Friday, July 19, 2019
ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার নালিশ: নিন্দা জানালেন শাহরিয়ার আলম

প্রিয়া সাহা কেন এ ধরণের অভিযোগ করলেন তা খতিয়ে দেখা হবে উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, ‘তার অভিযোগুলোও সরকার শুনবে এবং খতিয়ে দেখবে।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে টাম্পও জানেন যে তার কাছেও মিথ্যা অভিযোগ করা হয়। মার্কিন প্রশাসন তাদের এখানকার দূতাবাসের মাধ্যমেই প্রতিনিয়ত তথ্য পেয়ে থাকে এবং আমরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগে থাকি।’
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রিয়া সাহার সমালোচনা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘প্রিয়া সাহার সমালোচনা করতে গিয়ে অনেকে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সমালোচনা করছেন। এটাও ঠিক নয়। যেমনটি নয় প্রিয়া সাহার করা অভিযোগ। সমাজের সকল স্তরে যার বিচরণ এবং সরকারের বিভিন্ন মহলের সাথে যার যোগাযোগ তার একইরকম আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। ধর্মীয় সম্প্রতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বাংলাদেশ। অনেকেই ব্যক্তি স্বার্থে বা না বুঝে এটার ক্ষতি করে ফেলেন। সবার উচিত এই ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকা।’
গত ১৮ই জুলাই ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেন। প্রিয়া সাহা তখন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলেন, ‘আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান নিখোঁজ রয়েছে। দয়া করে আমাদের লোকজনকে সহায়তা করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই।’ এ প্রসঙ্গে প্রিয়া সাহা আরও বলেন, ‘এখন সেখানে ১ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু রয়েছে। আমরা আমাদের বাড়িঘর খুইয়েছি। তারা আমাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, তারা আমাদের ভূমি দখল করেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বিচার পাইনি।’
প্রিয়া সাহার ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, ট্রাম্প একটি চেয়ারে বসে আছেন। পাশে দাঁড়িয়ে কথা বলছেন প্রিয়া সাহা। প্রিয়ার বক্তব্য শুনে এক পর্যায়ে ট্রাম্প নিজেই সহানুভূতিশীল হয়ে তার সঙ্গে হাত মেলান। ট্রাম্প তখন জানতে চান, ‘এমন নিপীড়ন চালাচ্ছে কারা?’ জবাবে প্রিয়া সাহা বলেন, ‘দেশটির মৌলবাদীরা এসব করছে। তারা সবসময় রাজনৈতিক আশ্রয় পাচ্ছে।’
হোয়াইট হাউজে অনুষ্ঠিত ওই সাক্ষাৎকারে প্রিয়া সাহা ছাড়াও মিয়ানমার, নিউজিল্যান্ড, ইয়েমেন, চীন, কিউবা, ইরিত্রিয়া, নাইজেরিয়া, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, সুদান, ইরাক, আফগানিস্তান, ইরাক, উত্তর কোরিয়া, শ্রীলংকা, পাকিস্তান, ইরান ও জার্মানিসহ ২৬টি দেশের প্রতিনিধি অংশ নেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের সচেতনতায় গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেয়ার পরামর্শ হাইকোর্টের

আদালতে কামরুজ্জামান কচি বলেন, আইন অনুসারে এটা চলমান প্রক্রিয়া। সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করার বিধান রয়েছে। সারা দেশের পাশাপাশি মিটফোর্ডে অভিযানের বিষয়ে আদালতের প্রশ্নে কামরুজ্জামান কচি বলেন, ১৭টি ফার্মেসিতে অভিযান চালানো হয়েছে। এর মধ্যে আটটিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া গেছে। এক পর্যায়ে আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, এখন প্রযুক্তির যুগ। সবখানে পত্রিকা না পৌঁছলেও টিভি আছে। দুর্গম কোনো চরেও টিভি আছে।
তাই ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের বিষয়ে সচেতনতার জন্য বিজ্ঞাপন দেয়া য়ায় কিনা দেখেন। যদিও
এখানে অর্থনৈতিক বিষয় আছে। তারপরও সচেতন করেন। ফিল্ডে (মাঠ পর্যায়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের বিষয়ে অভিযান) যে রকম অ্যাকশন নিচ্ছেন তেমনি প্রচার-প্রচারণাতেও করতে হবে। আদালত বলেন, ওষুধে উৎপাদন, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ ও মূল্য বড় করে থাকতে হবে। যেন ভিজিবল হয়। অনেকে আবার ইংরেজি বোঝে না। কিন্তু আমাদের ওষুধ রপ্তানি হয়। তাই বাংলা ও ইংরেজিতে এগুলো থাকতে হবে। পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতে বলেন, আদালতের নির্দেশ মোতাবেক অভিযান চালানো হয়েছে। পত্রিকায় গণবিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে। তখন আদালত বলেন, ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হলে তো বিষ হয়ে যায়। তাই জনসচেতনতা দরকার। এসময় ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এটা একটি চলমান প্রক্রিয়া। অভিযান চলবে। যথেষ্ট কাজ করার চেষ্টা করেছি।
বিষয়টি মনিটরিংয়ের জন্য আপনাদের নির্দেশে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। তখন আদালত বলেন, যথাযথ স্টেপ নেয়ায় অ্যাপ্রিশিয়েট করছি। এ অভিযান প্রশংসনীয়। এখানে যারা ব্যবসা করছেন তাদেরও সচেতন হওয়া দরকার। যারা উৎপাদন করছেন তাদেরও। কারণ ওষুধ বিদেশে রপ্তানি হয়। এখানে সেফ থাকলে বিদেশে সুনাম হবে। এসময় রিট আবেদনকারীর আইনজীবী বলেন, আইন অনুসারে ওষুধের মেয়াদ ভিজিবল হতে হবে। এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেননি। তিনি ওরস্যালাইন, ইনজেকশন, হাঁপানিরসহ কয়েকটি ওষুধ আদালতে উপস্থাপন করেন। ওইসব ওষুধ দেখে আদালত বলেন, মেয়াদ আছে। তবে সেটা বোঝার উপায় নেই। অনেক মানুষ এটা পড়তে পারবে না। এগুলো ভিজিবল হওয়ার দরকার। বিষয়টি দেখার জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয়ের কমিটিকে অবহিত করতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীকে নির্দেশ দিয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য ২২ আগস্ট দিন ঠিক করেন আদালত।
এর আগে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমানের দাখিল করা প্রতিবেদন গত ১৬ই জুলাই অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দেয় ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর। প্রতিবেদনে বলা হয়, আদালতের আদেশ অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এখন পর্যন্ত ৩৬ কোটি ৪১ লাখ ৯৫ হাজার টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। এ ছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখায় বিভিন্ন ব্যবসায়ীকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দেড় কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ই জুন সারাদেশে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রি বন্ধ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ প্রত্যাহার বা ধ্বংস করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। গত ১০ মে এক অনুষ্ঠানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, ঢাকা শহরের ৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা হয়। এ বিষয়ে সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে ১৭ জুন রিট করেন জাস্টিস ওয়াচ ফাউন্ডেশনের পক্ষে নির্বাহী পরিচালক সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহফুজুর রহমান মিলন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘সরল বিশ্বাস’ বলতে দুদক চেয়ারম্যান কি বুঝাতে চেয়েছেন?

সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী ও তাদের ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা সম্পর্কে কাদের বলেন, কোন সাংগঠনিক ব্যবস্থা যত কঠিনই হোক না কেন, আমরা প্রথমে কারণ দর্শাতে বলি। তিন সপ্তাহের মধ্যে কারণ দর্শাতে হবে কেন আপনার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না। সহযোগীদের মধ্যে যারা বিদ্রোহে ছিল বা সহায়তা করেছে তাদের সংশ্লিষ্ট সংগঠন থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিএনপির সাংগঠনিক কাজে সরকার বাধা দিচ্ছে, বিএনপির এমন অভিযোগ বিষয়ে কাদের বলেন, বিএনপির কোথাও কোন সভায় পুলিশ বাঁধা দেয়নি। সবখানে তারা সভার অনুমতি পেয়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে কল্পিত অভিযোগ ছাড়া বিএনপির কিছু নেই।
বন্যা মোকাবেলায় দল ও সরকারের ভুমিকা নিয়ে কাদের বলেন, আজকেও জামালপুর ও গাইবান্ধায় আমাদের প্রতিনিধি গিয়েছে। আমাদের টিম বন্যাদুর্গত এলাকায় যাচ্ছে। সরকারও আন্তরিক, ব্যবস্থা নিচ্ছে।
জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, জাতীয় পার্টি প্রধান বিরোধী দল, সংসদে অনেকগুলো আসন আছে। রাজনীতিতে তারাই টিকে থাকবে যারা সময়োপযোগী রাজনীতি চর্চা করবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, উপ দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য এসএম কামাল হোসেন প্রমুখ।
মানবজমিন- ১৮ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, সিআরপিসি (প্যানাল কোড) অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যদি সরল বিশ্বাসে কোনও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন সেটি অপরাধ বলে গণ্য হবে না। সেটিকে বড় করে সমস্যা মনে করার কথা নয়। তবে সরল বিশ্বাস যেন সরল বিশ্বাসই থাকে তা নিশ্চিত হতে হবে।
আজ জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের শেষদিনের শেষ অধিবেশনে ডিসিদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য মামলা করা নয়, দুর্নীতি প্রতিরোধ করা। দমন তার পরে।
ইকবাল মাহমুদ বলেন, প্রাইমারি ও মাধ্যমিক লেভেলে মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন শিক্ষা দিতে হবে। আগামী প্রজন্ম, যাদের ওপর দেশ পরিচালনার দায়িত্ব বর্তাবে, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক মূল্যবোধ যদি তাদের মধ্যে গড়ে তোলা না যায়, তবে কোনও কিছুই টেকসই হবে না।
দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যক্রম দেখার জন্য আমরা ডিসিদের বলেছি। কোথাও অনিয়ম পেলে আমাদের জানাতে বলেছি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কিংবদন্তী কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের পারিবারিক কিছু অদেখা মুহূর্ত










About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৃদ্ধা শাশুড়িকে রাস্তায় ফেলে গেল পুত্রবধূ

সেই থেকে বৃদ্ধার ঠিকানা কখনো গাছের নিচে, কখনো রাস্তার পাশে, কখনো আবার ব্রিজের নিচে। বর্তমানে তার ঠিকানা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাস এলাকার আন্ডারপাসের নিচে। গতকাল সকাল ৮টায় সেই বৃদ্ধাকে খাইয়ে দিতে দেখা যায় সেখানে অবস্থান করা একজন পাগলকে। বৃদ্ধা বর্তমানে কোনো কথা বলতে পারেন না, শারীরিক অবস্থাও খুব মুমূর্ষু।
দীর্ঘ সময় ওই বৃদ্ধাকে দেখভাল করা মালেকা বেওয়া জানান, বৃদ্ধাকে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার পর তিনি তাকে তার বাড়িতে রেখেছিলেন দীর্ঘদিন। যাকাত হিসেবে পাওয়া ৫টি কাপড় বিক্রি করে, মানুষের কাছে হাত পেতে, কখনো আবার নিজের পঙ্গু ও ভিক্ষাবৃত্তি করা ছেলের থেকে টাকা নিয়ে ওই বৃদ্ধাকে লালন পালন করেছেন। কিন্তু বাড়ির মালিক ঝুঁকি মনে করায় ওই বৃদ্ধার দায়িত্ব ছেড়ে দিতে হয় তাকে। তিনি আরো জানান, বৃদ্ধা নিজের নাম ভালমতো বলতে না পারলেও ঢাকার রাঙ্গামাটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার নাতি-নাতনি লেখাপড়া করে বলে তার (বৃদ্ধার) কাছ থেকে তিনি জেনেছেন। ওই বৃদ্ধার একটি মাত্র ছেলে সন্তান ছিল সে জীবিত নেই বলেও ওই বৃদ্ধার কাছ থেকে জানা গেছে বলে তিনি জানান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মালেক জানান, খবর পেয়ে একবার ওই বৃদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছিলেন তিনি। সেখানে কয়েক মাস চিকিৎসা করানো হয়েছে তাকে। তবে তার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি অবগত নন উল্লেখ করে বৃদ্ধার বিষয়ে স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা করা যায় কিনা সে ব্যাপারে তিনি চেষ্টা চালাবেন বলে জানান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এসপি’র দাবি: রিফাত হত্যার পরিকল্পনায় মিন্নি জড়িত

হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার আগে এর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য যা যা করা দরকার, তার সবকিছুই মিন্নি করেছেন। হত্যাকারীদের সঙ্গে হত্যা পরিকল্পনার মিটিংও করেছেন মিন্নি। রিফাত হত্যাকাণ্ডে মিন্নির সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে এ মামলার ১২ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
শুধু টিকটক হৃদয় একাই নন, এ মামলার একাধিক অভিযুক্ত রিফাত হত্যাকাণ্ডে মিন্নির জড়িত থাকার কথা জানিয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার। রিফাতের বাবার সংবাদ সম্মেলনের পরই মিন্নিকে গ্রেপ্তার করা হলো- এর সঙ্গে পুলিশের কোনো যোগসাজশ আছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন বলেন, যোগসূত্র থাকা বা না থাকার বিষয়টির আসলে আইনের কাছে গুরুত্ব নেই। তদন্ত স্বচ্ছ এবং সাবলীল প্রক্রিয়া মাত্র। তদন্তের ক্ষেত্রে যে যে বিষয়গুলো সামনে আসে, আমরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সঙ্গে সেইসব বিষয় নিয়েই কাজ করেছি। শুধু আমি না, আপনারাও দেখেছেন ডিআইজি মহোদয়ও বেশ কিছু দিন এখানে অবস্থান করেছিলেন। প্রেস কনফারেন্স ও মানববন্ধন যা আমাদের তদন্তের সঙ্গে সংঘর্ষিক সে বিষয়গুলোকে বাদ দিয়ে আমরা আমাদের তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের ওপর কোনো রাজনৈতিক চাপ নেই বা অন্য কোনো মহলেরও চাপ নেই।
এদিকে রিফাত শরীফ হত্যা মামলার তিন নম্বর আসামি মো. রাশেদুল হাসান রিশান ওরফে রিশান ফরাজীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রিশান বরগুনা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের ধানসিঁড়ি রোডের দুলাল ফরাজীর ছেলে এবং ওই মামলার দ্বিতীয় আসামি রিফাত ফরাজীর ছোট ভাই। রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী মিন্নিসহ এখন পর্যন্ত ১৬ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়াও মামলার প্রধান অভিযুক্ত নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ১০ জন রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ছাড়াও এ মামলার চারজন অভিযুক্ত রিমান্ডে রয়েছেন।
এ ছাড়া বুধবার আদালতে মিন্নির রিমান্ড শুনানির সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির আদালতকে বলেন, হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে এ মামলার একাধিক অভিযুক্তের সঙ্গে মিন্নির কথোপকথনের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। এ সময় প্রযুক্তির সহায়তায় সংগৃহীত সেই সব তথ্য-প্রমাণ আদালতে তুলে ধরেন তিনি।
মিন্নির রিমান্ড শুনানির সময় আদালতে উপস্থিত থাকা রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সঞ্জীব দাস বলেন, মিন্নির শুনানির সময় আদালতে রিফাত হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার বক্তব্য শেষে আদালত মিন্নির সঙ্গে কথা বলেন। আপনার পক্ষে কোনো আইনজীবী আছে কিনা? এবং আপনার কোনো কিছু বলার আছে কিনা? আদালতের এমন প্রশ্নের জবাবে মিন্নি বলেন, আমি নির্দোষ। আমি রিফাত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নই। আমি আমার স্বামী রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।
আইনজীবী সঞ্জীব দাস আরো বলেন, আদালত রিফাত হত্যায় অভিযুক্তদের সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে মোবাইলফোনে কথোপকথনের পাশাপাশি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে মিন্নি চুপ হয়ে যান এবং আদালতের এ প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি। পরে আদালতের বিচারক মো. সিরাজুল ইসলাম গাজী তার পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আমার মেয়ে নির্দোষ, কথাটা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেবেন: মিন্নির বাবা
রিফাত শরীফ হত্যা মামলার এক নম্বর সাক্ষী ও তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। এ সময় মিন্নির পক্ষে আদালতে দাঁড়ায়নি কোনো আইনজীবী। এ বিষয়ে বুধবার আদালত প্রাঙ্গণে মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন বলেন, আমার মেয়ে নির্দোষ। আমার মেয়ে ও পরিবারকে নিয়ে বরগুনার প্রভাবশালী একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে। খুনিদের বাঁচাতে আমার মেয়েকে ফাঁসানো হয়েছে। আমার মেয়ে নির্দোষ, কথাটা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেবেন। তাহলে সে বাঁচতে পারবে। এ সময় মিন্নির বাবা সঠিক তদন্ত করে যারা প্রকৃত দোষী তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন। এ সময় তিনি বলেন, আমার মেয়ে এই মামলার ১ নম্বর সাক্ষী। গত ২৬শে জুন প্রকাশ্য দিবালোকে রিফাতকে যখন সন্ত্রাসীরা কোপাচ্ছিল, তখন আমার মেয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তার স্বামীকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছে। মিন্নি নিজের জীবনের দিকে তাকায়নি। কিন্তু দুর্ভাগ্য। আমরা কিসের বলি হলাম? স্বামীকে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে খুন করার পর থেকে আমার মেয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।
মিন্নির বাবার অভিযোগ, মামলাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য মিন্নিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই খুনের নেপথ্যে যারা আছেন তারা খুবই ক্ষমতাশালী ও প্রভাবশালী। আমি তিনজন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলেছিলাম, তাদের দাঁড়ানোর কথা ছিল। প্রতিপক্ষের ভয়ে তারা আমার মেয়ের পক্ষে দাঁড়ায়নি। এ জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার দাবি, আমাদের এই ষড়যন্ত্র থেকে বাঁচান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জলাশয়গুলোকে আগের অবস্থায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

