Monday, April 23, 2018
পাতায়ায় সেক্স পার্টি

About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিষণ্নতা, বদলে যাচ্ছে মানুষের চরিত্র by পিয়াস সরকার

আরেক রোগী স্বস্ত্রীক এসেছেন ডাক্তার দেখাতে। বলেন, মানসিক সমস্যা নিয়ে এসেছি এটা মানুষ জানাজানি হলে খারাপ মন্তব্যের শিকার হতে পারি। তার স্ত্রী বলেন, সে বিয়ের আগ থেকেই ভালো একটা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করত। বিয়ের সময় বেশ মোটা অঙ্কের টাকা ঋণ করেছিল। মাথায় ঋণের বোঝা আবার বিয়ের তিন মাসের মাথায় চাকরি হারান। এটা মেনে নিতে পারেনি। এমনকি পরিবারকে জানায় নি। দেখতাম হঠাৎ হাসি খুশি মানুষটা একরোখা ও বিষণ্নতায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। একমাস পরে বিষয়টা আমরা জানলাম, খুব স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছিলাম। মন খারাপ হবার কারণে কক্সবাজার ঘুরতেও গিয়েছিলাম। কিন্তু তার অবস্থার উন্নতি হয় না। কিছুদিন পর ভালো একটি প্রতিষ্ঠানে আগের থেকেও অধিক বেতনে চাকরি হলেও মনের অবস্থার পরিবর্তন হয় না তার। তাই ডাক্তারের কাছে এলাম পরামর্শের জন্য।
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সাইকোথেরাপি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল বলেন, মানসিক রোগ মানেই লজ্জার কোনো কারণ নয়। মানসিক রোগ শারীরিক রোগের মতোই অসুস্থতা। সব মানসিক রোগেরই বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা সম্ভব। বর্তমানে অনেক উন্নত ও কার্যকর ওষুধ আবিষ্কৃত হয়েছে। এর সুষ্ঠু ব্যবহারে রোগও পুরোপুরি সেরে যাচ্ছে। রোগীরা কর্মক্ষম থাকতে পারছে। কোনো কোনো রোগীকে দীর্ঘদিন ওষুধ খেতে হয়, যেমনটি খেতে হয় অনেক শারীরিক রোগীদেরও, যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ইত্যাদি রোগে প্রায় সারা জীবনই ওষুধ গ্রহণ করে যেতে হয়। আবার বেশিরভাগ মানসিক রোগীকেই দীর্ঘদিন ওষুধ খেতে হয় না। মানসিক চিকিৎসাসেবার মান এমনিভাবে নানা আঙ্গিক থেকে সফলতার দিকে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। মনোচিকিৎসার পদ্ধতিগুলোও অনেক উন্নততর হয়েছে। হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের মনোবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফারজানা রবিন বলেন, সমাজে অন্য রোগকে স্বাভাবিকভাবে দেখা হলেও মনের রোগ হলে ভাবা হয় পাগল। এই ‘পাগল’ শব্দটা না শুনতে চাওয়ার কারণেই ডাক্তার বিমুখী তারা। তবে, এখন ধীরে ধীরে সেই সংখ্যা বাড়ছে। আরো সুখবর হচ্ছে খুব অল্প কারণেও আসছে আমাদের কাছে। তবে, সংখ্যায় বৃদ্ধি ঘটলেও মোট জনসংখ্যার তুলনায় তা খুবই কম।
২০০৬ সালের এক জরিপে দেখা যায় ১৬.১ শতাংশ পূর্ণবয়স্ক মানুষ মানসিক রোগে আক্রান্ত। ২০০৯ সালের শিশু-কিশোরদের মাঝে করা এক জরিপে উঠে আসে ১৮.৪ শতাংশের কোনো না কোনো মানসিক সমস্যা আছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২০১৬ সালের প্রকাশিত হেলথ বুলেটিনে প্রকাশ করে ২০১৫ সালে বহির্বিভাগে সেবা নিয়েছেন ৪২ হাজার ৭০৩ জন যা ২০১৪ সালের তুলনায় ৭ হাজার ৬৮৯ জন বেশি। ২০১৩ সালে যার সংখ্যা ছিল ২৪ হাজার ৯৭৬ জন। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে প্রতিদিন ১০ টাকায় টিকিট কেটে রোগীরা সুযোগ পাচ্ছেন ডাক্তার দেখাবার। হাসপাতাল কর্মকর্তারা জানান, প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগী আসেন এখানে। তেমন কোনো চাপ নেই আবার প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য রয়েছেন চার জন চিকিৎসক। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট-এর সহকারী অধ্যাপক আবদুল ওহাব বলেন, বেশিরভাগ রোগী আসেন সাধারণত বিষণ্নতা নিয়ে। আগের কোনো ঘটনার ফলে মানসিক আঘাতের কারণে মূলত বিষণ্নতার সূত্রপাত ঘটে। সাধারণত সমস্যা খুব সাধারণ হলেও অন্যের সঙ্গে শেয়ার না করতে পারা এবং অসহযোগিতামূলক আচরণের কারণে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। আবার মানসিক চাপে অনেকে হয়ে পড়ছেন মাদকাসক্ত।
বিষণ্নতার কারণে আত্মহত্যার প্রবণতা চলে আসতে পারে রোগীদের মাঝে। কর্মহীনতা এর সবথেকে ক্ষতির কারণ। একজন মানুষের মন খারাপ থাকার কারণে স্বাভাবিক কাজকর্ম যদি ব্যাহত হয় সেটিই আসলে বিষণ্নতা। মন খারাপ, খাবারে অরুচি এবং কর্মহীনতা যদি দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে থাকে তবে সেটিই বিষণ্নতা। কোনো একদিন আপনার মন খারাপ থাকলে তাকে বিষণ্নতা বলা যাবে না। কোনো কারণে দু’একদিন মন খারাপ থাকতেই পারে। বলেন, বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. শামসুল আহসান মাকসুদ। ঢাকাজুড়ে বিষণ্নতা বাড়ছে কেন? এই প্রশ্নের জবাবে নিউ মুক্তি ক্লিনিক কল্যাণপুরের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শামসুন নাহার বলেন, ঢাকার অধিক জনসংখ্যা, কর্মহীনতা, অবকাশ যাপনের স্থান সংকট, মাদকাসক্ত, অনৈতিক সম্পর্ক, বন্ধুহীনতা, পূর্বের কোনো ঘটনা ভুলতে না পারা ইত্যাদির জন্য বাড়ছে বিষণ্নতা। তবে, বিষণ্নতা মুক্তির জন্য ডাক্তারের পরামর্শ, কাউন্সিলিংয়ে মুক্তি মিলতে পারে এই সমস্যার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রনিকে খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ! পালিয়ে বেড়াচ্ছেন রাশেদ

বৃহস্পতিবার রাতে রাশেদ মিয়ার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও তাকে প্রাণে হত্যার উদ্দেশে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগে চট্টগ্রাম মহানগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি মামলা করেন। এর আগে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অতিরিক্ত ফি ফেরতের জন্য চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ ড. জাহিদ খানকে বেদম মারধর করেন নুরুল আজিম রনি। মারধরের এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
এ ঘটনায় নগরীর চকবাজার থানায় চাঁদাবাজি ও প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধরের অভিযোগ এনে একটি মামলা করেন অধ্যক্ষ ড. জাহিদ খান। এই দুই মামলায় গ্রেপ্তারের জন্য চকবাজার থানা পুলিশ এবং পাঁচলাইশ থানা পুলিশ হন্যে হয়ে খুঁজছে নুরুল আজিম রনিকে। পুলিশের ভাষ্য, কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না রনিকে।
কিন্তু ইউনিএইড কোচিং সেন্টারের মালিক রাশেদ মিয়া বলছেন, মামলার পর রনি তাঁকে খুঁজতে সদলবলে তার বাসায় গিয়েছিল। সেখানে না পেয়ে কোচিং সেন্টারে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করেছে। সেখানে না পেয়ে তারা হুমকি দিয়ে আসে। এরপর বিভিন্ন অপরিচিত নাম্বার থেকে তাঁকে প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছেন।
রাশেদ মিয়া এ প্রসঙ্গে দৈনিক মানবজমিনকে মুঠোফোনে বলেন, আগেই আঁচ করেছিলাম যে, মামলা হলে রনি ও তার সহযোগীরা আমাকে প্রাণে হত্যার চেষ্টা চালাবে। তাই সপরিবারে আমি বাসা ছেড়ে আত্মীয়ের বাসায় আশ্রয় নিয়েছি।
তিনি বলেন, নুরুল আজিম রনি সদলবলে বুক ফুলিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর দাপিয়ে বেড়ালেও পুলিশ খুঁজে পাচ্ছে না তাকে। আমাকে খুঁজতে রনি বাসা ও কোচিং সেন্টারে যাওয়া এবং মুঠোফোনে প্রাণনাশের হুমকির বিষয়ে আমি পাঁচলাইশ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছি।
জিডিতে রনি ছাড়াও অজ্ঞাতপরিচয় আরও সাত-আটজন জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করেছি। এ ছাড়া রনি সদলবলে দাপিয়ে বেড়ানোর বিষয় নিয়ে পুলিশকে বারবার ইনফরমেশন দেয়া সত্ত্বেও পুলিশ রনি ও তার সহযোগীদের এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
পুলিশের এই ভূমিকাকে রহস্যজনক উল্লেখ করে রাশেদ মিয়া বলেন, মারধর খেয়ে প্রাণে তো কোনোরকমে বেঁচে আছি। এবার মামলা করে পরিবার-পরিজন নিয়ে প্রাণ হারানোর শঙ্কায় আমি চরম উৎকণ্ঠায় মানবেতর দিন যাপন করছি।
একই কথা বলেছেন চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ ড. জাহিদ খানও। তিনি বলেন, আমাকে মারধর ও চাঁদা দাবির ঘটনায় মামলা করা হলেও চকবাজার থানার পুলিশ নুরুল আজিম রনিকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি। রনিকে গ্রেপ্তারে পুলিশ নাকি অভিযানও চালিয়েছে। অথচ আমাকে মারধরের ঘটনার ১৬ দিন পর কোচিং সেন্টারের মালিক রাশেদ মিয়াকে মারধর ও চাঁদা দাবির ঘটনা ঘটিয়েছে রনি।
এ বিষয়ে চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল হুদা বলেন, মামলা দায়েরের পর রনিকে গ্রেপ্তারে পুলিশ একাধিক অভিযান চালিয়েছে। কিন্তু তাঁকে পাওয়া যায়নি। একই ভাষ্য পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিউদ্দিন মাহমুদের। তিনি বলেন, মামলা দায়েরের পর থেকে নুরুল আজিম রনি আত্মগোপনে রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে। রাশেদ মিয়াকে হুমকির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে রাশেদ মিয়া একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। যা আমরা তদন্ত করে দেখছি।
About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাদকের মরণছোবল: মাদকসেবী শিশু-কিশোর ৪ লাখ by রুদ্র মিজান

যাত্রাবাড়ী, গুলিস্তান, তেজগাঁও, রামপুরা, মোহাম্মদপুর, মিরপুর এলাকায় শিশু-কিশোরদের প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহার করতে দেখা যায়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাদক ব্যবসায়ী চক্র তাদের সুবিধার্থে এই শিশুদের মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহার করছে। মিরপুর-১১ এর এডিসি ক্যাম্প এলাকায় সিটি করপোরেশনের একটি নির্মাণাধীন মার্কেটের সামনে বেশিরভাগ সময় কয়েক শিশুকে অবস্থান করতে দেখা যায়। দিনভর তারা ওই এলাকায় ঘোরাফেরা করতে থাকে। এরমধ্যেই বিভিন্ন বয়সের ব্যক্তিরা তাদের সঙ্গে কথা বলেন। মানিব্যাগ বের করে টাকা দেন। শিশুরা এগিয়ে দেয় পলিথিনের ভাঁজ করা ব্যাগ। তারপর দ্রুত ওই স্থান ত্যাগ করে মাদক ক্রেতারা। ওই শিশুদের একজনের নাম শান্ত। ১৫ বছর বয়সের ওই কিশোরের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘ দুই বছর ধরে এই এলাকায় থাকে। তাকে আশ্রয় দিয়েছে বাবর নামে এক ব্যক্তি। বাবর তাকে তিনবেলা খেতে দেয়, থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। লেখাপড়া করে না শান্ত। তার ভাষায়, লেখাপড়া করি না। কোনো কাজও করি না। খাই আর ঘুমাই।
তার মা-বাবা সম্পর্কে জানতে চাইলে কোনো জবাব না দিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। জানা গেছে, মিরপুর-১২ এলাকার বাসিন্দা এক দরিদ্র দম্পতির সন্তান শান্ত। আশেপাশের ছেলেদের সঙ্গে খেলা করতে গিয়েই ড্যান্ডিতে আসক্ত হয়। তার প্রতি নজর পড়ে ওই এলাকার মাদক ব্যবসায়ী, একাধিক মামলার আসামি ফারদিন বাবরের। বাবর তাকে ফ্রি ইয়াবা সেবন করতে দেয়। এভাবেই আসক্ত করে তাকে। ১০টি ইয়াবা বিক্রি করে একটি ফ্রি এমন চুক্তিতে তাকে দিয়ে ইয়াবা বিক্রি করানোও শুরু করে বাবর। শান্তর মতোই ১৬ বছর বয়সী রুবেলসহ অর্ধশত শিশুকে দিয়ে ওই এলাকায় ইয়াবা বিক্রি করে চক্র। মাঝেমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান হলেও বাবর থেকে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
