Showing posts with label দৈনিক ইনকিলাব. Show all posts
Showing posts with label দৈনিক ইনকিলাব. Show all posts
Wednesday, June 19, 2019
লোহার খনি আবিষ্কার, ৪০০ ফুট পুরুত্বের আকরিকের সন্ধান : বিপুল মজুদের অস্তিত্ব

দেশে
এই প্রথমবারের মতো উন্নত মানের লোহার আকরিকের (ম্যাগনেটাইট) খনি আবিষ্কার
করা হয়েছে। দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার ইসবপুর গ্রামে এই খনি আবিষ্কার
হয়েছে। বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের (জিএসবি) কর্মকর্তারা দুই
মাস ধরে কূপ খনন করে অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আজ মঙ্গলবার এ তথ্য
নিশ্চিত করেন। তারা জানান, ভূগর্ভের ১ হাজার ৭৫০ ফুট নিচে ৪০০ ফুট
পুরুত্বের লোহার আকরিকের একটি স্তর পাওয়া গেছে। যা দেশের জন্য একটি
ব্যতিক্রমী ঘটনা এবং বাংলাদেশে প্রথম আবিষ্কার। খনিটি ৬ থেকে ১০ বর্গ
কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে স্বর্ণের অস্তিত্বের পাশাপাশি কপার,
নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে। ১ হাজার ১৫০ ফুট গভীরতায় চুনাপাথরের
সন্ধানও মিলেছে। সব মিলে নতুন আবিস্কৃত এই খনিতে বিপুল মজুদের অস্তিত্ব
রয়েছে। টাকার অঙ্কে যার হিসাব এখনও করা সম্ভব হয়নি। তবে সংশ্লিষ্টরা জানান,
নব্য আবিস্কৃত এই খনি থেকে হাজার হাজার কোটি টাকার খনিজ সম্পদ আহরণ করা
অসম্ভব নয়।
খনন কাজে নিয়োজিত জিএসবির উপপরিচালক মোহাম্মদ মাসুম গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বলেন, বিশ্বের যে কয়েকটি দেশে লোহার খনি আবিষ্কার করা হয়েছে তার মধ্যে বাংলাদেশের আকরিকে লোহার শতাংশ ৬৫-এর ওপরে। কানাডা, চীন, ব্রাজিল, সুইডেন ও অষ্ট্রেলিয়ার খনির লোহার মান ৫০ শতাংশের নিচে। আবিস্কৃত খনি থেকে নমুনা সংগ্রহ করে জয়পুরহাটে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) পরীক্ষাগারে পরীক্ষার পর এ তথ্য পাওয়া গেছে।
ওই কর্মকর্তা জানান, খনিটির ব্যাপ্তি ৬-১০ বর্গ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে স্বর্ণের অস্তিত্বের পাশাপাশি কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে। ১ হাজার ১৫০ ফুট গভীরতায় চুনাপাথরের সন্ধানও মিলেছে।
তিনি জানান, জিএসবি ২০১৩ সালে ইসবপুর গ্রামের ৩ কিলোমিটার পূর্বে মুশিদপুর এলাকায় কূপ খনন করে খনিজ পদার্থের সন্ধান পেয়েছিল। সেই গবেষণার সূত্র ধরে চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল থেকে ইসবপুরে কূপ খনন শুরু করা হয়। এরপর ১ হাজার ৩৮০ থেকে দেড় হাজার ফুট গভীরতা পর্যন্ত খননকালে আশার আলো দেখা যায়। এ খবর পেয়ে ২৬ মে জিএসবির মহাপরিচালক জিল্লুর রহমান চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এখানে পরিদর্শনে আসেন।
তখন জিল্লুর রহমান সাংবাদিকদের সুখবর না দিলেও লোহার খনি আবিষ্কার হতে চলেছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এ অঞ্চলটি ৬০ কোটি বছর আগে সমুদ্র ছিল। সেই কারণে এখানে জমাট বাঁধা আদি শিলার ভেতরে লোহার আকরিকের এ সন্ধান পাওয়া যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাকিমপুর উপজেলা সদর থেকে ১১ কিলোমিটার পূর্বের গ্রাম ইসবপুরের কৃষক ইছাহাক আলীর কাছ থেকে ৫০ শতক জমি ৪ মাসের জন্য ৪৫ হাজার টাকায় লিজ নিয়ে খনিজ পদার্থের অনুসন্ধানে কূপ খনন শুরু করেছিল ভূ-তাত্তি¡ক জরিপ অধিদফতর। ২০১৩ সালে এ গ্রামের ৩ কিলোমিটার পূর্বে মুশিদপুর এলাকায় কূপ খনন করে খনিজ পদার্থের সন্ধান পেয়েছিল। সেই গবেষণার সূত্রধরে দীর্ঘ ৬ বছর পর চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল থেকে ইসবপুর গ্রামে কূপ খনন শুরু করা হয়। এরপর ১৩৮০-১৫০০ ফুট গভীরতা পর্যন্ত খননকালে সেখানে আশার আলো দেখতে পাওয়া যায়। এ খবর পেয়ে গত ২৬ মে জিএসবি’র মহাপরিচালক জিল্লুর রহমান চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে যান। এসময় মহাপরিচালক সাংবাদিকদের সুখবর না দিলেও লোহার খনি আবিষ্কার হতে চলেছে এমন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। অবশেষে দীর্ঘ চেষ্টার ফলে ১৭৫০ ফুট গভীরতা খনন করে লোহার খনির আবিষ্কার করা হয়েছে। সেখানে প্রায় ৪০০ ফুট পুরুত্বের লোহার আকরিকের এ স্তরটি পাওয়া গেছে।
জিএসবি’র উপ-পরিচালক (ড্রিলিং ইঞ্জিনিয়ার) মাসুদ রানা জানান, গত ১৯ এপ্রিল থেকে ইসবপুর গ্রামে কূপ খনন শুরু করা হয়। ৩০ সদস্যের বিশেষজ্ঞ একটি দল ৩ শিফটে এ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
ইসবপুর গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, আমরা জানতে পারলাম এখানে লোহার খনি পাওয়া গেছে। এখান থেকে লোহা উত্তোলন করা হলে এখানকার মানুষের জীবনমান পাল্টে যাবে। কর্মসংস্থান হবে এখানকার মানুষদের। দেশের জন্যও লাভজনক হবে। এমনই আশায় বুক বাঁধছেন এখানকার সর্বস্তরের মানুষ। তাই গুরুত্ব বিবেচনায় সরকারের কাছে খনি বাস্তবায়নে জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
খনন কাজে নিয়োজিত জিএসবির উপপরিচালক মোহাম্মদ মাসুম গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বলেন, বিশ্বের যে কয়েকটি দেশে লোহার খনি আবিষ্কার করা হয়েছে তার মধ্যে বাংলাদেশের আকরিকে লোহার শতাংশ ৬৫-এর ওপরে। কানাডা, চীন, ব্রাজিল, সুইডেন ও অষ্ট্রেলিয়ার খনির লোহার মান ৫০ শতাংশের নিচে। আবিস্কৃত খনি থেকে নমুনা সংগ্রহ করে জয়পুরহাটে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) পরীক্ষাগারে পরীক্ষার পর এ তথ্য পাওয়া গেছে।
ওই কর্মকর্তা জানান, খনিটির ব্যাপ্তি ৬-১০ বর্গ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে স্বর্ণের অস্তিত্বের পাশাপাশি কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে। ১ হাজার ১৫০ ফুট গভীরতায় চুনাপাথরের সন্ধানও মিলেছে।
তিনি জানান, জিএসবি ২০১৩ সালে ইসবপুর গ্রামের ৩ কিলোমিটার পূর্বে মুশিদপুর এলাকায় কূপ খনন করে খনিজ পদার্থের সন্ধান পেয়েছিল। সেই গবেষণার সূত্র ধরে চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল থেকে ইসবপুরে কূপ খনন শুরু করা হয়। এরপর ১ হাজার ৩৮০ থেকে দেড় হাজার ফুট গভীরতা পর্যন্ত খননকালে আশার আলো দেখা যায়। এ খবর পেয়ে ২৬ মে জিএসবির মহাপরিচালক জিল্লুর রহমান চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এখানে পরিদর্শনে আসেন।
তখন জিল্লুর রহমান সাংবাদিকদের সুখবর না দিলেও লোহার খনি আবিষ্কার হতে চলেছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এ অঞ্চলটি ৬০ কোটি বছর আগে সমুদ্র ছিল। সেই কারণে এখানে জমাট বাঁধা আদি শিলার ভেতরে লোহার আকরিকের এ সন্ধান পাওয়া যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাকিমপুর উপজেলা সদর থেকে ১১ কিলোমিটার পূর্বের গ্রাম ইসবপুরের কৃষক ইছাহাক আলীর কাছ থেকে ৫০ শতক জমি ৪ মাসের জন্য ৪৫ হাজার টাকায় লিজ নিয়ে খনিজ পদার্থের অনুসন্ধানে কূপ খনন শুরু করেছিল ভূ-তাত্তি¡ক জরিপ অধিদফতর। ২০১৩ সালে এ গ্রামের ৩ কিলোমিটার পূর্বে মুশিদপুর এলাকায় কূপ খনন করে খনিজ পদার্থের সন্ধান পেয়েছিল। সেই গবেষণার সূত্রধরে দীর্ঘ ৬ বছর পর চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল থেকে ইসবপুর গ্রামে কূপ খনন শুরু করা হয়। এরপর ১৩৮০-১৫০০ ফুট গভীরতা পর্যন্ত খননকালে সেখানে আশার আলো দেখতে পাওয়া যায়। এ খবর পেয়ে গত ২৬ মে জিএসবি’র মহাপরিচালক জিল্লুর রহমান চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে যান। এসময় মহাপরিচালক সাংবাদিকদের সুখবর না দিলেও লোহার খনি আবিষ্কার হতে চলেছে এমন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। অবশেষে দীর্ঘ চেষ্টার ফলে ১৭৫০ ফুট গভীরতা খনন করে লোহার খনির আবিষ্কার করা হয়েছে। সেখানে প্রায় ৪০০ ফুট পুরুত্বের লোহার আকরিকের এ স্তরটি পাওয়া গেছে।
জিএসবি’র উপ-পরিচালক (ড্রিলিং ইঞ্জিনিয়ার) মাসুদ রানা জানান, গত ১৯ এপ্রিল থেকে ইসবপুর গ্রামে কূপ খনন শুরু করা হয়। ৩০ সদস্যের বিশেষজ্ঞ একটি দল ৩ শিফটে এ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
ইসবপুর গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, আমরা জানতে পারলাম এখানে লোহার খনি পাওয়া গেছে। এখান থেকে লোহা উত্তোলন করা হলে এখানকার মানুষের জীবনমান পাল্টে যাবে। কর্মসংস্থান হবে এখানকার মানুষদের। দেশের জন্যও লাভজনক হবে। এমনই আশায় বুক বাঁধছেন এখানকার সর্বস্তরের মানুষ। তাই গুরুত্ব বিবেচনায় সরকারের কাছে খনি বাস্তবায়নে জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
Wednesday, May 8, 2019
সবকিছু হারিয়ে ছাড়া পাচ্ছেন উইঘুর নারীরা: আলজিয়ার্সে সবচেয়ে বড় মসজিদ নির্মাণ করলো চীনা প্রতিষ্ঠান

বছর
তিনেক আগে হঠাৎ করে উধাও হয়ে যান এক উইঘুর নারী। পরে জানা গেছে, ইসলামী
উগ্রপন্থার মোকাবেলায় চীনা ধরপাকড় অভিযানে তাকে আটক করা হয়েছে। অনেক ধকল ও
খেসারতের পর এবার তিনি ছাড়া পেয়েছেন। তার পাকিস্তানি স্বামী বলেন, মুক্তি
পেয়েছে, তবে অনেক খেসারত দিতে হয়েছে আমাদের। পশ্চিমাঞ্চলীয় চীনা প্রদেশ
জিনজিয়াংয়ের ৪০ উইঘুর নারী, যারা প্রতিবেশী পাকিস্তানি ব্যবসায়ীদের বিয়ে
করেছেন, দেশটিতে অন্তরীণ ক্যাম্পে তাদেরও আটক করে রাখা হয়েছিল। পরবর্তী সময়
ছাড়া পেয়েছেন। যদিও এই অন্তরীণ ক্যাম্পকে চীন সরকার বৃত্তিমূলক
শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে আখ্যায়িত করে আসছে। ইসলামে নিষিদ্ধ এমন কার্যক্রম
করতে ক্যাম্পের ভেতর তাদের বাধ্য করা হয়েছে বলে খবরে জানা গেছে। স¤প্রতি
জিনজিয়াংয়ে নিজের স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে আসা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক
পাকিস্তানি ব্যবসায়ী বলেন, ক্যাম্পে তাদের শূকরের মাংস ও অ্যালকোহল খেতে
বাধ্য করা হচ্ছে। কাজেই তার স্ত্রী এখন সেই নিষিদ্ধ বস্তু খাচ্ছেন। তিনি
বলেন, তার স্ত্রী তাকে জানিয়েছেন- সে যদি কর্তৃপক্ষকে খুশি করতে পারে যে
তার ভেতরে কোনো উগ্রপন্থী চেতনা নেই, তবে তিনি বাড়িতে ফিরে আসার সুযোগ
পাবেন। ‘ক্যাম্পে তাকে কোরআন ও নামাজ পড়তে নিষেধ করা হয়েছে; তার বদলে ঘরে
বিভিন্ন চীনা বই রাখতে হচ্ছে,’ বললেন এই পাকিস্তানি ব্যবসায়ী। কিছু কিছু
ব্যবসায়ী কয়েক সপ্তাহ কিংবা মাস তাদের স্ত্রীকে জিনজিয়াংয়ে রেখে নিজ দেশে
ব্যবসায়িক কাজে যান। কেবল ইসলামিক প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক
থাকায়ও তাদের আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগে আটক হওয়া কয়েকজন
বলেন, বোরকাপরা ও দাড়ি রাখার মতো ইসলামী ঐতিহ্য মেনে চলার কারণে তাদের ধরে
নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু নৃতাত্ত্বিক উইঘুরসহ মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যাপক
নিরাপত্তা ধরপাকড়ে তাদের আটক করা হলেও আন্তর্জাতিক নিন্দা ও পাকিস্তানের
সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার স্বার্থে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। গত
দুই মাস ধরে ধীরগতিতে তারা একে একে ছাড়া পাচ্ছেন। অপর এক খবরে বলা হয়, চীনে
যেখানে উইঘুর সম্প্রদায়ের মুসলিমদের বন্দিশিবিরে রেখে নির্যাতনের খবর
বিশ্বকে নাড়িয়ে দিচ্ছে, ঠিক তখনই একটি চীনা প্রতিষ্ঠান আফ্রিকার সবচেয়ে বড়
মসজিদ নির্মাণে কাজ করেছে। আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে চালু হওয়ার জন্য
অপেক্ষায় থাকা ওই মসজিদটি নির্মাণে সময় লেগেছে সাত বছর। দ্য গ্রেট মস্ক অব
আলজিয়ার্স বা জামা আল জাজেইর নামের এই মসজিদটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১০০
কোটি ডলারের বেশি। চার লাখ স্কয়ার মিটার এলাকার ওপর নির্মিত মসজিদটিতে একটি
২৬৫ মিটার (৮৭০ ফুট) মিনার রয়েছে। ওই মিনারের ভেতর একটি পর্যবেক্ষণ ডেকও
রয়েছে। আলজিয়ার্স উপকূলের কাছে অবস্থিত যৌগিক গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদে
একসাথে ১২ লাখ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। এছাড়া মসজিদে যে ভূগর্ভস্থ
পার্কিং রয়েছে সেখানে সাত হাজার গাড়ি রাখার ব্যবস্থা আছে। মসজিদ কমপ্লেক্সে
কুরআনিক স্কুল, লাইব্রেরি, রেস্টুরেন্ট, অ্যাম্ফিথিয়েটার এবং আলজেরিয়ার
ইতিহাসের জন্য নিবেদিত একটি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। নিউজ রিপাবলিক, এএফপি।
Sunday, April 14, 2019
সুদানের আল বশিরের পতনের নেপথ্যে এক নারী

সাধারণ
জনতার বিক্ষোভের মুখে বৃহষ্পতিবার এক সামরিক অভুত্থানে প্রায় ৩০ বছর ধরে
ক্ষমতায় থাকা প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশিরকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে সুদানের
সেনাবাহিনী। তবে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করলেও আন্দোলনের শুরু থেকে শেষ
পর্যন্ত নেতৃত্ব দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন সুদানের ‘অগ্নি
কন্যা’ আল-সালাহ। বিক্ষোভের নেপথ্যে থেকে জনগণকে দারুণভাবে আন্দোলিত করেছেন
২২ বছরের এই নারী।
সালাহকে বিশ্ব মিডিয়ায় জায়গা করিয়ে দিয়েছে একটি ছবি। ছবিটি তুলে লানা হারোন নামের এক ব্যক্তি বিশ্ব মিডিয়ায় শেয়ার করার পর এটি ভাইরাল হয়ে যায়। সেখানে দেখা যায়, সাদা পোশাক পরে গাড়ির ওপরে দাঁড়িয়ে জ্বালাময়ী বক্তব্য রাখছেন সালাহ। চারপাশে হাজার হাজার জনতা দাড়িয়ে তার বক্তব্য শুনছেন।
সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আলা সালাহ বলেন, ‘আমি প্রত্যক সুদানিকে আশা জাগানোর চেষ্টা করেছি, তাদের ইতিবাচকভাবে আন্দোলিত করেছি এবং আমি অবশেষে তাদের দিয়ে উপযুক্ত কাজটি (আল বশিরের পতন) করতে সক্ষম হয়েছি।’
ছবিটির আলোকচিত্রী লানা হারোন বলেন, ‘সুদানের প্রতিটি নারী ও তরুণীর প্রতিনিধিত্ব করেছেন সালাহ এবং তাদের বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছেন। তিনি সুদানি নারীদের অধিকারের কথা বলেছেন এবং নেতৃত্ব দিয়েছেন।’
সুদানের রাজধানী খার্তুমে বিক্ষোভ চলাকালে গত সোমবার ছবিটি তোলা হয়। এ প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানে দেয়া সাক্ষাতকারে সালাহ বলেন, ‘ছবিটি তোলায় আমি দারুণভাবে খুশি হয়েছি। যেদিন ছবিটি তোলা হয় সেদিন আমি অন্তত ১০টি সমাবেশে যোগ দিই এবং উপস্থিতিদের বিপ্লবী কবিতা পড়ে শোনাই। এটা আন্দোলনকারীদের উদ্যমী করে তোলে। এ সময় আমি আরো ছয়জন নারীকে সাথে নিয়ে বিপ্লবী গান গাইতে থাকি। এটা তাৎক্ষণিকভাবে ফলও পাওয়া গেল। দেখলাম তারাও আমারে সঙ্গে গাইতে শুরু করেছে এবং জমায়েত ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকল।’
স্থাপত্যের ছাত্রী সালাহ কোনো রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেননি। তবে তিনি কবিতা আবৃত্তি ও গান গেয়ে সুদানিদের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কথা বলতে উৎসাহ জুগিয়েছেন। আর এসব কবিতা ও গান-সবই তার স্কুলজীবনে শেখা।
বিক্ষোভ সমাবেশে সালাহ বলতে থাকেন, ‘আমাদের এ দেশ কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের না। এ দেশে কোনো সাম্প্রদায়িকতা স্থান পাবে না। আমার চলমান সংগ্রামের উদ্দেশ্য হলো জনগণকে অপেক্ষাকৃত ভালো সুদান উপহার দেয়া। কারণ আমার বাবা-মা আমাকে দেশকে ভালোবাসতে শিখিয়েছে, দেশকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে রাখতে শিখিয়েছে।’
তার বিপ্লবী কবিতার কয়েকটি লাইন এমন, ‘বুলেট কখনো মানুষকে হত্যা করতে পারে না। যা পারে তা হলো এটি মানুষের দীর্ঘদিনের নিরবতা ভেঙে দিতে পারে।’ তার এ লাইনটি বিক্ষোভকারীদের মধ্যে চমৎকারভাবে রেখাপাত করে। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বিক্ষোভে বিক্ষোভকারীদের এ পঙক্তিটি উচ্চারণ করতে দেখা গেছে। সূত্র: সিএনএন, দ্য গার্ডিয়ান।
সালাহকে বিশ্ব মিডিয়ায় জায়গা করিয়ে দিয়েছে একটি ছবি। ছবিটি তুলে লানা হারোন নামের এক ব্যক্তি বিশ্ব মিডিয়ায় শেয়ার করার পর এটি ভাইরাল হয়ে যায়। সেখানে দেখা যায়, সাদা পোশাক পরে গাড়ির ওপরে দাঁড়িয়ে জ্বালাময়ী বক্তব্য রাখছেন সালাহ। চারপাশে হাজার হাজার জনতা দাড়িয়ে তার বক্তব্য শুনছেন।
সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আলা সালাহ বলেন, ‘আমি প্রত্যক সুদানিকে আশা জাগানোর চেষ্টা করেছি, তাদের ইতিবাচকভাবে আন্দোলিত করেছি এবং আমি অবশেষে তাদের দিয়ে উপযুক্ত কাজটি (আল বশিরের পতন) করতে সক্ষম হয়েছি।’
ছবিটির আলোকচিত্রী লানা হারোন বলেন, ‘সুদানের প্রতিটি নারী ও তরুণীর প্রতিনিধিত্ব করেছেন সালাহ এবং তাদের বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছেন। তিনি সুদানি নারীদের অধিকারের কথা বলেছেন এবং নেতৃত্ব দিয়েছেন।’
সুদানের রাজধানী খার্তুমে বিক্ষোভ চলাকালে গত সোমবার ছবিটি তোলা হয়। এ প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানে দেয়া সাক্ষাতকারে সালাহ বলেন, ‘ছবিটি তোলায় আমি দারুণভাবে খুশি হয়েছি। যেদিন ছবিটি তোলা হয় সেদিন আমি অন্তত ১০টি সমাবেশে যোগ দিই এবং উপস্থিতিদের বিপ্লবী কবিতা পড়ে শোনাই। এটা আন্দোলনকারীদের উদ্যমী করে তোলে। এ সময় আমি আরো ছয়জন নারীকে সাথে নিয়ে বিপ্লবী গান গাইতে থাকি। এটা তাৎক্ষণিকভাবে ফলও পাওয়া গেল। দেখলাম তারাও আমারে সঙ্গে গাইতে শুরু করেছে এবং জমায়েত ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকল।’
স্থাপত্যের ছাত্রী সালাহ কোনো রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেননি। তবে তিনি কবিতা আবৃত্তি ও গান গেয়ে সুদানিদের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কথা বলতে উৎসাহ জুগিয়েছেন। আর এসব কবিতা ও গান-সবই তার স্কুলজীবনে শেখা।
বিক্ষোভ সমাবেশে সালাহ বলতে থাকেন, ‘আমাদের এ দেশ কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের না। এ দেশে কোনো সাম্প্রদায়িকতা স্থান পাবে না। আমার চলমান সংগ্রামের উদ্দেশ্য হলো জনগণকে অপেক্ষাকৃত ভালো সুদান উপহার দেয়া। কারণ আমার বাবা-মা আমাকে দেশকে ভালোবাসতে শিখিয়েছে, দেশকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে রাখতে শিখিয়েছে।’
তার বিপ্লবী কবিতার কয়েকটি লাইন এমন, ‘বুলেট কখনো মানুষকে হত্যা করতে পারে না। যা পারে তা হলো এটি মানুষের দীর্ঘদিনের নিরবতা ভেঙে দিতে পারে।’ তার এ লাইনটি বিক্ষোভকারীদের মধ্যে চমৎকারভাবে রেখাপাত করে। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বিক্ষোভে বিক্ষোভকারীদের এ পঙক্তিটি উচ্চারণ করতে দেখা গেছে। সূত্র: সিএনএন, দ্য গার্ডিয়ান।
Monday, April 8, 2019
পরিবেশ বিপর্যয়ে বাংলাদেশের দুই কোটি শিশু ঝুঁকিতে

