Showing posts with label principalsanaullah. Show all posts
Showing posts with label principalsanaullah. Show all posts
Friday, April 29, 2016
উপকূল সমৃদ্ধ হলে বাংলাদেশ সমৃদ্ধ হবে by অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্
বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। ছোট-বড় অসংখ্য নদী
রয়েছে এদেশে আর এদেশের দক্ষিণে রয়েছে বঙ্গোপসাগর। তাই এদেশে রয়েছে অনেক
উপকূলীয় অঞ্চল বা এলাকা যেগুলোর মাছ, চিংড়ি ও লবণ দেশের জন্য অনেক বেশি
গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে। এছাড়াও, উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর কৃষি ও বনায়ন
কার্যক্রমের উপর এদেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভরশীল। এক কথায়,
উপকূলীয় অঞ্চল মানেই অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বাংলাদেশের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ
এলাকাসমুহ। এই এলাকাগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদানপূর্বক সরকার ও জনগণ
উভয়েরই উপকূলের সকল সমস্যা সমাধানপূর্বক কাক্সিক্ষত মান অর্জনের মাধ্যমে
সার্বিক বিকাশ সাধন করতে আন্তরিকভাবে সচেষ্ট হওয়া উচিত। এতে করে খুব অল্প
সময়েই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং জাতি উত্তরোত্তর
বৃহত্তর সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাবে।
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল এতোই ব্যাপক ও বি¯তৃত যে, উপকূল ও উপকূলবাসীকে রক্ষার জন্য যথাযথ ও সময়োচিত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সমৃদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় তিন কোটি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কেননা, জলবায়ুতে উষ্ণতার কারণে যদি সমুদ্রের উচ্চতা ৪৫ সে. মি. বাড়ে, তাহলে বাংলাদেশের ১০ থেকে ১৫ শতাংশ এলাকা তলিয়ে যাবে। এমন কি, যদি ২১০০ সাল নাগাদ এক মিটার সমুদ্র সমতলের পরিবর্তন ঘটে, তবে বাংলাদেশের তিন মিলিয়ন হেক্টর জমি প্লাবিত হতে পারে। এই প্লাবনযোগ্য অঞ্চলগুলোর সবগুলোই এদেশের উপকূলীয় অঞ্চল। এছাড়া, উপকূলীয় অঞ্চলের উপযুক্ত সুরক্ষা না হলে এদেশের সাত কোটি লোক বিভিন্নভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আক্রান্ত হবে। উপরোক্ত আলোচনা থেকে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের পরিধি এবং গুরুত্ব নিঃসন্দেহে আরো সুস্পষ্ট হয়ে গেছে।
দুঃখের বিষয়, আমরা উপকূলও বুঝি না, উপকূলের গুরুত্বও বুঝি না। তাই আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে এখনো উল্লেখযোগ্য পরিমাণে দারিদ্র্য ও বেকারত্ব বিরাজ করছে। এছাড়াও, অপরিকল্পিত জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে বসতবাড়ি নির্মাণের মারাত্মক প্রভাব পড়ছে কৃষিজমির উপর। শিক্ষা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অপর্যাপ্ততার কারণে সঠিক ও যুগোপযোগী শিক্ষার অভাবে উপকূলীয় অঞ্চলের লোকেরা বিরাজমান সমস্যাবলির কাক্সিক্ষত সমাধান করতে সক্ষম হচ্ছে না। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অপর্যাপ্ত ব্যবহার ও প্রয়োগের কারণে উন্নত চাষাবাদ কিংবা সুপরিকল্পিত বিজ্ঞানসম্মত বনায়ন-কিছুতেই কাক্সিক্ষত সাফল্য ও অগ্রগতি সাধিত হচ্ছে না। উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর কাক্সিক্ষত মান অর্জন করতে হলে প্রয়োজন যুগ ও বিশ্বের সাথে তাল মেলানো উন্নয়নমুখী গতিশীলতা এবং এই অতীব গুরুত্বপূর্ণ গতিশীলতার জন্য সরকারের আন্তরিক ও গতিশীল পদক্ষেপ অপরিহার্য।
বাংলাদেশের উপকূলভাগ অনেক ব্যাপক এবং বি¯তৃত। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বাংলাদেশের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো এই উপকূলভাগেই অবস্থিত। মাছ, চিংড়ি, লবণ, কৃষি ও বনায়ন, পর্যটন ও বিনোদন এলাকা - সব দিক দিয়ে দেশের জাতীয় আয় ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে এগুলো সর্বোচ্চ সহায়ক। অথচ দেশের সবচেয়ে উপেক্ষিত অঞ্চলও এই উপকূলীয় অঞ্চলসমুহ। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, টর্নেডো - প্রভৃতিতে আক্রান্ত হয়ে জান-মালের ব্যাপক ক্ষতি হওয়া এ অঞ্চলগুলোর নৈমিত্তিক বৈশিষ্ট্য। দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এই এলাকাসমুহের উন্নয়ন সাধন ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, সর্বোপরি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে উপকূলবাসীকে সুপ্রতিষ্ঠিতকরণ সময়ের দাবি।
১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল এদেশের উপকূলীয় অঞ্চলসমুহের উপর বয়ে যাওয়া প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের কথা এদেশের মানুষ ভোলেনি, ভুলে যাওয়ার কথাও নয়। এ প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের কারণে দেশের ১৬টি জেলার ৪৭টি উপজেলা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ৪ লক্ষাধিক মানুষ ও অসংখ্য গবাদি পশু প্রাণ হারায়। এই অসংখ্য মানুষের মৃত্যু এবং অগুন্ত সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি জনম জনম ধরে এদেশের উপকূলবাসীর জন্য এক মর্মন্তুদ ও করুণ ইতিহাস হয়ে থাকবে। অথচ ২৯ এপ্রিল যে শিক্ষা উপকূলবাসীসহ এদেশের মানুষকে দিয়েছে সে শিক্ষা অনুসারে এখনো পর্যন্ত নেয়া হয়নি কোন কার্যকরী পদক্ষেপ। ১৯৯১ এর ঘূর্ণিঝড়ের পর বয়ে গেল ১৯৯৭ এর ঘূর্ণিঝড়সহ সাম্প্রতিক প্রলয়ংকরী মর্মান্তিক সিডর যার ভিকটিমেরা এখনো বঞ্চিত ও উপেক্ষিত অবস্থায় মানবেতর দিন কাটাচ্ছে। উপকূলীয় মানুষদের জন্য ঘূর্ণিঝড়, সিডর ইত্যাদি মোকাবেলায় পর্যাপ্ত রক্ষণাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে অদূর ভবিষ্যতে আরো অনেক প্রাকৃতিক দুর্যোগে উপকূলবাসী সর্বশান্ত হবে। অতীতেও বিভিন্ন সময়ে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস ইত্যাদির আক্রমণে উপকূলীয় অঞ্চলের জান-মাল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১৯৫৪, ১৯৬৮, ১৯৭৪, ১৯৮৭, ১৯৮৮ ও ১৯৯৮ সালের বন্যা ছিল নিকট অতীতের ভয়াবহতম। ১৯৭৪ সালের বন্যার কারণে ফসলহানিতে সংঘটিত ভয়ংকর দুর্ভিক্ষ লক্ষ লক্ষ প্রাণ সংহার করেছে। ১৯৮৮ সালের বন্যা ছিল সবচেয়ে ভয়াবহতম। দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৫৩টি এ বন্যায় ডুবে যায়, ৩০০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং ৪৫ লাখ হেক্টর জমির ফসল ধ্বংস হয়। ১৯৯৮ সালের বন্যা ছিল ইতিহাসের দীর্ঘতম। ৩ মাস স্থায়ী এ বন্যায় দেশের ৫৪টি জেলা জলমগ্ন হয়। ২০০৪ সালের বন্যায় দেশের ৫৬টি জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সরকারি প্রাথমিক হিসাব মোতাবেক এ বন্যায় মোট ৪২ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল এ বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জলোচ্ছ্বাস বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার মানুষের নিকট এক মূর্তিমান আতঙ্ক। গত ১৮৫ বছরে অন্তত ৫১ বার ভয়ংকর জলোচ্ছ্বাসের হামলায় পড়েছে বাংলাদেশ। তবে ১৯৬০, ১৯৭০, ১৯৮৫, ১৯৯১ এবং ১৯৯৭ সালের জলোচ্ছ্বাস ছিল বিভীষিকাময়। ১৯৭০ সালের সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস উপকূলীয় বিশাল এলাকাকে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছিল এবং এতে ৫ লাখের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল। ১৯৮৫ সালের ঘূর্ণিঝড়ে উড়িরচর নামক জনপদ সম্পূর্ণ জনশূন্য হয়ে পড়ে।
এটা সকলেরই নিকট সুবিদিত যে, উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর মাছ, চিংড়ি এবং লবণ এদেশের অর্থনীতির জন্য অতীব অপরিহার্য ও গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এদেশের মানুষের জীবন, জীবিকা ও অর্থনীতির সাথে এগুলোর সম্পর্ক নিবিড় ও অবিচ্ছেদ্য। অথচ বেশ অবাক লাগে যখন দেখি এই উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর উন্নয়নের ব্যাপারে সরকারের উদাসীনতা বিদ্যমান। পক্ষান্তরে, পার্বত্য অঞ্চলগুলোর পক্ষ থেকে অনুরূপ কোন অবদান না থাকলেও সরকারি সহযোগিতায় ও পৃষ্ঠপোষকতায় দিন দিন এগুলো সমৃদ্ধ হতে সমৃদ্ধতর হয়ে যাচ্ছে। আসলে আমরা যে আমাদের প্রকৃত লাভ-ক্ষতি বুঝি না, এটা আমাদের জাতীয় দোষ। রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতি সবক্ষেত্রেই এটি সন্দেহাতীতভাবে সত্য। এখন সময় এসেছে, অতীতের ব্যর্থতা ভুলে গিয়ে উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর যথার্থ মানোন্নয়নের মাধ্যমে দেশ ও জাতির কাক্সিক্ষত অগ্রগতি অর্জন করা। এ অগ্রগতি অর্জনের বিস্তারিত উপায় সম্পর্কে আমাদেরকে অবশ্যই ভাবতে হবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে সরকারি রেস্ট হাউজ নির্মাণপূর্বক যদি সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসীকে সেগুলো টেন্ডার দেওয়া হতো, তাহলে একদিকে যেমন উপকূলীয় এলাকার বিকাশের পথ সুগম হতো, অপরদিকে উত্তরোত্তর বিকাশ ও সমৃদ্ধির ফলে জাতীয় আয়ও বৃদ্ধি পেতো। এছাড়াও, উপকূলীয় এলাকাগুলো সরকারের øেহচ্ছায়ায় নিয়ন্ত্রিত হতো বিধায় উপকূলের মানুষ উৎসাহ-উদ্দীপনা লাভের মাধ্যমে সৃষ্টিশীল অভিযাত্রায় পরিকল্পিত উপায়ে এলাকার কাক্সিক্ষত বিকাশ ও মানোন্নয়নে মনোনিবেশ করতো , ফলশ্র“তিতে অতি দ্রুত বদলে যেতো উপকূলীয় মানুষের জীবন। উদাহরণস্বরূপ, মগনামা, কুতুবদিয়া, কক্সবাজার, আনোয়ারা, বাঁশখালী, মহেশখালী ও হাতিয়ায় সরকারি রেস্ট হাউজ স্থাপিত হলে উক্ত এলাকার অনেক অগ্রগতি অর্জিত হতো, সরকারেরও আয় বাড়তো। উপকূলীয় এলাকাগুলোতে যে সমস্ত খাস জমি পড়ে আছে, সেগুলোকে ভূমিহীন, দরিদ্র ও অসহায় মানুষদেরকে বরাদ্দ দিলে ভালো হয়; এক্ষেত্রে কোন এনজিওর মাধ্যমে এটি কার্যকর না করে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে করলেই ভালো হয়। এছাড়াও, খাসজমিগুলোর বরাদ্দসহ যে কোন সরকারি দান-অনুদান বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রভাবশালীদের দখলদারিত্ব ঠেকাতে হলে সেনাবাহিনীর সহযোগিতা প্রয়োজনীয় মনে করছি। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, ১৯৯১-এর প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের শুমারি এখনো পর্যন্ত হয়নি। ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকেই অদ্যাবধি চরম দুর্দশায় জীবনযাপন করছেন। অবিলম্বে উক্ত শুমারি সম্পন্ন করে তাঁদের দুঃখ-দুর্দশা দূর করা প্রয়োজন।
উপকূলীয় এলাকাগুলোর বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল সরকার কর্তৃক একটি উপকূলীয় মন্ত্রণালয় এবং একটি উপকূলীয় উন্নয়ন বোর্ড গঠিত হওয়া। এদেশে রয়েছে অনেকগুলো উপকূলীয় জেলা এবং দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উৎস হলো এই উপকূলীয় অঞ্চলগুলো। মাছ, চিংড়ি, লবণ, পর্যটন ও বিনোদন এলাকা - সর্বদিক দিয়ে দেশের জাতীয় আয় ও উৎপাদন অনেকাংশেই এগুলোর উপর নির্ভরশীল। অবাক হই যখন দেখি পার্বত্য এলাকাগুলো থেকে অনুরূপ কোন আয় ও উৎপাদন না পাওয়া সত্ত্বেও সব সময় পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রণালয় যে কোন সরকার কর্তৃক গঠিত হয় অথচ উপকুলের মতো অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুর্ভাগ্যজনকভাবে কোন সরকারের আমলেই কোন মন্ত্রণালয় গঠিত হয় না, এমনকি, কোন উপকূলের উন্নয়ন বোর্ডও গঠন করা হয় না। কিন্তু এটা সুস্পষ্ট যে, এ ধরনের মন্ত্রণালয় ও বোর্ড গঠিত হলে জাতীয় আয়, উৎপাদন ও সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারতো।
উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে শিক্ষার উন্নয়ন ঘটাতে হবে, বাড়াতে হবে শিক্ষার হার। আরো অনেক স্কুল ও কলেজ স্থাপন করতে হবে। কক্সবাজারে শিক্ষার প্রসারের জন্য এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়। সুন্দরবন, কুয়াকাটা, নিঝুম দ্বীপ ও সেন্ট মার্টিনসহ দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও প্রসারকে ত্বরান্বিত করতে হবে। কক্সবাজার ইনানী বীচকে করতে হবে আরো সমৃদ্ধ ও আকর্ষণীয়। সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর স্থাপন প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে, এতে বৈদেশিক আয় অনেক বেশি বাড়বে। ভারত ও মায়ানমার সংশ্লিষ্ট সমুদ্র সীমার বিজয়টিকে কাজে লাগাতে হবে এবং এই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে প্রচুর পরিমাণে উৎপাদন ও আয় বাড়াতে হবে। উপকূলবাসীকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় উৎসাহিত ও পুরস্কৃতকরণমূলক বনায়ন কার্যক্রমটিকে আরো জোরদার করতে হবে যাতে উপকূলীয় অঞ্চলসমূহ সব ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে নিরাপদ থাকতে পারে।
পরিশেষে বলবো, উপকূলীয় অঞ্চল মানেই অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বাংলাদেশের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসমুহ। বাংলাদেশের প্রকৃত ও কাক্সিক্ষত উন্নয়ন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এগুলোর উপর নির্ভরশীল। তাই এই এলাকাগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদানপূর্বক সরকার ও জনগণ উভয়কেই আন্তরিকভাবে সচেষ্ট হতে হবে উপকূলের সকল সমস্যা সমাধানপূর্বক কাক্সিক্ষত মান অর্জনের মাধ্যমে সার্বিক বিকাশ সাধন করতে। এতে করে খুব অল্প সময়েই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং জাতি উত্তরোত্তর বৃহত্তর সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাবে।
অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্
অধ্যক্ষ, মেরন সান কলেজ; চেয়ারম্যান, মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন;
সভাপতি, সার্ক কালচারাল ফোরাম বাংলাদেশ;
সহসভাপতি, উপকূলীয় উন্নয়ন ফাউন্ডেশন।
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল এতোই ব্যাপক ও বি¯তৃত যে, উপকূল ও উপকূলবাসীকে রক্ষার জন্য যথাযথ ও সময়োচিত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সমৃদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় তিন কোটি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কেননা, জলবায়ুতে উষ্ণতার কারণে যদি সমুদ্রের উচ্চতা ৪৫ সে. মি. বাড়ে, তাহলে বাংলাদেশের ১০ থেকে ১৫ শতাংশ এলাকা তলিয়ে যাবে। এমন কি, যদি ২১০০ সাল নাগাদ এক মিটার সমুদ্র সমতলের পরিবর্তন ঘটে, তবে বাংলাদেশের তিন মিলিয়ন হেক্টর জমি প্লাবিত হতে পারে। এই প্লাবনযোগ্য অঞ্চলগুলোর সবগুলোই এদেশের উপকূলীয় অঞ্চল। এছাড়া, উপকূলীয় অঞ্চলের উপযুক্ত সুরক্ষা না হলে এদেশের সাত কোটি লোক বিভিন্নভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আক্রান্ত হবে। উপরোক্ত আলোচনা থেকে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের পরিধি এবং গুরুত্ব নিঃসন্দেহে আরো সুস্পষ্ট হয়ে গেছে।
দুঃখের বিষয়, আমরা উপকূলও বুঝি না, উপকূলের গুরুত্বও বুঝি না। তাই আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে এখনো উল্লেখযোগ্য পরিমাণে দারিদ্র্য ও বেকারত্ব বিরাজ করছে। এছাড়াও, অপরিকল্পিত জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে বসতবাড়ি নির্মাণের মারাত্মক প্রভাব পড়ছে কৃষিজমির উপর। শিক্ষা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অপর্যাপ্ততার কারণে সঠিক ও যুগোপযোগী শিক্ষার অভাবে উপকূলীয় অঞ্চলের লোকেরা বিরাজমান সমস্যাবলির কাক্সিক্ষত সমাধান করতে সক্ষম হচ্ছে না। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অপর্যাপ্ত ব্যবহার ও প্রয়োগের কারণে উন্নত চাষাবাদ কিংবা সুপরিকল্পিত বিজ্ঞানসম্মত বনায়ন-কিছুতেই কাক্সিক্ষত সাফল্য ও অগ্রগতি সাধিত হচ্ছে না। উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর কাক্সিক্ষত মান অর্জন করতে হলে প্রয়োজন যুগ ও বিশ্বের সাথে তাল মেলানো উন্নয়নমুখী গতিশীলতা এবং এই অতীব গুরুত্বপূর্ণ গতিশীলতার জন্য সরকারের আন্তরিক ও গতিশীল পদক্ষেপ অপরিহার্য।
বাংলাদেশের উপকূলভাগ অনেক ব্যাপক এবং বি¯তৃত। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বাংলাদেশের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো এই উপকূলভাগেই অবস্থিত। মাছ, চিংড়ি, লবণ, কৃষি ও বনায়ন, পর্যটন ও বিনোদন এলাকা - সব দিক দিয়ে দেশের জাতীয় আয় ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে এগুলো সর্বোচ্চ সহায়ক। অথচ দেশের সবচেয়ে উপেক্ষিত অঞ্চলও এই উপকূলীয় অঞ্চলসমুহ। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, টর্নেডো - প্রভৃতিতে আক্রান্ত হয়ে জান-মালের ব্যাপক ক্ষতি হওয়া এ অঞ্চলগুলোর নৈমিত্তিক বৈশিষ্ট্য। দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এই এলাকাসমুহের উন্নয়ন সাধন ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, সর্বোপরি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে উপকূলবাসীকে সুপ্রতিষ্ঠিতকরণ সময়ের দাবি।
