Wednesday, May 29, 2019
দুই নেতার টানাটানি দ্বিখণ্ডিত ভারত? by সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
কিন্তু কোনো রাজা নন। রাজার মূর্তিও নয়। এই দেয়ালচিত্রে খান খান নয়, দ্বিখণ্ডিত হচ্ছে ভারত। করছেন যাঁরা, তাঁদের একজন ‘নাগরিক’ পোশাকে সজ্জিত কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। অন্যজনের পরনে সামরিক উর্দি। তিনি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
প্রধানমন্ত্রীর পরনে কেন সামরিক পোশাক? এই প্রশ্নটা উঠতেই পারে। জবাব হলো, ভারতের এবারের ভোট শেষবেলায় এসে পুরোপুরি নিরাপত্তানির্ভর হয়ে উঠেছে। কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সেনা হত্যার পর যেদিন বালাকোটে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ঘটানো হলো, প্রচারের অভিমুখ উন্নয়ন ও বিকাশের রাস্তা ছেড়ে সেই দিন থেকেই ধাবিত দেশের নিরাপত্তার দিকে। সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পর থেকে সরাসরি ভোট চাওয়া শুরু হলো সেনানীদের নামে। উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ তো দেশের সেনাবাহিনীকে ‘মোদির সেনা’ বলেও উল্লেখ করেছেন। শিল্পী হয়তো এ কারণেই মোদিকে সেনাদের পোশাকে মুড়েছেন।
আর নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে অনেক নেতার সম্মিলিত মুখের কোলাজ। বিরোধী মহল ভোটের এই মাঝপথেও নিশ্চিত নয়, সরকার গড়ার মতো অবস্থায় এলে কে নেবেন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব। এমন অবস্থায় শিল্পী মোদির বিরুদ্ধে রাহুলকে দাঁড় করিয়ে সম্ভবত এটাই বোঝাতে চেয়েছেন, মোদির বিজেপির মোকাবিলায় সর্বভারতীয় স্তরে যদি কোনো দল থাকে, তা হলো রাহুল গান্ধীর কংগ্রেস।
কিন্তু কেন দ্বিখণ্ডিত হতে চলেছে ভারত? দড়ি-টানাটানিতে ভারত কেন উত্তর-দক্ষিণে ভাগাভাগি হচ্ছে, অনেকটা সেই কালনেমির লঙ্কাভাগের মতো, তা বোধগম্য নয়। তবে কি শিল্পীমনের আভাস এমন যে এই দুই নেতার হাতে পড়ে দেশ ও জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে?
ভারতের ভোটে দেয়াল লিখন ও দেয়ালচিত্র চিরকালই বাঙ্ময় হয়ে ওঠে। বিশেষ করে দেশের পূর্বাঞ্চলে। ছবির সঙ্গে ছড়া থাকে। ব্যাখ্যাও থাকে স্পষ্ট। এই গ্রাফিতি সেই অর্থে অস্পষ্ট। মোদির মুখোমুখি রাহুলকে রাখার অর্থ সম্ভবত এটাই, শেষ বিচারে এবারের ভোট হতে চলেছে মোদি বনাম রাহুলের। মোদি যদি শাসকের মুখ হয়ে থাকেন, তাহলে বিরোধীদের মুখ রাহুল।
![]() |
| ভারতে চলছে লোকসভা নির্বাচন। এই নির্বাচন উপলক্ষে দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতিই যেন ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে দেয়ালে আঁকা এই গ্রাফিতিতে। ভারতের মানচিত্রের একদিকে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী (বাঁয়ে), অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দড়ি ধরে টানছেন। গতকাল মুম্বাইয়ে। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অসংক্রামক রোগের ঝুঁকিতে ৯৭ শতাংশ লোক

সংবাদ সম্মেলনে জরিপের প্রধান গবেষক অধ্যাপক ডা. বায়জীদ খুরশীদ রিয়াজ জরিপের ফলাফল তুলে ধরেন। জরিপে উঠে আসা অসংক্রামক রোগের সামগ্রিক ঝুঁকিগুলোর মধ্যে রয়েছে- প্রতিদিন ধূমপান, দৈনিক ৫ প্রমাণ মাপের (নির্দিষ্ট কৌটা পরিমাণ) কম ফল ও সবজি গ্রহণ, অপর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম, অতিরিক্ত ওজন, উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চমাত্রার রক্তের চর্বি।
১৮ থেকে ৬৯ বছর বয়সীদের মধ্যে এই ছয় ধরনের মধ্যে কোনো ধরনের ঝুঁকি নেই এমন মানুষের শতকরা হার মাত্র ৩ শতাংশ। এর মধ্যে পুরুষের ১ দশমিক ৯ ও নারীর হার ৪ শতাংশ। ঝুঁকিগুলোর মধ্যে একটি বা দুটি ঝুঁকি রয়েছে এমন হার ৭০ দশমিক ৯ শতাংশ (পুরুষ ৬৮ দশমিক ৫ শতাংশ ও নারী ৭৩ দশমিক ১ শতাংশ) ও দুই বা ততোধিক ঝুঁকি রয়েছে ৪০ দশমিক ১ শতাংশ (পুরুষ ৩৯ দশমিক ৪ শতাংশ ও নারী ৪০ দশমিক ৯ শতাংশ) মানুষের।
জরিপে আরও উঠে এসেছে, উপরের ছয়টির মধ্যে তিনটি বা এর বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে ২৬ দশমিক ২ শতাংশ (পুরুষ ২৯ দশমিক ৬ শতাংশ ও নারী ২২ দশমিক ৮ শতাংশ) মানুষ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যা চাচ্ছি তা লিখতে পারছি না: মাহফুজ আনাম

তিনি বলেন, ‘আমাদের সংখ্যা তো প্রচুর, কিন্তু স্বাধীনতার দিক দিয়ে আমরা অনেক পিছিয়ে গেছি। সংখ্যায় বেশি হলেও কোয়ালিটি আরো উন্নত করার প্রয়োজন আছে। তো মোদ্দা কথা, সংখ্যায় বেশি, কিন্তু কোয়ালিটিতে অনেক কম। আর সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিয়ে আমার মনে অনেক প্রশ্ন ও দ্বিধা রয়েছে।’
এই অবস্থা আপনার নিজের পত্রিকার ক্ষেত্রেও সঠিক কিনা জানতে চাইলে মাহফুজ আনাম বলেন, ‘আমি কমেন্ট্রি বলে একটা কলাম লিখতাম, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে নিয়ে লিখতাম, এখন সেটা লিখি না। কয়েকদিন আগে হাইকোর্টের একটি আদেশ নিয়ে আমি একটা লেখা লিখেছি, কিন্তু কতরকম প্রশংসা যে আমাকে তার মধ্যে করতে হলো!’
ডেইলি স্টার সম্পাদক বলেন, ‘আমি অসহিষ্ণুতা দেখি সব ক্ষেত্রে। অসহিষ্ণুতার রাজনীতির ক্ষেত্রে, জুডিশিয়ারির ক্ষেত্রে, পুলিশ... বলা চলে সবক্ষেত্রে। সবাই যেন সাংবাদিকদের চাপে রাখার চেষ্টাই করছে।’
তিনি বলেন, ‘লিখছি না এমন অনেক ইস্যু রয়েছে। অনেক ইস্যুতে লেখা উচিত, যেমন ধরেন, গত নির্বাচন, এছাড়াও আরো ছোট নির্বাচনগুলো নিয়ে লেখা উচিত, যা লিখছি না, বলা উচিত ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও লিখতে পারছি না।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আপনাদের অফিসে আমার ছবি দেখতে চাই না,আপনার সন্তানের ছবি ঝুলান’ -ইউক্রেনের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি by তারিক চয়ন

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেশকে সব সম্ভাবনা দিয়ে গড়বো যেখানে আইনের চোখে সবাই হবে সমান এবং শাসনকাজ চলবে সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে। আর তা বাস্তবায়ন করতে আমাদের প্রয়োজন জনগণের শাসন, যারা জনগণের জন্য কাজ করবে।’
উল্লেখ্য, নির্বাচনে দাঁড়াবার আগে জেলেনস্কির কোনো রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ছিল না এবং তিনি একবার টেলিভিশনে মজা করে প্রেসিডেন্টের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গরু, দুধ, লাথি...বিতর্কে মমতা

গত শনিবার কলকাতায় মমতার কালীঘাট বাড়ির অফিসে নির্বাচন-পরবর্তী পর্যালোচনা বৈঠক হয়। বৈঠকে মমতা বলেন, ‘আমি ইফতারে যাচ্ছি। ১০০ বার যাব। যে গরু দুধ দেয়, তার লাথি খাওয়া ভালো।’
মমতার মন্তব্যে সংখ্যালঘু মুসলিমদের একটি অংশ ক্ষুব্ধ হয়। তাদের কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা তাহলে মুসলিমদের গরুর সঙ্গে তুলনা করছেন?
কলকাতার সংখ্যালঘু মুসলিম নেতা মহম্মদ কামরুজ্জামান বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী জেনেশুনে বিজেপি ও আরএসএসকে খুশি করতে এখন মুসলিমদের অবহেলা করছেন। লোকসভা ভোটে তিনি মুসলিমদের প্রচুর ভোট পেয়েছেন। বিনিময়ে মুসলিমরা কী পেয়েছে?
মহম্মদ কামরুজ্জামানের প্রশ্ন, ইফতারের নাটক করলে মুসলিমদের কী উন্নয়ন হয়? এবার বিধানসভা ভোটে মুসলিমরাও বুঝিয়ে দেবে, গরুর লাথি কাকে বলে?
রাজ্যের অপর এক মুসলিম নেতা বলেছেন, এটা লজ্জার ব্যাপার যে মুখ্যমন্ত্রী গরুর সঙ্গে তুলনা করেছেন। এটা মেনে নেওয়া যায় না।
রাজ্যের অনেক মুসলিম বলছেন, মমতা সংখ্যালঘু দপ্তরের অর্থে কিছু কাজ করেছেন। দু-একটা কাজ করে তিনি মুসলিমদের ভোট নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এতে সব মুসলিমদের উন্নয়ন হয় না।
মমতা মুসলিমদের জন্য কী করেছেন, তার শ্বেতপত্র প্রকাশ করার দাবি তুলেছেন কেউ কেউ।
মুসলিমদের মধ্যে অনেকে অবশ্য মমতার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁরা বলছেন, মমতা উপমা হিসেবে কথাটি (গরুর লাথি) বলেছেন। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, যাঁরা ভোট দেন, তাঁদের কথা তাঁর ভাবা উচিত। মমতা মূলত ভালোবেসে ওই মন্তব্য করেছেন।
মমতার মন্তব্যের নিন্দা করেছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়।
বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সভাপতি আলী হোসেন ও রাজ্য সম্পাদক কাসেম আলী বলেছেন, তৃণমূল মুসলিমদের জন্য কিছুই করেনি। শুধু তাদের ভোটব্যাংক করে রেখেছে। ইফতারে গিয়ে নাটক করলে মুসলিমদের উন্নয়ন হয় না। সংখ্যালঘুদের উন্নয়নের জন্য সদিচ্ছা থাকতে হয়। সংখ্যালঘুদের জন্য নানা উন্নয়ন প্রকল্প নিতে হয়। শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে আজও মুসলিমরা পিছিয়ে। তাঁরা মিথ্যে ভাষণ ছেড়ে মমতাকে মুসলিমদের জন্য কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকায় যত টাকা তা সারা দেশেও নেই by সানাউল্লাহ সাকিব

