Friday, January 23, 2026
ইরানের দিকে ‘যুদ্ধজাহাজের বহর’ পাঠানোর কথা জানালেন ট্রাম্প
তেহরানকে আবার সতর্ক করে ট্রাম্প আরও বলেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা করলে বা পারমাণবিক কর্মসূচি আবার চালু করার চেষ্টা করলে তা ইরানকে গুরুতর পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং কয়েকটি গাইডেড মিসাইল ধ্বংসকারী জাহাজ আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাবে।
এক কর্মকর্তা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে আরও বাড়তি আকাশ সুরক্ষাব্যবস্থা স্থাপনের কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে, যা এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোর ওপর ইরানের সম্ভাব্য কোনো হামলা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
এই মোতায়েন ট্রাম্পের হাতে আরও কিছু বিকল্প এনে দেবে। যেমন একদিকে এটি বর্তমান উত্তেজনার সময়ে পুরো অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীকে আরও ভালোভাবে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করবে, অন্যদিকে জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার পর প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগও দেবে।
সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে অংশগ্রহণ শেষে ফেরার পথে ট্রাম্প এয়ারফোর্স ওয়ানের ভেতর সাংবাদিকদের বলেন, ‘সেদিকে আমাদের অনেক জাহাজ যাচ্ছে, শুধু যদি প্রয়োজন পড়ে… আমি চাই না কোনো ঘটনা ঘটুক, তবে আমরা তাদের ওপর কড়া নজর রাখছি।’
কথা প্রসঙ্গে ট্রাম্প আবারও বলেন, ‘আমাদের একটি যুদ্ধজাহাজের বহর সেদিকে যাচ্ছে, তবে হয়তো আমাদের তা ব্যবহার করতে হবে না।’
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর গত সপ্তাহে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো মধ্যপ্রাচ্যের দিকে চলতে শুরু করে।
ট্রাম্প ইরানের সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সময় বিক্ষোভকারীদের হত্যার ঘটনায় বারবার হস্তক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ডিসেম্বরের ২৮ তারিখ থেকে ইরানে ওই বিক্ষোভ শুরু হয়, টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বিক্ষোভ চলে।
গত সপ্তাহ থেকে বিক্ষোভ স্তিমিত হয়ে এসেছে। বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেওয়া নিয়ে গত সপ্তাহেই ট্রাম্প ইরানকে সবচেয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। পরে ইরান বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি কার্যকর করা থেকে সরে আসে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনিই বন্দী বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি আটকে দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প বলেন, তাঁর হুমকির পর ইরান প্রায় ৮৪০ জনের ফাঁসি বাতিল করেছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বলেছিলাম, আপনারা যদি ওই লোকগুলোকে ফাঁসি দেন, তাহলে আপনাদের ওপর এমন আঘাত আসবে, যা আগে কখনো আসেনি। তখন আপনাদের ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিরুদ্ধে আমরা যা করেছি, সেটাও অনেক ক্ষুদ্র বলে মনে হবে।’
এই হুমকির পর ফাঁসি কার্যকর করার মাত্র এক ঘণ্টা আগে ইরান তা বাতিল করে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। তিনি ইরানের ফাঁসি বাতিলের সিদ্ধান্তকে ‘ভালো লক্ষণ’ বলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী অতীতে উত্তেজনা বৃদ্ধির সময়ে মাঝেমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে বাহিনী মোতায়েন করেছে, যা প্রায়ই প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ ছিল।
তবে গত বছর জুনে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ওই অঞ্চলে বড় ধরনের শক্তিবৃদ্ধি করেছে।
![]() |
| টানা বিক্ষোভের পর ইরানের রাজধানী তেহরানে জনজীবন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে। ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ কি জাতিসংঘকে অকার্যকর করার নীলনকশা?
ডয়চে ভেলের এক খবরে বলা হচ্ছে, গত বছরের নভেম্বরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব ২৮০৩-এর মাধ্যমে গাজা সংকটে সীমিত ভূমিকার অনুমোদন পেলেও, আইন বিশেষজ্ঞরা তখনই সতর্ক করেছিলেন যে এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, ট্রাম্প বোর্ড অব পিসকে একটি বৈশ্বিক কাঠামো হিসেবে গড়ে তুলতে চান, যা জাতিসংঘের বাইরে স্বাধীনভাবে কাজ করবে।
বোর্ড অব পিসের সনদ অনুযায়ী, এই সংস্থার লক্ষ্য হলো বিশ্বের সংঘাতপীড়িত বা সংঘাত-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে ‘স্থিতিশীলতা, কার্যকর ও বৈধ শাসনব্যবস্থা এবং স্থায়ী শান্তি’ প্রতিষ্ঠা করা। তবে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো- ডনাল্ড ট্রাম্পকে আজীবনের জন্য বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করা বা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত ছাড়া অপসারণযোগ্য নন। এমনকি তিনি নিজেই উত্তরসূরি মনোনীত করার ক্ষমতাও রাখেন। ফলে ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সির মেয়াদ শেষ হলেও, বোর্ড অব পিস কার্যত মার্কিন প্রভাবেই থেকে যাবে।
সদস্য নির্বাচনের পূর্ণ ক্ষমতা চেয়ারম্যানের হাতে। প্রথম বছরে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থায়ন না করলে কোনো দেশ স্থায়ী সদস্য হতে পারবে না। ইতিমধ্যে জার্মানি, কানাডা, তুরস্ক, হাঙ্গেরিসহ ন্যাটোভুক্ত কয়েকটি দেশ আমন্ত্রণ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও আমন্ত্রণ বিবেচনা করছেন বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন। মধ্যপ্রাচ্যে মিশর ও জর্ডান, দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তান এবং লাতিন আমেরিকায় আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েও আমন্ত্রণ পেয়েছে। এরমধ্যে পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক, মিশর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বোর্ড অব পিসে যোগ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
বোর্ডের কার্যক্রম চেয়ারম্যান-কেন্দ্রিক। সদস্য রাষ্ট্রগুলো এজেন্ডা প্রস্তাব ও সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় সিদ্ধান্ত নিতে পারলেও, সব সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে চেয়ারম্যানের অনুমোদন প্রয়োজন। এমনকি সদস্য বহিষ্কারের ক্ষমতাও তার হাতে, যা কেবল দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে আটকে দেয়া সম্ভব।
ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার, সাবেক বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারসহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে যুক্ত করার খবরে বিতর্ক তৈরি হলেও, সনদ অনুযায়ী তারা ভোটাধিকারপ্রাপ্ত সদস্য নন। তারা বিভিন্ন উপকমিটিতে দায়িত্ব পালন করবেন।
জাতিসংঘের বিকল্প নাকি প্রতিদ্বন্দ্বী?