জলবায়ুর
পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশে ঝুঁকিতে রয়েছে প্রায় দুই কোটি শিশু।
দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশের ১ কোটি ৯০ লাখ শিশুর ভবিষ্যৎ
হুমকিতে পড়েছে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড় এবং আবহাওয়ার পরিবর্তনসহ অন্যান্য পরিবেশগত
বিপর্যয় এসব শিশুর জীবনকে হুমকিতে ফেলার কারণ। শুক্রবার জাতিসংঘের
শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের আবাদযোগ্য জমির লবণাক্ততা, বন্যা ও নদী ভাঙনের কারণে জীবিকার জন্য অনেকেই গ্রাম ছেড়ে শহরে আসছে। ভরণপোষণ চালাতে ব্যর্থ হওয়ায় অনেক মেয়ে শিশুকে অল্প বয়সে বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে পরিবার। জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন হাজার হাজার শিশু তাদের পরিবারের সঙ্গে শহরে আসছে। এসব শিশু কাজের জন্য ততোটা শক্তপোক্ত নয়।
বাংলাদেশে দুর্যোগপ্রবণ জেলাগুলোতে বসবাস করছে প্রায় দুই কোটি শিশু। তারা ঘূর্ণিঝড়, বন্যাসহ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের হুমকিতে রয়েছে। অনেকে আবার বাস্তচ্যুত হয়ে পরিবারের সঙ্গে গ্রাম ছেড়ে শহরমুখী হচ্ছে। সেখানে তারা আবার মুখোমুখি হচ্ছে নতুন হুমকির। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় আরও বেশি করে উদ্যোগী হওয়ার জন্য বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের এই নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবজনিত কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ১ কোটি ৯৪ লাখ শিশুর মধ্যে ১ কোটি ২০ লাখ শিশু নদী ভাঙনের এলাকা কিংবা এর কাছাকাছি থাকে। ৪৫ লাখ শিশুর বসবাস উপকূলীয় এলাকায়, সেখানে ঘূর্ণিঝড়ের হুমকিতে থাকতে হয় তাদেরকে। তাছাড়া খরার ঝুঁকিতে রয়েছে আরও ৩০ লাখ শিশু। এসব ঝুঁকির কারণে গ্রাম এলাকার মানুষেরা শহরের দিকে ধাবিত হতে বাধ্য হচ্ছে। আর সেখানে যাওয়ার পর নতুন ঝুঁকির মুখোমুখি হতে হচ্ছে শিশুদেরকে। তাহলো, জোরপূর্বক শ্রম কিংবা বাল্য বিয়ের ঝুঁকি। অভাবের তাড়নায় অনেককে শিশু শ্রমে লিপ্ত হচ্ছে। ভরণপোষণ চালাতে ব্যর্থ হওয়ায় অনেক মেয়ে শিশুকে অল্প বয়সে বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে পরিবার।
ইউনিসেফের গবেষণা প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন সিমন ইনগ্রাম। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের শহরগুলোতে প্রায় ৬০ লাখ জলবায়ু উদ্বাস্তু রয়েছে এবং এ সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তিনি বলেন, বন্যাজনিত বিপর্যয়গুলো চরম পর্যায়ের হয়ে থাকে এবং প্রায় প্রতি বছরই এ ধরনের ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশে সর্বশেষ বড় ধরনের বন্যা হয়েছিল ২০১৭ সালে। ওই বছর একের পর এক বন্যায় ৮০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইনগ্রাম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগের কারণে যে শুধু মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে তাই নয়, এর কারণে উপকূলীয় এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাও ভেঙে পড়ছে।
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ত পানি প্রবেশের কারণে গর্ভবতী নারীরাও বড় ধরনের হুমকিতে রয়েছেন বলে সতর্ক করেছে ইউনিসেফ। এতে সেখানকার বিশুদ্ধ পানির সঙ্গে লবণাক্ত পানি মিশে যাচ্ছে এবং গর্ভবতী নারীরা প্রিএক্লেমশিয়া ও হাইপারটেনশনসহ নানা ধরনের জটিলতায় আক্রান্ত হচ্ছেন।
ইউনিসেফ বলছে, ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য হুমকি থেকে দরিদ্রদেরকে বাঁচাতে এরইমধ্যে অনেক কিছু করেছে বাংলাদেশ। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ। তবে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবের হুমকিতে থাকা শিশুদের সুনির্দিষ্ট চাহিদার ওপর আরও গুরুত্ব দিতে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানিয়েছে ইউনিসেফ। বন্যাপ্রবণ এলাকার স্কুল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে আরও দায়িত্বশীল করে তোলা ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের ওপর যেন কোনও শোষণ-নিপীড়ন না হয় তা নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংস্থাটির গবেষক ইনগ্রাম।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে যত দ্রুত সম্ভব কার্বন নির্গমন কমানো এবং এই গ্যাসের উৎপাদন ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য আনার কথা বলা হয়েছিল। এছাড়া বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের (৩ দশমিক ৬ ফারেনহাইট) বেশ নিচে রাখার কথা বলা হয়। ২০১৫ সালে প্যারিসে স্বাক্ষরিত চুক্তি বাস্তবায়নের নীতিমালা তৈরি করার লক্ষকে সামনে রেখে তিন বছর পর ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে পোল্যান্ডে সম্মিলিত হয়ে ওই ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। আইপিসিসি তাদের সবশেষ প্রতিবেদনে দাবি করেছে, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির হার ১.৫ এ সীমিত রাখতে ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণের হার ২০১০ সালের তুলনায় ৪৫ শতাংশ কমিয়ে আনতে হবে। তবে আইপিসিসির প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে নেচার জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, উষ্ণতা বৃদ্ধির হার ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ধরে রাখতে কার্বন নিঃসরণ সীমিত করতে হবে আগের চেয়ে ২৫ শতাংশ বেশি হারে। প্রতিবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গবেষকরা বলেন, প্যারিস চুক্তিতে বিভিন্ন দেশের সরকার যেই পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তার মাধ্যমে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা দুঃসাধ্য।
বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচক ২০১৯-এ নবম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ওই তালিকা অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ১৯৯৮ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। ওই সময়ের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে তিন কোটি ৭০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সুনির্দিষ্ট সময় পর পর প্রাকৃতিক ধারাবাহিকতায় বদলে যায় জলবায়ু। মানুষ সৃষ্ট কারণেই এই স্বাভাবিক বদলের ধারাবাহিকতা ক্ষুন্ন হয়েছে, বিশ্ব বহুদিন থেকে এক আকষ্মিক পরিবর্তনের মুখোমুখি। বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছেন, শিল্পবিপ্লব পরবর্তী যুগে উন্নত দেশগুলোর মাত্রাতিরিক্তি জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বৈশ্বিক উষ্ণতার মাত্রাকে ভয়াবহ পর্যায়ে নিয়ে গেছে। উষ্ণায়নের কারণে গলছে হিমবাহের বরফ, উত্তপ্ত হচ্ছে সমুদ্র, বাড়ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক ঋতুচক্র। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষি, স্থানচ্যুত হচ্ছে মান্ষু। অভিবাসী কিংবা শরণার্থীতে রূপান্তরিত হচ্ছে তারা। এরইমধ্যে বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান একেবারেই সামনের কাতারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের আবাদযোগ্য জমির লবণাক্ততা, বন্যা ও নদী ভাঙনের কারণে জীবিকার জন্য অনেকেই গ্রাম ছেড়ে শহরে আসছে। ভরণপোষণ চালাতে ব্যর্থ হওয়ায় অনেক মেয়ে শিশুকে অল্প বয়সে বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে পরিবার। জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন হাজার হাজার শিশু তাদের পরিবারের সঙ্গে শহরে আসছে। এসব শিশু কাজের জন্য ততোটা শক্তপোক্ত নয়।
বাংলাদেশে দুর্যোগপ্রবণ জেলাগুলোতে বসবাস করছে প্রায় দুই কোটি শিশু। তারা ঘূর্ণিঝড়, বন্যাসহ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের হুমকিতে রয়েছে। অনেকে আবার বাস্তচ্যুত হয়ে পরিবারের সঙ্গে গ্রাম ছেড়ে শহরমুখী হচ্ছে। সেখানে তারা আবার মুখোমুখি হচ্ছে নতুন হুমকির। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় আরও বেশি করে উদ্যোগী হওয়ার জন্য বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের এই নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবজনিত কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ১ কোটি ৯৪ লাখ শিশুর মধ্যে ১ কোটি ২০ লাখ শিশু নদী ভাঙনের এলাকা কিংবা এর কাছাকাছি থাকে। ৪৫ লাখ শিশুর বসবাস উপকূলীয় এলাকায়, সেখানে ঘূর্ণিঝড়ের হুমকিতে থাকতে হয় তাদেরকে। তাছাড়া খরার ঝুঁকিতে রয়েছে আরও ৩০ লাখ শিশু। এসব ঝুঁকির কারণে গ্রাম এলাকার মানুষেরা শহরের দিকে ধাবিত হতে বাধ্য হচ্ছে। আর সেখানে যাওয়ার পর নতুন ঝুঁকির মুখোমুখি হতে হচ্ছে শিশুদেরকে। তাহলো, জোরপূর্বক শ্রম কিংবা বাল্য বিয়ের ঝুঁকি। অভাবের তাড়নায় অনেককে শিশু শ্রমে লিপ্ত হচ্ছে। ভরণপোষণ চালাতে ব্যর্থ হওয়ায় অনেক মেয়ে শিশুকে অল্প বয়সে বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে পরিবার।
ইউনিসেফের গবেষণা প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন সিমন ইনগ্রাম। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের শহরগুলোতে প্রায় ৬০ লাখ জলবায়ু উদ্বাস্তু রয়েছে এবং এ সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তিনি বলেন, বন্যাজনিত বিপর্যয়গুলো চরম পর্যায়ের হয়ে থাকে এবং প্রায় প্রতি বছরই এ ধরনের ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশে সর্বশেষ বড় ধরনের বন্যা হয়েছিল ২০১৭ সালে। ওই বছর একের পর এক বন্যায় ৮০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইনগ্রাম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগের কারণে যে শুধু মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে তাই নয়, এর কারণে উপকূলীয় এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাও ভেঙে পড়ছে।
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ত পানি প্রবেশের কারণে গর্ভবতী নারীরাও বড় ধরনের হুমকিতে রয়েছেন বলে সতর্ক করেছে ইউনিসেফ। এতে সেখানকার বিশুদ্ধ পানির সঙ্গে লবণাক্ত পানি মিশে যাচ্ছে এবং গর্ভবতী নারীরা প্রিএক্লেমশিয়া ও হাইপারটেনশনসহ নানা ধরনের জটিলতায় আক্রান্ত হচ্ছেন।
ইউনিসেফ বলছে, ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য হুমকি থেকে দরিদ্রদেরকে বাঁচাতে এরইমধ্যে অনেক কিছু করেছে বাংলাদেশ। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ। তবে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবের হুমকিতে থাকা শিশুদের সুনির্দিষ্ট চাহিদার ওপর আরও গুরুত্ব দিতে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানিয়েছে ইউনিসেফ। বন্যাপ্রবণ এলাকার স্কুল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে আরও দায়িত্বশীল করে তোলা ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের ওপর যেন কোনও শোষণ-নিপীড়ন না হয় তা নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংস্থাটির গবেষক ইনগ্রাম।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে যত দ্রুত সম্ভব কার্বন নির্গমন কমানো এবং এই গ্যাসের উৎপাদন ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য আনার কথা বলা হয়েছিল। এছাড়া বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের (৩ দশমিক ৬ ফারেনহাইট) বেশ নিচে রাখার কথা বলা হয়। ২০১৫ সালে প্যারিসে স্বাক্ষরিত চুক্তি বাস্তবায়নের নীতিমালা তৈরি করার লক্ষকে সামনে রেখে তিন বছর পর ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে পোল্যান্ডে সম্মিলিত হয়ে ওই ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। আইপিসিসি তাদের সবশেষ প্রতিবেদনে দাবি করেছে, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির হার ১.৫ এ সীমিত রাখতে ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণের হার ২০১০ সালের তুলনায় ৪৫ শতাংশ কমিয়ে আনতে হবে। তবে আইপিসিসির প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে নেচার জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, উষ্ণতা বৃদ্ধির হার ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ধরে রাখতে কার্বন নিঃসরণ সীমিত করতে হবে আগের চেয়ে ২৫ শতাংশ বেশি হারে। প্রতিবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গবেষকরা বলেন, প্যারিস চুক্তিতে বিভিন্ন দেশের সরকার যেই পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তার মাধ্যমে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা দুঃসাধ্য।
বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচক ২০১৯-এ নবম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ওই তালিকা অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ১৯৯৮ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। ওই সময়ের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে তিন কোটি ৭০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সুনির্দিষ্ট সময় পর পর প্রাকৃতিক ধারাবাহিকতায় বদলে যায় জলবায়ু। মানুষ সৃষ্ট কারণেই এই স্বাভাবিক বদলের ধারাবাহিকতা ক্ষুন্ন হয়েছে, বিশ্ব বহুদিন থেকে এক আকষ্মিক পরিবর্তনের মুখোমুখি। বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছেন, শিল্পবিপ্লব পরবর্তী যুগে উন্নত দেশগুলোর মাত্রাতিরিক্তি জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বৈশ্বিক উষ্ণতার মাত্রাকে ভয়াবহ পর্যায়ে নিয়ে গেছে। উষ্ণায়নের কারণে গলছে হিমবাহের বরফ, উত্তপ্ত হচ্ছে সমুদ্র, বাড়ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক ঋতুচক্র। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষি, স্থানচ্যুত হচ্ছে মান্ষু। অভিবাসী কিংবা শরণার্থীতে রূপান্তরিত হচ্ছে তারা। এরইমধ্যে বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান একেবারেই সামনের কাতারে।
Sunday, April 7, 2019
ডানপন্থী মোদির চ্যালেঞ্জ তিন নেত্রী

