Showing posts with label মাসুদ রানা. Show all posts
Showing posts with label মাসুদ রানা. Show all posts

Thursday, February 13, 2025

‘ওর মৃত্যুতে দেশবাসী ছাড়া কাঁদার মতো কেউ নেই’ by মাসুদ রানা

পাঁচ বছর বয়সে বাবা পাড়ি দিয়েছেন পরপারে। তারও আগে মা চলে গেছেন অন্যের ঘরে। দেখভাল করতেন দাদি। দুই ভাই, এক বোনের সংসারে বড় ভাই আর দাদিও প্রয়াত হয়েছেন। একমাত্র বোন থাকে মায়ের সঙ্গে। এমন নিঃসঙ্গ ও অসহায় ছেলে আবুল কাশেমের পড়াশোনাও এগোয়নি খুব বেশি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ২০ বছর বয়সী ছেলেটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বুধবার বেলা তিনটার দিকে মারা গেলেন।

নিহত আবুল কাশেম গাজীপুর মহানগরের দক্ষিণ কলমেশ্বর এলাকার প্রয়াত হাজি জামালের ছেলে। শুক্রবার রাতে মহানগরীর ধীরাশ্রম দক্ষিণখান এলাকায় সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছাত্রদের ওপর হামলা এবং তাঁদের আটকে মারধরের যে ঘটনা ঘটেছিল, তাতে আবুল কাশেমসহ ১৭ জন আহত হন। পরে কাশেমসহ গুরুতর আহত ৭ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গাজীপুর শাখার সমন্বয়ক মো. আবদুল্লাহ বলেন, আবুল কাশেমকে হত্যার প্রতিবাদে আজ বুধবার রাতে গাজীপুরের শিববাড়ী মোড় থেকে ডিসি অফিস পর্যন্ত মশাল ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজবাড়ী মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মহানগরীর বোর্ডবাজার–সংলগ্ন আল-হেরা সিএনজি পাম্প মাঠে আরেক দফা জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় আজ আরও ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ পর্যন্ত এ ঘটনায় ১৬০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আগের মামলার সঙ্গে এখন হত্যা মামলার ধারাও যুক্ত করা হবে।

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বোর্ডবাজার আল–হেরা সিএনজি পাম্প থেকে ৫-৬ কিলোমিটার পশ্চিমে আনাস মার্কেট। পাশেই আবুল কাশেমের বাড়ি। আজ বিকেল চারটার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, অনেক নারী-পুরুষের ভিড়। সেখানে একটি দোকানের সামনে বসে নিহত আবুল কাশেমের ফুফু নাসিমা বেগম হাউমাউ করে কাঁদছিলেন। অনেকে তাঁকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। খবর পেয়ে আত্মীয়স্বজনও ছুটে এসেছেন। পুরো এলাকায় শোক নেমে এসেছে। ওই স্থান থেকে ৫ ফুট ভেতরে একটি ছোট তিনতলা ভবনের তৃতীয় তলায় একটি কক্ষে একাই বসবাস করতেন আবুল কাশেম। ৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরের পর থেকে ঘরটি তালাবদ্ধ অবস্থায় আছে। তবে ঘরের জানালাটা এখনো খোলা। সেই জানালার ফাঁকা দিয়ে দেখা যায় ঘরে খাট-পালং কিছুই নেই। ফ্লোরে একটি বিছানা পাতা আছে। ঘরের দেয়ালে টানানো একটি দড়িতে কাশেমের জামাকাপড় ঝুলে আছে।

স্থানীয় লোকজন জানান, কাশেম নিজেই রান্না করে খেতেন। যার কারণে ঘরের মেঝের এক পাশে হাঁড়ি–পাতিল আর থালাবাসনও দেখা যায়। সেখানে কথা হয় কাশেমের দূরসম্পর্কের ভগ্নিপতি সজীব আহমেদের সঙ্গে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, আবুল কাশেমের বয়স যখন ৪-৫, তখন তাঁর মা বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়ে অন্যত্র বিয়ে করেন। এরপর তাঁর বাবা মারা যান। তাঁর বড় ভাই গত বছরের জুলাই মাসে অজ্ঞাত কারণে আত্মহত্যা করেন। মূলত তাঁকে দেখার মতো কেউ ছিল না। বোনও তাঁর মায়ের সঙ্গে থাকে। কাশেম স্থানীয় একটি স্কুলে লেখাপড়া করেছিলেন। তবে বেশি দূর পড়া হয়নি।