বাড়ির আশপাশের ডোবা, পুকুর ও জলাশয়কে ফেলে না রেখে মাছ চাষ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা খাদ্যের চাহিদা পূরণ করেছি। এখন দৃষ্টি পুষ্টির দিকে। বিল, ঝিল, হাওর, বাওড়, নদী নালায় পরিকল্পিতভাবে মাছ চাষ করতে হবে। মাছের চাইতে এত নিরাপদ আমিষ আর নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে (কেআইবি) জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০১৯’র উদ্বোধনকালে একথা বলেন।
সরকারের শতবর্ষ মেয়াদি ডেল্টা পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নদী মাতৃক বাংলাদেশে আমরা নদীগুলোকে ড্রেজিং করছি যাতে করে এর প্রবাহ এবং নাব্যতা বৃদ্ধি পায়। আর পানির প্রবাহ বাড়লে মাছের উৎপাদন বাড়বে।
একইসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত যেকোন দুর্যোগের মোকাবিলা আরো সহজ হবে।
অনুষ্ঠানে মৎস্য চাষ, রেণু উৎপাদনসহ মৎস্য সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য জাতীয় মৎস্য পুরস্কার ২০১৯ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। পুরস্কার হিসেবে ৮ ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ পদক ও ৫০ হাজার টাকার চেক এবং ৯ ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে রৌপ্য পদক ও ৩০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রইসুল আলম মন্ডল অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন। একই মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু এবং মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু সাইদ মোহম্মদ রাশিদুল হক এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।
‘মাছ চাষে গড়ব দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ শীর্ষক স্লোগানে এবার পালিত হচ্ছে দিবসটি। পরে প্রধানমন্ত্রী কেআইবি প্রাঙ্গণে সপ্তাহব্যাপী জাতীয় ‘মৎস্য মেলা’র উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা গণভবনের লেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পোনা মাছ ছেড়ে মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন অভিযানের সূচনা করেন। তিনি সে সময়ই পাট, চামড়া, চা-এর সঙ্গে মাছকেও বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, পরিকল্পিতভাবে মাছ উৎপাদন করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে তা বিদেশেও রপ্তানি করা যায়। এ জন্য মাছের উৎপাদন বাড়ানোর এবং কোয়ালিটি সম্পন্ন মৎস্য বিদেশে রপ্তানি করার জন্য আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি।
সরকার জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পুষ্টি চাহিদা পূরণ, কর্মসৃজন, দারিদ্র্য বিমোচন ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জলমহালে প্রকৃৃত জেলেদের অধিকার নিশ্চিত করতে নতুন জলমহাল নীতিমালা, জেলেদের নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়েছে। ‘হ্যাচারি আইন ও বিধিমালা, মৎস্য খাদ্য ও পশুখাদ্য আইন ও বিধিমালা প্রণয়নসহ অভয়াশ্রম স্থাপন করা হয়েছে। এ সকল আইন, বিধি ও নীতিমালা প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্যই হল মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও ভোক্তা সাধারণের জন্য মানসম্পন্ন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা।
তিনি বলেন, ‘জাল যার জলা তার’ আমরা এর ভিত্তিতে জেলেদের বিভিন্ন জলাশয় বরাদ্দ দিচ্ছি। সেখানে তারা মৎস্য উৎপাদন করে আমাদের চাহিদা মেটাচ্ছে। উৎপাদন বাড়ানোর জন্য আমরা বাগেরহাটে চিংড়ি গবেষণা, চাঁদপুর, সিরাজগঞ্জ ও গোপালগঞ্জে ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট গড়ে তুলেছি। যেন মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, সেজন্য হাওরে পরিকল্পিতভাবে মৎস্য চাষের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১০ বছরে মাছের উৎপাদন ৫৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৪২ লাখ ৭৭ হাজার টনে উন্নীত হয়েছে। মিঠা পানির মৎস্য উৎপাদনে আমরা তৃতীয় স্থানে রয়েছি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আগামীতে আমরা যেন প্রথম স্থান লাভ করতে পারি, মিঠা পানির মৎস্য চাষে আমাদের লক্ষ্য থাকবে প্রথম স্থান অর্জন করার। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে গণভবন লেকে মাছের পোনাও অবমুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হটলাইন কমান্ডো নিয়ে আসছেন সোহেল তাজ

সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরা এবং সুস্বাস্থ্যের প্রতি নজর দিতে মানুষকে সচেতন করতে এ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি সমাজের সুস্থতাও দরকার উল্লেখ করে সোহেল তাজ বলেন, সুস্থ থাকা মানে শুধু স্বাস্থ্যই না, সমাজের সুস্থতাও দরকার।
গণমাধ্যমে এখন ধর্ষণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। ইভটিজিং রয়েছে, মাদক এগুলো সমাজের ব্যাধি। সমাজের সব ব্যাধিকে আমাদের লাল কার্ড দেখাতে হবে। সমাজের সমস্যাগুলোকে সমাধান করা না গেলে সোনার বাংলা গড়া যাবে না।
চলতি বছরের ৩রা এপ্রিল সোহেল তাজ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি টিজার প্রকাশ করেন। সেখান দেখানো হয়, সোহেল তাজ মানুষের দরজায় গিয়ে টোকা দিচ্ছেন। তিনি জানান, ‘হটলাইন কমান্ডো’ দল দেশের বিভিন্ন স্থানে নানান শ্রেণি- পেশার মানুষের দরজায় কড়া নাড়বে। ‘হটলাইন কমান্ডো’ সেপ্টেম্বর থেকে আরটিভিতে দেখানো হবে। এই রিয়্যালিটি শো মাসে দুদিন করে, মঙ্গলবার রাত আটটায় হবে। ১২ পর্বের শোটি উপস্থাপনা করবেন সোহেল তাজ।
সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলো কীভাবে সমাধান করবেন সেটার বর্ণনা দিয়ে সোহেল তাজ বলেন, দর্শকরাই আমাদের শোতে কল করবে। আমরা সেই কল গ্রহণ করলে আপনার কী সমস্যা, তা সরেজমিনে গিয়ে আপনার দরজায় কড়া নেড়ে আপনার কাছ থেকে জেনে নেব। জেনে আপনাকে সমাধানের জন্য সাহায্য করব। এটাই হচ্ছে শোয়ের থিম। তিনি বলেন, আমরা এমন একটা প্ল্যাটফর্ম করার চেষ্টা করব, যেখানে থাকলে রিয়েল পিপল (সাধারণ মানুষ), রিয়েল প্রবলেমস (সত্যিকারের সমস্যা)। এখানে আমরা সমাধান দেব। এটা বিরক্তিকর হবে না। দুপক্ষের অংশগ্রহণ থাকবে। এই শো সবসময় মানুষকে সমাধান দেবে। সমাজকে সচেতন করবে। বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা তুলে ধরবে। তিনি বলেন প্রোগ্রামটা হবে ইন্টারেক্টিভ। যেটা একজন শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত বুঝতে পারবেন এবং দেখার আগ্রহ পাবেন। সেটা বিনোদনমূলকও হবে।
কিন্তু তথ্য থাকবে শতভাগ সত্য। সেরকমই একটা ধারণা নিয়ে আমি আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। উদাহরণ দিয়ে সোহেল তাজ বলেন, রাস্তার পাশে ছোট বাচ্চা বসে আছে, তাদের থাকার কোনো জায়গা নেই। এটার সমাধান কী হতে পারে? আমরা আমাদের টিম নিয়ে রিয়েলিটিভাবে এর সমাধানটাও তুলে ধরব। যাতে করে সামাজিকভাবে আমরা এটা সমাধান করতে পারি। পাশাপাশি রোড সেফটি (সড়ক নিরাপত্তা) কীভাবে করা যায়? সেটাও তুলে ধরব। তিনি বলেন, আমাদের আগেও অনেকে এ চেষ্টা করেছে। কিন্তু তাদের চেষ্টাটা ব্যর্থ হয়েছে কোথায় জানেন, পরিবর্তনশীল সমাজে মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারেননি তারা। একজন যেভাবে বোঝে, তাকে ওইভাবেই বোঝাতে হবে। এছাড়া সম্ভব নয়। বিষয়টি সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য এসময় একটা ডেমো দেখান তিনি। তাতে দেখা যায়, সমস্যায় ভুক্তভোগীদের বাড়িতে গিয়ে হটলাইন কমান্ডো টিম নিয়ে সোহেল তাজ সরাসরি হাজির হচ্ছেন। সমস্যা শোনার পর তিনি সেটার সমাধান দিচ্ছেন।
এসময় অনুষ্ঠানটির আয়োজক ফিট নেশন মিডিয়ার সঙ্গে স্পন্সর রেনকন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রম্য রউফ চৌধুরী, ব্রডকাস্ট পার্টনার আরটিভির প্রধান নির্বাহী সৈয়দ আশিক রহমান এবং অনুষ্ঠান নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান কারুজ কমিউনিকেশনসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাওসার মাহমুদের মধ্যে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এছাড়া র্যানকন মটরবাইকস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শন হাকিম, র্যাংগস লিমিটেডের ডিভিশনাল ডিরেক্টর সোয়েব আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
প্রশ্নোত্তরে সোহেল তাজ
সংবাদ সম্মেলনে সোহেল তাজ তার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানান প্রশ্নের উত্তর দেন। এসময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটা সমাজ যদি প্রস্তুত না থাকে, আপনি কী রাজনীতি করবেন? রাজনীতি কাকে নিয়ে করবেন? সমাজ গড়তে পারলে, মানুষকে তৈরি করতে পারলে, সবকিছুরই সমাধান চলে আসে। হয়তো এটাই আমার পন্থা রাজনীতি করার। সোহেল তাজ জানান, তার ‘হটলাইন কমান্ডো’ অনুষ্ঠানটি ভবিষ্যতে কোনো রাজনৈতিক সংগঠন হবে না। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনীতি কি সাইনবোর্ড নিয়ে করতে হবে নাকি? ফের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা আছে কি না এ প্রশ্নের জবাবে সোহেল তাজ বলেন, রাজনীতিতে আমি নাই। কিন্তু আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। রাজনীতি আমার রক্তে, দেশ আমার রক্তে। এটার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নাই। এই মুহূর্তে সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করার সুযোগ নাই। এই প্রোগ্রামটা আমার সমস্ত সময় নিয়ে নেবে। মানুষের কাছে আমি ঋণী। মানুষের ভালোবাসা পরিশোধ করতে যাচ্ছি এই প্রোগ্রামটার মধ্য দিয়ে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ যদি সোহেল তাজকে কোনো রাজনৈতিক দায়িত্ব দেয়, তা তিনি গ্রহণ করবেন কি না জানতে চাইলে সোহেল তাজ বলেন, তিনি ও তার পরিবার দেশের ও আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে পাশে ছিল, থাকবে। আজকের সুদিনে থাকবেন কি না প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সুদিনে আমি অন্যভাবে সহায়তা করছি। টিভি শোর মাধ্যমে দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যে কোনো দেশ যদি উন্নতি করতে চায়, তার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে দুর্নীতি। আমি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদের সন্তান হিসেবে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে অবশ্যই চাই,বাংলাদেশ দুর্নীতিমুক্ত হবে। ব্যক্তিগতভাবে সে লক্ষ্যে আমি কাজ করে যাব। এই প্রোগ্রাম হচ্ছে সামাজিক বিষয়বস্তু নিয়ে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রহস্যে আবৃত সহাস্য জেনারেল এরশাদ

