Tuesday, March 30, 2010
এ কী সমাপন by দ্বিজেন শর্মা
প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল ২০০৪ সালের অক্টোবরে। শেষ হওয়ার কথা ২০০৯ সালের জুন মাসে। বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞানকর্মীদের নিরলস শ্রমে ইংরেজি ২৮ খণ্ড ও বাংলা ২৮ খণ্ডের ৭ খণ্ড যথাসময়েই প্রকাশিত হয়েছিল। এটুকুই অসাধ্য সাধন। তাই বর্তমান সরকার বাংলা সংস্করণের কাজ সম্পন্ন করার জন্য সময় বাড়ায় ২০০৯ সালের ডিসেম্বর পর্যপ্ত। বাকি বাংলা সংস্করণের উপকরণ গ্রন্থনা শেষ হওয়ার মুখে হঠাৎ করেই ডিসেম্বরের শুরুতে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় এই প্রকল্পের অর্থপ্রদান বন্ধ করে দেয়। কারণ, সরকারের কিছু নতুন দাবি সোসাইটির কাছে গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয়নি। বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ডের ওপর অযৌক্তিক সরকারি হস্তক্ষেপের অনেক ভোগান্তির অভিজ্ঞতা আমাদের আছে; কিন্তু আওয়ামী লীগের মতো একটি প্রগতিশীল সরকারের কাছে তা বড়ই অপ্রত্যাশিত।
এই প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক ও সামাজিক গুরুত্বের ব্যাখ্যা নিষ্প্রয়োজন। তবে এটুকু বলাই যথেষ্ট যে পরিবেশ বিপর্যয় ও জীববৈচিত্র্য হ্রাসের পটভূমিতে জীববিদ্যা, বিশেষত টেক্সোনমি বা শ্রেণীকরণবিদ্যা আজ অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। ২৮ খণ্ডের ইংরেজি ও বাংলা জীব-ইতিহাস প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ে গবেষণা, নীতিনির্ধারণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কতটা সহায়ক হতে পারে, তা বুঝতে পাণ্ডিত্যের প্রয়োজন পড়ে না। কলমের এক খোঁচায় এমন একটি মহত্ উদ্যোগ দাবিয়ে দেওয়াকে কী বলে আখ্যায়িত করা যায়, জানি না।
প্রসঙ্গত, নিজের সামান্য অভিজ্ঞতার কথা বলি। মধ্য-পঞ্চাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভিদবিদ্যায় পড়ার সময় বাংলাদেশের গাছপালার একটি মাত্র বই-ই আমাদের ছিল—ডেভিড প্রেইনের দুই খণ্ডের ‘বেঙ্গল প্লান্টস’, বহুল ব্যবহারে অতি জরাজীর্ণ এবং ছাত্রছাত্রীদের ছুঁতে মানা। সেই সময় জন্মভূমির লাগোয়া পাথারিয়া পাহাড়ের উদ্ভিদকুল নিয়ে কাজ করার স্বপ্ন দেখতাম। কিন্তু তত্কালে এ ধরনের কাজ তত্ত্বাবধানের যতো যোগ্য বিশেষজ্ঞের প্রকট অভাব ছিল, বইপত্রেরও।
সেই পাহাড় আজ বনশূন্য। কাজটি এখনও সম্ভব, কিন্তু তা হবে সেকালের তুলনায় অসম্পূর্ণ। কেননা অনেক প্রজাতি ইতিমধ্যেই লোপ পেয়েছে। আমার প্রথম চাকরি বরিশাল ব্রজমোহন কলেজে। আমরাই সম্ভবত বেসরকারি কলেজে প্রথম উদ্ভিদবিদ্যার স্নাতক কোর্স চালু করি। লেগে যাই গাছপালা সংগ্রহের কাজে, কিন্তু অচেনা প্রজাতি শনাক্তকরণ নিয়ে বিপদে পড়ি। ‘বোটানিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া’ তখন প্রেইনের বইটির নতুন সংস্করণ ছাপিয়েছে জেনে তাদের একটা চিঠি লিখি। কয়েক মাস পর বরিশালের ডিসি অর্থাৎ জেলা প্রশাসক আমাকে ডেকে পাঠান এবং সরকারকে না জানিয়ে এই চিঠি লেখার জন্য ভর্ৎসনা করেন। এভাবেই শ্রেণীকরণবিদ্যা নিয়ে আমার গবেষণার জলাঞ্জলি। বলা বাহুল্য, এমনটি অন্যদের ক্ষেত্রেও ঘটে থাকবে।
মার্কিন দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ হেনরি অ্যাডামস বলতেন, একজন শিক্ষকের প্রভাব কতটা দূরগামী, তিনি নিজেও তা জানেন না। বইয়ের ক্ষেত্রেও কথাটি সত্য। একটি বই একজন মানুষের জীবনের গোটা ছকই পালটে দিতে পারে। প্রেইনের বইটির খণ্ড দুটি যথাসময়ে পেলে লেখক হওয়ার বদলে হয়তো আমি বিজ্ঞানী হতাম। পাথারিয়া পাহাড়ের উদ্ভিদকুলের অপেক্ষাকৃত সম্পূর্ণ একটি ইতিবৃত্ত লিখতে পারতাম। অন্যরা আরও বড় বড় কাজ করতে পারতেন।
এই পরিপ্রেক্ষিতে ২৮ খণ্ডের ‘বাংলাদেশের জীবকুল জ্ঞানকোষ’ গ্রন্থমালার গুরুত্ব অনুধাবনীয়। উল্লেখ্য, শুধু জীবকুলের শ্রেণীকরণ গবেষণার সহায়তাই নয়, এই গ্রন্থমালার প্রভাব হবে বহুমাত্রিক ও সুদূরপ্রসারী। আশা করি, সরকার বিষয়টি সত্বর পুনর্বিবেচনা করবে এবং উদ্যোগটি অচিরেই বাধামুক্ত হবে।
দ্বিজেন শর্মা: উদ্ভিদবিদ, নিসর্গ বিষয়ক লেখক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইনের প্রয়োগ ও বাস্তবতা by সানজিদা সোবহান
তথ্য অধিকার আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সরকার নিঃসন্দেহে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আইনের ২ ধারায় যাঁরা তথ্য প্রদান করবেন, তাঁদের কর্তৃপক্ষ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত বা সরকারি তহবিল থেকে সাহায্যপুষ্ট কোনো বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান এবং ‘বিদেশি সাহায্যপুষ্ট কোনো বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান’কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসমূহও তাদের কর্মকাণ্ড-সম্পর্কিত তথ্য জনগণের কাছে প্রকাশ ও প্রদান করতে বাধ্য। আইনানুযায়ী, বেসরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান তাদের প্রতিশ্রুত জনসেবামূলক কাজগুলো সঠিকভাবে পালন না করলে, তাদের কার্যাবলি পরখ করার ক্ষমতা জনগণকে দেওয়া হয়েছে।
আমরা জানি, জাতীয় বাজেটের বড় অংশের অর্থ বরাদ্দ করা হয় সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সেবামূলক খাতে। এসব সেবা সম্পর্কে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যথাসময়ে তথ্য না পেলে সে তার জীবন-মানের পরিবর্তনে কোনোভাবেই সক্ষম হবে না। অপরদিকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সব জনগণকে তথ্য জানিয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি করলে সরকারের জন্য অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো সহজ হয়। তথ্যের অবাধ প্রবাহ বয়স্ক-ভাতা, বিধবা-ভাতা, ভিজিএফের সুবিধাভোগী সবাইকে প্রভাবমুক্ত হয়ে তাদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধাগুলো গ্রহণে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। এমনিভাবে স্বাস্থ্যসেবা, পানি সরবরাহ, বিদ্যুৎ ও যানবাহন-ব্যবস্থার মতো অধিক সংখ্যক সরকারি কার্যক্রম যদি জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা যায়, তাহলে এসব সেবা প্রদানে যেমন স্বচ্ছতা আসে, তেমনি জনগণ সঠিকভাবে সেবাগুলো পেতে পারে। জনগণ তাদের ন্যায্য সুবিধাগুলো থেকে বঞ্চিত হলে এ আইন প্রয়োগ করে সেগুলো সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে তাদের পাওনা বা ন্যায্য সুবিধাগুলো আদায় করে নিতে পারবে। তথ্য অধিকার আইনের মূল চেতনা এখানেই।
তথ্য অধিকার আইন প্রয়োগ করে শিক্ষা-ব্যবস্থায় সব শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীর জন্য মেধার ভিত্তিতে সুযোগ সৃষ্টির ক্ষেত্রে থাইল্যান্ড উদাহরণ সৃষ্টি করে। একজন মা তাঁর সন্তানকে দেশের একটি অভিজাত স্কুলে ভর্তি করতে অকৃতকার্য হলে প্রথমে তিনি স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতকার্য ও অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর সম্পর্কে তথ্য জানতে চান। স্কুল কর্তৃপক্ষ তাঁর আবেদনে সাড়া না দিলে তিনি তথ্য কমিশনের কাছে এ আইনের আওতায় আপিল করেন। তাঁর আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে দেখা যায় যে স্কুলটিতে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির সন্তানেরা আপিলকারীর মেয়ের চাইতে কম নম্বর পেয়েও ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেধার ভিত্তিতে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করতে হবে মর্মে আদেশ জারি করতে বাধ্য হয়।
এভাবেই তথ্য প্রাপ্তি প্রান্তিক অবস্থানে থাকা নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করে থাকে। একজন দিনমজুর জানতে পারেন, একজন ঠিকাদার তাঁর কাজের জন্য বরাদ্দ প্রাপ্য মজুরি তাঁকে দিচ্ছেন কি না; একটি ছোট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারেন, যদি তিনি জানতে পারেন যে দরপত্রে তিনি হেরে গিয়েছেন তাতে অযাচিত প্রভাবের কারণে অযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও অন্য একজন দরপত্র প্রদানকারীকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। তথ্যের অবাধ প্রবাহ থাকলে এলাকাবাসী তার এলাকায় নির্মীয়মাণ রাস্তার গুণগত মান চুক্তিপত্রে উল্লিখিত নকশা ও উপকরণ অনুযায়ী হচ্ছে কি না, যাচাই করতে পারে।
বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইনটির সব ধারা কার্যকর করা হয় ১ জুলাই ২০০৯ থেকে। এ ক্ষেত্রে তিনটি ধারা বাদ দিয়ে সব ধারা ২০০৮ তারিখে কার্যকর করা হয়েছে। তিনটি ধারার মাধ্যমে তথ্য পাওয়ার জন্য অনুরোধ, তথ্য না পেলে আপিল এবং অভিযোগ দায়েরের বিধানগুলো কার্যকর করা হয় ১ জুলাই ২০০৯ থেকে। পৃথিবীর উন্নত ও উন্নয়নশীল যেসব দেশে তথ্য অধিকার আইন আছে, সেসব দেশে প্রচলিত তথ্য অধিকার আইনের সব ধারা একসঙ্গে কার্যকর করা হয়নি। সব প্রতিষ্ঠানে তথ্য দেওয়ার জন্য যে সুযোগ, ব্যবস্থা এবং পদ্ধতি চালু থাকা দরকার, সেগুলোকে আইন কার্যকর হওয়ার আগে প্রস্তুত করে নেওয়া হচ্ছে এর মূল উদ্দেশ্য।
আমাদের আইন সংসদে পাস হওয়ার পর তিন সদস্যবিশিষ্ট তথ্য কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে; ভারতে আইনটি গৃহীত হওয়ার ১২০ দিনের মধ্যে বিধি প্রণয়নের কাজটি সম্পন্ন হয়। জানা গেছে, আমাদের বিধি প্রণয়নের কাজটি চূড়ান্তকরণের পর্যায়ে আছে। ইতিমধ্যে তথ্য কমিশন বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা শহরে তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে অবহিতকরণ সভা করেছে; তথ্য মন্ত্রণালয়, তথ্য কর্মকর্তাদের জন্য আইন সম্পর্কে অবহিতকরণ সভা করেছে; প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, অর্থাৎ তথ্য চাওয়া হলে যাঁরা তথ্য দেবেন, তাঁদের তালিকা প্রস্তুত ও ডেটাবেইজে সংরক্ষণের কাজ চলছে। আমরা আশা করি, এ কাজটি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জনসাধারণের জন্য তালিকাটি প্রকাশ করা হবে। এখনো তথ্য অধিকার ও আইন সম্পর্কে তথ্য প্রদানকারী সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান ও জনগণের মধ্যে সচেতনতা ও ধারণা সৃষ্টি হয়নি। এ ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংগঠনগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যারা তথ্য অধিকার আইনের আওতায় জনগণকে তথ্য দিতে বাধ্য, তাদের প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সম্পর্কে নিজস্ব উদ্যোগে জনগণকে জানানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