এ হিসাব বাংলাদেশ ব্যাংকের। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ব্যাংকগুলোর ঋণ ও আমানতের অঞ্চলভিত্তিক একটি চিত্র তুলে ধরে। দেখা যায়, দারিদ্র্যপ্রবণ বিভাগ রংপুরে মানুষের মাথাপিছু আমানত সবচেয়ে কম। মাথাপিছু আমানত বেশি ঢাকায়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে গত বছরের সেপ্টেম্বরে দেশের ব্যাংকগুলোতে আমানত ছিল প্রায় ১০ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা। পাঁচ বছর আগে ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে আমানতের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৮১ হাজার কোটি টাকা। বাজারে ব্যাংকের দেওয়া ঋণের পরিমাণ ৮ লাখ ৫৯ হাজার কোটি টাকা, যা পাঁচ বছর আগের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি।
কোন বিভাগে কত
বিভাগ হিসেবে আমানত ও ঋণ ঢাকায় বেশি। ঢাকা বিভাগের ব্যাংকের শাখাগুলোতে মোট আমানত এসেছে ৬ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের মোট আমানতের প্রায় ৬১ শতাংশ। এর পরে রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ। সেখানে আমানতের পরিমাণ ২ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা, যা মোট আমানতের প্রায় ২২ শতাংশ। আমানতের দিক দিয়ে এর পরের অবস্থানে রয়েছে খুলনা। ওই বিভাগে আমানতের পরিমাণ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া সিলেটে ৪২ হাজার কোটি, রাজশাহীতে ৪০ হাজার কোটি, রংপুরে ২০ হাজার কোটি, বরিশালে সাড়ে ১৯ হাজার কোটি ও ময়মনসিংহে ১৫ হাজার কোটি টাকার আমানত রয়েছে।
ঋণ বিতরণের দিক দিয়েও ঢাকা স্বাভাবিকভাবেই এগিয়ে। এই বিভাগে দেশের ব্যাংক-ব্যবস্থার মোট ঋণের ৬৭ শতাংশ বিতরণ করা হয়েছে। পরিমাণের দিক থেকে তা ৫ লাখ ৭৯ হাজার কোটি টাকা। চট্টগ্রামে ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ১৯ শতাংশ। ঋণ বিতরণে এর পরে রয়েছে খুলনা, পরিমাণ প্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া রাজশাহীতে প্রায় ৩৩ হাজার কোটি, রংপুরে ২০ হাজার কোটি, ময়মনসিংহে ১২ হাজার কোটি, সিলেটে ১০ হাজার কোটি ও বরিশালে ৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ও ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফিন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইএনএম) নির্বাহী পরিচালক মুস্তাফা কে মুজেরি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের দেশে গ্রামীণ এলাকা থেকে আমানত সংগ্রহ করে শহরে ঋণ বিতরণ করা হয়। এর ফলে বৈষম্য আরও প্রকট হচ্ছে। আঞ্চলিক ও বিভাগের ক্ষেত্রেও তাই।’ তিনি বলেন, ‘যেসব এলাকায় ঋণ কম, বুঝতে হবে, ওই এলাকা অনুন্নত। উন্নয়ন সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে ব্যবসা-বাণিজ্যসংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর উন্নয়ন করতে হবে।’
মাথাপিছু আমানতে পিছিয়ে রংপুর
বিভাগের আকার ও জনসংখ্যার কারণে পরিমাণগত দিক বিবেচনায় সঠিক চিত্র না-ও পাওয়া যেতে পারে। মাথাপিছু হিসাবই আসল চিত্র দেয়। সেদিক দিয়েও এগিয়ে ঢাকা। এই বিভাগে মানুষের মাথাপিছু আমানতের পরিমাণ দেড় লাখ টাকার মতো। চট্টগ্রামে এর পরিমাণ ৭০ হাজার টাকা। এ ছাড়া সিলেটে মাথাপিছু আমানত ৩৭ হাজার, খুলনায় ২৪ হাজার, বরিশালে ২১ হাজার, রাজশাহীতে ১৯ হাজার, ময়মনসিংহে ১১ হাজার ও রংপুরে ১১ হাজার টাকার কিছু কম।
মাথাপিছু ঋণও ঢাকায় বেশি। এই বিভাগে মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৩৯ হাজার টাকার মতো। চট্টগ্রামে মাথাপিছু ঋণ ৪৯ হাজার টাকা। এ ছাড়া খুলনায় ১৯ হাজার, রাজশাহীতে ১৫ হাজার, রংপুরে ১১ হাজার, ময়মনসিংহে ১০ হাজার, বরিশালে ৯ হাজার ৭০০ ও সিলেটে ৯ হাজার টাকার মাথাপিছু ঋণ রয়েছে।
ব্যবসা-বাণিজ্য ঢাকাকেন্দ্রিক
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন জেলায় কলকারখানা ও ব্যবসা করলেও ঋণ নিয়েছেন রাজধানীর ব্যাংকের শাখাগুলো থেকেই। বেশির ভাগ চাকরিজীবী ঢাকায় অবস্থান করায় আমানতও এখানেই বেশি জমা পড়ছে। এ জন্যই ঢাকায় বড় বড় করপোরেট শাখা খুলেছে ব্যাংকগুলো। আর এলাকার চেয়ে ঢাকার শাখাগুলোতে মিলছে অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা।
এদিকে চট্টগ্রাম বিভাগে বড় বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও আমানত ও ঋণ সেভাবে নেই। গত পাঁচ বছরে ঋণও সেভাবে বাড়েনি। চট্টগ্রাম বিভাগের ২ লাখ ২৭ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা আমানতের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলার আমানতই ১ লাখ ৫১ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। আর বিভাগের ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৮২ কোটি টাকা ঋণের মধ্যে ১ লাখ ৩৭ হাজার ২২০ কোটি টাকা ঋণই চট্টগ্রাম জেলায়। ২০১৩ সালে শুধু চট্টগ্রাম জেলায় আমানত ও ঋণ ছিল যথাক্রমে ৭৭ হাজার ৯৫৩ কোটি ও ৭৪ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা।
চট্টগ্রামে কর্মরত ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, বড় ব্যবসায়ীদের বড় অংশই ঢাকার প্রধান শাখা বা করপোরেট শাখার সঙ্গে লেনদেন করে। তাই ঋণও ওই শাখায়। আর চট্টগ্রামের সব শাখার ঋণ দেওয়ার সীমাও বেশি নয়। চট্টগ্রামে যা ঋণ রয়েছে, তার বড় অংশই আবার খাতুনগঞ্জ, আগ্রাবাদ শাখায়।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ও পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হেলাল আহমদ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ব্যবসায়ীরা অন্য জেলায় ব্যবসা করলেও ঢাকার শাখা থেকে ঋণ নেন। ঢাকায় সহজে ঋণ পাওয়া যায় এবং সমস্যা হলে সমাধানও সহজে হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লোকসভায় বেড়েছে মুসলিম এমপি

ভারতের পার্লামেন্টে সবচেয়ে বেশি মুসলিম এমপি ছিলেন ১৯৮০ সালে। এ সময় তাদের সংখ্যা ছিল ৪৯। এবারে লোকসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিজেপি ৩০৩ টি আসনে বিজয়ী হলেও তার মধ্যে একজনও মুসলিম এমপি নেই। তবে তাদের মিত্র লোক জনশক্তি পার্টি তাদের একজন মুসলিম প্রার্থীর জয় নিশ্চিত করতে পেরেছে। তিনি হলেন বিহারের খাগারিয়া আসনের মেহবুব আলী কায়সার। বিজেপি জম্মু ও কাশ্মিরে তিনজন, পশ্চিমবঙ্গে দু’জন এবং লক্ষদ্বীপে একজন প্রার্থী দিয়েছিল এবার। সব মিলেয়ে তাদের এই ৬ জন প্রার্থীই পরাজিত হয়েছেন।
অন্যদিকে উত্তর প্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গে বিপুল সংখ্যক মুসলিম জনগোষ্ঠী আছে। এবার এ দুটি রাজ্যে ৬ জন করে মুসলিম এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। ২০১৪ সালে উত্তর প্রদেশে কোনো মুসলিম প্রার্থী বিজয়ী হন নি। এবার পশ্চিমবঙ্গে যে ৬ জন মুসলিম এমপি নির্বাচিত হয়েছেন তার মধ্যে ৫ জন তৃণমূল কংগ্রেসের এবং একজন কংগ্রেসের।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মালিবাগে পুলিশ ভ্যানে বিস্ফোরণ: টাইমার দেয়া ছিল বোমায় by জিয়া চৌধুরী

