Thursday, August 29, 2019
যে কারণে মারা গেল রোজিনা by ওয়েছ খছরু

ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ পেয়েছে সত্যতা। রোজিনা মারা যাওয়ার পর পুলিশ মামলা রেকর্ড করে রোজিনার ভাসুরকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে। রোজিনার মৃত্যু নাড়া দিয়েছে সবাইকে।
এ নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে এলাকায়ও। দুই মাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় রোজিনা বেগম। সোমবার সিলেটের দক্ষিণ সুরমার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যায় সে। মৃত্যুর পর ময়নাতদন্ত শেষে লাশ দাফন করা হয়েছে মঙ্গলবার। পারিবারিক সূত্র জানায়, রোজিনার বাবা আব্দুল খালিক হলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। ২০১৫ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর জালালপুর ইউনিয়নের শেখপাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিকের মেয়ে রোজিনা বেগম ও পার্শ্ববর্তী কুচাই ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত মখলিছুর রহমানের ছেলে মো. ইমানুর রহমান মঞ্জুরের সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের পর রোজিনার সংসারে একটি ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণ করে। ভালোই চলছিলো তাদের সংসার। এর মধ্যে আরেক মহিলা এসে জুটে স্বামী মঞ্জুরের কাছে। ওই মহিলার সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে মঞ্জুরের। আড়াল থেকে রোজিনা স্বামীর পরকীয়ার বিষয়টি জানলেও তিনি কখনো বিশ্বাস করেননি। এক সময় তার কাছেও পরকীয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করেন তিনি। আর যখনই রোজিনা প্রতিবাদী হয়ে উঠলেন তখনই তার ওপর নেমে এলো নির্যাতনের স্টিম রোলার। রোজিনাকে হারপিক খাইয়ে হত্যার ঘটনায় মামলার বাদী হন তার ভাই সাইদুল ইসলাম। তিনি মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, পরকীয়ার বিষয়টি রোজিনার কাছে ধরা পড়ার পর স্বামী মঞ্জুর বিভিন্নভাবে নির্যাতন করতে থাকে। এক পর্যায়ে রোজিনাকে নিবৃত্ত করতে সে যৌতুক দাবি করে।
এ কারণে বিভিন্ন সময় রোজিনা বাড়িতে এসে তার বাবার কাছ থেকে কয়েক দফায় প্রায় ২ লাখ টাকা নিয়ে তার স্বামীকে দেয়। এরপর প্রায় সময় টাকার জন্য রোজিনাকে মারপিট করে পিতার কাছে পাঠিয়ে দিতো মঞ্জু। বোনের সংসারের দিক চিন্তা করে বিভিন্নভাবে টাকা সংগ্রহ করে দিতেন রোজিনার ভাইরা। কিন্তু গত ২৪শে জুন সকাল বেলা রোজিনাকে বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে যেতে বলে তার স্বামী। এতে রোজিনা যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকার করে। ওইদিন বেলা অনুমান সাড়ে দশটায় মঞ্জু, তার বড় ভাই ইকবাল ও বড় ভাইয়ের বউ রুফিনা বেগম এক সন্তানের জননী রোজিনা বেগমকে হারপিক খাইয়ে দেয়। তখন রোজিনার অবস্থা খারাপ হলে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসেন।
এলাকাবাসীর রোষানল থেকে বাঁচতে তখন রোজিনাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্বামী ও তার ভাই। এ সময় রোজিনার পরিবারকে জানানো হয়- রোজিনা টিবি রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে। পরে কিছুটা সুস্থ হলে তাকে ছাড়পত্র সহ বাড়িতে নিয়ে যায়। দিন দিন রোজিনা অসুস্থ হতে থাকে। এমন খবর পেয়ে সাইদুল তার বোনকে কিছু দিনের জন্য পিতার বাড়িতে নিয়ে আসে। তখন ভাইদেরকে রোজিনা জানায়, তার আসলে কোনো টিবি রোগ নেই। গত ২৪শে জুন সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠার পর তার স্বামী বলে যে- যৌতুক বাবদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে দিতে হবে। তখন তা অস্বীকার করায় সকলে মিলে ওইদিন সকাল অনুমান সাড়ে দশটায় তাকে হারপিক খাইয়ে দিয়েছিল। তখন সে ভর্তি সংক্রান্ত ছাড়পত্রের একটি ফটোকপি তার ভাইকে দেখায়। পরে তার ভাই ছাড়পত্র পর্যালোচনা করে দেখেন তার বোন এইচ/অ আননোন পয়েজিং’র কারণে ভর্তি ছিল।
