Friday, March 2, 2018
কর্পোরেট দুনিয়া ছেড়ে বাংলাদেশী কৃষকের পাশে একজন আইরিশ

পালমার বলেন, ‘আমি যখন আরও তরুণ ছিলাম, তখন কর্পোরেট দুনিয়ার এই একঘেঁয়ে রুটিন থেকে বের হওয়ার স্বপ্ন দেখতাম। কোথাও খানিকটা জমি কিনে সেখানে স্থায়ী হয়ে একটা ভালো জীবন যাপনের স্বপ্ন দেখতাম।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই আকাক্সক্ষাও আজ মিলিয়ে গেছে হয়তো।’
তিনি বলেন, আমি বহুদিন ধরে প্রযুক্তি জগতে কাজ করছিলাম। এর মাঝেই ব্যবসা ব্যবস্থাপনার ওপর মাস্টার্স করে ফেলি। তখনই ভবিষ্যতে কোন এক সময় উন্নয়ন নিয়ে কাজ করার চিন্তা করি। এমবিএ পড়তে পড়তে আমি বুঝলাম, আমার অর্ধেক পড়াশোনার সঙ্গেই আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা শিক্ষার মিল রয়েছে। তাই আমি পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।
পালমার যে কোম্পানিতে কাজ করতেন, সেটি একসময় ভিন্ন ধরণের কাজ শুরু করলো। ফলে পালমার নিজের ক্যারিয়ারে পরিবর্তন আনার সুযোগ পেলেন। তিনি বলেন, ‘মূলধারার কাজ করা শেষ করে আমি উন্নয়ন খাতে কাজ করার সুযোগ খুঁজছিলাম। খুব দ্রুতই আবিষ্কার করলাম আমার কর্পোরেট অভিজ্ঞতা একেবারেই ফেলনা নয়। তবে আমি যেমনটা ভেবেছিলাম, ততটা চমৎকারও নয়।’
মাঠে কাজ করা একটা কর্পোরেট অফিসে কাজ করার চেয়ে অনেক কঠিন। এটা বোঝার পর মাইক মাঠ পর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য ডাবলিন ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংগঠন ভলান্টারি সার্ভিস ওভারসিস (ভিএসও)-এর আয়ারল্যান্ড শাখার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কোন সুযোগ থাকলে তাকে জানাতে বলেন। পালমার জানান, শেষ পর্যন্ত সুযোগ আসে। ভিএসও ২৪টি দেশে দারিদ্রতা মোচনের জন্য কাজ করে। বাংলাদেশ তার মধ্যে একটি। তার ভাষ্য, ‘আমি কখনও স্বপ্নেও ভাবিনি বাংলাদেশে কাজ করবো। কিন্তু যখন সুযোগ এল, আমি হ্যাঁ বলে দিলাম।’
২০১৬ সালের দিকে তিনি ভিএসও’র ‘গ্রোয়িং টুগেদার’ নামের একটি প্রকল্পে কাজ করছিলেন। ওই প্রোগ্রামে তাদের সহযোগী ছিল একটি সুইশ ক্রিষি-রাসায়নিক ও বীজ বিষয়ক কোম্পানী সিনজেন্টা। তাদের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের ১০ হাজার ক্ষুদ্র জোতদার কৃষকের জীবনমানে উন্নতি ঘটানো। পালমার বলেন, ‘আমি যখন প্রথম আসি, তখন ওই প্রকল্পটি সুন্দরবন অঞ্চলে কাজ করছিল।’ তিনি জানান, বঙ্গোপসাগরের কাছে অবস্থিত এই অঞ্চলটিতে হিমালয় থেকে নেমে আসা পানি মিশে মাটিকে লবণাক্ত করে ফেলেছে। ফলে এই মাটিতে আর ধান চাষ করা সম্ভব নয়।’ ফলে কৃষকরা তাদের ধান ক্ষেতগুলোকে মাছ চাষের পুকুরে পরিণত করেছে।
পালমার বলেন, ‘এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল কৃষিকাজে জড়িত নারীদের জন্য ব্যবসা মডেল দাঁড় করানো। যাতে করে তারা আয় করতে পারেন। শুধু আয় বৃদ্ধিই নয়, এতে করে নারীদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তৈরি হয়। তাদের অবস্থান দৃঢ় হয় । তাদের ভেতর আত্মবিশ্বাস জন্মায়।’ এখন পর্যন্ত এই প্রকল্পের আওতায়, বেশ কয়েকজন কৃষকের সবজি উৎপাদন ৮০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ বছর গ্রোয়িং টুগেদার রংপুরের ১০ হাজার কৃষি পরিবারকে নিয়ে কাজ করছে। এর মধ্যে আলু চাষীরা তাদের উৎপাদন গড়ে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। দাম বেড়েছে আরও বেশি। কৃষকরা পাচ্ছেন উন্নত প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কৃষকদের ৯০ শতাংশ বলছেন, তাদের আয় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
কৃষক কুটির বা কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে কৃষকরা বেসরকারি কোম্পানীর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। মাইক স্বীকার করেন, এক্ষেত্রে তার দক্ষতা মূলত এসেছে ব্যবসা খাতে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে, কৃষি খাত থেকে নয়।
তিনি বলেন, ‘এই মানুষগুলো কি করছে তা আমি দেখি। কীভাবে একে ব্যবসায়িক রূপ দেওয়া যায় সেই চিন্তা করি। যাতে করে আমরা একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে চরম দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষদের জন্য আর্থিক সহায়তা পেতে পারি। এর মাধ্যমে তাদের কৃষিকাজের পরিধি বৃদ্ধি পায়। আর তারা দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেতে পারে।’ পালমারের ভাষ্য, বাংলাদেশে বহু ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্টান ও ক্ষুদ্র ঋণ নেয়ার ব্যবস্থা থাকলেও তা প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী কৃষকদের ধরাছোাঁয়ার বাইরে। তিনি বলেন, ‘আমরা যেটা করতে পারছি, সেটা হলো, এই কৃষক ও ব্যাংকের মধ্যে একটা যোগাযোগ তৈরি করে দিই। তাদের কৃষিকাজকে একটি সফল ব্যবসায়িক প্রকল্প হিসেবে ব্যাংকের কাছে তুলে ধরি। এই কৃষিকখাতকে বাংলাদেশের জন্য সম্ভাব্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানিখাত হিসেবে তুলে ধরি।’
পালমার বর্তমানে ঢাকায় কাজ করছেন। তিনি ভিএসও’র পৃষ্ঠপোষকতায় থাকা উত্তরাঞ্চল-ভিত্তিক ৬টি ফার্ম সেন্টারের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি এসব ফার্ম সেন্টারকে কৃষকের খামার থেকে পণ্য সংগ্রহ করে ঢাকায় বা আঞ্চলিক বড় ব্যবসায়ীদের কাছে বাজারজাত করতে উৎসাহিত করছেন। তার ভাষ্য, ‘এক একরের দশভাগের একভাগ জমিতে কৃষিকাজ করে দারিদ্র্যপীড়িত উত্তরাঞ্চলের কৃষকেরা তাদের পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দিচ্ছেন। আর তারা এখন দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পাচ্ছে। তারা চেষ্টা করছে সমিতির মতো একতাবদ্ধ উপায়ে তাদের পণ্য বিক্রি করার। ফলে দেখে মনে হবে বড় একটি খামারের পণ্য এসব। এ কারণে বড় বড় ব্যবসায়ীরা এখন এই কৃষকদের কথা মাথায় রাখছেন। তারা এখন কৃষকদের পণ্যের ওপর নির্ভরশীল, কারণ উচ্চমানের এসব পণ্য উৎপাদন করা হয়েছে টেকসই উপায়ে ও সঠিক সুরক্ষা পদ্ধতি ব্যবহার করে। সবাই বুঝতে পারছেন আমরা এখন কৃষক ও ব্যবসায়ী উভয়ের জন্য ন্যায্য মূল্যে ভালো পণ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।’
চ্যালেঞ্জ
পালমারের বড় চ্যালেঞ্জ ছিল কৃষকদেরকে পণ্য ধীরে ধীরে বাজারে ছাড়ার ব্যাপারে রাজি করানো। বাংলাদেশে একটা প্রবনতা আছে যে, কৃষকরা তাদের পণ্য ধরে রাখেন। যখন অর্থের দরকার হয় তখন বিক্রি করেন। এছাড়া তারা মূল্য হারানোর ব্যাপারেও ভীত। পালমার বলেন, আমরা মেনে নিচ্ছি যে, এটা একটা বড় ভয়ের কারণ। কিন্তু আমরা ফার্ম সেন্টার ব্যবস্থাপকদের উদ্যোক্তাতে রূপান্তরিত করেছি। ফলে প্রতিদিন সকালে তারা প্রথমেই তাদের বাণিজ্যিক আংশীদারদের ফোন করছে। আমরা তাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করছি যে, আরেকটু ঝুঁকি নিলেই কিন্তু কৃষকের পণ্য বাজারে হাজির হবে। আমরা তাদেরকে পরিকল্পনা, প্রকল্প ও অনুমান করার ব্যাপারে শেখাচ্ছি। কিন্তু সমস্যা হলো, আপনি যদি দরিদ্র হন, তাহলে আপনি আজকের কথা আগে চিন্তা করবেন। কালকের কথা পরে। দুই সপ্তাহ বা দুই মাস বা দুই বছরের কথা চিন্তা করার অবস্থায় আপনি নেই।
তিনি আরও বলেন, আমরা এখন আশা করছি যে, আগামী ৫ বছরে ১ লাখ কৃষক এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হবে। আমরা এখন একটি ছোটখাঁটো প্রকল্প থেকে একটি নিবন্ধিত সামাজিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছি। পালমারের প্রত্যাশা, তার সঙ্গে থাকা প্রতিটি ফার্ম সেন্টারকে তিনি একটি লাভজনক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের শুধু লাভের আকাঙ্খাই থাকবে না। পাশাপাশি থাকবে সামাজিক দায়বদ্ধতা। ফলে ফার্ম সেন্টারের সঙ্গে থাকবে কমিউনিটি সেন্টার যেখানে থাকবে স্বাস্থ্য ক্লিনিক। থাকবে ইয়ুথ ক্লাব। এগুলোর ব্যবস্থাপনায় থাকবেন স্থানীয় জনগণ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সোমার বিষয়ে ঢাকায় তদন্ত শুরু অস্ট্রেলিয়ান পুলিশের

