Thursday, August 25, 2016

খাটের তলায় ফেলে রাখা ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুক্তা!

৩৪​ কিলোগ্রাম ওজনের মুক্তাটি
ফিলিপাইনের একজন জেলের কুটিরে ‘বিশ্বের বৃহত্তম’ মুক্তার খোঁজ মিলেছে। এক দশক ধরে খাটের নিচে এটি ফেলে রেখেছিলেন তিনি। তবে এর আর্থিক মূল্যমান জানা যায়নি। ফিলিপাইনের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এ খবর জানিয়েছে। পুয়ের্তো প্রিন্সেসা শহরের পর্যটন বিভাগের প্রধান সিনথিয়া আমুরাও বলেন, মুক্তাটির ওজন ৩৪ কিলোগ্রাম (৭৫ পাউন্ড। এক অতিকায় সামুদ্রিক ঝিনুক থেকে এটি পাওয়া গেছে। ১০ বছর আগে এক দিন মাছ ধরার সময় সমুদ্রে ঝড় উঠলে ওই জেলের বইঠায় ঝিনুকটি আটকে যায়। এ জেলে সম্পর্কে নিজের ভাগনে বলে এই কর্মকর্তা জানান। আমুরাও বলেন, মুক্তাটির দাম জানা না গেলেও অন্তত কোটি ডলার হতে পারে বলে তাঁর ধারণা। ১২ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি আয়তনের মুক্তাটি তাঁর ভাগনে ফিলিপাইনের পশ্চিমাঞ্চলীয় দ্বীপ পালাবনে নিজের কুঁড়েঘরের খাটের নিচে সৌভাগ্যের কবচ মনে করে লুকিয়ে রেখেছিলেন। এ বছরের জুলাইয়ে বাসা পাল্টানোর সময় তিনি মুক্তাটি তাঁর কাছে এনে লুকিয়ে রাখতে বলেন।
এএফপিকে এই পর্যটন কর্মকর্তা বলেন, ‘খাবার টেবিলের ওপর মুক্তাটি রাখার পর তা দেখে আমি বিস্মিত হয়ে যাই। আমি তাঁকে বলেছি, এর দাম না জানায় এটি লুকিয়ে রাখার কোনো মানে হয় না। বরং জনসমক্ষে এটি প্রদর্শন করা হোক।’ এরপর ভাগনের সম্মতিক্রমে পুয়ের্তো প্রিন্সেসা শহরের সিটি মিলনায়তনে গত সোমবার মুক্তাটি প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়। সরকারি ফেসবুকেও এটির ছবি ছাড়া হয়েছে। মুক্তাটির মান ও দাম যাচাইয়ে রত্নবিশারদেরা এ শহরে আসবেন বলে আশা করছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা। এর আগে গত শতকের ৩০-এর দশকে ফিলিপাইনের পালাবন দ্বীপের সৈকতে ১৪ কিলোগ্রাম ওজনের মুক্তা ‘পার্ল অব আল্লাহ’র সন্ধান পাওয়া যায়। সেটিকেই এখন পর্যন্ত বিশ্বের বৃহত্তম মুক্তা বলে ধরা হয়ে থাকে। রত্নবিশারদেরা এর দাম নির্ধারণ করেছেন এক কোটি ডলার। পুয়ের্তো প্রিন্সেসা শহরের তথ্য কর্মকর্তা রিচার্ড লিগাড সাম্প্রতিকতম এই মুক্তার সন্ধান পাওয়ার কথা নিশ্চিত করে বলেছেন, মুক্তার মালিক মুক্তাটি সরকারি কোষাগারে দান করার ব্যাপারে কোনো চুক্তি করেননি। তাই এখন পর্যন্ত এটি তাঁর সম্পত্তি হিসেবেই রয়েছে।