বোর্ড অব পিসের সনদের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, দীর্ঘস্থায়ী শান্তির জন্য ব্যর্থ প্রতিষ্ঠান ও প্রচলিত পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে আসার সাহস প্রয়োজন। জাতিসংঘের নাম সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও, ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের সমালোচনা বিবেচনায় এটি জাতিসংঘকেই ইঙ্গিত করছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ এলিয়াভ লিবলিখের মতে, এই সনদ জাতিসংঘের প্রতি অনাস্থারই বহিঃপ্রকাশ। তার ভাষায়, বোর্ড অব পিস যদি তার মূল ম্যান্ডেটের বাইরে গিয়ে কাজ শুরু করে, তবে তা সরাসরি জাতিসংঘের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামবে। অনেক দেশ এতে যোগ দিলে জাতিসংঘের ভূমিকা সত্যিই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।
সব মিলিয়ে, ট্রাম্পের বোর্ড অব পিস আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠার নতুন উদ্যোগ নাকি জাতিসংঘকে পাশ কাটিয়ে ক্ষমতার নতুন কেন্দ্র তৈরির চেষ্টা- এই প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়। তবে এর কাঠামো ও ক্ষমতার ভারসাম্য আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় নতুন বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে, তা নিশ্চিত।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এটি কি শান্তিমঞ্চ নাকি ‘সম্রাট’ ট্রাম্পের দরবার by জুলিয়ান বোরগার
গত নভেম্বরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব ২৮০৩ পাস হয় ১৩–০ ভোটে; রাশিয়া ও চীন ভোটদানে বিরত ছিল। এই প্রস্তাবের উদ্দেশ্য ছিল ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় গাজায় একটি যুদ্ধবিরতিকে জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া। ১৮ নভেম্বর ভোটের আগে আলোচনা ও প্রস্তাবের ভাষা—সবই ছিল গাজা সংকটকে কেন্দ্র করে।
কিন্তু এখন সামনে আসছে ভিন্ন বাস্তবতা। গাজাকে দুই বছরের জন্য একটি ট্রাম্প-নিয়ন্ত্রিত ‘বোর্ড’-এর হাতে তুলে দেওয়ার এই ধারণা জাতিসংঘের মৌলিক নীতির সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও উপনিবেশবিরোধিতার মতো নীতির সঙ্গে এর কোনো সামঞ্জস্য নেই। উপরন্তু, আধুনিক ইতিহাসে জাতিসংঘের কোনো শান্তিরক্ষা প্রস্তাব এতটা অস্পষ্ট আগে কখনো ছিল না।
তারপরও আরব বিশ্ব ও ইউরোপীয় দেশগুলো প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেয়। কারণ, ভাষায় অন্তত ভবিষ্যৎ সার্বভৌম ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের কথা উল্লেখ ছিল—যদিও তা ছিল মূলত প্রতীকী। কূটনীতিকদের যুক্তি ছিল, ট্রাম্পকে গাজা প্রশ্নে যুক্ত রাখার এটিই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত উপায়। কিন্তু মাত্র দুই মাসের মধ্যেই সেই আশার ভিত্তি ভেঙে পড়ে।
জাতীয় রাজধানীগুলোতে পাঠানো ‘বোর্ড অব পিস’-এর চার্টার বা সনদে গাজার নাম পর্যন্ত নেই। সেখানে বোর্ডকে একটি স্থায়ী বৈশ্বিক কাঠামো হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, যার কাজ হবে ‘বিশ্বজুড়ে শান্তি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা’। বলা হয়েছে, এটি হবে ‘বাস্তববাদী’, ‘ফলাফলমুখী’ এবং এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যা ‘ব্যর্থ হয়ে যাওয়া পদ্ধতি ও প্রতিষ্ঠান’ থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে। সনদে কোথাও বলা হয়নি এই ‘ব্যর্থ প্রতিষ্ঠান’ আসলে কোনগুলো। কিন্তু ইঙ্গিতটি স্পষ্ট—এটি সরাসরি জাতিসংঘের দিকেই ছোড়া।
ট্রাম্পের এই সনদের পুরো নথির বড় অংশজুড়ে আছে ক্লাবের নিয়মকানুন। সেখানে চেয়ারম্যান ডোনাল্ড ট্রাম্প সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। তিনিই সদস্য নির্বাচন করবেন, তিনিই বরখাস্ত করবেন, তিনিই ঠিক করবেন বোর্ড কখন বসবে ও কী নিয়ে আলোচনা হবে। এমনকি এককভাবে সিদ্ধান্ত বা প্রস্তাব জারি করার ক্ষমতাও তাঁর। নথিতে ‘চেয়ারম্যান’ শব্দটি এসেছে ৩৫ বার। এটাই ক্ষমতার ভারসাম্যের প্রকৃত চিত্র।
অন্য সদস্যদের অবস্থান অনিশ্চিত—যদি না তারা এক বিলিয়ন ডলার নগদ দিয়ে আজীবন সদস্যপদ কিনে নেয়। তাতেও ট্রাম্প চাইলে কাউকে বাদ দিতে পারবেন না—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের বৈষম্যমূলক কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে সমালোচিত। বিশেষ করে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো ক্ষমতার অপব্যবহার পরিষদকে কার্যত অচল করে রেখেছে। কিন্তু ‘বোর্ড অব পিস’ এই বৈষম্য দূর তো করেই না, বরং আরও নগ্ন এক ব্যবস্থা দাঁড় করায়—যেখানে সদস্যপদের স্থায়িত্ব কিনতে হয় অর্থ দিয়ে, আর ট্রাম্প একাই সর্বময় ভেটোর অধিকারী।