শুধু বাংলাদেশে নয়। সারা বিশ্বের স্বৈরশাসকদের জীবনী বিশ্লেষণ করলেও জেনারেল এরশাদ হবেন এক অপার বিস্ময়। কারণ তিনি প্রথা ভেঙেছেন।
সামরিক স্বৈরশাসকদের একটি অভিন্ন পরিণতির গল্প রয়েছে। আর সেই গল্পটি হলো স্বৈরশাসন দীর্ঘায়িত হতে পারে। কিন্তু স্বৈরশাসকের অপমানজনক প্রস্থান ঘটবে। এটা অনেকটাই নিয়তি নির্দিষ্ট। তারা যতদিন ক্ষমতায় থাকবেন, ততদিনই তাদের নাম মানুষ জানে, জপ করে। তার গুণগানে মুখর থাকে। স্বাধীন সংবাদ মাধ্যম এবং জনসমাজের একটি উল্লেখযোগ্য অংশের চক্ষুশূল থাকে। পতনের পরে তারা হারিয়ে যায়।
এরশাদের পতনের পর লেখা হতো পতিত স্বৈরশাসক। নিশ্চয় যথার্থ বিশেষণ। কিন্তু এরশাদ এমন একজন স্বৈরশাসক, যিনি সেই প্রথাগত ধ্যান-ধারণাকে অনেকটাই বদলে দিয়ে গেছেন। তিনি প্রমাণ করেছেন, একজন মানুষ বিচিত্র রূপে বেঁচে থাকতে পারে। জেনারেল এরশাদ শুধু ক্ষমতাই ভোগ করেন নি, তার ভোগের তালিকা দীর্ঘ। তিনি পরকীয়ায় মজেছেন। ক্ষমতায় থাকতে তার নৈতিক স্খলন কোনো অজানা বিষয় ছিল না। মরিয়মদের গল্প বিদেশি পত্রিকায় ছাপা হয়েছে। ফেয়ার ফ্যাক্স তদন্ত রিপোর্টের কথা বহুকাল পশ্চিমা সমাজে আগ্রহের বিষয় হয়েছিল। কিন্তু এসবের কোনো কিছুই তার ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত কিংবা তাকে ছেঁটে ফেলার ক্ষেত্রে তেমন কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি।
বলাবলি আছে, তিনি একজন পাকিস্তানপন্থি। তিনি রিপ্যাটরিয়েটদের তোষণ করে গেছেন। তার বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ ছিল, একাত্তরে পাকিস্তানে বাঙালিদের বিচারে যে কমিশন গঠন করা হয়েছিল তার চেয়ারম্যান ছিলেন। যদিও সেটা প্রমাণ করা যায়নি। অপ্রমাণিত থেকে গেছে। কিন্তু এই তথ্য খেয়েছে। বাংলাদেশ রাজনীতির দুই প্রধান ধারার উল্লেখযোগ্য নেতারা বিভিন্ন সময় উল্লেখ করেছেন। বিশেষ করে যখন তারা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে দুই নেত্রী যৌথভাবে এরশাদবিরোধী আন্দোলন করেছেন। তাদের সেই আন্দোলন বিভিন্নভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এরশাদের রহস্যময় কৌশল কাজ দিয়েছে। কখনো বলা হয়েছে যে তার অধীনে নির্বাচনে গেলে সেটা বেইমানি বলে গণ্য হবে। কিন্তু আবার তার অধীনেই নির্বাচনে গিয়ে সেটাকে ?‘গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার’ একটা বিরাট সাফল্য হিসেবে দাবি করা হয়েছে।
জেনারেল এরশাদ প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কি বিচিত্র ও হেয়ালিভরা কৌশলে সম্পর্ক বজায় রাখা সম্ভব, তিনি তার একটা ধ্রুপদী দৃষ্টান্ত বা মডেল রেখে গেছেন। তার বিরুদ্ধে রাজনীতিকরা সরব হয়েছেন। সর্বতোভাবে বিরোধিতা করেছেন। আবার তার সঙ্গে যোগাযোগও রেখেছেন। তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ করেছেন। কখনো ক্ষমতায় থাকতে করেছেন। আবার কখনো ক্ষমতার বাইরে এসে করেছেন। এভাবে তিনিই আমৃত্যু ছিলেন এক রহস্যময় কিংমেকার। সবাই তাকে নিন্দে, সবাই তাকে পিন্দে।
জেনারেল এরশাদ দীর্ঘ সময় দুর্নীতির দায়ে কারাগারে থেকেছেন। কিন্তু কারাগারে থেকেও তিনি রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাননি। বরং স্বৈরশাসকের জীবনী তাকে সফল রাজনীতিকে পরিণত করেছে। সুতরাং রাজনীতিবিদ হতে হলে তাকে সবসময় রাজনীতির ময়দান থেকে আসতে হবে, সেটা সবসময় যে তা নয়, তিনিই সেটা দেখিয়েছেন। কি করে ক্যান্টনমেন্ট থেকে বঙ্গভবনে, সেখান থেকে কারাগারে নিক্ষিপ্ত হয়েও ৫টি আসনে জয়লাভ করা সম্ভব, তার নজির এই কীর্তিমান ‘অঙপুরের ছাওয়াল’।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি বহু রহস্যময় প্রশ্ন রেখে গিয়েছেন। মরিয়মদের সংখ্যা এক দুই নয়। রহস্য জাল কম বিস্তার করেননি জিনাত মোশাররফকে নিয়ে। বান্ধবীকে নিয়ে সংসদে একত্রে বসতে পারা, তাও ক্ষমতা থেকে বিদায়ের পরে, সেটা আরেক মহা রহস্য জাল। তিনি কোথায় রহস্য জাল বিস্তার করেননি, তার তালিকা করলে সেটাই বরং হ্রস্ব হবে। তিনি মসজিদে গিয়ে তার পরদিন স্বপ্নের বিবরণ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন- তিনি স্বপ্নে আদিষ্ট হয়েছেন। তার স্ত্রীকে কেউ গর্ভবতী রূপে দেখেনি। কিন্তু সফল সন্তান প্রসবের খবর হজম করতে হয়েছে।
সাধারণ মানুষ না দেখলেও বিশ্বাস না করার কোনো উপায় ছিল না। এমন একজন মানুষ, যিনি তার সন্তান নিয়েও রহস্য করেছেন এবং সেই রহস্যময় সন্তানরা সমাজে তার পরিচয়ে বেড়ে উঠেছে। অথচ তিনি তার সন্তানদের বাবা নন-এ নিয়ে এমনই অবস্থা যে, ডিএনএ টেস্ট ব্যতীত কেউ তার সন্তান দাবিদারদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করার ঝুঁকি নেবেন না।
বলা হয়ে থাকে বাংলাদেশের সমাজ রক্ষণশীল। ধর্মভীরু। নীতি-নৈতিকতায় আমজনতা সংবেদনশীল। কিন্তু সে কথা পাঁচটি বা একাধিক আসনে ক্ষমতা থেকে বিদায়ের পরে ক্রমাগতভাবে নির্বাচিত হওয়ার রেকর্ড কি প্রমাণ করে? মানুষ যে তাকে খুব খারাপ হিসেবে দেখেনি, সেটা অপ্রিয়, অনেকেই মানতে চাইবেন না। কিন্তু সত্যকে কীভাবে অস্বীকার করা যাবে?
জেনারেল মঞ্জুর হত্যাকাণ্ডে তার কি ভূমিকা ছিল, সেটা অজানাই থেকে গেল। মঞ্জুর হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়ার শুনানি, এবং মামলা মুলতবি হওয়া এবং জেনারেল এরশাদের জাতীয় রাজনীতিতে তার ডিগবাজি, সবগুলোর তারিখ পরম্পরা মেলালে দেখা যাবে সেখানেও রহস্যের গন্ধ। সেই গন্ধ বাতাসে মিলিয়ে যায়নি।
প্রতিটি নির্বাচন তাকে রহস্য করার সুযোগ দিয়েছে। সবাই তার সঙ্গে রহস্য করেছেন। তাকে রহস্যে আবৃত করে থাকতেও সুযোগ করে দিয়েছেন। বিশেষ করে ২০১৪ সালের নির্বাচন এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি রহস্য কম করেননি। ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে তার বাসা থেকে রহস্যজনকভাবে অন্তর্ধান ঘটেছিল। তাকে সিএমএইচে খুঁজে পাওয়া যায় আচমকা। এ নিয়ে অনেক গল্প। অনেক গুজবের ডালপালা বিস্তার ঘটেছে। কিন্তু তিনি সক্ষম হয়েছেন নিজেকে রহস্যের ঘেরাটোপে বন্দি রাখতেই।
তিনি স্বাধীনভাবে নির্বাচনে যাবেন, ঘোষণা দিয়েছেন, সব ঠিকঠাক। কিন্তু তিনি উধাও হয়ে গেছেন। ঘনিষ্ঠদের তিনি সব সময় বলতেন, তিনি এককভাবে একটা নির্বাচন করতে চান। নানাভাবে চেষ্টাও করেছেন। তিনি একা দলকে নির্বাচনে নেবেন। দলের নেতাকর্মীদের তিনি বলেছেন যে তিনি ৩০০ আসনে প্রার্থী দিলে নিজেই সরকার গঠন করতে সক্ষম। সেই সংকল্প তিনি ব্যক্ত করেছেন। নির্বাচনে প্রার্থী দেয়ার সুযোগ ছিল কিনা, সেটা তিনি প্রমাণ করতে পারেননি। কেউ বলবেন তাকে প্রমাণ করতে দেয়া হয়নি। কিংবা তার হয়তো সে সামর্থ্য আদৌ ছিল না। এখানেও রহস্য থেকে গেল। বিএনপির সঙ্গে তিনি যেতে চেয়েছেন, যেতে চাননি। এটাও রহস্যেঘেরা।
বিএনপির সঙ্গে একবার মোর্চা করার একটা সুযোগ পেলে ষোলো কলা পূর্ণ হতো তার। সামরিক বাহিনীর সাদামাটা কর্মকর্তা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন।
জেনারেল জিয়াউর রহমান দ্বারা সেনাপ্রধান নির্বাচিত হয়ে তারই রেখে যাওয়া রাজনীতি দ্বারা বা তার বৃত্তে কখনও আক্রমণকারী, কখনও আক্রান্ত হন। বিএনপির জমানায় তিনি জেলে যান।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে সব থেকে স্পর্শকাতর বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদেরকে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসিত করা। এরশাদ এটা খালেদা জিয়ার বেশি করেছেন বা কম করেননি বলে অনেকে দাবি করতে পারেন।
এটা খুবই পরিষ্কার ফ্রিডম পার্টিকে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসিত করেছেন তিনিই। বিশেষ করে তিনিই বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হত্যাকারী সৈয়দ ফারুক রহমানকে নির্বাচনে টেনে এনে চূড়ান্ত রাজনৈতিক পুনর্বাসন প্রদর্শন করেছেন। কিন্তু সেই তিনিই গত এক দশকের বেশির ভাগ সময় মন্ত্রীর পদমর্যাদায় জীবনযাপনে তার অসুবিধা হয়নি। সুযোগ বুঝে রহস্যময় পুরুষটি শুধু ভোল পাল্টে নিয়েছেন।
তিনিই ধর্মকে রাজনীতিতে ব্যবহার করেছেন। মনে করা হয়ে থাকে তিনি যদি রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ঘোষণা না করতেন, তাহলে বাংলাদেশের অসামপ্রদায়িক রাজনীতি আরো অনেক বেশি এগিয়ে থাকতে পারতো। কিন্তু সেটা হয়নি।
জেনারেল এরশাদ যেসব পরিবর্তন করেছেন তার অনেকগুলোই কিন্তু স্থায়ী ছাপ লেগে গিয়েছে। পরবর্তীকালে তা রাজনীতি থেকে উঠে যেতে পারেনি। তার বড় প্রমাণ উপজেলা ব্যবস্থা। তার বড় প্রমাণ ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ধরে রাখা। পররাষ্ট্রনীতিতেও তিনি চীনকে অন্তর্ভুক্ত করতে বিরাট ভূমিকা রেখেছিলেন। ইতিহাস প্রমাণ করছে যে বাংলাদেশের রাজনীতি সেখানেই থমকে গিয়েছে।
কবি হিসেবে ছলনার আশ্রয় নিয়েছিলেন তিনি। কবি ছিলেন না। নিজেকে তৈরি করেছেন। রাজকবিও হয়েছেন।
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সংসদে বিরোধী দল, জাতীয় পার্টি, স্ত্রী এবং ভাইকে নিয়ে নানা রহস্যময় ছলাকলা করে গেছেন। নিজের মন্ত্রীর পদমর্যাদা নিরঙ্কুশ রেখেছেন সুকৌশলে। তিনি প্রমাণ করেছেন যে, তাকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ক্ষমতার রাজনীতির ইতিহাস লেখা যাবে না। রাজনীতিকরা তাকে টেনে নামিয়ে ছিলেন। সেই রাজনীতিকরা তাকে নিয়ে টানাটানি করেছে। সত্যি এরশাদের সবটাই বড় রহস্যময়। এরশাদ যেন, ‘বাই দ্য মিস্ট্রি, ফর দ্য মিস্ট্রি।’ তার হাত রক্তাক্ত। কিন্তু ব্যক্তিজীবনে সদালাপী, সহাস্যই ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ায় প্লাস্টিকের বিকল্প কলাপাতা
পরিবেশবিষয়ক এক গবেষণায় দেখা গেছে, সারা বিশ্বে আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে প্লাস্টিকজনিত দূষণ। অবস্থা এমন পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে যে প্রতি সপ্তাহে একজন মানুষকে হজম করতে হচ্ছে ৫ গ্রাম পরিমাণ প্লাস্টিক! সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিদিনের খাবার ও বিভিন্ন পানীয়তে প্লাস্টিকের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা পাওয়া যাচ্ছে। গবেষকেরা বলছেন, এটি বৈশ্বিক সমস্যায় রূপ নিচ্ছে। ২০০০ সাল থেকে পুরো বিশ্বে যে পরিমাণ প্লাস্টিক উৎপাদিত হচ্ছে, তা বিগত বছরগুলোর মোট পরিমাণের সমান। এর এক-তৃতীয়াংশ পরিমাণ সরাসরি প্রকৃতির সংস্পর্শে আসছে। প্লাস্টিক দূষণের তীব্রতা অঞ্চলভেদে কম–বেশি হয়। তবে এখন পর্যন্ত এমন কোনো স্থান এই পৃথিবীতে নেই, যেখানে প্লাস্টিক দূষণ দেখা যায়নি।
গবেষকেরা বলছেন, মাথাপিছু প্রতিটি মানুষ শুধু পানি থেকেই সপ্তাহে ১ হাজার ৭৬৯টি প্লাস্টিক কণা গ্রহণ করছে। যুক্তরাষ্ট্রে কলে সরবরাহ করা পানির ৯৪ শতাংশেই থাকে প্লাস্টিক ফাইবার। অর্থাৎ প্রতি লিটার পানিতে থাকে গড়ে ৯ দশমিক ৬টি প্লাস্টিক ফাইবার। তবে ইউরোপের পানিতে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় দূষণ কম। সেখানে প্রতি লিটারে পাওয়া গেছে ৩ দশমিক ৮টি প্লাস্টিক ফাইবার। সমুদ্রের পাণিতে প্লাস্টিক দূষণের দিক থেকে বিশ্বে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম। তাই তারা পরিবেশ রক্ষায় প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কভিত্তিক ওয়েবসাইট ভাইস ডটকম জানায়, ভিয়েতনামের দোকানিদের সবজির মোড়ক হিসেবে প্লাস্টিকের বদলে কলাপাতা ব্যবহারসংক্রান্ত একটি সাম্প্রতিক পোস্টে তাদেরকে প্রশংসায় ভাসিয়েছে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। দেশটির রাজধানী হ্যানয়ে সাইগন ইউনিয়ন অব ট্রেডিং কো-অপারেটিভস নামের একটি ভিয়েতনামভিত্তিক কোম্পানি ও থাইল্যান্ডের রিটেইল কোম্পানি বিগ সি সবজির মোড়ক হিসেবে কলাপাতার ব্যবহার শুরু করে।
![]() |
| ভিয়েতনামে কলাপাতায় মুড়িয়ে বিক্রি করা হচ্ছে সবজি। ছবি: সংগৃহীত |
দেশটির হো চি মিন শহরেও সবজির মোড়ক হিসেবে প্লাস্টিকের পরিবর্তে কলাপাতা ব্যবহার করছে লোটে মার্ট নামের ভিয়েতনামভিত্তিক একটি কোম্পানি। অবশ্য এসব কোম্পানি এখন পরীক্ষামূলকভাবে কলাপাতা ব্যবহার করছে। এর বাইরে সাইগন করপোরেশন, বিগ সির মতো প্রতিষ্ঠান থাইল্যান্ডের স্টোরগুলোকে অনুকরণ করে কলাপাতার প্যাকেজিং শুরু করেছে। বিকল্প প্যাকেজিং হিসেবে তাদের দোকানে প্রদর্শন করছে।
লোটে মার্টের এক প্রতিনিধি ভিয়েতনাম গণমাধ্যম ভিএনএক্সপ্রেসকে জানান, এখন পরীক্ষামূলকভাবে স্বল্প পরিসরে কলাপাতা ব্যবহার করা হলেও দ্রুতই এটি দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এমনকি তারা মাংস বেচার ক্ষেত্রে কলাপাতা ব্যবহার করতে চায়।
তাদের এ প্রচেষ্টা ক্রেতাদের প্রশংসাও কুড়িয়েছে। হোয়া নামের এক স্থানীয় ক্রেতা বলেন, ‘যখন আমি সবজিগুলো কলাপাতা দিয়ে সুন্দরভাবে মোড়ানো অবস্থায় দেখলাম, তখন আমার অন্য দিনের চেয়ে একটু বেশি সবজি কেনার ইচ্ছা হলো। আমি মনে করি, এই পদক্ষেপ স্থানীয় লোকজনকে পরিবেশ সুরক্ষা সম্পর্কে আরও সচেতন করবে। মনে হচ্ছিল, কেনার উৎসাহ দ্বিগুণ বেড়ে গেছে।’
ভিএনএক্সপ্রেসের মতে, ভিয়েতনামে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানোর প্রচেষ্টা হিসেবে কলাপাতার ব্যবহারকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। বিগ সির মতো প্রতিষ্ঠানে শস্যদানা থেকে তৈরি পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ব্যবহার করছে।
ভাইসের প্রতিবেদনে বলা হয়, এশিয়ায় বিভিন্ন সুপারমার্কেটে প্লাস্টিকের ব্যাগ প্রত্যাহারের প্রবণতা বাড়ছে।
সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়া অপচনশীল প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। সুপারমার্কেট ও বাণিজ্যিক স্থাপনাগুলোয় রিসাইকেলেবল কনটেইনার বসাতে বলা হয়েছে।
সিঙ্গাপুরের সুপারমার্কেটে প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহার কমানোর ব্যাপারে সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালু করছে। তাইওয়ানের দোকানগুলোয় প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করতে এর দাম বেশি ধরা হচ্ছে। চীনেও প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহার গত এক দশকে ৬৬ শতাংশ কমেছে। ২০০৮ সালে পাতলা প্লাস্টিকের ব্যাগ ব্যবহার নিষিদ্ধ করে চীন। তথ্যসূত্র: ফোর্বস, ভাইস ডটকম।
![]() |
| প্লাস্টিকের ব্যাগের পরিবর্তে কলাপাতায় সবজি বিক্রি করা হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছাত্র এবং পুত্রের কাছে পরাজয়ে আনন্দ আছে by হুমায়ূন আহমেদ
![]() |
| মা আয়েশা ফয়েজের সঙ্গে ছেলে হুমায়ূন আহমেদ। ছবি: নাসির আলী মামুন, ফটোজিয়াম |
শিশুর বয়স বাড়ার সঙ্গে তার মা যে বদলাতে থাকে—এই তথ্য কি কোনো শিশু জানে? শিশুর বয়স যখন দুই, তখন তার মা এবং শিশুর বয়স যখন আট, তখনকার মা দুই মানুষ।
অতি শৈশবের মাকে আমার মনে নেই। যে মাকে মনে আছে, তাঁর বয়স আঠারো-উনিশ। ঝলমলে তরুণী। যে তাঁর বিশাল সংসার নিয়ে ব্যতিব্যস্ত। বিশাল সংসার, কারণ স্বামী-পুত্র-কন্যা ছাড়াও সংসারে বাড়তি দুজন—একজন দেবর, আরেকজন তাঁর ছোট ভাই। এই দুজনের প্রধান কাজ সারা দিন খটাস খটাস শব্দে ক্যারম খেলা এবং প্রতিবছর ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিয়ে ফেল করা। রেজাল্ট আউট হওয়ার পরের কয়েক দিন ক্যারম খেলা বন্ধ থাকে, আবার শুরু হয় খটাস খটাস।
আঠারো-উনিশ বছরের একজন তরুণীর চোখে নানান স্বপ্ন থাকে। আমার মায়েরও নিশ্চয়ই ছিল। স্বপ্নকে প্রবাহিত করার কোনো সুযোগ কি ছিল? আমার মনে হয় না। মহিলার স্বামী মানুষ হিসেবে ইন্টারেস্টিং। ভাবুক, প্রেমিক, জটিলতামুক্ত প্রায় মহাপুরুষ পর্যায়ের একজন। মহাপুরুষ দিয়ে সংসার চলে না। সংসারে চালিকা শক্তি অর্থ। মহাপুরুষের অর্থ ছিল না। তাঁর বেতন ছিল সর্বসাকল্যে আশি টাকা। এই টাকার একটি অংশ চলে যেত দেশের বাড়িতে। একটি অংশ বই কেনায়, ক্যামেরার ফিল্ম কেনায়, একটি অংশ গান-বাজনার আসরে বন্ধুদের পেছনে। বাকি যা থাকত, তা তিনি স্ত্রীর হাতে দিয়ে মধুর হাসি হেসে বলতেন, কষ্ট করে চালিয়ে নাও। মা চোখের পানি ফেলতেন।
পুলিশের চাকরির কারণে বাবা রেশন পেতেন। ভাত-ডালের ব্যবস্থা হতো। বাকি খরচ কোত্থেকে আসবে! পুলিশের রেশনে কাপড় দেয় না। মাকে তাকিয়ে থাকতে হতো তাঁর বাবার দিকে। উনি প্রায়ই কন্যার শাড়ি কিনে পাঠাতেন।
স্বামী-স্ত্রীর নিখাদ ভালোবাসায় সংসার অতি সুখের হয়, এই ধারণা ভুল। সংসার সুখের হতে হলে কিছু অর্থের অবশ্যই প্রয়োজন হয়।
আমার মায়ের নিশ্চয়ই ইচ্ছা করত ভালো কোনো খাবার তাঁর স্বামী-পুত্র-কন্যাদের পাতে তুলে দিতে। তিনি কখনোই তা পারেননি। মায়ের কাছ থেকে শোনা আমাদের বাসার মেনু ছিল—
নাশতা: রুটি, পেঁপেভাজি (আটা পুলিশের রেশনের)।
লাঞ্চ: ভাত, ডাল, ডালের বড়া (ডালের বড়া বানানোর তেল পুলিশের রেশনের)।
ডিনার: ভাত, ডাল, নিমপাতাভাজি (বাসার পেছনে বড় নিমগাছ ছিল। আমরা সেই নিমগাছের সব পাতা ভেজে খেয়ে ফেলেছি।)
সমস্যার এখানেই শেষ নয়, বাবার নিয়ম ছিল কোনো ভিখিরি এসে যদি ভাত চায়, তাকে ভাত খেতে দিতে হবে। ভিখিরিরাও এই খবর পেয়ে গিয়েছিল। প্রতি দুপুরেই তারা নিয়ম করে এসে কুয়াতলায় বসে পরম তৃপ্তিতে ভাত খেত। ভিখিরিদের খাওয়া দেখাটা আমার জন্য খুব আনন্দের ছিল। কী তৃপ্তি করেই না তারা প্লেট চেটেপুটে খেত! দেখে মনে হতো অমৃতসম কোনো খাদ্য খাচ্ছে।
একদিন আমি মাকে বললাম, আমিও ভিখিরিদের মতো কুয়ার পাড়ে বসে টিনের থালায় ভাত খাব।
মা চড় দিয়ে বললেন, কী জন্য?
কুয়ার পাড়ে বসে ভাত খেতে খুবই মজা।
মা তার ছেলের অধঃপতন দেখে রাগে-দুঃখে কেঁদেকেটে অস্থির হলেন। সব ঘটনা শোনার পর বাবা নির্দেশ দিলেন—ছেলেকে দুপুরে কুয়ার পাড়েই ভাত দেওয়া হবে।
আমি তিন-চার বেলা খেয়েছি। আমি এবং আমার ছোট বোন শেফু। দাদাভাই যা করে, শেফুর তা-ই করা চাই। কুয়ার পাড়ে স্বাদের কোনো উনিশ-বিশ না দেখে পূর্বাবস্থায় ফিরে যাওয়া হয়।
মায়ের প্রসঙ্গে ফিরে আসি। সংসারের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ একজন তরুণী। ছেলেমেয়েগুলো প্রচণ্ড দুষ্ট। কেউ ঘরে থাকে না। ঘরে অভাব। তরুণীর দিশেহারা হবারই কথা। সেই বয়সের একটি মেয়ের কোনো শখই পূর্ণ হবার নয়। হঠাৎ হঠাৎ ছবিঘরে ছবি দেখতে যাওয়া। এপাড়া-ওপাড়ায় বেড়ানো। তিনি কখনো তাঁর মেয়েকে নিয়ে, কখনোবা আমাকে নিয়ে নিজের আনন্দে ঘুরে বেড়াতেন। মাঝেমধ্যে নিতান্তই অপরিচিত বাড়িতেও ঢুকে যেতেন।
একবার বাবা খুব রাগ করলেন। কারণ, মা ডিস্ট্রিক্ট জজ সাহেবের বাড়িতে বেড়াতে গেছেন। গল্পগুজব করে এসেছেন। বাবা বললেন, ‘আয়েশা শোনো, আমি নিতান্তই সাধারণ এক পুলিশের দারোগা। জজ সাহেব কত উপরের একজন মানুষ। তুমি কী মনে করে তাঁর বাড়িতে গেলে?’
মা বললেন, ‘অসুবিধা কী? আমার স্বামী সাধারণ একজন দারোগা, কিন্তু আমার ছেলেমেয়েরা একদিন অবশ্যই জজ-ব্যারিস্টার হবে। আমি জজ-ব্যারিস্টারের মা হিসেবে ওই বাড়িতে গিয়েছি।’
বাবা হেসে দিয়ে বললেন, ‘তোমার যুক্তি মানলাম। তুমি যেখানে ইচ্ছা যাবে।’
অভাব-অনটন একেকজনের ওপর একেকভাবে ক্রিয়া করে। অভাব-অনটন মাকে যুক্তিবাদী করল। মায়ের কাছ থেকে আমি শিখেছি লজিক। আমি বাজি রেখে বলতে পারি, লজিকে কেউ তাঁকে হারাতে পারবে না। তবে আমি কয়েকবার হারিয়েছি। মা নিশ্চয়ই পুত্রের কাছে লজিকে পরাজিত হয়ে খুশি হয়েছেন। কারণ, ছাত্র ও পুত্র এই দুইয়ের কাছে পরাজয়ে আনন্দ আছে। এই দুইয়ের বাইরে কারও কাছে পরাজিত হওয়া দুঃখের ও কষ্টের ব্যাপার।
![]() |
| মা আয়েশা ফয়েজের সঙ্গে ছেলে হুমায়ূন আহমেদ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক দোকানে দু শ' কোটি টাকা ওড়ালেন গৃহবধূ
![]() |
| জামিরা হাজিয়েভা |
সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্ট ঘেঁটে বিবিসি দেখেছে কীভাবে একজন কারাবন্দী ব্যাংকারের স্ত্রী লন্ডনে সবচেয়ে বিলাসবহুল দোকান হ্যারডসে কেনাকাটায় ১৬ মিলিয়ন পাউন্ড উড়িয়েছেন। প্রায় দশ বছর ধরে তার এই কেনাকাটা নিয়ে কোনো ধরনের সন্দেহের উদ্রেক হয়নি।
জামিরা হাজিয়েভা তার এই শপিংয়ের জন্য ৫৪টি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেছেন, যেগুলোর অনেকগুলোই তার স্বামীর ব্যাংকের সাথে সংশ্লিষ্ট।
তার সম্পদের উৎস নিয়ে এখন ব্রিটেনে তদন্ত চলছে।
হাইকোর্টে সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে না পারলে জামিরা হাজিয়েভা ইংল্যাণ্ডে বার্কশায়ার কাউন্টিতে তার গল্ফ কোর্সটিও হারাতে পারেন।
তার স্বামী রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত একটি ব্যাংক থেকে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার আত্মসাতের অপরাধে আজারবাইজানে ১৫ বছরের সাজা খাটছেন।
ব্যাংকে গচ্ছিত টাকার সুদ ছাড়া অন্য কোনো আয় না থাকলেও কীভাবে এত ধন সম্পদের মালিক তিনি হলেন, লডনে হাইকোর্ট আজেরি এই নারীকে তার ব্যাখ্যা দেয়ার আদেশ দেয়। সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না দিতে পারলে সম্পদ হারানোর সম্ভাবনার কথা বলা হয়। সে সময় তার নাম যাতে প্রকাশ করা যায়, তার জন্য এক আইনি লড়াইতে জিতেছিল বিবিসি এবং আরো কিছু সহযোগী মিডিয়া।
ব্রিটেনের অপরাধ তদন্তের বিভাগের নথিপত্র ঘেঁটে মিসেস হাজিয়েভার প্রতিদিনের খরচ-খরচার যে বিবরণ পাওয়া গেছে, তা অবিশ্বাস্য।
তিন সন্তানের মা এই নারীর ব্রিটেনে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি রয়েছে। তিনি থাকেন হ্যারডস থেকে বড়জোর পাঁচ মিনিটের দূরত্বে যেটি লণ্ডনের একটি অত্যন্ত অভিজাত এলাকা। ঐ দোকানেই তিনি কেনাকাটা করতেন। এমনকী দোকানের কারপার্কের দুটি বে'র মালিকানা তার।
তার বিরুদ্ধে তদন্তে যেসব নথিপত্র ব্যবহার করা হয়েছে, তার একটি হ্যারডসের লয়ালটি কার্ডের সূত্রে পাওয়া ৯৩-পাতার একটি বিবরণ। সেটি থেকেই বের হয়ে এসেছে মিসেস হাজিয়েভার শপিংয়ের চিত্র।
খরচের শুরু যেভাবে
ব্রিটেনে পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরুর পর থেকেই শুরু হয় তার খরচের বহর। খরচের প্রথম যে হিসাব পাওয়া গেছে, তাতে দেখা যায় তিনি শিশুদের বই কিনতে খরচ করেছন ৮৪২ পাউন্ড। সুগন্ধি কিনেছেন ১৪০ পাউন্ড দিয়ে। খুব বেশি কিছু নয়।
কিন্তু বছর না ঘুরতেই তিনি হ্যারডসের কার্টিয়ার ব্র্যান্ডের জুয়েলারি বিক্রির জায়গার খোঁজ পেয়ে যান। সেখানে একটি টিলের রেকর্ডে দেখা যায় তিনি ১৮১ পাউন্ডের জিনিস কিনেছেন। তালিকায় দেখা যায়, তারপর তিনি ১৬০০ পাউন্ড দিয়ে মিউ মিউ ব্র্যান্ডের পোশাক কিনেছেন। ১৫৩৯ পাউন্ড দিয়ে কিনেছেন ফেরাগামো জুতা।
২০০৭ সালের মার্চে মিসেস হাজিয়েভা আবারো মিউ মিউ ব্র্যান্ডের কাপড়ের পেছনে খরচ করেন ১০,৬১৬ পাউন্ড। দাম শোধ করেন তার ২৫টি আমেরিকান এক্সপ্রেস কার্ডের একটি দিয়ে।
তারপর থেকেই তার খরচের বহর বাড়তে থাকে। একটি হিসাবে দেখা যায়, হ্যারডসে ৬৬,০০০ পাউন্ডর বিল দিয়েছেন। টম ডিক্সন ব্র্যান্ডের দোকান থেকে ১৭,০০০ পাউন্ডের জিনিস কিনেছেন।
দশ বছরে হ্যারডসে জামিরা হাজিয়েভার খরচের তালিকা
বুশেরন ব্র্যান্ডের গহনা : ৩৫ লাখ পাউন্ড
কার্টিয়ের গহনা : ১৪ লাখ পাউন্ড
ডেনিস বাসো ডিজাইনার পোশাক : ৪০২,০০০ পাউন্ড
স্যান্ডউইচ : ৩৩২,০০০ পাউন্ড (টম ডিক্সন ফার্নিচার এবং কফি শপের বিল একসাথে পরিশোধ করা হতে পারে)
হ্যারডসের পারফিউম কাউন্টার : ১৬০,০০০ পাউন্ড
মোট ব্যয় : ১৬,৩০৯,০৭৭ পাউন্ড (এক কোটি ৬৩ লক্ষ নয় হাজার ৭৭ পাউন্ড)
সূত্র : হাই কোর্ট নথি
২০০৮ সালে বিশে জুনের দুপুরের পরপরই মিসেস হাজিয়েভা আন্ডারওয়ার এবং মোজার কাউন্টারে ৯২৫ পাউন্ডের বিল দেন।
এক ঘণ্টা তিন মিনিট পর কার্টিয়ের গহনার কাউন্টারে বিল দেন ৪৩৩,৩৫৮.৭৯ পাউন্ড।
একই দিনে ছেলেদের একটি ডিজাইনার পণ্য কেনার জন্য খরচ করেন ৩৭৪ পাউন্ড।
কয়েকদিন পরই তিনি ইসরায়েলি ডিজাইনার এলি তাহারির জিনিসের জন্য খরচ করেন ৮৩৮৭ পাউন্ড। দুদিন পর ২৬শে জুন ঘড়ির কাউন্টারে ১৭০০০ পাউন্ড বিল দেন।
হ্যারডস থেকে হাঁটাপথের দুরত্বে হাজিয়েভার বাড়ি
ডিজনি কাউন্টারে কেন এত খরচ?
হ্যারডসে ডিজনি পণ্যের যে কাউন্টার রয়েছে, সেখানে কেন তিনি ৯৯,০০০ পাউন্ড খরচ করেছিলেন তা বোধগম্য নয়।
শপিংয়ের এই তালিকা দিনকে দিন শুধুই বেড়েছে। উপহার মোড়ার জন্যই তিনি একদিন খরচ করেছেন ১৩৭১ পাউন্ড।
হ্যারডসের খেলনার বিভাগে গিয়েই খরচ করেছেন ২৫০,০০০ পাউন্ড।
সর্বমোট বিল
২০০৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৬ সালের ১৪ই জুন পর্যন্ত মিসেস হাজিয়েভা হ্যারডস থেকে ১৬,৩০৯,০৭৭.৮৭ (এক কোটি ৬৩ লাখ নয় হাজার ৭৭ পাউন্ডের) বিল দিয়েছেন। ব্যবহার করেছেন ৫৪টি ক্রেডিট কার্ড, যার মধ্যে ৩৫টি ক্রেডিট কার্ড আজারবাইজানের সেই ব্যাংক থেকে ইস্যু করা যেটি থেকে টাকা আত্মসাতের দায়ে তার স্বামী জেল খাটছেন।
হ্যারডসে তিনি কত খরচ করলেন ব্রিটেনের জাতীয় অপরাধ এজেন্সির (এনসিএ) মূল নজর সেদিকে নয়। তারা দেখছে কীভাবে মিসেস হাজিয়েভা লন্ডনের বাড়ি এবং বার্কশায়ারে গল্ফ কোর্স কিনলেন। পয়সা কোথা থেকে পেলেন।
হাজিয়েভা অবশ্য বলেছেন, তিনি অবৈধ কিছু করেননি। এনসিএর তদন্তকে চ্যালেঞ্জ করছেন তিনি। তিনি বলছেন, তার স্বামী আজারবাইজানের কারাগারে। সুতরাং তার স্বামী যে একজন সফল ব্যবসায়ী সে প্রমাণ তিনি এখন দিতে পারছেন না।
সূত্র : বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতিদিন একটি অভিবাসী শিশু মারা যাচ্ছে : জাতিসঙ্ঘ

