Saturday, November 9, 2024
ট্রাম্প জিততেই হলিউড তারকাদের অনেকে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন
একটি সূত্র ডেইলি মেইলকে জানিয়েছে যে, ‘সিস্টারহুড অফ দ্য ট্র্যাভেলিং প্যান্ট’ খ্যাত অভিনেত্রী তার সন্তানদের জন্য আরও ভাল জীবনের সন্ধানে রয়েছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রে থেকে সম্ভব নয়। কমালা হেরে যাবার পর রীতিমতো বিধস্ত ফেরেরা নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেছেন, 'আমেরিকা সত্যিই অসুস্থ তাই ডনাল্ড ট্রাম্প আবার প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন'।
শ্যারন স্টোনও ইতালিতে যাওয়ার কথা ভাবছেন। জুলাই মাসে, ‘বেসিক ইনস্টিনক্ট’ খ্যাত অভিনেত্রী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যাওয়ার বিষয়ে কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে, ইতালিতে একটি বাসা কেনার কথা বিবেচনা করছেন। শ্যারনের অভিযোগ, তার জীবনে এই প্রথম তিনি কাউকে দেখলেন যে কেউ ঘৃণা ও নিপীড়নের মাধ্যমে অফিসের জন্য দৌড়োচ্ছে।
এদিকে, গার্ডিয়ানের সাথে ২০২৩ সালের একটি সাক্ষাত্কারে, ৭৮ বছর বয়সী গায়ক এবং অভিনেত্রী সেইসঙ্গে ট্রাম্পের একজন কট্টর সমালোচক চের বলেছেন, সাবেক প্রেসিডেন্টের নেতৃত্ব তার স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছিল। ২০২৩ সালের একটি সাক্ষাত্কারে, ট্রাম্পের ক্ষমতায় ফিরে আসার সম্ভাবনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আলসারে ভুগছি। সে যদি আবার ক্ষমতায় আসে এইবার আমাকে দেশ ছাড়তে হবে।’
বৃটিশ অভিনেত্রী সোফি টার্নার, গেম অফ থ্রোনস -এ তার ভূমিকার জন্য বিখ্যাত। ট্রাম্পের সম্ভাব্য ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে তার প্রতিক্রিয়া ছিল ‘যদি এমনটা ঘটে আমি যুক্তরাজ্যে ফিরে যাবো।’
২০১৬ সালে ওভাল অফিসের জন্য ট্রাম্পের প্রথম দৌড়ের সময়, ‘দ্য ভিউ’-এ অভিনেতা রাভেন সাইমন জানিয়েছিলেন যদি একজন রিপাবলিকান নির্বাচনে জয়ী হন, তাহলে তিনি দেশ ছেড়ে চলে যাবেন। যদিও তিনি সেই সময়ে পালিয়ে যাননি, তবে এই সময়ে নিজের এবং স্ত্রী মিরান্ডা ম্যাডের ভবিষ্যত নিয়ে কি ভাবছেন তা এখনও প্রকাশ করেননি।
২২ বছরের বিলি আইলিশ প্রথম দিন থেকে হ্যারিসকে সমর্থন করে আসছেন। ফলাফল আসার পরে তার অনুগামীদের কাছে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিজে গিয়ে লেখেন, ‘এটি নারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ।’ সহশিল্পী আরিয়ানা গ্র্যান্ডে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তার হৃদয়বিদারক কথা শেয়ার করার জন্য তার নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘প্রতিটি ব্যক্তি আজ ফলাফলের পরিণাম অনুভব করছেন’।
ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে এক্সে -ও। ক্রিস্টিনা অ্যাপেলগেট প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করেছেন যে, তার ১৩ বছর বয়সী মেয়ে স্যাডি ফলাফলের জন্য ‘কাঁদছেন’।
সূত্র : নিউইয়র্ক পোস্ট

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমস্টারডামে ইসরায়েলিদের ওপর হামলা: হামলাকারীরা ‘ইহুদি, আইডিএফ’ বলে চিৎকার করছিল
বৃহস্পতিবার রাতে ইসরায়েলের ফুটবল ক্লাব ম্যাকাবি তেল আবিবের যেসব সমর্থক হামলার শিকার হয়েছেন, তাঁদের একজন আদি রুবেন (২৪)। ইউরোপা লিগে ম্যাকাবি তেল আবিব বনাম অ্যাজাক্স আমস্টারডামের খেলা দেখার জন্য রুবেন আমস্টারডামে গিয়েছিলেন। তিনি বিবিসিকে জানান, (ম্যাচ শেষে) তিনি হোটেলের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় একদল যুবক এসে তাঁর গতিরোধ করে তাঁকে মেঝেতে ফেলে লাথি মারতে থাকেন। রুবেন ও তাঁর বন্ধুদের যাঁরা গতিরোধ করেছিলেন তাঁদের সংখ্যা ১০ জনের বেশি। হামলাকারীরা তাঁদের কাছে জানতে চান, তাঁরা কোথা থেকে এসেছেন?
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে বুঝিয়ে ‘তাঁরা ইহুদি, ইহুদি, আইডিএফ, আইডিএফ’ বলে চিৎকার করেন বলেও জানান রুবেন। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী সংক্ষেপে আইডিএফ নামে পরিচিত।
রুবেন বলেন, ‘তাঁরা আমার সঙ্গে হাঙ্গামা শুরু করেন। তখন আমি বুঝতে পারলাম, আমাকে পালাতে হবে। কিন্তু চারদিকে অন্ধকার ছিল এবং আমি বুঝতে পারছিলাম না কোন দিকে যাব। একপর্যায়ে আমি মেঝেতে পড়ে যাই। ১০ জন মিলে আমাকে লাথি মারতে থাকেন। তাঁরা জোরে জোরে ফিলিস্তিন শব্দটি উচ্চারণ করছিলেন।’
হামলাকারীরা এক মিনিটের মতো সময় ধরে তাঁকে লাথি মারতে থাকেন বলে জানান রুবেন। তিনি জানান, লাথি মারার পর তাঁরা হেঁটে চলে যান। তাঁরা কোনো কিছুর ভয় পাচ্ছিলেন না।
রুবেন বলেন, ‘আমি বুঝতে পারছিলাম, আমার নাক রক্তে ভরে গেছে। আমার নাক ভেঙে গিয়েছিল। আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল।’
আঘাতের পর প্রায় ৩০ মিনিট কোনো কিছু স্পষ্ট করে দেখতে পাচ্ছিলেন না রুবেন; কিন্তু তিনি আমস্টারডামের কোনো হাসপাতালে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কারণ তিনি শুনেছিলেন, ওই সহিংসতার সঙ্গে ট্যাক্সিচালকেরা জড়িত ছিলেন।
তাই আমস্টারডামের হাসপাতালে না গিয়ে স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকেলে একটি ফ্লাইটে করে ইসরায়েলে এসে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানান রুবেন। তিনি মনে করেন, আগে থেকে পরিকল্পনা করে সংগঠিতভাবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।
ম্যাকাবি তেল আবিবের আরেক সমর্থক পিনাও বৃহস্পতিবার রাতের হামলাকে পূর্বপরিকল্পিত বলে বর্ণনা করেছেন। নেদারল্যান্ডসের সংবাদমাধ্যম এনওএসকে তিনি বলেন, ‘মনে হয়েছে, সংঘবদ্ধভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। অনেক মানুষ এসেছিল। তারা আমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। বাইরে যেতে নিরাপদ বোধ না করা পর্যন্ত আমরা হোটেলে লুকিয়ে ছিলাম।’
আমস্টারডামেই বসবাস করেন সাপ্তাহিক সংবাদপত্র ডাচ জিউশ–এর সম্পাদক এস্থার ভোয়েট। তিনি জানান, সহিংসতার ভিডিও দেখে তিনি তাঁর বাসার দরজা ইসরায়েলি ফুটবল সমর্থকদের জন্য খুলে দেন। ইসরায়েলের সম্প্রচারমাধ্যম কানকে তিনি বলেন, ‘আমি তাঁদের বলেছিলাম, এটা একজন ইহুদির বাসা। আপনারা এখানে নিরাপদ। মানুষগুলো সত্যিই খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিল। আমি কখনো ভাবিনি, আমস্টারডামে এমন কিছুর ভেতর দিয়ে যেতে হবে।’
ডাচ পুলিশ জানায়, ইসরায়েলি ফুটবল সমর্থকেরা গুরুতর নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। হামলাকারীদের মধ্যে অনেকে ছিলেন তরুণ। তাঁরা স্কুটারে এসে হামলা চালিয়েছিলেন।
আমস্টারডামের পুলিশপ্রধান পিটার হোল্লা বলেন, শহরের কেন্দ্রস্থলেই অনেক পুলিশ থাকলেও এ ধরনের হামলা ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। পুলিশ শেষ পর্যন্ত ম্যাকাবি ক্লাবের সমর্থকদের এক জায়গায় করার ও সুরক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে গাড়িতে করে তাঁদের ওই এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
পিটার হোল্লা জানান, পাঁচজন আহত হয়েছিলেন। তবে চিকিৎসা নিয়ে তাঁরা হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন। এ ছাড়া আরও ২০ থেকে ৩০ জন সামান্য আঘাত পেয়েছেন।
আমস্টারডামের জোহান ক্রুইফ এলাকায় বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের ফুটবল ক্লাব ম্যাকাবি তেল আবিব ও অ্যাজাক্স আমস্টারডামের মধ্যে ইউরোপা লিগের খেলা ছিল। এ ম্যাচে অ্যাজাক্স আমস্টারডাম ৫-০ গোলে জয়ী হয়। খেলা শেষে বৃহস্পতিবার রাতে ওই এলাকায় সংঘাত শুরু হয়।
এই হামলাকে নেদারল্যান্ডস ও ইসরায়েলের শীর্ষ নেতারা ইহুদিবিদ্বেষী বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। ইসরায়েলি সমর্থকদের দেশে ফিরিয়ে আনতে শুক্রবার সকালে নেদারল্যান্ডসে দুটি উড়োজাহাজ পাঠান নেতানিয়াহু। ম্যাকাবির খেলোয়াড় ও অনেক সমর্থক এরই মধ্যে ইসরায়েলে ফিরে এসেছেন।
হামলার পটভূমি
নেদারল্যান্ডসের সরকারি কর্মকর্তারা জানান, ম্যাকাবি তেল আবিব ক্লাবের সমর্থক ও আমস্টারডামের বাসিন্দাদের মধ্যে কয়েক দিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। তারপর এই হামলা হয়েছে।
পুলিশপ্রধান হোল্লা জানান, বুধবার ম্যাকাবির সমর্থকেরা একটি ট্যাক্সিতে হামলা চালায় এবং ফিলিস্তিনের একটি পতাকা পুড়িয়ে দেয়। এ ঘটনার পর ট্যাক্সি চালকেরা ম্যাকাবি সমর্থকেরা অবস্থান নিয়েছে এমন একটি স্থানের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সেখানে ক্লাবটির প্রায় ৪০০ সমর্থক ছিলেন; কিন্তু পুলিশ তাঁদের ওই স্থান থেকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে পেরেছিল। এরপর বুধবার দিবাগত রাতে শহরের ড্যাম স্কয়ারেও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কিন্তু তখন পুলিশ মোটাদাগে দুই পক্ষকে দূরে সরিয়ে রাখতে পেরেছিল।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খেলা শুরু হওয়ার আগে পুলিশ পাহারায় ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারীরা মিছিল করেন। অদূরে ইসরায়েলি সমর্থকেরা থাকলেও পুলিশের উপস্থিতির কারণে তখন কোনো সংঘাত হয়নি; কিন্তু খেলা পরবর্তী হামলা ঠেকাতে পারেনি পুলিশ।