মাদক বিক্রির টাকার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে গত ৩১শে মার্চ রাতে নির্মাণাধীন ছয়তলা মার্কেটে হত্যা করা হয় রুবেল মিয়া নামে আরেক কিশোরকে। পুলিশ জানিয়েছে, গত কয়েক বছরে পরিত্যক্ত এই ছয়তলা ভবনের ভেতরে চারটি খুনের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হচ্ছে, নওশাদ ওরফে কানা নওশা, সোহেল, শিমুল ও সর্বশেষ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে রুবেল মিয়া।
পল্লবী এলাকায় শিশু-কিশোরদের দিয়ে মাদক ব্যবসা করার অভিযোগ রয়েছে সেলিনা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিজের বাসায় রেখে খুচরা মাদক বিক্রি করায় এই নারী। প্রায় সময়ই ১০-১২ শিশু-কিশোরকে দেখা যায় তার বাসায়। তাদের মধ্যে একজন ১৪ বছর বয়সী আল আমিন। গত ৮ই মার্চ সেলিনার বাসা থেকে আল আমিনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। আল আমিনের মা রানু আক্তার জানান, তার ছেলেকে মাদকাসক্ত করে নিজের বাসায় রাখতো সেলিনা। বাসায় রেখে তাকে দিয়ে মাদক বিক্রি করাতো। কোনোভাবেই ছেলেকে ফিরিয়ে আনতে পারছিলেন না তিনি। গত ২রা মার্চ ছেলেকে আনতে গেলে এ নিয়ে রানু আক্তারকে হুমকি-ধমকি দেয় সেলিনা। পরদিন পল্লবী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন রানু। ৮ই মার্চ রাত ১২টায় অভিযান চালিয়ে আল আমিনকে উদ্ধার করে পুলিশ। তাকে বর্তমানে একটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে সেলিনা দাবি করেছে, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিজের কাছে রেখে লালনপালন করে সে।
মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে গিয়ে দেখা গেছে, তরুণদের পাশাপাশি পলিথিনে করে ক্রেতাদের কাছে মরণনেশা ইয়াবা পৌঁছে দিচ্ছে শিশু-কিশোররা। ওই এলাকার মাদক ব্যবসায়ী জয়নাল আবেদিন বাচ্চুর পরিবারের ছোট-বড় সবাই মাদক ব্যবসায় জড়িত। তার ভাতিজি কিশোলয় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর কাছ থেকে অর্ধশত ইয়াবা উদ্ধার করার ঘটনা ঘটেছে। মূলত ক্রেতার কাছে নিরাপদে পৌঁছে দেয়ার জন্য মাদক ব্যবসায় শিশুদের ব্যবহার করা হয়। ওই এলাকায় মাদক বিক্রিতে জড়িত রয়েছে এরকম অর্ধশত শিশু-কিশোর। তেজগাঁও রেললাইন এলাকায় ডালায় সাজিয়ে গাঁজা, ইয়াবা বিক্রি করছে নারীরা। পাশাপাশি ফোনে যোগাযোগ করে যারা মাদক ক্রয় করতে যান তাদের কথানুসারে যথাস্থানে পৌঁছে দেয় শিশুরা। আনু, রহিমা, বাবুল, রফিক, ইদ্রিসসহ অনেক শিশুকে মরণনেশা বিক্রির কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (দক্ষিণ) মোহাম্মদ সামছুল আলম বলেন, বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার হিসেবে দেশে চার লাখেরও বেশি শিশু-কিশোর মাদকাসক্ত। তাদের একটি বড় অংশ মাদক বিক্রি-পরিবহনে জড়িত। বিভিন্ন কৌশলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছ থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য শিশুদের ব্যবহার করছে মাদক ব্যবসায়ীরা। মূলত সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিপথগামী করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতে শিশু ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অদ্ভুত উটের পিঠে ঢাবি প্রশাসন by সাজেদুল হক

কবি সুফিয়া কামাল হলের এপিসোডে সকাল-বিকাল সিদ্ধান্ত পরিবর্তন অবশ্য এবারই প্রথম নয়। এরআগে ছাত্রলীগের হল নেত্রী ইফফাত জাহান এশাকে ঘিরে এর ভালোই মহড়া দেখা গেছে। সেটাও মধ্যরাতের ঘটনা। কোটা সংস্কার আন্দোলন তখন তুঙ্গে। ক্যালেন্ডারে তারিখ ১০ই এপ্রিল। আন্দোলনে যোগ দেয়ায় এশার নির্যাতনের শিকার হন কয়েক ছাত্রী। রক্তের দাগ দেখা যায়। রগ কাটার গুজব রটে। নির্যাতন অবশ্য মিথ্যা নয়। এ ঘটনায় চরম প্রতিক্রিয়া দেখান হলের ছাত্রীরা। এশাকে লাঞ্ছিত করেন তারা। যা সাধারণ ভব্যতার সীমা ছাড়িয়েছে। রাতেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এশাকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়। কোনোরকম তদন্ত ছাড়া গভীর রাতে তাকে কীভাবে বহিষ্কার করা হলো তা পরিষ্কার নয়। ছাত্রলীগও তাকে বহিষ্কার করে। দৃশ্যপট বদলাতে অবশ্য সময় লাগেনি। দ্রুতই ফুলের মালা পান এশা। তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেয় ছাত্রলীগ। উল্টো তাকে হেনস্তার কারণে ২৬ কর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। ছাত্রলীগ যে পথে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উল্টো পথে হাঁটবে তা হয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ও এশার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেয়। তাকে সম্মান দেয়ার কথাও জানায়। এখন তিন ছাত্রীকে কয়েক ঘণ্টার বিতাড়নের বাইরে ২৬ ছাত্রীকে শোকজের কথা শোনা যায়। কিন্তু কাদের শোকজ করা হয়েছে তা জানা যায় না। সব যেন অন্ধকার। আলোতে যেন ভয়। তুঘলকি সব সিদ্ধান্ত।
উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল ফেসবুকে লিখেছেন, নামতে নামতে কোথায় যে নেমেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শ্রেণির শিক্ষক! ভাঙতে ভাঙতে কি যে মেরুদণ্ডহীন হয়ে গেছে বাকি অনেক শিক্ষক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় দু’হাজার শিক্ষকের মধ্যে কতজনকে প্রতিবাদ করতে দেখেছেন কোটাসংস্কার আন্দোলনের ওপর পুলিশ, ঢা. বি. প্রশাসন আর ছাত্রলীগের নানামুখী আক্রমণের? অথচ আমরা নাকি ‘জাতির বিবেক’!
