Sunday, February 20, 2011
ঢালাও মন্তব্য সমীচীন নয় by আবদুল মান্নান
দুজনের মধ্যে বাহাস চলতে থাকে। প্রবাসী সাংবাদিক তাঁর বিশ্বাসে অটল, আমি আমারটাতে। কেউ কাউকে টলাতে পারি না। একদিন দুজনে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করি। তারপর অনেক দিন ধরে তাঁর সঙ্গে আমার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। কদিন আগে কিছুটা হঠাৎ করেই তিনি আবার আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এবার তাঁর বাহাসের বিষয় দেশের শিক্ষাব্যবস্থা। বিশেষ করে, বলতে হলে বেসরকারি খাতে উচ্চশিক্ষা। তবে এবার তিনি প্রথমেই স্বীকার করে নেন, কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে আমাকে তিনি মেইল পাঠিয়েছেন। কারণ তিনি জানেন, আমি বেশ কয়েক বছর ধরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছি। তাঁর বক্তব্য, ইন্টারনেটে বাংলাদেশের পত্রপত্রিকা খুললেই শুধু চোখে পড়ে, বাংলাদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট বিক্রির খবর। অনেক পত্রিকায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে এমন সব খবর পরিবেশন করা হয়, যা পড়লে মনে হবে, সকালে বাজারের থলে নিয়ে আপনি বাড়ি থেকে বের হলেন, হাতিরপুল বাজার থেকে মাছ-তরকারি কিনলেন, আসার সময় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজায় থামলেন এবং বাজারের থলেটা গেটে জমা রেখে ভেতরে ঢুকে একটা স্নাতক ডিগ্রি খরিদ করে বাড়ি ফিরলেন।
তাঁর মন্তব্যের বিষয়টা যদি এমনই হয়, তাহলে কীভাবে ইদানীং বাংলাদেশের অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা ভালো ভালো বৃত্তি নিয়ে এ দেশে (কানাডা) আসছে? এ কারণেই তিনি অনেকটা বিভ্রান্ত হয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তাঁকে বলি, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শুধু কানাডা নয়, ভালো ভালো বৃত্তি নিয়ে অন্যান্য দেশেও যাচ্ছে এবং তাঁকে স্মরণ করিয়ে দিই, আজ থেকে বছর দুই আগে যে বিষয় নিয়ে তাঁর সঙ্গে আমার একটা অমীমাংসিত বাহাস ছিল, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সম্প্রতি একশ্রেণীর গণমাধ্যমের ব্যাপক একতরফা অপপ্রচারের বিষয়টাও অনেকটা একই রকম। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও বাংলাদেশে বর্তমানে একরকম ঢালাও মন্তব্যের শিকার। সাংবাদিক বন্ধুকে আরও বলি, বাংলাদেশে বর্তমানে যে ৫১টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে, তার মধ্যে সব কটি যে সরকারি আইনকানুন মেনে চলছে তা নয়। এদের বেশ কিছু আছে সত্যি সত্যি সার্টিফিকেট বিক্রির দোকান, তবে এগুলোকে সামনে রেখে সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে এককাতারে নিয়ে আসা অন্যায় হবে। যদিও ইদানীং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা হচ্ছে। তাঁকে আরও স্মরণ করিয়ে দিই, বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বয়স ১৮ বছর এবং সর্বশেষটির বয়স সর্বসাকল্যে চার। এই অল্প সময়ে গড়ে ওঠা ৫১টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ধরনের সরকারি সহায়তা ছাড়া (সরকার শুধু একটি আইন প্রণয়ন করেছে) সব বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়ার মধ্যে (জাতীয় ও উন্মুক্ত ছাড়া) ৫৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। এরা যে সবাই সঠিক শিক্ষা পাচ্ছে, তা নয়। তাঁকে স্মরণ করিয়ে দিই, একই চিত্র কিন্তু সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও। যেহেতু আমি নিজে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন দশক শিক্ষকতা করেছি, সে সম্পর্কে আমার মোটামুটি একধরনের স্বচ্ছ ধারণা আছে। বন্ধুকে বলি, উচ্চশিক্ষার সার্বিক সমস্যাটা শুধু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক নয়। সবাইকে এই সমস্যার দায়দায়িত্ব নিতে হবে। তবে প্রসঙ্গটা যেহেতু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে, তাই ডিজিটাল সংলাপটা তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখতে সচেষ্ট হই।
কয়েক মাস আগে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন তাদের ২০০৯ সালের বার্ষিক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করার পর তা সংসদেও উত্থাপিত হয়েছে। এ নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরে পত্রপত্রিকায় লেখালেখি হচ্ছে, তবে তা অনেকটা খণ্ডিতভাবে। কেউ কেউ রিপোর্টের বরাত দিয়ে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে একহাত নিচ্ছে, আবার অন্যরা একেবারে রাখঢাক না করেই বলছে, বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সার্টিফিকেট বিক্রির দোকান খুলে দেশের উচ্চশিক্ষার বারোটা বাজাচ্ছে। একটি পত্রিকা লিখেছে, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো গবেষণা হয় না। তারা আবার হিসাব করে দেখিয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ৮৯ বছরে কয়টি গবেষণা হয়েছে বা কয়টি পুস্তক প্রকাশিত হয়েছে। তারা চেষ্টা করেছে এটি দেখাতে, গবেষণা ও প্রকাশনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়ের কী করুণ হাল! তারা অবশ্য এটি উল্লেখ করেনি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক প্রথিতযশা শিক্ষক ও গবেষকের গবেষণাকর্ম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের প্রকাশক প্রকাশ করেছেন অথবা আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। একই বিষয়ের ওপর আরেকটি পত্রিকা লিখছে, বাংলাদেশের কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা হয় না এবং তার জন্য কোনো বাজেট বরাদ্দও নেই। সেখানে আবার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে কোনো উল্লেখ নেই; যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বয়স ১৮ থেকে চার, তাদের কাছে সরকার আবার পাঁচ বছরের মধ্যে এক একর অখণ্ড জমির ওপর স্থায়ী ক্যাম্পাসও চায় এবং করতে না পারলে সেগুলোকে বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। সরকারকে ১৫ শতাংশ হারে আয়করও দিতে হয় এবং গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির মূল্য বাণিজ্যিক হারে পারিশোধ করতে হয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৬ শতাংশ ছাত্রকে বৃত্তি দিয়ে পড়াতে হয়, এর পরও সেখান থেকে কোনো গবেষণাকর্ম প্রকাশিত হচ্ছে না বলে পত্রিকার শিরোনাম করা হবে—এ কেমন কথা? বন্ধুকে বলি, আসলে ওই যে আমাদের একটা অভ্যাস আছে, সবকিছু নিয়ে জেনে হোক আর না জেনে হোক, ঢালাও মন্তব্য করার, তা থেকে উচ্চশিক্ষাও মুক্ত নয়। তাঁকে আরও বলি, সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে হয়তো বলা যাবে না, কিন্তু বাস্তবে বেশ কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষণাকর্ম স্বীকৃত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এবং হচ্ছে। অনেক শিক্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনার, কনফারেন্সে উন্নতমানের গবেষণাপ্রবন্ধ উপস্থাপন করছে এবং অনেকে রেফারেন্স ও পাঠ্যবই লিখে ইতিমধ্যে সুনামও কুড়িয়েছেন। প্রবাসী বন্ধুকে আরও একটি সদ্য প্রকাশিত সংবাদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করি। বলি, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের রিপোর্টের বরাত দিয়ে একটি পত্রিকা লিখেছে, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের ভর্তি হওয়ার জন্য হাহাকার, সেখানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক আসন খালি থাকে। কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়টি আসন খালি পড়ে আছে, তারও একটি হিসাব প্রকাশ করেছে পত্রিকাটি। এই একটি বিষয়ের ওপর আরেকটি সহযোগী পত্রিকা লিখছে, ‘পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩০ হাজার আসন শূন্য’। বিস্তারিত সংবাদে লিখেছে, ‘এর মধ্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শূন্য আসনের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।’ সেই সংবাদেও কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়টি আসন শূন্য, তারও একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। বলা বাহুল্য, বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব বিষয়ে আসন খালি থাকে, দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে, সেগুলোর বেশির ভাগই বিজ্ঞান অনুষদে। এখন আমরা যেগুলোকে মৌলিক বিজ্ঞান বলি, সে বিষয়গুলোতে বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ছাত্রভর্তি ক্রমেই হ্রাস পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে একাধিক মৌলিক বিজ্ঞান বিভাগ ছাত্রাভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। এই সংবাদটি কোনো কোনো পত্রিকা ছেপেছে এই বলে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু বাজারমুখী বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেখানে মৌলিক বিজ্ঞানের ওপর তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
হ্যাঁ, কথাটি সত্য। কারণ, বাজারমুখী বিষয়গুলো পড়তে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বেশি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেখানে বাণিজ্য অনুষদের ৯০০ আসনের (আটটি বিভাগ) জন্য ৩০-৩৫ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়, তা থেকে সহজে বোঝা যায়, কোন বিভাগগুলোয় ভর্তি হতে ছাত্রদের আগ্রহ বেশি। আমরা পছন্দ করি আর না-ই করি, একজন অভিভাবক তো চাইবেন, তাঁর সন্তানটি এমন একটি বিভাগে পড়ুক, যেখান থেকে পাস করে বের হলে অন্তত তার একটা চাকরি মিলবে। সুতরাং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাজারমুখী বিভাগ খোলার মধ্যে দোষের তো কিছু দেখি না, বিশেষ করে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের সব খরচ যখন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেই জোগান দিতে হয়। তবে যাঁরা এই সংবাদগুলো তৈরি করেন, তাঁরা প্রায়ই পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্ত হাতে নিয়ে এসব তৈরি করেন না। যেমন—একটি পত্রিকায় লিখেছে, কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা পড়ানো হয় না। এটাও ঠিক নয়। বেশ কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবশ্যিক বিষয় হিসেবে বাংলা পড়ানো হয়, আর অনেকটিতে ব্যবহারিক বিজ্ঞানের পাশাপাশি ছোট আকারে হলেও কিছু কিছু মৌলিক বিজ্ঞানের বিভাগ খোলা হয়েছে। এটি তো ভুললে চলবে না, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বয়স এত কম যে তাদের কাছ থেকে রাতারাতি সবকিছু প্রত্যাশা করা কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। তাদের পর্যাপ্ত সময় তো দিতে হবে! প্রবাসী বন্ধুকে বলি, আসলে সব বিভ্রান্তির মূল কারণ হচ্ছে, কোনো বিষয় নিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে হোমওয়ার্ক না করে আমাদের ঢালাও মন্তব্য করার অভ্যাস। এতে শুধু যে দেশের পাঠকেরা বিভ্রান্ত হন তা-ই নয়, ডিজিটাল যুগে বিদেশের পাঠকেরাও বিভ্রান্ত হন।
সবশেষে তাঁকে বলি, এটা অনস্বীকার্য যে বেশ কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কোনো আইনকানুনের তোয়াক্কা না করে তাদের কাজকর্ম চালু রেখেছে এবং ছাত্রছাত্রী আর অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়মিত প্রতারণা করছে। একই নামে চারটি বিশ্ববিদ্যালয় আছে এবং সবাই নিজেদের আসল বলে দাবি করে। এখন তো মঞ্জুরি কমিশনের সময় হয়েছে বিজ্ঞাপন দিয়ে বলা (মাঝেমধ্যে অবশ্য তারা বিজ্ঞাপন দিয়ে সতর্ক করে), ‘নকল হইতে সাবধান’।
বাংলাদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্ম উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে অনেক সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়ছে। সরকার নতুন একটি আইন প্রণয়ন করেছে। তাতে বেশ কিছু অসংগতি আছে। উচিত হবে, সেসব অসংগতি দূর করে ‘দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালন’ নীতি প্রয়োগ করে এই খাতকে সহায়তা করা। সেটি সহজ হয়, যদি গণমাধ্যম কোনো ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করার সময় একটু সতর্ক হয়ে বস্তুনিষ্ঠ তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন তৈরি করে। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে এ কাজটি করা মোটেও কঠিন নয়। প্রবাসী বন্ধু আমাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আসলে প্রবাসে থাকেন বলে সব সময় সবকিছু সম্পর্কে চটজলদি তথ্য পাওয়া তাঁদের পক্ষে সম্ভব হয় না।
উপসংহারে বলি, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার সমস্যা শুধু সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমাবদ্ধ নয়, এটি সমষ্টিগত সমস্যা। তার সমাধান সমষ্টিগতভাবে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়ে করতে হবে। এটি করতে না পারলে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমাদের গ্র্যাজুয়েটরা দাঁড়াতেই পারবে না।
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১১
আবদুল মান্নান: সবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে শিক্ষক, ইউল্যাব, ঢাকা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেলজিয়ামে সরকার গঠনে ব্যর্থতার বিশ্ব রেকর্ড
গত বছরের জুনে বেলজিয়ামে নির্বাচন হয়। নির্বাচনে কোনো দলই সরকার গঠনের মতো প্রয়োজনীয় আসন পায়নি। সরকার গঠনের জন্য দলগুলোর মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। কিন্তু নির্বাচনের পর গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ২৪৯ দিনেও দলগুলো মতৈক্যে পৌঁছাতে পারেনি। এর মধ্য দিয়ে ইরাকে নির্বাচনের ২৪৯ দিন পর সরকার গঠনের বিশ্ব রেকর্ড ছুঁয়েছে বেলজিয়াম। শুক্রবারের মধ্যে মতৈক্য না হলে তা বিশ্ব রেকর্ড হবে। ইরাকে সরকার গঠনের পর অনুমোদনের জন্য অবশ্য আরও ৪০ দিন সময় লেগেছিল।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সোনিয়া গান্ধীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করলেন আদভানি
ভারতীয় নাগরিকেরা বিদেশের ব্যাংকে কত কালো অর্থ (ব্ল্যাক মানি) জমা রেখেছেন, তা জানতে এবং ফিরিয়ে আনার উপায় খুঁজতে টাস্কফোর্স নিয়োগ দেয় বিজেপি। সেই টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, সুইস ব্যাংকে ভারতীয় অনেক নাগরিকের মধ্যে সোনিয়া গান্ধী ও রাজীব গান্ধীর হিসাব নম্বর আছে। প্রতিবেদন প্রকাশের পর সোনিয়া গান্ধী বিষয়টি অস্বীকার করে বিজেপির নেতা আদভানির বরাবর চিঠি দেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সোনিয়া চিঠিতে লিখেছেন, সুইস ব্যাংকে তিনি বা তাঁর স্বামী রাজীব গান্ধীর কোনো হিসাব নম্বর নেই।
ওই চিঠির জবাবে এল কে আদভানি দুঃখ প্রকাশ করেন। বিজেপির নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে গত ১ ফেব্রুয়ারি ‘ইন্ডিয়া ব্ল্যাক মানি অ্যাব্রোড ইন সিক্রেট ব্যাংকস অ্যান্ড ট্যাক্স হ্যাভেনস’ শিরোনামে বুকলেট প্রকাশ করা হয়। সেই বুকলেটে সুইস ব্যাংকে সোনিয়া ও রাজীবের হিসাব নম্বর আছে বলে উল্লেখ করা হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুলি চালাবে না রেভল্যুশনারি গার্ড!