আমস্টারডামের মেয়র ফেমকে হালসেমা বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ আমাদের শহরের শান্তিকে হুমকির মুখে ফেলেছে। এটা ইহুদিবিদ্বেষের এক ভয়ানক বিস্ফোরণ।’
মেয়র বলেন, ম্যাকাবি তেল আবিবের সমর্থকেরা সহিংসতা করতে পারে, এমন ধারণা ছিল না। ম্যাকাবি তেল আবিব ও অ্যাজাক্স আমস্টারডামের সমর্থকদের মধ্যে কোনো শত্রুতাও ছিল না।
ম্যাকাবির কিছু সমর্থক ইসরায়েলে বিভিন্ন বর্ণবিদ্বেষী ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাঁদের ক্লাবটির ফিলিস্তিনি ও আরব খেলোয়াড়দের কটূক্তি করতে দেখা গেছে। ওই সব খেলোয়াড়কে ক্লাব থেকে বাদ দিতে তারা চাপ তৈরি করেছিলেন, এমন কথাও শোনা গেছে।
ম্যাকাবির সমর্থকেরা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের ওপরও ইতিপূর্বে হামলা চালিয়েছিলেন।
একটি ভিডিওতে আমস্টারডামে ম্যাকাবি তেল আবিবের সমর্থকদের আক্রমণাত্মক স্লোগান দিতে দেখা গেছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মেয়র হালসেমা বলেন, গত (বৃহস্পতিবার) রাতে যা ঘটেছে, সেটার সঙ্গে বিক্ষোভের কোনো সম্পর্ক নেই। যা ঘটছে সেটার জন্য কোনো অজুহাত দেওয়া যায় না।
![]() |
| ইসরায়েলের ম্যাকাবি তেল আবিব ক্লাবের সদস্য ও আমস্টারডামের কিছু বাসিন্দার মধ্যে বুধবার থেকে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। ছবি : রয়টার্স |
| হামলার পর একটি বিশেষ ফ্লাইটে নেদারল্যান্ডস থেকে ইসরায়েলের ম্যাকাবি তেল আবিব ক্লাবের সদস্যদের নিয়ে আসা হয়। ইসরায়েলের বেন গুরিওন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ম্যাকাবি তেল আবিব খেলোয়াড় ইসুফ সিসোখো ছবি : রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন বিপদে ইউক্রেন, যুদ্ধক্ষেত্রে নামছে উত্তর কোরিয়ার সেনারা
শুক্রবার (০৮ নভেম্বর) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার সৈন্যরা মঙ্গলবার রাশিয়ার কুর্স্ক অঞ্চলে প্রথমবারের মতো ইউক্রেনীয় বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। একই দিনে মার্কিন ভোটাররা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেছেন। তিনি ইউক্রেনে আরও সামরিক সহায়তা পাঠানোর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন।
সন্ধ্যার ভাষণে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, উত্তর কোরিয়ার সেনাদের সঙ্গে প্রথম যুদ্ধ বিশ্বে অস্থিতিশীলতার একটি নতুন অধ্যায় শুরু করেছে। যুদ্ধকে সম্প্রসারিত করার জন্য রাশিয়ার এমন পদক্ষেপ রুখতে আমাদের সবকিছু করতে হবে।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রুস্তেম উমেরভ বলেন, সেনাদের সঙ্গে ছোট ছোট সংঘর্ষ হয়েছে। উত্তর কোরিয়ার সেনারা আলাদাভাবে লড়াই করছে না। তারা রাশিয়ান ফেডারেশনের বুরিয়াতের ছদ্মবেশে রাশিয়ান ইউনিটগুলোতে যুক্ত হয়ে যুদ্ধে অংশ নিয়েছে।
গত শনিবার (০২ নভেম্বর) ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা (জিইউআর) জানায়, রাশিয়া অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে সাত হাজার উত্তর কোরিয়ার সেনাকে ইউক্রেনের নিকটবর্তী এলাকায় স্থানান্তর করেছে। ২৮টি রুশ বিমানে তাদের পরিবহন করা হয়েছে। এ ছাড়া তাদের মর্টার, অ্যাসল্ট রাইফেল এবং মেশিনগান দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইউক্রেনের কমান্ডার-ইন-চিফ ওলেক্সান্ডার সিরস্কি বলেন, রাশিয়া কুর্স্ক থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে হঠানোর জন্য ৪৫ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে। এ সংখ্যা আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছে তারা।
তিনি বলেন, এ অঞ্চলে রাশিয়ার পর্যাপ্ত সেনা নেই। ফলে তারা উত্তর কোরিয়ার সেনাদের এসব এলাকায় মোতায়েন করছে। তিনি আরও বলেন, এ অঞ্চলে রাশিয়ার প্রায় ২১ হাজার সেনা গুরুতর আহত হয়েছে। এরমধ্যে মাত্র আট হাজার সেনা মারা গেছে।
ইউক্রেনের পক্ষ থেকে এ দাবি করা হলেও রাশিয়া বা পিইয়ংইয়ং যুদ্ধে সেনা নামানোর কথা স্বীকার করেনি। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সাংবাদিকদের বলেন, উত্তর কোরিয়ার নাগরিকরা ইউক্রেনের ভূখণ্ডে প্রবেশ করলে ইউক্রেন তাদের গুলি করতে পারে।
![]() |
| সেনাদের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেমন ছিল ট্রাম্পের বিবাহিত জীবন
নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো জয়ী হওয়ার পর নিজের পাম বিচ কাউন্টি কনভেনশন সেন্টারে ভাষণ দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে সবকিছুর জন্য তিনি তার বর্তমান স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান।
বর্তমানে মেলানিয়ার সঙ্গে সংসার করলেও ট্রাম্পের বৈবাহিক জীবন শুরু হয় ইভানা ম্যারির সঙ্গে। কানাডা থেকে ১৯৭৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসার পর ট্রাম্প ও মডেল ইভানার প্রথম পরিচয়। পরের বছরই তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। কিন্তু বিয়ের ১৫ বছর যেতে না যেতেই খ্যাতনামা সুন্দরী মার্লা ম্যাপলসের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন ট্রাম্প। এরই জের ধরে ১৯৯০ সালে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে ট্রাম্প ও ইভানার। তবে মায়ের বিদায় হলেও বাবার কাছেই থেকে যান এই ঘরের তিন সন্তান ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র, ইভাঙ্কা ও এরিক।
বিবাহবিচ্ছেদ হলে ট্রাম্পের সাথে সম্পর্ক জোরালো হয় মার্লা ম্যাপলসের। ১৯৯৩ সালে মার্লা একটি কন্যাসন্তান টিফানির জন্ম হয়। কিন্তু সেসময় ট্রাম্প জানান, ২য় বারের মতো বিয়ের পরিকল্পনা নেই তার। তবে এর কয়েকদিন পর ঠিকই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন ট্রাম্প। ছয় বছর যেতে না যেতেই ১৯৯৯ সালে এই সংসারেরও ইতি ঘটে।
মার্লা তাদের বিবাহবিচ্ছেদের কারণ হিসেবে একটি সাক্ষাৎকারে জানান, ট্রাম্প তার সন্তান লালন-পালন সম্পর্কে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি রাখতেন। তবে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটলেও তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থেকে যায়। এমনকি ২০২৩ সালে টিফানির বিয়ের অনুষ্ঠানে একসাথে দেখা যায় ট্রাম্প ও মার্লার।
২য় বিবাহবিচ্ছেদের পর ট্রাম্পের সাথে সম্পর্ক হয় স্লোভেনিয়ার সুন্দরী মেলানিয়ার। জানা যায়, ১৯৯৮ সালে নিউইয়র্কে একটি ফ্যাশন উইক পার্টিতে তাদের ১ম দেখা। দীর্ঘ ৬ বছর ধরে প্রেমের পর ২০০৫ সালে বিয়ে করেন মেলানিয়া ও ট্রাম্প। বর্তমানে ট্রাম্প তার সঙ্গেই আছেন।
মেলানিয়া এবং ট্রাম্পের বয়সের পার্থক্য ২৪ বছর। এই ঘরে একমাত্র পুত্রসন্তান ব্যারন। বিগত প্রায় ২০ বছর ধরে এক ছাদের নিচেই ঘর করছেন তারা। যদিও এ সময়ের মধ্যে অসংখ্য বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে মুখোরোচক সমালোচনা আর বদনাম কুড়িয়েছেন ট্রাম্প।
![]() |
| (বাম থেকে) ট্রাম্পের প্রথম স্ত্রী ইভানা, বর্তমান স্ত্রী মেলানিয়ার সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প, ট্রাম্প এর দ্বিতীয় স্ত্রী মার্লা ম্যাপলস। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৩৭০ ইস্যুতে তুলকালাম জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভা, বিধায়কদের মধ্যে বেনজির হাতাহাতি
এদিকে, পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি (পিডিপি)৩৭০ এবং ৩৫ (এ) ধারা পুনরুদ্ধার করার জন্য আজ একটি নতুন রেজুলেশন পেশ করেছে। উপত্যকাভিত্তিক দলগুলি এই পদক্ষেপের প্রশংসা করলেও বিজেপি এর বিরোধিতা করেছে। ওই প্রস্তাবে বলা হয়, জাতীয় সংহতির কথা মাথায় রেখে এবং একই সঙ্গে কাশ্মীরবাসীর স্বার্থ অক্ষুন্ন রাখতে এই নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন। পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য প্রস্তাবটি জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্য সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। সোমবার অধিবেশন শুরু হওয়ার পর থেকে বিধানসভায় বিশৃঙ্খলার দৃশ্য অব্যাহত রয়েছে। ৩৭০ অনুচ্ছেদটি সংবিধানের একটি বিধান যা জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলকে বিশেষ স্বায়ত্তশাসন প্রদান করেছিল। এটি প্রতিরক্ষা, যোগাযোগ এবং বৈদেশিক বিষয় ব্যতীত রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নিজস্ব সংবিধান, পতাকা এবং স্বায়ত্তশাসনের অনুমতি দেয়। ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট কেন্দ্র ৩৭০ধারা প্রত্যাহার করে, জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা সরিয়ে দেয় এবং এটিকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পুনর্গঠিত করে: জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ।
সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লন্ডনে গোলটেবিল বৈঠক: উপদেষ্টা পরিষদে অন্তত ১০ শতাংশ প্রবাসী বাংলাদেশি নেয়ার দাবি by আরিফ মাহফুজ