বোনের শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে গত ১৮ই আগস্ট সিলেট নর্থইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সাইদুল তার মামলায় আরো উল্লেখ করেন, তার বোনকে জোর করে হারপিক খাওয়ানোর পর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করেন তার স্বামী ও পরিবারের লোকজন। রোজিনার ভাই ও মামলার বাদী মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, তার বোনের স্বামী ও স্বামীর বড় ভাই এবং ভাইয়ের বউ হারপিক খাইয়ে হত্যা করেছে। তিনি তাদের শাস্তি চান। মোগলাবাজার থানার ওসি মো. আক্তার হোসেন জানান, প্রথমে থানায় যৌতুকের জন্য মারপিট ও হারপিক খাইয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ করা হয়। ২৬শে আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেয়েটি মারা গেছে। বর্তমানে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে। আর এ মামলায় নিহত রোজিনার স্বামীর বড় ভাইকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘কাশ্মীরে উগ্রপন্থার উদ্ভব হতে পারে’

এতে বলা হয়, চীনের সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান জেনারেল শু কিলিয়াংয়ের নেতৃত্বে ওই প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করে ইমরান খানের সঙ্গে। বৈঠকে চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ‘নোঙর’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন ইমরান। বৈঠক নিয়ে ইমরান খানের কার্যালয় থেকে বলা হয়, দুই পক্ষ আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়ে ঘনিষ্ঠ পরামর্শ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
উল্লেখ্য, কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে ভারতের সঙ্গে যখন পাকিস্তানের উত্তেজনা বিরাজ করছে, তখন এ ইস্যুতে পাকিস্তানকে সমর্থন করছে চীন। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাকিস্তানের পক্ষ অবলম্বন করেছে তারা। সেখানে গত ১৬ই আগস্ট ভারতের পদক্ষেপের কড়া নিন্দা জানিয়েছে চীন। ইমরান খানের সঙ্গে চীনা ওই প্রতিনিধিরা দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়েও আলোচনা করেছেন। এ সময় কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের অ্যাকশনের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাকিস্তানকে সমর্থন দেয়ার জন্য চীনকে ধন্যবাদ জানান ইমরান খান। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভারতের পদক্ষেপ শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে। তিনি আরো বলেন, নিজেদের অপরাধকে ঢাকতে এবং বিশ্ববাসীর দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে দিতে ভারত ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’ চালাতে পারে। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, কাশ্মীরিদের বিরুদ্ধে যে বর্বর নিষ্পেষণ চলছে তাতে উগ্রপন্থার উদ্ভব হতে পারে। এতে এ অঞ্চল অস্থিতিশীল হয়ে পড়তে পারে। বৈঠকে দুই দেশের জাতীয় মূল স্বার্থের বিষয়ে পরস্পরকে সমর্থন দেয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন জেনারেল শু। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক উন্নতি ও দীর্ঘদিনের বিরোধগুলোর নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। ওদিকে জেনারেল শু পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন। এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট আলভি বলেছেন, পাকিস্তানের সঙ্গে চীনের প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতাকে গভীরভাবে মূল্যায়ন করে পাকিস্তান। এ ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তায় সমর্থন দেয়াকেও সমভাবে মূল্যায়ন করে। ওদিকে জেনারেল শু-এর এই সফরে পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা বৃদ্ধি, পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদে পাকিস্তানকে সমর্থন দেয়ার জন্য চীনকে ধন্যবাদ জানান পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: চীনের নতুন প্রস্তাব by মিজানুর রহমান