গত ৯ই ফেব্রুয়ারি অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে রগার সিঙ্গারাভেলু নামে এক ব্যক্তির ওপর ছুরি নিয়ে হামলা চালায় মোমেনা সোমা।
এরপর তাকে গ্রেপ্তার করে সেই দেশের পুলিশ। পুলিশের ধারণা, আইএসে অনুপ্রাণিত হয়ে এই হামলা চালিয়েছে মোমেনা।
অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি নারী জঙ্গি ধরা পড়ার পর তোলপাড় সৃষ্টি হলে ঢাকার সিটিটিসির কর্মকর্তরা গত ১১ই ফেব্রুয়ারি রাতে মিরপুর থানাধীন পূর্ব কাজীপাড়ার ৩৫৫/১ নম্বর মোমেনার বাসায় যায়। সেখানে তার পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। এক পর্যায়ে সিটিটিসির এক কর্মকর্তার ওপর ছুরি নিয়ে আক্রমণ চালায় মোমেনার বোন সুমনা। পরে তার বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করে। পুলিশ তাকে আদালতে হাজির করলে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বিষয়টি জানার জন্য যোগাযোগ করা হলে ঢাকা মহানগর কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের ডিসি মো. মহিবুল ইসলাম খান গতকাল বিকালে মানবজমিনকে জানান, মোমেনার বিষয়ে তদন্ত করার জন্য অস্ট্রেলিয়া পুলিশের দুই সদস্যের দল ঢাকায় এসেছে। তাদের সঙ্গে আমাদের মত বিনিময় হয়েছে। আমরা মোমেনার বিষয়ে তাদের তথ্য দিয়েছি। মোমেনা কিভাবে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হয়েছে তা আমাদের কাছে তারা জানতে চেয়েছিল। আমরা তাদের বলেছি, মোমেনা অন্যের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে জঙ্গিবাদে লিপ্ত হয়েছে। তিনি আরো জানান, আমরা অস্ট্রেলিয়া গিয়ে মোমেনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবো বলে জানিয়েছি। তার কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা করা হবে কিভাবে নতুন ধারার জঙ্গিবাদের সঙ্গে মোমেনা জড়িত হয়েছে।
সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগেই জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ে দুই বোন। প্রথমে বড় বোন মোমেনা সোমা ও পরবর্তী সময়ে বড় বোনের হাত ধরে ছোট বোন সুমনাও জঙ্গিবাদে জড়িয়েছে। তাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট বা আইএসে যোগ দেয়া একাধিক বাংলাদেশি জঙ্গির যোগাযোগ ছিল। নজিবুল্লাহ আনসারী নামে এক মেরিন ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে মোমেনা সোমার বিয়ের কথা ঠিক হয়েছিল। নজিবুল্লাহ সিরিয়ায় চলে যাওয়ার পর তার আর কোনো খোঁজ নেই। সিরিয়ায় যাওয়া আরেক আইএস জঙ্গি গাজী সোহানের সঙ্গেও মোমেনা আর সুমনার যোগাযোগ ছিল।
সূত্র জানায়, ২০১২ সালে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে সম্মান শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই বদলে যেতে থাকে মোমেনা সোমা। ২০১৩-২০১৪ সালে সে পুরোপুরি জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ে। ২০১৪ সালেই তার সঙ্গে নজিবুল্লাহ আনসারী ও গাজী সোহানের সঙ্গে পরিচয় হয়। তখন ইসলামিক স্টেটে যোগ দেয়ার জন্য ও কথিত জিহাদের জন্য যোদ্ধা পাঠাতে সক্রিয় ছিল একটি গ্রুপ। তাদের অনেকের সঙ্গেই মোমেনা সোমার যোগাযোগ রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
সূত্র জানায়, মোমেনা ও নজিবুল্লাহ আনসারী একে অপরকে পছন্দ করতো। তাদের মধ্যে সম্পর্কও ছিল। দু’জনে একসঙ্গে সিরিয়ায় যেতে চেয়েছিল। কিন্তু, তাদের বিয়েতে অমত দেয় পরিবার। পরবর্তী সময়ে নজিবুল্লাহ সিরিয়ায় চলে গেলে মোমেনা সোমাও সেখানে যেতে মরিয়া হয়ে ওঠে। এমনকি ঢাকায় পরিবারের পক্ষ থেকে যখন তার বিয়ের কথা হয়, তখনও পাত্রপক্ষকে বিয়ের শর্ত হিসেবে মুসলিম কোনো দেশে নিয়ে যাওয়ার শর্তজুড়ে দিয়েছিল মোমেনা।
সূত্র জানায়, মোমেনা সোমার সঙ্গে তার এক ফুফাত ভাইয়ের বিয়ের কথা হয়েছিল। তাকেও সে একই কথা বলেছে। এমনকি পাত্রপক্ষের জন্য তার যে জীবনবৃত্তান্ত তৈরি করা হয়েছিল সেখানেও শর্ত হিসেবে বিয়ের পর তাকে কোনো একটি মুসলিম দেশে নিয়ে যাওয়ার কথা লেখা ছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভোট, প্লাস না মাইনাস খালেদা? by সাজেদুল হক

কিন্তু বৃহস্পতিবার তোফায়েল আহমেদের দেয়া বক্তব্য কিছুটা আলাদা। বাংলাদেশে সব দলকে নির্বাচনে আনতে অনেকটা খোলাখুলিভাবেই মার্শা বার্নিকাটকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মার্কিন রাষ্ট্রদূত এ ব্যাপারে পরিষ্কার কিছু না বলে নির্বিঘ্নে রাজনৈতক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেছেন।
কেমন হবে বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন।
ডিসেম্বর নির্বাচনের মডেল হবে কী? দীর্ঘদিন ধরেই এ আলোচনা চলে আসছে। তবে ইদানীং সবচেয়ে জোরালো প্রশ্ন হচ্ছে আগামী নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া অংশ নিতে পারবেন কি-না? জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় নিম্ন আদালতের রায়ের পর সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি পারবেন না সেটা আদালত ও নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে। অন্যদিকে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, আদালত যেভাবে সিদ্ধান্ত দেবে নির্বাচন কমিশন সেভাবে কাজ করবে। যদিও পরে তিনি আগাম রায় দিয়েছেন, বর্তমান অবস্থায় খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। তার এ বক্তব্য নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কারণ, বর্তমান সংসদে অন্তত দুই জন সদস্য রয়েছেন, দুর্নীতির মামলায় কারাদ- মাথায় নিয়ে তারা সংসদ সদস্যপদ বহাল রেখেছেন। তাদের কারাদ-ের রায়ের ওপর উচ্চ আদালতের কোনো স্থগিতাদেশও নেই।
বিএনপির কোনো কোনো আইনজীবী মনে করেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আপিল নিষ্পত্তি ধারণার চেয়েও দ্রুত সময়ে হতে পারে। সে যাই হোক, ভোটের মাঠে এরইমধ্যে সরকারি দল প্রচারণা শুরু করে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাধিক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য রেখেছেন। দলটি নির্বাচন নিয়ে আনুষঙ্গিক কাজও এগিয়ে নিচ্ছে। আর খালেদা জিয়া বন্দি রয়েছেন নাজিমুদ্দিন রোডে। তার দল ব্যস্ত রয়েছে কোর্ট আর মামলা নিয়ে। এ পরিস্থিতিতে এখনো পর্যন্ত ভোটের মাঠে মাইনাসই রয়েছে বিএনপি।
সামনের দিনগুলোতে কী হবে? জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, সরকার বিএনপিকে নির্বাচনে চায় না। অন্যদিকে, সরকারি দলের একাধিক নেতা বলেছেন, সরকার বিএনপিকে নির্বাচনে চায়। যদিও তারা এটাও বলতে ভুলছেন না যে, আইনগত কারণে খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে না পারলে সরকারের কিছুই করার নেই।
খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর অনেক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমই বলেছে, বাংলাদেশে দ্বিদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। যদিও ঢাকার একজন পর্যবেক্ষক বলেছেন সে কথা বলার সময় এখনো আসেনি। আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করতে পশ্চিমা দেশগুলো এরইমধ্যে কিছু তৎপরতা শুরু করেছে। চীন ও ভারত দৃশ্যত নীরব রয়েছে। কে না জানে এখন এখানে প্রধান খেলোয়াড় কারা?
আগামী নির্বাচন, মাইনাস না প্লাস খালেদা? কে ঠিক করবে তা। আদালত না রাজনীতি। বাংলাদেশে অতীতে বহু রাজনৈতিক ইস্যুরই মীমাংসা হয়েছে আদালতে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মৃত্যু পরোয়ানার প্রাথমিক ঘোষণা আদালত থেকেই এসেছিল।
এবার কী হবে? দৃশ্যপট এখনো পুরো পরিষ্কার নয়। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আরো অনেক ঘটনা ঘটবে। তবে এবার নির্বাচনে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রেই চ্যালেঞ্জে পড়েছেন খালেদা জিয়া। তার জীবনে এমন চ্যালেঞ্জ আগে কখনো আসেনি। কী করবেন তিনি। নাজিমুদ্দিন রোডের নিঃসঙ্গ কারাবাসে বসে কী ভাবছেন।
বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ক্রমশ কলঙ্কিত হয়ে পড়ছে। ছোট পরিসরের ভোটেও লাগছে কলঙ্কের দাগ। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের ভোটেও কারচুপির অভিযোগ ওঠেছে। হাঙামা হয়েছে আইনজীবীদের ভোটেও। গণতন্ত্রে এ কিসের ছায়া?
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধরা পড়ে গেল টেরট বাবার কেরামতি

নিজের নাম ও ফোন নম্বর দিয়ে সাধারণ মানুষকে এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে হতো। এই নাম-পরিচয় অনুযায়ী ফেসবুকে সার্চ করে আগেই আগ্রহী শ্রোতার ব্যক্তিগত তথ্য জেনে নিতেন রাদবি রেজা। পরবর্তীকালে ওই ব্যক্তি যখন সমস্যা সমাধানের জন্য তার সঙ্গে দেখা করতে যেতেন তখন শুরুতেই তার বিভিন্ন তথ্য বলে দিতেন রাদবি রেজা। সহজ-সরল মানুষ এতেই ভক্ত হয়ে যান তার। এমনকি রাদবি রেজাকে অতি মানবীয়ও ব্যক্তি ভাবতে থাকেন অনেকে।
এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইউটিউবে জাদু দেখাতেন রাদবি রেজা। জাদু দেখিয়ে বলতেন, তিনি হাত দিয়ে জিন ধরতে পারেন। জিনকে বোতলে ভরতে পারেন। শুধু তাই না, মাথায় বাতি জ্বালানো, খালি হাতে মোমবাতি জ্বালানো দেখিয়ে দাবি করতেন, অতিমানবীয় ক্ষমতার অধিকারী তিনি। এই ক্ষমতা দিয়ে মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক সমস্যার সমাধান করতে পারেন। লটারি জেতাতে পারেন, খেলার আগাম ফলও বলতে পারেন। এমনকি সমস্যা সমাধানের নামে ক্যানসার, পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীদের চিকিৎসার নামে ডেকে নিতেন তার পরামর্শক প্রতিষ্ঠানে। শুধু পরামর্শ দিয়ে ২০ হাজার ৪০০ টাকা নিতেন রাদবি রেজা। এই টাকা পাঠাতে হতো অগ্রিম, বিকাশের মাধ্যমে।
শেষ পর্যন্ত ফেঁসে যান এক নারীর ভক্তের সঙ্গে প্রতারণা করে। ওই নারী বাদী হয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে ৫৭ ধারায় মামলা করেন তিনি। ওই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল ইসলাম জানান, ওই নারীর সাংসারিক সমস্যা সমাধানের জন্য তাকে ডাকেন রাদবি রেজা। তার সমস্যা সমাধানের জন্য স্বপ্নে পাওয়া মুক্তাসহ আতর, আংটির প্রয়োজন হবে বলে জানান রাদবি রেজা। এভাবে ছলচাতুরি করে ওই নারীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন রাদবি রেজা। তার সহযোগী ছিলেন আরজে কিবরিয়া সরকার।
ওই নারীর মামলায় গ্রেপ্তারের পর রাদবি রেজার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল বলেন, প্রতারণাসহ আরও অনেক অপরাধ করেছেন রাদবি রেজা। এছাড়াও ২০১২ সালের ১৪ই জানুয়ারি ২০টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ তাকে গ্রেপ্তার করেছিল শেরেবাংলানগর থানা-পুলিশ। জাহাঙ্গীর রেজা ওরফে রাদবি রেজার বাড়ি সুনামগঞ্জে। তিনি উচ্চশিক্ষা নিয়েছেন ইংল্যান্ডে। ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে এবিসি রেডিওতে প্যারানরমাল রিসার্চার হিসেবে যুক্ত হন রাদবি রেজা। রেডিও কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের জানান, প্রতারণার বিষয় ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাদবি রেজাকে ‘ডর’ অনুষ্ঠান থেকে বাদ দেওয়া হয়। ওই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে যুক্ত হতেন রাদবি রেজা। এছাড়া গত ডিসেম্বরে এবিসি রেডিও ছেড়ে অন্য রেডিওতে যোগ দিয়েছেন আরজে কিবরিয়া।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যবসায়ী খুন

