Sunday, December 15, 2024
ব্যাংকের ৮৭ শতাংশ ঋণ নিয়েছেন একজন গ্রাহক
গভর্নর বলেন, গত ১৫ বছরে দেশ থেকে বিপুল অর্থ ব্যাংকিং সিস্টেমের মধ্যদিয়ে বিদেশে পাচার হয়েছে। এগুলো খুবই সুপরিকল্পিতভাবে নেয়া হয়েছে যেটা আমাদের সবার জন্য বেদনাদায়ক। ইসলামী ধারার কয়েকটি ব্যাংকের ৮৭ শতাংশ ঋণ নিয়েছে একজন গ্রাহক। দুঃখের বিষয় ঋণের অর্থগুলো এখন দেশে নেই, বিদেশে চলে গেছে। এ অর্থ ফেরত আনা কঠিন। ব্যাংক কোম্পানি আইনের খসড়া তৈরি করেছি; যার মাধ্যমে ঋণ ও পাচারের অর্থ-সম্পদ রিকভারি বা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করা হবে।
দেশের বেশ কিছু ব্যাংক তারল্য সংকটে ভুগছে জানিয়ে গভর্নর বলেন, আগামী জানুয়ারি থেকে ব্যাংক টু ব্যাংক তাদের সম্পদ পর্যালোচনা শুরু করা হবে। আমানতকারীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে গভর্নর বলেন, দুর্বল ব্যাংকগুলোর সব তথ্য-উপাত্ত যাচাই করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। কারা অর্থ নিয়ে গেছে সেটা বের হয়ে আসবে। ইউরোপ-আমেরিকার রাজনৈতিক সাহায্য নেয়া হবে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে।
মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে অন্তত এক বছর সময় লাগবে জানিয়ে ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, আসছে জুনের মধ্যে মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নামবে। আর আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। এ ছাড়া মূল্যস্ফীতি কমানোর জন্য যে সমস্ত নীতি দরকার তার সবগুলো প্রয়োগ করা হচ্ছে। আগামী জানুয়ারির মধ্যে মূল্যস্ফীতিতে উন্নতির লক্ষণ না দেখা দিলে, কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে মুদ্রানীতি আরও কঠোর করা হবে বলে জানান আহসান এইচ মনসুর।
গভর্নর বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপ ছাড়াই বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার নির্ধারণ হচ্ছে ও এখন বাজার স্থিতিশীল আছে।
এখন এলসি খুলতে কোনো জটিলতা নেই উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, গত চার মাসে অতিরিক্ত ৩ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
দু’টি পর্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন, অর্থনীতিবিদ মোশতাক হোসেন খান, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাসরুর রিয়াজ, এশিয়ান টাইগারের চেয়ারম্যান ইফতি ইসলাম, দ্য টাইম ট্রাভেলিং ইকোনমিস্টের লেখক চার্লস রবার্টসন, ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সেলিম আর এফ হোসেন, ডিএসই ব্রোকারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহসানুর রহমান।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অন্তর্বর্তী রিপোর্ট জমা, ১৬৭৬ অভিযোগের ৭৫৮টি যাচাই: নির্দেশদাতা হিসেবে হাসিনার সম্পৃক্ততা পেয়েছে গুম কমিশন

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ সমাজ গড়বো -মতবিনিময়ে তারেক রহমান
গতকাল রাজধানীর ঢাকার আগারগাঁও এলজিইডি-আরডিইসি ভবন মিলনায়তনে প্রতিবন্ধী নাগরিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অন্তত দেড় শতাধিক প্রতিবন্ধী নাগরিক এই মতবিনিময় অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে যে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলবো সেটি হবে সবার জন্য ফেয়ার, সবার জন্য ইনক্লুসিভ, সবার জন্য বাসযোগ্য এবং সবার জন্য উপভোগ্য। আসুন আমরা সবাই মিলে একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যার ভিত্তি হবে বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং উদারতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণ। আপনাদের কল্যাণ এবং সাফল্য আমাদের অগ্রাধিকার।
দেশে কিছু প্রাইভেট অর্গানাইজেশন শারীরিক প্রতিবন্ধীদের নানা ধরনের ট্রেনিং দেয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই ট্রেনিং শেষে চাকরির ব্যবস্থা করতে গিয়ে তারা হিমশিম খায়। এ সমস্যার সমাধানে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করবো, যাতে দেশের বড় ব্যবসাগুলো একটি নির্দিষ্ট শতাংশ শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জ ব্যক্তিদের নিয়োগ করতে উৎসাহিত হয়। উদাহরণস্বরূপ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়োগ করলে আমরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কিছু ট্যাক্স সুবিধা বা কমপ্লায়েন্স সার্টিফিকেট প্রদান করার চিন্তা করতে পারি। সুবর্ণ নাগরিক কার্ড নামক যে তথাকথিত কার্ড রয়েছে, সেটিকে গতিশীল করে আমরা এর আওতায় স্বাস্থ্য বীমা, শিক্ষা বৃত্তি, পরিবহন ডিসকাউন্টসহ অন্যান্য সামাজিক সুবিধা প্রদান করতে চাই। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিরা যাতে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারেন, আমরা তাদের জন্য বাস্তবসম্মত ভোকেশনাল ও টেকনিক্যাল ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করবো।
তারেক রহমান বলেন, বিশেষত আউটসোর্সিং, ডাটা প্রসেসিং এবং ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কিন্তু মেধাবী তরুণদের জন্য সুনির্দিষ্ট কারিগরি ও কাঠামোগত সুবিধা প্রদানের পাশাপাশি, ট্যাক্স ওয়েভার এবং ওয়ার্ক স্টেশন সৃষ্টির সুযোগ কার্যকরভাবে বিবেচনা করা যেতে পারে। অন্যান্য ক্ষেত্রেও, উদ্যমী ও সফল প্রতিবন্ধীদের জন্য সহজ শর্তে বিশেষ ঋণ সুবিধা প্রদান করে উদ্যোক্তা সৃষ্টির প্রচেষ্টা চালানো যাবে। আমরা গণপরিবহন ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্থাপনাকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য উপযোগী করে তোলার লক্ষ্যে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই। পাশাপাশি সরকারি চাকরিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য আমরা একটি নির্দিষ্ট অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিতে চাই।