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতার শিক্ষক অধ্যাপক ড. কাবেরী গায়েন অবশ্য বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন একটু অন্যভাবে। ফেসবুকেই তিনি লিখেছেন, আমি ভাবছিলাম ভিন্ন কথা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন পরীক্ষা করছে হল প্রশাসন। কী সাংঘাতিক কথা রে বাবা! খুব ছোটবেলায় একটা বাক্সে চিঠি-কাগজ-পয়সা-ঝিনুক-কড়ি আরো কত কী জমা রাখতাম! সেই বাক্সে কেউ হাত দিয়েছে, এটা তো ভাবতেই পারতাম না! ব্যক্তিগত পরিসর বলে তো একটা জিনিস আছে! সেখানে ধরে ধরে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মোবাইল চেক! হল প্রশাসন তো দূরের কথা মা-বাবাও এমনটা করতে পারেন না। প্রেমিক-প্রেমিকাও না। হল প্রশাসন কতটা ক্ষমতার চর্চা করলে এমনভাবে ব্যক্তিগত পরিসর লঙ্ঘন করতে পারে! কারো পোস্ট ক্ষতিকর মনে হলে সেটার ব্যবস্থা নেয়ার আইনি পথ আছে। ব্যক্তিগতভাবে কারো মোবাইল ফোন পরীক্ষা করার অধিকার হল প্রশাসনের থাকতে পারে কি? ভাবছিলাম, মেয়েরা যত বড়ই হোক, তাদের মোবাইল ফোন চেক করা, মা-বাবাকে ডেকে রাত-বিরাতে তাদের হাতে তুলে দেয়ার মতো কাজ আজও ঘটতে পারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। স্রেফ কৌতূহল থেকে ভাবছি, ছেলেদের হলে কোনো ছেলের মোবাইলও কি এভাবে পরীক্ষা করতে পারতো হল প্রশাসন! তারপর তাদের মা-বাবাকে ডেকে তাদের হাতে তুলে দিতে! আমার ধারণা, এমন কথা মাথাতেই আনা সম্ভব হতো না। মেয়েদের ব্যক্তিগত পরিসরে হানা দেয়ার সাহস যে কেউ যেকোনো জায়গায় করতে পারেন বোধহয়। সেই হানা দেয়ার কথা ফলাও করে বলাও যায়! শিক্ষার্থী হল কোনো কন্সেট্রেশন ক্যাম্প নয়। বিশ্ববিদ্যালয় ধারণাটি মুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত, বলপ্রয়োগের সঙ্গে নয়।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের পুরোটা সময় বিশ্ববিদ্যালয় পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ঘটনার শুরু ৮ই এপ্রিল দিনের মধ্যভাগে। রাতে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ যখন দফায় দফায় ছাত্রদের ওপর টিয়ারশেল, রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। ওই সময় সংঘাত থামাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। অনেকেই মনে করেন, সেসময় প্রশাসন যদি শক্ত পদক্ষেপ নিতো তবে পরিস্থিতি এড়ানো যেতো। রাতেই ভিসির বাসায় নজিরবিহীন ও ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন সূত্র বলছে, সে রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নানা ধরনের শেয়ার হোল্ডারদের উপস্থিতি ছিল। পরে পুরো আন্দোলনের সময়ই ক্ষণে ক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে। কোটা বাতিলের ঘোষণার পরও বিশ্ববিদ্যালয় পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসন তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আন্দোলনকারী ছাত্ররা যখন ছাত্রলীগের কাছ থেকে নানামুখী আক্রমণের শিকার তখনও তাদের রক্ষায় তেমন কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
প্রয়াত বুদ্ধিজীবী আহমদ ছফার সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে আবারো বলি, বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে জ্ঞানদায়িনী ‘মা’। এ বিশ্ববিদ্যালয় তার সন্তানদের প্রতি পক্ষপাতপূর্ণ আচরণ করতে পারে না। প্রতিটি সন্তান যেন সম্মানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস করতে পারে তা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের দায়িত্ব।
About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্রেপ্তার: উপেক্ষিত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা by উৎপল রায়

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার ও ১৬৭ ধারায় রিমান্ড বিষয়ে ২০০৩ সালের এপ্রিলে হাইকোর্টের দেয়া রায় ২০১৬ সালের ২৪শে মে বহাল রাখে আপিল বিভাগ। পরে ওই বছরের ১০ই নভেম্বর এর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। রায়ে ৫৪ ও ১৬৭ ধারা সংশোধনের জন্য সাত দফা সুপারিশ করা হয়। একই সঙ্গে আদালত বেশকিছু নির্দেশনা দিয়ে রায়ে উল্লেখ করেন, আইন সংশোধনের আগে এইসব নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। নির্দেশনার মধ্যে ছিল, আটকাদেশ (ডিটেনশন) দেয়ার জন্য পুলিশ কাউকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করতে পারবে না, কাউকে গ্রেপ্তার করার সময় পুলিশ বাধ্যতামূলকভাবে তার পরিচয়পত্র দেখাবে। এছাড়া গ্রেপ্তারের তিন ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের কারণ জানাতে হবে। বাসা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য স্থান থেকে গ্রেপ্তার ব্যক্তির নিকট আত্মীয়কে এক ঘণ্টার মধ্যে বিষয়টি জানাতে হবে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে তার পছন্দ অনুযায়ী আইনজীবী ও আত্মীয়দের সঙ্গে পরামর্শ করার সুযোগ দিতে হবে। অনুসন্ধান ও পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা বার বারই অবজ্ঞা করা হচ্ছে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী তিন নেতাকে সোমবার (১৬ই এপ্রিল) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ফটক থেকে তুলে নিয়ে যায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। জিজ্ঞাসাবাদ করে কিছুক্ষণ পর তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। পরে ওই তিন নেতা সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন তাদেরকে চোখ বেঁধে গাড়িতে তুলে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। যদিও ডিবি পুলিশ দাবি করে, ওই তিনজনকে চোখ বেঁধে তুলে নেয়া হয়নি। এটা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, এ ঘটনার পর কোটা সংস্কার আন্দোলকারীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক মানবজমিনকে বলেন, এসব ঘটনা এবং অন্যান্য অনেক ঘটনায় এটি স্পষ্ট যে, সুপ্রিম কোর্টের আদেশ বা নির্দেশনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমলে নেয় না বললেই চলে। কোটা সংস্কার আন্দোলনের তিন নেতাকে ডিবি পুলিশ যেভাবে ধরে নিয়ে গিয়েছিল এটাতো আইনের শাসন এবং সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখানো হয়েছে।