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি তাদের অকুণ্ঠ সমর্থন আছে উল্লেখ করে বক্তারা আরও বলেন, ‘যেকোনো উপায়ে এই সরকারকে সফল হতেই হবে। সরকার ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ ব্যর্থ হবে। সফল গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ৫৩ বছর পর দেশ গড়ার এক সুবর্ণ সুযোগ এসেছে। এই সুযোগ থেকে মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশ বাংলাদেশি যারা প্রবাসে থাকেন তাদের বঞ্চিত করলে বরং দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পৃথিবীর প্রায় ১৫টি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ আছে যাদের একেকটির মোট জনসংখ্যা দেড় কোটি হবে না। সুতরাং এত বিপুল সংখ্যক প্রবাসীদের অবহেলা করে রাষ্ট্রের টেকসই সংস্কার বা মেরামত করা সম্ভব নয়। দেড় কোটি প্রবাসীদের সন্তুষ্ট করুন ও তাদের ন্যায্য এবং যৌক্তিক দাবিসমূহ মানুন, তার বিনিময়ে দেখবেন প্রবাসীরা কোটি কোটি ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা করে দেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবেন।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সিনেটর নাসরুল্লাহ খান জুনায়েদের সভাপতিত্বে প্রতিথযশা আইনজীবী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার নাজির আহমদের সঞ্চালনায় সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ওলিউল্লাহ নোমান।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. হাসানাত হোসেন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক আব্দুল কাদের সালেহ।
আলোচনায় অংশ নেন আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর ফারুক, ব্যারিস্টার ইকবাল হোসেন, ব্যারিস্টার হামিদুল হক আফিন্দী লিটন, সাবেক সেনা কর্মকর্তা আমিন চৌধুরী, ব্যারিস্টার আলিমুল হক লিটন, ব্যারিস্টার এম ফয়ছল, ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম এমাদ, ব্যারিস্টার আলী ইমাম, যুবনেতা নাসির উদ্দিন, গবেষক শরীফুল ইসলাম, মানবাধিকার কর্মী তানভীর হাসান, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিলেতের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ আহমদ, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট সাজেদুর রহমান, সমাজকর্মী আমিনুল ইসলাম প্রমুখ। দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা ও মতবিনিময়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কথা উঠে আসে।
বৈঠক নিম্নোক্ত প্রস্তাবনা ও দাবি সর্বসম্মতিতে গৃহীত হয়-
১। প্রবাসীদের ন্যায়সঙ্গত বিভিন্ন দাবি-দাওয়া ও অভিযোগ আছে। এসব ন্যায়সঙ্গত দাবি-দাওয়া ও অভিযোগ অতীতে সরকারের কাছে পাঠালেও যথাযথ বা সন্তোষজনক জবাব পাওয়া যায়নি। অথচ প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স হচ্ছে দেশের অর্থনীতির বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত। এই খাতকে মোটেই অবহেলা করা ঠিক নয়। অন্তর্বর্তী সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১০টি সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। অনুরূপভাবে প্রবাসীদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার, বিভিন্ন দাবি-দাওয়া, সেবার মান ও অভিযোগ-এসব বিষয়ে সংস্কারের জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সংস্কার কমিশন গঠনের দাবি জানাচ্ছি।
২। দেড় কোটির উপরে প্রবাসী অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০% বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করছেন। তারা বাংলাদেশের নাগরিক। চার লাখ চাকমাদের জন্য প্রতিটি সরকারে তাদের প্রতিনিধিত্ব থাকে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারেও আছে। কিন্তু আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, দেড় কোটি প্রবাসীদের জন্য কোনো সরকারেই প্রবাসী প্রতিনিধি রাখা হয়নি। তাই বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দেড় কোটি উপরে প্রবাসীদের মধ্য থেকে অন্তত: দুইজন উপদেষ্টা রাখার দাবি জানাচ্ছি।
৩। বৃটেন, ইউরোপ, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করেন অনেক বাংলাদেশি দ্বৈত-নাগরিক। অনেকে বাস্তব ও প্রায়োগিক সুবিধার্থে দ্বৈত-নাগরিকত্ব নিলেও তারা জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক এবং সর্বোচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী জন্মসূত্রে প্রাপ্ত নাগরিকত্ব কেউ কেড়ে নিতে পারে না। বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬(২)(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিকরা সংসদ সদস্য হতে পারবেন না। দ্বৈত নাগরিকরা বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, এমনকি প্রধান বিচারপতি হতে পারলেও এমপি হওয়ার পথে সাংবিধানিক বাধা ও বৈষম্য রাখার কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই। উল্লেখ্য, গণতন্ত্রের সূতিকাগার বৃটেনে দ্বৈত নাগরিকরা বৃটিশ পার্লামেন্টের মেম্বার হতে পারেন। শুধু তাই নয়, বৃটেনে এমপি হওয়ার জন্য বৃটিশ নাগরিক হওয়ারও বাধ্যবাধকতা নেই। বাংলাদেশি নাগরিকত্ব ও বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়েও বৃটেনে সেটেল্ড যে কেউ বৃটিশ এমপি হতে পারবেন। সুতরাং জন্মসূত্রে বাংলাদেশি নাগরিক যারা দ্বৈত-নাগরিকত্ব নিয়েছেন তাদের জন্য সংবিধানের বৈষম্যমূলক ৬৬(২)(গ) অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত করার দাবি জানাচ্ছি।
৪। প্রায় দেড় কোটি প্রবাসী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করছেন। সবাইকে একভাবে দেখা উচিৎ নয়। বৃটেনে বৃটিশ-বাংলাদেশিরা সুপ্রতিষ্ঠিত। এখানে শত শত দক্ষ প্রফেশনাল আছেন, যারা স্ব স্ব ক্ষেত্রে যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলছেন। হাজার হাজার অক্সফোর্ড, কেমব্রিজ ও লন্ডন গ্র্যাজুয়েট আছেন যারা বাংলাদেশ পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। আধুনিক মালয়েশিয়া নির্মাণে মালয়েশিয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মুহাম্মদ বৃটেনে এসে বৃটিশ-মালয়েশিয়ানদের মধ্যে ট্যালেন্ট হান্ট করতেন। এমনটি করা জন্য বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি। সুপ্রতিষ্ঠিত বৃটিশ বাংলাদেশিদের বাংলাদেশকে দেয়ার মতো অনেক কিছু আছে।
৫। বৃটেন থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিতে ভ্যালিড বাংলাদেশি পাসপোর্ট থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে গত ২-৩ বছর আগে। পাওয়ার অব অ্যাটর্নির সঙ্গে ভ্যালিড বাংলাদেশি পাসপোর্টের সম্পর্ক কী তা বোধগম্য নয়। পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে এমন আজগুবি নিয়ম নেই। এই নিয়ম চালু করার কারণে বৃটেনে লাখ লাখ বসবাসকারী প্রবাসীরা মারাত্মক ঝামেলায় পড়েছেন। অন্য দেশের প্রবাসীরাও বিড়ম্বনায় পড়েছেন। এমতাবস্থায়, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সম্পাদনে আইডি হিসেবে বাংলাদেশি পাসপোর্ট অথবা বৃটিশ পাসপোর্ট অথবা এনআইডি কার্ড গ্রহণযোগ্য বলে অতি দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির জোর দাবি জানাচ্ছি।
৬। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হোন। অথচ, যাদের ভোটে এমপি নির্বাচিত হোন তাদের সঙ্গে সুযোগ-সুবিধায় বিরাট বৈষম্য রয়েছে। যেমন, এমপি হলেই ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঢাকায় সরকারি জমি বরাদ্দসহ নানা উন্নয়ন বরাদ্দ দেয়া হয়। রাষ্ট্রের মালিক তথা ভোটারদের বাসস্থান ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত না হলেও এমপিদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয়। এটা রাষ্ট্রের নাগরিকদের সঙ্গে বিরাট বৈষম্য তৈরি করে। অথচ সংবিধানে বলা আছে, আইনের চোখে সকলেই সমান। অবিলম্বে এসব বৈষম্যমূলক সুযোগ-সুবিধা ও বরাদ্দ বাতিল করতে হবে। পৃথিবীর উন্নত গণতান্ত্রিক দেশে এমপিদের এ ধরনের বৈষম্যমূলক সুযোগ-সুবিধা ও বরাদ্দ দেয়া হয় না । সেখানে স্থানীয় উন্নয়ন বরাদ্দ দেয়া হয় গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের মাধ্যমে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হোয়াইট হাউসের প্রথম নারী চিফ অব স্টাফ সুসি
ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম-সংক্রান্ত দুই ব্যবস্থাপকের একজন সুসি। আগামী ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ট্রাম্প। শপথ গ্রহণের আগেই ট্রাম্প প্রশাসন সাজানোর কাজ সারবেন। গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদের জন্য পছন্দের ব্যক্তিদের বাছাই করার অংশ হিসেবে প্রথম সুসির নাম ঘোষণা করলেন এই সদ্য নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট।
হোয়াইট হাউজের চিফ অব স্টাফ মূলত প্রেসিডেন্টের প্রশাসনিক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি হোয়াইট হাউজের কর্মীদের সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বও সামলান। এছাড়া প্রেসিডেন্টের প্রতিদিনের কর্মসূচি ঠিক করার পাশাপাশি সরকারি বিভাগ ও আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন চিফ অব স্টাফ।
নাম ঘোষণার সময় ট্রাম্প বলেন, ‘সুসি কঠোর পরিশ্রমী ও সর্বজনীনভাবে প্রশংসিত। আমি জানি দেশের জন্য সুসি তার সর্বোচ্চ শ্রমটা দেবেন।’
সুসি যুক্তরাষ্ট্রকে গৌরবান্বিত করবেন এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই উল্লেখ করেন তিনি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় নিহতদের প্রায় ৭০ শতাংশই নারী এবং শিশু: জাতিসংঘ