সম্প্রতি রিও গ্রান্দে নদী পাড়ি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার চেষ্টার সময় মেক্সিকান বাবা ও সন্তানের মৃত্যু নিয়ে তোলপাড় হয়েছে বিশ্বজুড়ে। এর কয়দিনের মাথায় প্রকাশিত হলো এই রিপোর্ট। আইওএম-এর রিপোর্টটির শিরোনাম দেয়া হয়েছে ‘ফ্যাটাল জার্নি’। ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত অন্তত ৩২ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত হয়েছেন বা নিখোঁজ রয়েছেন। এর মধ্যে ১৮ বছরের কম বয়সীর সংখ্যা এক হাজার ৬০০। এদের মধ্যে ছয় মাসের কম বয়সী শিশুও রয়েছে। সংস্থাটির গ্লোবাল মাইগ্রেশন ডাটা অ্যানালিস্ট ফ্রাঙ্ক লাক্সকো জানিয়েছেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আমাদের মনে রাখতে হবে, অভিবাসীদের মধ্যে শিশুরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার।'’
গবেষকরা আশঙ্কা করছেন, অভিভাসী শিশুদের প্রাণহানির প্রকৃত সংখ্যা এ রিপোর্টের চেয়ে আরো বেশি হতে পারে। কেননা অনেকের লাশ কখনই শনাক্ত করা সম্ভব হয় না। শিশুদের মৃত্যুর ঘটনা লিপিবদ্ধ করা আরো কঠিন। কারণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তাদের বয়স নির্ধারণে পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যায় না।
অভিবাসীদের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর যাত্রাপথ হিসেবে এরইমধ্যে চিহ্নিত হয়েছে ভূমধ্যসাগর। ২০১৪ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে শুধু ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৭ হাজার ৯০০ জনেরও বেশি মানুষ। এর মধ্যে ৬৭৮ জন শিশুও রয়েছে। তবে নিহতদের মধ্যে ১২ হাজারের লাশ হয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, অথবা পানি থেকে উদ্ধারই করা যায়নি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, মূলত পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে যোগ দিতে বা সংঘাত-সংঘর্ষ এড়াতেই অভিবাসী জীবন বেছে নিতে হয় শিশুদের। এ ছাড়া উন্নততর জীবন, ভালো জীবিকা এবং মৌলিক অধিকারের সন্ধানে অনেকে দেশ ছাড়েন। ২০১৭ সালের এক রিপোর্টে ইউনিসেফ জানিয়েছিল, বিশ্বজুড়ে তিন কোটি শিশু জন্মভূমি ছেড়ে অন্য দেশে বসবাস করছে। এর মধ্যে প্রায় সোয়া এক কোটি শিশু অভিবাসী। আরো ১০ লাখ শিশু অভিবাসনপ্রত্যাশী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম রফতানি শূন্যের কোঠায়
আম চাষিদের অভিযোগ, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ‘কনট্রাক্ট ফার্মিং’এ (আম চাষিদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের এক ধরনের চুক্তি) তারা আম উৎপাদন করেন। যে প্রক্রিয়া ত্রুটিপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। কনট্রাক্ট ফার্মিংয়ের আইনি কোনও ভিত্তি নেই। এ প্রক্রিয়ায় ব্যবসায়ীরা নিজেদের সুবিধামতো চাষিদের সঙ্গে চুক্তি করেন। এখানে কৃষকদের কিছু করার থাকে না। কৃষি বিভাগও এ ব্যাপারে কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এছাড়া আম রফতানি সংশ্লিষ্ট কৃষি ও উদ্ভিদ সংঘ নিরোধ বিভাগের (কোয়ারেন্টাইন বিভাগ) উদাসীনতা ও খামখেয়ালিপনাও এ পরিস্থিতির জন্য দায়ী। বিষয়গুলো তদারকিতে সরকারি কোনও প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসছে না। ফলে অন্ধকারেই থেকে যাচ্ছে বিদেশে আমের বাজার সৃষ্টির প্রক্রিয়া।
চাষিরা আরও অভিযোগ করেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোনও বছরই আম রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় না। এ মৌসুমে কী পরিমাণ আম রফতানি করা হবে তা আম চাষি, রফতানিকারক, স্থানীয় কৃষি বিভাগ, আম গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় প্রশাসনের কেউই জানেন না। ‘কন্ট্রাক্ট ফার্মিং’ পদ্ধতি রফতানির ক্ষেত্রে ভালো হলেও যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয় না। প্রতিবছর আম সংগ্রহ করার পরপরই সংযোগ চাষির সঙ্গে চুক্তিটি সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও সেটি হয় না। কোনও কোনও সময় রফতানি শুরুর কয়েক মাস আগে তাড়াহুড়া করে সাদা কাগজে নামমাত্র চুক্তি সম্পাদন করা হয়। যেখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটিও উল্লেখ থাকে না। কোন জাতের আম, কখন নেওয়া হবে, কত টাকা কেজি হিসেবে নেবেন এবং কত টন আম নেবেন সেই বিষয়ে কিছু উল্লেখ থাকে না। যদিও সাদা কাগজে চুক্তির কোনও বৈধতা বা আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। ফলে চাষিরা তাদের নিজেদের খেয়ালখুশিমতো আম উৎপাদন করে থাকেন। বিগত কয়েক বছর এই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেও কোনও লাভ হয়নি।
চাষিরা জানান, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অথবা নারায়ণগঞ্জের শ্যামপুরে আমের কোয়ারেন্টাইন পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। দেখা যায়, চাষি প্রথমে আমবাগান থেকে আম সংগ্রহ করেন এবং প্যাকিং করে রফতানির জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় নিয়ে আসেন। পরে সেখান থেকে রফতানিকারকরা আম বাছাই করে ক্রয় করে থাকেন এবং পুনরায় প্যাকিং করে নারায়ণগঞ্জের শ্যামপুরে যান। সেখানে পুনরায় খোলা হয় এবং কোয়ারেন্টাইন পরীক্ষা সম্পন্ন করে নির্ধারিত কার্টনে প্যাকিং করা হয়। এতে দেখা যায়, পরিবহনের সময় ঘর্ষণজনিত কারণে আমের গায়ে দাগ পড়ে এবং ৫০-৬০ ভাগ আম বাদ পড়ে যায়। ফলে বিগত বছরগুলোতে এক হাজার কেজি আম চাষির কাছ থেকে ক্রয় করলে পাঁচ-ছয়শ’ কেজি কোয়ারেন্টাইন পরীক্ষার সময় বাতিল হয়ে যায়। এ কারণে রফতানিকারকের চাহিদানুযায়ী এবং এয়ারস্পেস বুকিং মোতাবেক আম পাঠাতে পারেন না কৃষকরা। ফলে পরবর্তী সময়ে আম রফতানি বন্ধ হয়ে যায়। এ করণে বিদেশে আম রফতানির যে উজ্জ্বল সম্ভাবনা ও নতুন বাজার তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই নষ্ট হয়ে গেছে।
আমের কোয়ারেন্টাইন পরীক্ষার বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমের কোয়ারেন্টাইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো: যেমন—আমে কোনও রোগ বা পোকার আক্রমণ নেই, ব্যবহৃত কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ নেই যা মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, ঢাকায় বসে পরীক্ষণ ত্রুটিপূর্ণ বা সম্ভব নয়। বিশেষ করে মাছি ও পোকা আমের খোসার নিচে হুল ফুটিয়ে ডিম প্রবেশ করিয়ে দেয় এবং পরে স্থানটি বন্ধ হয়ে যায়; যা আম পাকার পর কাটা ছাড়া নিশ্চিত হওয়া যায় না। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের শ্যামপুরে বসে কাজটি সম্পন্ন করা হয়। ফলে রফতানি করা আমে নন-কমপ্লায়েন্স আসাটা স্বাভাবিক।’
জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রথমবারের মতো ২০১৫ সালে শুরু হয় আম রফতানি প্রক্রিয়া। সেবার পরীক্ষামূলক বিদেশের বাজারে পাঠানো হয় দুই মেট্রিক টন। পরের বছর ২০১৬ সালে রফতানি করা হয় প্রায় ১০৪ মেট্রিক টন। ২০১৭ সালে তা আরও কমে যায়। ২০১৮ সালে তা দাঁড়ায় ৩৩ মেট্রিক টনে। আর এ মৌসুমে কী পরিমাণ আম রফতানি হবে, তা আম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের কেউ জানেন না।
সরেজমিনে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের একটি আমবাগানে কথা হয় কয়েকজন আম চাষির সঙ্গে। তাদের একজন শহীদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘২০১৬ সালে পাঁচ মেট্রিক টন আম বিদেশে রফতানি করেছি। তবে পরের বছর থেকে কৃষি বিভাগের স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও ব্যক্তি ইচ্ছার কারণে আম বিদেশে পাঠাতে পারিনি। উল্টো বাদ পড়েছি কন্ট্রাক্ট ফার্মিং থেকে।’ শহীদুলের মতো বিদেশে রফতানির লক্ষ্যে কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ের আওতায় বিশেষ পরিচর্যায় আম উৎপাদন শুরু করেন আহসান হাবিব, জেনারুল ইসলাম ও কাইয়ুম আলীর মতো প্রায় ৫০ জন চাষি। কিন্তু স্থানীয় কৃষি বিভাগের অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতায় তা ভেস্তে গেছে। এতে আর্থিকভাবে চরম ক্ষতির মুখে পড়েন এসব চাষি।
আম চাষি কাইয়ুম আলী অভিযোগ করেন, ‘আম রফতানিতে প্রয়োজন হয় স্থানীয় কৃষি বিভাগের সনদ বা প্রত্যয়নপত্র। এই সনদের কাছে জিম্মি রফতানিকারকরা। তারা কৃষি বিভাগের স্বার্থ রক্ষায় সিন্ডিকেট করে ‘কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ে’ চাষিদের কাছ থেকে আম না কিনে, বাইরের খোলা বাজার থেকে নন-ব্যাগিং আম কিনে রফতানি করে। এতে সহায়তা করে কৃষি বিভাগ। অথচ এই আম রফতানিযোগ্য ছিল না। এতে আমরা যারা বিদেশে রফতানিযোগ্য আম উৎপাদন করেছিলাম, তারা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছি।
আরেক আম চাষি আহসান হাবিব বলেন, ‘কৃষি বিভাগের দুর্নীতি ও অদূরদর্শিতায় আম রফতানি না হলে, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ সারাদেশের আম চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এ অবস্থায় আমের নায্যমূল্য প্রাপ্তিতে আম রফতানিতে আমরা সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।’
চাষি রবিউল আওয়াল বলেন, ‘২০১৭ সালে বিদেশে রফতানির ২০ মেট্রিক টন আম উৎপাদন করি। কিন্তু মাত্র চার মেট্রিক টন বিদেশে রফতানি করতে পারি। ২০১৮ সালে একইভাবে ৩০ মেট্রিক টন আম উৎপাদন করে পাঠাই মাত্র দুই মেট্রিক টন। অথচ প্রতি মেট্রিক টন আম উৎপাদনে খরচ হয় প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা। বাকি আম স্থানীয় খোলা বাজারে বিক্রি করতে হয়েছে এবং বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি।’
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মঞ্জুরুল হুদা জানান, আম রফতানিতে একাধিক পক্ষ থাকায় এবং তাদের নিজ নিজ স্বার্থ রক্ষা করায় রফতানিটা সহজ হচ্ছে না। তাছাড়া আন্তর্জাতিক চাহিদা ও নিয়মকানুনের দিকে লক্ষ রেখে উৎপাদনকারী ও রফতানিকারকদের বোঝাপড়া ভালো না হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত আম রফতানি হচ্ছে না। তবে কৃষি বিভাগের এ বিষয়ে প্রচেষ্টার কোনও ঘাটতি নেই। আমরা আশা করছি, রফতানি বাড়বে এবং এটা বাড়াতে হবে।’ কৃষি বিভাগের অনিয়মের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কোনও কিছু প্রথম চালু হলে, সেটা অতটা গোছানো থাকে না। এর কারণে অনিয়ম হয়ে থাকলেও থাকতে পারে। আমি এ সময় এখানে ছিলাম না। তবে অনিয়মটা ধরা পড়ার পর আমরা শক্ত অবস্থান নিয়েছি।’
আম বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আম রফতানি প্রক্রিয়ায় কোনও আম বিশেষজ্ঞ বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা নেই; যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আম রফতানির পরিকল্পনা থেকে শুরু করে চাষি নির্বাচন, বাগান নির্বাচন, বাগান ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন পদ্ধতি, সংগ্রহ, প্যাকিংসহ সব ধাপে গবেষকদের সংশ্লিষ্টতা বা মতামত দরকার আছে। কিন্তু বিগত বছরগুলোতে এ প্রক্রিয়ায় গবেষকদের কোনও সংশ্লিষ্টতা দেখা যায়নি। বিষয়টিতে গুরুত্ব না দিলে আম রফতানির ক্ষেত্রে বিগত বছরের পুনরাবৃত্তি ঘটবে। তারা বলছেন,
আম রফতানি কোনও জটিল বিষয় নয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো একসঙ্গে পরিকল্পনা করে রফতানি করলে সহজেই এক-দুই ভাগ আম রফতানি করা সম্ভব; যার মাধ্যমে কয়েক হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যাবে।
![]() |
| চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি বাগানে ঝুলছে আম |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতকে ভুটানের কড়া চপেটাঘাত by এনপি উপাধ্যায়