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সোনারগাঁ পৌরসভার উত্তর ষোলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও সাবেক আমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য জাফর আলীর ছেলে সুলতান আহম্মেদের সাথে ফজর আলীর ছেলে বিসমিল্লাহ ডেকোরেটরের মালিক খোরশেদ আলমের সঙ্গে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এ বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার দুপুরে বাজার থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে বিরোধকৃত জমির পাশে খোরশেদ আলমকে একা পেয়ে সুলতান আহম্মেদের নেতৃত্বে তার ছেলে সিফাত, ফাহাদ ও ৫-৭জনের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা চাপাতি, চাইনিজ কুড়াল নিয়ে ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে ওই ব্যবসায়ীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে কুপিয়ে আহত করে।
এ সময় তার আত্মীয় স্বজনরা এগিয়ে এলে সোহাগ, সজিব, নুরুল ইসলাম ও সিরাজুলকেও কুপিয়ে আহত করে। আহতদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক খোরশেদ আলমকে মৃত ঘোষণা করে। আহতরা সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতের চাচাতো ভাই সোহাগ বলেন, ‘সুলতান মিয়া বিভিন্ন সময় দলিল জাল করে আমাদের জমি-জমা ও বাড়িঘর দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে আসছিল। তারা একটি জমি জোর করে দখলও নেয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে খোরশেদ আলম বাজার থেকে বাড়িতে ফেরার পথে জমির পাশের একটি বাগানে ওঁত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল দিয়ে তাকে কোপাতে থাকে। তার ডাক চিৎকারে এগিয়ে গেলে আমাদেরকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।’
নিহতের চাচা নুরুল ইসলাম জানান, সুলতান, তার দুই ছেলে ও ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা জমি সংক্রান্ত বিরোধে আমার ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা করে। এর আগেও বিরোধে সুলতান কক্সবাজারের একটি অস্ত্র মামলায় আমাদের নামের ভুয়া ওয়ারেন্ট বের করে হাজত বাস করায়। আমি আমার ভাতিজার হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবী করছি।
সোনারগাঁ থানার ওসি মোরশেদ আলম পিপিএম জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধে এ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য লাশ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারে কমছে ‘শ্রবণ শক্তি’ by সুদীপ অধিকারী

বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ডা. অসীম কুমার বিশ্বাস বলেন, মোবাইল ফোনে কথা বললে অবশ্যই কানে সমস্যা হতে পারে। তবে এটা নির্ভর করে মোবাইল ফোনে কথা বলার সময়ের ওপরে। তিনি বলেন, প্রতিদিনই আমাদের কাছে বিভিন্ন ধরনের রোগী আসে। যার মধ্যে বেশিরভাগ রোগীর বক্তব্য, তারা আগের তুলনায় কানে কম শোনেন। এর মধ্যে বেশিরভাগই এক কানের তুলনায় অন্য কানে কম শোনেন। অনেকেই আবার বলেন, আমি কানে আনইজি ফিল করছি। আর এই সবই হচ্ছে অতিরিক্ত মোবাইল ফোনে কথা বলার কারণে। দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইল ফোনে কথা বললে স্থায়ীভাবে শ্রবণ শক্তি হ্রাস পেতে পারে বলেও জানান এই চিকিৎসক। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, এই মোবাইল ফোনে কথা বলার কারণে শুধু যে মাথার ওপর প্রভাব পড়ছে তা নয়, এটা নারীদের গর্ভকালীন থাকার সময়ে বাচ্চার ওপরও প্রভাব ফেলে। প্যান্টের পকেটে মোবাইল ফোন রাখার জন্য পুরুষের শুক্রাণুর সংখ্যাও কমে যেতে পারে। মোবাইল নেটওয়ার্কের ক্ষতিকর রেডিয়েশনের ফলে বুক পকেটে রাখা মোবাইল ফোনে হতে পারে হার্টের সমস্যা। রেডিয়েশন থেকে বাঁচতে যতটা সম্ভব মোবাইল ফোন শরীর থেকে দূরে রাখা, গর্ভকালীন সময়ে দীর্ঘ সময় মোবাইলে কথা না বলা, শিশুদের কাছ থেকে ফোন যথাসম্ভব দূরে রাখাসহ নানা পরামর্শও দেন তিনি। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর ডিসেম্বর ২০১৭ তথ্য মতে জানা যায়, বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে ১৪ কোটি ৫ লাখ (১৪৫.১১৫ মিলিয়ন) মানুষই মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। এর মধ্যে প্রায় ৮ কোটি মানুষ ইন্টারনেট সুবিধাও ভোগ করছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকায় সমকামী ক্লাব by হাফিজ মুহাম্মদ