এতে বলা হয়, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরাইল হামাস যোদ্ধাদের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে যে পরিমাণ মানুষ হত্যা করেছে তা গণনা করেছে জাতিসংঘ। যা তিনটি সূত্রের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছে তারা। এখনও গণনা অব্যাহত রেখেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর। হামাস-ইসরাইল যুদ্ধের ইতিমধ্যেই ১৩ মাস সময় পার হয়েছে। এর মধ্যে ভুক্তভোগী ৮ হাজার ১১৯ জনের তথ্য যাচাই করা হয়েছে। তবে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা ৪৩ হাজার। তুলনামূলকভাবে জাতিসংঘের উল্লিখিত সংখ্যা কম হলেও সংস্থাটি উল্লেখ করেছে যে, গাজায় নিহতদের বেশির ভাগই নারী এবং শিশু।
জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, গাজায় যে পরিমাণ নারী এবং শিশু হত্যা করা হয়েছে তাতে স্পষ্টতই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের মৌলিক নীতিমালা লঙ্ঘিত হয়েছে। এ বিষয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার ভলকার তুর্ক বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো হিসাব-নিকাশের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত ও নিরপেক্ষ সংস্থাগুলোর মাধ্যমে সমস্ত প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে জাতিসংঘ। সংস্থাটির এই পরিসংখ্যানের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে কম বয়সী থেকে একদম সর্বোচ্চ ৯৭ বছর বয়সী এক নারীও রয়েছে। রয়েছে সদ্য ভূমিষ্ঠ হওয়া নবজাতকও। ১৮ বছরের নিচে যেসকল শিশু নিহত হয়েছে তাদের মধ্যে ৫ থেকে ৯ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা ৪৪ শতাংশ। এর চেয়ে বেশি বয়সী শিশুদের বয়স ১০ থেকে ১৪ বছর। ইসরাইলের হামলায় গোটা গাজার বাসিন্দারা কোনো না কোনোভাবে আক্রান্ত হয়েছে। যার মাধ্যমে যুদ্ধ ক্ষেত্রে বেসামরিকদের ক্ষেত্রে সতর্কতার তীব্র অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ইসরাইলের প্রতি হামলায় পাঁচের অধিক নারী বা শিশু নিহত হওয়ার ঘটনা প্রায় ৮৮ শতাংশ। এতে ধারণা করা যায় যে ইসরাইল তাদের প্রতিটি হামলায় ভয়াবহ মরণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করেছে। যদিও ইসরাইল এসব হত্যাকাণ্ডকে ‘অসাবধানতাবশত মৃত্যু’ বলে বর্ণনা করেছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাম্পকে নিয়ে উদ্বিগ্ন তাইওয়ান, সমান্তরাল পথে হাঁটতে চায় চীন
এদিকে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লায় চিং-তে সামাজিক মাধ্যম এক্সের এক পোস্টে বলেন, তিনি এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, ‘অভিন্ন মূল্যবোধ ও স্বার্থের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা তাইওয়ান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘ দিনের সহযোগিতা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ভিত্তি হিসেবে অব্যাহত থাকবে এবং বৃহত্তর সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাবে’।
চীনের কিছু সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারী বলছেন তারা মনে করেন ট্রাম্প চীনা পণ্যের উপরে কর আরোপ করবেন তবে আসন্ন বাণিজ্য যুদ্ধ চীনের অর্থনীতিতে কি প্রভাব ফেলতে পারে তা নিয়ে তারা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।
অন্যদিকে তাইওয়ানবাসী ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তাদের দেশের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন কমে যাওয়ার ব্যাপারে উদ্বিগ্ন, কারণ নির্বাচনী প্রচারাভিযানে তিনি তাইওয়ান সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছিলেন এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ে তার বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকাটাই উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। তাইপেতে একজন মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ ৩৫ বছর বয়সী লিডিয়া ইয়াং বলেন, ‘গত কয়েক মাসে তাইওয়ান সম্পর্কে তার মন্তব্য শুনে আমি চিন্তিত যে, তারা যদি চীনের সঙ্গে সম্পর্ক স্থিতিশীল করতে চান তা হলে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে ততখানি সমর্থন দিবে না’।
জুলাই মাসে ব্লুমসবার্গ বিজনেসউইক পত্রিকায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, প্রতিরক্ষার জন্য তাইওয়ানের উচিত যুক্তরাষ্ট্রকে মূল্য পরিশোধ করা এবং তিনি তাইওয়ানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর খরচকে বীমা বলে অভিহিত করেন। তিনি ঐ সাক্ষাতকারে বলেন, ‘আমি তাদের ভাল করেই জানি। সম্মানও করি। তারা আমাদের চিপ ব্যবসার শতভাগ নিয়েছে। আমার মনে হয় প্রতিরক্ষার জন্য তাইওয়ানের উচিত আমাদের পয়সা দেওয়া। তাইওয়ানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রকে দেশটির সুরক্ষার জন্য অর্থ প্রদানের আহ্বান জানানো ছাড়াও ট্রাম্প তাইওয়ানকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সেমি-কন্ডাক্টার প্রযুক্তি চুরি করার জন্য অভিযুক্ত করেন এবং তাইওয়ানের সেমি-কন্ডাক্টার কোম্পানিগুলির উপর কর বসাবার হুমকি দেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাম্প জেতার পরে হতাশ মাস্কের রূপান্তরকামী সন্তান
তিনি আরও লেখেন, ‘ডনাল্ড ট্রাম্প যদিও মাত্র চার বছরের জন্য ক্ষমতায় আছেন, তবে এর মধ্যে রূপান্তরকামী-বিরোধী আইনের বদল আসবে না। কারণ যারা স্বেচ্ছায় তাকে ভোট দিয়েছেন তারা এই বিষয়েও সহমত হবেন তার সঙ্গে।’
ভিভিয়ান আমেরিকা ছাড়ার কথা লিখতেই টুইটারে তার পাল্টা জবাবও দেন মাস্ক। লেখেন, 'জাগ্রত হওয়ার পরে আমার ছেলে মৃত।' সেই স্ক্রিনশট আবার শেয়ার করেন ভিভিয়ান। লেখেন, 'আপনি এখনও কান্নাকাটির গল্প ফেঁদে যাচ্ছেন যে কীভাবে আমি 'সংক্রামিত' হয়েছি। এই জন্যই সবাই আমায় ঘৃণা করে। দয়া করে এটা করবেন না... আমি সবসময়ই আক্রান্ত হয়ে থেকে গেছি।আপনি আসলে হতাশ, কারণ দিনের শেষে আপনার চারপাশে থাকা সবাই জানে যে আপনি আদতে পাগল এবং সবসময় অন্যকে নিজের মর্জিমতো নিয়ন্ত্রণ করতে চান। আপনি ৩৮ বছর ধরেও পরিণত হননি। তাতে আমার কিছু যায় আসে না।' মাস্কের প্রথম স্ত্রী জাস্টিন উইলসনের সন্তান ভিভিয়ান। তিনি আইনত ২০২২ সালে তার নাম পরিবর্তন করেন। তার বিলিয়নিয়ার বাবা তার সিদ্ধান্তের জন্য বারবার ‘ওক মাইন্ড ভাইরাস’ কে দায়ী করেছেন এবং বলেছেন যে তার সন্তান তার কাছে ‘মৃত’। অন্যদিকে ভিভিয়ান তার বাবাকে ‘নিষ্ঠুর’ বলে বর্ণনা করেছেন।
সূত্র : এনডিটিভি

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাম্পের প্রশংসায় পুতিন, সংলাপেও প্রস্তুত তিনি
ট্রাম্পের জয়ের পর প্রকাশ্যে প্রথম মন্তব্য করলেন মস্কোর নেতা। জুলাই মাসে পেনসিলভানিয়ায় একটি প্রচারণা সমাবেশে বক্তৃতা করার সময় ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা করে এক বন্দুকধারী যুবক। সেদিন বন্দুকধারীর গুলি ট্রাম্পের কান ঘেঁষে চলে যায়। অল্পে রক্ষা পান ট্রাম্প। স্টেজ থেকে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি তার সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন ফাইট, ফাইট, ফাইট। নিঃসন্দেহে তার এমন সাহসী উচ্চারণ আমেরিকানদের উজ্জীবিত করেছে। যার বাস্তব প্রতিফলন ঘটেছে নির্বাচনে। জনগণ তাকেই প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করলেন।
একাধিকবার হত্যাচেষ্টার শিকার হয়েও নির্বাচনী লড়াইয়ে সাহসীকাতার সঙ্গে লড়াই জারি রেখে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট-নির্বাচিত হওয়ায় ট্রাম্পের ভূয়োদর্শী প্রশংসা করেছেন পুতিন। তিনি বলেন, ‘আমার মতে, তিনি (ট্রাম্প) খুব সঠিক উপায়ে সাহসিকতার সঙ্গে একজন সত্যিকারের মানুষের মতো আচরণ করেছিলেন। আমি তাকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানাতে একটি সুযোগ গ্রহণ করেছি মাত্র।’ নির্বাচনী প্রচারণার সময় ট্রাম্প ইউক্রেন এবং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের বিষয়ে যে মন্তব্য করেছিলেন তা মনোযোগের দাবি রাখে বলে মনে করেন পুতিন। বলেন, ইউক্রেনের সংকটের অবসান ঘটাতে রাশিয়ার সাঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের ইচ্ছা সম্পর্কে যা বলা হয়েছিল, আমার মতে এটি অত্যন্ত মনোযোগের দাবি রাখে।
উল্লেখ্য, টানা আড়াই বছর ধরে ইউক্রেনে হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। আর যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর সহায়তায় রাশিয়ার বিরুদ্ধে পাল্টা জবাব দিচ্ছে কিয়েভ। মস্কোর সাথে এই যুদ্ধে ইউক্রেনকে সহায়তা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অশান্ত মণিপুর: জিরিবামে ছয়টি বাড়িতে আগুন, নারীকে গুলি করে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ
সূত্র : দা হিন্দু

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গত ১৫ বছরের নির্বাচনী প্রহসন, ষড়যন্ত্র ও আমার সংস্কার প্রস্তাবনা by মনিরুল হক চৌধুরী
