Sunday, October 24, 2010
রহস্য গল্প- 'আসল খুনি' সৌজন্যে কিশোরকন্ঠ
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আলোচনা- 'নজরুল গবেষক শাহাবুদ্দীন আহমদ' by শরীফ আবদুল গোফরান

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফিচার- 'মোরা বড় হতে চাই' by আহসান হাবীব ইমরোজ

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসলামী গল্প- 'সেনাপতির নির্দেশ' by কায়েস মাহমুদ

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসলামী গল্প- 'বয়ে যায় নিরন্তর' by কায়েস মাহমুদ

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসলামী গল্প- 'ভালোবাসার বিশাল' by আকাশ কায়েস মাহমুদ
প্রাণপ্রিয় রাসূল (সা) ছিলেন একেবারেই এতিম।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মানুষের সেবার জন্য ব্যবসাটা করি by সৈয়দা আখতার জাহান
কত দিন ধরে কফিন তৈরির কাজ করছেন?
‘প্রায় ১০ বছর হইব। আগে অন্যের দোকানে কাজ করতাম, কর্মচারী ছিলাম। পরে নিজেই দোকান দিছি। প্রথমে যখন চাকরিতে ঢুকি, আমার বেতন ছিল না। খালি থাকা-খাওয়া দিত। তিন মাস পর থেকে ১৫০০ টাকা বেতন দেওয়া শুরু করে।’
কফিন তৈরিতে আপনাকে আর কে সাহায্য করে?
‘আপা, এই দোকানের কফিনগুলো আমি নিজেই বানাই। দোকান কিননের পর ভাইকে লিইয়াইছি। এখন দুই ভাই মিলে দোকান চালাই।’
বিক্রি কেমন হয়?
‘ব্যাচাবিক্রি আপা ভালোই হয়। পাইকেরি প্রতিদিন ২০টি বিক্রি হয়। আর দোকান থেকে খুচরা বিক্রি হয় দিনে দুই থেকে তিনটা। আবার কোনো কোনো দিন বিক্রিই হয় না।’
কফিন ছাড়া আর কী কী আছে আপনার দোকানে?
‘আপা, আমার দোকানে ছয় ফুট ও সাড়ে ছয় ফুট—এই দুই সাইজের কফিন সব সময় পাওয়া যায়। এ ছাড়া অন্য সাইজের কফিন নিতে অর্ডার দিতে হয়। অর্ডার দিলে দুই-তিন ঘণ্টার মধ্যে তৈয়ার কইরা দেই। কফিন ছাড়াও কাফনের কাপড়, চা-পাতি, গোসলের নয়টা আইটেম, কর্পূর ও পলিথিন রাখি। কেউ লাশ বহনের গাড়ি চাইলে তারও ব্যবস্থা করন যায়। গাড়ি ভাড়া আইনা দেই।’
কফিনের দরদাম কেমন রাখেন?
‘আপা, পাইকেরি রেট ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা, আর খুচরা বেচলে ৮০০-১০০০ টাকায় বেচি। প্রতিটা কফিন তৈয়ার করতে আমার খরচ যায় ৬০০-৬৫০ টাকা।’
সংসারজীবনে কেমন আছেন?
‘আপা, আয়রোজগার যা করি, তাতে ভালোই আছি। আমার একটা ছেলে আছে, চার বছর বয়স। বউ-বাচ্চা বাড়িতে থাকে। আমি একটা মেসে থাকি। পুরো সংসার আমারই চালাইতে হয়। ভাইগুলো তো ছোট ছোট। তাই আছি বেঁচে। আল্লাহ ভালোই রাখছেন। আপা, যখন এই কফিনের দোকানে কাজে আসি, তখন কিছুই বুঝতাম না। না জাইনাই চইলা আইছি। এহন ঠিক করছি, এইটাই করব। মানুষের খেদমতের জন্যই এই ব্যবসা করি।’
তারপর মাহবুব ভাই...
‘গরিব মানুষ বইল্যা লেখাপড়া শিখতে পারি নাই। সংসারে অভাব ছিল, ভাইয়েরা ছোট ছিল, বাপের একার আয়ে সংসার চলত না—সব মিলায়া কাজে চইলা আসি। মনে করেন যে ১০ বছর ধইরা এই কাম করি তো, মায়া হইয়া গেছে।
তয়, ছেলেটারে লেখাপড়া শিখাইতে চাই। আল্লাহ ভালো রাখছেন। দোয়া কইরেন যেন ভালো থাকবার পারি।’
বেদনার সঙ্গে যুক্ত তাঁর কাজ। কিন্তু মানুষ বাঁচার জন্য এ রকম কাজ থেকেও সুখ পায়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের ‘মধ্যবর্তী নির্বাচন’ by আলী রীয়াজ
সিনেটের মোট ১০০ আসনের এক-তৃতীয়াংশ আসনে প্রতি দুই বছর পর পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সিনেটের মেয়াদ হলো ছয় বছর। এই মুহূর্তে সিনেটে ডেমোক্র্যাট সদস্যসংখ্যা ৫৭। এ ছাড়া দুজন নির্দলীয় প্রার্থী তাঁদের সঙ্গেই থাকেন—সব মিলিয়ে ৫৯ জন। অন্যদিকে রিপাবলিকান পার্টির সদস্যসংখ্যা ৪১ জন। এ বছর মোট ৩৭টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই আসনগুলোর ১৯টি এখন ডেমোক্র্যাটদের হাতে, আর ১৮টি আছে রিপাবলিকানদের হাতে। ডেমোক্র্যাটদের ১৯টি আসনের সাতটিতে তাঁদের প্রার্থীরা একেবারে নতুন, অর্থাৎ এসব আসনে যাঁরা এখন সিনেটর, তাঁরা হয় অবসর নিচ্ছেন কিংবা দলের প্রাথমিক নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন। অন্যদিকে রিপাবলিকানদের ১৮টি আসনের মধ্যে আটটিতে প্রার্থীরা নতুন। এখন পর্যন্ত জনমত জরিপ ও অন্যান্য বিশ্লেষণ থেকে দেখা যায়, রিপাবলিকান পার্টির ১৮টি আসনের কোনোটিতেই দলীয় প্রার্থীর পরাজয়ের কোনো আশঙ্কা নেই। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটদের আসনগুলোর মধ্যে কমপক্ষে সাতটিতে হাতবদল হতে পারে। এই সাতটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে ডেমোক্রেটিক পার্টির শীর্ষস্থানীয় নেতারা রয়েছেন, রয়েছেন দীর্ঘদিন ধরে টানা বিজয়ী সিনেটররা। সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হেরি রিড, যিনি নেভাডা অঙ্গরাজ্যে পুনর্নির্বাচনের প্রার্থী, এখন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মুখোমুখি। ইলিনয় অঙ্গরাজ্যে প্রেসিডেন্ট ওবামা যে আসন থেকে ২০০৪ সালে সিনেটর নির্বাচিত হয়েছিলেন, তা এই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা ধরে রাখতে পারবেন কি না, তা নিয়ে প্রবল সংশয় দেখা দিয়েছে। উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্রেটিকের প্রার্থী রাস ফাইনপোল্ড, উদার ও সাহসী ডেমোক্র্যাট হিসেবে যাঁর পরিচয় রয়েছে। তিনি এখন জনমত জরিপে পিছিয়ে আছেন। ডেমোক্র্যাটদের দুর্গ বলে পরিচিত ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে সিনেটর বারবারা বক্সার ১৯৯২ সাল থেকে সিনেটর। এই প্রথম তিনি বড় রকমের প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হয়েছেন হিউলেট প্যাকার্ড কোম্পানির সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কার্লি ফিওরিনার কাছ থেকে। এসব তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের ফলাফল শেষাবধি ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে এলেও তুলনামূলকভাবে স্বল্প পরিচিত কিছু ডেমোক্র্যাট সিনেটর বা পদপ্রার্থী যে পরাজিত হবেন, তা সহজেই বলা যায়। তবে আশার বিষয়, কোনো জরিপই এই ইঙ্গিত দেয় না যে সিনেটে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতে চলেছেন।
প্রতিনিধি পরিষদের মোট আসনসংখ্যা ৪৩৫টি। প্রতি দুই বছরে সবগুলো আসনেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এখন ডেমোক্র্যাটদের আসনসংখ্যা ২৫৫, অন্যদিকে রিপাবলিকানদের আসনসংখ্যা ১৭৮। দুটি আসন শূন্য রয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দরকার ২১৮ আসন। রিপাবলিকানদের লক্ষ্য হচ্ছে সেই সংখ্যায় পৌঁছানো। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতির যা ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, তাতে মনে হয় না রিপাবলিকানরা এই লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হবেন।
এবার দেশের ৩৭টি অঙ্গরাজ্যে গভর্নর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই ৩৭টি গভর্নর পদের ১৯টি এখন ডেমোক্র্যাটদের হাতে এবং ১৭টি রিপাবলিকানদের হাতে। সব মিলিয়ে দেশের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের ২৬টিতে ডেমোক্র্যাট গভর্নর এবং ২৪টিতে রিপাবলিকান। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, ২ নভেম্বরের পর ডেমোক্র্যাট গভর্নরের সংখ্যা বাড়ার বদলে কমেই যাবে।
সব মিলিয়ে নির্বাচনী পরিস্থিতি মোটেই ডেমোক্র্যাটদের অনুকূলে নয়। তবে এক হিসাবে ডেমোক্র্যাটদের জন্য প্রতিকূল পরিবেশ অপ্রত্যাশিত ঘটনা নয়। ১৯৩৮ সাল থেকে এ যাবৎ অনুষ্ঠিত ১৮টি মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলের দিকে তাকালে দেখা যাবে যে মাত্র দুটি ব্যতিক্রম ছাড়া সব সময়ই প্রেসিডেন্টের দল মধ্যবর্তী নির্বাচনে খারাপ ফলাফল করেছে। এই দুটি ব্যতিক্রম হলো প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের দ্বিতীয় মেয়াদের মধ্যবর্তী নির্বাচন (১৯৯৮ সাল) এবং প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের প্রথম মেয়াদের নির্বাচন (২০০২ সাল)। প্রেসিডেন্টদের প্রথম মেয়াদের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, জর্জ বুশ ছাড়া আর কোনো প্রেসিডেন্টই সাফল্য অর্জন করেননি। ২০০২ সালে জর্জ বুশের প্রেসিডেন্ট আমলে রিপাবলিকানদের সাফল্যের কারণ হিসেবে বিশ্লেষকেরা মনে করেন ‘সময়’। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর টুইন টাওয়ারে সন্ত্রাসী হামলা এবং আফগানিস্তানে যুদ্ধের কারণে মর্কিন নাগরিকেরা ক্ষমতার হাতবদলে উৎসাহী ছিলেন না। প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনের দ্বিতীয় মেয়াদের মধ্যবর্তী নির্বাচনে তাঁর দল ভালো করলেও প্রথম মেয়াদের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রতিনিধি সভায় ৫২টি আসন এবং সিনেটে আটটি আসন হারিয়ে সংখ্যালঘু দলে পরিণত হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর অন্য কোনো প্রেসিডেন্টের দল একই নির্বাচনে প্রতিনিধিসভায় এত আসন হারায়নি। শুধু তা-ই নয়, ১৯৯২ সালে ক্ষমতার এই হাতবদলের ঘটনা একটি বিরল ইতিহাস তৈরি করে। ১৯৪৬ সালে প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যানের সময় রিপাবলিকানরা দুই কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিলেন, ১৯৫৪ সালে আইজেন হাওয়ারের সময় ডেমোক্র্যাটরা দুই কক্ষেই বিজয়ী হয়েছিলেন। অর্থাৎ গত ৬৪ বছরে মাত্র তিনবার মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্টের দল প্রতিনিধি সভা ও সিনেটে একই সঙ্গে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়। যদিও জনমত জরিপগুলো সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের নয়টি আসন হারানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে না, অনেকে সে রকম আশঙ্কাকে একেবারে উড়িয়ে দিতেও রাজি নন।
ঐতিহাসিকভাবেই মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্টের দল খারাপ ফলাফল করে বলেই যে ডেমোক্র্যাটরা এখন পরাজয়ের মুখে, তা নয়। ২০০৮ সালে বারাক ওবামার নির্বাচনের পর রিপাবলিকান পার্টি যে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল, পার্টি তা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে বলেও এই পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে। অন্য আরেকটি তথ্যও মনে রাখা দরকার: ডেমোক্র্যাটরা ২০০৬ ও ২০০৮ সালে প্রতিনিধি সভার এমন সব আসনেও বিজয়ী হয়েছেন, যেগুলোতে তাঁদের দীর্ঘস্থায়ী সংগঠন ও সমর্থন নেই। এই নির্বাচনে ৪৭টি আসন রয়েছে, যেগুলো ডেমোক্র্যাটরা রক্ষার চেষ্টা করছেন, যেখানে ২০০৪ সালে বুশ ও ২০০৮ সালে ম্যাককেইন জয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে কেরি ও ওবামা জিতেছেন এমন ছয়টি এলাকা, যেখানে রিপাবলিকান প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য। কোনো কোনো বিশ্লেষক প্রেসিডেন্ট ওবামার জনপ্রিয়তা হ্রাসকেও ডেমোক্র্যাটদের আসন্ন পরাজয়ের কারণ বলে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু ইতিহাসের দিকে তাকালে এই দাবি হালে পানি পায় না। সেপ্টেম্বর মাসে প্রেসিডেন্ট ওবামার জনপ্রিয়তা ছিল ৪৫ শতাংশ। ১৯৯৪ সালে প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনের জনপ্রিয়তা ছিল ৪৫ শতাংশ, ১৯৮২ সালে প্রেসিডেন্ট রিগানের জনপ্রিয়তা ছিল ৪২ শতাংশ। প্রথম মেয়াদের ঠিক মাঝামাঝি সময়ে খুব জনপ্রিয় দুজন প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা থেকে প্রেসিডেন্ট ওবামার জনপ্রিয়তা মোটেই ভিন্ন কিছু নয়। এবং ওই দুই প্রেসিডেন্টের আমলেও তাঁর দল ভালো করেনি। ফলে ওবামা এদিক থেকে দলের জন্য অতিরিক্ত কোনো মাথাব্যথার কারণ নন; বরং সব প্রেসিডেন্টের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তার চেয়ে দেশের অর্থনীতি ফলাফলের বড় নিয়ামক। ২০১০ সালের নির্বাচনে সাধারণ জনগণ যে ডেমোক্র্যাটদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন, তার কারণ হলো বেকারত্ব, অর্থনৈতিক সংকট ও কংগ্রেসের সাফল্যে ঘাটতি। ২০০৬ সাল থেকে কংগ্রেসের দুই কক্ষ ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে, ফলে রিপাবলিকানরা এই প্রচারে সাফল্য পেয়েছেন যে এই অর্থনৈতিক সংকটের দায়ভার ডেমোক্র্যাটদের। যদিও জর্জ বুশের অনুসৃত অর্থনৈতিক নীতিমালা, বিশেষত উপর্যুপরি কর হ্রাস, দুটি যুদ্ধের ব্যয় এবং বাজেটে ভারসাম্য বিষয়ে কোনো উদ্যোগ না নেওয়াই সংকটের উৎস—ডেমোক্র্যাটরা তা যথাযথভাবে প্রচার করতে ব্যর্থ হয়েছেন। অর্থনৈতিক সংকট মোচনে সরকার যে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করেছে, ব্যাংক ও গাড়িশিল্প খাতে বিনিয়োগ করেছে, তাকে রিপাবলিকানরা অপচয় এবং সরকারের আকার বৃদ্ধির প্রমাণ বলে প্রচার চালিয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, ওবামা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া ঐতিহাসিক স্বাস্থ্যবিমা সংস্কারকে রিপাবলিকানরা কেবল সরকারের হস্তক্ষেপ বলেই হাজির করেননি, তাকে সাধারণ মানুষের স্বার্থবিরোধী বলেও চিহ্নিত করেছেন।
স্বাস্থ্যবিমা সংস্কারের এই ঐতিহাসিক ঘটনাকে ওবামা প্রশাসন ও ডেমোক্র্যাটরা যথাযথভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। কংগ্রেস থেকে এই সংস্কারের বিল পাস করতে গিয়ে তাঁদের অনুসৃত কৌশল দেশের উদারপন্থীদের হতাশ করেছে। ক্ষেত্রবিশেষে উদারপন্থীদের প্রতি অবমাননাসূচক মন্তব্য করেছেন প্রশাসনের প্রতিনিধিরা। উদারপন্থী ও নির্দলীয় ব্যক্তিরা ওবামার কাছ থেকে যা আশা করেছিলেন, সাফল্যের পরিমাণ তার তুলনায় কম। ব্যাংক খাতের সংস্কারের মতো বড় ঘটনাকেও ওবামা প্রশাসন ও ডেমোক্র্যাটরা সাধারণ মানুষের স্বার্থানুকূল পদক্ষেপ বলে প্রচার করতে পারেননি। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র যে ভূমিকা নেবে বলে উদারপন্থী ও নির্দলীয় ব্যক্তিরা আশা করেছিলেন, তার কোনো ইঙ্গিত ওবামা প্রশাসন এখনো দেখায়নি। গুয়ানতানামোর বন্দিশিবির বন্ধের প্রতিশ্রুতি থেকেই কেবল ওবামা প্রশাসন সরে আসেনি, তারা নির্যাতনের জন্য গত প্রশাসনের কারও বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়নি। বুশ প্রশাসনের অনেক কার্যক্রম এখনো বহাল রয়েছে। এসব হতাশার কারণে উদার ডেমোক্র্যাটরা এখন আর উৎসাহের সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে হাজির হবেন না বলেই বিশ্লেষকদের অনুমান। জনমত জরিপে দেখা যায়, ২০০৮ সালে ওবামাকে সমর্থন করেছিলেন—এমন নির্দলীয় ব্যক্তিদের এক-চতুর্থাংশ এখন রিপাবলিকানদের প্রতি ঝুঁকে পড়ছে। উদার ডেমোক্র্যাটরা যেমন ওবামার প্রশাসন নিয়ে উৎসাহী নন, তেমনি দলের রক্ষণশীলরাও ওবামার ওপর অসন্তুষ্ট। সিনেট ও প্রতিনিধিসভার দক্ষিণপন্থী সদস্যরা বিভিন্নভাবে ওবামার প্রতিশ্রুত সংস্কারের পথে বাধা তৈরি করেছেন। তাঁদের ধারণা, এসব পদক্ষেপ জনপ্রিয় নয়। এসব সংস্কারের বিরোধিতা করে তাঁরা নির্বাচনে সাফল্য পাবেন। কিন্তু তাঁরা সেই হিসাবে ভুল করেছেন বলে মনে হয়। ওই গোষ্ঠীর সবচেয়ে পরিচিত সিনেটররা জনমত জরিপে এতটাই পিছিয়ে আছেন যে পার্টি ওই সব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আশাও ছেড়ে দিয়েছে।
প্রার্থী বারাক ওবামা যতটা উচ্চাকাঙ্ক্ষী ছিলেন, পরিবর্তনের যে স্বপ্ন তিনি দেখিয়েছিলেন, তার সবটাই বাস্তববাদী ছিল—এমন মনে করার কারণ নেই। তাঁর সম্মোহনী বক্তৃতায় দেশের অধিকাংশ মানুষ সেই স্বপ্নের অংশীদার হয়েছিলেন, কিন্তু তাঁরা এবং সম্ভবত বারাক ওবামাও বিস্মৃত হয়েছিলেন যে বর্তমান ব্যবস্থার সুফল যাঁরা ভোগ করছেন, তাঁরা প্রাণপণে পরিবর্তন ঠেকাতে চাইবেন। গত দুই বছরে প্রেসিডেন্ট ওবামা সেটা হয়তো পদে পদে বুঝেছেন, কিন্তু সাধারণ ভোটাররা তা বুঝতে পারছেন না। ফলে তাঁদের অনেকের কাছেই ওবামা ও ডেমোক্র্যাটদের সাফল্য আশার তুলনায় কম। এই নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বিজয়ের ফলে এই পরিস্থিতি আরও কঠিন হবে। যেসব সংস্কারের সূচনা হয়েছে, সেগুলো বাধাগ্রস্ত হবে। এসব সংস্কার, যেমন স্বাস্থ্যবিমা সংস্কারের সব দিক এখনো কার্যকর হয়নি। কিন্তু রিপাবলিকানরা কেবল এর বিরোধীই নয়, সেগুলো পাল্টে দিতেও অঙ্গীকার করছেন। অন্য যেকোনো মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্টের দল ব্যর্থ হলে যতটা ক্ষতি হয়, এবার তার চেয়ে বেশি ক্ষতিরই আশঙ্কা। ডেমোক্র্যাটদের এক অংশ বুঝতে পারছে, শেষ চেষ্টা হিসেবে প্রেসিডেন্ট ওবামা এখন সারা দেশে একজন প্রার্থীর মতো ঝটিকা সফরে বেরিয়েছেন; ডেমোক্র্যাটদের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা, অর্থ সংগ্রহ, গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার—সবই করছেন।
এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের বৈশিষ্ট্য কেবল এখানেই নয় যে এর ফলাফলের ওপর ওবামা প্রশাসনের শুরু করা সংস্কারগুলোর ভাগ্য নির্ভর করছে; বরং এখানেও দেশের রাজনীতির একটা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এটা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত দেড় বছরে রিপাবলিকান পার্টির ভেতরে একটা বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে, তা হলো দলের ভেতরে উগ্র রক্ষণশীল অংশ তাদের প্রভাব বিস্তার করেছে। ২০০৮ সালের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী সারাহ পেলিনের নেতৃত্বে দলের দক্ষিণপন্থী গোষ্ঠী এখন ‘টি-পার্টি’ নামের প্লাটফর্মে সমবেত হয়েছে। সামগ্রিকভাবে এই গোষ্ঠী রিপাবলিকান পার্টির ভেতরেই শুধু নয়, দেশের রাজনীতিতেও এক ধরনের অসহিষ্ণু সংস্কৃতির প্রসার ঘটিয়েছে। এই গোষ্ঠীর কোনো ইতিবাচক কর্মসূচি নেই, রয়েছে নেতিবাচক বিরোধিতার রাজনীতি। স্বাস্থ্যবিমা সংস্কারের বিরোধিতার মাধ্যমে ২০০৯ সালের গ্রীষ্মকালে এদের উদ্ভব ঘটে। কিন্তু স্বল্প সময়ের মধ্যে দলের ভেতরে ও দেশে তারা এক ধরনের বর্ণবাদী, অভিবাসীবিরোধী মনোভাব চাঙা করে তুলেছে। তারা সরকারের আকার ছোট করার নামে সামাজিক কল্যাণমূলক সব ধরনের সরকারি কর্মসূচির বিরোধিতা করে। এদের পরিকল্পনার মধ্যে সোশ্যাল সিকিউরিটি বা নাগরিকদের পেনশনব্যবস্থাকে বেসরকারীকরণ অন্যতম। রিপাবলিকান পার্টির ভেতরে তারা আরও বেশি দক্ষিণপন্থী ব্যক্তিদের দলের মনোনয়নের জন্য আন্দোলন তৈরি করে এবং অনেকাংশেই তারা তাতে সফল হয়েছে। প্রথম দিকে অনেক বিশ্লেষকই এই প্রচেষ্টাকে আমলে নিতে চাননি এই বলে যে এটা রিপাবলিকানদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা। কিন্তু দেড় বছরের মধ্যে তারা দল ও দেশের রাজনীতিতে একটি মুখ্য শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। অনেকেই এমন ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে টি-পার্টির সমর্থকেরা অনভিজ্ঞ, উগ্র ও মূলধারার বাইরে বলে তাঁরা রিপাবলিকানদের মনোনয়নই পাবেন না। কিন্তু সব মনোনয়ন-প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে যে সারা দেশে এই গোষ্ঠীর ১৩৮ জন মনোনয়ন পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩৩ জন প্রার্থী রয়েছেন প্রতিনিধিসভার এমন সব আসনে, যেখানে তাঁদের বিজয়ের সম্ভাবনা রয়েছে—হয় সেগুলো রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি অথবা ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা বিজয়ী না-ও হতে পারেন। সিনেটে নয়জন প্রার্থী হচ্ছেন টি-পার্টির সমর্থনপুষ্ট বা তাদের প্রতিনিধি। তাঁদের মধ্যে আটজন প্রার্থী বিজয়ী হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে এই নির্বাচনের পরে কংগ্রেসে টি-পার্টির সমর্থক ও সদস্যসংখ্যা হবে যথেষ্ট এবং তাঁদের প্রভাব থেকে রিপাবলিকান পার্টি মুক্ত হতে পারবে না। টি-পার্টির সমর্থকেরা যে কেবল ডেমোক্র্যাটদের ঘোর বিরোধী কোনো রকম সমঝোতার বিরুদ্ধে তা-ই নয়, তাঁরা প্রেসিডেন্ট ওবামার বিজয়কে মোটেই মেনে নিতে পারেননি।
প্রেসিডেন্ট ওবামার প্রতিশ্রুত ও সূচিত সংস্কারগুলো যাদের স্বার্থের প্রতিকূলে যাচ্ছে, তারা এর বিরোধিতায় নামবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাদের শক্তি এখন আগের তুলনায় বহুগুণে বেড়েছে। এই নির্বাচনে এই গোষ্ঠীগুলো কোটি কোটি ডলার ব্যয় করছে সিনেট ও হাউসে ডেমোক্র্যাটদের পরাজিত করতে। যুক্তরাষ্ট্রের অতীতের কোনো মধ্যবর্তী নির্বাচনে এত বেশি অর্থ ব্যয় হয়নি। সেন্টার ফর রেসপনসিভ পলিটিক্স নামের একটি সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, এই নির্বাচনে আড়াই বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করছেন প্রার্থীরা। কিন্তু এই ব্যয়ের একটা বড় অংশই আসছে কয়েকটি ‘অলাভজনক সংগঠন’ থেকে। এসব ‘অলাভজনক’ বা ‘সমাজকল্যাণ’ সংস্থা ব্যয় করছে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের পরাজিত করতে। সাবেক জর্জ বুশ প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি কার্লরোড এবং রিপাবলিকান পার্টির সাবেক এড গিলাপসির তৈরি করা দুটি সংস্থা আমেরিকান ক্রসরোডস ও আমেরিকান ক্রসরোডস জিপিএস ডেমোক্র্যাটদের পরাজিত করতে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করেছে এবং করছে। একইভাবে ইউএস চেম্বার অব কমার্স নামের একটি সংস্থা অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত ব্যয় করেছে ১৬ মিলিয়ন (এক কোটি ৬০ লাখ) ডলার। করপোরেশন ও এসব গোষ্ঠীকে অর্থ কারা জোগাচ্ছে, সেটা জনসাধারণের জানারও উপায় নেই। এ বছরের জানুয়ারি মাসে দেশের সুপ্রিম কোর্ট এক মামলার রায়ে করপোরেশনগুলোকে সাধারণ মানুষের সমান বলে বর্ণনা করেন এবং নির্বাচনে তাদের অবারিত ব্যয়ের পথ উন্মুক্ত করে দেন। এরই সুযোগে দক্ষিণপন্থী গোষ্ঠীগুলো কোটি কোটি ডলার ব্যয় করে টেলিভিশন ও রেডিওতে দিন-রাত ডেমোক্র্যাটদের কর্মসূচি ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের বিরুদ্ধে প্রচার চালাচ্ছে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা এ ধরনের প্রচারণার মুখে হিমশিম খাচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট ওবামা তাঁর বক্তৃতায় এই গোষ্ঠীগুলোর প্রচেষ্টাকে গণতন্ত্রের জন্য হুমকি বলে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু অর্থের এই দাপটের মোকাবিলায় যে তৃণমূল পর্যায়ের অংশগ্রহণ দরকার, যে ধরনের তৃণমূল আন্দোলন ওবামাকে বিজয়ী করেছিল, তা এবার অনুপস্থিত।
সব মিলিয়ে ২ নভেম্বরের নির্বাচন ডেমোক্র্যাটদের জন্য সুসংবাদ আনবে—এমন আশা করার কারণ নেই। প্রশ্ন হচ্ছে, ডেমোক্র্যাটরা ক্ষতির মাত্রা কতটা কমাতে পারবে।
ইলিনয়, যুক্তরাষ্ট্র
আলী রীয়াজ: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভারসিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতিশ্রুতি পালনের নির্দেশনা by মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ওয়াদা পালন করা আল্লাহর নির্দেশ। মানুষকে অবশ্যই আল্লাহর সঙ্গে তার চুক্তির বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে এবং ওই চুক্তির সত্যিকার বৈশিষ্ট্য-সম্পর্কিত সত্য জানতে হবে। যেন মানুষ তার চুক্তি ভঙ্গ না করে, তার শক্তিকে অপব্যবহার না করে, তার সত্যিকার প্রকৃতি থেকে বিচ্যুত না হয় এবং এভাবে নিজে ন্যায়বিচারের পথ থেকে সরে না আসে। যে ওয়াদা পালন করে না তার ঈমান অর্থহীন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বাণী প্রদান করেছেন, ‘যে ব্যক্তি ওয়াদা পালন করে না, তার ধর্মই নেই।’
ইসলামি জীবনদর্শনে ওয়াদা পালন করা প্রতিটি মুমিন ব্যক্তির জন্য অবশ্যপালনীয় কর্তব্য। যে ব্যক্তি ওয়াদা পালন করে না, সে মুমিন থাকে না। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা মুনাফিকের স্বভাব। তাই শরিয়তের বিধানমতে, প্রতিশ্রুতিদানের পর যদি এমন কোনো বাধা চলে আসে, যার ফলে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা অসম্ভব হয়ে পড়ে, তাহলে যাকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তাকে নিজের অপারগতা সম্পর্কে অবহিত করতে হবে। মুনাফিকের স্বরূপ উন্মোচন করে নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘মুনাফিকের লক্ষণ তিনটি: যখন সে কথা বলে মিথ্যা বলে, যখন যে ওয়াদা করে ভঙ্গ করে, যখন তার কাছে কিছু আমানত রাখা হয়, সে খেয়ানত করে।’ (বুখারি ও মুসলিম)
প্রতিশ্রুতি বা চুক্তি পূরণ করা তাকওয়া তথা খোদাভীতির পর্যায়ভুক্ত। ওয়াদা পালন করা তাকওয়াপূর্ণ জীবনযাপনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ইসলাম মানুষকে যেসব উন্নত চরিত্রের শিক্ষা দেয়, তন্মধ্যে একটি মৌলিক গুণ বা বৈশিষ্ট্য হচ্ছে অঙ্গীকার। অঙ্গীকার পূরণ করার ক্ষমতা থাকা অবস্থায় এবং প্রতিশ্রুতি পালনে শরিয়তের কোনো আপত্তি না থাকলে যেকোনো মূল্যে তা পূরণ করা ওয়াজিব। পবিত্র কোরআনে ওয়াদার প্রতি যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা অঙ্গীকারসমূহ পূর্ণ করবে।’ (সূরা আল-মায়িদা, আয়াত-১)
অঙ্গীকার বা চুক্তি রক্ষার সামাজিক গুরুত্ব অপরিসীম। ওয়াদা পালন সামাজিক শান্তিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষার পূর্বশর্ত। পৃথিবীতে মানুষকে সমাজবদ্ধভাবে বসবাস করতে হয়। সামাজিক প্রয়োজনেই মানুষকে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সময় ওয়াদা করতে হয়। কেননা, চুক্তি না করলে সমাজে বহু রকমের অঘটন ঘটে থাকে, তখন সমাজে বসবাস করা কষ্টকর ও দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। চুক্তি মোতাবেক কাজ করা ঈমানের একটি অপরিহার্য বিষয়। চুক্তি বা অঙ্গীকার সঠিকভাবে পালন না করলে সমাজের গতিশীলতা বাধাগ্রস্ত হবে এবং অগ্রগতির পথ রুদ্ধ হয়ে পড়বে। মানুষ যদি তাদের সামাজিক ও ব্যবহারিক জীবনে প্রদত্ত ওয়াদা বা প্রতিশ্রুতি পালন না করে, তবে ওই সমাজ বিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ে। ওয়াদা ভঙ্গকারী সমাজজীবনে বিশৃঙ্খলা অবধারিত। যারা ওয়াদা পালন করে না বা কথা দিয়ে কথা রাখে না, তাদের সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা সতর্কবাণী উচ্চারণ করে বলেছেন, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা যা করো না তা তোমরা কেন বলো?’ (সূরা আস-সাফ, আয়াত-২)
রাষ্ট্রীয় জীবনে শাসকদের ওয়াদা পালন দেশ ও জাতির উন্নতির চাবিকাঠি। জনগণের প্রতিনিধি শাসকেরা আপামর জনতাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ঠিকমতো পালন করে না বলেই সর্বত্র নৈরাজ্য, বিশৃঙ্খলা, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও অশান্তিকর পরিস্থিতি বিরাজ করে থাকে। ওয়াদা এক প্রকার ঋণ। কারও কাছ থেকে কোনো কিছু ঋণ নিলে তা যেমন পরিশোধ করতে হয়, তেমনিভাবে কারও সঙ্গে ওয়াদা করলে তা অবশ্যই পূরণ করতে হয়। অঙ্গীকারকারী ঠিকমতো ওয়াদা পালন করল কি না, সে সম্পর্কে আল্লাহর দরবারে জবাবদিহি করতে হবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মুমিনের ওয়াদা ঋণস্বরূপ।’
প্রকৃত মুমিন ব্যক্তি কখনো তাঁর ওয়াদা ভঙ্গ করেন না। নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও তাঁরা ওয়াদা রক্ষা করে চলেন। মহানবী (সা.) কখনো ওয়াদা ভঙ্গ করেননি, বরং তিনি ছিলেন প্রতিশ্রুতি রক্ষার ক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল প্রতীক। নবীজি ওয়াদা করলে যেকোনো মূল্যে তা পালন করতেন। তিনি নিজের সঙ্গী-সাথিদের শত্রুর সঙ্গেও প্রতিশ্রুতি রক্ষার নির্দেশ দিতেন। ইসলামি দর্শনে ওয়াদা পালনের ব্যাপারে শত্রু-মিত্র, মুসলিম-অমুসলিম কোনো ভেদাভেদ নেই। এর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হুদায়বিয়ার সন্ধি। রাসুলুল্লাহ (সা.) ও কুরাইশদের মধ্যে এ সন্ধিচুক্তি ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু কুরাইশরা যখন এ সন্ধির চুক্তি ভঙ্গ করল, তখন ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) অগত্যা এ সন্ধি নাকচ বলে ঘোষণা দেন। নবী করিম (সা.) সাহাবায়ে কিরামদের লক্ষ করে বলেছেন, ‘তোমরা যদি ছয়টি বস্তুর জিম্মাদার হও, তাহলে আমি তোমাদের জন্য জান্নাতের জিম্মাদার হব। ওই ছয়টির অন্যতম হলো ওয়াদা পালন।’
আল্লাহর ভালোবাসা লাভের জন্য ওয়াদা পালনের গুরুত্ব আছে। যে ব্যক্তি ওয়াদা পালন করে, আল্লাহ তার ওপর অত্যন্ত খুশি হন। পৃথিবীতে সে সবার কাছে প্রিয়পাত্র ও সম্মানিত হয়; আর পরকালে সে পরম সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ও আনন্দ লাভ করে। প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা রক্ষা না করলে নানাবিধ সামাজিক সমস্যা ও জনজীবনে বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। এ ব্যাপারে সদা সতর্ক থাকা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যারা এক আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাসী, সর্বশেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুমহান আদর্শের অনুযায়ী এবং শেষবিচারের দিনের কথা স্মরণ করে সৎভাবে জীবনযাপনে ইচ্ছুক, এসব ধর্মপ্রাণ লোক কখনো কোনো অবস্থায় ওয়াদার বরখেলাফ করতে পারে না, তথা অঙ্গীকার ভঙ্গ করে না। নবী করিম (সা.) বাণী প্রদান করেছেন, ‘ভদ্রলোক যখন ওয়াদা করে, তখন তা পূর্ণ করে।’
ওয়াদা পালন না করা বা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা পাপ। যে ব্যক্তি প্রতিশ্রুতি দিয়ে রক্ষা করে না, সমাজে সবাই তাকে ঘৃণার চোখে দেখে। এতে তার সামাজিক মানমর্যাদা হ্রাস পায়। জীবনের উন্নয়নে মানবতার উৎকর্ষ সাধনে পরস্পরের মধ্যকার সম্প্রীতি স্থাপনে অঙ্গীকার রক্ষা করার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম এবং অঙ্গীকার ভঙ্গ করার পরিণাম অত্যন্ত শোচনীয়। ওয়াদা পালন মানুষের সামগ্রিক জীবনধারায় সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এর ওপর দুনিয়ার সামাজিক শান্তি, সুখ-সমৃদ্ধি ও স্বস্তি এবং পরকালের অনন্ত আরাম-আয়েশের স্থান জান্নাত লাভ নির্ভর করে। তাই ওয়াদা পালনে সচেতন হতে হবে।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক একাডেমী, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়। পরিচালক, ইনস্টিটিউট অব হজরত মুহাম্মদ (সা.)।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুর্ঘটনার হালচাল by আতাউর রহমান
গল্পটি মনে পড়ে গেল সম্প্রতি ঢাকার উপকণ্ঠে ভরা মৌসুমে তুরাগ নদে বৈশাখী পরিবহনের একটি বাসের প্রায় ৫০ জন যাত্রীসহ ঝাঁপ দেওয়া ও প্রাণহানির ঘটনায়। বাসটির নাকি অপর একটি বাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রচণ্ড গতিতে চলাটাই দুর্ঘটনার মূল কারণ। তো পাশ্চাত্যে এক মোটরগাড়ির চালককে মাত্রাতিরিক্ত বেগে গাড়ি চালনাকালে পুলিশ পাকড়াও করলে পর তিনি যখন প্রশ্ন করলেন, ‘আমি কি খুব স্পিডে গাড়ি চালাচ্ছিলাম?’ তখন পুলিশ প্রত্যুত্তরে বলেছিল, ‘না, আপনি খুব নিচু দিয়ে উড়ছিলেন।’ আর এমনিতেও বলা হয়ে থাকে যে একটি গাড়ি তৈরিতে হাজারো নাট লাগে, অথচ একজন মাত্র ‘নাট’ ওগুলোকে রাস্তায় ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। আরও বলা হয়ে থাকে যে গাড়ি চালানোটা সত্যিকারের আমুদের হতো, যদি প্রত্যেক চালক যে পরিমাণ হর্ন বাজায়, সেই পরিমাণ তার ব্রেইনটা ব্যবহার করত।
সে যা হোক, অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, সড়ক দুর্ঘটনা বুঝি আমাদের পিছু ছাড়তে চাইছে না। মাস দুয়েক আগে ঢাকা অফিসার্স ক্লাবে ‘নিরাপদ সড়ক’ শীর্ষক কর্মশালায় সরকারের যে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ইতিপূর্বে সড়ক দুর্ঘটনায় একসঙ্গে তাঁর দুই মেয়ে হারানোর ঘটনা বর্ণনা করে আমাদের কাঁদালেন, মাস খানেকের মধ্যে তিনি নিজেই সেটার শিকারে পরিণত হয়ে আত্মীয়স্বজনকে শোকসাগরে ভাসালেন। আর আগের দিনের তুরাগের ট্র্যাজেডি যেন যথেষ্ট নয়, তার ঠিক পরের দিনই রেল দুর্ঘটনায় সিরাজগঞ্জে কতগুলো প্রাণ হারিয়ে গেল, রেলের ইঞ্জিনের তীব্র, কানফাটা হুইসেলও তাদের টনক নড়াতে পারল না। আমি রাজনৈতিক নেতিবাচক কথায় গেলাম না।
আর মোটরগাড়ির আবিষ্কারক দেশ হচ্ছে আমেরিকা এবং সে দেশে মোটরগাড়ির সংখ্যাও প্রচুর, প্রত্যেক নাগরিকের বিপরীতে গড়ে দুটি করে গাড়ি; কিন্তু মোটরগাড়ি আবিষ্কারের আগে ঘোড়ার গাড়ির প্রচলনই ছিল বেশি। এ কারণে ওই দেশে বলা হয়ে থাকে যে মোটরগাড়ি ঘোড়াদের বংশ শেষ করেছে, এখন মানুষের বংশ (দুর্ঘটনার মাধ্যমে) শেষ করার তালে আছে। অবশ্য উচ্চ জন্মহারকে ধন্যবাদ, মোটরগাড়িগুলো যে পরিমাণ মানুষ মারছে, তার চেয়ে অধিক পরিমাণে মানবশিশু জন্মগ্রহণ করছে বলেই না রক্ষা। বলাই বাহুল্য, আমাদের দেশের বেলায়ও বুঝি ব্যাপারটা প্রযোজ্য। অথবা বলা যেতে পারে, এটা ‘মালথুসিয়ান থিওরি’—প্রকৃতি নিজেই মাঝেমধ্যে বাড়তি জনসংখ্যা ছাঁটাই করার দায়িত্ব নেয়—এর যথার্থতা এসব ঘটনাই হয়তো প্রমাণ করে। দুর্ঘটনা ঘটে দুর্ঘটনাক্রমেই। ব্যাপারটা বিষাদময় বটে, কিন্তু এতদসত্ত্বেও বিশেষত পাশ্চাত্যে অনেক প্রাসঙ্গিক মজার কাণ্ডকারখানাও ঘটে থাকে বৈকি!