চার্টারে গাজার উল্লেখ না থাকলেও বোর্ডের অধীনে থাকবে একটি সাধারণ নির্বাহী বোর্ড, একটি গাজা নির্বাহী বোর্ড এবং ‘গাজার প্রশাসনের জন্য জাতীয় কমিটি’। এই কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তরেই কেবল ফিলিস্তিনিদের অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি থাকবে একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ), যার তত্ত্বাবধানে থাকবেন একজন মার্কিন মেজর জেনারেল।
তাত্ত্বিকভাবে এই কাঠামো যুদ্ধবিরতি কার্যকর ও পুনর্গঠনের সুযোগ দিতে পারে। কিন্তু বাস্তবে এর লক্ষ্য জাতিসংঘের ঐতিহ্যগত সংস্থাগুলোকে সরিয়ে দিয়ে যুদ্ধ-পরবর্তী অঞ্চলগুলোতে লাভভিত্তিক বেসরকারি উদ্যোগ বসানো বলেই মনে হচ্ছে।
গাজায় বোর্ডের প্রস্তাবিত ‘হাই রিপ্রেজেনটেটিভ’ নিকোলাই ম্লাদেনভ একজন অভিজ্ঞ জাতিসংঘ কূটনীতিক। কিন্তু স্টিভ উইটকফ, জ্যারেড কুশনারসহ বিভিন্ন বিলিয়নিয়ার ও ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর চাপে তাঁর পক্ষে জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় ভূমিকা ধরে রাখা কঠিন হবে।
বাস্তবে গাজার বোর্ডের কাঠামো শিগগির কার্যকর হবে বলেও মনে হয় না। কারণ, ইসরায়েল সরকার যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের যেকোনো পদক্ষেপের বিরোধিতা করছে—যে ধাপে ফিলিস্তিনি শাসন গাজায় ফিরতে পারে বা অন্য কোনো দেশ ভূমিকা পেতে পারে। উদাহরণ হিসেবে আইএসএফে তুরস্ক বা কাতারের অংশগ্রহণও তারা নাকচ করতে চায়।
এই ঝুলে থাকা অবস্থা ইসরায়েলের জন্য সুবিধাজনক। তারা জিম্মিদের ফিরিয়ে এনেছে, জাতিসংঘের সংস্থাগুলো গাজা থেকে সরানো হচ্ছে, অথচ পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের খরচ ছাড়াই তারা যেকোনো সময় হামলার সুযোগ রাখছে।
কিন্তু ২০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনির জন্য এটি এক অসহনীয় নরকযন্ত্রণা। তাঁদের সামনে এখনো অবিরাম বোমাবর্ষণের আশঙ্কা এবং খোলা আকাশের নিচে বা অস্থায়ী তাঁবুতে জীবন।
ভ্লাদিমির পুতিনের মতো নেতাকে সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা কোনো ‘বোর্ড অব পিস’ ইউক্রেনে রক্তপাত থামাতে পারবে—এমন আশা করাও অবাস্তব। এই বোর্ডের সবচেয়ে সম্ভাব্য পরিণতি হলো, এটি ট্রাম্পের আত্মপ্রচারমূলক এক প্রকল্প হয়ে থাকবে।
* জুলিয়ান বোরগার, দ্য গার্ডিয়ান-এর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও বিশ্লেষক
- দ্য গার্ডিয়ান থেকে নেওয়া, ইংরেজি থেকে অনুবাদ সারফুদ্দিন আহমেদ
![]() |
| যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দাভোসে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প কতগুলো মিথ্যা বলেছেন
বক্তব্যে গ্রিনল্যান্ডের ইতিহাস বিকৃত করে কথা বলেছেন ট্রাম্প। তিনি পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোকে আক্রমণ করেছেন এবং অর্থনীতি ও নিজের রেকর্ড নিয়ে পুরোনো কিছু মিথ্যা তথ্যের পুনরাবৃত্তি করেছেন।
এখানে ট্রাম্পের বক্তব্যের তথ্য-যাচাই তুলে ধরা হলো।
ট্রাম্প যা বলেছেন
‘যুদ্ধের পর আমরা ডেনমার্কের কাছে গ্রিনল্যান্ড দ্বীপটি ফিরিয়ে দিয়েছিলাম। এটি অত্যন্ত বোকামি ছিল; কিন্তু আমরা তা করেছি। আমরা এটি ফিরিয়ে দিয়েছি।’
ট্রাম্পের এ বক্তব্য বিভ্রান্তিকর। এখানে তিনি সম্ভবত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তির কথা বোঝাচ্ছিলেন; কিন্তু সেই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রকে গ্রিনল্যান্ডের ওপর সার্বভৌমত্ব বা নিয়ন্ত্রণ দেয়নি।
১৯৪১ সালে নাৎসিরা ডেনমার্ক আক্রমণের পর যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ডেনিশ রাষ্ট্রদূত এ চুক্তি করেন। চুক্তিতে গ্রিনল্যান্ডকে রক্ষার বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সেখানে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের অধিকার দেওয়া হয়।
স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির ইতিহাসের অধ্যাপক স্টিভেন প্রেস বলেন, ‘চুক্তিটি আইনিভাবে নড়বড়ে ছিল। কারণ, এতে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ডেনিশ রাষ্ট্রদূত ছাড়া ডেনমার্ক রাষ্ট্রের কোনো অংশগ্রহণ ছিল না। ওই রাষ্ট্রদূত মূলত একটি নির্বাসিত সরকার হিসেবে কাজ করছিলেন।’