সূত্র এ-ও বলছে, চীনের তরফে যে প্রস্তাব নোট আকারে দেয়া হয়েছে সেখানে বেইজিংয়ের মধ্যস্থতা সত্ত্বেও প্রত্যাবাসন শুরু না হওয়াকে ‘দুঃখজনক’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে- রোহিঙ্গা সঙ্কটকে এভাবে চলতে দেয়া যায় না। চীন বরাবরই প্রত্যাবাসনের পক্ষে। এ নিয়ে তারা মিয়ানমারের সঙ্গে ঘনিষ্টভাবে আলোচনায় যুক্ত রয়েছে। বাংলাদেশ সময় দিলে তারা ত্রিপক্ষীয় বৈঠক আয়োজনের চেষ্টা করবে বলেও এতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়। স্মরণ করা যায় রোহিঙ্গা ঢলের দু’বছরে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে নিয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ পর্যন্ত ৩ দফা বৈঠক হয়েছে। নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন স্থানে ওইসব বৈঠক হয়। যার মধ্য দিয়েই দ্বিতীয় দফায় ২২ শে আগষ্ট প্রত্যাবাসনের চেষ্টা হয়েছিল। ২০১৭ সালের ২৫শে আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশ সীমান্ত পাড়ি দিয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থী আগমনের ঢল নেমেছিল। এদিন থেকে পরবর্তী একমাসে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এখানে আগে থেকে ছিল প্রায় ৪ লাখ। বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার উখিয়া টেকনাফের বিভিন্ন শরণার্থী ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়া এসব শরণার্থীদের ৯২ হাজার শিশু জন্ম নিয়েছে। সব মিলে কক্সবাজারে এখন প্রায় সাড়ে ১১ লাখ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশুর বসবাস।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঝুঁকি নিলেন বরিস জনসন by জাহিদুর রহমান

রাণী এ সিদ্ধান্তে একমত হলে ব্রেক্সিটের আগে এমপিদের কোন বিল পাশ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। আকস্মিক এই সিদ্ধান্তে ঝড় ওঠেছে বিলাতের রাজনীতিতে। তার সমালোচনায় মুখর হয়েছেন বিরোধীরা। বলছেন, এটি অগণতান্ত্রিক। সাবেক প্রধানমন্ত্রী জন মেজর বলেছেন, এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি আদালতে যাবেন। স্পিকার জন বারকোও প্রধানমন্ত্রীর এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। টরি ব্যাকবেঞ্চার ডমিনিক গ্রিয়েভ পরিকল্পনাটিকে সাংঘাতিক বলে আখ্যায়িত করেছেন। বলেছেন, এতে প্রধানমন্ত্রী জনসনের বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে অনাস্থা প্রস্তাব উত্থাপিত হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ঘোষণার এক ঘণ্টার মধ্যেই এক লাখ মানুষ একটি পিটিশনে সিদ্ধান্ত স্থগিত করার পক্ষে সই করেছেন। ইউরোপীয় পার্লামেন্ট তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় বরিস জনসনের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছে। বলেছে, এই সিদ্ধান্ত এক অশুভ ইঙ্গিত।
সমপ্রতি শেষ হওয়া জি-সেভেন সম্মেলন শেষে বরিস জনসন বলেছিলেন, ইইউ থেকে বৃটেনের বিচ্ছেদ বা ব্রেক্সিট নিয়ে নতুন একটি চুক্তির প্রত্যাশা করছেন তিনি। ধারণা করা হয়েছিল, চুক্তি নিয়ে ইইউ ছাড়তে জোর দিচ্ছেন তিনি। তবে বুধবার এ নিজের অবস্থান পুরোপুরি পাল্টে দেন তিনি।
বৃটেনের স্থানীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, নতুন সরকার নির্বাচিত হওয়ার পর কয়েকদিনের জন্য পার্লামেন্ট স্থগিত রাখার রীতি রয়েছে বৃটেনে। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রানী এই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। স্থগিতাবস্থা শেষে রানীর ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় নতুন অধিবেশন। পার্লামেন্ট বন্ধ থাকা অবস্থায় কোনো বিতর্ক, পক্ষে-বিপক্ষে ভোট চলতে পারে না। যেসব আইন পার্লামেন্ট থেকে পাস হয়ে আসতে পারেনি, পার্লামেন্ট বন্ধ থাকা অবস্থায় সেগুলো স্ব স্ব জায়গায় স্থবির থাকে। পূর্বের দৃষ্টান্ত অনুসারে, এই স্থগিতাবস্থা চারদিন থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। কিন্তু জনসন সরকার পাঁচ সপ্তাহের জন্য মুলতবি রাখতে চাইছে পার্লামেন্ট অধিবেশন। সেপ্টেম্বরে পার্লামেন্ট সদস্যরা গ্রীষ্মকালীন ছুটি শেষে কাজে ফেরার পরপরই পার্লামেন্ট স্থগিত ঘোষণা করতে চান তিনি। নতুন অধিবেশন শুরু হবে ১৪ই অক্টোবর। সেদিনই রানী ভাষণ দেবেন।
পার্লামেন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ করার এই রীতি- ‘প্ররোগেশন’ নামে পরিচিত। রানীর পক্ষে এই অবস্থায় সরকারের আবেদন প্রত্যাখ্যান করার সাংবিধানিক সক্ষমতা থাকলেও, বাস্তবে তা বেশ কঠিন হবে। বিবিসি’র প্রতিবেদক জনি ডাইমন্ড বলেন, রানী তার মন্ত্রীদের, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। আদতে কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন না তিনি। সব সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিপরিষদই নিয়ে থাকেন। রানীর এখানে অনুরোধ প্রত্যাখ্যানের তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই।