১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল এদেশের উপকূলীয় অঞ্চলসমুহের উপর বয়ে যাওয়া প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের কথা এদেশের মানুষ ভোলেনি, ভুলে যাওয়ার কথাও নয়। এ প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের কারণে দেশের ১৬টি জেলার ৪৭টি উপজেলা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ৪ লক্ষাধিক মানুষ ও অসংখ্য গবাদি পশু প্রাণ হারায়। এই অসংখ্য মানুষের মৃত্যু এবং অগুন্ত সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি জনম জনম ধরে এদেশের উপকূলবাসীর জন্য এক মর্মন্তুদ ও করুণ ইতিহাস হয়ে থাকবে। অথচ ২৯ এপ্রিল যে শিক্ষা উপকূলবাসীসহ এদেশের মানুষকে দিয়েছে সে শিক্ষা অনুসারে এখনো পর্যন্ত নেয়া হয়নি কোন কার্যকরী পদক্ষেপ। ১৯৯১ এর ঘূর্ণিঝড়ের পর বয়ে গেল ১৯৯৭ এর ঘূর্ণিঝড়সহ সাম্প্রতিক প্রলয়ংকরী মর্মান্তিক সিডর যার ভিকটিমেরা এখনো বঞ্চিত ও উপেক্ষিত অবস্থায় মানবেতর দিন কাটাচ্ছে। উপকূলীয় মানুষদের জন্য ঘূর্ণিঝড়, সিডর ইত্যাদি মোকাবেলায় পর্যাপ্ত রক্ষণাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে অদূর ভবিষ্যতে আরো অনেক প্রাকৃতিক দুর্যোগে উপকূলবাসী সর্বশান্ত হবে। অতীতেও বিভিন্ন সময়ে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস ইত্যাদির আক্রমণে উপকূলীয় অঞ্চলের জান-মাল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১৯৫৪, ১৯৬৮, ১৯৭৪, ১৯৮৭, ১৯৮৮ ও ১৯৯৮ সালের বন্যা ছিল নিকট অতীতের ভয়াবহতম। ১৯৭৪ সালের বন্যার কারণে ফসলহানিতে সংঘটিত ভয়ংকর দুর্ভিক্ষ লক্ষ লক্ষ প্রাণ সংহার করেছে। ১৯৮৮ সালের বন্যা ছিল সবচেয়ে ভয়াবহতম। দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৫৩টি এ বন্যায় ডুবে যায়, ৩০০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং ৪৫ লাখ হেক্টর জমির ফসল ধ্বংস হয়। ১৯৯৮ সালের বন্যা ছিল ইতিহাসের দীর্ঘতম। ৩ মাস স্থায়ী এ বন্যায় দেশের ৫৪টি জেলা জলমগ্ন হয়। ২০০৪ সালের বন্যায় দেশের ৫৬টি জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সরকারি প্রাথমিক হিসাব মোতাবেক এ বন্যায় মোট ৪২ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল এ বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জলোচ্ছ্বাস বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার মানুষের নিকট এক মূর্তিমান আতঙ্ক। গত ১৮৫ বছরে অন্তত ৫১ বার ভয়ংকর জলোচ্ছ্বাসের হামলায় পড়েছে বাংলাদেশ। তবে ১৯৬০, ১৯৭০, ১৯৮৫, ১৯৯১ এবং ১৯৯৭ সালের জলোচ্ছ্বাস ছিল বিভীষিকাময়। ১৯৭০ সালের সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস উপকূলীয় বিশাল এলাকাকে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছিল এবং এতে ৫ লাখের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল। ১৯৮৫ সালের ঘূর্ণিঝড়ে উড়িরচর নামক জনপদ সম্পূর্ণ জনশূন্য হয়ে পড়ে।
এটা সকলেরই নিকট সুবিদিত যে, উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর মাছ, চিংড়ি এবং লবণ এদেশের অর্থনীতির জন্য অতীব অপরিহার্য ও গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এদেশের মানুষের জীবন, জীবিকা ও অর্থনীতির সাথে এগুলোর সম্পর্ক নিবিড় ও অবিচ্ছেদ্য। অথচ বেশ অবাক লাগে যখন দেখি এই উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর উন্নয়নের ব্যাপারে সরকারের উদাসীনতা বিদ্যমান। পক্ষান্তরে, পার্বত্য অঞ্চলগুলোর পক্ষ থেকে অনুরূপ কোন অবদান না থাকলেও সরকারি সহযোগিতায় ও পৃষ্ঠপোষকতায় দিন দিন এগুলো সমৃদ্ধ হতে সমৃদ্ধতর হয়ে যাচ্ছে। আসলে আমরা যে আমাদের প্রকৃত লাভ-ক্ষতি বুঝি না, এটা আমাদের জাতীয় দোষ। রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতি সবক্ষেত্রেই এটি সন্দেহাতীতভাবে সত্য। এখন সময় এসেছে, অতীতের ব্যর্থতা ভুলে গিয়ে উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর যথার্থ মানোন্নয়নের মাধ্যমে দেশ ও জাতির কাক্সিক্ষত অগ্রগতি অর্জন করা। এ অগ্রগতি অর্জনের বিস্তারিত উপায় সম্পর্কে আমাদেরকে অবশ্যই ভাবতে হবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে সরকারি রেস্ট হাউজ নির্মাণপূর্বক যদি সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসীকে সেগুলো টেন্ডার দেওয়া হতো, তাহলে একদিকে যেমন উপকূলীয় এলাকার বিকাশের পথ সুগম হতো, অপরদিকে উত্তরোত্তর বিকাশ ও সমৃদ্ধির ফলে জাতীয় আয়ও বৃদ্ধি পেতো। এছাড়াও, উপকূলীয় এলাকাগুলো সরকারের øেহচ্ছায়ায় নিয়ন্ত্রিত হতো বিধায় উপকূলের মানুষ উৎসাহ-উদ্দীপনা লাভের মাধ্যমে সৃষ্টিশীল অভিযাত্রায় পরিকল্পিত উপায়ে এলাকার কাক্সিক্ষত বিকাশ ও মানোন্নয়নে মনোনিবেশ করতো , ফলশ্র“তিতে অতি দ্রুত বদলে যেতো উপকূলীয় মানুষের জীবন। উদাহরণস্বরূপ, মগনামা, কুতুবদিয়া, কক্সবাজার, আনোয়ারা, বাঁশখালী, মহেশখালী ও হাতিয়ায় সরকারি রেস্ট হাউজ স্থাপিত হলে উক্ত এলাকার অনেক অগ্রগতি অর্জিত হতো, সরকারেরও আয় বাড়তো। উপকূলীয় এলাকাগুলোতে যে সমস্ত খাস জমি পড়ে আছে, সেগুলোকে ভূমিহীন, দরিদ্র ও অসহায় মানুষদেরকে বরাদ্দ দিলে ভালো হয়; এক্ষেত্রে কোন এনজিওর মাধ্যমে এটি কার্যকর না করে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে করলেই ভালো হয়। এছাড়াও, খাসজমিগুলোর বরাদ্দসহ যে কোন সরকারি দান-অনুদান বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রভাবশালীদের দখলদারিত্ব ঠেকাতে হলে সেনাবাহিনীর সহযোগিতা প্রয়োজনীয় মনে করছি। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, ১৯৯১-এর প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের শুমারি এখনো পর্যন্ত হয়নি। ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকেই অদ্যাবধি চরম দুর্দশায় জীবনযাপন করছেন। অবিলম্বে উক্ত শুমারি সম্পন্ন করে তাঁদের দুঃখ-দুর্দশা দূর করা প্রয়োজন।
উপকূলীয় এলাকাগুলোর বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল সরকার কর্তৃক একটি উপকূলীয় মন্ত্রণালয় এবং একটি উপকূলীয় উন্নয়ন বোর্ড গঠিত হওয়া। এদেশে রয়েছে অনেকগুলো উপকূলীয় জেলা এবং দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উৎস হলো এই উপকূলীয় অঞ্চলগুলো। মাছ, চিংড়ি, লবণ, পর্যটন ও বিনোদন এলাকা - সর্বদিক দিয়ে দেশের জাতীয় আয় ও উৎপাদন অনেকাংশেই এগুলোর উপর নির্ভরশীল। অবাক হই যখন দেখি পার্বত্য এলাকাগুলো থেকে অনুরূপ কোন আয় ও উৎপাদন না পাওয়া সত্ত্বেও সব সময় পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রণালয় যে কোন সরকার কর্তৃক গঠিত হয় অথচ উপকুলের মতো অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুর্ভাগ্যজনকভাবে কোন সরকারের আমলেই কোন মন্ত্রণালয় গঠিত হয় না, এমনকি, কোন উপকূলের উন্নয়ন বোর্ডও গঠন করা হয় না। কিন্তু এটা সুস্পষ্ট যে, এ ধরনের মন্ত্রণালয় ও বোর্ড গঠিত হলে জাতীয় আয়, উৎপাদন ও সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারতো।
উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে শিক্ষার উন্নয়ন ঘটাতে হবে, বাড়াতে হবে শিক্ষার হার। আরো অনেক স্কুল ও কলেজ স্থাপন করতে হবে। কক্সবাজারে শিক্ষার প্রসারের জন্য এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়। সুন্দরবন, কুয়াকাটা, নিঝুম দ্বীপ ও সেন্ট মার্টিনসহ দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও প্রসারকে ত্বরান্বিত করতে হবে। কক্সবাজার ইনানী বীচকে করতে হবে আরো সমৃদ্ধ ও আকর্ষণীয়। সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর স্থাপন প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে, এতে বৈদেশিক আয় অনেক বেশি বাড়বে। ভারত ও মায়ানমার সংশ্লিষ্ট সমুদ্র সীমার বিজয়টিকে কাজে লাগাতে হবে এবং এই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে প্রচুর পরিমাণে উৎপাদন ও আয় বাড়াতে হবে। উপকূলবাসীকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় উৎসাহিত ও পুরস্কৃতকরণমূলক বনায়ন কার্যক্রমটিকে আরো জোরদার করতে হবে যাতে উপকূলীয় অঞ্চলসমূহ সব ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে নিরাপদ থাকতে পারে।
পরিশেষে বলবো, উপকূলীয় অঞ্চল মানেই অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বাংলাদেশের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসমুহ। বাংলাদেশের প্রকৃত ও কাক্সিক্ষত উন্নয়ন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এগুলোর উপর নির্ভরশীল। তাই এই এলাকাগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদানপূর্বক সরকার ও জনগণ উভয়কেই আন্তরিকভাবে সচেষ্ট হতে হবে উপকূলের সকল সমস্যা সমাধানপূর্বক কাক্সিক্ষত মান অর্জনের মাধ্যমে সার্বিক বিকাশ সাধন করতে। এতে করে খুব অল্প সময়েই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং জাতি উত্তরোত্তর বৃহত্তর সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাবে।
![]() |
| অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্ |
অধ্যক্ষ, মেরন সান কলেজ; চেয়ারম্যান, মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন;
সভাপতি, সার্ক কালচারাল ফোরাম বাংলাদেশ;
সহসভাপতি, উপকূলীয় উন্নয়ন ফাউন্ডেশন।
Wednesday, March 30, 2016
প্রেসিডেন্সি লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে কদম মোবারক এতিমখানায় খাবার বিতরণ সম্পন্ন
প্রেসিডেন্সি
লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে গত ৩০শে মার্চ কদম মোবারক মুসলিম এতিমখানার ৪০০
নিবাসীর মধ্যে খাবার বিতরণ সম্পন্ন হয়ছে। ক্লাব সভাপতি লায়ন সৈয়দ মোরশেদ
হোসেনর সভাপতিত্বে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত
ছিলেন লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল ডিষ্ট্রিক্ট ৩১৫ বি-৪ জেলা গভর্নর লায়ন
মোস্তাক হোছাইন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রক্তন জেলা গভর্নর
লায়ন এম সামশুল হক, জোন চেয়ারম্যান লায়ন আশরাফুল ইসলাম আরজু, ক্লাব
সেক্রেটারী লায়ন অধ্যক্ষ ড. সানাউল্লাহ্। প্রতিষ্ঠানের তত্বাবধায়ক আবুল
কাসেম। প্রধান অতিথি এ ধরনের মহতি উদ্যোগ গ্রহন করায় প্রেসিডেন্সি লায়ন্স
ক্লাবেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
Wednesday, November 11, 2015
ভবিষ্যৎ নির্মাণে দরকার বাধাহীন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চা -সোমনাথ হালদার
পৃথিবী
এখন প্রযুক্তি নির্ভর। বর্তমান এবং ভবিষ্যতেও যোগ্যতার প্রধান মাপকাঠি হবে
প্রযুক্তি জ্ঞান ও প্রযুক্তি দক্ষতা। নিজেদেরকে বিশ্বে তুলে ধরতে হলে
জনশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। আর এ জন্য ভবিষ্যৎ নির্মাণে দরকার
বাঁধাহীন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে সাধারণ মানুষের
কাছে পৌঁছানোই একমাত্র গন্তব্য। এ লক্ষ্যে চিটাগাং সায়েন্স ফাউন্ডেশন এর
উদ্যোগ প্রশংসনীয়। বিশ্ব বিজ্ঞান দিবস-২০১৫ উপলক্ষে চিটাগাং সায়েন্স
ফাউন্ডেশন (সিএসএফ) এর আলোচনা সভা, সম্মাননা স্মারক ও কর্মশালার সনদ প্রদান
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার সোমনাথ হালদার এ
কথাগুলো বলেন।
গতকাল (১০ নভেম্বর মঙ্গলবার) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ড. মো. সানাউল্লাহ। চিটাগাং সায়েন্স ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট কল্যাণ চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউএসটিসির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়–য়া, সমাজবিজ্ঞানী ড. মনজুর-উল-আমিন চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা পিপি এড. চন্দন বিশ্বাস, শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী পরিষদ কেন্দ্রিয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এড. তপন কান্তি দাশ, চ্যানেল আই’র ব্যুরো চীফ চৌধুরী ফরিদ, বঙ্গবন্ধু সবুজ স্কুলের প্রেসিডেন্ট নাসরিন সুলতানা, ফোরাম ফর পিপলস ভয়েসের নির্বাহী সদস্য বেলায়েত হোসেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন দক্ষিণ জেলার সভাপতি অজিত কুমার দাশ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রফেসর বেলায়েত হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নীলরতন দাশগুপ্ত, রিমন মুহুরী, অনিন্দ্য দেব, সানি তালুকদার, সমীর পাল প্রমুখ। ইউএসটিসির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়–য়া বলেন, উচ্চ শিক্ষা বলতে আমরা উন্নত সমাজ-সভ্যতা ও জ্ঞান-বিজ্ঞান সৃষ্টির কথা বলি। কার্যক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, উন্নত বিশ্বের সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় আমরা অনেকটা পিছিয়ে। সমাজবিজ্ঞানী ড. মনজুর-উল- আমিন চৌধুরী বলেন, ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য তাই সর্বাগ্রে দরকার বাধাহীন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চা। এখনই সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আন্দোলনকে এগিয়ে নেওয়ার। তিনি এই আন্দোলনকে বাংলাদেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার আশা ব্যক্ত করেন। অজিত কুমার দাশ বলেন, এই প্রথম চট্টগ্রামে যে বিজ্ঞান আন্দোলন প্রতিষ্টা লাভ করেছে তা অদুর ভবিষ্যতে পুরো বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়বে।
আলোচনা সভা শেষে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন প্রধান অতিথি সোমনাথ হালদার। এবার বিশ্ব বিজ্ঞান দিবসের সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন সজল কুমার নাথ, ডা. মো. নাছির উদ্দিন, আলমগীর শিপন, মো. আরিফ চৌধুরী, দিদারুল ইসলাম, ডা. আর কে রুবেল, প্রিন্সিপ্যাল ডা. বরুণ কুমার আচার্য্য। উল্লেখ্য যে, বিকাল ৩টার কর্মশালায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। পরে শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
গতকাল (১০ নভেম্বর মঙ্গলবার) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ড. মো. সানাউল্লাহ। চিটাগাং সায়েন্স ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট কল্যাণ চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউএসটিসির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়–য়া, সমাজবিজ্ঞানী ড. মনজুর-উল-আমিন চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা পিপি এড. চন্দন বিশ্বাস, শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী পরিষদ কেন্দ্রিয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এড. তপন কান্তি দাশ, চ্যানেল আই’র ব্যুরো চীফ চৌধুরী ফরিদ, বঙ্গবন্ধু সবুজ স্কুলের প্রেসিডেন্ট নাসরিন সুলতানা, ফোরাম ফর পিপলস ভয়েসের নির্বাহী সদস্য বেলায়েত হোসেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন দক্ষিণ জেলার সভাপতি অজিত কুমার দাশ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রফেসর বেলায়েত হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নীলরতন দাশগুপ্ত, রিমন মুহুরী, অনিন্দ্য দেব, সানি তালুকদার, সমীর পাল প্রমুখ। ইউএসটিসির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়–য়া বলেন, উচ্চ শিক্ষা বলতে আমরা উন্নত সমাজ-সভ্যতা ও জ্ঞান-বিজ্ঞান সৃষ্টির কথা বলি। কার্যক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, উন্নত বিশ্বের সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় আমরা অনেকটা পিছিয়ে। সমাজবিজ্ঞানী ড. মনজুর-উল- আমিন চৌধুরী বলেন, ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য তাই সর্বাগ্রে দরকার বাধাহীন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চা। এখনই সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আন্দোলনকে এগিয়ে নেওয়ার। তিনি এই আন্দোলনকে বাংলাদেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার আশা ব্যক্ত করেন। অজিত কুমার দাশ বলেন, এই প্রথম চট্টগ্রামে যে বিজ্ঞান আন্দোলন প্রতিষ্টা লাভ করেছে তা অদুর ভবিষ্যতে পুরো বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়বে।
আলোচনা সভা শেষে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন প্রধান অতিথি সোমনাথ হালদার। এবার বিশ্ব বিজ্ঞান দিবসের সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন সজল কুমার নাথ, ডা. মো. নাছির উদ্দিন, আলমগীর শিপন, মো. আরিফ চৌধুরী, দিদারুল ইসলাম, ডা. আর কে রুবেল, প্রিন্সিপ্যাল ডা. বরুণ কুমার আচার্য্য। উল্লেখ্য যে, বিকাল ৩টার কর্মশালায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। পরে শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
Wednesday, May 6, 2015
গণতন্ত্রের সুসংহতের জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিকল্প নেই -গণমাধ্যমের স্বাধীনতা দিবসে অধিকারের মানববন্ধন ও আলোচনা সভায় বক্তারা
গণতন্ত্রের সুসংহতের জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিকল্প নেই। গণতন্ত্র বেঁচে থাকলেই গণমাধ্যম বেঁচে থাকবে। প্রতিনিয়ত গণতন্ত্রের অধিকার হরণ হয় বলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষীনপ্রান নিয়ে বেঁচে আছে। বলতে গেলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বলতে কিছুই নেই। ৯০ সালের পর থেকেই গণমাধ্যমের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ রাজনৈতিক দুই দলের লেজুড় ভিত্তিক হয়ে গেছে। এই বিভক্তি থেকে বেরিয়ে আসলে না পারলে পরিপূর্ণভাবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আসবে না। গণমানুষের জন্য গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজও করতে পারবে না। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় অতিথিরা এসব কথা বলেন।
গত ৩ মে নগরীর বিকেলে চকবাজারস্থ ফুলতলা এলাকায় উক্ত দিবস উপলক্ষে অধিকার চট্টগ্রাম এইচআরডি নেটওয়ার্ক এর উদ্যোগে মানববন্ধন ও একটি কলেজ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অধিকার ফোকাল পারসন ওসমান জাহাঙ্গীরের সঞ্চালনায় এইচআরডি ফৌজিয়া আক্তার লোটন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্র্মী ও শিক্ষাবিদ ড. মোঃ সানাউল্লাহ। আলোচনা সভার শুরুতে দিবসের প্রতিপাধ্য বিষয় নিয়ে প্রবন্ধ পাঠ করেন এইচআরডি লেখক আবদুল্লাহ মজুমদার। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন সন্দ্বীপের এইচআরডি দিদারুল আলম, নগরীর হুমায়রা জান্নাত হিমালী, হাটহাজারীর সমীর, সাতকানিয়ার ইমরান সোহেল, মহেশখালীর জহিরুল ইসলাম, হামিদুল হক চৌধুরী, আনোয়ারার সাইফি আনোয়ারুল আজিম, পেকুয়ার বেলাল হোসেন, বাঁশখালীর মিজানুর রহমান, কুতুবদিয়ার নিজাম কুতুবি, তৌহিদুল ইসলাম, আব্দুল আরিফ প্রমূখ।