মিসরে বিক্ষোভের পর ইরানেও সহিংস বিক্ষোভ হচ্ছে। রেভল্যুশনারি গার্ডসের ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা যুক্তি দেখান, সহিংসতার সময় তাঁদের লোককে ব্যবহার করা শিয়া ইসলামিক আইনের নীতির পরিপন্থী।
সরকারবিরোধীদের কীভাবে মোকাবিলা করা হবে এ নিয়ে ইরানের ক্ষমতাসীনদের মধ্যেই বিভক্তি রয়েছে। এদিকে এই চিঠি রেভল্যুশনারি গার্ডসের কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এই গার্ডস ধর্মীয় প্রক্রিয়া সুরক্ষা করে থাকে।
চিঠির একটি অনুলিপি ডেইলি টেলিগ্রাফ পেয়েছে। ওই চিঠিটি গার্ডসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জাফারিকে সম্বোধন করে দেওয়া হয়েছে। এই চিঠিতে মেজর জেনারেল জাফারির কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে, রেভল্যুশনারি গার্ডস ও বাসিজ আধাসামরিক বাহিনীকে যেন সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে ব্যবহার করা না হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাহরাইনে বিক্ষোভ চলছেই, নিহতদের লাশ দাফন
মানামার কেন্দ্রস্থল পার্ল স্কয়ারে গত সোমবার থেকে অবস্থান নেওয়া বিক্ষোভকারীদের ওপর গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় ভোর তিনটার দিকে গুলি বর্ষণ ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এ ছাড়া লাঠিপেটা করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। সরকারি কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই দিন পুলিশের সঙ্গে সংষর্ষে তিন বিক্ষোভকারী নিহত হন। বিরোধীদের দাবি, নিহতের সংখ্যা চার। এ ছাড়া দুই শতাধিক বিক্ষোভকারী আহত হন।
সুন্নি মুসলিম শাসিত বাহরাইনের সাংবিধানিক সংস্কার, রাজনৈতিক বিবেচনায় বন্দীদের মুক্তিসহ একজন নাগরিকের স্বাভাবিক যেসব অধিকার হরণ করা হয়েছে, সেগুলোর অবসানের দাবিতে মূলত শিয়া মুসলিমরা এ আন্দোলন শুরু করেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরাকের বসরায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ
গত বৃহস্পতিবার কুর্দিস্তানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে দুজন নিহত ও ৪৭ জন আহত হওয়ার এক দিনের মাথায় বসরায় এই বিক্ষোভ হলো।
ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগর বসরার রাস্তায় গতকাল প্রায় এক হাজার লোক নেমে আসে। তারা সরকারি পরিষেবা, কর্মসংস্থানের সুযোগ ও পেনশন বৃদ্ধির দাবি জানায়।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যর্থতার জন্য তারা প্রাদেশিক সরকারের পদত্যাগও দাবি করে। বিক্ষোভকারীরা সরকারবিরোধী স্লোগান দিলেও সহিংস কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকে।
কাসিব জব্বার নামের এক বিক্ষোভকারী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা খুব কষ্টে জীবন যাপন করছি। এখানে বিদ্যুৎ নেই। রাস্তাগুলো ভাঙাচোরা ও ধুলায় ধূসরিত। আমাদের এখন পরিবর্তন দরকার। এই পরিস্থিতিতে আমরা ঘরে বসে থাকতে পারি না।’
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাজনৈতিক সংস্কারের দাবিতে কুর্দিস্তানের সুলায়মানিয়া শহরে বিক্ষোভ হয়।
এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি বর্ষণ করলে দুজন নিহত ও ৪৭ জন আহত হয়। এ নিয়ে চলতি সপ্তাহে ইরাকের বিভিন্ন স্থানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে কমপক্ষে পাঁচজন নিহত হলো।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নয়াদিল্লিতে টেলিভিশন সম্প্রচারকেন্দ্রে তল্লাশি
কর্মকর্তারা বলেছেন, টেলিভিশন কেন্দ্রটি ক্ষমতাসীন জোটের অন্যতম শরিক দল দ্রাবিড়া মুন্নেত্র কাঝাগামের (ডিএমকে) মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। সিবিআইএর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, অভিযোগ রয়েছে, ঘুষ কেলেঙ্কারিতে জড়িত সোয়ান টেলিকমের সহযোগী কোম্পানিগুলো ২ জি মোবাইল ফোনের লাইসেন্স পাওয়ার জন্য ডিএমকের মালিকানাধীন ওই টেলিভিশনকে চার কোটি ৭০ লাখ ডলার দিয়েছিল। ডিএমকের জ্যেষ্ঠ নেতা এবং তৎ কালীন টেলিকম মন্ত্রী এ. রাজা যাতে মোবাইল কোম্পানিকে লাইসেন্স দেন, সে জন্যই তাঁরা তাঁর দলের মালিকানাধীন টেলিভিশনকে ওই অর্থ ঘুষ হিসেবে দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে ডিএমকে ও সোয়ান টেলিকম উভয় পক্ষই এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
সরকারের প্রাপ্য প্রায় চার হাজার কোটি মার্কিন ডলার রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে টেলিকম কোম্পানিগুলোকে লাইসেন্স দেওয়ার অভিযোগে গত নভেম্বরে এ. রাজাকে বরখাস্ত করা হয়। এর পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বতর্মানে তিনি জেলে রয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ওপরেও এ ইস্যুতে চাপ বাড়ছে। তিনি বলেছেন, এ কেলেঙ্কারির দায় এ. রাজাকে বহন করতে হবে। তিনি এবং তাঁর দল কংগ্রেস পার্টির নেতারা এ ক্ষেত্রে নির্দোষ।
এদিকে, টেলিকম কেলেঙ্কারি নিয়ে কংগ্রেস পার্টির সঙ্গে ডিএমকের দূরত্ব সৃষ্টি হবে না বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। তাঁদের মতে, ডিএমকে মনে করছে, এ মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত হলেও কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক নষ্ট করা ঠিক হবে না। জোট থেকে বেরিয়ে গেলে আরও সমস্যা হবে মনে করে তাঁরা জোটবদ্ধ থাকাকেই নিরাপদ মনে করছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিসরে মোবারক আমলের তিন মন্ত্রী গ্রেপ্তার
এদিকে হোসনি মোবারকের পতনের এক সপ্তাহ উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার গণতন্ত্রপন্থীরা দেশজুড়ে বিজয় উৎ সব পালন করেছে। এ সময় রাজধানী কায়রো, আলেকজান্দ্রিয়া ও শারম আল-শেখসহ দেশজুড়ে সভা-সমাবেশ ও বিজয় মিছিল বের করা হবে। এতে লাখ লাখ লোক অংশ দেয়। এসব মিছিল সমাবেশ থেকে সামরিক প্রশাসনের হাত থেকে দেশের ক্ষমতা বেসামরিক প্রশাসনের ওপর ছেড়ে দেওয়ার জন্যও আহ্বান জানানো হয়।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে মিসরের প্রায় এক ডজন সাবেক মন্ত্রী ও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে সরকার তদন্ত করছে। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাবিব এল-আদলি মোবারকবিরোধী বিক্ষোভের সময় আন্দোলনকারীদের সহিংস দমনে পুলিশ বাহিনীকে ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, মোবারক আমলের এই চার প্রভাবশালী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সামরিক নেতৃত্বাধীন সরকার চলমান বিক্ষোভ প্রশমন করতে চাইছে।
