Monday, December 18, 2017
একাত্তর: আগে-পরে, ২- তারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসটাকে হাইজ্যাক করে ফেলেছে by কাজল ঘোষ

আমার বিয়ের ব্যাপারেও তাদের একটি অপপ্রচার রয়েছে। আমার বিয়ের অনুষ্ঠান নাকি গ্র্যান্ড হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।’ শুধু বিয়েই নয়, পালিয়ে আগরতলা পৌঁছানো, প্রবাসী সরকারের দায়িত্ব পালনকালে নানা অভিজ্ঞতা বয়ান করেছেন মানবজমিনকে দেয়া সাক্ষাতকারে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক নূরে আলম সিদ্দিকী। ধারাবাহিক সাক্ষাৎকারের আজ পড়ুন দ্বিতীয় কিস্তি:
প্রশ্ন: বলা হয়ে থাকে যখন দেশের সাধারণ মানুষ মুক্তি সংগ্রামে অকাতরে জীবন দিচ্ছে তখন আওয়ামী লীগ নেতারা কলকাতায় আয়েশি জীবনে ব্যস্ত?
স্বাধীনতার পর পরই স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি এবং অতি বিপ্লবী শক্তি সিরাজ শিকদার, হক, তোহা, টিপু বিশ্বাস এবং পরবর্তীকালে গণবাহিনী সরকারের শুধু বিরোধী শক্তিই নয় বিকল্প শক্তিরূপে বিকশিত হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে একটি শক্তিশালী সৃজনশীল বিরোধী দলের প্রয়োজন ছিল অত্যন্ত বেশি। প্রাসঙ্গিক একটি কথা স্পষ্ট করে তুলে ধরতে চাই ’৭৩-এর নির্বাচনের পূর্বে আমি মুজিব ভাইকে পীড়াপীড়ি করেছিলাম আতাউর রহমান খান সাহেবকে ৫০ জন সংসদ সদস্য দিয়ে একটি বিরোধী দল গঠনের সুযোগ করে দিতে। তিক্ত-বিরক্ত হয়ে একদিন মুজিব ভাই আমাকে অত্যন্ত রূঢ় কণ্ঠে বলেছিলেন, তোমার আসনটা দিয়ে শুরু করি। আমি তার সঙ্গে নির্ভয়ে কথা বলতে অভ্যস্ত ছিলাম। তাৎক্ষণিকভাবে বলেছিলাম, তাহলেও শুরু করুন। যাই হোক নেতার জীবদ্দশায় প্রবাসী সরকার তার নেতৃবৃন্দ সার্বিকভাবে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একটা উদ্বিগ্ন বৈরী প্রচার করতে থাকে। সাধারণ মানুষ বাংলাদেশে যখন হত্যা-ব্যভিচারের শিকার; একটা প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে থেকেও দেশের মানুষ আত্মসমর্পণ না করে যখন লড়াই করছিল তখন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ভোগবিলাসে এতটাই মত্ত ছিলেন যে, ভোরের নাস্তা থেকে ডিনার পর্যন্ত পাঁচতারা হোটেল ছাড়া তাদের মুখে রুচি হতো না। আমি শতভাগ সততার সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে বলতে পারি এটা ডাহা মিথ্যা একটি অপপ্রচার এবং পুরোপুরি কল্পনাপ্রসূত। দুই একজন কেউ ব্যতিক্রম থাকলেও থাকতে পারে। কিন্তু আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে যাদেরকে বোঝায় মুক্তিযুদ্ধের প্রতি তাদের আকর্ষণ ও আত্মত্যাগের কোনো ঘাটতি ছিল না। মুক্তিযুদ্ধ আগাগোড়াই একটি রাজনৈতিক যুদ্ধ ছিল। এটা গতানুগতিক সামরিক যুদ্ধ ছিল না। এই যুদ্ধের যিনি প্রধান সেনাধ্যক্ষ ছিলেন তিনিও একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ১৯৭০-এর নির্বাচনে জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্য এমএজি ওসমানী। দেশরক্ষার দায়িত্বে ছিলেন প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। মুক্তিযুদ্ধের মূল শক্তি ছিল ছাত্রলীগের কর্মীভিত্তিক। ছাত্রলীগের বাঙালি জাতির চেতনায় উজ্জীবিত কর্মীরাই প্রশিক্ষণ দিয়ে এফএফ (ফ্রিডম ফাইটার্স), সিএনসি (বঙ্গবন্ধু তখন সিএনসি ছিলেন) স্পেশাল সবক’টির গঠন ও পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। পুনরুল্লেখ করলে কোনো ব্যত্যয় হবে না যে, সমাজতন্ত্র ও শোষণহীন সমাজ ব্যবস্থার মধ্যে প্রচণ্ড দ্বন্দ্ব থাকা সত্ত্বেও ছাত্রলীগের সর্বস্তরের কর্মী ও নেতৃবৃন্দের মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের প্রশ্নে কোনো বিরোধ ছিল না। এখানে আমরা ছিলাম এক ও অভিন্ন। সীমান্তের ওপারে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক তৎপরতা ও উদ্দীপক কর্মকাণ্ডের ফলশ্রুতিতে লক্ষাধিক তরুণ এফ এফ সৃষ্টি করে। পুলিশ, ইপিআর ও সেনাবাহিনীর পক্ষ ছিন্ন করে যারা স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন তারাই পেয়েছিলেন সেক্টর কমান্ডার, সাব সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব। কিন্তু এই যুদ্ধ পরিচালনার মূল নেতৃত্ব ছিল আওয়ামী লীগের প্রবাসী সরকার, সামরিক ও বেসামরিক ক্যাম্পগুলো পরিচালনার দায়িত্বে ছিল আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য ও নেতৃবৃন্দ। এফ এফ ও অন্যান্য সকল সামরিক শক্তির উৎস ও সূতিকাগার ছিল ছাত্রলীগ। আজকের প্রচার-প্রচারণায় প্রায়শ লক্ষ্য করা যায় কমিউনিস্ট পার্টি, ন্যাপসহ বামধারার সকল নেতৃত্ব সেদিন যাদের অবস্থান অত্যন্ত গৌণ ছিল তারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসটাকেই হাইজ্যাক করে ফেলেছে। তাদের রকম সকম হাবভাব বক্তব্য বিবৃতি লেখনীতে প্রচার-প্রচারণার একটা বিকৃত তথ্যই প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যে, তারাই মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বে ছিলেন। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ নিছকই যুদ্ধ থেকে দূরে থেকে ভোগবিলাসে নয় মাস কাটিয়ে দিয়েছে- এটা যে কতো বড় মিথ্যা, কতো বড় অপপ্রচার তা কল্পনাও করা যাবে না। সরব মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি জামায়াতে ইসলামী ছাত্রসংঘ, মুসলিম লীগ এবং তাদের সৃষ্ট আলবদর, রাজাকার, আল-শামস এরা মুক্তিযুদ্ধকালীন সময় থেকে আজ পর্যন্ত বিরামহীনভাবে অপপ্রচার চালিয়েছে এবং আজ পর্যন্ত সেই প্রচারণা থামেনি। এতে প্রান্তিক জনতা অনেকটা বিভ্রান্ত হলেও ইতিহাসের গর্ভে যে সত্যটি লুকিয়ে আছে সেটি একদিন প্রতিভাত হবেই। এই বিশ্বাসের ওপরে ভিত্তি করেই আমি বিশ্লেষণ করতে চাই, নয় মাসের যুদ্ধটিকে শুধু পরিচালিত করাই নয়, তাকে সংঘটিত করার কৃতিত্ব আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃত্বের। সেখানে আমার মূল দায়িত্ব ছিল শরণার্থী শিবির এবং প্রশিক্ষণ শিবিরে বক্তৃতার মাধ্যমে ছাত্র ও যুব সমাজকে উদ্বেলিত উচ্ছ্বসিত করা। মুক্তিযুদ্ধের প্রতি তাদের প্রতীতী ও প্রত্যয় সৃষ্টি করা। সামরিক বাহিনীর সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ত হওয়ার সকল প্রকার ব্যবস্থা করা। এক কথায় এটি মরুভূমি নিষ্কলুষ সূর্যোদয়ের মতো সত্য। আমরাই এবং কেবলমাত্র আমরাই সেদিনের ছাত্র ও যুবকদের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত নেতৃত্বে ছিলাম। আজকের কমিউনিস্ট ও বামধারার নেতৃত্ব একটি পর্যায়ে এসে আমাদের কিছুটা সমর্থন দিয়েছিলেন। তারা তাদের নিজেদের সাংগঠনিক আদলে কিছু কাজ করলেও মূল কর্মকাণ্ডের ধারক ও বাহক ছিলাম আমরা। তারা ছিল নিতান্তই সহায়ক শক্তি। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই আজকের আওয়ামী লীগ বৈদ্যুতিক ও সংবাদপত্র মাধ্যমে বামধারার নেতৃত্বে শুধু মারাত্মক অনুপ্রবেশই ঘটেনি তারা জগদ্দল পাথরের মতো জেঁকে বসে আছে। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম থেকে শুরু করে সংবাদপত্র ও সংবাদ মাধ্যমে তাদের অবস্থান এতোই অপ্রতিরোধ্য যে আকাশে সূর্যকে চন্দ্র অথবা চন্দ্রকে সূর্য যা খুশি তাই করতে পারে। হিটলারের প্রচারমন্ত্রী গোয়েবলস বলেছিলেন একটি মিথ্যাকে নিখুঁতভাবে ১০ বার প্রচার করতে পারলে সেটি সত্যে পরিণত হয়। বাম রাজনৈতিক ধারার নেতৃবৃন্দ ও কর্মীবৃন্দের অবস্থান এতোই সুন্দর যে, তাদের যেকোনো প্রচার তারা সত্যরূপে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম। এই তো সেদিনের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রচয়িতারা আজও জীবিত আছেন। তারা জীবন্ত সাক্ষী থাকা সত্ত্বেও এমনই প্রচারণার ডামাঢোলে সত্যের অপমৃত্যু ঘটেছে। প্রচার জয়যুক্ত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু যখন ১০ই জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন তখন ট্রাকের উপরে তার পাশে দাঁড়িয়ে আমি তার কাছে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেছিলাম, ‘মুজিব ভাই, বাম রাজনীতিক এবং স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি অপপ্রচারে সফল হচ্ছে। আমার বিয়ের ব্যাপারেও তাদের একটি অপপ্রচার রয়েছে। আমার বিয়ের অনুষ্ঠান নাকি গ্র্যান্ড হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিয়ের অনুষ্ঠান তো দূরে থাক আমি কখনও গ্র্যান্ড হোটেলের ফটক পেরিয়ে এক কাপ চাও খাইনি।’
