Saturday, November 29, 2014
সড়ক দুর্ঘটনায় জগলুল আহমেদ চৌধুরীর ইন্তেকাল

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের চকবাজার শাখায় ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত


About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের চকবাজার শাখায় ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত


About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘নিশা দুই আনার মন্ত্রী’ -সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সার্ক : অসীম যাত্রায় সসীম পদক্ষেপ by ড. দেলোয়ার হোসেন
সার্ক সম্পর্কে যে কোনো বিশ্লেষণে তিনটি বিষয়কে একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। এর একটি হল দক্ষিণ এশিয়া, অন্যটি আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং তৃতীয়টি আঞ্চলিক সংগঠন। দক্ষিণ এশিয়ার বাস্তবতায় আঞ্চলিক সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সার্ক আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা, যদিও সার্কের কার্যকারিতা সম্পর্কে সাধারণভাবে কিছু ভুল ধারণা প্রচলিত আছে। এর অন্যতম হল, সার্ক হচ্ছে একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, যেখানে সদস্যরাষ্ট্রের সরকারগুলো অন্যতম চালিকাশক্তি। অর্থাৎ সার্ক নিজস্ব শক্তিতে চলার যোগ্যতা রাখে না। সদস্যরাষ্ট্রগুলোর ঐকান্তিকতা ও আগ্রহ এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর করে রাখে। সার্কের সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বৃহৎ দুই পক্ষ- ভারত ও পাকিস্তান এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে না। দ্বিতীয়ত, সার্ক হচ্ছে সহযোগিতার একটি সম্পূরক প্রক্রিয়া। অর্থাৎ একটি অঞ্চলে দ্বিপাক্ষিক ও অন্যান্য পর্যায়ে যে ধরনের সহযোগিতা ও সংহতি বিদ্যমান থাকে, সেখানে আঞ্চলিক পর্যায়ে সার্ক বহুপাক্ষিক বৃহত্তর ফোরাম হিসেবে কাজ করে থাকে। ফলে সার্কের অর্জন নিয়ে আমাদের একটি বাস্তবভিত্তিক মূল্যায়ন প্রয়োজন।
এবার আসা যাক ১৮তম শীর্ষ সম্মেলনে কী অর্জিত হয়েছে সে প্রসঙ্গে। প্রথমত, এ বৈঠকটি সার্কের মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে। ২০১১ সালে মালদ্বীপের আদ্দু সিটিতে ১৭তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের মধ্যে পরবর্তী সার্ক শীর্ষ সম্মেলন নিয়ে এক ধরনের হতাশা ছিল, যা এবারের সম্মেলনের মাধ্যমে দূর হয়েছে। দ্বিতীয়ত, এবারের সম্মেলনে তিনটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরের চেষ্টা করা হয়েছিল। এর মধ্যে দুটি অর্থাৎ মোটরযান ও রেল যোগাযোগ সংক্রান্ত চুক্তি শেষ পর্যন্ত স্বাক্ষর না হলেও জ্বালানি সহযোগিতাবিষয়ক যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে, তা এ অঞ্চলের জন্য সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে। তাছাড়া মোটরযান ও রেল যোগাযোগ সংক্রান্ত চুক্তির বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে অগ্রগতির জন্য তিন মাস পর সার্ক পরিবহনমন্ত্রীদের বৈঠকের কথা বলা হয়েছে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন বলে আমি মনে করি।
তৃতীয়ত কাঠমান্ডু ঘোষণার দিকে দৃষ্টি দেয়া যাক। সার্ক প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম শীর্ষ বৈঠকে সর্বাত্মক ও ব্যাপকভাবে অর্থপূর্ণ বিষয়ে একটি ঘোষণা অনুমোদন করা হয়েছে। এই ৩৬ দফার ঘোষণাটিতে দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় ২০০ কোটি মানুষের আশা-আকাক্সক্ষার বাস্তব প্রতিফলন ঘটেছে। বিশেষ করে এখানে কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করা যেতে পারে। যেমন- দক্ষিণ এশিয়ায় একটি ইকোনমিক ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা, কানেকটিভিটি, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ মোকাবেলা, শিক্ষার জন্য আঞ্চলিক সমন্বিত ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, দারিদ্র্য বিমোচন, পর্যবেক্ষক সদস্যদের কার্যকর অংশগ্রহণের জন্য একটি কাঠামো গড়ে তোলা, ব্ল– ইকোনমির ধারণা, মানুষের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা ইত্যাদি বিষয় ঘোষণায় স্থান পেয়েছে। এ বিষয়গুলো ভবিষ্যতে সার্ককে নিশ্চিতভাবেই এগিয়ে নেবে।
চতুর্থত, সার্কের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার বাইরে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সাইডলাইনে যেসব দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে, তার গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সার্কের সব সদস্যদেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। একইভাবে নেপাল, শ্রীলংকা ও পাকিস্তানের সঙ্গে অন্যান্য রাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে। নেপাল ভারতের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিকভাবে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। অর্থাৎ সার্ক ফোরামকে কাজে লাগিয়ে সদস্যরাষ্ট্রগুলো তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সাধনে সক্ষম হয়েছে।
পঞ্চমত, বাংলাদেশের দৃষ্টিকোণ থেকে কয়েকটি অর্জন উল্লেখযোগ্য। এর একটি হচ্ছে, আঞ্চলিক জ্বালানি চুক্তির ফলে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের জ্বালানি সহযোগিতার বিষয়টিকে বহুপাক্ষিক পর্যায়ে বিবেচনার একটি বাস্তব সুযোগ তৈরি হয়েছে। শুধু ভারত নয়, নেপাল ও ভুটানও এক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কাজেই বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক পর্যায়ে এ সহযোগিতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
এর বাইরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ফলপ্রসূ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছয় মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো দুই নেতার সাক্ষাৎ পারস্পরিক সমঝোতার বিষয়টিকে বহুলাংশে এগিয়ে নিয়েছে, বিশেষ করে স্থলসীমান্ত চুক্তি এবং তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তির বিষয়ে নরেন্দ্র মোদির জোর প্রচেষ্টার ঘোষণা বাংলাদেশকে বিশ্বাসযোগ্যভাবে আশ্বস্ত করতে পারে। বাংলাদেশকে এ সুযোগটি কাজে লাগাতে হবে।
এবারের সম্মেলনের আরেকটি বিষয় উল্লেখ করতে হয়। সেটি হল সার্কের ঘোষণায় বাংলদেশের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তথা বাংলাদেশের ভাবনার প্রতিফলন। কাঠমান্ডু ঘোষণায় ব্লু ইকোনমির বিষয়টি স্থান পাওয়া এর অন্যতম। ফলে দেখা যাচ্ছে, ১৮তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সাফল্য অর্জিত হয়েছে। তথাপি সার্কের ইতিহাস ও মানুষের প্রত্যাশা বিবেচনা করলে সংস্থাটির আরও কার্যকর ও সফল ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার প্রয়োজন ছিল। প্রসঙ্গত, আমরা যদি বহিঃবিশ্বের দিকে তাকাই, দেখতে পাব সার্ক প্রতিষ্ঠার আগে অথবা পরে প্রতিষ্ঠিত এমন অনেক আঞ্চলিক সংস্থা আছে যেগুলো অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা ও সামাজিক ক্ষেত্রে অনেক কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এ পরিস্থিতিতে সার্কের সীমাবদ্ধতার বিষয়টি স্পষ্ট। সংস্থাটির সামনে কতগুলো চ্যালেঞ্জ আমরা লক্ষ্য করি। এর অন্যতম হল, সদস্যরাষ্ট্র হিসেবে ভারত ও পাকিস্তানের পক্ষ থেকে একক ও যৌথভাবে সার্কের লক্ষ্য অর্জনে যথেষ্ট সাড়া না দেয়া। ইদানীং দেখা যাচ্ছে, এ দুটি দেশ দক্ষিণ এশিয়ার বাইরে বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সংস্থার সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপন করছে। ফলে সার্ক বঞ্চিত হচ্ছে তাদের কার্যকর মনোযোগ থেকে। এ বাস্তবতা আশির দশকের শুরুতে থাকলেও এখনও বিভিন্ন পর্যায়ে অব্যাহত আছে।
সার্ক বেশকিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপ যেমন- মুক্তবাজার প্রতিষ্ঠার চুক্তি, আঞ্চলিক ফুডব্যাংক প্রতিষ্ঠা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় কনভেশন স্বাক্ষর ইত্যাদি সিদ্ধান্ত নেয়া সত্ত্বেও শুধু বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে এ অর্জনগুলো জনগণের সামনে দৃশ্যমান হচ্ছে না। অর্থাৎ বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জটি বড় আকারেই রয়েছে।
সার্ক সচিবালয়ের দিকেও দৃষ্টি দিতে চাই। ১৯৮৫ সালে কাঠমান্ডুতে প্রতিষ্ঠিত সচিবালয়কে তেমন একটা কার্যকর ও শক্তিশালী করে উন্নীত করা হয়নি। অনেকে দুঃখ করে এ সচিবালয়কে পোস্ট অফিস হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকে। এ সচিবালয়ের মহাসচিব থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের ক্ষমতা, কর্তৃত্ব ও রিসোর্সের ব্যাপক অসামঞ্জস্য দেখা যায়। এ ধরনের একটি আঞ্চলিক সংস্থার মহাসচিবের যে ধরনের মর্যাদা থাকা উচিত, সার্কে তেমনটি দেখা যায় না। এ বিষয়টি সার্কের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে একটি বড় বাধা হয়ে আছে।
সবশেষে সার্ক সনদের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা যায়। সার্ক প্রতিষ্ঠার সময়ে যেসব ধারা সংযোজন করে সনদটি স্বাক্ষর করা হয়েছিল, আজও সেসবের কোনো পরিবর্তন হয়নি। বিশেষ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সর্বসম্মতির বাধ্যবাধকতা এবং দ্বিপাক্ষিক ও বিরোধপূর্ণ বিষয়ে আলোচনায় নিষেধাজ্ঞা সার্ককে শক্তিশালী করা এবং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাধা হিসেবে কাজ করছে।
আরেকটি চ্যালেঞ্জ উল্লেখযোগ্য। সার্ক নেতারা জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগের বিষয়টিকে আনুষ্ঠানিকভাবে গুরুত্ব দিলেও এক্ষেত্রে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। যেমন, এ অঞ্চলের ভিসা প্রক্রিয়া এখনও অনেক জটিল ও দীর্ঘসূত্রতার বেড়াজালে আবদ্ধ। ভিসার জন্য ভোগান্তি এবং ক্ষেত্রবিশেষে প্রত্যাখ্যান একটি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। সার্ক প্রক্রিয়ায় নন-স্টেট অ্যাক্টরদের অংশগ্রহণের কোনো সুযোগ তৈরি করা হয়নি। দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, দুর্যোগ মোকাবেলা, মানব পাচার- এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দক্ষিণ এশিয়ার সুশীল সমাজের অর্থবহ ভূমিকা থাকতে পারত। কিন্তু বাস্তবে সেটি পরিলক্ষিত হচ্ছে না।
সুতরাং সার্বিক বিবেচনায় সার্ক এ অঞ্চলের আঞ্চলিক সহযোগিতার একমাত্র উপায় হিসেবে বিবেচিত হলেও এটি দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের আকাক্সক্ষাকে পুরোপুরি বাস্তব কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রতিফলিত করতে পারছে না। এটি যেমন দিবালোকের মতো সত্য, তেমনি বহুপাক্ষিক সহযোগিতা ফোরাম হিসেবে সার্কের কোনো বিকল্প নেই। বিমসটেক, বিসিআইএম এবং অন্যান্য উপ-আঞ্চলিক ও আন্তঃআঞ্চলিক সহযোগিতার প্রক্রিয়া সার্কের বিকল্প হতে পারে না। সার্ককে শক্তিশালী করার জন্য সব মহলকে এগিয়ে আসতে হবে। সার্ক কার্যক্রমের কিংবা সিদ্ধান্ত গ্রহণের সরকারিকরণ প্রক্রিয়া থেকে সরে এসে বিভিন্ন বেসরকারি ও নাগরিক প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা বাড়াতে হবে। সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আস্থার পরিবেশ আরও বাড়াতে হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার জন্য ফ্রান্স ও জার্মানি তাদের চিরশত্র“তা ভুলে গিয়ে যেভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছে, দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ও পাকিস্তানের অনুরূপ ভূমিকা অপরিহার্য। এটি যত দ্রুত হবে, ততই মঙ্গলজনক হবে দক্ষিণ এশিয়ার ২০০ কোটি দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের জন্য।
ড. দেলোয়ার হোসেন : অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সার্ক তবু কোনোভাবে ইজ্জত-মর্যাদা ধরে রাখতে পারল by মহিউদ্দিন আহমদ
কিন্তু ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করলেন কিনা, তারা একজন আরেকজনের দিকে তাকালেন কিনা- এ বিষয়গুলোতেই কোনো কোনো সংবাদমাধ্যম ও পর্যবেক্ষকের বেশি আগ্রহ ছিল। শেষ মুহূর্তে তারা হ্যান্ডশেক করেছেন, নেপালের অবকাশ কেন্দ্র ধেনুখেলে একটু দেখা সাক্ষাৎ হয়েছে তাদের মধ্যে, একটু কথাবার্তাও তারা বলেছেন। এগুলোও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে আজকের পত্রপত্রিকায় দেখা গেল।
ভারতের নতুন দিল্লিতে পাকিস্তানের হাইকমিশনার কাশ্মীরের কতগুলো বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপের নেতাদের সঙ্গে দেখা করেছেন, এ অভিযোগে পাকিস্তানের সঙ্গে পররাষ্ট্র সচিবদের বৈঠক বাতিল করে দিল ভারত। তারপর কথাবার্তাও প্রায় বন্ধ দু’দেশের মধ্যে। একই অবস্থা দেখা গেল কাঠমান্ডুতে সার্কের শীর্ষ সম্মেলনের প্রথম দিনে। তো পাকিস্তান কী এমন অপরাধ করে ফেলল, কাশ্মীরের এ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে? এই গ্রুপগুলোকে ভারত সরকারও তো নিষিদ্ধ করেনি। এ নেতাদের সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনার তো এর আগেও এমন কথাবার্তা বলেছেন। তখন তো এজন্য দু’দেশের মধ্যে আলোচনা থমকে থাকেনি।
অথচ গত মে মাসেই ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সার্কের অন্য সব রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে পাকিস্তানের এই প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে দাওয়াত করেছিলেন। নওয়াজ শরিফ নতুন দিল্লিতে ওই অনুষ্ঠানে এসেছিলেনও। তখন সারা দুনিয়াতে, বিশেষ করে সার্ক দেশগুলোতে আশা-ভরসা ও প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যেই এই দু’দেশের সম্পর্কে আবার বড় একটা সংশয়-সন্দেহ দেখা দিল। তবুও সার্কের এসব শীর্ষ সম্মেলনে সাইডলাইনে শীর্ষ নেতাদের মধ্যে যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেগুলোও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। অন্তত এ একটি ফোরামে দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলো তো আলোচনা করা যাচ্ছে। যেমন করেছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান- এসব দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তিস্তার পানি সমস্যা এবং স্থলসীমান্ত চুক্তি সম্পর্কে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে আবার মনে করিয়ে দেয়ার সুযোগটা তো পেলেন এই শীর্ষ সম্মেলনে সাইডলাইনের এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে।
কখনও কখনও আমার মনে হয়, সার্ক সংগঠনটি ইসলামী সম্মেলন সংস্থা ওআইসি আরব লীগ, ডি-৮-এর মতো খুবই ধীরগতির। এ সংগঠনগুলোর বয়স বাড়ছে, নিয়মিত সম্মেলনও হচ্ছে কিন্তু সাফল্য তেমন দেখা যায় না। আরব লীগ অবশ্য মূলত একটি রাজনৈতিক সংগঠন। আরব লীগকে অর্থনৈতিক ইস্যুগুলোকে গুরুত্ব দিতে তেমন দেখা যায়নি।
অথচ এ সংগঠনগুলোর বিপরীতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আসিয়ান, জিসিসি, ব্রিক্স, বাপেক্স এবং আসেম- এ আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর সাফল্য ও অর্জন অনেক বেশি জ্বলজ্বল করে।
সার্ক আঞ্চলিক সংগঠনটি কখন কী সাফল্য অর্জন করবে, তার জন্য অপেক্ষা না করে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর একে অন্যের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনাকে বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিত বলে মনে করি। ঠিক এ মুহূর্তে বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য, সার্কভুক্ত দেশগুলোতে বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য-চিকিৎসা কিংবা আÍীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা করার জন্য ভ্রমণেচ্ছুদের সহজতর ভিসা পদ্ধতি চালু করার বিষয়টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
বছরের এ সময়টাতে উত্তরবঙ্গের কতগুলো জায়গায় আমাদের দু’দেশের মানুষকে কাঁটাতারের এপারে-ওপারে দাঁড়িয়ে আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করার এবং কথাবার্তা বলার সুযোগ করে দেয় আমাদের বিজিবি ও ভারতের বিএসএফ। এ সাক্ষাৎকারগুলোতে প্রবীণ আত্মীয়-স্বজনদের আবেগ-আনন্দের যে প্রকাশ আমি দেখি, তা আমাকে মুগ্ধ করে, করে বিচলিতও। এ সুযোগ এবং সুবিধাগুলো কয়েক ঘণ্টার জন্য নির্দিষ্ট না করে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত কি বাড়ানো যায় না? সহজ করা যায় না?