কোপেনহেগেনের ডেনিশ ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের গবেষক মিকেল রুঞ্জ ওলেসেন বলেছেন, ওই রাষ্ট্রদূত একতরফাভাবে চুক্তিটি করলেও তিনি নিশ্চিতভাবেই দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করেননি। তিনি শুধু সেখানে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের অধিকার দিয়েছিলেন।
চুক্তিতে গ্রিনল্যান্ডের ওপর ডেনমার্কের সার্বভৌমত্বের কথা একাধিকবার উল্লেখ আছে। সেখানে ডেনমার্ককে দ্বীপটির মাতৃভূমি বলা হয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সরকার গ্রিনল্যান্ডের ওপর ডেনমার্কের সার্বভৌমত্বের প্রতি স্বীকৃতি ও সম্মানের কথা পুনর্ব্যক্ত করছে।
ওলেসেন আরও বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড দখল করার সিদ্ধান্ত নিলে ডেনমার্কের কিছুই করার থাকত না; কিন্তু এর কোনো আইনি ভিত্তি থাকত না।
অধ্যাপক স্টিভেন প্রেস বলেন, ‘ট্রাম্পের বক্তব্য তখনই সঠিক বলে গণ্য হতো, ‘যদি আমরা আন্তর্জাতিক চুক্তি বা জনমতের চেয়ে নিছক পেশিশক্তিকেই সার্বভৌমত্বের প্রধান মাপকাঠি হিসেবে বিশ্বাস করতাম।’
কিন্তু অধ্যাপক প্রেস বলেন, ‘জোর যার মুল্লুক তার—এমন পেশিশক্তির রাজনীতির বাইরে গ্রিনল্যান্ড দখল করা কিংবা এর ওপর সার্বভৌমত্ব দাবি করার কোনো আইনি অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের ছিল না।’
১৯৫১ সালেও তৎকালীন ট্রুম্যান প্রশাসন গ্রিনল্যান্ড কেনার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে একটি সামরিক চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র আবার দ্বীপটির ওপর ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে বাধ্য হয়, যার বিনিময়ে তারা সেখানে কেবল সামরিক ঘাঁটি তৈরির সুযোগ পায়।
অধ্যাপক প্রেস বলেন, গ্রিনল্যান্ডের ওপর ডেনমার্কের সার্বভৌমত্বই সেখানে অতীত ও বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির আইনি ভিত্তি দিয়েছে।
ট্রাম্প যা বলেছেন
‘আমি (ক্ষমতায়) আসার আগ পর্যন্ত ন্যাটোর সদস্যদেশগুলোর (প্রতিরক্ষা খাতে জিডিপির) ২ শতাংশ ব্যয় করার কথা ছিল; কিন্তু তারা তা করত না। এমনকি বেশির ভাগ দেশ কোনো অর্থ ব্যয় করত না। বলতে গেলে ন্যাটোর শতভাগ ব্যয় যুক্তরাষ্ট্রকেই বহন করতে হতো। আমি সেটি বন্ধ করেছি। আমি বলেছি, এটা অন্যায্য। তবে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, আমি ন্যাটোর দেশগুলোকে ৫ শতাংশ ব্যয় করতে রাজি করিয়েছি এবং এখন তারা তা দিচ্ছে।’
ট্রাম্পের এই দাবিও বিভ্রান্তিকর। কয়েক বছর ধরেই তিনি ন্যাটোর সদস্যদেশগুলোর সামরিক ব্যয়ের বিষয়টি ভুলভাবে উপস্থাপন করে আসছেন। মূলত সদস্যদেশগুলো তাদের জাতীয় আয়ের ভিত্তিতে সরাসরি এই জোটে অর্থ দিয়ে থাকে। এ ছাড়া দেশগুলো তাদের জিডিপির একটি নির্দিষ্ট অংশ নিজেদের সামরিক খাতে ব্যয় করতেও রাজি আছে।
প্রথম মেয়াদে ট্রাম্পের চাপের কারণে ন্যাটোর সাধারণ তহবিলে যুক্তরাষ্ট্রের অবদান কিছুটা কমেছে। আগে এই জোটের কেন্দ্রীয় বাজেটের প্রায় ২২ শতাংশ দিত যুক্তরাষ্ট্র, যা ২০১৯ সালে ১৬ শতাংশে এবং এই মাসে ১৫ শতাংশে নেমে এসেছে।
২০১৪ সালে ন্যাটোর সদস্যদেশগুলো পরবর্তী ১০ বছরের মধ্যে তাদের সামরিক ব্যয় জিডিপির ২ শতাংশে উন্নীত করার অঙ্গীকার করেছিল। ২০১৬ সালে ৩০টির বেশি দেশের মধ্যে মাত্র চারটি দেশ এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করেছিল। ২০২০ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় আটটিতে।
তবে ২০২৪ সালে ১৮টি এবং ২০২৫ সালের মধ্যে ৩১টি দেশ এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে। ন্যাটো কর্মকর্তারা সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির জন্য ট্রাম্পকে কিছুটা কৃতিত্ব দিলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণই দেশগুলোকে ব্যয় বাড়াতে বেশি বাধ্য করেছে।
এ ছাড়া গত বছর ট্রাম্পের জোরাজুরিতে ২০৩৫ সালের মধ্যে সামরিক ব্যয় ৫ শতাংশে উন্নীত করতে সদস্যদেশগুলো সম্মত হলেও ২০২৫ সালের শেষ পর্যন্ত কোনো দেশই সেই লক্ষ্যমাত্রা স্পর্শ করতে পারেনি।
ট্রাম্প যা বলেছেন
‘ইউরোপকে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং এখন রাশিয়ার কবল থেকে রক্ষা করা ছাড়া ন্যাটোর কাছ থেকে আমরা কিছুই পাইনি।’
এটি মিথ্যা। ন্যাটো তাদের ইতিহাসে মাত্র একবারই ‘পারস্পরিক প্রতিরক্ষা ধারা’ (আর্টিকেল ৫) কার্যকর করেছিল, আর তা ছিল যুক্তরাষ্ট্রে নাইন ইলেভেন হামলার পর।
ন্যাটোর আর্টিকেল ৫ অনুযায়ী, কোনো একটি সদস্যদেশের ওপর আক্রমণের অর্থ তা জোটের সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হয়। এই ধারার অধীন ন্যাটোর মিত্রদেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে’ সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমায় রাডার বিমান মোতায়েন থেকে শুরু করে ভূমধ্যসাগরে নৌবাহিনীর টহল—সবখানেই মিত্ররা পাশে ছিল।
আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে যুদ্ধ করতে মিত্র দেশগুলো হাজার হাজার সেনা পাঠিয়েছিল। শুধু ডেনমার্কই ১৮ হাজার সেনা পাঠিয়েছিল, যাদের মধ্যে ২০০২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে ৪৩ জন নিহত হন।
ট্রাম্পের অন্যান্য মিথ্যা দাবি
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও কিছু ভুল ও ভিত্তিহীন দাবি করেছেন, যা ইতিপূর্বে নিউইয়র্ক টাইমস যাচাই করেছে—
১. ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি ১৮ ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ নিয়ে এসেছেন, যা সত্য নয়। প্রকৃতপক্ষে এই অঙ্ক তাঁর নিজের হোয়াইট হাউসের হিসাবের চেয়েও দ্বিগুণ এবং এর বড় অংশই কেবল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাধারণ ‘প্রতিশ্রুতি’, যা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।
২. ট্রাম্প দাবি করেছেন, গত গ্রীষ্মে তাঁর স্বাক্ষরিত রিপাবলিকান কর ও অভ্যন্তরীণ নীতি বিলে ‘সামাজিক নিরাপত্তার ওপর কোনো কর রাখা হয়নি’। এটি বিভ্রান্তিকর। কারণ, ওই আইনের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা আয়ের ওপর কর কিছুটা কমানো হলেও তা পুরোপুরি বিলুপ্ত করা হয়নি।
৩. ট্রাম্পের দাবি, চীনে কোনো বায়ুকল নেই। অথচ বাস্তবতা হলো, বর্তমানে বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে চীনের সবচেয়ে বেশি বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে।
৪. জো বাইডেনের প্রশাসন ইউক্রেনকে ৩৫০ বিলিয়ন ডলার দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। তবে সরকারি ও স্বতন্ত্র বিভিন্ন সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, প্রকৃত অঙ্কটি ট্রাম্পের দাবি করা অর্থের প্রায় অর্ধেক।
৫. ট্রাম্প বিশ্বজুড়ে আটটি যুদ্ধ থামিয়েছেন বলে দাবি করেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে এবং অন্যগুলোতে এখনো যুদ্ধ থামেনি।
৬. ট্রাম্প দাবি করেন, বাজারে মুদিপণ্যের দাম ‘কমে আসছে’। অথচ বাস্তবে এখনো নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী।
৭. ট্রাম্প বলেছেন, ওষুধের দাম ৫০০ থেকে ৮০০ শতাংশ এমনকি ২০০০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। সরকারি ও স্বতন্ত্র পরিসংখ্যান বলছে, ওষুধের দাম উল্টো বেড়েছে।
৮. বাইডেন প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে ১১ হাজার ৮৮৮ জন খুনিকে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে বলে ট্রাম্প দাবি করেছেন। তাঁর এ দাবি ভুল ও বিভ্রান্তিকর। এই সংখ্যার মধ্যে এমন অভিবাসীও রয়েছেন, যাঁরা ৪০ বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে দেশটিতে ঢুকেছেন।
৯. কোনো প্রমাণ ছাড়াই ট্রাম্প দাবি করেছেন, জাহাজে তাঁর সামরিক হামলার ফলে সমুদ্রপথে মাদক পাচার ৯৭ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। তথ্য ও বিশেষজ্ঞদের মতে, এমনটি ঘটার কোনো আশঙ্কা নেই।
![]() |
| সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে বক্তব্য দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্রিনল্যান্ড দখলে বিরোধিতা করায় ইউরোপের ৮ দেশের ওপর শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের
স্থানীয় সময় শনিবার নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’–এ দেওয়া এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস ও ফিনল্যান্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো সব ধরনের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে। আর আগামী ১ জুন থেকে এই হার বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে।
ট্রাম্প আরও বলেন, কয়েক শতাব্দী পর এখন (গ্রিনল্যান্ড) ফেরত দেওয়ার সময় এসেছে ডেনমার্কের। বিশ্বশান্তি ঝুঁকির মুখে! চীন গ্রিনল্যান্ড নিতে চায়, কিন্তু ডেনমার্ক এ বিষয়ে কিছুই করতে পারবে না।
ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস ও ফিনল্যান্ড ‘অজ্ঞাত উদ্দেশ্যে গ্রিনল্যান্ডে গেছে’। তারা ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি খেলা’ খেলছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, এই সম্ভাব্য বিপজ্জনক পরিস্থিতির দ্রুত এবং কোনো প্রশ্ন ছাড়াই অবসান ঘটাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এর আগে শুক্রবার হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কোনো দেশ তাঁর অবস্থানের সঙ্গে একমত না হলে তিনি তাদের ওপর শুল্ক আরোপ করতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য গ্রিনল্যান্ড খুব জরুরি।