বিরোধীদের অভিযোগ, চুক্তিহীন ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন করতেই সরকার এই পরিকল্পনা করছে। এতে করে নতুন অধিবেশনের পর ব্রেক্সিট কার্যকর হতে সময় থাকবে মাত্র দুই সপ্তাহ। উল্লেখ্য, বর্তমান চুক্তি অনুসারে আগামী ৩১শে অক্টোবর ব্রেক্সিট কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। এমতাবস্থায় সরকারের পার্লামেন্ট মুলতবির ঘোষণা বৃটেনজুড়ে রাজনৈতিক টানাপড়েন সৃষ্টি করেছে। ব্রেক্সিট নিয়ে দেশটির রাজনীতিতে টানাপড়েন অবশ্য নতুন কিছু নয়। এখন পর্যন্ত ব্রেক্সিটের চক্করে তিন বছরে দুই প্রধানমন্ত্রী সহ এক ডজনের বেশি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর পদত্যাগ দেখেছে বৃটিশরা। দুইবার পাল্টেছে ব্রেক্সিট কার্যকরের সময়সীমা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুনের পরে ব্রেক্সিটের হাল ধরতে এসেছিলেন তেরেসা মে। নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছিলেন মে। মাঝপথেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। হারিয়েছেন কনজারভেটিভ দলের নেতৃত্ব। তার জায়গায় নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন। প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে প্রচারণার প্রথমদিকে বেশ কট্টর অবস্থান নিয়েছিলেন ব্রেক্সিট ইস্যুতে। চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের প্রতি দৃঢ় সমর্থন দেখিয়েছিলেন। পরে অবশ্য কিছুটা নরম হয়ে জানান, চুক্তি নিয়েই ইইউ ছাড়তে চান তিনি। যদিও বিরোধীদের দাবি, তিনি মূলত চুক্তিহীন ব্রেক্সিটই চাইছেন।
তবে জনসন দাবি করেন, চুক্তিহীন ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন করার উদ্দেশ্য নিয়ে পার্লামেন্ট স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়নি। এমন অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা। তিনি জানান, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ব্রেক্সিট কার্যকর হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চান না তিনি। এ ছাড়া, ব্রেক্সিট নিয়ে আলোচনা করার জন্য পার্লামেন্ট খোলার পরও পর্যাপ্ত সময় পাবেন সংসদ সদস্যরা। বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের নতুন আইন প্রয়োজন। আমাদের নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ বিল সামনে নিয়ে আসতে হবে। সেজন্যই আমরা রানীর ভাষণ শুনবো।
তিনি আরো জানান, এই মুলতবি প্রয়োজনীয়। কারণ সরকারের কাছে একটি বিশেষ এজেন্ডা রয়েছে। তারা সেটি বাস্তবায়ন করতে চায়।
‘কর নয়তো মর’
বিবিসি’র রাজনৈতিক সমপাদক লরা কুসেনবার্গ জানান, সরকারের গুটিকয়েক মন্ত্রীরা এই পরিকল্পনা সমপর্কে আগ থেকে জানতেন। প্রধানমন্ত্রী জনসন জানান, তিনি ৩১শে অক্টোবরের মধ্যে চুক্তি সহ ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যকে বের করে নিতে চান। তবে কোনো চুক্তি না হলেও তিনি ওই সময়ের মধ্যেই ব্রেক্সিট কার্যকর করতে চান। তিনি ব্রেক্সিট নিয়ে ‘কর নয়তো মর’ নীতি অনুসরণ করছেন। তার এই অবস্থান বিরোধীদের পক্ষ থেকে তীব্রভাবে সমালোচিত হয়েছে। তারা চুক্তিহীন ব্রেক্সিট ঠেকাতে একজোট হয়ে পরিকল্পনা করছে। মঙ্গলবার বিরোধীদের জোট এক ঘোষণায় জানিয়েছে, তারা পার্লামেন্ট ব্যবহার করেই সরকারের চুক্তিহীন ব্রেক্সিট পরিকল্পনা রুখতে চায়। তবে এ বিষয়ে তাদের পরিকল্পনা কী তা জানা যায়নি। এরপরই পার্লামেন্ট স্থগিত করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে সরকার।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন আগামী সপ্তাহে পার্লামেন্টে একটি জরুরি বিতর্কের আহ্বান জানাবেন। এতে সংসদ সদস্যরা চুক্তিহীন ব্রেক্সিট ঠেকাতে নতুন বিল প্রস্তাবের সুযোগ পাবে। কিন্তু রানী যদি সরকারের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১০ই সেপ্টেম্বর পার্লামেন্ট বন্ধ করে দেয়, তাহলে বিরোধীরা বিল পাসের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাবে না।
