স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছে না বরং সমগ্র ইউরোপের জন্য লড়াই করছে। ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পিটার অরফান ইউক্রেনের প্রতি ফিনল্যান্ডের প্রতিশ্রুতির বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন। পোলান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক এক্সে এক পোস্টে বলেন, প্রিয় ইউক্রেনীয় বন্ধু আপনারা একা নন। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ইউক্রেনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন। এদিকে পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টিনেগ্রো বলেছেন- ইউক্রেন সবসময় পর্তুগালের ওপর নির্ভর করতে পারে। তবে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান হলেন ওইসব ইউরোপীয়দের মধ্যে অন্যতম, যিনি ট্রাম্পকে সমর্থন দিয়েছেন। জেলেনস্কিকে সমর্থন দিয়ে লিথুয়ানিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন- ইউক্রেন, তুমি কখনোই একা না। লাতভিয়ার প্রধানমন্ত্রী এভিকা সিলিনা ইউক্রেনকে সমর্থন দেয়ার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। চেক রিপাবলিকের প্রেসিডেন্ট পিটার পল এক্সে বলেন, আমরা ইউক্রেনের পাশে আছি। তিনি আরো বলেন, ইউরোপের জন্য এটি প্রচেষ্টা জোরদার করার সময়। মলদোভার প্রেসিডেন্ট মাইয়া সান্ডু এক্সে বলেন, সত্য খুবই সাধারণ। রাশিয়া ইউক্রেনে আগ্রাসন চালিয়েছে। রাশিয়া আক্রমণকারী। ইউক্রেন তার স্বাধীনতাকে রক্ষা করার জন্য লড়ছে। আমরা ইউক্রেনের পাশে আছি।
লুক্সেমবার্গের প্রধানমন্ত্রী লুক ফ্রিডেন তার দেশের ইউক্রেনকে সমর্থন করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। রোমানিয়ার অন্তবর্তী প্রেসিডেন্ট ইলি বোলোজান ইউরোপীয়ানদের নিরাপত্তায় ইউক্রেনের গুরুত্বের বিষয়ে জোর দিয়েছেন। এছাড়া তিনি ইউক্রেনকে সমর্থনের বিষয়েও মত দিয়েছেন। অস্ট্রিয়ার তত্ত্বাবধায়ক চ্যান্সেলর আলেকজ্যান্ডার শ্যালেনবার্গ ইউক্রেনকে সমর্থনের বিষয়টি পুুনর্ব্যক্ত করেছেন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাশিয়াকে আগ্রাসী বলে ঘোষণা দিয়েছেন। অ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ভিত্তিতে ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে জোর তাগিদ দিয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, ওভাল অফিস সত্যকে বদলে দিয়েছে। ইউক্রেনে রাশিয়া পূর্ণমাত্রায় আগ্রাসন চালিয়েছে। এটা জাতিসংঘ সনদের লঙ্ঘন।
লন্ডন ফিরে জেলেনস্কি বললেন খনিজ চুক্তি করতে প্রস্তুত, তবে...
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি করতে প্রস্তুত ইউক্রেন। কিন্তু তার আগে ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পর শনিবার লন্ডনের স্ট্যানস্টেড বিমানবন্দরে অবতরণ করে একথা বলেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি আরো বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছাড়া রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখা কঠিন হবে। এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে শক্তিশালী সমর্থনের কথা শুনতে চায় সব ইউক্রেনবাসী। তিনি আরো বলেন- ইউক্রেনের নিরাপত্তাকে যুক্তরাষ্ট্র কিভাবে সংজ্ঞায়িত করবে তা জানা প্রয়োজন। তারা কি ধরনের, কতটুকু এবং কখন এই নিরাপত্তা দেবে তা জানা জরুরি। নিজের এবং ট্রাম্পের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি আরো বলেন, দু’জন নেতার চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অনেক বেশি। এটা ঐতিহাসিক সম্পর্ক এবং আমাদের জনগণের মধ্যে দৃঢ় বন্ধন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স চান রাশিয়ার সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি।