চলতি
সপ্তাহে শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের লোকসভা
নির্বাচন। প্রায় দেড় মাসব্যাপী এই নির্বাচন প্রক্রিয়া চলবে, এর মধ্যেই
নির্ধারিত হবে বিশ্বের উদীয়মান পরাশক্তির দেশটির পরবর্তী শাসক কারা হতে
যাচ্ছে। দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরবর্তী মেয়াদের
ক্ষমতায় আসার পথে অন্যতম বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রভাবশালী ৩ নারী নেত্রী।
তারা হলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, ‘দলিত
রাণী’ হিসেবে পরিচিত ৬৩ বছর বয়সী মায়াবতী নয়না কুমারী এবং চলতি বছর
জানুয়ারিতে রাজনীতির পারিবারিক ধারায় নাম লেখানো প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।
পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী: আসন্ন নির্বাচনে মোদির জন্যে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মমতা। তৃণমূল কংগ্রেসের এই নেত্রীর কাছ থেকে পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয়তা কেঁড়ে নিতে মোদিকে যে এক অগ্নিপরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে তা একেবারে স্পষ্ট। ভারতের এই রাজ্যের জনসংখ্যা জার্মানির থেকে বেশি। ভারতের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় এই রাজ্যে শিক্ষিতের হার তুলনামূলক বেশি এবং একে সাহিত্যিকদের রাজ্য বলেও সম্বোন্ধন করা হয়। এমন রাজ্যে মোদির ডানপন্থী ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) যে সুবিধা করতে হলে বাঘিনী মমতার থাবার শিকার হবেন তা সমসাময়িক সময়ে রাজনৈতিক সমাবেশগুলির ভাষণেই স্পষ্ট। ‘এক্সপায়ারি বাবু, চৌকিদার, চাওয়ালা’ এমন কোনো বিষয় নাই যা নিয়ে মোদির সমালোচনা করতে ছেড়েছেন মমতা। ৬৪ বছর বয়সী এই নেত্রীকে মোদির সবচেয়ে গোঁড়া সমালোচকদের মধ্যে একজন হিসেবেই দেখা হয়। এমনকি বাংলার এই দাপুটে নেত্রীর উদ্দ্যেগেই ভারতজুড়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে এন্টি-মোদি জোট গঠন কন্ হয়।
মোদীর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির আঁচ লাগতে দেয়নি মমতা। তার তৃণমূল কংগ্রেস পার্টির গোঁড়া এই পশ্চিমবঙ্গ, ২০১৪ সালের নির্বাচনে যেখানে সারাদেশে বিজেপির জয়জয়কার সেখানে মমতার তৃণমূল কংগ্রেসই নির্বাচিত হয়ে এসেছে। সাবেক জাতীয় রেলমন্ত্রী মমতা তার নম্র ধৃষ্টতা এবং নিম্নরথার শৈলীর থেকেও ‘দিদি’ (বড় বোন) হিসেবেই সমাধিক জনপ্রিয়।
নিম্ন বর্ণের চ্যাম্পিয়ন: বিচিত্র বর্ণ, ধর্ম, ভাষা, শ্রেণির দেশ ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গণে রঙ্গিন ক্যারিয়ার পার করে দেশটির সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য এবং নির্বাচনের বাজারে সবচেয়ে মূল্যবান পুরস্কার উত্তর প্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ তারকা এই মায়াবতী। ২০ কোটি মানুষের উত্তর প্রদেশের দলিত শ্রেণির চ্যাম্পিয়ন মায়াবতী। আসন্ন নির্বাচনে মোদির বিজেপির জন্য মায়াবতীর কাছ থেকে এই উত্তর প্রদেশ ছিনিয়ে নেয়া যে মারাত্মক চ্যালেঞ্জের হতে যাচ্ছে তা বলাই বাহুল্য। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তার বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) জনপ্রিয়তা হ্রাস পেয়েছিল কিন্তু, তিনি তার পরম শত্রু সমাজবাদী পার্টির সাথে একটি জোট গঠন করেছিলেন।
দেশটির রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা তার ২০১৪ সালের নির্বাচনে ছত্রভঙ্গের পেছনে তার চরমপন্থাকে দোষারোপ করেছেন। ইউএস লিকড ক্যাবল অনুসারে, তিনি একবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে একজোড়া জুতা কিনে নেয়ার জন্য তার ব্যক্তিগত জেট পাঠিয়েছিলেন এবং তার নিজ দলীয় প্রতিকের মূর্তিতে ভরা একটি কংক্রিট পার্ক নির্মাণের জন্যে বিতর্কিত হয়েছিলেন।
তবে, এবার যদি তার দল ভালো করে সেক্ষেত্রে জোটগঠনের আলোচনায় তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সমাজতান্ত্রিক পার্টির পরিচালনাকারী অখিলেশ যাদব একবার তার সঙ্গে একমত হওয়ার সাথে সাথে তিনি বিজেপিকে তার ‘বিভাজন ও শাসন সাম্প্রদায়িক রাজনীতি’ থেকে বের হওয়ার জন্য আহ্বান জানান।
কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক: বেশ কয়েক বছর ধরে পর্যবেক্ষন করার পর ভারতের বিখ্যাত নেহরু-গান্ধীর সবচেয়ে তরূণ বংশধর প্রিয়াঙ্কা গান্ধী যোগ দিয়েছেন পারিবারিক রাজনীতিতে। ভারতের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী রাহুল গান্ধীর ক্যারিস্মাটিক ছোট বোনের জন্য উত্তর প্রদেশের থেকে দুর্দান্ত যুদ্ধক্ষেত্র আর কি হতে পারে। হিন্দুত্ববাদী এই রাজ্য মোদি সমর্থকদের একেবারে মূল ভিত্তি। এই রাজ্যে কংগ্রেস পার্টিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য দায়িত্ব পালন করছেন ৪৭ বছর বয়সী প্রিয়াঙ্কা। যেখানে ২০১৪ সালের নির্বাচনে কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয় হয়েছিল। ৮০টি আসনের মধ্যে মাত্র দুটি আসন জিতেছিল কংগ্রেস আর বিপরীতে মোদির বিজেপি পেয়েছিল ৭১টি আসন।
হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির সনাতনীদের অত্যন্ত পবিত্র নদী গঙ্গায় নৌকায় করে প্রচারে নামার মাধ্যমেই ইন্দিরা গান্ধীর এই নাতনী জানান দিয়েছেন যে, ভানার্সির চ্যালেঞ্জ তিনি মাথার ভেতরে খুব ভালোভাবেই নিয়েছেন। বিশ্লেষকরা এই প্রতীকী প্রচারণাকে হারিয়ে ফেলেননি, বলেছিলেন যে, তার পদক্ষেপটি ছিল সমালোচনার মুখে। তার কংগ্রেস পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু ভোটারকে উপেক্ষা করেছে এবং ভারতের ১৭ কোটি মুসলমানের পক্ষপাতিত্ব করার সমালোচনার জবাব দিয়েছেন।
প্রিয়াঙ্কার ভক্তরা তার সাধারণ স্পর্শকে, তার চেহারা, ইন্দিরা গান্ধীকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। তার দাদী ইন্ধিরা ছিলেন ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। ১৯৮৪ সালে আততায়ীদের হাতে তিনি নিহত হন।
পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী: আসন্ন নির্বাচনে মোদির জন্যে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মমতা। তৃণমূল কংগ্রেসের এই নেত্রীর কাছ থেকে পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয়তা কেঁড়ে নিতে মোদিকে যে এক অগ্নিপরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে তা একেবারে স্পষ্ট। ভারতের এই রাজ্যের জনসংখ্যা জার্মানির থেকে বেশি। ভারতের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় এই রাজ্যে শিক্ষিতের হার তুলনামূলক বেশি এবং একে সাহিত্যিকদের রাজ্য বলেও সম্বোন্ধন করা হয়। এমন রাজ্যে মোদির ডানপন্থী ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) যে সুবিধা করতে হলে বাঘিনী মমতার থাবার শিকার হবেন তা সমসাময়িক সময়ে রাজনৈতিক সমাবেশগুলির ভাষণেই স্পষ্ট। ‘এক্সপায়ারি বাবু, চৌকিদার, চাওয়ালা’ এমন কোনো বিষয় নাই যা নিয়ে মোদির সমালোচনা করতে ছেড়েছেন মমতা। ৬৪ বছর বয়সী এই নেত্রীকে মোদির সবচেয়ে গোঁড়া সমালোচকদের মধ্যে একজন হিসেবেই দেখা হয়। এমনকি বাংলার এই দাপুটে নেত্রীর উদ্দ্যেগেই ভারতজুড়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে এন্টি-মোদি জোট গঠন কন্ হয়।
মোদীর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির আঁচ লাগতে দেয়নি মমতা। তার তৃণমূল কংগ্রেস পার্টির গোঁড়া এই পশ্চিমবঙ্গ, ২০১৪ সালের নির্বাচনে যেখানে সারাদেশে বিজেপির জয়জয়কার সেখানে মমতার তৃণমূল কংগ্রেসই নির্বাচিত হয়ে এসেছে। সাবেক জাতীয় রেলমন্ত্রী মমতা তার নম্র ধৃষ্টতা এবং নিম্নরথার শৈলীর থেকেও ‘দিদি’ (বড় বোন) হিসেবেই সমাধিক জনপ্রিয়।
নিম্ন বর্ণের চ্যাম্পিয়ন: বিচিত্র বর্ণ, ধর্ম, ভাষা, শ্রেণির দেশ ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গণে রঙ্গিন ক্যারিয়ার পার করে দেশটির সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য এবং নির্বাচনের বাজারে সবচেয়ে মূল্যবান পুরস্কার উত্তর প্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ তারকা এই মায়াবতী। ২০ কোটি মানুষের উত্তর প্রদেশের দলিত শ্রেণির চ্যাম্পিয়ন মায়াবতী। আসন্ন নির্বাচনে মোদির বিজেপির জন্য মায়াবতীর কাছ থেকে এই উত্তর প্রদেশ ছিনিয়ে নেয়া যে মারাত্মক চ্যালেঞ্জের হতে যাচ্ছে তা বলাই বাহুল্য। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তার বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) জনপ্রিয়তা হ্রাস পেয়েছিল কিন্তু, তিনি তার পরম শত্রু সমাজবাদী পার্টির সাথে একটি জোট গঠন করেছিলেন।
দেশটির রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা তার ২০১৪ সালের নির্বাচনে ছত্রভঙ্গের পেছনে তার চরমপন্থাকে দোষারোপ করেছেন। ইউএস লিকড ক্যাবল অনুসারে, তিনি একবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে একজোড়া জুতা কিনে নেয়ার জন্য তার ব্যক্তিগত জেট পাঠিয়েছিলেন এবং তার নিজ দলীয় প্রতিকের মূর্তিতে ভরা একটি কংক্রিট পার্ক নির্মাণের জন্যে বিতর্কিত হয়েছিলেন।
তবে, এবার যদি তার দল ভালো করে সেক্ষেত্রে জোটগঠনের আলোচনায় তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সমাজতান্ত্রিক পার্টির পরিচালনাকারী অখিলেশ যাদব একবার তার সঙ্গে একমত হওয়ার সাথে সাথে তিনি বিজেপিকে তার ‘বিভাজন ও শাসন সাম্প্রদায়িক রাজনীতি’ থেকে বের হওয়ার জন্য আহ্বান জানান।
কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক: বেশ কয়েক বছর ধরে পর্যবেক্ষন করার পর ভারতের বিখ্যাত নেহরু-গান্ধীর সবচেয়ে তরূণ বংশধর প্রিয়াঙ্কা গান্ধী যোগ দিয়েছেন পারিবারিক রাজনীতিতে। ভারতের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী রাহুল গান্ধীর ক্যারিস্মাটিক ছোট বোনের জন্য উত্তর প্রদেশের থেকে দুর্দান্ত যুদ্ধক্ষেত্র আর কি হতে পারে। হিন্দুত্ববাদী এই রাজ্য মোদি সমর্থকদের একেবারে মূল ভিত্তি। এই রাজ্যে কংগ্রেস পার্টিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য দায়িত্ব পালন করছেন ৪৭ বছর বয়সী প্রিয়াঙ্কা। যেখানে ২০১৪ সালের নির্বাচনে কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয় হয়েছিল। ৮০টি আসনের মধ্যে মাত্র দুটি আসন জিতেছিল কংগ্রেস আর বিপরীতে মোদির বিজেপি পেয়েছিল ৭১টি আসন।
হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির সনাতনীদের অত্যন্ত পবিত্র নদী গঙ্গায় নৌকায় করে প্রচারে নামার মাধ্যমেই ইন্দিরা গান্ধীর এই নাতনী জানান দিয়েছেন যে, ভানার্সির চ্যালেঞ্জ তিনি মাথার ভেতরে খুব ভালোভাবেই নিয়েছেন। বিশ্লেষকরা এই প্রতীকী প্রচারণাকে হারিয়ে ফেলেননি, বলেছিলেন যে, তার পদক্ষেপটি ছিল সমালোচনার মুখে। তার কংগ্রেস পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু ভোটারকে উপেক্ষা করেছে এবং ভারতের ১৭ কোটি মুসলমানের পক্ষপাতিত্ব করার সমালোচনার জবাব দিয়েছেন।
প্রিয়াঙ্কার ভক্তরা তার সাধারণ স্পর্শকে, তার চেহারা, ইন্দিরা গান্ধীকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। তার দাদী ইন্ধিরা ছিলেন ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। ১৯৮৪ সালে আততায়ীদের হাতে তিনি নিহত হন।
সুন্দরবন পর্যটন শিল্প বিকাশে ধীর গতি: রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার by আবু হেনা মুক্তি

প্রাকৃতিক
সৌন্দর্য, ভয় ও শিহরণের স্থান সুন্দরবন। জলে কুমির ডাঙ্গায় বাঘ। প্রকৃতির
অকৃপণ হাতের সৃষ্ট এ ম্যানগ্রোভে বসেছে গাঢ় সবুজের সমারোহ। শুধু সবুজ আর
সবুজের মেলা। পৃথিবীর হরেক রকমের জীব-জন্তু, পাখ-পাখালি, আর কীট-পতঙ্গ,
বঙ্গোপসাগর থেকে ছুটে আসা জলভেজা লবণাক্ত বাতাস, আর প্রকৃতির অনিন্দ্য
সুন্দর রূপ বর্তমানে ভ্রমণ পিপাসুদের পিপাসা মিটাতে ব্যর্থ হচ্ছে। সরকার
সুন্দরবন পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করা লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহন করলেও
তা শতভাগ বাস্তবায়িত হচ্ছে না। ফলে সম্ভাবনাময় খাতটি পড়ছে হুমকির মুখে।
জানা গেছে, সুন্দরবন কেন্দ্রীক পর্যটন শিল্পের যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুন্নত। বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে সুন্দরবনের পর্যটন শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে একটি প্রকল্প হাতে নেয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দিলেও টানা দ্বিতীয় মেয়াদের শেষ মুহূর্তেও প্রকল্পটি শতভাগ বাস্তবায়িত হয়নি। যে কারণে সুন্দরবন কেন্দ্রীক পর্যটন শিল্প বিকাশে ধীর গতিতে অসন্তোষ ক্রমেই দানা বেধে উঠছে। নাগরিক কমিটির ব্যানারে নানা কর্মসূচিতে সোচ্চার সামজিক সংগঠনগুলো। অথচ খুলনা-নলিয়ান হয়ে সুন্দরবন পর্যটন শিল্প বিকাশের সম্ভাবনাময় প্রকল্পটি এখনো পূর্ণাঙ্গতা পায়নি। প্রকল্পটি চলছে শম্ভুক গতিতে। ফলে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
স্থানীয়রা জানায়, গত ১০ বছরে ঝপঝপিয়া নদীর ওপর পানখালি সেতু এবং দাকোপ সেতুর কোনটাই এখনও কাজ শুরু হয়নি। নগরীর গল্লামারী থেকে দাকোপের নলিয়ান পর্যন্ত ৫৪ কিলোমিটার সড়কের মাত্র সাড়ে ২৫ কিলোমিটার নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে। ফলে সুন্দরবন কেন্দ্রীক পর্যটন শিল্প বিকাশের অমিত সম্ভাবনার পথটি একেবারেই রূদ্ধ হয়ে আছে।
এসব বিষয় নিয়ে সুন্দরবন রক্ষা কমিটি এবং বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি বিভিন্ন সময় সরকার প্রধানসহ সরকারের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের নিকট স্মারকলিপি প্রদান ও মানববন্ধন করে। বাংলাদেশ পরিবেশ ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি এ ব্যাপারে নানামুখী কর্মসূিচ হাতে নেয়। গতকাল বাপমাবাসো এর বটিয়াঘাটা উপজেলা কমিটি এক বিশেষ সভার আয়োজন করে। অধ্যাপক এনায়েত আলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাপমাবাসো’র সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শেখ আব্দুল হামিদ, রতন কুমার সাহা, নগেন্দ্রনাথ মন্ডল, বিবেক বিশ্বাস, সওদা বেগম, সুফিয়া বেগম, তানিয়া বিশ্বাস প্রমুখ। বক্তরা বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কৃত্রিম উপায় পর্যটন শিল্প গড়ে তুলে এগিয়ে চলেছে। সেখানে আমাদের দেশের এত বড় প্রাকৃতিক সম্পদ অবহেলায় ধ্বংসের পথে চলে যাচ্ছে। একটু সুনজর দিলেই এই সুন্দরবন হয়ে উঠবে পর্যটনের অন্যতম খাত।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, সড়কটি নির্মিত হলে দাকোপসহ খুলনার অর্থনীতির চাকা সচলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের দাবি, সুন্দরবন কেন্দ্রিক পর্যটন শিল্পের বিকাশের ক্ষেত্রে দাকোপ উপজেলার নলিয়ান একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এখান থেকে সরাসরি সুন্দরবনের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। এত অল্প সময়ে খুলনা থেকে সুন্দরবনের যাওয়ার অন্যকোন পথ নেই। নদীপথে খুলনা থেকে সুন্দরবনে যেতে সময় লাগে প্রায় ৫-৬ ঘন্টা। এ রোডটি নির্মাণ হলে সময় ও অর্থ বাঁচবে। এছাড়া নলিয়ান ও দাকোপে গড়ে উঠবে নতুন নতুন হোটেল ও রেস্টুরেন্ট। স্থানীয় জনগণের আয়ের উৎস সৃষ্টি হবে। সরকারি সহায়তায় ব্যক্তি মালিকানায় গড়ে উঠবে পর্যটন কেন্দ্র। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল হলে খুব সহজেই আকৃষ্ট হবে দেশ-বিদেশের পর্যটকরা।
জানা গেছে, সুন্দরবন কেন্দ্রীক পর্যটন শিল্পের যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুন্নত। বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে সুন্দরবনের পর্যটন শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে একটি প্রকল্প হাতে নেয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দিলেও টানা দ্বিতীয় মেয়াদের শেষ মুহূর্তেও প্রকল্পটি শতভাগ বাস্তবায়িত হয়নি। যে কারণে সুন্দরবন কেন্দ্রীক পর্যটন শিল্প বিকাশে ধীর গতিতে অসন্তোষ ক্রমেই দানা বেধে উঠছে। নাগরিক কমিটির ব্যানারে নানা কর্মসূচিতে সোচ্চার সামজিক সংগঠনগুলো। অথচ খুলনা-নলিয়ান হয়ে সুন্দরবন পর্যটন শিল্প বিকাশের সম্ভাবনাময় প্রকল্পটি এখনো পূর্ণাঙ্গতা পায়নি। প্রকল্পটি চলছে শম্ভুক গতিতে। ফলে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
স্থানীয়রা জানায়, গত ১০ বছরে ঝপঝপিয়া নদীর ওপর পানখালি সেতু এবং দাকোপ সেতুর কোনটাই এখনও কাজ শুরু হয়নি। নগরীর গল্লামারী থেকে দাকোপের নলিয়ান পর্যন্ত ৫৪ কিলোমিটার সড়কের মাত্র সাড়ে ২৫ কিলোমিটার নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে। ফলে সুন্দরবন কেন্দ্রীক পর্যটন শিল্প বিকাশের অমিত সম্ভাবনার পথটি একেবারেই রূদ্ধ হয়ে আছে।
এসব বিষয় নিয়ে সুন্দরবন রক্ষা কমিটি এবং বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি বিভিন্ন সময় সরকার প্রধানসহ সরকারের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের নিকট স্মারকলিপি প্রদান ও মানববন্ধন করে। বাংলাদেশ পরিবেশ ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি এ ব্যাপারে নানামুখী কর্মসূিচ হাতে নেয়। গতকাল বাপমাবাসো এর বটিয়াঘাটা উপজেলা কমিটি এক বিশেষ সভার আয়োজন করে। অধ্যাপক এনায়েত আলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাপমাবাসো’র সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শেখ আব্দুল হামিদ, রতন কুমার সাহা, নগেন্দ্রনাথ মন্ডল, বিবেক বিশ্বাস, সওদা বেগম, সুফিয়া বেগম, তানিয়া বিশ্বাস প্রমুখ। বক্তরা বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কৃত্রিম উপায় পর্যটন শিল্প গড়ে তুলে এগিয়ে চলেছে। সেখানে আমাদের দেশের এত বড় প্রাকৃতিক সম্পদ অবহেলায় ধ্বংসের পথে চলে যাচ্ছে। একটু সুনজর দিলেই এই সুন্দরবন হয়ে উঠবে পর্যটনের অন্যতম খাত।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, সড়কটি নির্মিত হলে দাকোপসহ খুলনার অর্থনীতির চাকা সচলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের দাবি, সুন্দরবন কেন্দ্রিক পর্যটন শিল্পের বিকাশের ক্ষেত্রে দাকোপ উপজেলার নলিয়ান একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এখান থেকে সরাসরি সুন্দরবনের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। এত অল্প সময়ে খুলনা থেকে সুন্দরবনের যাওয়ার অন্যকোন পথ নেই। নদীপথে খুলনা থেকে সুন্দরবনে যেতে সময় লাগে প্রায় ৫-৬ ঘন্টা। এ রোডটি নির্মাণ হলে সময় ও অর্থ বাঁচবে। এছাড়া নলিয়ান ও দাকোপে গড়ে উঠবে নতুন নতুন হোটেল ও রেস্টুরেন্ট। স্থানীয় জনগণের আয়ের উৎস সৃষ্টি হবে। সরকারি সহায়তায় ব্যক্তি মালিকানায় গড়ে উঠবে পর্যটন কেন্দ্র। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল হলে খুব সহজেই আকৃষ্ট হবে দেশ-বিদেশের পর্যটকরা।
কক্সবাজার উন্নয়নে গৃহীত মাস্টারপ্ল্যানে ব্যাপক অসঙ্গতি: ভোগান্তিতে নাগরিক সমাজ, বাস্তবায়নে হিমশিম খাচ্ছেন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ

কক্সবাজারের
পর্যটন এলাকা ঘিরে গৃহীত মাস্টারপ্ল্যানে ব্যাপক অসঙ্গতির কারণে ভুক্তভোগী
ভূমি মালিকরা নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে জানা গেছে। একই সাথে
এই মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে হিমশিম খাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের সাথে ২০১৩ সালে অনুমোদিত মাস্টারপ্ল্যানের বিস্তর গরমিল দেখা যাচ্ছে। এতে করে পর্যটন শহর কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকার ভূমি মালিকরা নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
সেলটেক নামের একটি বেসরকারি সংস্থা ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত চেষ্টা করে তৈরী করেছিলেন কক্সবাজার পর্যটন এলাকার মাস্টার প্ল্যানটি।এর সাথে এখন বাস্তবতার নিরিখে অনেক গরমিল দেখা যাচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে পর্যটন এলাকা কক্সবাজারে অনেক ধরনের পরিবর্তন এবং উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।
কয়েকজন ভূমি মালিক জানান, তারা নিজেদের মালিকানাধীন ভূমি সংস্কার ও সেখানে ভবন নির্মাণ করতে গিয়ে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাভে ব্যর্থ হচ্ছেন। অথবা ২০১৩ সালের অনুমোদিত মাস্টার প্লান এর সাথে বর্তমান উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপগুলোর গরমিলের কারণে তারা নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
ভূমি মালিকরা জানান, মাস্টার প্লানে কিছু এলাকাকে বাণিজ্যিক এলাকা বলে দেখানো হলেও তা বাস্তবে আবাসিক এলাকা। আবার কিছু এলাকাকে প্রাতিষ্ঠানিক এলাকা বলে উল্লেখ করা হলেও তা বাণিজ্যিক এলাকা।
কক্সবাজার শহরের পরিচিত টেকপাড়ার উকিলপাড়া নামে খ্যাত এলাকাটি একটি উন্নত মানের আবাসিক এলাকা হলেও এটিকে মাস্টারপ্ল্যানে দেখানো হয়েছে বাণিজ্যিক এলাকা বলে। আবার শহরের কচ্চইপ্পা পুকুরের পূর্ব এলাকাকে প্রাতিষ্ঠানিক এলাকা বলে মাস্টারপ্ল্যানে উল্লেখ করা হলেও বাস্তবে তা হচ্ছে একটি বিরাট আবাসিক এলাকা। সদর উপজেলার লাগোয়া উত্তর পাশের এলাকাটি একটি আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে উঠেছে। সেটিকেও মাস্টার প্ল্যানে প্রাতিষ্ঠানিক এলাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়াও টেকনাফ কক্সবাজার-আরাকান সড়কের সংযোগস্থল লিংক রোড এলাকাটি একটি বাণিজ্যিক এলাকা হলেও সেটিকে মাস্টার প্ল্যানে উল্লেখ করা হয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক এলাকা হিসেবে। এতে করে ওই এলাকার ভূমি মালিকরা ঘরবাড়ি দোকানপাটসহ ভবন নির্মাণে কউকের অনুমোদন পেতে এখন হিমশিম খাচ্ছেন। এ সমস্যায় এখন কক্সবাজার শহরের শত শত নাগরিক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
মাস্টার প্ল্যানে উল্লেখ করা হয়েছে, বাণিজ্যিক এলাকায় ভবন নির্মাণ করতে দুই হাজার এক শত পঞ্চাশ বর্গফুটের জমিতে ২৫০ বর্গফুট পার্কিং রাখতে হবে। আর আবাসিক এলাকায় তিন হাজার দুইশত আটাশ বর্গফুট জমির জন্যও ২৫০ বর্গফুট পার্কিং রাখার বিধান করা হয়েছে। এখানেও আবাসিক এলাকাকে বাণিজ্যিক এলাকা বলে উল্লেখ করায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন আবাসিক এলাকার ভূমি মালিকরা।
এদিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কের পশ্চিম পাশে শহরের নাজিরারটেক থেকে নিরিবিলি হ্যাচারী পর্যন্ত জোয়ার ভাটা থেকে এক হাজার ফুট জায়গা খালি রেখে বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা যেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আবার নিরিবিলি হ্যাচারী থেকে টেকনাফ পর্যন্ত দেড় হাজার ফুট জায়গা ছেড়ে দিয়ে স্থাপনা করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে মাস্টার প্ল্যানে।
অথচ এই পরিমাণ জায়গা ছেড়ে দিলে সৈকত এলাকায় কোন ধরনের স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ আর থাকে না। এতে করে একদিকে বিস্তীর্ণ মেরিন ড্রাইভ সড়ক এলাকায় পর্যটক আকর্ষণের জন্য কোন ধরনের স্থাপনা যেমন নির্মাণ করা সম্ভব হবে না। একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ওইসব এলাকার ভূমি মালিকরা। পাশাপাশি এখন যে দেশ-বিদেশের লাখ পর্যটক কক্সবাজার আসছেন সৈকতের সৌন্দর্য হারিয়ে এই পর্যটক স্রোত থেমে যাবে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।
২০১৩ সালের অনুমোদিত এই মাস্টার প্লান বর্তমান অবস্থানের সাথে মিল নেই বলে উল্লেখ করে বাস্তবতার নিরিখে এ মাস্টার প্ল্যানের সংশোধন দাবি জানিয়েছেন কক্সবাজারের অভিজ্ঞ ও বিশিষ্টজনরা।
এছাড়াও বাস্তবতার সাথে নানা অসঙ্গতিপূর্ণ এই মাস্টার প্ল্যানের কারণে বর্তমান কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।
এখন জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে বাস্তবতার নিরিখে অসঙ্গতি গুলো দূর করার উদ্যোগ গ্রহণ করারও দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বোর্ড মেম্বার প্রকৌশলী এম বদিউল আলম বলেন, অবশ্যই বাস্তবতার নিরিখে, বৃহত্তর জনস্বার্থে মাস্টার প্ল্যানের এসব অসঙ্গতির সংশোধন করে জন ভোগান্তি লাঘব করা খুবই প্রয়োজন।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত ফোরকান আহমদ এ প্রসঙ্গে বলেন, হ্যাঁ, আগের মাস্টার প্ল্যানের বেশ কিছু অসঙ্গতি নজরে এসেছে। সেগুলো সংশোধন করে নতুন করে মাস্টার প্লান এর কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। খুব শিগগিরই নতুন মাস্টার প্ল্যান পাওয়া যাবে।
সম্প্রতি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের সাথে ২০১৩ সালে অনুমোদিত মাস্টারপ্ল্যানের বিস্তর গরমিল দেখা যাচ্ছে। এতে করে পর্যটন শহর কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকার ভূমি মালিকরা নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
সেলটেক নামের একটি বেসরকারি সংস্থা ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত চেষ্টা করে তৈরী করেছিলেন কক্সবাজার পর্যটন এলাকার মাস্টার প্ল্যানটি।এর সাথে এখন বাস্তবতার নিরিখে অনেক গরমিল দেখা যাচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে পর্যটন এলাকা কক্সবাজারে অনেক ধরনের পরিবর্তন এবং উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।
কয়েকজন ভূমি মালিক জানান, তারা নিজেদের মালিকানাধীন ভূমি সংস্কার ও সেখানে ভবন নির্মাণ করতে গিয়ে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাভে ব্যর্থ হচ্ছেন। অথবা ২০১৩ সালের অনুমোদিত মাস্টার প্লান এর সাথে বর্তমান উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপগুলোর গরমিলের কারণে তারা নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
ভূমি মালিকরা জানান, মাস্টার প্লানে কিছু এলাকাকে বাণিজ্যিক এলাকা বলে দেখানো হলেও তা বাস্তবে আবাসিক এলাকা। আবার কিছু এলাকাকে প্রাতিষ্ঠানিক এলাকা বলে উল্লেখ করা হলেও তা বাণিজ্যিক এলাকা।
কক্সবাজার শহরের পরিচিত টেকপাড়ার উকিলপাড়া নামে খ্যাত এলাকাটি একটি উন্নত মানের আবাসিক এলাকা হলেও এটিকে মাস্টারপ্ল্যানে দেখানো হয়েছে বাণিজ্যিক এলাকা বলে। আবার শহরের কচ্চইপ্পা পুকুরের পূর্ব এলাকাকে প্রাতিষ্ঠানিক এলাকা বলে মাস্টারপ্ল্যানে উল্লেখ করা হলেও বাস্তবে তা হচ্ছে একটি বিরাট আবাসিক এলাকা। সদর উপজেলার লাগোয়া উত্তর পাশের এলাকাটি একটি আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে উঠেছে। সেটিকেও মাস্টার প্ল্যানে প্রাতিষ্ঠানিক এলাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়াও টেকনাফ কক্সবাজার-আরাকান সড়কের সংযোগস্থল লিংক রোড এলাকাটি একটি বাণিজ্যিক এলাকা হলেও সেটিকে মাস্টার প্ল্যানে উল্লেখ করা হয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক এলাকা হিসেবে। এতে করে ওই এলাকার ভূমি মালিকরা ঘরবাড়ি দোকানপাটসহ ভবন নির্মাণে কউকের অনুমোদন পেতে এখন হিমশিম খাচ্ছেন। এ সমস্যায় এখন কক্সবাজার শহরের শত শত নাগরিক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
মাস্টার প্ল্যানে উল্লেখ করা হয়েছে, বাণিজ্যিক এলাকায় ভবন নির্মাণ করতে দুই হাজার এক শত পঞ্চাশ বর্গফুটের জমিতে ২৫০ বর্গফুট পার্কিং রাখতে হবে। আর আবাসিক এলাকায় তিন হাজার দুইশত আটাশ বর্গফুট জমির জন্যও ২৫০ বর্গফুট পার্কিং রাখার বিধান করা হয়েছে। এখানেও আবাসিক এলাকাকে বাণিজ্যিক এলাকা বলে উল্লেখ করায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন আবাসিক এলাকার ভূমি মালিকরা।
এদিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কের পশ্চিম পাশে শহরের নাজিরারটেক থেকে নিরিবিলি হ্যাচারী পর্যন্ত জোয়ার ভাটা থেকে এক হাজার ফুট জায়গা খালি রেখে বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা যেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আবার নিরিবিলি হ্যাচারী থেকে টেকনাফ পর্যন্ত দেড় হাজার ফুট জায়গা ছেড়ে দিয়ে স্থাপনা করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে মাস্টার প্ল্যানে।
অথচ এই পরিমাণ জায়গা ছেড়ে দিলে সৈকত এলাকায় কোন ধরনের স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ আর থাকে না। এতে করে একদিকে বিস্তীর্ণ মেরিন ড্রাইভ সড়ক এলাকায় পর্যটক আকর্ষণের জন্য কোন ধরনের স্থাপনা যেমন নির্মাণ করা সম্ভব হবে না। একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ওইসব এলাকার ভূমি মালিকরা। পাশাপাশি এখন যে দেশ-বিদেশের লাখ পর্যটক কক্সবাজার আসছেন সৈকতের সৌন্দর্য হারিয়ে এই পর্যটক স্রোত থেমে যাবে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।
২০১৩ সালের অনুমোদিত এই মাস্টার প্লান বর্তমান অবস্থানের সাথে মিল নেই বলে উল্লেখ করে বাস্তবতার নিরিখে এ মাস্টার প্ল্যানের সংশোধন দাবি জানিয়েছেন কক্সবাজারের অভিজ্ঞ ও বিশিষ্টজনরা।
এছাড়াও বাস্তবতার সাথে নানা অসঙ্গতিপূর্ণ এই মাস্টার প্ল্যানের কারণে বর্তমান কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।
এখন জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে বাস্তবতার নিরিখে অসঙ্গতি গুলো দূর করার উদ্যোগ গ্রহণ করারও দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বোর্ড মেম্বার প্রকৌশলী এম বদিউল আলম বলেন, অবশ্যই বাস্তবতার নিরিখে, বৃহত্তর জনস্বার্থে মাস্টার প্ল্যানের এসব অসঙ্গতির সংশোধন করে জন ভোগান্তি লাঘব করা খুবই প্রয়োজন।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত ফোরকান আহমদ এ প্রসঙ্গে বলেন, হ্যাঁ, আগের মাস্টার প্ল্যানের বেশ কিছু অসঙ্গতি নজরে এসেছে। সেগুলো সংশোধন করে নতুন করে মাস্টার প্লান এর কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। খুব শিগগিরই নতুন মাস্টার প্ল্যান পাওয়া যাবে।

Saturday, April 6, 2019
বাংলাদেশে বিষাক্ত বাতাস কেড়ে নিচ্ছে শিশুদের ৩০ মাসের আয়ু

একটি
শিশু জন্ম নিয়ে এই পৃথিবীতে নিঃশ্বাস নিলে তার আয়ু অন্তত ২০ মাস কমে যাবে।
আর বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় শিশুরা এই বিষাক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নিয়ে
হারাবে ৩০ মাসের আয়ু। স্টেট অব গ্লোবাল এয়ার ২০১৯ এর সাম্প্রতিক এক গবেষণায়
এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দূষিত এই বাতাস বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে গিয়েছে, যে শিশুর জীবনধারণে বাতাসের প্রয়োজন, সেখানে সেই বাতাসই আয়ু কমিয়ে দিবে। দক্ষিণ এশিয়ার শিশুদের জন্য আরও ভয়াবহ সংবাদ হচ্ছে, এদের জীবন থেকে এই দূষিত বায়ু কেড়ে নিতে যাচ্ছে ৩০টি মাস।
২০১৭ সালে প্রতি ১০ জন মানুষের মৃত্যুর মধ্যে একজনের প্রাণ গিয়েছে বায়ুদূষণের ফলে। গবেষণায় বলা হচ্ছে, মৃত্যুর জন্য সড়ক দুর্ঘটনা কিংবা ম্যালেরিয়া মহামারিকে ছাপিয়ে বায়ুদূষণ ভয়াবহ কারণ হয়ে সহাবস্থানে রয়েছে ধূমপানের সঙ্গে। বিশ্ব জুড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে প্রাপ্তবয়স্করাও। বায়ু দূষণের কারণে প্রায় ৯০ শতাংশ মৃত্যু হয়েছে পঞ্চাশোর্ধ মানুষের ক্ষেত্রে। গবেষকরা বলেছিলেন যে, আগামী বছরগুলোতে বিশ্বের অনেক অংশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।
হেলথ এফেক্টস ইনস্টিটিউটের প্রস্তুতকৃত প্রতিবেদনটিতে রবার্ট ও কিফে বলেন, ‘সত্যিকার অর্থে একটা বড় ধাক্কা হিসেবে শিশুদের জীবন সংক্ষিপ্ত হবার এই তথ্য পাওয়া যায়।’ বিশ্বে রোজ জলবায়ু বিপর্যয়ের প্রমাণ মিলছে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্য দিয়ে, তবুও বিশ্বনেতাদের কোনো ন্যূনতম পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না এই সংকট মোকাবিলায়। রবার্ট বলছেন, ‘এখানে কোন ম্যাজিক বুলেট নেই তবুও সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া উচিত।’ তিনি চীনের বায়ু দূষণের মাত্রা নির্দেশ করেছেন, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কমতে শুরু করেছে। চীনে কর্তৃপক্ষ বায়ু মানের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে এবং কয়লা নির্ভরতা কমাতে এবং শিল্প ক্লিনার তৈরির ব্যবস্থা চালু করেছে। তারা কিছু কিছু শহরে যানবাহনের সংখ্যা সীমাবদ্ধ করেছে এবং ক্লিন এনার্জির জন্য তহবিল সংগ্রহ শুরু করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বে ফুসফুসজনিত রোগের ৪১ শতাংশ, টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ২০ শতাংশ, ফুসফুস ক্যান্সারের ১৯ শতাংশ, ইস্কিমিক হার্ট ডিজিজের ১৬ শতাংশ এবং স্ট্রোকের ১১ শতাংশ রোগ মৃত্যুর কারণ হিসেবে ঘটেছে যা বায়ু দূষণের ফলেই সৃষ্টি। বিশ্বব্যাপী বায়ু দূষণের ফলে স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাবগুলোর সবচেয়ে নিয়মিত কারণ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দূষিত এই বাতাস বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে গিয়েছে, যে শিশুর জীবনধারণে বাতাসের প্রয়োজন, সেখানে সেই বাতাসই আয়ু কমিয়ে দিবে। দক্ষিণ এশিয়ার শিশুদের জন্য আরও ভয়াবহ সংবাদ হচ্ছে, এদের জীবন থেকে এই দূষিত বায়ু কেড়ে নিতে যাচ্ছে ৩০টি মাস।
২০১৭ সালে প্রতি ১০ জন মানুষের মৃত্যুর মধ্যে একজনের প্রাণ গিয়েছে বায়ুদূষণের ফলে। গবেষণায় বলা হচ্ছে, মৃত্যুর জন্য সড়ক দুর্ঘটনা কিংবা ম্যালেরিয়া মহামারিকে ছাপিয়ে বায়ুদূষণ ভয়াবহ কারণ হয়ে সহাবস্থানে রয়েছে ধূমপানের সঙ্গে। বিশ্ব জুড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে প্রাপ্তবয়স্করাও। বায়ু দূষণের কারণে প্রায় ৯০ শতাংশ মৃত্যু হয়েছে পঞ্চাশোর্ধ মানুষের ক্ষেত্রে। গবেষকরা বলেছিলেন যে, আগামী বছরগুলোতে বিশ্বের অনেক অংশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।
হেলথ এফেক্টস ইনস্টিটিউটের প্রস্তুতকৃত প্রতিবেদনটিতে রবার্ট ও কিফে বলেন, ‘সত্যিকার অর্থে একটা বড় ধাক্কা হিসেবে শিশুদের জীবন সংক্ষিপ্ত হবার এই তথ্য পাওয়া যায়।’ বিশ্বে রোজ জলবায়ু বিপর্যয়ের প্রমাণ মিলছে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্য দিয়ে, তবুও বিশ্বনেতাদের কোনো ন্যূনতম পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না এই সংকট মোকাবিলায়। রবার্ট বলছেন, ‘এখানে কোন ম্যাজিক বুলেট নেই তবুও সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া উচিত।’ তিনি চীনের বায়ু দূষণের মাত্রা নির্দেশ করেছেন, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কমতে শুরু করেছে। চীনে কর্তৃপক্ষ বায়ু মানের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে এবং কয়লা নির্ভরতা কমাতে এবং শিল্প ক্লিনার তৈরির ব্যবস্থা চালু করেছে। তারা কিছু কিছু শহরে যানবাহনের সংখ্যা সীমাবদ্ধ করেছে এবং ক্লিন এনার্জির জন্য তহবিল সংগ্রহ শুরু করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বে ফুসফুসজনিত রোগের ৪১ শতাংশ, টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ২০ শতাংশ, ফুসফুস ক্যান্সারের ১৯ শতাংশ, ইস্কিমিক হার্ট ডিজিজের ১৬ শতাংশ এবং স্ট্রোকের ১১ শতাংশ রোগ মৃত্যুর কারণ হিসেবে ঘটেছে যা বায়ু দূষণের ফলেই সৃষ্টি। বিশ্বব্যাপী বায়ু দূষণের ফলে স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাবগুলোর সবচেয়ে নিয়মিত কারণ।
Friday, April 5, 2019
ট্রাক মাতাতে প্রস্তুত প্রথম সউদী নারী রেসার