সার্কের আওতায় কখন এক দেশের মানুষ আরেক দেশে গাড়িতে-বাসে-ট্রেনে চলাচল করতে পারবে - সে জন্য না হয় আমরা অপেক্ষা করতেই থাকি। কিন্তু আমাদের দু’দেশের মানুষ যেন তাদের আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে কাঁটাতারের এপারে-ওপারে দাঁড়িয়ে নিয়মিত কথা বলতে পারে- আনুষ্ঠানিকভাবে দ্রুত এ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অসুবিধা কোথায়? তাহলে আমাদের দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কটা আরেকটু বাড়বে।
মিডিয়ায় দেখেছি, বিদ্যুতের যে একটি চুক্তি শেষ পর্যন্ত সই হল- তা হয়েছে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কূটনৈতিক তৎপরতায়। আমাদের এই ভূমিকাটা অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ সার্ক গঠনের উদ্যোগও নিয়েছিল বাংলাদেশ। সার্ক গঠিতও হয়েছিল এ ঢাকা শহরে ১৯৮৫-র ডিসেম্বরে সুতরাং সার্ককে ধরে রাখা এবং এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বটা আমাদের একটু বেশি।
মহিউদ্দিন আহমদ : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সচিব, কলাম লেখক
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাধু সাবধান! by মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন
অতঃপর বেশ কয়েকদিন অপেক্ষা করে দেখলাম এসব বলার জেরে তার কাছে কোনো প্রমাণ চাওয়া হয় কি-না? কারণ যার বিরুদ্ধে এসব বলা হল তিনি যেনতেন ব্যক্তি নন, খোদ প্রধানমন্ত্রীর একান্ত কাছের লোক। সুতরাং প্রমাণ ছাড়া এটিএন নিউজের অমন একটি অনুষ্ঠানে তিনি এসব বলে পার পাবেন এমনটি ভাবি কী করে? আমরাও তাই মনে করলাম, সম্পাদক সাহেবের কাছে এসবের তথ্য-প্রমাণ চাওয়া হবে। কিন্তু এতদিনেও এ বিষয়ে কেউ তেমন কোনো উচ্চবাচ্য করেছেন, তেমনটি লক্ষ্য করা গেল না। অথচ সেদিন যেসব কথা উঠেছে বা বলা হয়েছে তা অত্যন্ত ভয়ংকর। কোনোক্রমেই তা উপেক্ষার যোগ্য নয়। দেশের এক নম্বর ক্ষমতাধর ব্যক্তির উপদেষ্টার বিরুদ্ধে এমন সব মারাত্মক দুর্নীতির খবর টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছে, আর দলীয় হাইকমান্ডের কেউ তা দেখেননি বা শোনেননি, এমনটিও নয়। এইচটি ইমামের এসব দুর্নীতির খবর যে তৎক্ষণাৎ দেশের ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছে একথাও ঠিক। এ ঘটনার আগে-পরেও তিনি বিভিন্ন বিষয়ে সংবাদ শিরোনাম হওয়ায় এসব অভিযোগ জনগণ বিশ্বাসও করছেন। সরকারের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ শক্তি তাকে নিজেদের লোক বলেও আখ্যায়িত করেছে। অবশ্য সেদিনের সে আলোচনায় অন্য একজন সাংবাদিক বলেছেন, ইমাম সাহেবের যথেষ্ট বয়স হয়েছে। অর্থাৎ বয়সের কারণে তিনি কথাবার্তায় ভারসাম্য রাখতে পারছেন না। কিন্তু অর্থ লেনদেনের বিষয়ে আরিফুর রহমান দোলন যা বললেন, সে বিষয়টি তো আর বয়স দিয়ে ঢাকা যাবে না। এ ক্ষেত্রে জনাব ইমামের উচিত ছিল তার বিরুদ্ধে সেদিন এটিএন নিউজে যেসব অনিয়ম-দুর্নীতির কথা বলা হয়েছে, সে বিষয়গুলো ভুল প্রমাণ করা। অন্যথায় এতবড়, এত বেশি অপবাদ মাথায় নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদে আসীন থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন বলেই আমাদের ধারণা। মনে করা প্রয়োজন, এসব অনিয়ম-দুর্নীতির কথা কোনো রাজনৈতিক নেতার মুখ থেকে আসেনি, এসেছে একজন পত্রিকা সম্পাদকের মুখ থেকে। এ অবস্থায় জনগণ এ বিষয়ে সরকারের মুখ থেকেও কিছু শুনতে চান। সরকারেরও এ বিষয়ে মুখ খোলা উচিত। জনাব ইমাম এ নিয়ে কিছু বলতে না চাইলেও সরকারের উচিত বিষয়টি খতিয়ে দেখা। কারণ একটি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির সুস্পষ্ট সংবাদ প্রচারিত হবে আর সরকারের হাইকমান্ড কানে তুলো গুঁজে বসে থাকবেন, এটাও বোধহয় ঠিক নয়। সরকারি দলকে মনে রাখতে হবে- আজ হোক, কাল হোক, নির্বাচনের সময় তাদের জনগণের কাছে যেতে হবে। আর সে সময় এসব ঘটনাই সামনে চলে আসবে। অতএব সাধু সাবধান!
মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন : রাজনীতিক, কলাম লেখক
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোন পরীক্ষাটি গুরুত্বপূর্ণ : বার কাউন্সিলের নাকি এলএলবির? by জয়দেব দাশ
আমাদের দেশের প্রেসিডেন্ট আদেশ নং-৪৬/১৯৭২ বলে 'The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order 1972' গঠিত হয়। এটা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশ বার কাউন্সিল একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা। এই সংস্থা বাংলাদেশের আইনজীবীদের তালিকাভুক্তি, আচরণবিধি, শাস্তিসহ সব কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। এই আইনে ৪৬টি অনুচ্ছেদ ও ১০১টি বিধি আছে। আইনজীবীদের আচরণবিধি সম্পর্কে চারটি অধ্যায় রয়েছে। এই চারটি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।
আইনজীবী তালিকাভুক্তি পুনঃমূল্যায়ন করা হয় ২০১২ সালে। ২০১২ সালেই প্রথম চালু হয় এমসিকিউ টাইপ পরীক্ষা। এই পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে বিসিএস পদ্ধতির মতো নেগেটিভ মার্কিং ব্যবস্থায়। এমসিকিউ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রের ৫০০টি প্রশ্ন পড়ে উত্তর দিতে হয় ১০০টি প্রশ্নের। পরীক্ষার সময় এক ঘণ্টা। এই এক ঘণ্টার মধ্যে খাতা সইসহ অন্যান্য কাজ করতে প্রায় ১০ মিনিট সময় লেগে যায়। বাকি ৫০ মিনিটে ৫০০টি প্রশ্ন পড়ে ১০০টি প্রশ্নের উত্তর দেয়া কোনো পরীক্ষার্থীর পক্ষে প্রায় অসম্ভব ব্যাপার।
বর্তমানে আইন পেশার সনদ পেতে হলে প্রথমেই ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা দিয়ে ৫০ নম্বর পেতে হবে। পরীক্ষার্থী যদি ৫০ নম্বর পান, তাহলে তিনি পরবর্তী সময়ে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। লিখিত পরীক্ষায় ৫০ নম্বর পেলেই মৌখিক পরীক্ষা দেয়ার যোগ্যতা অর্জন করবেন। অতঃপর যদি মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন, তবেই তিনি আইনজীবী হিসেবে আদালতে দাঁড়ানোর অনুমতি পাবেন।
এমসিকিউ পদ্ধতি চালু করে গত দুই বছরে সরকার বা দেশের কি কোনো উপকার হয়েছে? আমি মনে করি সরকারের আরও ক্ষতি হয়েছে। বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় শুধু লিখিত পরীক্ষা চালু থাকলে অনেক ছেলেমেয়েই পাস করে যেত। বেশি ছাত্রছাত্রী পাস করলে দেশের বেকার সমস্যা কিছুটা হলেও লাঘব হতো। এতে সরকার বা দেশের উপকারই হতো।
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল প্রেসিডেন্ট আদেশ ৪৬/১৯৭২-এর কোথাও নির্দিষ্ট করে বলা নেই যে, পাস করার কতদিনের মধ্যে তালিকাভুক্তির পরীক্ষা হতে হবে। বর্তমানেও যে পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে, তার বিধান কোনো আর্টিকেল বা বিধি এবং আচরণবিধিতে নেই।
আগে আইনশাস্ত্র পাস করা ছাত্রছাত্রীকে তালিকাভুক্তির জন্য বছরে দুবার সুযোগ দেয়া হতো। সেই নিয়ম বাতিল করে বছরে একবার পরীক্ষার মাধ্যমে আইনজীবী তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে। আর বর্তমানে অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি কমিটি নতুন সার্কুলারের মাধ্যমে ঠিক করেছে, একটা পরীক্ষার শেষের পরে পরবর্তী পরীক্ষা হবে। বর্তমানে কমিটি সেই নীতিই অনুসরণ করে চলেছে। ফলে দেখা যাচ্ছে, ছাত্রছাত্রী আইন শাস্ত্রে গ্রাজুয়েশন করেও বার কাউন্সিল থেকে সনদ না পাওয়া পর্যন্ত আইন পেশা শুরু করতে পারছেন না।
সর্বশেষ বার কাউন্সিলের পরীক্ষা শুরু হয়েছে ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। সেই পরীক্ষায় প্রায় আঠারো হাজার ছাত্রছাত্রী আবেদন করেন। তার মধ্য থেকে প্রথম পর্যায় এমসিকিউ পরীক্ষায় পাস করা ছয় হাজারের মতো ছাত্রছাত্রী লিখিত পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন। লিখিত পরীক্ষায় ফল কয়েক দিন আগে প্রকাশিত হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, মাত্র তিন হাজার ৬০০ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। কয়েকদিন আগে মৌখিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে, কৃতকার্য হয়েছেন ২ হাজার ৯০০ জন।
দেখা যাচ্ছে এমসিকিউ পদ্ধতির ফলে ছাত্রছাত্রীদের সনদ পেতে এখন প্রায় দুই বছর সময় লেগে যাচ্ছে। আগে বছরে দুবার তালিকাভুক্তি হতো। আর এখন এমসিকিউ পদ্ধতির ফলে সেখানে দুই বছরে একবার তালিকাভুক্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই পদ্ধতির ফলে আইনশাস্ত্রে পাস করা ৬ ভাগের এক ভাগ ছাত্রছাত্রী যোগ্য বলে বিবেচিত। এর ফলে বর্তমানে পনেরো হাজার পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়ে আছেন। আর তাদের এই বেকার জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে পনেরো হাজার পরিবার। এই পরিবারগুলোর দুশ্চিন্তার কথা কর্তৃপক্ষ ভেবে দেখবে কি?