আমি এই প্রজন্মকে জানাতে চাই যে, সাধ ও সাধ্য কোনোটাই ছিল না। আমার বিয়ের অনুষ্ঠান এতোই সাদামাটা ছিল যে, জেনারেল ওসমানী, বেগম জোহরা তাজউদ্দিন, বেগম নজরুল ইসলাম, শাজাহান সিরাজ, শেখ শহীদ, আমার বাবা, দুলাভাই, একমাত্র বোন, আমার এক চাচা শ্বশুরসহ জনাবিশেক লোক এবং অত্যন্ত সাদামাটা খাবার দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। আমার অবশ্য মনে খুব লেগেছিল। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য যে, আমার বাবা এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের দিকে ঝিনাইদহ থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে রানাঘাটে আশ্রয় গ্রহণ করেন। আমার বাবা ও শ্বশুরের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা ছিল অত্যন্ত নিবিড়। তিনি কলকাতায় এসে আমার ওপরে চাপ সৃষ্টি করেন আমার স্ত্রীকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার জন্য। এখানে বলতে হয় যে, তখনকার পাকিস্তানের সমস্ত গোয়েন্দা সংস্থা এবং ভারতও জানতো আমি বিবাহিত। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়নি। আমি আত্মরক্ষার কারণে প্রচার করে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিলাম আমি বিবাহিত। যদিও অভিভাবকদের মধ্যে একটা সিদ্ধান্ত সাব্যস্ত ছিল আমাদের বিয়ের। কপালের জোর আমি আমার স্ত্রী এবং তার কয়েকজন আত্মীয়স্বজন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম হয়ে আগরতলা দিয়ে ভারতে প্রবেশের তিন থেকে চারদিনের মধ্যে পাকিস্তান সেনাবাহিনী আমার শ্বশুর (তখনকার সেকশন অফিসার) মরহুম আবুল হাশিম ও তার বড় ছেলে আবুল হাসনাত শাহজাহানকে গ্রেপ্তার করে লালবাগ থানায় নিয়ে যায়। রাখে আল্লাহ মারে কে। আমার শ্বশুর তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের কারণে তখনকার সরকারের মুখ্য সচিব মরহুম শফিউল আজমের স্নেহভাজন ছিলেন। তারই অক্লান্ত চেষ্টায় এবং পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে তখনকার দিনের সর্বস্ব খুইয়ে তারা প্রাণে বেঁচে যান এবং বেশ কিছুদিন অবরুদ্ধ থাকার পর মুক্তি পান। তিনি নিতান্তই সাদাসিধে ছা-পোষা একজন সরকারি কর্মচারী ছিলেন। তা সত্ত্বেও আমার প্রতিও তার অনবদ্য আকর্ষণ এবং অকৃত্রিম ভালোবাসা ছিল। মজার বিষয় হলো, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছে একটা উড়ো খবর ছিল, আমি নাকি ঢাকায় এসে আজিমপুরের বাসায় (৩০-ই নং বাসা) আত্মগোপনে থাকতাম। আমাকে ধরতেই নাকি ওই বাসায় সেনাবাহিনী গিয়ে আমার শ্বশুর ও তার সন্তানকে গ্রেপ্তার করে। আল্লাহ সহায় যে আমার স্ত্রী ও তার কয়েকজন আত্মীয় তখন আগরতলায়। নইলে হয়তো বীরাঙ্গনাদের তালিকায় তারও নাম লিপিবদ্ধ থাকতো। আমার বাবার চাপে নিতান্ত সাদামাটাভাবেই আমাকে বিয়েটা করতে হয়। সামাজিকতার খাতিরে। সিআইটি রোড তখন নকশালকবলিত এলাকা ছিল। প্রায় বিরান ও জনশূন্য। তখন এক শ’-দেড়শ’ টাকায় ওখানে দুই শয়নকক্ষের একটি ফ্ল্যাট অনায়াসে ভাড়া পাওয়া যেতো। তখন প্রবাসী সরকার কয়েকটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে আবদুর রব সেরানিয়াবাত, শাজাহান সিরাজ, শেখ শহীদ আমাকে এবং আরো অনেকের থাকার ব্যবস্থা করে দেন। আমার একমাত্র বোন, দুলাভাই, আমার স্ত্রী, তার বোন ও মামী ওই ফ্ল্যাটেই থাকতেন। আমি পশ্চিমবঙ্গের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত সামরিক প্রশিক্ষণের মূর্তি থেকে শুরু করে দেরাদুন পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গন থেকে শুরু করে শরণার্থী ক্যাম্পে ছুটে বেড়াতাম।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে উগ্রপন্থায় দীক্ষিত হয় আকায়েদ

খবরে বলা হয়, উগ্রবাদী ওয়েবসাইটে যেতে এনক্রিপশন প্রযুক্তিও ব্যবহার করতে হয়নি তাকে।
সাধারণ ব্রাউজার থেকে সার্চ দিয়েই তিনি বিভিন্ন চরমপন্থী লেখার হদিস পান। কর্মকর্তারা বলছেন, সম্প্রতি সন্ত্রাসবাদী সন্দেহে আটক হওয়া বেশ কয়েকজনও এভাবে সহজেই উগ্রপন্থার দিকে ঝুঁকেছেন। অক্টোবরে, এক উজবেক অভিবাসীর বিরুদ্ধে ট্রাক হামলা চালানোর অভিযোগ গঠন করা হয়। নিউ ইয়র্কে চালানো ওই হামলায় নিহত হন আটজন। সরকারি কৌঁসুলিরা বলেছেন, ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তিও অনলাইনে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের ম্যাগাজিন রুমিয়াহ পড়তেন।
আকায়েদ উল্লাহ কীভাবে উগ্রবাদে দীক্ষিত হয়েছেন, সেটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা। কারণ, দেশটিতে এমন ‘লোন ঔলফ’ বা একক প্রচেষ্টায় হামলা চালানোর প্রবণতা সম্প্রতি বেড়েছে। যদি একাধিক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী হামলা চালানোর চেষ্টা করে, তাহলে সন্দেহভাজন জঙ্গিদের মধ্যে যোগাযোগ বা আর্থিক লেনদেনের ওপর নজরদারি করে সুফল পাওয়া যায়। কিন্তু কেউ সম্পূর্ণ একক প্রচেষ্টায় হামলা চালাতে গেলে এসব অত কাজে আসে না।