এ বছর ৬ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী মহাজোট সরকারের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণের একপর্যায়ে বলে, ‘আমরা মুক্ত চিন্তা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করতে চাই। মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সমুন্নত করতে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ সংশোধনের প্রস্তাব ইতিমধ্যে মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ ভিত্তিতে তথ্য অধিকার বিধিমালা, ২০০৯ প্রণয়ন করা হয়েছে। তথ্য কমিশন গঠন করা হয়েছে এবং তারা ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে।’ প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সূত্র ধরে এ মুহূর্তে সব প্রতিষ্ঠানেরই প্রয়োজন তথ্য অধিকার আইন সুষ্ঠু বাস্তবায়নে সব উদ্যোগ গ্রহণ করে সেগুলো দৃশ্যমান করা। নইলে তথ্য অধিকার জনগণের সক্ষমতা বৃদ্ধি, সুশাসন ও মানবাধিকারের রক্ষাকবচ—এ চেতনাটি ক্রমশ হারিয়ে যাবে।
সানজিদা সোবহান: তথ্য অধিকার বিষয়ে ফোকাল পয়েন্ট, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সবুজ বিপ্লব কি থেমে যাবে by এ এম এম শওকত আলী
এ উদ্যোগের আওতায় যে দুটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলা হয় তা হলো—ক. পূর্ব পাকিস্তান পানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদন কর্তৃপক্ষ (১৯৫৯) এবং খ. পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন সংস্থা (১৯৬১) অর্থাৎ যথাক্রমে বর্তমানের পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং বিএডিসি। শেষোক্ত প্রতিষ্ঠানের ওপর ন্যস্ত করা হয় উল্লিখিত তিনটি কৃষি উপকরণ স্বল্পমূল্যে কৃষকের দোরগোড়ায় সরবরাহের দায়িত্ব। স্বল্পমূল্যে সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন ছিল কৃষি খাতে ভর্তুকি। একই সঙ্গে প্রয়োজন ছিল কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান যাতে করে খাদ্যশস্যসহ অন্যান্য শস্যের উফশী বীজ উদ্ভাবন ও সরবরাহ করা সম্ভব হয়। গবেষণা প্রতিষ্ঠানও স্থাপন করা হয়।
আশির দশকের পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দাতা সংস্থা ভর্তুকি হ্রাসের জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদানে সচেষ্ট হয়। তাদের যুক্তি ছিল, ভর্তুকিতে অপচয় হয় প্রচুর এবং ভর্তুকি বন্ধ করে ওই উদ্বৃত্ত অর্থ অন্যান্য খাতে ব্যবহার করা সম্ভব। আশির দশকের শেষ পর্যায়ে এবং নব্বই দশকের প্রথমার্ধে সরকার দাতা সংস্থার পরামর্শে কৃষি উপকরণ বিপণনব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ বেসরকারীকরণের উদ্যোগ নেয়। বিএডিসির সেচ ও সার বিতরণ কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। দাতাদের তরফ থেকে পরামর্শ দেওয়া হয় বিএডিসিকে নতুন আঙ্গিকে গড়ে তোলা প্রয়োজন। এ সংক্রান্ত একটি সমীক্ষা বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সমাপ্ত করা হলেও এ সংক্রান্ত সুপারিশ বাস্তবায়নের বিষয়টি সরকার ও দাতা সংস্থারা ভুলে যায়।
১৯৯৬-পরবর্তী সময়ে সরকার কৃষি খাতে ভর্তুকি প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে। তার পর থেকেই এ ব্যবস্থাকে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এ দৃষ্টিভঙ্গির মূল ভিত্তি ছিল দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধি করে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ১৯৯৬-পরবর্তী সময়ে সরকার বিএডিসিকে পুনর্গঠন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পুনর্গঠিত বিএডিসির রূপরেখা ১৯৯৯ সালে প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশিত হয়। সাম্প্রতিক কালে এ বিষয়টিকে অধিকতর মজবুত করার লক্ষ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় একটি বিশেষজ্ঞ কমিটিও গঠন করে। কমিটি বর্তমানে কাজ করছে।
কৃষি খাতে ভর্তুকি প্রদানের বিষয়টি এখন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। সবুজ বিপ্লবকে অধিকতর সুসংহত ও টেকসই করার জন্যই ভর্তুকির প্রয়োজন। উন্নত দেশে এ খাতে যে পরিমাণ ভর্তুকি দেওয়া হয় তার তুলনায় বাংলাদেশের ভর্তুকির পরিমাণ নিতান্তই নগণ্য। কারণ সম্পদের অপ্রতুলতা। এ জন্য প্রয়োজন কৃষি উৎপাদনসংক্রান্ত কোন উপখাতে প্রয়োজনীয় ভর্তুকি দেওয়া হবে তা চিন্তাভাবনা করে নির্ণয় করা। বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে তিনটি উপকরণের জন্যই ভর্তুকি দিচ্ছে। ভর্তুকির সুফল কী?
সম্প্রতি ভারতে সারের ওপর যে ভর্তুকি দেওয়া হয় তা সেদেশের সরকার পুনর্বিবেচনা করার অঙ্গীকার করেছে মর্মে বিদেশি এক পত্রিকায় ফেব্রুয়ারির ২২ তারিখে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্লেষণধর্মী এ সংবাদে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর উক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে যে আগামী এপ্রিল মাসে ভারত সরকার ভর্তুকি কর্মসূচি নতুন আঙ্গিকে ঢেলে সাজাবে। উদ্দেশ্য এর ফলে কৃষক সুষম সার ব্যবহারে উৎসাহিত হবে। সুষম সার ব্যবহারের সুফল প্রধানত দুটি। এক. এর মাধ্যমে জমির উর্বরতা স্থায়িত্ব লাভ করে। দুই. অধিক ফলনও নিশ্চিত হয়। আলোচ্য সংবাদের প্রতিবেদনটি বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ও কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা করে যথোপযুক্ত ভর্তুকির মাধ্যমে সবুজ বিপ্লবকে স্থায়িত্ব দানের বিষয়টির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। কারণ, ভারতে তিন দশক ধরেই সারে ভর্তুকির প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল ফসফরাস ও পটাশ সারের তুলনায় ইউরিয়া সারে অধিকতর ভর্তুকি প্রদান, যা তিন প্রকারের সারের সুষম ব্যবহারের পরিপন্থী।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা নতুন আঙ্গিকে ভর্তুকি কর্মসূচির অঙ্গীকার করা সত্ত্বেও ইউরিয়ার জন্য প্রদত্ত ভর্তুকি অপরিবর্তিত রয়েছে। এর ফলে সুষম সার ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না মর্মে প্রতিবেদক মন্তব্য করেছেন। অপরিবর্তিত পরিস্থিতির বিশ্লেষণে দেখা যায় যে কারণটি রাজনৈতিক। ইউরিয়া সারের মূল্য বৃদ্ধি করলে দেখা যায় কৃষকেরা প্রতিবাদমুখী হবে। এটাই হলো আশঙ্কা। এ জন্য ইউরিয়া সারের ভর্তুকির পরিমাণ অপরিবর্তিত রেখে অন্যান্য সারের ভর্তুকি হ্রাস করা হয়েছে। এ ধরনের সিদ্ধান্তের অন্য কারণটি হলো, ভারতে ইউরিয়া সার উৎপাদনকারীদের একটি শক্তিশালী লবি বিদ্যমান। সবুজ বিপ্লবের ভবিষ্যত্ নিয়ে এ জন্য কৃষক ও বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কামুক্ত নন। একজন কৃষক আরেকটি আশঙ্কার বিষয় উত্থাপন করেছেন। তাঁর মতে, ১৯৬০ সালে যখন তাঁর পিতা প্রথম একটি নলকূপ স্থাপন করেছিলেন তখন ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ছিল মাত্র পাঁচ ফুট। বর্তমানে ৫৫ ফুটও পানি উত্তোলনের জন্য যথেষ্ট নয়।
বাংলাদেশের ভর্তুকি নীতি ভারতের অনুরূপ। এ দেশের বিশেষজ্ঞসহ নীতি-নির্ধারকেরা সুষম সার ব্যবহারের সুফল সমন্ধে মোটেই অজ্ঞ নন। কিন্তু তা সত্ত্বেও, ইউরিয়ার ওপর ভর্তুকির পরিমাণ অন্যান্য সারের তুলনায় অধিকতর। এ বিষয়ে ভারত যে ভ্রান্ত নীতি কয়েক দশক ধরে অনুসরণ করেছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ একই নীতি অনুসরণে আগ্রহী। তবে বাংলাদেশে ২০০৯-১০ সালে কিছুটা পার্থক্যের ধারা বিদ্যমান। বর্তমানে ইউরিয়ার মূল্য কেজি প্রতি মাত্র ১০ টাকা। কৃষক পর্যায়ে ১২ টাকা। ভারতে এ সারের মূল্য বাংলাদেশের তুলনায় কেজি প্রতি আড়াই থেকে সাড়ে চার টাকা কম। ডিএপির মূল্য বাংলাদেশে কেজিপ্রতি ৩০ টাকা। ভারতে ১৪.৫১ টাকা। পটাশ সারের কেজিপ্রতি মূল্য বাংলাদেশে ২৫ টাকা। ভারতে মাত্র ৬.৯১ টাকা। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় যে ডিএপি, টিএসপি ও পটাশ সারের তুলনায় ভর্তুকি অধিকতর। কৃষি মন্ত্রণালয় সাহসের সঙ্গে আগের তুলনায় টিএসপি ও পটাশ সারের তুলনায় অর্ধেক হ্রাস করা সত্ত্বেও ইউরিয়ার মূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে। ইউরিয়ার মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সরকার এ বিষয়ে কিছুটা হলেও উদাসীন। এ ছাড়া ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে তিন প্রকার সারের মূল্যের মধ্যে পার্থক্যের পরিমাণ ভারতে অপেক্ষাকৃত কম। বাংলাদেশে বেশি।
এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে সুষম সার ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য উপযুক্ত ভর্তুকি নীতি প্রয়োজনীয় হলেও তা যথেষ্ট নয়। অন্য প্রয়োজনীয় বিষয়টি হলো এ বিষয়ে কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধির অব্যাহত প্রচেষ্টা। সাধারণত এ কাজটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর করে থাকে। তবে মৃত্তিকা সম্পদ গবেষণা সংস্থাও এ বিষয়ে কারিগরি তথ্য দিতে সক্ষম। বর্তমানে যে বিষয়টি দৃশ্যমান তা হলো এ দুটি সংস্থাই বিক্ষিপ্তভাবে এ বিষয়ে প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করছে। প্রয়োজন সমন্বিত প্রচেষ্টা। এ ছাড়া মৃত্তিকা সম্পদ গবেষণা সংস্থার সহায়তায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল সারসংক্রান্ত যে নির্দেশিকা প্রকাশ করে, নীতি-নির্ধারক পর্যায়ে প্রদত্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় না। যা করা হয়েছে তা হলো দুটি-একটি প্রকল্প। প্রকল্পের মেয়াদ শেষে সব কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এ জন্য প্রয়োজন প্রতিবছর নির্ধারিত কর্মসূচির। মৃত্তিকা সম্পদ গবেষণা সংস্থা কয়েক বছর অন্তর মাটির উর্বরতাভিত্তিক মানচিত্র প্রকাশ করে থাকে। এসব মানচিত্রে শস্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানের মাত্রার হার অনুযায়ী সংকটজনক এলাকাগুলো চিহ্নিত করা। বিএআরসি কর্তৃক প্রকাশিত তথ্যে প্রতীয়মান হয় যে ১৯৮১-২০০৩ সময়কালে মাটির উর্বরতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উপাদান ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। অন্যদিকে, মাটিতে উপাদানভিত্তিক চাহিদার হার অপেক্ষাকৃত অধিক। আশঙ্কা এখানেই।
মাটির উর্বরতা হ্রাসের মাত্রা রোধের জন্যই সুষম সার ব্যবহার অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সাম্প্রতিককালে টিএসপি ও পটাশ সারের মূল্য আগের তুলনায় অর্ধেক পর্যায়ে নিয়ে আসার ফলে কৃষকেরা এখন এ দুটি সার ব্যবহারে আগ্রহী হয়েছেন। এ বিষয়ে মাঠপর্যায়ে জরিপের মাধ্যমে তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া বাঞ্ছনীয়। মাটির উর্বরতার ভিত্তিতে উল্লিখিত মানচিত্রে যেসব উপজেলা সংকটময় মর্মে চিহ্নিত করা হয়েছে সেসব স্থানে অচিরেই সুষম সার ব্যবহারের উদ্যোগ নিতে হবে। অন্যথায় বাংলাদেশেও সবুজ বিপ্লবের অব্যাহত ধারা রক্ষা করা সম্ভব হবে না। এর ফলে খাদ্যনিরাপত্তা অধিকতর সংকটে আবদ্ধ হবে।
বাংলাদেশে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহারের মাত্রা লাগামহীনভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বছরওয়ারি বৃদ্ধির হার এখনো অব্যাহত রয়েছে। ১৯৯০ দশকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয় কৃষি এবং জাতীয় পানি নীতিতে ভূ-উপরিস্থ পানি সেচকার্যে অধিকতর ব্যবহারের স্পষ্টভাবে অঙ্গীকার করা হয়। এ সত্ত্বেও তা আশানুরূপভাবে অর্জন সম্ভব হয়নি। বিএডিসির এক জরিপমতে, মোট ৫১ লাখ ২৬ হাজার ৮৫১ হেক্টর জমি ২০০৮-০৯ সালে সেচের আওতায় ছিল। এর মধ্যে শতকরা ৭৯ ভাগ জমি ভূগর্ভস্থ পানির মাধ্যমে সেচকার্য করা হয়েছিল। ভূ-উপরিস্থ পানির মাধ্যমে সেচকৃত এলাকার হার ছিল মাত্র শতকরা ২১ ভাগ।
জানা গেছে যে কৃষি মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে ভূ-উপরিস্থ পানির অধিকতর ব্যবহারের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছে। বিষয়টি সময়সাপেক্ষ এবং অন্তরায়ও প্রচুর। সম্পদের অপ্রতুলতা ব্যতীত, ভূ-উপরিস্থ পানির প্রাপ্যতাও কম। সবুজ বিপ্লব থেমে যাওয়ার আশঙ্কা এখানেই।
এ এম এম শওকত আলী: সাবেক কৃষি সচিব। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
নির্বাচন কমিশনের খসড়া বিধিমালায় নির্বাচনী কার্যক্রমে একজন কাউন্সিলর সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ ও মেয়র পদপ্রার্থী সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারবেন। কিন্তু ইতিমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় কাউন্সিলর পদের সম্ভাব্য প্রার্থীরা নামে-বেনামে পোস্টার ছাপিয়ে এলাকাবাসীর আশীর্বাদ চাইতে শুরু করেছেন। অনেক এলাকায় তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব শুরু হওয়ার কথা তফসিল ঘোষণার পর থেকে। তার আগে বিধিমালা চূড়ান্ত হতে হবে। অথচ এত সব প্রস্তুতি বাকি থাকতেই সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে নেমে গেছেন। টাকা ব্যয় করতে শুরু করেছেন। এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা থাকা দরকার। হিসাব শুরুর আগেই যদি প্রার্থীরা বেহিসাবি ব্যয় করে বসে থাকেন, তাহলে ব্যয়ের সীমা নিয়ে কড়াকড়ি আরোপ অর্থহীন হয়ে যায়। নির্বাচন অর্থবহ করার জন্যই এ ধরনের অপরিণামদর্শী কাজ থেকে সংশ্লিষ্ট সবার বিরত থাকা উচিত। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল বিএনপিরও দায়িত্বশীল অবস্থান নেওয়া দরকার। দলীয় নেতা-কর্মীরা যেন টাকার খেলায় মেতে না ওঠেন, সে ব্যাপারে তাদের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা প্রয়োজন।
অন্যদিকে নির্বাচনে সম্ভাব্য সহিংসতা রোধেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এক জরিপে দেখা গেছে, কাউন্সিলর পদের সম্ভাব্য প্রার্থীদের অনেকেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত, অনেকে সন্ত্রাসের মদদদাতা। এসব লোক প্রার্থী হলে নিজেরা বা অন্য প্রার্থীরা সন্ত্রাসের শিকার হতে পারেন। তাঁদের ব্যাপারে এখন থেকেই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। রাজনৈতিক দলগুলোরও বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে। তারা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে যৌথ বৈঠকের আয়োজন করতে পারে। সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুন্দর, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করা ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দল—সব পক্ষের অভিন্ন স্বার্থ হওয়া উচিত।
নির্বাচন কমিশনের খসড়া বিধিমালায় মেয়র পদের সব প্রার্থীকে এক মঞ্চে এনে পরিচিতি সভা আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এ ব্যবস্থা করবে। এ ছাড়া ব্যয় নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে মেয়র ও কাউন্সিলর পদের প্রার্থীদের সীমিতসংখ্যক অফিস ও পরিমিত জনসংযোগ কার্যক্রমের প্রস্তাব করা হয়েছে। খসড়া বিধিমালার কোনো কোনো বিষয়ে সরকারের আপত্তি থাকতে পারে; নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে ওই সব বিষয়ে দ্রুত মীমাংসা করা দরকার। সিটি করপোরেশনের সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছিল ২০০২ সালের ২৫ এপ্রিল। এর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে প্রায় তিন বছর আগে। এখন যেন দ্রুত নির্বাচন করা যায়, সে ব্যাপারে সরকারের সহযোগিতা দরকার।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইন্টারনেটের মাধ্যমে নারীদের নিয়োগ দিচ্ছে সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো
অধ্যাপক ওয়েইম্যান বলেন, সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর আত্মঘাতী হামলায় নারীদের ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সন্ত্রাসী কাজে সরাসরি নারীদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।
ওয়েইম্যানের মতে, বাজারজাতকরণ বিশেষজ্ঞরা যেমন জানেন নির্দিষ্ট ক্রেতার কাছে পৌঁছাতে হলে ওই ক্রেতার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান দিতে হবে, তেমনই সন্ত্রাসী দলগুলোও বুঝতে পেরেছে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে হলে নারী সদস্যদের নিয়োগ দিতে হবে। সেই উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট বার্তা দিয়ে নারীদের মনোযোগ আকৃষ্ট করতে হবে।
২০০৪ সাল থেকে এই প্রবণতা শুরু হয়, যখন আল-কায়েদা তাদের ওয়েবসাইটে শুধু নারীদের জন্য বিশেষ সাময়িকী প্রকাশ করে। পরে তারা নারীদের জন্য অনলাইনে পৃথক সাময়িকী প্রকাশ করা শুরু করে। এতে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিবারের কোনো সদস্য আহত হলে কীভাবে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হবে, সে ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়। জিহাদ ও লড়াইয়ের প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার জন্য কীভাবে শিশুদের বড় করতে হবে সে ব্যাপারেও থাকে নির্দেশনা।
অধ্যাপক ওয়েইম্যান বলেন, এসব ওয়েবসাইট বা ফোরামের আরেকটি বিষয় হচ্ছে তারা নারীদের উপদেশ দেয় শহীদ হতে হলে কীভাবে স্বামী ও সন্তানদের কাছ থেকে দূরে থাকতে হবে। জিহাদ ও সন্ত্রাসী কাজে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে উৎসাহিত করা হয় নারীদের।
নারী আত্মঘাতী সন্ত্রাসীদের বীরত্বপূর্ণ কাহিনি প্রকাশ করে এ ধরনের উৎসাহ দেওয়া হয়। বলা হয়, ইসলামে এ ধরনের কাজের অনুমোদন আছে। নির্দেশনা দেওয়া হয় বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের।
কয়েক বছর আগে ওই আহ্বানে সাড়া দিয়ে বহু নারী আত্মঘাতী সন্ত্রাসী দলে যোগ দেন। অনেকে অল্প বয়সেই যোগ দেয়। বর্তমানে এই যোগ দেওয়ার প্রবণতা কিছুটা বেড়েছে।
হামাসের শিশুদের ওয়েবসাইটে ‘ফিলিস্তিনি এক বালিকার বীরত্বগাথা’ শীর্ষক শিরোনামে একটি কাহিনি প্রকাশিত হয়েছে। তাতে বলা হয়, কীভাবে ছোট্ট একটি মেয়ে ধীরস্থিরভাবে পরিকল্পনা করে আত্মঘাতী সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের ওপর নতুন অবরোধ চায় না তুরস্ক
জার্মানের চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের তুরস্ক সফরের আগে প্রধানমন্ত্রী এরদোগানের এ মন্তব্য প্রকাশ করা হলো। আজ সোমবার থেকে চ্যান্সেলর মার্কেলের দুই দিনব্যাপী তুরস্ক সফর শুরু করার কথা।
সাক্ষাত্কারে এরদোগান বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই প্রথমে কূটনৈতিক সমাধান খুঁজতে হবে। বিশ্ব শান্তির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায় এমন কিছু না করাই উচিত।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইইউ ও লিবিয়ার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আরও দুই ব্রিটিশ রাজনীতিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ
গতকাল রোববার সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সাবেক সামরিক বাহিনীবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডাম ইনগ্রাম ও সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী রিচার্ড ক্যাবর্ন তদবির করার জন্য অর্থ দাবি করেছিলেন। তাঁরা দুজনই ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির সদস্য। এর আগের আরও তিনজন সাবেক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তোলা হয়।