এদিকে মন্ত্রীরা বলছেন, এমন সময়ে পার্লামেন্ট বন্ধ হলে তারা ব্রেক্সিট প্রক্রিয়ায় গণতান্ত্রিক ভূমিকা রাখতে পারবেন না। সাবেক বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী জন মেজরসহ একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব সরকারের এই ঘোষণার বিরোধিতা করেছেন। বিরোধী দল স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির মুখপাত্র জোয়ানা চেরি জানিয়েছেন, তারা ইতিমধ্যে স্কটল্যান্ডের আদালতে পদক্ষেপটির বিরুদ্ধে আবেদন করেছেন।
স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টার্জন পার্লামেন্ট স্থগিতের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে সংসদ সদস্যদের ঐক্যবদ্ধ হতে আহ্বান জানিয়েছেন। বলেছেন, পার্লামেন্টের সদস্যদের আগামী সপ্তাহে এই পরিকল্পনা রুখতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, অথবা আজকের দিন ইতিহাসের পাতায় বৃটিশ গণতন্ত্রের জন্য কালো দিন হিসেবে বিবেচিত হবে।
বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন বলেছেন, সরকারের এই পরিকল্পনা ভয়ানক। এটি বৃটেনের গণতন্ত্রকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। তিনি বলেন, আমি জনসন সরকারের প্রমত্ততায় হতভম্ব হয়ে গেছি। তারা সার্বভৌমত্ব নিয়ে কথা বলে, কিন্তু তাদের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ ঠেকাতে পার্লামেন্ট বন্ধ করে দিতে চায়। বেপরোয়াভাবে চুক্তিহীন ব্রেক্সিট পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চায়। এটা সাংঘাতিক পদক্ষেপ আমাদের গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। এ জন্যই লেবার পার্টি এই বেপরোয়া সরকারকে থামাতে পার্লামেন্টের সবার সঙ্গে মিলে কাজ করছে। যাতে করে পার্লামেন্টে ইতিমধ্যে প্রত্যাখ্যান হওয়া চুক্তিহীন ব্রেক্সিট পরিকল্পনা থামানো যায়। জনসন যদি নিজের পরিকল্পনা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে বা গণভোটের মাধ্যমে জনগণের সামনে তুলে ধরুক।
এদিকে, জনসন সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রামপ। গুঞ্জন ছড়িয়েছে, জনসনের বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে আগামী সপ্তাহে একটি অনাস্থা প্রস্তাব তুলতে পারেন করবিন। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রামপ এক টুইটে জনসনের সমর্থন নিয়ে বলেন, অনাস্থা ভোটে হেরে যাবেন করবিন। কেননা, বৃটেন এতদিন ধরে বরিস জনসনের অপেক্ষাতেই ছিল। জনসন প্রমাণ করে দেবেন যে, তিনি একজন মহান নেতা।
এদিকে, বৃটিশ সরকারের সমালোচনায় ইইউ পার্লামেন্টের ব্রেক্সিট বিষয়ক সমন্বয়ক গাই ভেরহফসাদত বলেন, পার্লামেন্ট স্থগিত করে ইইউ-বৃটেনের মধ্যে স্থিতিশীল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা কম। নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়ে নেয়ার এমন অশুভ উদাহরণ আর কখনো দেখা যায়নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ফের ব্যর্থ: ঢাকার চুলচেরা বিশ্লেষণ বিশ্বকে জানাতে ব্রিফিং আজ

ওই কূটনৈতিক ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। সূত্র মতে, ব্রিফিংয়ের পর এ নিয়ে গণমাধ্যমে কোন তথ্য শেয়ার করতে বারণ করা হয়েছে। তবে এটা আভাস মিলেছে যে কূটনৈতিক ব্রিফিং শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই গণমাধ্যমকেও ব্রিফ করতে পারেন।
কূটনীতিকদের কী বলবে বাংলাদেশ: টাস্কফোর্সের মিটিংয়ের পর্যালোচনা বা কূটনৈতিক ব্রিফিংয়ের প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে গণমাধ্যমের ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও এ নিয়ে মুখে কুলুপ এটেছেন সেগুনবাগিচার কর্মকর্তারা। আজকের কূটনৈতিক ব্রিফিংয়ে কী বলবে বাংলাদেশ? সন্ধ্যা পর্যন্ত এ নিয়ে জানার চেষ্টা ছিল মানবজমিনের। কিন্তু কোন কর্মকর্তাই খোলাসা করে কিছু বলতে রাজী হননি। একজন শুধু বলেন, প্রত্যাবাসন নিয়ে মিয়ানমারের দোষারোপ চেষ্টার বিপরীতে ঢাকার তরফে একটি আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়েছে। সেখানে কিছু বিষয় স্পষ্ট করা হয়েছে। যেমন মিয়ানমারের ভিত্তিহীন অভিযোগ, অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রোপাগান্ডা, যা পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য। ঢাকা মনে করে রোহিঙ্গা সমস্যার উপযুক্ত সমাধানে ‘দায়বদ্ধতা’ এবং ‘প্রতিশ্রুতি’র বাস্তবায়নে মিয়ানমারের পুরোপুরি মনোনিবেশ করা জরুরি। কারণ এ সঙ্কট সৃষ্টির জন্য সম্পূর্ণভাবে মিয়ানমারই দায়ী। সুতরাং সামাধান তাদেরই করতে হবে। বাংলাদেশ ভুক্তভোগী মাত্র। কিন্তু মিয়ানমার তাদের দায় এবং প্রতিশ্রুতির বিষয়টি ভুলে গিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ‘অসহযোগিতার’ অভিযোগ করছে, যা পুরোপুরি অন্যায়। রোহিঙ্গাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে ফেরত নেয়া, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া তদারকি করা এবং দেশটিতে বসবাসরত অন্য জাতি-গোষ্ঠির মধ্যে রোহিঙ্গাদের রিইন্টিগ্রেশন বা পূণঃএকত্রিকরণের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে মিয়ানমার সরকারের উচিত আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের সঙ্গে মিলে একটি ‘সমন্বিত পদেক্ষেপ’ বা উদ্যোগ গ্রহণ করা। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তাদের দায়-দায়িত্বের বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেয়া ছাড়াও এ ইস্যুতে এ পর্যন্ত বিশ্ব সম্প্রদায়ের যে অব্যাহত সমর্থন সেটির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে। একই সঙ্গে জানাবে- যারাই ফিরতে চায়, যে কোনো সময় তাদের ফেরৎ পাঠাতে বাংলাদেশ প্রস্তুত। তাদের জাতিগত ও ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে ‘কাউকে বাধা না দেয়ার’ যে নীতিগত অবস্থান বাংলাদেশ বজায় রেখে চলেছে সেটিও আজ দুনিয়ার সামনে ফের তুলে ধরবে ঢাকা। রাখাইনে প্রত্যাবাসনের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতে মিয়ানমার কী করেছে তা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা ছাড়াও রোহিঙ্গাদের কাছে শেয়ার করার আহ্বান পূণর্ব্যক্ত করবে বাংলাদেশ। রোহিঙ্গারা মনে করে রাখাইনে এখনও নিরাপত্তার ব্যবস্থা যথেষ্ট হয়নি। সার্বিকভাবে রাখাইনে তাদের ফেরার মতো পরিবেশ এখনও নিশ্চিত না হওয়ায় একজন রোহিঙ্গাও ফিরতে রাজি হয়নি, এটাই দুনিয়াকে বলবে বাংলাদেশ। রাখাইনে ফেরার পর তাদের নিরাপত্তা নিয়ে যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে সেটাও তুলে ধরা হবে। সেখানে প্রত্যাবাসের প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়া, বিশেষ করে আইনের শাসন, তাদের অধিকার বিষয়ক ইস্যুগুলো যেমন নাগরিকত্ব, মুক্তভাবে চলাফেরার নিশ্চয়তা এবং বলপূর্বক কেড়ে নেয়া বসতভিটা-জমি জমার অধিকার ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা না থাকার বিষয়টি উল্লেখ করবে ঢাকা। বাংলাদেশ বলবে- রোহিঙ্গারা কেউ বলেনি ফিরতে চায় না, তারা সবাই বলেছে ফিরতে চায়, কিন্তু অবশ্য তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো মিয়ানমার সরকারকে মানতে হবে। তাদের সঙ্গে মিয়ানমার সরকারের আলোচনায় তাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা, প্রত্যাবাসন তদারকি এবং রি-ইন্টিগ্রেশনে রাখাইনে আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের উপস্থিতির দাবি করেছিল। মিয়ানমারও তাদের নাগরিকত্বসহ মৌলিক দাবিগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে মেনে নেয়া এবং সংকটের গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে পেতে নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর বাস্তুচ্যুতদের সঙ্গে আলোচনার আশ্বাস দিয়েছিলো। কিন্তু এ নিয়ে মিয়ানমারের পরবর্তী কোন পদক্ষেপ দৃশ্যমান না হওয়ায় রোহিঙ্গারা যে বিরক্তি প্রকাশ করেছে সেটিও দুনিয়াকে জানাবে বাংলাদেশ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুযায়ী বাস্তুচ্যুতদের প্রত্যাবাসনে উৎসাহিত করা সম্পূর্ণভাবে যে মিয়ানমারের দায়িত্ব সেটিও স্মরণ করবে ঢাকা। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের মধ্যে থাকা আস্থার সংকট দূর করাও যে দায়িত্ব সেটি পূণর্ব্যক্ত করা হবে। আনান কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী মিয়ানমার সরকারকে রোহিঙ্গাদের জন্য রাখাইনে একটি যথাযথ পরিবেশ নিশ্চিত করার অনুরোধ ব্যক্ত করবে ঢাকা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনি হত্যা: ভিডিও ফুটেজে ৭ খুনি শনাক্ত

ঘটনাস্থলের আশেপাশে থাকা সিসি টিভি ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহের পর তা নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করে এই সাত ছুরিকাঘাতকারী খুনিকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানান নগরীর খুলশী থানার ওসি প্রণব চৌধুরী।
