Friday, May 21, 2010
সাইকেলে বাংলাদেশ ভ্রমণ by তাহমিনা হক
খুলনায় গিয়ে বেশ মজার একটি অভিজ্ঞতা হলো। সেখানে থাকার ব্যবস্থা ছিল খুলনা মেডিকেলে ইন্টার্নিরত শিবলী ভাইয়ের রুমে। শিবলী ভাই জানালেন, তাঁর এখানে আসতে হলে লোকজনদের বলতে হবে, আড়াই শ বেড কোথায় লোকজনদের জিজ্ঞেস করার জন্য। আমি ঠিক বুঝলাম না কেন তিনি আড়াই শ বেডের কথা বললেন এবং আমি আড়াই শ বেডের কথা ভুলে গেলাম। এক ট্রাফিককে জিজ্ঞেস করলাম খুলনা মেডিকেল কোথায়? তিনি আমাকে ভালোমতো বুঝিয়ে দিলেন এখানে খুলনা মেডিকেল বললে কেউ বুঝবে না, আমি অন্য কাউকে জিজ্ঞেস করলে যেন জিজ্ঞেস করি আড়াই শ বেডের কথা। তাহলে সবাই চিনবে। এ রকম মজার মজার অভিজ্ঞতা নিয়েই চলছিল আমার বাংলাদেশ ভ্রমণ।’ বিশ্বভ্রমণে যাওয়ার স্বপ্ন এখন শরিফুলকে সর্বদা তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। হবিগঞ্জ জেলার নেজারত ডেপুটি কালেক্টর মো. আলতাফ হোসেন শরিফুলের ভ্রমণ সম্পর্কে বললেন, ‘শরিফুল ইসলাম একজন সাইক্লিস্ট। তবে আমার মনে হয়, তিনি একজন স্বপ্নের ফেরিওয়ালা। নিজে স্বপ্ন দেখেন, স্বপ্নের পিছু ছুটছেন অহর্নিশ। তাঁর এই প্রচেষ্টা সত্যিই আমাকে অবাক করেছে। এই ছুটে চলাই তাঁর জীবন, এই বয়ে চলাই তাঁর স্বপ্ন। তাঁর স্বপ্ন সফল হোক এই কামনা করি।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফুতেনমার গোলকধাঁধা by মনজুরুল হক
জাপানে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির সূচনা ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরাজিত শক্তি হিসেবে জাপানের আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে। সেই হিসেবে জাপানে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির স্থায়িত্বের মেয়াদ ৬৫ বছর পূর্ণ হতে চলেছে। ৬৫ বছর ধরে সার্বভৌম রাষ্ট্রের দাবিদার কোনো ভূখণ্ডে বিদেশি সামরিক বাহিনীর যত্রতত্র উপস্থিতির নজির বিশ্বে আর দ্বিতীয়টি নেই। পশ্চিম ইউরোপের কয়েকটি দেশে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি দীর্ঘসময় ধরে চলে এলেও সৈন্য ও ঘাঁটির সংখ্যার দিক থেকে তা হচ্ছে খুবই নগণ্য। ফলে জাপানে সে রকম লোকজনের সংখ্যার বেলাতেও খুব একটা কমতি চোখে পড়ে না, যাঁরা বলে আসছেন জাপান এখনো কার্যত পরাধীন এক দেশ রয়ে গেছে। ফলে সে রকম পরোক্ষ পরাধীনতার বন্ধন থেকে মুক্ত হতে পারার আহ্বান যাঁরা জানাচ্ছেন, তাঁদের প্রতি সমর্থনের পাল্লাও দেশজুড়ে কোনো অংশে কম নয়।
আগস্ট মাসের নির্বাচনে ইয়ুকিও হাতোইয়ামার গণতান্ত্রিক দল নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে। দলের নির্বাচনী ঘোষণায় দেওয়া প্রতিশ্রুতির মধ্যে জাপানে, বিশেষ করে দেশের দক্ষিণের দ্বীপ জেলা ওকিনাওয়ার ওপর চেপে বসা বিদেশি সৈন্যের বোঝা লাঘবে পদক্ষেপ গ্রহণের অঙ্গীকার দলটি করেছিল। ফলে গণতান্ত্রিক দলকে যাঁরা ভোট দিয়েছেন, তাঁদের একাংশ অবশ্যই সে রকম প্রতিশ্রুতিতে আকৃষ্ট হয়ে থাকবে। দলীয় নেতৃত্ব তাই এখন মনে করছে অন্তত ওকিনাওয়ার ভার লাঘবে কিছু একটা তাদের অবশ্যই করা উচিত। আর এ কারণেই ক্ষমতা গ্রহণের সূচনালগ্ন থেকেই হাতোইয়ামা প্রশাসনের অনেকেই ওকিনাওয়ার বিশেষ যে সমস্যার দিকে নজর দিতে শুরু করেন, সেটা হচ্ছে ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকা গিনোওয়ান শহরের একেবারে কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত মার্কিন মেরিন বাহিনীর ফুতেনমা বিমান স্টেশন দ্বীপেরই অন্য আরেক মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ক্যাম্প শোয়াবের অদূরের সমুদ্রে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে আলোচনা শুরু করা।
শহরের ঠিক মাঝখানটায় সামরিক বিমান ওঠানামার ব্যবস্থা থেকে দেখা দেওয়া সমস্যার কথা গিনোওয়ানবাসী অনেক দিন থেকেই বলে আসছে। শব্দ দূষণ ছাড়াও দুর্ঘটনার আশঙ্কার মুখে নাগরিক জীবনে হুমকি দেখা দেওয়া নিয়ে শহরবাসী উদ্বিগ্ন। মনে পড়ে ঠিক এক দশক আগে শিল্পোন্নত দেশগুলোর বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের সংবাদ সংগ্রহে ওকিনাওয়ায় অবস্থান করার সময় সমস্যার গভীরতা সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করাতে গিনোওয়ানের তৎকালীন মেয়র এক দিন তাঁর কার্যালয়ে আমাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। নগরভবনের ছাদে উঠতেই আমাদের চোখে ধরা দেয় ঠিক এর পাশ বরাবর গড়ে ওঠা সেই বিমান স্টেশনটি, যেখান থেকে ভেসে আসা যুদ্ধবিমান ওঠানামার বিকট শব্দে অন্য কোনো কিছুই আর শোনা যাচ্ছিল না।
গিনোওয়ান শহরের সেই বিতর্কিত বিমান স্টেশনটি নগরকেন্দ্র থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য ২০০৬ সালে মতৈক্যে উপনীত হয়েছিল। উদার গণতান্ত্রিক দল এলডিপির নেতৃত্বাধীন জাপানের সেই সময়ের সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাক্ষরিত চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ওকিনাওয়া জেলাতেই ফুতেনমার বদলে নতুন একটি বিমান স্টেশন জাপানের তৈরি করে দেওয়ার কথা, যে স্থাপনার নির্মাণকাজ শেষ হলে যুক্তরাষ্ট্র ফুতেনমার পালা চুকিয়ে মেরিন বাহিনীর বিমান স্টেশন সেখানে সরিয়ে নেবে। নতুন সেই বিমান স্টেশনের জন্য একটি জায়গাও পরবর্তীকালে ঠিক করে নেওয়া হয়, যার অবস্থান হচ্ছে দ্বীপের নাগো শহরে অবস্থিত মার্কিন বিমান ঘাঁটি ক্যাম্প শোয়াবের সমুদ্রের অদূরে।
সমুদ্র ভরাট করে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় পাওয়া ভূখণ্ডে রানওয়ে ও বিমান চলাচলের অন্যান্য ব্যবস্থা মার্কিন মেরিন বাহিনীর জন্য তৈরি করে দিতে জাপান সেই চুক্তিতে সম্মতি ব্যক্ত করেছিল। তবে চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার পর থেকেই বিষয়টিকে ঘিরে নতুন করে নাগরিক অসন্তোষ দেখা দেয়। ওকিনাওয়াবাসীর সংখ্যাগরিষ্ঠ তখন থেকেই বলে আসছে যে, সমুদ্র ভরাট করে নেওয়া হলে দ্বীপের সেই এলাকার অদূরের সাগরে বিরল যেসব সমুদ্র প্রজাতির বসবাস, তার সবটাই চিরদিনের জন্য হারিয়ে যাওয়ার হুমকির মুখোমুখি দাঁড়াবে। ফলে দুই দেশের মধ্যে ২০০৬ সালে মতৈক্য প্রতিষ্ঠিত হলেও নির্ধারিত জায়গায় নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি এবং ফুতেনমা বিমান স্টেশন এখনো পর্যন্ত গিনোওয়ান শহরের নগরকেন্দ্রেই রয়ে গেছে, যা নিয়ে অন্যদিকে আবার গিনোওয়ানবাসীর ক্ষোভের বোঝাও দিন দিন ভারী হয়ে আসছে।
গত গ্রীষ্মের সাধারণ নির্বাচনে ওকিনাওয়ার সব কয়টি আসনে বর্তমানে ক্ষমতাসীন গণতান্ত্রিক পার্টির সমর্থক প্রার্থীরা জয়লাভ করেন। ফলে প্রধানমন্ত্রী হাতোইয়ামার নতুন সরকারকে ওকিনাওয়ার সমস্যা সমাধানের দিকে শুরু থেকেই নজর দিতে হয়। তবে সরকারের আন্তরিকতা সত্ত্বেও সমস্যার সহজ সমাধান খুঁজে পাওয়া যে সহজ কাজ মোটেও নয়, তা অনুধাবন করতেও খুব একটা কালক্ষেপণ সরকারকে করতে হয়নি। হাতোইয়ামা প্রশাসন নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে আগ্রহ ব্যক্ত করার মুখে ওয়াশিংটন সরাসরি টোকিওকে জানিয়ে দেয় যে দুই দেশের সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির রদবদল যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। অন্যদিকে নির্বাচনের পর নতুনভাবে সংঘবদ্ধ হতে থাকা ওকিনাওয়ার জনগণের যে দাবি সরকারের সামনে তুলে ধরে, তা হলো ফুতেনমাকে কেবল গিনোওয়ান শহরের বাইরেই নয় বরং ওকিনাওয়া দ্বীপের বাইরে সরিয়ে নেওয়া তারা দেখতে চায়। দ্বীপবাসীর সেই দাবির সঙ্গে কোয়ালিশন সরকারের ছোট অংশীদার সমাজ গণতান্ত্রিক দল কণ্ঠ মেলালে সরকারকে তা আসলেই কঠিন এক অবস্থার মধ্যে ফেলে দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পরবর্তী সময় আরও ঘোষণা করা হয়, জাপান সরকার ফুতেনমা প্রশ্নে অনড় থাকলে ওকিনাওয়া থেকে ১০ হাজার মেরিন সৈন্য গুয়ামে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত মতৈক্য মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্র বাধ্য থাকবে না। ফলে নতুন অনেক জটিলতা ফুতেনমার প্রশ্নকে ঘিরে তৈরি হতে শুরু করে, যা কিনা সমস্যাটিকে শেষ পর্যন্ত করে তুলেছে অনেক বেশি জটিল।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী এখন বলছেন, মে মাসের মধ্যেই বিষয়টির নিষ্পত্তি তিনি করে নেবেন। সেই লক্ষ্যে ওকিনাওয়ার উত্তরে কিউশু দ্বীপের কাগোশিমা জেলার অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্র দ্বীপ তোকুনোশিমাতে ফুতেনমার সব রকম সুযোগ-সুবিধা স্থানান্তরের প্রস্তাব সরকারের পক্ষ থেকে কিছুদিন আগে রাখা হয়। তবে তার পরও সরকার বিপদমুক্ত হতে পারেনি। সরকারের সেই পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর তোকুনোশিমাবাসী কালক্ষেপণ না করে ঘাঁটিবিরোধী বিশাল জনসভার আয়োজন করে সরকারকে জানিয়ে দেয় যে, মার্কিন সৈন্যের উপস্থিতি তাদের দ্বীপে গ্রহণযোগ্য হবে না। ফলে বিকল্প নতুন পথের সন্ধান জাপান সরকারকে আবারও এখন করতে হচ্ছে। ভিন্ন যে নতুন বিকল্পের কথা এখন বলা হচ্ছে তা হলো, আগের সেই নির্ধারিত স্থান, ক্যাম্প শোয়াবের অদূরের সমুদ্রেই সাগরের নিচে পোক্ত পিলার বসিয়ে নিয়ে তার ওপর ভাসমান রানওয়ে তৈরি করে নেওয়া। এর ফলে সমুদ্র ভরাট করে নেওয়ার সমস্যা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হবে, তবে খরচ এতে কী রকম পড়বে তা অবশ্য এখনো হিসাব করে দেখা হয়নি।