এদিকে হোসনি মোবারকের পতনের এক সপ্তাহ উপলক্ষে গণতন্ত্রপন্থীরা গতকাল দেশজুড়ে বিজয় উৎ সব পালন করেছে। গণতন্ত্রপন্থী রাজনৈতিক দল ও যুব সংগঠনগুলোর সমন্বয়কারী কমিটির সদস্য আহমেদ নাগিব জানিয়েছেন, তাঁদের বিজয় উৎ সব গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর থেকেই শুরু হয়। গতকাল কায়রোর তাহরির স্কয়ারে জুমার নামাজ পড়ান শেখ কারাদাউয়ি। এতে লাখ লাখ লোক অংশ নেয়। জুমার নামাজের খুতবা আল-জাজিরা টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার করে। খুতবায় তিনি বলেন, মোবারকমুক্ত এ দিনটি আল্লাহর কাছ থেকেই এসেছে।
গণতন্ত্রপন্থী নেতারা আশা করছেন, সপ্তাহব্যাপী তাঁদের বিজয় মিছিলে লাখ লাখ লোক অংশ নেবে এবং সামরিক কাউন্সিলের হাত থেকে বেসামরিক প্রশাসনের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের বিষয়টি ত্বরান্বিত করবে।
মোবারক পদত্যাগ করলেও মিসরের জীবনযাত্রা এখনো স্বাভাবিক হয়নি। কায়রোর তাহরির স্কয়ারের জনতার পাশাপাশি এখনো আছে সেনাবাহিনীর ট্যাংক। সরকারি কর্মচারীরা ধর্মঘট করছেন। ব্যাংক-বিমা, স্কুল-কলেজ এখনো বন্ধ।
নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকারের জরুরি কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্যপ্রধানমন্ত্রীআহমেদ শফিক আগামীকাল অথবা পরশু নতুন কিছু মন্ত্রীনিয়োগের ঘোষণা দেবেন। জনগণ যেন রাজপথ ছেড়ে কাজকর্মে ফিরে যান, সে উদ্দেশ্যে এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
শারম-আল শেখে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের শারীরিক অবস্থা নিয়ে পরস্পরবিরোধীখবর শোনা যাচ্ছে। খবরে বলা হয়, তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমেই অবনতি ঘটছে। তবে তিনি কিছুতেই দেশত্যাগ করতে রাজি নন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাহরাইনের বাদশাহর ছেলেদের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ যুক্তরাষ্ট্রের
আলোচিত ওয়েবসাইট উইকিলিকস প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন তারবার্তা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। টেলিগ্রাফ-এ এই তারবার্তা প্রকাশ করা হয়েছে।
গোপন তারবার্তায় দেখা গেছে, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মানামায় তার দেশের কূটনীতিকদের মাধ্যমে বাহরাইনের বাদশাহ হামাদের ছেলেদের ব্যাপারে খবরদারি করেছে। বাদশাহর দুই ছেলে প্রিন্স নাসির বিন হামাদ আল খলিফা ও প্রিন্স খালিদ বিন হামাদ আল খলিফা মাদক সেবন বা অ্যালকোহল পান করেন কি না, কিংবা সরকারের ভেতরে তাঁদের নিয়ে কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না—সেসব তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। শিয়া অধ্যুষিত দেশটিতে এই সম্প্রদায়ের মধ্যে বাদশাহর ছেলেদের কোনো বন্ধু আছে কি না, সে ব্যাপারেও খোঁজখবর রেখেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
২৩ বছর বয়সী প্রিন্স নাসির এবং ২১ বছর বয়সী প্রিন্স খালিদ বর্তমানে বাহরাইনের প্রতিরক্ষা বাহিনীতে কাজ করছেন। দুজনই বাদশাহর দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তান। আশঙ্কা করা হচ্ছে, দেশের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণে প্রতিবেশী দেশগুলোর কট্টরপন্থীরা তাঁদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করতে পারে।
২০০৯ সালের অক্টোবরে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে মানামার কূটনীতিকদের কাছে পাঠানো এক তারবার্তায় বাদশাহর ছেলেদের ‘নেতৃত্বের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উদীয়মান লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। ওই বার্তায় বাদশাহর ছেলেদের জন্মতারিখ, ইংরেজিতে কথা বলার পারদর্শিতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কেও জানতে চাওয়া হয়। বাদশাহর সঙ্গে তাঁর উত্তরসূরি প্রিন্স সালমান ইবনে হামাদ ইবনে ইসা আল খলিফার সম্ভাব্য বিরোধের ব্যাপারটিও জানতে চান মার্কিন কর্মকর্তারা।
গোপন তারবার্তায় আরও দেখা গেছে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের একজন স্টাফ মানামার কূটনীতিকদের কাছে জানতে চান যে প্রিন্স নাসির ও প্রিন্স খালিদ—এই দুই ভাইয়ের সঙ্গে ক্রাউন প্রিন্স সালমানের বিরোধ আছে কি না। যদি থেকেই থাকে, তবে তা কোন পর্যায়ে আছে? এই বিরোধ নিয়ে রাজপরিবারের ভেতর কোনো সমস্যা আছে কি না, তা-ও জানতে চাওয়া হয়।
৬১ বছর বয়স্ক বাদশাহ হামাদের চার স্ত্রীর ঘরে সাত ছেলে ও পাঁচ মেয়ে রয়েছে। ভাইদের মধ্যে ক্রাউন প্রিন্স সালমানের বড় আরও তিনজন ভাই রয়েছেন।
বাদশাহর ছেলেদের মধ্যে কারও সঙ্গে শিয়াদের সুসম্পর্ক আছে কি না এবং থাকলে সংখ্যাগরিষ্ঠ শিয়াদের দাবি আদায়ের ক্ষেত্রে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি কী, তা-ও জানতে চাওয়া হয়। পরিশেষে বাদশাহর ছেলেদের মাদক সেবন কিংবা অ্যালকোহল পান করার মতো কোনো বদভ্যাস আছে কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। তবে ঠিক কী কারণে বাদশাহর ছেলেদের ব্যাপারে বিস্তারিত এসব তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে, সে ব্যাপারে ওই বার্তায় কিছু বলা হয়নি।
সংবিধান সংশোধনের প্রশ্নে বাহরাইনের রাজপরিবারে কোনো ফাটল দেখা দিলে তা যুক্তরাষ্ট্রকে পরীক্ষার মুখে ফেলে দেবে। কেননা, কৌশলগত দিক দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে বাহরাইন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একটু ভাগ্যের ছোঁয়াও লাগবে
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্বকাপের সব অধিনায়কের সঙ্গে অনেকটা সময় একসঙ্গে কাটালাম। মাঠে নামার আগে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ভবনে মিনিট চল্লিশেক ভালোই আড্ডা জমল। অনেক মজার মজার কথা হয়েছে, কলামে সবকিছু লেখাও যায় না। তবে আড্ডা থেকে একটা জিনিস শিখেছি—বিয়ে করলে মানুষ ‘জওয়ান’ হয়ে যায়!