এসব ইঙ্গিত আর কেউ নয়, খোদ ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে সেরিংই দিয়েছেন। গত ১৬ জুন দি হিন্দুকে দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি যেসব কথা বলেছেন, তাতে আঞ্চলিক পরাশক্তির বিরুদ্ধে সূক্ষ্ম যে বার্তাটি যায় তা হলো ভারতের পছন্দের বিমসটেকের চেয়ে সার্কের প্রতিই বেশি অনুকূল ভুটান।
দ্রুক নিয়ামরুপ শোগপার সভাপতি ডা. লোটে বেশ সূক্ষ্মভাবেই ভারতীয় আধিপত্য থেকে স্বস্তিদায়ক দূরত্ব বজায় রাখতে চাচ্ছেন।
প্রধানত তরুণ জাতীয়তাবাদীদের নিয়ে গঠিত গতিশীল সিভিল সোসাইটি নীরবে জানাচ্ছে যে ভুটানকে সম্পর্ক রক্ষার ক্ষেত্রে বৈচিত্র্যপূর্ণ হতে হবে। অর্থাৎ চীন ও অন্যান্য দেশের সাথেও সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যাতে তারা ভারতের ওপর খুব বেশি মাত্রায় নির্ভরশীল না হয়।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ডা. লোটের আগমনের প্রেক্ষাপটেই ভুটান গোপনে এই নাটকীয় পরিবর্তনের দিকে যাচ্ছে।
একজন আলোকিত নেতা জাতিকে বদলে দিতে পারেন। ডা. লোটের অধীনে ভুটানও হতে পারে একটি উদাহরণ, যাতে নেপালের ভারত-পছন্দ রাজনৈতিক প্রাণিগুলো শিখতে পারে।
অত্যন্ত যোগ্যতাসম্পন্ন চিকিৎসাবিদ ডা. লোটে তার নিজস্ব পন্থায় ভুটানি তরুণদেরকে উজ্জীবিত করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ডা. লোটের হাত দুটি বাঁধা এবং রাজা বিশেষভাবে ভারতের দিকে ঝুঁকে আছেন। ফলে ভারতের টেনে দেয়া কূটনৈতিক সীমা তিনি অতিক্রম করতে পারেন না। তবে তিনি এসব ইস্যুতে এমনসব কথা বলার সাহস করেছেন যা তার পূর্বসূরীরা কোনো পরিস্থিতিতেই চিন্তা পর্যন্ত করতে সাহসী হতেন না।
ভুটানি প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে বলেন, সার্ককে বিদায় বলা বা একে অপ্রাসঙ্গিক বা এটি টিকে থাকতে সক্ষম নয়, বলার সময় এখনো আসেনি। সার্কের রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস এবং আমাদের সবার আবেগের সাথে তা সম্পৃক্ত। আমি মনে করি, দক্ষিণ এশিয়ায় আমাদের সবাইকে একসাথে কাজ করা দরকার। ভৌগোলিকভাবে আমরা একই গ্রুপে থাকলেও অর্থনৈতিকভাবে ভালো করছি না।
ডা. লোটে কূটনৈতিকভাবে ১৬ জুন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বার্তা পাঠিয়েছেন যে সার্কের ভূগোলই এখানকার দেশগুলোকে একত্রিত করেছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, সার্কের স্থলাভিষিক্ত হতে পারে না বিমসটেক। ভারতের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিমসটেক ভৌগোলিকভাবে ভিন্ন এলাকায় অবস্থিত।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি এটি ডা. লোটের সরাসরি বার্তা বলেই নেপালের রাজনৈতিক মহল বিশ্বাস করে।
ডা. লোটে বলেছেন, সার্কের একটি দীর্ঘ ইতিহাস রচনা করেছে। এর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চাইছেন যে ভুটানও বিশ্বাস করে যে বিমসটেক হলো সদ্য গঠিত একটি সংস্থা, সার্কের যেমন গভীর শেকড় আছে, তেমনটি নেই বিমসটেকের।
সার্কে যে মুষ্টিমেয় দেশ প্রথম যোগ দিয়েছিল, ভুটান তাদের অন্যতম। ভুটানকে এই সংস্থায় যোগ দিতে বলেছিলেন নেপালের রাজা বীরেন্দ্র ও প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। বর্তমানে প্রায় বাতিলের পর্যায়ে চলে যাওয়া সার্কের প্রতিষ্ঠাতা এ দুজনই। পরে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট আবদুল গাইয়ুম ও শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট জয়াবর্ধনে সংস্থাটিকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করেছিলেন।
রাজা জিগমে ওয়াঙচুক ও অন্যান্য সার্ক নেতা বছরের পর বছর ধরে এ ধরনের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব সৃষ্টি করেছিলেন। এসব নেতা সার্কভুক্ত দেশগুলোর রাজধানীতে প্রতি বছর মিলিত হতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন।
কিন্তু তবুও সার্ক শীর্ষ সম্মেলনগুলোতে ভুটানের রাজা দৃশ্যত ভারতকে ভয় পেতেন। ১৯৪৯ সালের ভুটান-ভারত চুক্তির কারণে এমনটি হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার ছিল।
ভারতের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবেশী দেশ গেলে, তাকে সাথে সাথেই ‘কঠিন শিক্ষা’ পেতে হতো। রাজীব গান্ধীর ১৯৮৯ সালে নেপালের ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করাটা এর একটি উদাহরণ।
ইন্দিরা গান্ধী ছিলেন সার্ক গঠনের বিরুদ্ধে। তিনি মনে করতেন, ছোট প্রতিবেশীগুলো সবাই চীনের পরিকল্পনায় ভারতের বিরুদ্ধে এক জোট হবে।
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে এখানেই থেমে থাকেননি। তিনি আরো বলেন, ভারত ও পাকিস্তান যদি এই অঞ্চলে একসাথে কাজ না করে, তবে কোনো কিছুই এগুতে পারবে না।
তিনি বলেন দক্ষিণ এশিয়ার দুই গুরুত্বপূর্ণ দেশ পাকিস্তান ও ভারতকে অবশ্যই বন্ধুপ্রতীম হতে হবে যদি সার্ককে সক্রিয় রাখতে হয়। এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলেও তিনি আশায় বুক বেঁধেছেন।
পাকিস্তানের নাম উচ্চারণ করে কি ভুটান কোনো অপরাধ করেছে? পাকিস্তানের কথা বলার কারণে ভারত কি ভুটানের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেবে? অপেক্ষা করে দেখা যাক, কী হয়।
এই কথাগুলো পাঠ করে যে কেউ সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেন যে তিনি ভারতকে বলছেন সার্ককে এগিয়ে নিতে। তিনি এ কথাও বলে দিলেন, যেহেতু পাকিস্তানের কোনো ঔদ্ধত্যপনা নেই, কাজেই সার্ককে অচল করার প্রধান খলনায়ক হলো ভারতই?
সাক্ষাতকারে তিনি অনেক না-বলা কথা বলে দিয়েছেন। আর এর মাধ্যমে ভারত সরকারের প্রতি অনেক ইঙ্গিত দিয়েছেন।
বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের উচিত হবে তার মূল্যায়ন করা। পাকিস্তান কি তার কথা শুনছে?
পাকিস্তানের স্মার্ট কূটনীতি থাকলে এখন সে সার্কের পক্ষে কথা বলতে পারে। কিন্তু পাকিস্তানের কূটনীতি এখনো পরিণত হয়নি।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলিকে নেপালি রাজনৈতিক মহলে ভারতের লোক বলে মনে করা হতো। তিনিও গত ১ জুন সার্কের পক্ষে কথা বলেছেন। তার ভাষা আর ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সুর একই।
এখন ওলি ও লোটে একসাথে কথা বলছেন। তারা কি চীন ও পাকিস্তানের বক্তব্যই প্রকাশ করছেন?
এসব কথা বলার কারণে নেপাল ও ভুটান কি তাদের ঘোষিত অনিষ্ঠকর প্রভুর কাছ থেকে বিপর্যয়ের মুখে পড়বে? অবরোধ আরোপ করা হবে? ভারত ছাড়া আর কে জানবে তা? অথচ দুই দেশই ভারতের বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত বন্ধু।
শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টও সার্ক প্রক্রিয়া আবার শুরু করার পক্ষে কথা বলেছেন।
ভারতের জন্য আরেকটি অস্বস্তির বিষয় হলো, ডা. লোটে ভুটান-চীন সম্পর্কের কথা বলে দাবি করেছেন, আমাদের উভয়ের উচিত হবে একে অপরকে আরো ভালোভাবে জানা।
এর মানে হলো, ভুটান চায় থিম্পু-বেইজিং সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় উঠুক। তিনি সম্ভবত দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী এমন এক সময় এই সাক্ষাতকার দিলেন, যখন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে থিম্পু সফর করতে যাচ্ছিলেন।
বলা নিষ্প্রয়োজন, লজ্জাজনক ১৯৪৯ সালের চুক্তির বলেই চীনের সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল ভারত। তবে যুদ্ধ এড়ানো গিয়েছিল। আর এর মাধ্যমে ভারত আরেকটি বিপর্যয়কর পরাজয় এড়াতে পেরেছে।
ভুটানের মনের ব্যথা চীন বোঝে। তবে ১৯৪৯ সালের চুক্তির কারণে চীনের কাছে সুযোগ আছে খুবই কম।
অবশ্য চীন ও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য প্রতিবেশীর স্থল পরিবেষ্ঠিত ভুটানের প্রতি বিপুল সহানুভূতি রয়েছে। ভারতের মুঠো থেকে আরো স্বাধীনতা দাবি করার জন্য ভুটানি তরুণদের সোচ্চার হওয়ার সময় এসেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আসামের বাঙালিদের জন্য দুঃস্বপ্ন ‘এনআরসি’ by বরুন দাস গুপ্তা

