Monday, March 7, 2016

নারী হয়রানির দায়ে মন্ত্রীর ছেলে আটক

ভারতে নারী হয়রানির মামলায় অন্ধ্রপ্রদেশের সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাভিলা কিশোরের ছেলেকে রোববার আটক করেছে পুলিশ। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। গত বৃহস্পতিবার হায়দরাবাদের এক পুলিশ স্টেশনে মন্ত্রীর ছেলে সুশীল রাভেলার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন স্থানীয় এক নারী। ওই দিন তিনি হায়দরাবাদ শহরের বানজারা হিলে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। আপ্পো রাও রোডে আসার পর সুশীলের গাড়িটি তার গাড়িকে ধাওয়া করতে শুরু করে।
মন্ত্রীর ছেলে তার সঙ্গে নানা রকম অশোভন আচরণও করে। একপর্যায়ে সে ওই নারীকে তার গাড়িতে তুলে নেয়ারও চেষ্টা করেছিল। তখন তার হাতের উল্কি দেখেই তার নাম জানতে পারেন অভিযোগকারী ওই নারী। সুশীলের সঙ্গে তার চালক থাকলেও গাড়িটি সুশীলই চালাচ্ছিল। যদিও তারা দু’জনেই ছিল মাতাল। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার স্থানীয় থানায় অভিযোগ করেন ওই নারী। তিনি দেশের নির্ভয়া অ্যাক্ট নামে প্রচলিত নারী নির্যাতন মামলায় সুশীলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করারও চেষ্টা চালান।

গৃহবন্দি রানী

মা হওয়ার পর যেন গৃহবন্দি হয়ে পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী রানী মুখার্জি। তবে সন্তান লালন-পালনের জন্য এ অভিনেত্রী নিজেই নাকি আপাতত গৃহবন্দি থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে গুঞ্জন উঠেছে বলিউডপাড়ায়। গত বছরের ৯ ডিসেম্বর আদিত্য চোপড়া এবং রানী মুখার্জি দম্পতির প্রথম সন্তান আদিরার জন্ম হয়। সন্তান জন্মের পর থেকেই মূলত বাইরের জগতের সঙ্গে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন রানী। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই বাইরের জগতের সঙ্গে যেটুকু সম্ভব যোগাযোগ রেখেছেন। বাকি সময় মেয়ে আদিরার পেছনেই কেটে যায়।
বরাবরই ছোট বাচ্চাদের পছন্দ করেন রানী। সেখানে নিজের মেয়ে জন্মের পর থেকে দিনের বেশিরভাগ সময়ই এখন রানী ব্যয় করছেন তার পেছনে। আদিরাকে খাওয়ানো, ঘুম পাড়ানো, তার যত্ন নেয়া সবকিছুই নাকি নিজের হাতে করেন এ বলিউড কুইন। এমনকি ছোট্ট আদিরার পরিচর্যার জন্য বাড়িতে কোনো পরিচারিকাও রাখেননি। তবে মেয়ে আদিরা একটু বড় হলে বলিউডে রানীর যে কামব্যাক ঘটবে সেই প্রত্যাশায় কিন্তু এখনও তাকিয়ে রয়েছেন ভক্তরা। যদিও কবে রানীকে ফের রুপালি পর্দায় দেখা যাবে তা নিয়ে রানী কিংবা চোপড়া পরিবারের পক্ষ থেকে আগাম কোনো আভাসই দেয়া হয়নি।

দেড়শ’ টাকা টিকিটের দাম কালোবাজারে আট হাজার টাকা!

বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল ম্যাচের টিকিট গত দু’দিন সবচেয়ে প্রার্থিত ছিল নগরবাসীর কাছে। রোববার সকালে গিয়ে দেখা যায়, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের (ইউসিবিএল) মিরপুর শাখা থেকে এবং ইউক্যাশের মাধ্যমে অনেকেই টিকিট কিনতে পেরেছেন। তবে এসব সৌভাগ্যবান দর্শকের সংখ্যা কম। বেশিরভাগ ক্রিকেটপ্রেমীকে হতাশ হয়ে ফিরতে হয়েছে। শত চেষ্টা করেও টিকিট পাননি তারা। মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বর থেকে স্টেডিয়াম পর্যন্ত ২ নম্বর রোডে অনেক দর্শককে দেখা গেলো মুঠোফোনে কথা বলতে। খোঁজ নিয়ে জানা গেল, স্বপ্নের টিকিট পেতে গোপনে কালোবাজারিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন তারা। কালোবাজরিরা দেড়শ’ টাকার টিকিটের দাম হেঁকেছে আট হাজার টাকা! স্টেডিয়াম চত্বর ও এর আশপাশের এলাকার সব দোকানপাট বন্ধ করে দেয়া হয়। জানা গেছে, বিপুল দর্শক সমাগমের কথা মাথায় রেখে প্রশাসনের নির্দেশে এসব দোকানপাট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে বিশেষ কিছু দোকান খোলা ছিল। দুপুর ২টার দৃশ্য। এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ম্যাচটি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হবে।
স্টেডিয়ামের গেট খোলা হবে বিকেল ৫টায়। দুপুর থেকেই স্টেডিয়াম চত্বরে দর্শকদের আনাগোনা শুরু হয়ে যায়। উন্মাদনার পারদ ক্রমে বাড়ছিল। কারও মাথায় লাল-সবুজের পতাকার আদলে হেড ব্যান্ড। লাল-সবুজের রিস্ট ব্যান্ডও দেখা গেল অনেকের হাতে। বাংলাদেশের লাল-সবুজ জার্সি গায়ে দিয়ে এসেছেন অনেকে। মাঠে মাশরাফিদের উজ্জীবিত করতে কারও কারও হাতে ছিল প্রতীকী টাইগার। কিশোরগঞ্জ থেকে আসা শহিদুল ইসলাম জানান, ‘আগে স্টেডিয়ামে ঢুকতে চাই। তাই তিন ঘণ্টা আগেই চলে এসেছি। শনিবার অনেক কষ্ট করে পুলিশের লাঠিচার্জের পর টিকিট কিনতে পেরেছি। তাই নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। আমার মনে হয়, বাংলাদেশের লাকি দিন আজ (গতকাল)। তাই গেট খোলার প্রায় তিন ঘণ্টা আগে এসে হাজির হয়েছি স্টেডিয়ামে। যাতে সবার আগে গিয়ে ভালো জায়গায় বসতে পারি। প্রাণ ভরে খেলা উপভোগ করতে পারি।’ একজন দর্শককে দেখা গেল মুঠোফোনে কথা বলছেন। কাছে যেতেই বোঝা গেল কালোবাজারির সঙ্গে টিকিট নিয়ে দরদাম চলছে। এই প্রতিবেদকের উপস্থিতি আঁচ করতে পেরে কিছুটা সরে যান তিনি।
কৌশলে জানা গেল, দেড়শ’ টাকা দামের গ্যালারির একটি টিকিটের জন্য কালোবাজারি আট হাজার টাকা চাইছে। শেষ পর্যন্ত পাঁচ হাজার টাকায় রফা হয়। স্বপ্নের টিকিট পেতে বিশেষ একটি স্থানে যেতে হয় ওই দর্শককে। মাথায় লাল সবুজ হেড ব্যান্ড, হাতে পতাকা ও গায়েও লাল-সবুজ জার্সি পরে নারায়ণগঞ্জ থেকে খেলা দেখতে আসেন কায়েস মাহমুদ। পেশায় ব্যবসায়ী। তার মতে, বাংলাদেশই ফেভারিট। ভারতকে হারিয়ে মাশরাফিরা শিরোপা জিতে ইতিহাস রচনা করবেন বলে মনে করেন তিনি। কায়েসের কথায়, ‘ইতিহাসের সাক্ষী হতে স্টেডিয়ামে এসেছি। আমার মনে হয়, দিনটি আমাদেরই হবে। ভারতকে হারিয়ে আমরাই চ্যাম্পিয়ন হব। এশিয়ার ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস রচিত হবে। যার সাক্ষী হব আমিও।’ বেলা তখন ৩টা। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্টেডিয়াম চত্বরে বাড়তে থাকে দর্শক সমাগম। পুরুষদের পাশাপাশি নারীদেরও দেখা গেল লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে। প্রমীলা দর্শকদের সঙ্গে শিশুরাও ছিল। হাতে লাল-সবুজ পতাকা। মাথায় ‘বাংলাদেশ’ লেখা ব্যান্ড। বড়দের সঙ্গে মাঠে বসে দেশকে সমর্থন জোগাতে পিছপা হতে রাজি নয় তারাও।