সানডে টাইমস-এর খবরে বলা হয়েছে, একটি বিষয়ে তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহারের জন্য দৈনিক দেড় হাজার পাউন্ড চেয়েছিলেন ইনগ্রাম। অন্যদিকে একই ধরনের কাজের জন্য ক্যাবর্ন আড়াই হাজার পাউন্ড দাবি করেছিলেন। তবে ইনগ্রাম দাবি করেছেন, তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা ও যোগাযোগ ব্যবহার করার বিনিময়ে কোনো অর্থ দাবি করেননি। আর ক্যাবর্নের আইনজীবী বলেছেন, তাঁর মক্কেল কোনো অনৈতিক কাজ করেননি।
এর আগে সাবেক পরিবহনমন্ত্রী স্টিফেন বেয়ার্স, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্যাট্রিসিয়া হিউইট ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিওফ হুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম। একজন সাংবাদিক ছদ্মবেশে গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে ওই কেলেঙ্কারির চিত্র ধারণ করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ‘লবিস্ট’ (তদবিরকারী) হিসেবে সাবেক এ মন্ত্রীদের তদবিরের জন্য অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কঙ্গোতে এলআরএর গণহত্যার তথ্য ফাঁস
মানবাধিকার সংগঠন এইচআরডব্লিউ কঙ্গো গণহত্যার ওপর ৬৭ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ করে গতকাল রোববার। ‘ট্রেইল অব ডেথ: এলআরএ অ্যাট্রোসাইটিস ইন নর্থ-ইস্টার্ন কঙ্গো’ শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে যে হত্যাযজ্ঞের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, তা আদিম মানুষখেকো বর্বরদের পৈশাচিকতাকেও হার মানাবে বলে বিশ্লেষকেরা মন্তব্য করেছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সর্বশেষ গণহত্যার ঘটনায় এলআরএর সদস্যরা উগান্ডা থেকে নদী পার হয়ে কঙ্গোর প্রত্যন্ত গ্রামে ঢুকে পড়ে। তারা প্রথমে প্রতিরোধ করতে সক্ষম শক্ত-সমর্থ যুবক ও দুর্বল বৃদ্ধদের বেঁধে ফেলে। তারপর চাপাতি ও কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে তাদের হত্যা করে। গাছের মোটা ডাল ও গুঁড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে অনেক মানুষকে হত্যা করা হয়। শহর থেকে বিচ্ছিন্ন অরণ্যসংলগ্ন এলাকায় তারা টানা চার দিন হত্যাযজ্ঞ চালায়। যাওয়ার সময় তারা সেখানকার প্রায় ২৫০ জন ছেলেমেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। লুট করা মাল তাদের দিয়ে বহন করানো হয়। অপহূত ছেলেশিশুদের যোদ্ধা এবং মেয়েশিশুদের যৌনকর্মী হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তাদের অপহরণ করা হয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
এলআরএর দস্যুদের বন্দিদশা থেকে পালিয়ে বাঁচা ১৭ বছরের তরুণ জ্যঁ ক্লাউদে সিংবাতিলে বলে, গত ১৩ ডিসেম্বর উয়েলে নদী পাড়ি দিয়ে উগান্ডা থেকে দস্যুরা তাদের গ্রাম মাবাঙ্গা ইয়া তালোর পাশের একটি বাজারে এসে হাজির হয়। তারা সংখ্যায় ছিল ৪৫ থেকে ৫০ জন। তাদের পরনে ছিল সেনাবাহিনীর পোশাক। গ্রামবাসী প্রথমে তাদের কঙ্গোর সেনা মনে করেছিল।
সিংবাতিলে বলে, দস্যুরা গ্রামবাসীদের তাদের খাবার ও মালামাল নদীর ওপারে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। গ্রামবাসী তাদের কথা মানতে রাজি না হলে তারা রোমহর্ষক হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। অস্ত্রের মুখে তারা সব শক্ত-সমর্থ লোকের হাত-পা বেঁধে ফেলে। তারপর তারা গাছের মোটা ডাল অথবা পাথর দিয়ে কারও কারও মাথার খুলি ফাটিয়ে হত্যা করে। অনেক লোককে তারা তাদের হাতে থাকা চাপাতি ও কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। নারী ও শিশুদের আর্তচিত্কারও তাদের স্পর্শ করেনি। তাদের এ হত্যাযজ্ঞে অন্তত ৮০ জন শিশুও প্রাণ হারায়।
বেঁচে থাকা ২৫০ জন তরুণ-তরুণীকে বন্দী করে তাদের মাথায় খাদ্যশস্য ও লবণের বস্তা চাপিয়ে দিয়ে বহনের কাজে ব্যবহার করা হয়।
সিংবাতিলে জানায়, সে কৌশলে দস্যুদের হাত থেকে পালিয়ে বাঁচতে পেরেছে। তবে অপহূত অন্য ব্যক্তিদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা সে জানে না।
কঙ্গোর কর্মকর্তারা বলেছেন, জাতিসংঘের শান্তি মিশন আগেই লোকমুখে শুনেছিল বড়দিন সামনে রেখে কঙ্গোতে এলআরএ হামলা চালাতে পারে। সে অনুযায়ী তারা শহর এলাকায় শান্তি বাহিনী মোতায়েনও করেছিল। কিন্তু দস্যুরা শেষ পর্যন্ত হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে প্রত্যন্ত গ্রামগুলো বেছে নেওয়ায় তারা কিছুই করতে পারেনি।
মূলত উগান্ডার বিদ্রোহী গ্রুপ হিসেবে এলআরএর উত্থান হয়। শুরুর দিকে এ বিদ্রোহীরা উগান্ডায় হিব্রু বাইবেলের (ওল্ড টেস্টামেন্ট) দশ হিতোপদেশ (টেন কমান্ডমেন্টস) অনুযায়ী ‘মুসায়ী ধর্মরাষ্ট্র’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে তারা সুদান, মধ্য আফ্রিকা ও কঙ্গোর মতো এলাকায় তাদের রক্ত হিম করা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ছড়িয়ে দেয়। তাদের মানুষ হত্যার মূল উদ্দেশ্য কী, তা এখনো নৃতাত্ত্বিকদের কাছে এক রহস্য।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিন বছরের মধ্যে মুছে যাবে মাওবাদীরা
গত শনিবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির বিজ্ঞান ভবনে জাতীয় কংগ্রেসের আইন শাখার উদ্যোগে আয়োজিত অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং বিচ্ছিন্নতাবাদ শীর্ষক এক সেমিনারে যোগ দিতে এসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সেমিনারের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা আগেই আমাদের জওয়ানদের বলেছি, তারা মাওবাদী দমন অভিযান করতে গিয়ে যেন গুলি না ছোড়ে। তবে মাওবাদীরা আক্রমণ করলে তারা পাল্টা আক্রমণ করতে পারবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আর ১২ মাস পরেই পশ্চিমবঙ্গ থেকে বামদের বিদায় নিতে হবে। অসত্য প্রচারের ওপর দাঁড়িয়ে বামদের ক্ষমতায় থাকার দিন শেষ হয়ে এসেছে।’
ভারতের ৩৫টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে এখন অন্তত ১২টি রাজ্যে মাওবাদীরা কমবেশি তৎপর। তবে ঝাড়খন্ড, ছত্তিশগড়, অন্ধ্র প্রদেশ, বিহার, ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গে মাওবাদীদের তৎপরতা বেশি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরান আরও পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের প্রস্তুতি নিচ্ছে
প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিরোধিতা সত্ত্বেও ইরান নতুন করে পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে। ইরানের শীর্ষ একজন কর্মকর্তার সাম্প্রতিক বক্তব্যে এ ধারণা আরও দৃঢ় হয়েছে।
ইরানিয়ান স্টুডেন্ট নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে দেশটির পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান আলী আকবর সালেহি বলেন, প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ যত দ্রুত সম্ভব দুটি নতুন পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ওই দুটি স্থাপনা পাহাড়ঘেরা অঞ্চলে স্থাপন করা হবে। বাইরের হামলা থেকে রক্ষার জন্যই এমন অঞ্চলে পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের কথা ভাবা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
আকবর সালেহির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ইরানের নববর্ষে ওই স্থাপনা দুটি নির্মাণের কাজ শুরু করা হতে পারে। ২১ মার্চ ইরানের নববর্ষ শুরু হয়েছে।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইরানের কোম নগরে দেশটির গোপন পারমাণবিক স্থাপনার তথ্যপ্রমাণ প্রকাশ করেন।
প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থাও (আইএইএ) বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ পোষণ করছে। সংস্থাটি ইরানের গোপন পারমাণবিক স্থাপনার বিষয়ে স্যাটেলাইটভিত্তিক বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় হামাস শাসনের অবসান ঘটানো হবে
ইসরায়েলের একটি রেডিওকে ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টির এই মন্ত্রী বলেন, তিনি কোনো সময়সীমা বেঁধে দিচ্ছেন না। তবে গাজায় ইসলামপন্থী হামাস সরকারের যে সামরিক শাসন চলছে, সেটা তাঁরা আর বেশি দিন সহ্য করবেন না। আজ হোক কাল হোক, গাজাকে হামাসের শাসন থেকে মুক্ত করা হবে। তিনি বলেন, গাজায় হামাস প্রতিনিয়ত সামরিক শক্তি বাড়িয়ে চলেছে। সংগ্রহ করছে ক্ষেপণাস্ত্র। এটা ইসরায়েলের জন্য বেশ হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গাজায় কোনো সামরিক অভিযান চালানো হবে কি না—এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা ছাড়া আমাদের কোনো পথ নেই।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মনোযোগ সরাতে ভারতকে দোষারোপ করছে পাকিস্তান
ভারতীয় সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পাকিস্তানের অনানুষ্ঠানিক পরিকল্পনায় কোনো সারকথা নেই। দেশটির সরকার অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক সৃষ্টি করতে চাইছে। সম্প্রতি পাকিস্তানি সংগঠন জামাত উদ দাওয়ার প্রধান হাফিজ সাইদ জনসমাবেশে এ নিয়ে কথা বলেছেন। নয়াদিল্লির দাবি অনুযায়ী, ২০০৮ সালে মুম্বাই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী এই হাফিজ সাইদ।
পাকিস্তানভিত্তিক নিউজ ইন্টারন্যাশনাল পত্রিকায় ১২ মার্চ প্রকাশিত ‘ওয়াটার: এ প্রিমিনেন্ট পলিটিক্যাল ইস্যু’ শিরোনামের মন্তব্য প্রতিবেদনে আহমাদ রাফি আলম নামের একজন আইনজীবী লিখেছেন, ‘পাকিস্তানে সিন্ধু অববাহিকার পানিপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করছে সিন্ধু নদ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (আইআরএসএ)। ১৯৯১ সালের আন্তঃপ্রাদেশিক পানি চুক্তির আওতায় এ সংস্থাটি গঠন করা হয়। সংস্থাটি অভিযোগ করেছে, সিন্ধুর পানির ন্যায্য হিস্যা দিচ্ছে না পাঞ্জাব প্রদেশ। ওদিকে পাঞ্জাব কর্তৃপক্ষের দাবি, চুক্তি অনুযায়ী প্রাপ্য অংশের চেয়ে বেশি পানি আটকাচ্ছে না তারা।