তাদেরকে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশী ঘোষণা করা হবে। কিন্তু বাংলাদেশ তাদের কাউকে গ্রহণ করবে না। ফলে ভারতে (আসামে) জন্মগ্রহণকারী তাদের সন্তান, নাতি-নাতনি ও তাদের সন্তানরা কখনো ভারতের নাগরিকত্ব পাবে না। ফলে তারা রাষ্ট্রহীন জনগোষ্ঠীতে পরিণত হবে। এতে করে তারা স্কুলে ভর্তি হতে পারবে না, চাকরি পাবে না, এমনকি অসুস্থ হলে হাসপাতালগুলোতে পর্যন্ত চিকিৎসা পাবে না। অনুপ্রবেশকারী মুক্ত করতে চালানো এই মিশনে নাগরিকত্ব হারানোর উদ্বেগে এখন পর্যন্ত ৫০ ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। বাস্তবতা হলো, মুসলিমদের চেয়ে হিন্দুরাই বেশি আত্মহত্যা করেছে।
কত সংখ্যক অনুপ্রবেশকারীকে বহিষ্কার করা হবে, তা কেউ অনুমান করতে পারছে না। তবে এনআরসি তালিকায় নাম না থাকাদের বহিষ্কার নিয়ে বেশ লাভজনক ঘুষ বাণিজ্য হবে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এনআরসিতে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা এক থেকে তিন হাজার রুপি করে নিচ্ছেন।
এনআরসিতে নাম বাদ পড়া ছাড়াও আরো কয়েক হাজার সন্দেহজনক ভোটারকে রাখা হয়েছে আটক কেন্দ্রগুলোতে। বর্তমানে আটক কেন্দ্র রয়েছে ছয়টি। তবে শিগগিরই এই সংখ্যা হবে ১০। নাগরিকত্বের বিষয়টি ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত এসব লোক ভোট দিতে পারবেন না।
এখানে আরেকটি খেলা দেখা যাচ্ছে। তা হলো এনআরসি থেকে সত্যিকারের ভারতীয় নাগরিকদের নাম বাদ দেয়া। বিজেপির অনেক সিনিয়র নেতা সন্দেহভাজন বাংলাদেশীদের বিরুদ্ধে আপত্তি দিতে স্থানীয়দের উস্কানি দিচ্ছে।
নির্বিচারে আপত্তি উত্থাপনের ফলে অনেক সময় আপত্তিকারীর জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। উদলগুরি অল আসাম স্টুডেন্টস ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদকের কথা বলা যেতে পারে। তিনি বেশ কয়েকজন কথিত বাংলাদেশীর নামে আপত্তি দিয়েছিলেন। এদের একজনের ব্যাপারে অনুসন্ধানে দেখা যায় যে তিনি স্বাধীনতা যোদ্ধা সিদ্দিক আলীর ছেলে।
আবার অনেক প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবীর এনআরসি-কে সমর্থন বেশ বিস্ময়ের সৃষ্টি করে। এদের একজন হলেন ড. হিরেন গোহাইন। তার যুক্তি বেশ খেলো মনে হয়েছে।
এনআরসি ইস্যু কেবল আসামিয় ও বাঙালিদের মধ্যেই নয়, বাঙালি হিন্দু ও বাঙালি মুসলিমদের মধ্যেও বিভক্তি সৃষ্টি করেছে। কারণ বিজেপি সরকার বাংলাদেশ থেকে যাওয়া বাঙালি হিন্দুদের উদ্বাস্তু ও মুসলিমদেরকে অবৈধ প্রবেশকারী হিসেবে অভিহিত করছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলটি আনা হয়েছিল অমুসলিমদের নাগরিকত্ব প্রদান করার কাজটি সহজ করার জন্য। কিন্তু রাজ্য সভায় তা পাস হয়নি। তবে এবারের নির্বাচনের পর বিজেপি রাজ্য সভাতেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফলে তারা বিলটি আবার সামনে আনতে পারে।
ভুয়া খবর, ভুয়া ছবি, ভুয়া আপত্তির এই যুগে অল আসাম মাইনরিটি স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অভিযোগ করছে, কিছু সংগঠন ভাষা ও ধর্মের কারণে মিথ্যা আপত্তি উত্থাপন করে পরিস্থিতি জটিল করছে। অনেক সময় জোর করেও আপত্তি উত্থাপন করা হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ভালুকজোরায় এক বোড়ো গ্রামবাসী অভিযোগ করেছেন যে বোড়ো ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা তাকে ১০টি আপত্তিপত্রে সই করতে বাধ্য করেছে। এখন তিনি আপত্তিপত্রগুলো প্রত্যাহার করতে চান। এ ধরনের আরো অনেক খবর সামনেই আসছে না।
আসামের ৪০ লাখ লোক বিনিদ্র রজনী অতিবাহিত করছে, ৩১ জুলাই তাদের ভাগ্য কী ঘটতে যাচ্ছে, তা নিয়ে ভেবে মরছে। তারা যে দেশে জন্মগ্রহণ করেছে, কয়েক প্রজন্ম ধরে থাকছে, সেই দেশ তাদের ত্যাগ করবে? তাদেরকে কি তাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করা হবে?
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিয়ানমারে সেনা নিয়ন্ত্রিত সংবিধান সংশোধন প্রশ্নে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি
![]() |
| সংবিধান সংশোধনের পক্ষে বিক্ষোভ |
সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি-এনএলডি’র অন্যতম নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ছিল মিয়ানমারের সেনানিয়ন্ত্রিত সংবিধান সংশোধন করা। তবে ক্ষমতা গ্রহণের প্রায় তিন বছর পর এ বছরের ২৯ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো সু চি’র দলের পক্ষ থেকে সংবিধান সংশোধনের আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব আলোচনার জন্য গৃহীত হবে কিনা- এই বিষয়ে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে সেনাপ্রধান নিয়োগকৃত ও অনির্বাচিত ২৫ শতাংশ সেনা এমপি এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। সেনাবাহিনী ভোটাভুটি বর্জন করলেও সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটে প্রস্তাবটি পার্লামেন্টে আলোচনার জন্য গৃহীত হয়। অং সান সু চি’র নেতৃত্বাধীন দল এনএলডি,সেনা সমর্থিত ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি) ও কয়েকটি জাতিগত দল বিতর্কে অংশ নেয়। তবে অংশগ্রহণকারীদের তালিকায় কোনও সামরিক বাহিনীর প্রতিনিধিত্বকারী এমপির নাম ছিল না। বিতর্ক শেষে সংবিধান সংশোধন উদ্যোগ সফল করতে একটি কমিটি গঠনের ব্যাপারে সম্মত হয় মিয়ানমারের পার্লামেন্ট। সংবিধান সংশোধনের পক্ষে ৩৭৬০টি প্রস্তাব সম্বলিত একটি প্রতিবেদন ১৫ জুলাই সোমবার মিয়ানমারের পার্লামেন্টে জমা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার সংবিধান সংশোধনের দাবিতে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে যে অ্যাক্টিভিস্টরা নেতৃত্ব দিয়েছেন, তারা সু চি’র দলের কেউ নন। এদিন বিক্ষোভকারীরা মাথায় লাল রঙের কাপড় পরে ইয়াঙ্গুনের রাস্তায় নামেন। ওই লাল কাপড়ে লেখা ছিল: ‘২০০৮ সালের সংবিধান সংশোধন করুন।’
বিক্ষোভের আয়োজক পিয়াই ফিয়ো জ বলেন, ‘বর্তমান সরকার সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তবে ২০০৮ সালের সংবিধান বহাল থাকার কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না।’ মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর তদারকির দায়িত্ব নির্বাচিত নেতাদের হাতে ছেড়ে দেওয়ারও দাবি জানান তিনি।
কিয়াউ খিনে উয়িন নামে আরেক বিক্ষোভকারী বলেন, তিনি সংবিধান সংশোধনের পক্ষে বিক্ষোভ করছেন কারণ বিদ্যমান সংবিধানে দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে সু চি’র ওপর নিষেধাজ্ঞা আছে। তার অভিযোগ, ‘জোরপূর্বক’ এ সংবিধান আরোপ করা আছে। কিয়াউ আরও বলেন, ‘আমরা এমন একটি দেশ চাই যেটি জনগণের নির্দেশনায় পরিচালিত হবে’।
বুধবার পাল্টা এক বিক্ষোভ ডেকেছে সংবিধান সংশোধন প্রস্তাবের বিরোধীরা। বিক্ষোভে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিতরণকৃত লিফলেটে বলা হয়েছে ‘যারা তাদের বর্ণ ও ধর্মকে ভালোবাসেন’ তাদেরকে সংবিধান সংরক্ষণের উদ্যোগে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, কথিত গণতান্ত্রিক উত্তোরণের নামে মিয়ানমারে আদতে জারি রয়েছে সেনাশাসন। ২০০৮ সালে প্রণীত সংবিধান অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের যে কোনও প্রস্তাব পার্লামেন্টে পাস হতে হলে ৭৫ শতাংশের বেশি সমর্থন প্রয়োজন। অথচ দেশটির পার্লামেন্টের এক-চতুর্থাংশ আসন সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। জাতীয় প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা পরিষদের ১১টি আসনের মধ্যে ছয়টি আসনেও রয়েছেন সেনাবাহিনী মনোনীত ব্যক্তিরা। গণতান্ত্রিক সরকার বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে তাদের। সংবিধানে নাগরিকত্ব বিবেচনায় সু চির প্রেসিডেন্ট হওয়ার অধিকারও ক্ষুণ্ন করে রাখা হয়েছে।
![]() |
| অং সান সু চি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উ. কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন ভূখণ্ডে আঘাত হানতে সক্ষম : মার্কিন সেনাবাহিনী