গত ৮ই ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। রায় ঘোষণার আগে ও পরে রাজধানীসহ সারা দেশে বিএনপি’র অনেক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তারের করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযোগ ওঠে গ্রেপ্তারের অনেক ক্ষেত্রেই উচ্চ আদালতের নির্দেশনা পালন করা হয়নি। খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি পালনের সময় বিভিন্ন সময়ে বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এসএম মিজানুর রহমান ও সহ-সভাপতি জাকির হোসেন মিলনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও তেজগাঁও ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন মিলনকে গত ৬ই মার্চ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে সাদা পোশাকের পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরে তিনদিনের রিমান্ড শেষে ১১ই মার্চ আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরদিন (১২ই মার্চ) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান জাকির হোসেন মিলন। পরে এই চার নেতার গ্রেপ্তারের বিষয়টি উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। তাদের গ্রেপ্তারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২৯শে মার্চ হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে ২রা এপ্রিল রুল জারি করেন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী এবং বিচারপতি আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনা লঙ্ঘন ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ওই চার নেতাকে জবরদস্তিমূলকভাবে গ্রেপ্তার করা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চাওয়া হয় রুলে। একই সঙ্গে ওই চার নেতাকে গ্রেপ্তারে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে না- রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়। রাজধানীর কাপ্তানবাজারে কিশোর রাকিব হাওলাদার (১৫)কে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা করা হয়েছে- এমন অভিযোগে ওয়ারী থানার ওসিসহ চারজনের বিরুদ্ধে গত ১১ই এপ্রিল ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. কামরুল হোসেন মোল্লার আদালতে মামলা দায়ের করেন রাকিবের মা রীতা আক্তার। নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনের বিভিন্ন ধারায় দায়ের করা এই মামলায় আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে এ বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। এ মামলার আসামিরা হলেন, ওয়ারী থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম, ওসি (তদন্ত) মো. সেলিম, এসআই জ্যোতি ও সোর্স মোশারফ। বাদী রীতা আক্তারের অভিযোগ গত ৪ঠা এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার ছেলে রাকিব হাওলাদারকে (১৫) কাপ্তানবাজার এলাকা থেকে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়াই আটক করে ওয়ারী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। গ্রেপ্তারের পর রাকিবের সঙ্গে তাকে সাক্ষাৎ করতে দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে ৬ই এপ্রিল সকাল ১১টায় বাদীর পিতাকে (রাকিবের নানা) থানা থেকে ফোন করে জানানো হয় তার নাতি (রাকিব) ক্রসফায়ারে মারা গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আছে। পরে রীতা আক্তার ঢামেকের মর্গে গিয়ে ছেলের লাশে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান বলে আর্জিতে অভিযোগ করেন।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক মানবজমিনকে বলেন, গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের যে নির্দেশনা রয়েছে তা মানা উচিত। সুপ্রিম কোর্টের আদেশ পালন তো করতে হবে। যদি পালন করা না হয় সেটি তো অপরাধ হলো। যারা তা মানবে না তাদের বিরুদ্ধে তাদের ডিপার্টমেন্ট ব্যবস্থা নেবে। মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন মানবজমিনকে বলেন, আমরা প্রতিনিয়তই পিছিয়ে যাচ্ছি। যেসব বিষয়ে সর্বোচ্চ আদালত থেকে নির্দেশনা পাওয়া গেছে সেই সব নির্দেশনা বার বার উপেক্ষিত হচ্ছে। সাম্প্রতিককালে কিছু ঘটনার বর্ণনায় তা আমরা পাচ্ছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যখন নিজেদেরকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে ভাবে তখনই এ ধরনের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনাগুলো শুধু উদ্বেজনকই নয়, দুঃখজনক এবং ভয়াবহ। তিনি বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী তিন নেতার বিরুদ্ধে কোনো মামলা ছিল না। কিন্তু আদালতের নির্দেশনার ব্যত্যয় ঘটিয়ে এটি করা হয়েছে। এ বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খোঁজ নেয়া এবং দোষীদের চিহ্নিত করে বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নেয়া উচিত। এটি রাষ্ট্রের দায়িত্ব। নূর খান লিটন বলেন, দুর্ভাগ্যজনক হলো সুশাসন, স্বচ্ছতা এগুলোকে অবজ্ঞা করে আমরা শুধু উন্নয়নের ঢেঁকুর তুলছি। আইনের শাসনকে যদি সমুন্নত রাখা না যায় তাহলে তা কারো জন্যই ভালো হবে না।
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক মো. নুরুল হুদা মানবজমিনকে বলেন, যেহেতু এসব বিষয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনা রয়েছে, তাই এসব নির্দেশনা মানতে হবে। এক্ষেত্রে যদি আদালত অবমাননা হয় তাহলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ক্ষেত্র বিশেষে বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নেয়া যায়। এ ধরনের উদ্যোগের অভাব কি না- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, উদ্যোগ থাকা উচিত। মানুষের ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকে। আর যেখানে ক্ষমতা আছে, সেখানে ক্ষমতার অপব্যবহারও থাকে। অপপ্রয়োগ যাতে না হয় সেজন্য এ সমস্ত (বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা) প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। তাহলেই এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাপান অলিম্পিক গেমসে মেইড ইন বাংলাদেশ জার্সিতে চার হাজার কোটি টাকা আয়ের আশা by এমএম মাসুদ

বিকেএমইএ সূত্র জানায়, জাপান প্রতি বছর সারাবিশ্ব থেকে ১২.৯ বিলিয়ন ডলারের নিটপণ্য আমদানি করে। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকেই ৪০০ মিলিয়ন ডলারের নিটওয়্যার পণ্য আমদানি করে দেশটি, যা মোট আমদানির ৩ শতাংশ। তাই এই বিশাল প্রতিযোগিতা উপলক্ষে ৪০০ থেকে বেড়ে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের রপ্তানির আদেশ দাঁড়াবে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। বিকেএমইএ মনে করে, সামার অলিম্পিক গেমসের অর্ডার আমরা শিগগিরই পেতে যাচ্ছি এবং অর্ডারের বিপরীতে রপ্তানি চলতি বছর থেকেই শুরু হবে। আর জাপানের সঙ্গে যে বাণিজ্যিক ঘাটতি রয়েছে সেটাও হ্রাস করতে সহায়তা করবে।
বিকেএমইএ সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, জাপানে বাংলাদেশের নিটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি বেড়েই চলেছে। এছাড়া সেখানকার ক্রেতারাও চাইছেন বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে ব্যবসা করতে। তিনি বলেন, সামনে জাপানে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেম অনুষ্ঠিত হবে। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে সে দেশে টি-শার্ট ও পলো শার্টের চাহিদা বাড়বে। সে হিসাবে বাংলাদেশে রপ্তানি বাড়বে প্রায় ২০ শতাংশ; যা আমাদের দেশের জন্য বিশাল পাওয়া। সেই পরিমাণটা হবে ৫০০ মিলিয়ন ডলার। বর্তমানে আমরা রপ্তানি করছি ৪০০ মিলিয়ন ডলার।
বিকেএমইএ পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখা গেছে, প্রতি বছর জাপানে নিট পোশাক রপ্তানি বেড়েই চলেছে। তবে দেশটিতে গত ছয় বছরের মধ্যে রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি কমে এসেছে। ২০১১-১২ অর্থবছরে জাপানে নিট পোশাক রপ্তানি হয়েছিল ১৬ কোটি ৩ লাখ ৬৫ হাজার ডলার। যার প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছিল ৭৪ শতাংশ। আর গত অর্থবছরে (২০১৬-১৭) দেশটিতে রপ্তানি হয়েছে ৩৯ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার। যার প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৪ শতাংশ। অর্থাৎ অর্থের পরিমাণে রপ্তানি বাড়লেও প্রবৃদ্ধি কমেছে। এছাড়া ২০১২-১৩ অর্থবছরে জাপানে নিট পণ্য রপ্তানি হয়েছে ১৯ কোটি ৮ লাখ ৩১ হাজার ডলার। যার প্রবৃদ্ধি ছিল ২১ শতাংশ। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে নিট পণ্য রপ্তানি হয়েছে ২৫ কোটি ৩ লাখ ৩৫ হাজার ডলার। যার প্রবৃদ্ধি ছিল ২৮ শতাংশ। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে জাপানে নিট পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২৭ কোটি ৯ লাখ ৭৮ হাজার ডলার। যার প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ শতাংশ। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে নিট পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৮ কোটি ৩ লাখ ৪ হাজার ডলার। যার প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৭ শতাংশ। বছর বছর প্রবৃদ্ধি কমলেও এবার গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেম সামনে রেখে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা করছে বিকেএমইএ। এবারের এই খেলায় ৫০০ কোটি ডলার রপ্তানির আদেশ পাওয়া যাবে বলে আশা করছে সংগঠনটি।
এদিকে গত ৪ই এপ্রিল জাপানের টোকিও’র ফ্যাশন ওয়ার্ল্ড টোকিও মেলায় বিকেএমইএ সভাপতি একেএম সেলিম ওসমান এমপি’র নেতৃত্বে ৮১ জনের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করে। মেলায় ৩০টি স্টল ছিল বিকেএমইএ‘র। বিকেএমইএ সভাপতি সেলিম ওসমান বলেন, চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর অতি নির্ভরতার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত সম্ভাবনাময় জাপানের নিটওয়্যার বাজার বাংলাদেশের জন্য উন্মুক্ত হয়নি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে চীনের ক্যাপিট্যাল-ইনটেনসিভ শিল্পে অধিক মনোযোগ এবং জাপানের চীন পলিসি গ্রহণের কারণে জাপানের বিশাল নিটওয়্যার বাজারে বাংলাদেশের নিটপণ্য রপ্তানির বিশাল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, যদিও জাপান ভিয়েতনামসহ ৯টি দেশের সঙ্গে সিপিটিপিপি স্বাক্ষরের কারণে ভিয়েতনামের তৈরি পোশাক জাপানের বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। তবুও বাংলাদেশের নিট শিল্প খাতের ধারাবাহিক ক্রমবিকাশ, বিশাল ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্প এবং পোশাকের গুণগতমানের কারণে ভিয়েতনামকে পিছনে ফেলে জাপানের বাজারে বাংলাদেশ এক নম্বর নিটওয়্যার রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে অবস্থান তৈরি করে নিতে পারে বলে আশা করেন তিনি।
বিকেএমইএ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুলভ চৌধুরী বলেন, গত ৬ই এপ্রিল জাপানের মিনিস্ট্রি অব ইকোনমি, ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (মেটি) সঙ্গে বিকেএমইএ’র আলোচনা সভায় মেটির পক্ষ থেকে বাংলাদেশের নিটওয়্যার পণ্যের জন্য বিদ্যমান ওয়ান স্টেজ জিএসপি সুবিধা বহাল রাখার নিশ্চয়তা দেন, যা সিপিটিপিপি স্বাক্ষরের কারণে তৈরি হওয়া সংশয়কে (জাপানের বাজারে বাংলাদেশের নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানি কমে যাবে কি না) সম্পূর্ণভাবে দূরীভূত করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ২০২০ সালের মধ্যে জাপানের বাজারে প্রায় ২৫ শতাংশ রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। আর মেলায় অংশগ্রহণ করে ২৫ মিলিয়ন ডলার স্পট রপ্তানির অর্ডার পাওয়া গেছে, যা বেশ সম্ভাবনার। এছাড়া মেলা চলাকালে ‘নিটওয়্যার পণ্যের সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক একটি সেমিনার আয়োজন করা হয়। যেখানে জাপানের ১১৩ জন টেক্সটাইল বিষয়ক প্রতিনিধি অংশ নেন। সেখানে তারা সবাই জাপানের বাজারে বাংলাদেশের নিটওয়্যার পণ্যের বিপুল সম্ভাবনার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া জাপান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (জেবিসিসিআই), টোকিও চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (টিসিসিআই), জাপান টেক্সটাইলস ইমপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (জেটিআইএ) এবং জাপান এক্সটারনাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেট্রো)-এর সঙ্গে বিকেএমইএ’র বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নারায়ণগঞ্জে প্রস্তাবিত ইকোনমিক জোনে জাপানি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছেন এবং জাপানের একটি উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদল আগামী নভেম্বরে বাংলাদেশ সফর করবে এবং বিনিয়োগ সম্ভাবনা যাচাই করবেন বলে আমাদের জানিয়েছেন। এ ছাড়া বিকেএমইএ’র জয়েন্ট ভেনচার ইভেন্টে বিনিয়োগের প্রস্তাবে তারা ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। এমনকি চলমান ফ্যাক্টরিতেও তারা বিনিয়োগে আগ্রহী।
About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বার কাউন্সিল সনদ জটে শিক্ষানবিশ আইনজীবীরা by রাশিম মোল্লা

About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অভিযোগ করে অর্থ পেয়েছেন ৩,২৫৫ ভোক্তা by মহিউদ্দিন অদুল

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম লস্কর মানবজমিনকে বলেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন সম্পর্কে এখনো অধিকাংশ গ্রাহক জানেনই না। তবে ধীরে ধীরে সচেতনতা বাড়ছে। বাড়ছে আমাদের সক্ষমতাও। রাজধানীতে ভোক্তারা প্রতারিত হলে তাদের কেউ কেউ এখন অভিযোগ নিয়ে আসছেন। ভোক্তাকে ঠকানোর অভিযোগ প্রমাণিত হলে আদায়কৃত জরিমানার ২৫ ভাগ অর্থ অভিযোগকারীকে প্রদানের বিধান রয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তারা সে হিসেবে নগদ টাকা তাৎক্ষণিকভাবে পেয়ে যাচ্ছেন। এতে আশার সঞ্চার হয়েছে। প্রতিবছর অভিযোগের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, প্রকৃতপক্ষে দেশের প্রায় ১৭ কোটি মানুষের সবাই ভোক্তা। প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়ে তাদের সিংহভাগ প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। বিভিন্নভাবে ঠকছেন। নেয়া হচ্ছে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি টাকা। মূল্য তালিকা প্রদর্শন করা হচ্ছে না। অতি লাভের জন্য পণ্যে ভেজাল মেশানো হচ্ছে। অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য উৎপাদন বা প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে। পণ্যে মোড়ক ব্যবহার করা হচ্ছে না। ওজনে কম দেয়া হচ্ছে। প্রতারিত করা হচ্ছে মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে। প্রতিশ্রুত পণ্য বা সেবা যথাযথভাবে বিক্রয় বা সরবরাহ না করা। নকল পণ্য উৎপাদন। মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রয়। কিন্তু ভোক্তা অধিকারের রক্ষাকবচ আইন ও প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে অধিকাংশ গ্রাহক না জানায় এবং বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অভিযোগ গ্রহণের সার্বক্ষণিক ব্যবস্থা না থাকায় প্রতারিত গ্রাহকরা অভিযোগ করতে পারছে না। তবে রাজধানীর কাওরান বাজারের টিসিবি ভবনে রয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ অধিদপ্তরে রয়েছে জাতীয় ভোক্তা অভিযোগ কেন্দ্র। কোন গ্রাহক ঠকলে বা প্রতারিত হলেই পণ্য ক্রয়ের রশিদসহ বা অন্যান্য প্রমাণসহ নিজের বিস্তারিত পরিচয় উল্লেখ করে নির্ধারিত ফরমে সেখানে অভিযোগ করতে পারেন। অভিযোগ প্রমাণ হলেই আদায় করা হয় জরিমানা। জরিমানার ৭৫ ভাগ অর্থ জমা হয় রাষ্ট্রীয় কোষাগারে। বাকি ২৫ ভাগ অর্থ নগদে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগকারীকে প্রদান করা হচ্ছে। বিগত ২০১১-১২ অর্থ বছরে এমন অভিযোগ গ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকে ক্রমেই তা বাড়ছে। ওই অর্থবছরে ৮ অভিযোগকারীকে আদায়কৃত জরিমানার ২৫ ভাগ হিসেবে প্রদান করা হয় ৫২ হাজার ৫০০ টাকা। ২০১২-১৩ অর্থ বছরে ২৯ গ্রাহকের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তারা জিতে ১ লাখ ৮ হাজার ৭৫০ টাকা। পরের বছর তথা ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ১৭ গ্রাহক পায় ৫১ হাজার ৫০০। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে জরিমানার অর্থে ভাগ বসানো অভিযোগকারীর সংখ্যা কয়েকগুণে দাঁড়ায়। সে অর্থ বছরে ১০৭ অভিযোগকারী ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫০০ টাকা পকেটে নেন। এর পরের বছর ২০১৫-১৬ এ ১৯২ ভোক্তা অভিযোগ প্রমাণ করে নেন ২ লাখ ৯৩ হাজার ৮৭৫ টাকা। সর্বশেষ দু’অর্থ বছরে প্রায় তিন হাজার অভিযোগকারী তাদের অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হন। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ১ হাজার ৪১৬ অভিযোগকারী ১৫ লাখ ৫১ হাজার ৬৭৭ টাকা পান। আর চলতি অর্থ বছরের গত ১২ মার্চ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৮৬ অভিযোগকারীকে দেয়া হয় ২৮ লাখ ৪৫ হাজার ৭৫ টাকা। অর্থাৎ গত ৭ অর্থ বছরের কম সময়ে প্রতারিত হওয়ার অভিযোগ প্রমাণ করে ৩ হাজার ২৫৫ ভোক্তা ৫০ লাখ ৯১ হাজার ৮৭৭ টাকা পেয়েছেন। অন্যদিকে ২০০৯-১০ অর্থবছরে যাত্রা ও কার্যক্রম শুরুর পর থেকে বিগত প্রায় ৯ অর্থবছরে বাজার অভিযান এবং ভোক্তাদের অভিযোগ প্রমাণ থেকে প্রতিষ্ঠানটি ২৮ কোটি ৭৬ লাখ ৮৭ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা আদায় করেছে। এর মধ্যে গত প্রায় ৭ অর্থবছরে ওই তিন সহস্রাধিক ভোক্তাকে অর্ধকোটির বেশি টাকা জরিমানার অর্থ দেওয়ার পর বাকি ২৮ কোটি ২৫ লাখ ৯২ হাজার ৪২৩ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হয়েছে। দিন দিন গ্রাহকের অভিযোগ দায়ের ও প্রমাণের সংখ্যা বাড়ায় আগামি অর্থবছরগুলোতেও জরিমানা আদায় এবং ভোক্তাদের টাকা পাওয়ার অঙ্ক বাড়বে বলে মনে করছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে আইনি বিধানটি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে প্রতারিত ভোক্তাদের এগিয়ে আসায় উৎসাহিত করছে বলে মনে করছেন তারা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেমন আছেন আশিকুর রহমান? by মরিয়ম চম্পা