তিনি বলেন, জনির ওপর হামলাকারীরা সংঘবদ্ধভাবে ১০ থেকে ১৫ জন ছিল। এদের মধ্যে দু’জনকে ঘটনার পরপরই আটক করা হয়। শিগগিরই বাকিদের গ্রেপ্তারে সক্ষম হবে বলেও আশা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বোন মাহমুদা আক্তার বাদী হয়ে খুলশী থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন- সৌরভ ঘোষ (২০), সৈয়দ সাফাত কায়সার (১৯), রবিউল (১৯), তুষার (২২), আনিসুর রহমান (৩০), আয়াতুল হক (২০) ও মো. মামুন (৩০)। এর বাইরে আরো ১৫ থেকে ২০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
ওসি প্রণব চৌধুরী বলেন, আমরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত কয়েকজনকে ইতিমধ্যে শনাক্ত করেছি।
এরা সবাই কলেজকেন্দ্রিক ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এরমধ্যে সৌরভ ও সাফাতকে ঘটনার পরপরই আটক করা হয়েছে। তাদের এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বুধবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়েছে।
ওসি বলেন, হামলা ও ছুরিকাঘাতকারী বাকিদের গ্রেপ্তারে তৎপর রয়েছে পুলিশ। যেকোনো সময় তাদের গ্রেপ্তারের খবর দিতে পারবো।
হত্যাকাণ্ড সমপর্কে তিনি বলেন, আধিপত্য নিয়ে আগেরদিনও ভিকটিমের সঙ্গে প্রতিপক্ষের হাতাহাতি ও ধাওয়ার তথ্য পেয়েছি আমরা। আবার প্রেমঘটিত একটি বিষয়ও নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে। আমরা সবদিক বিবেচনায় রেখেই কাজ করছি। জড়িতরা গ্রেপ্তার হলে সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে।
এদিকে এমইএস কলেজ গেটের সামনের সিসিটিভি থেকে পাওয়া ফুটেজে দেখা গেছে, হত্যাকাণ্ডের সময় ১০-১২ জন যুবক জনিকে ঘিরে ধরেছিল। তাদের মধ্যে কেউ একজন সরি বল, সরি বল বলছিল তাকে। এ সময় আরেকজন জনির উরু ও হাঁটুতে ছুরিকাঘাত করে। জনি পালাতে চাইলে আরেকজন তার পিঠে ছুরিকাঘাত করে। এরপর সে সড়কের ওপর লুটিয়ে পড়ে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই জনির মৃত্যু হয়েছে বলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন।
বুধবার সকালে জনির সহপাঠীরা খুলশী থানার সামনে ঘাতকদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেছে।
জনির বোন মাহমুদা আক্তার জানান, জাকির হোসেন জনি ঢাকার একটি কলেজে পড়ে। তাদের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের ধরমপাশা উপজেলার কলাপাড়ায়।
মাহমুদা আক্তার জানান, জনি একসময় তার বাসায় থেকে লেখাপড়া করলেও বছরখানেক আগে ঢাকায় বড় ভাইয়ের বাসায় গিয়ে সেখানেই একটি কলেজে ভর্তি হয়। কোরবানির ঈদের আগে আমার বাসায় বেড়াতে এসেছিল জনি। গত ২৬শে আগস্ট রাতে ট্রেনে তার ঢাকায় ফেরার কথা ছিল। কিন্তু দুপুরেই ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারাতে হয় তাকে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা সমাবেশ নিয়ে কক্সবাজারের ডিসি’র প্রতিবেদনে যা বলা হয়েছে by দীন ইসলাম

সমাবেশে রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ, মো. ইলিয়াছ, মোস্তাফিজুর রহমান, আব্দুর রহিম প্রমুখ বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মুহিবুল্লাহ বলেন, মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের জায়গা এখনও নিরাপদ নয়। তাদের নিয়ে যদি ক্যাম্পে রাখা হয় তাহলে বাংলাদেশের ক্যাম্পই তাদের জন্য ভালো। তাই নাগরিকত্ব, নিরাপত্তাসহ অধিকার বাস্তবায়ন না হলে মিয়ানমারে ফিরবে না রোহিঙ্গারা।
রোহিঙ্গা নেতারা সমাবেশে বলেন, রোহিঙ্গা মুসলমানদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে নিতে হবে মিয়ানমারকে। সঙ্গে রাখাইনে ফেলে আসা ভিটেমাটিও ফিরিয়ে দিতে হবে। তাহলেই প্রত্যাবাসন সফল হবে। আমাদের সব সময় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমাদের যদি মিয়ানমারে ফিরে যেতে হয়, এক সঙ্গে যাব, এক সঙ্গে সীমান্ত পার হবো। প্রতিবেদনে জানানো হয়, শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয় (আরআরআরসি), কক্সবাজারের অধীনের ক্যাম্প ইনচার্জরা তাদের মৌখিকভাবে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল করার অনুমতি দেন। এরপরও তারা গণহত্যার বিচার ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দাবি সংক্রান্ত লিফলেটসহ মিছিল নিয়ে মহাসমাবেশ করেছে। ডিসি’র