২০০৮ সালে ৮৪টি সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাসের কথা বলা হলেও বাস্তবে ৩শ’ আসনের মধ্যে ১৩০টিরই পুনর্বিন্যাস করা হয়েছিল আইন লঙ্ঘন করে অসৎ উদ্দেশ্যে। এর মধ্যে ১২টি জেলা থেকে সাড়ে ১০টি সংসদীয় আসন কর্তন করে ঢাকায় ৭টি আসন বৃদ্ধি করা হয়েছিল। কমিশন আঞ্চলিক অখণ্ডতাভিত্তিক প্রশাসনিক সুবিধা বিবেচনায় না এনে শুধু জনসংখ্যাকেই গুরুত্ব দিয়েছিল। এক্ষেত্রে প্রায় ৪ হাজার আপত্তি পড়লে তা আমলে নেয়নি কমিশন। এভাবে আসন ব্যাপক ওলটপালট করার ফলে সারা দেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে বঞ্চিত হয়েছে গ্রামাঞ্চলের জনগণ। ২০০৮ সালের সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়কের সময়ে অসৎ উদ্দেশ্যে আসন বিন্যাস করতে গিয়ে পুরো দেশে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির উদ্ভব করেছিল তৎকালীন কমিশন।
১৯৭৩ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত সারা দেশের সংসদীয় আসনগুলো একইরূপে থাকলেও ২০০৮ সালে এসে হঠাৎ করে ব্যাপক রদবদল আনে তৎকালীন কমিশন। ফলে ঐতিহ্যবাহী আসনগুলো ভেঙে টুকরো টুকরো করা হয়। যেসব আসনে দীর্ঘদিন ধরে সেনা-সমর্থিত সরকার ও তার সমর্থকদের বিপক্ষের রাজনীতিকরা নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল কেবল সেসব আসনই পুনর্বিন্যাস করা হয়েছিল। এক্ষেত্রে কোনো আপত্তি বা মামলা আমলে নেয়নি কমিশন। যদিও আসনগুলো পুনর্বিন্যাস করার জন্য অসংখ্য আবেদন জমা পড়েছিল কমিশনে। অধিকাংশ আবেদনে বলা হয়েছে, একটি বিশেষ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে কমিশন সীমানা পুনর্বিন্যাস করে। এতে একটি রাজনৈতিক দলই বেশি লাভবান হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জনগণ।
১৯৭৬ সালের সীমানা নির্ধারণ অধ্যাদেশের ৮ ধারায় বলা হয়েছে, ‘আদমশুমারির অব্যবহিত পর অনুষ্ঠিতব্য সংসদ নির্বাচনের জন্য পুনরায় আসনসমূহের সীমানা নির্ধারণ করতে হবে। ৬ ধারায় বলা আছে, আঞ্চলিক ভিত্তিক প্রশাসনিক সুবিধার বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে এবং তা করতে গিয়ে যতদূর সম্ভব সর্বশেষ আদমশুমারির প্রতিবেদনের জনসংখ্যার বিভাজনও বিবেচনায় রাখতে হবে’। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আসন পুনর্বিন্যাসের ক্ষেত্রে ১৯৭৬ সালের সীমানা নির্ধারণ অধ্যাদেশ অমান্য করেছিল বিগত কমিশন। কমিশন সেই আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছিল।
জনসংখ্যাকে গুরুত্ব দিয়ে আসন পুনর্বিন্যাস করে ঢাকা মহানগরীর আসন সংখ্যা ৮ থেকে বাড়িয়ে ১৫টি করে কমিশন। পরে অবশ্য কমিশন জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন বিন্যাসকে ‘বড়’ ভুল হয়েছে বলে আখ্যা দিয়েছিল। যে ১৩০টি আসন পুনর্বিন্যাস করা হয়েছিল সেসব এলাকা থেকে ২০০৮ সালের জুনের দিকে ৩ হাজার ৬৯০টি আপত্তি জমা পড়ে। বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকার আপত্তিগুলো আমলে নেয়নি কমিশন। পরে শুনানি শেষে সীমানা পুনঃনির্ধারণ সংক্রান্ত ১৯৭৬ সালের অধ্যাদেশ এর ধারা ৬ (৪) অনুযায়ী আপত্তিগুলো খারিজ করে ১৩০টি সীমানা পুনঃনির্ধারণ করে ২০০৮ সালের ১০ই জুলাই গেজেট প্রকাশ করে। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৫ (ক) অনুযায়ী, সংসদীয় নির্বাচনী এলাকার সীমা নির্ধারণ কিংবা অনুরূপ নির্বাচনী এলাকার জন্য আসন বণ্টন সম্পর্কিত যেকোনো আইনের বৈধতা সম্পর্কে কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্থাপিত করার সুযোগ নেই। তবে সীমানা পুনঃনির্ধারণের বিষয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত ১৩টি মামলা হয়। পরে আদালত মামলায় কমিশনের অনুকূলে রায় প্রদান করেন।
বিশৃঙ্খল অবস্থায় সংসদীয় আসনের সীমানা
জাতীয় সংসদের ৩শ’ সংসদীয় আসনের অধিকাংশ সীমানায় বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। প্রায় আসনকেই কোনো না কোনো বিচ্ছিন্ন এলাকার সঙ্গে জুড়ে দেয়া হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণ সম্মুখীন হয়েছে প্রশাসনিক জটিলতায়। জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন বিন্যাস করে বিগত কমিশন জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। এ ক্ষেত্রে ভৌগোলিক অখণ্ডতা, প্রশাসনিক সুবিধা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিবেচনায় আনা হয়নি।
২০০৮ সালের সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাসে দেখা গেছে, জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন বণ্টন করায় বিগত সংসদ নির্বাচনে ঢাকা জেলায় ৭টি, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, নেত্রকোনা ও গাজীপুরে ১টি করে আসন বেড়ে যায়। অন্যদিকে, ১২টি জেলার আসন কমাতে হয়েছিল নির্বাচন কমিশনকে।
ঢাকা-২ সংসদীয় আসন যেভাবে গঠন করা হয়েছে তার মধ্যে কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানার ১টি, কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ৬টি, সাভার থানার ৩টি, ঢাকা মহানগরীর কামরাঙ্গীর চর থানার ২টি ওয়ার্ড ও হাজারীবাগ থানার সুলতানগঞ্জ ইউনিয়ন অর্থাৎ ৫টি থানা পুলিশ স্টেশন নিয়ে সংসদীয় আসন গঠন করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ৫টি পুলিশ স্টেশন সমন্বয়ে আসনটি গঠিত হলেও উক্ত নির্বাচনী এলাকার ভৌগোলিক সীমারেখায় কোনো থানা নেই। জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন বণ্টন করার কারণে কেরানীগঞ্জ উপজেলাকে (ঢাকা-২ ও ঢাকা-৩) দিতে হয়েছিল দু’টি সংসদীয় আসন। এক উপজেলা চেয়ারম্যানের এলাকায় সংসদের আসন পড়েছে দু’টি। অন্যদিকে, কোথাও কোথাও তিনটি উপজেলা মিলে আসন দেয়া হয়েছে একটি।
সংবিধানের ১১৯ (গ) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে জাতীয় সংসদের সীমানা নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশন। সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে ৪০ বছরের পুরনো একটি আইন তারা ব্যবহার করেছে। বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে কমিশন ওই আইনের আলোকে সীমানা নির্ধারণের কার্যক্রম শুরু করার পূর্বে নিজেদের মতো করে একটি নীতিমালা তৈরি করে নেয়। অভিযোগ রয়েছে নিজেদের চিন্তাধারা ও পছন্দ বাস্তবায়নের জন্য তারা তাদের মতো করে নীতিমালা প্রণয়ন করে। বিগত নির্বাচনের আগে তারা যে নীতিমালা প্রণয়ন করে এর ৪ এর (খ) উপধারায় ৩টি গুরুত্বপূর্ণ নীতি অনুসরণ করতে বলা হয়, যথা: (এ) নির্বাচনী এলাকাসমূহের বর্তমান সীমানা যতদূর সম্ভব বহাল রাখা; (আ) যেখানেই সম্ভব, সীমানা পুনঃনির্ধারণকালে উপজেলা অবিভাজিত রাখা; এবং (ই) যেখানেই সম্ভব, ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য (যথা- নদী) ও যোগাযোগ ব্যবস্থা (যথা- রাস্তাঘাট) বিবেচনা করা। কিন্তু এই ৩টি নীতিমালাই অনেক ক্ষেত্রে লঙ্ঘন করে নির্বাচন কমিশন। বর্তমান সীমানা যতদূর সম্ভব বহাল রাখার কথা বলা হলেও ৩০০টি আসনের মধ্যে ৮৪টি আসনেরই পূর্বের সীমানা তারা বদলে দেয়। উপজেলা অবিভাজিত রাখার নির্দেশনা থাকলেও গাজীপুর সদর উপজেলাকে ৪টি ভাগে, ভাণ্ডারিয়া উপজেলাকে ২টি ভাগে, মতলব উপজেলাকে ২টি ভাগে, সিরাজগঞ্জ উপজেলাকে ২টি ভাগে এবং রাজধানীর প্রায় সবগুলো থানাকে ৩ থেকে ৪টি ভাগ করে বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এ ছাড়া নদী ও রাস্তাঘাট বিবেচনার কথা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রেই তা মানা হয়নি। ১৯৭৯ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ৮টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভাণ্ডারিয়া ও কাউখালি উপজেলা নিয়ে একটি আসন থাকলেও ২০০৮ সালে এসে তার সঙ্গে যুক্ত করা হয় নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলাকে। যদিও নদীপথ ছাড়া ভাণ্ডারিয়ার সঙ্গে নেছারাবাদের যোগাযোগের কোনো সুযোগ নেই। প্রায় ৩০ কি. মি. দূরত্বের এই দুই উপজেলার মাঝখানে রয়েছে ২টি বড় নদী। এইভাবে অনেক নির্বাচনী এলাকার ক্ষেত্রে ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও প্রশাসনিক সুযোগ-সুবিধাকে গুরুত্ব দেয়া হয়নি। একই অবস্থা যশোর-৬ আসনেও। অভয়নগর ও কেশবপুর উপজেলা নিয়ে এই আসনটি গঠিত হয়। অথচ অভয়নগর উপজেলা থেকে মনিরামপুর উপজেলার উপর দিয়ে কেশবপুরে যেতে হয়। অভয়নগর থেকে কেশবপুরের দূরত্ব প্রায় ৬০ কিলোমিটার। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাকে চারটি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করে দেয়া হয়। একই অবস্থা হয় রাজধানীর অন্য থানাগুলোর ক্ষেত্রেও। এভাবে ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার নীতিকে ভূলুণ্ঠিত করা হয়।
নির্বাচন কমিশনের সীমানা পুনঃনির্ধারণ সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে শহরাঞ্চলে সংসদীয় আসন বৃদ্ধির ফলে গ্রামাঞ্চলে উন্নয়ন কমছে বলে উল্লেখ করা হয়। একটি উপজেলা নিয়ে গঠিত সংসদীয় এলাকায় যে পরিমাণ সরকারি বরাদ্দ দেয়া হয়-একাধিক উপজেলা নিয়ে গঠিত সংসদীয় এলাকায়ও একই পরিমাণ বরাদ্দ দেয়া হয়। ঢাকায় আসন বাড়ানোর ফলে গ্রামের আসন কমেছে। ফলে গ্রামের উন্নয়ন বরাদ্দও কমেছে।
বিএনপিকে ঠেকাতেই এই নীলনকশা
প্রকৃতপক্ষে বিএনপিকে নবম সংসদ নির্বাচনে পরাজয়ের নীলনকশার অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশন সারা দেশের ৩শ’ সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৩০টি আসনে ব্যাপক রদবদল এনেছিল। আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করার স্বার্থে পরিকল্পিতভাবে সেনা-সমর্থিত ওই কমিশন বেছে বেছে বিএনপি’র আসনগুলো পুনর্বিন্যাস করে। সেই সময়ে ঢাকায় আওয়ামী লীগকে বাড়তি সুবিধা দিতে কুমিল্লাসহ ১২টি জেলার সাড়ে ১০টি সংসদীয় আসন কর্তন করেছিল কমিশন। ঢাকা জেলায় ১৩টি থেকে সংসদীয় আসন করা হয় ২০টি। যে ১২টি জেলা থেকে আসন কর্তন করা তার মধ্যে ১০টি জেলায় ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি’র দখলে ছিল। একটি জামায়াতের আর অন্যটি ছিল আওয়ামী লীগের।