তিনি বলেন, আপনাদের সেই সাহস, সংকল্প ও শক্তি আমাদের জন্য প্রেরণার উৎস। এটি আমাদের উদ্বুুদ্ধ করে একটি সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যেতে। আজ আমি আপনাদের এমন চারজন মানুষের জীবনের গল্প শোনাবো, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় যাদের অর্জিত সাফল্য আমাদের প্রেরণা জোগায়। প্রথম গল্পটি পটুয়াখালীর একজন ৬৮ বছর বয়সের মানুষের, যিনি বাকপ্রতিবন্ধী হলেও, ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিংয়ে গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ করছেন। তরুণদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিদেশি ক্লায়েন্ট থেকে ডলার উপার্জন করে পরিবারের অর্থনৈতিক দায়িত্ব পালন করা এই মানুষটির সাফল্য প্রমাণ করে, বয়স বা প্রতিবন্ধকতা কখনো জীবনের গতিপথ বদলাতে পারে না। দ্বিতীয় গল্পটি এক তরুণের, যার কোমর থেকে পা পর্যন্ত অবশ। শারীরিক সীমাবদ্ধতা তাকে শিখিয়েছিল, ‘আমার পা নেই তো কী হয়েছে? আমার হাত তো আছে।’ তিনি নিজের পছন্দের শখের কাজ, কাঠের শিল্পকলা তৈরির মধ্যে নিজের প্রতিভা প্রকাশ করতে শুরু করেন। পা না থাকলেও হাতের নিপুণ কাজে তিনি অসাধারণ কাঠের পণ্য তৈরি করেন, যা স্থানীয় বাজারে বিক্রি হয় এবং তার হাতের কাজ আজ দেশজুড়ে জনপ্রিয়।
বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, তৃতীয় গল্পটি মৌলভীবাজারের এক দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী তরুণের, যিনি চা-বাগানের এক শ্রমিকের সন্তান। চোখে আলো নেই, কিন্তু মনের আলোর শক্তিতে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। তার সংগ্রামী মনোবল আমাদের শিখিয়েছে, ইচ্ছাশক্তি আর মেধা কখনো শারীরিক সীমাবদ্ধতার কাছে হার মানে না। চতুর্থ গল্পটি এমন একজন মানুষের, যার চলার শক্তি নেই একমাত্র ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুল নড়াতে পারেন। সেই আঙুল দিয়েই তিনি কম্পিউটারে কাজ করেন। কুমিল্লার এক ছোট ঘরে বসে তিনি বেলজিয়ামের প্রতিষ্ঠানের জন্য পণ্যের ক্যাটালগ ডিজাইন করেন, একক প্রচেষ্টায় নিশ্চিত করে চলছেন অর্থনৈতিক মুক্তি ও সামাজিক অগ্রযাত্রা। এই চারজন ব্যক্তি আমাদের দেখিয়েছেন যে, প্রকৃত সক্ষমতা শরীর দিয়ে নয়, মনের জোর, ইচ্ছাশক্তি আর কঠোর পরিশ্রম দিয়ে মাপা হয়।
তিনি বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে প্রতিটি মানুষ তার সীমাবদ্ধতাকে জয় করে নিজের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পাবে। শারীরিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও যারা নিজ উদ্যোগে অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন, তাদের বিজয়ের গল্প আমাদের আলোর পথ দেখায়। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আগামীর বাংলাদেশে শারীরিক সীমাবদ্ধতা যেন কাউকে বৈষম্যের শিকার না করে, পিছিয়ে না রাখে, সেই বহুমুখী উদ্যোগ নিয়ে জীবনযুদ্ধে বিজয়ের অজস্র প্রেরণাদায়ী গল্প সৃষ্টি করা হবে। একসঙ্গে কাজ করে আমরা এমন একটি সমাজ গড়ে তুলবো, যেখানে প্রতিটি মানুষ তার পূর্ণ সম্ভাবনায় পৌঁছাতে পারবে, ইনশাআল্লাহ।
তারেক রহমান বলেন, গত ১৬ বছর ধরে আমরা এমন একটি বাংলাদেশে বসবাস করেছি, যেখানে আমাদের প্রাপ্য নাগরিক অধিকার ও স্বাধীনতা একে একে কেড়ে নেয়া হয়েছে। সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষ রাষ্ট্রীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছে এবং আপনারাও তার ব্যতিক্রম নন। ফলে আপনাদের জীবনের মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি, যা ব্যক্তিগতভাবে আমিও অনুভব করেছি। আমি আপনাদের জানাতে চাই, আমি এবং আমার দল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করলে আমাদের প্রতিজ্ঞা থাকবে আমরা সবসময় আপনাদের পাশে থাকবো। আমি বিশ্বাস করি, আপনারা কেউ প্রতিবন্ধী নন। বরং আপনারা সকলে বিশেষভাবে সক্ষম নাগরিক। আপনাদের প্রত্যেকের রয়েছে অসীম সক্ষমতা।
তিনি বলেন, নির্বাচিত বিএনপি সরকার নিশ্চিত করবে যে, দেশের অন্যান্য সকল নাগরিকের মতো আপনাদেরও নাগরিক অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা সঠিকভাবে এবং সমানভাবে পৌঁছে দেয়ার জন্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা থাকবে। আপনাদের সুচিকিৎসা, শিক্ষার সুযোগ, চাকরির ক্ষেত্রে সমান সুযোগ এবং দেশের প্রতিটি স্থাপনা ও যাতায়াত ব্যবস্থাকে আপনাদের জন্য এক্সিসেবল করে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। আজ আপনাদের বক্তব্য থেকে আমি উপলব্ধি করছি যে, আপনাদের হয়তো মনে হয় বাংলাদেশের অনেক কিছুই এখনো আপনাদের জন্য ফেয়ার নয়। অনেক জায়গায় আপনাদের একসেস দেয়া হয় না, প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয় এবং হয়তো উপেক্ষিত করা হয়। আপনাদের এই অনুভূতিগুলোকে আমি গভীরভাবে শ্রদ্ধা করি এবং এগুলো সমাধানে অঙ্গীকারবদ্ধ।
বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, নতুন আইন প্রণয়ন, বিদ্যমান আইনের সঠিক বাস্তবায়ন, বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি, কিংবা সেই অর্থের সুষ্ঠু বণ্টন যেভাবেই হোক, আমরা চেষ্টা করবো আপনাদের অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করতে। আমাদের লক্ষ্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে প্রত্যেকের জন্য সমান ন্যায্যতা ও একটি ফেয়ার শেয়ার নিশ্চিত থাকবে। সেই লক্ষ্যেই কিন্তু আপনাদের সঙ্গ আমাদের আজকের এই মতবিনিময় অনুষ্ঠান। আমাদের প্রতিশ্রুতি হলো- বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জীবনের মানোন্নয়নে দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করা, যার ভিত্তি হবে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা, সামাজিক ক্ষমতায়ন এবং মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা। আমরা একটি স্বতন্ত্র অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নেবো, যা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যক্রম সমন্বয় করবে।
তিনি বলেন, আপনারা অনেকেই জানেন, ২০০১ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকার বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিবন্ধীদের ভাতা প্রদান শুরু করলেও, আওয়ামী লীগ সেই ভাতাকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য না রেখে নিজেদের নেতাকর্মীদের মাঝে লুটে নিয়েছে। অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমরা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে তা ন্যায্যভাবে পুনর্নির্ধারণ করতে চাই। নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে সহজ ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে আমরা সমাজকল্যাণ, স্বাস্থ্য এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করবো, যাতে একজন প্রতিবন্ধীও সামাজিক সুবিধা থেকে বাদ না পড়ে।
বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আমরা প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষার বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনার বিষয়টি বিবেচনা করবো এবং তাদের স্বাস্থ্যসেবা বিদ্যমান স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য কাজ করতে চাই। তাদের জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক সেবা প্রদান, প্রায়োরিটি সল্যুশন এবং বিভিন্ন এডমিশনে নির্দিষ্ট অংশ সংরক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে। বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সংস্কার এনে প্রতিবন্ধীসহ প্রান্তিক জনগণের ন্যায্য বিচার পাওয়ার সুযোগ আরও সুগম করার উদ্যোগ নিতে চাই। বিএনপি সরকার গঠন করলে জেলা পর্যায়ে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষায়িত স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা থাকবে, যেখানে সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ, ব্রেইলসহ ইনক্লুসিভ এডুকেশনের আধুনিক পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষার মাধ্যমে কর্মজীবনে প্রবেশের সুযোগ তৈরি এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সরবরাহের ব্যবস্থা বিবেচনা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের অন্যতম লক্ষ্য থাকবে- বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ নিশ্চিত করা। ড্রয়িং, আর্ট, মিউজিক, স্পোর্টস এই সমস্ত ক্রিয়েটিভ ও ইনোভেটিভ এক্টিভিটিতে তাদের জন্মগত দক্ষতা ও শেখার আগ্রহ অনুযায়ী প্রশিক্ষণ ও স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রদান করা হবে। প্রান্তিক থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত আমরা তাদের খেলাধুলার সিস্টেম্যাটিক ডেভেলপমেন্ট এবং টুর্নামেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে প্যারাঅলিম্পিকে ভালো ফল অর্জনে সহায়তা করবো। স্পোর্টস, ডিবেট, সায়েন্স ফেয়ারসহ বহুবিধ সহশিক্ষা কার্যক্রমে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপাশি প্রাইভেট স্পন্সরশিপের সুযোগও তৈরি করা হবে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রতিবন্ধী নাগরিক সংগঠন পরিষদের (পিএনএসপি) সাধারণ সম্পাদক সালমা মাহবুব ও আরেকজন সঞ্চালক ইফতেখার মাহবুব। মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. পারভেজ রেজা কাকন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন। এ ছাড়া বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিন, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন, ফারজানা শারমিন পুতুল, জাতীয় প্রেস ক্লাবে স্থায়ী সদস্য সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম রনি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক এম সাঈদ খান, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ফারহান আরিফ উপস্থিত ছিলেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইজিপি’র ক্ষমা প্রার্থনা ও আত্ম-সমীক্ষা by শহীদুল্লাহ ফরায়জী
উপলব্ধি থেকে এবং বিবেকের অন্তর্নিহিত তাড়না থেকে ক্ষমা প্রার্থনা বা আত্ম-সমীক্ষা ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্য স্পষ্ট করবে। বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন বিষয়টিকে আরও সঙ্গতিপূর্ণ করে তুলবে। ফলে পুলিশ বাহিনীর অমানবিক সংস্কৃতির পরিবর্তে মানবিক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটবে। পুলিশ বাহিনী অগৌরবের কলঙ্ক থেকে গৌরবে ফিরে আসবে। ক্রমাগতই আমাদের আত্ম-সমীক্ষার বিস্তৃতি ঘটাতে হবে। আমরা গত ১৫ বছর দেখেছি সরকার কর্তৃক সকল হত্যাকাণ্ডের বৈধতা দিতে। প্রকাশ্যে মিছিলে বা জনসমাবেশে গুলি করে হত্যা, পুলিশ হেফাজতে হত্যা, বন্দুক যুদ্ধের নামে হত্যা, ক্রস ফায়ারের নামে হত্যা, নির্বিচারে মানুষ হত্যাই ছিল সরকারের মৌলিক কাজ। কারণ হত্যা না করলে, শত্রুকে নিধন না করলে, নির্মূল না করলে রাজত্ব হুমকিতে পড়ে। ফ্যাসিবাদের বিরোধিতাকারীরা সরকারের কাছে ছিল দেশের শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু, সন্ত্রাসী ও নাশকতাকারী। সুতরাং হাসিনার নির্দেশে পুলিশ, র?্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, ডিবি, সিআইডি, বিজেপি- যারাই রাষ্ট্রের সশস্ত্র শক্তি, তারাই মানুষ হত্যাকে পশু হত্যার সমকক্ষ করে ফেলেছিল। শেখ হাসিনা সরকার যে বয়ানের উৎপাদন করেছিল তা হচ্ছে - যারা সরকারের বিরোধিতা করে তারা স্বাধীনতা বিরোধী, চক্রান্তকারী, ষড়যন্ত্রকারী, সন্ত্রাসী এবং জঙ্গি। এরা অধম পশুর চেয়েও নিম্নে। ফলে উন্নয়নের জন্য, অগ্রগতির জন্য, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার জন্য, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য নিম্নমানের অধমদের হত্যা করা কোনো অন্যায় নয় বরং ন্যায়সঙ্গত। সরকারের এই ভয়ঙ্কর বয়ানে রাষ্ট্রের কয়েকটা শৃঙ্খলা বাহিনী নিষ্ঠুর এবং কসাই বাহিনীতে পরিণত হয়েছিল। ফলে যে যত দ্রুত হত্যা করতে পারতো, হত্যার পর সরকারবিরোধী চক্রান্ত বা নাশকতার নাটক করতে পারতো, সে তত সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারতো এবং প্রমোশন ও ভালো পদায়ন নিশ্চিত হতো।
মেজর সিনহাকে যে ওসি প্রদীপ খুন করেছিল এর পূর্বে সে আরও শতাধিক হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত ছিল। এই শতাধিক হত্যাকাণ্ডের রেকর্ড পুলিশ সদরদপ্তরে জমা হওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাকে পুলিশ পদকের জন্য কয়েকবার মনোনয়ন করে এবং ওসি প্রদীপের পুলিশ পদক নিশ্চিত হয়। শেখ হাসিনা ‘মানুষ হত্যা’কে পুলিশের গুণ এবং দক্ষতা হিসেবে বিবেচনা করেছে। বিরোধীদলের নেতাকর্মীকে হত্যা এবং নির্বাচনে প্রতারণাপূর্ণ কর্মকাণ্ড দিয়ে নৌকার প্রার্থীকে জয়লাভ করানোর বিষয়ে বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে (এসিআর) উল্লেখ থাকার রীতি চালু হয়েছিল। এসব বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন দেখে পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন পদে পদায়ন করা হতো! রক্তের বিনিময়ে অর্জিত একটি রাষ্ট্রকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল!