ফুতেনমার স্থানান্তরের গোলকধাঁধা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেওয়ার মুখে জাপানের বেশ কিছু গবেষক প্রশ্নটির সঙ্গে সম্পর্কিত ভিন্ন যে দিকটির ওপর আলোকপাত করছেন, তা হলো জাপান-মার্কিন নিরাপত্তা মৈত্রীর সার্বিক গ্রহণযোগ্যতা। জাপানে মার্কিন সৈন্যদের উপস্থিতিকে কতটা আদরের সঙ্গে দেখা হয়, ফুতেনমা কিন্তু সেই সত্যকে নগ্নভাবে তুলে ধরছে। নাগরিক জীবনের মনমানসিকতায় সেই উপস্থিতি অনেকটাই হচ্ছে ঔপনিবেশিক উপস্থিতি। ফলে দেশের ভেতরে এক জায়গা থেকে মার্কিন ঘাঁটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার প্রশ্ন দেখা দিলে যে সমস্যার মুখোমুখি সরকারকে শুরুতেই পড়তে হয়, তা হলো জাপানের অন্য কোনো জায়গাই মার্কিন ঘাঁটি গ্রহণ করতে রাজি নয়। এ কারণেই ঘাঁটিবিরোধী বিশ্লেষকদের অনেকেই বলছেন, জাপান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পাততাড়ি গোটানোর মধ্যেই সমস্যার গ্রহণযোগ্য সমাধান নিহিত রয়েছে।
সে রকম যুক্তির আলোকে জাপান-যুক্তরাষ্ট্র মৈত্রী চুক্তিকেও এখন আর জাপানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নেওয়ার সেরা পথ হিসেবে না দেখে বরং সম্পূর্ণ নতুন এক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এর মূল্যায়ন এখন করা হচ্ছে। এ রকম গবেষকদের নেতৃত্বে আছেন জাপানের অর্থনীতি ও রাজনীতির বিশিষ্ট বিশ্লেষক জিৎসুরো তেরাশিমা, যিনি মনে করেন ১৯৯০-এর দশকে স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকেই জাপানে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এর যৌক্তিকতা হারিয়েছে। এখন এই উপস্থিতি অনেকটাই যেন হচ্ছে গায়ের জোরে পুরোনো সেই ব্যবস্থাকে সচল রাখা। ফলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পুরো কাঠামোকে পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির আলোকে না দেখে ভিন্নভাবে একটিমাত্র সমস্যার দিকে আলোকপাত করা হলে তা হয়তো সাময়িক সমাধানই কেবল এনে দেবে, সার্বিক ও গ্রহণযোগ্য সমাধান যা হবে না।
মনজুরুল হক: শিক্ষক ও সাংবাদিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কথায় কথায় টিভি চ্যানেল বন্ধ নয় by সুপন রায়
দুজনের লেখা মনোযোগ দিয়ে পড়েছি। বোঝার চেষ্টা করেছি তাৎপর্য। তার পরও আরও কিছু বলার তাগিদ থেকে এ লেখা।
বাংলাদেশে অনেক কিছুরই শুরুটা চমৎকার হয়। কিন্তু তারপর সবকিছু কেমন যেন হয়ে যায়। যেমন ‘একুশে’ টেলিভিশন। স্বপ্নের মতো শুরু। কিন্তু এখন? সব স্বপ্ন যেন ভেঙে চুরমার। ভেঙে গেল সব আয়োজন। বলা যেতে পারে, ভেঙে দেওয়া হলো।
স্বপ্নের সেই টেলিভিশন গড়ার মূল কারিগর যাঁরা (প্রয়াত আবু সাঈদ মাহমুদ, ব্রিটিশ সাংবাদিক সায়মন ড্রিং, ফরহাদ মাহমুদ) ‘করতে করতে শেখো’ এ ধরনের প্রচলিত ধারণা থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন তাঁরা। বিনিয়োগ, সম্প্রচারের উৎকর্ষ যন্ত্রপাতি, বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ, দক্ষ জনবল সব আয়োজনই করেছিলেন। শিক্ষা, রুচি, অর্থের চমৎকার সম্মিলন হয়েছিল একুশে টেলিভিশনে। যার ফলাফলও আমরা পেয়েছিলাম দ্রুত। স্বপ্নের সেই টিভি এখন আমাদের কাছে ইতিহাস। ‘একুশে’ টেলিভিশনের দেখানো পথ অনুকরণ করার চেষ্টা করছে অধিকাংশ টিভি চ্যানেল। সংবাদ কাঠামো, উপস্থাপনশৈলী, অনুষ্ঠানের ধরন অনেক কিছুই অনুসরণ করছে অন্য চ্যানেলগুলো। কিন্তু বিনিয়োগ, সম্প্রচার যন্ত্রপাতি বা অবকাঠামো—টেলিভিশনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এদিকগুলো অনুসরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে অধিকাংশ চ্যানেল।
একুশে টেলিভিশনের ‘টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ত্রুটি’ খুঁজে পেয়েছিলেন আদালত। সেই ত্রুটির অজুহাতে অবিশ্বাস্য দ্রুততায় টেলিভিশনটি বন্ধ করে দিয়েছিল জোট সরকার। তারপর টেন্ডার-প্রক্রিয়া বন্ধ করে দিয়ে মন্ত্রী, সাংসদদের নামে দেওয়া হলো একের পর এক লাইসেন্স। জোট সরকারের পথ অনুসরণ করে মহাজোট সরকারও যোগ্য ও পেশাদার বিনিয়োগকারীর বদলে দলীয় অনুসারীদের নামে দিল ১০টিরও বেশি লাইসেন্স। তার কিছুদিন পরই পুনঃ অনাপত্তিপত্র আবেদনের অজুহাতে বন্ধ করে দেওয়া হলো ‘যমুনা টিভি’র পরীক্ষামূলক সম্প্রচার। মালিকানা একজনের, যন্ত্রপাতি আরেকজনের, এই অজুহাতে বন্ধ করে দেওয়া হলো ‘চ্যানেল ওয়ান’। অনিশ্চয়তার মুখে পড়ল দুই টেলিভিশনে কর্মরত এক হাজার কর্মী। প্রতিহিংসা, ব্যক্তিগত বিরোধ, রাজনৈতিক মতাদর্শের দ্বন্দ্ব থাকতে পারে টেলিভিশনের মালিকের সঙ্গে। কিন্তু আমরা যারা সংবাদকর্মী, তারা সবাই নিবেদিতপ্রাণ, পেশাদার। অনিয়ম যদি হয়ে থাকে তাহলে শাস্তি কিংবা আর্থিক দণ্ড দিয়েও প্রতিকার করার সুযোগ থাকে। বন্ধ করতে হবে কেন? অতীতে অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, মোবাইল ফোন কোম্পানিতে নানা অনিয়ম প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু সেসব প্রতিষ্ঠান কি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে? তাহলে টেলিভিশন বন্ধ করতে হবে কেন? করতে হবে, কারণ প্রতিহিংসা। কারণ, সমালোচনা সহ্য না করার মানসিকতা। ফলে সেই প্রতিহিংসার আগুনের মধ্যে পড়ে পুড়ে মরছে আমাদের অনেক সহকর্মী।
জোট সরকার মনে করেছিল, দলীয় বিবেচনায় লাইসেন্স দিলে প্রয়োজনের সময় সেটি কাজে দেবে। কিন্তু তাদের সেই ধারণা গত নির্বাচনের সময় ভুল প্রমাণিত হয়েছে। এখন অনেক টিভি চ্যানেল। একটি পক্ষপাত করলে দর্শক মুখ ফিরিয়ে অন্যটিতে ঝুঁকবে। দর্শক হারানো মানে উপার্জন হারানো। কারণ, প্রতিটি চ্যানেলকে প্রথমত দর্শক, দ্বিতীয়ত বাজারের ওপর নির্ভর করে চলতে হয়। চ্যানেলের মালিক যে মতাদর্শেরই হন না কেন, বাস্তবে তাঁকে একধরনের ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে হয়। তা না হলে নানামুখী ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা থেকে যায়। এখন বাজারই চ্যানেলের মূল নিয়ন্ত্রক। সেই চাপ উপেক্ষা করা কঠিন। তাই আজ যে চ্যানেলগুলোকে দলীয় বিবেচনায় অনুমোদন দেওয়া হলো, কিছুদিন পরই প্রমাণিত হবে, বিবেচনা কতখানি ভুল ছিল। শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র।
আমরা সবাই জানি, ভালো মানের পেশাদার টেলিভিশন গড়তে হলে বড় বিনিয়োগ দরকার। যমুনা টিভি সে ধরণের উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু লক্ষ করার দিক হলো, যারাই বড় বিনিয়োগে টিভি প্রতিষ্ঠা করতে এগিয়ে এসেছে, বাস্তবে তাদের নানামুখী ষড়যন্ত্রের মুখে পড়তে হয়েছে। একুশে টিভিকে পড়তে হয়েছিল, যমুনা টিভিকে পড়তে হলো। কারণ, একটাই। অসম প্রতিযোগিতা। বাজার দখল করে রাখার ইচ্ছা।
যমুনা টিভি বা অন্য নতুন টিভি চ্যানেল আসুক তা যেকোনো পেশাদার সংবাদকর্মীর চাওয়া হওয়া উচিত। কিন্তু পুরোনো ও নতুন মালিকেরা তা চান না। কেন চান না, ওই প্রশ্নের উত্তর না দিলেও আশা করি বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।
কথায় কথায় টিভি বন্ধ করে দেওয়ার ব্যাপারটি ঘটছে, মূলত এর আইনি সুরক্ষা না থাকার কারণে। সে কারণে বন্ধ হয়েছে একুশে টিভি, সিএসবি, যমুনা টিভি এবং সবশেষে চ্যানেল ওয়ান। একসময় এমন করে সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া হতো। রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন সেই অশুভ থাবা থেকে সংবাদপত্র শিল্পকে রক্ষা করেছেন। সময় এসেছে, টেলিভিশনের জন্য সে রকম একটি আইনি সুরক্ষার।
রাজনীতিকদের মতো আমাদের অগ্রজ সাংবাদিকেরা দুই ধারায় বিভক্ত বলেই একেক সময় একেক সরকার আমাদের মতো পেশাদার সংবাদকর্মীর জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার সুযোগ পায়। সংবাদকর্মীরা পেশার প্রতি, সমাজের প্রতি, রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে ঐক্যবদ্ধ থাকলে এমনটি ঘটানোর সাহস কোনো সরকারই পেত না। সময় এসেছে ব্যাপারটি নিয়ে সোচ্চার হওয়ার। গভীরভাবে ভেবে দেখার।
সুপন রায়: সংবাদকর্মী।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানবাদের ফেরিওয়ালারা by সোহরাব হাসান
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ইউসুফ আলী সে ধরনেরই ফরমান জারি করেছেন। গত শুক্রবার বিয়াম ভবনে ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক পরিষদ’ নামের একটি সংগঠনের প্রথম কাউন্সিলে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ‘একাত্তরে যা হয়েছে তা ছিল গৃহযুদ্ধ বা সিভিল ওয়ার। আর সিভিল ওয়ারে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেই থাকে।’ (১৫ মে, ২০১০, ডেইলি স্টার)।
এসব বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অধ্যাপক ইউসুফ শুধু মুক্তিযুদ্ধকেই অস্বীকার করেননি, মুক্তিযুদ্ধের লাখ লাখ শহীদকেও অপমান করেছেন। যাঁরা দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন, জাতির কাছে তাঁরা পরম শ্রদ্ধেয়। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধ করেছেন বলেই তাঁরা শহীদ। মুক্তিযুদ্ধকে গৃহযুদ্ধ বলে চালিয়ে দিতে পারলে তাঁরা আর শহীদ থাকেন না; শহীদ না থাকলে শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধও থাকে না। ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বরে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা-সম্মানও জানাতে হয় না।
কী ভয়ংকর যুক্তি!