এ প্রসঙ্গে জেলেনস্কি বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া একটি যুদ্ধবিরতি ইউক্রেনের জন্য বিপজ্জনক। তিনি আরো বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চান যুদ্ধ বন্ধ। কিন্তু আমরা যতটা শান্তি চাই, ততটা কেউই চান না। পুতিনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে কোনো কাজ হবে না। গত ১০ বছরে তিনি ২৫ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। বাস্তব শান্তিই হলো একমাত্র সমাধান। রাশিয়ার অবস্থানের প্রেক্ষাপটে তিনি ইউক্রেনকে পাল্টে ফেলতে পারেন না বলেও জানান। জেলেনস্কি বলেন, আমাদেরকে হত্যা করছে রাশিয়ানরা। তারা আমাদের শত্রু। এই বাস্তবতা আমরা মোকাবিলা করছি। ইউক্রেন শান্তি চায়। তবে তা হতে হবে অবশ্যই একটি টেকসই শান্তি। এ জন্যই আমাদেরকে আলোচনার টেবিলে বসতে হবে। এ সময় তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় উত্তেজনার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, উত্তেজনা সত্ত্বেও আমরা শক্তিশালী অংশীদার।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অস্ত্রের ঝনঝনানি বাড়ছেই: সক্রিয় আন্ডারওয়ার্ল্ড by সুদীপ অধিকারী
গত ২৫শে ফেব্রুয়ারি রাত ১০টার দিকে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার সুতি খালপাড় এলাকায় মোহাম্মদ জাহিদ (২৫) নামে এক যুবকের পায়ে গুলি করা হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাকে ঢামেকে নিয়ে আসা মো. হৃদয় বলেন, পায়ে গুলি লেগে রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল জাহিদ। পরে আমরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসি। খুব সম্ভবত ছিনতাইকারীরা তাকে গুলি করে থাকতে পারে। গত ১৫ই ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৩টার দিকে মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের ই-ব্লকের ১ নম্বর রোডে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে মো. জসিম উদ্দিন (৪৪) ও তার বোন শাহিনুর বেগম (৩২)কে গুলি করা হয়। আহত অবস্থায় তাদের দু’জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। আহত জসিম উদ্দিন বলেন, তিনি পরিবার নিয়ে গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকায় থাকেন। সেখানে তার ফার্নিচারের ব্যবসা আছে। মিরপুরে তার বোন শাহিনুর থাকেন। এক সপ্তাহ আগে গাজীপুর থেকে বোনের বাসায় আসি। সপ্তাহখানেক আগে সোহাগ নামে ওই এলাকার এক ছিনতাইকারীকে পুলিশে ধরিয়ে দিতে সহায়তা করি। তখন তার সহযোগীরা আমাকে হুমকি দেয়। এরপর শবেবরাতের রাতে মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বোনের বাসার সামনে এলে সোহাগের বিষয় নিয়ে এলাকার শরিফ, তুহিন, শহিদুল, সুজন, রিয়াজের সঙ্গে আমার কথাকাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে শহিদুল আমার পায়ে গুলি করেন। খবর পেয়ে আমার বোন শাহিনুর বাসা থেকে বের হয়ে এলে তাকেও গুলি করা হয। স্থানীয়রা আমাদের প্রথমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়। গত ১৮ই ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ১০টার দিকে রামপুরার বনশ্রীতে ডান পায়ের উরুতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন রামপুরা থানা শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জুয়েল সরদার (৪০)। তাকেও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত জুয়েলকে হাসপাতালে নিয়ে আসা বন্ধু মহসিন জানান, তারা বনশ্রী এ- ব্লক কাঁচা বাজারের পাশে কয়েক বন্ধু মিলে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় তিনটি মোটরসাইকেলযোগে হেলমেট পরিহিত বেশ কয়েকজন এসে হিমেল নামের একজনের খোঁজ করেন। তারা বলেন, আমরা হিমেল নামে কাউকে চিনি না।’ কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা জুয়েলের ডান উরুতে গুলি করে চলে যায়। বরিশাল জেলার মুলাদি উপজেলার রামচর গ্রামের হাকিম সরদারের ছেলে জুয়েল বর্তমানে পূর্ব রামপুরা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। গত ৪ঠা ফেব্রুয়ারি ভোরে হাতিরঝিলে মো. সুমন (২৫) নামে এক ইন্টারনেট কর্মচারীকে গুলি করা হয়। তাকেও উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। তার বোন ইভা বলেন, আমার ভাই ইন্টারনেট কোম্পানিতে লাইনম্যানের কাজ করেন।