ছাত্র-জনতা আবার বুকের রক্ত দিয়ে দেশকে রাহমুক্ত করেছে। বাংলাদেশের একজন আইজিপি এই প্রথম স্বীকার করেছেন- পুলিশের বাড়াবাড়িতে মায়ের বুক খালি হয়েছে, নাগরিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। সত্যকে আড়াল করার, নিষ্ঠুরতাকে বৈধ করার- অতীতের কোনো প্রচেষ্টা কোনো আইজিপি সাহেব গ্রহণ করেননি। রাষ্ট্রের নাগরিক অর্থাৎ রাষ্ট্রের মালিকানার অধিকারী যিনি, তাকে বিনা বিচারে হত্যা করে, হত্যার স্বপক্ষে অবস্থান গ্রহণ করার ভয়ঙ্কর সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা তিনি অব্যাহত রাখেননি। হত্যার স্বপক্ষে মিথ্যা বা বানোয়াট নাটকের কুশীলবের ভূমিকা গ্রহণ না করে, সত্য এবং নৈতিকতার সুউচ্চ স্তম্ভে একজন আইজিপি’র অবস্থান গ্রহণ করা- নিঃসন্দেহে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন পাঠ হিসেবে পর্যালোচনা করতে হবে।
রাষ্ট্র যে মিথ্যার কারখানা নয়, রাষ্ট্র যে কসাইয়ের পাটাতন নয়, রাষ্ট্র যে মিথ্যার মঞ্চ নয়, তা হাসিনা বুঝতে না পারলেও নতুন বাংলাদেশের শাসকদের বা রাষ্ট্রযন্ত্রে জড়িতদের বুঝতে হবে। রাজপথে, রাজনীতির ময়দানে, সমাবেশে, মিছিলে রাষ্ট্রব্যবস্থা পরিবর্তনের দাবি উঠছে, ঔপনিবেশিক ব্যবস্থা বিলোপের লক্ষ্যে বজ্র-কঠিন স্লোগান হচ্ছে। লাখ লাখ তরুণ-তরুণী ছাত্র-ছাত্রীদের উষ্ণ রক্তে ও শিরায় শিরায় মাতম উঠেছে নিপীড়নমূলক রাষ্ট্র উচ্ছেদের জন্য। আজ স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজপথে বিদ্রোহের আগ্নেয়গিরি জ্বলে উঠেছে, আমাদের বিবেকের মশালে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। সে মশাল জ্বলতে শুরু করেছে দিগন্ত জোড়া অন্ধকারকে আলোকিত করার প্রক্রিয়া হিসেবে। এখন মানুষ আবার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে- শোষণ ও নিপীড়নের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য। প্রশ্ন থাকবে, বিতর্ক থাকবে, দ্বিমত থাকবে, থাকবে বিরোধ কিন্তু মানুষের মহিমাকে ক্ষুণ্ন করার কোনো প্রচেষ্টা কারো থাকবে না। প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যকে ক্ষুণ্ন করার, জনগণের মালিকানা কেড়ে নেয়ার কোনো দূরভিসন্ধি থাকবে না, গণতন্ত্রকে হত্যা করে ক্ষমতা দখলের কোনো অভিপ্রায় থাকবে না। রাষ্ট্র পরিচালিত হবে নাগরিকের ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা ও চাওয়া-পাওয়ার উপর।
অতীতের পুলিশ এবং গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী পুলিশ এই দুইয়ের মাঝে বড় পার্থক্য থাকতে হবে, মৌলিক পার্থক্য। আগের পুলিশ মনে করতো জনগণ ক্রীতদাস এখন মনে করবে জনগণের মালিকানায় এই রাষ্ট্র। ফ্যাসিবাদী আমলে সরকার হয়ে উঠতো জনগণের ঊর্ধ্বে ঐশ্বরিক মহিমার সমতুল্য। কিন্তু এখন সরকার হবে জনগণের। আগে সরকার হতো ‘ক্ষমতা’ ও ‘প্রভুত্বের’ কেন্দ্রবিন্দু, এখন সরকার হবে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার কেন্দ্র। প্রজাতন্ত্রে প্রভুত্ববাদিতার কোনো স্থান নেই। হাসিনা সরকার রক্ষা করতে গিয়ে প্রভুত্ববাদিতা এবং দখলদারিত্ব প্রচণ্ড শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল, জীবন এবং অধিকার, সাম্য সব উচ্ছেদ হয়ে গিয়েছিল। অতীতের লুণ্ঠনজীবী, অতিরিক্ত বল প্রয়োগকারীর নিয়ন্ত্রণাধীন রাষ্ট্রের রূপান্তর ঘটাতে হবে। এতে প্রভুত্ববাদ বা বল প্রয়োগ করে হবে না। সরকার গঠিত হবে জনগণের বিবেক নিঃসৃত সম্মতি প্রদানের মাধ্যমে। ঔপনিবেশিক ব্যবস্থার উচ্ছেদ হবে গণতন্ত্রয়ানের মাধ্যমে- ডিটেক্টরশীপ বা জোর জবরদস্তির মাধ্যমে নয়।
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পরিপ্রেক্ষিতেই আইজিপি সাহেব সত্যকে স্বীকার করেছেন, ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। অন্যায় মিথ্যা লালন করলে মানুষ তার আপনসত্তা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং সামগ্রিকভাবে শৃঙ্খলিত দাসে পরিণত হয়, জীবন-যাপনের নৈতিক সক্ষমতা নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোনো প্রতিষ্ঠানের দুর্বৃত্তপনা এককভাবে বা যৌথভাবে বহু মানুষের জীবনকে বিপন্ন করে তোলে। সুতরাং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ন্যায্যতার সূত্রে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। প্রশাসন এবং পুলিশ বাহিনীকে গঠন পুনর্গঠন করা প্রশ্নটি এখন খুব জরুরি।
সামাজিক ব্যবস্থা এবং সামাজিক উপলব্ধিগুলোকে বিবেচনায় নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো স্থাপন করতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের যেমন যথেষ্ট জ্ঞানভিত্তিও দরকার, তেমনি মানবিক ও সহানুভূতিশীল যুক্তি প্রয়োগের দ্বারা পরিচালনা করা নিশ্চিত করতে হবে। নতুন আইজিপি সাহেবের মতো সত্য স্বীকার করে এবং আত্ম-সমালোচনার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে সর্বক্ষেত্রে। সমাজের সর্বক্ষেত্রে ন্যায্যতার সমবণ্টন নিশ্চিত করতে হবে।
আমাদের রাষ্ট্রের মূল দর্শন- সাম্য মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচারকে ধারাবাহিকভাবে এবং অগ্রাধিকারভিত্তিক দৃশ্যপটে নিয়ে আসতে হবে। এই ত্রয়ী আদর্শ যেন সমাজ ও রাষ্ট্রের পরতে পরতে উন্মোচিত হয়। আমাদের অন্যায় আচরণের মিথ্যা অহমিকা, ভাগাড়ম্বর, দুর্নীতি ও চৌর্যবৃত্তির উৎসগুলোর অনুসন্ধান করতে হবে। রাজনৈতিক দর্শনে বা রাষ্ট্র পরিচালনার প্রক্রিয়ায় নৈতিক ও ন্যায্যতার প্রয়োগের জন্য নতুন ডিসকোর্স এবং নতুন পদ্ধতি বা নতুন ব্যবস্থা (পড়সঢ়ষবঃব ড়ৎফবৎরহম) লাগবে। প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলার নতুন নকশার উদ্ভাবন করতে হবে। অতীতে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যে প্রকট অন্যায়ে আমাদের জর্জরিত করেছিল, রিমান্ড এবং আয়না ঘরে জীবনের মহিমাকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছিল তা থেকে পরিত্রাণের উপায় এখনই শুরু করতে হবে বা শুরু হয়েছে। আইজিপি হিসেবে বাহারুল আলমের সত্যের প্রতি আনুগত্য ও ক্ষমা প্রার্থনায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের মহাপরিচালকও ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন এবং আয়না ঘরের অবস্থানের কথা স্বীকার করেছেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনারও ভুল-ভ্রান্তির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। রাজনীতি ও সামাজিক জীবনের সকল ক্ষেত্রেই নৈতিকতার জন্য জায়গা বরাদ্দ রাখতে হবে।
পুলিশ বাহিনীতে এ চর্চা শুরু হয়েছে, সমাপ্তি যেন না হয়। ফ্যাসিবাদের শাসনামলে এসব ছিল কল্পনারও অতীত।
যারা রাষ্ট্রের গোপন বন্দিশালা নির্মাণ করেছিলেন তাদের সবাইকে আইনের আওতায় এনে অনুতাপ এবং জবাবদিহিতার প্রক্রিয়ায় সংযুক্ত করতে হবে। সংস্কৃতিরও রূপান্তর ঘটাতে হবে। সামাজিক ব্যবস্থাপনার সংশোধন প্রক্রিয়াও শুরু করতে হবে। ন্যায্যতার পরিধিকে বিস্তৃত করতে হবে। আমাদের উপলব্ধি, মূল্যবোধ নির্ধারণে ও মূল্যায়নে ন্যায্যতার হাজির রাখা জরুরি। আমরা নিজেদের দ্বারা নিজেদের প্রয়োজনে এবং নিজেদের জন্য ন্যায্যতাকে আঁকড়ে ধরে এগিয়ে যাবো।
ক্ষমতার মানদণ্ডে বিবেকের দংশন বা আত্মদহন খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। আইজিপি সাহেবের নৈতিক ভাবনা ও ক্ষমতার কর্তব্য দায় রাষ্ট্রের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হতে পারে।
লেখক : গীতিকবি
faraizees@gmail.com

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপহৃত হয়েছিলেন মিসবাহ, মুক্তিপণ দিয়ে উদ্ধার by ওয়েছ খছরু
একপর্যায়ে মিসবাহ সিরাজকে জোরপূর্বক অটোরিকশাতে তুলে অপহরণকারীরা অজ্ঞাতস্থানে চলে যায়। সেখান থেকে মিসবাহ সিরাজের ফোনে অপহরণকারীরা স্ত্রী ও কন্যার মোবাইল ফোনে ফোন দেয়। মিসবাহ সিরাজকে ফেরত পেতে মুক্তিপণ হিসেবে দাবি করে কোটি টাকা। একইসঙ্গে বিষয়টি গোপন রাখার নির্দেশ দেয়া হয়। রাত ৩টা পর্যন্ত দেন-দরবারের মাধ্যমে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের এক নেতার মধ্যস্থতায় মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেনের মাধ্যমে মিসবাহকে ছেড়ে দেয়া হয়। পারিবারিক ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন- রাত ৩টার পর নগরের সাগরদিঘীরপাড়ের নির্জন স্থানে অপহরণকারীরা তাকে সড়কে ফেলে চলে যায়। পরে স্ত্রী, কন্যাসহ পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে নগরের সুবহানীঘাটের আল হারমাইন হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেন। তারা জানিয়েছেন- উদ্ধারের সময় মিসবাহ সিরাজের শারীরিক অবস্থা গুরুতর ছিল। হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের আগে ও পরে তার শরীরে তিন ব্যাগ রক্ত পুশ করা হয়েছে। তবে চিকিৎসার পর তিনি বর্তমানে শঙ্কামুক্ত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তারা। ঢাকায় অজ্ঞাত স্থানে রেখেই তাকে উন্নত চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মেয়ে মুনতাহা তার পিতার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। তবে ঘটনা কী ঘটেছে সে ব্যাপারে তিনি মুখ খুলেননি। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (মিডিয়া) মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন; ঘটনাটি জানার পর সিলেট নগর পুলিশ ও গোয়েন্দার তরফ থেকে ছায়া তদন্ত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেক তথ্যই পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু ঘটনার ভিকটিম কিংবা তার পরিবারের সদস্যদের কারোই খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে অভিযোগ না পেলে ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। পুলিশ এলাকার সিসিটিভি’র ফুটেজ সংগ্রহসহ ভার্চ্যুয়ালিও তদন্ত করছে।
মুক্তিপণের টাকা আদান-প্রদান প্রসঙ্গে তিনি জানান- এ ব্যাপারে পুলিশও খোঁজ পেয়েছে। আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তিকে না পেলে এ ব্যাপারে কিছুই নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। এরপরও পুলিশ তদন্তকাজ এগিয়ে রাখছে বলে জানান তিনি। এদিকে; মিসবাহ সিরাজের স্বজনদের সূত্র খবর হচ্ছে- মিসবাহ সিরাজকে অপহরণ করেছে সুবিদবাজার কেন্দ্রিক আন্ডারওয়ার্ল্ডের একটি অপরাধী গ্রুপ। এ গ্রুপে রয়েছে সর্বদলীয় অপরাধী চক্র। ৫ই আগস্টের পর তারা নতুন করে ওই এলাকায় অবস্থান নিয়ে এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে। ওই গ্রুপ কয়েকদিন রেকি করার পর মিসবাহ সিরাজকে হাতের কাছে পেয়ে ঘটনা ঘটায়। অপহরণকারীদের দাবি ছিল কোটি টাকা। শেষে পরিবারের পক্ষ থেকে ২৫ লাখ টাকা প্রদানের মাধ্যমে তাকে মুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে উঠে এসেছে স্থানীয় এক নেতা লল্লিক আহমদের নাম। গতকাল বিকালে এ ব্যাপারে লল্লিক আহমদের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন; এ ঘটনা সম্পর্কে তিনি অবগত নয়। পত্রিকা দেখে শুনেছেন। বিষয়টি এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজের পরিবারের লোকজনই ভালো বলতে পারবেন বলে জানান তিনি। এদিকে- ঘটনার সত্যতা জানতে মিসবাহ সিরাজের মিয়া ফাজিলচিস্তর বাসায় গেলে বাসাটি তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। একই এলাকায় বসবাসরত মিসবাহ সিরাজের স্বজনরা জানিয়েছেন- ঘটনার দিন রাতে অনেক ঘটনাই ঘটেছে। মুক্তিপণ দেয়া হয়েছে। কার মাধ্যমে, কীভাবে ওই টাকা দেয়া হয়েছে আর অপরাধীরা কারা সেটি ভালোই বলতে পারবেন কেবল মিসবাহ’র পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার পর থেকে মিসবাহ’র পরিবারের আচরণে মনে করা হচ্ছে তারা আইনি লড়াইয়ে যাবেন না। মামলায় আসামি হওয়ায় উল্টো মিসবাহ সিরাজ এখন কারান্তরীণ হতে পারেন। সেই শঙ্কা থেকে তারা মুখবন্ধ করে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিরোধীদের সন্ত্রাসবাদী হিসেবে প্রচার করেছে আওয়ামী লীগ -মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রিপোর্ট

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়া-চীনের কৌশলে হিন্দু নির্যাতনের অপপ্রচার
এতে আরও বলা হয়, ১০০ দিনে বর্তমান অন্তর্র্বর্তী সরকার নিয়ে সবচেয়ে বেশি অপপ্রচার চালানো হয়েছে। এসব পোস্টের শীর্ষ হ্যাশট্যাগের মধ্যে রয়েছে, #সেভহিন্দুসইনবাংলাদেশ, #বাংলাদেশিহিন্দুজেনোসাইড। এই হ্যাশট্যাগের সঙ্গে থাকা কনটেন্টগুলোর বেশির ভাগই ভুয়া। বিশ্লেষণ বলছে, পোস্ট করা অপতথ্যের বিষয়বস্তুর একটি এমন, ‘বাংলাদেশে হিন্দুদের গণহত্যা চলছে’। এটি মোট অপতথ্যের প্রায় ২৭ শতাংশ। এ ছাড়া সাম্প্রদায়িক বিষয়ে বিকৃত তথ্য উপস্থাপনের পরিমাণ ২১ শতাংশ। শেয়ার করা কনটেন্টের অন্যতম বিষয়, ‘ধর্মের কারণে হিন্দুরা বৈষম্য বা আক্রমণের মুখে পড়ছে’।
একাউন্টগুলোর উৎপত্তি বোঝার জন্য কিছু সংকেত বিশ্লেষণ করেছে টেক গ্লোবাল। এতে দেখা যায়, এগুলো সম্ভবত বাংলাদেশের বাইরে থেকে পরিচালিত হচ্ছে বা তাদের বিষয়বস্তুগুলো ভারতীয় অতি জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে মিলে যায়। এসব অপতথ্য ভারত ও ভারতের বাইরের ব্যবহারকারীদের প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে প্রচার করা হচ্ছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আওয়ামী লীগ আমলের চেয়ে ভালো দেশ গড়তে না পারলে গণ-অভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে: আসিফ নজরুল
শনিবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় আসিফ নজরুল এ কথাগুলো বলেন। ‘গণ–অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে আমি আবু বকর’ শিরোনামে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বঙ্গীয় সাহিত্য সভা। ‘আমি আবু বকর’ চলতি বছরের শুরুতে প্রথমা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত আসিফ নজরুলের একটি উপন্যাস।
আলোচনায় অংশ নিয়ে ‘আমি আবু বকর’ উপন্যাসটি প্রকাশের জন্য প্রথমা প্রকাশন ও প্রথম আলোকে ধন্যবাদ জানান আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। আওয়ামী লীগের শাসনামলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর কক্ষে তালা, আগুন, গুলি করে হত্যার হুমকি, ধাওয়া দিয়ে বিতাড়িত করা, মামলা, বিভিন্ন কনসালট্যান্সির কাজ বাতিল করে দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির সন্দেহে পেটানোর বিরুদ্ধে বলার জন্য অনেক বন্ধু দূরে চলে গেছেন উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন, ‘জেনেবুঝে শিক্ষার্থীদের ট্যাগ দেওয়া হতো। তারা জানত, ছাত্রটা শিবির বা ছাত্রদল না। তাঁর ল্যাপটপটা নেওয়ার জন্য বা বিনোদন হিসেবে এটা করা হতো।...১৫ বছরের এসব ব্যাধি থেকে আমরা এখনো মুক্ত হইনি।’ সেই ‘ট্যাগের রাজনীতি’ থেকে বের হওয়া গেছে কি না—প্রশ্ন রেখে অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে ঘৃণা করতাম ট্যাগের রাজনীতি দিয়ে মানুষকে ভিকটিমাইজ (ক্ষতিগ্রস্ত) করার কারণে। সেটা কি আমরা এখনো করে চলছি না?’