১৯৭২ সালে জারিকৃত রাষ্ট্রপতি আদেশের মধ্যে যে পদ্ধতি নেই, সেটাকে নতুন করে বিন্যাস করে দেশের কী লাভ হচ্ছে? আইনশাস্ত্রের শিক্ষা গ্রহণ করে হাজার হাজার ছেলেমেয়ে বেকার বসে আছে। এমসিকিউ পদ্ধতির ফলে যদি কেউ বার কাউন্সিলের সনদপত্র না পান, তাহলে তিনি আদালতের দোরগোড়ায় যেতে পারবেন না। এতে করে ক্ষতি হবে দেশ ও জাতির।
আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে আইনশাস্ত্র পাস করা একজন ছাত্র বা ছাত্রী আইনশাস্ত্রের সনদ জমা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ বার কাউন্সিলে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে আবেদন করেন সনদের জন্য। ছয় মাসের মধ্যেই ওই ছাত্রছাত্রী পশ্চিমবঙ্গে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করার জন্য সনদপ্রাপ্ত হন। ওই আইনজীবী যদি সর্বভারতীয় আইনজীবী হিসেবে আইন পেশা শুরু করতে চান, তাহলে তাকে All India Bar Examination Rules-এর অধীনে পরীক্ষায় বসতে হবে। শুধু তিন ঘণ্টার লিখিত পরীক্ষা দিতে হয়। আমাদের দেশে দেওয়ানি ও ফৌজদারি প্রায় সব আইনই ভারতীয় আইনি নিয়মে চলছে। যখন কোনো জটিল মামলার বিচার করা হয়, তখন নজির হিসেবে ভারতীয় বিভিন্ন উচ্চ আদালতের উদাহরণ দেয়ার রেওয়াজ আছে।
কিছুদিন আগে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় দেখলাম, বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় যে এমসিকিউ পদ্ধতি চালু আছে, তা পরিবর্তনের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সুপারিশ করেছে। কমিটি মনে করে, বিসিএস পরীক্ষায় এমসিকিউ পদ্ধতি তুলে দেয়া উচিত। সরকার যেখানে সরাসরি গেজেটেড অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রে এমসিকিউ পরীক্ষা পদ্ধতি বাতিলের সুপারিশ করেছে, সেখানে আইনশাস্ত্রে পাস করা ছেলেমেয়েদের বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে প্র্যাকটিস করার জন্য সনদ নিতে প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় এমসিকিউ পদ্ধতি একটি অপ্রয়োজনীয় এবং সময় নষ্টের ব্যবস্থা ছাড়া আর কিছুই নয়।
এই পদ্ধতির ফলে প্রায় দুই বছর লাগছে তালিকাভুক্ত হতে। তাই দয়া করে হাজার হাজার ছেলেমেয়ের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে বিষয়টি পুনঃবিবেচনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।
নির্দিষ্ট সময়ে ৫০০ প্রশ্নের মধ্য থেকে ১০০ প্রশ্নের এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই একজন ভালো আইনজীবী হিসেবে
গণ্য হন, তা কোনোমতেই ঠিক নয়। ভালো আইনজীবী হতে হলে দরকার আইন বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং আইন সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান।
একজন ডাক্তার নির্দিষ্ট সময়েই ইন্টার্নশিপ শেষ করে তার কর্মজীবনে প্রবেশ করেন এবং বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল থেকে সনদ নিয়ে তিনি স্বাধীনভাবে জনসাধারণের সেবা করতে পারেন। একজন ইঞ্জিনিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে স্বাধীনভাবে দেশ ও জনগণের সেবা করতে পারেন। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, আইনশাস্ত্রে যারা গ্রাজুয়েশনপ্রাপ্ত হন, তারা তাদের ইন্টিমেশন শেষ করে তাদের পেশায় স্বাধীনভাবে মনোনিবেশ করতে পারেন না। এলএলবি সনদের চেয়ে বার কাউন্সিলের সনদের মূল্য যদি বেশি হয়, তাহলে এলএলবি বাদ দিয়ে শুধু বার কাউন্সিলের সনদের জন্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করাই শ্রেয়।
সবশেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ- দয়া করে এমসিকিউ পদ্ধতি বাতিল করে ২০১২-এর আগে যে নিয়ম চালু ছিল, সেই নিয়মেই আমাদের দেশে আইনশাস্ত্রে পাস করা ছেলেমেয়েদের বার কাউন্সিলের সনদ দেয়ার ব্যবস্থা করবেন। এতে আপনার এবং আপনার সরকারের প্রতি দেশের সব আইনশাস্ত্র পাস করা ছাত্রছাত্রী চিরকৃতজ্ঞ থাকবে।
জয়দেব দাশ : আইনশাস্ত্র শিক্ষার্থী
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৈশ্বিক, আঞ্চলিক ও দেশীয় জঙ্গিবাদের স্বরূপ by তারেক শামসুর রেহমান
এ তিনটি ঘটনাকে যদি একসঙ্গে মেলান যায়, তাহলে কতগুলো প্রশ্ন ওঠে। এক. বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ আছে, এর অস্তিত্ব আছে এবং জঙ্গিরা বাংলাদেশের বাইরে ভারতেও তৎপর। এ ঘটনা বাংলাদেশের ইমেজের জন্য খারাপ। এতে করে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নজরদারিতে চলে যাবে এবং আগামীতে বাংলাদেশের ওপর বৈশ্বিক চাপ আরও বাড়বে। দুই. তিনটি জঙ্গি সংগঠনের কথা মোটামুটিভাবে আমরা জানি এবং এদের তৎপরতা সীমিত আকারে হলেও আছে। জেএমবি, হরকাতুল জিহাদ আল ইসলাম এবং আনসারুল্লাহ বাংলাটিম। এদের শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং এদের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে, সন্দেহ নেই তাতে। কিন্তু পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করা গেছে, এটা বলা যাবে না। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে এদের তৎপরতার খবর মাঝে-মধ্যে সংবাদপত্রে ছাপা হয় এখনও। এখানে বাংলাদেশের পুলিশ তথা গোয়েন্দাদের ভূমিকার প্রশ্নটি চলে আসে। তারা তাদের দায়িত্ব কতটুকু পালন করছে, এই প্রশ্নটিও আছে। সরকার পুলিশ প্রশাসনের জন্য অনেক কিছু করেছে। পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে সিনিয়র পদ অনেক বাড়ানো হয়েছে। এতে করে কি তাদের কর্মদক্ষতা বাড়ানো গেছে? জঙ্গি দমনে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনবল দরকার। এখানে বেশ ঘাটতি আছে। এ বিষয়টির দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
একসময় র্যাব যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিল। শায়খ আবদুর রহমান ও বাংলা ভাইকে গ্রেফতারের কৃতিত্ব র্যাবের। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে র্যাবের কর্মকাণ্ড (সন্ত্রাস দমনে) তেমন চোখে পড়ে না। র্যাবকে অন্য কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। উপরন্তু র্যাবের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আসরেও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ফলে র্যাবকে দিয়ে জঙ্গি দমনের বিষয়টি এখন আর তেমনভাবে আলোচিত হয় না।
দুই. বাংলাদেশের জঙ্গিরা এখন পশ্চিমবঙ্গে তৎপর! এ খবরটি ভারতীয় গোয়েন্দাদের। এর পেছনে সত্যতা কতটুকু আছে, তা বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের খুঁজে বের করতে হবে। বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের বর্ধমানে যাওয়া উচিত। বাংলাদেশ যদি ভারতীয় গোয়েন্দাদের বক্তব্যকে স্বীকার করে নেয়, তাহলে বাংলাদেশের ওপর ভারতীয় চাপ আরও বাড়বে। একসময় ভারতীয় গোয়েন্দারা বাংলাদেশে এসে কাজ শুরু করবে! এতে করে বাংলাদেশের জঙ্গি দমনের ব্যর্থতা (?) প্রশ্নের মুখে থাকবে। বাংলাদেশের উচিত বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত করা। তবে ভারতে বাংলাদেশের সন্ত্রাসীরা আছে, বসবাস করে, এটা মোটামুটিভাবে স্পষ্ট। নিশ্চয়ই এসব সন্ত্রাসীর সঙ্গে ভরতীয় সন্ত্রাসীদের একটা যোগসূত্র আছে। এই যোগসূত্রটি ভেঙে দিতে হবে। বাংলাদেশের জঙ্গিরা ভারতে আশ্রয় নিতে পারে। সীমান্ত অতিক্রম করা কঠিন কিছু নয়। ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা সৎ নন। তাদের ম্যানেজ করা কঠিন কিছু নয়। উপরন্তু চোরাকারবারিরাও রয়েছে। এদের ম্যানেজ করে বাংলাদেশের জঙ্গিরা পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নিতে পারে। এটা স্বাভাবিক। এখন বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের উচিত হবে তৎপরতা বাড়ানো।
তিন. জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ ও ভারতের খোলামন নিয়ে সহযোগিতা করা প্রয়োজন। এই সহযোগিতায় যদি ঘাটতি থাকে, তাহলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে না। এক পর্যায়ে ভারত বাংলাদেশের ওপর চাপ বাড়াবে এবং সুবিধা আদায় করে নিতে চাইবে। যা কি-না যে কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য ভালো খবর নয়।
চার. বাংলাদেশে জঙ্গিবাদী তৎপরতা দমনের স্বার্থে সরকার ও প্রধান বিরোধী দলের মধ্যে ন্যূনতম প্রশ্নে ঐকমত্য হওয়া প্রয়োজন। না হলে জঙ্গিরা এর সুযোগ নেবে। এ মুহূর্তে যে সংসদ কার্যক্রম রয়েছে, তার ভূমিকা নিয়ে জনমনে ও বুদ্ধিজীবী সার্কেলে নানা প্রশ্ন আছে। সংসদ কার্যকর নয়- এটা জাতীয় পার্টিও স্বীকার করে। বিএনপি বড় দল। সংসদে না থাকলেও বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশ্নে এ দলটির ভূমিকা বড় ও ব্যাপক। সন্ত্রাস দমনে বিএনপিরও একটি ভূমিকা আছে। এ ভূমিকাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে নিয়ে সরকারের উচিত বিএনপির সঙ্গে একটা সহাবস্থান গড়ে তোলা। আমি বিশ্বাস করি, সন্ত্রাসবাদ দমনে ও জঙ্গি উৎখাতে বিএনপি আন্তরিক। এখন বিএনপি ও আওয়ামী লীগ যদি জঙ্গি দমনে এক হয়, তাহলে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ দাঁড়াতে পারবে না। কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, এ সম্ভাবনা ক্ষীণ। এই দুটি দলের মাঝে বিভক্তি ও বিদ্বেষ এত বেশি যে, এর সুযোগ নিচ্ছে জঙ্গিরা। তারা সংগঠিত হচ্ছে। সুতরাং বড় দল দুটির মাঝে সমঝোতা দরকার।
পাঁচ. জঙ্গিবাদ একটি বৈশ্বিক সমস্যা। মধ্যপ্রাচ্যে আইএসের উত্থান জঙ্গিবাদে নতুন একটি মাত্রা দিয়েছে। এদের সঙ্গে বাংলাদেশের জঙ্গিদের যোগাযোগ থাকা বিচিত্র কিছু নয়। তবে আল কায়দার উপমহাদেশীয় শাখা ইতিমধ্যে সংগঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার নিয়ে এ শাখা গঠিত। এদের সশস্ত্র কর্মকাণ্ডের কোনো খবর আমাদের জানা নেই। তবে আমি নিশ্চিত করেই বলতে পারি, এরা সংগঠিত হচ্ছে। ভারতে ইসলামী জঙ্গিরা রয়েছে। এদের তৎপরতার খবরও পত্রপত্রিকায় ছাপা হয়েছে। এদের সঙ্গে আল কায়দা কিংবা আইএসের সম্পর্ক কী, তা এখন খতিয়ে দেখার বিষয়। বাংলাদেশ ও ভারতের গোয়েন্দারা এ ব্যাপারে একসঙ্গে কাজ করতে পারে। এ কাজটি করা অত্যন্ত জরুরি। তবে বৈশ্বিক জঙ্গিবাদ নিয়ে যারা কাজ করেন, তারা জানেন আল কায়দা ও আইএসের মধ্যে নীতিগতভাবে ও জঙ্গি তৎপরতার দিক দিয়ে পার্থক্য রয়েছে। আইএস যেখানে সশস্ত্র যুদ্ধ পরিচালনা করছে এবং ইতিমধ্যে ইরাক-সিরিয়ার একটি বিশাল এলাকা তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে (সুন্নিস্তান), সেখানে আল কায়দা এখনও গেরিলা কায়দায় তাদের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। আইএসের মতো তাদের নিজস্ব সেনাবাহিনীও নেই। এ দুই সশস্ত্র গ্র“পের মধ্যে এক ধরনের সমঝোতা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। উপরন্তু আল কায়দার সঙ্গে বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীর সম্পর্ক বা তাদের শাখা থাকলেও আইএসের শাখা নেই। এমনকি পাকিস্তান, আফগানিস্তান কিংবা লিবিয়ার মতো দেশে যেখানে জঙ্গি তৎপরতা রয়েছে, সেখানে আইএসের কোনো শাখা নেই। সুতরাং বাংলাদেশ বা ভারতে আইএস এ মুহূর্তে কোনো শাখা নাও খুলতে পারে। তবে বাংলাদেশের বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের উত্থানে উৎসাহিত হবে, এটা স্বাভাকি। সব জঙ্গির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা তাই জরুরি।
আল কায়দা তার জঙ্গি তৎপরতা পরিচালিত করে সীমিত জায়গায় সংগঠিত হয়ে, যাকে বিশ্লেষকরা স্পাইডার ওয়েভ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। মাকড়সা যেভাবে ছোট জায়গায় জাল বোনে এবং ওই জাল ভেঙে গেলে আবার অন্যত্র গিয়ে জাল বোনে, আল কায়দার স্ট্র্যাটেজি অনেকটা তেমনি। তারা এক জায়গায় একত্রিত হয়। সেখানকার স্থাপনার ওপর আক্রমণ করে এবং তা ধ্বংস করে দেয়। পরে আবার অন্যত্র গিয়ে আক্রমণ করে। বাংলাদেশের জঙ্গিদের মধ্যে তেমন স্ট্র্যাটেজি চোখে পড়ে না। এদের বড় কোনো কর্মকাণ্ড সম্প্রতি আমাদের চোখে পড়েনি। এরা যে খুব শক্তিশালী তাও আমার কখনও মনে হয়নি। মাঝে মাঝে দু-একজন ধরা পড়ে। তবে এদের কোনো কর্মকাণ্ড নেই। আমাদের আইন-শৃংখলা বাহিনীর কঠোর নজরদারির কারণে এরা সংগঠিত হতে পারছে না। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে, জঙ্গিবাদ একটা বৈশ্বিক সমস্যা। মুসলিমপ্রধান অঞ্চলেই এদের তৎপরতা। এ জঙ্গি তৎপরতা এখন সুদূর আফ্রিকার যেখানে মুসলমান জাতি রয়েছে, সেখানেও সম্প্রসারিত হয়েছে। নাইজেরিয়া, সাদ, সুদানের মতো দেশেও জঙ্গি তৎপরতা বাড়ছে। এর অর্থ হচ্ছে, জঙ্গি তৎপরতা মধ্যপ্রাচ্য ছেড়ে এখন আফ্রিকায় সম্প্রসারিত হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, বিশেষ করে ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ডেও জঙ্গিরা তৎপর। ইন্দোনেশিয়ায়
এদের অবস্থান অত্যন্ত শক্তশালী। ফলে দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে বাংলাদেশকে এরা টার্গেট করবে, এটাই স্বাভাবিক। সতর্ক হওয়ার প্রয়োজনটা তাই এ কারণেই।