যেসব আসনে বিএনপি’র জনপ্রিয়তা বেশি ছিল সেইসব আসনগুলো পুনর্বিন্যাস করে কমিশন। সন্দেহাতীতভাবে আসনগুলোয় বিগত সময়ে বিএনপি’র অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল। বিএনপি’র আসনগুলো পুনর্বিন্যাস করে কিন্তু আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত এলাকাগুলোর কোনো আসনেই ওলটপালট আনেনি বিতর্কিত কমিশন। এলাকাগুলো হলো-গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, বাগেরহাট, নড়াইল, রংপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারী, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, দিনাজপুর, শেরপুর, পাবনা, নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাইবান্ধা, মাগুরা, ঝালকাঠি, ভোলা, রাজবাড়ী, হবিগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও জয়পুরহাট। এই ২৬ সহ পার্বত্য তিন জেলায় আসন পুনর্বিন্যাস করেনি আগের কমিশন। কারণ এসব এলাকায় সর্বশেষ নবম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অবস্থা ভালো ছিল।
যে বারোটি জেলার আসন কর্তন করা হয় সেই জেলাগুলো ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি’র একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল। বারোটি জেলার সাড়ে ১০টি আসনের মধ্যে সাড়ে ৮টিরই নিয়ন্ত্রণ ছিল বিএনপি’র। এর মধ্যে ২০০১ সালে বিলুপ্ত কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন আলহাজ মনিরুল হক চৌধুরী, বরগুনায় বিএনপি’র মতিউর রহমান তালুকদার, চাঁদপুরে বিএনপি’র মো. নুরুল হুদা, ফরিদপুরে বিএনপি’র কামাল ইবনে ইউসুফ, স্বরূপকাঠি-বানারীপাড়া আসনে (বরিশাল-পিরোজপুর) বিএনপি’র সৈয়দ শহীদুল হক জামাল, সিরাজগঞ্জে বিএনপি’র মেজর (অব.) মঞ্জুর কাদের, ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা আসনে বিএনপি’র ডা. মোহাম্মদ আলী, মুন্সীগঞ্জে বিএনপি’র মো. আবদুল হাই, মানিকগঞ্জে বিএনপি’র হারুন-অর রশিদ খান মুন্নু, কিশোরগঞ্জে আওয়ামী লীগের ড. আলাউদ্দিন আহমদ এবং সাতক্ষীরার বিলুপ্ত ৩ আসনে এমপি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা রিয়াসাত আলী। বিএনপি’র অধ্যুষিত উপরের আসনগুলো কেটে ইচ্ছাকৃতভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, রাজশাহী ও নেত্রকোনায় বৃদ্ধি করা হয়।
প্রতারণার স্বরূপ
জনসংখ্যাকে বিবেচনায় ধরার নামে একপ্রকার প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছিল কমিশন। দেখা যাচ্ছে, ২০০৮ সালে বিএনপি প্রভাবিত মুন্সীগঞ্জ জেলার জনসংখ্যা ছিল ১২ লাখ ৯৩ হাজার ৯৭২ জন। এখানে ১৯৭৯ সালের পর প্রথম একটি আসন কমিয়ে চারটির বদলে তিনটি করা হয়। অথচ এখানে চারটি আসন রাখা হলে প্রতিটির জনসংখ্যা হতো গড়ে ৩ লাখ ১৮ হাজারের কিছু বেশি। একইসঙ্গে সাতক্ষীরা জেলার একটি আসন কমানো হয়। পাঁচটির জায়গায় করা হয় চারটি। অথচ এখানেও মোট জনসংখ্যা ছিল ১৮ লাখ ৬৯ হাজার ৭০৪। এক্ষেত্রেও আসন কমানোর কোনো যৌক্তিকতা পাওয়া যায় না। কারণ এখানেও ২০০৮ সালে মোট পাঁচটির মধ্যে প্রতিটি সংসদীয় আসনের গড় জনসংখ্যা ৩ লাখ ৭০ হাজারের বেশি। সিরাজগঞ্জ জেলা থেকেও একটি আসন কমানো হয়। যদিও এ জেলার মোট জনসংখ্যা ছিল ২৬ লাখ ৯৩ হাজার ৮০৪ জন। যদি সাতটি আসন বহাল রাখা হতো তা হলে প্রতিটির জনসংখ্যা হতো ৩ লাখ ৮৪ হাজার। আবার রংপুর জেলায় কোনো আসন কমবেশি করা হয়নি। যদিও এখানে জনসংখ্যার পরিমাণ ছিল ২৫ লাখ ৪২ হাজার ৪৩১ জন। এখানে বিদ্যমান ছয়টি আসন বহাল রাখা হয়। যদি সাতটি আসন করা হতো তাহলে জনসংখ্যার পরিমাণ দাঁড়াতো ৩ লাখ ৬০ হাজারের বেশি। আসন বাড়লে সেক্ষেত্রে উন্নয়ন বরাদ্দও বেশি হওয়া সম্ভব ছিল। আবার বাগেরহাট জেলায় ১৫ লাখ ৪৯ হাজার জনসংখ্যার জন্য চারটি আসন অপরিবর্তিত রাখা হয়। অর্থাৎ প্রতিটি আসনে জনসংখ্যা ৩ লাখ ৮৭ হাজার। অথচ ঢাকা জেলার আসন বাড়ানোর স্বার্থে ঢাকা জেলায় ন্যূনতম ৩ লাখ ৫০ হাজার ১৬৮ জন জনসংখ্যা নিয়ে ঢাকা-২০ নম্বর আসন সৃষ্টি করা হয়েছে। কিন্তু ৩ লাখ ৮৪ ও ৩ লাখ ৭০ হাজার জনসংখ্যা থাকলেও সিরাজগঞ্জ ও সাতক্ষীরা জেলায় আসন কমিয়ে দেয়া হয়। দৃষ্টান্ত হিসেবে কয়েকটির উল্লেখ করা হলো। প্রকৃতপক্ষে জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন কম-বেশি করার কথা বলা হলেও কোনো ক্ষেত্রেই তেমন নজির পাওয়া যাচ্ছে না। তাই এখন সকল স্তর থেকে সে সময় আসন পুনর্বিন্যাসের কথা বলে তা কম বেশি করার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।
নির্বাচনে যা ঘটেছিল
৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরে ও সিটি করপোরেশন এবং ৮টি পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ঐ নির্বাচন হয়েছিল জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে। এই নির্বাচনটি ছিল পূর্ব প্রস্তুতি। ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন কীভাবে কার্যকরী করা যায় তারই একটি প্রস্তুতি। উক্ত নির্বাচনগুলোতে সবক’টিতে একটি দলের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছিল। এই নির্বাচনগুলোতে সবক’টিতে অতিরিক্ত ব্যালটে সিল মেরে কেন্দ্রভিত্তিক ঢুকানো হয়েছিল।
৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২৯শে ডিসেম্বর ২০০৮। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সব কেন্দ্রে প্রায় ১০% অতিরিক্ত সিল মেরে ব্যালটে ঢুকানো হয়েছিল। যার কারণে বিএনপি’র প্রার্থীরা ২৯টি আসন লাভ করে বাকি সবগুলো তৎকালীন জোট আওয়ামী লীগ জয়লাভ করেছিল। এই বিষয়টি তৎকালীন নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানতেন।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকলে বলে থাকেন যে, ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু তথ্যটি সঠিক নয়। কারণ জাতীয় পার্টির যে সব প্রার্থীকে জয়লাভ দেখানো হয়েছিল তাদের সকলকেই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার একদিন আগে অথবা প্রত্যাহারের শেষ দিনের আগেই মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছিলেন। সবারই মনোনয়নপত্র ছিল না। কিন্তু জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারগণ পরবর্তী সময়ে একটি বিশেষ গোয়েন্দা বাহিনীর প্রেসারে পড়ে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার হয় নাই বলে ঘোষণা দেন। নিজেরাই একটি আবেদন করে কর্মচারীদেরকে দিয়ে স্বাক্ষর দিয়ে মিডিয়ার সামনে বলেন-জাতীয় পার্টির সকল প্রার্থীর প্রার্থিতা বহাল রয়েছে। জাতীয় পার্টির সকল আসন যোগ করার কারণে ২০০-এর কাছাকাছি হয়। অনুরূপ ভাবে অনেক স্বতন্ত্র প্রার্থীর বেলায় একই ঘটনা ঘটেছিল।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোর হওয়ার পূর্বেই সকল প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছিল কয়েকটি আসন বাদে। তৎকালীন নির্বাচনের সময় ডিসি, এসপি’র সঙ্গে ইউএনও, ওসি সহ কতিপয় নির্বাচন কমিশনারের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা দেখা করেছিলেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অ্যাপস নামে একটি অ্যাপস তৈরি করেছিল নির্বাচন কমিশন। এই অ্যাপসে যেই প্রতীকে ভোট দেয়া হোক না কেন তা একটি নির্দিষ্ট প্রতীকে জমা হতো। এই অ্যাপস তৈরিতে স্পেশাল দুর্নীতির পাশাপাশি ভোটারের সংখ্যা বাড়িয়ে দেয়া হয়েছিল।
আমার সংস্কার প্রস্তাবনা
এক.
নির্বাচন কমিশনের মূল করণীয় হচ্ছে-ভোটার তালিকা প্রণয়ন, ভোট গ্রহণ, প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ, নির্বিঘ্নে ভোট দেয়ার ব্যবস্থাকরণ, প্রভাবমুক্ত নির্বাচন সম্পন্নকরণ এবং ভোটদান বা জনআকাঙ্ক্ষার আলোকে সঠিক ফল প্রকাশ নিশ্চিতকরণ। এটা করতে যেকোনো পদক্ষেপ নিতে নির্বাচন কমিশন সব সময় ক্ষমতাপ্রাপ্ত। দুঃখের বিষয় হলো-২০০৮ সালের হুদা-সাখাওয়াত কমিশন নির্দয়ভাবে ভোটারের প্রসঙ্গটি চাপা দিয়ে জনসংখ্যা সামনে এনে নির্বাচনের বদলে পরিবার-পরিকল্পনা দপ্তরের দায়িত্বে ব্যস্ত ছিলেন! যেমন, রাজধানী ঢাকা, বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে আসন বৃদ্ধি করেছেন জনসংখ্যার আলোকে। এবং গ্রামের আসন কমিয়েছেন, যেখানে জনসংখ্যার তুলনায় ভোটার বেশি। খোদ ঢাকা শহরেই নির্বাচনের দিন বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনে জনসংখ্যার ৫০ শতাংশও উপস্থিত থাকেন না। সবাই ভোট দিতে মূল ঠিকানা গ্রামে চলে যান। শুনেছি, এ ব্যাপারে সরকারের কাছে কমিশনের একটি প্রস্তাব অনেকদিন ধরে বিবেচনাধীন। ভোটার সংখ্যার আলোকে নির্বাচনী এলাকা পুনর্বিন্যাস করতে হবে জনসংখ্যার আলোকে নয়। আমার বিবেচনায় সংস্কার তালিকায় এটাকেই প্রথমে রাখা উচিত। উল্লেখ্য যে, ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সীমানাকে ভিত্তি ধরে আসন সংখ্যা পুনঃনির্ধারণ করাই উত্তম হবে। এতে সুষম উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে, ভোটারদেরও আকাঙ্ক্ষা অনেকাংশে প্রতিফলিত হবে। যা প্রতিটি নির্বাচনী আসনে ভোটার সংখ্যার আলোকে নির্ধারিত হয়েছিল।
দুই.