হাসবেন না, কথাটা পাকিস্তান অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদির। আড্ডায় ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির বিয়ের প্রসঙ্গ উঠল। প্রথম দেখা কোথায়, প্রেম কীভাবে হলো, বিয়ে হলো কীভাবে—সবই বলেছে ধোনি। তখনই আফ্রিদি বলল, বিয়ে করলে নাকি মানুষ আরও ‘জওয়ান’ হয়ে যায়! আফ্রিদি ধোনিকে জিজ্ঞেস করছিল, ‘তোমার বয়স কত...৩৪?’ ধোনি মানল না, ওর বয়স নাকি ২৯। আফ্রিদির পাল্টা জবাব, ‘আমার বয়সের মতো বলো না। আসলটা বলো।’ ধোনির ওই এক কথা, তার বয়স একটাই।
সুরেশ রায়নার টিম বাস মিস করার প্রসঙ্গটা উঠল। ৬টা ৪০ মিনিটে বাস ছিল, সময়টা এগিয়ে দেওয়াতেই নাকি সমস্যার সূত্রপাত! এটা নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ায় অনেক কথা হচ্ছে দেখে ধোনি আমাকে জিজ্ঞেস করল, বাংলাদেশের মিডিয়াও কি এমন? আমি বলেছি, ‘হ্যাঁ। বাংলাদেশ তো ইন্ডিয়াকে সবকিছুতেই ফলো করে, এ কারণে একই রকম। হা হা হা।’ আড্ডার এক ফাঁকে দেখলাম রিকি পন্টিং আফ্রিদিকে আমার ব্যাপারে কী একটা জিজ্ঞেস করছে। তবে সেভাবে খেয়াল করতে পারিনি কী বলেছে।
অধিনায়কদের সঙ্গে আড্ডার স্মৃতি অনেক দিন মনে থাকবে। তবে যেটা কোনো দিনই ভুলব না, সেটা হলো রিকশায় চড়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের যাওয়া। এটা আসলেই অন্য রকম একটা ব্যাপার। আমার রিকশাটা মাঠে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে সবাই যে রকম চিৎ কার করে উঠল, বলে বোঝাতে পারব না কেমন লাগছিল তখন। আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম খুব, চোখে পানি আসাটা কোনো রকমে আটকেছি। জীবনে হয়তো এমন অভিজ্ঞতা আর হবে না। হ্যাঁ, এর চেয়ে বেশি কিছু হবে, যদি কোনো দিন বিশ্বকাপ জিতি।
অধিনায়কদের সংবাদ সম্মেলনে ধোনি রসিকতা করে বলেছে, শুধু ভারত কেন, বাংলাদেশও বিশ্বকাপ জেতার কথা ভাবতে পারে। খারাপ বলেনি ও। ভাবনায় তো আর কারও শেকল পরানো নেই! তবে আপাতত ম্যাচ ধরে ধরে এগোনোই লক্ষ্য এবং প্রথম লক্ষ্য অবশ্যই ভারতের বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচটা।
এ ম্যাচে জিততে হলে আমাদের ভাগ্যেরও একটু সহায়তা দরকার। হতে পারে আমাদের পক্ষে একটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত চলে এল, যদিও এবার রেফারেল পদ্ধতি আছে। কিংবা একটা সে রকম ক্যাচ, যেটা ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারে। প্রথম বলে শেবাগ কিংবা শচীনের উইকেটও হতে পারে। মোট কথা, একটা ধাক্কা লাগাতে হবে ম্যাচে।
বিশ্বকাপে এবারই প্রথম থাকবে রেফারেল পদ্ধতি। আমরা ঠিক করেছি, এক শ ভাগ নিশ্চিত না হয়ে রেফারেল চাইব না। বল করার পর যদি মনে হয় ওটা মিডল স্টাম্পেই লাগত, তাহলে রেফারেল চাইব, আর না হলে চাইব না। দলের সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এই পদ্ধতিটা কেমন। এক শ ভাগ নিশ্চিত না হয়ে শুধু শুধু সুযোগ নষ্ট করার দরকার নেই। তা ছাড়া এটা নিয়ে আমাদের আগের অভিজ্ঞতা ভালো নয়। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুটো রেফারেল চেয়ে দুটোই ভুল প্রমাণিত হয়েছিল। আমার আউটটা নিয়ে তো রেফারেল চাইলামই না। ভেবেছি ব্যাটের কানায় তো লেগেছে, আউট। ক্যাচ যে মিস হবে ওটা কে জানত!
ব্যাটিং পাওয়ার প্লে নিয়ে অনেক আলোচনা শুনছি। সত্যি কথা বলতে কি, এটা নিয়ে আমাদের কোনো টেনশন নেই। অন্যান্য কাজ ঠিকভাবে করতে পারলে পাওয়ার প্লেও ইনশাল্লাহ ভালো হয়ে যাবে।
ভালো কথা, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের আগে তো ভারত নিয়েই কিছু বললাম না! কিছু বলারও তো নেই। আমরা আমাদের খেলা নিয়েই ভাবছি। ভারত নিয়ে যদি কিছু বলতেই হয়, বলব শচীন টেন্ডুলকারের কথা। বিশ্বকাপের এই ম্যাচটাই হয়ে যেতে পারে বাংলাদেশের বিপক্ষে তাঁর শেষ ম্যাচ। আমার তাই একটাই চাওয়া, শেষ ম্যাচে প্রথম বলেই যেন আউট হয়ে যায় টেন্ডুলকার।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘এবার মাশরাফি ম্যাচসেরা হচ্ছে না!’
বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টের শুরুটা ভালো হওয়া কতটা জরুরি?
মহেন্দ্র সিং ধোনি: আমাদের জন্য টুর্নামেন্টটা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে, প্রস্তুতি ম্যাচগুলো দিয়ে। দুটি ম্যাচই জিতেছি। এখন গুরুত্বপূর্ণ মূল টুর্নামেন্টের শুরুটাও ভালো করা। জয় দিয়ে শুরু করতে চাই। বাংলাদেশ ভালো দল, বিশেষ করে ঘরের মাঠে। ভালো ম্যাচ হবে।
গত বিশ্বকাপেও ভারত ফেবারিট ছিল, কিন্তু বাংলাদেশের কাছে হারল। এবার তা পুনরাবৃত্তির সম্ভাবনা কতটুকু?
ধোনি: ওই ম্যাচ নিয়ে ভাবছিই না। পুনরাবৃত্তির তাই প্রশ্নই ওঠে না!
ভারতের ওপর প্রত্যাশার চাপ কতটুকু?
ধোনি: আমার কাছে তো প্রেশার মাপার মেশিন নেই, থাকলে মেপে দেখতাম!
চাপই কি ভারতের বড় বাধা?