আইআরএসএর গত দুটি বৈঠকে দেখা গেছে, পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে সিন্ধু, পাঞ্জাব ও বেলুচিস্তান প্রদেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে। তবে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী প্রচার করতে চাইছে, ভারতের কারণেই এ পানির সংকট তৈরি হচ্ছে—এমন মন্তব্য করেছেন নয়াদিল্লির কর্মকর্তারা।
সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানে সিন্ধু নদের সিংহভাগ পানি ব্যবহারকারী পাঞ্জাব প্রদেশের সঙ্গে সিন্ধু ও বেলুচিস্তান প্রদেশের দ্বন্দ্ব চরমে রয়েছে। পাঞ্জাবের প্রাদেশিক সরকার চশমা-ঝিলাম ও তৌনসা-পিনজাদ সংযোগখাল খনন প্রকল্প গ্রহণ করায় অন্য দুটি প্রদেশে সিন্ধু নদের পানিপ্রবাহ কমে যাবে। সিন্ধু প্রদেশের কর্মকর্তারা চশমা-ঝিলাম প্রকল্প নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন এবং তা বাতিল করার জন্য পাঞ্জাবের প্রতি দাবি জানিয়েছেন। এ জন্য তাঁরা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানিকেও হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে গম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সিন্ধু থেকে আরও পানি পাওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়েছে পাঞ্জাবও।
পাকিস্তানের পানিসংকটের জন্য ভারত যে দায়ী নয়, তা পাকিস্তানের পানিসম্পদমন্ত্রী রাজা পারভেজ আশরাফের বক্তব্য থেকেই বোঝা যায়। গত মাসে পার্লামেন্ট অধিবেশনে রাজা পারভেজ আশরাফ বলেছেন, ঝিলাম ও চেনাব নদীতে বাঁধ নির্মাণের অধিকার ভারতের রয়েছে। পাকিস্তানের পানি বিশেষজ্ঞ এ এন আব্বাসি বলেছেন, সিন্ধু নদের পানি চুরি বন্ধ করা না হলে প্রদেশগুলোর মধ্যে লড়াই শুরু হতে পারে। আরেক পানি বিশেষজ্ঞ নাজির মেনন জানান, সিন্ধু নদ থেকে অতিরিক্ত পানি পেতে পাঞ্জাব ১৬টি ‘ব্যারাজ’ ও দুটি ‘ড্যাম’ নির্মাণ এবং দুটি খাল খনন প্রকল্প হাতে নিয়েছে।
১৯৬০ সালে দুই দেশের মধ্যকার ‘সিন্ধু পানি চুক্তি’ অনুযায়ী পাকিস্তানের অধিকার রয়েছে সিন্ধু, ঝিলাম ও চেনাব নদীর ওপর। আর রাভি, বিয়াস ও সুতলেজ নদীর অধিকার ভোগ করবে ভারত। অনানুষ্ঠানিক পরিকল্পনাপত্রে নতুন কোনো জলবিদ্যুৎকেন্দ্র বা সেচ প্রকল্প সম্পর্কে পাকিস্তানকে যথাসময়ে তথ্য দেওয়ার জন্য ভারতের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে ভারতীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চেনাব, ঝিলাম ও সিন্ধুতে প্রায় ৩৩টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ব্যাপারে ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদকে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করেছে নয়াদিল্লি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে ‘বিশেষ সম্পর্ক’ নেই
প্রতিবেদনের সারমর্ম তুলে ধরে কমিটির চেয়ারম্যান মাইক গেপস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অবশ্যই সুসম্পর্ক বজায় রাখবে ব্রিটেন, তবে যেসব ক্ষেত্রে ব্রিটেনের স্বার্থ সংরক্ষিত হবে না, সেসব ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনকে অবশ্যই ‘না’ বলতে হবে লন্ডনকে। তিনি আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিশেষ সম্পর্কের ধারণাটি ভুল। এটি পরিহার করা উচিত।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৬ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইন্সটন চার্চিল যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের মধ্যে বিশেষ সম্পর্কের ধারণাটির প্রথম সূত্রপাত করেন।
মাইক গেপস বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ওপর প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত আশাবাদের জন্য ইউরোপ ও ব্রিটিশ রাজনীতিবিদেরাই দায়ী। আমাদের বাস্তবভিত্তিক চিন্তাভাবনা করতে হবে। বিশ্বায়ন ও ভূরাজনীতিতে পরিবর্তনের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে, এটা আমাদের মেনে নিতে হবে।’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সমর্থন না থাকা সত্ত্বেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। এ যুদ্ধ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। ইরাক যুদ্ধের সময় ব্রিটেনের আচরণ দেখে মনে হয়েছে, তারা দাসত্ব মনোভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করেছে। ইরাক যুদ্ধে ব্রিটেনের এ ধরনের ভূমিকা ব্রিটিশ নাগরিক ও অন্য দেশের মানুষকে ব্যাপকভাবে নাড়া দিয়েছে। এতে ব্রিটেনের স্বার্থ ও নামধামে চরম প্রভাব পড়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অতীতের যেকোনো মার্কিন প্রশাসনের চেয়ে বর্তমান ওবামা প্রশাসন ব্রিটেনের সঙ্গে অনেকটা বাস্তবভিত্তিক সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নরেন্দ্র মোদিকে ১০ ঘণ্টা জেরা সন্তুষ্টি এসআইটি প্রধানের
নরেন্দ্র মোদিকে গুজরাটে মুসলিমবিরোধী দাঙ্গা সম্পর্কে গত শনিবার ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে এসআইটি। ২০০২ সালে ওই দাঙ্গায় প্রায় দুই হাজার মুসলিম নিহত হয়।
এসআইটির প্রধান রাঘবন গতকাল রোববার বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জিজ্ঞাসাবাদ তদন্তের অগ্রগতির দিকে “একটি বড় ধরনের পদক্ষেপ”। আমরা সন্তুষ্ট। আশা করি, নির্ধারিত ৩০ এপ্রিল বা তার আগেই আদালতে প্রতিবেদন পেশ করতে পারব।’ তিনি জানান, সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (সিবিআই) সাবেক ডিআইজি এ কে মালহোত্রা দুই দফায় মুখ্যমন্ত্রী মোদিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় তাঁকে খুব ‘নির্ভার’ দেখাচ্ছিল। মুখ্যমন্ত্রী তদন্ত কর্মকর্তাদের জানান, এসআইটির প্রতি তাঁর আস্থা আছে।
মুখ্যমন্ত্রী মোদিকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে এসআইটি প্রধান রাঘবন বলেন, প্রয়োজনে তাঁকে ডাকার অধিকার এসআইটির রয়েছে। তদন্তে পুরো বিষয়টি উদ্ঘাটনের জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করা হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী মোদি সাংবাদিকদের বলেন, ‘যা বলার আমি পুরোপুরি বলে দিয়েছি। ভারতের সংবিধান ও আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমার কাজ শেষ।’
প্রশ্নোত্তরের ব্যাপারে বিস্তারিত বলতে অস্বীকৃতি জানিয়ে মোদি জানান, জিজ্ঞাসাবাদে তদন্ত দলকে সহায়তা করেছেন তিনি।
২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি গোধরায় ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডে ৫৯ জন হিন্দু তীর্থযাত্রী নিহত হন। এর জের ধরে গুজরাটে মুসলিমবিরোধী দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। এতে ২৮ ফেব্রুয়ারি কংগ্রেসদলীয় সাবেক সাংসদ এহসান জাফরি নিহত হন। তাঁর স্ত্রী জাকিয়া জাফরির অভিযোগের ভিত্তিতে মুখ্যমন্ত্রী মোদিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলো। দাঙ্গার জন্য মানবাধিকার সংগঠনগুলো বিভিন্ন সময়ে নরেন্দ্র মোদিকে দায়ী করলেও ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) অন্যতম এই নেতা এবারই প্রথম জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘নিষিদ্ধ’ সাঙ্গাকারার যুবরাজ-হতাশা
সবার নিচে থাকা সাঙ্গাকারার দলের জয় ৬ ম্যাচে মাত্র একটি। পরশু তাদের ৩৯ রানে হারিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। মনোজ তিওয়ারির ৪৭ বলে অপরাজিত ৭৫ এবং সৌরভ গাঙ্গুলীর ৪০ বলে ৫০ রানের ইনিংসে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮৩ রান তুলেছিল কলকাতা। ১৬ ম্যাচ পর আইপিএলে ফিফটির দেখা পেলেন গাঙ্গুলী। জবাবে ২০ ওভার খেলেও পাঞ্জাব করতে পারে মাত্র ১৪৪ রান। সর্বোচ্চ রান সাঙ্গাকারার, ২৭ বলে ৩০। দলের মতো অধিনায়কের নিজের অবস্থাও ভালো নয়। ৬ ম্যাচে রান করেছেন মাত্র ৯১। কিন্তু সাঙ্গাকারা হতাশ যুবরাজের পারফরম্যান্সে, ‘যুবির কাছে সবার অনেক প্রত্যাশা। ওকে দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে, তবে আমি নিশ্চিত ও ভালো করার আপ্রাণ চেষ্টা করছে।’
এ মৌসুমেই যুবরাজকে সরিয়ে দলের অধিনায়ক করা হয়েছে সাঙ্গাকারাকে। তবে অধিনায়কত্ব উপভোগ করতে পারছেন না। দলের বাজে পারফরম্যান্স তো আছেই, সমানে খালি হচ্ছে নিজের পকেটটাও। স্লো ওভাররেটের কারণে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই ২০ হাজার ডলার জরিমানা দিতে হয় তাঁকে। ২৪ মার্চ রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ম্যাচে আবারও জরিমানা, দ্বিতীয়বার একই ‘অপরাধের’ জন্য এবার দিতে হয় ৪০ হাজার ডলার, আর বাকি সতীর্থদের সবার ১০ হাজার ডলার। সর্বশেষ কলকাতার বিপক্ষে ম্যাচে আবারও স্লো ওভাররেট, নিয়ম অনুযায়ী এবার এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ। আগামীকাল পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দল মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে ম্যাচটিতে বাইরেই বসে থাকতে হবে সাঙ্গাকারাকে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ম্যাককালামও ছেড়ে দেবেন টেস্ট
মুখে ক্রিকেটাররা যতই বলুন, ‘সবার আগে দেশ, আমি দেশের হয়েই খেলতে চাই’, আইপিএল দিনে দিনে দেশপ্রেম আর টাকা—এই দুইয়ের মাঝখানের ব্যবধানটা বড় করে তুলছে। অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফের পথ ধরে ব্রেট লি আর শেন বন্ডরা তো টেস্ট ক্রিকেটই ছেড়ে দিয়েছেন। বন্ডের সতীর্থ ম্যাককালাম টেস্ট না ছাড়লেও পাঁচ দিনের ক্রিকেটে আর উইকেটকিপিং করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এদিকে নিউজিল্যান্ডের একটি সংবাদমাধ্যম খবর দিয়েছে, আগের টেস্টে সেঞ্চুরি করা ম্যাককালাম নাকি শুধু টি-টোয়েন্টি খেলার কথা ভাবছেন!
নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের (এনজেডসি) প্রধান নির্বাহী জাস্টিন ভন বাস্তব অবস্থাটা বুঝতে পারছেন। তাঁর নিজেরই হিসাবে আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে পরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে ৩০০ দিনই নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটারদের মাঠে থাকতে হবে। ‘বাড়িতে সময় কাটানোর সময়ই খুব একটা ওরা পাবে না। হ্যাঁ, ঠিক আছে, এ সময় ওরা টাকাও কামাবে প্রচুর। কিন্তু স্ত্রী আর পরিবারও তো আছে। এই দলের অনেকেরই আবার নতুন সংসার। আমাদেরও নিশ্চিত করতে হবে, দলের মূল খেলোয়াড়দের যেন যথাসম্ভব খেলানো যায়’—বলেছেন ভন।
খেলোয়াড়দের ধাপে ধাপে বিশ্রাম দেওয়া যায় কি না, এখন সেই চিন্তাভাবনা করছে এনজেডসি। জাস্টিন ভন জানিয়েছেন, ‘কদিন পর পর খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দরকার। এটা চালু করার জন্য আমরা ভাবছি। এখন প্রচুর ক্রিকেট হচ্ছে, এই বাস্তবতা তো আমরা অস্বীকার করতে পারি না। তাই ওদের যদি বিশ্রাম দরকার হয়, আমাদের সেটি দিতেই হবে।’
২০১০-১১ মৌসুমের জন্য ক্রিকেটারদের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করতে যাচ্ছে এনজেডসি। ধারণা করা হচ্ছে, আইপিএলে খেলা ক্রিকেটারদের পক্ষ থেকে এ নিয়ে একটা জোরাল আপত্তি উঠতে পারে। গতবারও আইপিএল চলার সময় অস্ট্রেলিয়া সফর নিয়ে আপত্তি তোলা হয়েছিল। এখন গুঞ্জন, কোনো কোনো ক্রিকেটার ‘ফ্রি-ল্যান্স’ পদ্ধতি বেছে নিতে পারেন। আইপিএলের প্রথম আসরের প্রথম ম্যাচে অপরাজিত ১৫৮ রানের ইনিংস খেলা ম্যাককালামের নামটাই আসছে সবার আগে।
ভনও স্বীকার করলেন, ‘আমরা ব্রেন্ডনের সঙ্গে কথা বলেছি। ওর ওপর দিয়ে আসলেই খুব চাপ যাচ্ছে। এই শীতে আমরা ওর সঙ্গে কথা বলব কী করা উচিত না-উচিত এটা নিয়ে।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সবার ওপরে মুম্বাই
বাকি কাজটা করেন লাসিথ মালিঙ্গা আর জহির খান। দুজনই নিয়েছেন তিনটি করে উইকেট। মালিঙ্গা দিয়েছেন ১২ রান, জহির ২১। ১৪ বল বাকি থাকতেই ১৩১ রানে অলআউট অ্যাডাম গিলক্রিস্টের ডেকান।
এই জয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে এল মুম্বাই। ৬ ম্যাচে ৫ জয়ে ১০ পয়েন্ট তাদের। সমান ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ব্যাঙ্গালোর। কলকাতা আর দিল্লির সঙ্গে সমান ছয় পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে ডেকান।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৭ বছর পর মার্শেই
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউসুফকে হারাতে চান না আফ্রিদি
অস্ট্রেলিয়া সফরের ব্যর্থতায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) যে সাত ক্রিকেটারের ওপর কোপ চালিয়েছে, ইউসুফ তাঁদের একজন। ইউনুস খান আর তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে অনির্দিষ্টকালের জন্য। শোয়েব মালিক ও রানা নাভেদ-উল হাসানের বহিষ্কারাদেশ এক বছরের। এ ছাড়া শহীদ আফ্রিদি ও আকমল ভাইদের বহিষ্কারাদেশ ছয় মাসের। শাস্তির এই সিদ্ধান্ত মানতে না পেরেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নেন ইউসুফ। ধারণা করা হচ্ছে, হয়তো আজই অবসরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন তিনি।
ইউসুফকে অবসরের ভাবনা থেকে ফেরানোর শেষ চেষ্টা চালাচ্ছেন শহীদ আফ্রিদি। তাঁর আশা, সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবেন ইউসুফ, ‘ইউসুফ আবেগের বশবর্তী হয়েই সিদ্ধান্তটা নিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। তবে আমার ধারণা, সে অবশ্যই বিষয়টা আরেকবার ভেবে দেখবে। পাকিস্তানের ক্রিকেটকে এখনো অনেক কিছু দেওয়ার আছে তার।’ ইউসুফের মতো একজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের এমন আবেগপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন আফ্রিদি, ‘সাম্প্রতিক ঘটনাবলিই হয়তো ইউসুফকে এমন সিদ্ধান্তের দিকে ঠেলে দিয়েছে। বহিষ্কারাদেশের ঘটনায়ও নিশ্চয়ই হতাশ। তবে তাঁর মতো একজন সিনিয়র ক্রিকেটারের এমন পরিস্থিতি সামলে নেওয়া উচিত। আবেগের বশবর্তী হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া তাঁর উচিত হবে না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রথম ম্যাচে হার মোহামেডানের
ফয়সাল হোসেন করেছেন ৩৫ রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে মোহামেডান ৭ উইকেট হারিয়ে করে ১২৪ রান। সর্বোচ্চ ৩৭ রান করে পিসিএলে ভালো কিছু করার ইঙ্গিত দিয়েছেন আশরাফুল। জাতীয় দলের ঢোকার সংগ্রামটাকে অন্তত উজ্জ্বল করে রাখলেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক। তবে তাঁর ৩৬ বলের এই ইনিংস ম্যাচ জেতাতে পারেনি মোহামেডানকে। মোক্তার আলী ও নাসির হোসেন দুটি করে উইকেট পান।
টপ স্পোর্টস পাকিস্তানি তৌফিক উমরের ৪৭ ও শাহরিয়ার নাফীসের অপরাজিত ৩৯-এর সুবাদে ৮ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছে, তৌফিক ম্যাচসেরা।
বিমানের শোচনীয় হার: একসময় বিমানের রান ছিল ৭ উইকেটে ৬০। অষ্টম উইকেটে হাসানুজ্জামান ও মনোয়ার ৪৩ রান যোগ করলেও তা যথেষ্ট ছিল না। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে হাসানুজ্জামান আউট হলেন ব্যক্তিগত ৬৩ রানে। ৯ উইকেটে ১২৬ রান তুলল বিমান। টি-টোয়েন্টিতে এই রান আর যা-ই হোক, জয়ের নিশ্চয়তা দেয় না মোটেও। ভারতের বেঙ্গল টাইগারস সেটাই মনে করিয়ে দিল। ২২ বল হাতে রেখে তারা জিতল ৭ উইকেটে। ম্যাচ সেরা বেঙ্গল টাইগারসের অধিনায়ক দীপ দাশগুপ্ত।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
মোহামেডান: ২০ ওভারে ১২৪/৭ (আশরাফুল ৩৭, ফয়সাল ৩৫, শোয়েব মালিক ১১, ব্লিজার্ড ৫; মোক্তার আলী ৪-১৮-০-২, নাসির হোসেন ৪-০-১৬-২, সাকিব ৪-০-৩০-০)। টপ স্পোর্টস: ১৬.৪ ওভারে ১২৬/২ (তৌফিক উমর ৪৭, শাহরিয়ার ৩৯*, সাকিব ১৪)।
বিমান: ১২৬/৯ (২০ ওভার)—হাসানুজ্জামান ৬৩, মনোয়ার ১৩; সঞ্জয় ১৮/৩, রণদীপ ২৫/২। বেঙ্গল টাইগারস: ১২৮/৩ (১৬.২ ওভার)—দীপ দাশগুপ্ত ৫৪, রশ্মি রঞ্জন ৩৮; শরীফুল ৩৪/২, রবিন ১৮/১
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দ্বিতীয় পর্বে বদলাবে কিছু
বদলানোর আপাত কোনো জোরালো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ‘ঠেলাগাড়ি চলছে, চলুক’—মোটের ওপর এই হলো আয়োজক বাফুফে আর ক্লাবগুলোর মানসিকতা।
বাফুফে একবারে কিছুই করছে না, তা অবশ্য বলার সুযোগ নেই। বাংলাদেশ লিগ কমিটির ম্যানেজার আবু নাঈম কাল জানিয়েছেন, বাফুফের পক্ষ থেকে দ্বিতীয় পর্ব শুরুর আগে ঢাকার বাইরের ক্লাবগুলোকে চিঠি দিয়ে ভেন্যু ব্যবস্থাপনা, মাঠ এবং পেশাদারির আবশ্যকীয় উপাদানগুলো নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, এই পর্বে আর বিরতি দেওয়া হবে না। জুনের প্রথম সপ্তাহে লিগ শেষ করার লক্ষ্য। সেজন্যই হয়তো প্রথম দিনেই রাখা হয়েছে চারটি ম্যাচ।
প্রথম পর্বের লম্বা সময় লিগের আকর্ষণ কমিয়ে দিয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা অবশ্যই ভালো মাঠের অভাব। ফুটবলার হাসান মাল মামুন চট্টগ্রামের মাঠকে তো তুলনা করেছেন খটখটে রাস্তার সঙ্গে! সিলেট স্টেডিয়ামে খেলে ঢাকা মোহামেডান বলেছে, ধুলাবালি ওড়ে ওই মাঠে। ওটা আদতে মাঠই নয়! নারায়ণগঞ্জ শুকতারার মাঠ খুবই ছোট, শক্ত এবং অসমান। সবচেয়ে বেশি কথা হয়েছে সিলেট ভেন্যু নিয়ে। প্রথম পর্বে সেখানে খেলতে গিয়ে নিরাপত্তাহীন ছিল মোহামেডান এবং তারা স্থানীয় সংগঠক-দর্শকের মারমুখী আচরণের শিকার হয়েছে।
‘আর যা-ই হোক, ঢাকার বাইরে নিম্নমানের মাঠে পেশাদার লিগ হয় না’—ক্ষোভ আবাহনী কোচ অমলেশ সেনের। মোহামেডান গোলরক্ষক আমিনুল বলেছেন, ‘এসব মাঠে খেলে ফুটবলের কোনো উন্নতি হবে না!’
দ্বিতীয় পর্ব শুরুর দিনে চারটি ম্যাচের তিনটিই ঢাকার বাইরে। অথচ সেখানে প্রতিনিধি পাঠাতে বাফুফের সক্রিয় এবং পরিপূর্ণ উদ্যোগ নেই! জানা গেছে, ফেনীতে কেউ যাবে না। সিলেটে একজন যাবে। নারায়ণগঞ্জে একজন যেতে পারেন, তবে নিশ্চিত নয়। পেশাদার লিগ নিয়ে বাফুফে কীভাবে এগোচ্ছে, তা কি আর বলার দরকার আছে!
প্রথম পর্বে মাঠে ডাক্তার-অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যায়নি (বিশেষ করে ঢাকার বাইরে)। ম্যাচ কমিশনারের সামনে কোনো একজনকে ডাক্তার বলে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ আছে। খেলোয়াড় আহত হওয়ার পর দেখা গেল, ডাক্তার-অ্যাম্বুলেন্স নেই!