মঙ্গলবার রাতে রামপুরা ওয়াপদা রোডের একটি চায়ের দোকানের সামনে ১২-১৫ জন মুখোশধারী মোটরসাইকেলযোগে এসে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে আমার ভাই ডান পায়ের উরুতে গুলিবিদ্ধ হন। প্রথমে তাকে উদ্ধার করে মুগদা হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে আনা হয়। আমাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার কুতুমপুর গ্রামে। বর্তমানে আমরা রামপুরার ওয়াপদা রোডের দুই নম্বর গলি এলাকার একটি বাসায় ভাড়া থাকি। এর দুইদিন আগে ১লা ফেব্রুয়ারি রাত সোয়া ১০টার দিকে হাতিরঝিল থানার উলন পোড়াবাড়ি এলাকায় লানী (৫৫) ও শুভ (১৭) নামে দু’জন গুলিবিদ্ধ হন। তারাও ঢামেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। গুলিবিদ্ধ জিলানির ছেলে সাইফুল বলেন, আমার বাবা উলন পোড়াবাড়ি এলাকায় কলা বিক্রি করে। রাত ৯টার দিকে হঠাৎ একটি পক্ষকে আরেক পক্ষের লোকজন গুলি ছুড়তে ছুড়তে ধাওয়া করে। সেই গুলি আমার বাবার গায়ে এসে লাগে। এ সময় শুভ নামে আরও একজন গুলিবিদ্ধ হন। তবে কে বা কারা আমার বাবাকে ও ওই কিশোরকে গুলি করেছে, বিষয়টি বলতে পারছি না। আমাদের বাড়ি বি-বাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার কমলপুর এলাকায়। আর গুলিবিদ্ধ শুভর বাড়ি শরীয়তপুরের ডামুড্যা থানার কাচিকাটা এলাকায়।
গত ২৪শে জানুয়ারি রাত সোয়া ১১টার দিকে কামরাঙ্গীরচরের বেড়িবাঁধ এলাকায় সজল রাজবংশী (৩৭) নামে এক ব্যবসায়িকে গুলি করে প্রায় ৭০ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই করে দুর্বৃত্তরা। গুলিবিদ্ধ সজলের ভাই জয় রাজবংশী বলেছেন, ‘আমার ভাই কামরাঙ্গীরচরে ‘ইতি জুয়েলার্সের’ মালিক। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে করে হাজারীবাগে বাসায় ফিরছিল বড় ভাই। বাসার কাছাকাছি এলেই অজ্ঞাত কয়েকজন দুর্বৃত্ত আমার ভাইয়ের বাম পায়ে গুলি করে তার কাছে থাকা প্রায় ৭০ ভরি স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে যায়। গত ৭ই ডিসেম্বর কদমতলী এলাকায় একটি রড তৈরি কারখানার দুই নিরাপত্তাকর্মী মো. মনির (৪৫) ও মো. আল আমিন (৪০) দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হন। কারখানাটির তত্ত্বাবধায়ক মো. সবুজ বলেন, রাত ২টার দিকে বাইরে মানুষের শব্দ পেয়ে দু’জন টর্চলাইট জ্বালিয়ে এগিয়ে যান। তখন এক ব্যক্তি তাদের লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যান। তাদের পায়ে গুলি লাগে। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একই রাতে ৯টার দিকে ঢাকার পশ্চিম মেরুল বাড্ডা এলাকায় সাইফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন। তার ডান পায়ের উরুতে গুলি লাগে।
সাইফুলের খালাতো ভাই মনির হোসেন বলেন, কী কারণে কারা তার ভাইকে গুলি করেছে, সেটা এখনো জানতে পারেননি। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় প্রথমে সাইফুলকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একের পর এক এমন গুলির ঘটনায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী বলেন, আগে কিছু হলেই ধারালো অস্ত্রের ব্যবহার দেখা যেতো। কিন্তু বর্তমানে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার ব্যাপকহারে দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের পর একসঙ্গে বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী জেল থেকে মুক্তি পেয়েছে। তাদের লোকজনই এলাকায় আধিপত্য বিস্তারে এই অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার করছে। কেউ কেউ আবার দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে দোকান-বাসা বাড়ির সামনে ও নির্মাণাধীন ভবনের সামনে দল বেঁধে এসে গুলি চালানো হচ্ছে। ইন্টারনেট, ডিশ লাইন ও ময়লার ব্যবসার দখল নিতেও পক্ষ-বিপক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গোলাগুলি হচ্ছে। এদিকে থানা লুটের অস্ত্রও এখনো সব উদ্ধার হয়নি। সেসব অস্ত্র নিয়েও কেউ কেউ ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে।
তবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-ডিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) রেজাউল করিম মল্লিক বলেছেন, নগরবাসীর নিরাপত্তার জন্য যা যা উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন আমরা সব নিয়েছি। চেকপোস্ট, পেট্রোল, ফুট পেট্রোল, ডিবি-পুলিশ-র?্যাব-সেনাবাহিনীর টহলসহ যা যা করণীয় আমরা সবকিছু করে যাচ্ছি। ডিএমপি, গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাই সন্ত্রাসীরা যত শক্তিশালীই হোক, সে যেই হোক পুলিশের হাত থেকে রক্ষা পাবে না।
এসব বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, আমাদের ডিএমপি’র সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, র্যাব, এপিবিএন, এটিইউ সকল এজেন্সি যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে। এর আগে আমরা যৌথভাবে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু করি। চিহ্নিত অপরাধীদের তালিকা করে সেই মোতাবেক অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। আমরা চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের যদি আটকাতে পারি, তাহলে দেখবেন ঘটনা কমে গেছে। ডিএমপি কমিশনার বলেন, এখানে একটি ঘটনা ঘটলে পাঁচ মিনিটের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়ে যায়। অপরাধ যে কখনো ছিল না, তা তো না। কিন্তু তখন যেহেতু মিডিয়া এত অ্যাডভান্স ছিল না, সেজন্য প্রচারটা হতো না। ইভেন আগে যে একটা ঘটনা ঘটলে একজন সামনে এগিয়ে এসে প্রতিরোধের চেষ্টা করতো, এখন সেটা না করে পকেট থেকে মোবাইল বের করে ভিডিওতে ব্যস্ত। তাই এসব থেকে মুক্তি পেতে হলে সবাইকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। ঢাকা জনবহুল একটা শহর, এখানে সবাইকে অবদান রাখতে হবে। ঢাকাবাসীর সবার কাছে অনুরোধ, আসুন সবাই মিলে সম্মিলিতভাবে আমরা চেষ্টা করি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, যারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক ও সজাগ রয়েছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে স্থাপিত চেকপোস্টগুলোও ফাংশন করছে। যৌথ বাহিনীর অপারেশনও ভালোভাবে চলছে। থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক গতিতে চলছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মনিটরিং করার জন্য বাহিনীর পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের অফিসারদেরও দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তাছাড়া ফোর্স ও টহলের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
March
(433)
-
▼
Mar 02
(16)
- রোজার মধ্যেই গাজায় সব ধরনের ত্রাণ ও পণ্যের প্রবেশ ...
- বড় লক্ষ্য অর্জনে ইউক্রেনকে দূরে ঠেলছেন ট্রাম্প
- জেলেনস্কির প্রতি কেন এত মারমুখী ছিলেন ভ্যান্স
- ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ কি নতুন দলের স্লোগান, কীভাবে এ...
- রোজার মধ্যেই গাজায় সব ধরনের ত্রাণ ও পণ্যের প্রবেশ ...
- এবার যুক্তরাষ্ট্রকে খনিজ চুক্তির প্রস্তাব দিলেন পুতিন
- ২০২৪ সালের নির্বাচনে জেলেনস্কি কি কমালা হ্যারিসের ...
- জেলেনস্কির পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি স্টারমারের
- গাজায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন ইসরাইলের
- গাজায় সেহরি ও ইফতার : ক্ষুধা ও কষ্টে রমজান শুরু
- সিরিয়াকে দুর্বল করতে নতুন পরিকল্পনা ইসরায়েলের
- টক অব দ্য ওয়ার্ল্ড
- নতুন দলের বার্তা নিয়ে ধোঁয়াশা, কৌশল নির্ধারণে তৎপর...
- আমেরিকা পাঠানোর কথা বলে নেপালে জিম্মি: ৪৫ লাখ টাকা...
- জেলেনস্কির পাশে ইউরোপ: রাশিয়া বলল চপেটাঘাত
- অস্ত্রের ঝনঝনানি বাড়ছেই: সক্রিয় আন্ডারওয়ার্ল্ড by ...
-
▼
Mar 02
(16)
-
▼
March
(433)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...