নিহতের চাচা আবুল কালাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার ভাতিজা স্থানীয় ছাত্রদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে যোগ দেয়। তাকে হামলা চালিয়ে মারধর করে যারা হত্যা করেছে, তাদের বিচার চাই, তাদের ফাঁসি চাই।’

নিহত কাশেমের চাচি সুরাইয়া বেগম বলেন, ‘শুক্রবার বিকেলে বাসার সামনে বসে আছি। ও বাসা থেকে বের হওয়ার সময় আমার সঙ্গে শেষ কথা হয়। বলে চাচি আমি জয়দেবপুর যাচ্ছি, আসতে রাত হবে। এই বলে সে চলে যায়। সন্ধ্যার পরে শুনলাম ছাত্রদের সাথে কোথায় যেন গেছে। এরপরে শুনি কারা যেন ওরে মারধর করেছে, আহত অবস্থায় হাসপাতালে আছে। ওর মৃত্যুতে কাঁদার মতো কেউ নেই দেশবাসী ছাড়া। ওর মৃত্যুতে যারা দায়ী, তাদের বিচার চাই।’

আবুল কাশেম
আবুল কাশেম। ছবি: সংগৃহীত

Saturday, May 30, 2015

লেগুনাচালকেরা শিশু-কিশোর, পৃষ্ঠপোষকতায় পুলিশ! by মাসুদ রানা

গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় যাত্রী নেওয়ার অপেক্ষায়
সারি সারি লেগুনা। বেশির ভাগ লেগুনার চালকই এ রকম কিশোর।
তাদের নেই ড্রাইভিং লাইসেন্স। লেগুনাগুলোর বেশির ভাগেরই
ফিটনেস নেই। তাই দুর্ঘটনা ঘটছে প্রায় নিয়মিত। প্রথম আলো
গাজীপুর থেকে বিভিন্ন সড়কে প্রতিদিন চলা শত শত যাত্রীবাহী লেগুনার (হিউম্যান হলার) চালক এবং সহযোগীরা বেশির ভাগই শিশু ও কিশোর। এসব চালকের নেই কোনো ড্রাইভিং লাইসেন্স। পুরোনো এসব লেগুনার বেশির ভাগেরই ফিটনেস নেই। যার কারণে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা, হচ্ছে প্রাণহানি।
গত সোমবার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের পোড়াবাড়ীতে আসামি বহনকারী পুলিশের একটি লেগুনা দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত হয়। আহত হয় ১৩ জন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন পুলিশ, অন্যরা আসামি। গাজীপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ওই লেগুনার চালক কিশোর বয়সের। দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের মধ্যে তাকে এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকদের চালানো লেগুনায় লাশ বহন, এজাহারভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার, আসামি আদালতে আনা-নেওয়াসহ সব কাজই করছে পুলিশ। পর্যাপ্ত পরিবহন না থাকাকেই এর কারণ বলে দাবি পুলিশের। আর লাইসেন্সবিহীন চালক দিয়ে ফিটনেসবিহীন লেগুনা চালানোকে বৈধ করতে বিনা বাক্যেই এসব গাড়ি পুলিশ চাওয়ামাত্র পেয়ে যায়।
পরিবহনশ্রমিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা থেকে রাজেন্দ্রপুর, সালনার দিকে প্রতিদিন প্রায় ২০০ লেগুনা চলাচল করে। এ ছাড়া চান্দনা চৌরাস্তা থেকে শিববাড়ী, শিমুলতলী পর্যন্ত চলাচল করে ১২০টি লেগুনা, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চান্দনা চৌরাস্তা থেকে কোনাবাড়ী ও চন্দ্রা পর্যন্ত যাত্রী আনা-নেওয়া করে প্রায় দেড় শ লেগুনা।