এমন একাধিক সমকামী সংগঠনের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এসব সংগঠন গোপনে চালাচ্ছে কার্যক্রম। কিছু এনজিও দিচ্ছে তাদের সহায়তা। ফেসবুক, টুইটার, ইমো, হোয়াটস অ্যাপসহ বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে এরা এখন সরব। সাংকেতিক কোড ব্যবহার করে বাড়াচ্ছে সদস্য সংখ্যা। আসল নাম বদলে এমনই একজন সমকামী সদস্য নিজের নাম রেখেছে ড্যানি। তার বেড়ে ওঠা জয়পুরহাটে। ছোটবেলা কাটে নিজ শহরে। ঢাকার প্রেস ক্লাবের সামনে একটি চায়ের দোকানে বসে কথা হচ্ছিল ড্যানির সঙ্গে। ড্যানি বলেন, ৮ম শ্রেণিতে তখন লেখাপড়া করি। আমার টান থাকার কথা মেয়েদের প্রতি। কিন্তু না। কেন জানি ছেলেদের কাছে টানতে মন চায়। তাদের সঙ্গ পেতে ইচ্ছে করে। একসময় এসএসসি পাস করে ভর্তি হই টেকনিক্যাল কলেজে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। এসময় আমি একজন পার্টনার খুঁজতে থাকি। সহসা পেয়েও যাই। এরপর আমাদের সম্পর্ক গভীর হতে থাকে। তারা উভয়ে এক সঙ্গে বসবাস করতে থাকেন। তাদের নিজেদের মতো শারীরিক চাহিদাও মেটান। গোপনে চারবছর তাদের সম্পর্ক চলে। একসময় তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরে। ভেঙে যায় দুজনের মনের লেন-দেন। ড্যানি বলেন, তখন কিছুটা হতাশায় পড়ে যাই। তবে তার সঙ্গে পরিচয় রয়েছে আরো একাধিক সমকামীর। ইতিমধ্যে ড্যানির ডিপ্লোমা কোর্স শেষ হলে স্থায়ীভাবে পড়াশুনার জন্য ঢাকায় চলে আসেন। রাজধানীতে এসে থেমে থাকেননি তিনি। নতুন পার্টনার খুঁজতে থাকেন। পাশাপাশি অস্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তোলেন একাধিকজনের সঙ্গে। ড্যানি বলেন, এরপর নিজের মনের মতো আরেকজন সঙ্গী পাই। চলতে থাকে সম্পর্ক। দুজন বন্ধু পরিচয়ে একটি বাসা ভাড়া নেন। সাধারণ মানুষ না জানলেও তাদের মধ্যে সব সম্পর্কই তখন চলছিল। ইতিমধ্যে ড্যানির পরিবার তার আচরণে টের পান তার মধ্যে এসব অস্বাভাবিকতা সম্পর্কে। কিন্তু কিসে কি হবে ততদিনে তিনি এ সম্পর্কে আসক্ত। তখন তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়। একসময় ড্যানি তার পার্টনারকে নিয়ে বাড়িতে গেলে পরিবারের কাছে সত্যিকার খোলাসা হয় বিষয়টি। জেনে যায় তার অন্ধকারের কাহিনী। এদিকে একসময় ড্যানির পরিচয় হয় তার ‘গে’ কমিউনিটির আরো একাধিক সদস্যের সঙ্গে। তিনি তার কমিউনিটির কাজ ছড়িয়ে দিতে সংগঠন প্রতিষ্ঠা করার ইচ্ছা করেন। গড়ে তোলেন ‘ওয়ার্ক ফর মাইনরিটি (এলজিবিটি) নামের একটি সংগঠন’। এখানে সদস্য সংগ্রহ করেন ভিন্ন উপায়ে। কাজ করেন তার এবং আরো সমগোত্রীয় যে কয়টি সমকামী গোষ্ঠী রয়েছে তাদের নিয়ে। ড্যানি জানান, তার সংগঠন লিঙ্গগত বৈষম্যের শিকার হওয়া ক্ষুদ্র গোষ্ঠীকে ট্রেনিং দেন। সদস্য সংখ্যা কীভাবে বৃদ্ধি করবে তারও ট্রেনিং দেয়া হয় এখানে। আর তার সংগঠনকে অর্থ দিয়ে সহায়তা করে বিদেশি কয়েকটি এনজিও।
আরেকজন সমকামী নয়ন। তার বেড়ে ওঠা রংপুর শহরে। তিনি পড়তেন শহরের জিলা স্কুলে। তার বয়স যখন ১৩ বছর তখন তার মনে ছেলে বন্ধুকে ভালো লাগা শুরু হতে থাকে। তার কাছের ওই বন্ধুর নাম রাহুল। এমন ভালো লাগালাগি চলতে চলতে এসএসসি পরীক্ষাও চলে আসে তাদের সামনে। নয়ন একদিন তার বন্ধুকে জানিয়ে দেন তার ভালো লাগার কথা। কিন্তু তিনি তা উড়িয়ে দেন। তাকে মানসিক ডাক্তার দেখানো হয়। কিন্তু নাছোড়বান্দা নয়ন এসএসসি পরীক্ষা শেষে রাহুলকে তার জীবনে লাগবে বলে জানিয়ে দেন। এ অবস্থায় রাহুল তার বন্ধু নয়ন থেকে চলে যান আত্মগোপনে। এদিকে নয়ন বিষ পান করেন। পরিবারের ত্বরিত পদক্ষেপে সে যাত্রায় বেঁচে যান। তবে রাহুলকে খুঁজে বেড়াতে থাকেন। নিজেকে নিয়ন্ত্রণে নিতে গড়ে তোলেন আরেক সমকামীর সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক। পরে নয়ন আবারো রাহুলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সামর্থ্য হন। পুনরায় সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। এবার সফল নয়ন। রাহুল তার বন্ধু নয়নের মতো সমকামিতায় বিশ্বাসী কিংবা আকৃষ্ট না হলেও মেনে নেন ওর আবদার। এদিকে নয়ন হঠাৎ একদিন তার মাকে আরেকটি বাচ্চা নিতে বলেন। তার চিন্তা বাদ দিয়ে দিতে বলেন। নয়নের একটি ছোট বোন থাকার পরও কেন আরেকটি সন্তান নিতে বলে তারা চিন্তায় পড়ে যান। নয়নের মা তার এমন অস্বাভাবিক কথাবার্তা শুনে যেন আকাশ থেকে পড়েন। তার বাবাকেও বিষয়টি জানানো হয়। তারা কেউ মেনে নিতে পারেন না ছেলের এমন আচরণ। ধীরে ধীরে তাদের বুঝিয়ে ফেলেন নয়ন। এদিকে নয়ন এবং রাহুলের এসএসসি পরীক্ষা শেষ হলে তারা ভিন্ন কলেজে ভর্তি হন। এইচএসসিতে পড়া অবস্থায় রাহুলের চাকরি হয়ে যায়। এ জন্য তাকে চলে যেতে হয় খুলনায়। রাহুলের অনিচ্ছা সত্ত্বেও নয়নের জন্য সম্পর্ক রাখতে হয়। একসময় রাহুলের পরিবারও জেনে যায় তাদের মধ্যকার সম্পর্ক। কিন্তু রাহুলের পরিবার নয়ন থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকতে বলা হয়। কিন্তু ততদিনে রাহুলও নয়নের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে। এদিকে নয়নের পরিবার লোক-লজ্জায় কি করবেন তা ভেবে পান না। একসময় তাদের একমাত্র ছেলের জন্য মেনে নেন। তবে শর্ত থাকে সমাজে যেন তাদের সম্পর্ক জানাজানি না হয়। কিছুদিন পর রাহুলের পোস্টিং হয় ঢাকায়। সঙ্গীর জন্য নয়নও চলে আসেন ঢাকায়। তারা নিয়মিত এক সঙ্গে না থাকতে পারলেও সপ্তাহে মিলিত হতেন। এভাবে কেটে যেতে থাকে আরো কিছুদিন। নয়ন ভর্তি হন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। থাকেন ফার্মগেটের একটি মেসে এক রুম নিয়ে। এদিকে নয়নের পার্টনার রাহুলের বদলি হয় চট্টগ্রামে। কিন্তু তাতে কি! নয়নের জন্য রাহুল প্রতিমাসে অন্তত ১/২ বার ঢাকায় আসেন। থাকেন এক সঙ্গে। শুধু নয়ন কিংবা ড্যানি নয়। এমন হাজারো সমকামী রয়েছে সারা দেশে। যেমন রয়েছে পুরুষ সমকামী তেমনি রয়েছে নারী সমকামী। ধর্ম এবং চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং আইন এমন সম লিঙ্গের যৌন সম্পর্ককে বিকৃত রুচি বলে অবহিত করলেও তারা থেমে নেই। তারা বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তবে তাদের সবকিছুই চলে অতি গোপনে। মাঝে-মধ্যে তারা জনসম্মুখে জানান দিতে চাইলেও পড়তে হয় তোপের মুখে। অনুসন্ধান করে দেখা গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সমকামীদের রয়েছে সরব উপস্থিতি। একাধিক গ্রুপ এবং ফ্যান পেইজ খুলে চলছে সব ধরনের কার্যক্রম। ফোনে কথা বলাকে রিস্কি মনে করার কারণে তারা মূলত এসব মাধ্যম থেকেই যোগাযোগ করেন। যাদের স্থায়ী পার্টনার নেই তারা এখান থেকে পার্ট-টাইম সম্পর্ক গড়ে তুলেন। আর স্থায়ীয়রা তাদের কার্যক্রম বৃদ্ধি করেন নানাভাবে। এমন কয়েকটি গ্রুপ-পেইজ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে তাদের গভীরতা অনেক ভেতরে। এখানে পুরুষ সমকামীরা দুটি সাংকেতিক নাম ব্যবহার করে। একটি হচ্ছে ‘টপ’ অন্য আরেকটি ‘বটম’। তারা নিজেদের ভেতর একজন আরেকজনকে মেইল-ফিমেইল হিসেবে এ নামে জানেন।
এদিকে পুরুষ সমকামীর পাশাপাশি একইভাবে নারী সমকামীরাও তাদের কার্যক্রম পরিচালিত করছে। তবে পুরুষ সমকামীদের থেকে তাদের কার্যক্রম চলে অনেক বেশি গোপনে। তারা সমাজে তো দূরে থাক পরিবারের কাছে প্রকাশ করেন না। তবে ছেলেদের তুলনায় তারা পরস্পরে সহজে মিলিত হতে পারেন। এক্ষেত্রে তাদের পরিবার জানতে পারেন না। তারা একে অন্যের সঙ্গে এ সম্পর্ক গোপনভাবেই রক্ষা করে চলেন। সমাজে তারা খুব একটা পরিচিতি পেতেও চান না। ছেলে সমকামীদের ভেতর দ্রুত বিয়ের একটা প্রবণতা কাজ করলেও মেয়েদের মধ্যে বিয়ের আগ্রহটা থাকে অনেক কম। এদের প্রচারণার বেশিরভাগই চলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। আর সম্পর্ক হয়ে গেলে মুঠোফোনে। ফেসবুকে তাদের পদচারণা দেখা যায় তুলনামূলক বেশি। গ্রুপ পেজ এবং ম্যাসেঞ্জারে তাদের রয়েছে উপস্থিতি। এক নারী সমকামী এঞ্জেল ফারিয়া। তার নির্দিষ্ট পার্টনার ছাড়া বাইরে কেউ জানেন না যে, তিনি সমকামী। তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায় কীভাবে তিনি এ সম্পর্কে পা বাড়ালেন। ফারিয়া জানান, তার কখনো ছেলেদের প্রতি কোনো ধরনের অনুভূতি কাজ করে না। বরং মেয়েদের প্রতি তাকে বেশি টানে। বয়োসন্ধি পার হওয়ার পরে তিনি মনে করেন ছেলেকে নয় মেয়েকেই সঙ্গী হিসেবে নেবেন। প্রথমে প্রথমে এমন সঙ্গী খুঁজে না পেলেও একসময় এমন একজন পেয়ে যান। একে অন্যের পরিবারের কাছে বান্ধবী পরিচয়ে জানলেও তারা আসলে উভয়ে পার্টনার। তারা যখন সময় পেতেন তখনই নিজেদের বাসায় মিলিত হতেন। উভয়ে পারিবারিকভাবে পরিচিত হয়ে গেলে তাদেরকেও সন্দেহের চোখে দেখতো না। তবে একসময় তাদের এ সম্পর্ক ভেঙে যায়। ফারিয়া মানসিকভাবে বিষণ্ন হন। তবে তা দ্রুত কাটিয়েও উঠেন। পরে নিজেকে একজন ওপেন লেসবিয়ান হিসেবে প্রকাশ করান। তবে তাও তো গোপনে। যখন তার পরিবারের সদস্যরা বাসায় অনুপস্থিত থাকেন তখন তার পার্টনারদের ডেকে এ সম্পর্কে মিলিত হন। ফারিয়াকে পরিবার বিয়ে দিতে চাইলেও তিনি রাজি হননি। তার উচ্চতর ডিগ্রি শেষ হলে বিয়ে করবেন বলে জানিয়ে দেন। আসলে ফারিয়া চান তারমতো একজন সমকামী মেয়েকে বিয়ে করতে।
২০১৪ সালের ১৮ই জানুয়ারি দেশে সমকামীদের পত্রিকা ‘রূপবান’ প্রকাশিত হলে তুলকালাম সৃষ্টি হয়। চারদিকে এগুলোকে নির্মূল করার আহ্বান জানানো হয়। পরবর্তীতে সমকামীদের পত্রিকা রূপবান এবং বয়েজ অফ বাংলাদেশ (বিওবি) নামে একটি সংগঠন দেশে সমকামীদের প্রকৃত সংখ্যা নিরুপণ করতে জরিপ চালায়। জরিপের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে সেখানে তারা বলছে বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশ সমকামী জনগোষ্ঠী রয়েছে। জরিপে তৃতীয় লিঙ্গকে আওতায় নেয়া হয়নি। এছাড়াও পরবর্তীতে ৬০০ সমকামী এবং উভয়কামী নারী-পুরুষের মধ্যে জরিপ চালিয়ে দেখেছে তারা পরিবারের কাছেই তাদের সম্পর্কের কথা গোপন রাখেন।
২০১৫ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর বৃটিশ কাউন্সিলে একটি সমকামী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সেদিন ২০০-এর বেশি সমকামী তরুণ-তরুণী জড়ো হয়েছিল। যেখানে ‘ধী’ নামে একটি সমকামী কমিক উপস্থাপন করা হয়েছিল। আর এর চরিত্র ধারণ করেছিলেন দেশের খ্যাতনামা এক সাংস্কৃতিক দম্পতির মেয়ে। সেদিনকার সমাবেশে সমকামীদের অধিকারের পক্ষে ‘নিজেরা করি’ এনজিওর সমন্বয়কারী নানা কথা বলেছিলেন। এ কারণে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল। বৃটিশ কাউন্সিলের সমকামীদের সে সমাবেশের খবর ছড়িয়ে পড়লে দেশে নিন্দা-প্রতিবাদের ঝড় বয়ে যায়। এর আগে ২০১৩ সালের ২৯শে এপ্রিল জেনেভায় অনুষ্ঠিত ‘ইউনিভার্সাল পিরিয়ডিক রিভিউতে’ তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সমকামীদের অধিকারের পক্ষে কথা বলায় দেশে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। ২০১৭ সালের আগস্টে কেরানীগঞ্জ থেকে এক গোপন বৈঠক চলাকালে ২৮ সমকামীকে পুলিশ আটক করে। এ ঘটনা নিয়েও দেশজুড়ে তোলপাড় হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যাদের কাছে পৃথিবী মানেই যুদ্ধবিগ্রহ আর বোমার শব্দ by শামীমুল হক

আট কি নয় বছরের বড় বোন তার কোলে থাকা ছোট বোনের মুখে ধরলো মাক্সটি। হাত ধরা অবস্থায়ই পৃথিবী থেকে বিদায় নেয় বড় বোন। ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া আরেকটি ছবি- লাইন ধরে মানুষ যাচ্ছে গোরস্থানে। সবার হাতে সাদা কাফনে মোড়ানো লাশ। ছবি দুটি বিশ্বের সকল শান্তিকামী মানুষকে নাড়া দিয়েছে। তাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। বিদ্রোহী নির্মূলে সিরিয়া সরকারের এমন বর্বর হামলা কাঁদিয়েছে মানুষকে। সরকারি সেনাদের বোমা হামলায় লাশের শহরে পরিণত হয় সিরিয়ার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত ইস্টার্ন ঘৌওতা এলাকা। বোমা হামলার সময় আকাশ ধোঁয়ার কুণ্ডলীতে ছেয়ে যায়। মুহূর্তেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় গোটা এলাকা। ভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায় মানুষজন। গগনবিদারী কান্না ছড়িয়ে পড়ে গোটা সিরিয়ায়। সেখানকার অধিবাসীরা জানিয়েছেন গত কয়েক বছরের মধ্যে একদিনে এমন বোমা হামলা তারা দেখেননি। বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকাগুলো পুনরুদ্ধারে ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই আক্রমণ জোরদার করেছে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের অনুগত সেনারা। রাজধানী দামেস্কের কাছে যেসব এলাকা এখনো বিদ্রোহীদের দখলে, ইস্টার্ন ঘৌওতা সে সবের অন্যতম। কিন্তু বিদ্রোহী নির্মূলে দেশের সাধারণ মানুষ ও শিশুদের ওপর এমন বর্বর হামলা বিশ্ব বিবেককে কতটুকু নাড়া দিয়েছে। বর্বর এই হামলার বিরুদ্ধে শুধু ধিক্কার, শোক আর নিন্দা জানাচ্ছে পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো। কিন্তু এই শব্দগুলো কি যুদ্ধ থামাতে যথেষ্ট। জাতিসংঘ অবশ্য যুদ্ধ বিরতির আহ্বান জানিয়ে আসছে। কিন্তু এ আহ্বান সরকার কিংবা বিদ্রোহী কারো কানেই পৌঁছাচ্ছে না। বর্তমানে সেখানকার মানুষজন অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। পর্যাপ্ত খাবার ও পানি সংকটের পাশাপাশি ন্যূনতম চিকিৎসা সেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে তারা। বিধ্বস্ত, বিপর্যয় অবস্থার মধ্যেই বিশ্ব সম্প্রদায় অনেকটা নীরব। এ শহরটি ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে দৃশ্যত কিছুই করা যাচ্ছে না। বিশ্বের অনেক মানবাধিকার সংগঠন বিবৃতি দিচ্ছে। কিন্তু প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলো শক্তিশালী ভূমিকা রাখছে না। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন এই নৃশংসতা বন্ধ না হওয়ার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করেছেন। টিলারসন সিরিয়ার এ ঘটনায় তার দেশের উদ্বেগের কথাও জানান। অবশ্য বিশ্ব সিরিয়ার এ সংকট নিরসন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের হাতে বলে মনে করেন। কিন্তু রাশিয়া বর্বর এ হামলার ব্যাপারে একেবারেই নিশ্চুপ। রক্তমাখা শিশুর লাশ, শিশু সন্তানকে জড়িয়ে ধরে পিতার আহাজারি আর কত? যেসব শিশু বেঁচে আছে তাদের কাছে পৃথিবী মানেই যুদ্ধবিগ্রহ, ভয় আর আতঙ্ক। হিংসা, হানাহানি আর বোমার শব্দই তাদের কাছে পৃথিবী। এ অবস্থা থেকে সিরিয়াকে মুক্ত করতে বিশ্ব সম্প্রদায় কি এগিয়ে আসবে?
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে সিরিয়ায় ধ্বংসযজ্ঞ চলছেই