সংস্কার বিষয়ে আমার আরেকটি প্রস্তাবনা হলো-ন্যাশনাল আইডি কার্ড ভোটার আইডি কার্ড হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এতে প্রত্যেক ভোটার নির্বিঘ্নে নির্বাচনী এলাকার যেকোনো কেন্দ্রে ভোট দিতে পারবে- এরকম একটি ভোটগ্রহণ ব্যবস্থা চালু করা উচিত।
তিন.
ঋণখেলাপি আইনকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সুযোগ বুঝে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে। যা পৃথিবীর কোথাও হয় না। নির্বাচনকে ঋণ আদায়ের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ দেয়া সঠিক নয়। কারণ, কেউ ঋণখেলাপি হলে তার বিচারের জন্য জেলাভিত্তিতে অর্থঋণ আদায়ের জন্য আদালত বহু আগে থেকেই চালু আছে। নির্বাচন কমিশনকে ব্যবসায় বিনিয়োগকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারে ব্যবহার করা নির্বাচন কমিশন তো বটেই এমনকি রিটার্নিং অফিসারের জন্য সম্মানজনক নয়।
চার,
এ ছাড়া প্রার্থী মনোনয়নপত্র এবং প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া আরও সহজ করা প্রয়োজন। নির্বাচনের জন্য অপ্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান পরিহার করা ভালো। কোনো প্রার্থীই যেন রিটার্নিং অফিসারের অনুকম্পার পাত্র না হন। একবার রিটার্নিং অফিসার কোনো কারণে প্রতিপক্ষ দ্বারা অথবা রাজনৈতিক মনোভাবের কারণে প্রার্থীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষিত করলে হাইকোর্ট পর্যন্ত প্রার্থীকে এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে শ্রম ও অর্থব্যয় সহ মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়। এটা থেকে মুক্তি দেয়া এখন সময়ের দাবি।
লেখক: সাবেক সংসদ সদস্য

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিন মুল্লুকে ক্ষমতার হাতবদল অনিশ্চয়তায় নেতানিয়াহুর নীতি
বিবিসি’র এক খবরে বলা হয়েছে, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন ডনাল্ড ট্রাম্প। এরপর তিনি সেখানে মার্কিন দূতাবাসও স্থাপন করেন। জেরুজালেমে বসবাসকারী রাব্বি রাফায়েল শোর বলেন, ‘জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাসের মুখোমুখি বারটিকে ডেজা বু বলা হয়, আপনি আগে যা পান করেছেন এমন কিছুর মজাই রয়েছে এখানে। মার্কিন দূতাবাসের ফটকের বাইরে ইসরাইল ডনাল্ড ট্রাম্পকে দ্বিতীয় বারের মতো প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বাগত জানাতে আগ্রহী।’ ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শোর। বলেন, ‘ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের ভাষা বোঝেন। এখন ইরান কোনো কিছু করতে একাধিকবার ভাববে। আমি মনে করি যদি কমালা হ্যারিস নির্বাচনে জয়ী হতেন তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা নিয়ে আমাদের বেশ ভয়ের কারণ ছিল।
ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানানোর মধ্যে প্রথম সারির একজন হচ্ছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার টুইট বার্তায় তিনি বলেন, পুনরায় ফিরে এসে ইতিহাস সৃষ্টি করায় আপনাকে অভিনন্দন। এ ছাড়াও ট্রাম্পকে একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ইসরাইল তার ঘনিষ্ঠ মিত্র হোয়াইট হাউসের সঙ্গে আছেন।
ট্রাম্প তার আগের টার্মে ইসরাইলের পক্ষ নিয়ে ইরানের পারমাণবিক চুক্তি বাতিল করে। বেশ কয়েকটি আরব দেশের সঙ্গে ইসরাইলের ঘনিষ্ঠতা বাড়াতেও কাজ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। অন্যদিকে জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে কয়েক দশকের মার্কিন নীতির বিপক্ষে অবস্থান নেন ট্রাম্প। বিশ্ব জুড়ে এর সমালোচনার ঝড় উঠলেও তাতে কর্ণপাত করেননি তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরাইলের সাবেক রাষ্ট্রদূত মাইকেল ওরেন বলেছেন, ‘ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের সময় ইসরাইল বেশ উদ্বিগ্ন ছিল। তবে এবার আমরা আশা করছি যে, ট্রাম্প পুনরায় বিষয়গুলো বিবেচনা করবেন। তিনি কীসের পক্ষে দাঁড়াবেন সে সম্পর্কে ইসরাইলের তীক্ষè দৃষ্টি রাখতে হবে।’ মাইকেল বলেন, প্রথমত যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচিত নতুন প্রেসিডেন্ট যুদ্ধ পছন্দ করেন না। কেননা, তিনি এ বিষয়টিকে বেশ ব্যয়বহুল মনে করেন। সম্ভবত ডনাল্ড ট্রাম্প দ্রুত গাজা যুদ্ধের ইতি টানতে ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানাতে পারেন। পশ্চিম তীর ইস্যুতে ট্রাম্প ইসরাইলের পক্ষাবলম্বন করেন না।
ট্রাম্পের এই নীতি তাকে নেতানিয়াহুর বর্তমান শাসক জোটের অতি-ডানপন্থি দলগুলোর সঙ্গে দ্বন্দ্বে ফেলতে পারে, যারা নেতানিয়াহুকে তাদের প্রত্যাখ্যান করা নীতি অনুসরণের জন্য সরকার পতনের হুমকি দিয়েছে। বিতর্কিত এসব ইস্যুতে মার্কিন মিত্রের বিপরীতে জোটের অংশীদারদের দাবি বেছে নেয়ার পক্ষেই সমর্থন রয়েছে নেতানিয়াহুর। মাইকেল ওরেন মনে করেন, নেতানিয়াহুকে অবশ্যই মার্কিন নতুন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ভিন্ন পন্থা বেছে নিতে হবে। আগামী জানুয়ারিতে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর প্রথম সপ্তাতেই যদি তিনি নেতানিয়াহুকে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানান তাহলে তার তাই মেনে নেয়া উচিত।
ফিলিস্তিনের গাজায় এক বছরের বেশি সময় ধরে হামাস যোদ্ধাদের সঙ্গে যুদ্ধ করছে ইসরাইল। তবে এতে বেশি প্রাণ হারিয়েছে বেসামরিক জনগণ। যার ফলে পৃথিবী জুড়ে ইসরাইল বিরোধী মনোভাব বেশ চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। মুসলিম দেশগুলোর বাইরেও ইসরাইলের বিপক্ষে রয়েছে বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ। যার ভিত্তিতে নির্বাচিত হওয়ার আগেই নিজের অবস্থান জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। বলেছিলেন, যুদ্ধের বিপরীতে তিনি শান্তির পক্ষে। ইসরাইলের হাতে ধ্বংস হওয়া পরিবারগুলোর সদস্যদের দাবি ট্রাম্পের অবশ্যই যুদ্ধ বন্ধে কড়া পদক্ষেপ নেয়া উচিত।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনতার জোয়ার: অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ হতে দেয়া যাবে না: তারেক রহমান
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নয়াপল্টন থেকে শান্তিনগর মোড় বা মালিবাগ পর্যন্ত কয়েকটি র্যালি করেছিল পুলিশের অনুমতি নিয়ে। এই রুটের বাইরে একযুগের বেশি সময় পরে এই প্রথম মানিক মিয়া এভিনিউ পর্যন্ত র্যালি করেছে বিএনপি। র্যালিটি নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে কাকরাইল মোড়-কাকরাইল মসজিদ-মৎস্য ভবন-ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট-শাহবাগ-বাংলামোটর-কাওরান বাজার-ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়। সরজমিন দেখা যায়, র্যালিতে অংশ নেয়া নেতাকর্মীরা নয়াপল্টন ও তার আশপাশের এলাকার অলিগলিতে অবস্থান নেন। তারা সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন, জাতীয় ও দলীয় পতাকা এবং বিভিন্ন রঙের ক্যাপ পরে র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়া কামান, ধানক্ষেত, কৃষক ও কমান্ডো সাজে নেতাকর্মীরা র্যালিতে যোগ দেন এবং ঢাক-ঢোল, ট্রাক নিয়ে ও বিভিন্ন রঙের টি-শার্ট পরে তারা র্যালিতে অংশ নেন। বর্ণাঢ্য র্যালি নেতাকর্মীদের হাতে ছিল ধানের শীষের ছড়া এবং নানা রঙের উৎসব পতাকা। বিভিন্ন পথ ধরে র্যালি চলার সময়ে রাস্তার দু’পাশে হাজার হাজার মানুষ করতালি দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিনন্দন জানায়। নেতৃবৃন্দ হাত তুলে দর্শকদের অভিবাদনের জবাব দেয়।
ওদিকে ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপি’র র্যালিতে শেখ হাসিনাকে প্রতীকীভাবে খাঁচায় বন্দি করে উপস্থাপন করা হয়েছে। দেখা গেছে, একটি খাঁচার মধ্যে গোলাপি রঙের শাড়ি ও চোখে সানগ্লাস পরে দাঁড়িয়ে আছে মধ্যবয়স্ক এক নারী। যার সাজগোজ অনেকটা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার মতো। এই নারীর মাথায় চুলের বেণী করে তৈরি করা হয়েছে দুটি শিং।
বিকাল ৩টা ২৫ মিনিটে উদ্বোধনী বক্তব্য শুরু করেন তারেক রহমান। বক্তব্য রাখেন ৪ মিনিট ১৩ সেকেন্ড। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, নিজেদেরকে সতর্ক করতে চাইলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, এটি আজ জনগণের চাওয়া। আসুন এই লক্ষ জনতার মিছিলকে কোনোভাবেই বৃথা যেতে দেয়া যাবে না। এই প্রত্যাশা রেখে এই মিছিলের সাফল্য কামনা করে এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি।
ছাত্র-জনতার বিপ্লবে ফ্যাসিবাদের পতন হওয়ায় জনগণকে অভিনন্দনও জানিয়ে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চেনার দিন। আর ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট বাংলাদেশের শত্রু চিহ্নিত করার দিন। আমি বলতে চাই, বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি ঐক্যবদ্ধ থাকলে আর কেউ দেশের স্বাধীনতাকে বিপন্ন করতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।
৭ই নভেম্বরের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ লাখো মানুষের মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আজকের এই মিছিল থেকে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বিজয়ী যে জনতা, সেই জনতাকে জানাই বীরোচিত অভিনন্দন। রাজধানী ঢাকার রাজপথে আজ লাখো জনতার এই মিছিল বাংলাদেশের পক্ষের শক্তিকে ৭ই নভেম্বরের অন্তর্নিহিত শিক্ষায় দীক্ষিত করার মিছিল, লাখো জনতার আজকের এই মিছিল ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে আহত অসংখ্য ছাত্র-জনতা এবং হাজারো শহীদের স্বপ্নে একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক, মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় মিছিল।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী অপশক্তি জেনে রাখুক, রাজধানীর রাজপথের আজকের এই সমাবেশ ও মিছিল কারও বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় তোলার মিছিল নয় বরং রাজপথের জনতার আজকের এই মিছিল বাংলাদেশের স্বার্থরক্ষার মিছিল, নিজের অধিকার রক্ষার মিছিল, নিজের ভোট প্রয়োগের অধিকার প্রতিষ্ঠার মিছিল।
বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশে যাতে আর কখনোই ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচার ফিরে আসতে না পারে, সেজন্য প্রতিটি নাগরিক সরাসরি ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করার সক্ষমতা অর্জন জরুরি। জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার জন্য স্থানীয় সরকার থেকে কেন্দ্রীয় সরকার পর্যন্ত জনপ্রতিনিধি হতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের জনগণের ভোটের প্রতি যতক্ষণ মুখাপেক্ষী করা না যাবে, ততক্ষণ পর্যন্ত জনগণ গণতন্ত্রের সুফল পাবে না। এমনকি স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশেও স্বল্প আয়ের মানুষকে বাজার সিন্ডিকেটের অভিশাপ থেকে মুক্ত করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। যদি না মানুষের সরাসরি ভোটের অধিকার আমরা নিশ্চিত করতে পারি।
সভাপতির বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই ৭ই নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার দিন, ৭ই নভেম্বর ছিল বাংলাদেশকে আধিপত্যবাদের কবল থেকে মুক্ত করার দিন। আপনাদের নিশ্চয় জানা থাকার কথা, ৭ই নভেম্বরের আগে ৩রা নভেম্বর একটা অভ্যুত্থান হয়েছিল খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে, খালেদ মোশাররফের লক্ষ্য ছিল আবার আধিপত্যবাদকে প্রতিষ্ঠা করা, ওই একদলীয় শাসনে দেশকে নিয়ে যাওয়া। এদেশের দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনগণ অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে তাদেরকে পরাজিত করে সেদিন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়ে বাংলাদেশের জনগণ এক নতুন ইতিহাস রচিত করে। সেই ইতিহাস ছিল বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাস, সেই ইতিহাস ছিল বাংলাদেশকে আধুনিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, দেশের মানুষকে একটা স্বতন্ত্র পরিচিত দেয়ার ইতিহাস।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে এ বছর আমরা আরেকটা অভ্যুত্থান দেখেছি, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান। দীর্ঘ ১৭ বছর আমরা লড়াই করেছি, সংগ্রাম করেছি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে, এই ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছিল। বাংলাদেশকে একটা লুটপাটের রাজত্বে মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। শেখ হাসিনা তার পরিবার, তার সহকর্মীদের নিয়ে এদেশকে লুটপাট করেছে। আল্লাহর অশেষ রহমত আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে, ছাত্র-জনতা অভূতপূর্ব এক অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে নতুন এক বাংলাদেশ সৃষ্টি করবার প্রয়াস পায়। অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও তার দোসররা দেশের সর্বত্র ঘুপটি মেরে বসে আছেন। তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে।
র্যালিতে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, সিনিয়র নেতা মোহাম্মদ শাহজাহান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আবদুল আউয়াল মিন্টু, আহমেদ আজম খান, আবদুস সালাম, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, মজিবুর রহমান সারোয়ার, খায়রুল কবির খোকন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, আবদুস সালাম আজাদ, রশিদুজ্জামান মিল্লাহ, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, নাসির উদ্দিন অসীম, শিরিন সুলতানা, মীর সরাফত আলী সপু, মীর নেওয়াজ আলী, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, রফিকুল ইসলাম, সাইফুল আলম নিরব, রাকিবুল ইসলাম বকুল, নিলোফার চৌধুরী মনি, তাইফুল ইসলাম টিপু, রফিকুল আলম মজনু, আমিনুল হক, এম মোনায়েম মুন্না, নরুল ইসলাম নয়ন, এসএম জিলানি, রাজীব আহসান, হাসান জাফির তুহিন, রাকিকুল ইসলাম রাকিব, নাছির উদ্দিন নাছির, নিপুণ রায় চৌধুরীসহ কেন্দ্রীয় ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বিএনপি মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা একটি খোলা ট্রাকে এই মিছিলে অংশ নেন। ঢাকা সিটি করপোরেশনের সকল ওয়ার্ডসহ মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, নরসিংদীসহ আশপাশের জেলাগুলো থেকে বাসে করে নেতাকর্মীরা র্যালিতে অংশ নেয়। রাজধানী ছাড়াও বিভাগীয় শহরগুলোতে বর্ণাঢ্য র্যালির এই কর্মসূচি একযোগে আয়োজন করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার ছিল ৭ই নভেম্বর। দিনটি ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে বিএনপি। দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা, শোভাযাত্রাসহ ১০ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
“বাবা প্যারালাইজড মা অসুস্থ”- শহীদ সবুজের পরিবারের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
এমন খবর দেখে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাৎক্ষণিকভাবে দলের “আমরা বিএনপি পরিবার”-এর সদস্যবৃন্দকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এদিকে, প্যারালাইজড পিতার একমাত্র সম্বল সবুজ মিয়াকে হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায় পরিবারটি। সেই শহীদ সবুজ মিয়ার পিতার চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও “আমরা বিএনপি পরিবার”-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমান।
শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার খড়িয়া কাজীরচর ইউনিয়নের রুপারপাড়া গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে সবুজ মিয়া। গতকাল শহীদ সবুজ মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তার পিতা আজাহার আলীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে “আমরা বিএনপি পরিবার”-এর একটি প্রতিনিধিদল।
অসুস্থ আজাহার আলীকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে ডাক্তার দেখিয়ে প্রয়োজনীয় টেস্ট শেষে চিকিৎসার সকল ব্যবস্থা করে দেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে তাদের পাশে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান থাকবেন বলে জানানো হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ময়মনসিংহ বিভাগীয় জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সহ-সভাপতি ও “আমরা বিএনপি পরিবার”-এর সিনিয়র সদস্য মাসুদ রানা লিটন, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাবেক সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মো. আলী হাসান, শ্রীবরদী উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব রোকনুজ্জামান রুকন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শামীম মিয়া।
একনজরে শহীদ সবুজ মিয়ার ছোট্ট জীবন: চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলন চলাকালে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গুলিতে গত ৪ঠা আগস্ট শহীদ হন সবুজ মিয়া। আন্দোলনের কথা শুনে মা নিষেধ করেছিলেন। বলেছিলেন, “বাবা যাসনে। তোকে হারালে যে আমাদের দুনিয়া অন্ধকার হয়ে যাবে।”
ছেলে কথা শোনেনি। জীবিত আর ঘরে ফেরা হলো না তার। মায়ের দুনিয়া সত্যিই অন্ধকার হয়ে গেল।
শহীদ সবুজ মিয়া শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার খড়িয়া কাজীরচর ইউনিয়নের রুপারপাড়া গ্রামের আজহার আলী (৫০) ও সমেজা খাতুন (৩৮) দম্পতির ছেলে। তিনি চলতি বছর শ্রীবরদী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। পরীক্ষায় জিপিএ-৪ দশমিক ৩৩ (‘এ’ গ্রেড) পেয়ে উত্তীর্ণও হয়েছেন।
শহীদ সবুজের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবুজ মিয়া দ্বিতীয়। বোনের বিয়ের পর বাবা প্যারালাইজড হয়ে পড়েন। এরপর পরিবারের সকল দায়িত্ব নেন সবুজ মিয়া। পড়ালেখার পাশাপাশি তিনি ফার্মেসিতে কাজ করতেন। পরিবারের খরচ চালানোর পাশাপাশি নিজের আয়ে পড়াশোনাও করতেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1422)
- ► 2025 (3281)
-
▼
2024
(2551)
-
▼
November
(469)
-
▼
Nov 09
(16)
- ট্রাম্প জিততেই হলিউড তারকাদের অনেকে যুক্তরাষ্ট্র ছ...
- আমস্টারডামে ইসরায়েলিদের ওপর হামলা: হামলাকারীরা ‘ইহ...
- নতুন বিপদে ইউক্রেন, যুদ্ধক্ষেত্রে নামছে উত্তর কোরি...
- কেমন ছিল ট্রাম্পের বিবাহিত জীবন
- ৩৭০ ইস্যুতে তুলকালাম জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভা, বিধ...
- লন্ডনে গোলটেবিল বৈঠক: উপদেষ্টা পরিষদে অন্তত ১০ শতা...
- হোয়াইট হাউসের প্রথম নারী চিফ অব স্টাফ সুসি
- গাজায় নিহতদের প্রায় ৭০ শতাংশই নারী এবং শিশু: জাতিসংঘ
- ট্রাম্পকে নিয়ে উদ্বিগ্ন তাইওয়ান, সমান্তরাল পথে হাঁ...
- ট্রাম্প জেতার পরে হতাশ মাস্কের রূপান্তরকামী সন্তান
- ট্রাম্পের প্রশংসায় পুতিন, সংলাপেও প্রস্তুত তিনি
- অশান্ত মণিপুর: জিরিবামে ছয়টি বাড়িতে আগুন, নারীকে...
- গত ১৫ বছরের নির্বাচনী প্রহসন, ষড়যন্ত্র ও আমার সংস্...
- মার্কিন মুল্লুকে ক্ষমতার হাতবদল অনিশ্চয়তায় নেতানিয়...
- জনতার জোয়ার: অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ হতে দেয়া য...
- “বাবা প্যারালাইজড মা অসুস্থ”- শহীদ সবুজের পরিবারের...
-
▼
Nov 09
(16)
-
▼
November
(469)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