ভাইয়ে ভাইয়ে ঝগড়া হয়, লাঠালাঠি হয়। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ হয় না। যেসব কথা এত দিন খোদ পাকিস্তানিরা বলতে সাহস পায়নি, সেসব কথাই সদম্ভে উচ্চারণ করছেন তাদের এ দেশীয় দোসর তথা পাকিস্তানবাদের ফেরিওয়ালারা।
অধ্যাপক ইউসুফ এখানেই ক্ষান্ত থাকেননি। তিনি যুদ্ধাপরাধের বিচারের কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, ‘এ বিচার তো অনেক আগেই সম্পন্ন হয়েছে। তাহলে আবার কিসের বিচার?’ একই সঙ্গে তিনি আগাম ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন, ‘স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে যারা লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করেছে, ধর্ষণ করেছে, ঘরবাড়ি লুট করেছে, তাদের অবশ্যই বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। আমাদের সরকার যখন ক্ষমতায় আসবে তখন তাদের আমরা বিচার করব।’ (১৫ মে, ডেইলি স্টার)।
এসব বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি যা বলতে চেয়েছেন তা হলো: এক. একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ হয়নি, হয়েছে গৃহযুদ্ধ। দুই. যুদ্ধাপরাধের বিচার করা যাবে না। তিন. স্বাধীনতা-পরবর্তী অপরাধের বিচার করতে হবে এবং সে কাজটি করবে ‘তাদের’ সরকার ক্ষমতায় এসে। আমরা জানি, দেশে একটিই আইনানুগ সরকার থাকে। কারও পছন্দ হোক বা না হোক, ক্ষমতার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত সেই সরকারকে সব নাগরিক বৈধ সরকার হিসেবে মানে। এখানে ‘আমাদের’ বা ‘অন্যদের’ সরকার গঠনের সুযোগ নেই। একটি নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে এ ধরনের বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহ ছাড়া কিছু নয়। সরকার তাঁদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়, সেটাই দেখতে চাই।
আমরা যত দূর জানি, যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয়টি এখনো আদালত গঠন, তদন্তকারী ও আইনজীবী প্যানেল নিয়োগের মধ্যে সীমিত। কারও বিরুদ্ধে মামলা হয়নি, তদন্তকাজও ভালোভাবে শুরু হয়নি। এর আগেই একশ্রেণীর বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিক আবোল-তাবোল বকতে শুরু করেছেন। কেন? তাঁদের মনে কি ভীষণ ভয় ঢুকে গেছে? তাঁরা কি শাস্তির আতঙ্কে আছেন? একাত্তরের ‘গৃহযুদ্ধে’ কি তাঁরা পাকিস্তানি ভাইদের পক্ষ নিয়েছিলেন?
এই শিক্ষক সমাবেশে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁরা এখনো নিজেদের পাকিস্তানি ব্রাদারহুডের শরিক বলে মনে করেন। তাঁরা বাংলাদেশে মৌলবাদী-জঙ্গিবাদীদের উত্থানে যারপরনাই খুশি হয়েছিলেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে রগকাটা, হাতকাটার রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছেন। খেলাফত প্রতিষ্ঠার নামে হিজবুত তাহরীরের তত্ত্ব প্রচার করছেন।
অধ্যাপক ইউসুফ স্বাধীনতা-পরবর্তী হত্যা, ধর্ষণ ও লুটপাটের বিচার চেয়েছেন। ভালো কথা। যেকোনো সময়ের যেকোনো অপরাধের বিচার চাওয়া প্রত্যেকের মৌলিক অধিকার। কিন্তু যুদ্ধাপরাধের বিচারের সঙ্গে স্বাধীনতা-পরবর্তী অপরাধ মেলানো কেন? এত দিন তাঁরা নিশ্চুপ ছিলেন কেন?
যখন যুদ্ধাপরাধের বিচারের প্রস্তুতি চলছে তখন স্বাধীনতা-পরবর্তী অপরাধের কথা বলে গৃহযুদ্ধওয়ালারা কি সরকারের প্রতি পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন? ‘জিম্মি’ করতে চাইছেন? সাধারণত মুক্তিপণ আদায়ের লক্ষ্যে সন্ত্রাসীরা কাউকে জিম্মি করে থাকে। অপহূত ব্যক্তি তাদের লক্ষ্য নয়, উপলক্ষ মাত্র। তাদের লক্ষ্য হলো মুক্তিপণ আদায় করা। গৃহযুদ্ধওয়ালারা কি স্বাধীনতা-পরবর্তী অপরাধকে ‘মুক্তিপণ’ হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন? তাঁদের মনোভাবটা হলো, ‘তোমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করলে আমরাও ছাড় দেব। তোমরা বিচার করলে আমরাও স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ের অপরাধের বিচার করে এক হাত দেখিয়ে দেব।’ বিচার কখনো দরকষাকষির বিষয় হতে পারে না। প্রশ্ন হলো, সরকার কতটা গুরুত্বের সঙ্গে তাঁদের এ চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে। সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে আন্তরিক হলে তাঁদের হুমকি-ধমকিতে এতটুকু পিছপা হবে না।
অবাক লাগে। গৃহযুদ্ধওয়ালারা মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রায় প্রতিদিন যে আস্ফাালন করে যাচ্ছে সে সম্পর্কে কেউ টু শব্দ করছে না। দেশে নাকি এখন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ক্ষমতায়। সরকারি অফিস, রাস্তাঘাট, শিক্ষাঙ্গনসহ সর্বত্র তাদের দোর্দণ্ড প্রতাপ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষার নামে বহু সংগঠনের সাইনবোর্ড ঝুলতে দেখা যায়। তাঁরা কি আখের গোছাতেই ব্যস্ত? মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নামের সংগঠনটিই বা কী করছে?
অধ্যাপক ইউসুফ আলী রসায়নের শিক্ষক। তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞান সম্পর্কে যদি বিশেষজ্ঞ না হয়েও থাকেন শিক্ষক পরিষদে মহাজ্ঞানী বহু রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আছেন। তাঁদের কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধ ও গৃহযুদ্ধের পার্থক্যটি জেনে নিতে পারেন। গৃহযুদ্ধ হয় একই দেশের মধ্যে বিবদমান দুই বা ততোধিক পক্ষের মধ্যে। আর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধটি ছিল দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে এ দেশের আক্রান্ত ও মুক্তিকামী জনমানুষের বাঁচা-মরার লড়াই। ২৫ মার্চ রাতেই এ ভূখণ্ডে পাকিস্তানের মৃত্যু হয়েছিল। একে অস্বীকার করার অর্থ বাংলাদেশের অস্তিত্বকে অস্বীকার করা।
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ করে আমরা দখলদার পাকিস্তানিদের তাড়িয়েছি; কিন্তু তাদের প্রেতাত্মা বা পাকিস্তানবাদের ফেরিওয়ালারা বহাল তবিয়তেই রয়ে গেছে। বিপদে পড়লে এরা গর্তে লুকায়, আর সুযোগ পেলেই ছোবল মারে। কথিত শিক্ষকনেতারা হয়তো সেদিন প্রাথমিক মহড়া দিলেন। ফাইনাল খেলাটা কবে খেলবেন এং কীভাবে খেলবেন সেটাই দেখার বিষয়।
সোহরাব হাসান: কবি ও সাংবাদিক।
sohrab03@dhaka.net
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেসব কারণে এমপিওভুক্তি বিতর্কিত হয়েছে by এবিএম মূসা
শিক্ষা বিস্তারে আওয়ামী লীগের প্রথম পদক্ষেপটি ছিল পাকিস্তান আমলে পূর্ব পাকিস্তানে অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষার প্রচলন। আওয়ামী লীগ ছিল ১৯৫৬ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারের শরিক। শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য। সেই সরকার প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করে আইন প্রণয়ন করে। জেলা বোর্ডের প্রাক-প্রাথমিক পাঠশালার শিক্ষার মান উন্নীত করল। অনেকগুলো নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হল। মধ্য পর্যায়ে শিক্ষা বিস্তারের বেসরকারি উদ্যোগটি সরকারের স্বীকৃতি পেয়েছিল। স্বাধীনতা-পরবর্তী বঙ্গবন্ধু সরকার সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক স্কুল প্রতিষ্ঠা করল প্রায় চার হাজার। প্রতি স্কুলে চারজন করে সরকারি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলো।
বলা বাহুল্য, সেই প্রথম এবং সেই শেষ। পরবর্তী কোনো সরকার আমলে দেশে আর কোনো সরকারি প্রাথমিক স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়নি। স্বাধীনতা-উত্তর দ্বিতীয়বার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এল ১৯৯৬ সালে। শেখ হাসিনা মেয়েদের জন্য বিনা বেতনে মাধ্যমিক শিক্ষা প্রদানের পদক্ষেপ নিলেন। সরকার বেসরকারি সব মাধ্যমিক, নিম্নমাধ্যমিক ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতনের প্রথমে শতকরা ৮০ ভাগ পরবর্তী সময়ে শতভাগ ব্যয়ভার গ্রহণ করল। এই পদক্ষেপটিই এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) নামে অভিহিত হলো। তাঁর আমলে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আমার জানামতে প্রায় ৫০০ এমপিওভুক্ত করেছিলেন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী এ এস এইচ কে সাদেক। সে সময়ে চালু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যার অনুপাতে ৫০০ কম ছিল না। সুষ্ঠু নিয়ম পদ্ধতিতে এমপিওভুক্তি কর্মসূচি বাস্তবায়িত হওয়ায় কোনো মহলের কোনো অভিযোগ ছিল না, কোনো বিদ্যালয়ের এমপিওভুক্তি নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি। বিএনপি ক্ষমতায় এসে দু-চারটি স্কুলকে এমপিওভুক্ত করলেও সামগ্রিকভাবে প্রক্রিয়াটি বন্ধ হয়ে যায়। কেন বন্ধ হলো, আজকে যেসব বিরোধীদলীয় সদস্য এমপিওভুক্তির ডিও নিয়ে প্রশ্ন করছেন, তাঁরাই বলতে পারবেন। তবে জনশ্রুতি হচ্ছে, আওয়ামী লীগ করেছিল, তাই তারা বন্ধ না করলেও অকার্যকর করেছিল।