আহত হয়েছেন আরো প্রায় ডজনখানেক মানুষ। যুক্তরাজ্যভিত্তিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস-এর মুখপাত্র ফায়েজ ওরাবি পাঁচ জন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হোয়াইট হেলমেটস বলেছে, নিহতদের মধ্যে এক শিশুও রয়েছে। স্থানীয় এক মানবাধিকারকর্মী জানিয়েছেন, হামলা বন্ধ হওয়ার খবরকে ইস্টার্ন ঘৌটার মানুষ উপহাস মনে করে। তারা এক সেকেন্ডের জন্যও এই খবর বিশ্বাস করে না। হামলা বন্ধ হওয়ায় সরকার তার বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। সিরিয়া সরকার বা রাশিয়া, কোনো পক্ষই বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা বন্ধ করতে চায় না।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইস্টার্ন ঘৌটায় যুদ্ধবিরতির বিষয়ে দফায় দফায় প্রচেষ্টা চালানো হলেও তা ব্যর্থ হয়েছে। এই অঞ্চলটি রাজধানী দামেস্কের উপকণ্ঠে বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা সর্বশেষ অঞ্চল। ২০১৩ সাল থেকে এই অঞ্চল বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ওই বছরে সরকার বিরোধীরা প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। কিন্তু আসাদ বলপ্রয়োগ করে এই আন্দোলন দমন করার চেষ্টা করেন। পরে বিরোধীরা সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে। তারা পুরো দেশের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু ২০১৫ সালে রাশিয়ার সহায়তায় আসাদ সরকার সিরিয়ার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত শহরগুলো পুনর্দখল করতে শুরু করে। তবে ইস্টার্ন ঘৌটা এখনো বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। সিরিয়ার সরকার ও রুশ বাহিনী অঞ্চলটি অবরুদ্ধ করে রেখেছে। সেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীও পৌঁছতে দেয়া হচ্ছে না। সবশেষে ১৮ই ফেব্রুয়ারি সেখানে বড় ধরনের অভিযান শুরু করে সিরিয়ার সরকারি বাহিনী ও রাশিয়া। তবে হামলাকারীদের দাবি, তারা শুধু সন্ত্রাসীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। সিরিয়ান নেটওয়ার্ক ফর হিউম্যান রাইটসের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সরকারি বাহিনীর হামলায় এখন পর্যন্ত ১৯টি মার্কেট, ৭টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ৬টি স্কুল, ৩টি কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও ১০টি সিভিল ডিফেন্স সেন্টার ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটে ১৪ মাসে ৪৭ জনের মৃত্যু: পাথর কোয়ারি যেন মৃত্যুকূপ by ওয়েছ খছরু

কখনো পারে, আবার কখনো পারে না। সর্বশেষ গত রোববার রাতে কোম্পানীগঞ্জে ৬ পাথর শ্রমিক নিহত হয়েছেন। কিন্তু লাশ যেহেতু ৫টি উদ্ধার হয়েছে এ কারণে পুলিশের হিসাব মতে মারা গেছে ৫ জন। আরও একজন শ্রমিককে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর পর তিনি মারা যান। ওই লাশ গোপনে সরিয়ে ফেলেছে পাথরখেকোরা। কোনো হদিস মিলেনি। তেমনিভাবে জাফলং ও বিছনাকান্দিতে লাশ গুমের উৎসব চলছে। মৃত্যুর উপত্যকায় পরিণত হয়েছে সিলেটের পাথর কোয়ারিগুলো। নির্বিচারে প্রকৃতি উজাড় করে দেয়ার কারণে প্রকৃতি এখন রূদ্রমূর্তি ধারণ করেছে। এ কারণে পাথর কোয়ারিগুলোয় মৃত্যুর মিছিল থামছে না। সম্প্রতি এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে- সিলেটের পাথর কোয়ারগুলোয় ১৪ মাসে অন্তত ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে অর্ধশতাধিকে। গুম হওয়া অনেক লাশের কোনো হদিস না পাওয়ায় প্রকৃত হিসাব মিলে না। এবার শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনায় জড়িয়ে গেলো কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলী আমজদের নামও। তার গর্তে পড়ে রোববার রাতে ৬ শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর নানা নাটকীয়তা হয়েছে। মামলা ভিন্ন খাতে প্রবাহের চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু কোম্পানীগঞ্জ পুলিশ কোনো ছাড় দেয়নি। উপজেলা প্রশাসনও ছিল কঠোর। শেষ পর্যন্ত গর্তের মালিক হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতা আলী আমজদকে আসামি করা হয়েছে। এর আগে পুলিশ কোম্পানীগঞ্জের শারপিন টিলা নিয়ে পাথরখেকোদের তালিকা প্রকাশ করেছিল। কিন্তু কালাইরাগের কোনো তালিকা এখনো প্রকাশ হয়নি। জনবসতিপূর্ণ কালাইরাগ এখন বিরানভূমি। গর্তে ভরে গেছে চারদিক। বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ায় মানুষের পূর্বপুরুষের ভিটেতে গর্ত করে পাথর তুলছে। রাতারাতি কোটিপতি বনে যাচ্ছে তারা। শারপিন টিলার চেয়ে কালাইরাগের ট্রাজেডিও কম নয়। তবে এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কালাইরাগের পাথরখেকোদের তালিকা করা হচ্ছে না। পরিবেশের মামলায়ও কালাইরাগের পাথরখেকোদের নাম উঠে আসেনি। এ কারণে বেপরোয়া কালাইরাগের পাথরখেকোরা। পাথর উত্তোলনের সব নিয়ম ভঙ্গ করে তারা রাতের আঁধারে কোয়ারি থেকে পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছিল। রাতের আঁধারে জেনারেট দিয়ে পাথর লুটপাটের ঘটনা এবারই প্রথম। শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে কোম্পানীগঞ্জের শ্রমিক সংগঠনগুলো। তারাও এবার নেমে এসেছে রাস্তায়। গত মঙ্গলবার কোম্পানীগঞ্জে কয়েকটি শ্রমিক সংগঠনের নেতারা বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সমাবেশ থেকে তারা পাথরখেকোদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। সিলেটের সীমান্তবর্তী কোম্পানীগঞ্জ, কানাইঘাট, গোয়াইনঘাট ও জাফলং এলাকায় পাথর কোয়ারিতে দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে সবচেয়ে বেশি শ্রমিক কাজ করে। অতিরিক্ত টাকার লোভ দেখিয়ে পাথর কোয়ারিতে তাদের নামানো হয়। শ্রমিকদের লোভ দেখানো হয়, কোয়ারির যত গভীরে যাবে, মজুরিও তত বেশি পাবে। টাকার লোভে কোয়ারির গর্তে নেমে পাহাড় খুঁড়েন শ্রমিকরা। পাহাড় কেটে পাথর নিয়ে উপরে আসার সময় পাড় ধসে তারা প্রাণ হারান। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) সূত্র জানিয়েছে, পাথর তোলার সময় শারপিন টিলা, জাফলং, বিছানাকান্দি, লোভাছড়া ও বাংলাটিলাতে ২০১৭ সালের ২৩শে জানুয়ারি থেকে এ বছরের ২রা জানুয়ারি পর্যন্ত ৩৭ জন শ্রমিক নিহত হন। এছাড়া ২৫শে ফেব্রুয়ারি কোম্পানীগঞ্জে পাঁচজন, জৈন্তাপুরের শ্রীপুরে একজন এবং ২৪শে ফেব্রুয়ারি কানাইঘাটের লোভাছড়ায় গর্ত ধসে ফরমান উল্লাহ নামের আরেক শ্রমিক নিহত হন। বসে নেই প্রশাসন। তারা প্রতিনিয়ত অভিযান চালাচ্ছে। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের ইউএনও গোয়াইনঘাটের ইউএনও ঘন ঘন অভিযান পরিচালনা করছে। ইতিমধ্যে এ দুটি উপজেলায় শত টাকা যান্ত্রিক মেশিন ধ্বংস করা হয়েছে। একের পর এক মামলায় বিপর্যস্ত করা হয়েছে পাথরখেকোদের। গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এরপরও পাথরখেকোরা দমছে না। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত দিলীপ কান্তি নাথ জানিয়েছেন- যখনই ঘটনা ঘটে পুলিশ প্রথমে লাশ উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। যাতে কেউ লাশ গুম করতে পারে সেদিকে পুলিশ সবার আগে নজর দেয়। এরপর পুলিশ কারো মুখে দিকে তাকিয়ে যারা প্রকৃত দোষী তাদেরকেই মামলার আসামি করে কাঠগড়ায় দাঁড় করায়। সুতরাং প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো গাফিলতি করা হচ্ছে না বলে জানান তিনি। সিলেটের পাথর কোয়ারিতে মৃত্যুর মিছিল ঠেকাতে উদ্যোগের অন্ত নেই। বাপা-বেলাসহ কয়েকটি সংগঠন নিয়মিত কার্যক্রম করছে। তারাও হাঁপিয়ে উঠেছেন। প্রশাসন সঠিক উদ্যোগ নিচ্ছে না বলে দাবি ওই সংগঠনের নেতাদের। এ কারণে তারা অনেক সময় প্রশাসনের চক্ষুশূলে পরিণত হন। সিলেটের ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, পর্যটন ও পাথর ব্যবসা এক সঙ্গে চলছে। দুটিতেই কোনো নিয়মকানুন মানা হচ্ছে না। এতে করে প্রকৃতি ধ্বংস হচ্ছে। পাথরও লুটপাট করা হচ্ছে। বিষয়টির সমাধানে সরকারকেই এগিয়ে আসতে হবে বলে জানান তারা।
শারপিন টিলায় অভিযান: কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার শাহ আরেফিন টিলায় টিলা কেটে গর্ত করে এবং মেশিনের সাহায্যে অবৈধ পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করেছে। সিলেট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশারাফুল আলমের নেতৃত্বে টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরিবেশ অধিদপ্তর, সিলেটের পরিদর্শক আবুল মুনসুর মোল্লা এবং পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন। অভিযানে ১২টি বোমা মেশিন ধ্বংসসহ কিছু ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস করা হয়। এছাড়া শ্রমিকদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাথর উত্তোলন থেকে বিরত থাকার জন্য স্থানীয় শাহ আরেফিন বাজার, নারায়ণপুর এবং টিলা এলাকায় সচেতনতামূলক মাইকিং করা হয়। অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে টাস্কফোর্স অভিযান আরো জোরদার করা হবে বলে গতকাল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন কোম্পানীগঞ্জের ইউএনও আবুল লাইছ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মালিতে বিস্ফোরণে বাংলাদেশি চার শান্তিরক্ষী নিহত