সউদী
আরবের প্রথম নারী রেসার হিসেবে ফর্মুলা ফোর ব্রিটিশ চ্যাম্পিয়ন্সশিপে লড়তে
যাচ্ছেন রিমা জাফালি। চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ তাকে রেসিং ট্রাকে দেখা
যাবে।
গতির ঝড় তুলতে ২৭ বছর বয়সী জাফালি সতীর্থ হিসেবে পাচ্ছেন ডাবল আর রেসিং-এর বর্তমান চ্যাম্পিয়ন লুইস ফস্টার ও সেবাস্তিয়ান আলভারেজকে।
নারী ড্রাইভিং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কয়েক মাস পর ২০১৮ সালের অক্টোবরে রেসিংয়ে অভিষেক হয় জাফালির। তার মাস দুয়েক আগে লাইসেন্স প্রাপ্ত হন জেদ্দায় জন্ম দেওয়া এই নারী।
রেসিং ট্রাকে নামার জন্য তর সইছে না তার, ‘সউদী আরবের প্রতিনিধি হয়ে এমন কিছু করা আমার জন্য বিরাট ব্যাপার। এটা আমার জন্য অনেক সম্মানের।’
ব্রিটিশ এফ-৪ ওয়েবসাইটে তিনি আরো বলেন, ‘তিন থেকে চার বছর আগে আমি রেসিংয়ে নামার চিন্তা শুরু করি। আজ এখানে আসতে পারা এবং এই অল্প সময়ের মধ্যে এটা করতে পারা সত্যিই অবিশ্বাস্য। এজন্য আমি কৃতজ্ঞ ও খুশি।’
‘সউদীতে এমন কিছু করার জন্য এখন উৎকৃষ্ট সময় এবং এজন্য আমি সমর্থন পেয়েছি বন্ধু-বান্ধব, পরিবার এবং তারা যাদেরকে আমি চিনিও না। আর এগুলোই আমাকে আরো ভালো করার জন্য সামনের দিকে ঠেলে দিয়েছে।’
‘ব্র্যান্ড হ্যাচ মোটোস্পোর্টের হৃদপিন্ড। এমন প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ প্রতিযোগিতায় লড়তে যাওয়া খুবই কঠিন তবে আমি এই চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত।’
সউদী আরবে ফেরার আগে যুক্তরাষ্ট্রে পড়ালেখা করেন জাফালি। মার্চে তিনি ডাবল আর রেসিংয়ে যোগ দেয়ার ঘোষণা দেন এবং ব্রিটিশ দলের সঙ্গে যোগ দেন। তিনি বলেন, ‘ডাবল আর রেসিং চ্যাম্পিয়ন্সশিপ বিজয়ী দল যাদের দারুণ একটা ইতিহাস রয়েছে সেই দলে যোগ দিতে পেরে আমি খুশি।’
দলীয় প্রধান অ্যান্থনি হিয়েট বলেন, ‘আমরা ব্রিটিশ ফর্মুলা ফোরে রিমার সঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছি এবং ডাবল আর-এ যে কোন লেবেলে পুরো মৌসুমের জন্য সে যোগ দেয়ায় আমরা আনন্দিত।’ তিনি বলেন, ‘আমি জানি তাকে এখনো অনেক শিখতে হবে- গাড়ি, স্টাইল এবং অসাধারণ বৃটিশ ট্রাকস সম্পর্কে। তবে রিমা ইতোমধ্যে দেখিয়েছে সে এটা করতে প্রস্তুত।’
গত অক্টোবরে আবু ধাবিতে টিআরডি৮৬ কাপে প্রতিযোগিতার জন্য প্রথম সউদী নারী হিসেবে সনদপ্রাপ্ত হন জাফারি।
গতির ঝড় তুলতে ২৭ বছর বয়সী জাফালি সতীর্থ হিসেবে পাচ্ছেন ডাবল আর রেসিং-এর বর্তমান চ্যাম্পিয়ন লুইস ফস্টার ও সেবাস্তিয়ান আলভারেজকে।
নারী ড্রাইভিং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কয়েক মাস পর ২০১৮ সালের অক্টোবরে রেসিংয়ে অভিষেক হয় জাফালির। তার মাস দুয়েক আগে লাইসেন্স প্রাপ্ত হন জেদ্দায় জন্ম দেওয়া এই নারী।
রেসিং ট্রাকে নামার জন্য তর সইছে না তার, ‘সউদী আরবের প্রতিনিধি হয়ে এমন কিছু করা আমার জন্য বিরাট ব্যাপার। এটা আমার জন্য অনেক সম্মানের।’
ব্রিটিশ এফ-৪ ওয়েবসাইটে তিনি আরো বলেন, ‘তিন থেকে চার বছর আগে আমি রেসিংয়ে নামার চিন্তা শুরু করি। আজ এখানে আসতে পারা এবং এই অল্প সময়ের মধ্যে এটা করতে পারা সত্যিই অবিশ্বাস্য। এজন্য আমি কৃতজ্ঞ ও খুশি।’
‘সউদীতে এমন কিছু করার জন্য এখন উৎকৃষ্ট সময় এবং এজন্য আমি সমর্থন পেয়েছি বন্ধু-বান্ধব, পরিবার এবং তারা যাদেরকে আমি চিনিও না। আর এগুলোই আমাকে আরো ভালো করার জন্য সামনের দিকে ঠেলে দিয়েছে।’
‘ব্র্যান্ড হ্যাচ মোটোস্পোর্টের হৃদপিন্ড। এমন প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ প্রতিযোগিতায় লড়তে যাওয়া খুবই কঠিন তবে আমি এই চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত।’
সউদী আরবে ফেরার আগে যুক্তরাষ্ট্রে পড়ালেখা করেন জাফালি। মার্চে তিনি ডাবল আর রেসিংয়ে যোগ দেয়ার ঘোষণা দেন এবং ব্রিটিশ দলের সঙ্গে যোগ দেন। তিনি বলেন, ‘ডাবল আর রেসিং চ্যাম্পিয়ন্সশিপ বিজয়ী দল যাদের দারুণ একটা ইতিহাস রয়েছে সেই দলে যোগ দিতে পেরে আমি খুশি।’
দলীয় প্রধান অ্যান্থনি হিয়েট বলেন, ‘আমরা ব্রিটিশ ফর্মুলা ফোরে রিমার সঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছি এবং ডাবল আর-এ যে কোন লেবেলে পুরো মৌসুমের জন্য সে যোগ দেয়ায় আমরা আনন্দিত।’ তিনি বলেন, ‘আমি জানি তাকে এখনো অনেক শিখতে হবে- গাড়ি, স্টাইল এবং অসাধারণ বৃটিশ ট্রাকস সম্পর্কে। তবে রিমা ইতোমধ্যে দেখিয়েছে সে এটা করতে প্রস্তুত।’
গত অক্টোবরে আবু ধাবিতে টিআরডি৮৬ কাপে প্রতিযোগিতার জন্য প্রথম সউদী নারী হিসেবে সনদপ্রাপ্ত হন জাফারি।
১১৯ বছর পর নামাজ হলো যে মসজিদে

তুরস্কের
পূর্বাঞ্চলীয় এলাজিগ প্রদেশে অবস্থিত এক মসজিদে দীর্ঘ ১১৯ বছর পর নামাজ
আদায় করা হলো। অটোমান সাম্রাজ্য তথা উসমানীয় খিলাফতের সময়কার এই মসজিদটিতে
বুধবার প্রথমবারের মতো নামাজ আদায় করা হয়। খবর ডেইলি সাবাহ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হারপুত জেলার দাবাখান মসজিদটি ৪৫০ বছর আগের। স্থানীয় মিউনিসিপ্যালিটি মসজিদটি ব্যাপকভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। যদিও আগে এটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল।
হারপুত জেলার মেয়র মুকাহিত ইয়ামলমাজ নামাজ আদায়ের পর সাংবাদিকদের বলেন, তারা একটি ঐতিহাসিক দিনের সাক্ষী হয়ে থাকলেন। হারপুত জেলা চার হাজার বছরের সভ্যতা ও সংস্কৃতির মিলনস্থল বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
মেয়র বলেন, ‘১১৯ বছর পর দাবাখান মসজিদ পুনরায় চালু হওয়ায় আমরা গর্বিত।’
খবরে বলা হয়েছে, হারপুত দুর্গের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত মসজিদটি এক গম্বুজবিশিষ্ট। ২৫ বর্গফুটের মসজিদটি সপ্তদশ শতকের ওসমানীয় স্থাপত্যের নিদর্শন। ঐতিহাসিক সিল্ক রুট ব্যবহারকারী পথিকরা মসজিদটি ব্যবহার করতেন বলে মনে করা হয়।
তুরস্কের পূর্বাঞ্চলীয় এলাজিগ প্রদেশে অবস্থিত এক মসজিদে দীর্ঘ ১১৯ বছর পর নামাজ আদায় করা হলো। অটোমান সাম্রাজ্য তথা উসমানীয় খিলাফতের সময়কার এই মসজিদটিতে বুধবার প্রথমবারের মতো নামাজ আদায় করা হয়। খবর ডেইলি সাবাহ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হারপুত জেলার দাবাখান মসজিদটি ৪৫০ বছর আগের। স্থানীয় মিউনিসিপ্যালিটি মসজিদটি ব্যাপকভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। যদিও আগে এটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল।
হারপুত জেলার মেয়র মুকাহিত ইয়ামলমাজ নামাজ আদায়ের পর সাংবাদিকদের বলেন, তারা একটি ঐতিহাসিক দিনের সাক্ষী হয়ে থাকলেন। হারপুত জেলা চার হাজার বছরের সভ্যতা ও সংস্কৃতির মিলনস্থল বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
মেয়র বলেন, ‘১১৯ বছর পর দাবাখান মসজিদ পুনরায় চালু হওয়ায় আমরা গর্বিত।’
খবরে বলা হয়েছে, হারপুত দুর্গের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত মসজিদটি এক গম্বুজবিশিষ্ট। ২৫ বর্গফুটের মসজিদটি সপ্তদশ শতকের ওসমানীয় স্থাপত্যের নিদর্শন। ঐতিহাসিক সিল্ক রুট ব্যবহারকারী পথিকরা মসজিদটি ব্যবহার করতেন বলে মনে করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হারপুত জেলার দাবাখান মসজিদটি ৪৫০ বছর আগের। স্থানীয় মিউনিসিপ্যালিটি মসজিদটি ব্যাপকভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। যদিও আগে এটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল।
হারপুত জেলার মেয়র মুকাহিত ইয়ামলমাজ নামাজ আদায়ের পর সাংবাদিকদের বলেন, তারা একটি ঐতিহাসিক দিনের সাক্ষী হয়ে থাকলেন। হারপুত জেলা চার হাজার বছরের সভ্যতা ও সংস্কৃতির মিলনস্থল বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
মেয়র বলেন, ‘১১৯ বছর পর দাবাখান মসজিদ পুনরায় চালু হওয়ায় আমরা গর্বিত।’
খবরে বলা হয়েছে, হারপুত দুর্গের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত মসজিদটি এক গম্বুজবিশিষ্ট। ২৫ বর্গফুটের মসজিদটি সপ্তদশ শতকের ওসমানীয় স্থাপত্যের নিদর্শন। ঐতিহাসিক সিল্ক রুট ব্যবহারকারী পথিকরা মসজিদটি ব্যবহার করতেন বলে মনে করা হয়।
তুরস্কের পূর্বাঞ্চলীয় এলাজিগ প্রদেশে অবস্থিত এক মসজিদে দীর্ঘ ১১৯ বছর পর নামাজ আদায় করা হলো। অটোমান সাম্রাজ্য তথা উসমানীয় খিলাফতের সময়কার এই মসজিদটিতে বুধবার প্রথমবারের মতো নামাজ আদায় করা হয়। খবর ডেইলি সাবাহ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হারপুত জেলার দাবাখান মসজিদটি ৪৫০ বছর আগের। স্থানীয় মিউনিসিপ্যালিটি মসজিদটি ব্যাপকভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। যদিও আগে এটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল।
হারপুত জেলার মেয়র মুকাহিত ইয়ামলমাজ নামাজ আদায়ের পর সাংবাদিকদের বলেন, তারা একটি ঐতিহাসিক দিনের সাক্ষী হয়ে থাকলেন। হারপুত জেলা চার হাজার বছরের সভ্যতা ও সংস্কৃতির মিলনস্থল বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
মেয়র বলেন, ‘১১৯ বছর পর দাবাখান মসজিদ পুনরায় চালু হওয়ায় আমরা গর্বিত।’
খবরে বলা হয়েছে, হারপুত দুর্গের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত মসজিদটি এক গম্বুজবিশিষ্ট। ২৫ বর্গফুটের মসজিদটি সপ্তদশ শতকের ওসমানীয় স্থাপত্যের নিদর্শন। ঐতিহাসিক সিল্ক রুট ব্যবহারকারী পথিকরা মসজিদটি ব্যবহার করতেন বলে মনে করা হয়।
Thursday, April 4, 2019
হিন্দু ধর্ম পরিবর্তন করে ইসলাম গ্রহণ করলেন উর্মিলা!

ভারতের
আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে মুম্বাই উত্তর কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী হয়েছেন
দর্শক নন্দিত অভিনেত্রী উর্মিলা। জয়ী হবার লক্ষে জোর প্রচারণা চালাতেও দেখা
যাচ্ছে অভিনেত্রীকে। শুধু তাই নয়, ইতোমধ্যে অভিনেত্রী নিজের ধর্মই
পরিবর্তন করেছেন। তাহলে কি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য উর্মিলা নিজের হিন্দু
ধর্ম পরিবর্তন করে ইসলাম গ্রহণ করলেন? এমন প্রশ্নতো করায় যায়। যাইহোক এমন
তথ্য পাওয়া গিয়েছে অভিনেত্রীর ইউকিপিডিয়ার মাধ্যমে। তবে অনেকেই ধারণা করছেন
উর্মিলা সত্যি সত্যি এমন কোনো কাজ করেনিনি। কেউ হয়তো শত্রুতা করে এমন কাজ
করে থাকতে পারেন। তবে এর আগে পরিবার ও পরিচয় নিয়ে নানা তির্যক মন্তব্যের
মুখে পড়তে হয়েছে এই অভিনেত্রীকে।
উর্মিলার স্বামী কাশ্মীরি মডেল ও ব্যবসায়ী মোহসিন আখতর মীর। স্বামীর পরিচয়ের জন্য এর আগে একাধিক বার কটাক্ষের মুখের পড়েছেন উর্মিলা। সমালোচকরা নিন্দার ভাষায় সমালোচনা করেছেন অভিনেত্রীর। এবার উইকিপিডায়ায় উর্মিলার নাম বদলে কে বা কারা মরিয়ম আখতার মীর করে দিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, মোহসিনের সঙ্গে বিবাহের পর ধর্ম বদলে মুসলিম হয়েছেন তিনি। বদলেছেন নিজের নামও। উর্মিলা থেকে হয়েছেন মরিয়ম।
এই কান্ডে ভীষণ চটেছে উর্মিলার পরিবার। মহৎ উদ্দেশ্যে রাজনীতিতে নামা উর্মিকে নিয়ে কেন এতো নোংরামি করা হচ্ছে? এমন প্রশ্ন তুলেছে নায়িকার পরিবারের সদস্যরা। তাদের অভিযোগের আঙুল বিরোধী দল বিজেপির দিকে। উর্মিলার পরিবারের দাবি, নির্বাচনে উর্মিলাকে হারাতে পারবে না বলেই তাদের এমন আচরণ। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে উর্মিলাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে নিন্দিুকদের উদ্দেশ্যে পরিষ্কার জানানো হয়েছে এমন বাজে কাজ করে বা অন্য কিছু করেও নির্বাচন থেকে দুরে সরানো যাবে না উর্মিলাকে।
এদিকে এই ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে নিন্দা জানিয়েছে উর্মিলার দল কংগ্রেসও। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, উর্মিলার জনপ্রিয়তায় ভয় পেয়েছে বিজেপি। যে কারণে এইসব অপপ্রচার চালাচ্ছে তারা। শুধু এবারই নয়, বিজেপি সবসময়ই সাম্প্রদায়িকতায় উস্কানি দেয়।
তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো মুখ খোলেননি অভিনেত্রী। তিনি নিজের মতো করেই চালিয়ে যাচ্ছেন নির্বাচনি প্রচার।
উর্মিলার স্বামী কাশ্মীরি মডেল ও ব্যবসায়ী মোহসিন আখতর মীর। স্বামীর পরিচয়ের জন্য এর আগে একাধিক বার কটাক্ষের মুখের পড়েছেন উর্মিলা। সমালোচকরা নিন্দার ভাষায় সমালোচনা করেছেন অভিনেত্রীর। এবার উইকিপিডায়ায় উর্মিলার নাম বদলে কে বা কারা মরিয়ম আখতার মীর করে দিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, মোহসিনের সঙ্গে বিবাহের পর ধর্ম বদলে মুসলিম হয়েছেন তিনি। বদলেছেন নিজের নামও। উর্মিলা থেকে হয়েছেন মরিয়ম।
এই কান্ডে ভীষণ চটেছে উর্মিলার পরিবার। মহৎ উদ্দেশ্যে রাজনীতিতে নামা উর্মিকে নিয়ে কেন এতো নোংরামি করা হচ্ছে? এমন প্রশ্ন তুলেছে নায়িকার পরিবারের সদস্যরা। তাদের অভিযোগের আঙুল বিরোধী দল বিজেপির দিকে। উর্মিলার পরিবারের দাবি, নির্বাচনে উর্মিলাকে হারাতে পারবে না বলেই তাদের এমন আচরণ। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে উর্মিলাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে নিন্দিুকদের উদ্দেশ্যে পরিষ্কার জানানো হয়েছে এমন বাজে কাজ করে বা অন্য কিছু করেও নির্বাচন থেকে দুরে সরানো যাবে না উর্মিলাকে।
এদিকে এই ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে নিন্দা জানিয়েছে উর্মিলার দল কংগ্রেসও। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, উর্মিলার জনপ্রিয়তায় ভয় পেয়েছে বিজেপি। যে কারণে এইসব অপপ্রচার চালাচ্ছে তারা। শুধু এবারই নয়, বিজেপি সবসময়ই সাম্প্রদায়িকতায় উস্কানি দেয়।
তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো মুখ খোলেননি অভিনেত্রী। তিনি নিজের মতো করেই চালিয়ে যাচ্ছেন নির্বাচনি প্রচার।
Wednesday, April 3, 2019
শুক্রবার মাউন্ট এলিজাবেথ থেকে রিলিজ পেতে পারেন কাদের

বাইপাস
সার্জারির পর ক্রমেই শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে আওয়ামী লীগ সাধারণ
সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের। এই উন্নতি অব্যাহত থাকলে আগামী
শুক্রবার অথবা শনিবার সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র
পেতে পারেন তিনি।
এ তথ্য জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. আবু নাছের।
মঙ্গলবার রাতে তিনি গণমাধ্যমে জানান, ওবায়দুল কাদের সুস্থ হয়ে উঠছেন। শরীরের এই উন্নতির ধারাবাহিকতা থাকলে বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত পর্যবেক্ষণ করবেন চিকিৎসকরা। সব ঠিক থাকলে শুক্র অথবা শনিবার তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়া যেতে পারে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হলে মাউন্ট এলিজাবেথের পাশে একটি ভাড়াবাসা নেয়া হবে। ওই বাসায রেখে তার চিকিৎসা-পরবর্তী পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলবে।
এ তথ্য জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. আবু নাছের।
মঙ্গলবার রাতে তিনি গণমাধ্যমে জানান, ওবায়দুল কাদের সুস্থ হয়ে উঠছেন। শরীরের এই উন্নতির ধারাবাহিকতা থাকলে বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত পর্যবেক্ষণ করবেন চিকিৎসকরা। সব ঠিক থাকলে শুক্র অথবা শনিবার তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়া যেতে পারে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হলে মাউন্ট এলিজাবেথের পাশে একটি ভাড়াবাসা নেয়া হবে। ওই বাসায রেখে তার চিকিৎসা-পরবর্তী পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলবে।
Tuesday, April 2, 2019
চালকবিহীন ড্রোনের ছবি দিয়ে গ্রাহককে বোকা বানাল এমিরেটস

দুবাইভিত্তিক
জনপ্রিয় বিমান পরিবহণ সংস্থা এমিরেটস এয়ারলাইন্স এপ্রিল ফুল পালন করল।
যাত্রীদের বোকা বানাতে তারা চালকবিহীন ড্রোন চালুর ঘোষণা দিয়েছিল। সোমবার
অফিশিয়াল পেজে এক টুইট বার্তায় চালকবিহীন ড্রোনের ছবি দিয়ে তাতে যাত্রী
পরিবহনের ঘোষণা দেয় দুবাই ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠান। পরে জানানো হয়
যাত্রীদেরকে বোকা বানাতেই তারা এই ঘোষণা দিয়েছিল। খবর খালিজ টাইমস।
টুইটে এমিরেটস এয়ারলাইন্স ঘোষণা দেয়, দুবাইয়ের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শহরের যে কোনও স্থানে তারা চালকবিহীন ড্রোন দিয়ে যাত্রী পরিবহন করবে। এই ড্রোন যাত্রীকে প্রথম শ্রেণীর ব্যক্তিগত বিলাসবহুল স্যুইটে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা দেবে।
টুইটে প্রকাশিত আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, এক যাত্রী উড়ন্ত ট্যাক্সির ভিতরে লাউঞ্জে বসে আছে। তার বাম দিকের জানালা দিয়ে আকাশ থেকে দুবাই শহর দেখা যাচ্ছে। সেখানে বলা হয়, তারা ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে এই নতুন ফ্লাইট চালু করবে। এই পরিষেবা এমিরেটস এয়ারলাইন্সের সকল প্ল্যাটিনাম সদস্যকে দেওয়া হবে। এর পরেই লেখা হয় ‘এটা একটা চমক!’ তারা জানায়, এটা ছিল এপ্রিল ফুল। ১ এপ্রিলের প্রাক্কালে এই ঘোষণা করা হয়েছে, যা অন্যকে বোকা বানিয়ে মজা করা দিয়ে উদযাপন করা হয়। তবে, এ বিষয়ে সংস্থাটির ফলোয়ারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। বেশিরভাগেই এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করেননি।
টুইটে এমিরেটস এয়ারলাইন্স ঘোষণা দেয়, দুবাইয়ের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শহরের যে কোনও স্থানে তারা চালকবিহীন ড্রোন দিয়ে যাত্রী পরিবহন করবে। এই ড্রোন যাত্রীকে প্রথম শ্রেণীর ব্যক্তিগত বিলাসবহুল স্যুইটে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা দেবে।
টুইটে প্রকাশিত আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, এক যাত্রী উড়ন্ত ট্যাক্সির ভিতরে লাউঞ্জে বসে আছে। তার বাম দিকের জানালা দিয়ে আকাশ থেকে দুবাই শহর দেখা যাচ্ছে। সেখানে বলা হয়, তারা ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে এই নতুন ফ্লাইট চালু করবে। এই পরিষেবা এমিরেটস এয়ারলাইন্সের সকল প্ল্যাটিনাম সদস্যকে দেওয়া হবে। এর পরেই লেখা হয় ‘এটা একটা চমক!’ তারা জানায়, এটা ছিল এপ্রিল ফুল। ১ এপ্রিলের প্রাক্কালে এই ঘোষণা করা হয়েছে, যা অন্যকে বোকা বানিয়ে মজা করা দিয়ে উদযাপন করা হয়। তবে, এ বিষয়ে সংস্থাটির ফলোয়ারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। বেশিরভাগেই এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করেননি।
Monday, April 1, 2019
বিশ্বের প্রথম কোরআনিক পার্ক উন্মুক্ত