১৫ বছর ধরে যে ‘নারকীয় শাসন’ সহ্য করতে হয়েছে, তার পেছনে সামষ্টিক কাপুরুষতাও ছিল বলে মন্তব্য করেন আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, ‘তারা সব সামাজিক সম্পর্ক শেষ করে দিয়েছিল। এত নিষ্ঠুর, নারকীয়! জানি না আমরা কী পাপ করেছিলাম যে আমরা শেখ হাসিনার মতো একটা শাসক পেয়েছিলাম বাংলাদেশে। ...আমরা যদি আওয়ামী লীগ আমলের চেয়ে অনেক বেটার (আরও ভালো) একটা বাংলাদেশ না গড়তে পারি, তাহলে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়ে যাবে।’
অধ্যাপক আসিফ নজরুল আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে কবিতার মাধ্যমে অনেক প্রতিবাদ হয়েছে। কিন্তু গল্প-উপন্যাসের মধ্য দিয়ে প্রতিবাদটা কম হয়েছে বলে আমার মনে হয়। সাহিত্যচর্চা, গল্প-উপন্যাসের মধ্য দিয়ে আমাদের প্রতিবাদটা জারি রাখা উচিত। ...আমি জীবনে অনেক বিচিত্র জিনিস করেছি। অ্যাকটিভিজম করেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলাম, সাংবাদিক ছিলাম। এখন আবার সরকারের একটা দায়িত্ব পালন করছি। কিন্তু লেখালেখির মধ্যে যে আনন্দ, পৃথিবীতে এই আনন্দের কোনো তুলনা হয় না।’
‘আমি আবু বকর’ উপন্যাসের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান আবদুল মোমেন (লেখক নাম আন্দালিব রাশদী) বলেন, এই গল্পটি আবু বকরের আত্মজীবনী। আবু বকর একটি বিকৃত সমাজের সৃষ্টি। যে সমাজের প্রধানমন্ত্রী ও বায়তুল মোকাররমের খতিব একসঙ্গে পালিয়ে যান। ...গণ-অভ্যুত্থানের প্রধান অস্ত্র হচ্ছে বিচার। যথাযথ বিচার সরকারি দলেরও হতে হবে, সেটা যে সরকারই হোক, এমনকি এই অন্তর্বর্তী সরকারও যদি হয়। সেটা যদি হয়, বৈষম্য ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসবে এবং সেই সমাজে আবু বকর সৃষ্টি হবে না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ছাত্রলীগের গণরুম–গেস্টরুম নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান। তিনি বলেন, ‘আমি আবু বকর’ উপন্যাসে আসিফ নজরুল যা লিখেছেন, তা মফস্সল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসা প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীর গল্প। আসিফ নজরুল সব সময় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু উপদেষ্টা হওয়ার পর থেকে অধ্যাপক আসিফ নজরুলকে নিয়ে আবু বকরের মতোই নিপীড়ন ও ব্লেম-গেমের (দোষারোপ) চক্রান্ত করছে একটি মহল। তিনিও আবু বকরের মতোই নিপীড়ন ও সাইবার বুলিংয়ের (হয়রানি) শিকার।
কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক সালাহ উদ্দিন শুভ্র বলেন, ছাত্রলীগ নিপীড়নের যে পদ্ধতি গড়ে তুলেছিল, সেই বাস্তব ঘটনাগুলো ‘আমি আবু বকর’ উপন্যাসে আছে। আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের নিপীড়নব্যবস্থায় বেশি নিপীড়িত হয়েছেন নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তানেরা।
লেখক ও প্রকাশক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ওটিটি নির্মাতাদের ‘আমি আবু বকর’ উপন্যাসটি নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আসিফ নজরুলের অসম্ভব শক্তিশালী লেখক হওয়ার ক্ষমতা আছে। তিনি যেন নিয়মিত বেশি বেশি লেখেন।
গণ–অভ্যুত্থানের বুদ্ধিবৃত্তিক পাটাতন নির্মাণে ‘আমি আবু বকর’ উপন্যাসটি বড় ভূমিকা পালন করেছে বলে মন্তব্য করেন বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ। লেখক ও সাংবাদিক এহসান মাহমুদের সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে কথাসাহিত্যিক পাপড়ি রহমান ও লেখক আমিনুল ইসলাম বক্তব্য দেন।
-প্রথম আলো
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এবার বিএনপি নেতাদের দখলে আলোচিত সেই খাল by সুদীপ অধিকারী
সরজমিন রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সাদেক এগ্রোর স্থাপনা ভেঙে উদ্ধার করা রামচন্দ্রপুর খালের সেই জায়গা আবার দখলে নেয়া হয়েছে। টিনের ছাউনি ও বেড়া দিয়ে সেখানে বানানো হয়েছে ছোট বড় একাধিক ঘর। রয়েছে রিকশার গ্যারেজ। যেখানে অন্তত ৪০/৫০টা রিকশা সব সময় রেখে দেয়া হয়েছে। আছে চায়ের দোকানও। আর যেখানে সাদেক এগ্রোর ফার্ম ছিল ঠিক সেখানেই নির্মাণ করা হচ্ছে লাল ইটের পাকা ঘর। টিনের ঘরগুলোর মধ্যে আবার একাধিক কেরামবোর্ড খেলার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রয়েছে পরিত্যক্ত গানের স্কুল। যার জানালা, আসবাবপত্র আগেই লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বর্তমানে ঘরটুকু ব্যবহার করছে ট্রাকচালকরা। আর এর সামনেই গাবতলী-সদরঘাট সড়কের পাশে খালের জায়গা দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে বিশাল ট্রাকস্ট্যান্ড। ওই স্ট্যান্ডের মধ্যে সারি সারিভাবে পার্ক করা রয়েছে অসংখ্য পণ্য বহনকারী ট্রাক। চলছে ট্রাক মেরামতের কাজও। চারদিকে পাকা দেয়াল দিয়ে ঘিরে রাখা ওই ট্রাকস্ট্যান্ডের দেখভালের জন্য রাখা হয়েছে নিরাপত্তা প্রহরী।