এ কারণে নিউ ইয়র্ক পুলিশ অনলাইনে উগ্রবাদী উপকরণের সহজলভ্যতার বিষয়ে আপত্তি তুলছে। সংস্থাটি বলছে, গুগলের মতো সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি ও গবেষকদের ঘাড়ে এর দায় পড়ে। তাদের উচিত ওই ধরনের উপকরণ তাদের ওয়েবসাইটে না রাখা। নিউ ইয়র্ক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমো এ সপ্তাহের শুরুতে বৃহৎ ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোর প্রতি এ ব্যাপারে কড়াকড়ি দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের ডেপুটি কমিশনার স্টিফেন ডেভিস বলেন, ‘আপনারা একে বাকস্বাধীনতা ভেবে ভুল করছেন। কিন্তু এটি আদতে তা নয়। এটি পানির মতো পরিষ্কার যে, এসব উপকরণ ছড়ানোর একটাই শুধু কারণ থাকতে পারে। আপনি এই যুক্তি দেখাতে পারেন না যে, বিজ্ঞানীরা এসব কলা-কৌশল শিখতে চাইতে পারে।’
চরমপন্থি সন্ত্রাসবাদ বিশেষজ্ঞ আরন জেলিন ‘জিহাদোলোজি’ নামে একটি ওয়েবসাইট চালান। এই ওয়েবসাইটে জঙ্গিদের বিভিন্ন ম্যাগাজিন পোস্ট করা হয়। তিনি পুলিশের বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন। তার ভাষ্য, ‘বেশিরভাগ জিহাদি প্রয়োজনীয় জ্ঞান পায় জঙ্গিদের কথাবার্তা থেকে।’ ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসি নামে একটি থিংকট্যাংকে কর্মরত জেলিন আরও বলেন, ‘বাস্তবতা হলো, আমি যদি এসব উপকরণ আমার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা বন্ধও করি, সন্ত্রাসবাদী হামলা চালানোর চেষ্টা বা পরিকল্পনা কিন্তু বন্ধ হয়ে যাবে না।’
জেলিনের ওয়েবসাইট সহ অনেক গবেষকের ওয়েবসাইটেই আল কায়েদার ইন্সপায়ার ম্যাগাজিনের একটি ইস্যু পোস্ট করা আছে। সেখানে একটি অধ্যায়ের শিরোনাম হলো, ‘রান্নাঘরে বসেই বানিয়ে ফেলুন বোমা।’ এই অধ্যায়ে বিস্তারিত বলে দেওয়া আছে যে, কীভাবে খুব সহজেই হাতের কাছে পাওয়া উপকরণ দিয়ে বোমা বানানো সম্ভব। এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আকায়েদ উল্লাহ যে বোমা বানিয়েছিলেন, তার সঙ্গে ওই অধ্যায়ে বর্ণিত বোমার মিল আছে। ম্যাগাজিনে পরামর্শ দিয়ে বলা আছে, বড়দিনের ট্রি লাইটকে বোমার উপাদান হিসেবে ব্যবহার করতে। আকায়েদ উল্লাহর বোমায় ঠিক সেই ধরনের একটি লাইট ব্যবহার করা হয়েছে।
নিউ ইয়র্ক পুলিশের সাবেক সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী সহকারী কমিশনার ডেভিড কেলি বলেন, হামলা চালানোর নির্দেশনা সংবলিত লিখিত উপকরণ অনলাইনে অনেক দিন ধরেই সহজে পাওয়া যায়। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে প্রকাশিত ‘দ্য অ্যানার্কিস্ট কুকবুক’ বইয়ে বোমা বানানোর নির্দেশনা বিস্তারিত দেওয়া আছে। বর্তমানে বেসরকারি গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান কে২ ইন্টিলিজেন্সে কর্মরত কেলি বলেন, ‘যেসব স্থানে রাখলে মানুষ আকৃষ্ট হবে, সেখানে নিজেদের জিনিস রেখে আসতে পটু জিহাদিরা।’ তিনি সংশয় প্রকাশ করে বলেন, এসব জিনিস সরিয়ে নিতে বিভিন্ন ওয়েবসাইটকে বাধ্য করতে আন্দোলন হবে বলে তিনি মনে করেন না। অন্যরা বলতে পারেন, এর সঙ্গে বাকস্বাধীনতার প্রসঙ্গ জড়িত। তিনি মনে করেন, তার চেয়ে ভালো হবে যদি সন্ত্রাসীদের বার্তাকে চ্যালেঞ্জ করে পাল্টা বক্তব্য অনলাইনে পোস্ট করা হয়।
ক্ল্যারিওন প্রজেক্ট নামে একটি প্রতিষ্ঠানও উগ্রবাদী বিভিন্ন ম্যাগাজিন তাদের ওয়েবসাইটে রাখে। এই প্রতিষ্ঠানটি চরমপন্থার বিপদ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করছে। ক্ল্যারিওনের নিরাপত্তা বিশ্লেষক রায়ান মাওরো বলেন, ‘অনলাইনের মতাদর্শগত যুদ্ধ লড়ার ক্ষেত্রে স্ব-আরোপিত অজ্ঞতা ভালো কৌশল হতে পারে না।’
গুগলের মতো সার্চ ইঞ্জিনে উগ্রপন্থি জিনিসের জন্য সার্চ দিলে ক্ল্যারিওন বা জিহাদোলজি’র মতো ওয়েবসাইটই সবার আগে আসবে। কারণ, গুগল চরমপন্থিদের ওয়েবসাইটের চেয়ে চরমপন্থা প্রতিরোধে কাজ করছে- এমন ওয়েবসাইটগুলোকেই র্যাংকিং-এ ওপরের দিকে রাখে। এ কারণে, যেসব ওয়েবসাইট চরমপন্থার বিরুদ্ধে লড়ছে, সেগুলোই হয়ে উঠেছে চরমপন্থি উপকরণ পাওয়ার সবচেয়ে সহজ জায়গা।
গুগল বলেছে, এ ধরনের ক্ষেত্রে শুধু রোবটের ওপর নির্ভর না করে মানুষকেও নিয়োগ দিয়েছে তারা। এছাড়া সফটওয়্যার আধুনিকায়নেও কাজ করেছে তারা। এ কারণেই ইউটিউব থেকে চরমপন্থি ভিডিওগুলো প্রত্যাহার করা অনেকাংশে সম্ভব হয়েছে।