দুবাইয়ে
বিশ্বের প্রথম কোরআনিক পার্কের নির্মাণ কাজ সমাপ্তের পর গত শুক্রবার
দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত বিভিন্ন এলাকা,
জাতিগোষ্ঠী ও ৪৩ টি বৃক্ষ ও নবীদের কেরামতি নিয়ে পার্কটি সাজানো হয়েছে। খবর
গালফ নিউজ, খালিজ টাইমস।
৬০ হাজার হেক্টর আয়তনের এ পার্কটিতে কোনো টিকিট ছাড়াই দর্শনার্থীরা প্রবেশ করতে পারবেন। দুবাই মিউনিসিটিপল বৃহস্পতিবার টুইটারে একটি ভিডিও শেয়ার করেছে, যাতে বলা হয়েছে পার্কটির নির্মাণে দুবাই সরকার আন্তর্জাতিক ডিজাইন ও সর্বশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে।
কোরআনের অলৌকিক ঘটনাবলির আলোকে বিভিন্ন কর্ণার ও বাগানের মাধ্যমে সাজানো হয়েছে দুবাইয়ের খাওয়ানেজ এলাকায় নির্মিত বিশ্বের প্রথম এ কোরআনিক পার্ক। যা ইসলাম ও পবিত্র কোরআন সম্পর্কে দর্শনার্থীদের আগ্রহী করে তুলবে। কোরআনে উল্লেখিত গাছের সমন্বয়ে ১২ টি উদ্যান রয়েছে পার্কটিতে। পাশাপাশি জান্নাতের নহর বোঝাতে কৃত্রিম হ্রদ বানানো হয়েছে।
আগত দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে কোরআনের প্রাসঙ্গিক আয়াত ও ঘটনা লিখে দেয়া হয়েছ প্রতিটি নির্মাণের পাশে। আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে রয়েছে ডিজিটাল থিয়েটার। যেখানে কোরআনের বিভিন্ন ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত ভিডিও দেখানো হবে। অন্যান্য পার্কের মতো বাচ্চাদের খেলা সুবিধাও সহ রাখা হয়েছে পার্কটিতে। ওয়াইফাই এবং ফোন চার্জিং স্টেশনের পাশাপাশি দর্শনার্থীদের বসার জন্য রয়েছে সুন্দর ব্যবস্থা।
কোরআনিক পার্কটি বিভিন্ন সংস্কৃতি, ধর্ম ও জনগণের সঙ্গে বুদ্ধিভিত্তিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের সেতু নির্মাণ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসলাম ধর্মের সাংস্কৃতিক অর্জন সম্পর্কেও মুসলমানদের আগ্রহী করে তুলবে।
৬০ হাজার হেক্টর আয়তনের এ পার্কটিতে কোনো টিকিট ছাড়াই দর্শনার্থীরা প্রবেশ করতে পারবেন। দুবাই মিউনিসিটিপল বৃহস্পতিবার টুইটারে একটি ভিডিও শেয়ার করেছে, যাতে বলা হয়েছে পার্কটির নির্মাণে দুবাই সরকার আন্তর্জাতিক ডিজাইন ও সর্বশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে।
কোরআনের অলৌকিক ঘটনাবলির আলোকে বিভিন্ন কর্ণার ও বাগানের মাধ্যমে সাজানো হয়েছে দুবাইয়ের খাওয়ানেজ এলাকায় নির্মিত বিশ্বের প্রথম এ কোরআনিক পার্ক। যা ইসলাম ও পবিত্র কোরআন সম্পর্কে দর্শনার্থীদের আগ্রহী করে তুলবে। কোরআনে উল্লেখিত গাছের সমন্বয়ে ১২ টি উদ্যান রয়েছে পার্কটিতে। পাশাপাশি জান্নাতের নহর বোঝাতে কৃত্রিম হ্রদ বানানো হয়েছে।
আগত দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে কোরআনের প্রাসঙ্গিক আয়াত ও ঘটনা লিখে দেয়া হয়েছ প্রতিটি নির্মাণের পাশে। আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে রয়েছে ডিজিটাল থিয়েটার। যেখানে কোরআনের বিভিন্ন ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত ভিডিও দেখানো হবে। অন্যান্য পার্কের মতো বাচ্চাদের খেলা সুবিধাও সহ রাখা হয়েছে পার্কটিতে। ওয়াইফাই এবং ফোন চার্জিং স্টেশনের পাশাপাশি দর্শনার্থীদের বসার জন্য রয়েছে সুন্দর ব্যবস্থা।
কোরআনিক পার্কটি বিভিন্ন সংস্কৃতি, ধর্ম ও জনগণের সঙ্গে বুদ্ধিভিত্তিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের সেতু নির্মাণ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসলাম ধর্মের সাংস্কৃতিক অর্জন সম্পর্কেও মুসলমানদের আগ্রহী করে তুলবে।
Sunday, March 31, 2019
শিল্পমেলায় ওয়ালটন পণ্যের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী

জাতীয়
শিল্পমেলায় ওয়ালটনের স্টল পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ
সময় তিনি ওয়ালটনের তৈরি বিশ্বমানের ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রিক্যাল এবং
প্রযুক্তিপণ্য দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। দেশেই এসব পণ্যের উৎপাদন,
বাজারজাতকরণ এবং রপ্তানিতে ওয়ালটনের সাহসী উদ্যেগের তিনি প্রশংসা করেন।
রোববার (৩১ মার্চ) থেকে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে ৭ দিন ব্যাপী প্রথম জাতীয় শিল্পমেলা। সকালে মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর তিনি মেলায় অংশ নেয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টল পরিদর্শন করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, সচিব আবদুল হামিদ, এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দীনসহ অন্যরা।
ওয়ালটনের স্টলে এসে প্রধানমন্ত্রী দেশে তৈরি আন্তর্জাতিকমানের ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, ফ্রিজ, এসি, রাইস কুকারসহ বিভিন্ন হোম অ্যাপ্লায়েন্স দেখে ওয়ালটনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বাংলাদেশে তৈরি কম্প্রেসর রপ্তানি হচ্ছে জেনে তিনি খুবই আনন্দিত হন। অত্যন্ত স্বল্পদামে মোবাইল ফোন, ফ্রিজ, হোম অ্যাপ্লায়েন্সসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য বাজারে ছাড়ায় তিনি ওয়ালটনের প্রশংসা করেন।
এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি প্রধানমন্ত্রীকে জানান ওয়ালটন দেশেই আন্তর্জাতিকমানের এলিভেটর বা লিফট উৎপাদন করছে। এতে প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন। ওয়ালটনের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানটির ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শরীফ হারুনুর রশিদ ছনি প্রধানমন্ত্রী এবং তার সঙ্গীদের বিভিন্ন পণ্য সম্পর্কে অবহিত করেন।
ওয়ালটনের স্টল পরিদর্শনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের নীতিসহায়তার কারণে দেশেই উচ্চ-প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনের সাহস দেখিয়েছে ওয়ালটন। এসব পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ। দেশের প্রতিটি প্রান্তে সাশ্রয়ী মূল্যে বিভিন্ন উন্নতমানের পণ্য পৌঁছে দিচ্ছে ওয়ালটন। যাতে মানুষের জীবনমান অনেক উন্নত ও আধুনিক হয়েছে। দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিশ্বের প্রায় ২০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওয়ালটনের তৈরি পণ্য।
উল্লেখ্য, শিল্প মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে জাতীয় শিল্পমেলা চলবে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। মেলায় প্রায় ৩০০টি দেশীয় প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। বৃহৎ প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যসহ সবচেয়ে বড় স্টল নিয়ে অংশ নিয়েছে ওয়ালটন। যেখানে প্রদর্শন করা হচ্ছে ওয়ালটন ফ্রিজ, এসি, টিভি, কম্প্রেসর, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, লিফট, ইন্ডাস্ট্রিয়াল সলিউশনস, হোম অ্যান্ড ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্সসহ বিভিন্ন পণ্য। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে।
রোববার (৩১ মার্চ) থেকে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে ৭ দিন ব্যাপী প্রথম জাতীয় শিল্পমেলা। সকালে মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর তিনি মেলায় অংশ নেয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টল পরিদর্শন করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, সচিব আবদুল হামিদ, এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দীনসহ অন্যরা।
ওয়ালটনের স্টলে এসে প্রধানমন্ত্রী দেশে তৈরি আন্তর্জাতিকমানের ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, ফ্রিজ, এসি, রাইস কুকারসহ বিভিন্ন হোম অ্যাপ্লায়েন্স দেখে ওয়ালটনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বাংলাদেশে তৈরি কম্প্রেসর রপ্তানি হচ্ছে জেনে তিনি খুবই আনন্দিত হন। অত্যন্ত স্বল্পদামে মোবাইল ফোন, ফ্রিজ, হোম অ্যাপ্লায়েন্সসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য বাজারে ছাড়ায় তিনি ওয়ালটনের প্রশংসা করেন।
এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি প্রধানমন্ত্রীকে জানান ওয়ালটন দেশেই আন্তর্জাতিকমানের এলিভেটর বা লিফট উৎপাদন করছে। এতে প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন। ওয়ালটনের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানটির ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শরীফ হারুনুর রশিদ ছনি প্রধানমন্ত্রী এবং তার সঙ্গীদের বিভিন্ন পণ্য সম্পর্কে অবহিত করেন।
ওয়ালটনের স্টল পরিদর্শনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের নীতিসহায়তার কারণে দেশেই উচ্চ-প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনের সাহস দেখিয়েছে ওয়ালটন। এসব পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ। দেশের প্রতিটি প্রান্তে সাশ্রয়ী মূল্যে বিভিন্ন উন্নতমানের পণ্য পৌঁছে দিচ্ছে ওয়ালটন। যাতে মানুষের জীবনমান অনেক উন্নত ও আধুনিক হয়েছে। দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিশ্বের প্রায় ২০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওয়ালটনের তৈরি পণ্য।
উল্লেখ্য, শিল্প মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে জাতীয় শিল্পমেলা চলবে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। মেলায় প্রায় ৩০০টি দেশীয় প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। বৃহৎ প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যসহ সবচেয়ে বড় স্টল নিয়ে অংশ নিয়েছে ওয়ালটন। যেখানে প্রদর্শন করা হচ্ছে ওয়ালটন ফ্রিজ, এসি, টিভি, কম্প্রেসর, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, লিফট, ইন্ডাস্ট্রিয়াল সলিউশনস, হোম অ্যান্ড ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্সসহ বিভিন্ন পণ্য। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে।
কঠিন সমীকরণ নিয়ে তুর্কি নির্বাচনে এরদোগান

প্রায়
আট কোটি জনসংখ্যার দেশ তুরস্কে রোববার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার
নির্বাচন। যেখানে ভোট দিবেন প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি ভোটার। সংসদের নিবন্ধিত
পাঁচটি দল ছাড়াও আরও সাতটি দল লড়ছে এ নির্বাচনে। এবারের ভোটের লড়াইয়ে জয়ের
জন্য ক্ষমতাসীন এবং বিরোধী দলগুলো এক রকম জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করছে। ছোট
ছোট দল থাকলেও নির্বাচনের মাঠ মূলত ক্ষমতাসীন ও বিরোধী জোটের লড়াইয়ে
বিভক্ত।
ক্ষমতাসীন জোটে রয়েছে সরকারি দল একে পার্টি এবং কট্টর জাতীয়তাবাদী দল এমএইচপি। অপরদিকে প্রধান বিরোধী দল সেক্যুলারিস্ট সিএইচপি জোটের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে ডানপন্থী আই পি বা সু পার্টি। দেশের বড় বড় সিটি কর্পোরেশন এবং গুরুত্বপূর্ণ শহরে পার্টিগুলো সম্পূর্ণ জোটবদ্ধ হয়ে তাদের প্রার্থী দিয়েছে। যদিও কোথাও কোথাও বড় দলগুলো আবার জোটের শরিকদের সমর্থনে নিজের প্রার্থীকেও তুলে নিয়েছে। এবারের লড়াইটা মূলত সিটি মেয়র, পৌর কাউন্সিলর, উপজেলা চেয়ারম্যান, গ্রাম মেম্বারসহ নানা পদের প্রার্থী নির্বাচনের জন্য। তবে রাজনৈতিক দলগুলো সম্পূর্ণ সংসদ নির্বাচনের আদলে তাদের প্রচারণা চালাচ্ছে।
এদিকে ক্ষমতাসীন দলের প্রধান ও দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগান এরই মধ্যে নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে চষে বেড়িয়েছেন গোটা দেশ। প্রতিদিন গড়ে দুই থেকে তিনটি নির্বাচনি জনসভায় ভাষণ দিয়েছেন। নিজের প্রার্থীর পক্ষে ভোট টানতে ব্যবহার করেছেন সব ধরনের কৌশল। কখনো ধর্মীয় অনুভূতি আবার কখনওবা পশ্চিমাদের তুলো ধুনো করা; তার প্রচারণায় বাদ যায়নি কোনো দিকই।
এমনকি নির্বাচনি সভায় বড় পর্দায় নিউজিল্যান্ডের মসজিদে হামলার ভিডিও দেখিয়ে ভোট চেয়েছেন তিনি। তবে কম যায়নি বিরোধী দলগুলোও। তারাও সরকারকে এক রকম ঘায়েল করার জন্য নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে। যদিও এই প্রচারণার দিক থেকে ক্ষমতাসীনরাই এক রকম এগিয়ে আছে। কেননা মূলধারার প্রচার মাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে সমান তালে দলগুলো নিজেদের প্রচার চালাচ্ছে। তাছাড়া এরদোগান প্রেসিডেন্ট হওয়ার সুবাদে তার প্রতিটি বক্তব্যই সরাসরি প্রচার হয় সকল মূলধারার গণমাধ্যমে। যা বিরোধী দলের নেতাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইস্তানবুল, ইজমি, আঙ্কারার মতো বড় বড় সিটি কর্পোরেশনগুলোতে ক্ষমতাসীন একে পার্টি তাদের হেভি ওয়েট প্রার্থীদেরকে দিয়েছে। এর মধ্যে যেমন, ইস্তানবুলের প্রার্থী তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইলদিরিম, আঙ্কারার প্রার্থী সাবেক পরিবেশ ও শহর পরিকল্পনা মন্ত্রী মেহমেত ওজহাসেকি এবং ইজমির থেকে লড়ছেন দেশের সাবেক অর্থমন্ত্রী নিহাত জেইবেকচি। অপরদিকে বিরোধী জোটগুলো অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত প্রার্থী নিয়েই এবারের নির্বাচনে লড়াই করছে। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক মন্দাকে পুঁজি করে দেশের বিরোধীরা তাদের প্রচারণা চালাচ্ছে। গত বছর আগস্ট মাস থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বন্দ্ব দেশে অর্থনৈতিক সঙ্কট সৃষ্টি করেছে। সরকার নানা প্রতিশ্ৰুতি দিয়েও সেই অবস্থার তেমন কোনো উন্নতি করতে পারেনি। ধীরে ধীরে এর প্রভাব সাধারণ মানুষের মধ্যেও পড়তে শুরু করে। যদিও তুরস্ক এখনো সে পর্যায়ে পৌঁছায়নি। যে কারণে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জনমত সরকারের এই অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানে নেওয়া পদক্ষেপগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তবে সরকারের দাবি, নির্বাচনের পর তুরস্কের অর্থনীতি আরও ভালো হবে। যা দীর্ঘ সময় যাবত চলবে। তবে খুব শীঘ্রই এই দুরবস্থা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয় বলে দাবি বিশ্লেষকদের। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
ক্ষমতাসীন জোটে রয়েছে সরকারি দল একে পার্টি এবং কট্টর জাতীয়তাবাদী দল এমএইচপি। অপরদিকে প্রধান বিরোধী দল সেক্যুলারিস্ট সিএইচপি জোটের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে ডানপন্থী আই পি বা সু পার্টি। দেশের বড় বড় সিটি কর্পোরেশন এবং গুরুত্বপূর্ণ শহরে পার্টিগুলো সম্পূর্ণ জোটবদ্ধ হয়ে তাদের প্রার্থী দিয়েছে। যদিও কোথাও কোথাও বড় দলগুলো আবার জোটের শরিকদের সমর্থনে নিজের প্রার্থীকেও তুলে নিয়েছে। এবারের লড়াইটা মূলত সিটি মেয়র, পৌর কাউন্সিলর, উপজেলা চেয়ারম্যান, গ্রাম মেম্বারসহ নানা পদের প্রার্থী নির্বাচনের জন্য। তবে রাজনৈতিক দলগুলো সম্পূর্ণ সংসদ নির্বাচনের আদলে তাদের প্রচারণা চালাচ্ছে।
এদিকে ক্ষমতাসীন দলের প্রধান ও দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগান এরই মধ্যে নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে চষে বেড়িয়েছেন গোটা দেশ। প্রতিদিন গড়ে দুই থেকে তিনটি নির্বাচনি জনসভায় ভাষণ দিয়েছেন। নিজের প্রার্থীর পক্ষে ভোট টানতে ব্যবহার করেছেন সব ধরনের কৌশল। কখনো ধর্মীয় অনুভূতি আবার কখনওবা পশ্চিমাদের তুলো ধুনো করা; তার প্রচারণায় বাদ যায়নি কোনো দিকই।
এমনকি নির্বাচনি সভায় বড় পর্দায় নিউজিল্যান্ডের মসজিদে হামলার ভিডিও দেখিয়ে ভোট চেয়েছেন তিনি। তবে কম যায়নি বিরোধী দলগুলোও। তারাও সরকারকে এক রকম ঘায়েল করার জন্য নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে। যদিও এই প্রচারণার দিক থেকে ক্ষমতাসীনরাই এক রকম এগিয়ে আছে। কেননা মূলধারার প্রচার মাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে সমান তালে দলগুলো নিজেদের প্রচার চালাচ্ছে। তাছাড়া এরদোগান প্রেসিডেন্ট হওয়ার সুবাদে তার প্রতিটি বক্তব্যই সরাসরি প্রচার হয় সকল মূলধারার গণমাধ্যমে। যা বিরোধী দলের নেতাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইস্তানবুল, ইজমি, আঙ্কারার মতো বড় বড় সিটি কর্পোরেশনগুলোতে ক্ষমতাসীন একে পার্টি তাদের হেভি ওয়েট প্রার্থীদেরকে দিয়েছে। এর মধ্যে যেমন, ইস্তানবুলের প্রার্থী তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইলদিরিম, আঙ্কারার প্রার্থী সাবেক পরিবেশ ও শহর পরিকল্পনা মন্ত্রী মেহমেত ওজহাসেকি এবং ইজমির থেকে লড়ছেন দেশের সাবেক অর্থমন্ত্রী নিহাত জেইবেকচি। অপরদিকে বিরোধী জোটগুলো অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত প্রার্থী নিয়েই এবারের নির্বাচনে লড়াই করছে। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক মন্দাকে পুঁজি করে দেশের বিরোধীরা তাদের প্রচারণা চালাচ্ছে। গত বছর আগস্ট মাস থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বন্দ্ব দেশে অর্থনৈতিক সঙ্কট সৃষ্টি করেছে। সরকার নানা প্রতিশ্ৰুতি দিয়েও সেই অবস্থার তেমন কোনো উন্নতি করতে পারেনি। ধীরে ধীরে এর প্রভাব সাধারণ মানুষের মধ্যেও পড়তে শুরু করে। যদিও তুরস্ক এখনো সে পর্যায়ে পৌঁছায়নি। যে কারণে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জনমত সরকারের এই অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানে নেওয়া পদক্ষেপগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তবে সরকারের দাবি, নির্বাচনের পর তুরস্কের অর্থনীতি আরও ভালো হবে। যা দীর্ঘ সময় যাবত চলবে। তবে খুব শীঘ্রই এই দুরবস্থা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয় বলে দাবি বিশ্লেষকদের। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
Friday, March 29, 2019
চীনের বন্দিশিবিরে মার্কিন নাগরিকদেরও আটক রেখেছে চীন