গ্রিনল্যান্ডের জনসংখ্যা কম হলেও দ্বীপটি প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ। উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিক অঞ্চলের মধ্যে এর অবস্থান হওয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ক্ষেত্রে প্রাথমিক সতর্কীকরণ ব্যবস্থা স্থাপনে এবং ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচলের ওপর নজরদারি করতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
| মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুক। ফাইল ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোটেলে যৌন ব্যবসা: ভারতীয় বংশোদ্ভূত দম্পতিসহ গ্রেপ্তার ৫
আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের মে মাস থেকে কোশা শর্মা, যিনি ‘মা’ বা ‘মামা কে’ নামে পরিচিত এবং তার স্বামী তরুণ শর্মা, যিনি ‘পপ’ বা ‘পা’ নামে পরিচিত তারা কোশা এলএলসি নামের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মোটেলটি ইজারা নিয়ে পরিচালনা করছিলেন।
ফৌজদারি অভিযোগে বলা হয়েছে, এই দম্পতি মোটেলের ভেতর একটি যৌন ও মাদক চক্রকে অবাধে কার্যক্রম চালাতে দিয়েছিলেন এবং অবৈধ আয় থেকে নির্দিষ্ট অংশ নিজেরা নিতেন। পুলিশ জানায়, কোশা শর্মা মাদক ও যৌনকর্মী খোঁজা ব্যক্তিদের তৃতীয় তলায় পাঠাতেন এবং পুলিশ এলে তাদের সতর্ক করে দিতেন, যাতে কর্মকর্তারা কক্ষে ঢুকতে না পারেন।
এই অভিযানে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন ৫১ বছর বয়সী মার্গো পিয়ার্স, ৪০ বছর বয়সী জোশুয়া রেডিক এবং ৩৩ বছর বয়সী রাশার্ড স্মিথ। তারা সবাই এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আদালতের নথিতে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের মে থেকে আগস্টের মধ্যে প্রিন্স উইলিয়াম কাউন্টি পুলিশ ও এফবিআইয়ের গোপন এজেন্টরা যৌনকর্মী, দালাল ও ক্রেতা সেজে অন্তত নয়বার ওই মোটেলে গিয়েছিলেন। নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অন্তত আটজন নারীকে ওই মোটেলে যৌনকর্মে বাধ্য করা হতো।
স্মিথসহ কয়েকজন ব্যক্তি তাদের দিয়ে যৌনকর্ম করিয়ে প্রতি ঘটনার জন্য ৮০ থেকে ১৫০ ডলার আদায় করতেন। নারীদের মোটেল ছাড়তে দেয়া হতো না এবং তাদের শারীরিক নির্যাতনও করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
একই সময়ে গোপন এজেন্টরা মোটেলে ১৫ বার মাদক কেনার অভিযান চালান। এর মধ্যে ১১ বার ফেন্টানিল এবং চারবার কোকেন সরবরাহ করা হয়। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মার্গো ওয়ালডন পিয়ার্স, যিনি মার্কো নামে পরিচিত, এই ১৫টি লেনদেনেই অবৈধ মাদক সরবরাহ করেছেন। পুলিশ জানায়, পাঁচ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ফেন্টানিলসহ নিয়ন্ত্রিত মাদক বিতরণের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের ন্যূনতম ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সাজা নির্দেশিকা ও অন্যান্য আইনগত বিষয় বিবেচনা করে ফেডারেল জেলা আদালতের বিচারক চূড়ান্ত সাজা নির্ধারণ করবেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভিক্ষা করে তিনটি বাড়ির মালিক, রয়েছে প্রাইভেট কারও
ওই ব্যক্তির নাম মঙ্গিলাল। তিনি একজন কোটিপতি শারীরিক প্রতিবন্ধী। তাঁর তিনটি বাড়ি আছে। এর মধ্যে একটি সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া। আরও আছে একটি মারুতি সুজুকি গাড়ি ও তিনটি অটোরিকশা।
সম্প্রতি ইন্দোরে নারী ও শিশু উন্নয়ন বিভাগের ভিক্ষুকবিরোধী অভিযানের সময় মঙ্গিলাল সম্পর্কে এ তথ্য জানা যায়। গত শনিবার গভীর রাতে অভিযানকারী দল মঙ্গিলালকে তুলে নিয়ে যায়। একজন কুষ্ঠরোগী ওই এলাকায় নিয়মিত ভিক্ষা করছেন, এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানকারী দল মনে করেছিল, এটি অন্যান্য সাধারণ অভিযানের মতো হবে। কিন্তু পরে তারা মঙ্গিলাল সম্পর্কে চমকপ্রদ সব তথ্য জানতে পারে।
দীর্ঘদিন মঙ্গিলাল কোনো কথা না বলেই সাহায্য চাওয়ার কৌশল আয়ত্ত করেন। তিনি কখনো সরাসরি কিছু চাইতেন না। লোহার গাড়িতে বসে থাকতেন। মানুষ তাঁর এ অবস্থা দেখে সহানুভূতিশীল হয়ে যে যা খুশি দান করতেন। প্রতিদিন ভিক্ষা করে ৪০০ থেকে ৫০০ রুপি পেতেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মঙ্গিলালের আসল ‘ব্যবসা’ শুরু হতো সন্ধ্যার পর।