গাজীপুর ট্রাফিক বিভাগের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সাখাওয়াত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, গাজীপুরে চলাচলরত অনেক লেগুনার চালকই শিশু-কিশোর। এদের কোনো ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেই। পুলিশের চাহিদামতো গাড়ি নেই। যার কারণে পুলিশের প্রতিদিনের কাজে লেগুনা ব্যবহার করতে হয়। এ জন্য তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।
গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় যাত্রী নেওয়ার অপেক্ষায় সারি সারি লেগুনা। বেশির ভাগ লেগুনার চালকই এ রকম কিশোর। তাদের নেই ড্রাইভিং লাইসেন্স। লেগুনাগুলোর বেশির ভাগেরই ফিটনেস নেই। তাই দুর্ঘটনা ঘটছে প্রায় নিয়মিত। গত মঙ্গলবার দুপুরে ছবিটি তোলা l প্রথম আলো
গতকাল মঙ্গলবার সরেজমিনে গাজীপুরের টঙ্গী বাসস্ট্যান্ডে দেখা যায়, সেখানে দাঁড়িয়ে আছে বেশ কয়েকটি লেগুনা। লেগুনার শিশু সহযোগীরা যাত্রীদের স্টেশন রোড, গাজীপুরা বলে ডাকাডাকি করছে। বেলা পৌনে একটার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় লেগুনাস্ট্যান্ডে গিয়ে দেখা যায়, তিন দিকের সড়কেই লেগুনার কারণেই যানজট লেগে আছে। সেখানে যেতেই ১০ বছরের শিশু ফেরদৌস হাত ধরে টানাটানি করছে, ‘উঠেন ভাই, এখনই চলো যাবে।’ সে জানায়, এক বছর ধরে লেগুনার সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। প্রতিদিন তার মজুরি ২০০ টাকা। চালক হবে কবে, জানতে চাইলে সে বলে, ‘আরে, কী কন ভাই, আমি তো এহনই লেগুনা চালাইতে পারি। ওস্তাত মাঝেমধ্যে আমারে চালাইতে দেয়। আর কিছু দিন গেলেই ওস্তাত হইয়া জামু।’
লেগুনার চালক নজরুল ইসলাম। বয়স ১৮ বছর। তিনি জানান, প্রথম দুই বছর হেলপার হিসেবে কাজ করেছেন। এরপর তিনি গাড়ির চালক হয়ে। লেগুনা চালানোর জন্য তিনি প্রতিদিন ৫০০ টাকা পান।
চান্দনা চৌরাস্তায় কথা হয় চালক সোহেল মিয়া, আবু রায়হান, সুমন ও মারুফ হেসেনের সঙ্গে। এদের সবার বয়স ১৫ থেকে ১৬ বছর। চালক গিয়াস উদ্দিন জানায়, তার বয়স যখন নয় বছর, তখন থেকেই চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় ঝালমুড়ি বিক্রি করত। পরে কিছু দিন ঝালমুড়ি বিক্রির পর লেগুনার সহযোগী হিসেবে কাজ শুরু করে। এখন তার বয়স ১৫-১৬। দুই বছর আগে থেকে সে লেগুনাচালক হয়েছে। সহযোগী থাকাকালে কখনো এক শ, কখনো দেড় শ টাকা পেত। চালক হওয়ার পর এখন সে পায় ৫০০ টাকা।
পুলিশের ভরসা অবৈধ লেগুনা: গাজীপুরের ছয়টি থানা, দুটি পুলিশ ফাঁড়ি ও পাঁচটি পুলিশ ক্যাম্পের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন কাজে পুলিশ লেগুনা ব্যবহার করে আসছে। এর জন্য গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা লেগুনাস্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন ৩০–৩৫টি লেগুনা রিকুইজিশন করা হয়।
লেগুনার চালক মো. রুবেল মিয়া বলেন, ‘লেগুনার চালকেরা সবাই সহযোগী থেকে চালক হয়েছে। তাদের কোনো লাইসেন্সও নেই। প্রতি সপ্তাহে তিন দিন করে পুলিশের ডিউটি করতে হয়। যার কারণে তাদের পুলিশও কিছু বলে না।’
গত মঙ্গলবার সকালে জয়দেবপুর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল মোমেন কয়েকজন আসামিকে একটি লেগুনায় করে গাজীপুর আদালতে নিয়ে যান। জানতে চাইলে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আসামি লেগুনায় আনব, নাকি হেলিকপ্টারে করে আনব?’