তবে, মালিবাগের ঘটনায় তুলনামূলক শক্তিশালী বিস্ফোরক ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) ব্যবহার করা হয়। দুটি বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে নিয়োজিত ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কয়েকটি সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা জানান, মালিবাগ রেলগেটের কাছে থাকা পুলিশ ভ্যানটিতে এক যুবক বিস্ফোরক রেখে যায়। রাত সোয়া নয়টা নাগাদ রেলগেট মোড়ে অপেক্ষমান পুলিশের বিশেষ শাখার ওই ভ্যানটিতে বিস্ফোরক রেখে যায় ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী একজন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বিস্ফোরকটি পুলিশ ভ্যানে রেখে নেমে যায় সে। পল্টন থানা পুলিশ সূত্রে আরো জানা গেছে, বিস্ফোরকটি ছিল সময় নিয়ন্ত্রিত।
৩০ মিনিট টাইমারও ঠিক করে দেয়া ছিল বোমাটিতে। পরে, রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে আশেপাশের কোন জায়গা থেকে বোমাটির বিস্ফোরণ ঘটানো হতে পারে বলে ধারণা পুলিশের। এদিকে, ডিএমপির আরেকটি সূত্রে জানা গেছে ঘটনার আশপাশে থাকা কয়েকটি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরাগুলোর মধ্যে মগবাজার-মালিবাগ ফ্লাইভারের ওপর থাকা ক্যামেরাটি রহস্যজনকভাবে ঘটনার আগের দিন থেকে নষ্ট ছিল। পুলিশ ভ্যানে বোমা রেখে যাওয়ার আগে আশপাশের ঘটনাস্থল বেশ কয়েকদিন ধরে রেকি করা হয় বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। ঘটনার ক্লু এড়াতে আগের দিন ফ্লাইওভারের সিসিটিভির ক্যাবল কেটে রাখা হতে পারে বলেও সূত্র জানিয়েছে। এছাড়া, ঘটনাস্থলের কাছেই পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্লোজসার্কিট ক্যামেরায় ঘটনাস্থল পর্যন্ত দেখা যায় না। এসব কারণে বিস্ফোরক রেখে যাওয়া ওই যুবকের চেহারা স্পষ্ট বোঝা যায়নি। তবে, বিস্ফোরণে পুলিশ সদস্যরা মূল টার্গেট ছিল বলে মোটামুটি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ঘটনার আগে বিভিন্ন সময় ট্রাফিক পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক রাশেদা আক্তার পুলিশ ভ্যানটির আশেপাশে ছিলেন। তবে ভ্যানে ওঠার ঠিক তিন মিনিটের মধ্যেই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
এছাড়া, গত ২৯শে এপ্রিল গুলিস্তানে বিস্ফোরণে পুলিশের তিন সদস্য আহত হওয়ার ঘটনায়ও একই কায়দায় বিস্ফোরক রেখে যাওয়া হয় বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। তবে, গুলিস্তানের ঘটনার তুলনায় মালিবাগে শক্তিশালী বোমা ব্যবহার করা হয়। মালিবাগে বিস্ফোরিত বোমায় স্প্রিন্টারের সংখ্যা কম থাকায় ক্ষয়ক্ষতি তুলনামূলক কম হয়েছে। তবে, আইইডি সদৃশ বোমাটি পুরোপুরি বিস্ফোরণ হওয়ায় সার্কিট ও অনান্য যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। এতে করে বিস্ফোরকটির অবশিষ্ট অংশগুলো থেকে কোন ক্লু বের করা সম্ভব নয় বলেও তদন্ত সূত্রে জানা গেছে। পুলিশের তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ট্রাফিক পুলিশের এএসআই রাশেদা আক্তার মালিবাগ মোড়ে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এক পর্যায়ে সড়কের পাশে দঁাড়িয়ে থাকা এসবি’র গাড়িতে উঠে বসে ছিলেন। তিনি গাড়িতে ওঠার তিন মিনিট পর রেখে যাওয়া আইইডি’র বিস্ফোরণ ঘটে। গাড়িতে বিস্ফোরক রেখে যাওয়া ওই যুবককে ধরতে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের বেশ কয়েকটি টিম কাজ করছে। যুবকের অবস্থান শনাক্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, অভিযুক্ত ওই তরুণ কোন জঙ্গি গোষ্ঠীর হয়ে ঘটনাটি ঘটিয়ে থাকতে পারে।
বোমাটি রেখে যাওয়ার সময় তার সঙ্গে আশপাশে আরও কেউ থাকতে পারে। পুরো বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। গত রোববার রাতে মালিবাগ মোড়ের পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) এসবি’র দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িতে আইইডি বিস্ফোরণে আহত হন ট্রাফিক পুলিশের এএসআই রাশেদা আক্তার বাবলী (২৮) ও রিকশাচালক লাল মিয়া (৫৫)। এ ঘটনায় পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) কনেস্টবল ও হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ গাড়ির চালক কনেস্টবল মো. শফিক চৌধুরী বাদী হয়ে পল্টন থানায় বিস্ফোরক আইনে মামলা করেন। এই হামলার ঘটনার দায় স্বীকার করে মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। এর আগে গত ২৯শে এপ্রিল রাজধানীর গুলিস্তানে ট্রাফিক পুলিশের দুই সদস্য ও কমিউনিটি পুলিশের এক সদস্যকে লক্ষ্য করে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস দায় স্বীকার করে। তবে গুলিস্তানের ঘটনায় নব্য জেএমবির সদস্যরা জড়িত বলে মনে করেন ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের কর্মকর্তারা। ওই ঘটনার দিনই আইএস’র একটি নতুন ভিডিও বার্তা প্রকাশ হয়। এর কিছুদিন আগে থেকে এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে ভারত ও বাংলাদেশে হামলার হুমকি দিয়ে আসা হচ্ছিল। গত রোববার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আহতদের দেখতে গিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াও জানিয়েছিলেন, ধারণা করা হচ্ছে, বোমাটি গাড়িতে আগে থেকে রাখা হয়েছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৮ দিনেও জ্ঞান ফিরেনি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী মুন্নির

জানা গেছে, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মোশারেফ বিশ্বাসের মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী মরিয়ম সুলতানার পিত্তথলিতে জমে থাকা পাথর অপারেশনের জন্য গত ২০শে মে গোপালগঞ্জ আড়াইশ’ বেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ডা. তপন কুমারের দেয়া প্রেসক্রিপশন মোতাবেক পরদিন মঙ্গলবার সকালে মুন্নিকে অপারেশনের জন্য অপরেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর হাসপাতালের সিনিয়র নার্স শাহানাজ গ্যাসট্রাইটিস ইনজেকশন সারজেলের পরিবর্তে অ্যানেসথেসিয়ার (অজ্ঞান করার) ইনজেকশন সারভেক পুশ করে। ইনজেকশন পুশ করার কিছুক্ষণের মধ্যে মুন্নি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। বেশ কিছুক্ষণের মধ্যে জ্ঞান ফিরে না আসায় মুন্নির অবস্থার অবনতি হয়। এক পর্যায়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য মুন্নিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। খুলনার চিকিৎসকরা অবস্থা বেগতিক দেখে মুন্নিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। বর্তমান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন মুন্নির অবস্থা আগের থেকে আরো বেশি অবনতি হয়েছে বলে জানিয়েছে মুন্নির বড় ভাই। অতীতের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে গোপালগঞ্জ আড়াইশ’ বেড হাসপাতালের উপপরিচালক ডা: চৌধুরী ফরিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেছেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মেধাবী ছাত্রী মুন্নির জ্ঞান যেহেতু ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফিরে আসেনি সেক্ষেত্রে তার জ্ঞান আর ফিরে আসবে বলেও মনে হচ্ছে না।
এমন হতে পারে জ্ঞানহীন অবস্থায় এক সময় সে মারা যাবে। তবে তার জ্ঞান ফিরে আসলেও মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলবে মুন্নি। থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেছেন, মামলা দায়েরের পর পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হাসপাতালের উপপরিচালক ডাক্তার ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, তদন্ত কমিটির সদস্যরা রোববার তার কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। তাতে হাসপাতালের সিনিয়র নার্স শাহানাজ বেগম ও কুহেলীকার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মুন্নিকে ভুল ইনজেকশন পুশের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে ডাক্তার তপনের বিরুদ্ধে কোনো তথ্য মেলেনি। এদিকে মুন্নির বড় ভাই রুবেল হোসেন অভিযোগ করে বলেছে, টাকার বিনিময়ে ডাক্তার তপনকে এ ঘটনা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। সে জানায় গত ৮ দিন ধরে মুন্নির জ্ঞান ফেরেনি। চিকিৎসক বলছে, উন্নত চিকিৎসার জন্য মুন্নিকে দেশের বাইরে নেয়া জরুরি। কিন্তু দেশের বাইরে চিকিৎসা করানোর মতো অর্থ আমাদের নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইসচ্যান্সেলর প্রফেসার ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিন স্যার ৪ জনকে মিলে সাড়ে ৭ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন। কিন্তু মুন্নির চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার দরকার। মুন্নিকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য চেয়েছে মুন্নির ভাই রুবেল।
মুন্নিসহ ৪ শিক্ষার্থীকে অনুদান
গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার শিকার মরিয়ম সুলতানা মুন্নিসহ ৪ শিক্ষার্থীর চিকিৎসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রায় ৭ লাখ টাকার আর্থিক অনুদান দেয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. খোন্দকার নাসিরউদ্দিন তার কক্ষে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে ৪ শিক্ষার্থীর হাতে অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহাবুবুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ধ্রুব বাড়ৈকে ৪,৫০,০০০, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মরিয়ম সুলতানা মুন্নির পক্ষে তার খালু মো. ইউসুফকে ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ), ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী মিহির মন্ডলকে ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার), মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুস সাদেক রাসেলকে ৮,৭০০/- (আট হাজার সাত শত) টাকার চেক প্রদান করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওদের কান্নার যেন শেষ নেই