এক ভদ্রলোক মোটর দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির জন্য এসেছেন। ডাক্তার সাহেব তাঁকে ‘আপনি কি বিবাহিত’ জিজ্ঞেস করতেই তিনি জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ। কিন্তু বিশ্বাস করুন ডক্টর, আমার বউ কিছু করেনি, আমি গাড়ি চালাতে গিয়ে নিজেই আহত হয়েছি।’ বারান্তরে তিনি বাইরে থেকে ফিরে এসে দেখেন তাঁর বউ গাড়ির রং বদলে ফেলেছেন, গাড়িটাকে লম্বালম্বি ঠিক দুই ভাগ করে অর্ধেকে দিয়েছেন নীল রং ও বাকি অর্ধেকে দিয়েছেন হলুদ রং। স্বামীর জিজ্ঞাসার উত্তরে স্ত্রী জানালেন, ‘আমি এক্সিডেন্ট করে অনেকবার সাক্ষীর সাক্ষ্যে ধরা পড়েছি। এবারে গাড়ির দুই পাশে দুই রং দিলাম এ কারণে যে আদালতে সাক্ষীদের উল্টাপাল্টা সাক্ষ্যের বদৌলতে আমি পার পেয়ে যাব—কেউ বলবে গাড়ির রং নীল, আর কেউ বলবে হলুদ।’
আরও আছে। শহরের চৌরাস্তার মোড়ে দুই মোটর গাড়িতে মুখোমুখি সংঘর্ষ। চালক দুজন উত্তেজিত অবস্থায় নিজ নিজ গাড়ি থেকে নামতেই তাঁদের একজন এগিয়ে এসে প্যান্টের পকেট থেকে চ্যাপটা হুইস্কির বোতল বের করে অপরজনকে বললেন, ‘এরূপ অবস্থায় নার্ভ ঠান্ডা রাখতে হয়। নিন, একটু হুইস্কি পান করুন।’ অপর ব্যক্তি সানন্দে সেটা গ্রহণ করে খানিকটা পান শেষে ধন্যবাদ জানিয়ে বললেন, ‘আপনিও একটু পান করুন।’
‘না, আমি করব না, কারণ এক্ষুনি পুলিশ আসবে।’ প্রথমোক্ত ব্যক্তি জানালেন। অর্থাৎ বুদ্ধি করে নিজেকে রক্ষা ও অপরজনকে ফাঁসিয়ে দেওয়া, এই আর কি!
বহু আগে বিলেতে অবস্থানকালে একটি কার্টুন দেখেছিলাম—একজন লোক হাত-পায়ে ব্যান্ডেজ বাঁধা অবস্থায় ক্রাচে ভর করে রাস্তা দিয়ে হাঁটছে।
একজন পথচারী তাকে দেখতে পেয়ে প্রশ্ন করল, ‘হ্যাভ অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট? (Have an accident)?’ সে বোঝাতে চেয়েছিল, ‘আমার কি অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে নাকি?’
কিন্তু লোকটি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল বুঝে উত্তর দিল, ‘নো, থ্যাকংস, আই হ্যাভ অলরেডি গট ওয়ান, অর্থাৎ না, ধন্যবাদ, আমি ইতিপূর্বে অ্যাক্সিডেন্টে আছি, কাজেই নতুন করে আরেকটির দরকার নেই।’ দৃশ্যটি মনে মনে কল্পনা করে দেখুন, না হেসে পারেন কি না।
আর বিলেতের উল্লেখে মনে পড়ে গেল, আমি গাড়ি চালনা শিখেছি আশির দশকে বিলেতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে পদায়নকালে। তো প্রথম দিনই সাদা সুন্দরী ইনস্ট্রাক্টর গাড়িতে আমার পাশে বসে যে কথাটি বলেছিলেন, সেটা সুন্দরী মহিলার মুখ-নিঃসৃত বলেই কি না জানি না, আজ অবধি আমার স্মরণে আছে। গাড়ির দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে তিনি বলেছিলেন, ‘রিমেম্বার, দিস্ থিং ক্যান কিল পিপল’; অর্থাৎ স্মরণ রাখবেন, এই জিনিস মানুষ মারতে পারে। পত্রিকায় প্রদত্ত পরিসংখ্যান অনুসারে আমাদের দেশে গাড়িচালকের মোট সংখ্যা সাড়ে ১৩ লাখ। একটি কথা প্রচলিত আছে যে, মিথ্যা হচ্ছে তিন প্রকারের—মিথ্যা, ডাহা মিথ্যা ও পরিসংখ্যান; তা সত্ত্বেও ধরে নিলাম, দেশে গাড়িচালকের সংখ্যা সাড়ে ১৩ লাখই। এই সাড়ে ১৩ লাখ লোক গাড়ি চালনাকালে পূর্বোক্ত কথাটা মনে রাখলে কতই না মঙ্গল হতো!
আর কাহাতক রেলগাড়ির অ্যাক্সিডেন্টের প্রশ্ন, রেলগেট না থাকা ও খোলা থাকায় দেখা যাচ্ছে অধিকাংশ রেল ও মোটরগাড়ি সংঘর্ষজনিত অ্যাক্সিডেন্টের কারণ। তো রেললাইনের পাশে বসবাসকারী এক যুবক চলে গেছে রেলের ঘুমটিঘরের দারোয়ানের চাকরির ইন্টারভিউ দিতে। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, ‘ট্রেন দ্রুতবেগে এগিয়ে আসছে, এদিকে দেখা গেল ছোট্ট ব্রিজ ভাঙা। তুমি কী করবে?’ ছেলেটি উত্তর দিল, ‘আমি লাল কাপড় উড়িয়ে ড্রাইভারকে সতর্ক করে দেব।’ আবারও প্রশ্ন করা হলো, ‘যদি এতে কাজ না হয়?’ ছেলেটি এবার একগাল হেসে বলল, ‘তাহলে দৌড়ে গিয়ে আমার ছোট বোনকে ডেকে নিয়ে আসব, কারণ তার ট্রেন অ্যাক্সিডেন্ট দেখার খুব শখ।’
এবং মোটরগাড়ির সার্বিক বিমা করা থাকলে দুর্ঘটনায় পতিত হলে পর ক্ষতিপূরণ দাবি করা যায়। আর এ নিয়েও বেশ মজার মজার গল্প আছে।
এখানে আমি মাত্র দুটো তুলে ধরছি। একটি বিমা কোম্পানির দাবিপত্রে একটা প্রশ্ন ছিল, ‘দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য অপর ড্রাইভার কী করতে পারতেন?’ দুর্ঘটনাটা ঘটেছিল পার্কিংয়ের সুনির্দিষ্ট জায়গায়। অতএব বিমা দাবিকারী ফরম পূরণকালে লিখলেন, ‘তিনি অন্যত্র গাড়ি পার্কিং করতে পারতেন।’ আর দ্বিতীয় গল্পটি প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে পেশ করা যাক: (গরুর সঙ্গে গাড়ির সংঘর্ষের পর)
প্রশ্ন: সংঘর্ষের আগে আপনি অপর পার্টিকে কি সতর্কসংকেত দিয়েছিলেন?
উত্তর: হর্ন।
প্রশ্ন: অপর পার্টি আপনাকে কি সতর্কসংকেত দিয়েছিল?
উত্তর: হাম্বা।
শেষ করছি আরেকটি প্রাসঙ্গিক মজার গল্পটি দিয়ে। দুর্ঘটনায় পতিত একটি স্বচালিত মোটরগাড়ির চালককে অজ্ঞান অবস্থায় নিকটস্থ একটি পেট্রলপাম্পে নিয়ে আসা হলো।
সেখানে জ্ঞান ফিরতেই তিনি হাত-পা ছুড়ে পালাতে চাইলেন, অনেক কষ্টে তাঁকে নিরস্ত করা গেল। অতঃপর কারণটা প্রকাশ পেল—পাম্পটা ছিল `Shell’ কোম্পানির। কিন্তু কে একজন পাম্পের হোর্ডিংয়ে লেখা `Shell’ শব্দটির `S’ অক্ষরটাকে তখন আড়াল করে দাঁড়ানোর জায়গাটাকে `hell’ তথা নরক মনে করে তিনি পালিয়ে যেতে চাইছিলেন।
আতাউর রহমান: রম্য লেখক। ডাক বিভাগের সাবেক মহাপরিচালক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধর্মীয় আবেগের আচ্ছাদনে রাজনীতি by এবিএম মূসা
বাহাত্তরে মূল সংবিধান যখন রচিত হয়, তখন অবশ্যই পাকিস্তান আমলের রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার ও ধর্মীয় বিধানের সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্কের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার একটি সাংঘর্ষিক পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটে। সবে মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়েছে। সেই যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি ও তাদের দোসররা পূর্ব পাকিস্তানে ইসলাম রক্ষার দোহাই দিয়ে নরহত্যা ও নারীধর্ষণ করেছিল। তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান থেকে পাঠানো সাধারণ সেনাদের বোঝানো হয়েছিল, তারা পূর্ব পাকিস্তানে বিধর্মীদের বিরুদ্ধে জিহাদ করতে যাচ্ছে। তাই তারা সত্যিকারের ‘পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে ৩০ লাখ বাঙালিকে হত্যা করেছিল। এই তিক্ত স্মৃতি নিয়ে বাহাত্তরের সংবিধান রচয়িতারা অসাম্প্রদায়িকতাকে গ্রহণ ও রাজনীতিতে ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রয়োগ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নিষিদ্ধ করেছিলেন। এই নিষিদ্ধকরণ রহিত হয়ে গেল পঁচাত্তরে মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের পর, যখন অসাম্প্রদায়িকতার আদর্শে অবিশ্বাসী মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী শক্তি ক্ষমতা দখল করল। বিতাড়িত পাকিস্তানি শাসকদের অপকৌশল অনুসরণে তারা ধর্মীয় লেবাসধারী রাজনীতি ও জনগণের ধর্মীয় আবেগকে সুড়সুড়ি দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার কৌশল অবলম্বন করল। একাত্তরের পরাজিত সাম্প্রদায়িক রাজনীতি অনুসরণকারী রাজনৈতিক দলগুলো আধিপত্য বিস্তারের সুযোগ পেল। আওয়ামী লীগ পরবর্তী সময়ে, মানে এবার ক্ষমতায় এসে সেই লেবাসটি পুড়িয়ে ফেলার, ধর্মের নামে রাজনীতির ময়দান দখলের কৌশলটি বিনষ্ট করার কতিপয় পদক্ষেপ নেয়। এ অবস্থায় সামরিক একনায়কদের সহায়তায় অপশক্তি কর্তৃক ক্ষমতা দখলকারীদের গৃহীত কতিপয় পদক্ষেপ অকার্যকর করার ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতের রায় সহায়কের ভূমিকা পালন করে। আদালত সরাসরি ধর্মীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করলেন না। তবে, সংবিধানের মূল নীতির প্রধানত, অসাম্প্রদায়িকতার আদর্শ থেকে বিচ্যুতি অসাংবিধানিক ঘোষণা করলেন। আদালতের এই খড়্গে বলি হলো সাম্প্রদায়িক রাজনীতি; সোজা কথায় যাকে বলে ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি করার ওপর পরোক্ষে বিধিনিষেধ কায়েম হলো। এই রায়ের ব্যাখ্যায় ধর্মীয় পরিচয়ে রাজনৈতিক দল বৈধ কি না, সেই প্রশ্নটি সামনে এসে গেল।
আইনজ্ঞ বা সংবিধান বিশেষজ্ঞ না হয়েও এ সম্পর্কে উচ্চতম আদালতের রায় আমি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় এভাবেই ব্যাখ্যা করছি। এখন সেই রায় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, বিশ্লেষণ হচ্ছে। সরকার বলছে, রায়ে সংবিধানের কতিপয় ধারা অসাংবিধানিক ঘোষণা করায় অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। রায় কার্যকর করতে সংসদে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। এখন শুধু ‘সংশোধিত’ সংবিধান পুস্তকাকারে প্রকাশ করতে হবে। সরকারের বক্তব্যের বিরোধীরা বলছেন, এমনকি সরকারি দলের কয়েকজন প্রবীণ সদস্য ও আদি-সংবিধানপ্রণেতারাও বলছেন, ‘সংসদ সার্বভৌম, সংবিধানের ধারা পরিবর্তন অথবা পরিমার্জন আদালতের আওতাধীন নয়।’ তাঁরা এই পরিপ্রেক্ষিতে ১৪২(ক) অনুচ্ছেদের উল্লেখ করেছেন, যাতে বলা হয়েছে, ‘সংসদের আইন দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবে।’ তাঁদের এই বক্তব্যের যুক্তি খণ্ডনকারীরা বলছেন, তাহলে সামরিক প্রজ্ঞাপন জারি করে যাঁরা সংবিধান কাটাছেঁড়া করেছেন, এমনকি মূল আদর্শ বা স্পিরিটকে অগ্রাহ্য করেছেন, তাঁদের ছাপানো বিধানগুলো বাতিল করার এখতিয়ার আদালতের আছে। কারণ, সংবিধান যেকোনো ধরনের বরখেলাপ বাতিল করার ক্ষমতা সংবিধানের রক্ষক উচ্চতম আদালতকে দিয়েছে। সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করে মহামান্য উচ্চ আদালত পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনীর কতিপয় ধারা সাংবিধানিক বিধানের বিচ্যুতি বলে রায় দিয়েছেন। এখন শুধু সেই রায় কার্যকর করতে হবে। তা হলেই ধর্মীয় আবেগ পুঁজি করে রাজনীতি নিষিদ্ধ হয়ে যাবে।
একই বিবেচনায় আমাদের মহামান্য উচ্চতম আদালত অতীতে অষ্টম সংশোধনীতে বিচারব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরণের ব্যবস্থাটি বাতিল করেছিলেন। কিন্তু সেই সংশোধনীর ‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’ ২-ক অনুচ্ছেদ বাতিল করার প্রয়োজনীয়তা বোধ করেননি। এই ধারাটিতে হস্তক্ষেপ বা মতামত প্রদান সংবেদনশীল মনে করে ‘বিবেচনায়’ আনেননি, ধর্মীয় আচ্ছাদনটি সরাসরি অপসারণ করেননি। এবার কোনো ধরনের আবেগ বা ‘সংবেদনশীলতা’ আমাদের বর্তমান বিজ্ঞ বিচারপতিরা ন্যায়নিষ্ঠতার পরিচয় দিয়ে বিবেচনায় আনেননি। কিন্তু রাজনীতিবিদেরা যতই আদর্শ, নীতি, চেতনা ও মূল্যবোধের কথা বলুন না কেন, এই আবেগ নিয়ে ভাবতে হয়। তাই সংবিধানের ‘বিসমিল্লাহ’ আর ‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’—এ দুটি বিধান নিয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও মনে হয় কিংকর্তব্যবিমূঢ়। তিনি এ দুটি শব্দচয়নের সঙ্গে ধর্মীয় আবেগের সম্পর্ক রয়েছে মনে করেন। অন্যদিকে আদালতের রায় সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবহিত নই বলে আমি নিজেও বুঝতে পারছি না, দুটি সংশোধনী বাতিলের পর এ দুটির সাংবিধানিক অবস্থান কী হতে পারে। পুনর্মুদ্রিত সংবিধানে এতদসংশ্লিষ্ট ধারাগুলো থাকলে, সামরিক অধ্যাদেশে অন্তর্ভুক্ত করা অসাংবিধানিক পদক্ষেপ বিলুপ্ত করা না হলে, উচ্চ আদালতের রায়ের বরখেলাপ অথবা সাংঘর্ষিক হবে কি? এসব জটিল প্রশ্নই ধর্মরাজনীতি সংবিধানবিষয়ক আলোচনা ঘোলাটে করেছে।
রাষ্ট্র পরিচালনায় মূলনীতিতে অন্যতম পরিবর্তন করা হয়েছিল (দ্বিতীয় ভাগ, ৮ {১-১ক}, অনুচ্ছেদে) ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস হইবে যাবতীয় কার্য্যাবলীর ভিত্তি’। এই অনুচ্ছেদটি সম্পূর্ণ ধর্মীয় বিশ্বাসভিত্তিক ও সব ধরনের বিতর্কের ঊর্ধ্বে রেখে প্রশ্ন করতে হয়, সেই বিশ্বাসের সঙ্গে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি সম্পৃক্ত কি না। মূল সংবিধানের ৭(১) অনুচ্ছেদের সঙ্গে ‘প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ’ সাংঘর্ষিক কি না, সেই সংশয়ও দেখা দিতে পারে। এই সংশয় নিয়ে আলোচনায় উল্লেখ করা যেতে পারে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট শপথ করেন, ‘ইন গড উই ট্রাস্ট।’ সংসদীয় গণতন্ত্রের পাদপীঠ গ্রেট ব্রিটেনে নতুন রাজা বা রানিকে গির্জায় আর্চবিশপের আশীর্বাদ নিতে হয়। জার্মানিতে একটি রাজনৈতিক দলের নামে রয়েছে ধর্মীয় পরিচয়। নামটি হলো ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টি। এতদসত্ত্বেও সেসব দেশে ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে কেউ আলোচনা করে না, ধর্ম-সম্পর্কীয় কোনো বিধান সংবিধানে কোনো অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
আমাদের দেশের রাজনীতির ইতিহাসেও দেখা যায়, অতীতে ধর্মীয় আবেগকে প্রাধান্য দিয়ে অথবা বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ধর্মকে রাজনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় ব্যবহার করার চেষ্টা হয়েছে। প্রথম উদাহরণটি পাই আমরা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আদিপর্বে। পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান রচিত হয়েছিল ১৯৫৬ সালে। সেই সংবিধানে ধর্মীয় রাজনীতি অথবা ধর্ম-সম্পর্কীয় কোনো অনুচ্ছেদ ছিল না। তারও আগে ১৯৫০ সালে একটি সংবিধানের খসড়া তৈরি করেছিল লিয়াকত আলী খানের মুসলিম লীগ সরকার। সেই খসড়ার বিপিসি, বেসিক প্রিন্সিপাল তথা মূলনীতিতে বলা হয়েছিল, ‘পাকিস্তান হবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র।’ এই প্রস্তাবনায় পাকিস্তানকে ইসলামি রাষ্ট্র ঘোষণার বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করলে সেই প্রস্তাব প্রত্যাহার করা হয়। তিন বছর পর ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের আগে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে বিশ্বাসী রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে গঠিত যুক্তফ্রন্টের মেনিফেস্টোতে ২১ দফার একটি দফা ছিল, ‘কোরআন ও সুন্নাহর বিধানের বরখেলাপ কোন আইন প্রণয়ন করা হইবে না।’ আবার ধর্মীয় পরিচয়ধারী রাজনৈতিক দল নেজামে ইসলাম যুক্তফ্রন্টের শরিক ছিল।
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর রাজনীতিতে জনগণের ধর্মীয় চেতনা ও বিশ্বাসকে হাতিয়ার করে সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন মহলের, ধর্মীয় আবেগ পুঁজি করে যাঁরা পাকিস্তানি আমলে রাজনীতি করেছেন, তাঁদের ক্ষমতা স্বপ্রতিষ্ঠিত হয়। অসাম্প্রদায়িকতায় বিশ্বাসী জনগণ এবং তাদের পুরোধা আওয়ামী লীগ কোণঠাসা হয়ে পড়ে। মুক্তিযুদ্ধের পর যেসব দলের রাজনৈতিক ব্যানার ও সাইনবোর্ড নিয়ে রাজনীতি করা নিষিদ্ধ হয়েছিল, পাকিস্তান আমলে সত্তরের নির্বাচনে যাদের জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছিল, তাদের ক্ষমতায় আসার সুযোগ সৃষ্টি হলো। তারা ক্ষমতা হাতে পেয়েই বাংলাদেশকে ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র’ ঘোষণা করেছিল। কিন্তু দুই দিন না যেতেই এই ঘোষণা বাতিল হয়ে গেল। কারণ, তারা বুঝতে পেরেছিল, ১৫ আগস্ট তারা যে উদ্দেশ্যে যা-ই করুক না কেন, জনমন থেকে অসাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার ধারণা বিলুপ্ত হয়নি।
জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করলেন। সংবিধান থেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ সংজ্ঞাটি বাদ দিলেন ‘বিসমিল্লাহ’ বলে, অর্থাৎ আল্লাহর দোহাই দিয়ে রাষ্ট্রকে একটি সূক্ষ্ম ইসলামি রূপ দেওয়ার প্রথম পদক্ষেপটি নিলেন। এরপর এরশাদ রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম করেছিলেন একই কৌশল অবলম্বনে। কিন্তু তথাকথিত ‘ইসলামি’ দেশের রাষ্ট্রীয় নীতির অনুসরণে ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র’ নামটি দেননি। প্রশ্ন করা যেতে পারে, তাঁরা বাহাত্তরের সংবিধান নিয়ে যথেচ্ছাচারী পন্থায় এত কাটাছেঁড়া করলেন, ধর্মীয় পরিচয়ধারী রাজনৈতিক দলগুলোকে এত পৃষ্ঠপোষকতা করলেন, কিন্তু ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র’ বলে রাষ্ট্রকে পুরোপুরি ধর্মীয় লেবাস পরালেন না কেন? এর উত্তর হচ্ছে, তাঁরা বুঝতে পেরেছিলেন, ধর্মীয় নামের ছদ্মাবরণে রাজনীতি করা গেলেও এ দেশে পুরোপুরি কোনো ধর্মীয় প্রথায় রাষ্ট্র পরিচালনা জনগণ মেনে নেবে না। অর্থাৎ, শত চেষ্টায় ‘নড়বড়ে’ করা গেলেও রাষ্ট্রের অসাম্প্রদায়িক কাঠামোটি বজায় রাখতে হবে। এর অন্যথা এ দেশের জনগণ মেনে নেবে না।
উপরিউক্ত আলোচনার পটভূমিতে কথা বলছিলাম সংবিধান বিশেষজ্ঞ আমার অতিশ্রদ্ধেয় আইনমন্ত্রীর সঙ্গে। তিনি ধর্ম ও রাজনীতি নিয়ে আলাপচারিতায় সামরিক শাসক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১ নম্বর প্রজ্ঞাপন ১৯৭৭ উল্লেখ করলেন। আশ্চর্যের ব্যাপার, সাম্প্রতিককালে আমার জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধির জন্য সংবিধান এত ঘাঁটাঘাঁটি করেছি, অথচ এই অদ্ভুত তথ্যটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়নি, সেটি হলো, জিয়ার অধ্যাদেশে কাটাছেঁড়া করা সংবিধানে ১২ অনুচ্ছেদটি নেই। অনুচ্ছেদ ১১-এর পরই হলো অনুচ্ছেদ ১৩। বিলুপ্ত ১২ অনুচ্ছেদ ছিল ‘রাষ্ট্র ও সরকার পরিচালনায় অসাম্প্রদায়িক নীতি অনুসরণ, কোনো নাগরিককে আপন ধর্ম নিজ বিশ্বাস অনুযায়ী পালনে বাধা দেওয়া যাবে না। অন্যদিকে ধর্মকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না।’ আদালতের রায়ে মূলত এ ধারাটিই পুনঃস্থাপিত হলো। তাহলে স্বৈরশাসকদের সংবিধান ইসলামীকরণের কৌশলগুলো আপনাতেই অকার্যকর হয়ে যাবে।
এবার প্রশ্ন করি, ধর্মীয় আবেগকে রাজনীতিতে ব্যবহার কি শুধু ধর্মীয় পরিচয়ধারীরা করেন বা করেছেন? পাঠক, স্মরণ করুন, ১৯৯১ সালের নির্বাচনের সময় বিএনপি নির্বাচনী প্রচারের নামে ধর্মীয় পরিচয় না থাকলেও কাজে ‘ইসলাম’ ব্যবহার করেছে। একটি নির্বাচনে একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা এক হাতে পবিত্র কোরআন আর অন্য হাতে গীতা জনসভায় উঁচু করে ধরে বলেছিলেন, ‘আওয়ামী লীগকে ভোট দিলে গীতা পড়তে হবে। আর বিএনপি জোট হলো ইসলামি পবিত্র গ্রন্থের একমাত্র হেফাজতকারী।’ একদল ‘বিসমিল্লাহ’ বলবে, অন্যদল ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহ মহান’ শব্দদ্বয়-খচিত দলীয় পতাকা ওড়াবে। কিন্তু এদের কারও নামের আগে-পরে ধর্মীয় পরিচয় ‘ব্যানার’ নেই। সুতরাং, দলের নামে ইসলামি সংজ্ঞা ব্যবহারই কেবল ধর্মীয় লেবাসে রাজনীতি করা হয়—এই বক্তব্য যথার্থ নয়।
মূল কথা হচ্ছে, উচ্চ আদালতের রায় অনুসরণে পুনরুদ্ধার করা পুনর্মুদ্রিত সংবিধানের ১২ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপনের বিষয়টিই প্রাধান্য পাবে। তখন ধর্মীয় নামাঙ্কিত কোনো ব্যানার সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কি না, অথবা সেই অনুচ্ছেদের বিধানের বিচ্যুতি ঘটেছে কি না, তা নির্বাচন কমিশন বিশ্লেষণ করে নির্ধারণ করবে। সরকার অথবা সরকারের প্রধানমন্ত্রী অথবা কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তির ধর্মীয় আবেগ ও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির সাংঘর্ষিক অবস্থান নিয়ে দুর্ভাবনা করতে হবে না। আদালতের রায় কার্যকর করা হলে ধর্মীয় আচ্ছাদনে রাজনীতি নিয়ে জটিলতা দেখা দিলে তা নিরসনের দায়িত্ব স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত করে আওয়ামী লীগ সরকার নিশ্চিন্ত থাকতে পারে।
এবিএম মূসা: সাংবাদিক ও কলাম লেখক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাহসী শিক্ষকের দেখানো পথ
ইভ টিজিংয়ের ঘটনা গণমাধ্যমের মনোযোগ থেকে কিছুটা সরে গেলেও সারা দেশেই এর উৎপাত তেমন কমেনি। বিভিন্ন বয়সের নারীদের মধ্যে, বিশেষ করে স্কুল-কলেজের ছাত্রীরাই প্রধানত বখাটেদের অশুভ নিশানায় পড়ছে এবং মৌখিক ও শারীরিক লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছেন। এখন এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সন্ত্রাসের ঘটনাও। লোকমানপুরের কলেজশিক্ষক মিজানুর রহমানই শুধু নন, মাগুরায় এক প্রাথমিক শিক্ষককেও প্রতিবাদ করার অপরাধে বখাটেদের সন্ত্রাসের শিকার হতে হয়েছে। এ রকম ঘটনা অজস্র।প্রায় প্রতিটি ঘটনায়ই দেখা যাচ্ছে, নারীদের উত্ত্যক্ত করায় জড়িত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে। তারা হয় ক্ষমতাসীন দলের, নতুবা কোনো ক্ষমতাবান গোষ্ঠী কিংবা বিরোধী দলের সঙ্গে জড়িত। রাজনীতি ও ক্ষমতাবানের আশ্রয়-প্রশ্রয়ই তাদের বেপরোয়া করে তোলে। তারই শিকার হচ্ছে উঠতি বয়সের মেয়েরা এবং তাদের অভিভাবক কিংবা তাদের রক্ষায় এগিয়ে আসা আত্মীয়স্বজন-শিক্ষক-বন্ধুরা। সমস্যার উৎসটি যখন চিহ্নিত, তখন এর প্রতিকার না হওয়া স্পষ্টতই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যর্থতা। গত বছর থেকেই সমস্যাটি একনাগাড়ে চলতে থাকলেও সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের টনক না নড়া দুঃখজনক।ইভ টিজিং রোধে আইন করে শাস্তির ব্যবস্থা হয়েছে। কিন্তু পুলিশ যদি দায়িত্বশীল না হয়, তাহলে আইনের হাত অপরাধীকে স্পর্শ করবে কীভাবে? বখাটেরা যারাই হোক, ক্ষমতার প্রশ্রয় ছাড়া তারা অপরাধ করে যেতে পারত না। সুতরাং প্রথম করণীয়টা ক্ষমতাসীন দলের কাছ থেকেই প্রত্যাশিত যে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দায়ভার দল নেবে না। দ্বিতীয়ত, পুলিশকে এদের ব্যাপারে কঠোর হওয়ায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা দরকার। তৃতীয় দায়িত্বটি সমাজভুক্ত সবার। রাজনৈতিক দল, পুলিশ এবং অভিভাবক মহল একযোগে কাজ করলে ইভ টিজিংয়ের মতো উপদ্রব থেকে নারীদের মুক্ত করা খুব কঠিন হবে না। শিক্ষক মিজানুর রহমানের সাহসিকতা থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারকেই।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গোর্খা ব্রিগেড ভেঙে দেবে না যুক্তরাজ্য
ব্যয় সংকোচনের অংশ হিসেবে গোর্খা ব্রিগেড বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলে এক ব্রিটিশ এমপির উদ্ধৃতি দিয়ে সম্প্রতি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। ব্রিটিশ সেনাদের বেতন-ভাতা দিয়ে গোর্খা ব্রিগেড চালিয়ে যাওয়া বেশ ব্যয়বহুল বলে উল্লেখ করেন ওই এমপি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নয় মাসে গ্রামীণফোনের আয় বেড়েছে ১৪ শতাংশ
আজ শনিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারের একটি হোটেলে প্রতিষ্ঠানটির তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক ফলাফল ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওডভার হেশজেডাল এসব তথ্য জানান।
ওডভার বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ রেকর্ড ডেটে (২ নভেম্বর, ২০১০) যারা শেয়ারধারী থাকবেন, তাঁদের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বেঁধে দেওয়া সময়ানুযায়ী বিতরণ করা হবে। চলতি বছরের জুনে ২০০৯ সালের জন্য ৬০ শতাংশ চূড়ান্ত লভ্যাংশ ইতিমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ওডভার আরও বলেন, চলতি বছরে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিম কর বাবদ ৫২৫ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে। আর চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়িয়েছে পাঁচ দশমিক ৭৩ টাকা; যা গত বছরের একই সময় ছিল পাঁচ দশমিক ৩৭ টাকা।
উল্লেখ্য, গ্রামীণফোন চলতি বছরেই প্রতিষ্ঠানের ১৩তম বার্ষিক সাধারণ সভার আগে নিজস্ব লভ্যাংশ নীতি ঘোষণা করেছিল।
প্রতিষ্ঠানের উপপ্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হান শামসী জানান, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের মোট আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ শতাংশ বেশি। তিনি আরও জানান, আয়কর দেওয়ার পরে গত বছরের প্রথম নয় মাসের ১৩ দশমিক ৪০ শতাংশ মার্জিনসহ ৬৫২ কোটি টাকা মুনাফার তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে মোট মুনাফা হয়েছে ১৪ শতাংশ মার্জিনসহ ৭৭৪ কোটি টাকা।
তবে এ সময়ে গ্রামীণফোন সরকারকে দুই হাজার ৮০০ টাকা প্রদান করেছে; যা গ্রামীণফোনের মোট আয়ের ৫০ শতাংশের বেশি। আর এ বছরের প্রথম নয় মাসে ৬৯৭ কোটি টাকা প্রাতিষ্ঠানিক কর দিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে কাজী মনিরুল কবির, মো. আরিফ উদ্দিনসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তালেবান নেতাদের প্রতি অস্ত্র সমর্পণের আহ্বান
২০০১ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনীর সামরিক অভিযানে তালেবান ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই ওই কমিটি তালেবান নেতাদের সঙ্গে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য গোপনে মধ্যস্থতার চেষ্টা করে আসছে। কিন্তু হাই কাউন্সিল ফর পিস নামের ওই কমিটি তালেবানকে শান্তি আলোচনায় ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে দৃশ্যত এখনো তেমন কোনো সফলতা অর্জন করতে পারেনি।
কমিটির মুখপাত্র কায়ামুদ্দিন কাসহাফ গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেন, কাউন্সিল ফর পিস চাইছে সশস্ত্র বিরোধী পক্ষ ও তাদের নেতারা সহিংসতা পরিহার করে শান্তি-প্রক্রিয়ায় অংশ নিন। শান্তি কমিটি তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো শুনবে এবং দুই পক্ষের মধ্যে একটি আস্থার পরিবেশ গড়ে তুলবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতে প্রতিবছর ম্যালেরিয়ায় মারা যায় ২ লাখ মানুষ
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ, কানাডিয়ান ইনস্টিটিউট অব হেলথ রিসার্চ ও লি কা সিং নলেজ ইনস্টিটিউটের অর্থায়নে এ গবেষণা চালানো হয়েছে।
নতুন এই সংখ্যা প্রকাশের পর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, বিশ্বে প্রতিবছর তাহলে ম্যালেরিয়ায় কত মানুষ মারা যায়। তবে ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, নতুন প্রতিবেদনে মৃতের সংখ্যা অতিরঞ্জিত করা হয়েছে।
ম্যালেরিয়ায় কত মানুষ মারা যায়, তা নির্ণয় করা বেশ কঠিন। চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে না। তবে উচ্চজ্বরে আক্রান্ত অনেকে ভুল চিকিৎসায় মারা যায় এবং তাদের ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ অন্য রোগ বলে ধরে নেওয়া হয়। অনেক সময় বিপরীতটাও হতে পারে। অন্য রোগে মারা গেলেও মৃত্যুর কারণ ম্যালেরিয়া বলে মনে করা হয়।
ভারতের ক্ষেত্রে যেমন ম্যালেরিয়া-আক্রান্ত ব্যক্তিদের অধিকাংশ বিনা চিকিৎসায় বাড়িতেই মারা যায় এবং তাদের মৃত্যুর কারণও নির্ণয় করা কঠিন হয়ে পড়ে। ভারতে প্রতিবছর সংক্রামক রোগে মারা যায় প্রায় ১৩ লাখ মানুষ এবং প্রত্যন্ত এলাকায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগের উপসর্গ উচ্চমাত্রার জ্বর।
নতুন গবেষণায় প্রশিক্ষিত মাঠকর্মীরা প্রথমে পরিবারের লোকজনের কাছ থেকে মৃত্যুর বর্ণনা সংগ্রহ করেন। এরপর দুজন চিকিৎসক সেগুলো বিশ্লেষণ করেন। এতে দেখা গেছে, ভারতে প্রতিবছর ম্যালেরিয়ায় মারা যাচ্ছে দুই লাখ পাঁচ হাজার মানুষ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিহারে বিধানসভার নির্বাচনে প্রথম দফার ভোট গ্রহণ
গতকাল প্রথম দফায় ৪৭টি আসনে ভোট নেওয়া হয়। এসব আসনে ৫২ জন নারীসহ প্রার্থী ছিলেন ৬৩১ জন। কঠোর নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর ৫০ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়। ভোট গ্রহণ চলাকালে গোলযোগের অভিযোগে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ১৫০ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মধুবনী জেলার লউখা কেন্দ্রের কাছে একটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। এতে কেউ হতাহত হয়নি। কাটিহার জেলার প্রাণপুর ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মো. হাবিব ভোট গ্রহণের আগে হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। আলমপুর, জোকিহাটি ও লাউকাহা কেন্দ্রের ভোটাররা এলাকায় উন্নয়ন না হওয়ার প্রতিবাদ জানিয়ে ভোট বর্জন করেন। মাওবাদীরা বিহারে ভোট বর্জন করার আহ্বান জানায়।
দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ২৪ অক্টোবর। এরপর ভোট হবে ২৮ অক্টোবর এবং ১, ৯ ও ২০ নভেম্বর।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
করাচিতে নিরাপত্তা বাহিনীর জোর টহল
করাচির পুলিশ-প্রধান ফাইয়াজ লেগহান জানান, বুধবার রাতে গুলিবর্ষণের ঘটনায় আরও দুজন নিহত হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধে নগরের স্পর্শকাতর স্থানগুলোয় বাড়তি রেঞ্জার্স ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবারের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে করাচির বেশির ভাগ ব্যবসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দোকানপাট বন্ধ ছিল। গতকাল এসব ব্যবসা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়।
সিন্ধু প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা ওয়াকার মেহদি বলেন, গত শনিবার থেকে সহিংস ঘটনায় করাচির বিভিন্ন স্থানে ৭০ জনের বেশি নিহত হয়। জনবহুল নগর করাচি পাকিস্তানের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চাঁদে পানিসহ রাসায়নিক উপাদানের প্রমাণ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফ্রান্সে পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ, বিমানবন্দর অবরোধ
প্রেসিডেন্ট নিকোলা সারকোজির সরকারের নেওয়া পেনশন সংস্কার কার্যক্রমে সরকারি কর্মীদের অবসর নেওয়ার বয়স ৬০ থেকে বাড়িয়ে ৬২ বছর এবং পূর্ণ অবসরকালীন ভাতা পাওয়ার বয়সসীমা ৬৫ থেকে বাড়িয়ে ৬৭ বছর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মূলত এর বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ জানাতে ফ্রান্সজুড়ে সপ্তাহ খানেক ধরে ধারাবাহিকভাবে ধর্মঘট ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছে বিভিন্ন শ্রমিক সংঘ। তারা দেশের প্রধান তেল শোধনাগারগুলো অবরোধ করে রেখেছে। এতে পুরো ফ্রান্সে তেল সরবরাহে মারাত্মক সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া দেশের ৫৮টি পরমাণু চুল্লির মধ্যে কমপক্ষে ১২টি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বুধবার থেকে বিদ্যুৎ আমদানি শুরু করেছে ফরাসি সরকার।