Sunday, January 5, 2014

‘ভোট নাকি তাঁরাই দিয়া লইব’ by আব্দুল্লাহিল ওয়ারিশ ও মাসুদ রানা

‘ভোট দিতে কেন যাব? নেতারা কইছে, ভোট দিতে যাওন লাগব না। তাঁরাই নাকি ভোট দিয়া লইব।’ সকাল সাড়ে নয়টার দিকে গাজীপুরের কাপাসিয়ার বলখেলা বাজারে কয়েকজন ভোটার ভোট দেওয়ার বিষয়ে এমন মন্তব্য করেন।

‘ভোট নাকি তাঁরাই দিয়া লইব’ by আব্দুল্লাহিল ওয়ারিশ ও মাসুদ রানা

‘ভোট দিতে কেন যাব? নেতারা কইছে, ভোট দিতে যাওন লাগব না। তাঁরাই নাকি ভোট দিয়া লইব।’ সকাল সাড়ে নয়টার দিকে গাজীপুরের কাপাসিয়ার বলখেলা বাজারে কয়েকজন ভোটার ভোট দেওয়ার বিষয়ে এমন মন্তব্য করেন।

দেশের অন্যান্য স্থানের মতো গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনে আজ রোববার সকাল আটটায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। তবে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ভোট দিতে আগ্রহ ছিল কম।

বলখেলা বাজারে শরীফ খান নামের অন্য একজন বলেন, ‘এবার নিরানন্দ ভোট হচ্ছে। অন্যবারের মতো আগ্রহ পাচ্ছি না। তাই ভোট দিব কি না, এখনো সিদ্ধান্ত নেইনি।’

নবীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দিতে আসেন হামিদা বেগম। তিনি বললেন, ‘ভোট হচ্ছে, তাই ভোট দিতে আইছি। সব দল থাকলে ভালো হতো। সবাই ভোট দিতে আসত।’

এই ভোটকেন্দ্রে কয়েকজন আনসার সদস্যের সঙ্গে কথা হয়। তাঁরা জানান, এবার ভোটের তেমন একটা আমেজ নেই। অন্য সময়ে ভোটারদের লাইন থাকে। কিন্তু এবার কোনো লাইন নাই। এক-দুইজন আসছেন। আবার তাঁরা ভোট দিয়ে চলে যাচ্ছেন।

ভোট দিয়েছেন কি না? জানতে চাইলে বাসুদেবপুর এলাকার মো. ইব্রাহীমের কাটছাঁট জবাব, ‘এখনো দিইনি, দেব কি না, তারও ঠিক নাই।’

আজ সকালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরুর পর কাপাসিয়ার বেশ কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে কেন্দ্রগুলো ভোটারশূন্য দেখা যায়। কেবল বড়হর বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে ভোটারদের বেশি উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। এ ছাড়া কাপাসিয়া সদরে পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের দুটি কেন্দ্র, পাশের কাপাসিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নবীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তিনশুনিয়া দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদরাসা, রাওনাত্ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধরপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাউতকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তরগাঁও মাদরাসা ফজলুল আবরার কেন্দ্রেও অনেকটা ভোটারশূন্য দেখা যায়।

কাপাসিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আলাউদ্দিন আলী জানান, দুপুর ১২টা নাগাদ এই আসনের মোট ১১৭টি কেন্দ্রে প্রায় ১৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। প্রচণ্ড শীত ও ঘন কুয়াশায় মানুষ আসতে পারছে না। দুপুরের পর ভোটার উপস্থিতি বাড়তে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সিমিন হোসেন রিমি, জাতীয় পার্টির এম এম আনোয়ার হোসেন এবং বিএনএফের মোহাম্মদ সারুয়ারে কায়নাত্।