প্রতিবেদনে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের মহাসমাবেশ করার ক্ষেত্রে যেসব এনজিওদের ইন্ধন বা সহযোগিতা রয়েছে, সেসব এনজিওদের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের মাধ্যমে জানা যায় যে, বেশ কয়েকটি এনজিও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিরোধী কর্মকান্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে নতুন পুরাতন মিলে বাংলাদেশে বসবাসকারি রোহিঙ্গার সংখ্যা ১১ লাখ। তারা কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন ক্যাম্পে বসবাস করছেন। ২৫ আগস্ট বাংলাদেশে আগমনের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে মহাসমাবেশ নিয়েই এখন যত আলোচনা চলছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুন্দরবন বাংলাদেশের ফুসফুস: হাইকোর্ট

শুনানির সময় হাইকোর্ট বলেন, আজ আমাজন পুড়ছে। বিশ্বের মানুষ আমাজনকে রক্ষায় সচেষ্ট। আমাজন যেমন পৃথিবীর ফুসফুস ঠিক তেমনই সুন্দরবন আমাদের ফুসফুস। তাই সুন্দরবন রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সবার।
ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার জানান, এলপিজি কারখানা স্থাপনে পরিবেশগত ছাড়পত্র পাওয়ার জন্য করা পৃথক তিনটি আবেদনের বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে সুন্দরবনের মংলা এলাকার ১০ কিলোমিটারের মধ্যে শিল্প এলাকায় বোতলজাত এলপিজি উৎপাদনের জন্য রিটকারী কোম্পানিকে পরিবেশগত ছাড়পত্র দেয়ার নির্দেশ দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। সঙ্গে সঙ্গে রায়ের দেয়া পর্যবেক্ষণে সুন্দরবনের পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় কতগুলো শিল্প কারখানা হবে, সেটা নির্ধারণ করবে সরকার।
ভবিষ্যতে সংকটাপন্ন এলাকায় নতুন শিল্প স্থাপন বন্ধে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে এ রায় বাধা হবে না বলেও পর্যবেক্ষণ দেন আদালত।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। শুনানিতে ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেন, টিএমএমএস একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। তারা পরিবেশগত ছাড়পত্র নিয়ে বোতলজাত এলপিজি কারখানা করতে চায়। কিন্তু পরিবেশ অধিদফতর ছাড়পত্র দিচ্ছে না। অন্যদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এর বিরোধিতা করে বলেন, একজনকে দেয়া হয়েছে বলে কারখানা করার জন্য আরেকজনকে দিতে হবে, বিষয়টি এমন হলে তো আর পৃথিবীর ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন থাকবে না। তখন আদালত বলেন, ডিসক্রিমিনেশন হচ্ছে না তো। সেখানে ১৫৪টি বিভিন্ন রকমের ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে।
এরপর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সুন্দরবনের পরিবেশগত অবস্থা যাতে ঠিক থাকে তা খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি গঠন করার নির্দেশনা চান। আদালত তাতে সাড়া না দিয়ে রুল নিষ্পত্তি করে রায় দেন।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে এলপিজি কারখানা স্থাপনে পরিবেশগত ছাড়পত্র পেতে আবেদন করে তিনটি কোম্পানি। সরকারের অপরাপর প্রতিষ্ঠানের অনুমতি পেলেও পরিবেশগত ছাড়পত্র পাচ্ছিল না কোম্পানিগুলো। পরে ২০১৮ সালের অক্টোবরে এলপিজি কারখানা স্থাপনে পরিবেশগত ছাড়পত্র না পাওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করে টিএমএমএসসহ অন্যান্য কোম্পানি। ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় ঘোষণা করা হলো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1400)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
August
(1053)
-
▼
Aug 29
(8)
- যে কারণে মারা গেল রোজিনা by ওয়েছ খছরু
- ‘কাশ্মীরে উগ্রপন্থার উদ্ভব হতে পারে’
- রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: চীনের নতুন প্রস্তাব by মিজান...
- ঝুঁকি নিলেন বরিস জনসন by জাহিদুর রহমান
- রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ফের ব্যর্থ: ঢাকার চুলচেরা বিশ...
- জনি হত্যা: ভিডিও ফুটেজে ৭ খুনি শনাক্ত
- রোহিঙ্গা সমাবেশ নিয়ে কক্সবাজারের ডিসি’র প্রতিবেদনে...
- সুন্দরবন বাংলাদেশের ফুসফুস: হাইকোর্ট
-
▼
Aug 29
(8)
-
▼
August
(1053)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...