গতকালের বিক্ষোভেও ফ্রান্সের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসে। পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। বিক্ষোভে বিপুলসংখ্যক ছাত্রী অংশ নেওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সহিংস বিক্ষোভে ছাত্রীদের জড়িয়ে পড়ার ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট সারকোজি।
জ্বালানি তেল সরবরাহে সমস্যা অব্যাহত থাকায় দেশের চার ভাগের এক ভাগ পেট্রলপাম্প তেলশূন্য হয়ে পড়েছে। পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়াকে ‘চোর-পুলিশ খেলা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন শ্রমিক সংঘগুলোর নেতারা। সে দেশের পূর্বাঞ্চলীয় শহর লিওঁতে লুটতরাজ ও বিক্ষোভের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সারকোজি বলেছেন, ঝামেলাকারীরাই শেষ কথা বলবে না।
রাজধানী প্যারিসে এক আলোচনা সভায় সারকোজি বলেন, ‘এটা গ্রহণযোগ্য নয়, তাদের গ্রেপ্তার করা হবে এবং শাস্তি দেওয়া হবে। তাদের প্রতি কোনো দুর্বলতা দেখানো হবে না।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রাইস অর্তেফুঁ জানান, গতকাল পর্যন্ত এক হাজার ৯০০-র বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ ১০ বছর বয়সী শিশুদেরও গ্রেপ্তার করেছে। তাদের কিশোর আদালতে পাঠানো হবে। একটি কনটেইনারে আগুন দেওয়ায় ১৮ বছরের এক ছাত্রীকে এরই মধ্যে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
ফ্রান্সের প্রভাবশালী শ্রমিক সংঘ সিজিটির প্রধান বার্নার্ড থাইবল্ট বলেন, ‘সরকারের এ ধরনের কঠোর অবস্থানের পর এই বিক্ষোভ থামানোর কোনো কারণ নেই। আগামী সপ্তাহে আরও কঠোর কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানাচ্ছি আমরা। সম্ভাব্য কঠোরতম কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে যাব আমরা।’
এদিকে গতকাল ভোরের দিকে একদল আন্দোলনকারী মার্শেই বিমানবন্দরের প্রবেশপথগুলোয় অবরোধ করে। সকাল আটটার দিকে পুলিশ গিয়ে অবরোধকারীদের হটিয়ে দেয়। তুলোজে শহরে ও মেডিটেরেনিয়ান বন্দরের প্রবেশের রাস্তায় আবর্জনা ফেলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। পুলিশ গিয়ে সেগুলো পরিষ্কার করে। শহরের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও ধর্মঘটে রয়েছেন। ফ্রান্সে এই পরিস্থিতির কারণে প্যারিসে কনসার্টে অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও মার্কিন সংগীতশিল্পী লেডি গাগা তা বাতিল করেছেন।
সারকোজির সরকারের এই সংস্কার প্রস্তাব ইতিমধ্যে জাতীয় পরিষদে অনুমোদন পেয়েছে এবং সেটি এখন সিনেটে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। আজ শুক্রবার সিনেটে এই সংস্কার প্রস্তাব তোলা হতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাজেট ঘাটতি কমানোর জন্য এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন জরুরি। কিন্তু শ্রমিক সংঘগুলো তা মানতে চাইছে না। তারা বলছে, ঘাটতি মোকাবিলায় সরকার বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাইতিতে কলেরা ১৩৮ জনের মৃত্যু
জাতিসংঘ কর্মকর্তারা জানান, রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সের উত্তরে লোয়ার আর্টিবোনাইট এলাকায় এসব লোক মারা গেছে বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে (ডব্লিউএইচও) জানায়। আক্রান্ত হয়েছে দেড় হাজারের বেশি মানুষ। সেন্ট্রাল প্লাশিউ এলাকায়ও সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। হাইতির স্বাস্থ্যমন্ত্রী অ্যালেক্স লার্সেন ও স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক গ্রাবিয়েল থিমোটে জানান, প্রাথমিক পরীক্ষায় এসব মানুষের মৃত্যুর কারণ কলেরা বলে ধারণা করা হচ্ছে। থিমোটে বলেন, ‘এ পর্যন্ত ১৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩টির ফলাফল থেকে মৃত্যুর কারণ কলেরা বলে আভাস পাওয়া গেছে।’
হাইতিতে গত ১২ জানুয়ারি ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে কমপক্ষে তিন লাখ মানুষ মারা যায়। আশ্রয়হীন হয় প্রায় ১৫ লাখ মানুষ। এর পর থেকে হাজার হাজার মানুষ বিভিন্ন আশ্রয়শিবিরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করছে। ভূমিকম্পের পর থেকে সে দেশে কলেরার মতো রোগ মহামারি আকারে দেখা দেওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছিল।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রিটিশ পারমাণবিক ডুবোজাহাজ চরে আটকা
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘এটা কোনো পারমাণবিক দুর্ঘটনা নয়। আমরা উদ্ধারকাজ শুরু করেছি। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ডুবোজাহাজটি এখনো পানিনিরোধক অবস্থায় আছে। কোনো ধরনের পরিবেশ বিপর্যয় ঘটার ইঙ্গিত মেলেনি।’
প্রতিরক্ষা দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ডুবোজাহাজটি ৩৮টি টর্পেডো ও টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম। এটি ‘স্টিলথ’ প্রযুক্তিসম্পন্ন একটি ডুবোজাহাজ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অচলাবস্থা নিরসনের উদ্যোগ জোরদার করার আহ্বান জাতিসংঘের
বিবৃতিতে বলা হয়, নিরাপত্তা পরিষদের সব সদস্য নেপালের শান্তি-প্রক্রিয়ায় সমর্থন দেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে। বিবৃতিতে দেশটির সব রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে কাজ করা ও সমঝোতার মনোভাব নিয়ে তাদের অঙ্গীকার পূরণের আহ্বান জানানো হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রাজনৈতিক দলগুলো একত্রে কাজ করলে ১৫ জানুয়ারির মধ্যেই শান্তি-প্রক্রিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো শেষ করা সম্ভব। আগামী জানুয়ারিতেই জাতিসংঘের নেপাল মিশন (ইউএনএমআইএন) শেষ করার কথা রয়েছে। এর আগেই শান্তি-প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাজগুলো শেষ করার আহ্বান জানানো হয়।
নেপাল বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলোর একটি। কয়েক মাস ধরে দেশটিতে কার্যকর কোনো সরকার না থাকায় সেখানে তীব্র অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিয়েছে।
নেপালের ৬০১ আসনের সাংবিধানিক পরিষদ ১০ অক্টোবর ১২তম বারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করতে ব্যর্থ হয়। কোনোবারই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ভোট পাচ্ছেন না প্রার্থীরা। ২৬ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে আবারও ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশের নাম, পতাকা ও জাতীয় সংগীত পরিবর্তন করল মিয়ানমার
উল্লেখ্য, এর আগে ১৯৮৯ সালে দেশটির নাম বার্মা থেকে মিয়ানমারে পরিবর্তন করে জান্তা সরকার।
মিয়ানমারে নতুন জাতীয় পতাকার ওপরে থাকবে হালকা সবুজ, মাঝখানে থাকবে গাঢ় সবুজ ও নিচে থাকবে লাল রং। আর আনুভূমিক এই তিনটি ডোরার মাঝখানে থাকবে সাদা রঙের একটি তারকা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি আরবের কাছে ছয় হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি হবে
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক-সামরিকবিষয়ক সহকারী মন্ত্রী অ্যান্ড্রু শাপিরো জানান, এ পরিকল্পনার আওতায় সৌদি আরবের কাছে ৮৪টি এফ-১৫ জঙ্গি বিমান, ৭০টি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার, ৭২টি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার, ৩৬টি হালকা হেলিকপ্টার এবং লেজারচালিত বোমা বিক্রি করা হবে। ৭০টি ব্যবহূত এফ-১৫ বিমান সংস্কার ও নবায়নের কাজও রয়েছে।
শাপিরো সাংবাদিকদের বলেন, মোট বিক্রির পরিমাণ ‘ছয় হাজার কোটি ডলারের বেশি হবে না।’ ওবামা প্রশাসন অস্ত্র বিক্রির এ সিদ্ধান্ত কংগ্রেসকে জানিয়েছে। কংগ্রেসের চুক্তিটি সংশোধন এবং সম্পাদনে বিলম্ব করার ক্ষমতা রয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, কংগ্রেসে এটি খুব বেশি বাধার সম্মুখীন হবে বলে তাঁরা মনে করেন না।
আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলা করা সৌদি আরবকে এ বিপুল অস্ত্র বিক্রির অন্যতম উদ্দেশ্য।
চুক্তি সম্পাদনের পর অস্ত্রগুলো সৌদি আরবে পাঠাতে ১৫ থেকে ২০ বছর লাগবে। সহকারী মন্ত্রী অ্যান্ড্রু শাপিরো আরও বলেন, ‘এ ঘোষণার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোর জন্য এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া হলো যে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সম্ভারকে কেন্দ্র করে সৌদি আরব বেশ কিছুদিন থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক মাস ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে এ অস্ত্রচুক্তি নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছিল। তিনি বলেন, ‘এ অস্ত্র দিয়ে সৌদি আরব নিজের প্রতিরক্ষার পূর্ণ ক্ষমতা অর্জন করবে।’
মার্কিন বিমান ও অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং এএফপির প্রশ্নের জবাবে ই-মেইলে জানিয়েছে, তারা এ চুক্তির আওতায় দুই হাজার ৪০০ কোটি ডলার আয় করার প্রত্যাশা করছে। এ প্রকল্পে বোয়িংয়ের ৭৭ হাজার কর্মচারী যুক্ত থাকবে।
গত মাসে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ফিলিপ ক্রাউলি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা আনার লক্ষ্যে এবং ইরানের হুমকি মোকাবিলায় সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মতো দেশগুলোর সঙ্গে বড় ধরনের অস্ত্রচুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থের জন্য অনুকূল।
আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাবিষয়ক সহকারী প্রতিরক্ষামন্ত্রী আলেকজান্ডার ভার্সবো জানান, এ অস্ত্রচুক্তির চূড়ান্ত অনুমোদনের পর এটি বাস্তবায়ন করতে ১৫ থেকে ২০ বছর সময় লাগবে।
ইতিপূর্বে সৌদি আরবের সঙ্গে অস্ত্রচুক্তির সময় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের সমর্থকেরা বিরোধিতা করেছে। তবে অ্যান্ড্রু শাপিরো বলেন, এবার এ চুক্তি নিয়ে কেউ বিরোধিতা করবে বলে তাঁরা মনে করছেন না। তিনি বলেন, সৌদি আরবকে যেসব অস্ত্র দেওয়া হচ্ছে তা ইসরায়েলের সামরিক সামর্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘মিয়ানমারের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় চোখ বুজে আছে’
অমর্ত্য সেনের শৈশবের একটি অংশ কেটেছে মিয়ানমারে। সে দেশের সামরিক জান্তা ২০ বছরের মধ্যে প্রথম নির্বাচনের আয়োজন করেছে। আগামী ৭ নভেম্বর নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হওয়ার কথা। জান্তা শাসকগোষ্ঠী মিয়ানমারে সব ধরনের বিদেশি পর্যবেক্ষক, সংবাদমাধ্যমকে নিষিদ্ধ করেছে এবং দেশটির নোবেল পুরস্কার বিজয়ী গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চিকে গৃহবন্দী করে রেখেছে।
অমর্ত্য সেন বলেন, আন্তর্জাতিক সমস্যাগুলোর মধ্যে এ মুহূর্তে মিয়ানমারের নির্বাচনের চেয়ে সম্ভবত আর কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নেই। নির্বাচনের পর সব ঠিক হয়ে যাবে—এমন নিষ্পাপ আশা, মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে যে চিত্র পাওয়া যাচ্ছে, তার সঙ্গে সম্পূর্ণ বৈপরীত্য সৃষ্টি করেছে। সামরিক জান্তার প্রচারণা মিয়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টাকে ঘোলা করে ফেলছে।
মিয়ানমারে জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যত অভিযোগ রয়েছে, দ্রুত সেগুলোর তদন্ত শুরু করার জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানান এই অর্থনীতিবিদ।
মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে নিজ দেশ ভারতের অবস্থানেরও কড়া সমালোচনা করেন অমর্ত্য সেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সোমালিয়ায় বিমান ও নৌ অবরোধের আহ্বান
এইউর শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক কমিশনার রামতানি লামামরা নিরাপত্তা পরিষদে বলেন, অবরোধ আরোপ করা হলে সোমালিয়ায় জলদস্যুতা কমবে এবং সেখানকার বিদ্রোহীদের হাতে অস্ত্র পৌঁছানোর পথও বন্ধ হবে।
লামামরা জানান, সোমালিয়ায় বিমান ও নৌ অবরোধ আরোপ এবং আন্তর্জাতিক সেনার সংখ্যা আট হাজার থেকে ২০ হাজারে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এইউ। এ উদ্যোগ সমর্থন করা এবং সেনাদের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ ও সরঞ্জাম বরাদ্দ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সোমালিয়ার দক্ষিণ ও মধ্যবর্তী অঞ্চল এবং রাজধানী মোগাদিসুর একাংশ বর্তমানে আল-কায়েদার সঙ্গে জড়িত আল-সাহাব বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে। তাদের সঙ্গে লড়ছে সরকারি ও এইউর সেনাবাহিনী।
কমিশনার লামামরা বলেন, ‘সোমালিয়ার অস্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তাহীনতা ওই অঞ্চলের অন্যান্য দেশেও ছড়িয়ে পড়ছে। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে এইউ।’
সোমালিয়ায় ২০ হাজার সেনা ও দুই হাজার পুলিশ মোতায়েনের অনুমতি দেওয়ার জন্য তিনি নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানান। অবরোধ ও সেনাসংখ্যা বাড়ানোর এইউর এ পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে সোমালিয়া সরকার। জাতিসংঘে সোমালিয়ার দূত ওমর জামাল বিবিসিকে বলেন, ‘এ মুহূর্তে সোমালিয়া একটি নো-ম্যানস ল্যান্ড, যার যা ইচ্ছা তা-ই করছে।’
নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি রুহাকানা রুগুন্ডা বলেন, এইউর আহ্বান ঠিকই আছে, তবে এ নিয়ে আরও ভাবনাচিন্তার প্রয়োজন আছে।
উগান্ডায় জাতিসংঘ দূত হিসেবে কাজ করছেন রুগুন্ডা। সোমালিয়ায় পাঠানো এইউর বেশির ভাগ সেনা উগান্ডার। সেখানে আরও সেনা পাঠানোর জন্য চাপ দিচ্ছে উগান্ডা।
তবে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্সসহ অন্য কয়েকটি দেশ সোমালিয়ায় এইউ বাহিনীর জন্য অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত।
এদিকে সোমালিয়ায় জাতিসংঘের সংশ্লিষ্টতা এবং পদক্ষেপ সীমিত হওয়ায় সমালোচনা করেছেন সোমালিয়ার দূত লামামরা।
এক বছর ধরে জিম্মি ব্রিটিশ দম্পতি
সোমালিয়ায় জলদস্যুদের হাতে এক বছর ধরে জিম্মি আছে এক ব্রিটিশ দম্পতি। আজ শনিবার তাঁদের জিম্মি অবস্থার এক বছর পূর্ণ হচ্ছে। তার পরও তাঁদের উদ্ধারের তৎপরতায় কোনো অগ্রগতি নেই।
গত বছরের ২৩ অক্টোবর সোমালিয়ার সিসিলিস বন্দরের কাছ থেকে অপহরণ করা হয় পল ও রিশেল চ্যান্ডলারকে। এরপর তাঁদের জিম্মি করে ১০ লাখ মার্কিন ডলার মুক্তিপণ দাবি করে জলদস্যুরা। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার মুক্তিপণ দিতে অস্বীকার করে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু অস্ত্র ছোড়ার কোড বেহাত!