জিজ্ঞাসাবাদে মঙ্গিলাল জানিয়েছেন, ভিক্ষার অর্থ তিনি খরচ করতেন না। বরং ওই অর্থ বিনিয়োগ করতেন। তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের এক দিন বা এক সপ্তাহের জন্য সুদে অর্থ ধার দিতেন। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর নিজেই সুদের অর্থ সংগ্রহ করতেন।
সরকারি কর্মকর্তাদের হিসাব অনুযায়ী, তিনি প্রায় চার–পাঁচ লাখ টাকা ঋণ দিয়েছেন। যেখান থেকে তিনি সুদসহ দৈনিক এক থেকে দুই হাজার রুপি আয় করতেন।
ওই ব্যক্তিকে একসময় কপর্দকহীন মনে করা হতো। কিন্তু দেখা গেল, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তিনটি বাড়ির মালিক তিনি, যার মধ্যে একটি তিনতলা ভবন রয়েছে।
এ ছাড়া মঙ্গিলালের তিনটি অটোরিকশা রয়েছে, যা তিনি দৈনিক ভিত্তিতে ভাড়া দেন। শুধু তা–ই নয়, তাঁর মারুতি সুজুকি ব্র্যান্ডের একটি ব্যক্তিগত গাড়ি আছে, যেটিও ভাড়া দেওয়া হয়।
প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে প্রধানমন্ত্রীর আবাস প্রকল্পের আওতায় মঙ্গিলালের একটি বাড়ি রয়েছে। যেখানে একটি শয়নকক্ষ, বসার ঘর ও রান্নাঘর রয়েছে। যদিও আগেই তাঁর একাধিক সম্পত্তি ছিল।
উদ্ধার অভিযানে পরিচালনা করেছেন নারী ও শিশু উন্নয়ন বিভাগের কর্মকর্তা দিনেশ মিশ্র। তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গিলালকে উজ্জয়নের সেবাধাম আশ্রমে স্থানান্তর করা হয়েছে। তাঁর ব্যাংক হিসাব ও সম্পত্তি তদন্তের আওতায় রয়েছে। যেসব ব্যবসায়ী তাঁর কাছ থেকে ঋণ নিয়েছেন, তাঁদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
দিনেশ মিশ্র বলেন, মঙ্গিলাল ২০২১ সাল থেকে ভিক্ষা করছেন। বর্তমানে তাঁকে একটি আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। তাঁর সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সব তথ্য প্রতিবেদন আকারে প্রস্তুত করে কালেক্টরের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারি এক জরিপে উল্লেখ করা হয়, ইন্দোরে প্রায় ৬ হাজার ৫০০ ভিক্ষুক রয়েছেন, যাঁদের চিহ্নিত করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৫০০ ভিক্ষুককে বোঝানোর পর তাঁরা ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে দিয়েছেন। ১ হাজার ৬০০ জনকে উদ্ধার করে পুনর্বাসনকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া ১৭২টি শিশুকে স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে।
![]() |
| মঙ্গিলাল নামের এই ব্যক্তি ভিক্ষা করে গাড়ি–বাড়ির মালিক হয়েছেন। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মান্নাকে দেখতে গেলেন মির্জা ফখরুল
গত রোববার মান্নাকে দেখতে যান মির্জা ফখরুল। তিনি মান্নার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। রাত ১০টার দিকে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
মান্না বুকে ব্যথা নিয়ে গত শুক্রবার রাতে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। পরদিন শনিবার সকালে হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইরতিকা রহমান প্রথম আলোকে বলেছিলেন, শুক্রবার রাতে মান্না হাসপাতালে আসেন। তাঁকে কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি করা হয়। তিনি করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) আছেন। আপাতত তাঁর পরিস্থিতি স্থিতিশীল আছে।
এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন মান্না।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ ও ঢাকা-১৮ আসনে প্রার্থী হয়েছেন মান্না। তিনি বগুড়া-২ আসনে বিএনপির সমর্থন পেয়েছেন।
![]() |
| হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাহমুদুর রহমান মান্নাকে দেখতে গিয়েছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল রোববার। ছবি: বিএনপির ফেসবুক পেজ থেকে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলছে না বাংলাদেশ
আজ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর এ কথা বলেন আসিফ নজরুল। আইসিসি বাংলাদেশের ভেন্যু স্থানান্তরের অনুরোধ না রেখে সুবিচার করেনি উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, তারা সুবিচার করবে বলে আশা করছেন তিনি। ক্রিকেটারদের সঙ্গে কী আলাপ হয়েছে, তা অবশ্য খুলে বলেননি তিনি।
আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘আমাদের যে নিরাপত্তা ঝুঁকি ভারতে খেলার ক্ষেত্রে, সেই নিরাপত্তা ঝুঁকি পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন ঘটে নাই। আমাদের যেই নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, এটা কোনো বায়বীয় বিশ্লেষণ বা ধারণা থেকে হয় নাই। এটা একটা সত্যিকারের ঘটনা থেকে হয়েছে। যেখানে আমাদের দেশের একজন সেরা খেলোয়াড়কে, উগ্রবাদীদের কাছে মাথা নত করে, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাকে ভারত থেকে বের করে দিয়েছে—সোজা কথা, বের করে দিতে বলেছে।’