জঙ্গিবাদ মানবতার শত্রু। আল কায়দা কিংবা আইএস যেভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চায়, বাংলাদেশের মানুষ কখনোই সেটা সমর্থন করবে না। জঙ্গিবাদী ইসলাম আসলেই কোনো ইসলাম নয়। গলা কেটে, বোমা বানিয়ে মানুষ হত্যা করার নাম ইসলাম হতে পারে না। ইসলাম মানবতার ধর্ম। বাংলাদেশের মানুষ ধর্মভীরু। কিন্তু যারা ধর্মের নামে রাজনীতি করে, বোমা বানায়, এদের কোনো গণভিত্তি নেই। মানুষ এদের সমর্থনও করবে না। তবে মুসলিম সমাজে বিভ্রান্তকারীরা রয়েছে। বাংলাদেশেও আছে। তাই এ মাটিতে জঙ্গি গোষ্ঠীর জন্ম হয়েছে। ইসলামের নামে এরা মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনায় আমরা তাই শংকিত। বর্ধমানের জঙ্গি তৎপরতার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করা দরকার। এজন্য ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের গোয়েন্দাদের ওপর নির্ভর না করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তথা পশ্চিমবঙ্গের গোয়েন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করা প্রয়োজন। এটা ভারতীয় জঙ্গিদের কাজও হতে পারে। মমতা ব্যানার্জি সরকারের ভূমিকা কী এটাও আমাদের জানা দরকার। এখানে কোনো ষড়যন্ত্র তত্ত্ব কাজ করছে কি-না, সেটাও বিবেচনায় নিতে হবে। কারণ আমরা জানি, মোদি সরকারের এখন প্রধান টার্গেট হচ্ছে মমতা ব্যানার্জিকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে উৎখাত করা। তাই বলে আমরা যেন কোনো ধরনের আত্মতুষ্টিতে না ভুগি। আমাদের দেশে জঙ্গিরা আছে। এরা হয়তো তেমনভাবে সংগঠিত নয়। তবে আছে এবং সুযোগ পেলেই এরা তৎপর হয়ে ওঠে। ত্রিশালের জঙ্গি ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনা এর বড় প্রমাণ। আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক বিভক্তি ও বিদ্বেষ বাড়ছে। সংসদ কার্যকর নয়। রাজনৈতিক সহিংসতা বাড়ছে। আর এর সুযোগ নিচ্ছে জঙ্গিরা।
সরকার জঙ্গি দমনের কথা বলছে বটে; কিন্তু সাধারণ মানুষের মধ্যে জঙ্গি তৎপরতার বিরুদ্ধে যে প্রচারণা দরকার, সেটি হচ্ছে না। গোয়েন্দা তৎপরতা আরও বাড়ানো দরকার। সেটিও হচ্ছে না। গোয়েন্দাদের অন্যত্র ব্যস্ত রাখা হচ্ছে। তবে একটি আশার কথা অবশ্যই আছে- এ জঙ্গি তৎপরতা বড় কোনো হুমকি সৃষ্টি করতে পারেনি। তাই বলে আমরা চুপচাপ বসে থাকলে এদের তৎপরতা বাড়বে বৈ কমবে না। বাংলাদেশে সীমিত আকারে হলেও জঙ্গি তৎপরতা আছে। এ তৎপরতা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। জঙ্গিবাদ যে মানবতার শত্রু এ প্রচারণার ওপরই এখন গুরুত্ব দেয়া উচিত বেশি।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে
ড. তারেক শামসুর রেহমান : অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল নয়’ -বেগম খালেদা জিয়া by কাজী সুমন

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সার্বজনীন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার তাগিদ মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উপস্থিত না থাকলে কলেজ বন্ধ করে দেব’

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আ’লীগ ক্ষমতায় এলে দেশের মানুষ শান্তিতে বাস করে’ -প্রধানমন্ত্রী

বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রে ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ প্রকল্প উদ্বোধনের পর অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ২০ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাবে। এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালে দেশে দৈনিক এক হাজার ৭৪৪ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হতো। এখন ২০১৪ সালে গ্যাসের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৪৫৪ মিলিয়ন ঘনফুট। তিনি বলেন, আমরা সুন্দলপুর, শ্রীকাইল ও রূপগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করেছি। এই গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উন্নয়ন কাজ শেষ হলে অতিরিক্ত ৭১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বহু রাত ভাল করে ঘুমোতে পারবো না: শন অ্যাবট

চ্যাটফিল্ড জীবনযুদ্ধ জিতে ক্রিকেট মাঠে ফিরেছিলেন। তাও লেভারকে সেই দুঃস্বপ্ন তাড়া করে বেরিয়েছিল বহু দিন। অ্যাবটের অবস্থা তার চেয়েও কঠিন বলে মনে করেন লেভার। ছেলেটার কষ্ট আমার চেয়ে ভাল আর কে বুঝবে? হিউজ ওর ভাল বন্ধু এবং ও এই দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছে। এর চেয়ে বেদনাদায়ক আর কী হতে পারে? লিখেছেন তিনি।
পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার ওয়াকার ইউনিসের প্রশ্ন, অ্যাবট কি আদৌ মাঠে ফিরতে পারবে? একই আশঙ্কা ইংরেজ বোলার স্টিভ হার্মিসনেরও। তার মতে, বাইশ বছরের ছেলেটা সারা জীবন এই দুঃস্বপ্ন চোখে নিয়ে কী করে খেলে যাবে, কে জানে? খুব কঠিন কাজ। আমার ক্ষেত্রে এমন হলে আমি নিজেকে ফেরাতে পারতাম কি না, জানি না। এক প্রস্তুতি ম্যাচে যার বল আঘাত করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটসম্যান ফিল সিমন্সের মাথায়, সেই ডেভিড লরেন্সেরও নিজের অভিজ্ঞতার কথা মনে পড়ছে। লরেন্সের মন্তব্য, সেই ঘটনার ৪৮ ঘন্টা পর আমি সিমন্সকে সরি বলার সুযোগ পেয়েছিলাম। অ্যাবট তো তাও পেল না। এই আক্ষেপটাই না ওর মাঠে ফেরার পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আমার মনে হয় না ও আর ক্রিকেট খেলতে পারবে।
লরেন্সের সঙ্গে অবশ্য একমত নন আর এক প্রাক্তন ইংরেজ পেস তারকা ম্যাথু হোগার্ড। তার কথায়, কোনও বোলারের বলে কোনও ব্যাটসম্যান মারা গেলে, সেই বোলারের মানসিক ভাবে ধ্বংস হয়ে যাওয়াই স্বাভাবিক। তবে আশা করি ওকে শক্তি জোগানোর জন্য ওর চার দিকে অনেক মানুষ আছেন। তাদের জন্যই ও আগের মতো মাঠে নামতে পারবে।
তেমনই এক জন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন টেস্ট বোলার জ্যাসন গিলেসপি, যিনি বলছেন, অ্যাবটের মতো ভাল ছেলে ক্রিকেট মাঠ থেকে সরে যাবে, তা হয় না কি? ও মাঠে ফিরবেই। আমরাই ওকে সাহস জোগাব। অনেক মহল থেকেই ক্রিকেটে বাউন্সার তুলে দেয়ার দাবি উঠেছে। কিন্তু প্রাক্তন পেসাররা সবাই বলছেন, বাউন্সার তুলে দেওয়া মানে ক্রিকেটকেই নষ্ট করে ফেলা। অর্থাৎ, বোলার ও ব্যাটসম্যানদের এমন প্রাণঘাতী সংঘর্ষ যে এই শেষ, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুসলিম বিশ্ব এক হও
‘আমরা যদি (মুসলমান হিসেবে) একত্রে কাজ করতে পারি তবে আমরা শতাব্দীকাল ধরে চলা ফিলিস্তিনিদের একাকিত্ব দূর করতে পারি ... আমরা ঐক্যবদ্ধ হলে ইরাক ও সিরিয়ার শিশুদের রক্তের হোলিখেলা বন্ধ করা সম্ভব।’ ইরাক ও সিরিয়ার জনগণের দুর্ভোগের কথা উল্লেখ করে এরদোগান বলেন, ‘দয়া করে এই দৃশ্যের দিকে দৃষ্টি দিন এবং ভাবুন এসব হত্যা ও সংঘাত থেকে কারা লাভবান হচ্ছে আর কারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’ জাতিসংঘের সমালোচনা করে স্পষ্টভাষী এরদোগান বলেন, ‘শিশুদের রক্তবন্যায় জাতিসংঘ নীরব দর্শক হয়ে থাকলেও ওআইসি তো নীরব থাকতে পারে না।’ ‘ইরাক, সিরিয়া অথবা অন্যত্র যা ঘটছে তার কোনো সমাধান কি জাতিসংঘ দিতে পেরেছে? জাতিসংঘ কি ন্যায়বিচার করতে পারছে? যে সংস্থায় আদৌ ন্যায়বিচার নেই সেখান থেকে তো ন্যায়বিচার আশা করা যায় না।’
মুসলমানরা আমেরিকা আবিষ্কার করেছে বলে সম্প্রতি এরদোগান যে মন্তব্য করেন সেই প্রসঙ্গে আবারও কথা বলেন তিনি। এ কারণে কিছু পশ্চিমা গণমাধ্যম তাকে টার্গেট করেছে বলেও মন্তব্য করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। ‘আমরা সভ্যতার ইতিহাস, বিজ্ঞান, রাজনীতি ও সামরিক ঐতিহাসিক সত্য স্মরণ করিয়ে দেয়ায় তারা বিরক্ত হচ্ছে।’ ‘কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কারের ৩১৪ বছর আগেই মুসলিস নাবিকরা ১১৭৮ সালে ওই মহাদেশে অবতরণ করেন’, আবারও বলেন এরদোগান। মুসলিম বিশ্বের সাম্প্রতিক বাণিজ্য বৃদ্ধির প্রশংসা করে বিশ্বের ১৭তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটির প্রেসিডেন্ট বলেন, গত ১০ বছরে মুসলিম বিশ্বের বাণিজ্য ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৮১ সালে মক্কায় প্রতিষ্ঠিত কমসেকের নিজস্ব একটি রিয়েল স্টেট স্টক মার্কেট থাকা দরকার বলে মত দেন এরদোগান। এছাড়া কমসেক স্বর্ণ বিনিময়ের পদক্ষেপ নিতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এএফপি।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফিলিস্তিন প্রশ্নে ফরাসি পার্লামেন্টে বিতর্ক ২ ডিসেম্বর
প্রস্তাবটিতে ফিলিস্তিনকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে ফরাসি সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। শুক্রবার প্রস্তাবটি নিয়ে দেশটির সংসদ সদস্যরা আলোচনা করবেন এবং আগামী ২ ডিসেম্বর পার্লামেন্টের নিুকক্ষের নির্বাচনের সময় ওই প্রস্তাবটির ওপরও ভোটাভুটি হবে। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট ফাবিয়াস সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, একটা সময় গিয়ে তার দেশ অবশ্যই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে। এদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হুশিয়ার করে বলেছেন, ফ্রান্স ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিলে মারাত্মক ভুল করবে। প্রসঙ্গত, ১৩ অক্টোবর ব্রিটিশ সংসদ এবং ১৮ নভেম্বর স্পেনের সংসদ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রিটেনে অভিবাসন নীতিতে নতুন শর্ত

About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রামপাল অভিযানে খরচ ৩০ কোটি
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন নেতৃত্ব প্রত্যাশা
সর্বশেষ ২০০৪ সালের ১৫ জানুয়ারির সম্মেলনে তালুকদার আবদুল খালেককে সভাপতি ও মিজানুর রহমান মিজানকে সাধারণ সম্পাদক করে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি গঠিত হয়েছিল। বিভিন্ন অজুহাতে তিন বছরের ওই কমিটি আর কোনো সম্মেলন না করে টানা সাত বছর পার করেছে। পরে চলতি বছরে তিন দফায় তারিখ পেছানোর পর সর্বশেষ ২৯ নভেম্বর সম্মেলনের তারিখ চূড়ান্ত হয়।
এই সম্মেলন উপলক্ষে শুক্রবার বেলা ১১টায় খুলনা প্রেস ক্লাবে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর পর অনুষ্ঠিতব্য এ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে মহানগরীর নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা থেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের এক বিশাল বহর এ সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন। তাই এ সম্মেলনকে আকর্ষণীয়, প্রাণবন্ত, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার জন্য সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে কোনো প্রকার অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটবে না বলে জানানো হয়। সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে কাউন্সিলরদের মতামতের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে আগামী তিন বছরের জন্য খুলনা মহানগরীর নেতৃত্ব নির্বাচন ও কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হবে।
এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে বর্তমান সরকারের আমলে খুলনার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নগর সভাপতি সংসদ সদস্য তালুকদার আবদুল খালেক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খুলনা সদর আসনের সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিজানসহ নগর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। সম্মেলনে প্রধান অতিথি থাকবেন দলের সাধারণ সম্পাদক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। উদ্বোধন করবেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। বিশেষ অতিথি থাকবেন প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতা ও সংসদ সদস্যরা। প্রধান বক্তা থাকবেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সংসদ সদস্য বিএম মোজাম্মেল হক ও সভাপতিত্ব করবেন নগর সভাপতি সংসদ সদস্য তালুকদার আবদুল খালেক।
দলীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগে বর্তমানে তিনটি গ্রুপ। একটি গ্রুপের নেতৃত্বে আছেন বর্তমান সভাপতি তালুকদার আবদুল খালেক, দ্বিতীয় গ্র“পের নেতৃত্বে আছেন সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান এবং সদ্য তৃতীয় গ্রুপের সৃষ্টি হয়েছে। এই গ্রুপে আছেন নগর যুবলীগের আহ্বায়ক আনিসুর রহমান পপলু। সম্মেলন নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস থাকলেও তাদের আশংকা ভোটের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচন ছাড়াই সমঝোতার মাধ্যমে নেতা নির্বাচন করা হতে পারে। নগর কমিটির বর্তমান সভাপতি বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য তালুকদার আবদুল খালেক ছাড়া এখন পর্যন্ত অন্য কোনো নেতা এই পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করেননি। অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে সমঝোতা না হলে ভোটাভুটি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও নগর কমিটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান এবারও একই পদে প্রার্থী হচ্ছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন খুলনা মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক আনিসুর রহমান পপলু এবং সদ্য নির্বাচিত খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম। এর মধ্যে সাইফুল খালেক পক্ষের অন্যতম নেতা।