আওয়ামী লীগ এবার ক্ষমতায় এসে সেই মহৎ প্রক্রিয়া পুনরায় চালু করে এবার সমস্যায় পড়েছে। বেকায়দায় পড়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। এমপিওভুক্তি প্রক্রিয়া নিয়ে অপ্রিয় রটনা হয়েছে, নিয়মনীতি অনুসরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বস্তুত এমপিওভুক্তি প্রক্রিয়া বিতর্কিত হয়েছে বাছাইয়ে অস্বচ্ছতা ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগের কারণে। দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে, সাত বছরে জমে থাকা এমপিওভুক্তি আবেদন থেকে মাত্র ১১০০ বিদ্যালয়কে বাছাই করা ছিল একটি দুঃসাধ্য কাজ। তারপরও প্রশ্ন, কেন বাছাই-প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি আর জেলাপ্রিয়তা বা আঞ্চলিকতার অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। সৎ ও নীতিমান বলে পরিচিত মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কেন গুঞ্জরিত হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ক্ষোভ। তাঁর মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত হয়েছে নানা অভিযোগ। সেইসব আলোচিতও হয়েছে মন্ত্রিসভার বৈঠকে। সংবাদপত্রের খবরে বলা হয়েছে, অতঃপর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এমপিওভুক্তি স্থগিত করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষামন্ত্রী বলছেন, প্রধানমন্ত্রী স্থগিত নয়, পুনর্মূল্যায়ন করতে বলেছেন। সে সংজ্ঞাই ব্যবহার করা হোক, আওয়ামী সরকারের একটি মহতী প্রচেষ্টা শিক্ষামন্ত্রী তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন। এ জন্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর আস্থাভাজন মন্ত্রণালয়ের কতিপয় ব্যক্তির দুর্নীতির অভিযোগ, মন্ত্রীর অনভিজ্ঞতার বিষয়টি সর্বাধিক আলোচিত হচ্ছে। পুনর্মূল্যায়ন অথবা স্থগিতকরণ যা-ই করা হোক, অনেকে বলেছেন, বাছাই জটিলতাই একমাত্র কারণ নয়। এমপিওভুক্তি প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি প্রসঙ্গে ভাসা-ভাসা সত্যি-মিথ্যা অভিযোগ এসেছে ‘মন্ত্রণালয়ে লেনদেনের’। তাঁর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায়, শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, দুর্নীতি নয়, অনিয়ম হয়েছে। অথচ তাঁর মন্ত্রণালয়ই এমপিওভুক্তি প্রক্রিয়াটি কতিপয় নীতিমালার মাধ্যমে নিয়মভুক্ত করেছিল। সেই নীতিমালা অনুসরণে অনেক প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন করেও তালিকাভুক্ত হয়নি। তা হলে নিয়ম ভেঙে অনিয়মটি কারা করেছে, অথবা এর দায়দায়িত্ব কে বহন করবেন? এই প্রশ্নের জবাব শিক্ষামন্ত্রী দেননি। তিনি পত্রিকার ভাষায়, ‘দায়দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন’। পরোক্ষ ব্যর্থতা স্বীকার করেছেন।
এ-সম্পর্কীয় সর্বশেষ খবরটি নিয়ে আলোচনার সমাপ্তি টানব। তার আগে বলছি, বর্তমান এমপিওভুক্তি প্রক্রিয়ার অস্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার প্রাথমিক কারণ লুকোচুরি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোনো এক কক্ষে রাতের গভীরে তথাকথিত বাছাই কমিটি এমপিও তালিকা তৈরি করেছে। নিশিরাতের যেকোনো কার্যকলাপ আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের মনে সংশয় সৃষ্টি করে। দ্বিতীয়ত, তিনি কি স্বয়ং অথবা ‘বাছাই কমিটি’ সাত হাজারের অধিক নাম পড়ে, যাচাই করে, কাগজপত্র পরীক্ষার পর তালিকাটি অনুমোদন দিয়েছেন? যেসব প্রতিষ্ঠান পেয়েছে আর যারা পায়নি তাদের প্রতিটির আবেদন কি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করে তালিকা তৈরি করেছেন? এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যেত যদি শিক্ষামন্ত্রী বঞ্চিতদের জানিয়ে দিতেন, তাদের আবেদনে কী ঘাটতি ছিল। এই জন্যই তাঁর জবাবদিহিতার দাবি উঠতে পারে।
এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া ও বাছাই পদ্ধতি নিয়ে বিভ্রান্তির বিষয়টি আমার স্কুলজীবনের এক সহপাঠী, যিনি একসময় শিক্ষকতা করেছেন, তাঁর সঙ্গে আলাপ করছিলাম। স্বল্প সময়ে সম্পাদিত প্রক্রিয়াটি নিয়ে আমি এর আগে যে মন্তব্য করেছি সেটি উল্লেখ করে জানতে চাইলাম, ‘তোমার কি মনে হয় দুর্নীতি হয়নি, অনিয়ম হয়েছে? অনিয়ম হয়ে থাকলে বাছাইয়ের জটিলতার কারণে হতে পারে। তোমার কি মনে হয়, কীভাবে দুরূহ বাছাই কাজটি করা হয়েছে?’ রসিক বন্ধু একেবারে হালকাভাবে বুঝিয়ে দিলেন, ‘দুর্নীতি না হলেও নীতিবহির্ভূত হতে পারে। কারণ সঠিকভাবে নিয়মানুগভাবে তালিকা করা ছিল অসম্ভব ও দুঃসাধ্য কাজ। তাই আমার মনে হয়, সাড়ে সাত হাজার থেকে এক হাজার ২২টি বাছাই করতে আইয়ুবী সামরিক আদালতের পন্থা অনুসরণ করা হয়েছে।’ বললাম, ‘সেটি কী রকম?’ উত্তর এল, ‘সেই রকমে, যেই রকমে আইয়ুবের সংক্ষিপ্ত সামরিক আদালতে মামলার নিষ্পত্তি করা হতো। পেশকার গোটা পঞ্চাশেক মামলার নথি বিচারক মেজর-ক্যাপ্টেন বিচারকের টেবিলে রাখতেন। তিনি একটি নথি হাতে নিয়ে বাঁ-পাশে রেখে বলতেন, খালাস। অন্যটি ডান পাশে রেখে বলতেন, সাত বছর অথবা দশটি বেত্রাঘাত। ব্যস, ১০ মিনিটে ৫০টি মামলার ফয়সালা হয়ে গেল।
আমি বুঝলাম, এই পদ্ধতিকেই বোধহয় মন্ত্রী মহোদয় ‘অনিয়ম’ বলেছেন। বন্ধুকে সে কথা বলতেই খেপে গেল, ‘দ্যাখ, অনিয়ম ও দুর্নীতি হয় না, কেউ-না কেউ করে।’ আমার উত্তর, ‘তাহলে এমপিওভুক্তি প্রতিক্রিয়া অথবা নিয়ে অনিয়ম বা দুর্নীতি কে করেছে? বন্ধু আমাকে ধমক দিয়ে বললেন, ‘শরৎচন্দ্রের পথের দাবী পড়েছিস?’ উপন্যাসটির একটি অংশ সংক্ষেপে বলছি। ব্রিটিশ আমলে একজন বিপ্লবী গাঁজাখোরের ভেক ধরে কলকাতা থেকে জাহাজে রেঙ্গুন বন্দরে নামলেন। তাঁকে ধরার জন্য বন্দরে আগে থেকেই গোয়েন্দা বাহিনী ওত পেতে ছিল। প্রত্যেক যাত্রীকে তল্লাশি করার সময় বিপ্লবী সব্যসাচীকে ধরে বললেন, ‘এ্যাই ব্যাটা, গাঁজা খাস? দেখি, তোর হাত দেখি।’ হাত শুঁকে গোয়েন্দা এবার বললেন, ‘এ্যাই তো, হাতে গাঁজার পাতা দলাই করে খেয়েছিস। হাতে গাঁজার গন্ধ কেন?’ সব্যসাচী উত্তর দিলেন, ‘মাইরি বলছি স্যার, আমি খাইনি। আমার হাতে কে যেন খেয়ে গেছে স্যার।’ শিক্ষামন্ত্রীর গায়ে হয়তো এমনিভাবে অন্যের দুর্নীতির হাতের ছাপ পড়েছে। কিন্তু মন্ত্রী মহোদয় সেই ‘অন্যদের’ বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিলেন না বলেই তাঁর হাতের তালু থেকেই মন্ত্রণালয়ের অনেকের দুর্নীতির গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। এখন তাঁর হাতে যাঁরা খেয়ে গেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে অপারগতার ব্যাখ্যাও পেতে হবে।
সর্বশেষ সংবাদ: আট মাসে শিক্ষামন্ত্রী যেকোনো কারণে যা পারেননি, তা ছয় দিনে সম্পাদনের দায়িত্ব এখন শিক্ষা উপদেষ্টার কাঁধে চাপিয়ে দিলেন। এ সম্পর্কে গুণী ও জ্ঞানী আকবর আলি খান একটি টিভি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘উপদেষ্টা বাছাই করলেও চূড়ান্ত তালিকাটি তো শিক্ষা মন্ত্রণালয়কেই প্রকাশ করতে হবে।’ ডিও লেটার বা অর্থ প্রদানের আদেশও মন্ত্রনালয় দেবে। অর্থাৎ সর্বশেষ প্রক্রিয়ার দায়ভার শেষ পর্যন্ত তাঁর ওপর বর্তাবে। উপরিউক্ত বক্তব্যের আলোকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, মন্ত্রী আট-নয় মাসে তালিকাটি নিজেই পরিমার্জনা না করে শেষ মুহূর্তে এসে ‘সরে দাঁড়ালেন’ কেন? আমার সন্দেহ হচ্ছে, বর্তমান সরকারের এমপিওভুক্তি প্রক্রিয়া, ভণ্ডুল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেওয়াতেই উপদেষ্টার কাঁধে সব ভার চাপিয়ে তাঁর এই বিলম্বিত ‘সরে দাঁড়ানো’। এখন মন্ত্রী মহোদয় বিতর্কিত হওয়ার কারণটি ব্যাখ্যা করলে শিক্ষা উপদেষ্টার পক্ষে পুনর্মূল্যায়ন ও যাচাই-বাছাই করার কাজটি সহজ হবে। এমপিওভুক্তির ভ্রম সংশোধন ও অনিয়মের সুরাহা করতে উপদেষ্টা ও মন্ত্রীর সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। তা হলেই আওয়ামী সরকারের প্রশংসনীয় কর্মসূচিটি সীমিত সময়ে সফল করা সম্ভব হবে। সকল বিতর্কের অবসান ঘটাবে।
এবিএম মূসা: সাংবাদিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বসমন্বিত কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন জরুরি
উত্ত্যক্ততা আমাদের সমাজের অনেক গভীরে প্রোথিত। বখাটেরা হরহামেশাই পথেঘাটে শিশু, কিশোরী ও নারীদের উত্ত্যক্ত করে। নারী নির্যাতনের নানা রূপের মধ্যে এটি প্রতিনিয়ত ঘটলেও এর আপাত-অহিংস চেহারার কারণে তা সাধারণত গোচরে আসে না। সমাজে পুরুষতান্ত্রিক মনোভাবের প্রাধান্যের ফলে একে অপরাধ হিসেবে না দেখে স্বাভাবিক বিষয় মনে করারও চল আছে। কিন্তু আসকের তথ্যমতে, শুধু উত্ত্যক্ত করার কারণে চার মাসে আত্মহত্যা করেছেন ১৪ জন নারী। নারীর ওপর এই নির্যাতনের প্রভাব যে কত ভয়াবহ হতে পারে, উত্ত্যক্ত হওয়া থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য নারীদের আত্মহত্যার ঘটনা থেকেই তা অনুধাবন করা যায়। উত্ত্যক্ততা আমাদের সমাজে এক জটিল সমস্যা। এটি প্রতিরোধের চ্যালেঞ্জও তাই অত্যন্ত কঠিন।
উত্ত্যক্ত করার প্রভাব পড়ে সমাজের নানা ক্ষেত্রে। বখাটেদের উৎপাতে স্কুল-কলেজের ছাত্রীদের একটি অংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়তে বাধ্য হয়। অনেক অসহায় অভিভাবক মেয়েদের বাল্যবিবাহের মাধ্যমে উৎপাত থেকে উদ্ধারের পথ খুঁজে নেন। সামাজিক পরিসরে নারীর পদচারণ কমে যায়, যার প্রভাব পড়ে অর্থনীতিতে। তাই সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অংশগ্রহণে সমন্বিত কৌশল প্রণয়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার দাবি রাখে।
আশার কথা, সম্প্রতি উত্ত্যক্তবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ প্রশাসনসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন উদ্যোগ। কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে এসব উদ্যোগকে সমন্বিত করে কেন্দ্র থেকে প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত করাটা জরুরি।