ধোনি: বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে ভারতের ওপর চাপ সব সময়ই থাকে। তার ওপর এবার আমরা স্বাগতিকদের একটি। প্রত্যাশা আকাশচুম্বী হওয়াই স্বাভাবিক। তবে প্রত্যাশার ব্যাপারটা মাথায় ঢোকাতে চাই না। নিজেদের কাজটা ঠিকঠাক করে যেতে চাই।
প্রস্তুতি ম্যাচ দুটির জয় কি ভারতের ওপর চাপ বাড়িয়ে দিল?
ধোনি: জিতলেও চাপ, হারলেও চাপ...চাপ থাকে না কখন বলুন তো!
বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
ধোনি: বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণ দুর্দান্ত। তিনজন বাঁহাতি স্পিনার। আমরা যাদের পার্টটাইমার বলি, তেমন দুজন অফ স্পিনারও আছে। কাজেই দলটা অনেক ভালো। বিশেষ করে উপমহাদেশের কন্ডিশনে, যেখানে স্পিনাররা অনেক সাহায্য পায়। বেশ ভারসাম্যপূর্ণ দল।
আইপিএল বেশি জনপ্রিয় না বিশ্বকাপ, ওয়ানডে ক্রিকেট কত দিন টিকবে, এসব নিয়ে এখন অনেক আলোচনা। আপনার কী মনে হয়?
ধোনি: আমি কেন ওয়ানডে পছন্দ করি জানেন? এখানে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দুটির স্বাদই পাওয়া যায়। বলা যায়, দুটোর আদর্শ সংমিশ্রণ। শুরুতে ঝড়, এরপর ইনিংস গড়া, শেষে আবার ঝড়। কিংবা শুরুতে দু-তিনটি উইকেট হারালে নতুন ব্যাটসম্যানদের টিকে থাকার সংগ্রাম, একটু একটু করে ম্যাচে ফেরা, সবকিছুর স্বাদ ওয়ানডেতেই পাওয়া যায়।
২০০৭-এর সঙ্গে এবারের দলটার পার্থক্য কোথায়?
ধোনি: দলটা প্রায় একই আছে। তবে গত বিশ্বকাপের চেয়ে আমরা এখন মানসিকভাবে এগিয়ে। প্রতিভা বা সামর্থ্যের কথা ভাবলে ২০০৭ বিশ্বকাপের দলেও আমি কোনো ঘাটতি দেখি না। কিন্তু এবার আমরা মানসিকভাবে দারুণ চাঙা।
স্বাগতিক বলেই কি ভারত এবার ফেবারিট নাকি গত দুই বছরের পারফরম্যান্সেরও ভূমিকা আছে?
ধোনি: গত দুই বছরের পারফরম্যান্সের অবশ্যই বড় ভূমিকা আছে। সব ধরনের ক্রিকেটেই আমরা ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলছি। এটাই মূল কারণ। সঙ্গে ঘরের মাটিতে খেলার সুবিধাটুকু বাড়তি একটা কিছু যোগ করবেই।
প্রস্তুতি ম্যাচ দুটি থেকে কী বার্তা পেলেন?
ধোনি: যা বুঝলাম, তা হলো বিশ্বকাপে স্পিনারদের বড় ভূমিকা থাকবে। তার মানে এই নয় যে পেসারদের কোনো কাজই থাকবে না। আমার মনে হয়, এই টুর্নামেন্টে রিভার্স সুইং একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে ব্যাটিং পাওয়ার প্লে ও স্লগ ওভারে। পেসারদের তাই স্মার্ট বোলিং করতে হবে।
মিরপুরে বেশ কটি ম্যাচ খেলেছেন, প্রথমে ব্যাট করলে কত রানকে নিরাপদ মনে করছেন?
ধোনি: দেখুন, ওয়ানডেতে এখন কোনো স্কোরই নিরাপদ নয়। ৪১৪ রান করেও ১ রানে জিতেছি আবার সেদিন ২১৭ রান করে বিশ্বের এক নম্বর দলের বিপক্ষে জিতলাম। কাজেই কিছুই বলা যায় না। কম রান করেও জয় অসম্ভব নয় আবার বড় কোনো স্কোরই নিরাপদ নয়।
ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের দুটি জয়েই ম্যান অব দ্য ম্যাচ ছিল মাশরাফি, দুটি ম্যাচেই আপনি খেলেছেন। এবার মাশরাফি নেই। দুশ্চিন্তা একটু কমে গেল?
ধোনি: এটা নিশ্চিত, এবার অন্তত সে আর ম্যান অব দ্য ম্যাচ হচ্ছে না!
বাংলাদেশ জিতলে সেটা কি অঘটন হবে নাকি স্বাভাবিক?
ধোনি: ওয়েল, জাস্ট ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ...
শচীন টেন্ডুলকার আর কত দিন খেলবেন বলে মনে হয়?
ধোনি: ২১-২২ বছরও আপনার কাছে যথেষ্ট মনে হচ্ছে না! তাহলে তো তাঁকে আরও খেলতে হবে!
ভারতের চেয়ে কি বাংলাদেশে বিশ্বকাপ উন্মাদনা বেশি বেশি মনে হচ্ছে?
ধোনি: আমার মনে হয়, এই উন্মাদনা প্রায় সমান সমানই। সম্প্রতি শ্রীলঙ্কায় যাইনি বলে বলতে পারছি না, তবে এই দুই দেশে বিশ্বকাপের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। লোকে ক্রিকেট পাগলের মতো ভালোবাসে।
এবারের বিশ্বকাপ কতটা সফল হবে বলে মনে করছেন?
ধোনি: সফল না হওয়ার তো কোনো কারণ দেখছি না! এই উপমহাদেশে যদি বিশ্বকাপ সফল না হয় তাহলে বিশ্বের আর কোথাও হবে না। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটা দুর্দান্ত হয়েছে, এবার ফরম্যাটও শক্তিশালী দলগুলোর পক্ষে আছে। ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলা দলগুলোই কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে। কাজেই আমার ধারণা, বিশ্বকাপ দারুণ সফল হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এভারেস্টের চেয়ে উঁচু নয় ভারত
কখনো না-কখনো সর্বোচ্চ শৃঙ্গে ওঠার স্বপ্নটা বাংলাদেশের ক্রিকেটে আছে। তবে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আজ ভারতকে হারালেই এভারেস্ট জয়ের মতো কিছু হয়ে যাচ্ছে না। গত বছর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের পর বাংলাদেশের ক্রিকেট অভিধানে এভারেস্ট বলে আর কিছু নেইও। ভারত তো একদমই নয়, সেটা হলে বাংলাদেশ এর মধ্যেই দুবার জয় করেছে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ!
তার পরও বাধা পেরোনোর প্রেরণায় এভারেস্টজয়ীরাই যেহেতু ভালো উদাহরণ, শৃঙ্গজয়ের গল্প শুনতে বাধা কোথায়! কাল সকালে অনুশীলনে যাওয়ার আগে শেরাটন হোটেলে মুসা ইব্রাহীমের কাছে সেই গল্পই শুনল বাংলাদেশের বিশ্বকাপ-সারথিরা। শুনে দল কতটা অনুপ্রাণিত হলো কে জানে, অনুশীলন শেষে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সহ-অধিনায়ক তামিম ইকবালকে বলতে শোনা গেল, ‘চ্যাম্পিয়নদের কাছে কোনো কিছুই অজেয় নয়। না এভারেস্ট, না ভারত বা অন্য কিছু। আর উনি এভারেস্ট জিততে পারলে আমরা বড় কিছু করতে পারব না কেন?’