ক্রীড়া উপদেষ্টার পর সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের মতো চেষ্টা করে যাবো। আমরা এখনও হাল ছেড়ে দিচ্ছি না। আমরা আবার আজকে যোগাযোগ করব আরো কিছু জিনিস নিয়ে এবং চেষ্টা করে যাচ্ছি যেন আমাদের ছেলেরা বিশ্বকাপ খেলতে পারে। আমাদের একটাই চাহিদা, আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই। এই মুহূর্তে আমরা ভারতে যেতে চাই না, আমরা শ্রীলঙ্কার মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে চাই। আমরা এখনও তৈরি, আমাদের দল তৈরি আছে।’
গতকাল আইসিসির সভায় বিসিবি সভাপতিকে ভারতে না খেলার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য এক দিন সময় দেওয়া হয়েছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আজ চূড়ান্তভাবে ভারতে বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তে অটল থাকার কথা জানালেন ক্রীড়া উপদেষ্টা ও বিসিবি সভাপতি।
![]() |
| কথা বলছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। প্রথম আলো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানে বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা ৩১১৭
ইরানি কর্তৃপক্ষ এই বিক্ষোভকে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ধনে সৃষ্ট সহিংস দাঙ্গা ও সন্ত্রাসী ঘটনা হিসেবে নিন্দা জানিয়েছে। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রথম আনুষ্ঠানিক হিসেবে ইরানের ভেটেরান ও শহীদ ফাউন্ডেশন এক বিবৃতিতে জানায়, বিক্ষোভ চলাকালে মোট ৩১১৭ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ২৪২৭ জনকে ‘শহীদ’ ঘোষণা করা হয়েছে। বিবৃতিতে তাদের ‘নিরপরাধ’ ভুক্তভোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এই হিসাব পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অবস্থিত ইরানি দূতাবাসও এক্সে পোস্ট করে। সেখানে বিক্ষোভকে ‘বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ বলে বর্ণনা করা হয়।
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী আকবর পুরজামশিদিয়ান রাষ্ট্রীয় টিভিকে বলেন, যে ৬৯০ জন শহীদের নাম তালিকায় নেই, তারা সন্ত্রাসী, দাঙ্গাবাজ এবং সামরিক স্থাপনায় হামলাকারী। তিনি দাবি করেন, বিপুলসংখ্যক ‘শহীদ’-এর উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনী সংযম ও সহনশীলতা দেখিয়েছে।
বিক্ষোভে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি দেখাতে বুধবার তেহরান সিটি করপোরেশন সাংবাদিকদের একটি নিয়ন্ত্রিত সফরে রাজধানীর একটি বাস ডিপোর পার্কিং এলাকায় সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করানো ডজনখানেক পুড়ে যাওয়া বাস প্রদর্শন করে।
বিক্ষোভ আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত শাহের পুত্র রেজা পাহলভি। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত পাহলভি রাতভিত্তিক বিক্ষোভের আহ্বান জানান এবং ইরানে ফিরে আসতে প্রস্তুত বলেও ঘোষণা দেন। এক বিরল সাক্ষাৎকারে, সাবেক সম্রাজ্ঞী ফারাহ পাহলভি প্যারিসে নিজের বাসা থেকে এএফপিকে লিখিত জবাবে বলেন, এই বিক্ষোভের পর আর ফেরার কোনো পথ নেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দমনপীড়নের জবাবে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি, যদিও দ্রুত মার্কিন প্রতিক্রিয়ার প্রত্যাশা এখন অনেকটাই কমে এসেছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
-
▼
2026
(1269)
-
▼
January
(307)
-
▼
Jan 23
(10)
- ইরানের দিকে ‘যুদ্ধজাহাজের বহর’ পাঠানোর কথা জানালেন...
- ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ কি জাতিসংঘকে অকার্যকর করা...
- এটি কি শান্তিমঞ্চ নাকি ‘সম্রাট’ ট্রাম্পের দরবার by...
- দাভোসে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প কতগুলো মিথ্যা বলেছেন
- গ্রিনল্যান্ড দখলে বিরোধিতা করায় ইউরোপের ৮ দেশের ওপ...
- মোটেলে যৌন ব্যবসা: ভারতীয় বংশোদ্ভূত দম্পতিসহ গ্রেপ...
- ভিক্ষা করে তিনটি বাড়ির মালিক, রয়েছে প্রাইভেট কারও
- হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মান্নাকে দেখতে গেলেন মির্জা ফ...
- টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলছে না বাংলাদেশ
- ইরানে বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা ৩১১৭
-
▼
Jan 23
(10)
-
▼
January
(307)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