তবে সাম্প্রতিক উদ্যোগগুলোতে মূলত আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। উত্ত্যক্ততার মূল কারণগুলো মোকাবিলায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা দরকার। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়গুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তবে বিদ্যালয়ের গণ্ডি ছাপিয়েও এ ব্যাপারে শিক্ষাদান চালাতে হবে। পুলিশসহ বিভিন্ন পেশাজীবীকে এ ব্যাপারে প্রশিক্ষণ দেওয়া উচিত।
পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীর বেড়ে ওঠা ও সামাজিকীকরণ ঘটে নাজুকতার মধ্য দিয়ে; এর সুযোগ নেয় বখাটেরা। নারীকে নাজুক রেখে এর অবসান হয়তো ঘটানো যাবে না। সমাজের বেশির ভাগ মানুষ এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ালে, আইন প্রয়োগকারীরা তাদের পাশে দাঁড়ালে, রাজনৈতিক দলগুলো একে প্রশ্রয় না দিলে এই অন্যায় চলতে পারত না। তাই মানসিকতার বদল ঘটাতে গড়ে তুলতে হবে সামাজিক আন্দোলন। সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সব মানুষের পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। রাষ্ট্র ও সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই এই সমস্যা প্রতিহত করা সম্ভব হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের -ব্যবস্থা করা হোক উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা
বকেয়া বেতন-ভাতাসহ তাঁদের চাকরিতে পুনর্বহাল নিশ্চয়ই একটি সুসংবাদ। কারণ, চাকরি হারানোর চেয়ে বড় দুঃসংবাদ আর কী হতে পারে। কিন্তু কেন তাঁদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল আর কোন যুক্তিতে তাঁদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ দেওয়া হলো, সেটা সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে। আলোচ্য ৩২৮ জন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়ার পর তাঁদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা উচিত ছিল, কিন্তু সেটা করা হয়নি। এ রকম প্রস্তুতিবিহীন অবস্থায় ২০০৭ সালে নতুন নির্বাচন কমিশন মূল্যায়ন পরীক্ষার আয়োজন করায় ওই কর্মকর্তাদের মধ্যে ৮৫ জন অকৃতকার্য হয়েছিলেন। সংগতভাবেই প্রশ্ন ওঠে, ২০০৫ সালে চাকরিতে নিয়োগের পর প্রায় দুই বছরে কেন তাঁদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়নি।
বিগত চারদলীয় জোট সরকার ও তার আগের সরকারগুলোর আমলে নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারত না। কমিশন ছিল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের অধীন। ফলে সেখানে নিয়োগ-বদলি থেকে শুরু করে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনায় ক্ষমতাসীনদের হস্তক্ষেপের যথেষ্ট সুযোগ ছিল। কিন্তু বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। এখন কমিশন আর প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের অধীন নয়। সুতরাং আলোচ্য ৮৫ জন কর্মকর্তার প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা জরুরি। স্বাধীন নির্বাচন কমিশনে এই কর্মকর্তারা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করুক, এটা একান্ত কাম্য।
শক্তিশালী গণতন্ত্রের একটি অন্যতম শর্ত সুষ্ঠু নির্বাচন। আর এ জন্য দরকার সব ধরনের রাজনৈতিক ও দলীয় প্রভাবমুক্ত স্বাধীন নির্বাচন কমিশন। বর্তমান নির্বাচন কমিশনের স্বাধীন ভূমিকা পালনের আইনগত ভিত্তি নিশ্চিত করা হয়েছে। তাই নির্বাচন কমিশনের সব কর্মকর্তার কাছে সর্বোচ্চ পেশাদারি কাম্য। কোনো কর্মকর্তার অতীত নিয়ে চিন্তা-ভাবনার অবকাশ নেই। এখন সবার পরিচয় হলো—তাঁরা একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা। তাঁদের প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মকানুন মেনে কাজ করার ওপরই নির্ভর করে দেশে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন নির্বাচনের ফলাফলের গ্রহণযোগ্যতা।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের উপযুক্ত মানের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা না হলে কমিশন ঈপ্সিত ভূমিকা পালন করতে পারবে না। আবার কর্মকর্তারা যদি সতর্কতার সঙ্গে সব ধরনের রাজনৈতিক দলীয় সংশ্লিষ্টতা থেকে দূরে না থাকেন, তাহলেও কমিশন জনগণের আস্থা ধরে রাখতে পারবে না। সংশ্লিষ্ট সবাইকে মনে রাখতে হবে যে এখানে কারও নীতিবিচ্যুত হওয়ার সুযোগ নেই।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মালয়েশিয়ায় আইনপ্রণেতার সাজা
বাং বারিসান ন্যাশনাল জোটের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা। গত মাসে বাং ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী জিজি এজেত এ সামাদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিয়ে করার অভিযোগ আনা হয়।
বাংয়ের আইনজীবী আমলি এমবং বলেন, উচ্চ আদালতে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি না হওয়া পর্যন্ত এই দণ্ডাদেশ কার্যকর হবে না।
মালয়েশিয়ায় একজন মুসলিম পুরুষ চারটি স্ত্রী রাখতে পারেন। তবে দেশের কিছু এলাকায় এ ব্যাপারে শরিয়া আইন অনুযায়ী ধর্মীয় আদালত থেকে অবশ্যই লিখিত অনুমতি নিতে হবে। অন্যথায় জরিমানা দিতে হবে বা কারাভোগ করতে হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চীনে গ্রাম্য যুবকদের হামলায় ১৩ ছাত্র আহত
চীনের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, দক্ষণাঞ্চলীয় হাইনান দ্বীপের হাইকু শহরের হাইনান টেকনোলজি অ্যান্ড ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটে ওই ঘটনা ঘটে। গভীর রাতে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা আগুনে ভেড়া ঝলসিয়ে ভূরিভোজ করেন। এ নিয়ে গ্রামের যুবকদের সঙ্গে তাঁদের তর্ক হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় গ্রামের যুবকদের হামলায় চার ছাত্র হন। এ ঘটনার দুই ঘণ্টা পর গ্রামের যুবকেরা দা-ছুরি নিয়ে ইনস্টিটিউটের দুটি ছাত্রাবাসে হামলা চালায়। এতে আরও নয়জন ছাত্র আহত হন।
চীনজুড়ে গত কয়েক মাস ধরে ছাত্রদের ওপর অজ্ঞাত কারণে হামলা চলছে। এসব হামলায় গত পাঁচ মাসে ১৫ জন ছাত্রসহ ১৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৮০ জনেরও বেশি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাইজেরিয়ার পুলিশ নিয়মিত হত্যা ধর্ষণ ও নির্যাতন করে
নাইজেরিয়ার পুলিশের কঠোর সমালোচনা করে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর মধ্যে সর্বশেষটি হচ্ছে ওপেন সোসাইটি জাস্টিস ইনিশিয়েটিভের এ প্রতিবেদন। চলতি মাসে প্রকাশিত এ প্রতিবেদনের ব্যাপারে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি নাইজেরীয় কর্তৃপক্ষ।
দুই বছর ধরে ৪০০ পুলিশ কর্মকর্তা ও সন্দেহভাজনের বিভিন্ন ঘটনা পর্যালোচনা করে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলোতে কোনো শাস্তি ছাড়াই পার পেয়ে যাচ্ছে নাইজেরীয় পুলিশ।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নাইজেরিয়ায় পুলিশ বিচারবহির্ভূত হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও ঘুষ নেওয়ার মতো অপরাধ করছে। কিন্তু এসব অপকর্মের জন্য তাদের তেমন কোনো শাস্তি হয় না। কোনো অপরাধমূলক ঘটনার তদন্তের ক্ষেত্রে নির্যাতনকে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে পুলিশ। নারী-পুরুষ উভয় অপরাধীর ওপর তাঁরা যৌন নির্যাতন চালায়। প্রায় সব কাজেই পুলিশ ঘুষ নেয়। একজন পুলিশ সদস্য ধর্ষণের ব্যাপারে বলেন, ‘রাতে টহলের সময় এই ছোটখাটো সুবিধাগুলো পাই আমরা।’ রাজধানী লাগোসে যৌনকর্মীরা বিবিসিকে জানান, প্রতিবেদনটি সঠিক। এক যৌনকর্মী বলেন, ‘তারা (পুলিশ) আমাদের তুলে নিয়ে যায়, মারধর করে, ধর্ষণ করে। অনেক সময় আমাদের কাছ থেকে টাকা-পয়সাও ছিনিয়ে নেয়।’ এ ছাড়া পুলিশ হেফাজতেও অনেক নারী যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এতে আরও বলা হয়েছে, ‘এটা এমন এক দেশ, যেখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপনাকে ঘুষ দিতে হবে। যাঁদের ঘুষ দেওয়ার সামর্থ্য নেই, তাঁরা অনেক বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।’
বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করার পরও পুলিশ সদস্যদের কোনো ধরনের বিচার না হওয়ার সংস্কৃতি নিয়ে সেখানে ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে। সহিংস ঘটনায় বেশির ভাগ সময় পুলিশ সদস্যদের বিচারের মুখোমুখি হতে হয় না।
পুলিশ বাহিনীতে সংস্কার আনার জন্য সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কয়েকটি প্যানেল গঠন করা হলেও পরিস্থিতির তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পীতসাগরে যুদ্ধজাহাজ ডুবির জন্য উত্তর কোরিয়া দায়ী
গত ২৬ মার্চ পীতসাগরে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি যুদ্ধজাহাজ ডুবে যায়। এ ব্যাপারে একটি বহুজাতিক তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশ করার কথা রয়েছে। এর একদিন আগেই উত্তর কোরিয়াকে সরাসরি দায়ী করলেন দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মিউং হান বলেন, ‘অভিযোগ নিয়ে জাতিসংঘের যাওয়ার মতো যথেষ্ট প্রমাণ আমাদের কাছে আছে।’
দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইয়োনহ্যাপ সামরিক বাহিনীর একজন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, ডুবে যাওয়া জাহাজ থেকে একটি টর্পেডোর অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। এতে উত্তর কোরিয়ার ফন্টে ক্রমিক নম্বর লেখা রয়েছে।
সিউলের একটি পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের বিশেষজ্ঞরা টর্পেডোর ক্রমিক নম্বর বিশ্লেষণ করে দেখেছেন। তারা নিশ্চিত যে, ওই টর্পেডো উত্তর কোরিয়ার তৈরি।
তবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে চায়নি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুম্বাইয়ের লোকাল ট্রেনে বিস্ফোরণের মামলার শুনানি কাল শুরু
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার শুনানি ২০০৭ সালে বিশেষ আদালতে শুরু হলেও গ্রেপ্তার হওয়া এক অভিযুক্ত ২০০৮ সালের গোড়ার দিকে স্থগিতাদেশ চেয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন। গত ২৫ এপ্রিল আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেন। ফলে মামলাটির শুনানি নতুন করে শুরু হচ্ছে।
লোকাল ট্রেনে বিস্ফোরণের ঘটনায় পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তাইয়েবার মদদপুষ্ট কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে মুম্বাই পুলিশ। তবে বিস্ফোরণের মূল হোতা পাক নাগরিক ও লস্কর-ই-তাইয়েবার কমান্ডার আজম চিমা এখনো ধরা পড়েননি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ককপিটে অপরিচিত ব্যক্তির উপস্থিতি ছিল
তদন্ত কমিটির প্রধান তাতেয়ানা অ্যানোদিনা বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত, বিমানের ককপিটে ক্রু ছাড়াও অন্য ব্যক্তির উপস্থিতি ছিল। বিধ্বস্ত হওয়ার আগে তাদের কণ্ঠস্বরের রেকর্ড পাওয়া গেছে। তাদের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পোল্যান্ড কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
তদন্তে বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় কোনো সন্ত্রাসী হামলা, বিস্ফোরণ বা আগুন লাগার বিষয়টি নাকচ করে দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত কমিটির টেকনিক্যাল কমিশনের প্রধান অ্যালেক্সি মোরোজোভ এয়ার ট্রাফিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানান, স্মোলেনস্ক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় সেখানকার আবহওয়া প্রতিকূল ছিল। এ কারণে অবতরণ না করার ব্যাপারে বার বার সতর্ক করে দেওয়া হয়। এ সময় বিমানের ইঞ্জিন স্বাভাবিকভাবে কাজ করছিল, বিমান বন্দরের অবস্থাও স্বাভাবিক ছিল।
উল্লেখ্য, গত ১০ এপ্রিল রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের স্মোলেনস্ক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এতে প্রেসিডেন্ট কাচজিনস্কি ও তাঁর স্ত্রীসহ ৯৬ জন নিহত হন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পশ্চিমবঙ্গে মাইন বিস্ফোরণ চার পুলিশ নিহত
মাওবাদীরা আইপিএল ক্রিকেট বন্ধ, সরকারি সংস্থাকে বেসরকারিকরণের সিদ্ধান্ত বাতিলসহ বিভিন্ন কারাগারে বন্দী মাওবাদীদের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে এই বনেধর ডাক দেয়।
বনেধর মধ্যেই গতকাল বুধবার মাওবাদীরা পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গল মহলের পিংবনি-রামগড়ের মধ্যে টহলরত কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনীর (সিআরপিএফ) গাড়ি লক্ষ্য করে স্থলমাইনের বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে চারজন সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়। আহত হন দুই কমানড্যান্ট। আহতদের মেদিনীপুর হাসপাতলে ভর্তি করা হয়েছে।
একই দিন মাওবাদীরা পশ্চিম মেদিনীপুরের ঝাড়গ্রামের কাছে খাটকুড়া হল্ট স্টেশনে রেললাইনে বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে একটি মালগাড়ি লাইনচ্যুত হয়। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কানাডার বিস্তৃত বনাঞ্চল সংরক্ষণে চুক্তি
কাঠবিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো আশা করছে, এই চুক্তির ফলে তাদের বাণিজ্যিক লাভ হবে। কারণ, ক্রেতারা তাদের কাছ থেকে আরও বেশি নৈতিক দায়বদ্ধতা আশা করে। চুক্তির আওতায় সংরক্ষিত ওই বনাঞ্চলের পরিমাণ জার্মানির আয়তনের দ্বিগুণ। যা ১৯৯০ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে পৃথিবী থেকে উজাড় হওয়া বনভূমির সমান।
কানাডিয়ান বোরাল ফরেস্ট এগ্রিমেন্ট (সিবিএফএ) নামের এই চুক্তির মাধ্যমে এফপিএসিভুক্ত ২১টি প্রতিষ্ঠান ও নয়টি পরিবেশবাদী সংগঠন একত্রিত হয়েছে। এর আগে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর সমালোচনা করত। কিন্তু এখন নতুন চুক্তি অনুযায়ী, পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো এখন আর ওই সব কোম্পানির বিরুদ্ধে সমালোচনা করবে না বা তাদের বর্জন করে চলার আহ্বান জানাবে না।
ফরেস্ট প্রোডাক্ট অ্যাসোসিয়েশন অব কানাডার (এফপিএসি) প্রেসিডেন্ট আভরিম লাজার বলেন, ‘এই চুক্তির গুরুত্ব কোনো বক্তব্যের মাধ্যমে প্রকাশ করা যাবে না। বনাঞ্চলে গাছ কাটা নিয়ে পরিবেশগত ও বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য আমরা একটি বুদ্ধিদীপ্ত ও উৎপাদনক্ষম পন্থা চিহ্নিত করেছি।’
কানাডার পরিবেশবাদী সংগঠন পিউ এনভায়রনমেন্ট গ্রুপ নতুন এই চুক্তি নিয়ে খুবই খুশি। সংগঠনের আন্তর্জাতিক বনভূমি সংরক্ষণ প্রচারণা শাখার পরিচালক স্টিভ ক্যালিক বলেন, ‘আমরা আনন্দিত, কারণ এই চুক্তি ইতিহাসে বাণিজ্যিকভাবে সবচেয়ে বড় বনাঞ্চল সংরক্ষণ পরিকল্পনা।’ সংগঠনটি জানিয়েছে, বর্তমানে বিশ্বে বনাঞ্চল রক্ষায় যে কয়টি চুক্তি আলোচিত হচ্ছে, সেগুলোর চেয়ে তাদের চুক্তিতে বড় আকারের বনভূমি সংরক্ষণ করা হয়েছে। এর আকার ব্রাজিলিয়ান অ্যামাজন রিজিওন প্রটেকটেড এরিয়াস প্রজেক্ট চুক্তির আওতাভুক্ত বনাঞ্চলের চেয়েও বড়।
চুক্তি অনুযায়ী, আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূল থেকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল পর্যন্ত বনভূমিতে বিশ্বের সবচেয়ে ভালো বনাঞ্চল ব্যবস্থাপনা ও চাষাবাদ কৌশল প্রয়োগ করবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের চলচ্চিত্র পরিচালক জাফর পানাহি অনশন শুরু করেছেন
পানাহি ইরানের বিরোধীদলীয় নেতা মির হোসেইন মৌসাবির একজন সমর্থক। গত মার্চের শুরুর দিকে পানাহিকে তাঁর স্ত্রী ও কন্যাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী সময়ে স্ত্রী-কন্যাকে মুক্তি দেওয়া হলেও তাঁকে তেহরানের এভিন কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়। ইরান সরকার পানাহির বিরুদ্ধে কারাগার নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক চলচ্চিত্র নির্মাণের অভিযোগ করেছে।
বিরোধী দলের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্যানুযায়ী জাফর পানাহি টেলিফোনে তাঁর পরিবারকে জানান, ‘আমার বিরুদ্ধে কারাগার নিয়ে মিথ্যা বিভ্রান্তিকর চলচ্চিত্র নির্মাণের অভিযোগ আনা হয়েছে। আমি রোববার সকাল থেকে কোনো কিছু খাচ্ছি না এবং আমার দাবি পূরণ না করা পর্যন্ত অনশন করে যাব।’
পানাহি কয়েকটি দাবি করেছেন কর্তৃপক্ষের কাছে। এগুলো হলো, তাঁর আইনজীবী ও পরিবারের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ এবং আদালতের শুনানি পর্যন্ত নিঃশর্ত জামিন।
জাফর পানাহি তাঁর হোয়াইট বেলুন চলচ্চিত্রের জন্য ১৯৯৫ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে ‘দ্য ক্যামেরা ডি’ওর’ সম্মাননা অর্জন করেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগানিস্তানে ন্যাটোর ঘাঁটিতে জঙ্গি হামলা, নিহত ১১
রাজধানী কাবুলের একটি স্পর্শকাতর এলাকায় আত্মঘাতী গাড়িবোমা হামলা চালানোর এক দিনের মাথায় এ হামলা চালানো হলো। ওই গাড়িবোমা হামলায় সাত মার্কিন সেনা, এক কানাডীয় কর্নেল ও ১২ আফগান সেনা নিহত হন।
আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সহায়তা বাহিনীর (আইএসএএফ) এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাজধানী কাবুলের ৬০ কিলোমিটার উত্তরে বাগরাম বিমানঘাঁটিতে গতকাল রকেট, ছোট অস্ত্র ও গ্রেনেডের সাহায্যে জঙ্গিরা হামলা শুরু করে। ঘাঁটির বাইরে থেকে তারা রকেট লঞ্চার নিক্ষেপের পাশাপাশি ছোট অস্ত্র দিয়ে গুলি ছোড়ে। এ সময় ন্যাটো সেনাদের পাল্টা হামলায় ১০ জঙ্গি নিহত হয়। সংঘর্ষ প্রায় ছয় ঘণ্টা স্থায়ী হয়।
বাগরাম বিমানঘাঁটির তথ্য কর্মকর্তা মেজর ভার্জিনিয়া ম্যাককেবল জানান, জঙ্গিরা বিমানঘাঁটির একটি প্রবেশপথকে লক্ষ্য করে হামলা শুরু করলেও ভেতরে ঢুকতে পারেনি। ন্যাটোর সেনারা দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ঘাঁটি থেকে হেলিকপ্টার গানশিপ ব্যবহার করে জঙ্গিদের দমন করা হয়। এ সময় সাত সেনা আহত হন।
বাগরাম বিমানঘাঁটির পার্শ্ববর্তী নাওদি গ্রামের বাসিন্দারা জানান, জঙ্গিরা খুব ভোরে হামলা শুরু করে। গোলাগুলি ও মার্কিন হেলিকপ্টারের প্রচণ্ড শব্দে তাঁদের ঘুম ভেঙে যায়।
ওই গ্রামের বাসিন্দা জেমারি মালিকজাদা বলেন, ‘তখন ভোর চারটা কি সাড়ে চারটা। দেখলাম, মার্কিন হেলিকপ্টারগুলো আকাশে চক্কর দিচ্ছে। সেগুলো থেকে জঙ্গিদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হচ্ছে। জঙ্গিরাও হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি ছুড়ছে।’