দ্বিতীয় পর্বে এই সমস্যা আর থাকবে না, দাবি বাফুফের। ম্যাচ কমিশনারের চিঠি দিয়ে লিগ কমিটি বলেছে, ডাক্তার-অ্যাম্বুলেন্স নিশ্চিত না করে তারা কোনোভাবেই দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচ শুরু করতে পারবে না।
মাঠের লড়াই বরাবরের মতো সীমাবদ্ধ আবাহনী-মোহামেডানের মধ্যে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডানেকে (১২ ম্যাচে ৩০) ৪ পয়েন্ট পেছনে রেখে এগিয়ে আছে আবাহনী (১২ ম্যাচে ৩৪ পয়েন্ট)। আজ সিলেটে আবাহনী, ফেনীতে মোহামেডান মাঠে নামছে।
মধ্যবর্তী দলবদলে তেমন সাড়া নেই। আবাহনী-মোহামেডান নতুন খেলোয়াড় নেয়নি। বিদেশি খেলোয়াড় নিবন্ধনের সময় আগামীকাল পর্যন্ত। আবাহনী একজন আফ্রিকানকে দলে নিতে পারে। মোহামেডান নিতে পারে গতবার খেলে যাওয়া মিসরীয় খেলোয়াড় হাজেমকে।
খেলোয়াড়েরা নিয়ম-নীতি মানছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। সিলেট বিয়ানীবাজার তাদের খেলোয়াড় ফয়সাল মাহমুদ ও রেজাউল করিমের (বিপ্লব) বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে নিরুদ্দেশ হয়ে যাওয়ার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে বাফুফের কাছে। এমন অভিযোগ আরও আছে!
বরাবরের মতো পাতানো খেলার আশঙ্কা বেশি থাকছে এই পর্বে। পাতানো খেলা বন্ধ করার সুনির্দিষ্ট উপায় এখনো বের করতে পারেনি বাফুফে। তবে এই পর্বের ম্যাচগুলো ভিডিও করার নিশ্চয়তা দিয়েছে বাফুফে। দেখা যাক, পেশাদারির চর্চা কতটা হয় এই পর্বে!
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অব্যবস্থাপনার মধ্যেই পিসিএলের যাত্রা by প্রণব বল
ভিসা-জটিলতা, সম্প্রচার নিয়ে দুর্ভাবনাসহ আরও অনেক বিশৃঙ্খলার পর টুর্নামেন্টটা কাল শেষ পর্যন্ত মাঠে গড়ালেও অব্যবস্থাপনা এখনো রয়েই গেছে। সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের যুক্তি দিয়েছেন আয়োজকেরা। দিয়েছেন সব ঠিক হয়ে যাওয়ার আশ্বাস। অথচ অব্যবস্থাপনা আর সমন্বয়হীনতা থেকে টুর্নামেন্টটাকে খেলা শুরুর দিনও মুক্ত করা যায়নি। কাল এসবের সঙ্গে যোগ হয়েছে দর্শকখরার হতাশাও। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে কিছুটা ভরে উঠেছিল গ্যালারি।
২০০টি ওয়ানডে ম্যাচ বুকে ধরার গৌরব শারজা স্টেডিয়ামের। একসময় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের উত্তেজনায় ফুঁসে উঠত এই স্টেডিয়ামের গ্যালারি। প্রেসবক্সে পদধূলি পড়েছে কত না ক্রিকেটপণ্ডিতের। পিসিএল কাভার করতে আসা সাংবাদিকদের মতো বিড়ম্বনায় নিশ্চয়ই পড়তে হয়নি কারোই। ভিসা-জটিলতা পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে শারজায় উড়ে আসা সাংবাদিকেরা এখানে এসে মুখোমুখি হচ্ছেন নিত্যনতুন ঝামেলার। ইন্টারনেট সুবিধা অপ্রতুল। ছোট্ট একটা ঘরে ইন্টারনেট-ব্যবস্থা থাকলেও সেটার সেবা নিতে সাংবাদিকদের মধ্যে শুরু হয় মিউজিক্যাল চেয়ার প্রতিযোগিতা। ধুলোমলিন বসার চেয়ার। আর স্কোরার তো ছিলই না প্রেসবক্সে। গত ২৫ মার্চ স্টেডিয়ামে প্রথম ঢুকেই বাংলাদেশি সাংবাদিকেরা প্রেসবক্স পরিষ্কার ও পর্যাপ্ত ইন্টারনেট-সেবা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। আয়োজকেরা আশ্বাস দিয়েছিলেন, ‘হয়ে যাবে হয়ে যাবে, কিচ্ছু চিন্তা করবেন না।’ গলাবাজিই সার। দেশে বসে যারা টেলিভিশনে খেলা দেখেছেন শারজায় আসা সাংবাদিকদের চেয়ে ভাগ্যবানই বলতে হবে তাদের।
শারজা ক্রিকেট ক্লাবকে এসব কারণে দোষ দেওয়ার উপায় নেই। পিসিএলের জন্য তারা মাঠ আর অন্যান্য অবকাঠামো ভাড়া দিয়েছে বাংলাদেশি আয়োজকদের। অব্যবস্থাপনার পুরো দায়-দায়িত্ব তাই পিসিএল কর্তৃপক্ষেরই। টুর্নামেন্ট শুরুর দিনে নতুন অভিযোগ তুলল টপ স্পোর্টস ক্লাব—মোহামেডান নাকি কোটার বাইরের ক্রিকেটার খেলিয়েছে প্রথম ম্যাচে!
স্থানীয় সময় বিকেল তিনটায় মোহামেডান-টপ স্পোর্টসের ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছে টুর্নামেন্ট। বেলুন উড়িয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী খন্দকার মোশারফ হোসেন। ভিসা-জটিলতায় মমতাজের দেখা না মিললেও শিরিনের পাঞ্জাবীওয়ালা কিংবা মিলার ‘কোমর দোলাইয়া’ গানের সঙ্গে চিয়ারগার্লরা নেচেছেন। প্রথম ম্যাচের পর ৪০ মিনিটের বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানে ছিল শিশুদের ডিসপ্লে, অ্যারাবিক ও আফ্রিকান গান আর নৃত্য। প্রায় শূন্য গ্যালারিতে যে অল্পসংখ্যক দর্শক বসেছিল, এসবে হয়তো কিছুটা মন জুড়িয়েছে তাদের। তবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যদের মেলা একটু বাড়াবাড়িই মনে হয়েছে।
এই টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত একমাত্র আশা-জাগানিয়া কাজটি করেছে এটিএন বাংলা। শনিবার রাতে শারজায় পৌঁছেই তারা প্রথম দিন থেকে ম্যাচের সম্প্রচার নিশ্চিত করেছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বাধীনতা দিবস ক্রিকেট
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিরোপা ইকরামুলের
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পশ্চিমবঙ্গের কাছে হার বাংলাদেশের
কাল শেষ দিনে বাংলাদেশ মাত্র ১টি সোনা জিতেছে। তাও আবার কাবাডিতে হয়েছে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন! বাকি ১২টি ইভেন্টেই সোনা গেছে পশ্চিমবঙ্গে। মেয়েদের ফুটবলে আগের দুই দিন গোলশূন্য ড্র করলেও কাল আদুরির হ্যাটট্রিকে পশ্চিমবঙ্গের কাছে ৩-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। বাস্কেটবল ও খো খোতেও রুপা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদের।
এবারের ইন্দো-বাংলা গেমসে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাফল্য এসেছে শ্যুটিংয়ে। মোট ১১টি সোনার মধ্যে ৯টিই জিতেছে বাংলাদেশ। ব্যর্থ বলতে শুধুই আসিফ হোসেন। এসএ গেমসের ব্যর্থতার পর সাঁতারে নিজেদের প্রমাণের সুযোগ ছিল এই গেমসে। সেই সুযোগটা অবশ্য কাজে লাগিয়েছেন পার্ক তে গুনের শিষ্যরা। ১৪টি ইভেন্টের মধ্যে ১০টিতে সোনা জিতেছেন তাঁরা। তবে বরাবরের মতো এবারও ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন অ্যাথলেটরা। ১৮টি ইভেন্টের মাত্র ৭টিতে জিতেছে বাংলাদেশে। অথচ গতবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত গেমসেও ৯টি সোনা জিতেছিল বাংলাদেশ। তবে এই ফলেও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, ‘এসএ গেমসে আমরা প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে পারিনি এটা সত্যি। কিন্তু এসএ গেমসের সঙ্গে তো এটার তুলনা করা যায় না। তবু বলব, আমরা ইন্দো-বাংলা গেমসে ভালোই করেছি। আমরা বেশ কয়েকটি ইভেন্টে ওদের টেকনিকের কাছে হেরে গেছি।’
অ্যাথলেটিকসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ইভেন্ট দ্রুততম মানব-মানবীর খেতাবটা এবারও গেছে পশ্চিমবঙ্গে। তবে শ্যুটিংয়ের সাফল্যে দারুণ খুশি শ্যুটিং ফেডারেশন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিন ম্যাচ পর কলকাতার জয়
মোহালিতে এসে রানের দেখাও পেয়েছেন সৌরভ। কাল প্রথমে ব্যাট করে মনোজ তিওয়ারী ও সৌরভ গাঙ্গুলীর জোড়া হাফ সেঞ্চুরিতে ৫ উইকেটে ১৮৩ রান তোলে কলকাতা। ৪০ বলে ৬টি চার ও ১টি ছক্কায় ৫০ রান করেন সৌরভ। ৪৭ বলে ৮টি চার ও ২টি ছক্কায় সাজানো ছিল মনোজের অপরাজিত ৭৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস।
জবাবে খেলতে নেমে ৬ উইকেটে শেষ পর্যন্ত ১৪৪ রান তুলতে পারে পাঞ্জাব। অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারা করেন সর্বোচ্চ ৩০ রান। ওয়েবসাইট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: কলকাতা: ২০ ওভারে ১৮৩/৫ (মনোজ ৭৫*, সৌরভ ৫০, ম্যাথুস ১৯, গেইল ১৪; শ্রীবাস্তব ২/২৩, ইরফান ২/৪২, পীযুষ ১/৩৫)। পাঞ্জাব: ২০ ওভারে ১৪৪/৬ (সাঙ্গাকারা ৩০, যুবরাজ ২৪, বিসলা ২২, ইরফান ২২, গোয়েল ১৮*; বন্ড ২/২৪, আগারকার ২/৩৩, গেইল ১/২৩, ম্যাথুস ১/২৬)। ফল: কলকাতা ৩৯ রানে জয়ী।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বড় লক্ষ্যেই স্ট্রাউসের ছোট ত্যাগ
গুরুত্ব বিবেচনা করলে আসলে বাংলাদেশ সফরটা খুব বড় কিছু ছিল না ইংল্যান্ডের জন্য। তাদের কাছে এর চেয়ে ঢের গুরুত্বপূর্ণ আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় অ্যাশেজ আর ২০১১ বিশ্বকাপ। স্ট্রাউসও বাংলাদেশে না আসার কারণ হিসেবে সেসবই টেনে এনেছেন সামনে, ‘আমি জানি, অধিনায়ককে সব সময় সামনে থাকতে হয়। তারপরও ইংল্যান্ডের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করলে আমি আমার সিদ্ধান্তকে ঠিকই মনে করি। সামনের দিনগুলো আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের জন্য অ্যাশেজ অনেক বড় সিরিজ। ওয়ানডের কথা বললে বিশ্বকাপও বড় ব্যাপারই।’ স্ট্রাউস একা নন, অ্যালিস্টার কুকের নেতৃত্বাধীন দলে তরুণ ক্রিকেটারদের সুযোগ দিতে বাংলাদেশ সফরে আসেননি পেসার জেমস অ্যান্ডারসনও।
অ্যাশেজ ধরে রাখতে যে প্রাণশক্তি, যে ছন্দ প্রয়োজন এই কয়দিনের বিশ্রামে সেটা বাড়বে বলেই ধারণা ইংল্যান্ড অধিনায়কের, ‘আমি আন্তরিকভাবেই বিশ্বাস করি, বছরের শেষ দিকে এর সুফল মিলবে। বিশ্রামে কাজ হয়েছে। আমি এখন অনেক সতেজ, মাঠে ফিরতে প্রস্তুত। খেলার জন্য আর তর সইছে না।’
বাংলাদেশ সফরে টুকটাক ভুল হয়তো ছিল কুকের নেতৃত্বে, তবে সেসব না ধরে স্ট্রাউস তাঁর প্রশংসাই করছেন। বাংলাদেশ সফরে স্টিভ ফিন আর টিম ব্রেসনানের পারফরম্যান্সও মুগ্ধ করেছে তাঁকে।্রতবে অ্যাশেজের আগে দলের সবার প্রতিই তাঁর আহ্বান, ‘অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে জিততে হলে অনেক কিছুতেই আমাদের অসাধারণ উন্নতি আনতে হবে। যেটা সম্ভবত এখনো পারিনি আমরা। আগামী নটা মাস কাজে লাগিয়ে কীভাবে আমরা নিজেদের আরও ভালো করতে পারি, তা নিয়ে আমার কিছু পরিকল্পনা আছে। সেটি কাজে লাগানোর সময়ও হয়ে গেছে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রডকে লাগাম পরাতে বললেন ফ্রেজার
গত দক্ষিণ আফ্রিকা সফরেও বেশ কয়েকবার প্রকাশ্যে আম্পায়ারদের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। ‘বাবা ম্যাচ রেফারি বলেই বড় শাস্তির হাত থেকে বারবার বেঁচে যাচ্ছেন’—এমন অভিযোগ আগেই তুলেছেন সুনীল গাভাস্কার। এসব দেখেশুনে ফ্রেজার বলেছেন, ‘আমার মনে হয়, ব্রডের উচিত বল্গাহীন আচরণে লাগাম পরানো। দক্ষিণ আফ্রিকায়ও সে কয়েকবার এমন করেছে।’ ইংল্যান্ড অধিনায়কেরও ব্রডকে একটু বোঝানো উচিত বলে মনে করেন ইংল্যান্ডের হয়ে ৪৬ টেস্টে ১৭৭ উইকেট নেওয়া ফ্রেজারের, ‘মাঠে সবাই আবেগ এমনভাবে ঢেলে দেয় যে এমন অনেক কিছু হয়ে যায়, যার জন্য পরে আফসোস করতে হয়। তবে সবকিছুই শিক্ষার অংশ। আমার মনে হয়, অধিনায়কের উচিত ওকে এক পাশে নিয়ে গিয়ে বোঝানো কীভাবে কী করা উচিত।’
অধিনায়ক অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস অবশ্য নিশ্চিত নিজেকে শুধরে নেবেন ব্রড, ‘আমি যেহেতু বাংলাদেশে ছিলাম না, আমার পক্ষে তাই মন্তব্য করা মুশকিল। ম্যাচ রেফারি তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেননি, কিন্তু নিশ্চিতভাবেই ওকে একটু সতর্ক হতে হবে। আমি অবশ্য মনে করি সে নিজেই ভুলটা বুঝতে পারবে এবং নিজেকে শুধরে নেবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফুটবলের আকাঙ্ক্ষা পাতানোমুক্ত খেলা
এই আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিমূলে আগের তিক্ত অভিজ্ঞতা। এমন দল পাওয়া কঠিন, যারা পাতানো খেলেনি বলে দাবি করতে পারে। কিন্তু কথিত ‘প্রমাণের’ অভাবে বরাবরই বিষয়টা থেকে গেছে পর্দার আড়ালে।
এবার কি প্রকাশ্যে আসবে? কেউ পাতানো খেলা খেললে কার্যকর শাস্তির ব্যবস্থা থাকবে? প্রশ্নগুলো নতুন করে উঠে আসছে তৃতীয় পেশাদার লিগের ফিরতি পর্ব শুরুর আগে। আগামীকাল এই পর্ব শুরু হচ্ছে এবং অনেকের শঙ্কা—ফিরতি পর্বে দেদার পয়েন্ট কেনাবেচা চলবে। কেউ চ্যাম্পিয়ন হতে, কেউ অবনমন ঠেকাতে পাতানো খেলবে। যার যেমন দরকার!
বাফুফে কর্তাদের সঙ্গে কথা বললে তারা ব্যাপারটা স্বীকার করে নেন, ‘হ্যাঁ, পাতানো হতে পারে এবারও।’ কিন্তু ফলপ্রসূ উদ্যোগ নেওয়ার প্রসঙ্গ এলেই তাঁরা চুপসে যান। অতীতে বহুবার উদ্যোগ নিয়েও এটা প্রমাণ করা যায়নি বলে এড়িয়ে যান কর্তারা।
তবে কাল জানা গেল, বাংলাদেশ লিগের দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচগুলো ভিডিও করা হবে (প্রথম পর্বে ভিডিও হয়নি)। এটা একেবারেই প্রাথমিক একটা উদ্যোগ, তবে তা খেলা পাতানোমুক্ত লিগের নিশ্চয়তা কি দিতে পারছে? বাংলাদেশ লিগ কমিটির চেয়ারম্যান সালাম মুর্শেদী বলছেন, ‘আমরা দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচ ভিডিও করব। তারপর প্রয়োজনে পুলিশি তদন্তে যাব।’
পুলিশি তদন্ত! সে সুদূরপরাহত এক ব্যাপার। গতকালই বাফুফের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান লিগ কমিটির কর্মকর্তা আনোয়ারুল হকের (হেলাল) দেওয়া তথ্যটা হতে পারে এর অকাট্য প্রমাণ।
‘আমি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক থাকার সময় প্রথম পেশাদার লিগে আবাহনী-মোহামেডানের ম্যাচসহ সাতটি ম্যাচ তদন্ত করতে ঢাকা মহানগরের তত্কালীন পুলিশ কমিশনারকে চিঠি দিয়েছিলাম। পরপরই ফেডারেশন থেকে পদত্যাগ করলাম, এ বিষয়ে আর কোনো অগ্রগতি হয়নি। অগ্রগতি না থাকলে এ ধরনের বিষয়ে পুলিশ আগ বাড়িয়ে কিছু করবে না’—বলছিলেন দীর্ঘদিন ধরে ঘরোয়া ফুটবলে পাতানো ম্যাচ দেখে আসা আনোয়ারুল হক।
পাতানো খেলা প্রমাণে পুলিশি তদন্তই এখন বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে কার্যকর পন্থা। সম্প্রতি মিয়ানমার, মালয়েশিয়া, চীনে পুলিশি তদন্তে পাতানো খেলা প্রমাণিত হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী শাস্তি পেয়েছে অভিযুক্তরা। কিন্তু বাংলাদেশে গুরুতর এবং যৌক্তিক অভিযোগ উঠলেও উল্টো ‘পাতানো হয়নি’ সার্টিফিকেট পাওয়া যায়! পেশাদার লিগেই একবার পাতানো খেলার অভিযোগ উঠলে পুলিশের সাবেক এক কর্মকর্তার নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি বলেছিল, তারা পাতানো ম্যাচের প্রমাণ পায়নি!
এবার কী হবে কে জানে। তবে ক্লাবগুলোকে চিঠি দিয়ে সতর্ক করা যায় কি না, সে ব্যাপারে লিগ কমিটির এক কর্মকর্তা প্রস্তাব রাখবেন বলে জানিয়েছেন গতকাল। কমিটির চেয়ারম্যান সালাম মুর্শেদীর ভাবনা অবশ্য ভিন্ন, ‘ক্লাবগুলোকে আগেই পাতানো খেলো না বলা মানে পাতানো খেলার বিষয়টা মনে করিয়ে দেওয়া। তাই চিঠি দেওয়ার দরকার নেই। তবে আমরা সতর্ক থাকব। যাতে কেউ পাতানো খেলা খেললে ধরা পড়ে।’
ম্যাচ ভিডিও করা, পুলিশি তদন্ত—এসব ব্যবস্থা পাতানো খেলা বন্ধ করতে পারবে না বলে নিশ্চিত জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক জুয়েল রানা, ‘যত দিন পর্যন্ত ক্লাব কর্মকর্তারা পাতানো খেলা বন্ধে আন্তরিক এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হবেন না, তত দিনে কিছুই বদলাবে না!’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
March
(743)
-
▼
Mar 30
(30)
- এ কী সমাপন by দ্বিজেন শর্মা
- আইনের প্রয়োগ ও বাস্তবতা by সানজিদা সোবহান
- সবুজ বিপ্লব কি থেমে যাবে by এ এম এম শওকত আলী
- ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে নারীদের নিয়োগ দিচ্ছে সন্ত্রাসী...
- ইরানের ওপর নতুন অবরোধ চায় না তুরস্ক
- ইইউ ও লিবিয়ার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
- আরও দুই ব্রিটিশ রাজনীতিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ
- কঙ্গোতে এলআরএর গণহত্যার তথ্য ফাঁস
- তিন বছরের মধ্যে মুছে যাবে মাওবাদীরা
- ইরান আরও পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের প্রস্তুতি নিচ্ছে
- গাজায় হামাস শাসনের অবসান ঘটানো হবে
- মনোযোগ সরাতে ভারতকে দোষারোপ করছে পাকিস্তান
- যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে ‘বিশেষ সম্পর্ক’ নেই
- নরেন্দ্র মোদিকে ১০ ঘণ্টা জেরা সন্তুষ্টি এসআইটি প্র...
- ‘নিষিদ্ধ’ সাঙ্গাকারার যুবরাজ-হতাশা
- ম্যাককালামও ছেড়ে দেবেন টেস্ট
- সবার ওপরে মুম্বাই
- ১৭ বছর পর মার্শেই
- ইউসুফকে হারাতে চান না আফ্রিদি
- প্রথম ম্যাচে হার মোহামেডানের
- দ্বিতীয় পর্বে বদলাবে কিছু
- অব্যবস্থাপনার মধ্যেই পিসিএলের যাত্রা by প্রণব বল
- স্বাধীনতা দিবস ক্রিকেট
- শিরোপা ইকরামুলের
- পশ্চিমবঙ্গের কাছে হার বাংলাদেশের
- তিন ম্যাচ পর কলকাতার জয়
- বড় লক্ষ্যেই স্ট্রাউসের ছোট ত্যাগ
- ব্রডকে লাগাম পরাতে বললেন ফ্রেজার
- ফুটবলের আকাঙ্ক্ষা পাতানোমুক্ত খেলা
-
▼
Mar 30
(30)
-
▼
March
(743)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...