এতে বলা হয়, ব্যানব্যাট-৪ এর একটি লজিস্টিক কনভয় এস্কর্ট (নিরাপত্তা দল) গাঁও হতে মপতি যাওয়ার পথে বোনি-দোয়েঞ্জা সড়কে দোয়েঞ্জা থেকে ৩৫ কিলোমিটার পূর্বে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ১৩টি এপিসি ও ২টি এমপিভি এর সমন্বয়ে কনভয় এস্কর্ট-এর ৪ নম্বর এপিসিটি দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছালে এই বিস্ফোরণ ঘটে। দ্রুততার সঙ্গে হেলিকপ্টারযোগে আহতদের উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে দুর্ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন আছেন। মালিতে নিয়োজিত অন্য বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা নিরাপদ আছেন বলে আইএসপিআর জানিয়েছে।
কালামের মৃত্যুর খবর এখনো জানে না স্ত্রী-সন্তান
মাহমুদুর রহমান মাসুদ, পিরোজপুর থেকে জানান, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন যাওয়া সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার আবুল কালামের স্ত্রী ও সন্তানরা এখনো জানে না তার মৃত্যুর খবর। বুধবার আফ্রিকার মালে শহরের রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা ইমপ্রোভাইস্ট এক্সপ্লোসিভ ডিভাইজ বিস্ফোরণে নিহত চার বাংলাদেশি সৈনিকের একজন আবুল কালাম আজাদ। তিনি ১৯৯২ সালের ২২শে আগস্ট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগদান করে ২০১৭ সালের ২০মে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের সদস্য হিসেবে মালেতে যান।
আবুল কালাম পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার উত্তর কলারদোয়ানিয়া গ্রামের মৃত. মকবুল হোসেনের পুত্র। চার ভাই বোনের মধ্যে তিনিই ছিলেন একমাত্র উপার্জনক্ষম পুত্রসন্তান। বাকি তিন বোনের মধ্যে দুই বোনের বিয়ে হলেও মানসিক প্রতিবন্ধী বড় বোন রয়েছেন তার পরিবারের সঙ্গে।
গতকাল দুপুরে তার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, এখনো দেশে ফেরার দিন গুনছেন স্ত্রী খাদিজা আক্তার ও তার দুইসন্তান দশম শ্রেণির ছাত্রী আশমিকা আজাদ ইমা ও চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ফারদিল ইবনে আজাদ। তারা এখনও জানে না তাদের বাবা বেঁচে নেই। তাদের জানানো হয়েছে তিনি আহত হয়ে আফ্রিকার হাসপাতালে ভর্তি আছেন। সুস্থ হলেই দেশে চলে আসবেন।
নিহত আবুল কালামের চাচাত ভাই মো. সাইফুল্লাহ্ জানান, আমরা বেসরকারি একটি টেলিভিশনের মাধ্যমে প্রথমে জানতে পারি মালিতে নিহত সেনাদের একজন পিরোজপুরের আবুল কালাম। তখন চেষ্টাকরি আমার ভাই কালাম নিহত হয়েছেন কিনা জানতে। একপর্যায়ে নিশ্চিত হলাম তিনি মাইন বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন। ভাবীকে (সেনা অফিসারের স্ত্রী) মর্মান্তিক এ ঘটনা জানাইনি। তার মেয়ে ও ছেলেকেও জানানো হয়নি। তবে আমাদের ছুটো ছুটি দেখে ভাবি যখন কিছু আঁচ করতে পেরেছেন তখন তাকে বলা হয় ভাই এক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
কালামের আরেক চাচাত ভাই ফিরোজ কিবরিয়া জানান, ভাবী বাচ্চারা মৃত্যুর খবর জানতে পারে এই ভয়ে বাড়ির সকল সংবাদমাধ্যমের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে। তবুও তাদের সামলে রাখা যাচ্ছে না। অসুস্থতার খবর পেয়ে কিছুক্ষণ পর পরই খাদিজা ভাবী কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।
এ সময় নিহত কালামের স্ত্রী খাদিজা আক্তার জানান, গত ২১ ফেব্রুয়ারি মোবাইল ফোনে তাকে জানিয়েছেন আর মাত্র ৮৮ দিন পরেই দেশে ফিরবেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, এ বছরই তিনি চাকরি থেকে অবসরে যাবেন। আর বিদেশে যাবেন না।
জামালের বাড়িতে শোকের মাতম
চাঁপাই নবাবগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালি’র দোয়েঞ্জা নামক স্থানে ভয়াবহ বিস্ফোরণে চার বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরো চারজন। তারা সবাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য। তাদের মধ্যে সৈনিক জামাল হোসেনের বাড়ি চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নের ধূমিহায়াতপুর-ঘাইসাপাড়ায়। তিনি মো. মেসের আলীর ছেলে। নিহত জামাল হোসেনের চাচা রবিউল ইসলাম জানান,স্থানীয় সময় গতকাল দুপুর আনুমানিক আড়াইটায় (বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টা) এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তারা রাত সাড়ে ১১টার দিকে জামাল হোসেন নিহত হওয়ার খবর জানতে পারেন। একজন সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জামাল হোসেন নিহত হওয়ার বিষয়টি মোবাইল ফোনে পরিবারকে জানান। এর পর পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন বাবা মেসের আলী। মা ফেরদৌসি বেগম ছেলের ছবি বুকে ধরে স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন। আর স্ত্রী শিল্পী বেগম একমাত্র ৫ বছরের ছেলে শিমুলকে নিয়ে বিছানায় কাতর হয়ে পড়ে আছেন। শুধু পরিবার নয়, জামালের বাড়ির আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে শোক। সকাল থেকে শত শত গ্রামবাসী তাদের বাড়িতে এসে শোকাহত পরিবারটিকে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করছেন। মেসের আলীর তিন ছেলেমেয়ের মধ্যে নিহত জামাল হোসেন ছিল সবার বড়। জামাল হোসেনের মা ফেরদৌসি বেগম জানান, দ্রুত ছেলের মরদেহ ফিরিয়ে দেয়া হোক পরিবারের কাছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিক্ষিকার যৌন লালসার শিকার ১৪ বছরের ছাত্র

তার পিতামাতার কাছে জানিয়ে দেয় যে, শিক্ষিকা পিটারসন একজন বিবাহিত নারী। তিনি তাকে মাঝে মধ্যেই তাকে রাত ১১টার দিকে তার বাড়ি থেকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যেতেন। এরপর কয়েক ঘণ্টা একান্তে সময় কাটাতেন তিনি। ওই ছাত্রটি আরো বলেছে, ওই শিক্ষিকা তাকে নিজের নগ্ন ছবি পাঠাতেন। তাকে কিনে দিতেন মারিজুয়ানা। ওই ছাত্রটি তার পিতামাতাকে আরো বলেছে, তার পড়াশোনার গ্রেডের অবনতি হয়েছে। এর কারণ, ওই শিক্ষিকার সঙ্গে তার শারীরিক সম্পর্ক। এসব অভিযোগে ওই শিক্ষিকার এখন জায়গা হয়েছে কাউন্টি জেলে। ওই এলাকার ভোলুসিয়া কাউন্টি শেরিফের অফিস তাকে গ্রেপ্তারের কথা ফেসবুক মারফত জানিয়েছেন। ঘটনা নিয়ে তদন্ত হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, গত নভেম্বরে ওই বালকের সঙ্গে এমন অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন ওই শিক্ষিকা। তবে তার শিকারে এই একটিমাত্র বালকই পরিণত হয়েছে, নাকি আরো আছে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না এখনই। এমন অভিযোগ ওঠার পর স্কুলের চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছেন ওই শিক্ষিকা পিটারসন। তারপরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, শিক্ষিকা পিটারসন বিবাহিতা। তার স্বামীর নাম ব্রান্ডন। তিনি একজন অগ্নিনির্বাপককর্মী। তাদের বিয়ে হয় ২০১৫ সালে। তবে কোনো সন্তান নেই। ওদিকে তার স্ত্রী পিটারসনকে গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয়েই সামাজিক মিডিয়া থেকে নিজেদের একাউন্ট মুছে দিয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন কৌশলে এগোতে চায় বিএনপি