তুরস্কে সরকারবিরোধী পত্রিকার নিয়ন্ত্রণ নিল পুলিশ

পুলিশের ছোড়া কাঁদানে গ্যাস এড়াতে দৌড় দিয়ে পড়ে যাওয়া
এক নারীকে সহায়তা করছেন আরেকজন বিক্ষোভকারী। গতকাল
ইস্তাম্বুলে জামান পত্রিকার সদর দপ্তরের সামনের দৃশ্য। ছবি এএফপি
তুরস্কের সরকার গতকাল শনিবার প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের কঠোর সমালোচক বলে পরিচিত একটি সংবাদপত্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। এ জন্য শুক্রবার গভীর রাতে ইস্তাম্বুলে পত্রিকাটির প্রধান কার্যালয়ে টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে অভিযান চালায় পুলিশ। সরকারের নাটকীয় এ উদ্যোগে তুরস্কে প্রচারমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্রমেই কমে আসার বিষয়ে নতুন উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। খবর এএফপির। শুক্রবার ইস্তাম্বুলের কৌঁসুলির আবেদনক্রমে আদালত জামান পত্রিকাকে প্রশাসকের হাতে অর্পণ করার আদেশ দিলে এর কয়েক শ পাঠক-সমর্থক কার্যালয়ের বাইরে অবস্থান নেন। মধ্যরাতের ঠিক আগে আগে পুলিশ তাঁদের ওপর টিয়ার গ্যাস ও জলকামান প্রয়োগ করে। জামান পত্রিকার সঙ্গে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের কঠোর সমালোচক ফেতুল্লাহ গুলেনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী গুলেন একজন ধর্মপ্রচারক।
আদালত পত্রিকাটিকে প্রশাসকের অধীনে ন্যস্ত করার আদেশ দিলে আইনি কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের আসার অপেক্ষায় কয়েক শ লোক এর দপ্তরের বাইরে জড়ো হয়। পুলিশ তখন সেনা সদস্যদের কায়দায় এগিয়ে এসে সরাসরি বিক্ষোভকারীদের গায়ে বরফ শীতল পানি ছোড়ে। এরপর লোহার ফটক কেটে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য ভবনের ভেতরে ঢোকেন। পুলিশের অভিযানের ঠিক আগে জামান পত্রিকার প্রধান সম্পাদক আবদুল হামিদ বিলিচি বলেন, ‘গণতন্ত্র অব্যাহত থাকবে, স্বাধীন প্রচারমাধ্যম নিশ্চুপ হবে না।’ শত শত বিক্ষোভকারী গতকাল পত্রিকাটির সদর দপ্তরের বাইরে অবস্থান নেয়। তাদের অনেকে সংহতি জানাতে এর সর্বশেষ সংখ্যাটি তুলে ধরে। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও প্লাস্টিক বুলেট ছোড়ে। গতকাল পুলিশের তল্লাশির মধ্য দিয়ে কর্মীদের পত্রিকাটির কার্যালয়ে ঢুকতে হয়। জামান পত্রিকার ব্যাপারে আদালতের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