একাধিক নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, সাত বছরে সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয় ও দলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সভাপতি খালেক ও সাধারণ সম্পাদক মিজানের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে মিজান খুলনা সদর আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় এই দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে আসে। পরে খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে খালেক গ্রুপের প্যানেল নিরঙ্কুশ জয়লাভ করায় দুপক্ষের বিরোধ চরম আকার ধারণ করে। তবে দলের মধ্যে বিরোধের বিষয়টি সভাপতি খালেক ও সাধারণ সম্পাদক সব সময় অস্বীকার করে আসছেন। তারা বলেন, বিষয়টি অপপ্রচার ছাড়া কিছুই না। সাধারণ সম্পাদক মিজান দৈনিক যুগান্তরকে বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বড় দল, সেই হিসেবে নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকবে এবং আছে। কাউন্সিলররাই ঠিক করবেন কারা হবেন নগর কমিটির আগামী দিনের নেতা।
খালেক গ্রুপের অন্যতম নেতা ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী সাইফুল ইসলাম জানান, নেতা নির্বাচনে কাউন্সিলররা তাদের মতামত দিতে চান। অর্থাৎ তারা ভোটের মধ্যমে নেতা নির্বাচিত করে কমিটি করতে চান। তাদের এই ইচ্ছাকে শ্রদ্ধা জানানো উচিত।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আত্মসমর্পণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন সিলেটের মেয়র
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মেয়র আরিফ ঢাকা থেকে সড়কপথে সিলেট আসেন। রাতে তিনি সিটি কর্পোরেশনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইলে স্বাক্ষর করেন। শুক্রবার সকালে গ্রেফতার আতংকে পুনরায় তিনি ঢাকায় যান। যদিও সিআইডির দাখিলকৃত চার্জশিট আদালত গ্রহণ করার আগে তাকে গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই। তারপরও তিনি হয়রানির ভয়ে আত্মগোপনে আছেন। জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এমাদ উল্লাহ শহীদুল ইসলাম বলেন, কোনো মামলার সম্পূরক চার্জশিট আদালতে গ্রহণ করার আগে কাউকে গ্রেফতার করা যায় না। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা সন্দেহভাজন যে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেন।
মেয়র আরিফ যুগান্তরকে বলেন, আমি আত্মগোপনে নই। সিটি কর্পোরেশনের সব কাজকর্ম ও নির্দেশনার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ফাইলে প্রতিদিন স্বাক্ষর করছি। আইনি পরামর্শ নিতে ঢাকায় গিয়েছিলাম। আবারও সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করতে ঢাকায় যাচ্ছি। হত্যা মামলা সম্পর্কে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। মেয়রের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, হবিগঞ্জ নিু আদালতে সিআইডির দাখিল করা চার্জশিট গ্রহণের তারিখ ধার্য রয়েছে ৩ ডিসেম্বর। এরপর মেয়র আত্মসমর্পণ করবেন।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
র্যাবের তদন্ত প্রতিবেদনে বাদীপক্ষের অসন্তোষ
ডিবির তদন্ত ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, সরকার প্রভাব খাটিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে বিলম্ব করছে। মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনসহ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারীদের আড়াল করার চেষ্টা হচ্ছে- এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, এর পেছনে সরকারের ইতিবাচক ভূমিকা রয়েছে। কারণ বাংলাদেশ সরকার ভারতের কাছে আমাদের দেশের ৪০ জন সন্ত্রাসীর যে তালিকা দিয়েছে তাতে নূর হোসেনের নাম নেই। নূর হোসেনের চেয়ে অনেক নিচু স্তরের সন্ত্রাসীর নামও ওই তালিকায় রয়েছে। এতেই প্রমাণিত হয়, সরকার চায় না নূর হোসেনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হোক। কেননা নূর হোসেনের মুখ থেকে অনেক রাঘববোয়ালের নাম বেরিয়ে আসতে পারে, যারা সাত খুনের পরিকল্পনায় জড়িত। এছাড়া নূর হোসেন ও মামলার আরেক আসামি আওয়ামী লীগ নেতা ইয়াছিন মিয়াকে দীর্ঘ সাত মাসেও দল থেকে বহিষ্কার না করায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এদিকে মামলার বাদী নিহত প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের স্ত্রী এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সদ্য নির্বাচিত কাউন্সিলর সেলিনা ইসলাম বিউটি এখনও সন্তানদের নিয়ে আতংকে দিনযাপন করছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা প্রতিনিয়ত আমাদের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। সন্তানদের নিয়ে আমি ভয়ে আছি। কিন্তু এই সাত মাসেও কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা হল না। তিনি বলেন, নজরুল অপহরণের পনের দিন আগে থেকেই তারা হুমকি দিয়ে আসছিল যে, আমার স্বামীকে তারা মেরে ফেলবে। আমি একথা বারবার বলার পরেও প্রশাসন তাদের গ্রেফতারের ব্যাপারে কোনো গুরুত্ব দেয়নি। মূলত তারাই পরিকল্পনা করে র্যাব দিয়ে আমার স্বামীসহ সাত জনকে খুন করেছে।
র্যাব প্রসঙ্গে সেলিনা ইসলাম বলেন, র্যাবের সঙ্গে আমার স্বামীর কোনো ধরনের শত্রুতা ছিল নো। তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল। নূর হোসেন ও তার সহযোগীরাই এই হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা। দোষী র্যাব সদস্যদের সাজা প্রদানের আগে নূর হোসেনদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানান তিনি।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন বাদীপক্ষের প্রতি আশ্বাস প্রদান করে বলেন, তদন্তে আমাদের আরও কিছু সময় লাগবে। এই মামলার ব্যাপারে যথেষ্ট তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ আমরা জোগাড় করেছি। আমাদের তদন্ত কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। অহেতুক সময় অতিবাহিত হোক আমরা কখনোই চাই না। মামলার প্রকৃত চিত্র আমাদের কাছে স্পষ্ট। তিনি বলেন, বাদীপক্ষের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। সময় লাগলেও আমরা চাই এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার হোক। যেহেতু এটি একটি স্পর্শকাতর ও বড় মামলা। তাই আমরা তাড়াহুড়া করব না। চার্জশিট বিবেচনা করে একটি স্বচ্ছ ও মানসম্পন্ন তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার অপেক্ষায় আছি।
র্যাব প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বলেন, আমাদের তদন্তে অনেক কিছুই স্পষ্ট হয়ে গেছে। যেহেতু তদন্ত এখনও চলছে তাই এ মুহূর্তে এর বেশি কিছু বলা যাচ্ছে না। মামলার তদন্ত কর্মকর্তার রিপোর্ট খুবই স্বচ্ছভাবে দেয়া হবে। মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেন সম্পর্কে তিনি বলেন, আমাদের তদন্তে তার সংশ্লিষ্টতার সাক্ষ্য-প্রমাণ মিলেছে। নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের স্ত্রী অর্চনা সরকার অভিযোগ করেন, র্যাবের তদন্তে হত্যার পরিকল্পনাকারী অনেকের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। র্যাব একপেশে তদন্ত রিপোর্ট দিয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২৩ হাজার বছরের পুরনো

About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কুমিল্লায় খালেদা জিয়ার জনসভা আজ
কুমিল্লা (উত্তর) প্রতিনিধি জানান, কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার টোলপ্লাজা ও গৌরীপুর স্টেশনে বিএনপির তোরণ-ব্যানারে ভাংচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি-জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মী রাস্তায় নেমে আসে। এ সময় তারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে। খবর পেয়ে পুুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের সরিয়ে দিতে পুলিশ এ সময় লাঠিচার্জও করে। রাত সাড়ে দশটায় এ রিপোর্ট লেখাকালে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মী ও পুলিশ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিএনপি নেতাদের দাবি সরকারপন্থী নেতাকর্মীরা এ ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে।
খালেদা জিয়ার এ জনসভা সফল করতে জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনসহ ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন। জনসভাকে ঘিরে জেলার সর্বত্রই সাজসাজ অবস্থা। নেত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে জেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতাকর্মীরা নির্মাণ করেছেন তোরণ, লাগিয়েছেন ফেস্টুন। বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার বিভিন্ন সড়ক। মাইকিং, পোস্টার, দলীয় নেতাকর্মীদের প্রচারণায় এখন মুখরিত উপজেলা থেকে মহানগরী। জানা যায়, জনসভা সফল করতে বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি, লেবার পার্টি, এলডিপি, কল্যাণ পার্টিসহ জোটভুক্ত দলগুলোর নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে দফায় দফায় প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৬ উপজেলার ১১টি সংসদীয় আসন থেকেই জোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা জনসভায় যোগ দেবেন বলে জানা গেছে। জনসভাস্থল ও নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে ২২৬টি মাইক স্থাপন এবং নগরীর ৬টি স্থানে বড় পর্দায় খালেদা জিয়াসহ নেতাদের বক্তব্য সরাসরি দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদিকে জনসভাকে ঘিরে এরই মধ্যে পুরো নগরী এবং মহাসড়কের পাশে খালেদা জিয়া, জিয়াউর রহমান ও তারেক রহমানের ছবি সংবলিত ব্যানার-ফেস্টুন টানানো হয়েছে। সরেজমিন দেখা গেছে, ২০ দলীয় জোটের নেত্রীকে স্বাগত জানাতে নেতাকর্মীরা প্রস্তুত। শুভেচ্ছা আর অভিনন্দনের জোয়ারে ডিজিটাল ব্যানার-তোরণ, পোস্টার ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে কুমিল্লার জনপথ। জনসভাস্থলের চারপাশে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের ছবি সংবলিত ডিজিটাল ব্যানার-ফেস্টুনের যেন তিল ধারণের ঠাঁই নেই। খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানিয়ে তৈরি করা হয়েছে সহস্রাধিক তোরণ। বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সভাপতি বেগম রাবেয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে জনসভার কাজ শুরু হবে বেলা ২টায়।
চাঁদপুর প্রতিনিধি জানান, কুমিল্লায় খালেদা জিয়ার আজকের জনসভায় চাঁদপুর বিএনপির নেতাকর্মীরা যোগ দিচ্ছেন। জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হকের নেতৃত্বে একটি অংশ এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের নেতৃত্বে অপর একটি অংশ জনসভায় যোগ দেবে বলে জানা গেছে। এছাড়া চাঁদপুরের তেরো জন নেতা যারা কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য তারা সবাই আলাদা হয়ে জনসভায় অংশ নেবেন। সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহছানুল হক মিলন, নূরুল হুদা, সাবেক এমপি এমএ মতিন, লায়ন হারুনুর রশিদ, জিএম ফজলুল হক, মোতাহার হোসেন পাটোয়ারী, ড. জালাল উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে আলাদা হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা জনসভায় যোগ দেবেন।
জনসভায় বাধা দেয়ার অভিযোগ : আজ অনুষ্ঠিত কুমিল্লায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জনসভায় বাধা দেয়ার অভিযোগ করেছে দলটি। শুক্রবার নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এ অভিযোগ করে বলেন, শনিবারের জনসমাবেশকে সামনে রেখে সরকার নানা অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। জেলা নেতারা আমাদের জানিয়েছেন, দাউদকান্দি ও চান্দিনাসহ বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় প্রশাসন বিএনপির নেতাকর্মীদের ভীতি প্রদর্শন করছে। পোস্টার-ব্যানার ছিঁড়ে ফেলছে, তোরণ নির্মাণে বাধা দিচ্ছে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রমাণ করুন এতিমদের টাকা মেরে খাননি