চীনের
জিনজিয়াংয়ে বন্দিশিবিরে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকও আটক রয়েছে। মার্কিন
পররাষ্ট্র দপ্তরের সূত্রের বরাত দিয়ে শুক্রবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
সূত্র বলেছে, আটককৃতদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আইনি মর্যাদা দেওয়া ব্যক্তিরাও রয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে মার্কিন নাগরিক অথবা আইনি মর্যাদা পাওয়া ব্যক্তির সংখ্যা অনেক বেশি কিনা জানতে চাইলে বলা হয়েছে , ‘নেহাৎ কম নয়।’
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক অ্যাম্বেসেডর অ্যাট লার্জ স্যাম ব্রাউনব্যাক জানিয়েছেন, তার কাছে অসমর্থিত সূত্রের খবর রয়েছে যে, ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা এক ব্যক্তির বাবা, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ নাগরিক, জিনজিয়াংয়ে যাওয়ার পর তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, ‘তার এখানে আইনি অবস্থান আছে, ক্যালিফোর্নিয়াতে ছেলের সঙ্গে দেখা করার পর তিনি জিনজিয়াংয়ে ফেরত গিয়েছিলেন। এরপর থেকেই তার কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি কোথায় আছেন, তার কী চিকিৎসা হচ্ছে এ নিয়ে তিনি (ছেলে) উদ্বিগ্ন। তার একাধিক পুরাতন ব্যাধি আছে। তার বয়স ৭৫ এবং তিনি একজন তাত্ত্বিক।’
গত বছর মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মানবাধিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন ‘ধর্মীয় ও জাতিগত পরিচয় মুছে ফেলতে জোর করে আট লাখ থেকে সম্ভবত ২০ লাখ উইঘুর, যারা জাতিগত ভাবে কাজাখ ও অন্যান্য মুসলমানকে বন্দিশিবিরে আটক করে রেখেছে।’
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম, মানবাধিকার সংগঠন ও প্রাক্তন বন্দিরা জানিয়েছে, বন্দিশিবিরের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বন্দিদের ওপর নিপীড়ন, নির্যাতন চালায় এবং কিছু বন্দিকে হত্যাও করেছে।’
সূত্র বলেছে, আটককৃতদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আইনি মর্যাদা দেওয়া ব্যক্তিরাও রয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে মার্কিন নাগরিক অথবা আইনি মর্যাদা পাওয়া ব্যক্তির সংখ্যা অনেক বেশি কিনা জানতে চাইলে বলা হয়েছে , ‘নেহাৎ কম নয়।’
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক অ্যাম্বেসেডর অ্যাট লার্জ স্যাম ব্রাউনব্যাক জানিয়েছেন, তার কাছে অসমর্থিত সূত্রের খবর রয়েছে যে, ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা এক ব্যক্তির বাবা, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ নাগরিক, জিনজিয়াংয়ে যাওয়ার পর তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, ‘তার এখানে আইনি অবস্থান আছে, ক্যালিফোর্নিয়াতে ছেলের সঙ্গে দেখা করার পর তিনি জিনজিয়াংয়ে ফেরত গিয়েছিলেন। এরপর থেকেই তার কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি কোথায় আছেন, তার কী চিকিৎসা হচ্ছে এ নিয়ে তিনি (ছেলে) উদ্বিগ্ন। তার একাধিক পুরাতন ব্যাধি আছে। তার বয়স ৭৫ এবং তিনি একজন তাত্ত্বিক।’
গত বছর মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মানবাধিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন ‘ধর্মীয় ও জাতিগত পরিচয় মুছে ফেলতে জোর করে আট লাখ থেকে সম্ভবত ২০ লাখ উইঘুর, যারা জাতিগত ভাবে কাজাখ ও অন্যান্য মুসলমানকে বন্দিশিবিরে আটক করে রেখেছে।’
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম, মানবাধিকার সংগঠন ও প্রাক্তন বন্দিরা জানিয়েছে, বন্দিশিবিরের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বন্দিদের ওপর নিপীড়ন, নির্যাতন চালায় এবং কিছু বন্দিকে হত্যাও করেছে।’
সেই নৌসেনা এখন মুসলিম

নৌসেনা
হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে একটি উন্নতমানের বিস্ফোরক ডিভাইস
তৈরি করেন রিচার্ড ম্যাকিনি। ডিভাইসটি ব্যবহার করে কাছের এক মসজিদ উড়িয়ে
দিতে চেয়েছিলেন তিনি। লক্ষ্য ছিল ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটানোর। কিন্তু তিনিই
এখন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে একজন আদর্শ মুসলিম হিসেবে জীবন-যাপন করছেন বলে
কানাডিয়ানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা স্টেটের নাগরিক রিচার্ড জানান, ছোটবেলায় হলিউড ছবি ‘র্যাম্বো’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নায়কে মতো হতে চেয়েছিলেন। তাই পরে তিনি মার্কিন নৌবাহিনীতে যোগদান করেন। এরপর মধ্যপ্রাচ্যসহ একাধিক যুদ্ধক্ষেত্রে দায়িত্বরত ছিলেন। নৌসেনা হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে রিচার্ড বলেন, ‘শিশুদের মৃত্যু দেখা সবচেয়ে ভয়ানক ছিল।’
তবে এই করুণ বাস্তবতা এড়িয়ে নিজের সহকর্মীদের সঙ্গ দিতে বলা হয় তাকে। তার গায়ে চোখের পানির ফোটা সদৃশ ২৬টি ট্যাটু করা আছে। প্রতিটি ট্যাটু তার হত্যা করা মানুষের সংখ্যা প্রকাশ করে। তবে রিচার্ড যুদ্ধক্ষেত্রে বেশিদিন প্রতিপক্ষকে হত্যা করা মেনে নিতে পারেননি। তিনি চাকরি ছেড়ে দেন।
রিচার্ড বলেন, ‘একদিন আমার দোকানে দুজন বোরকাপরা নারী আসেন। আমি তাদের দেখে কান্নায় ভেঙে পরলাম এবং প্রার্থনা করতে লাগলাম, আমি যেন একটুকু শক্তি পাই যেন তাদের দুজনের ঘাড় মটকে দিতে পারি। আমি খুব রাগান্বিত ছিলাম এবং তাদের খুব ঘৃণা করতাম।’
‘সে সময় প্রতি দুদিনে আমি হাফ গ্যালন ভদকা পান করতাম। তখনই আমি বাসায় বসে আইইডি (বাসায় নির্মিত বোমা) বানিয়ে ফেলি। আমি চেয়েছিলাম ইন্ডিয়ানা স্টেটের মুন্সি শহরের একটি মুসলিম সেন্টারে এর বিস্ফোরণ ঘটাতে। এতে কমপক্ষে দুশতাধিক মানুষ নিহত হতে পারতো। আমি চেয়েছিলাম, এই হামলার মধ্য দিয়ে শেষবারের মতো আমার দেশের জন্য কিছু করতে। এটাই ছিলো আমার হামলার যুক্তির ব্যাখ্যা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানতাম এই হামলার জন্য আমাকে কারাদন্ড দেওয়া হতো এবং সর্বশেষ আমার হাতে সুঁই ফুটানো হতো। কিন্তু এতে আমার কিছু আসে যায় না। ইসলামের প্রতি ঘৃণাই যেন আমাকে জীবিত রেখেছিলো।’
মার্কিন এই নাগরিক বলেন, ‘একদিন আমার ছোট মেয়ে বাসায় এসে আমাকে বললো, সে স্কুল থেকে আসার সময় একটা ছেলেকে দেখেছে যার মা মুখে স্কার্ফ পরে সারা শরীর আবদ্ধ করে তাকে নিতে এসেছিলেন। তার কেবল চক্ষুগোলক ব্যতীত কিছুই দেখা যাচ্ছিলো না।’
মেয়ের মুখ থেকে হিজাবি নারীর কথা শুনে রিচার্ড খুব রেগে যান। এক পর্যায়ে সন্তানদের সামনে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করতে থাকেন তিনি। তবে বাবার এমন ব্যবহার দেখে কিছু বলেনি ছোট মেয়ে। কেবল মেয়েটি রিচার্ডের দিকে তাকিয়ে এমন একটা ভঙ্গিমা দিলেন যেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় হিংস্র মানব হচ্ছেন তার বাবা।
রিচার্ড বলেন, ‘তার এই চাহনি দেখেই আমি সিদ্ধান্ত নিলাম, এই মুসলিম স¤প্রদায়কে আরও একটি সুযোগ দিবো। এরপর আমি নিকটস্থ একটি মসজিদে গেলাম এবং দেখলাম, একজন মুসলিম ব্যক্তি নিজের জুতো খুলে সেখানে প্রবেশ করলেন। সে আমার দিকে তাকিয়ে একটি হাসি দিলেন। আমাকে প্রশ্ন করলেন, “আমি কি আপনাকে সাহায্য করতে পারি?”
জবাবে রিচার্ড বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি চাই আপনি আমাকে ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষা দিন। এরপর তিনি আমাকে কোরআন দিলেন। ওই ব্যক্তি আমাকে বলেন, “আপনি এটি পড়েন এবং পড়া শেষে কোনো প্রশ্ন থাকলে বলুন।”’
‘বইটি পড়ে একের পর এক প্রশ্ন পাই আমি এবং তাদের কাছে ব্যখ্যা চাই। তারাও আমাকে ব্যাখ্যা করছিলেন। এটা ছিল এক ধরনের সজাগ হওয়া। মসজিদে প্রবেশের ঠিক আট সপ্তাহ পর আমি মুসলমান হই।’
এ ঘটনার তিন বছর পর মুনসি ইসলামিক সেন্টারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন রিচার্ড।
সর্বশেষে রিচার্ড বলেন, ‘আমি একজন মুসলিম। একজন দক্ষ সেনা ও গর্বিত মার্কিন নাগরিক। আমি শিখেছি যে, আমার ধারণাগুলো পুরোপুরি ভ্রান্ত ছিলো। আপনি জানেন, ইহুদী ধর্মে একটি বার্তা আছে, খ্রিস্টান ধর্মেও বার্তা আছে একইসঙ্গে ইসলাম ধর্মেও একটি বার্তা আছে। তবে বিষয়টি হাস্যকর হলেও সত্য যে, প্রত্যেক ধর্মের বার্তাই এক। সব ধর্মেই বলা হয়েছে শান্তি-ভালোবাসার কথা।’
তিনি বলেন, ‘আমার এখন একটাই লক্ষ্য, ঘৃণা বন্ধ করা। ঘৃণা থেকে ভালো কিছু আসে না। আমি অনেক কিছু করেছি। আমি অনেক মানুষের ক্ষতি করেছি এবং এই বোঝা নিয়েই আমাকে বেঁচে থাকতে হবে। তবে আমি যদি অন্য কাউকে থামাতে পারি তাহলেই আমি জিতে যাবো।’
যুক্তরাষ্ট্রে একজন মুসলিম নাগরিক হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতার কথা এভাবেই জানালেন রিচার্ড।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা স্টেটের নাগরিক রিচার্ড জানান, ছোটবেলায় হলিউড ছবি ‘র্যাম্বো’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নায়কে মতো হতে চেয়েছিলেন। তাই পরে তিনি মার্কিন নৌবাহিনীতে যোগদান করেন। এরপর মধ্যপ্রাচ্যসহ একাধিক যুদ্ধক্ষেত্রে দায়িত্বরত ছিলেন। নৌসেনা হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে রিচার্ড বলেন, ‘শিশুদের মৃত্যু দেখা সবচেয়ে ভয়ানক ছিল।’
তবে এই করুণ বাস্তবতা এড়িয়ে নিজের সহকর্মীদের সঙ্গ দিতে বলা হয় তাকে। তার গায়ে চোখের পানির ফোটা সদৃশ ২৬টি ট্যাটু করা আছে। প্রতিটি ট্যাটু তার হত্যা করা মানুষের সংখ্যা প্রকাশ করে। তবে রিচার্ড যুদ্ধক্ষেত্রে বেশিদিন প্রতিপক্ষকে হত্যা করা মেনে নিতে পারেননি। তিনি চাকরি ছেড়ে দেন।
রিচার্ড বলেন, ‘একদিন আমার দোকানে দুজন বোরকাপরা নারী আসেন। আমি তাদের দেখে কান্নায় ভেঙে পরলাম এবং প্রার্থনা করতে লাগলাম, আমি যেন একটুকু শক্তি পাই যেন তাদের দুজনের ঘাড় মটকে দিতে পারি। আমি খুব রাগান্বিত ছিলাম এবং তাদের খুব ঘৃণা করতাম।’
‘সে সময় প্রতি দুদিনে আমি হাফ গ্যালন ভদকা পান করতাম। তখনই আমি বাসায় বসে আইইডি (বাসায় নির্মিত বোমা) বানিয়ে ফেলি। আমি চেয়েছিলাম ইন্ডিয়ানা স্টেটের মুন্সি শহরের একটি মুসলিম সেন্টারে এর বিস্ফোরণ ঘটাতে। এতে কমপক্ষে দুশতাধিক মানুষ নিহত হতে পারতো। আমি চেয়েছিলাম, এই হামলার মধ্য দিয়ে শেষবারের মতো আমার দেশের জন্য কিছু করতে। এটাই ছিলো আমার হামলার যুক্তির ব্যাখ্যা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানতাম এই হামলার জন্য আমাকে কারাদন্ড দেওয়া হতো এবং সর্বশেষ আমার হাতে সুঁই ফুটানো হতো। কিন্তু এতে আমার কিছু আসে যায় না। ইসলামের প্রতি ঘৃণাই যেন আমাকে জীবিত রেখেছিলো।’
মার্কিন এই নাগরিক বলেন, ‘একদিন আমার ছোট মেয়ে বাসায় এসে আমাকে বললো, সে স্কুল থেকে আসার সময় একটা ছেলেকে দেখেছে যার মা মুখে স্কার্ফ পরে সারা শরীর আবদ্ধ করে তাকে নিতে এসেছিলেন। তার কেবল চক্ষুগোলক ব্যতীত কিছুই দেখা যাচ্ছিলো না।’
মেয়ের মুখ থেকে হিজাবি নারীর কথা শুনে রিচার্ড খুব রেগে যান। এক পর্যায়ে সন্তানদের সামনে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করতে থাকেন তিনি। তবে বাবার এমন ব্যবহার দেখে কিছু বলেনি ছোট মেয়ে। কেবল মেয়েটি রিচার্ডের দিকে তাকিয়ে এমন একটা ভঙ্গিমা দিলেন যেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় হিংস্র মানব হচ্ছেন তার বাবা।
রিচার্ড বলেন, ‘তার এই চাহনি দেখেই আমি সিদ্ধান্ত নিলাম, এই মুসলিম স¤প্রদায়কে আরও একটি সুযোগ দিবো। এরপর আমি নিকটস্থ একটি মসজিদে গেলাম এবং দেখলাম, একজন মুসলিম ব্যক্তি নিজের জুতো খুলে সেখানে প্রবেশ করলেন। সে আমার দিকে তাকিয়ে একটি হাসি দিলেন। আমাকে প্রশ্ন করলেন, “আমি কি আপনাকে সাহায্য করতে পারি?”
জবাবে রিচার্ড বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি চাই আপনি আমাকে ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষা দিন। এরপর তিনি আমাকে কোরআন দিলেন। ওই ব্যক্তি আমাকে বলেন, “আপনি এটি পড়েন এবং পড়া শেষে কোনো প্রশ্ন থাকলে বলুন।”’
‘বইটি পড়ে একের পর এক প্রশ্ন পাই আমি এবং তাদের কাছে ব্যখ্যা চাই। তারাও আমাকে ব্যাখ্যা করছিলেন। এটা ছিল এক ধরনের সজাগ হওয়া। মসজিদে প্রবেশের ঠিক আট সপ্তাহ পর আমি মুসলমান হই।’
এ ঘটনার তিন বছর পর মুনসি ইসলামিক সেন্টারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন রিচার্ড।
সর্বশেষে রিচার্ড বলেন, ‘আমি একজন মুসলিম। একজন দক্ষ সেনা ও গর্বিত মার্কিন নাগরিক। আমি শিখেছি যে, আমার ধারণাগুলো পুরোপুরি ভ্রান্ত ছিলো। আপনি জানেন, ইহুদী ধর্মে একটি বার্তা আছে, খ্রিস্টান ধর্মেও বার্তা আছে একইসঙ্গে ইসলাম ধর্মেও একটি বার্তা আছে। তবে বিষয়টি হাস্যকর হলেও সত্য যে, প্রত্যেক ধর্মের বার্তাই এক। সব ধর্মেই বলা হয়েছে শান্তি-ভালোবাসার কথা।’
তিনি বলেন, ‘আমার এখন একটাই লক্ষ্য, ঘৃণা বন্ধ করা। ঘৃণা থেকে ভালো কিছু আসে না। আমি অনেক কিছু করেছি। আমি অনেক মানুষের ক্ষতি করেছি এবং এই বোঝা নিয়েই আমাকে বেঁচে থাকতে হবে। তবে আমি যদি অন্য কাউকে থামাতে পারি তাহলেই আমি জিতে যাবো।’
যুক্তরাষ্ট্রে একজন মুসলিম নাগরিক হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতার কথা এভাবেই জানালেন রিচার্ড।
Thursday, March 28, 2019
বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন, ভেতরে আটকা বহু মানুষঃ প্রাণ বাঁচাতে লাফ

রাজধানী
ঢাকার বনানী এলাকায় এফ আর টাওয়ারে আগুন লেগেছে। ঘটনাস্থলের আকাশজুড়ে
এখনো কালো ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে। ভবনটিতে বহু লোকজন আটকা পড়েছে। বাইরে থেকে
তাদের কান্নার শব্দ শোনা যাচ্ছে। তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে
ফায়ার সার্ভিস।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে এফআর টাওয়ারের ৯ম তলা থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এনায়েত হোসেন।
আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা। আগুনের সূত্রপাত কোথা থেকে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা ধারণা করছেন, ভবনের নীচে থেকেই আগুন লেগেছে।
এদিকে ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে দায়িত্বরত কর্মীরা জানিয়েছেন, ১৭ নম্বর সড়কের এফ আর টাওয়ারের ৯ তলা থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। পরে এই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। আগুনে পুড়ে ভবনের গ্লাসগুলো খসে পড়ছিল। আশপাশের লোকজন জড়ো হয়েছেন ভবনের আশপাশে। বনানী সড়ক বন্ধ রয়েছে। চারদিকে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট কাজ করছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে এফআর টাওয়ারের ৯ম তলা থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এনায়েত হোসেন।
আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা। আগুনের সূত্রপাত কোথা থেকে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা ধারণা করছেন, ভবনের নীচে থেকেই আগুন লেগেছে।
এদিকে ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে দায়িত্বরত কর্মীরা জানিয়েছেন, ১৭ নম্বর সড়কের এফ আর টাওয়ারের ৯ তলা থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। পরে এই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। আগুনে পুড়ে ভবনের গ্লাসগুলো খসে পড়ছিল। আশপাশের লোকজন জড়ো হয়েছেন ভবনের আশপাশে। বনানী সড়ক বন্ধ রয়েছে। চারদিকে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট কাজ করছে।
প্রাণ বাঁচাতে লাফ
বনানীর
এফআর টাওয়ারের আগুন থেকে প্রাণ বাঁচাতে উপর থেকে লাফিয়ে পড়ে আহত একজন
মারা গেছেন। এছাড়াও আটকে পড়া অনেকে লাফিয়ে নামছে । লাফিয়ে পড়ে আহত দু’জনকে
কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভবনে আগুনের লেলিহান শিখা এখনো দাউদাউ করে জ্বলছে। কালোধোঁয়া ও মানুষের চিৎকারে ওই এলাকায় শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা দেখা যাচ্ছে। হাসপাতালের ইমার্জেন্সি অফিসার ফরিদা ইয়াসমিন জানিয়েছেন আহতদের একজন মারা গেছেন। অপরজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিবিসি বাংলা এ খবর দিয়েছে।
আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ১৭টি ইউনিটের পাশাপাশি স্থানান্তরযোগ্য মই টার্ন টেবিল লেডার (টিটিএল) কাজ করছে বলে জানা গেছে। এছাড়া আগুন নিয়ন্ত্রণে আশপাশের মানুষজন সহযোগিতা করছেন। বিমান বাহিনীর দুইটি হেলিকপ্টার আগুন টহল দিচ্ছে। নৌবাহিনীও উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।
ভবনে আগুনের লেলিহান শিখা এখনো দাউদাউ করে জ্বলছে। কালোধোঁয়া ও মানুষের চিৎকারে ওই এলাকায় শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা দেখা যাচ্ছে। হাসপাতালের ইমার্জেন্সি অফিসার ফরিদা ইয়াসমিন জানিয়েছেন আহতদের একজন মারা গেছেন। অপরজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিবিসি বাংলা এ খবর দিয়েছে।
আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ১৭টি ইউনিটের পাশাপাশি স্থানান্তরযোগ্য মই টার্ন টেবিল লেডার (টিটিএল) কাজ করছে বলে জানা গেছে। এছাড়া আগুন নিয়ন্ত্রণে আশপাশের মানুষজন সহযোগিতা করছেন। বিমান বাহিনীর দুইটি হেলিকপ্টার আগুন টহল দিচ্ছে। নৌবাহিনীও উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।