ভারত ম্যাচের আগে এই প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বাংলাদেশ দলের মধ্যেই। আজকের ম্যাচটাকে আর দশটা সাধারণ ম্যাচের মতো ধরে নিয়েই ভারতের টুঁটি চেপে ধরতে হবে। বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান কাল জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে বললেন, ‘স্বাগতিক দলের সামনে ভারতের মতো বড় একটা দল—বিশ্বকাপে এর চেয়ে ভালো শুরু আর হয় না।’ এই শুরুটা আরও সুন্দর হবে ২০০৭ বিশ্বকাপের পুনরাবৃত্তি ঘটলে।
সাকিব সরাসরি জয়ের কথা বলেননি। মুসা ইব্রাহীম যেমন একটা একটা করে বাধা ডিঙিয়ে উঠেছেন সর্বোচ্চ শৃঙ্গে, বাংলাদেশ অধিনায়কের লক্ষ্যটাও তেমন, ‘আমাদের ছয়টা ম্যাচ খেলতে হবে। ম্যাচ ধরে ধরে এগিয়ে যদি প্রতিটা ম্যাচেই উন্নতি করি, ভালো কিছু অবশ্যই সম্ভব।’ গত বিশ্বকাপে সেটাই করেছিল বাংলাদেশ। তবে অধিনায়ক ২০০৭-এর সঙ্গে ২০১১-এর তুলনার পক্ষপাতী নন, ‘২০০৭-এ আমরা এক দিন চাঙা ছিলাম তো আরেক দিন নেতিয়ে পড়েছিলাম। এখন সবাই প্রতিদিন একইভাবে চিন্তা করে। সবাই সবকিছুতে ধারাবাহিক থাকতে চায়। এক্সাইটমেন্ট খুব একটা কাজ করে না। ওই দিক দিয়ে চিন্তা করলে দুটিকে মেলানো কঠিন।’ এবারের বিশ্বকাপটা অন্য কারণেও ব্যতিক্রম সাকিবদের কাছে, ‘এবার আবেগও কাজ করছে আমাদের মধ্যে। দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ হচ্ছে। আমাদের ক্যারিয়ারে হয়তো আর কখনো এই সুযোগ হবে না। নতুন কিছু তো করার আছেই।’
বাংলাদেশের মানুষ সেই নতুন কিছু দেখারই অপেক্ষায়। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের সামনে উৎ সুক জনতার ভিড় প্রতিদিনই বাড়ছে। কাল সন্ধ্যার পর তো সেখানে রীতিমতো জনস্রোত! ‘বাংলাদেশ, বাংলাদেশ’ স্লোগানে মুখরিত গোটা এলাকা। টিকিটের জন্য হাহাকার তোলা এই বিশ্বকাপে এদের অনেকের ভাগ্যেই জুটবে না মাঠে বসে ইতিহাসের সাক্ষী হওয়ার সুযোগ। এই হতাশাও উৎ সাহে বাধা হচ্ছে না কারও। আসা-যাওয়ার পথে চলন্ত টিম বাসের জানালার কাচের ভেতর দিয়ে ক্রিকেটারদের ঝাপসা মুখগুলো দেখা যাচ্ছে, সেটাও কম কী!
এত আনন্দ আর রোমাঞ্চের বিশ্বকাপে একটা হতাশাও আছে। গত বিশ্বকাপে যাঁর হাত ধরে ভারত-বধের শুরু, ইনজুরি এবারের বিশ্বকাপটা খেলতে দিচ্ছে না সেই মাশরাফি বিন মুর্তজাকে। স্টেডিয়ামপাড়ার স্লোগান আর সাকিবের কণ্ঠে মিশে থাকছে মাশরাফির জন্য হাহাকারও, ‘কোনো সন্দেহ নেই, মাশরাফি ভাই গ্রেট পারফর্মার। তাকে খুবই মিস করব। তবে দলে এখন যারা আছে তারাও ভালো খেলছে। তাদের নিয়েই আমাদের এগোতে হবে।’
এগোনো মানে জয়ের পথে এগোনো। ভারত ম্যাচে জয়টাই তো লক্ষ্য সাকিবদের! মনের মধ্যে ভারতকে হারাতে পারার বিশ্বাসটা যখন আছে, আজ রাতে উৎ সবে ভাসুক না বাংলাদেশ! ভারত তো আর এভারেস্টের চেয়ে উঁচু নয়!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিরপুরে ফিরবে পোর্ট অব স্পেন
কোথায় সাত সমুদ্র তের নদী ওপারের পোর্ট অব স্পেন! ঢাকার মধ্যদুপুর যখন বিশ্বকাপ-জ্বরে কম্পমান, পোর্ট অব স্পেন গভীর নিদ্রায় মগ্ন।
বাংলাদেশ-ত্রিনিদাদ, ঢাকা-পোর্ট অব স্পেন...কাল দুপুরে যে সব মিলেমিশে একাকার হয়ে যেতে চাইল বারবার। এটা মিরপুর স্টেডিয়াম তো! নাকি কুইন্স পার্ক ওভাল?
ওই তো নেটে বল উড়িয়ে মারছেন তামিম ইকবাল। মুশফিকুর রহিম প্যাড-ট্যাড পরে নেটে ঢোকার অপেক্ষায়। সাকিব আল হাসান কি ওটা ‘সুপার স্কুপ’ মারলেন! কে বোলিং করছেন ওটা, মাশরাফি বিন মুর্তজা না?
চার বছর আগে ভারতের বিশ্বকাপ-স্বপ্নকে ক্যারিবীয় সাগরে ডুবিয়ে মেরেছিলেন এই চারজনই। পরের বিশ্বকাপেই আবার যখন বাংলাদেশ-ভারত, সেই স্মৃতি ফিরে আসারই কথা। তাই বলে এমন বিপুল বিক্রমে!
মাশরাফিই যেন ফিরিয়ে আনলেন সবচেয়ে বেশি। নেটে বোলিং করে ইনডোরের সিঁড়িতে বসে হাঁটু থেকে-অ্যাংকেল থেকে ‘সাপোর্ট’ খুলতে খুলতে ‘কয় কেজি ওজন শরীরে নিয়ে যে বোলিং করতে হয়’ কথাটা শেষও করতে পারলেন না। তাঁকে ঘিরে ধরলেন সাংবাদিকেরা। সবাই পোর্ট অব স্পেনের সেই অমরগাথা শুনতে চান। ওই ম্যাচের আগে-পরে কী হয়েছিল, এখন কেমন লাগছে—প্রশ্নের পর প্রশ্ন।
গায়ে ক্লাবের জার্সি। মনে যে ঝড় বইছে, মুখে তার প্রকাশ নেই। মাশরাফি রসিকতাও করলেন। পোর্ট অব স্পেনের ওই ম্যাচের আগে মানজারুল ইসলাম রানার মৃত্যুসংবাদ পেয়ে স্তম্ভিত বাংলাদেশ দল সেই শোককে পরিণত করেছিল শক্তিতে। সেই প্রসঙ্গ মনে করিয়ে দিতেই মাশরাফি হাসতে হাসতে বললেন, ‘এবারও কি তা হলে কাউকে মরতে হবে?’