শুক্রবার রাতে গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী জানান, সার্ক সম্মেলন সফল হয়েছে। দুর্নীতির কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার বিরুদ্ধেও মামলা দেয়া হয়েছিল। আমিতো পালিয়ে বেড়াইনি। আমি জোর করে বিদেশ থেকে দেশে এসে তা মোকাবেলা করেছি। কারণ আমার মধ্যে সৎ সাহস ছিল। আমার কিছু করতে পারবে না সে বিশ্বাস ছিল। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক, বিএনপি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমাদের বিরুদ্ধে করা দুর্নীতির অভিযোগ তন্ন তন্ন করে খুঁজেও কিছু পায়নি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি একটা থিউরি বুঝি, দরিদ্র মানুষকে ভাত খাওয়াতে হবে, মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে হবে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করব। জীবন মানের উন্নয়ন করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেপালে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) সম্মেলন শেষে শুক্রবার দেশে ফিরেছেন।
প্রধানমন্ত্রী হবিগঞ্জ যাচ্ছেন আজ : হবিগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ শনিবার হবিগঞ্জ সফরে আসছেন। ১৪ বছর পর তিনি জেলা সদরে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বক্তৃতা করবেন। এর আগে সর্বশেষ তিনি ২০০০ সালে জেলা সদরে আসেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নিউফিল্ডে জনসভাস্থলসহ উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে।
পুরো জেলাকে সাজানো হয়েছে অপরূপ সাজে। ফুটপাত থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে অবৈধ স্থাপনা। প্রিয় নেত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বাহারি রঙের ব্যানার, ফেস্টুন আর তোরণে ভরে গেছে সর্বত্র। জনসভাস্থলে চলছে মঞ্চ তৈরির কাজ। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে জেলার সর্বত্র নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে ৪ স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। জেলা শহরে মোতায়েন হয়েছে সেনাবাহিনী। জনসভাস্থল ও এর আশপাশের এলাকাসহ জেলা সদরের অধিকাংশ স্থান সিসি টিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। নিরাপত্তার বিষয়ে পুলিশ সুপার জয়দেব কুমার ভদ্র জানান, জেলাব্যাপী নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে। জেলা শহরে নিরাপত্তার দায়িত্বে ১ হাজার ২শ পুলিশ সার্বক্ষণিক কাজ করছে। স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে আরও ১৫০ জন। শুক্রবার জনসভাস্থলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সংসদ সদস্য মো. আবু জাহির জনসভা সফল করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফর উপলক্ষে জেলার প্রবেশদ্বার মাধবপুর থেকেই তাকে স্বাগত জানিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে তোরণ। প্রায় দেড় হাজার তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। শুধু জেলা শহরেই প্রায় ৩ শতাধিক তোরণ তৈরি হয়েছে। জনসভাস্থল নিউফিল্ড চূড়ান্তরূপে প্রস্তুত করা হয়েছে। শহরের সবগুলো স্থাপনা রং বেরঙের সাজে সাজানো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নবীগঞ্জ উপজেলার বিবিয়ানা গ্যাস সম্প্রসারণ প্রকল্প, বিবিয়ানা-ধনুয়া ৩৬ ইঞ্চি বিশিষ্ট উচ্চ চাপ গ্যাস পাইপ সঞ্চালন লাইন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক হতে বিবিয়ানা পাওয়ার প্ল্যান্ট সংযোগ সড়ক, শায়েস্তাগঞ্জ, বানিয়াচং ও নবীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন, হবিগঞ্জ আধুনিক স্টেডিয়াম, ডায়বেটিক হাসপাতাল, নার্সিং ইন্সটিটিউট, জেলা পরিষদ অডিটরিয়াম, শিল্পকলা একাডেমি ভবন, হবিগঞ্জ, আলেয়া-জাহির কলেজ, আনসার ও ভিডিপির জেলা কমান্ডেন্টের অফিস, হবিগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ উন্নয়ন কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। এছাড়া ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন শাহজীবাজার ৩৩০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল প্ল্যান্ট, বিবিয়ানা দক্ষিণ ও বিবিয়ানা উত্তর নামে ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট, বিজনা ব্রিজ, নবীগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ও আজমিরীগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের।
এদিকে শায়েস্তাগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ ঐতিহ্যবাহী থানা। এ থানা শহরকে বলা হয় জেলার প্রাণকেন্দ্র। গুরুত্বের গভীরতা বাড়াতে কেউবা বলেন শায়েস্তাগঞ্জ হবিগঞ্জ জেলার নাভি। সড়ক আর রেলপথের কারণে শায়েস্তাগঞ্জ শহরটি সুদীর্ঘকাল থেকেই সিলেট বিভাগের প্রবেশদ্বার, সিংহদ্বার হিসেবে খ্যাত। শায়েস্তাগঞ্জকে উপজেলা ঘোষণার দাবিকে বাস্তবায়িত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে সর্বদলীয় ছাত্র-যুবপরিষদ, শায়েস্তাগঞ্জ প্রেস ক্লাব, শায়েস্তাগঞ্জ উন্নয়ন ফোরাম, শায়েস্তাগঞ্জ উন্নয়ন পরিষদ, সর্বদলীয় ছাত্র যুব সংগ্রাম পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন। আজ তারা সেই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায়, যে ক্ষণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শায়েস্তাগঞ্জবাসীকে উপজেলাবাসী হিসেবে ঘোষণা দেবেন। জাতির জনকের পদধূলি ধন্য শায়েস্তাগঞ্জবাসীকে গর্বিত করবেন।
উপজেলা করার দীর্ঘদিনের দাবিকে বাস্তবে রূপান্তরিত করতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শায়েস্তাগঞ্জ প্রেস ক্লাব। শুক্রবার সকাল ১০টায় শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পার্কিং এরিয়ায় মানববন্ধন সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক জনতা অংশগ্রহণ করে। এসময় উপস্থিত জনতা আর কোনো দাবি নাই শায়েস্তাগঞ্জকে উপজেলা চাই স্লোগানে মুখরিত করে তোলে মানববন্ধন কর্মসূচি।
প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. আবদুর রকিবের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হারুন সাইয়ের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির সৈকত, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ছালেক মিয়া, সহকারী অধ্যাপক ফিরোজুল ইসলাম চৌধুরী, নুরুল ইসলাম তালুকদার, মুক্তিযুদ্ধা প্রাণেশ দত্ত, শফিকুর রহমান, বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান কাউন্সিলর, জাতীয় পার্টি নেতা মুশাহিদুর রহমান জাহেদ, মাওলানা আবদুর শহিদ, প্রভাষক জালাল উদ্দিন রুমি সাংবাদিক কামরুজ্জামান আল রিয়াদ।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজশাহীতে এমপি লীগের দাপটে অসহায় আলীগ
রাজশাহী অঞ্চলের কয়েকটি উপজেলার নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এমপিদের দাপটে দলের পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতাকর্মীরা থাকছেন উপেক্ষিত। তারা বঞ্চিত হচ্ছেন কাক্সিক্ষত পদ থেকে। তাদের আশংকা- যেভাবে দলে নবাগত ও বহিরাগতরা গুরুত্বপূর্ণ পদ-পদবি দখল করছেন তাতে দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা আগামীতে দলে কোনো ভূমিকা রাখার সুযোগই পাবেন না। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দল।
খেঁঁজ নিয়ে জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী ও নওগাঁর কয়েকটি উপজেলায় আওয়ামী লীগের নীতি ও আদর্শের প্রতি উদাসীন বহিরাগতদের দাপটে রীতিমতো কোণঠাসা দলটির ত্যাগী নেতাকর্মীরা। তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষমতাসীন দলের এ দুর্দশার চিত্র এ অঞ্চলের প্রায় প্রতিটি জেলা-উপজেলায়।
৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য গোলাম রাব্বানী। আগে করতেন জাকের পার্টি। আওয়ামী লীগে যোগদানের আগে করতেন গণফোরাম। কিন্তু ১ নভেম্বরের কাউন্সিলে তিনি শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদটি দখলে নেন। কমিটির সাবেক সভাপতি লতিফ খান কাউন্সিলে প্রার্থী হওয়ারই সুযোগ পাননি। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সদস্যপদ গ্রহণের দুই বছর পূরণ না হলে কেউ সাংগঠনিক পদ গ্রহণের যোগ্য হবেন না। কিন্তু এরই মধ্যে গোলাম রাব্বানী উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ পদে চড়ে বসেছেন।
১৫ নভেম্বর রাজশাহীর বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও রাজশাহী-৬ আসনের এমপি শাহরিয়ার আলম। শাহরিয়ার আলম নিজের পথ পরিষ্কার করতে কাউন্সিলের আগের দিন তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আক্কাস আলীর ডান হাত উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তসিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করান। আক্কাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ থাকলেও বাঘায় দলীয় প্রভাব ধরে রাখতে তার বিকল্প নেতৃত্ব গড়ে ওঠেনি। কিন্তু আক্কাসের এখন দলে কোনো পদ নেই।
৫ নভেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে সভাপতি হয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদ। তিনি ২০০৮ সালের আগে বিএনপি করতেন। ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি। অভিযোগ রয়েছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে সাবেক বিএনপি নেতারাই জায়গা করে নিয়েছেন। ইউনিয়ন কমিটিগুলিতেও বিএনপি-জামায়াতের লোকেরা প্রধান্য পেয়েছেন।
রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়েছেন। ২০০৮ সালে নির্বাচনের আগে তিনি আওয়ামী লীগে আসেন। ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের পরিবারের সদস্যরা কেউ বিএনপি করতেন, কেউবা জামায়াত। তারাও এখন আওয়ামী লীগ নেতা। উপজেলার সর্বত্রই তাদের প্রভাব। বাগমারার সাবেক কমিটির এক নেতা বলেন, নবাগত আর বহিরাগতদের দাপটে তারা বর্তমানে ঘরছাড়া।
রাজশাহী-৫ আসনের ক্ষমতাসীন দলের এমপি আবদুল ওয়াদুদ দারা বর্তমানে পুঠিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। এমপি হয়েই দলের প্রবীণ আর ত্যাগী নেতাকর্মীদের দূরে সরিয়ে দেন তিনি। পুঠিয়া ও দুর্গাপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত রাজশাহী-৫ আসনের এই দুই উপজেলা আওয়ামী লীগ বর্তমানে এমপি লীগ আর আওয়ামী লীগে বিভক্ত। এমপি দারার সমর্থকরাই উপজেলা ও পৌর কমিটিগুলোতে জায়গা করে নিয়েছে।
নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রানীনগর) আসনের এমপি ইস্রাফিল আলমও তার আসনের দুই উপজেলা কমিটিতে বহিরাগত ও নবাগতদের ঠাঁই দিয়েছেন। আত্রাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফসার আলী অলিখিতভাবে উপজেলা আওয়ামী লীগের সর্বময় হর্তাকর্তা। স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, আফসার আগে বিএনপি করলেও এখন এমপি ইস্রাফিল আলমের ডান হাত। এমপির সব স্বার্থই তিনি এককভাবে কুক্ষিগত করেছেন। আফসার আত্রাইয়ের অলিখিত এমপি।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জানান, রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁসহ ওই অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা মিলে ৪৫টি সাংগঠনিক ইউনিটের কাউন্সিল শুরু হয় ১৮ অক্টোবর। ধারাবাহিকভাবে এসব ইউনিটের কাউন্সিল শেষ হবে ১০ ডিসেম্বর। সারা দেশের কমিটিগুলো পুনর্গঠনকে কেন্দ্র করে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে ১০টি টিমে ভাগ করা হয়। রাজশাহী বিভাগের জেলা ও উপজেলা গুলোকে টিম-২ এর আওতাভুক্ত করে কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। টিম-২ এর নেতৃত্বে রয়েছেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ মাহমুদ আল স্বপন। তিনি বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা কাউন্সিলে উপস্থিত থেকে নতুন কমিটি গঠন করছেন। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে এমপিদের মতামতের বাইরে তিনি কোনো ভূমিকা রাখতে পারছেন না।
এদিকে আগামী ৬ ডিসেম্বর রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের আসন্ন কাউন্সিলেও এমপিরা শীর্ষ পদগুলো দখলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন বলে জানা গেছে। দলীয় নেতাকর্মীরা জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে ত্যাগী ও অপেক্ষাকৃত সৎ নেতৃত্ব নির্বাচনে মানসিক প্রস্তুতি নিলেও অর্থের ছড়াছড়ি ও কাউন্সিলারদের প্রভাবিত করার কাজও চলছে পাশাপাশি।
আগামী ৯ ডিসেম্বর নওগাঁ, ১০ ডিসেম্বর বগুড়া, ৬ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জ, ৩০ নভেম্বর নাটোর ও ৭ ডিসেম্বর চঁাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের দিন নির্ধারিত আছে। এসব জেলাতেও এমপিরাই জেলা কমিটির শীর্ষ পদগুলো দখলে সামগ্রিক তৎপরতা শুরু করেছেন।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৫০ বিদেশীর লেনদেনের তথ্য খুঁজছে গোয়েন্দারা
বিএফআইইউর উপ-প্রধান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মাহফুজুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বিভিন্ন দেশের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি রয়েছে। এছাড়া আমরা (বিএফআইইউ) এগমন্ট গ্র“পেরও সদস্য। এদের সঙ্গে আমরা নিয়মিত তথ্য আদান-প্রদান করি। এর অংশ হিসেবেই বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া হচ্ছে।
সর্বশেষ ১০ নভেম্বর বিএফআইইউ ব্যাংকগুলোতে চিঠি পাঠিয়ে বাহরাইনের তিন নাগরিকের হিসাবের তথ্য চেয়েছে। তারা হলেন- এসাম ইউসুফ জাহানী, ইমাদ ওমর আলনেসনাস ও ওমাইমা ওথমান আলমাহমুদ। তাদের পাসপোর্ট নম্বর ও জন্মস্থানও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে ৫ নভেম্বর শিনিচি মিতাতে নামের এক জাপানি নাগরিকের তথ্য চাওয়া হয় ব্যাংকগুলোর কাছে, যার পাসপোর্ট নম্বর টিএইচ ৯৪৭০৪৭৬, জন্মতারিখ ১৯৭৯ সালের ১৬ মার্চ। দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাসরত বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী ৩ জন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার পাসপোর্টধারী দুজনের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে ১৮ আগস্ট ব্যাংকগুলোতে চিঠি পাঠায় বিএফআইইউ। তার আগে জুন মাসে চাওয়া হয় কাজাকস্তানের প্রতিষ্ঠান জর্জেন হাউজ-এর হিসাবের তথ্য। ওই চিঠিতেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফাস্টিন ট্যুরিজম, অস্ট্রিয়ার মেরিডিয়ান জেট ম্যানেজমেন্ট, রাশিয়ার এমএস গ্র“প ইনভেস্টমেন্ট নামের তিন প্রতিষ্ঠানের হিসাব বা লেনদেনের তথ্য আছে কিনা জানতে চাওয়া হয় ব্যাংকগুলোর কাছে। এছাড়া উজবেকিস্তান, ইসরাইল, থাইল্যান্ড ও রাশিয়ার কয়েকজন নাগরিকের বিষয়েও তথ্য চান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দারা।
বিএফআইইউর কর্মকর্তারা জানান, জুনের ওই চিঠিতে যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তথ্য চাওয়া হয়েছে তারা আন্তর্জাতিক অপরাধী চক্র ব্রাদার্স সার্কেল-এর সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র ২০১১ সালে এই চক্রকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের সব ধরনের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, সাবেক সোভিয়েত রাষ্ট্রগুলোতে উৎপত্তি হলেও এই চক্র সারা বিশ্বেই মাদক পাচারসহ আর্থিক খাতের নানা অপরাধের জাল বিছিয়েছে। এর আগে গত বছরের শেষদিকেও ব্রাদার্স সার্কেলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন সন্দেহভাজন ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশে চিঠি দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। একই ধরনের অনুরোধে চলতি বছর ৩ এপ্রিল এক চিঠিতে ইউক্রেনের ৩৩ জনের তালিকা পাঠিয়ে তথ্য চায় বিএফআইইউ। ১০ এপ্রিল আর্জেন্টিনার ২১ নাগরিকের আর্থিক লেনদেনের তথ্য চাওয়া হয়।
জানুয়ারিতে এক চিঠিতে বিভিন্ন দেশের ৪২ জনের নাম উল্লেখ করে চিঠি পাঠায় বিএফআইইউ। এদের মধ্যে ২৬ জন মূল সন্দেহভাজন। বাকিরা তদের স্ত্রী বা সন্তান। ভারত, ফিলিপিন্স ও যুক্তরাজ্যের কয়েকজন নাগরিকের ব্যাংক হিসাবের তথ্যও চাওয়া হয়েছে চলতি বছর। এছাড়া গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর ব্যাংকগুলোতে চিঠি পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টধারী দুই বাংলাদেশী নাগরিকের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া হয়।
বিএফআইইউর মাহফুজুর রহমান বলছেন, মুদ্রা পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে করা আন্তর্জাতিক চুক্তি ও দেশের আইনের বিধি মেনেই তারা ব্যাংক হিসাবের তথ্য সংগ্রহ বা বিনিময় করেন। তবে এসব সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো হিসাব বা লেনদেনের খোঁজ পাওয়া গেছে কিনা, সে বিষয়ে কিছু বলেননি তিনি। ২০০২ সালের জুনে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি বিভাগ হিসাবে যাত্রা শুরু করে বিএফআইইউ। সে সময় এর নাম ছিল এন্টি মানি লন্ডারিং ডিপার্টমেন্ট। এর দশ বছর পর ২০১২ সালের ২৫ জানুয়ারি এই বিভাগকে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে রূপান্তর করা হয়।
২০১৩ সালের জুলাইয়ে বিএফআইইউ আর্থিক গোয়েন্দা কার্যক্রমের আন্তর্জাতিক সংগঠন এগমন্ট গ্রুপের সদস্য হয়। বিশ্বের ১৪০টি দেশ এই সংগঠনের সদস্য। এর বাইরেও ২০টি দেশের সঙ্গে আর্থিক তথ্য আদান-প্রদানের দ্বিপক্ষীয় চুক্তি আছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দ. এশিয়ার উন্নয়নে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুদৃঢ় করতে হবে

শমসের মবিন চৌধুরী বলেন, ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠক দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গড়া সম্পর্ক ভবিষ্যতে কিভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা- সার্কে ভূমিকা রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সাধুবাদ জানিয়ে খালেদা জিয়া আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া জোরদারে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
এদিকে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে খালেদা জিয়া ও দেশাইয়ের মধ্যে কিছু সময় একান্ত আলোচনা হয়েছে বলে গুঞ্জন ওঠে। গুলশান কার্যালয়ের কয়েকটি সূত্র সাংবাদিকদের এমন তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করেন। বৈঠকে উপস্থিত শমসের মবিন চৌধুরীর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমন কোনো বৈঠক হয়নি। ঘণ্টাখানেকের বৈঠকে তারা সবাই উপস্থিত ছিলেন।
তবে বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র জানায়, বৈঠকের শেষ পর্যায়ে খালেদা জিয়া ও নিশা দেশাই কয়েক মিনিট একান্তে আলোচনা করেন। তবে তারা সবাই সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ওয়ান টু ওয়ান কোনো বৈঠক হয়নি।
বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা রিয়াজ রহমান, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা উপস্থিত ছিলেন।
বিপসট পরিদর্শন : গাজীপুর প্রতিনিধি জানান, রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং (বিপসট) পরিদর্শন করেছেন নিশা দেশাই বিসওয়াল। তিনি শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে বিপসটে এসে পৌঁছলে ইন্সটিটিউটের কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল মাকসুদুর রহমান তাকে স্বাগত জানান। বিপসট পৌঁছে ইন্সটিটিউট প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন ও বিপসটের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। পরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বিষয়ে বিপসটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা।
নিশা দেশাই শান্তিরক্ষী মিশনে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রশংসা করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সারা পৃথিবীর শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশ জাতিসংঘ মিশনে সবচেয়ে বড় অংশগ্রহণকারী দেশ। এ কারণে শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ নেতার স্থানে রয়েছে। শান্তিরক্ষা মিশনের কাজে যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে বলে তিনি জানান।
কূটনৈতিক রিপোর্টার জানান, আজ বিকালে নিশা দেশাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন। এর আগে সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকের সঙ্গে বৈঠক করবেন। ঢাকা ত্যাগের আগে তিনি বাংলাদেশ সফর সম্পর্কে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মীর কাসেম আলীর গ্রামে জামায়াতের গোপন বৈঠক
একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে নানা শংকা প্রকাশ করা হয়েছে। বিষয়টি গত সপ্তাহে তারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কেও জানিয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসলামিক ট্রাস্ট ভবনে অনুষ্ঠিত একাধিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের জেলা আমীর মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন, সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন, ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মীর নাসির আলী, সেক্রেটারি এসএম রইস উদ্দিন, ট্রাস্টের পরিচালক (প্রকল্প) মাওলানা হাতেম আলী, ডা. আলী আহমদ, হরিরামপুর থানা জামায়াতের আমীর মাওলানা আফজাল হোসাইন এবং হরিরামপুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবুল হাশেম মোল্লাসহ স্থানীয় নেতারা। মীর কাসেম আলীর বাবার বাড়ি হরিরামপুরের সুতালড়ি এলাকায়। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ১৯৭৯ সালে আন্ধারমানিক এলাকায় ২৮০ শতক জমির ওপর ইসলামিক ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে শুরু থেকে মীর কাসেম আলী ট্রাস্টের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালে ট্রাস্টের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন মীর নাসির আলী। ২০১০ সালে ট্রাস্টটি জয়েন্ট স্টকে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করলেও এখন পর্যন্ত ট্রাস্টটি নিবন্ধন পায়নি।
এ ট্রাস্টের অধীনে ২৮টি আদর্শ মক্তব ও মাদ্রাসা রয়েছে, যেখানে মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৭৫০ জন। ট্রাস্টের অধীনে একটি দাতব্য চিকিৎসালয়ও রয়েছে। যেখানে ১০ টাকা ফি নিয়ে হোমিও চিকিৎসা দেয়া হয়। ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন থেকে প্রতি বছর দাতব্য চিকিৎসা খাতে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং মক্তব বা মাদ্রাসার জন্য ৪ লাখ টাকা অনুদান দেয়া হয়।
দুই পৃষ্ঠার গোয়েন্দা প্রতিবেদনে মন্তব্যের কলামে বলা হয়, ইসলামিক ট্রাস্টটি হরিরামপুর থানার কাছে হওয়া সত্ত্বেও স্থানীয় পুলিশ এর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত নয়, যা মোটেই কাম্য নয়। প্রতিবেদনে তিন দফা সুপারিশে বেশ কিছু দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য নেয়ার জন্য যুগান্তরের স্থানীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ট্রাস্টের কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে হরিরামপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আবুল বাশার সবুজ জানান, স্থানীয় জামায়াত নেতা হাতেম আলীকে পুলিশ সম্প্রতি গ্রেফতার করেছে। এরপর থেকে ইসলামিক ট্রাস্ট ভবনে গোপন বৈঠক বন্ধ হয়ে গেছে। বাকিরা আত্মগোপনে রয়েছেন।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নামসর্বস্ব ২৯ সমিতির নামে ২৬৭ বিঘা সরকারি জমি

সূত্র মতে, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কথা বলে বিঘাপ্রতি মাত্র ১৬ লাখ টাকা দরে সমবায় সমিতিগুলোকে বরাদ্দ প্রদান শুরু করে তৎকালীন গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। পরে ২০ লাখ টাকা বিঘা দরে কয়েকটি সমিতিকে বরাদ্দ দেয়। অথচ সে সময় সাবরেজিস্ট্রি অফিস নির্ধারিত জমির মূল্য (বাজারদর) ছিল প্রতি বিঘা ৬০ লাখ টাকা। এ হারে ১৯৯২ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ২৪০ দশমিক ১০১১ বিঘা জমি লিজ বরাদ্দ দেয়া হয় বিভিন্ন সমবায় সমিতিকে। ২০০১ সালে ২৬ দশমিক ৬৬ বিঘা জমি লিজ বরাদ্দ দেয়া হয় কয়েকটি সমবায়কে। দলিলে এসব জমির মূল্য ধরা হয় বিঘাপ্রতি ২ কোটি টাকা, যা ওই সময়ের বাজারদরের চেয়ে অনেক কম। তৎকালীন সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অসদুদ্দেশ্য হাসিল, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিস্বার্থ এবং সমিতির নামে সরকারি জমি স্থানীয় প্রভাবশালীদের দিয়ে দেয়াই লিজ বরাদ্দের উদ্দেশ্য ছিল বলে জানায় সূত্র।
সূত্র আরও জানায়, সরকারি জমির জন্য আবেদনকারী সমিতিগুলোর অধিকাংশই ছিল নামসর্বস্ব। শুধু সরকারি জমি গ্রাস করার লক্ষ্যেই এগুলোর জন্ম। কোনো যাচাই-বাছাই কিংবা মানদণ্ড বিচার না করেই গণহারে দেয়া হয়েছে লিজ বরাদ্দ। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত, নিু আয়ের মানুষ এগুলোর কোনো কার্যক্রমেই নেই। সমিতির কার্যকরী কমিটিতে দরিদ্র, নিু আয়ের ব্যক্তিদের রাখা হলেও প্রকৃত পরিচয় গোপন করে সদস্য হিসেবে রয়েছেন রাজনীতিক, পেশাজীবী নেতা, স্থানীয় প্রভাবশালী ও বিত্তবানরা। দলিলে এক ধরনের মূল্য উল্লেখ করা হলেও প্রকৃত লেনদেন হয়েছে অনেক বেশি অর্থ।
২০০৮ সালে গুরুতর অপরাধ ও দুর্নীতি দমন সংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটি (এনসিসি) এবং দুদক কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে পরিচালিত টাস্কফোর্সের অনুসন্ধানে সরকারি জমি হরিলুটের এ বিষয়টি বেরিয়ে আসে। দুদকের একজন সহকারী পরিচালকের নেতৃত্বে গঠিত চার সদস্যের এ টাস্কফোর্সে ছিলেন মেজর মাসুম এবং সহকারী পুলিশ সুপার মুনির।
টাস্কফোর্সের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, ১৯৯২ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বিধিবহির্ভূতভাবে, নামমাত্র মূল্যে অন্তত ২৯টি সমবায় সমিতিকে সরকারি জমি লিজ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সমিতিগুলো হচ্ছে- মোহাম্মদীয়া মার্কেট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লি. (২০.০৫ কাঠা), রূপনগর গভ. হাউজিং এস্টেট বহুমুখী সমবায় সমিতি লি. (০.৭৬ বিঘা), মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার কল্যাণ সমিতি (১৬ একর), পল্লবী থানা মুক্তিযোদ্ধা বহুমুখী সমবায় সমিতি লি. (৯০৩.৫৫ বর্গগজ), ঝালাই ও কর্মকার বহুমুখী সমবায় সমিতি লি. (৫ কাঠা), কুমিল্লা সমবায় সমিতি (৩১৬ বর্গগজ), বৃহত্তম ময়মনসিংহ সমিতি লি. (৫ কাঠা), রূপসী বাংলা সমবায় সমিতি (২ একর), যমুনা বহুমুখী সমবায় সমিতি (৫ একর), মুক্ত বাংলা বহুমুখী কো-অপারেটিভ সোসাইটি লি. (২৯৮৯.২২ বর্গগজ), রূপনগর ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লি. (২.৫০ বিঘা), মুসলিম বাজার বহুমুখী সমবায় সমিতি লি. (৫.১৭ বিঘা), গরীবে নেওয়াজ বহুমুখী সমবায় সমিতি লি. (১.৩০ একর), ঢাকা সাংবাদিক সমিতি লি. (৭ একর), নিউ ঢাকা বহুমুখী সমবায় সমিতি লি. (১.১৭ একর), সেক্রেটারি ১নং মুক্তিযোদ্ধা বহুমুখী সমবায় সমিতি লি. (৫.২১ কাঠা), ছিন্নমূল বণিক সমবায় সমিতি লি. (১১৩৯.৫৫ বর্গগজ), রজনীগন্ধা বহুমুখী সমবায় সমিতি লি. (২ বিঘা), আমানত বহুমুখী সমবায় সমিতি লি. (৩.১৩ একর), উত্তরণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লি. ৩.১৩ একর), রূপসী বাংলা সমবায় সমিতি লি. (৪.০০ একর), মিরপুর ভাই ভাই ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি (৯০৩.৫৫ বর্গগজ), কামাল আহমেদ মজুমদার স্কুল অ্যান্ড কলেজ (৪৭.৭৬ কাঠা), সোনার বাংলা বহুমুখী সমবায় সমিতি লি. (৬৬৬৬.৬৬ বর্গগজ), রূপনগর মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবার পুনর্বাসন বহুমুখী সমবায় সমিতি লি. (৩২০৯.৪৪ বর্গগজ), পল্লবী থানা মহিলা পুনর্বাসন বহুমুখী সমবায় সমিতি লি. (৯০৩.৫৫ বর্গগজ), মিরপুর ৪নং ওয়ার্ড মৎস্য ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতি লি. (৪২৯৮.৮১ বর্গগজ), চাকুরিজীবী সিরাজগঞ্জ বহুমুখী সমবায় সমিতি লি. (১.৬৫ একর) এবং গৃহসংস্থা পরিদপ্তর কল্যাণ সমিতি লি. (১৫৯৯.৩০ বর্গগজ)। জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের তৎকালীন সহকারী কমিশনার (সেটেলমেন্ট) ইয়াকুব আলী পাটোয়ারী, সহকারী পরিচালক মমিন উল্লাহ পাটোয়ারী, উপপরিচালক আজহারুল হক এবং নূরুল আলমের স্বাক্ষরে এসব বরাদ্দ হয়।
মিরপুর এলাকার ঠিকানায় রেজিস্ট্রেশন নেয়া কয়েকটি সমিতি সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, তাদের বর্তমানে তেমন কার্যক্রম নেই। বরং সমিতির নামে পাওয়া প্রাতিষ্ঠানিক প্লটের বাণিজ্যিক ব্যবহার, অর্থ লোপাট ও সদস্যদের শোষণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কয়েক হাত বদল হয়ে এগুলোতে গড়ে উঠেছে বাসাবাড়ি, বাণিজ্যিক স্থাপনা।
সরকারি প্লট বরাদ্দ পাওয়া ‘রূপনগর গভ. হাউজিং এস্টেট সমিতি’ পরিদর্শনে দেখা যায়, রূপনগর আবাসিক এলাকার রোড নং-৩০, প্লট নং-২৫ এর ঠিকানায় সমিতির কোনো অস্তিত্ব নেই। বরাদ্দ পাওয়া ০.৭৬ বিঘা জমির ওপর গড়ে উঠেছে ‘গৃহকোণ’ নামক চারতলা ভবন। মধ্যবয়স্কা বাসিন্দা আমেনা খাতুন জানালেন, বায়িং হাউস ব্যবসায়ী চট্টগ্রামের তৌহিদুল আলম ভবনের মালিক। তিনি তার স্ত্রী মহসিনা আলমকে হেবা করেছেন। তারই ভায়রা ভাই গোলাম মোস্তফা বাড়িটি দেখাশোনা করেন। ২৯ নম্বর রোডের পুরনো বাসিন্দা আবদুল লতিফ হাওলাদার ওরফে লতিফ মাস্টার বলেন, ‘এখানে রূপনগর গভ. হাউজিং এস্টেট বহুমুখী সমবায় সমিতি’ নামে কখনও কোনো সংগঠন ছিল না।
মিরপুর-এ সংলগ্ন রোড নম্বর ৬ ও ৮ নম্বরে ‘গরীবে নেওয়াজ বহুমুখী সমবায় সমিতি লি.’ পরিদর্শনে দেখা যায়, ১.৩০ একর জায়গাজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে অন্তত ৩০টি আবাসিক ভবন। ৬৪ জনের অধিকাংশই সদস্যপদ ৫ থেকে ৬০ লাখ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন। নেতৃত্ব নিয়ে রয়েছে বিরোধ। বর্তমান সভাপতি মহসিন খান ও সাধারণ সম্পাদক আবদুর রবের বিরুদ্ধে রয়েছে সরকারি এ সম্পত্তিকে পুঁজি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ। অধিকাংশ সদস্যের মতামত উপেক্ষা করে একটি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিও করেছেন তারা, যা বরাদ্দ শর্তের সুস্পষ্ট লংঘন। অপর অংশের নেতৃত্বে থাকা ফিরোজ অভিযোগ করেন, বর্তমান কমিটি অবৈধ। তারা গরিব সদস্যদের সহায়টুকু কৌশলে গ্রাস করতে চান।
প্লট বরাদ্দে আগে নিু আয়ের মানুষদের ২ টাকা ও ৫ টাকা চাঁদায় পরিচালিত হতো গরীবে নেওয়াজ সমবায় সমিতি লি.। কিন্তু বরাদ্দের পর অধিকাংশ সদস্যই সদস্যপদ উচ্চমূল্যে বিক্রি করে দেন। ৬৪ সদস্যের মধ্যে ৪০ সদস্যই নতুন। জমি হস্তান্তর অবৈধ হলেও তারা ২০ থেকে ৬০ লাখ টাকায় কিনেছেন সদস্যপদ।
মিরপুর পল্লবী প্রধান সড়কের পাশেই চোখে পড়ে ‘সোনার বাংলা বহুমুখী সমবায় সমিতি’র সাইনবোর্ড। একতলা ভবনের ওপর টিনশেড অফিস। লোহার সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতে গেলেই বোঝা যায়, এখানে জনমানুষের পা পড়েনি বহুদিন। দরজাটায় জং ধরা তালা। সাইনবোর্ডে রেজিস্টার্ড নম্বর (১৮৫/৯৬) সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের ফোন নম্বর দেয়া থাকলেও নম্বর দুটি অকেজো। বরাদ্দ পাওয়া জায়গায় দেখা মেলে লোহালক্কড়। বোঝা যায়, এখানে কিছু লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। কথা বলার মতো কাউকে পাওয়া যায়নি এ সমিতিতে।
রূপনগরে ১-এইচ/৩-৯ নম্বর প্লটটি বরাদ্দ দেয়া হয় ‘ঝালাই ও কর্মকার বহুমুখী সমবায় সমিতি লি.’কে। ৫ কাঠার এ প্লটটিতে স্থাপন করা হয়েছে কাঁচাবাজার। বর্তমান সভাপতি আক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আরমান খানের পুত্র মামুন। বাজারটির এক দোকানে সমিতির খুলে রাখা সাইনবোর্ড। তবে অফিসের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। রানা হোসেন নামে সমিতির এক সদস্য এগিয়ে এলেও তিনি কথা বলতে চাননি। জানালেন, সভাপতির সঙ্গে দুপুরে খাওয়া-দাওয়া করলেও তার কাছে আক্তার হোসেনের কোনো নম্বর নেই। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকদের কাউকে পাওয়া যায়নি।
রূপনগরের ৮৫/৮৬ নম্বর প্লটের ঠিকানায় অবস্থিত ‘রূপসী বাংলা বহুমুখী সমবায় সমিতি’কে ৪ একর জায়গা বরাদ্দ দিলেও এখন এ সমিতির কোনো অস্তিত্ব নেই। স্থানীয়রা জানান, বহু আগেই সমিতি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এমএস কামাল জানান, বরাদ্দ দেয়া জমির দখল তারা বুঝে পাননি। জমিটি এখন স্থানীয় সন্ত্রাসীদের দখলে।
দুদক সূত্র জানায়, প্যাডসর্বস্ব সমিতির নামে স্বল্পমূল্যে বরাদ্দ প্রদানকে ১৯৮৪ সালের সরকারি আদেশ ও ১৯৯৩ সালে প্রণীত ‘জাতীয় গৃহায়ন নীতিমালা পরিপন্থী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল গুরুতর অপরাধ ও দুর্নীতি দমন সংক্রান্ত টাস্কফোর্স। এসব লিজ বরাদ্দ বাতিল এবং আইনগত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশসহ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। পরবর্তীকালে কোনো সরকারই এ সুপারিশ বাস্তবায়ন করেনি। দুদকও এ নিয়ে আর এগোয়নি। তবে সম্প্রতি সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবিরসহ সংশ্লিষ্ট চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত করতে গিয়ে সমিতির নামে সরকারি জমি হরিলুটের বিষয়টি আবারও সামনে আসে।
সূত্র মতে, ২৯ সমবায় সমিতির নামে লিজ বরাদ্দ দেয়া ২৬৭ বিঘা সরকারি জমি মূলত হাতছাড়া হয়ে গেছে। সমিতির জন্য কোনো জমি অধিগ্রহণ কিংবা খাস জমি লিজ প্রদান করা হবে না- মর্মে সরকারি সিদ্ধান্ত থাকলেও ১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত সমিতির নামে জমি হাতিয়ে নেয়া হয়। এতে বরাদ্দকালীন হিসাব অনুযায়ী সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয় ১৩৭ কোটি টাকা। বর্তমান হিসেবে যা ৫শ’ কোটি টাকারও বেশি। ১৭টি শর্তে বরাদ্দ দেয়া এসব প্লটের বর্তমান ব্যবহারকারীরা শর্ত ভঙ্গ করলেও বাতিল হয়নি কোনো বরাদ্দ।
রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠনের বিষয়ে দুদক কি পদক্ষেপ নিয়েছে- জানতে চাইলে কমিশনার (তদন্ত) মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু যুগান্তরকে বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট হয়ে থাকলে দুদক এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে। যদি ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অবৈধ অর্থের লেনদেন হয়ে থাকে সেটি দুদকেরই সিডিউলভুক্ত অফেন্স। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু পেলে দুদক কাজ শুরু করবে।
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনের সুপারিশ সম্পর্কে জানতে চাইলে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, ‘অনেক অবৈধ কাজই পরে বৈধ হয়ে যায়। এ কারণে মন্ত্রণালয় চাইলেও এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পারেনি।’ তিনি বলেন, ‘১৯৯১ সালে ক্ষমতায় এসে বনানীতে মির্জা আব্বাসরা নিজের দলীয় এমপি-মন্ত্রী-ব্যবসায়ীদের অবৈধভাবে প্লট দিয়েছেন। আমরা সেগুলো স্টপ করলাম। পরে তারা আবার ক্ষমতায় এসে কলমের এক খোঁচায় বৈধ করে নিয়েছে। আমার কাছে বহু সমবায় সমিতি অনুরোধ করেছে বরাদ্দ চেয়ে। আমি কাউকে বরাদ্দ দেইনি। কারণ আমি জানি, অধিকাংশ সমিতিই ভুয়া।’ মন্ত্রী বলেন, ‘অন্যায়-দুর্নীতি-অনিয়মের তদন্ত হওয়া দরকার। সরকার তো একটি চলমান বিষয়। সরকার পরিবর্তন হলে সব পরিবর্তন হয়ে যাবে- এটি ঠিক নয়।’
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
November
(2026)
-
▼
Nov 29
(51)
- সড়ক দুর্ঘটনায় জগলুল আহমেদ চৌধুরীর ইন্তেকাল
- মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের চকবাজার শাখায় ক্লাস পা...
- মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের চকবাজার শাখায় ক্লাস পা...
- ‘নিশা দুই আনার মন্ত্রী’ -সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম
- সার্ক : অসীম যাত্রায় সসীম পদক্ষেপ by ড. দেলোয়ার হোসেন
- সার্ক তবু কোনোভাবে ইজ্জত-মর্যাদা ধরে রাখতে পারল by...
- সাধু সাবধান! by মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন
- কোন পরীক্ষাটি গুরুত্বপূর্ণ : বার কাউন্সিলের নাকি এ...
- বৈশ্বিক, আঞ্চলিক ও দেশীয় জঙ্গিবাদের স্বরূপ by তারে...
- ‘আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল নয়’ -বেগম খালে...
- সার্বজনীন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার তাগিদ মার্কিন সহকারী...
- ‘শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উপস্থিত না থাকলে কলেজ বন্ধ কর...
- ‘আ’লীগ ক্ষমতায় এলে দেশের মানুষ শান্তিতে বাস করে’ -...
- বহু রাত ভাল করে ঘুমোতে পারবো না: শন অ্যাবট
- মুসলিম বিশ্ব এক হও
- ফিলিস্তিন প্রশ্নে ফরাসি পার্লামেন্টে বিতর্ক ২ ডিসে...
- ব্রিটেনে অভিবাসন নীতিতে নতুন শর্ত
- রামপাল অভিযানে খরচ ৩০ কোটি
- নতুন নেতৃত্ব প্রত্যাশা
- আত্মসমর্পণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন সিলেটের মেয়র
- র্যাবের তদন্ত প্রতিবেদনে বাদীপক্ষের অসন্তোষ
- ২৩ হাজার বছরের পুরনো
- কুমিল্লায় খালেদা জিয়ার জনসভা আজ
- প্রমাণ করুন এতিমদের টাকা মেরে খাননি
- রাজশাহীতে এমপি লীগের দাপটে অসহায় আলীগ
- ১৫০ বিদেশীর লেনদেনের তথ্য খুঁজছে গোয়েন্দারা
- দ. এশিয়ার উন্নয়নে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুদৃঢ় করতে...
- মীর কাসেম আলীর গ্রামে জামায়াতের গোপন বৈঠক
- নামসর্বস্ব ২৯ সমিতির নামে ২৬৭ বিঘা সরকারি জমি
- সততা
- পুলিশকে কলা ছুঁড়ে বিপত্তি...
- গ্রান্ড জুরির রায় অবিশ্বাস্য হৃদয়বিদারক : ব্রাউনের মা
- ছাত্রলীগকে ঘিরে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘাতের আশঙ্...
- ২০২১ সালের আগেই মধ্যম আয়ের দেশ -প্রধানমন্ত্রী
- সামনে বিকল্প নেই খালেদার by সাজেদুল হক
- দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্যের ডাক -নাগরিক ঐক্যের...
- শিমুর আত্মহত্যা চেষ্টার নেপথ্যে by আল আমিন
- নির্বাচন কবে জানতে চাইলেন নিশা দেশাই
- নতুন স্বপ্ন, নতুন বিশ্ব গড়ে দেবে সামাজিক ব্যবসা -ম...
- সংঘর্ষের জন্য শাবি প্রশাসনকে দায়ী করলেন সিনিয়র শিক...
- কক্ষপথেই বাংলাদেশ
- ইসলামের সঙ্গে সেতুবন্ধন তৈরিতে তুরস্কে প্রথম সফরে পোপ
- মর্গে বেঁচে উঠেই চা চাইলেন ‘মৃত’ নারী...
- সামুদ্রিক গ্যাস উত্তোলনে বিদেশীদের আকৃষ্ট করতে ব্য...
- সচিবালয়ের বাইরে যাচ্ছে সেবাধর্মী মন্ত্রণালয়গুলো
- ৫০০ কিলোমিটার গতিতে ছুটলো বুলেট ট্রেন
- মা ও ২ মেয়েকে পুড়িয়ে হত্যার দায় স্বীকার জাহাঙ্গীরের
- প্রতারণা এবং বর্বরতা by নাজিব মুবিন
- শীতের পোশাকের বাজারে ক্রেতা কম by মির্জা মাহমুদ
- ওয়াটার বাসে বছরে লোকসান ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা by মোল্...
- মেহজাবিনের নতুন...
-
▼
Nov 29
(51)
-
▼
November
(2026)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...