গত ৩ মে নগরীর বিকেলে চকবাজারস্থ ফুলতলা এলাকায় উক্ত দিবস উপলক্ষে অধিকার চট্টগ্রাম এইচআরডি নেটওয়ার্ক এর উদ্যোগে মানববন্ধন ও একটি কলেজ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অধিকার ফোকাল পারসন ওসমান জাহাঙ্গীরের সঞ্চালনায় এইচআরডি ফৌজিয়া আক্তার লোটন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্র্মী ও শিক্ষাবিদ ড. মোঃ সানাউল্লাহ। আলোচনা সভার শুরুতে দিবসের প্রতিপাধ্য বিষয় নিয়ে প্রবন্ধ পাঠ করেন এইচআরডি লেখক আবদুল্লাহ মজুমদার। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন সন্দ্বীপের এইচআরডি দিদারুল আলম, নগরীর হুমায়রা জান্নাত হিমালী, হাটহাজারীর সমীর, সাতকানিয়ার ইমরান সোহেল, মহেশখালীর জহিরুল ইসলাম, হামিদুল হক চৌধুরী, আনোয়ারার সাইফি আনোয়ারুল আজিম, পেকুয়ার বেলাল হোসেন, বাঁশখালীর মিজানুর রহমান, কুতুবদিয়ার নিজাম কুতুবি, তৌহিদুল ইসলাম, আব্দুল আরিফ প্রমূখ।
Wednesday, April 22, 2015
টইটং ইউনিয়নের প্রাক্তন চেয়ারম্যান লোকমান হাকিমের স্মরণ সভায় বক্তারা- সমাজে ভাল মানুষ হওয়ার চাইতে বড় মানুষ হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে
অভিবক্ত চকরিয়া বর্তমান পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিক্ষানুরাগী, সমাজকর্মী ও মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন এর সহ-সভাপতি মৌলভী লোকমান হাকিম এর অকাল মৃত্যুতে শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সচিব শাব্বির ইকবাল বলেছেন, আমাদের সমাজে শিক্ষিত ও সমাজকর্মীকে আরো বেশি বেশি মূল্যায়ন করতে হবে। গুণী মানুষকে তাঁর কাজের স্বীকৃতি প্রদান করে সমাজ উন্নয়নে উৎসাহিত করতে হবে। বর্তমান সমাজে ভাল মানুষ হওয়ার চাইতে বড় মানুষ হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি জাতির জন্য শুভকর নয়। জনাব শাব্বির ইকবাল আরো বলেছেন, মৌলভী লোকমান হাকিম চকরিয়া, পেকুয়া ও টইটং এর জন্য আলোকিত মানুষ ছিলেন। প্রান্তিক এলাকার অবহেলিত লোকদের শিক্ষায় উন্নয়নের জন্য তিনি স্কুল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখেন। সমাজ উন্নয়নে তাঁর কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ এলাকাবাসী তাঁকে চারবার ইউপি সদস্য ও দুইবার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন। মৌলভী লোকমান হাকিম বড় মানুষ ছিলেন না তিনি ছিলেন ভাল মানুষ। তাঁর মত ভাল মানুষ সমাজ ও জাতীর জন্য বড় বেশি প্রয়োজন। টইটং পূর্ব সোনাইছড়ি যুবকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে এক নাগরিক শোক সভা বহাদ্দারহাটস্থ মেরিট বাংলাদেশ কলেজ মিলনায়তনে ১৯ এপ্রিল বিকেলে মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন মুনির এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। শোক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সচিব শাব্বির ইকবাল। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. মুহাম্মদ সানাউল্লাহ্। বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালের সহ-সভাপতি লায়ন আলহাজ্ব সৈয়দ মোরশেদ হোসেন, চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি সোহেল মো. ফখরুদ-দীন, জয়নাল আবেদীন চৌধুরী লিটন, অধ্যাপক কবি শিহাব ইকবাল, মোহাম্মদ বেলাল হোসেন প্রমুখ।
Wednesday, April 1, 2015
টৈটং উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য মওঃ লোকমান হাকিমের শোক সভা
পেকুয়া উপজেলাস্থ টৈটং উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে বিশিষ্ট সমাজসেবক জনপ্রতিনিধি মাওলানা লোকমান হাকিমের স্মরণে এক শোক সভা ও দোয়া মাহফিল স্কুল মাঠে গত ১ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক রাশেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। শোক সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন প্রিন্সিপাল ড. মো. সানাউল্লাহ। আরো বক্তব্য রাখেন টৈটং ইউপি চেয়ারম্যান জেড এম মোসলেম উদ্দিন, সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ, কামাল হোসেন এম.কম., আলহাজ্ব আবদুল খালেক, ডা. নুরুল কবির, সাবেক ইউ.পি সদস্য মনজুর আলম প্রমুখ। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন মাওলানা খাইরুজ্জামান গাজী। বক্তারা বলেন, মাওলানা লোকমান হাকিম নির্লোভ সমাজ উন্নয়ন কর্মী। তিনি আর্থিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না। তবু তিনি টৈটং সহ স্থানীয় অঞ্চলগুলোর উন্নয়নের জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি পরপর তিনবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন এবং দুবার ভারপ্রাপ্ত ইউ.পি চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি বনকানন এলাকায় হেডম্যান হওয়া সত্ত্বেও কোন সম্পদ তিনি নিজের জন্য করে যান নাই। স্থানীয় শিা প্রতিষ্ঠানগুলোতে তিনি পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন। এ আলোকিত মানুষটি গত ২৭ মার্চ অকালে চলে গেলেন। তাঁর চলে যাওয়ায় এলাকার জন্য যে তি হয়েছে তা পূরণীয় নয়। তিনি স্বশরীরে ইহজগত ত্যাগ করলেও তাঁর কর্ম জন্য তিনি এ অঞ্চলের মানুষের অন্তরে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবে।
Tuesday, March 31, 2015
মেরন সান ও মেরিট বাংলাদেশ কলেজের এইচ এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন
নগরীর মেরন সান ও মেরিট বাংলাদেশ কলেজের এইচ এস সি পরীক্ষার্থীদের শতভাগ সাফল্য কামনায় একাদশ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের আয়োজনে দোয়া মাহফিল ও বিদায় অনুষ্ঠান গত ২৯ মার্চ অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্র সভাপতিত্বে চকবাজার ক্যাম্পাস কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট লায়ন সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের লক্ষ্যে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে বক্তব্য রাখেন উপাধ্যক্ষ রাজেশ কান্তি পাল, চিফ একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর শিহাব ইকবাল, শিক্ষক মোহাম্মদ শওকত ওসমান, মোহাম্মদ শাহ আলম, হেফাজতুর রহমান, সোমা সেন গুপ্তা প্রমুখ। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন- পরীক্ষার্থী আবদুল আল হাসান লিমন, শাবনুর জাহান মুনিরী, একাদশ শ্রেণির সাজ্জাদ হোসেন ফাহিম ও জয়শ্রী মারমা। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মানপত্র পাঠ করে একাদশ শ্রেণির ছাত্রী মেহজাবীন শহীদ। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘পিতা-মাতা ও শিক্ষক-শিক্ষিকার স্বপ্ন পূরণ করতে হলে, প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও সম্মানকে অক্ষুণœ রাখতে হলে, এমনকি, নিজের জীবনকে যথাযোগ্য মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে হলে বোর্ড পরীক্ষায় সফলতার বিকল্প নেই। তোমরা চাইলে সাফল্যের পথ বেয়ে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারো।’ পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মহোদয় বলেন, ‘‘বিদায় প্রত্যেকটা মানুষের জন্য বেদনাদায়ক। তোমাদের আজকের এ বিদায় দুঃখের হলেও পরম আনন্দের, কেননা, আজকের বিদায়ের মাধ্যমে তোমরা একটা বৃহত্তর জগতে পদার্পণ করতে যাচ্ছ। তোমরা অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম শেষ করলেও আমাদের সহযোগিতা ও দোয়া সব সময় তোমাদের সাথে থাকবে। মনে রাখবে, শুধু সার্টিফিকেট অর্জনের জন্য শিক্ষা বাস্তব জীবনে কোন প্রভাব ফেলতে পারে না। একমাত্র প্রকৃত শিক্ষাই পারে সমাজ, দেশ ও জাতির মান উন্নত করতে।’ তিনি আশা করেন, অন্যান্য বারের চেয়ে এবার শিক্ষার্থীরা আরো ভালো ফলাফল অর্জন করবে, কারণ, এবারে বিগত সময়ের বিভিন্ন ঘাটতি পূরণ করে পরীক্ষার্থীদেরকে আরো ভালোভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। সভায় পরীক্ষার্থীদের মঙ্গল ও দোয়া কামনা করে মিলাদ পরিচালনা করেন মাওলানা রাহমত উল্লাহ আজাদ। মিলাদের পর প্রতিষ্ঠান প্রধানের হাতে প্রতিষ্ঠানের জন্য গিফট তুলে দেয় দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে বিদায়ী শিক্ষার্থীদেরকে তাবারুক ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শিক্ষিকা স্বপ্না রাণী দত্ত। অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
Sunday, March 29, 2015
দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক তৈরিতে মেরন সান অবদান রাখছে -স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে পুলিশ কমিশনার আবদুল জলিল মণ্ডল