মাশরাফি তখন কীভাবে কল্পনা করবেন, এই ম্যাচের আগেও সত্যিই ক্রিকেটাঙ্গন মৃত্যুশোকে কাতর হবে। বিশ্বকাপের উৎ সবে ছায়া ফেলবে সাবেক ক্রিকেটার ও প্রধান নির্বাচক আলিউল ইসলামের আকস্মিক চলে যাওয়া। চার বছর আগে মৃত্যুর পিছুপিছুই এসেছিল স্মরণীয় সেই জয়। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি কি হচ্ছে এবারও?
অনির্ধারিত সংবাদ সম্মেলন শেষে এই টিভি টানে তো ওই টিভি। দুবার ভারত-বধের নায়ককে ঘিরে ভারতীয় সাংবাদিকদেরও তুমুল আগ্রহ। তাঁদেরই একজন জিজ্ঞেস করলেন, গত বিশ্বকাপে আপনি ছিলেন, ভারতের বিপক্ষে জয়ের নায়ক, এবার...। কথাটা শেষ করতে না দিয়েই মাশরাফি বললেন, ‘হিরো থেকে জিরো!’ বলেই হো হো হাসি। হাসিতেও যে এত কান্না লুকিয়ে থাকতে পারে, কে জানত!
দুই অধিনায়কের সংবাদ সম্মেলনেও ঘুরেফিরে পোর্ট অব স্পেন। মাহি, আপনার কি মনে পড়ে সেই দিন? মহেন্দ্র সিং ধোনি কীভাবে ভোলেন! শূন্য রানে আউট হয়ে ভারতীয় ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ে তাঁর বড় অবদান। বিশ্বকাপ শুরুর আগে ছিলেন সম্ভাব্য নায়ক, ফিরলেন ভিলেন হয়ে। দেশে ফেরার পর নিজের শহরেও যেতে পারেননি অনেক দিন। মাশরাফির কথা উঠল। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচেই বাংলাদেশের বিপক্ষে ভারতের প্রথম পরাজয়ের ভুক্তভোগী। সেই ম্যাচের মতো বিশ্বকাপেও দেখেছেন পুরস্কার হাতে মাশরাফিকে। ধোনি হাসতে হাসতে বললেন, ‘এবার অন্তত ও ম্যান অব দ্য ম্যাচ হতে পারছে না।’ দুষ্টুমি করে বলা। একটু স্বস্তিও কি মিশে রইল না তাতে!
সাকিবকেও বারবার পোর্ট অব স্পেনে ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলল। তবে সাকিব শুধু এই ম্যাচটাকেই যেন সবাই শেষ না ভাবে, সেই চেষ্টা করে গেলেন এ দিনও। ‘শুধু ভারত কেন, ছয় ম্যাচেই ভালো খেলতে চাই’—এই উত্তরটা অধিনায়কোচিতই। পোর্ট অব স্পেনে হয়েছে বলেই যে মিরপুরেও হবে—তার কী নিশ্চয়তা! না হলে সেই ধাক্কা গায়ে যত কম লাগে, সেই চেষ্টা তো করাই উচিত।
এমনিতেই বিশ্বকাপ নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের উন্মাদনা যেভাবে বাঁধভাঙা রূপ নিচ্ছে, নিজের দেশে খেলাটা চাপ না অনুপ্রেরণা—এই প্রশ্ন উঠছেই। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঘিরে জনতার উৎ সাহ পুরো বিশ্বের কাছে ‘ক্রিকেট-নগরে’র স্বীকৃতি এনে দিয়েছে ঢাকাকে। রাতে মিরপুর স্টেডিয়ামকে ঘিরে মেলা বসে যাচ্ছে। সারা দিনই গেটের সামনে ভিড়। জনতার একটাই দাবি—জিততে হবে।
উত্তুঙ্গ সেই আবেগের কাছে হারিয়ে যাচ্ছে সব যুক্তিবোধও। ভারত এই টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিট। বাংলাদেশের বেশির ভাগ খেলোয়াড়ের চোখে ফেবারিটদের মধ্যে এক নম্বর। তার ওপর পোর্ট অব স্পেনের জ্বালা জুড়ানোর ছোট্ট একটা ব্যাপার আছে। পোর্ট অব স্পেনে বাংলাদেশের অধিনায়ক হাবিবুল বাশার পর্যন্ত আজকের ম্যাচে ‘সেভেনটি-থার্টি’তে এগিয়ে রাখছেন ভারতকে। বাংলাদেশের জয় তাই আপসেটই হবে। পোর্ট অব স্পেনেও যা ছিল।
তামিম ইকবালের দাবি, সেই বাংলাদেশের চেয়ে এই বাংলাদেশ অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। ভারতও তো আগের মতো নেই। খেলোয়াড় তালিকায় হয়তো খুব পরিবর্তন হয়নি। ধোনির কাছে সেই ভারতের সঙ্গে এই ভারতের মূল পার্থক্য—‘বেটার ফ্রেম অব মাইন্ড’। গ্রেগ চ্যাপেল জমানায় গৃহযুদ্ধে ক্ষতবিক্ষত ভারতীয় দল এখন কারস্টেনের সুশীতল ছায়াতলে শান্তির নীড়। সেই শান্তির নীড়ে অশান্তি ছুড়ে দিতে কার ওপর বাজি ধরবেন আপনি?
সাকিব-তামিম তো আছেনই। বড় ম্যাচ বলে এরপর আপনি যে নামটি বলে ফেলতেও পারতেন, সেই আশরাফুলের খেলার সম্ভাবনা ঘোর সংশয়ে আচ্ছন্ন। দিবারাত্রির ম্যাচ বলে একাদশ চূড়ান্ত হবে আজ সকালে। তবে কাল রাতের খবর, পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচের দলে আশরাফুলের জায়গায় ঢুকে যাচ্ছেন সে ম্যাচে অতিরিক্ত ব্যাটসম্যান হিসেবে ব্যাটিং করা রকিবুল।
মাশরাফি নেই। এমন বড় ম্যাচে আশরাফুলকেও বাইরে রেখে বাংলাদেশ দল কি তামিম ইকবাল কথিত ‘আত্মবিশ্বাসে’রই ইঙ্গিত দিচ্ছে?
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
February
(488)
-
▼
Feb 20
(13)
- ঢালাও মন্তব্য সমীচীন নয় by আবদুল মান্নান
- বেলজিয়ামে সরকার গঠনে ব্যর্থতার বিশ্ব রেকর্ড
- সোনিয়া গান্ধীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করলেন আদভানি
- গুলি চালাবে না রেভল্যুশনারি গার্ড!
- বাহরাইনে বিক্ষোভ চলছেই, নিহতদের লাশ দাফন
- ইরাকের বসরায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ
- নয়াদিল্লিতে টেলিভিশন সম্প্রচারকেন্দ্রে তল্লাশি
- মিসরে মোবারক আমলের তিন মন্ত্রী গ্রেপ্তার
- বাহরাইনের বাদশাহর ছেলেদের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ যুক...
- একটু ভাগ্যের ছোঁয়াও লাগবে
- ‘এবার মাশরাফি ম্যাচসেরা হচ্ছে না!’
- এভারেস্টের চেয়ে উঁচু নয় ভারত
- মিরপুরে ফিরবে পোর্ট অব স্পেন
-
▼
Feb 20
(13)
-
▼
February
(488)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...