টিম গঠনের মাধ্যমে নেতাদের দেয়া হবে সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব। বিএনপির দায়িত্বশীল কয়েকজন নেতা জানান, চেয়ারপারসনের কারামুক্তি ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন আদায়ে কিছু স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নেয়া হবে। প্রাথমিকভাবে স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপগুলো দৃশ্যমান করে আন্দোলন ও আলোচনার পথে চলবে বিএনপি। পাশাপাশি প্রস্তুতি নেবে দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপগুলোর আয়োজন ও বাস্তবায়নে। এককভাবে নয়, জোটসহ দেশের বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী ও সুশীল সমাজের মনোভাব এবং পরামর্শকে প্রাধান্য দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সে পদক্ষেপগুলো দৃশ্যমান করা হবে। এ ব্যাপারে একটি নীতিগত অবস্থানে পৌঁছাতে ও কর্মপদ্ধতি নির্ধারণে আগামীকাল বিকালে চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে সিনিয়র নেতাদের একটি জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও যুগ্ম মহাসচিবদের অংশগ্রহণে সে বৈঠকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সার্বিক নির্দেশনা দেবেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এছাড়া সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন আদায়ের দীর্ঘমেয়াদি কর্মপন্থা নির্ধারণে আন্তর্জাতিক মহলের সমর্থন আদায়ের বিশেষ একটি উদ্যোগের ভেতর দিয়ে শিগগিরই কয়েকটি দেশ সফর করবে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের এক বা একাধিক প্রতিনিধিদল।
বিএনপির দায়িত্বশীল কয়েকজন নেতা জানান, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে পারতো বিএনপি। কিন্তু আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে সে পথে এগোয়নি তারা। এ পর্যন্ত আইনের সর্বজনস্বীকৃত পথেই আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। আপাতদৃষ্টিতে সেখানে কিছুটা সমন্বয়হীনতা পরিলক্ষিত হলেও বাস্তবে আইনজীবীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছেন। এখানে কোনো গাফিলতি করা হচ্ছে না। এ মামলাটির প্রতি দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সারা দেশের মানুষের কৌতূহলী সজাগ দৃষ্টির কারণে ইচ্ছাকৃত গাফিলতির সুযোগও নেই। তারপরও বিলম্ব হচ্ছে খালেদা জিয়ার মুক্তি। কারণ পদে পদে নতুন নতুন ফাঁক-ফোকর বের করে কৌশল করছে সরকার। খালেদা জিয়ার মামলায় প্রভাব বিস্তারের সবধরনের লক্ষণ পরিষ্কার। তারপরও আগামীদিনগুলোতে আইনি লড়াইয়ে আরো বেশি সমন্বয় এবং কৌশলের প্রয়োগ ঘটাবেন আইনজীবীরা। নেতারা বলেন, হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার জামিন বিলম্বের গ্রহণযোগ্য কোনো কারণ ছিল না। আইনগত ভিত্তি, মৌলিক অধিকারসহ সবগুলো দিকই ছিল খালেদা জিয়ার জামিনের অনুকূলে। কিন্তু রেওয়াজ ভেঙে, নিম্ন আদালতের নথির জন্য অপেক্ষার নতুন নজির সৃষ্টি করে আটকে রাখা হয়েছে তার মুক্তি। এ ঘটনাকে সরকারের আগামীদিনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি লক্ষণরেখা হিসেবে বিবেচনা করা যায়। এটা বিএনপিসহ দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ভাবনায় খুলে দিচ্ছে নতুন দিগন্তের দ্বার। আইনজীবী নেতারা জানান, আইনি লড়াইকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এপথেই সাফল্য অর্জন করতে চাইছে বিএনপি। তাই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনায় খালেদা জিয়ার মামলায় সরাসরি অংশগ্রহণ বা পরোক্ষ আইনি পরামর্শের জন্য দেশের শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ইতিমধ্যে দু’জন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল খালেদা জিয়ার পক্ষে লড়তে সশরীরে আদালতে উপস্থিত হয়েছেন। বেশ কয়েকজন আইনজীবী আশ্বস্ত করেছেন তারা প্রয়োজনীয় আইনি পরামর্শ দেবেন। প্রাথমিকভাবে এটাকে একটি বড় অর্জন বিবেচনা করছে বিএনপি। কারণ দেশের শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীদের এ ইতিবাচক মনোভাব কেবল আদালতেই নয়, রাজনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্বাস করে তারা। দলটির নেতারা জানান, কেবল খালেদা জিয়ার মুক্তিই নয়, দলের কারাবন্দি নেতাকর্মীদের মুক্তিতে আইনি লড়াই জোর করতে আইনজীবীদের তাগিদ দিয়েছেন শীর্ষ নেতৃত্ব। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের যথাসম্ভব আইনি জটিলতা ও কারামুক্ত রাখতে চায় বিএনপি। পাশাপাশি দলের সিনিয়র নেতাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলোর দিকেও সজাগ দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।
দলের দায়িত্বশীল কয়েকটি সূত্র জানায়, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে কর্মসূচিকেন্দ্রিক একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক প্ল্যাটফরম তৈরির জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। এ প্ল্যাটফরমে কেবল দুই জোটের বাইরের দলগুলোই নয়, সরকারের সঙ্গে থাকা জাতীয় পার্টির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। প্রথমদিকে দুই জোটের বাইরে থাকা দলগুলো খুব আগ্রহ না দেখালেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তাদের দিক থেকেও প্রত্যাশিত সাড়া পাচ্ছে বিএনপি। কেবল বিএনপি নেতারাই নয়, বৃহত্তর রাজনৈতিক প্ল্যাটফরম গড়ে তুলতে কাজ করছেন কয়েকটি রাজনৈতিক দল, বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনীতিক নেতা ও পেশাজীবীরা। দেশে ও দেশের বাইরে চলছে সে প্রক্রিয়া। বৃহত্তর প্ল্যাটফরমটি গড়ে তুলতে এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আদায়ের লক্ষ্যে পৌঁছাতে রাজনৈতিক দলগুলো ও সুশীল সমাজকে নানা বিষয়ে আশ্বস্ত করার নীতিগত সিদ্ধান্তও নিয়েছে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব। নেতারা জানান, দেশে রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেও জোর তৎপরতা শুরু করেছে বিএনপি। তারই অংশ হিসেবে খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানোর পর কূটনীতিকদের ডেকে আনুষ্ঠানিক ব্রিফ করছে বিএনপি। অনানুষ্ঠানিকভাবে সংশ্লিষ্ট নেতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন। বিএনপির কূটনীতিক উইংয়ে দায়িত্বপালনকারী একজন সিনিয়র নেতা জানান, বিএনপির নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের ব্যাপারে এখনো কূটনীতিকদের অবস্থান পরিষ্কার নয়। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে তারা উপলব্ধি করতে পারছেন দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। কয়েকজন কূটনীতিক নানা ফোরাম ও ব্রিফিংয়ে তেমন ইঙ্গিত দিয়েছেন। কূটনীতিকদের এমন উপলব্ধিকে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি আদায়ে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করছে বিএনপি। আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের একটি অংশ হিসেবে বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ ও ইউরোপীয় কমিশনের সহায়তা চেয়েছে বিএনপি। এ জন্য সংস্থা তিনটিকে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করার আহ্বানও জানিয়েছে দলটি। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি বুধবার সংস্থা তিনটির প্রধানের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, যে মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাজা দেয়া হয়েছে এ মামলাটি করার ক্ষেত্রে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। এটি রাজনৈতিক রায়। মাইনাস টু ফর্মুলার উদ্দেশ্যে বিগত ওয়ান-ইলেভেন সরকার এ মামলা করেছিল। জামিনযোগ্য মামলায় সরকারের হস্তক্ষেপে জামিন দেয়া নিয়েও শঙ্কার কথা জানানো হয়েছে চিঠিতে। চিঠিতে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ দেশে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির মতো আরেকটি একতরফা নির্বাচন করতে চাইছে। যাতে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরো জটিল হবে। ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচনের আগে নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনের বিশেষ দূত ও সহকারী মহাসচিব অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোর মধ্যস্থতায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সমঝোতা বৈঠকটি ব্যর্থ হওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে দেশে জনমত আরো জোরদার করতে অনানুষ্ঠানিকভাবে সাংগঠনিক সফর করছেন বিএনপি নেতারা। পাশাপাশি সাংগঠনিক সফর করছেন বিএনপি সমর্থক পেশাজীবী নেতারাও। নেতারা জানান, খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানোর পর দলের ঐক্য অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন বেশি সুসংহত। নেতাকর্মীরা ব্যক্তিগত ক্ষোভ-বিক্ষোভ, দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে এখন এককাতারে অবস্থান করছেন। নেতারাও কথা বলছেন একই সুরে। আগামী দিনে সবার বক্তব্যের সুর যেন একমুখী হয় সে ব্যাপারে নেতাদের নির্দেশনা দিয়েছেন শীর্ষ নেতৃত্ব। দলটির দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আগামী দিনে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরো বেশি সতর্ক এবং সহনশীল হবে বিএনপি। সরকারি উস্কানি বা দলের তরুণ নেতাদের অতিউৎসাহে নৈরাজ্যের সম্ভাবনা তৈরি হয় এমন কোনো কর্মসূচিতে যাবে না। আগামীতে খালেদা জিয়ার মুক্তি, সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন আদায়সহ জাতীয় ও আঞ্চলিক সমস্যাসহ জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে গঠনমূলক ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দেয়া হবে।
নেতারা জানান, সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন আদায়ে আন্দোলনের পাশাপাশি নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতিও শুরু করবে বিএনপি। চূড়ান্ত নির্বাচনী প্রচারণায় তুলে ধরতে মন্ত্রণালয়ওয়ারি বর্তমান সরকারের অনিয়মসহ নানা তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিএনপির শুভাকাঙ্ক্ষী কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এসব কাজে সহায়তা করছে। এছাড়া দলের তরফে জনমত জরিপ, প্রার্থী জরিপসহ কৌশলী প্রচারণা চালানো হচ্ছে। বিগত ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন ও পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আদায়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবে বিএনপি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজনীতিতে কখনো কখনো ‘শাপেবর’ শব্দটি খুবই অর্থবহ হয়ে উঠে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সাজার রায়, কারাগারে তার প্রাপ্য মর্যাদা দেয়ায় কার্পণ্য এবং উচ্চ আদালতে তার জামিনের ক্ষেত্রে নজির সৃষ্টিকারী বিলম্ব সবকিছুই বিএনপির জন্য হয়ে উঠছে- শাপেবর। খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানোর পর সকল আশঙ্কাকে মিথ্যা প্রমাণ করে দলটির তরফে কোনো কঠোর কর্মসূচি না আসা এবং নেতাকর্মীদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের কারণে মানুষের অপ্রত্যাশিত সমর্থন পেয়েছে বিএনপি। দলটির ব্যাপারে উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেয়ার যে প্রোপাগান্ডা আন্তর্জাতিক মহলে প্রায় প্রতিষ্ঠা পেয়েছে সে ব্যাপারে নতুন উপলব্ধি তৈরি হয়েছে কূটনৈতিক মহলে। আর এ ইতিবাচক মনোভাব ও ক্রমবর্ধমান জনসমর্থনকে ভিত্তি ধরে এগোনোর সুযোগকে নিশ্চয় হাতছাড়া করবে না বিএনপি।
সারা দেশে লিফলেট বিতরণ করেছে বিএনপি
চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি হিসেবে ঢাকাসহ সারা দেশে লিফলেট বিলি করেছে বিএনপি। লিফলেট বিতরণকালে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বাধাদান ও লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিএনপি ও অঙ্গদলের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী। এদিকে গতকাল দুপুরে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ সিনিয়র নেতারা নয়াপল্টনে লিফলেট বিতরণ করেন। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে বায়তুল মোকাররম, ড. আবদুল মঈন খানের নেতৃত্বে মতিঝিল, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে নিউ মার্কেট, নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে মিরপুর, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে উত্তরায়, মোহাম্মদ শাহজাহানের নেতৃত্বে বাড্ডায়, ডা. এজেডএম জাহিদের নেতৃত্বে মৌচাক-মালিবাগ ও বাংলামোটর, বরকত উল্লাহ বুলুর নেতৃত্বে জুরাইন, আহমেদ আযম খানের নেতৃত্বে ধোলাইখাল, শওকত মাহমুদের নেতৃত্বে হাতিরপুল, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবদিন ফারুকের নেতৃত্বে কাজীপাড়ায়, মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে তেজগাঁও এলাকায় লিফলেট বিতরণ করছে বিএনপি। এর আগে সকাল সোয়া ১০টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের ফুটপাথে কয়েকজন পথচারী ও রিকশাচালকের হাতে লিফলেট তুলে দেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ। এ সময় কার্যালয়ের বাইরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি দেখে লিফলেট দিয়েই তিনি রাস্তা থেকে অফিসের গেটে ফিরে যান। লিফলেট বিতরণের সময় রিজভী বলেন, আমরা আমাদের নেত্রীর মুক্তির দাবি নিয়ে সারা দেশের জনগণের কাছে যাবো। দলের নেতাকর্মীরা যাবেন। জনগণের কাছে বার্তা তুলে ধরবেন, আমাদের নেত্রী কোনো দুর্নীতি করেননি। সরকার একটি ক্রোধের মনোবৃত্তি নিয়ে অন্যায়ভাবে দেশনেত্রীকে জরাজীর্ণ পরিত্যক্ত কারাগারে বন্দি করে রেখেছে। তিনি বলেন, আমাদের শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারের পতন ঘটবে, ইন্শাআল্লাহ। তিনি বলেন, সরকার গায়ের জোরে বিচারিক প্রশাসনকে কব্জা করে যদি বিরোধীদলকে নিশ্চিহ্ন করার প্রক্রিয়া চালায়, জনতা রুখে দাঁড়াবে। বিএনপি তার অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি শুরু করেছে। এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এই নেতা বলেন, শঙ্কার মধ্যেই তাদের এই লিফলেট বিতরণ করতে হচ্ছে। কয়েক দিন আগে একজন সাবেক এমপি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে অফিস থেকে বের হতেই কিভাবে ঘাড় মুচড়ে নিয়ে গেছে। এসব কারণে আতঙ্কের মধ্যেই আমাদের কাজ করতে হচ্ছে। এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আতাউর রহমান ঢালী, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুস সালাম আজাদ, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, তাইফুল ইসলাম টিপু, বেলাল আহমেদ, আমিনুল ইসলাম, জিসাস সভাপতি আবুল হাশেম রানা প্রমুখ তার সঙ্গে ছিলেন। এছাড়াও রাজধানীর থানায় থানায় লিফলেট বিতরণ করেছে স্থানীয় বিএনপি।
যা আছে লিফলেটে: বিএনপির দুই পৃষ্ঠার লিফলেটের শিরোনাম হলো- ‘শেখ হাসিনার ১৫ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহার/খারিজ বনাম উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভিত্তিহীন মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড’। এতে বলা হয়েছে, জিয়া এতিমখানা ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের কাল্পনিক, সাজানো ও উদ্দেশ্যমূলক মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। অথচ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হওয়া ১৫টি মামলার মধ্যে ছয়টি রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার এবং অন্য ৯টি হাইকোর্টে খারিজ করা হয়েছে। ওই ৯টি দুর্নীতি মামলায় মোট অর্থের পরিমাণ ১৫ হাজার কোটি টাকা। লিফলেটের একেবারে শেষ পর্যায়ে বলা হয়েছে, এক টাকাও দুর্নীতি না করে বেগম খালেদা জিয়াকে যদি জেলে যেতে হয়, তবে হাজার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত শেখ হাসিনা ও অন্যদের কী শাস্তি হওয়া উচিত- তা ভবিষ্যতে জনগণের আদালতেই নির্ধারিত হবে ইন্শাআল্লাহ। এছাড়া বিএনপি চেয়ারপারসনের ছবি ও নয় দফা আহ্বান সংবলিত একটি বার্তাও প্রকাশ করেছে বিএনপি। সেখানে খালেদার নামে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মানুষ দুঃসহ অবস্থা থেকে মুক্তি চায়। আমাকে আপনাদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা হলেও বিশ্বাস করবেন- আমি আপনাদের সঙ্গেই আছি। আপনারা গণতন্ত্রের জন্য, অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য, একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য, জনগণের সরকার কায়েমের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। আমি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবো না ইন্শাআল্লাহ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সব দলকে নির্বাচনে আনতে বার্নিকাটের ভূমিকা চান তোফায়েল: নির্বিঘ্নে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা নিশ্চিত করতে হবে