গত ২৫ মে শনিবার শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক গুম সপ্তাহ। ‘মায়ের ডাক’ সংগঠনের উদ্যোগে মানববন্ধনে উপস্থিত হন নিখোঁজদের স্বজনরা।
প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর ধরে মিলছে না ভাইয়ের খোঁজ। তার ভাই বেঁচে আছে না মৃত্যু বরণ করেছে সেই তথ্যটাও জানা নেই তার। বোন মুন্নির চোখের জল শুধুই ভাই সেলিম রেজা পিন্টুকে ফিরে পাবার জন্য। তিনি বলেন, আমার বাবা-মা প্রতিদিন পথ চেয়ে বসে থাকেন এই বুঝি ছেলে ফিরবে। ভাই হারানোর কষ্ট প্রকাশ করতে পারি না। বাবা মায়ের কাছে শক্ত থাকার অভিনয় করি। এভাবে চলে গেলো সাড়ে পাঁচ বছর। আর এভাবে পারছি না এবার ভাইকে ফিরে চাই। আমরা প্রতিদিন মরছি। ভাইকে ফেরত দিন নয়তো আমাদেরও মেরে ফেলুন।
সন্তান হারা এক মা প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি নিজেও স্বজনহারা। স্বজন হারানোর বেদনা আপনি বোঝেন। আমরা মা। আমারা সন্তানকে ফেরত চাই।
মায়ের ডাকের সমন্বয়ক ও গুম হওয়া সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন আফরোজা ইসলাম আঁখি মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন। জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মঞ্জুর হোসেন ইসার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুল, মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের পরিচালক নাসির উদ্দিন এলান, মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন প্রমুখ। গুম হওয়া পরিবারের মধ্যে বক্তব্য দেন নিখোঁজ সাজেদুল ইসলাম সুমনের বড় বোন মারুফা ইসলাম ফেরদৌসি, বংশালের নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা পারভেজ হোসেনের মেয়ে আদিবা ইসলাম প্রমুখ।
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, বছরের পর বছর গুম হওয়া পরিবারের কাঁন্না প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছায়নি। অনুগ্রহ করে ঈদের আগে নিখোঁজদের ফিরিয়ে দিন। দেশে গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্র থাকলে গুম খুনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না।
অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, গুম করছে কারা তা খুঁজে বের করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। যারা এরসঙ্গে জড়িত তাদের অতিদ্রুত খুঁজে বের করতে হবে। সেই দায়িত্ব থেকে পিছু হটে দিনের পর দিন, বছরের পর বছর রাষ্ট্র চুপ। মামলা নিতে চায় না তারা। তদন্ত হয় না। ঝুলে থাকে বিচার কাজ। আবার ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার অভিযোগও পাওয়া যায়। গুমের সঙ্গে জড়িত থাকে প্রভাবশালীরা। তিনি বলেন, গুম যতদিন থাকবে ততদিন আমাদেরও প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।
নাসির উদ্দিন এলান বলেন, দেশে গুমের একটি সংস্কৃতি শুরু হয়েছে। সেখান থেকে আমাদের ঘুরে দাঁড়াতে হবে। আমরা মনে করি, এসব গুম সরকারের নির্দেশেই হচ্ছে। কারণ সবাইকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে। তবে তাকে সরকারের দায়িত্ব ফিরিয়ে দেয়া। দেশে ৫শ’র অধিক গুমের ঘটনা ঘটলো। কিন্তু ফিরে এসেছে কজন? হাতে গোনা কয়েকজন।
মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন বলেন, গুমকে নির্যাতনের হাতিয়ার করে ভয়ার্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। যারা ফিরে আসছেন তারা একটি শব্দ পর্যন্ত উচ্চারণ করছেন না। কারণ তারা ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবিলা করে এসেছে। যার ফলে একটি শব্দও তারা উচ্চারণ করতে পারছেন না।
নিখোঁজ সাজেদুল ইসলাম সুমনের বড় বোন মারুফা ইসলাম ফেরদৌসি বলেন, ছেলের শোকে কাতর আমার মা। কাঁদতে কাঁদতে কুঁজো হয়ে গেছে। আমার ভাইয়ের মতো আপনাদের সকলের একই অপেক্ষা। অভিযোগ নেই কারো বিরুদ্ধে, তারা ফিরে পেতে চান প্রিয় ব্যক্তিকে। ঈদ মানে আনন্দ এই আনন্দ ভাগাভাগি করতে চায় স্বজনদের সঙ্গে।
মায়ের ডাকের সমন্বয়ক আফরোজা ইসলাম আঁখি বলেন, গত পাঁচ ছয় বছর ধরে নিখোঁজ আমাদের স্বজনরা। আমাদের স্বজনদের র্যাব, ডিবি পরিচয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে ধরে নিয়ে গেছে। আমরা বিভিন্ন সময় সরকারের কাছে জানিয়েছি কিন্তু কোন সমাধান পাই নাই। রাষ্ট্রদূত মারুফ জামান ফিরে আসার পর কিছিুটা আশার আলো দেখতে পাই। তার মতো আমাদের স্বজনরা ফিরে এলে কতোই না ভালো হতো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চট্টগ্রামে মাদক নিয়ন্ত্রণে ‘কিশোর গ্যাং’ by ইব্রাহিম খলিল

তিনি জানান, চলতি বছরের সাড়ে ৪ মাসে চট্টগ্রামে মাদক ব্যবসা ও সেবনকেন্দ্রিক ৪৫ জনকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। রমজানেই খুন হয়েছে ৯ জন। এরা সবাই কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য।
সর্বশেষ নগরীর ডবলমুরিং থানাধীন হাজীপাড়া এলাকায় রাজু আহম্মেদ নামের একজন রিকশাচালককে হত্যা করে একদল কিশোর। যারা সবাই মাদকসেবী ও বিক্রেতা ছিল।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরীর প্রতিটি মহল্লা ও জেলার উপজেলাগুলোর হাট-বাজার ও যানবাহনের স্টেশনগুলোতে একের পর এক গড়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। যারা গভীর রাত পর্যন্ত মাদক বিক্রি ও সেবনে জড়িত। ফলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাত আটটার পর কিশোর বয়সের কাউকে বাইরে আড্ডায় পেলেই গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে পুলিশকে।
তিনি বলেন, কিশোর অপরাধে জড়িতরা অধিকাংশই ১৪ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। এদের অভিভাবকরা সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ী। আবার কেউ কেউ বিত্তশালীর ছেলে। তারা নিজেদের সন্তানদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছেন না। ফলে তারা বেপরোয়া হয়ে পড়েছে। এসব সন্তানরাই মা-বাবার স্নেহ মমতার অভাবে, বাবা মার সঙ্গে মানসিক বিচ্ছিন্নতার কারণে বিপথগামী হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
পুলিশ ও র্যাব সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম মহানগরের প্রায় ৫০০ জায়গায় এবং জেলার ১৪ উপজেলার তিন হাজারেরও বেশি স্পটে মাদক বেচাকেনা হয়। এরমধ্যে নগরীর বরিশাল কলোনি, কদমতলী বাস টার্মিনাল, পাহাড়তলী, টাইগারপাস মাদকের সবচেয়ে বড় বাজার।
এরপর জেলার হাটহাজারী উপজেলা সদর, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সদর ইছাখালী, পটিয়া, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, রাউজান, সীতাকুণ্ড, মিরসরাই, আনোয়ারা উপজেলা সদর মাদক বেচাকেনার বড় হাট। বিশেষ করে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সদরের বড় মাদক ব্যবসায়ী ওসমানকে গ্রেপ্তারের পর তার নিয়ন্ত্রণ নেয় মো. বেলাল নামে এক কিশোর। ইছাখালিতে রয়েছে তার একটি কিশোর গ্যাং।
সূত্র জানায়, মিয়ানমার থেকে আসা ইয়াবা কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম হয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এখানে মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা যেমন বেশি তেমন ব্যবহারকারীর সংখ্যাও বেশি। এসব মাদকসেবীরাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তুচ্ছ কারণে খুন করছে।
র্যাবের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত এক বছরে বন্দুকযুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলায় নিহত হয়েছে ১৭ জন মাদক ব্যবসায়ী। এর বাইরে ফেনী জেলায় ৮, কক্সবাজারে ২১ এবং বান্দরবানে ১ জন মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। গত মাসে মাদকের প্রধান আস্তানা বরিশাল কলোনি এলাকায় র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয় তিন মাদক ব্যবসায়ী। মাদকবিরোধী ২৮৮ অভিযানে গ্রেপ্তার হয় ৫১৪ জন।
র্যাব-৭ এর সহকারী পুলিশ সুপার মাশকুর রহমান বলেন, প্রতিদিনই ইয়াবা পাচার হচ্ছে আবার প্রতিদিনই ধরাও পড়ছে। তবে পাচারের তুলনায় জব্দ হচ্ছে কম। গত বছরের ৩রা মে থেকে ১৪ই মে পর্যন্ত র্যাব অভিযান চালিয়ে ২৯ লাখ ৮৯ হাজার ৪০৪ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। এ ছাড়াও গাঁজা, ফেনসিডিল, দেশি-বিদেশি মদ ও ব্যাপক অস্ত্র উদ্ধার হয়। তবে তার সংখ্যা পাচারের চেয়ে কম।
তিনি বলেন, প্রশাসনের কড়াকড়ি আরোপের কারণে ইয়াবা পাচারকারীরা অভিনব কৌশলে কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে চট্টগ্রামে ইয়াবা নিয়ে আসছে। পেটের অভ্যন্তরে, ডাবের মধ্যে, মোটরসাইকেল ও গাড়ির জ্বালানির ট্যাংক, কার্ভাডভ্যানের ভেতরে বিশেষ বাক্সে এমনকি পিয়াজ রসুন ও কুমড়ার মধ্যে লুকিয়ে নগরে আসছে ইয়াবা। এছাড়াও সমপ্রতি রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাফ নদে মাছ ধরার ভান করে ওপারে গিয়ে ইয়াবা নিয়ে আসছে।
তিনি জানান, ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নগরের শপিং মল, বাস স্টেশন, রেল স্টেশন এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাদা পোশাকে র্যাবর গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের নিমিত্তে তৎপর থাকবে। বিশেষ করে পতেঙ্গা এলাকায় সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির ফলে সেখানে মানুষের আনাগোনা বেড়ে যায়। রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বসে পড়ে মাদকসেবীদের আড্ডা। এ নিয়েও বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম মহানগরের পুলিশ কমিশনার মো. মাহবুবর রহমান বলেন, যেকোনো নেশাদ্রব্য মানুষকে তাড়িত করে। এ সময় মানুষের উচিত অনুচিত বোধ থাকে না। সাদা মাথায় খুন করা আর মাদকাসক্ত হয়ে খুন করা বা কোনো অপরাধ সংঘটিত করা এক বিষয় নয়। তাই ইয়াবা যাতে দেশে ঢুকতে না পারে সে ব্যাপারে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। আর মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রবাসে বাংলাদেশি নারী শ্রমিকদের আত্মহত্যা বাড়ছে by দীন ইসলাম

