Friday, May 1, 2026
ইরান যুদ্ধকে ‘ভুল’ মনে করেন ৬১ শতাংশ মার্কিন নাগরিক: জরিপ
ওয়াশিংটন পোস্ট উল্লেখ করেছে, এই জনমত ২০০৬ সালের মে মাসে ইরাক যুদ্ধ নিয়ে করা এক জরিপের প্রায় সমান। ওই সময় ৫৯ শতাংশ মার্কিনি ইরাক যুদ্ধকে ভুল বলেছিলেন।
এ ছাড়া ১৯৭১ সালের এক গ্যালপ জরিপে দেখা গিয়েছিল, প্রতি ১০ জন মার্কিনির মধ্যে ছয়জনই ভিয়েতনাম যুদ্ধকে একই রকম ভুল হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।
বর্তমান জরিপ অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাটদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপকে ভুল মনে করছেন। এ ছাড়া ৭১ শতাংশ স্বতন্ত্র ভোটার এবং ১৯ শতাংশ রিপাবলিকান সমর্থকও একই মত পোষণ করেছেন।
তথ্যসূত্র: সিএনএন
| যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান হামলা থেকে রেহাই পাচ্ছে না উপাসনালয়ও। হামলায় বিধ্বস্ত ইহুদিদের একটি সিনাগগের ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ করছেন জরুরি বিভাগের কর্মীরা। তেহরান, ইরান; ৭ এপ্রিল ২০২৬ ছবি: রয়টার্স |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জ্বরের সঙ্গে শরীর ও গিঁটে ব্যথা by ডা. এ কে এম মূসা
ডেঙ্গু জ্বর
ডেঙ্গু জ্বরে শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথা হতে পারে, বিশেষ করে অস্থিসন্ধি ও মাংসপেশিতে তীব্র ব্যথা হয়ে থাকে। একে ‘হাড়ভাঙা ব্যথা’ও বলা হয়ে থাকে।
ডেঙ্গু জ্বরের সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে—
হঠাৎ উচ্চ মাত্রার জ্বর (১০১-১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট), তীব্র মাথাব্যথা, চোখের পেছনের অংশে ব্যথা, শরীরে ফুসকুড়ি, বমি ভাব বা বমি হওয়া, মাংসপেশি ও জয়েন্টে ব্যথা।
জ্বরের দু-তিন দিনের মধ্যে পরীক্ষা করে জানা যায়, ডেঙ্গু হয়েছে কি না। যদি ডেঙ্গু হয়ে থাকে, তাহলে পরিপূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে, প্রচুর তরল খেতে হবে। জ্বরের জন্য শুধুই প্যারাসিটামল ট্যাবলেট খেতে হবে এবং নাড়ির গতি ও রক্তচাপ মনিটর করতে হবে। প্রয়োজনে শিরাপথে স্যালাইন দিতে হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না করালে ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার বা শক সিন্ড্রোম হতে পারে। ডেঙ্গু সেরে যাওয়ার পর সাধারণত দুর্বলতা থাকে, কিন্তু গিঁটে আর ব্যথা থাকে না।
চিকুনগুনিয়া
আফ্রিকার আঞ্চলিক ভাষায় চিকুনগুনিয়ার মানে বাঁকা হয়ে যাওয়া। এ রোগের বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে ব্যথা।
এই ভাইরাসে সংক্রমিত হলে যেসব উপসর্গ হয়— প্রচণ্ড জ্বর; বমি বমি ভাব; মাথাব্যথা; দুর্বলতা; শরীরে লাল র্যাশ; সারা শরীরে, বিশেষ করে মাংসপেশি, মেরুদণ্ড বা অস্থিসন্ধিতে তীব্র ব্যথা; হাত পা ফুলে যায়, চলাফেরা কঠিন হয়ে যায়।
লক্ষণগুলো দেখে পরীক্ষা–নিরীক্ষা ছাড়াই রোগ শনাক্ত করা যায়। সিবিসি এবং ৫-৭ দিন পর রক্তে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করা যায়।
চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ রোগী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আরোগ্য লাভ করেন। ১০ শতাংশের কম রোগী জ্বর সেরে যাওয়ার পরও শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট বা গিঁটে, মাংসপেশিতে প্রচণ্ড ব্যথায় ভোগেন। স্বল্পসংখ্যক রোগী কয়েক মাস, এমনকি কয়েক বছর পর্যন্ত মারাত্মক ব্যথায় ভুগতে পারেন।
চিকুনগুনিয়া আর্থ্রাইটিসের চিকিৎসা
অ্যাকিউট স্টেজে উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসা করা হয়। বিশ্রাম, পর্যাপ্ত তরল পান এবং ব্যথানাশক ওষুধ (যেমন প্যারাসিটামল) ব্যবহার করে জ্বর ও ব্যথা কমানো যেতে পারে। ঠান্ডা সেঁক দিলে ফোলা ও ব্যথা কমে। কিছু ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপি এবং অন্যান্য সহায়ক থেরাপিরও প্রয়োজন হতে পারে।
ক্রনিক আর্থ্রাইটিস হলে মানে ব্যথা তিন মাসের বেশি স্থায়ী হলে কিছু পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের মতো দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শে প্যারাসিটামল, আইবি প্রফেন, ক্লোফেনাক, শর্ট কোর্স স্টেরয়েড, রোগ প্রতিরোধক ওষুধ (যেমন মিথোট্রেক্সেট) এবং অন্যান্য প্রদাহরোধী ওষুধ লাগতে পারে।
ফিজিওথেরাপি
ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে জয়েন্টের কার্যকারিতা পুনরুদ্ধার করা যায়। ফিজিওথেরাপিস্টরা কিছু ব্যায়াম ও থেরাপির মাধ্যমে জয়েন্টের নড়াচড়া স্বাভাবিক করতে এবং ব্যথা কমাতে সাহায্য করেন।
ডা. এ কে এম মূসা, অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ, ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ, শাহবাগ, ঢাকা

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কবরে মাটি দেওয়ার নিয়ম ও দোয়া
রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে জানাজায় অংশগ্রহণ করেছেন, কবর খনন করেছেন এবং মাটি দিয়েছেন। তাই মুসলিমদের জন্য এ বিষয়টি জানা ও সঠিকভাবে পালন করা জরুরি।
কবর দেওয়ার নিয়ম
দাফন প্রক্রিয়ার মূলনীতি হলো:
১. মৃতদেহকে গোসল করানো, কাফন দেওয়া ও জানাজা পড়ানো।
২. কবর যথেষ্ট গভীর করা যাতে মৃতদেহ নিরাপদ থাকে।
৩. মৃতদেহকে ডান দিকে কিবলামুখী করে রাখা।
৪. কবর ঢেকে দেওয়া ও মাটি চাপা দেওয়া।
নবীজি (সা.) বলেছেন: “তোমরা মৃতদেহকে সম্মানের সাথে দাফন করো।” (সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ৩২২১)
কবরে মাটি দেওয়ার নিয়ম
কবর ঢাকতে গিয়ে প্রথমে সাধারণত ৩ মুঠো করে মাটি দেওয়া সুন্নাহ। প্রত্যেকে পালাক্রমে মৃতের দিকে মুখ করে কবরের ভেতর প্রথম তিন মুঠো মাটি দেন। প্রতিবার মুঠো খোলার সময় সুরা ত্বাহার ৫৫ নম্বর আয়াতের একটি করে অংশ পড়তে হয়।
* প্রথম মুঠোয় পড়তে হয়: “মিনহা খালাক্না–কুম।” অর্থ: “আমি তোমাদেরকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছি।”
* দ্বিতীয় মুঠোয় পড়তে হয়: “ওয়া ফীহা নু‘ঈদুকুম।” অর্থ: “এবং আমি তোমাদেরকে তাতে ফিরিয়ে দেব।”
* তৃতীয় মুঠোয় পড়তে হয়: “ওয়া মিনহা নুখরিজুকুম তারাতান উখরা।” অর্থ: “এবং সেখান থেকে আবার তোমাদেরকে একবার বের করব।”
এটি রাসুল (সা.) ও সাহাবিদের আমল। (তাফসির ইবন কাসির, সুরা ত্বাহা. আয়াত ৫৫ এর ব্যাখ্যা)
দাফনের পর দোয়া
দাফন শেষে মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া করা সুন্নাহ। নবীজি প্রতিবার দাফনের পর সাহাবিদের বলতেন: “তোমরা তোমাদের ভাইয়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো এবং তার জন্য স্থিরতার দোয়া করো, কারণ এখন তাকে প্রশ্ন করা হচ্ছে।” (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৩২২১; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১৫৩১)
এ সময় সাধারণত বলা হয়:
উচ্চারণ: “আল্লাহুম্মাগ্ফির লাহু, আল্লাহুম্মা সাব্বিতহু, আল্লাহুম্মাজ্‘আল কবরাহু রাওযাতান মিন রিয়াযিল জান্নাহ।”
অর্থ: “হে আল্লাহ, তাকে ক্ষমা করুন, তাকে স্থির রাখুন এবং তার কবরকে জান্নাতের বাগানসমূহের একটি বাগানে পরিণত করুন।”
কবরের মাটি দেওয়ার নিয়ম ও দোয়া ইসলামি শিষ্টাচারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এতে রয়েছে মৃতের প্রতি সম্মান, আখিরাতের স্মরণ এবং জীবিতদের জন্য শিক্ষা। আমাদের উচিত নবীজির (সা.) প্রদর্শিত এ সুন্নাহ যথাযথভাবে পালন করা।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ▼ 2026 (1373)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...