নিউ ইয়র্ক পুলিশের কর্মকর্তা স্টিফেন ডেভিস বলছেন, জঙ্গিগোষ্ঠীদের ম্যাগাজিন পুরোপুরি না সরালেও, অন্তত বোমা তৈরি বা ট্রাক হামলার কৌশল বর্ণনা করা হয়েছে, এ ধরনের অধ্যায় যাতে সরিয়ে ফেলা হয়। তিনি যুক্তি দেখিয়ে বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো কিন্তু এ ধরনের চরমপন্থি বক্তব্য ফিল্টার করতে সক্ষম হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জেরুজালেমকে ইসলায়েলের রাজধানীর ঘোষণার প্রতিবাদে ট্রাম্পকে রুখতে জাতিসংঘে উদ্যোগ
![]() |
| যুক্তরাষ্ট্র জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার প্রতিবাদে গতকাল লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তের একটি দেয়ালের লেবানন অংশে ‘জাফা অরেঞ্জ ট্রি’ এবং জেরুজালেম ওল্ড সিটির পবিত্র ‘ডোম অব দ্য রক’ বা কুব্বাত আস-সাকরাহর ছবি আঁকেন শিল্পীরা। জাফা অরেঞ্জ ট্রিকে ফিলিস্তিনে আরব ও ইহুদিদের সহযোগিতার প্রতীক মনে করা হয় l ছবি: এএফপি |
এদিকে এএফপি বলেছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের সমর্থনে পূর্ব জেরুজালেমে শিগগিরই তুরস্কের দূতাবাস খোলার আশা প্রকাশ করেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। গতকাল রোববার এ আশা প্রকাশের পাশাপাশি সম্প্রতি জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একতরফা স্বীকৃতিকেও প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি।
এক পাতার ওই খসড়া প্রস্তাব তৈরি করেছে মিসর। গত শনিবার তা নিরাপত্তা পরিষদের সব কটি সদস্যদেশের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এই খসড়া নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপন করা হলে তা ব্যাপক সমর্থন পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তবে যুক্তরাষ্ট্র এতে ভেটো দিতে পারে।
কূটনীতিকেরা জানান, কয়েক দিনের মধ্যে এই খসড়ার ওপর ভোটাভুটি হতে পারে। নিরাপত্তা পরিষদে কোনো প্রস্তাব পাস হতে নয়টি সদস্যরাষ্ট্রের ইতিবাচক ভোট এবং স্থায়ী সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া ও চীনের ভেটো না থাকলেই হয়।
৬ ডিসেম্বর ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন।
খসড়ায় বলা হচ্ছে, পবিত্র শহর জেরুজালেমের স্থিতাবস্থা এবং জনসংখ্যা বিন্যাস পাল্টে দেয়, এমন কোনো সিদ্ধান্তের আইনি প্রভাব থাকবে না। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের বিপরীত কোনো সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা থাকবে না এবং সব কটি রাষ্ট্র নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি অবশ্য এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের পর আরব লিগের সদস্যরাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মিসরের কায়রোতে বৈঠক করেন। ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) বৈঠক হয় তুরস্কের ইস্তাম্বুলে। মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর এই সংগঠনগুলো জাতিসংঘের মাধ্যমে পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
বিক্ষোভ চলছে
ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গতকাল রোববারও বিক্ষোভ হয়েছে ফিলিস্তিনের গাজা ও পশ্চিম তীরের রামাল্লায়। পশ্চিম তীরের নাবলুসে এক ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী। অভিযোগ, তিনি বিস্ফোরক নিয়ে একটি সামরিক আদালতের দিকে অগ্রসর হচ্ছিলেন।
এ ছাড়া ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় গতকাল প্রায় ৮০ হাজার লোক বিক্ষোভ করেছে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে। ইন্দোনেশিয়ার শীর্ষ উলামা কাউন্সিল এই মিছিলের আয়োজন করে। এটি ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এই পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ। ক্ষোভ থেকে মার্কিন পণ্য বর্জনের ডাক দেওয়া হয়। যে স্থানে প্রতিবাদ হচ্ছিল, তার কিছু দূরেই মার্কিন দূতাবাস।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স আগামী বুধবার ফিলিস্তিন-ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘাতপূর্ণ এলাকা পরিদর্শনে যাবেন। তাঁর সফরের সময় মার্কিন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বড় ধরনের বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী দল ফাতাহ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গর্ভবতী রোহিঙ্গা নারীদের জীবন বাঁচালেন যে ধাত্রীরা
সন্তান পেয়ে স্বভাবতই খুব খুশি ২৪ বছরের মাসুকা। তিনি আল-জাজিরাকে বলছিলেন, কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়াই আমি সন্তান জন্ম দিয়েছি। এখানকার সেবা পেয়ে আমি খুব খুশি।
শিশুটির এখনো নাম দেওয়া হয়নি। মাসুকা স্বামী শাফি আলম বলছিলেন, নাম ঠিক করার মতো চিন্তা করার সময় তিনি পাননি। তারা রাখাইন রাজ্যের মংডু জেলার ধানখালি গ্রাম থেকে পালিয়ে গত ১৬ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারে এসেছেন। এই অল্প সময়ে বেঁচে থাকার জন্য এতো বেশি লড়াই করতে হয়েছে যে, শিশুটির নাম রাখার চিন্তা মাথায় আসেনি।
রোহিঙ্গারা শত শত বছর ধরে রাখাইন রাজ্যে বসবাস করলেও তারা যুগের পর যুগ ধরে মিয়ানমার রাষ্ট্রের নিগ্রহের শিকার। সম্প্রতি সেনা ও পুলিশ ক্যাম্পে বিদ্রোহীদের হামলার পর রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর নতুন করে হামলা,নির্যাতন,ধর্ষণ শুরু করে মিয়ানমারে সেনাবাহিনী। আর এতে তাদের সহযোগিতা করছে উগ্র বৌদ্ধ জাতীয়তাবাদী ও মগরা।
জাতিসংঘ একে ‘জাতিগত নিধনের ধ্রুপদী উদাহরণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। প্রায় চার লাখ ২০ হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমার ছেড়ে বিপদসংকুল পথ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের উপকূলবর্তী কক্সবাজার জেলায় আশ্রয় নিয়েছে। পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অভিযোগ, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা মুসলিম পুরুষদের ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করছে, নারীরা ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। গ্রামের পর গ্রাম তারা জ্বালিয়ে দিচ্ছে।
পালিয়ে আসা এসব রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠী উপকূলবর্তী এলাকায় আস্থায়ী শিবিরে আশ্রয় পেয়েছেন। সরকার, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থা তাদের খাদ্য, বাসস্থান ও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার চেষ্টা করছে। জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিষয়ক তহবিলের (ইউএনএফপিএ) দেওয়া হিসেব মতে, রাখাইন রাজ্য থেকে আসা রোহিঙ্গা নারীদের মধ্যে প্রায় ২৪ হাজার নারী এসেছেন সন্তানসম্ভবা বা প্রসূতি। যাদের বয়স ১৫ থেকে ৪৯ এর মধ্যে। তারা এসব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র থেকে সহায়তা পাচ্ছেন।
নারীদের সেবা দিতে বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে কাজ করছেন ধাত্রীরা। ইউএনএফপিএ ধাত্রীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তাদের একজন তানিয়া আক্তার। তিনি গত ফেব্রুয়ারিতে কুতুপালং স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে যোগ দিয়েছেন। তিনি জানালেন, অনেক রোহিঙ্গা নারীই অসুস্থ অবস্থায় তাদের এখানে আসছেন। গত ২১ দিনে এই কেন্দ্রে ১২ জন নারী সন্তান জন্ম দিয়েছেন। এখানে যেসব রোহিঙ্গা নারী সন্তান জন্ম দিতে আসছেন, তাদের অনেকেই অভুক্ত। তাদের প্রয়োজনীয় কাপড় নেই, কিছু কেনার মতো টাকাও নেই। সত্যিকার অর্থেই তারা খুব অসহায়। অনেকে রাস্তার পাশে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।
আরেফা বেগম নয় মাসের গর্ভবতী। কিন্তু মৃত্যুর মুখ থেকে পালাতে তাকে দৌড়ে আসতে হয়েছে। তিনি মংডু জেলার বলিবাজার থেকে কক্সবাজারে এসেছেন সেপ্টেম্বরের ১৩ তারিখ।
আরেফা বেগম বলেন, আমি এই অবস্থায় মাইলের পর মাইল হেঁটেছি। কোনো বিশ্রাম নেয়নি। আমার কোনো খাবার ছিল না, এর মধ্যে বৃষ্টি পরিস্থিতিকে আরো ভয়াবহ করে তুলেছিল। আমি প্রচণ্ড ক্লান্ত ছিলাম, কিন্তু শ্বাস নেওয়ার মতো অবস্থাও ছিল না।
তিনি আরো বলেন, মিয়ানমারে ফিরে গিয়ে নিজেকে নিরাপদ ভাবার মতো অবস্থা আর নেই। এর চেয়ে এখানেই ভাল আছি ।
আরেফা বলেন, মিয়ানমারে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমি এখানে আছি, এটাই শুকরিয়া। আরেফার স্বামীর নাম সিরাজুল মোস্তফা। অর্থের সঙ্কাট থাকার পরেও এমন সেবায় তিনি খুশি।
স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের আরেক ধাত্রী নাজমা আক্তার (২৪) জানান, এখানে ওষুধসহ যাবতীয় সেবা বিনা পয়সায় দেওয়া হয়। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের লোকেরা শারণার্থী শিবিরে গিয়ে গর্ভবতী নারীদের সচেতন করেন এবং নিরাপদ প্রসবের জন্য এখানে আসার জন্য অনুপ্রাণিত করেন। এখানে সাধারণ রোগী, বয়স্ক ও শিশুদেরও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।
নাজমা বলেন, শরণার্থী শিবিরের নারীরা পুষ্টিহীনতা ও রক্তশূন্যতায় ভুগছেন। এর আগে তাদের স্বাস্থ্যসেবার কোনো সুযোগ ছিল না।