এরপর বিষয়টি আর বেশি দূর এগোয়নি। মৌসুমীর মতো অনেক তরুণীর লাশ বিদেশ থেকে দেশে আসছে। বেশির ভাগ তরুণীর লাশের সঙ্গে দেয়া কাগজে লেখা থাকে স্ট্রোক করে মারা গেছে।
কিন্তু আদতে ওই মৃত্যুর পেছনে লুকিয়ে থাকছে নানা কাহিনী। ব্র্যাকের এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রবাসে বাংলাদেশি নারী শ্রমিকদের আত্মহত্যার হার দিন দিন বেড়েই চলেছে। গেল তিন বছরে ৪৪ জন নারী শ্রমিক বিদেশে আত্মহত্যা করেছেন। এছাড়া দূর্ঘটনায় ৫০ জন, স্ট্রোকে ১১০ জন, স্বাভাবিক মৃত্যু ৫৯ জনের এবং অন্যান্য কারনে ৩১ জন মারা গেছেন। আত্মহত্যা করা নারী শ্রমিকদের মধ্যে ২০১৬ সালে এক জন, ২০১৭ সালে ১২ জনের, ২০১৮ সালে ২৩ জনের এবং ২০১৯ সালে বর্তমান সময় পর্যন্ত আট জনের লাশ দেশে এসেছে। সব মিলিয়ে গেল তিন বছরে ২৯৪ জন নারী শ্রমিকের লাশ বিদেশ থেকে দেশে ফিরে এসেছে। ২০০৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত তিন হাজার ৭৯৩ জন নারী শ্রমিক প্রবাসে মৃত্যুবরণ করেছেন।
সমপ্রতি সরকার থেকে প্রকাশিত এক তথ্য বিবরণীতে এ সংখ্যা পাওয়া গেছে। ব্র্যাকের প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে ৫৭ জন, ২০১৭ সালে ১০২ জন, ২০১৮ সালে ১১২ জন এবং এ বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২৩ জন নারী শ্রমিকের লাশ বিদেশ থেকে দেশে এসেছে। এর মধ্যে গেল তিন বছরে সৌদি আরব থেকে ১১২ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ২৬ জন, ওমান থেকে ৩৪ জন, লেবানন থেকে ৪২ জন ও জর্ডান থেকে ৬২ জন নারী শ্রমিকের লাশ দেশে এসেছে। এদিকে প্রবাসে কর্মরত শ্রমিকদের মৃত্যুর হার প্রতি বছরই বাড়ছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় ২০১৮ সালে প্রবাসী মৃত্যু বেড়েছে প্রায় ১২ শতাংশ। যদিও এটি দেশে ফেরত আসা বৈধ শ্রমিকের মরদেহের হিসাব।
বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এসব শ্রমিকের মৃত্যুর কারণ হৃদরোগ। এদের অধিকাংশেরই বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। অভিবাসন ব্যয়ের তুলনায় কম আয়ের কারণে মানসিক চাপ ও দীর্ঘদিন স্বজনদের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার ফলে একাকিত্বই প্রবাসী শ্রমিকদের স্ট্রোক ও হৃদরোগের প্রধান কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি দৈনিক ১২ থেকে ১৮ ঘণ্টা পরিশ্রম, অপর্যাপ্ত খাবার ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গাদাগাদি করে থাকার কারণেও রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন তারা। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী ২০১৪ সালে বিদেশ থেকে তিন হাজার ৩৩৫ ব্যক্তির লাশ দেশে আসে। এর মধ্যে শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই হাজার ৮৭২ জন, চট্টগ্রাম শাহ আমানতে ৪১১ জন এবং সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরে ৫২টি লাশ আসে। একইভাবে ২০১৫ সালে তিন হাজার ৩০৭ জনের লাশ আসে।
এর মধ্যে শাহজালালে দুই হাজার ৮৩১, শাহ আমানতে ৪০৭ এবং ওসমানী বিমানবন্দরে ৬৯ জনের লাশ আসে। ২০১৬ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় তিন হাজার ৪৮১ জনে। এর মধ্যে শাহজালালে লাশ আসে দুই হাজার ৯৮৫ জনের। শাহ আমানতে আসে ৪২১ জন আর ওসমানী বিমানবন্দরে আসে ৭৫ হতভাগ্যের লাশ। ২০১৭ সালে এ সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৩৮৭। ২০১৮ সালে মোট ৩ হাজার ৭৯৩ বাংলাদেশী কর্মীর মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। অধিকাংশের ক্ষেত্রেই মৃত্যুর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে স্ট্রোক ও হৃদরোগ। বেশির ভাগ মরদেহই এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি এসেছে সৌদি আরব থেকে। সৌদি আরবের পর বেশি মরদেহ এসেছে মালয়েশিয়া থেকে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোদির শপথে প্রতিবেশীদের আমন্ত্রণ, বাদ পাকিস্তান

এবার ভারতে লোকসভা নির্বাচনের আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষে বিবৃতি দেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তা নিয়ে তিনি ব্যাপক সমালোচিত হয়েছেন। মোদি নির্বাচিত হওয়ার পর তাকে অভিনন্দন জানান ইমরান। ফোন করেন। দু’নেতার মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় হয়। কিন্তু দৃশ্যত পুলওয়ামা হামলা ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ মোদির মানসপটে কঠিন এক দাগ কেটে আছে। এ ছাড়া পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত দীর্ঘদিন সন্ত্রাসে মদত দেয়ার অভিযোগ করে আসছে। সম্ভবত এসব কারণে ইমরান খান বা পাকিস্তানমুক্ত শপথ অনুষ্ঠান করতে চাইছেন মোদি। অবশ্য এর আগে প্রথম দফার শপথ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের তখনকার প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন মোদি। তাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে দু’নেতার মধ্যে, কার্যত দু’দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপনের একটি ইঙ্গিত ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছিল। দু’নেতা মধ্যে পারিবারিক সৌজন্যতাও প্রকাশ পেয়েছিল পরবর্তীতে।
এবারের আমন্ত্রণের বিষয়টি নিশ্চিত করে সোমবার রাতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, সরকারের ‘নেইবারহুড ফার্স্ট পলিসির’ আওতায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া লিখেছে, ২০১৯ সালে এসে পাকিস্তানের বিষয়ে নাটকীয়ভাবে পাল্টে গেছে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি। প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের শুভেচ্ছা, অভিনন্দন জানানো সত্ত্বেও ভারত তার অবস্থানে অটল আছে। তা হলো সন্ত্রাস ও আলোচনা একসাথে চলতে পারে না।
২০১৪ সালে মোদি ও নওয়াজ শরীফের মধ্যে সম্পর্কটি ব্যক্তিগত পর্যায়ে শুরু হলেও, ভারতের দাবি, পাকিস্তান থেকে বার বার সন্ত্রাসী হামলার জন্য দ্বিপক্ষীয় সব কর্মকা- অচল হয়ে পড়ে। ভারতের দাবি অনুযায়ী, এ বছর পাকিস্তানি থেকে সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে। এ ইস্যুতে পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে আমন্ত্রণ না জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের নীতিনির্ধারকরা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, এ বছর সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) বর্তমান চেয়ার কিরগিজস্তানের প্রেসিডেন্ট এবং এ বছর প্রবাসী ভারতীয় দিবসের প্রধান অতিথি মৌরিতিয়াসের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এ আমন্ত্রণপত্রগুলোতে স্বাক্ষর করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মন্ত্রণালয়ের প্রোটকল বিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা নগেশ সিং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে আমন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে তাদেরকে নিয়ে বৈঠক করেছেন। নরেন্দ্র মোদির শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা ও কিরগিজস্তানের প্রেসিডেন্টরা। কিরগিজস্তানের প্রেসিডেন্ট সুরোনবাই জীবিকভ এই শপথ অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে মোদিকে আমন্ত্রণ জানাবেন এসসিও’র মধ্য জুনের সম্মেলনে।
টাইমস অব ইন্ডিয়া লিখেছে, বাংলাদেশ থেকে যোগ দেবেন প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ। দ্বিতীয়বারের মতো মোদির শপথ অনুষ্ঠান মিস করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালে তার পরিবর্তে উপস্থিত হয়েছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী। মঙ্গলবার থেকে চারটি দেশে সফরে থাকছেন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা। তার এ সফরে তিনি জাপান থেকে ফিনল্যান্ড পর্যন্ত দেশগুলোতে যাবেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করে তবেই তিনি দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে মোদির শপথ অনুষ্ঠানে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচি অথবা প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট- কে উপস্থিত হবেন তা নিশ্চিত নয়। অন্যদিকে থাইল্যান্ড একজন বিশেষ দূতকে পাঠাবে। তিনি হতে পারেন কৃষি অথবা পরিবহন বিষয়ক মন্ত্রী। শপথ অনুষ্ঠানের দিনে প্রধানমন্ত্রিত্বের নির্বাচনী ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ত থাকবেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জেনারেল প্রায়ুত চান ওচা। শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলিও। ভুটান পাঠাবে তার নতুন প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিংকে।
মালদ্বীপ যেহেতু বিমসটেকভুক্ত দেশ নয় তাই তাদেরকে আমন্ত্রণ জানানো হয় নি। তা সত্ত্বেও আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকে নতুন দফায় নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে তিনি ওই মালদ্বীপে এবং পরে শ্রীলঙ্কায় পা রাখবেন।
টাইমস অব ইন্ডিয়া বলেছে, শপথ অনুষ্ঠান হবে সাদাসিধে এবং ২০১৪ সালের মতো। অতিথিরা অনুষ্ঠানে যাবেন। তারপর সেখানে কিছু সংখ্যক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বক্তব্য রাখবেন। প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রীপরিষদ শপথ নেবেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গ্রুপে ছবি তুলবেন বিদেশী নেতারা। তবে এদিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কোনো দ্বিপক্ষীয় আলোচনার সূচি রাখা হয় নি। গ্রুপ ছবি তোলার পর নেতাদেরকে রাষ্ট্রপতি ভবনে অভ্যর্থনা জানানো হবে। পরের দিন মোদির সঙ্গে বিদেশী নেতারা সাক্ষাত করতে পারবেন। তার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারবেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বোলারদের পরখ করে নিলেন মাশরাফি by ইশতিয়াক পারভেজ