তার চেহারায় এখনো ভয়ের ছাপ স্পষ্ট। কথা বলতে গিয়ে থেমে যাচ্ছিলেন বারবার। আশিকুরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক বন্ধু রাফি রয়েছেন হাসপাতালে। হাসপাতালের খাবার খেতে পারেন না আশিকুর। তাই সাভারে মামার বাসা থেকে তার মা দুপুর ও সকালের খাবার নিয়ে আসেন। আশিকুর জানায়, ডাক্তার বলেছে, বুকে বিদ্ধ বুলেট শরীরের অন্য কোথাও মুভ করছে কিনা তা অবজারভেশনের জন্যই তাকে আবারো হাসপাতালে ডাকা হয়েছে। বর্তমানে শরীরে কোনো সমস্যা অনুভূত হচ্ছে না বলে জানান তিনি। একমাস পরে আশিকুরের পরীক্ষা। পরীক্ষার প্রস্তুতি খুব একটা নেই বলে জানান তিনি। বুকের কোন পাশটায় বুলেটবিদ্ধ আছে জানতে চাইলে, হাত দিয়ে বুকের ডানপাশটা দেখিয়ে বলেন- এই যে এখানেই বুলেটটি রয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন বলেন, আশিকুরের শরীরের অবস্থা আগের চেয়ে অনেক ইম্প্রুভ হয়েছে। রোববার সকালেও একটি রেগুলার এক্সরে করা হয়েছে। তবে তাকে আগের তুলনায় অনেক বেশি কনফিডেন্ট মনে হচ্ছে। পাশের বেডের শাহরিয়ারের শরীরের অবস্থাও ভালো। আরো ৩-৪ দিন অবজারভেশন শেষে তাদের দুজনকে একই সঙ্গে হাসপাতাল থেকে ছাড়া হবে বলে জানান তিনি।
কোটা সংস্কারের আন্দোলনের সময় বুকে গুলি লাগে আশিকুর রহমানের। ৮ই এপ্রিল দিবাগত রাত দুইটার দিকে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। গুলিতে তার যকৃৎ ও ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এখনো তার বুকের ভেতরে রয়ে গেছে বুলেটটি। আশিকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। আশিকুরের বন্ধুরা জানিয়েছেন, ছাত্রলীগের একটি পক্ষ রাতে যখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের ধাওয়া করে, তখনই গুলিবিদ্ধ হন আশিকুর। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভেতরে থাকা শিখ সমপ্রদায়ের উপাসনালয় গুরুদুয়ারা নানক শাহীর ঠিক সামনে হঠাৎ তিনি ঢলে পড়েন। আশিকুর রহমানকে গত বুধবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেন ডাক্তাররা। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে বাড়ির উদ্দেশে কল্যাণপুর যেতে না যেতেই হাসপাতাল থেকে তাকে আবার ফোন দিয়ে ডেকে নেয়া হয়।
About: wiki news bd
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাঙ্গালি হিসেবে স্বীকার করলেই রোহিঙ্গাদের ফেরত নেবে বার্মা

রোহিঙ্গারা বলছেন তারা শত শত বছর ধরে বার্মায় বসবাস করে আসছে তারা কেন নিজেদেরকে বাঙ্গালি হিসেবে পরিচয় দিবে। অন্যদিকে বার্মা সরকার রোহিঙ্গাদের বার্মায় ফেরত নিবে যদি রোহিঙ্গারা ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড (এনভিসি) স্বেচ্ছায় গ্রহণ করে। আর এনভিসি হচ্ছে এমনি একটি ভেরিফিকেশন কার্ড যা কার্ডহোল্ডারকে অভিবাসী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়।
সম্প্রতি সীমান্তের জিরো লাইন থেকে ফিরে গিয়ে একটি পরিবার এনভিসি নিয়ে আরাকানে বসবাস করছে। বার্সা কর্তৃপক্ষ অন্যান্য রোহিঙ্গাদেরও একই পদ্ধতিতে ফিরে আসার জন্য উৎসাহিত করছে। কিন্তু রোহিঙ্গারা বলছে, বার্মা সেনাবাহিনীর সাথে যোগসাজসের মাধ্যমেই পরিবারটি আরাকানে ফিরেছে। পরিবারটিকে বার্মা সরকারের গুপ্তচর হিসেবে অভিহিত করেছে অনেকেই। তারা এনভিসি নয়, বার্মার নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা চায়।
বার্মার সমাজকল্যাণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পুনর্বাসন মন্ত্রী উইন মিয়াত আয়ে গত ১১ এপ্রিল তিনদিনের বাংলাদেশ সফরে এলে শরণার্থী হিসেবে বসবাসরত একদল রোহিঙ্গার সাথে আলাপকালে উইন মিয়াত আয়ে এনভিসি ফরম পূরণের জন্য তাদের উদ্ভুদ্ধ করেন। কিন্তু রোহিঙ্গারা এনভিসি গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়ে নাগরিকত্বসহ ১৩ দফা দাবি পেশ করে। অন্যদিকে ঢাকায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রত্যাবাসনের জন্য রোহিঙ্গাদের তালিকা প্রণয়নের জন্য নতুন একটি ফরম দেয় বার্মা।
বাংলাদেশ সফরের ওপর শুক্রবার ইয়াঙ্গুনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উইন মিয়াত আয়ে বলেন, কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া উদ্বাস্তুরা বার্মায় ফিরতে চায়, কিন্তু এনভিসি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে না যাওয়ায় তারা ফিরতে পারছে না। এনভিসির জন্য ব্যক্তিগত বিস্তারিত তথ্যসহ ফরম পূরণ করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, এনভিসি পেলে উদ্বাস্তুরা চলাচলের স্বাধীনতা, বাড়িঘর, কারিগরি প্রশিক্ষন এবং সহজে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা পাবে।
আসলে এইসব কথাবার্তা কিন্তু এনভিসি গ্রহণ করার জন্যই বলা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, ১৯৮২ সালের বিতর্কিত এক নাগরিকত্ব আইনে রোহিঙ্গাদের বার্মার নাগরিক হিসাবে স্বীকৃতি বাতিল করা হয়। এরপর তাদের জন্য হোয়াইট কার্ড চালু হয়। ২০১৫ সালে হোয়াইট কার্ডের বদলে এনভিসি চালু করা হয়। কিন্তু এনভিসিতে বাঙ্গালী পরিচয়ের বাধ্যবাধকতা থাকায় খুব অল্প সংখ্যক রোহিঙ্গা হোয়াইট কার্ড জমা দিয়ে তা গ্রহণ করেছে। এখনো রাখাইনে অবস্থান করছেন এমন ২৬ হাজার রোহিঙ্গাকে গত দুই মাসে জোর করে নানারকম অত্যাচার নির্যাতন করে এনভিসি দেয়া হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
April
(710)
-
▼
Apr 23
(12)
- পাতায়ায় সেক্স পার্টি
- বিষণ্নতা, বদলে যাচ্ছে মানুষের চরিত্র by পিয়াস সরকার
- রনিকে খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ! পালিয়ে বেড়াচ্ছেন রাশেদ
- মাদকের মরণছোবল: মাদকসেবী শিশু-কিশোর ৪ লাখ by রুদ্র...
- ভারতে শিশু ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
- অদ্ভুত উটের পিঠে ঢাবি প্রশাসন by সাজেদুল হক
- গ্রেপ্তার: উপেক্ষিত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা by উ...
- জাপান অলিম্পিক গেমসে মেইড ইন বাংলাদেশ জার্সিতে চার...
- বার কাউন্সিল সনদ জটে শিক্ষানবিশ আইনজীবীরা by রাশিম...
- অভিযোগ করে অর্থ পেয়েছেন ৩,২৫৫ ভোক্তা by মহিউদ্দিন ...
- কেমন আছেন আশিকুর রহমান? by মরিয়ম চম্পা
- বাঙ্গালি হিসেবে স্বীকার করলেই রোহিঙ্গাদের ফেরত নেব...
-
▼
Apr 23
(12)
-
▼
April
(710)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...