২০ বছরের আশুরা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে এসেছেন নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য। মাত্র ছয় দিন আগে তিনি সন্তান জন্ম দিয়েছেন। তিনি এখন ব্যথা ও মাথা ব্যথায় ভুগছেন। তিনি জানান, তার বাড়ি মংডুর সাবরাগুনা গ্রামে। কিন্তু এখানকার মতো স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সেখানে ছিল না। এখানকার চিকিৎসায় আশুরা খুশি।
ইউএনএফপিএর চিকিৎসক ডা. আশরাফুল আলম জানান, তার সংস্থার অধীনে কুতুপালংসহ কক্সবাজারের বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ৬৮ জন ধাত্রী কাজ করেন। এই মুহূর্তে চারটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র চলছে, আরো চারটা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ইউএনএফপিএর মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা প্রিয়া মারওয়াহ জানান, এসব কেন্দ্রের বাইরে তাদের মোবাইল ক্লিনিকও রয়েছে। এ ছাড়া আরো অনেকেই স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন। তিনি বলেন, দুইদিন আগে একজন নারীকে পাওয়া গেছে, যিনি মধ্যরাতে রাস্তার পাশে সন্তান জন্ম দিয়েছেন। পরে তাকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। ধাত্রীরা তাকে ও তার সন্তানকে সেবা দিচ্ছে। এটা এখন প্রতিদিনের ঘটনা।
স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আরেক ধাত্রী তানিয়া জানালেন, রোহিঙ্গা নারীরা অনেক বেশি দুর্বল। কারণ, তাদের অনেক সন্তান।
তিনি আরো বলেন, আমরা এমন অনেক মাকে পেয়েছি যাদের ৭টা থেকে ১৪টা পর্যন্ত সন্তান আছে। এর কারণ, তাদের পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে কোনো জ্ঞান নেই। এখন আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছি, তাদের জন্ম নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে বোঝানোর চেষ্টা করছি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন বছরে ৩৫ কোটি ৪২ লাখ নতুন পাঠ্যবই
তিনি বলেছেন, এরইমধ্যে এসব বই ছাপার কাজ শেষ হয়েছে।
রোববার রাজধানীর ডেমরার মাতুয়াইলে ব্রাইট ও আনন্দ প্রিন্টিং প্রেস পরিদর্শন শেষে শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ২০১৮ সালের জানুয়ারির প্রথমদিন সারাদেশে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যের এসব নতুন বই তুলে দেয়া হবে।
গত বছরের তুলনায় এ বছর ১০ লাখ ৭০ হাজার বই বেশি ছাপানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, ইতোমধ্যে ৯৭ শতাংশ অর্থাৎ ৩৪ কোটিরও বেশি বই বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছে গেছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যে বাকি বইও পৌঁছে যাবে।
নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, এবার আজিমপুর গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২০১৮ সালের পহেলা জানুয়ারি বিনামূল্যে বই বিতরণের জন্য পাঠ্যপুস্তক উৎসবের আয়োজন করা হবে। সেখান থেকেই সারাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন পাঠ্যবই বিতরণের কার্যক্রম শুরু করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এর আগে আগামী ৩০ ডিসেম্বর গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ২০১৮ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক তুলে দেয়া হবে। পাশাপাশি জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেয়া হবে।
আগামী ৩০ ডিসেম্বর সারাদেশে একযোগে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক শাখার অতিরিক্ত সচিব মুফাদ আহমেদ চৌধুরী, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কুলখানিতে নিহত প্রত্যেক পরিবারকে ১ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ
চট্টগ্রামে মহনগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে পদদলিত হয়ে নিহতের প্রত্যেক পরিবারকে এক লাখ টাকা করে অর্থ সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে প্রশাসন।
সোমবার দুপুরে নগরীর জামালখান আসকার দীঘির পাড়ে রীমা কমিউনিটি সেন্টারে মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানির মেজবানে ভিড়ের মধ্যে পদদলিত হয়ে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা।
চট্টগ্রাম মেডিকেলের পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