কোরিয়া উপদ্বীপে মোতায়েন মার্কিন সেনাবাহিনী বা ইউএসএফকে উত্তর কোরিয়ার দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বিষয়ে করা প্রথম আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনায় বলেছে, ১২ হাজার ৮৭৪ কিলোমিটার পাল্লার হাউসাং-১৫ ক্ষেপণাস্ত্র আমেরিকার যেকোনো ভূখণ্ডে অনায়াসেই পৌঁছাতে সক্ষম।
‘২০১৯ স্ট্রাটেজিক ডাইজেস্ট’ শীর্ষক একটি বার্ষিক প্রতিবেদনে ইউএসএফকে জানিয়েছে, কোরিয় উপদ্বীপকে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ করার মার্কিন চাহিদার অনেক দূরে অবস্থান করছে পিয়ংইয়ং। পিয়ংইয়ংকে সম্ভাব্য পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ করার জন্য আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন গত বছর থেকে এ পর্যন্ত তিনবার শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন।
নিরস্ত্রীকরণের বিনিময়ে পিয়ংইয়ংয়ের ওপর থেকে সব ধরনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ওঠে যাওয়ার বিষয়টি এসব শীর্ষ বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল। তবে সব আলোচনাই ব্যর্থ হয়েছে।
উত্তর কোরিয়ার পরমাণু ওয়ারহেড বহনে সক্ষম ব্যলিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ২০১৭ সালে ট্রাম্প ও কিম দু'জনই একে অপরকে পরমাণু বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। সূত্র : পার্সটুডে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডিএনএ-তে আটকে আছে যত মামলার অভিযোগপত্র by জামাল উদ্দিন

রাজধানীর কদমতলীতে পাঁচ-ছয় বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণ করে এক দুর্বৃত্ত। এই ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে কদমতলী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। এরপর আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আদালত তার জামিন নামঞ্জুর কারাগারে পাঠান। মামলাটির তদন্ত করছেন কদমতলী থানার এসআই দীপঙ্কর। মামলার তদন্ত কার্যক্রমও শেষ করে এনেছেন তিনি। আর ডিএনএ টেস্টের জন্য গত বছরের অক্টোবরে প্রয়োজনীয় আলামত জমা দিয়েছেন ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরিতে। কিন্তু গত নয় মাসেও পাননি তিনি সেই ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট পাননি তিনি।
এই প্রসঙ্গে এসআই দীপঙ্কর বলেন, ‘সব কাজ গুছিয়ে এনে বসে আছি। শুধু এই ডিএনএ রিপোর্টের জন্য মামলার চার্জশিট দিতে পারছি না। বারবার আদালত থেকে সময় নিতে হচ্ছে।’
ধর্ষণের পর বিচার চেয়েও বিচার পাননি ধর্ষণের শিকার লক্ষ্মীপুরের এক নারী। ধর্ষণের শিকার হয়ে তিনি সন্তানসম্ভবা হয়ে পড়েন। কিন্তু ধর্ষক বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করে। এই ঘটনায় লক্ষ্মীপুরের জজ আদালতে একটি মামলা করেন ওই নারী। আদালত বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন। এরইমধ্যে ওই নারী একটি শিশু সন্তানের জন্ম দেন। আদালত ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে শিশুটির পিতৃত্ব নিশ্চিতের জন্য প্রতিবেদন দিতে বলেন পুলিশকে। ওই নির্দেশের পর লক্ষ্মীপুর সদর থানার এসআই প্রেমানন্দ মণ্ডলকে এ বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর গত বছরের (২০১৮) নভেম্বরে ডিএনএ টেস্টের জন্য প্রয়োজনীয় আলামত পাঠান ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরিতে। মেশিন অকেজো থাকায় আট মাসেও সেই ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট দেওয়া হয়নি। শিশুটির বয়স এখন চার বছর। কিন্তু নিশ্চিত হয়নি তার পিতৃত্ব।
এই বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা প্রেমানন্দ বলেন, ‘ন্যাশনাল ফরেনসিক ল্যাবে থেকে রিপোর্ট না পাওয়ায় ডিএনএ রিপোর্ট জমা দিতে পারছি না।’
রাজধানীর আদাবরে ধর্ষণের শিকার হয় ১৩ বছরের একটি শিশু। ২০১৭ সালের এই ধর্ষণের ঘটনায় ওই বছরের ১৭ মে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদাবর থানায় একটি মামলা (মামলা নং ০৫) হয়। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় থানার এসআই ফরিদাকে। তিনি ভিকটিম ও আসামির ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠান ল্যাবরেটরিতে। দুই বছরের বেশি সময় পার হলেও ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পাননি তিনি।
এসআই ফরিদা বলেন, ‘মামলার তদন্ত শেষ হয়ে গেলেও ডিএনএ রিপোর্টের জন্য চার্জশিট দেওয়া যাচ্ছে না।’
প্রায় একই অভিযোগ খুলনা সদর থানার এসআই সানোয়ার হোসেনেরও। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘গত বছরের নভেম্বরে ধর্ষণের একটি মামলার আলামত জমা দেই ল্যাবে। সেই আলামতের ডিএনএ রিপোর্ট পাইনি আজও।’
একই কথা বলেন, রাঙ্গামাটি কোতয়ালী থানার এসআই জসিম উদ্দিন দেওয়ান। তিনি বলেন, ‘একটি ধর্ষণ মামলার ডিএনএ রিপোর্টের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের মাধ্যমে ঢাকার ল্যাবরেটরিতে নমুনা পাঠাই। কিন্তু সেই রিপোর্ট পাইনি এখনও। দীর্ঘদিন অপেক্ষা করে এক মাস আগে এ মামলার চার্জশিট দিয়েছি। একইসঙ্গে আদালতকে জানিয়েছি, ল্যাব থেকে ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পেলে প্রতিবেদন আকারে সেটা আদালতে জমা দেবো।’
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন থানায় ২০১৮ সালের ১০টি মামলার তালিকা নিয়ে ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরিতে যান খুলনা সদর থানার এসআই শাহনেওয়াজ। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার তাকে ঢাকায় থেকে হলেও সেই রিপোর্ট নিয়ে যেতে নির্দেশনা দেন।তবে, শেষপর্যন্ত রিপোর্ট ছাড়াই তিনি খুলনায় ফিরে যান। এসআই শাহনেওয়াজ বলেন, ‘বারবার যোগাযোগ করলেও ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাইনি। শুধু ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট না পাওয়ায় চার্জশিট দেওয়া যাচ্ছে না। রিপোর্টের জন্য যখনই যোগাযোগ করি, তখনই ল্যাব থেকে বলা হচ্ছে, ল্যাবের প্রধান মেশিনটি অকেজো।’
ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানায়, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ ডিএনএ রিপোর্টের জন্য যোগাযোগ করছেন বারবার। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবত প্রধান মেশিনটি (জেনেটিক এনালাইজার) অকেজো থাকার কারণে রিপোর্ট দেওয়া যাচ্ছে না। জুন (২০১৯) পর্যন্ত ল্যাবে গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ শতাধিক মামলার নমুনা জমা হয়েছে। কিন্তু রিপোর্ট দেওয়া যাচ্ছে না। এগুলোর বেশিরভাগই হচ্ছে ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের মামলা। কিন্তু ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট দিতে না পারায় এসব মামলার চার্জশিট দিতে পারছেন না তদন্ত কর্মকর্তারা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার বলার পরও মেশিনটি ঠিক করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে মামলা নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রিতা বাড়ছে। বিচারের জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনতে হচ্ছে ভিকটিমকে।
ল্যাব সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ৪৮০টি মামলার নমুনা আসে ল্যাবে। এরমধ্যে ১৭৮টি মামলার রিপোর্ট দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ৩০২টি মামলার রিপোর্ট এখনও দেওয়া যায়নি। এ বছরের প্রথম চার মাসে ২০৮টি মামলার নমুনা এখনও পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি। সব মিলিয়ে ২০১৮ ও ২০১৯ সালের ৫১০টি মামলার নমুনা এখনও পরীক্ষাধীন রয়েছে।
ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টের কারণে গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর তদন্ত ব্যাহত হচ্ছে। তারপরও কেন রিপোর্ট দেওয়া যাচ্ছে না—জানতে চাইলে ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরির জাতীয় কারিগরি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শরীফ আখতারুজ্জামান বলেন, ‘‘গত জানুয়ারি থেকে ডিএনএ ল্যাবের ‘জেনেটিক এনালাইজার’ মেশিনটি নষ্ট থাকায় রিপোর্ট দিতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া ল্যাবের সরঞ্জামগুলোও ১২ বছরেরও বেশি পুরনো। এসব মেশিন ও সরঞ্জামেরও সংস্কার প্রয়োজন। বিষয়টি আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’ শিগগিরিই এসব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে আশা করেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পর্দার আড়ালে কূটনীতিতে কি পাক-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে?