মনোনয়ন নিয়ে জেলায় জেলায় ক্ষোভ, অবরোধ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল কংগ্রেস দলের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ২৯৪টি আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছেন। শুক্রবার এ তালিকা ঘোষণার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় দলের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে চলছে সড়ক অবরোধ, মিছিল-মিটিং। দাবি উঠেছে প্রার্থিতা পরিবর্তনের। ভারতের নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গসহ পাঁচটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর কালীঘাটের বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করে সব আসনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেন। এরপর মমতার দেওয়া প্রার্থীর বিরুদ্ধে এলাকার আরেক তৃণমূল কংগ্রেস নেতা মৌসুম আলী খানের সমর্থকেরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।
গতকাল শনিবার হাওড়ার মৌরীগ্রাম, আন্দুল এলাকায় তাঁরা সড়ক অবরোধ করেন। বীরভূমের ময়ূরেশ্বরেও মমতার ঘোষিত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এবারে তৃণমূলের উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন সিপিএম থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া আব্দুল রেজ্জাক মোল্লা। তিনি লড়বেন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ভাঙ্গর কেন্দ্র থেকে। মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে সারদা কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে কারাবন্দী তৃণমূল নেতা মদন মিত্রকেও। শিলিগুড়িতে মনোনয়ন পেয়েছেন প্রখ্যাত ফুটবলার বাইচুং ভুটিয়া, কার্শিয়াং থেকে শান্তা ছেত্রী, কালিম্পং কেন্দ্রে হরকা বাহাদুর ছেত্রী প্রমুখ। বালিতে প্রার্থী হচ্ছেন প্রয়াত জগমোহন ডালমিয়ার মেয়ে বৈশালী ডালমিয়া। বাঁকুড়ার বড়জোড়ায় প্রার্থী অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী।

পাঁচ বছরে সাড়ে চার কোটি

আগামী পাঁচ বছরে, অর্থাৎ ২০২০ সালের মধ্যে চীনের জনসংখ্যা সাড়ে চার কোটি বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। এ সংখ্যা ইউরোপের একটি বড় দেশ স্পেনের গোটা জনসংখ্যার প্রায় সমান। চীনের কর্তৃপক্ষের গতকাল শনিবার ঘোষিত এক পরিকল্পনায় এ কথা জানানো হয়। খবর এএফপির। দীর্ঘদিনের এক সন্তান নীতি থেকে সম্প্রতি সরে এসেছে চীন। উদ্যোগ নিয়েছে জনসংখ্যাগত সংকট কাটানোর। এরই অংশ হিসেবে দেশটির পার্লামেন্টে জনসংখ্যা বৃদ্ধি-সংক্রান্ত নতুন পরিকল্পনা উত্থাপন করা হয়েছে। চীনা পার্লামেন্ট ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের উদ্বোধনী অধিবেশনে গতকাল এ ব্যাপারে পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনার খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, এর ফলে ২০২০ সালের মধ্যে দেশটির জনসংখ্যা হবে ১৪২ কোটি।
অথচ ২০১১ সালে নেওয়া এর আগের পরিকল্পনায় বলা হয়েছিল, ২০১৫ সালের শেষ নাগাদ জনসংখ্যা হবে ১৩৯ কোটি। নতুন খসড়ায় বলা হয়েছে, ‘আমরা পরিবার পরিকল্পনার মৌলিক জাতীয় নীতির ব্যাপারে অবিচল থাকব। দম্পতিদের দুই সন্তান নেওয়ার নীতিটি ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হবে।’ এক সন্তান নীতিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়া চীনের অনেক দম্পতিই বাড়তি খরচের কারণে দ্বিতীয় সন্তান নেওয়ার ব্যাপারে অনাগ্রহী। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সত্তরের দশকের শেষের দিক থেকে চীনে এক সন্তান নীতি চালু করা হয়। ছেলেসন্তানের আশায় তাই দেশটিতে কন্যাশিশুর ভ্রূণ হত্যার প্রবণতা অনেক বেশি। এতে নারী ও পুরুষের অনুপাতে ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি হয়েছে। কর্মীর সংখ্যায়ও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।