ভারতের ব্যাটম্যানদের আটকানোর মিশনে সবচেয়ে সফল রুবেল হোসেন ও সাকিব আল হাসানের শিকার ২টি করে উইকেট। এরপর মোসাদ্দেক, সাইফউদ্দিন ও সাব্বিররা নিয়েছেন একটি করে উইকেট। ভারতের বিধ্বংসী ব্যাটিং লাইনআপ ৪’শর আগে থামানো গেছে সেটি স্বস্তিও বলা যেতে পারে। কারণ ইংল্যান্ডের ব্যাটিং স্বর্গে এদিন ব্রিস্টলে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ক্যারিবীয়রা ব্যাটিং তান্ডব চালিয়ে গড়েছে ৪২৫ রানের রেকর্ড। গতকালও বৃষ্টিতে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচ ভেসে যাওয়ার শঙ্কা ছিল। সকালে টসের সময় আকাশ ঢাকা ছিল মেঘে। খেলা শুরু হওয়ার আগেই স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ২০ মিনিটে হালকা বৃষ্টি শুরু হয় কার্ডিফে। ম্যাচ শুরুর পরপরই শুরু হয় বৃষ্টি তবে শেষ পর্যন্ত তা দুই দলের লড়াইয়ে বাঁধা হতে পারেনি। মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলে সিঙ্গেল নিয়ে রানের খাতা খুলেছিলেন শিখর ধাওয়ান। এরপর থেকে ভুগছিলেন ব্যাটে-বলে এক করতে। টাইমিং করতে পারছিলেন না সেভাবে। রানের জন্য ছটফট করা বাঁহাতি এই ওপেনারকে ফিরিয়ে দিলেন দলে পেস বোলিংয়ের মূল ভরসা মোস্তাফিজুর রহমান। ৯ বলে ১ রান করে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে যান তিনি। ৩ ওভার শেষে ভারতের স্কোর ৫/১। ক্রিজে রোহিত শর্মার সঙ্গী বিরাট কোহলি। এরপর দারুণ লাইন লেংথে বোলিং করে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলিকে বেঁধে রেখেছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা ও মোস্তাফিজ। তার ফলে ১০ ওভার শেষে ভারতের স্কোর ছিল ৩৪ রান এক উইকেট হারিয়ে। দলের ১০৪ রান এর মধ্যে ফিরে যান রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি। রুবেল হোসেন ও সাইফউদ্দিন ফেরান তাদের।
তবে সেখান থেকে লোকেশ রাহুল ও ধোনি দলের হাল ধরেন। দু’জনই সেঞ্চুরি হাঁকান। তবে দু’জনই আউট হয়েছেন। লোকেশকে ফিরিয়েছেন সাব্বির রহমান তার পার্টটাইম লেগ স্পিনে। আর ধোনির উইকেট নেন আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালের আগে ইনজুরিতে পড়া সাকিব আল হাসান। অধিনায়ক মাশরাফি এ দিন দলের প্রায় সব বোলারকে পরীক্ষা করে দেখেছেন। এর মধ্যে ৮ ওভার বল করে মোস্তাফিজ নিয়েছেন ৪৩ রান খরচ করে ১ উইকেট। অধিনায়ক নিজে বল হাতে কোনো উইকেট না পেলেও ৬ ওভারে রান খরচ করেছেন মাত্র ২৩ রান। ৮ ওভারে সবচেয়ে বেশি ৬৮ রান খরচ করা রুবেল হোসেনের শিকার ২ উইকেট। আর সহঅধিনায়ক সাকিব দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৮ রান দিয়ে নিয়েছেন দুই উইকেট। দারুণ বল করেছেন তরুণ পেসার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনও। ৬ ওভারে ২৭ রান খরচ করে তার শিকার ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। পেসারদের মধ্যে তিন ওভারে ৪৭ রান করে খরচ করে ব্যর্থ ছিলেন আবু জায়েদ রাহী। স্পিনারদের মধ্যে মেহেদী হাসান মিরাজ ও মোসাদ্দেক হোসেনের সফলতা নেই। শুধু মাত্র সাব্বির ৫ ওভারে ৩০ রাখ খরচ করে নেন এক উইকেট।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বোরো আবাদে কৃষকের ক্ষতি ১৭৫০০ কোটি টাকা’

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও বণিক বার্তার সিনিয়র রিপোর্টার সাহানোয়ার সাইদ শাহীন বলেন, এখনও কিছুটা ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। এজন্য এখনই ৫০ লাখ টন শুধু ধান কেনার ঘোষণা ও তা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। একইসঙ্গে শস্যের উৎপাদন বৃদ্ধি ও আমদানি বন্ধ করতে হবে। যেসব পণ্য দেশে উৎপাদন হচ্ছে সেগুলো আমদানির বিষয়ে কৃষকবান্ধব যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মিলার ও ব্যবসায়ীদের ফাঁদ থেকে কৃষককে বাঁচাতে উদ্যোগ নিতে হবে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে কৃষি বিষয়ক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জোর দিতে হবে।
ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, কৃষক হারলে দেশ হারবে। এজন্য কৃষক, কৃষি ও কৃষি শ্রমিক বাদ দিয়ে কোন কিছুই করা যাবে না। কৃষককে সংগঠিত করার পাশাপাশি স্থায়ী মূল্য কমিশন গঠন করতে হবে। পাশাপাশি মজুদ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে এখনই কাজ শুরু করতে হবে। পাশাপাশি নীতি গ্রহণ ও মাঠপর্যায়ে কার্যক্রমের মধ্যে কৃষি, খাদ্য ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আরও সমন্বয় প্রয়োজন। ভর্তূকির যৌক্তিকতা তুলে ধরে খাদ্য অধিকার বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ বলেন, কৃষককে ভর্তূকি দিলে সরকারকে সেটা প্রত্যক্ষভাবে ফিরিয়ে দেয়। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ৬ হাজার কোটি টাকার মাধ্যমে ভর্তূকি চালু করেছিলেন বলেই পরের দুই অর্থ বছরের মধ্যে দানাদার খাদ্য শস্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিলো। প্রয়োজনে এ ভর্তূকির পরিমাণ ৫০ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করতে হবে। যান্ত্রিকীকরণে জোর দিতে হবে জানিয়ে সাবেক কৃষি সচিব আনোয়ার ফারুক বলেন, যান্ত্রিকীকরণ বিশেষ করে শস্য বোপন, রোপন, কর্তন, মাড়াইয়ে জোর দিতে হবে।
এছাড়া পণ্য পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। আমরা আমদানিতে ওস্তাদ কিন্তু খাদ্য শস্য উদ্বৃত্ত হলে কি করা হবে সে বিষয়ে কোন নির্দেশনা নেই। চলতি মাসে যারা ধান কিনেছে শুধু সেসব মিলারদের নিকট থেকে চাল কেনা হবে এমন ঘোষণা দিলে কৃষক উপকৃত হবে। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষনা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক গবেষণা পরিচালক ড. আসাদুজ্জামান বলেন, কৃষক তাদের ধানের ন্যায্য দাম পাচ্ছে না। কৃষকদের কথা বলার জন্য কৃষক থেকে রাজনীতিতে আসা জরুরি হয়ে পড়েছে। নিরাপদ খাদ্য, গবেষণা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে আরও গবেষণা ও পদক্ষেপ নিতে হবে। মহসিন আলী বলেন, ক্ষুদ্র ও বর্গাচাষীদের যন্ত্রের সুবিধা দিতে ভাড়াভিত্তিক যন্ত্রের ব্যবস্থা রাখতে হবে। উৎপাদন খরচ কমানোর জন্য কৃষক পর্যায়ে কৃষি উপকরণ বিশেষ করে সেচ, সার ও কীটনাশকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে সম্প্রসারণ কর্মীদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। কৃষি নীতি বাস্তবায়নে সকল পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা এবং সময় উপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এ্যাকশন এইডের পরিচালক আসগর আলী সাবরি বলেন, কৃষকের এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে রাজনৈতিক সদিচ্ছার বড়ই অভাব রয়েছে। সংলাপে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সায়েমা হক বিদিশা ছাড়াও কৃষক প্রতিনিধি ও বেসরকারী প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আশিকের মৃত্যুর রহস্য খুঁজছে পুলিশ
![]() |
| বাদী আল আমিন ও নিহত আশিক (ডানে) |
ঢাকার আদালত সূত্র বলছে, মঙ্গলবার (২৮ মে) ওই তরুণীর পক্ষে আদালতে জামিন চাওয়া হয়। তবে আদালত এ আবেদন নাকোচ করে দেন। ২১ মে ভাটারার কুড়িলে আশিকের মৃত্যু হয়।
গ্রেপ্তার তরুণী আশিকের সহপাঠী। ওই তরুণীর দাবি, তাঁর বাসাতেই আশিক ফাঁস দিয়েছিলেন। কুড়িলের একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন ওই তরুণী। ঘটনার দিন রাতে আশিক তাঁর বাসায় গিয়েছিলেন বলে তরুণীর ভাষ্য।
আশিক ও ওই তরুণী আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের পঞ্চম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। আশিকের গ্রামের বাড়ি ভোলায়। আশিকও কুড়িলের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।
আশিকের ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আল আমিন ২৩ মে ভাটারা থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করেন। এতে আশিকের ওই সহপাঠীকে আসামি করা হয়। মামলার দিনই তাঁকে গ্রেপ্তার করে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে পাঠানো হয়। আদালত সেদিন তরুণীর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অবশ্য তরুণীর আইনজীবীরা আদালতের কাছে দাবি করেছেন, তাঁদের মক্কেলকে হয়রানির জন্য এ মামলা করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে আশিকের ভাই আল আমিন বলেন, একই সঙ্গে পড়ালেখার সুবাদে তাঁর ভাই ও আসামির মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২১ মে ভোর ৫টা ৩৫ মিনিটে অপরিচিত মুঠোফোন থেকে তাঁর (আল আমিন) নম্বরে কল আসে। ওই নম্বর থেকে তখন তিনবার কল এলেও ঘুমে থাকার কারণে তিনি ধরতে পারেননি। ঘুম থেকে ওঠার পর সকাল ৭টা ১৩ মিনিটে তিনি ওই নম্বরে কল দেন। তখন অপর প্রান্ত থেকে বলা হয়, ‘ভাইয়া, আমি...বলতেছি। আপনার ছোট ভাই আমার বাসায় আসে। আমার সঙ্গে সামান্য কথা–কাটাকাটি হয়। তখন আমি বাসার বাইরের বারান্দায় চলে যাই। এর কিছুক্ষণ পর বাসায় ফিরে এসে দেখতে পাই, আমার বাসার জানালার গ্রিলের সঙ্গে আশিক কোমরের বেল্ট পেঁচিয়ে ফাঁস নিয়েছে। আশিককে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
আশিকের মৃত্যু, রহস্যের নানা দিক
ভাটারা থানা-পুলিশ বলছে, ওই তরুণী তাঁর এক বান্ধবীর সঙ্গে পাশাপাশি কক্ষে ভাড়ায় বসবাস করতেন। ঘটনার দিন রাতে আশিক ওই তরুণীর কক্ষে যান। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল আমিন কাউসার প্রথম আলোকে বলেন, আশিকের সঙ্গে...(তরুণী) সম্পর্ক ছিল, তা জানা গেছে। আশিক সেদিন রাতে তাঁর (তরুণী) ফ্ল্যাটে যান। তাঁদের মধ্যে কথা–কাটাকাটি হয়। তবে আশিক কীভাবে মারা গেছেন, তা ময়নাতদন্ত হাতে না পাওয়া পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো কিছুই বলা যাচ্ছে না।
আশিকের ভাই আল আমিন মঙ্গলবার (২৮ মে) প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, তাঁর ভাই আত্মহত্যা করতে পারেন না। কোমরের বেল্ট দিয়ে ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি লম্বা তাঁর ভাই আত্মহত্যা করেননি। কাউকে হয়রানি করার জন্য তিনি মামলা করেননি। তাঁর ভাইয়ের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য তিনি এবং তাঁর পরিবার জানতে চায়।
ভাটারা থানা-পুলিশ আদালতকে এক প্রতিবেদন দিয়ে বলছে, আশিকের ভাই বাদী আল আমিন সেদিন কুর্মিটোলা হাসপাতালে যান। আশিকের মরদেহ দেখতে পান হাসপাতালের ট্রলির ওপর। বাদী জানতে পারেন, আশিকের ফাঁস দেওয়া বেল্টটি কেউ দেখার আগে....(তরুণী) নিজে কেটে নিচে রাখেন। আসামি আশিকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাইছিলেন।
তদন্ত কর্মকর্তা কাউসার জানান, ঢাকার একটি সরকারি মেডিকেল কলেজে পড়ুয়া শিক্ষার্থীর সঙ্গে ওই তরুণীর বিয়ের কথা চলছিল বলে জানা গেছে।
ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেন, আশিকের মৃত্যু কীভাবে হয়েছিল, সেই রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থল থেকে আলামত জব্দ করা হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে আশপাশের সাক্ষীদের। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়া যায়নি; হাতে পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে, আশিকের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী।
ওসি আরও বলেন, আশিক ও তরুণীর মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। মুঠোফোনের তথ্য বিশ্লেষণেও দেখা গেছে, দুজনের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। তরুণীর বান্ধবীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুলিশি হেফাজতে ‘ইয়াবা ডন’ সাইফুল by আবদুল আজিজ