এই ট্রাক-টু কূটনীতি পুনরুজ্জীবিত করার প্রথম পর্যায়ে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দিনব্যাপী আলোচনা হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে একই ধরনের আলোচনার আয়োজন করা হবে।
গত ফেব্রুয়ারিতে অধিকৃত কাশ্মিরের পুলওয়ামায় আত্মঘাতি হামলায় ৪০ জনের বেশি ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার জের ধরে প্রতিবেশী দেশ দুটি যুদ্ধের কাছাকাছি পৌছে গিয়েছিলো। ওই হত্যাকাণ্ডের জন্য তৎক্ষণাৎ পাকিস্তানকে দায়ী করে ভারত। পাকিস্তান অভিযোগ অস্বীকার করে ব্যবস্থা গ্রহণের মতো প্রমাণ দিতে বলে।
২৬ ফেব্রুয়ারি ভারত পাকিস্তানের বালাকোটে কথিত সন্ত্রাসী প্রশিক্ষণ শিবিরে হামলা চালায়। কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে ভারতের ওই দাবি টেকেনি। সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের সদস্যরা ওই এলাকা সফর করে কোন সন্ত্রাসী শিবির দেখতে পাননি। কিন্তু পরদিন পাকিস্তান বিমান বাহিনী প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়ে ভারতের একটি জঙ্গিবিমান ঘায়েল ও একজন পাইলটকে আটক করে। পরে শুভেচ্ছার নিদর্শন হিসেবে অভিনন্দন বর্তমান নামের ওই পাইলকে মুক্তি দেয়া হয়।
এখন পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশের মধ্যে শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে পাকিস্তানের বিশ্লেষকরা বলছেন যে নরেন্দ্র মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় এই চেষ্টা সফল হবে না কারণ তিনি একজন কট্টর মুসলিম বিদ্বেষী এবং পাকিস্তান বিরোধী। এই বিরোধিতাই তাকে সাম্প্রতিক নির্বাচনে জয় এনে দিয়েছে।
ইমরান খান ও ভারত
গত বছর ক্ষমতায় আসার পর থেকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সরকার ভারতের সঙ্গে কাশ্মির থেকে শুরু করে সন্ত্রাসবাদ পর্যন্ত সব ইস্যু নিস্পত্তির জন্য আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়ে আসছেন। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবেও মোদি ও ভারতের পররাষ্ট্র দফতরের কাছে প্রস্তাব পাঠান। কিন্তু ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তার সব প্রস্তাবই প্রত্যাখ্যান করেছে। এক পর্যায়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, ক্ষুদ্র মানুষ বড় অফিস দখল করে বসেছে, যার বড় কোন দৃশ্য দেখার ভিশন নেই।
৯২ নিউজ-এ ‘হার্ড টক পাকিস্তান’ শীর্ষক টক-শোতে ড. মুইদ পীরজাদা বলেন, কৌশলগত স্বার্থেই পাকিস্তানের সঙ্গে ভারত আলোচনায় বসবে না। আমি ৮-১০ বছর ধরেই বলে আসছি যে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি নয় এই অঞ্চলে তাদের জটিল কৌশরগত স্বার্থের করণে।
পাশাপাশি ভারত আন্তর্জাতিক মহলকে বুঝাচ্ছে যে তারা পাকিস্তানের সঙ্গে সংলাপে ইচ্ছুক হলেও পাকিস্তান ভারতের অভ্যন্তরে যে সন্ত্রাসবাদ চালাচ্ছে তা আন্তর্জাতিক রীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
পীরজাদার সঙ্গে একমত হয়ে শামসাদ আহমেদ খান বলেন, ভারত ৯/১১ থেকেই এই নীতি অনুসরণ করে আসছে। তিনি বলেন বেশ কিছু অভ্যন্তরিণ ও আঞ্চলিক জটিলতার করণে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসা ভারতীয় স্বার্থের অনুকূলে নয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন যে মোদি তার প্রথম নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে, অর্থনীতি চাঙ্গা করার ও দারিদ্র দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে। তার মুসলিম ও পাকিস্তান বিরোধী বয়ান স্পষ্ট হলেও তা নির্বাচনী প্রচারণায় প্রভাব বিস্তার করেনি।
কিন্তু প্রথম নির্বাচনে দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ মোদি সাম্প্রতিক নির্বাচনকে পুরোপুরি পাকিস্তান বিরোধী গলাবাজীতে রূপ দেন, যা তার জন্য ফল বয়ে এনেছে। আর সে কারণেই মোদি তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী খানকে আমন্ত্রণ জানাননি, যা তার পাকিস্তান বিরোধী অবস্থানের প্রমাণ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শ্রীলংকায় বিস্ফোরণের পেছনে বৈশ্বিক মাদক মাফিয়ার হাত: সিরিসেনা

এমবিলিপতিয়ায় একদল কৃষককে তিনি বলেন, যে যাই বলুক না কেন, আমি বলছি যে ২১ এপ্রিল হামলার পেছনে রয়েছে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীরা। আমার মাদক-বিরোধী উদ্যোগ নস্যাৎ করতে এবং আমার কাজে বিঘ্ন ঘটাতে এটা করা হয়েছে। ২১ এপ্রিল হামলা নিয়ে অনেক রকম মত আছে। তবে আমি বলছি যে এটা আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের কাজ।
মাদক মাফিয়াদের বিরুদ্ধে লড়াই বন্ধ করবেন না বলেও অঙ্গীকার করেন তিনি।
শ্রীলংকায় বদু বালা সেনার (বিবিএস) মতো বৌদ্ধ ধর্মগুরুদের কিছু সংগঠনের বক্তব্যের সঙ্গে ২১ এপ্রিলের হামলাকে মাদক মাফিয়া চক্রের সঙ্গে যুক্ত করে সিরিসেনার বক্তব্য মিলে যায়। বিবিএস অবশ্য দাবি করছে যে দ্বীপ দেশটির মাদক মাফিয়া গোষ্ঠীর নেতৃত্বে বড় অংশ রয়েছে সংখ্যালঘু মুসলমানরা।
সিরিসেনা আরো বলেন যে, ক্ষমতাসীন ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টি (ইউএনপি) যদি মৃত্যুদণ্ডকে বিলোপ করে পার্লামেন্টে কোন বিল পাস করে তাহলে তিনি দিনটিকে ‘জাতীয় শোক দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করবেন।
আবেগী কণ্ঠে সিরেসেনা বলেন, মৃত্যুদণ্ড নিষিদ্ধ না হলে মাদক সম্রাট ও মাদক মাফিয়ারা দেশটিকে ধ্বংস করে দেবে।
কৃষকদের জমির মালিকানা দলিল হস্তান্তরের একটি গ্রামীণ প্রকল্প উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি ভাষণ দেন।
মাদক মাফিয়াদের কবল থেকে দেশের শিশুদের রক্ষা করতে প্রেসিডেন্ট চারটি মৃত্যু পরোয়ানায় সই করেছেন।
প্রেসিডেন্ট বলেন, যেদিন মৃত্যুদণ্ড বিলোপ হবে সেদিন শ্রীলংকা মাদক সম্রাটদের সাম্রাজ্যে পরিণত হবে। নৈরাজ্য ছড়িয়ে পড়বে। এরপর মাফিয়ারাই দেশ চালাবে। এখনো মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকায় কিছুটা ভয় আছে। আমি চারটি পরোয়ানায় সই করার পর আদালতে গিয়ে একে বাধা দেয়া হয়েছে। এখন মৃত্যুদণ্ড বিলোপ করতে পার্লামেন্টে বিল আনা হচ্ছে। এতে মাদক সম্রাট ছাড়া আর কার লাভ হবে?
প্রত্যেক সরকার ও প্রত্যেক বিরোধী দলের যদি মাদক নেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক থাকে তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করা যাবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রেসিডেন্ট দাবি করেন যে, বিদেশীদের চাপ থাকার পরও তিনি ক্ষমতাধর মাদক সম্রাটদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছেন, তাদেরকে গ্রেফতার করিয়েছেন ও তাদেরকে শ্রীলংকায় নিয়ে এসে দেখিয়ে দিয়েছেন যে আইনের লম্বা হাত থেকে তারা বাঁচতে পারবে না। অন্য কোন রাজনৈতিক নেতা এই ইস্যুতে হাত দেয়নি।
সিরিসেনা বলেন, আমরা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলে এই দেশ সুশৃঙ্খল হবে। ভয় থাকবে। ভয় থাকলে সমাজ ভালো হয়। ভারত, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের অনেক দেশে মৃত্যুদণ্ড রয়েছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের অনেক রাজ্যেও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
কয়েক সপ্তাহ আগে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে ড্রাগ মাফিয়াদের ধ্বংস করতে সারা দেশে মৃত্যুদণ্ড চালু করা হবে।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর নিয়ে যেসব পশ্চিমা রাষ্ট্র হৈচৈ করছে সরাসরি তাদের কথা উল্লেখ করে শ্রীলংকা প্রেসিডেন্ট বলেন, ট্রাম্প একই কথা বলছেন। অথচ তার প্রতিনিধিরা আমাদেরকে বলছে মৃত্যুদণ্ড না দিতে।
মৃত্যুদণ্ড বিলোপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হতে সকল লঙ্কাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান সিরিসেনা। তিনি আরো বলেন যে ইউএনপি সরকারের কিছু লোকের অহমিকার কারণে প্রস্তাবিত বিলটি আনা হয়েছে।
গত বছরের মাঝামাঝি সিরিসেনা তার এই মাদক বিরোধী যুদ্ধের সূচনা করেন এবং অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি বলেছিলেন যে মাদকের আতংক নিয়ন্ত্রণ করতে তিনি ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রোদ্রিগো দুতার্তের মতো কঠোর পদ্ধতি অবলম্বন করবেন।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে ফিলিপাইন সফরের সময় সিরিসেনা ঘোষণা করেন যে মাদকের বিস্তার রোধে দুতার্তের পদ্ধতি একটি পাঠ্যপুস্তকীয় উদাহরণ। তবে পরে স্বীকার করেন যে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্টের গ্রহণ করা সব পদ্ধতি শ্রীলংকায় বাস্তবায়ন করা যাবে না।
প্রেসিডেন্ট দুতার্তে পুলিশ, এমনকি সাধারণ জনগণকে পর্যন্ত মাদক ব্যবসায়ী ও সেবীদের হত্যা করা অনুমোদন করেছেন। এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানায়, সন্দেহভাজন মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীদের হত্যা করার জন্য দুতার্তে সরকার পুলিশ ও পাহারাদারদের আর্থিক পুরস্কারও দিয়েছে।
শ্রীলংকার এ্যালকোহল এন্ড ড্রাগ ইনফরমেশন সেন্টারের হিসাবে, দুই কোটি জনসংখ্যার দেশটিতে প্রায় ৮০,০০০ মাদকসেবী রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
July
(817)
-
▼
Jul 19
(37)
- ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার নালিশ: নিন্দা জানালেন ...
- মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের সচেতনতায় গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দ...
- ‘সরল বিশ্বাস’ বলতে দুদক চেয়ারম্যান কি বুঝাতে চেয়েছেন?
- কিংবদন্তী কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের পারিবারিক ...
- বৃদ্ধা শাশুড়িকে রাস্তায় ফেলে গেল পুত্রবধূ
- এসপি’র দাবি: রিফাত হত্যার পরিকল্পনায় মিন্নি জড়িত
- জলাশয়গুলোকে আগের অবস্থায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী
- হটলাইন কমান্ডো নিয়ে আসছেন সোহেল তাজ
- রহস্যে আবৃত সহাস্য জেনারেল এরশাদ
- দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ায় প্লাস্টিকের বিকল্প কলাপাতা
- ছাত্র এবং পুত্রের কাছে পরাজয়ে আনন্দ আছে by হুমায়ূন...
- এক দোকানে দু শ' কোটি টাকা ওড়ালেন গৃহবধূ
- প্রতিদিন একটি অভিবাসী শিশু মারা যাচ্ছে : জাতিসঙ্ঘ
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম রফতানি শূন্যের কোঠায়
- ভারতকে ভুটানের কড়া চপেটাঘাত by এনপি উপাধ্যায়
- আসামের বাঙালিদের জন্য দুঃস্বপ্ন ‘এনআরসি’ by বরুন দ...
- মিয়ানমারে সেনা নিয়ন্ত্রিত সংবিধান সংশোধন প্রশ্নে প...
- উ. কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন ভূখণ্ডে আঘাত হানতে...
- ডিএনএ-তে আটকে আছে যত মামলার অভিযোগপত্র by জামাল উদ...
- পর্দার আড়ালে কূটনীতিতে কি পাক-ভারত সম্পর্ক স্বাভাব...
- শ্রীলংকায় বিস্ফোরণের পেছনে বৈশ্বিক মাদক মাফিয়ার হা...
- ‘আরেক ফিলিস্তিন’ বানানোর পাঁয়তারা: জম্মু-কাশ্মীরে ...
- জলবায়ু সংকট: বিশ্বজুড়ে তিন লাখ কোটি গাছ লাগানোর পর...
- এরশাদের তিন ছেলে এক মেয়ে!
- ট্রাম্পের বাণিজ্যযুদ্ধ বাংলাদেশের জন্য সুযোগ -ব্লু...
- যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ এশীয় মুসলিমদের অভিবাসনের ইতিহ...
- আউশ ক্ষেতে পচন রোগ, কৃষকের মাথায় হাত
- পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর আমেরিকা সফর by আদিলা নওরিন
- আসামের মুসলমানদের বঞ্চনার কথা লিখে পালিয়ে বেড়াচ্ছে...
- ভারতের হোমে আটক ৩ সন্তানকে পেতে ব্যাকুল মা-বাবা by...
- ফাগুনের কাছে খোলা চিঠি by কাকন রেজা
- নাইটক্লাবে শাহরুখকন্যার উদ্দাম নাচ
- এখনও বিপজ্জনক জায়গায় রয়ে গেছে আফগানিস্তান by হাওয়া...
- সবচেয়ে উত্তপ্ত জুন মাস ছিল চলতি বছর
- সহজ পাটিগণিত, কুমারস্বামী সরকার সংখ্যালঘু, সুপ্রিম...
- বিয়েই করেননি, ‘স্ত্রী’র জন্য নিয়েছেন বিমান ভাড়া by...
- সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের টাকা কেন বাড়ছে? by গোলাম...
-
▼
Jul 19
(37)
-
▼
July
(817)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...