নগরীর মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজ এর চকবাজার ক্যাম্পাস-এর উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন, বার্ষিক ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার ও সনদপত্র প্রদান এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুুষ্ঠান গত ২৬ মার্চ প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টায় অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্ কর্তৃক অনুষ্ঠান উদ্বোধনের পরপরই শুরু হয় ক্ষুদে শিল্পীদের অংশগ্রহণে উন্মুক্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব। তিনদিন ব্যাপি আয়োজিত ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সমাপনী দিন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাননীয় পুলিশ কমিশনার মোহাঃ আবদুল জলিল মণ্ডল বিপিএম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মিজানুর রহমান চৌধুরী, সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালী) শাহ মোহাম্মদ আবদুর রউফ, সহকারী পুলিশ কমিশনার আসিফ মহিউদ্দীন, বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহসীন, চকবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ আতিক আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মা, শিশু ও জেনারেল হাসপাতাল এবং মেডিকেল কলেজ- এর কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট লায়ন সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মহিলা কাউন্সিলর শাহেদা কাসেম সাথী, কলেজিয়েট স্কুল এন্ড কলেজের ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক শাহনাজ পারভীন, চকবাজার ক্যাম্পাসের উপাধ্যক্ষ রাজেশ কান্তি পাল, চান্দগাঁও ক্যাম্পাসের উপাধ্যক্ষ নুর কাসেম তালুকদার, চিফ একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর শিহাব ইকবাল প্রমুখ। আলোচনা সভার পর আমন্ত্রিত অতিথি ও অভিভাবকদের অংশগ্রহণে আকর্ষণীয় বেলুন ফোলানো প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং অনুষ্ঠান শেষে ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে মাননীয় প্রধান অতিথি পুরস্কার তুলে দেন। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন- “প্রতিটি শিক্ষার্থীর লক্ষ্য হতে হবে সৎ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠা এবং এজন্য কেবল ক্লাসে নয়, জীবনেও প্রথম হতে হবে। পিতা-মাতা ও শিক্ষককে মেনে চলার কোন বিকল্প নেই। শৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে মেধা ও মননের বিকাশ ঘটাতে পারলেই দেশ এগিয়ে যাবে, মহান মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য অজিত হবে এবং মিশন ২০২১ এর সফল বাস্তবায়ন ঘটবে। স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের মাধ্যমে দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক তৈরিতে মেরন সান অবদান রাখছে।” শিক্ষার্থীদের সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার ব্যাপারে তিনি শিক্ষক ও অভিভাবকদের সহযোগিতা কামনা করেন এবং নিজ থেকেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্ বলেন, “শিক্ষার্থীরা যদি অন্তরে এই বিশ্বাস ধারণ করে যে, তারা পারবেই, তাদেরকে পারতেই হবে, তাহলে ব্যর্থতা কখনো তাদের জীবনে আসতে পারবে না। এই বিশ্বাসের জোরেই নিরস্ত্র বাঙালিরা সশস্ত্র পাকহানাদারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা ও বিজয় ছিনিয়ে আনতে পেরেছিল।” আলোচনা সভা শেষে শুরু হয় মেরন সান সাংস্কৃতিক স্কোয়াডের অংশগ্রহণে নাচ, গান, কৌতুক ইত্যাদিতে সমৃদ্ধ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সমগ্র অনুষ্ঠানের সঞ্চালনের দায়িত্বে ছিলেন শিক্ষক পঞ্জক দাশ, শওকত ওসমান ও শিক্ষিকা স্বপ্না রাণী দত্ত। অনুষ্ঠানে মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজ-এর সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকমণ্ডলী উপস্থিত ছিলেন। Thursday, March 26, 2015
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন
মহান স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে গত ২৫ মার্চ নগরীর চকবাজার ফুলতলাস্থ মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের স্বাধীনতা সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান প্রিন্সিপাল ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহর সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাকলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহসিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদের সহ-সভাপতি লায়ন সৈয়দ মোরশেদ হোসেন। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের চীফ কো-অর্ডিনেট শিহাব ইকবাল, উপাধ্যক্ষ রাজেশ কান্তি পাল। প্রতিযোগিতার মডারেট হিসেবে ছিলেন রাহমাতুল্লাহ আজাদ, মোহাম্মদ শাহ আলম, নিজাম কুতুবী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন স্বপ্না রাণী দত্ত, পঙ্কজ দাশ, মোহাম্মদ শওকত ওসমান প্রমুখ। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস আগামী প্রজন্মের পাশাপাশি এই মূল্যবোধের চেতনার চর্চা করতে হবে। এই মাসটা আমাদের পরিচয় অর্জনের মাস। এই মাসে আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু করেছিলাম। নয় মাসের যুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার তাড়াতে পেরেছিলাম। পৃথিবীর মানচিত্রে আমরা আজ স্বাধীন জাতি হিসেবে পরিচিত। দুশ বছরের গোলামীর শৃঙ্খল ভেঙে স্বাধীনতা অর্জনের মাধ্যমে আমরা আত্ম পরিচয়ে দীক্ষিত হয়েছি। মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে সামনে রেখে আমাদের জাতি হিসেবে আরো এগিয়ে যেতে হবে। এই ব্যাপারে ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
Saturday, March 21, 2015
মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজে বঙ্গবন্ধুর জম্মদিন ও জাতীয় শিশুদিবস অনুষ্ঠিত
সবার কাছে পৌঁছে দিতে হবে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার ইতিহাস মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজে বঙ্গবন্ধুর জম্মদিন ও জাতীয় শিশুদিবসের আলোচনা সভায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক
বঙ্গবন্ধু ছিলেন পিছিয়ে পড়া পরাধীন জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আলোকবর্তিকা । তিনি বাঙ্গালী জাতির মুক্তির জন্য সারাজীবন রাজনীতি করে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে গেছেন। তিনি ৬৬ সালের ৬ দফা স্বাধিকার আন্দোলন, ৭১সালে ৭ মার্চে ঐতিহাসিক ভাষণ পরবর্তীতে স্বাধীনতার যুদ্ধে ৯ মাসে বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পৃথিবীর মানচিত্রে জম্ম দিয়েছেন। তা সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুর মতো নেতার জম্ম হয়েছে বলে। স্বাধীনতার অগ্রযাত্রাকে ধরে রাখতে শিক্ষিত জাতির বিকল্প নেই । বঙ্গবন্ধু একটি প্রেরণা একটি অধ্যায় এই মূল্যবোধ আগামী প্রজম্মকে স্বাধীনতার চেতনায় ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ বিনিমার্ণে অগ্রণী ভুমিকা রাখবে। বাংলাদেশের আগামীর ভবিষ্যৎ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার কারিগর কোমলমতি এসকল শিশুদের কাছে তুলে ধরতে হবে বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস। সবার কাছে পৌছে দিতে হবে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার ইতিহাস,যে সোনার বাংলা গড়ে তুলতে গিয়ে স্ব-পরিবারে প্রান হারান ষড়যন্ত্রকারীর কাছে। জাতির পিতার সোনার বাংলা গড়ে তুলবে আজকের এই শিশুরা। আগামী প্রজম্মের হাতে রইল বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তোলার দায়িত্ব। মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের বঙ্গবন্ধুর জম্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন একথা বলেন। গত ১৭ মার্চ চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও এক কিলোমিটারস্থ মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের চান্দগাঁও ক্যাম্পাসের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর জম্মদিন ও জাতীয় শিশুদিবসের আলোচনা সভা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ক্রিড়া সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান প্রিন্সিপাল ড.মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন , বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের পরিচালনা পষর্দের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোরশেদ হোসেন, কলেজিয়েট স্কুলের সিনিয়ার শিক্ষিকা শাহনাজ পারভিন, মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের পরিচালক জয়নাল আবেদিন লিটন, প্রতিষ্টানে উপাধ্যক্ষ নুর কাশেম তালুকদার,অনুষ্টান সঞ্চালনায় করেন শিক্ষক ওসমান বেনিজি । শিশু দিবসের আলোচনাা শেষে বার্ষিক ক্রিড়া সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার ইভেন্ট বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় ।
বঙ্গবন্ধু ছিলেন পিছিয়ে পড়া পরাধীন জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আলোকবর্তিকা । তিনি বাঙ্গালী জাতির মুক্তির জন্য সারাজীবন রাজনীতি করে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে গেছেন। তিনি ৬৬ সালের ৬ দফা স্বাধিকার আন্দোলন, ৭১সালে ৭ মার্চে ঐতিহাসিক ভাষণ পরবর্তীতে স্বাধীনতার যুদ্ধে ৯ মাসে বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পৃথিবীর মানচিত্রে জম্ম দিয়েছেন। তা সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুর মতো নেতার জম্ম হয়েছে বলে। স্বাধীনতার অগ্রযাত্রাকে ধরে রাখতে শিক্ষিত জাতির বিকল্প নেই । বঙ্গবন্ধু একটি প্রেরণা একটি অধ্যায় এই মূল্যবোধ আগামী প্রজম্মকে স্বাধীনতার চেতনায় ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ বিনিমার্ণে অগ্রণী ভুমিকা রাখবে। বাংলাদেশের আগামীর ভবিষ্যৎ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার কারিগর কোমলমতি এসকল শিশুদের কাছে তুলে ধরতে হবে বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস। সবার কাছে পৌছে দিতে হবে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার ইতিহাস,যে সোনার বাংলা গড়ে তুলতে গিয়ে স্ব-পরিবারে প্রান হারান ষড়যন্ত্রকারীর কাছে। জাতির পিতার সোনার বাংলা গড়ে তুলবে আজকের এই শিশুরা। আগামী প্রজম্মের হাতে রইল বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তোলার দায়িত্ব। মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের বঙ্গবন্ধুর জম্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন একথা বলেন। গত ১৭ মার্চ চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও এক কিলোমিটারস্থ মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের চান্দগাঁও ক্যাম্পাসের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর জম্মদিন ও জাতীয় শিশুদিবসের আলোচনা সভা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ক্রিড়া সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান প্রিন্সিপাল ড.মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন , বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের পরিচালনা পষর্দের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোরশেদ হোসেন, কলেজিয়েট স্কুলের সিনিয়ার শিক্ষিকা শাহনাজ পারভিন, মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের পরিচালক জয়নাল আবেদিন লিটন, প্রতিষ্টানে উপাধ্যক্ষ নুর কাশেম তালুকদার,অনুষ্টান সঞ্চালনায় করেন শিক্ষক ওসমান বেনিজি । শিশু দিবসের আলোচনাা শেষে বার্ষিক ক্রিড়া সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার ইভেন্ট বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় ।
Friday, March 20, 2015
মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজে বঙ্গবন্ধুর জম্মদিন ও জাতীয় শিশুদিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
১৭ মার্চ চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও এক কিলোমিটারস্থ মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের চান্দগাঁও ক্যাম্পাসের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর জম্মদিন ও জাতীয় শিশুদিবসের আলোচনা সভা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ক্রিড়া সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান প্রিন্সিপাল ড.মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন , বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের পরিচালনা পষর্দের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোরশেদ হোসেন, কলেজিয়েট স্কুলের সিনিয়ার শিক্ষিকা শাহনাজ পারভিন, মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের পরিচালক জয়নাল আবেদিন লিটন, প্রতিষ্টানে উপাধ্যক্ষ নুর কাশেম তালুকদার,অনুষ্টান সঞ্চালনায় করেন শিক্ষক ওসমান বেনিজি । শিশু দিবসের আলোচনাা শেষে বার্ষিক ক্রিড়া সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার ইভেন্ট বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় ।
Monday, March 16, 2015
মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের চান্দগাঁও ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্ভোধনী অনুষ্ঠান
চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও এক কিলোমিটারস্থ মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্ভোধনী অনুষ্ঠান ১৬ মার্চ ২০১৫ স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। প্রিন্সিপাল ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চান্দগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোরশেদ হোসেন। মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের পরিচালক জয়নাল আবেদিন লিটন, প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ নুর কাশেম তালুকদার, কো-অর্ডিনেটর শিহাব উদ্দিন, শিক্ষক বেনজির এর সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন, কাজী মোহাম্মদ সাঈফ, রুবি আক্তার, ওসমান গণি প্রমূখ। উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন ক্রীড়া সংস্কৃতি সহ শিক্ষা কার্যক্রম শিশুদের দেহ ও মনন বিকাশে সহায়ক ভুমিকা পালন করে। এতে লেখা-পড়ায় শিশুদের উন্নতির দিকে ধাবিত করে। এবং সংস্কৃতি শিশুর মনে সঞ্চিত জীবনে প্রভাব বিস্তার করে, তা দিয়ে আগামী দিনে জাতি গঠনে শিশুরাই নির্মানের ভুমিকা পালন করবে।
Sunday, March 15, 2015
মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্ভোধন
চট্টগ্রাম নগরীর নুরনগর হাউজিন সোসাইটির মাঠে গত ১৫ মার্চ সকালে মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়ার প্রতিযোগিতা বেলুন উডিয়ে উদ্ভোধন হয়েছে । উদ্ভোধন অনুষ্টানে অধক্ষ ড. সানাউল্লাহ্'র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট লায়ন সৈয়দ মোরশেদ হোসেন, আরো উপস্থিত ছিলেন চান্দগাঁও ক্যাপাসের উপধ্যক্ষ নুর কাশেম তালুকদার ।চিফ একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর শিহাব ইকবাল, কো-অর্ডিনেটর শিহাব উদ্দিন, ওসমান বেনজির, প্রমুখ।
Sunday, February 22, 2015
মেরন সান ও মেরিট বাংলাদেশে অমর একুশে উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক ভাষা ও সাহিত্য উৎসব






নগরীর স্বনামধন্য মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজ ও মেরিট বাংলাদেশ স্কুল এন্ড কলেজে আজ ২১ ফেব্রুয়ারি মহান ভাষা শহীদদের স্মরণে এবং মাতৃভাষা বাংলার গুরুত্ব তুলে ধরা উপলক্ষে সকাল ১০টা থেকে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং বাংলাদেশ-ভারত’ এর কবি, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক ভাষা ও সাহিত্য উৎসব ২০১৫ অনুষ্ঠিত হয়। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা একই সময়ে অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হলেও সকল ক্যাম্পাসের সমন্বয়ে আন্তর্জাতিক ভাষা ও সাহিত্য উৎসব অনুষ্ঠিত হয় মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে। স্টেডলারের আয়োজনে অত্র প্রতিষ্ঠানের চারুকারু শিক্ষক ইউসুফ আলী খানের তত্ত্বাবধানে অসাধারণ চিত্রকর্মে মেতে ওঠে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। কারো ছবিতে ফুটে ওঠে একুশের চেতনা, আবার কারো ছবিতে ফুটে উঠে গ্রাম-বাংলার দৃশ্য। আন্তর্জাতিক ভাষা ও সাহিত্য উৎসবে সভাপতিত্ব করেন মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ, মেরিট বাংলাদেশ স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, সার্ক কালচারাল ফোরাম বাংলাদেশের সভাপতি, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজ সেবক, পরিবেশ গবেষক ও সুলেখক অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র ভারতের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক, আলোর আভাষ সংস্থার সভাপতি হরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, বাড়াইপুর পৌরসভার মেয়র পৌরপিতা এডভোকেট হাফিজুর রহমান, সব্যসাচী লেখক এবং সার্ক কালচারাল ফোরাম-এর সাধারণ সম্পাদক সুব্রত হালদার, বিশ্বকবি রবি ঠাকুরের শান্তি নিকেতনের সংগঠক কবি সঞ্জীব কুমার রাহা, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিটি রেডিও সেন্টারের পরিচালক ড. মিথা ঘোষ, বিখ্যাত শ্র“তি নাট্যকার ও কবি রতন ঘোষ, বিপ্লবী কবি সমরেন্দ্র দাশ গুপ্ত, বিখ্যাত রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী পিনাকী চক্রবর্তী, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পূর্ণা দাশ গুপ্ত, আবৃত্তিকার সোমা কান্তি লাল, সংগীত শিল্পী শীলা দীপ্ত রায়, কবি নরেন্দ্র মজুমদার, চলচ্চিত্র পরিচালক শীলা দত্ত রায়, সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মোহাম্মদ হাসিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর জিন বোধি ভিক্ষু, ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যাপক মুছা কলিমুল্লাহ, আল্লামা রুমী সোসাইটির মহাসচিব সিরাজউদ্দৌল্লাহ। এপার ও ওপার বাংলার কবি, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদদের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে একুশের চেতনায় দীপ্ত আন্তর্জাতিক ভাষা ও সাহিত্য উৎসব। পাশাপাশি আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। সভাপতি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘যে জাতি নিজের ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ভুলে যায়, সে জাতি কখনো মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না। মহান একুশ থেকে শিক্ষা নিয়ে এদেশবাসীর উচিত সকল সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে এদেশকে একটি উন্নত ও স্বয়ংসম্পূর্ণ রাষ্ট্রে পরিণত করা, এদেশের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে রক্ষা করা ও সমুন্নত রাখা এবং এপার ও ওপার বাংলার সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে সমন্বিত করা।’ সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন ইতিহাস গবেষক সোহেল মোঃ ফখরুদ্দীন ও কবি আসিফ ইকবাল। অনুষ্ঠানে সকল ক্যাম্পাসের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকমণ্ডলী উপস্থিত ছিলেন। Friday, February 13, 2015
Wednesday, February 11, 2015
Subscribe to:
Posts (Atom)
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
- ▼ 2026 (2002)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
বিনোদন
শেষের পাতা
ক্রিকেট খেলা
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
দেশে দেশে
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ইসরায়েল
ফুটবল খেলা
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
ফিলিস্তিন
Lead
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
ইরান
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
কালবেলা
চট্টগ্রাম
বিশাল বাংলা
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
মুসলিম
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
জাতিসংঘ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সাক্ষাৎকার
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
ইউরোপ
খেলা ধুলা
সৌদি আরব
ছাত্রলীগ
ইতিহাস
প্রতিবেদন
জামায়াতে ইসলামী
সোহরাব হাসান
অমানবিক
পশ্চিমবঙ্গ
আলোকিত চট্টগ্রাম
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
জাতীয় সংসদ
নারী ধর্ষণ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
আফ্রিকা
মাদক
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
সংখ্যালঘু
প্রবাস
ছুটির দিনে
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
সৈয়দ আবুল মকসুদ
তুরস্ক
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
আফগানিস্তান
গোল্লাছুট
বইপত্র
অন্য আলো
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
ইউক্রেন
দুর্ঘটনা
অপহরণ
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
স্বাস্থ্য
ফূটবল খেলা
হিন্দু
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
নেপাল
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
জ্যোতির্বিজ্ঞান
সড়ক দুর্ঘটনা
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
শিল্প ও সাহিত্য
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
কক্সবাজার
এ এম এম শওকত আলী
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
Exclusive
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
গবেষণা
বাংলাদেশ
মিসর
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
শোক
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
সংস্কৃতি
ইয়েমেন
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
জীবনযাপন
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
লেবানন
আবদুল মান্নান
জাপান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
কুমিল্লা
শিল্প
মুক্তমত
মাহমুদুর রহমান
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
পার্বত্য চট্টগ্রাম
ময়মনসিংহ
সংবাদ২৪.নেট
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
যশোর
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
চিকিৎসা
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
কলকাতা
মেহেদী হাসান
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
তথ্য প্রযুক্তি
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
ব্রাজিল
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
মসজিদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
রোকনুজ্জামান পিয়াস
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
উত্তর কোরিয়া
একরামুল হক
জলবায়ু ও পরিবেশ
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
তুহিন ওয়াদুদ
কালি ও কলম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
কুষ্টিয়া
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
জনস্বাস্থ্য
জাতীয় নাগরিক পার্টি
ঝিলিমিলি
নিবন্ধ
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
উচ্চশিক্ষা
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
প্রযুক্তি
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কাতার
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
ঝড় ও দুর্যোগ
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
শিশির মোড়ল
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
হুমায়ূন আহমেদ
আবুল হাসনাত
আল আমিন
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
হারুন হাবীব
অমিত বসু
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জার্মানি
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
লাতিন আমেরিকা
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
আরব আমিরাত বা দুবাই
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
ব্যবসা
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
দক্ষিণ কোরিয়া
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
লিবিয়া
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
ইসলাম
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
আসজাদুল কিবরিয়া
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
Fantastic
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
মহাকাশচারী
জোহরান মামদানি
নিয়ন আলোয়
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
ইতালি
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
নরসিংদী
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জলবায়ু পরিবর্তন
ঝালকাঠি
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
যৌন অপরাধ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
কিশোর আলো
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
ইসলামী ছাত্রশিবির
ইহুদি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
চুয়াডাঙ্গা
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
ধর্মঘট
স্পেন
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গণমাধ্যম
গদ্যকার্টুন
পিরোজপুর
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
প্রবাসী শ্রমিক
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
সোমালিয়া
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কলম্বিয়া
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
চিঠিপত্র
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
হংকং
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কুয়েত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
চুক্তি
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সমাজ
সামাজ
সুজন সুপান্থ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
ওমান
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শেরপুর
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সিঙ্গাপুর
সুইডেন
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
রাজবাড়ী
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অমানবিকতা
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
পোল্যান্ড
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আলজেরিয়া
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রিস
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নীহারুল ইসলাম
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রকিব হাসান
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট








