গত রবিবার (২৬ মে) রাতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একটি বিশ্বস্ত সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, শনিবার রাত ১১টার দিকে দুবাই থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছে ‘ইয়াবা ডন’ হাজি সাইফুল করিম। এসময় ইয়াবা কারবারিদের আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়ায় সঙ্গে যুক্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে হেফাজতে নেয়। রবিবার (২৬ মে) সকালের দিকে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার জেলা পুলিশের কাছে নেওয়া হয় তাকে। এখন পুলিশ লাইনে রাখা হয়েছে তাকে। ঈদের পর একটি আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অন্যান্য ইয়াবা কারবারিদের সঙ্গে আত্মসমর্পণ করবে সে।
তবে এ ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে এরকম কোনও তথ্য নেই। তবে যদি এরকম হয়ে থাকে, তাহলে এটি শুধু পুলিশের নয়, পুরো দেশে মাদকবিরোধী অভিযানে সরকারের একটি সফলতা। এই ধরনের ইয়াবা ডন আত্মসমর্পণ করলে নিঃসন্দেহে ইয়াবা পাচার বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো ট্রলারেন্স সফলতা পাবে।’
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, কাগজে কলমে সাইফুল করিম টেকনাফ স্থলবন্দরের একজন সিএন্ডএফ (আমদানি-রফতানিকারক) ব্যবসায়ী। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে কাঠ আমদানি করে সে। তবে কাঠ আনার আড়ালে এনেছে ইয়াবার চালান নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সরকারের বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে করা ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সর্বশেষ তালিকায় ‘এক নম্বর ইয়াবা ব্যবসায়ী’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে টেকনাফের শীলবনিয়া পাড়ার এই হাজী সাইফুল করিমকে। সাইফুল করিমের ভগ্নিপতি সাইফুল ইসলামও এই ইয়াবা সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত। এছাড়াও তার মামা, মিয়ানমারে মংডুর আলী থাইং কিউ এলাকার মোহাম্মদ ইব্রাহিমও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত।
প্রত্যেক গোয়েন্দা রিপোর্টের শীর্ষে সাইফুল করিম এবং তার পরিবারের সদস্যদের নাম থাকলে ২০১৭ সালের আগে তার বিরুদ্ধে দেশের কোথাও মাদক সংক্রান্ত কোনও মামলার রেকর্ড পাওয়া যায়নি। তবে ২০১৭ সালের পরে মাদক মামলার আসামি হয়েছে সাইফুল। গত মাসেও দুদকের পক্ষ থেকে তার নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার পাঁছ ভাইয়ের বিরুদ্ধেও ইয়াবা ব্যবসায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
সর্বশেষ টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাসের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ৩ মে সাইফুলের ছোট ভাই মাহবুব ও রাশেদকে টেকনাফ নিজ বাড়ি থেকে ১০ হাজার ইয়াবা ও ৪টি অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ। চট্টগ্রাম বার্তা টুয়েন্টিফোর নামক একটি পোর্টালের সম্পাদক পরিচয় দিতেন তারা। এর আগে গত বছর গোয়েন্দা পুলিশের হাতে আটক হন বড় ভাই মুন্না।
এক অনুসন্ধানে জানা গেছে, টেকনাফ উপজেলার সদর ইউনিয়নের শিলবুনিয়া পাড়া এলাকার মো. হানিফ প্রকাশ ওরফে হানিফ ডাক্তারের ছেলে সাইফুল করিম। চট্টগ্রাম মহসিন কলেজ পড়াশোনার সময় ১৯৯৮ সালের দিকে নগরীর খাতুনগঞ্জ এলাকায় টেকনাফের বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের পণ্য কেনা-বেচায় সহায়তা করে খরচ জোগাতেন তিনি। অভাব অনটনে দিন চলতো তার। ওই সময় তার দাদার বাড়ি মিয়ানমারের মংডু এলাকার ইয়াবা ডন ও মিয়ানমারের মোস্ট ওয়ান্টেড মগা সুইবিন নামক এক আন্তর্জাতিক ইয়াবা কারবারির সঙ্গে সখ্যতা গড়ে উঠে সাইফুলের। তাদের পৃষ্টপোষকতায় ২০০০ সালের কাছাকাছি সময়ে টেকনাফ স্থলবন্দরে এসকে ইন্টারন্যাশনাল নামে আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ ব্যবসা শুরু করে সে। ২০০১ সালের দিকে টেকনাফের বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহর বোনকে বিয়ে করে টেকনাফ স্থলবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নেয়। সাইফুলের শ্যালক জিয়াউর রহমান উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। ২০০১ সালের দিকেই মিয়ানমার থেকে পণ্য অমদানির আড়ালে কৌশলে ইয়াবা আমদানি শুরু করে সাইফুল।
একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছেন, মিয়ানমারের ইয়াবা কারখানার মালিকরা লাখ লাখ ইয়াবার চালান পাঠায়সাইফুলের কাছে। কারণ মিয়ানমারে স্থাপিত ৩৮টি ইয়াবা কারখানায় উৎপাদিত মাল বিক্রির একমাত্র মার্কেট হচ্ছে। এই ইয়াবা ব্যবসার সুবিধার্থে মিয়ানমার-বাংলাদেশ চলাচলের জন্য একাধিক জাহাজ কিনেছে সাইফুল।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতি প্রথম দফায় ১০২ জন ইয়াবা কারবারি আত্মসমর্পণ করেছে কক্সবাজারে। তখন সাইফুল করিমের আত্মসমর্পণের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। এখন দ্বিতীয় দফা আত্মসমর্পণের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পুলিশের কাছে ধরা দিয়েছে সে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাটকলশ্রমিকদের জন্য ১৬৯ কোটি টাকা, যাবে ব্যাংক হিসাবে

অর্থ বরাদ্দ প্রসঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আপত্কালীন জরুরি বিবেচনা এবং আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শ্রমিকদের বকেয়াসহ মজুরি ও উৎসব ভাতা পরিশোধের জন্যই এ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বকেয়া বেতন, মজুরি ও উৎসব ভাতার দাবিতে বেশ কিছু দিন ধরেই দেশের বিভিন্ন স্থানে পাটকলশ্রমিকেরা আন্দোলন করে আসছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ এই বরাদ্দ এল।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (পাট) প্রদীপ কুমার সাহা স্বাক্ষরিত বরাদ্দের চিঠিতে ছয় দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, বরাদ্দ দেওয়া অর্থ বিজেএমসির কারখানাগুলোর জন্য যে খাতে দেওয়া হয়েছে, এর বাইরে অন্য কোনো খাতে দেওয়া যাবে না। আর সুনির্দিষ্ট ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট পে চেকের মাধ্যমে তা দিতে হবে।
চিঠির শর্ত অনুযায়ী, বরাদ্দ দেওয়া অর্থ ব্যয়ের সাত দিনের মধ্যে মিলভিত্তিক শ্রমিকদের তালিকাসহ বিস্তারিত বিবরণী অর্থ বিভাগে পাঠাতে হবে। বরাদ্দ দেওয়া অর্থ ব্যয়ে সরকারি বিধিবিধান মানার জন্যও বলা হয়েছে। আর এর ব্যত্যয় হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে বলেও সাবধান করে দেওয়া হয়েছে। আর এ জন্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় বিজেএমসি ও অর্থ বিভাগের মধ্যে স্বাক্ষর করা শর্তগুলো মেনে চলার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।
যে অর্থ বরাদ্দ হলো, তা ‘পরিচালন ঋণ’ হিসেবে গণ্য করা হবে বলে চিঠিতে জানানো হয়। আগামী ২০ বছরে ৫ শতাংশ সুদে প্রতি ছয় মাসের কিস্তিতে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে। আর এ জন্য অর্থ বিভাগের সঙ্গে বিজেএমসিকে একটি ঋণ চুক্তি করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে।
চিঠিতে শেষে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে, বরাদ্দ দেওয়া অর্থ কেবল শ্রমিকদের বকেয়াসহ মজুরি এবং উৎসব ভাতা হিসেবে পরিশোধ করতে হবে।
লোকসানি প্রতিষ্ঠান বিজেএমসির (বাংলাদেশ জুট মিল করপোরেশন) ওপর আস্থার অভাবেই এই প্রতিষ্ঠানের কাছে শ্রমিকদের বেতন ও ভাতা দিতে ভরসা পায়নি সরকার। আর সে জন্য শ্রমিকদের মজুরির টাকা বিজেএমসির কাছে দেওয়া হবে না, সরকারি কোষাগার থেকে সরাসরি শ্রমিকদের নিজস্ব অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হবে বলে কিছুদিন আগে সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
এ বিষয়ে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী সম্প্রতি প্রথম আলোকে বলেন, ‘পাটকলশ্রমিকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তালিকা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য কয়েক দিন আগে বিজেএমসিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তালিকা অবশ্যই যথাযথ সময়ের মধ্যে দিতে হবে, যাতে ঈদের আগেই শ্রমিকেরা তাঁদের বকেয়া মজুরি হাতে পান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘১০৩ টাকায় পুলিশের চাকরি’
আজ মঙ্গলবার বিকেল সোয়া পাঁচটায় গাইবান্ধা সদর উপজেলার দারিয়াপুর গরুর হাট চত্বরে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণবিষয়ক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় গাইবান্ধার পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান মিয়া এসব কথা বলেন। আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়।
আবদুল মান্নান বলেন, আগামী ২৯ জুন গাইবান্ধা পুলিশ লাইনস মাঠে কনস্টেবল পদে লোক নিয়োগ করা হবে। নিয়োগের সময় অনেকে প্রতারণার শিকার হন। তাঁরা পুলিশের চাকরির জন্য জমিজমা ও গরু-বাছুর বিক্রি করেন। চাকরির জন্য দালাল ধরেন। চাকরির জন্য দালালের বিষয়ে সাবধান করেন সুপার।
পুলিশ সুপার বলেন, ‘চাকরি দেওয়ার কথা বলে দালালেরা আপনাদের জোর করলে তাদের পরিণতি হবে ডাকাত ও মাদক ব্যবসায়ীদের মতো। আপনারা এসব বিষয়ে পুলিশকে খবর দেবেন।’
এ সময় সুপার মান্নান সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘১০৩ টাকায় পুলিশে লোক নিয়োগের এই বার্তা আপনারা জেলার অন্যান্য এলাকায় পৌঁছে দেবেন। সরকারি বিধিবিধান অনুযায়ী লাইনে দাঁড়াবেন। শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর যোগ্যতা অনুযায়ী পুলিশে চাকরি পাওয়া যাবে।’
আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন গাইবান্ধা সদর থানার ওসি খান মো. শাহরিয়ার। এর আগে পুলিশ সুপার নগদ অর্থ উত্তোলন ও পরিবহনে মানি এসকর্ট সেবার জন্য পুলিশের ফোন নম্বরসংবলিত একটি ফেস্টুন স্থানীয় ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেন।
পুলিশ সুপার বলেন, ‘কয়েক দিন পরই ঈদ। ঈদ সামনে রেখে চুরি ছিনতাই বেড়ে যায়। নকল টাকার কারবারিরা তৎপর হয়ে ওঠে। তাদের কাছ থেকে আপনারা সাবধান থাকবেন। আপনাদের কোনো ভয় নেই। পুলিশ আপনাদের পাশে আছে, থাকবে। প্রয়োজনে ব্যবসায়ীদের টাকা-পয়সা বহনে পুলিশ নিরাপত্তা দেবে। পাঁচ হাজার টাকা বহন করতেই আপনারা প্রয়োজনে পুলিশকে ফোন করতে পারেন।’
উল্লেখ্য, পুলিশ কনস্টেবল পদে গাইবান্ধায় জেলায় ১৪৪ জন লোক নিয়োগ করা হবে।
![]() |
| আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণবিষয়ক এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন গাইবান্ধার পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান মিয়া। সদর উপজেলা, গাইবান্ধা, ২৮ মে। ছবি: প্রথম আলো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাঁচতলার ভেন্টিলেটর দিয়ে ফেলা হয় নবজাতককে

পরিমল চন্দ্র সোমবার রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রথমে পাশের একটি ছয় তলা ভবনের প্রতিটি ফ্ল্যাটে যান তিনি। বাসিন্দাদের কাছে জানতে চান, ভবনে অন্তঃসত্ত্বা কোনো নারী ছিলেন কি না। একপর্যায়ে জানতে পারেন, পাঁচ তলার একটি ফ্ল্যাটের একজন নারী অন্তঃসত্ত্বা। পরে ওই ফ্ল্যাটে যান। অন্তঃসত্ত্বা ওই নারী ও তাঁর স্বামীর সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু ওই বাসা থেকে নবজাতক ফেলে দিয়ে হত্যা করার কথা তাঁরা অস্বীকার করেন। তখন ওই ফ্ল্যাটে অনুসন্ধান চালায় পুলিশ। একপর্যায়ে ফ্ল্যাটের শৌচাগারে রক্ত দেখতে পান। ওই রক্ত কীসের, জানতে চাইলে পুরো ঘটনা খুলে বলেন ওই দম্পতি। অন্তঃসত্ত্বা ওই নারী জানান, রাস্তায় পাওয়া ওই নবজাতকের মা তাঁর মেয়ে। সে অবিবাহিত।
এই ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা পরিমল চন্দ্র সরকার বাদী হয়ে রূপনগর থানায় গত শনিবার মামলা করেন। মামলায় ওই কিশোরী, তাঁর মা, সৎ বাবা এবং কিশোরীর সৎ বাবার চাচাতো ভাই বিল্লাল হোসেন পলাশের বিরুদ্ধে খুনের মামলা করেন। বিল্লাল বর্তমানে বিদেশে।
মামলার এজাহারে এসআই পরিমল চন্দ্র বলেন, গত শনিবার ভোরে কিশোরীর প্রসব বেদনা ওঠে। পরে কিশোরী তাদের বাসার বাথরুমে যান। বেলা সোয়া ১১টার দিকে তাঁর সন্তান জন্ম হয়। তখন ওই কিশোরী নবজাতকটিকে পাঁচ তলা ভবনের বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে নিচে ফেলে দেন।
মামলার পর রূপনগর থানা-পুলিশ ওই কিশোরী এবং তাঁর সৎ বাবাকে গ্রেপ্তার করে রোববার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে পাঠায়। আদালতের আদেশে দুজনই এখন কারাগারে আছেন।
পাঁচতলা থেকে ফেলে দিয়ে নবজাতক হত্যার ঘটনাটি তদন্ত করছেন রূপনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আসাদুজ্জামান। ঢাকার আদালতকে আসাদুজ্জামান এক প্রতিবেদন দিয়ে জানিয়েছেন, বিদেশে অবস্থান করা আসামি বিল্লাহ হোসেন পলাশের (৩৩) সঙ্গে ওই কিশোরীর অনৈতিক সম্পর্ক হয়। ফলে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়। সামাজিক অবস্থা ও লোকলজ্জার ভয়ে পরস্পর যোগসাজশে নবজাতককে পাঁচতলা থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
সোমবার রাতে পুলিশ কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি বিল্লালকে মুঠোফোনে খুদেবার্তা দিয়ে জানিয়েছিল ওই কিশোরী।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
May
(416)
-
▼
May 29
(20)
- দুই নেতার টানাটানি দ্বিখণ্ডিত ভারত? by সৌম্য বন্দ্...
- অসংক্রামক রোগের ঝুঁকিতে ৯৭ শতাংশ লোক
- যা চাচ্ছি তা লিখতে পারছি না: মাহফুজ আনাম
- ‘আপনাদের অফিসে আমার ছবি দেখতে চাই না,আপনার সন্তানে...
- গরু, দুধ, লাথি...বিতর্কে মমতা
- ঢাকায় যত টাকা তা সারা দেশেও নেই by সানাউল্লাহ সাকিব
- লোকসভায় বেড়েছে মুসলিম এমপি
- মালিবাগে পুলিশ ভ্যানে বিস্ফোরণ: টাইমার দেয়া ছিল বো...
- ৮ দিনেও জ্ঞান ফিরেনি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী মুন্নির
- ওদের কান্নার যেন শেষ নেই
- চট্টগ্রামে মাদক নিয়ন্ত্রণে ‘কিশোর গ্যাং’ by ইব্রাহ...
- প্রবাসে বাংলাদেশি নারী শ্রমিকদের আত্মহত্যা বাড়ছে b...
- মোদির শপথে প্রতিবেশীদের আমন্ত্রণ, বাদ পাকিস্তান
- বোলারদের পরখ করে নিলেন মাশরাফি by ইশতিয়াক পারভেজ
- ‘বোরো আবাদে কৃষকের ক্ষতি ১৭৫০০ কোটি টাকা’
- আশিকের মৃত্যুর রহস্য খুঁজছে পুলিশ
- পুলিশি হেফাজতে ‘ইয়াবা ডন’ সাইফুল by আবদুল আজিজ
- পাটকলশ্রমিকদের জন্য ১৬৯ কোটি টাকা, যাবে ব্যাংক হিসাবে
- ‘১০৩ টাকায় পুলিশের চাকরি’
- পাঁচতলার ভেন্টিলেটর দিয়ে ফেলা হয় নবজাতককে
-
▼
May 29
(20)
-
▼
May
(416)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