Sunday, July 7, 2013

গাজীপুর সিটি নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের আগাম সংকেত by শরিফুল হাসান ও মাসুদ রানা

নিশ্চিত জয়ের পথে এম এ মান্নান
মোট কেন্দ্র ৩৯২
প্রাপ্ত ফল: ২৮৩

Saturday, July 6, 2013

গাজীপুরে আজ ‘জাতীয়’ নির্বাচন by শরিফুল হাসান ও মাসুদ রানা

জাতীয় নির্বাচন বলতে যা বোঝায় তার সবই আছে। শুধু নেই নৌকা আর ধানের শীষ প্রতীক। এর বদলে আছে দোয়াত-কলম আর টেলিভিশন।
প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্ব ও নাটকীয়তা, জোট-মহাজোটের পাল্টাপাল্টি দোষারোপের রাজনীতি,

Friday, July 5, 2013

গাজীপুর সিটি নির্বাচন উৎসবমুখর গাজীপুর by শরিফুল হাসান ও মাসুদ রানা

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ কাল শনিবার। নবগঠিত এই সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচন নিয়ে গাজীপুর উৎসবমুখর। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোট গ্রহণের সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।

গাজীপুর সিটি নির্বাচন আ.লীগের দুর্গে হানা দিতে চায় বিএনপি by শরিফুল হাসান ও মাসুদ রানা

গোপালগঞ্জের পর গাজীপুরকে আওয়ামী লীগ তাদের ঘাঁটি মনে করে। জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে এখানে বরাবরই জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। এবার নবগঠিত গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও অতীতের সেই ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন থাকবে বলে মনে করে ক্ষমতাসীন দলটি।

Thursday, July 4, 2013

সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপিকে সমর্থন ভোট কম, তবু জাপাকে নিয়ে টানাহেঁচড়া by শরিফুল হাসান ও মাসুদ রানা

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের শুরু থেকেই বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। গতকাল বুধবার বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও হেফাজত যৌথ সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছে।

Wednesday, July 3, 2013

গাজীপুর সিটি নির্বাচন ধর্মকে ব্যবহার করে প্রচারণা by শরিফুল হাসান ও মাসুদ রানা

নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে, এমন কোনো কথা প্রার্থীরা বলতে পারবেন না। কিন্তু গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রধান দুই মেয়র প্রার্থীই ধর্মকে প্রধান ইস্যু বানিয়েছেন। ধর্মকে ব্যবহার করে তাঁরা প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন জাতীয় নেতাদের দৌড়ঝাঁপ by শরিফুল হাসান ও মাসুদ রানা

নারায়ণগঞ্জের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী গতকাল মঙ্গলবার গাজীপুরে এসে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত মেয়র প্রার্থীর পক্ষে ভোট চেয়েছেন। সাংসদ আসাদুজ্জামান নূরের পর আইভীর প্রচারণা আজমতের ভোটের মাঠে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে জেলার নেতারা মনে করছেন।

Friday, June 28, 2013

গাজীপুর সিটি নির্বাচন: আওয়ামী লীগ বলছে, হেফাজতের একটি অংশ তাদের সঙ্গেও আছে বিএনপির পাশে হেফাজত by শরিফুল হাসান ও মাসুদ রানা

চার সিটি করপোরেশনের চেয়ে গাজীপুরে অনেক বেশি সক্রিয় হেফাজতে ইসলামের নেতারা। তাঁরা বিএনপির প্রার্থী এম এ মান্নানকে প্রকাশ্যে সমর্থন দিয়ে প্রচারণায় নেমেছেন। তবে আওয়ামী লীগ দাবি করছে, হেফাজতের একটি অংশ তাদের সঙ্গেও আছে।

Thursday, June 27, 2013

গাজীপুর সিটি নির্বাচন ‘গরিব বলে গরিবের কষ্ট বুঝি’ by মাসুদ রানা

‘কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করলে কথাও বলা যায় না, মানুষের জন্য কাজও করা যায় না। একমাত্র মেয়রই নগরের সত্যিকারের উন্নয়ন করতে পারেন। আমি গরিব, তাই গরিবের দুঃখ আমিই বুঝব।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন আ.লীগের পাশে নেই জাতীয় পার্টি by শরিফুল হাসান ও মাসুদ রানা

অনেক চেষ্টার পরও গাজীপুরের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে পাশে পাচ্ছে না আওয়ামী লীগ। আর তাই ১৪ দল-সমর্থিত প্রার্থী আজমত উল্লা খানের প্রচারকাজে মহাজোটের শরিক এই দলের নেতা-কর্মীদের দেখা যাচ্ছে না।

Wednesday, June 26, 2013

নারীমঞ্চ তাঁরা আনসার কর্মকর্তা by মাসুদ রানা

৩০ জুন তাঁরা যোগ দেবেন তাঁদের কর্মস্থলে। এর আগে এক বছর ধরে চলেছে তাঁদের মৌলিক প্রশিক্ষণ। যাঁদের কথা বলা হচ্ছে, তাঁরা হলেন ৩০তম বিসিএস পরীক্ষায় আনসার ও ভিডিপি ক্যাডারে নিয়োগ পাওয়া পাঁচ নারী কর্মকর্তা।

গাজীপুর সিটি নির্বাচন: স্ত্রী ও আইনজীবীর টাকায় নির্বাচন করবেন আজমত নিজের ও ব্যবসায়ীর টাকা খরচ করবেন মান্নান কে কোত্থেকে টাকা পাচ্ছেন by শরিফুল হাসান ও মাসুদ রানা

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একজন মেয়র পদপ্রার্থী সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা খরচ করতে পারবেন। আওয়ামী লীগ-সমর্থিত মেয়র পদপ্রার্থী আজমত উল্লা খান এর মধ্যে নিজের আয় থেকে মাত্র ছয় লাখ টাকা খরচ করবেন।

Sunday, June 23, 2013

সম্পদ বেশি মান্নানের, আজমতের চেয়ে স্ত্রী বেশি ধনী by শরিফুল হাসান ও মাসুদ রানা

গাজীপুরে সাত মেয়র পদপ্রার্থীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্পদশালী বিএনপি-সমর্থিত এম এ মান্নান। মামলার দিক থেকেও তিনি এগিয়ে। দুর্নীতির তিনটিসহ মোট সাতটি মামলা ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী আজমত উল্লা খানের বিরুদ্ধে মামলা ছিল তিনটি।

Saturday, June 22, 2013

সিটি করপোরেশন নির্বাচন গাজীপুরে জয় পেতে মরিয়া আ.লীগ by শরিফুল হাসান ও মাসুদ রানা

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রধান দুই প্রার্থীকে ছাড়িয়ে আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু এখন জাহাঙ্গীর আলম। আওয়ামী লীগ বলছে, জাহাঙ্গীর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে দলের মূল প্রার্থী আজমত উল্লা খানকে সমর্থন দিয়েছেন।

সিটি করপোরেশন নির্বাচন গাজীপুরে জয় পেতে মরিয়া আ.লীগ by শরিফুল হাসান ও মাসুদ রানা

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রধান দুই প্রার্থীকে ছাড়িয়ে আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু এখন জাহাঙ্গীর আলম। আওয়ামী লীগ বলছে, জাহাঙ্গীর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে দলের মূল প্রার্থী আজমত উল্লা খানকে সমর্থন দিয়েছেন।

Sunday, February 3, 2013

পুষ্পিতা হাজির by মাসুদ রানা

‘কিমায় ভরা কলসি পুলি’ নাম শুনেই মনে পড়ে যায় আমাদের পিঠা-ঐতিহ্যের গল্প। এই পিঠা নিয়ে রাঁধুনি পিঠা পায়েস বইতে লিখেছেন আয়েশা সিদ্দিকা। শুধু পিঠা নয়, বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে তিনি দেন হরেক রকম রান্নার রেসিপি।