বুরকিনি নিষিদ্ধের পর বিক্রি বেড়েছে ২০০ শতাংশ

পোশাক ডিজাইনার আহেদা জানিত্তি
সমুদ্রসৈকতে পরিধেয় মেয়েদের পুরো শরীর ঢেকে রাখার পোশাক বুরকিনির ওপর ফ্রান্সের সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞার পর সারা বিশ্বেই এর বিক্রি বেড়েছে। অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত পোশাক ডিজাইনার আহেদা জানিত্তি বলেছেন, এই নিষেধাজ্ঞার পর অনলাইনে বুরকিনির বিক্রি ২০০ শতাংশ বেড়েছে। আহেদা জানিত্তি বলেন, ফ্রান্সের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ২৩টি শহরে বুরকিনির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর এর প্রতি লোকজনের আগ্রহ বেড়েছে। এর সম্ভাব্য ক্রেতাদের বেশির ভাগই অমুসলিম।
তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ত্বকের ক্যানসারের রোগী এবং সৈকতে পুরো শরীর ঢেকে রাখতে আগ্রহী নারীরা। তিনি বলেন, ‘গত রোববারই অনলাইনে ৬০টি বুরকিনির অর্ডার পেয়েছি, যারা সবাই অমুসলিম।’ তিনি বলেন, এর আগে ছুটির দিনে তাঁরা সাধারণত ১০-১২টির মতো অর্ডার পেতেন। এই ডিজাইনার আরও বলেন, তিনি ২০০৮ সাল থেকে প্রায় ৭ লাখ বুরকিনি বিক্রি করেছেন। সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞার পর তাঁর ডিজাইন করা পোশাককে সমর্থন করে প্রচুর লোক তাঁকে ই-মেইলও করেছেন।

নৌযান শ্রমিকদের ন্যায়সংগত দাবি বিবেচনায় নিন

মজুরি বাড়ানোসহ ১৫ দফা দাবিতে নৌযান শ্রমিকেরা গত মঙ্গলবার থেকে লাগাতার ধর্মঘট করায় সারা দেশে লাখ লাখ যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে দক্ষিণের নৌপথনির্ভর এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন নৌবন্দরে পণ্যবাহী নৌযান ধর্মঘটে থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যার বিরূপ প্রতিক্রিয়া জনজীবনে পড়তে শুরু করেছে। নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, নৌযান শ্রমিকেরা আগাম নোটিশ না দিয়ে ধর্মঘটে গিয়েছেন। মালিকপক্ষ বলেছে, নৌযান শ্রমিকেরা বেআইনিভাবে ধর্মঘটে নেমেছেন। শ্রমিকেরা বলছেন, দাবি না মানা পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে। ঈদুল আজহা সামনে রেখে এই ধর্মঘট কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। শ্রমিকদের দাবি যতই ন্যায়সংগত হোক, তা আদায়ের জন্য তাঁরা যাত্রীসাধারণকে জিম্মি করতে পারেন না। মাত্র চার মাসের ব্যবধানে দুই দফা ধর্মঘট কেবল অযৌক্তিক নয়, স্বেচ্ছাচারিতাও বটে।
তবে এ ব্যাপারে নৌযান মালিকদেরও দায় আছে প্রতিবার শ্রমিকেরা ধর্মঘটে গেলেই তাঁরা নড়েচড়ে বসেন; তার আগে রা নেই। নৌযান শ্রমিকদের লাগাতার কর্মবিরতি চললেও সংকট নিরসনে মালিক বা সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার উদ্যোগ নেই। এটি খুবই উদ্বেগজনক। শ্রমিকদের ন্যায়সংগত দাবি যেমন মালিকপক্ষ উপেক্ষা করতে পারে না, তেমনি নদীপথে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও ডাকাতি বন্ধ এবং নৌপথের নাব্যতা বাড়ানোর যে দাবি তাঁরা করেছেন, সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারকেই। নৌপথে অচলাবস্থার অবসান ঘটাতে সরকার, মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা আলোচনায় বসে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি সমাধানে আসবেন, এটা সবাই আশা করে। মনে রাখতে হবে, এক দিনের নৌযান ধর্মঘটে লাখ লাখ যাত্রীর দুর্ভোগের পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতির ক্ষতিও কম নয়। সমস্যা সমাধানে যত বিলম্ব হবে, ক্ষতির পরিমাণও তত বাড়বে। অনতিবিলম্বে নৌযান ধর্মঘটের অবসান ঘটাতে হবে।

যশোরের জলাবদ্ধ এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ান

দেশের অন্য এলাকায় বন্যা আসে-যায়, কিন্তু যশোরের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের দুঃখ সীমাহীন। তারা ভুগছে জলাবদ্ধতায়। একদিকে অতিরিক্ত বৃষ্টি, অন্যদিকে ভবদহ স্লুইসগেট অকার্যকর হওয়ায় পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে না। ফলে যশোরের কেশবপুর, মনিরামপুর, অভয়নগর ও যশোর সদরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষ ভাসমান জীবনযাপনে বাধ্য হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্মিত ভবদহ স্লুইসগেট ও জোয়ারাধার আশীর্বাদের বদলে হয়েছে অভিশাপ। প্রতিবছরই এই অঞ্চলের মানুষকে এর কারণে করুণ পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়; নষ্ট হয় কৃষি ও মাছের চাষ। এবার বৃষ্টিপাত বেশি হওয়ায় ভবদহের জলাবদ্ধতাও মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। সরকারের এ মুহূর্তে কিছু না করলেই নয়। যশোর জেলার তিনটি উপজেলা এবং ২৭টি বিলের পানিনিষ্কাশনের একমাত্র পথ ভবদহ স্লুইসগেট। কিন্তু এর কারণেই নদীর বুকে পলি জমে পানিনিষ্কাশন বন্ধ রয়েছে। দুই দশক ধরে এই স্লুইসগেট ও জোয়ারাধার প্রকল্প এই এলাকার লাখ লাখ মানুষের জীবনে অভিশাপের কাজ করছে।
মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়েছে নদী ও বিলে চিংড়িঘের ব্যবসায়ীদের বাঁধ। এবারও একটানা ভারী বৃষ্টির কারণে বিস্তীর্ণ এলাকা ডুবে গেছে। মানুষ ও গবাদিপশুর জীবনধারণ কঠিন হয়ে গেছে। একবিংশ শতাব্দীর ডিজিটাল বাংলাদেশে কয়েক লাখ মানুষ আদিম অমানবিক বাস্তবতার মধ্যে হঠাৎ পতিত হয়েছে। এটা বন্যার পানি নয় যে কয়েক দিনের মধ্যে সরে যাবে। ভবদহ জলাবদ্ধতা দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার। এ মুহূর্তে মানুষজনের ত্রাণ দরকার, খাদ্য, রান্না করার ব্যবস্থা ও পরিষ্কার পানি এবং জ্বর ও ডায়রিয়ার ওষুধ দরকার। কিন্তু একই সঙ্গে পানি নামানোর ব্যবস্থা না করলে জীবনযাপন অসম্ভব হয়ে পড়বে। পানি ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এ মুহূর্তেই জরুরি টাস্কফোর্স গঠন করে কাজে নেমে পড়া উচিত। ভবদহ সমস্যা নতুন নয়। বছর যায়, কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ডের ক্ষমাহীন ঔদাসীন্যের কারণে মানুষ ভুগতে থাকবে, এটা মানা যায় না।

নাদিয়ার চিৎকারে সাব্বির চুপ

আর ক’দিন পরই ঈদুল আজহা। এ উপলক্ষে রাজধানীর উত্তরা, পুবাইল, ধানমণ্ডি, নিকেতন, গুলশান, বনানীসহ বিভিন্ন স্থানের শুটিং হাউসগুলোতে এখন নাটক-টেলিফিল্ম নির্মাণের ধুম পড়েছে। শুটিং লোকেশন ঘুরে এসে বিস্তারিত লিখেছেন অভি মঈনুদ্দীন ডেটলাইন ২২ আগস্ট। রাজধানীর উত্তরায় স্বপ্নীল-টু শুটিং হাউসে তখন শুটিং চলছিল গুণী নাট্য নির্মাতা আমিরুল ইসলাম অরুণ রচিত ও নির্দেশিত ছয় পর্বের ঈদ ধারাবাহিক নাটক ‘ভালো থাকার সাতটি উপায়’। এতে প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করছিলেন মীর সাব্বির ও নাদিয়া। শুটিং হাউসে প্রবেশ করেই জানা গেল পরিচালক অরুণ দ্বিতীয় তলায় শুটিং নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত। বিকাল তখন চারটারও বেশি। রাত ১১টার মধ্যে শুটিং শেষ করতে হবে। দ্বিতীয় তলায় ড্রইংরুমে প্রবেশ করেই দেখা গেল মীর সাব্বির ও নাদিয়া চিৎকার করছেন। দু’জনেই সোফার উপর বসা। নাদিয়া বলছেন, ‘কি চাও, কিছু বলবে? জবাবে সাব্বির সোফার উপর পা তুলে বললেন, ‘নাহ... এমনি পাশে এসে বসলাম।’ নাদিয়া বলেন, ‘এমনি মানে? এ তুমি সোফার উপর পা তুলে বসছো কেন? পা নামাও। ভদ্রলোকের মতো বসতো পারো না?’ মীর সাব্বির পা নামায়। আর বলেন চা খাবে? চা বানিয়ে দেই’ এই বলে মীর সাব্বির ভেতরে চলে যান।
নাদিয়া টিভিতে সিরিয়াল দেখতে থাকেন। কিছুক্ষণ পরেই চা বানিয়ে আবার নাদিয়ার কাছে আসেন সাব্বির। কিন্তু চায়ের কাপে চুমুক দিয়েই উত্তেজিত হয়ে পড়েন নাদিয়া। নাদিয়া বলেন, ‘এটা কোনো চা হল, মুখে দেয়া যায় না! এক কাপ চাও বানাতে পারো না। তুমি কি বলোতো ছি!’ এভাবেই বেশ কিছুক্ষণ দৃশ্য ধারণের কাজ চলতে থাকে। নাদিয়া এ নাটকে সীমু চরিত্রে এবং মীর সাব্বির ইকতার চরিত্রে অভিনয় করছেন। নাটকটি নিয়ে পরিচালক আমিরুল ইসলাম অরুণ বলেন, ‘একজন অস্থির চিত্তের বেকার মানুষ কীভাবে তার জীবনকে সুখী করতে পারে তার সাতটি উপায় বের করে। এই নিয়ে নাটকের মূল গল্প।’ এরমধ্যে কিছুটা বিরতি। এই সময়েই মেকাপ রুমে বসে কথা হয় মীর সাব্বির ও নাদিয়ার সঙ্গে। মীর সাব্বির বলেন, ‘এটি একটি কমেডি বেইজড নাটক। ঈদে এই ধরনের নাটকই দর্শক বেশি পছন্দ করেন। আমি কাজ করে খুব মজা পাচ্ছি।’ নাদিয়া বলেন, ‘এই নাটকের গল্পে এবং সংলাপে একটু ভিন্নতা আছে। সাব্বির ভাইয়ের সঙ্গে সব সময়ই কাজ করতে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।’ গল্পে গল্পে আবারও মীর সাব্বির নাদিয়া ক্যামেরার সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন। পরিচালকের কাছ থেকে আমরাও বিদায় নিয়ে চলে এলাম। যাওয়ার আগে জানলাম ‘ভালো থাকার সাতটি উপায়’ নামক এই ঈদ ধারাবাহিকটি আসছে ঈদে জিটিভিতে প্রচার হবে।

বিদেশী কোচিং স্টাফের হিড়িক বাফুফেতে

কর্মচারীদের বেতনের কোনো খবর নেই। অথচ বিদেশী কোচিং স্টাফের হিড়িক পড়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে)। বেলজিয়ান কোচ ও ব্রিটিশ টেকনিক্যাল ডিরেক্টরের পর এবার যোগ দিলেন আফ্রিকান ফিটনেস ট্রেইনার রিডো বার্ডিন। মঙ্গলবারের অনুশীলনে তারা ছিলেন। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বিকেলের অনুশীলন শেষে রিডো বার্ডিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রথম দিন সব কিছু জানা সম্ভব নয়। তবে আমি জানি, ফুটবলাররা লীগের মধ্যেই ছিল। ফিটনেস লেভেল নিয়ে কয়েক দিন কাজ করার পর নির্দিষ্ট মাত্রায় পৌঁছবে। ফুটবল দলীয় খেলা। বিশেষ কোনো খেলোয়াড় আমার দৃষ্টি কাড়েনি। সবাইকে একই মাত্রায় ফিটনেসে আনাই আমার কাজ।’ জাতীয় দলের ক্যাম্পের বাইরে রয়েছেন ছয়জন ফুটবলার। ভুটানে এএফসি কাপের প্লে-অফ বাছাই খেলছেন নাসিররা। এ প্রসঙ্গে ট্রেইনারের কথা, ‘তারা ক্যাম্পে যোগ দেয়ার পর রিকভারি সেশন হবে। যাতে ক্যাম্পে থাকা ফুটবলারদের সঙ্গে কোনো পার্থক্য না হয়।’ সাবেক সহকারী কোচ সাইফুল বারী টিটুকে নিয়ে জাতীয় দলের বেলজিয়ান কোচ টম সেন্টফিটের কথা,
‘টিটুর সঙ্গে আমি কাজ করেছি। আমি এখনও আগ্রহী। তবে বিষয়টি বাফুফের। বাবুর সঙ্গে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে না।’ জাতীয় দলের ডিফেন্ডার ইয়াসিন খান লীগে ভালো পারফর্ম করেছেন। কিন্তু দলে তার ডাক না পাওয়ার কারণ সম্পর্কে সেন্টফিট বলেন, ‘১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তার নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এজন্য তাকে বিবেচনায় আনা হয়নি।’ জামাল ভূঁইয়া দুটি হলুদ কার্ডের কারণে খেলতে পারছেন না ৬ তারিখের ম্যাচ। এরপরও তিনি দলে ছিলেন। এ বিষয়ে বেলজিয়ান এ কোচের কথা, ‘এটা আমি জানতাম না। জানার পরই ফাহাদ ও হেমন্তকে ডেকেছি। জামাল এখন আর ক্যাম্পে যোগ দেবে না।’ কিউই গোলকিপার কোচ ঢাকায় বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচিং স্টাফে চার দেশীয় কোচ সংযুক্ত হয়েছেন। প্রধান কোচ বেলজিয়ান টম সেন্টফিট এবং টেকনিক্যাল ও স্ট্র্যাটেজিক ডিরেক্টর হিসেবে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার পল স্মল্লি। সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকায় এসেছেন দক্ষিণ আফ্রিকান ট্রেইনার রিডন বিয়ারডেন। এবার এলেন নিউজিল্যান্ডের গোলকিপার কোচ রায়ান স্যানফোর্ড। মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় এসে পৌঁছেন তিনি। রিডন ও স্যানফোর্ড দু’জনেই এর আগে বেলজিয়ান হেড কোচ টম সেন্ট ফিটের সঙ্গে কাজ করেছেন।

আলভীকে নিয়ে মোশাররফ করিমের জন্মদিন পালন

২২ আগস্ট ছিল টিভি পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিমের জন্মদিন। কিন্তু এ দিনটিও তিনি কাটালেন শুটিং করেই। নিজের জন্মদিনের বিশেষ কোনো আয়োজন রাখেননি তিনি। তাই ঈদের নাটক ‘ভ্যান বস্ত্রবিতান’র শুটিং করেই দিন পার করেছেন। এ প্রসঙ্গে মোশাররফ করিম বলেন, ‘শুটিংয়ের সিডিউল আগেই দেয়া ছিল। তাই নিজের জন্মদিনের কথা একপ্রকার ভুলেই গিয়েছিলাম। তবে যে কাজটিকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি জন্মদিনটা তার সঙ্গেই কাটিয়েছি।’
বিশেষ এই দিনটিতে রাজধানীর প্রিয়াংকা শুটিং হাউসে ‘ভ্যান বস্ত্রবিতান’ নামের একটি নাটকের শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন তিনি। মমর রুবেলের রচনায় এটি পরিচালনা করেছেন আলী সুজন। বরাবরের মতো এ নাটকেও নতুন চমক থাকছে মোশাররফ করিমের। সঙ্গে থাকছে বিনোদনের ভরপুর প্যাকেজ। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন লাক্সতারকা আলভী। জনপ্রিয় এ তারকার জন্মদিন বলেই সেদিনের শুটিং স্পট একটু অন্যরকমই ছিল। প্রডাকশন বয় থেকে সবাই হইচই আর আনন্দ করে কাজ করছেন। মাঝে শুটিংয়ের প্রয়োজনে আলভীর সঙ্গে মোশাররফ করিমকে ঝগড়া করতেও দেখা গেছে। আসছে ঈদে জিটিভিতে এটি প্রচার হবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা।

জন কেরির বাংলাদেশ সফরে গুরুত্ব পাবে গণতন্ত্র, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির বাংলাদেশ সফরে গুরুত্ব পাবে গণতন্ত্র, উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার। ২৪শে আগস্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেছেন প্রেস অফিসের পরিচালক এলিজাবেথ ট্রুডিউ। তিনি বলেছেন, আগামী ২৯শে আগস্ট বাংলাদেশ সফরে যাচ্ছেন জন কেরি। এ সময়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিস্তারিত বিষয়ে ও দীর্ঘদিনের বিভিন্ন ইস্যু তুলে ধরবেন। এলিজাবেথ ট্রুডিউ বলেছেন, এ সফরে বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করবেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বিশেষ করে গণতন্ত্র, উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন যে অংশীদারিত্ব রয়েছে তা শক্তিশালী করার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পাবে। উল্লেখ্য, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ ও আগামীকাল ইয়েমেন পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন সৌদি আরবের সঙ্গে। এ জন্য তিনি এরই মধ্যে জেদ্দায় রয়েছেন। এলিজাবেথ বলেন, এরই মধ্যে আমরা ইয়েমেনের অবনতিশীল পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গভীর উদ্বেগের বিষয়ে কথা বলেছি। আমরা সেখানে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য বাকি বিশ্বের সঙ্গেও আলোচনা করছি। এ সংঘাত নিয়ে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি সব পক্ষের সঙ্গে অক্লান্তভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার এ কাজের প্রতি আমাদের দৃঢ় সমর্থন রয়েছে। ইয়েমেনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে আমেরিকা সহযোগিতামূলক কাজ করে যেতে প্রস্তুত এবং অব্যাহতভাবে তা করে যাবে। এলিজাবেথ বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ২৫ থেকে ২৭শে আগস্ট পর্যন্ত সুইজারল্যান্ডের জেনেভা সফর করবেন। সেখানে তিনি রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শেখ তাহনুন বিন জায়েদ বিন নাহিয়ানের সঙ্গে সিরিয়া ও লিবিয়া ইস্যুতে কথা বলবেন। এরপরই ২৯শে আগস্ট তিনি বাংলাদেশ সফরে আসবেন। এখান থেকে একই দিনে তিনি ভারতের নয়াদিল্লিতে যাবেন। সেখানে অবস্থান করবেন ৩১শে আগস্ট পর্যন্ত। সেখানে ভারত সরকারের সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার বৈঠক হবে। ৩০শে আগস্ট পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী পেনি প্রিটজকার সহ-সভাপতি থাকবেন ইউএসএ-ইন্ডিয়া স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড কমার্শিয়াল ডায়ালগে।