আহমেদ জওয়াদ নামের আরেক গ্রামবাসী জানান, ‘জঙ্গিদের একজনকে দেখে তাঁর কাছে গেলাম। তিনি তাঁর বুকে বাঁধা বোমা আমাকে দেখালেন। এ দৃশ্য দেখে আমি দৌড়ে চলে এলাম।’
তালেবান জঙ্গিরা বাগরাম বিমানঘাঁটিতে বুধবারের ভয়াবহ হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, তাদের ২০ জন আত্মঘাতী সদস্য ওই হামলায় অংশ নেয়। এর মধ্যে চারজন তাদের সঙ্গে থাকা বিস্ফোরক বেল্টের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিজেদের উড়িয়ে দেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অবরোধ আরোপে যুক্তরাষ্ট্রের খসড়া প্রস্তাব
নতুন খসড়া প্রস্তাবের ব্যাপারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন বলেন, রাশিয়া ও চীনসহ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশ এ খসড়া প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে।
১০ পৃষ্ঠার ওই খসড়া প্রস্তাবে বলা হয়েছে, প্রচলিত অস্ত্র বা পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র বহন করছে এমন সন্দেহ হলে সমুদ্রবন্দর ও মধ্যসাগরে ইরানের মালবাহী জাহাজগুলোতে তল্লাশি চালাতে পারবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। প্রস্তাবে তেহরানের কাছে ট্যাংক, সাঁজোয়া যান, যুদ্ধবিমান, রণতরী ও অন্যান্য ভারী অস্ত্র বিক্রির ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে । এ ছাড়া পরমাণু অস্ত্রবিস্তার কর্মসূচির সঙ্গে যোগসাজশ আছে এমন সন্দেহে ইরানি ব্যাংকগুলোর শাখা, সহপ্রতিষ্ঠান বা প্রতিনিধিত্বকারী কার্যালয় খোলার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া যাবে। ইরানি ব্যাংকগুলোর লেনদেনের ওপর আরও নজরদারি বাড়ানো হবে। সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার জন্য ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের সদস্যদের তালিকা করা হয়েছে। তবে নতুন এই প্রস্তাবের ব্যাপারে ইরানে আণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান আলী আকবর সালেহী হতাশা প্রকাশ করেছেন।
এ সপ্তাহে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের জন্য স্বল্পসমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আরও সমৃদ্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে ব্রাজিল, তুরস্ক ও ইরানের মধ্যে একটি চুক্তি হওয়ার পরও অবরোধ আরোপের এই খসড়া প্রস্তাব তৈরি করা হয়। গত সোমবারের ওই চুক্তি অনুযায়ী, ইরান তার স্বল্পসমৃদ্ধ এক হাজার ২০০ কেজি ইউরেনিয়াম তুরস্কে পাঠাবে এবং তুরস্ক ওই ইউরেনিয়াম জ্বালানি উপযোগী মানে সমৃদ্ধ করে আবার তেহরানের কাছে পাঠাবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সরকার অভিযোগ করে আসছে ইরান জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা অব্যাহত রেখেছে। তাদের দাবি, তেহরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে। কিন্তু ইরান সরকারের দাবি, তাদের পরমাণু কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত।
ব্রাজিল, তুরস্ক ও ইরানের মধ্যেকার চুক্তিটি এর আগে পশ্চিমা বিশ্বের প্রস্তাবিত চুক্তির মতোই। ব্রাজিল ও তুরস্ক নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য। গত বছর ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া ও চীন প্রস্তাব দিয়েছিল ইরান তার স্বল্পসমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামগুলো রাশিয়া ও ফ্রান্সে পাঠাবে এবং তারা সেগুলো জ্বালানি উপযোগী মাত্রায় সমৃদ্ধ করে তেহরানের কাছে ফেরত দেবে। কিন্তু ওই সময় ইরানের দাবি ছিল, এই জ্বালানি লেনদেনের বিষয়টি ইরানের মাটিতেই হতে হবে। ফলে তখন দুপক্ষের মধ্যে কোনো সমঝোতা হয়নি।
অবরোধ আরোপের খসড়া প্রস্তাব সম্পর্কে ব্রাজিলের প্রতিনিধিরা বলেছেন, এ মুহূর্তে তাঁরা খসড়া প্রস্তাবটি নিয়ে কোনো ধরনের আলোচনায় যেতে রাজি নন। কারণ, নতুন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আগামী মাসে অবরোধ প্রস্তাবটির ওপর নিরাপত্তা পরিষদে ভোট নেওয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা আশাবাদী প্রস্তাবটি অনুমোদন করানোর জন্য তাঁরা বেশির ভাগ সদস্যের সমর্থন পাবেন।
নিউইয়র্ক থেকে বিবিসির সংবাদদাতা বলেন, ‘পশ্চিমা শক্তিগুলো প্রস্তাবটিকে যতটা কঠোর করতে চেয়েছিল, সেটি আসলে ততটা কঠোর হয়নি। রাশিয়া ও চীন বেশ কয়েকটি পদক্ষেপে পানি ঢেলে দিয়েছে।
জাতিসংঘে চীনের রাষ্ট্রদূত লি বাওদং মঙ্গলবার বলেন, অবরোধ আরোপের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা। এই অবরোধ নিরীহ জনগণকে হয়রানি করা বা স্বাভাবিক বাণিজ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য নয়। অন্যদিকে গতকাল বুধবার রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ খসড়া চুক্তিতে রাশিয়ার সমর্থন নিশ্চিত করেছেন। এ ব্যাপারে মঙ্গলবার রাতে তিনি হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপ করেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বোল্টের ৯.৮৬
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সারে কাউন্টিতে ইউনুস
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে পেপসির আয়োজন
পেপসির পেট বোতলের পানীয় কিনলে ছিপির মধ্যে একটা নম্বর থাকবে। ওই নম্বর যেকোনো মুঠোফোন থেকে ৬৯৬৯ নম্বরে এসএমএস করলে প্রেরণকারী নিবন্ধিত হবেন। যতগুলো নম্বর পাঠাবেন তার প্রতিটি একটি করে ‘গোল’ হিসেবে বিবেচ্য হবে (আগামী ৩০ জুন অথবা স্টক থাকা পর্যন্ত চলবে এই আয়োজন)। এক শর বেশি গোলধারীর মধ্যে ১২ জনকে বেছে নেওয়া হবে কুইজ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। এই ১২ জন ব্যাংককের পাতায়া সমুদ্রসৈকতে ফুটবল খেলার সুযোগ পাবেন।
এ ছাড়া এসএমএসে অংশ নেওয়া প্রতিযোগীদের জন্য থাকছে, মোবাইল ফোন, ফিলিপস এলসিডি টিভি, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন পুরস্কার। প্রতিটি পেট বোতলের সঙ্গে নিশ্চিত পুরস্কার হিসেবে থাকছে একটি পেপসি স্টার কার্ড।
কাল জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানান ট্রান্সকম বেভারেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম কুদ্দুস চৌধুরী, নির্বাহী পরিচালক খুরশিদ ইরফান চৌধুরী, বিপণন উন্নয়ন ব্যবস্থাপক আরিফ হোসেইন প্রমুখ।
আন্তক্লাব কলেজ ফুটবল: ইউনিলিভারের আয়োজনে বিভাগীয় পর্যায়ে ৪৪টি কলেজ দলের ‘ক্লিয়ার মেন কনফিডেন্টস কাপ ২০১০’ শুরু হচ্ছে আগামীকাল।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ষষ্ঠ স্থানে আরামবাগ
৩৫ মিনিটে নিকোডিমাসের গোলে এগিয়ে যায় আরামবাগ। ৫১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে সমতা আনেন মিঠুন চৌধুরী। ৬১ মিনিটে আলফাজ পেনাল্টি থেকে গোল করে আবার এগিয়ে নেন আরামবাগকে। ৭২ মিনিটে ব্যবধানটা ৩-১ করে ফেলেন নিকোডিমাস। রনি ৮০ মিনিটে ৩-২ করলে ম্যাচটা জমে ওঠে।
আরামবাগের সাব্বির ৪-২ করেন ৮৭ মিনিটে। ঠিক দুই মিনিট পরই মিঠুন চৌধুরীর গোল ৪-৩ করলে নড়েচড়ে বসে চট্টগ্রাম আবাহনী। শেষ পর্যন্ত আর পয়েন্ট নিতে পারল না চট্টগ্রামের দলটি।
২১ ম্যাচে ৫ জয় আর ৮ ড্রয়ে আরামবাগের পয়েন্ট হলো ২৩। অবনমনের শঙ্কা কাটিয়ে আরামবাগ এখন পয়েন্ট তালিকার ষষ্ঠ স্থানে। ২১ ম্যাচে ৪ জয় আর ৬ ড্রয়ে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে চট্টগ্রাম আবাহনী এখনো অবনমন অঞ্চলে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এখনো ম্যারাডোনায় আস্থার সংকট
আর্জেন্টিনায় এ মুহূর্তে জরিপ হলে ম্যারাডোনার ওপর আস্থাশীলের চেয়ে আস্থার সংকটে ভোগা মানুষের সংখ্যাই হবে বেশি। আস্থাহীনতার মূল কারণ অবশ্যই ক্ষতবিক্ষত হয়ে আর্জেন্টিনার বাছাইপর্বের লড়াই পেরোনো। ম্যারাডোনার সবচেয়ে বড় সমালোচক সিজার লুই মেনোত্তি। আর্জেন্টিনাকে প্রথম জয়ের স্বাদ এনে দিয়েছিলেন এই মেনোত্তিই, ১৯৭৮ বিশ্বকাপে। সেবার ম্যারাডোনাকে বাদও দিয়েছিলেন তিনি দল থেকে।
সেই থেকে ম্যারাডোনা-মেনোত্তির বনিবনা নেই। ৩২ বছর আগে ম্যারাডোনার ওপর আস্থা রাখতে পারেননি। মেনোত্তি আজও রাখতে পারছেন না, ‘আর্জেন্টিনা দলটাকে দেখে মনে হচ্ছে, কী করতে হবে এ সম্পর্কে ওদের কোনো ধারণাই নেই। বিভ্রান্ত এবং বিশৃঙ্খল।’
মেনোত্তি পাশে পাচ্ছেন দেশটির মিডিয়াকেও, যাদের সঙ্গে ম্যারাডোনার সম্পর্কটাও অম্লমধুর। অবশ্য সবাই যে ম্যারাডোনার বিরুদ্ধে, এমন নয়। আর্জেন্টাইন ক্রীড়া দৈনিক ওলে যেমন আশার আলো দেখছে সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্তে, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপসংহার হলো, দলটা অবশেষে খেলার একটা দর্শন খুঁজে পেয়েছে। হয়তো তর্কসাপেক্ষ, কিন্তু নিশ্চিতভাবে নির্দিষ্ট একটা দর্শন তারা পেয়েছে।’
এই দলের মধ্যে ম্যারাডোনা সবচেয়ে বেশি ভরসা রাখেন; না মেসি নন, হুয়ান সেবাস্তিয়ান ভেরনের ওপর। ভেরনের অভিজ্ঞতা আর প্রজ্ঞাকে সব সময়ই সমীহ করেছেন। সেই ভেরনও বলছেন, ‘আমাদের আরও উন্নতি করতে হবে। প্রতিটি বিষয়ে, প্রতিটি ক্ষেত্রে। গভীরভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে, কারণ এমন অনেক কিছুই আছে, যেগুলো ঠিকমতো ফল দেয়নি।’
বাছাইপর্বের সংকট যে ম্যারাডোনার হাতে তৈরি, তা কিন্তু নয়। পূর্বসূরি আলফিও বাসিলেই দলের ফাটল উপহার দিয়ে গেছেন ম্যারাডোনাকে। ম্যারাডোনার হাতে দায়িত্বভার দিয়েও সেই সংকট থেকে মুক্তি মেলেনি। তবে বাছাইপর্ব বাদে প্রীতি ম্যাচগুলোয় কিন্তু দারুণ খেলেছে আর্জেন্টিনা। ফ্রান্স-জার্মানির মতো দলকে তাদের মাঠে গিয়ে হারিয়ে এসেছে। সামগ্রিকভাবে দেখলে কোচ ম্যারাডোনার সাফল্যের হারও কম নয়। ১৮ ম্যাচের ১৩টিই জিতিয়েছেন, হেরেছেন ৫টিতে। সাফল্যের হার ৭২.২২ শতাংশ।
আর তাই অন্তত ম্যারাডোনা নিজের ওপর থেকে আস্থা হারাচ্ছেন না, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী, না হলে আমি এই দায়িত্ব নিতামই না। এত কিছুর পরও আমি বলছি, সামনে আমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ।’
‘এত কিছুর পরও’ মানে বাছাইপর্বের সংগ্রাম। ম্যারাডোনা চাইলে এই উদাহরণও দিতে পারতেন, বাছাইপর্বের ফলাফলের নিরিখে মূল আসরের সাফল্য-ব্যর্থতার বিচার অন্তত আর্জেন্টিনাকে দিয়ে চলে না। ২০০২ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে কী দুর্দান্তই না খেলল (১৮ ম্যাচে মাত্র এক পরাজয়)। অথচ সেবার বিশ্বকাপে তারা বাদ পড়ে গেল গ্রুপ পর্বেই! আর ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কথা ধরুন। সেবারও এমন হামাগুড়ি দিয়ে চূড়ান্ত পর্বের টিকিট পেয়েছিল দল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ট্রফি উঠল আর্জেন্টিনার হাতেই।
বলতে পারেন, সেবার যে একজন ডিয়েগো ম্যারাডোনা ছিল দলে। যিনি একাই জেতাতে পারতেন ম্যাচ। ‘আমারও একজন ম্যারাডোনা আছে, নাম তার লিওনেল মেসি’—উত্তরটা কোচ ম্যারাডোনার!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্ষমাপ্রার্থী ঘানা
ঘানা ফুটবল দলের পরিচালক অ্যান্থনি বাফোয়ে জার্মানির সংবাদপত্র কোলোন এক্সেপ্রেসকে ফোনে বলেছেন, ‘মাইকেল বালাক যে বিশ্বকাপে খেলতে পারছেন না, সেজন্য আমরা দুঃখিত। তিনি ঘানায় খুবই জনপ্রিয়। আমরা তাঁর সুস্থতা কামনা করছি।’ এএফপি।
একই সঙ্গে বাফোয়ে দাবি করেছেন, বোয়েটাং ইচ্ছে করে বালাককে আঘাত করেননি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডার্বির সৌন্দর্যও টানছে না সাকিবদের
কিন্তু শরীর ভালো না থাকলে কোনো কিছুই ভালো লাগে না। প্রকৃতির আদর বা ছবির মতো সাজানো ডার্বি শহর—কোনোটাই তাই টানছে না বাংলাদেশ দলকে। ইংল্যান্ডের সঙ্গে দুই টেস্টের সিরিজ শুরু হতে এখনো এক সপ্তাহের বেশি বাকি। এর আগে ডার্বিশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব মাঠে ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিপক্ষে সফরের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচটা শুরু হলো কাল। যে ম্যাচের প্রথম দিনের বেশির ভাগ সময় জলবসন্তে আক্রান্ত অধিনায়ক সাকিব আল হাসান হোটেল রুমে শুয়ে শুয়ে টেলিভিশনে সিনেমা দেখলেন। যাঁরা মাঠে এলেন, অসুস্থতা আর ইনজুরির কারণে এই স্বপ্নের মতো পরিবেশও মন ভালো রাখতে পারছে না তাঁদের অনেকেরই।
ইংল্যান্ডে আসার পর বাংলাদেশ দলের ইনজুরি ও অসুস্থতার তালিকা ক্রমেই লম্বা হয়েছে। তামিম ইকবাল আর জুনায়েদ সিদ্দিকের হাতে ব্যথা এখানে আসার আগে থেকেই। আশার কথা, দুজনই সে সমস্যা কাটিয়ে উঠেছেন, তামিম তো ইংল্যান্ডে এসে কাল প্রথমবারের মতো মাঠেও নামলেন। কিন্তু সাকিবের জলবসন্ত আর দলের বেশ কয়েকজন বোলারের টুকটাক ইনজুরিতে গোটা দলের ফিটনেসটাই ভাবিয়ে তোলার মতো। দলের সঙ্গে শামসুর রহমান যোগ দেওয়ার পরও তাই দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে না কাউকে।
দল সূত্রের তথ্য, সাকিবের মতো জলবসন্তের আতঙ্ক ছিল নাঈম ইসলামকে নিয়েও। সামান্য জ্বরেও নাকি ভুগেছেন দু-একদিন। নাঈমকে নিয়ে সে শঙ্কা এখন আর না থাকলেও পেসারদের নিয়ে দুশ্চিন্তাটা ঘুরে ফিরেই আসছে। সারে আর এসেক্সের বিপক্ষে প্রথম দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ ও অনুশীলন মিলিয়ে দলের পাঁচ পেস বোলারের তিনজনই কোনো না-কোনোভাবে ইনজুরিগ্রস্ত। শাহাদাতের সমস্যা কুঁচকিতে, শফিউল ইসলামের ব্যথা হাঁটুতে, মাহমুদউল্লাহর পায়ে ব্যথা আর মাহবুবুল আলমের চোট অ্যাঙ্কেলে। পুরোপুরি ঠিকঠাক আছেন কেবল রুবেল হোসেন ও রবিউল ইসলাম। জাতীয় দলে প্রথমবারের মতো ডাক পাওয়া রবিউল শুধু সুস্থই নন, প্রস্তুতি ম্যাচের পারফরম্যান্স দিয়ে লর্ডসে টেস্ট অভিষেকটাও মোটামুটি নিশ্চিত করে নিয়েছেন এরই মধ্যে।
অভিষেক টেস্টে রবিউল অধিনায়ক হিসেবে কাকে পাচ্ছেন, সেটাই এখন প্রশ্ন। সাকিবের অসুস্থতায় শেষ দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সহ-অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। ২৭ মে শুরু হতে যাওয়া লর্ডস টেস্টেও তাঁকেই টস করতে যেতে হয় কি না, কে জানে। আর কাল লাঞ্চের পর মাঠে আসা সাকিব নিজেও যে খুব আশার কথা শোনাতে পারছেন, তা নয়, ‘পক্স তো নতুন আরও দু-একটা দেখলাম গায়ে...। তবে আগেরগুলো শুকাতে শুরু করেছে। দেখা যাক, কী হয়। আশা তো আছে প্রথম টেস্টেই খেলার।’ জলবসন্তের গুটি শুকিয়ে যাওয়া মানেই পুরোপুরি সুস্থতা নয়। এই রোগ শরীরকে দুর্বল করে দেয় বলে সুস্থ হওয়ার পর ফিটনেস ফিরে পেতেও সময় লাগে। সাকিবের আশা কতটা পূরণ হবে তা নিয়ে সংশয় থাকছেই।
শরীরের অবস্থা গত কয়েক দিন এতই খারাপ ছিল যে দলের খোঁজখবরও ঠিকমতো রাখা হয়নি সাকিবের। জলবসন্ত ছোঁয়াচে রোগ, অন্যদের মধ্যেও সেটা যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য হোটেল রুমে নিজেকে একরকম ‘একঘরে’ করেই রেখেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। বোলারদের ছোটখাটো ইনজুরির খবরও তাই তাঁর অজানা, ‘কার কী অবস্থা আমি আসলে কিছুই বলতে পারব না। কারও সঙ্গেই যোগাযোগ নেই...তবে শুনেছি, তামিম শেষ প্রস্তুতি ম্যাচটা খেলবে।’
খেলা-অনুশীলন কোনোটাই করতে পারছেন না, সতীর্থদের সঙ্গে সময় কাটানোরও সুযোগ নেই। রুমে শুয়ে শুয়ে সিনেমা দেখেই পার করতে হচ্ছে সময়। কাল তো দেখলেন এমন একটা সিনেমা যেটার নামটাও বড় অদ্ভুত! ভাগ্য খারাপ হলে নামটা মিলে যেতে পারে ইংল্যান্ড সফরে সাকিবের বর্তমান অবস্থার সঙ্গেও—সিনেমার নাম গেম ওভার!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এখানেই শেষ দেখছেন না মাইকেল বালাক
গত শনিবার এফএ কাপের ফাইনালে চেলসির হয়ে খেলার সময় কেভিন প্রিন্স বোয়েটাংয়ের একটি শক্ত ট্যাকলে গোড়ালিতে বড় ধরনের চোট পান। বোয়েটাংয়ের ফাউলটিকে কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তিনি। সরাসরি বোয়েটাংকে আক্রমণ করে কিছু বলেনওনি। কেবল বলেছেন, ‘আমি প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ।’ তবে এ আঘাতই যে তাঁর ফুটবল ক্যারিয়ারকে শেষ করে দিয়েছে তাও মনে করেন না তিনি। বিবিসিকে তিনি জানিয়েছেন, ‘একটি “ফাউলে”র কারণে আমার ফুটবল জীবন শেষ হয়ে যেতে পারে না। আঘাত কাটিয়ে আমি আবার ফুটবলে ফিরব।’
এ পর্যন্ত জার্মানির হয়ে ৯৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশ নিয়েছেন। দুবার বিশ্বকাপ দলের সঙ্গী ছিলেন। ২০০২-এ ভঙ্গুর, অনভিজ্ঞ জার্মান দলকে ফাইনাল পর্যন্ত তুলেছিলেন, একরকম একক নৈপুণ্যে। ২০০৬ সালে সেমিফাইনালে উঠেও ইতালির কাছে হেরে যায় জার্মানি। দুবারের দুঃখ এবারই ঘুচিয়ে ফেলতে চেয়েছিলেন মাইকেল বালাক, কিন্তু বিশ্বকাপের মাত্র কয়দিন বাকি থাকতে, এই আঘাত তাঁর স্বপ্ন ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে।
ইনজুরির অভিজ্ঞতা বালাকের কাছে একেবারেই নতুন নয়। ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের ইনজুরি তাঁর সঙ্গী হয়েছে। তবে এবারের ইনজুরিটিকে কিছুতেই মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না এই জার্মান সুপারস্টার। দুঃখ ভারাক্রান্ত মাইকেল বালাক বলেছেন, ‘আমার চিন্তা-ভাবনা ও চেতনা জুড়েই ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ। একটি ইনজুরি সব এলোমেলো করে দিয়েছে। আমি ভাবতেই পারছি না এবারের বিশ্বকাপ আমার খেলা হবে না। আমার সব স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
May
(677)
-
▼
May 21
(26)
- সাইকেলে বাংলাদেশ ভ্রমণ by তাহমিনা হক
- ফুতেনমার গোলকধাঁধা by মনজুরুল হক
- কথায় কথায় টিভি চ্যানেল বন্ধ নয় by সুপন রায়
- পাকিস্তানবাদের ফেরিওয়ালারা by সোহরাব হাসান
- যেসব কারণে এমপিওভুক্তি বিতর্কিত হয়েছে by এবিএম মূসা
- বসমন্বিত কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন জরুরি
- প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের -ব্যবস্থা করা হোক উপজেলা নি...
- মালয়েশিয়ায় আইনপ্রণেতার সাজা
- চীনে গ্রাম্য যুবকদের হামলায় ১৩ ছাত্র আহত
- নাইজেরিয়ার পুলিশ নিয়মিত হত্যা ধর্ষণ ও নির্যাতন করে
- পীতসাগরে যুদ্ধজাহাজ ডুবির জন্য উত্তর কোরিয়া দায়ী
- মুম্বাইয়ের লোকাল ট্রেনে বিস্ফোরণের মামলার শুনানি ক...
- ককপিটে অপরিচিত ব্যক্তির উপস্থিতি ছিল
- পশ্চিমবঙ্গে মাইন বিস্ফোরণ চার পুলিশ নিহত
- কানাডার বিস্তৃত বনাঞ্চল সংরক্ষণে চুক্তি
- ইরানের চলচ্চিত্র পরিচালক জাফর পানাহি অনশন শুরু করেছেন
- আফগানিস্তানে ন্যাটোর ঘাঁটিতে জঙ্গি হামলা, নিহত ১১
- ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অবরোধ আরোপে যুক্তরাষ্ট্রের খস...
- বোল্টের ৯.৮৬
- সারে কাউন্টিতে ইউনুস
- বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে পেপসির আয়োজন
- ষষ্ঠ স্থানে আরামবাগ
- এখনো ম্যারাডোনায় আস্থার সংকট
- ক্ষমাপ্রার্থী ঘানা
- ডার্বির সৌন্দর্যও টানছে না সাকিবদের
- এখানেই শেষ দেখছেন না মাইকেল বালাক
-
▼
May 21
(26)
-
▼
May
(677)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...