Wednesday, March 27, 2019
কাশ্মীর স্থানীয়দের জন্য নিরাপদ নয়

কাশ্মীরের
শ্রীনগরে তার বাড়ির ওপর দিয়ে প্রথম যখন জঙ্গি বিমান উড়ে যাচ্ছিল, তার
কিছুক্ষণ পর ৫০ বছর বয়সী মোহাম্মদ ইউসুফ জানতে পারেন, খারাপ কিছু ঘটতে
যাচ্ছে। নিয়ন্ত্রণরেখা থেকে ১০ কিলোমিটারের কম দূরত্বের একটি স্কুলে গণিত
পড়ান মোহাম্মদ ইউসুফ। মাথার ওপরে জঙ্গি বিমানের গর্জন এর আগে কখনও তিনি
শোনেননি বলে জানান। রাজধানী শ্রীনগরে গত সপ্তাহের আগে যুদ্ধবিমানের এমন
গর্জন নিকটাতীতে শোনা যায়নি।
জঙ্গি বিমানের গর্জন যখন ইউসুফের কানে আসে, তখন রাত সোয়া ৩টার বেশি বাজে। তখনও কেউ জানতেন না যে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ভারত-পাকিস্তান পরস্পরের ভ‚মিতে বিমান হামলা চালাতে যাচ্ছে। ইউসুফ বলেন,জঙ্গি বিমানের শব্দে ঘুম ভেঙে গেলে আতঙ্কিত হয়ে সবাই ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসি।
এই-ই হচ্ছে শ্রীনগরের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন। পরমাণু শক্তিধর ভারত-পাকিস্তানের বৈরিতার মাঝখানে তাদের অবস্থান।
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি সেনা অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর একটি হচ্ছে কাশ্মীর। পাহাড়েঘেরা এই ছোট্ট উপত্যকাটিতে প্রায় সাত লাখ ভারতীয় সেনা মোতায়েন রয়েছে।
সশস্ত্র পুলিশের বিপুল অবস্থান সত্তে¡ও বিশ্বব্যাপী পর্যটকদের অন্যতম গন্তব্য হচ্ছে কাশ্মীর। ডাল লেকের চোখ জুড়ানো দৃশ্য ও ঐতিহাসিক স্থাপনা রয়েছে সেখানে। ৪০০ বছরের পুরনো মোগল আমলের পরীমহল দেখতে পর্যটকরা ছুটে যান কাশ্মীরে। কিন্তু পরীর নিবাসখ্যাত এই গার্ডেনেও ভারতীয় আধাসামরিক বাহিনীর একটি ছোট্ট ক্যাম্প বসানো রয়েছে।
১৪ ফেব্রুয়ারিতে পুলওয়ামায় হামলার পর কাশ্মীরে উত্তেজনা নাটকীয়ভাবে বেড়ে গেছে।
ঝিলাম নদে যাত্রী পারাপার করেন আবদুল কারিম কালু। সতিনি বলেন, বাস্তবিকভাবে পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। সংঘাতের কারণে কাশ্মীরের লোকজনের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক কাজ করছে।
কালু সবসময় নিজের দুই নাতনির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন। তিনি বলেন, যারা সকালে রুটি-রুজির সন্ধানে ঘর থেকে বের হন, সন্ধ্যায় তারা জীবিত ফিরতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
কাশ্মীরের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে এক দোকানির সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনি বিচলিত বোধ করেন। কীভাবে পাক-ভারত সংঘাত তার ব্যবসা ধ্বংস করে দিয়েছে, সে কথা জানান ২৫ বছর বয়সী যুবক আবিদ খাপড়া।
কথা বলার সময় তার ভেতর খুবই আবেগ দেখা গেছে। বেদনার সঙ্গে তিনি বলেন, দিনে দিনে আমরা হতাশ হয়ে পড়ছি। অর্থনৈতিকভাবে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। আমাদের শিশুরা শিক্ষাবঞ্চিত হচ্ছে। এভাবেই খেসারত দিতে হচ্ছে আমাদের।
শ্রীনগরে মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে দাঙ্গা পুলিশ। ১৪ ফেব্রুয়ারির হামলার পর থেকে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় অভিযান চলছে। কাজেই পুলিশের বাধায় নিজের দোকানে যেতে পারেন না আবিদ খাপড়া। এতে তার আয়-উপার্জন বন্ধ হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, যখনই আমি বাইরে বের হই, দেখি দাঙ্গা পুলিশ সেখানে দাঁড়িয়ে আছে। আমি হয়রানির শিকার হই। দোকানে যেতে পারি না।
আবিদ বলেন, ভারতের কোথাও গেলে সেনাবাহিনী আপনাকে সহায়তা করবে। কিন্তু এখানে একজন সেনার কাছে অপরিচিত জায়গার ঠিকানা জিজ্ঞাসা করতেও সাহস পাবেন না। সেনাসদস্যরা যদি খারাপ কিছুও করে, তবে সে জন্য তাদের জবাবদিহি করতে হয় না।
একটি ক্যাফেতে খেতে গিয়ে পছন্দের খাবার পাননি ২২ বছর বয়স্কা চিকিৎসা বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী আবরু জান। তিনি বলেন, পুলওয়ামায় হামলার পর ভারতীয় আধাসামরিক বাহিনীর আচরণে পরিবর্তন চলে এসেছে। সেনাসদস্যরা আমাদের তাদের শত্রু মনে করছে।
আবরু জান বলেন, একজন কাশ্মীরি হিসেবে স্বজন হারানো পরিবারের সদস্যদের বেদনা আমি বুঝতে পারি। আমরা সবাই কাউকে না কাউকে হারিয়েছি। আমাদের গ্রামে অনেক প্রাণহানি ঘটেছে। বন্দুকের গুলিতে তরুণদের আহত হতে দেখেছি।
বাইরে বের হলেই সশস্ত্র পুলিশের মুখোমুখি হতে হয় বলেও জানান এ মেডিকেলছাত্রী। বললেন, এখানে অনেক বিধিনিষেধ মেনে চলতে হয়। এখানে বহু সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতির এতই অবনতি ঘটেছে যে, কাশ্মীরিদের জন্য কাশ্মীর কোনো নিরাপদ বাসস্থান নয়।
‘পুলওয়ামার আগে মনে হয়েছিল, পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটছে। স্বাভাবিক না হলেও চলাফেরা করা যেত। কিন্তু বর্তমানে পাকিস্তান ও ভারত সংঘাতের দিকে চলে গেছে। আর সেই সংঘাতের মাঝে রয়েছে কাশ্মীর।’
ঘাসে ঢাকা নদীর তীরে বসে বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করছিলেন ২১ বছর বয়সী কম্পিউটার প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবরার। তার একটি ভালো চাকরি আছে। কাজেই তিনি কিছুটা আশাবাদী মানুষ।
তার পরও তিনি বলেন, আতঙ্কে শহরে সপ্তাহখানেক রাতে ঘুমাতে পারিনি। শ্রীনগরের রাস্তায় এই প্রথমবারের মতো আমি উত্তেজনা টের পেলাম। আমরা খুবই হতাশ। বাড়িতে নিজেদের নিরাপদ ভাবতে পারছি না।’
এই কম্পিউটার প্রকৌশলী বলেন, এখানে কারও ভবিষ্যৎ নেই। কোনো শিশু, নারী-পুরুষ কিংবা বৃদ্ধ। কেউ নিরাপদ নয়; এমনকি এখানকার কোনো বাড়িতেও কারও নিরাপত্তা নেই। সূত্র : ইন্ডিপেন্ডেন্ট অনলাইন।
জঙ্গি বিমানের গর্জন যখন ইউসুফের কানে আসে, তখন রাত সোয়া ৩টার বেশি বাজে। তখনও কেউ জানতেন না যে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ভারত-পাকিস্তান পরস্পরের ভ‚মিতে বিমান হামলা চালাতে যাচ্ছে। ইউসুফ বলেন,জঙ্গি বিমানের শব্দে ঘুম ভেঙে গেলে আতঙ্কিত হয়ে সবাই ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসি।
এই-ই হচ্ছে শ্রীনগরের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন। পরমাণু শক্তিধর ভারত-পাকিস্তানের বৈরিতার মাঝখানে তাদের অবস্থান।
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি সেনা অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর একটি হচ্ছে কাশ্মীর। পাহাড়েঘেরা এই ছোট্ট উপত্যকাটিতে প্রায় সাত লাখ ভারতীয় সেনা মোতায়েন রয়েছে।
সশস্ত্র পুলিশের বিপুল অবস্থান সত্তে¡ও বিশ্বব্যাপী পর্যটকদের অন্যতম গন্তব্য হচ্ছে কাশ্মীর। ডাল লেকের চোখ জুড়ানো দৃশ্য ও ঐতিহাসিক স্থাপনা রয়েছে সেখানে। ৪০০ বছরের পুরনো মোগল আমলের পরীমহল দেখতে পর্যটকরা ছুটে যান কাশ্মীরে। কিন্তু পরীর নিবাসখ্যাত এই গার্ডেনেও ভারতীয় আধাসামরিক বাহিনীর একটি ছোট্ট ক্যাম্প বসানো রয়েছে।
১৪ ফেব্রুয়ারিতে পুলওয়ামায় হামলার পর কাশ্মীরে উত্তেজনা নাটকীয়ভাবে বেড়ে গেছে।
ঝিলাম নদে যাত্রী পারাপার করেন আবদুল কারিম কালু। সতিনি বলেন, বাস্তবিকভাবে পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। সংঘাতের কারণে কাশ্মীরের লোকজনের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক কাজ করছে।
কালু সবসময় নিজের দুই নাতনির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন। তিনি বলেন, যারা সকালে রুটি-রুজির সন্ধানে ঘর থেকে বের হন, সন্ধ্যায় তারা জীবিত ফিরতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
কাশ্মীরের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে এক দোকানির সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনি বিচলিত বোধ করেন। কীভাবে পাক-ভারত সংঘাত তার ব্যবসা ধ্বংস করে দিয়েছে, সে কথা জানান ২৫ বছর বয়সী যুবক আবিদ খাপড়া।
কথা বলার সময় তার ভেতর খুবই আবেগ দেখা গেছে। বেদনার সঙ্গে তিনি বলেন, দিনে দিনে আমরা হতাশ হয়ে পড়ছি। অর্থনৈতিকভাবে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। আমাদের শিশুরা শিক্ষাবঞ্চিত হচ্ছে। এভাবেই খেসারত দিতে হচ্ছে আমাদের।
শ্রীনগরে মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে দাঙ্গা পুলিশ। ১৪ ফেব্রুয়ারির হামলার পর থেকে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় অভিযান চলছে। কাজেই পুলিশের বাধায় নিজের দোকানে যেতে পারেন না আবিদ খাপড়া। এতে তার আয়-উপার্জন বন্ধ হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, যখনই আমি বাইরে বের হই, দেখি দাঙ্গা পুলিশ সেখানে দাঁড়িয়ে আছে। আমি হয়রানির শিকার হই। দোকানে যেতে পারি না।
আবিদ বলেন, ভারতের কোথাও গেলে সেনাবাহিনী আপনাকে সহায়তা করবে। কিন্তু এখানে একজন সেনার কাছে অপরিচিত জায়গার ঠিকানা জিজ্ঞাসা করতেও সাহস পাবেন না। সেনাসদস্যরা যদি খারাপ কিছুও করে, তবে সে জন্য তাদের জবাবদিহি করতে হয় না।
একটি ক্যাফেতে খেতে গিয়ে পছন্দের খাবার পাননি ২২ বছর বয়স্কা চিকিৎসা বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী আবরু জান। তিনি বলেন, পুলওয়ামায় হামলার পর ভারতীয় আধাসামরিক বাহিনীর আচরণে পরিবর্তন চলে এসেছে। সেনাসদস্যরা আমাদের তাদের শত্রু মনে করছে।
আবরু জান বলেন, একজন কাশ্মীরি হিসেবে স্বজন হারানো পরিবারের সদস্যদের বেদনা আমি বুঝতে পারি। আমরা সবাই কাউকে না কাউকে হারিয়েছি। আমাদের গ্রামে অনেক প্রাণহানি ঘটেছে। বন্দুকের গুলিতে তরুণদের আহত হতে দেখেছি।
বাইরে বের হলেই সশস্ত্র পুলিশের মুখোমুখি হতে হয় বলেও জানান এ মেডিকেলছাত্রী। বললেন, এখানে অনেক বিধিনিষেধ মেনে চলতে হয়। এখানে বহু সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতির এতই অবনতি ঘটেছে যে, কাশ্মীরিদের জন্য কাশ্মীর কোনো নিরাপদ বাসস্থান নয়।
‘পুলওয়ামার আগে মনে হয়েছিল, পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটছে। স্বাভাবিক না হলেও চলাফেরা করা যেত। কিন্তু বর্তমানে পাকিস্তান ও ভারত সংঘাতের দিকে চলে গেছে। আর সেই সংঘাতের মাঝে রয়েছে কাশ্মীর।’
ঘাসে ঢাকা নদীর তীরে বসে বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করছিলেন ২১ বছর বয়সী কম্পিউটার প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবরার। তার একটি ভালো চাকরি আছে। কাজেই তিনি কিছুটা আশাবাদী মানুষ।
তার পরও তিনি বলেন, আতঙ্কে শহরে সপ্তাহখানেক রাতে ঘুমাতে পারিনি। শ্রীনগরের রাস্তায় এই প্রথমবারের মতো আমি উত্তেজনা টের পেলাম। আমরা খুবই হতাশ। বাড়িতে নিজেদের নিরাপদ ভাবতে পারছি না।’
এই কম্পিউটার প্রকৌশলী বলেন, এখানে কারও ভবিষ্যৎ নেই। কোনো শিশু, নারী-পুরুষ কিংবা বৃদ্ধ। কেউ নিরাপদ নয়; এমনকি এখানকার কোনো বাড়িতেও কারও নিরাপত্তা নেই। সূত্র : ইন্ডিপেন্ডেন্ট অনলাইন।
Subscribe to:
Posts (Atom)
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
- ▼ 2026 (2236)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
বিনোদন
শেষের পাতা
ক্রিকেট খেলা
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
দেশে দেশে
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ইসরায়েল
ফুটবল খেলা
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
ফিলিস্তিন
Lead
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
ইরান
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
কালবেলা
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
চট্টগ্রাম
বিশাল বাংলা
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
হত্যা
নতুন বার্তা
ধর্ম
স্মরণ
যুক্তরাজ্য
গল্প
মুসলিম
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
রাশিয়া
ফুটবল
জাতিসংঘ
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সাক্ষাৎকার
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
ইউরোপ
সৌদি আরব
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ইতিহাস
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
জামায়াতে ইসলামী
সোহরাব হাসান
অমানবিক
পশ্চিমবঙ্গ
আলোকিত চট্টগ্রাম
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
জাতীয় সংসদ
নারী ধর্ষণ
আনন্দ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
আফ্রিকা
মাদক
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
সংখ্যালঘু
প্রবাস
ছুটির দিনে
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
তুরস্ক
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
আফগানিস্তান
গোল্লাছুট
বইপত্র
অন্য আলো
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
প্রতারণা
ছবি
ইউক্রেন
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
দুর্ঘটনা
অপহরণ
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
স্বাস্থ্য
তরুণ প্রজন্ম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
হিন্দু
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
Exclusive
আব্দুল কাইয়ুম
নেপাল
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
ইয়েমেন
জ্যোতির্বিজ্ঞান
সড়ক দুর্ঘটনা
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
শিল্প ও সাহিত্য
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
কক্সবাজার
এ এম এম শওকত আলী
ঢাকা
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
গবেষণা
বাংলাদেশ
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
জীবনযাপন
শোক
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
সংস্কৃতি
ফ্রান্স
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
কিশোরগঞ্জ
লেবানন
আবদুল মান্নান
কুমিল্লা
জাপান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
শিল্প
মুক্তমত
মাহমুদুর রহমান
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
পার্বত্য চট্টগ্রাম
ময়মনসিংহ
সংবাদ২৪.নেট
সীমান্ত সন্ত্রাস
ইরাক
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
যশোর
HotTopic
চিকিৎসা
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
কলকাতা
তথ্য প্রযুক্তি
মেহেদী হাসান
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
বরগুনা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
আনু মুহাম্মদ
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
ব্রাজিল
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
মসজিদ
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
বরিশাল
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
রোকনুজ্জামান পিয়াস
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
রণজিৎ বিশ্বাস
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
অরুণ কর্মকার
উত্তর কোরিয়া
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
জলবায়ু ও পরিবেশ
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
কালি ও কলম
তুহিন ওয়াদুদ
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
জনস্বাস্থ্য
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
কুষ্টিয়া
নিবন্ধ
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
জাতীয় নাগরিক পার্টি
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
উচ্চশিক্ষা
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
দিল্লি
বিজ্ঞান
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
প্রযুক্তি
কাতার
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
আদিবাসী
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
কালের খেয়া
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
কানাডা
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
ঝড় ও দুর্যোগ
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
শিশির মোড়ল
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
হুমায়ূন আহমেদ
আবুল হাসনাত
আরব আমিরাত বা দুবাই
আল আমিন
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
হারুন হাবীব
অমিত বসু
ওমর ফারুক
জার্মানি
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
লাতিন আমেরিকা
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
ব্যবসা
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
ইসলাম
এবনে গোলাম সামাদ
দক্ষিণ কোরিয়া
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
লিবিয়া
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
আসজাদুল কিবরিয়া
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
জোহরান মামদানি
টাকা আনা পাই
মহাকাশচারী
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
Fantastic
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
নিয়ন আলোয়
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ইহুদি
ডিডাব্লিউ
নরসিংদী
শরিফ রুবেল
কিশোর আলো
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জলবায়ু পরিবর্তন
ঝালকাঠি
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
যৌন অপরাধ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
ইসলামী ছাত্রশিবির
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
চুয়াডাঙ্গা
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
গণমাধ্যম
ধর্মঘট
স্পেন
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
পিরোজপুর
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
প্রবাসী শ্রমিক
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
শিশুমৃত্যু
সুশাসনের জন্য নাগরিক
সোমালিয়া
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কলম্বিয়া
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
চিঠিপত্র
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মরক্কো
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
হংকং
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
ওমান
কুয়েত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
চুক্তি
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বন্য প্রাণী
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সমাজ
সামাজ
সুজন সুপান্থ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শেরপুর
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সিঙ্গাপুর
সুইডেন
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
অ্যান্টার্কটিকা
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
রাজবাড়ী
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অমানবিকতা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
পোল্যান্ড
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আলজেরিয়া
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইলহান ওমর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রিস
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাত্রদল
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নীহারুল ইসলাম
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বাহরাইন
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলগেরিয়া
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রকিব হাসান
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট