Showing posts with label principalsanaullah. Show all posts
Showing posts with label principalsanaullah. Show all posts

Friday, April 29, 2016

উপকূল সমৃদ্ধ হলে বাংলাদেশ সমৃদ্ধ হবে by অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। ছোট-বড় অসংখ্য নদী রয়েছে এদেশে আর এদেশের দক্ষিণে রয়েছে বঙ্গোপসাগর। তাই এদেশে রয়েছে অনেক উপকূলীয় অঞ্চল বা এলাকা যেগুলোর মাছ, চিংড়ি ও লবণ দেশের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে। এছাড়াও, উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর কৃষি ও বনায়ন কার্যক্রমের উপর এদেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভরশীল। এক কথায়, উপকূলীয় অঞ্চল মানেই অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বাংলাদেশের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসমুহ। এই এলাকাগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদানপূর্বক সরকার ও জনগণ উভয়েরই উপকূলের সকল সমস্যা সমাধানপূর্বক কাক্সিক্ষত মান অর্জনের মাধ্যমে সার্বিক বিকাশ সাধন করতে আন্তরিকভাবে সচেষ্ট হওয়া উচিত। এতে করে খুব অল্প সময়েই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং জাতি উত্তরোত্তর বৃহত্তর সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাবে।
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল এতোই ব্যাপক ও বি¯তৃত যে, উপকূল ও উপকূলবাসীকে রক্ষার জন্য যথাযথ ও সময়োচিত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সমৃদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় তিন কোটি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কেননা, জলবায়ুতে উষ্ণতার কারণে যদি সমুদ্রের উচ্চতা ৪৫ সে. মি. বাড়ে, তাহলে বাংলাদেশের ১০ থেকে ১৫ শতাংশ এলাকা তলিয়ে যাবে। এমন কি, যদি ২১০০ সাল নাগাদ এক মিটার সমুদ্র সমতলের পরিবর্তন ঘটে, তবে বাংলাদেশের তিন মিলিয়ন হেক্টর জমি প্লাবিত হতে পারে। এই প্লাবনযোগ্য অঞ্চলগুলোর সবগুলোই এদেশের উপকূলীয় অঞ্চল। এছাড়া, উপকূলীয় অঞ্চলের উপযুক্ত সুরক্ষা না হলে এদেশের সাত কোটি লোক বিভিন্নভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আক্রান্ত হবে। উপরোক্ত আলোচনা থেকে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের পরিধি এবং গুরুত্ব নিঃসন্দেহে আরো সুস্পষ্ট হয়ে গেছে।
দুঃখের বিষয়, আমরা উপকূলও বুঝি না, উপকূলের গুরুত্বও বুঝি না। তাই আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে এখনো উল্লেখযোগ্য পরিমাণে দারিদ্র্য ও বেকারত্ব বিরাজ করছে। এছাড়াও, অপরিকল্পিত জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে বসতবাড়ি নির্মাণের মারাত্মক প্রভাব পড়ছে কৃষিজমির উপর। শিক্ষা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অপর্যাপ্ততার কারণে সঠিক ও যুগোপযোগী শিক্ষার অভাবে উপকূলীয় অঞ্চলের লোকেরা বিরাজমান সমস্যাবলির কাক্সিক্ষত সমাধান করতে সক্ষম হচ্ছে না। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অপর্যাপ্ত ব্যবহার ও প্রয়োগের কারণে উন্নত চাষাবাদ কিংবা সুপরিকল্পিত বিজ্ঞানসম্মত বনায়ন-কিছুতেই কাক্সিক্ষত সাফল্য ও অগ্রগতি সাধিত হচ্ছে না। উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর কাক্সিক্ষত মান অর্জন করতে হলে প্রয়োজন যুগ ও বিশ্বের সাথে তাল মেলানো উন্নয়নমুখী গতিশীলতা এবং এই অতীব গুরুত্বপূর্ণ গতিশীলতার জন্য সরকারের আন্তরিক ও গতিশীল পদক্ষেপ অপরিহার্য।
বাংলাদেশের উপকূলভাগ অনেক ব্যাপক এবং বি¯তৃত। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বাংলাদেশের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো এই উপকূলভাগেই অবস্থিত। মাছ, চিংড়ি, লবণ, কৃষি ও বনায়ন, পর্যটন ও বিনোদন এলাকা - সব দিক দিয়ে দেশের জাতীয় আয় ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে এগুলো সর্বোচ্চ সহায়ক। অথচ দেশের সবচেয়ে উপেক্ষিত অঞ্চলও এই উপকূলীয় অঞ্চলসমুহ। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, টর্নেডো - প্রভৃতিতে আক্রান্ত হয়ে জান-মালের ব্যাপক ক্ষতি হওয়া এ অঞ্চলগুলোর নৈমিত্তিক বৈশিষ্ট্য। দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এই এলাকাসমুহের উন্নয়ন সাধন ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, সর্বোপরি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে উপকূলবাসীকে সুপ্রতিষ্ঠিতকরণ সময়ের দাবি।
১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল এদেশের উপকূলীয় অঞ্চলসমুহের উপর বয়ে যাওয়া প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের কথা এদেশের মানুষ ভোলেনি, ভুলে যাওয়ার কথাও নয়। এ প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের কারণে দেশের ১৬টি জেলার ৪৭টি উপজেলা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ৪ লক্ষাধিক মানুষ ও অসংখ্য গবাদি পশু প্রাণ হারায়। এই অসংখ্য মানুষের মৃত্যু এবং অগুন্ত সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি জনম জনম ধরে এদেশের উপকূলবাসীর জন্য এক মর্মন্তুদ ও করুণ ইতিহাস হয়ে থাকবে। অথচ ২৯ এপ্রিল যে শিক্ষা উপকূলবাসীসহ এদেশের মানুষকে দিয়েছে সে শিক্ষা অনুসারে এখনো পর্যন্ত নেয়া হয়নি কোন কার্যকরী পদক্ষেপ। ১৯৯১ এর ঘূর্ণিঝড়ের পর বয়ে গেল ১৯৯৭ এর ঘূর্ণিঝড়সহ সাম্প্রতিক প্রলয়ংকরী মর্মান্তিক সিডর যার ভিকটিমেরা এখনো বঞ্চিত ও উপেক্ষিত অবস্থায় মানবেতর দিন কাটাচ্ছে। উপকূলীয় মানুষদের জন্য ঘূর্ণিঝড়, সিডর ইত্যাদি মোকাবেলায় পর্যাপ্ত রক্ষণাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে অদূর ভবিষ্যতে আরো অনেক প্রাকৃতিক দুর্যোগে উপকূলবাসী সর্বশান্ত হবে। অতীতেও বিভিন্ন সময়ে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস ইত্যাদির আক্রমণে উপকূলীয় অঞ্চলের জান-মাল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১৯৫৪, ১৯৬৮, ১৯৭৪, ১৯৮৭, ১৯৮৮  ও  ১৯৯৮ সালের  বন্যা ছিল  নিকট  অতীতের ভয়াবহতম। ১৯৭৪ সালের বন্যার কারণে ফসলহানিতে সংঘটিত ভয়ংকর দুর্ভিক্ষ লক্ষ লক্ষ প্রাণ সংহার করেছে। ১৯৮৮ সালের বন্যা  ছিল সবচেয়ে  ভয়াবহতম। দেশের  ৬৪টি  জেলার  মধ্যে  ৫৩টি এ বন্যায় ডুবে যায়, ৩০০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং ৪৫ লাখ হেক্টর জমির ফসল ধ্বংস হয়। ১৯৯৮ সালের বন্যা ছিল ইতিহাসের দীর্ঘতম। ৩ মাস স্থায়ী এ বন্যায়  দেশের ৫৪টি জেলা জলমগ্ন হয়। ২০০৪ সালের বন্যায় দেশের ৫৬টি জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সরকারি প্রাথমিক হিসাব মোতাবেক এ বন্যায় মোট ৪২  হাজার  কোটি টাকার সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃহত্তর সিলেট  অঞ্চল এ বন্যায় সবচেয়ে  ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জলোচ্ছ্বাস বাংলাদেশের  উপকূলীয় এলাকার  মানুষের নিকট এক মূর্তিমান আতঙ্ক। গত ১৮৫ বছরে  অন্তত ৫১ বার ভয়ংকর  জলোচ্ছ্বাসের হামলায়  পড়েছে বাংলাদেশ। তবে ১৯৬০, ১৯৭০, ১৯৮৫, ১৯৯১  এবং ১৯৯৭ সালের জলোচ্ছ্বাস ছিল বিভীষিকাময়। ১৯৭০ সালের সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস উপকূলীয় বিশাল এলাকাকে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছিল এবং এতে ৫ লাখের বেশি মানুষের  প্রাণহানি  ঘটেছিল। ১৯৮৫  সালের ঘূর্ণিঝড়ে  উড়িরচর  নামক জনপদ  সম্পূর্ণ জনশূন্য  হয়ে  পড়ে।
এটা সকলেরই নিকট সুবিদিত যে, উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর মাছ, চিংড়ি এবং লবণ এদেশের অর্থনীতির জন্য অতীব অপরিহার্য ও গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এদেশের মানুষের জীবন, জীবিকা ও অর্থনীতির সাথে এগুলোর সম্পর্ক নিবিড় ও অবিচ্ছেদ্য। অথচ বেশ অবাক লাগে যখন দেখি এই উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর উন্নয়নের ব্যাপারে সরকারের উদাসীনতা বিদ্যমান। পক্ষান্তরে, পার্বত্য অঞ্চলগুলোর পক্ষ থেকে অনুরূপ কোন অবদান না থাকলেও সরকারি সহযোগিতায় ও পৃষ্ঠপোষকতায় দিন দিন এগুলো সমৃদ্ধ হতে সমৃদ্ধতর হয়ে যাচ্ছে। আসলে আমরা যে আমাদের প্রকৃত লাভ-ক্ষতি বুঝি না, এটা আমাদের জাতীয় দোষ। রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতি সবক্ষেত্রেই এটি সন্দেহাতীতভাবে সত্য। এখন সময় এসেছে, অতীতের ব্যর্থতা ভুলে গিয়ে উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর যথার্থ মানোন্নয়নের মাধ্যমে দেশ ও জাতির কাক্সিক্ষত অগ্রগতি অর্জন করা। এ অগ্রগতি অর্জনের বিস্তারিত উপায় সম্পর্কে আমাদেরকে অবশ্যই ভাবতে হবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে সরকারি রেস্ট হাউজ নির্মাণপূর্বক যদি সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসীকে সেগুলো টেন্ডার দেওয়া হতো, তাহলে একদিকে যেমন উপকূলীয় এলাকার বিকাশের পথ সুগম হতো, অপরদিকে উত্তরোত্তর বিকাশ ও সমৃদ্ধির ফলে জাতীয় আয়ও বৃদ্ধি পেতো। এছাড়াও, উপকূলীয় এলাকাগুলো সরকারের øেহচ্ছায়ায় নিয়ন্ত্রিত হতো বিধায় উপকূলের মানুষ উৎসাহ-উদ্দীপনা লাভের মাধ্যমে সৃষ্টিশীল অভিযাত্রায় পরিকল্পিত উপায়ে এলাকার কাক্সিক্ষত বিকাশ ও মানোন্নয়নে মনোনিবেশ করতো , ফলশ্র“তিতে অতি দ্রুত বদলে যেতো উপকূলীয় মানুষের জীবন। উদাহরণস্বরূপ, মগনামা, কুতুবদিয়া, কক্সবাজার, আনোয়ারা, বাঁশখালী, মহেশখালী ও হাতিয়ায় সরকারি রেস্ট হাউজ স্থাপিত হলে উক্ত এলাকার অনেক অগ্রগতি অর্জিত হতো, সরকারেরও আয় বাড়তো। উপকূলীয় এলাকাগুলোতে যে সমস্ত খাস জমি পড়ে আছে, সেগুলোকে ভূমিহীন, দরিদ্র ও অসহায় মানুষদেরকে বরাদ্দ দিলে ভালো হয়; এক্ষেত্রে কোন এনজিওর মাধ্যমে এটি কার্যকর না করে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে করলেই ভালো হয়। এছাড়াও, খাসজমিগুলোর বরাদ্দসহ যে কোন সরকারি দান-অনুদান বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রভাবশালীদের দখলদারিত্ব ঠেকাতে হলে সেনাবাহিনীর সহযোগিতা প্রয়োজনীয় মনে করছি। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, ১৯৯১-এর প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের শুমারি এখনো পর্যন্ত হয়নি। ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকেই অদ্যাবধি চরম দুর্দশায় জীবনযাপন করছেন। অবিলম্বে উক্ত শুমারি সম্পন্ন করে তাঁদের দুঃখ-দুর্দশা দূর করা প্রয়োজন।
উপকূলীয় এলাকাগুলোর বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল সরকার কর্তৃক একটি উপকূলীয় মন্ত্রণালয় এবং একটি উপকূলীয় উন্নয়ন বোর্ড গঠিত হওয়া। এদেশে রয়েছে অনেকগুলো উপকূলীয় জেলা এবং দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উৎস হলো এই উপকূলীয় অঞ্চলগুলো। মাছ, চিংড়ি, লবণ, পর্যটন ও বিনোদন এলাকা - সর্বদিক দিয়ে দেশের জাতীয় আয় ও উৎপাদন অনেকাংশেই এগুলোর উপর নির্ভরশীল। অবাক হই যখন দেখি পার্বত্য এলাকাগুলো থেকে অনুরূপ কোন আয় ও উৎপাদন না পাওয়া সত্ত্বেও সব সময় পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রণালয় যে কোন সরকার কর্তৃক গঠিত হয় অথচ উপকুলের মতো অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুর্ভাগ্যজনকভাবে কোন সরকারের আমলেই কোন মন্ত্রণালয় গঠিত হয় না, এমনকি, কোন উপকূলের উন্নয়ন বোর্ডও গঠন করা হয় না। কিন্তু এটা সুস্পষ্ট যে, এ ধরনের মন্ত্রণালয় ও বোর্ড গঠিত হলে জাতীয় আয়, উৎপাদন ও সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারতো।
উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে শিক্ষার উন্নয়ন ঘটাতে হবে, বাড়াতে হবে শিক্ষার হার। আরো অনেক স্কুল ও কলেজ স্থাপন করতে হবে। কক্সবাজারে শিক্ষার প্রসারের জন্য এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়। সুন্দরবন, কুয়াকাটা, নিঝুম দ্বীপ ও সেন্ট মার্টিনসহ দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও প্রসারকে ত্বরান্বিত করতে হবে। কক্সবাজার ইনানী বীচকে করতে হবে আরো সমৃদ্ধ ও আকর্ষণীয়। সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর স্থাপন প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে, এতে বৈদেশিক আয় অনেক বেশি বাড়বে। ভারত ও মায়ানমার সংশ্লিষ্ট সমুদ্র সীমার বিজয়টিকে কাজে লাগাতে হবে এবং এই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে প্রচুর পরিমাণে উৎপাদন ও আয় বাড়াতে হবে। উপকূলবাসীকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় উৎসাহিত ও পুরস্কৃতকরণমূলক বনায়ন কার্যক্রমটিকে আরো জোরদার করতে হবে যাতে উপকূলীয় অঞ্চলসমূহ সব ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে নিরাপদ থাকতে পারে।
পরিশেষে বলবো, উপকূলীয় অঞ্চল মানেই অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বাংলাদেশের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসমুহ। বাংলাদেশের প্রকৃত ও কাক্সিক্ষত উন্নয়ন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এগুলোর উপর নির্ভরশীল। তাই এই এলাকাগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদানপূর্বক সরকার ও জনগণ উভয়কেই আন্তরিকভাবে সচেষ্ট হতে হবে উপকূলের সকল সমস্যা সমাধানপূর্বক কাক্সিক্ষত মান অর্জনের মাধ্যমে সার্বিক বিকাশ সাধন করতে। এতে করে খুব অল্প সময়েই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং জাতি উত্তরোত্তর বৃহত্তর সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাবে।
অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্
অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্
অধ্যক্ষ, মেরন সান কলেজ; চেয়ারম্যান, মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন;
সভাপতি, সার্ক কালচারাল ফোরাম বাংলাদেশ;
সহসভাপতি, উপকূলীয় উন্নয়ন ফাউন্ডেশন।

Wednesday, March 30, 2016

প্রেসিডেন্সি লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে কদম মোবারক এতিমখানায় খাবার বিতরণ সম্পন্ন

প্রেসিডেন্সি লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে গত ৩০শে মার্চ কদম মোবারক মুসলিম এতিমখানার ৪০০ নিবাসীর মধ্যে খাবার বিতরণ সম্পন্ন হয়ছে। ক্লাব সভাপতি লায়ন সৈয়দ মোরশেদ হোসেনর সভাপতিত্বে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল ডিষ্ট্রিক্ট ৩১৫ বি-৪ জেলা গভর্নর লায়ন মোস্তাক হোছাইন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রক্তন জেলা গভর্নর লায়ন এম সামশুল হক, জোন চেয়ারম্যান লায়ন আশরাফুল ইসলাম আরজু, ক্লাব সেক্রেটারী লায়ন অধ্যক্ষ ড. সানাউল্লাহ্। প্রতিষ্ঠানের তত্বাবধায়ক আবুল কাসেম। প্রধান অতিথি এ ধরনের মহতি উদ্যোগ গ্রহন করায় প্রেসিডেন্সি লায়ন্স ক্লাবেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

Wednesday, November 11, 2015

ভবিষ্যৎ নির্মাণে দরকার বাধাহীন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চা -সোমনাথ হালদার

পৃথিবী এখন প্রযুক্তি নির্ভর। বর্তমান এবং ভবিষ্যতেও যোগ্যতার প্রধান মাপকাঠি হবে প্রযুক্তি জ্ঞান ও প্রযুক্তি দক্ষতা। নিজেদেরকে বিশ্বে তুলে ধরতে হলে জনশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। আর এ জন্য ভবিষ্যৎ নির্মাণে দরকার বাঁধাহীন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোই একমাত্র গন্তব্য। এ লক্ষ্যে চিটাগাং সায়েন্স ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগ প্রশংসনীয়। বিশ্ব বিজ্ঞান দিবস-২০১৫ উপলক্ষে চিটাগাং সায়েন্স ফাউন্ডেশন (সিএসএফ) এর আলোচনা সভা, সম্মাননা স্মারক ও কর্মশালার সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার সোমনাথ হালদার এ কথাগুলো বলেন।
গতকাল (১০ নভেম্বর মঙ্গলবার) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ড. মো. সানাউল্লাহ। চিটাগাং সায়েন্স ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট কল্যাণ চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউএসটিসির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়–য়া, সমাজবিজ্ঞানী ড. মনজুর-উল-আমিন চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা পিপি এড. চন্দন বিশ্বাস, শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী পরিষদ কেন্দ্রিয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এড. তপন কান্তি দাশ, চ্যানেল আই’র ব্যুরো চীফ চৌধুরী ফরিদ, বঙ্গবন্ধু সবুজ স্কুলের প্রেসিডেন্ট নাসরিন সুলতানা, ফোরাম ফর পিপলস ভয়েসের নির্বাহী সদস্য বেলায়েত হোসেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন দক্ষিণ জেলার সভাপতি অজিত কুমার দাশ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রফেসর বেলায়েত হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নীলরতন দাশগুপ্ত, রিমন মুহুরী, অনিন্দ্য দেব, সানি তালুকদার, সমীর পাল প্রমুখ। ইউএসটিসির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়–য়া বলেন, উচ্চ শিক্ষা বলতে আমরা উন্নত সমাজ-সভ্যতা ও জ্ঞান-বিজ্ঞান সৃষ্টির কথা বলি। কার্যক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, উন্নত বিশ্বের সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় আমরা অনেকটা পিছিয়ে। সমাজবিজ্ঞানী ড. মনজুর-উল- আমিন চৌধুরী বলেন, ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য তাই সর্বাগ্রে দরকার বাধাহীন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চা। এখনই সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আন্দোলনকে এগিয়ে নেওয়ার। তিনি এই আন্দোলনকে বাংলাদেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার আশা ব্যক্ত করেন। অজিত কুমার দাশ বলেন, এই প্রথম চট্টগ্রামে যে বিজ্ঞান আন্দোলন প্রতিষ্টা লাভ করেছে তা অদুর ভবিষ্যতে পুরো বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়বে।
আলোচনা সভা শেষে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন প্রধান অতিথি সোমনাথ হালদার। এবার বিশ্ব বিজ্ঞান দিবসের সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন সজল কুমার নাথ, ডা. মো. নাছির উদ্দিন, আলমগীর শিপন, মো. আরিফ চৌধুরী, দিদারুল ইসলাম, ডা. আর কে রুবেল, প্রিন্সিপ্যাল ডা. বরুণ কুমার আচার্য্য। উল্লেখ্য যে, বিকাল ৩টার কর্মশালায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। পরে শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

Wednesday, May 6, 2015

গণতন্ত্রের সুসংহতের জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিকল্প নেই -গণমাধ্যমের স্বাধীনতা দিবসে অধিকারের মানববন্ধন ও আলোচনা সভায় বক্তারা

গণতন্ত্রের সুসংহতের জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিকল্প নেই। গণতন্ত্র বেঁচে থাকলেই গণমাধ্যম বেঁচে থাকবে। প্রতিনিয়ত গণতন্ত্রের অধিকার হরণ হয় বলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষীনপ্রান নিয়ে বেঁচে আছে। বলতে গেলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বলতে কিছুই নেই। ৯০ সালের পর থেকেই গণমাধ্যমের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ রাজনৈতিক দুই দলের লেজুড় ভিত্তিক হয়ে গেছে। এই বিভক্তি থেকে বেরিয়ে আসলে না পারলে পরিপূর্ণভাবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আসবে না। গণমানুষের জন্য গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজও করতে পারবে না। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় অতিথিরা এসব কথা বলেন।
গত ৩ মে নগরীর বিকেলে চকবাজারস্থ ফুলতলা এলাকায় উক্ত দিবস উপলক্ষে অধিকার চট্টগ্রাম এইচআরডি নেটওয়ার্ক এর উদ্যোগে মানববন্ধন ও একটি কলেজ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অধিকার ফোকাল পারসন ওসমান জাহাঙ্গীরের সঞ্চালনায় এইচআরডি ফৌজিয়া আক্তার লোটন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্র্মী ও শিক্ষাবিদ ড. মোঃ সানাউল্লাহ। আলোচনা সভার শুরুতে দিবসের প্রতিপাধ্য বিষয় নিয়ে প্রবন্ধ পাঠ করেন এইচআরডি লেখক আবদুল্লাহ মজুমদার। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন সন্দ্বীপের এইচআরডি দিদারুল আলম, নগরীর হুমায়রা জান্নাত হিমালী, হাটহাজারীর সমীর, সাতকানিয়ার ইমরান সোহেল, মহেশখালীর জহিরুল ইসলাম, হামিদুল হক চৌধুরী, আনোয়ারার সাইফি আনোয়ারুল আজিম, পেকুয়ার বেলাল হোসেন, বাঁশখালীর মিজানুর রহমান, কুতুবদিয়ার নিজাম কুতুবি, তৌহিদুল ইসলাম, আব্দুল আরিফ প্রমূখ।

Wednesday, April 22, 2015

টইটং ইউনিয়নের প্রাক্তন চেয়ারম্যান লোকমান হাকিমের স্মরণ সভায় বক্তারা- সমাজে ভাল মানুষ হওয়ার চাইতে বড় মানুষ হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে

অভিবক্ত চকরিয়া বর্তমান পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শিক্ষানুরাগী, সমাজকর্মী ও মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন এর সহ-সভাপতি মৌলভী লোকমান হাকিম এর অকাল মৃত্যুতে শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সচিব শাব্বির ইকবাল বলেছেন, আমাদের সমাজে শিক্ষিত ও সমাজকর্মীকে আরো বেশি বেশি মূল্যায়ন করতে হবে। গুণী মানুষকে তাঁর কাজের স্বীকৃতি প্রদান করে সমাজ উন্নয়নে উৎসাহিত করতে হবে। বর্তমান সমাজে ভাল মানুষ হওয়ার চাইতে বড় মানুষ হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি জাতির জন্য শুভকর নয়। জনাব শাব্বির ইকবাল আরো বলেছেন, মৌলভী লোকমান হাকিম চকরিয়া, পেকুয়া ও টইটং এর জন্য আলোকিত মানুষ ছিলেন। প্রান্তিক এলাকার অবহেলিত লোকদের শিক্ষায় উন্নয়নের জন্য তিনি স্কুল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখেন। সমাজ উন্নয়নে তাঁর কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ এলাকাবাসী তাঁকে চারবার ইউপি সদস্য ও দুইবার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন। মৌলভী লোকমান হাকিম বড় মানুষ ছিলেন না তিনি ছিলেন ভাল মানুষ। তাঁর মত ভাল মানুষ সমাজ ও জাতীর জন্য বড় বেশি প্রয়োজন। টইটং পূর্ব সোনাইছড়ি যুবকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে এক নাগরিক শোক সভা বহাদ্দারহাটস্থ মেরিট বাংলাদেশ কলেজ মিলনায়তনে ১৯ এপ্রিল বিকেলে মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন মুনির এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। শোক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সচিব শাব্বির ইকবাল। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. মুহাম্মদ সানাউল্লাহ্। বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালের সহ-সভাপতি লায়ন আলহাজ্ব সৈয়দ মোরশেদ হোসেন, চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি সোহেল মো. ফখরুদ-দীন, জয়নাল আবেদীন চৌধুরী লিটন, অধ্যাপক কবি শিহাব ইকবাল, মোহাম্মদ বেলাল হোসেন প্রমুখ।

Wednesday, April 1, 2015

টৈটং উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য মওঃ লোকমান হাকিমের শোক সভা

পেকুয়া উপজেলাস্থ টৈটং উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে বিশিষ্ট সমাজসেবক জনপ্রতিনিধি মাওলানা লোকমান হাকিমের স্মরণে এক শোক সভা ও দোয়া মাহফিল স্কুল মাঠে গত ১ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক রাশেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। শোক সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন প্রিন্সিপাল ড. মো. সানাউল্লাহ। আরো বক্তব্য রাখেন টৈটং ইউপি চেয়ারম্যান জেড এম মোসলেম উদ্দিন, সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ, কামাল হোসেন এম.কম., আলহাজ্ব আবদুল খালেক, ডা. নুরুল কবির, সাবেক ইউ.পি সদস্য মনজুর আলম প্রমুখ। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন মাওলানা খাইরুজ্জামান গাজী। বক্তারা বলেন, মাওলানা লোকমান হাকিম নির্লোভ সমাজ উন্নয়ন কর্মী। তিনি আর্থিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না। তবু তিনি টৈটং সহ স্থানীয় অঞ্চলগুলোর উন্নয়নের জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি পরপর তিনবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন এবং দুবার ভারপ্রাপ্ত ইউ.পি চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি বনকানন এলাকায় হেডম্যান হওয়া সত্ত্বেও কোন সম্পদ তিনি নিজের জন্য করে যান নাই। স্থানীয় শিা প্রতিষ্ঠানগুলোতে তিনি পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন। এ আলোকিত মানুষটি গত ২৭ মার্চ অকালে চলে গেলেন। তাঁর চলে যাওয়ায় এলাকার জন্য যে তি হয়েছে তা পূরণীয় নয়। তিনি স্বশরীরে ইহজগত ত্যাগ করলেও তাঁর কর্ম জন্য তিনি এ অঞ্চলের মানুষের অন্তরে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবে।

Tuesday, March 31, 2015

মেরন সান ও মেরিট বাংলাদেশ কলেজের এইচ এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন

নগরীর মেরন সান ও মেরিট বাংলাদেশ কলেজের এইচ এস সি পরীক্ষার্থীদের শতভাগ সাফল্য কামনায় একাদশ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের আয়োজনে দোয়া মাহফিল ও বিদায় অনুষ্ঠান গত ২৯ মার্চ অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্র সভাপতিত্বে চকবাজার ক্যাম্পাস কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট লায়ন সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের লক্ষ্যে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে বক্তব্য রাখেন উপাধ্যক্ষ রাজেশ কান্তি পাল, চিফ একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর শিহাব ইকবাল, শিক্ষক মোহাম্মদ শওকত ওসমান, মোহাম্মদ শাহ আলম, হেফাজতুর রহমান, সোমা সেন গুপ্তা প্রমুখ। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন- পরীক্ষার্থী আবদুল আল হাসান লিমন, শাবনুর জাহান মুনিরী, একাদশ শ্রেণির সাজ্জাদ হোসেন ফাহিম ও জয়শ্রী মারমা। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মানপত্র পাঠ করে একাদশ শ্রেণির ছাত্রী মেহজাবীন শহীদ। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘পিতা-মাতা ও শিক্ষক-শিক্ষিকার স্বপ্ন  পূরণ করতে হলে, প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও সম্মানকে অক্ষুণœ রাখতে হলে, এমনকি, নিজের জীবনকে যথাযোগ্য মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে হলে বোর্ড পরীক্ষায় সফলতার বিকল্প নেই। তোমরা চাইলে সাফল্যের পথ বেয়ে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারো।’ পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মহোদয় বলেন, ‘‘বিদায় প্রত্যেকটা মানুষের জন্য বেদনাদায়ক। তোমাদের আজকের এ বিদায় দুঃখের হলেও পরম আনন্দের, কেননা, আজকের বিদায়ের মাধ্যমে তোমরা একটা বৃহত্তর জগতে পদার্পণ করতে যাচ্ছ। তোমরা অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম শেষ করলেও আমাদের সহযোগিতা ও দোয়া সব সময় তোমাদের সাথে থাকবে। মনে রাখবে, শুধু সার্টিফিকেট অর্জনের জন্য শিক্ষা বাস্তব জীবনে কোন প্রভাব ফেলতে পারে না। একমাত্র প্রকৃত শিক্ষাই পারে সমাজ, দেশ ও জাতির মান উন্নত করতে।’ তিনি আশা করেন, অন্যান্য বারের চেয়ে এবার শিক্ষার্থীরা আরো ভালো ফলাফল অর্জন করবে, কারণ, এবারে বিগত সময়ের বিভিন্ন ঘাটতি পূরণ করে পরীক্ষার্থীদেরকে আরো ভালোভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। সভায় পরীক্ষার্থীদের মঙ্গল ও দোয়া কামনা করে মিলাদ পরিচালনা করেন মাওলানা রাহমত উল্লাহ আজাদ। মিলাদের পর প্রতিষ্ঠান প্রধানের হাতে প্রতিষ্ঠানের জন্য গিফট তুলে দেয় দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে বিদায়ী শিক্ষার্থীদেরকে তাবারুক ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শিক্ষিকা স্বপ্না রাণী দত্ত। অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

Sunday, March 29, 2015

দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক তৈরিতে মেরন সান অবদান রাখছে -স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে পুলিশ কমিশনার আবদুল জলিল মণ্ডল

নগরীর মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজ এর চকবাজার ক্যাম্পাস-এর উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন, বার্ষিক ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার ও সনদপত্র প্রদান এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুুষ্ঠান গত ২৬ মার্চ প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টায় অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্ কর্তৃক অনুষ্ঠান উদ্বোধনের পরপরই শুরু হয় ক্ষুদে শিল্পীদের অংশগ্রহণে উন্মুক্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব। তিনদিন ব্যাপি আয়োজিত ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সমাপনী দিন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাননীয় পুলিশ কমিশনার মোহাঃ আবদুল জলিল মণ্ডল বিপিএম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মিজানুর রহমান চৌধুরী, সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালী) শাহ মোহাম্মদ আবদুর রউফ, সহকারী পুলিশ কমিশনার আসিফ মহিউদ্দীন, বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহসীন, চকবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ আতিক আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মা, শিশু ও জেনারেল হাসপাতাল এবং মেডিকেল কলেজ- এর কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট লায়ন সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মহিলা কাউন্সিলর শাহেদা কাসেম সাথী, কলেজিয়েট স্কুল এন্ড কলেজের ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক শাহনাজ পারভীন, চকবাজার ক্যাম্পাসের উপাধ্যক্ষ রাজেশ কান্তি পাল, চান্দগাঁও ক্যাম্পাসের উপাধ্যক্ষ নুর কাসেম তালুকদার, চিফ একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর শিহাব ইকবাল প্রমুখ। আলোচনা সভার পর আমন্ত্রিত অতিথি ও অভিভাবকদের অংশগ্রহণে আকর্ষণীয় বেলুন ফোলানো প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং অনুষ্ঠান শেষে ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে মাননীয় প্রধান অতিথি পুরস্কার তুলে দেন। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন- “প্রতিটি শিক্ষার্থীর লক্ষ্য হতে হবে সৎ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠা এবং এজন্য কেবল ক্লাসে নয়, জীবনেও প্রথম হতে হবে। পিতা-মাতা ও শিক্ষককে মেনে চলার কোন বিকল্প নেই। শৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে মেধা ও মননের বিকাশ ঘটাতে পারলেই দেশ এগিয়ে যাবে, মহান মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য অজিত হবে এবং মিশন ২০২১ এর সফল বাস্তবায়ন ঘটবে। স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের মাধ্যমে দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক তৈরিতে মেরন সান অবদান রাখছে।” শিক্ষার্থীদের সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার ব্যাপারে তিনি শিক্ষক ও অভিভাবকদের সহযোগিতা কামনা করেন এবং নিজ থেকেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্ বলেন, “শিক্ষার্থীরা যদি অন্তরে এই বিশ্বাস ধারণ করে যে, তারা পারবেই, তাদেরকে পারতেই হবে, তাহলে ব্যর্থতা কখনো তাদের জীবনে আসতে পারবে না। এই বিশ্বাসের জোরেই নিরস্ত্র বাঙালিরা সশস্ত্র পাকহানাদারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা ও বিজয় ছিনিয়ে আনতে পেরেছিল।”  আলোচনা সভা শেষে শুরু হয় মেরন সান সাংস্কৃতিক স্কোয়াডের অংশগ্রহণে নাচ, গান, কৌতুক ইত্যাদিতে সমৃদ্ধ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সমগ্র অনুষ্ঠানের সঞ্চালনের দায়িত্বে ছিলেন শিক্ষক পঞ্জক দাশ, শওকত ওসমান ও শিক্ষিকা স্বপ্না রাণী দত্ত। অনুষ্ঠানে মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজ-এর সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকমণ্ডলী উপস্থিত ছিলেন।

Thursday, March 26, 2015

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মহান স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে গত ২৫ মার্চ নগরীর চকবাজার ফুলতলাস্থ মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের স্বাধীনতা সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান প্রিন্সিপাল ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহর সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাকলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহসিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদের সহ-সভাপতি লায়ন সৈয়দ মোরশেদ হোসেন। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের চীফ কো-অর্ডিনেট শিহাব ইকবাল, উপাধ্যক্ষ রাজেশ কান্তি পাল। প্রতিযোগিতার মডারেট হিসেবে ছিলেন রাহমাতুল্লাহ আজাদ, মোহাম্মদ শাহ আলম, নিজাম কুতুবী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন স্বপ্না রাণী দত্ত, পঙ্কজ দাশ, মোহাম্মদ শওকত ওসমান প্রমুখ। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস আগামী প্রজন্মের পাশাপাশি এই মূল্যবোধের চেতনার চর্চা করতে হবে। এই মাসটা আমাদের পরিচয় অর্জনের মাস। এই মাসে আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু করেছিলাম। নয় মাসের যুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার তাড়াতে পেরেছিলাম। পৃথিবীর মানচিত্রে আমরা আজ স্বাধীন জাতি হিসেবে পরিচিত। দুশ বছরের গোলামীর শৃঙ্খল ভেঙে স্বাধীনতা অর্জনের মাধ্যমে আমরা আত্ম পরিচয়ে দীক্ষিত হয়েছি। মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে সামনে রেখে আমাদের জাতি হিসেবে আরো এগিয়ে যেতে হবে। এই ব্যাপারে ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

Saturday, March 21, 2015

মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজে বঙ্গবন্ধুর জম্মদিন ও জাতীয় শিশুদিবস অনুষ্ঠিত

সবার কাছে পৌঁছে দিতে হবে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার ইতিহাস মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজে বঙ্গবন্ধুর জম্মদিন ও জাতীয় শিশুদিবসের আলোচনা সভায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক
বঙ্গবন্ধু ছিলেন পিছিয়ে পড়া পরাধীন জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আলোকবর্তিকা । তিনি বাঙ্গালী জাতির মুক্তির জন্য সারাজীবন রাজনীতি করে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে গেছেন। তিনি ৬৬ সালের ৬ দফা স্বাধিকার আন্দোলন, ৭১সালে ৭ মার্চে ঐতিহাসিক ভাষণ পরবর্তীতে স্বাধীনতার যুদ্ধে ৯ মাসে বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পৃথিবীর মানচিত্রে জম্ম দিয়েছেন। তা সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুর মতো নেতার জম্ম হয়েছে বলে। স্বাধীনতার অগ্রযাত্রাকে ধরে রাখতে শিক্ষিত জাতির বিকল্প নেই । বঙ্গবন্ধু একটি প্রেরণা একটি অধ্যায় এই মূল্যবোধ আগামী প্রজম্মকে স্বাধীনতার চেতনায় ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ বিনিমার্ণে অগ্রণী ভুমিকা রাখবে। বাংলাদেশের আগামীর ভবিষ্যৎ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার কারিগর কোমলমতি এসকল শিশুদের কাছে তুলে ধরতে হবে বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস। সবার কাছে পৌছে দিতে হবে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার ইতিহাস,যে সোনার বাংলা গড়ে তুলতে গিয়ে স্ব-পরিবারে প্রান হারান ষড়যন্ত্রকারীর কাছে। জাতির পিতার সোনার বাংলা গড়ে তুলবে আজকের এই শিশুরা। আগামী প্রজম্মের হাতে রইল বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তোলার দায়িত্ব। মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের বঙ্গবন্ধুর জম্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন একথা বলেন। গত ১৭ মার্চ চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও এক কিলোমিটারস্থ মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের চান্দগাঁও ক্যাম্পাসের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর জম্মদিন ও জাতীয় শিশুদিবসের আলোচনা সভা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ক্রিড়া সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান প্রিন্সিপাল ড.মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন , বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের পরিচালনা পষর্দের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোরশেদ হোসেন, কলেজিয়েট স্কুলের সিনিয়ার শিক্ষিকা শাহনাজ পারভিন, মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের পরিচালক জয়নাল আবেদিন লিটন, প্রতিষ্টানে উপাধ্যক্ষ নুর কাশেম তালুকদার,অনুষ্টান সঞ্চালনায় করেন শিক্ষক ওসমান বেনিজি । শিশু দিবসের আলোচনাা শেষে বার্ষিক ক্রিড়া সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার ইভেন্ট বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় ।

Friday, March 20, 2015

মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজে বঙ্গবন্ধুর জম্মদিন ও জাতীয় শিশুদিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

১৭ মার্চ চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও এক কিলোমিটারস্থ মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের চান্দগাঁও ক্যাম্পাসের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর জম্মদিন ও জাতীয় শিশুদিবসের আলোচনা সভা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ক্রিড়া সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান প্রিন্সিপাল ড.মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন , বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের পরিচালনা পষর্দের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোরশেদ হোসেন, কলেজিয়েট স্কুলের সিনিয়ার শিক্ষিকা শাহনাজ পারভিন, মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের পরিচালক জয়নাল আবেদিন লিটন, প্রতিষ্টানে উপাধ্যক্ষ নুর কাশেম তালুকদার,অনুষ্টান সঞ্চালনায় করেন শিক্ষক ওসমান বেনিজি । শিশু দিবসের আলোচনাা শেষে বার্ষিক ক্রিড়া সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার ইভেন্ট বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় ।

Monday, March 16, 2015

মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের চান্দগাঁও ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্ভোধনী অনুষ্ঠান

চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও এক কিলোমিটারস্থ মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্ভোধনী অনুষ্ঠান ১৬ মার্চ ২০১৫ স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। প্রিন্সিপাল ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চান্দগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোরশেদ হোসেন। মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের পরিচালক জয়নাল আবেদিন লিটন, প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ নুর কাশেম তালুকদার, কো-অর্ডিনেটর শিহাব উদ্দিন, শিক্ষক বেনজির এর সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন, কাজী মোহাম্মদ সাঈফ, রুবি আক্তার, ওসমান গণি প্রমূখ। উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন ক্রীড়া সংস্কৃতি সহ শিক্ষা কার্যক্রম শিশুদের দেহ ও মনন বিকাশে সহায়ক ভুমিকা পালন করে। এতে লেখা-পড়ায় শিশুদের উন্নতির দিকে ধাবিত করে। এবং সংস্কৃতি শিশুর মনে সঞ্চিত জীবনে প্রভাব বিস্তার করে, তা দিয়ে আগামী দিনে জাতি গঠনে শিশুরাই নির্মানের ভুমিকা পালন করবে।

Sunday, March 15, 2015

মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্ভোধন

চট্টগ্রাম নগরীর নুরনগর হাউজিন সোসাইটির মাঠে গত ১৫ মার্চ সকালে মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়ার প্রতিযোগিতা বেলুন উডিয়ে উদ্ভোধন হয়েছে । উদ্ভোধন অনুষ্টানে অধক্ষ ড. সানাউল্লাহ্'র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট লায়ন সৈয়দ মোরশেদ হোসেন, আরো উপস্থিত ছিলেন চান্দগাঁও ক্যাপাসের উপধ্যক্ষ নুর কাশেম তালুকদার ।চিফ একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর শিহাব ইকবাল, কো-অর্ডিনেটর শিহাব উদ্দিন, ওসমান বেনজির, প্রমুখ।

Sunday, February 22, 2015

মেরন সান ও মেরিট বাংলাদেশে অমর একুশে উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক ভাষা ও সাহিত্য উৎসব

নগরীর স্বনামধন্য মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজ ও মেরিট বাংলাদেশ স্কুল এন্ড কলেজে আজ ২১ ফেব্রুয়ারি মহান ভাষা শহীদদের স্মরণে এবং মাতৃভাষা বাংলার গুরুত্ব তুলে ধরা উপলক্ষে সকাল ১০টা থেকে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং বাংলাদেশ-ভারত’ এর কবি, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক ভাষা ও সাহিত্য উৎসব ২০১৫ অনুষ্ঠিত হয়। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা একই সময়ে অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হলেও সকল ক্যাম্পাসের সমন্বয়ে আন্তর্জাতিক ভাষা ও সাহিত্য উৎসব অনুষ্ঠিত হয় মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে। স্টেডলারের আয়োজনে অত্র প্রতিষ্ঠানের চারুকারু শিক্ষক ইউসুফ আলী খানের তত্ত্বাবধানে অসাধারণ চিত্রকর্মে মেতে ওঠে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। কারো ছবিতে ফুটে ওঠে একুশের চেতনা, আবার কারো ছবিতে ফুটে উঠে গ্রাম-বাংলার দৃশ্য। আন্তর্জাতিক ভাষা ও সাহিত্য উৎসবে সভাপতিত্ব করেন মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ, মেরিট বাংলাদেশ স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, সার্ক কালচারাল ফোরাম বাংলাদেশের সভাপতি, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজ সেবক, পরিবেশ গবেষক ও  সুলেখক অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র ভারতের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক, আলোর আভাষ সংস্থার সভাপতি হরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, বাড়াইপুর পৌরসভার মেয়র পৌরপিতা এডভোকেট হাফিজুর রহমান, সব্যসাচী লেখক এবং সার্ক কালচারাল ফোরাম-এর সাধারণ সম্পাদক সুব্রত হালদার, বিশ্বকবি রবি ঠাকুরের শান্তি নিকেতনের সংগঠক কবি সঞ্জীব কুমার রাহা, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিটি রেডিও সেন্টারের পরিচালক ড. মিথা ঘোষ, বিখ্যাত শ্র“তি নাট্যকার ও কবি রতন ঘোষ, বিপ্লবী কবি সমরেন্দ্র দাশ গুপ্ত, বিখ্যাত রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী পিনাকী চক্রবর্তী, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পূর্ণা দাশ গুপ্ত, আবৃত্তিকার সোমা কান্তি লাল, সংগীত শিল্পী শীলা দীপ্ত রায়, কবি নরেন্দ্র মজুমদার, চলচ্চিত্র পরিচালক শীলা দত্ত রায়, সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মোহাম্মদ হাসিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর জিন বোধি ভিক্ষু, ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যাপক মুছা কলিমুল্লাহ, আল্লামা রুমী সোসাইটির মহাসচিব সিরাজউদ্দৌল্লাহ। এপার ও ওপার বাংলার কবি, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদদের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে একুশের চেতনায় দীপ্ত আন্তর্জাতিক ভাষা ও সাহিত্য উৎসব। পাশাপাশি আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। সভাপতি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘যে জাতি নিজের ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ভুলে যায়, সে জাতি কখনো মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না। মহান একুশ থেকে শিক্ষা নিয়ে এদেশবাসীর উচিত সকল সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে এদেশকে একটি উন্নত ও স্বয়ংসম্পূর্ণ রাষ্ট্রে পরিণত করা, এদেশের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে রক্ষা করা ও সমুন্নত রাখা এবং এপার ও ওপার বাংলার সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে সমন্বিত করা।’ সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন ইতিহাস গবেষক সোহেল মোঃ ফখরুদ্দীন ও কবি আসিফ ইকবাল। অনুষ্ঠানে সকল ক্যাম্পাসের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকমণ্ডলী উপস্থিত ছিলেন। 

Friday, February 13, 2015

চিটাগাং উইনার গ্রামার স্কুল মাঠ প্রাঙ্গন অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্

চিটাগাং উইনার গ্রামার স্কুল মাঠ প্রাঙ্গন অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্

Wednesday, February 11, 2015

টইটং বটতলী শফিকিয়া দাখিল মাদ্রাসা'র দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় সম্বর্ধানায় অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্

টইটং ইউনিয়ন এর একমাত্র এম.পি.ও ভুক্ত দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
বটতলী শফিকিয়া দাখিল মাদ্রাসা'র দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় সম্বর্ধানা ও দোয়া মাহফিল ২০১৫
টইটং ইউনিয়ন এর একমাত্র এম.পি.ও ভুক্ত দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বটতলী শফিকিয়া দাখিল মাদ্রাসা'র দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় সম্বর্ধানা ও দোয়া মাহফিল ২০১৫