মার্কিন প্রেসিডেন্টের একজন ঘনিষ্ঠ সহকারীর কাছে সাধারণত ওই অতি স্পর্শকাতর কোড থাকে। একটি ব্রিফকেসে তিনি ওই কোড বহন করে থাকেন। ব্রিফকেসটি খোলার জন্য একটি কার্ড ব্যবহার করা হয়, যেটি ‘বিস্কিট’ নামে পরিচিত। আর ব্রিফকেসটিকে বলা হয় ‘ফুটবল’।
হিউ শেলটন জানিয়েছেন, তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সময় তাঁর এক ঘনিষ্ঠ সহকারী ওই কোড হারিয়ে ফেলেন এবং কয়েক মাস তা গোপন রাখেন।
সাধারণত এক মাস পরপর সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের হোয়াইট হাউসে গিয়ে ওই কোড বদল বা যাচাই করে আসার নিয়ম রয়েছে। তা ছাড়া প্রতি চার মাস পরপর কোড বদলানো হয়। সে অনুযায়ী সামরিক কর্মকর্তারা হোয়াইট হাউসে গেলে ওই সহকারী সামরিক কর্মকর্তাদের জানান, কোড প্রেসিডেন্টের কাছে আছে এবং তিনি জরুরি বৈঠকে আছেন।
এভাবে অন্তত দুবার প্রেসিডেন্টের ওই সহকারী সামরিক কর্মকর্তাদের ফিরিয়ে দেন। পরে কোড বদলানোর সময় এলে ওই সহকারী স্বীকার করেন, তিনি কোড হারিয়ে ফেলেছেন।
শেলটন লিখেছেন, প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন এই কোড হারানোর খবর জানতেন না। বইতে শেলটন ঘটনাটিকে শেক্সপিয়ারের হাসির নাটকের অনুসরণে ‘কমেডি অব এররস’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আল-কায়েদা নেতা আওলাকি পেন্টাগনে ভোজ করেছিলেন
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ কয়েক দিন আগে প্রথমবারের মতো পেন্টাগনে আওলাকির মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেওয়ার খবর ফাঁস করে দেয়। ফক্স নিউজের ওই প্রতিবেদনের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে সামরিক মুখপাত্র কর্নেল ডেভ ল্যপান এএফপিকে বলেন, ৯/১১-এর পর আমেরিকায় অবস্থানরত মুসলমান সম্প্রদায় এবং ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা নিতে আওলাকিকে পেন্টাগনে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তিনি সেখানে এসব বিষয়ে বক্তব্য দেন এবং সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ করেন।
ইয়েমেনের বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক আনওয়ার আল-আওলাকি ৯/১১-এর হামলার আগে জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদে ইমামতি করতেন। এ ছাড়া ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত বক্তব্য দেওয়ার জন্যও তিনি বিখ্যাত ছিলেন। টুইন টাওয়ার হামলার কিছুদিন পরই ওই হামলায় অংশ নেওয়া তিনজনের সঙ্গে সিআইএ আওলাকির যোগাযোগ থাকার প্রমাণ পায়। গত বছরের নভেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্ট হুড ক্যাম্পে নিদাল হাসান নামে যে মার্কিন সেনা কর্মকর্তা গুলি চালিয়ে ১৩ মার্কিন সেনাকে হত্যা করেন, তার সঙ্গেও আওলাকির ই-মেইল যোগাযোগ ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। এ ছাড়া আরও কয়েকটি ব্যর্থ হামলার মূল হোতাদের সঙ্গেও তাঁর সরাসরি যোগাযোগ থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে মার্কিন গোয়েন্দারা দাবি করেছেন।
এফবিআইয়ের তদন্তে ৯/১১-এর হামলাকারীদের সঙ্গে আওলাকির যোগসাজশের বিষয়টি ধরা পড়ে। ওই সময় তিনি আত্মগোপনে চলে যান। ধারণা করা হয়, আওলাকি বর্তমানে ইয়েমেনে অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকেই আল-কায়েদা নেতা-কর্মীদের বিভিন্ন নির্দেশনা দিচ্ছেন।
ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ফোর্ট হুড ক্যাম্পে গুলিবর্ষণের ঘটনা তদন্ত করার সময় এফবিআইয়ের কর্মকর্তারা আওলাকির ব্যাপারে পেন্টাগনের কয়েকজন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একজন নারী কর্মকর্তা এফবিআইয়ের তদন্তকারীদের জানান, ভার্জিনিয়ার আলেকজান্দ্রিয়ায় তিনি আওলাকির বক্তব্য শুনে মুগ্ধ হয়েছিলেন। আওলাকি সেখানে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়ে ভাষণ দিচ্ছিলেন। ৯/১১-এর ঘটনার পর পেন্টাগন ইসলাম ধর্ম বিষয়ে বক্তব্য রাখার জন্য একজন আলেমকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নিলে তিনিই আওলাকিকে পেন্টাগনে আনার ব্যবস্থা করেন। পেন্টাগনে তিনি যখন বক্তব্য দেন, তখন সেখানে উপস্থিত কয়েকজন কর্মকর্তা তাঁকে নাজেহাল করেছিলেন বলেও ওই নারী কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘যুক্তরাষ্ট্রে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা তিন গুণ হবে’
সিডিসির গবেষণা দলের প্রধান জেমস বয়েল ও তাঁর সহকর্মীরা তাঁদের প্রতিবেদনে বলেন, বর্তমানে ১০ জন মার্কিনির মধ্যে একজন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। পরবর্তী ৪০ বছরে এ হার বেড়ে পাঁচজনে একজন থেকে তিনজনে একজন হতে পারে।
সিডিসির ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ অ্যান অলব্রাইট উল্লেখ করেছেন, এ হার অত্যন্ত বিপজ্জনক। তিনি জানান, ডায়াবেটিসের এ উচ্চমাত্রার ঝুঁকি এড়াতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক কসরতের মাত্রা ব্যাপকভাবে বাড়াতে হবে।
সিডিসি জানায়, বর্তমানে দুই কোটি ৪০ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকান ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। তাঁদের বেশির ভাগেরই টাইপ-২ ডায়াবেটিস রয়েছে; যা কিনা খাদ্যাভ্যাসে নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যাপ্ত শারীরিক চর্চার অভাবে হয়ে থাকে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইইউ পার্লামেন্টে পাঁচ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি অনুমোদন
পার্লামেন্টে বিলটি পড়ে শোনানোর সময়ই ইইউর সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিনিধি মাতৃত্বকালীন ছুটি ২০ সপ্তাহ করার পক্ষে রায় দেন। এর আগে এ ছুটির মেয়াদ ছিল ১৪ সপ্তাহ। মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়ানোর পাশাপাশি ইইউ প্রতিনিধিরা দুই সপ্তাহের পিতৃত্বকালীন ছুটিও অনুমোদন করেছেন।
পূর্ণ বেতন-ভাতাসহ মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়ানোর অন্যতম বিরোধিতাকারী দেশ ব্রিটেন বলেছে, ছুটি বাড়ানোয় তাদের আগের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি খরচ বাড়বে। বছরে যার পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৩৮০ কোটি মার্কিন ডলার।
উল্লেখ্য, ইউরোপের মধ্যে বর্তমানে ব্রিটেনেই সবচেয়ে বেশি ৫২ সপ্তাহ মাতৃত্বকালীন ছুটি কার্যকর রয়েছে। তবে এ ছুটির কেবল প্রথম ছয় সপ্তাহে ৯০ শতাংশ বেতন পরিশোধ করা হয়। ব্রিটেন বাদে জার্মানিতে ১৪ সপ্তাহ, ফ্রান্সে ১৬ সপ্তাহ ও বেলজিয়ামে ১৫ সপ্তাহ মাতৃত্বকালীন ছুটি কার্যকর রয়েছে।
পর্তুগালের সমাজতন্ত্রপন্থী নেতা এদিতি এস্ত্রেলা পার্লামেন্টে বলেছেন, মাতৃত্বকালীন ছুটির অবশ্যই গ্রহণযোগ্য মানদণ্ড থাকা উচিত। সন্তান জন্মদানের কাজকে সমাজের পুরস্কৃত করা উচিত। সমাজ টিকিয়ে রাখতে সন্তানের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি বলেন, অথচ গুরুত্বপূর্ণ মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ দেশভেদে ভিন্ন ভিন্ন।
এদিকে পার্লামেন্টের কিছু সদস্য আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়ানো হলে দীর্ঘমেয়াদে নারীদের চাকরিপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি হবে। ব্রিটেনের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা এলিজাবেথ লিনি বলেন, ‘আমরা চলমান একটা প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করে দিতে পারি না। পূর্ণ বেতনসহ লম্বা মাতৃত্বকালীন ছুটি দেওয়া হলে ভবিষ্যতে নারীরা চাকরির ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়বেন।’
আইনজীবী সারাহ হেঙ্কজ বলেন, ‘এর ফলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সন্তান নেওয়ার সময় আছে—এমন নারীদের চাকরিদানের ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত হবে।’ ডাচ গ্রিন সদস্য মারজি করনেলিসেন বলেন, ‘আমরা এমন সমাজ চাই না, যেখানে বাবা কেবল উপার্জন করবেন আর মা শুধু সন্তানের দেখাশোনা করবেন।’
মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়ানো-সংক্রান্ত এ বিলটি গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইইউ পার্লামেন্টের নারী অধিকার রক্ষাবিষয়ক কমিটি চূড়ান্ত করে। প্রাথমিকভাবে অনুমোদিত এ বিলের ওপর বিতর্কের জন্য এটি এখন প্রতিটি দেশের সরকারের কাছে পাঠানো হবে। পরে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য বিলটি আবার পার্লামেন্টে তোলা হবে।
এদিকে পার্লামেন্টের সঙ্গে বিরোধিতা করে ইউরোপীয় কমিশন ১৮ সপ্তাহের মাতৃত্বকালীন ছুটি প্রস্তাব করেছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কমিশন এ সুপারিশ করে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুমাত্রায় ভয়াবহ দাবানল ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া
ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তারা জানান, সুমাত্রার কিছু ভূমিমালিক পামগাছ রোপণের জন্য বনের গাছপালায় আগুন ধরিয়ে দিলে ওই দাবানলের সূত্রপাত হয়। এই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। দাবানল প্রতিবেশী সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া সীমান্তের কাছাকাছি চলে গেছে।
ইন্দোনেশিয়ার বন বিভাগের প্রধান নূর হায়দার বলেন, দ্বীপের রিয়াউ প্রদেশের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। বনমন্ত্রী জুলকিলফি হাসান জানান, দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ ইয়ো সুমাত্রার দাবানল নেভাতে ইন্দোনেশিয়াকে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছেন। ধোঁয়ার কারণে পরিবেশদূষণের ব্যাপারে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মালয়েশিয়া বায়ুদূষণ রোধের পাশাপাশি বনে অগ্নিসংযোগকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এ টি এম ওয়াজিউল্লাহ্ বাংলাদেশ চেম্বারের নতুন সভাপতি
বে-গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামসুর রহমান এবং জাহাঙ্গীরনগর হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম যথাক্রমে বিসিআইয়ের নতুন ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি ও সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
বিসিআইয়ের নবনির্বাচিত পরিচালকমণ্ডলীতে অর্ডিনারি বা সাধারণ শ্রেণীর সদস্যরা হলেন মো. মিজানুর রহমান, রুবিনা হামিদ, আবুল কালাম ভূঁইয়া, প্রীতি চক্রবর্তী, শাহ্ আলম লিট, জাহাঙ্গীর আলম, এ কে এম শরিফুর রহমান, মোহাব্বত উল্লাহ, মোহাম্মাদ শাজাহান, মো. রজ্জব শরীফ, মো. ইসমাইল হোসেন, মহিউদ্দিন আহমেদ, শামিম আহমেদ ও দেলোয়ার হোসেন।
অন্যদিকে, বিসিআইয়ের অ্যাসোসিয়েট বা সহযোগী শ্রেণীর পরিচালকেরা হলেন: শহিদুল ইসলাম নিরু, এ কে আজাদ, মোহাম্মদ ওমর ফারুক ভূঁইয়া, মো. আবদুল তাহিদ মজুমদার, এনায়েত উল্লাহ্ সিদ্দিকী, জিয়া হায়দার ও এস এম শাহাব উদ্দিন।
বিসিআইয়ের ২০১০-১২ সাল মেয়াদি কার্যনির্বাহী পর্ষদের পরিচালকেরা সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কৃষিঋণ বিতরণে পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের সঙ্গে ঢাকা ব্যাংকের চুক্তি
এই চুক্তির আওতায় পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের সহযোগিতায় প্রকৃত কৃষকদের মধ্যে ১০ কোটি টাকার কৃষি/পল্লিঋণ বিতরণ করা হবে।
ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খোন্দকার ফজলে রশীদ এবং পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রেসিডেন্ট এ বি এম সিদ্দিকী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই চুক্তিতে সই করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর রহিম, কায়সার তমিজ আমীন ও নিয়াজ মোহাম্মাদ খান, ঋণ প্রশাসনের প্রধান হাইকাল হাশমী, স্পেশাল ক্রেডিট ইউনিটের ইনচার্জ ইমরান আহমেদ, পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক ইকবাল আহমেদ এবং ক্ষুদ্রঋণ পরিচালক সালেহ বিন সামস্সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দারফুরে শরণার্থীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানির অভিযোগ
আফ্রিকান সেন্টার ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিস স্টাডিজের (এসিজেপিএস) এক বিবৃতিতে গতকাল শুক্রবার বলা হয়, এ মাসের শুরুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের দূতেরা উত্তর দারফুরের আবু সৌক ও আল-সালাম শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন। তাঁদের সফরের পর সুদানের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ১৬ জন শরণার্থীকে খুঁজতে শুরু করেন। এই ১৬ জন শরণার্থী আত্মগোপনে ছিলেন। পরে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা দুজনকে গ্রেপ্তার করেন। তাঁদের একজন সফরকালে জাতিসংঘে নিয়োজিত ওয়াশিংটনের দূত সুসান রাইসের সঙ্গে কথা বলেন।
ওই সফরের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের দূত সাংবাদিকদের বলেছিলেন, শরণার্থীরা না-খেয়ে থাকা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির ব্যাপারে তাঁদের কাছে অভিযোগ করেছেন।
এসিজেপিএস এ ধরনের হয়রানি দ্রুত বন্ধের জন্য সুদান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে সরকারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতে নিরাপত্তা বাহিনীর ৭৯৭ সদস্য নিহত
গত বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১০ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এক বছরে নিরাপত্তা বাহিনীর ৭৯৭ জন সদস্য নিহত হয়। গত বছর নিহত হয় ৮৪১ জন। নিহত সদস্যদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে সিআরপিএফ জওয়ান।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের প্রতিনিধিদল ভারত গেছে
প্রতিনিধিদলে সাতজন সরকারি কর্মকর্তা এবং ১৬ জন ব্যবসায়ী প্রতিনিধি রয়েছেন। ব্যবসায়ীদের নেতৃত্ব দেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি এ কে আজাদ।
সূত্র জানায়, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও সহজীকরণ, ভারতের নিষিদ্ধ তালিকা থেকে আরও ৬১টি পণ্য বাদ দেওয়া, বাংলাদেশে ভারতের তুলা রপ্তানিতে জটিলতা এবং বাংলাদেশের পাট রপ্তানিতে অশুল্ক বাধা দূর করা, বিএসটিআইকে শক্তিশালীকরণ, বিনা শুল্কে অবাধে তৈরি পোশাক রপ্তানির সুবিধার দাবি ইত্যাদি বিষয় নিয়ে ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী আনন্দ শর্মার সঙ্গে বৈঠক হবে। প্রতিনিধিদলটি দেশে ফিরবে আগামী রোববার।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একটি শোধনাগার থেকে অবরোধকারীদের উচ্ছেদ
এদিকে গতকাল সংস্কার প্রস্তাবের ওপর সে দেশের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটে চূড়ান্ত ভোটাভুটি হওয়ার কথা। কিন্তু এই প্রস্তাব আইনে পরিণত হওয়ার পরও বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
প্রেসিডেন্ট নিকোলা সারকোজির সরকারের নেওয়া পেনশন সংস্কার কার্যক্রমে সরকারি কর্মচারীদের অবসর নেওয়ার বয়স ৬০ থেকে বাড়িয়ে ৬২ বছর এবং পূর্ণ অবসরকালীন ভাতা পাওয়ার বয়সসীমা ৬৫ থেকে বাড়িয়ে ৬৭ বছর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মূলত এর বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ জানাতে ফ্রান্সজুড়ে সপ্তাহ খানেক ধরে ধারাবাহিকভাবে ধর্মঘট ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইপিওর আইনি শর্ত শিথিল করা হলো
নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) গত মঙ্গলবারের সভায় এ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন (বিদ্যমান ও প্রস্তাবিতসহ) ৩০ কোটি টাকা হলে বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করা যাবে। এ ক্ষেত্রে কোম্পানিটিকে কমপক্ষে ১২ কোটি টাকার শেয়ার ছাড়ার প্রস্তাব করতে হবে। তবে এর পরিমাণ কোনোভাবেই বিদ্যমান ও প্রস্তাবিত পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশের কম হতে পারবে না।
অর্থাৎ কোনো কোম্পানির বিদ্যমান পরিশোধিত মূলধন ১৫ কোটি টাকা হলে কোম্পানিটিকে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে কমপক্ষে ১৫ কোটি টাকার শেয়ার ছাড়তে হবে। তার মানে, এর চেয়ে কম মূলধনের কোনো কোম্পানি বাজারে আসতে চাইলে উদ্যোক্তাদের অংশের চেয়ে বেশি শেয়ার বাজারে ছাড়তে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাধারণত কোনো উদ্যোক্তাই চাইবে না, বেশিসংখ্যক শেয়ারের নিয়ন্ত্রণ অন্যদের হাতে চলে যাক। তাই স্বাভাবিকভাবেই ধরে নেওয়া যায়, ১৫ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের নিচে আর কোনো কোম্পানি বাজারে আসছে না।
আবার কোনো কোম্পানির বিদ্যমান পরিশোধিত মূলধন ১৫০ কোটি টাকা এবং কোম্পানিটির বাজার থেকে তুলতে চায় ১৫ কোটি টাকা—পরিস্থিতি এ রকম হলে শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন পাওয়া যাবে না। কারণ এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান ও প্রস্তাবিত মিলে মূলধনের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ১৬৫ কোটি টাকা। সেই হিসাবে কোম্পানিটিকে ১০ শতাংশ শেয়ার ছাড়ার শর্তানুযায়ী বাজার থেকে তুলতে হবে ন্যূনতম ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। অর্থাৎ কোম্পানির প্রয়োজনের তুলনায় দেড় কোটি টাকা বেশি সংগ্রহের প্রস্তাব দিলেই কেবল শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন পাওয়া যাবে।
এসইসি বলছে, এ সংশোধনের ফলে বিভিন্ন কোম্পানির আইপিওর অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে যে জটিলতা ছিল, তা দূর হবে। ফলে বাজারে শেয়ারেরও সরবরাহ বাড়বে। আবার স্বল্প মূলধনের কোম্পানিকে বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের ব্যাপারে নিরুৎসাহিতও করা যাবে।
বাজার-বিশ্লেষকেরা এসইসির এ সংশোধনীকে স্বাগত জানালেও একই বিষয় নিয়ে বারবার নীতি পরিবর্তনের সমালোচনা করেছেন।
এসইসি গত ১১ মার্চ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নতুন কোম্পানির ক্ষেত্রে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের ব্যাপারে কিছু শর্তারোপ করেছিল। ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, কোনো কোম্পানি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে বাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে চাইলে ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন (বিদ্যমান ও প্রস্তাবিত মিলে) ৪০ কোটি টাকা হতে হবে।
তবে বিদ্যমান ও প্রস্তাবিত মিলে মূলধন ৭৫ কোটি টাকা হলে বাজারে শেয়ার ছাড়তে হবে এর ৪০ শতাংশ। একইভাবে ৭৫ কোটি টাকা থেকে ১৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত পরিশোধিত মূলধনের ক্ষেত্রে আইপিওর আকার হবে ২৫ শতাংশ বা ৩০ কোটি টাকা, এর মধ্যে যেটি বেশি। মূলধন ১৫০ কোটি টাকার বেশি হলে আইপিওর আকার হবে ১৫ শতাংশ বা ৪০ কোটি টাকার মধ্যে যেটি বেশি হয়, সেটি।
জানা গেছে, এসব শর্ত পূরণ না হওয়ায় বেশ কয়েকটি কোম্পানির আইপিওর প্রস্তাব ঝুলে যায়। দুটি কোম্পানির প্রস্তাব ফিরিয়েও দেওয়া হয়। পরিস্থিতি এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়ায়, যাতে এসইসির এসব আইনি শর্তই শেয়ার সরবরাহের ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এসব কারণে শর্তগুলো শিথিল করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
এরও আগে এসইসি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে নতুন কোম্পানির জন্য পরিশোধিত মূলধনের ৪০ শতাংশ শেয়ারবাজারে ছাড়া বাধ্যতামূলক করেছিল। কিন্তু ব্যাপক সমালোচনার মুখে মন্ত্রণালয় সে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানকে ২০০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র
হিলারি বলেন, ‘চরমপন্থীরা যেখানে আমাদের উভয়ের জন্যহুমকি হয়েদাঁড়িয়েছে, সেখানে সন্ত্রাসবিরোধীলড়াইয়েপাকিস্তানের চেয়ে বড় অংশীদার আর নেই।’তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসন কংগ্রেসকে ২০১২ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যেপাকিস্তানকে সামরিক সহায়তা দিতে বলবে।
পাকিস্তানের জন্য গত বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামো নির্মাণসহ বেসামরিক সহায়তা হিসেবে ৭৫০ কোটি ডলারের যে সহায়তা যুক্তরাষ্ট্র অনুমোদন করেছে, এর বাইরে এই সামরিক সহায়তা দেওয়া হবে। ২০০৫ সাল থেকে বছরে ১০০ কোটি ডলার মার্কিন সহায়তা পেয়ে আসছে পাকিস্তান। গত অর্থবছর এ সহায়তার পরিমাণ বেড়ে ২০০ কোটি ডলারে পৌঁছায়। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, জঙ্গিবিরোধী অভিযানে সফলতার জন্য পাকিস্তানের আরও সহায়তার দরকার।
ওয়াশিংটনে দুই দেশের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মধ্যে তিন দিনব্যাপী বৈঠকের শেষ দিনে গতকাল নতুন এ সহায়তার ঘোষণা দেওয়া হয়। কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ বৈঠকে পাকিস্তানের পক্ষে দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল আশফাক পারভেজ কায়ানি যোগ দেন। বৈঠকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নতি করার অঙ্গীকার করেন তিনি।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাকিস্তান ও আফগানিস্তানবিষয়ক উপদেষ্টা ভ্যালি নসর বলেন, পাকিস্তানে গত বছর জঙ্গিবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যার কারণে সেই অভিযানে ভাটা পড়েছে। তিনি বলেন, ‘অতীতে বুশ প্রশাসনের সময় ইসলামাবাদের সঙ্গে ওয়াশিংটনের যে নিরাপত্তা সম্পর্ক ছিল, তা আরও জোরদার করতে চাই। এ ছাড়া পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও ভূমিকা রাখতে চাই।’ নসর বলেন, ‘আমরা কেবল যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়েই নয়, পাকিস্তানের সব মানুষের জন্য জরুরি ক্ষেত্রগুলোতেও সহায়তা দিতে চাই।’
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র পি জে ক্রাউলি কাশ্মীর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের বিষয়টি নাকচ করেছেন। তিনি বলেন, নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদ উভয়ের উচিত দ্বিপক্ষীয়ভাবে বিষয়টির সমাধান করা। পাকিস্তান ও চীনের পারমাণবিক সম্পর্কের বিষয়ে রিচার্ড হলব্রুক বলেন, চীনের সহায়তায় পাকিস্তান সরকার যে একটি বেসামরিক পরমাণু প্রকল্পের কাজ হাতে নিয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চায় ওয়াশিংটন।
ছয় সেনা নিহত: পাকিস্তানের উপজাতীয় এলাকায় গতকাল রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়ে ছয়জন সেনাসদস্য নিহত হয়েছে। এর মধ্যে একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেলও রয়েছেন।
হাসপাতালে হামলা: পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে গতকাল এক বন্দুকধারীর গুলিতে তিনজন আহত হয়েছে। সরকারি একটি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সের মুখপাত্র ওয়াসিম খাজা জানান, জরুরি বিভাগের মূল ফটকের বাইরে থেকে এক ব্যক্তি পিস্তল দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি চালালে এ ঘটনা ঘটে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শেষ ওয়ানডেতে নেই হাসি-বলিঞ্জার
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভয়াবহ খাদ্যসংকটের দিকে যাচ্ছে উত্তর কোরিয়া
মহাসচিব মুনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার কমপক্ষে ৩৫ লাখ নারী ও শিশুর জন্য অবিলম্বে ত্রাণ পাঠানো দরকার। তা না হলে তাদের অবস্থা আরও শোচনীয় হয়ে পড়বে। তবে, উত্তর কোরিয়ার একসময়ের খাদ্যশস্যের অন্যতম জোগানদাতা দক্ষিণ কোরিয়া বলেছে, সেখানে খাদ্য-সহায়তার পরিমাণ বাড়ানোর পরিকল্পনা আপাতত তাদের নেই।
গত শতকের নব্বইয়ের দশকে উত্তর কোরিয়ায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। সে সময় দেশটিতে কয়েক লাখ লোক না খেয়ে মারা যায়। কয়েক বছর ধরে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি না হওয়ায় সেখানে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এর মধ্যে গত আগস্টে চীনের সীমান্তসংলগ্ন উত্তরাঞ্চলীয় এলাকায় অতিবৃষ্টিজনিত বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৯ সালে উত্তর কোরিয়ায় যে পরিমাণ খাদ্যশস্যের উৎপাদন হয়েছে, এ বছর তার এক-পঞ্চমাংশ উৎপাদন সম্ভব হবে। দেশটির বাৎসরিক খাদ্যশস্যের চাহিদা ৩৫ লাখ টন। এই চাহিদা পূরণ করতে দেশটিকে এ বছর ১১ লাখ টন খাদ্যশস্য আমদানি করতে হবে।
ইউনিসেফের উদ্ধৃতি দিয়ে বান কি মুন বলেছেন, উত্তর কোরিয়ায় প্রতিবছর পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় ৪০ হাজার শিশু অপুষ্টির শিকার হয়। এদের মধ্যে ২৫ হাজার শিশুকে হাসপাতালে চিকিৎসা দিতে হয়। তিনি বলেন, বিশুদ্ধ খাওয়ার পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানার অভাবে সেখানে শিশুদের ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে। এ কারণে অনেক শিশু মৃত্যুমুখে পতিত হচ্ছে।
জাতিসংঘের সহায়তায় সরকারের পরিচালিত একটি জরিপে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবারের অভাবে উত্তর কোরিয়ার এক-তৃতীয়াংশ লোকের স্বাভাবিক দৈহিক বৃদ্ধি হয় না। কোনো কোনো অঞ্চলে এই হার ৪৫ শতাংশ।
দক্ষিণ কোরিয়া ইতিপূর্বে উত্তর কোরিয়াকে প্রতিবছর চার লাখ টন চাল ও তিন লাখ টন সার সরবরাহ করত। কিন্তু দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি ঘটায় ২০০৮ সালে সিউল ওই সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।
পরমাণু পরীক্ষার আলামত: একটি মার্কিন স্যাটেলাইটে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু পরীক্ষার এলাকায় পরমাণু তৎপরতা বাড়ানোর আলামত ধরা পড়েছে বলে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি সূত্র দাবি করেছে। গত বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ার একটি দৈনিকের এক প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়া তৃতীয়বারের মতো পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে মার্কিন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাফের সব পরিকল্পনা কাগজে-কলমেই
দুবাইতে ফিফার সদস্য সংস্থাগুলোর পেশাদারি বিষয়ে সেমিনারের এক ফাঁকে সাফের সভা হয়েছে গত ১৮ অক্টোবর। সভায় যোগ দেন সাফ ও বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন এবং বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আল মুসাব্বির সাদী। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোই কাল জানাল বাফুফে।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, আগামী বছর সেপ্টেম্বরে হবে সাফ ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ। দিন-তারিখ অবশ্য ঠিক হয়নি। সাফের ৮ দেশের শীর্ষ ৮ ক্লাবের খেলার কথা। দল কম হলে আয়োজক দেশের দুটি দল খেলবে। কিন্তু কোথায়, কোন ফরম্যাটে হবে প্রতিযোগিতা? ‘আমরা চাইছি, বাংলাদেশে সাফ চ্যাম্পিয়নস লিগ আয়োজন করতে। তবে দিনক্ষণ এবং ফরম্যাট ঠিক হয়নি’—বলেছেন সালাউদ্দিন।
সপ্তম সাফ ফুটবল হবে ভারতে—চূড়ান্ত হয়েছিল আগেই। সময় ও ভেন্যু ঠিক হওয়াই বাকি। কিন্তু ভারতের কোন শহরে হবে, সেটা ঝুলেই থাকল। ‘দিল্লি অথবা গোয়ায় আগামী সাফ ফুটবল হতে পারে’—সালাউদ্দিন শুধু এটুকুই নিশ্চিত করতে পেরেছেন।
প্রস্তাবিত সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ টুর্নামেন্ট নিয়েও পুরোনো কথাই নতুন করে জানানো হয়েছে। আগামী বছর জুলাই-আগস্টে সাফের ৮ দলের সঙ্গে আসিয়ান এবং মধ্য এশিয়া থেকে একটি করে দল খেলবে। আর সব আয়োজনের মতো এটির ভেন্যুও ঠিক হয়নি।
এত সব ‘হবে’-‘হচ্ছে’র মধ্যে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাফ। এশিয়ান কাপ ফুটবলে সাফ ও মধ্য এশিয়া থেকে তিনটি দলকে সুযোগ দেওয়ার জন্য এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনকে অনুরোধ জানানো হবে। এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুবাদে আগামী এশিয়ান কাপে খেলছে ভারত। অন্যদের সেই সামর্থ্য নেই। তাই কোটার প্রস্তাব!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ম্যারাডোনার উত্তরসূরি ২ নভেম্বর
ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে আর্জেন্টিনার শীর্ষ ক্লাবগুলোর প্রতিনিধি নিয়ে। আর্জেন্টিনার প্রিমেরা ডিভিশনের ক্লাব আর্সেনাল ডি সারান্দির প্রেসিডেন্ট ও এফএ প্রেসিডেন্ট হুলিও গ্রন্দোনার ছেলে হুলিতো গ্রন্দোনাসহ কমিটিতে আছেন লুইস সেগুরা (আর্জেন্টিনস জুনিয়র্স), জারমান লারচে (কোলন), মারিও কন্ট্রিয়াস (গোডয় ক্রুজ), এএফএর ভাইস প্রেসিডেন্ট কার্লোস ক্রেসপি (বোকা জুনিয়র্স) ও ডিয়েগো টার্নেস (রিভারপ্লেট)।
২ নভেম্বর নতুন কোচের নাম জানানোর পরদিনই ব্রাজিল ম্যাচের জন্য দল নির্বাচন করবেন নতুন কোচ। ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচটি হবে ১৭ নভেম্বর, কাতারে। আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমের খবর, বাতিস্তাকে নাকি নির্বাচন করা হয়েও গেছে। ২ নভেম্বর স্রেফ আনুষ্ঠানিকতা সারা হবে। বাতিস্তা নাকি তাঁর টেকনিক্যাল টিম গোছানোও শুরু করে দিয়েছেন। এঁদের মধ্যে দেখা যেতে পারে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতাকে!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিইও পদ নিয়ে কেন টানাটানি
এ নিয়ে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ পরিষ্কার দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। পেশাদার ক্রিকেট বোর্ডে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার বিকল্প নেই এবং সভাপতিসহ বিসিবির শীর্ষ পর্যায়ের একটা অংশও তা-ই মনে করে। কিন্তু আরেকটি অংশ সিওওতেই দেখছে ‘সমাধান’। কিসের সমাধান সেটা অবশ্য আলোচনাসাপেক্ষ। কারণ, সিইও থাকলে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাঁর ওপর বোর্ড কর্মকর্তাদের খবরদারির সুযোগ নেই, সিওও হলে যা অনায়াসে করা হবে। তবে ‘সিইও, নাকি সিওও’ প্রশ্নের আগে ২৪ অক্টোবরের সভা উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে একটি মৌলিক প্রশ্নে—বার্ষিক সাধারণ সভায় কি আদৌ কোনো সংশোধনীর প্রস্তাব তোলা যায়? গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তো সেটা হতে হবে বোর্ডের জরুরি সভায়! বোর্ড সভাপতি আ হ ম মোস্তফা কামাল কাল পরিষ্কারভাবেই জানিয়েছেন, ‘বার্ষিক সভায় সংশোধনী প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার সুযোগ নেই। গঠণতন্ত্রে যদি কোনো পরিবর্তন আনতেই হয়, আগে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। সিদ্ধান্তের জন্য ইজিএম (জরুরি সাধারণ সভা) ডাকতে হবে।’ বিসিবির শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক পরিচালকও বলেছেন একই কথা।
বার্ষিক সভার বিবরণী কাউন্সিলরদের কাছে আগেই পাঠিয়ে দেওয়া হলেও সংশোধনী প্রস্তাব ঢাকার কাউন্সিলররাই হাতে পেয়েছেন মাত্র দু-তিন দিন আগে। বোর্ড সভাপতি অবশ্য এর চেয়েও গুরুতর একটা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘কাউন্সিলরদের কাছে কার অনুমতি নিয়ে খসড়া সংশোধনী পাঠানো হয়েছে? বোর্ডে এ নিয়ে কোনো আলোচনাই হয়নি। আর এটা এজিএমের আলোচ্যসূচিতেও নেই।’
সংশোধনী প্রস্তাবের যে খসড়াটি কাউন্সিলরদের হাতে গেছে, সেটি বিসিবির গঠণতন্ত্র কমিটির আহ্বায়ক দেওয়ান সফিউল আরেফিন স্বাক্ষরিত। সংশোধনী প্রস্তাব জরুরি সভায় তুলতে হয়, এটা মেনেও তিনি বলেছেন, ‘কথা ছিল, একই দিনে এজিএম ও ইজিএম হবে। আমাদের প্রস্তুতিও সেভাবেই ছিল। কিন্তু যেকোনো কারণেই হোক ইজিএম বাতিল করা হয়েছে। তার পরও সদস্যদের অবহিত করতে আমি বার্ষিক সভায় খসড়া সংশোধনীটি তুলব। এরপর হাউস যেটা চায় হবে। বোর্ডের দেওয়া দায়িত্ব তো আমাকে পালন করতে হবে। বার্ষিক সভায় যেকোনো সদস্য প্রয়োজনে জরুরি কোনো বিষয় আলোচনার জন্য তুলতে পারেন, গঠনতন্ত্রে এ কথা বলা আছে।’
সংশোধনী প্রস্তাব নিয়ে বোর্ড সভায় আলোচনা হয়নি—এ বক্তব্যেরও প্রতিবাদ করেছেন সফিউল আরেফিন, ‘অন্তত ছয়-সাতটা সভায় এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সর্বশেষ গত ২২ আগস্টের সভার আগে সব পরিচালককে চূড়ান্ত খসড়া সংশোধনীর কপি পাঠিয়ে তাদের মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে। যারা বলছে বোর্ডে এ নিয়ে আলোচনা হয়নি, তারা যদি প্রমাণ করতে পারে, আমি মিথ্যে বলছি বা ওই খসড়ার একটা লাইন বদলানো হয়েছে, আমি বোর্ডে থাকব না। আর যদি তারা সেটা প্রমাণ না করতে পারে, তাহলে তাদেরও বোর্ডে থাকার নৈতিক অধিকার নেই।’
বিসিবিতে যাঁরাই থাকুন না থাকুন, পেশাদার ক্রিকেটের এই যুগে সিইও থাকাটা খুবই জরুরি। আইসিসিও প্রধান নির্বাহীর ধারণাটিকেই সমর্থন করে বলে প্রতিবছর আইসিসির বোর্ড সভার আগে যে সভাটিতে গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের সভা। প্রধান পরিচালন কর্মকর্তাদের নয়। সিইও বোর্ডের সিদ্ধান্ত যেমন বাস্তবায়ন করেন, তেমনি তিনি নিজেও কিছু ক্ষমতার অধিকারী থাকেন। অন্যদিকে সিওও পুরোই ‘চাঁদ’। নিজস্ব কোনো আলো নেই, তিনি ‘আলোকিত’ হবেন বোর্ড পরিচালকদের ‘আলো’য়। এমনকি আইসিসির প্রধান নির্বাহীদের সভায়ও তখন যাবেন কোনো একজন বোর্ড পরিচালক।
কোনো সন্দেহ নেই পরিচালকদের একাংশ সেই ‘আলো’ ফেলতেই বিসিবিতে সিওও আনতে চাচ্ছেন। তবে এ ব্যাপারে সফিউল আরেফিনের ব্যাখ্যা, ‘সিইও বোর্ডের সিদ্ধান্তের বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত নিলে সংঘাতের আশঙ্কা থাকে। সিইওর সিদ্ধান্ত বোর্ড না মানলে সেটার বৈধতা কী? বিসিবির বিভিন্ন কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো চেয়ারম্যানরাই নিয়ে থাকেন। সবকিছু মিলিয়ে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটের সঙ্গেই সিইও ধারণা যায় না।’ তবে সিওও ধারণার ঘোর বিরোধী বোর্ড সভাপতি মোস্তফা কামাল তাঁর অবস্থানেই অটল, ‘আমি থাকতে বিসিবিতে কখনো সিওও আসবে না। বোর্ড পরিচালকেরা থাকবেন নীতিনির্ধারণে, সিইও এবং তাঁর অফিস সেটা বাস্তবায়ন করবেন—এটাই হয় পেশাদার বোর্ডে। বিসিবিও সেভাবেই চলবে।’
বার্ষিক সভার আগে দ্বন্দ্বটা প্রকাশ্যে এলেও ‘সিইও, না সিওও’ প্রশ্নে অনেক দিন ধরেই বিভক্ত বিসিবি। নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে যে আড়াই বছরের মতো লাগল, সেটারও একটা বড় কারণ এই দ্বন্দ্ব।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গতিময় ত্রয়ীকে নিয়ে রোমাঞ্চিত পন্টিং
তিনজনের মধ্যে সর্বজ্যেষ্ঠ ব্রেট লি দীর্ঘদিন পর সম্প্রতি ফিরেছেন মাঠে। ঘরোয়া ওয়ানডেতে নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়ে দুই ম্যাচে নিয়েছেন ৪ উইকেট। ভারতের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত টেস্ট সিরিজে দারুণ বোলিং করেছেন মিচেল জনসন। আর গত বিশ্বকাপ জয়ে বড় ভূমিকা রাখা টেইট গত কিছুদিনে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। বাহুতে অস্ত্রোপচারের জন্য এখন মাঠের বাইরে আছেন টেইট। তবে চোটটা গুরুতর কিছু নয়, মাঠে ফিরবেন শিগগিরই।
উপমহাদেশের উইকেট কখনোই ফাস্ট বোলিংয়ের সহায়ক নয়। তবে এই তিনজনেরই আছে দারুণ একটা সম্পদ—গতি। একটু বেশি গতি পার্থক্য গড়ে দিতে পারে যেকোনো উইকেটেই। তিনজনকে একসঙ্গে পাওয়ার আশায় তাই রোমাঞ্চিত পন্টিং। তবে আশার পাশে আছে শঙ্কাও। ইনজুরির সঙ্গে এই তিনজনের সখ্যটা জানেন বলেই সতর্ক অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক তিনজনকেই পরামর্শ দিয়েছেন নিজেদের ফিট রাখতে, ‘একসঙ্গে ব্রেট, টেইট ও জনসনকে পাওয়া যেকোনো অধিনায়কের জন্যই হবে দারুণ রোমাঞ্চকর। আশা করি, টেইট ও লি নিজেদের চোটমুক্ত রাখতে পারবে। বিশেষ করে লি যদি ফিট থাকে তাহলে বিশ্বকাপে ও আমাদের জন্য হতে পারে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তৃতীয় ওয়ানডে: জিম্বাবুয়ে ৯৫/৬ (২০ ওভার), বিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৯৯/৬
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দ. আফ্রিকা জিতল ২৭২ রানে
আমলার সামনে সুযোগ ছিল টানা তৃতীয় ম্যাচে সেঞ্চুরির রেকর্ড ছোঁয়ার। সেটা না পারলেও গ্রায়েম স্মিথকে নিয়ে দলকে উড়ন্ত সূচনা ঠিকই এনে দিয়েছেন। উদ্বোধনী জুটিতে দুজন তুলেছেন ৩৩ বলে ৫৩। তৃতীয় উইকেটে ডি ভিলিয়ার্স ও ডুমিনি গড়েছেন ২১৯ রানের জুটি। আগের ম্যাচে ৭২ বলে সেঞ্চুরি করা ডি ভিলিয়ার্স কাল সেঞ্চুরি করেছেন ৯১ বলে। ডুমিনির সেঞ্চুরিতে লেগেছে ৯৬ বল। আলবি মরকেল (২১ বলে ৩৭) ও ডেভিড মিলারের (১৯ বলে ৩৩) ‘ক্যামিও’তে শেষ ১০ ওভারে এসেছে ১১৪ রান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: দক্ষিণ আফ্রিকা ৫০ ওভারে ৩৯৯/৬ (ডুমিনি ১২৯, ডি ভিলিয়ার্স ১০৯, শিঙ্গিরাই মাসাকাদজা ২/৯৫), জিম্বাবুয়ে: ২৯ ওভারে ১২৭ (টাইবু ২৮, উতসেয়া ২৪* থেরন ৩/১৮, পারনেল ২/৩০, বোথা ২/৩২, মরকেল ২/৩৫)।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সাহায্য করতে চান রিচার্ডস
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের সোনালি যুগের অবিচ্ছেদ্য অংশ রিচার্ডস বর্তমান দুরবস্থার জন্য দায়ী করেছেন বোর্ডকে, ‘অনেক দিন ধরেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ গড়পড়তা মানের দল এবং এতেই তারা খুশি। কিন্তু ঝামেলা হলো, গড়পড়তা মানেই যদি কোনো দল সন্তুষ্ট থাকে তাহলে সেটি ধরে রাখাও কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের সমস্যা হলো, অতীতে যারা সাফল্য পেয়েছে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটে তাদের কাজে লাগাতে বোর্ডের কোনো আগ্রহ নেই।’
‘যারা সাফল্য পেয়েছে’ বলে কি রিচার্ডস নিজের দিকেই ইঙ্গিত করছেন? উত্তরটা সরাসরিই দিয়েছেন রিচার্ডস, ‘হ্যাঁ, আমি আমার মতো লোকদের কথাই বোঝাচ্ছি। তারা ভাবতে পারে আমি সমালোচনা করছি, কিন্তু আমি আসলে ইতিবাচকভাবে ভাবছি। আমি সাহায্য করতে চাই। কারণ ক্রিকেট বদলায়নি। প্রযুক্তি বদলেছে, কিন্তু ক্রিকেট মানে এখনো ব্যাট-বলের লড়াই।’ বোর্ডের প্রতি রিচার্ডসের অভিমান থাকার যথেষ্ট কারণ আছে। খেলাটার ইতিহাসের সেরাদের একজন মনে করা হয় তাঁকে। ১২১ টেস্টে ৫০.২৩ গড়ে করেছেন ৮৫৪০ রান, ১৪৭ ওয়ানডেতে ৪৭ গড়ে ৬৭২১ রানের পাশাপাশি উইকেট নিয়েছেন ১২১টি। দারুণ সফল অধিনায়ক হিসেবেও। ৫০ টেস্টে নেতৃত্ব দিয়ে জয়ের হার শতকরা ৫৪, ১০৫ ওয়ানডেতে জয়ের হার ৬৫.০৪। অথচ একবার কোচ ও প্রধান নির্বাচক হলেও থাকতে পারেননি লম্বা সময়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটকে খুব বেশি সাহায্য করতে না পারার আক্ষেপ করেছেন অনেকবার।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের ব্যর্থতার কারণটাও ভালোই জানা আছে রিচার্ডসের, ‘প্রতিভা নিয়ে সমস্যা নেই, সমস্যা আচরণ ও মানসিকতায়। লিভারপুলের দিকে তাকান। ওদের প্রতিভার অভাব নেই, কিন্তু মানসিকতা ঠিক নেই। প্রতিভার দিক থেকে এই দলের সঙ্গে আমার সময়ের পার্থক্য খুব বেশি নয়। সমস্যা প্রতিভাকে পারফরম্যান্সে রূপ দিতে না পারায়। আমি এখানেই দলকে সাহায্য করতে পারি।’
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড এখন এটা বুঝলেই হয়!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1298)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
October
(964)
-
▼
Oct 24
(66)
- রহস্য গল্প- 'আসল খুনি' সৌজন্যে কিশোরকন্ঠ
- আলোচনা- 'নজরুল গবেষক শাহাবুদ্দীন আহমদ' by শরীফ আবদ...
- ফিচার- 'মোরা বড় হতে চাই' by আহসান হাবীব ইমরোজ
- ইসলামী গল্প- 'সেনাপতির নির্দেশ' by কায়েস মাহমুদ
- ইসলামী গল্প- 'বয়ে যায় নিরন্তর' by কায়েস মাহমুদ
- ইসলামী গল্প- 'ভালোবাসার বিশাল' by আকাশ কায়েস মাহমুদ
- মানুষের সেবার জন্য ব্যবসাটা করি by সৈয়দা আখতার জাহান
- যুক্তরাষ্ট্রের ‘মধ্যবর্তী নির্বাচন’ by আলী রীয়াজ
- প্রতিশ্রুতি পালনের নির্দেশনা by মুহাম্মদ আবদুল মুন...
- দুর্ঘটনার হালচাল by আতাউর রহমান
- ধর্মীয় আবেগের আচ্ছাদনে রাজনীতি by এবিএম মূসা
- সাহসী শিক্ষকের দেখানো পথ
- গোর্খা ব্রিগেড ভেঙে দেবে না যুক্তরাজ্য
- নয় মাসে গ্রামীণফোনের আয় বেড়েছে ১৪ শতাংশ
- তালেবান নেতাদের প্রতি অস্ত্র সমর্পণের আহ্বান
- ভারতে প্রতিবছর ম্যালেরিয়ায় মারা যায় ২ লাখ মানুষ
- বিহারে বিধানসভার নির্বাচনে প্রথম দফার ভোট গ্রহণ
- করাচিতে নিরাপত্তা বাহিনীর জোর টহল
- চাঁদে পানিসহ রাসায়নিক উপাদানের প্রমাণ
- ফ্রান্সে পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ, বিমানবন্দর অবরোধ
- হাইতিতে কলেরা ১৩৮ জনের মৃত্যু
- ব্রিটিশ পারমাণবিক ডুবোজাহাজ চরে আটকা
- অচলাবস্থা নিরসনের উদ্যোগ জোরদার করার আহ্বান জাতিসংঘের
- দেশের নাম, পতাকা ও জাতীয় সংগীত পরিবর্তন করল মিয়ানমার
- সৌদি আরবের কাছে ছয় হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি...
- ‘মিয়ানমারের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় চোখ বুজ...
- সোমালিয়ায় বিমান ও নৌ অবরোধের আহ্বান
- যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু অস্ত্র ছোড়ার কোড বেহাত!
- আল-কায়েদা নেতা আওলাকি পেন্টাগনে ভোজ করেছিলেন
- ‘যুক্তরাষ্ট্রে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা তিন গুণ হবে’
- ইইউ পার্লামেন্টে পাঁচ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি অনুমোদন
- সুমাত্রায় ভয়াবহ দাবানল ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন সিঙ্গাপুর ও ...
- এ টি এম ওয়াজিউল্লাহ্ বাংলাদেশ চেম্বারের নতুন সভাপতি
- কৃষিঋণ বিতরণে পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের সঙ্গ...
- দারফুরে শরণার্থীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানির অভিযোগ
- ভারতে নিরাপত্তা বাহিনীর ৭৯৭ সদস্য নিহত
- বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের প্রতিনিধিদল ভা...
- একটি শোধনাগার থেকে অবরোধকারীদের উচ্ছেদ
- আইপিওর আইনি শর্ত শিথিল করা হলো
- পাকিস্তানকে ২০০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা দেবে যুক...
- শেষ ওয়ানডেতে নেই হাসি-বলিঞ্জার
- ভয়াবহ খাদ্যসংকটের দিকে যাচ্ছে উত্তর কোরিয়া
- সাফের সব পরিকল্পনা কাগজে-কলমেই
- ম্যারাডোনার উত্তরসূরি ২ নভেম্বর
- সিইও পদ নিয়ে কেন টানাটানি
- গতিময় ত্রয়ীকে নিয়ে রোমাঞ্চিত পন্টিং
- তৃতীয় ওয়ানডে: জিম্বাবুয়ে ৯৫/৬ (২০ ওভার), বিপক্ষ দক...
- দ. আফ্রিকা জিতল ২৭২ রানে
- ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সাহায্য করতে চান রিচার্ডস
- স্পেশাল অলিম্পিকের জাতীয় আসর
- ক্রিকেট নিউজিল্যান্ডে বাংলা-ঝড়
- ছয় ফিফা কর্মকর্তাকে বহিষ্কার
- আবাহনীকে বাঁচালেন রাসেলের সামির!
- নিলামে সবচেয়ে দামি বেস্ট
- ম্যানইউরই থাকলেন রুনি
- রাইকার্ডের জায়গায় এলেন হাজি
- বিশ্বকাপের সেরা ইনিংস অ্যাডাম গিলক্রিস্টের
- বহিষ্কারাদেশের বিরুদ্ধে আসিফের আপিল প্রত্যাহার
- জলিল-চমকে চ্যাম্পিয়ন জেল
- বাংলাদেশের সামনে চেনা প্রতিপক্ষ
- ইউনুসের কাছে ক্ষমা চাইল ‘দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ’
- ম্যানইউর নানি, বার্সার মেসি
- রুনিকে ছাড়াই ভাবছেন ফার্গুসন
- কমলায় ম্লান সাদা-কালো
- বোলাররাই অ্যাশেজ এনে দেবেন অস্ট্রেলিয়াকে: লিলি
- গল্প- 'একজন ভোলা চাচা' by দিলারা মেসবাহ
-
▼
Oct 24
(66)
-
▼
October
(964)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