মহসিন নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, গত কোরবানি ঈদের সময় একটি ছাগল কেনা নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মো. মতিউর রহমানের ছেলের দামি ঘড়ি, গাড়ি, আলিশান জীবনযাপন, মতিউর রহমান ও পরিবারের সদস্যদের নামে রিসোর্ট, শুটিং স্পট, বাংলো বাড়ি, জমিসহ নামে-বেনামে সম্পত্তি থাকার বিষয়ে একের পর এক খবর প্রকাশিত হতে থাকে। এরই একপর্যায়ে ২৭শে জুন রামচন্দ্রপুর খালের বেদখলে থাকা ওই জায়গা উদ্ধারে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছিল ঢাকা উত্তর সিটি কর্তৃপক্ষ। সেদিনের অভিযানে আলোচিত সাদিক অ্যাগ্রোর অবৈধ অংশ ভেঙে দেয়া হয়েছিল। পাশাপাশি খামারের পেছনে খালের জায়গায় থাকা অবৈধ কিছু টিনের ঘর ও রিকশার গ্যারেজও উচ্ছেদ করা হয়েছিল। ডিএনসিসি’র অঞ্চল-৫-এর তৎকালীন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বীর আহমেদ এবং ডিএনসিসি’র সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব হাসানের নেতৃত্বে উদ্ধার অভিযান শেষে তখন খাল খননের কাজও শুরু করা হয়। কিন্তু গত ৫ই আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই আবারো দখল হতে শুরু করেছে এই খালের জমি। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পরের দিন বিকালেই একদল লোক ওই জায়গায় ঘর বানানোর কাজ শুরু করেন। রাতের মধ্যেই বাঁশের অবকাঠামো দিয়ে টিনের দুটি ছাপরা ঘর তৈরি করে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সাতমসজিদ হাউজিং ইউনিটের নামে ব্যানার টাঙিয়ে দেয়া হয়। কয়েকদিনের মধ্যেই পুরো জায়গা দখল করে একাধিক ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। চায়ের দোকান, পাকা ঘর, রিকশার গ্যারেজ, ট্রাকস্ট্যান্ড, স্কুল কী নেই এই খালের জায়গায়। নতুন করে আবার বালু ফেলে ভরাট করা হচ্ছে নতুন নতুন জায়গা। মূলত ওয়ার্ড বিএনপি’র নেতারা এই সরকারি জায়গাগুলো নিজেদের দখল করে ঘর তৈরি করে মানুষের কাছে ভাড়া দিচ্ছেন। আর এসব দেখাশোনার জন্য বেশকিছু যুবক রেখে দেয়া হয়েছে। পুরো নিয়ন্ত্রণ তাদেরই হাতে। তারা সার্বক্ষণিক এখানে থেকে পাহারা দেয়। এরা সকলেই ৩৩নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলামের লোক। তার ভয়ে কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না। তিনি ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি হয়েও বীরদর্পে ঘুরে বেরাচ্ছেন।
মো. ইয়াসিন মোল্ল্যা নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, একসময় এই খালটি অনেক সুন্দর ছিল। গভীর ছিল। প্রচুর পানি ছিল। নদীর সঙ্গে সংযোগ থাকায় মানুষ দৈনন্দিন কাজ এখানেই সারতো। কিন্তু কালের বিবর্তনে এখন খালটি দখল হতে হতে মৃতপ্রায়। খালের জায়গা দখল করে পাকা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে, গড়ে তোলা হয়েছে বিশাল ট্রাকস্ট্যান্ড। মেইন রোডের সঙ্গে পাকা দেয়াল দিয়ে সরকারি জায়গা ঘিরে রাখলেও যেন দেখার কেউ নেই। সরকারি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চুপ। আর এর সুযোগ নিয়ে বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে সব দখল হয়ে যাচ্ছে। যেন দেখার কেউ নেই। আমরা চাই খালটি আবার গভীরভাবে খনন করা হোক।
খালের জায়গা নিজের লোক দিয়ে দখলের বিষয়ে ৩৩নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম মানবজমিন’কে বলেন, রাজনৈতিক বিরোধিতার জেরেই আমার প্রতিপক্ষ আমার নামে এসব মিথ্যা কথা ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে। আমি কোনো খালের জায়গা দখল করিনি। আমি বরং খালের জায়গা দখলমুক্ত করতে আমাদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দদের নিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এই জায়গা মূলত মোহাম্মদপুর থানার ৩৩নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মান্নান হোসেন শাহীনের লোকজন দখল করে ঘর নির্মাণ ও রিকশার গ্যারেজ তৈরি করেছেন। আর সুরের ধারা স্কুলের পেছনে টিনের ঘর তৈরি করে কেরামবোর্ড ও মাদকের আসর বসিয়েছে ওয়ার্ড যুবদল নেতা জাহিদ মোড়ল। জাহিদ তার লোকদের দিয়ে সেখানে মাদক বিক্রি করছেন। আগে যেখানে সাদেক এগ্রো ছিল সেখানে সাতমসজিদ হাউজিং এর সহ-সভাপতি রশিদ মাস্টার ভুয়া দলিল তৈরি করে তার ভাগ্নে আলিমকে দিয়ে পাকা ঘর নির্মাণ করেছে। ওই পাকা ঘরের পাশে টিনের ঘর তৈরি করেও মাসে ২০ হাজার টাকা ভাড়া আদায় করছেন। তাদের এসব কাজে বাধা দেয়ায় আমার নামে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।
এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ৩৩নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মান্নান হোসেন শাহীন বলেন, এইসব দখলদারি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কথা বলায় আমার অফিসে ঢুকে আমাকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। আহত অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে হাসপাতালে লড়াই করার পর এখন বাড়িতে রেস্টে রয়েছি। এখনো দুটো অপারেশন বাকি। পুরোপুরি সুস্থ হতে পারিনি। সকলে জানে আমার বিষয়ে। আমি খালের জমি দখল করবো কীভাবে? যারা আমার নামে এই অভিযোগ তুলেছে তারা নিজেরাই ওই সরকারি জমি লোক দিয়ে ভোগদখল করে খাচ্ছে। আর অন্যের নামে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।
এদিকে খালের জায়গায় তৈরি কার ট্রাকস্ট্যান্ডের দায়িত্বে থাকা আন্তঃজেলা ট্রাক-মিনি ট্রাকচালক সমিতির সভাপতি নসু মিয়া ও আকবর হোসেন বলেন, আমাদের ট্রাকগুলো রাখার জায়গা নেই বলেই খালের জায়গা ভরাট করে আমরা ট্রাকস্ট্যান্ড তৈরি করেছি। যদি সরকার কখনো আমাদের চলে যেতে বলে আমরা তখন জায়গা ছেড়ে দিবো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
-
▼
2024
(2551)
-
▼
December
(237)
-
▼
Dec 15
(9)
- ব্যাংকের ৮৭ শতাংশ ঋণ নিয়েছেন একজন গ্রাহক
- অন্তর্বর্তী রিপোর্ট জমা, ১৬৭৬ অভিযোগের ৭৫৮টি যাচাই...
- বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ সমা...
- আইজিপি’র ক্ষমা প্রার্থনা ও আত্ম-সমীক্ষা by শহীদুল্...
- অপহৃত হয়েছিলেন মিসবাহ, মুক্তিপণ দিয়ে উদ্ধার by ওয়ে...
- বিরোধীদের সন্ত্রাসবাদী হিসেবে প্রচার করেছে আওয়ামী ...
- রাশিয়া-চীনের কৌশলে হিন্দু নির্যাতনের অপপ্রচার
- আওয়ামী লীগ আমলের চেয়ে ভালো দেশ গড়তে না পারলে গণ-অভ...
- এবার বিএনপি নেতাদের দখলে আলোচিত সেই খাল by সুদীপ অ...
-
▼
Dec 15
(9)
-
▼
December
(237)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...