মেলা পরিদর্শন শেষে তোফায়েল আহমেদের বক্তব্যের বিষয়ে বার্নিকাটের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের শর্তগুলো কেবল ভোটের দিন নয়, সব সময়ই নিশ্চিত করতে হয়। তিনি বলেন, সবাই যাতে অংশ নিতে পারে, সবাই যাতে সভা, সমাবেশ, বৈঠক করতে পারে, সবাই যেন নির্বিঘ্নে তাদের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে পারে- সেটাও নিশ্চিত করতে হয়।
বুধবার বার্নিকাটের দেয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আমরা সবাই চাই। সকল দল যাদের নির্বাচন কমিশনের রেজিস্ট্রেশন আছে তারা সকলেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। কিন্তু নির্বাচনটা হতে হবে সংবিধান অনুযায়ী। বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের অধীনে। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে, সরকার তার দৈনন্দিন কাজ করবে। বাণিজ্যমন্ত্রী উদাহরণ দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশে ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনেই জাতীয় নির্বাচন হয়। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বার্নিকার্টের প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, সকল দল যাতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে সে ব্যাপারে ভূমিকা রাখতে আমি মান্যবর রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেছি।
বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে আসতে অনেকের আপত্তি আছে- এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আপত্তি আছে কার? সংবিধানের বাইরে তো কোনো নির্বাচন হতে পারে না। আমরা তো কাউকে নিশ্চিত করে দিতে পারবো না যে আপনি ক্ষমতায় চলে যান। বিএনপি’র দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ২০১৪ সালে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তারা ভুল করেছে, আশা করি আগামী নির্বাচনে সকলে অংশগ্রহণ করবেন। আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল বলেন, আমি জানি না, মন্তব্য করা আমার ঠিক হবে কি না। আমি আশা করবো, আপনি (বার্নিকাট) এমন একটি ভূমিকা নেবেন, যাতে সব দল সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকারের অধীনে অনুষ্ঠেয় আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করা বৃটিশ হাইকমিশনারকেও একই আহ্বান জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমি তাদের (যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য) অনুরোধ করব, তারা যেন সব দলকে আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে বলেন। এই নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হবে।
উল্লেখ্য, ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের সহযোগিতায় আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ-অ্যামচেম ১৯৯২ সাল থেকে বাংলাদেশে ইউএস ট্র্রেড শো’র আয়োজন করে আসছে। সে সময় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল মাত্র এক বিলিয়ন ডলার যা গত আড়াই দশকে বেড়ে হয়েছে সাত বিলিয়ন ডলার। তিনদিনের এ মেলায় দেশি-বিদেশি ৪৩টি স্টলে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫০টি কোম্পানির পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে। কৃষি থেকে শুরু করে ভোগ্যপণ্য, এমনকি গাড়ি নির্মাতাদেরও অংশগ্রহণ রয়েছে এ প্রদর্শনীতে। সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই প্রদর্শনীতে ঢুকতে ৩০ টাকা দিয়ে টিকেট কিনতে হবে। তবে স্কুল ইউনিফর্মে বা স্কুলের পরিচয়পত্র নিয়ে গেলে টিকেট কাটতে হবে না।

ওই ভোজ-বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সৌজন্য সাক্ষাৎ হতে পারে। পরদিন রোববার প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় থাকছেন না। বিধায় রোববার তার সাক্ষাৎ পাওয়া প্রায় অনিশ্চিত। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সূচি নিশ্চিত হয়নি বলে জানায় সেগুনবাগিচা। তবে রোববার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল অব তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে তার বৈঠক হবে। এছাড়া দূতাবাসের আয়োজনে নাগরিক সমাজের সঙ্গেও বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, ট্রাম্প প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ওই প্রতিনিধির সফরে নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষ করে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সহযোগিতা জোরদার করা নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া রোহিঙ্গা ইস্যুটি শুরুত্ব পাবে। এ নিয়ে রাষ্ট্রদূত বার্নিকাট বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। এ বিষয়ে মিয়ানমারের ওপর আমাদের কঠিন চাপ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন, হোয়াইট হাউস, মার্কিন আইন প্রণেতারা এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন সরব রয়েছেন। তিনি বলেন, রাখাইনে জাতিগত নিধন বন্ধে আমরা সোচ্চার। আমরা বাস্তুচ্যুতদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন চাই।
এদিকে ওয়াশিংটন থেকে প্রাপ্ত খবরে জানানো হয়েছে- হোয়াইট হাউসের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক নিরাপত্তা উপদেষ্টা লিসা কার্টিস তার সপ্তাহব্যাপী দক্ষিণ এশিয়া সফরের অংশ হিসেবে শুক্রবার আফগানিস্তান থেকে বাংলাদেশে পৌঁছাচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্র সময় গত রোববার পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে ওয়াশিংটন ডিসি ত্যাগ করার মাধ্যমে লিসা কার্টিস এ সফর শুরু হয়েছে। মূলত গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে কাবুলে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মেলন ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন আফগানিস্তান’-এ অংশগ্রহণের জন্য দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ট্রাম্প প্রশাসনের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার চলমান দক্ষিণ এশিয়া সফর। এতে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতসহ বিশ্বের মোট ২৫টি দেশ অংশ নেয়। আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠা নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এই প্রচেষ্টা ‘কাবুল প্রসেস’ নামে পরিচিত। এর আগে গত বছরের জুন মাসে ‘কাবুল প্রসেস-১’ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে লিসা কার্টিস প্রথমবারের মতো ট্রাম্প প্রশাসনের আফগান নীতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরেন। বাংলাদেশ সফরে লিসা কার্টিস-এর আলোচনায় রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে। এই অঞ্চলের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে বর্তমান সরকারের নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে কথা বলবেন লিসা। এতে রোহিঙ্গা সংকট, ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি, সন্ত্রাসবাদ, সাইবার নিরাপত্তা সহযোগিতাসহ বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রমিক নিরাপত্তার বিষয়গুলো উঠবে। যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বাইরেও আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তায় উভয় দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াবলী নিয়েও আলোচনা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল বলছে, আগামী সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেই ওয়াশিংটন ডিসিতে ফিরবেন লিসা। যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে লিসা কার্টিস একমাত্র পররাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষক, বাংলাদেশ নিয়ে যার পেশাগত গবেষণার অভিজ্ঞতা রয়েছে। লিসা কার্টিস আমেরিকার কনজারভেটিভ থিংক ট্যাংক হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের এশিয়া প্রোগ্রামের পরিচালক ও সিনিয়র রিসার্চ ফেলো হিসেবে দীর্ঘ ১৬ বছর দক্ষিণ এশিয়া গবেষণার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ নিয়ে কাজ করেছেন। উল্লেখ্য, ট্রাম্প প্রশাসনের বর্তমান পদে যোগদানের আগে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি গবেষকদের পাবলিক পলিসি থিঙ্ক ট্যাংক ‘আর্চার ব্লাড সেন্টার ফর ডেমোক্রেসি’ কর্তৃক কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ডেমোক্রেসি’ শীর্ষক সেমিনারে মূলবক্তা হিসেবে কথা বলেন লিসা। এটি ছিল লিসার সর্বশেষ বেসরকারি প্রোগ্রাম। ওই সেমিনারে লিসা বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ গণতন্ত্রের অভাবে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘দখলদারদের ত্রাসের রাজত্ব চলছে’

জাসদের এক সময়কার নেতা মহিউদ্দিন তার বইয়ে ইনুর কর্মকাণ্ড বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। বুধবার সকালে বগুড়ার একটি হোটেলে সাংবাদিক ও পেশাজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান একথা বলেন। সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সভাপতি মীর্জা সেলিম রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদাল হোসেন, ডাক্তার ময়নুল হাসান সাদিক, সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সাধারণ সম্পাদক গণেশ দাস, বিএফইউজের নির্বাহী সদস্য ফজলে রাব্বী ডলার, দৈনিক নয়াদিগন্তের বগুড়া প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ, মানবকণ্ঠের বগুড়া ব্যুরো এসএম আবু সাঈদ, দৈনিক সংগ্রামের আবদুল ওয়াদুদ, দিনকালের কালাম আজাদ, মানবজমিনের প্রতীক ওমরসহ অন্যান্য সাংবাদিক ও পেশাজীবীরা।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত সাংবাদিক ও পেশাজীবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা জানেন, বাংলাদেশ একটি অবৈধ, দখলদার সরকার ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। প্রকৃত পক্ষে বাংলাদেশ একটি ফ্যাসিবাদী শক্তিদ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। সেই ফ্যাসিবাদী শক্তি গণমানুষের সকল অধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সমস্ত কিছু হনন করেছে। এই সরকার সম্পূর্ণভাবে বিচার বিভাগকে কুক্ষিগত করেছে। বাংলাদেশে আইনের শাসন সম্পূর্ণভাবে অনুপস্থিত। তিনি বেগম খালেদা জিয়ার মামলা সম্পর্কে বলেন, একটি সম্পূর্ণ ভুয়া মামলায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দণ্ডপ্রদান করা হয়েছে। আপনারা জানেন যে, প্রকৃত পক্ষে একটি টাকাও তছরুপ হয় নাই। একটি টাকাও আত্মসাৎ হয়নি। তিনি আরো জানান, ওই মামলার সঙ্গে দেশনেত্রীর বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক ছিলো না। বর্তমান সরকার তাদের সকল কু-কর্ম বিচার বিভাগের ঘাড়ে বন্দুক রেখে সম্পন্ন করছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
March
(1701)
-
▼
Mar 02
(15)
- কর্পোরেট দুনিয়া ছেড়ে বাংলাদেশী কৃষকের পাশে একজন আ...
- সোমার বিষয়ে ঢাকায় তদন্ত শুরু অস্ট্রেলিয়ান পুলিশের
- ভোট, প্লাস না মাইনাস খালেদা? by সাজেদুল হক
- ধরা পড়ে গেল টেরট বাবার কেরামতি
- প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যবসায়ী খুন
- অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারে কমছে ‘শ্রবণ শক্তি’ by...
- ঢাকায় সমকামী ক্লাব by হাফিজ মুহাম্মদ
- যাদের কাছে পৃথিবী মানেই যুদ্ধবিগ্রহ আর বোমার শব্দ ...
- যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে সিরিয়ায় ধ্বংসযজ্ঞ চলছেই
- সিলেটে ১৪ মাসে ৪৭ জনের মৃত্যু: পাথর কোয়ারি যেন মৃত...
- মালিতে বিস্ফোরণে বাংলাদেশি চার শান্তিরক্ষী নিহত
- শিক্ষিকার যৌন লালসার শিকার ১৪ বছরের ছাত্র
- নতুন কৌশলে এগোতে চায় বিএনপি
- সব দলকে নির্বাচনে আনতে বার্নিকাটের ভূমিকা চান তোফা...
- ‘দখলদারদের ত্রাসের রাজত্ব চলছে’
-
▼
Mar 02
(15)
-
▼
March
(1701)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...