এ ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে গেছেন মহিউদ্দিন চৌধুরীর বড় ছেলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী মহিবুল হাসান নওফেল।
রিমা কমিউনিটি সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত নগর আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ও কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী বলেন, ১২টি সেন্টারের মধ্যে জামালখানের রিমা কমিউনিটি সেন্টারে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য খাবারের আলাদা আয়োজন করা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে এই দুর্ঘটনা : সিএমপি কমিশনার
অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে সদ্য প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে হতাহতের এই ঘটনা ঘটেছে। বললেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার ইকবাল বাহার।
সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হতাহতদের দেখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ইকবাল বাহার বলেন, রিমা কমিউনিটি সেন্টারের গেটটি ছোট হওয়ায় হুড়োহুড়ি করে এক সঙ্গে সবাই ভেতরে ঢুকতে গিয়ে পদদলিত হয়ে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
ইকবাল বাহার আরো জানান, রিমা কমিউনিটি সেন্টারের গেটের ভেতর ঢোকার পরপরই ১০ থেকে ১৫ ফুট ঢালু রয়েছে। সড়ক থেকে লোকজন কমিউনিটি সেন্টারে ঢোকার পরপরই পেছন থেকে ধাক্কা খেয়ে কমিউনিটি সেন্টারের ভেতরে ঢুকতে থাকা লোকেরা ঢালুতে পড়ে যান। এ সময় পেছনের মানুষের ধাক্কার চাপ সামলাতে না পেরে পদদলিত হয়ে মারা যান অনেকেই।
কমিউনিটি সেন্টারের ফটকে পুলিশের তৎপরতার অভাব ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, এটা মারামারি বা গ্রুপিং বা অন্য কোনো বিষয় না। নিরাপত্তার অভাব হয়নি, অতিরিক্ত মানুষের কারণে ঘটনাটি ঘটে। অন্য যেসব কমিউনিটি সেন্টারে মেজবানের ব্যবস্থা হয়েছে, সেসব জায়গায় দুর্ঘটনা এড়াতে পুলিশের তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনায় নিহতের প্রত্যেক পরিবারকে এক লাখ টাকা করে অর্থ সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে প্রশাসন।
সোমবার দুপুরে নগরীর জামালখান আসকার দীঘির পাড়ে রিমা কমিউনিটি সেন্টারে মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানির মেজবানে ভিড়ের মধ্যে পদদলিত হয়ে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা।
রিমা কমিউনিটি সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত নগর আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ও কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী বলেন, ১২টি সেন্টারের মধ্যে জামালখানের রিমা কমিউনিটি সেন্টারে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য খাবারের আলাদা আয়োজন করা হয়। সেখানেই এ ঘটনাটি ঘটে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতি’র ভোটগ্রহন সম্পন্ন , চলছে গণনা
সোমবার সকাল ১০ টা থেকে ভোটগ্রহন শুরু হয়। চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। গণনার পর নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
এবার ৮ম দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে ২১টি পদে নির্বাচন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে অর্থ সম্পাদকের পদটি বিনা প্রতিদন্ধিতায় নির্বাচিত হয়। ফলে ২০টি পদে ভোটগ্রহন চলছে। মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৩৫৯। উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিত ছিল সেখানে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বীর মুক্তিযোদ্ধা এলএমজি তাহের সংবর্ধিত
মহান বিজয় দিবস ২০১৭ উপলক্ষে সোমবার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধিত করেন সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসন।
আলোচনা সভা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতকানিয়া - লোহাগাড়া ১৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. অাবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী। সভাপতিত্ব করেন সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে পদদলিত হয়ে নিহত ১০
চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে পদদলিত হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে অর্ধশত।
সোমবার দুপুরে মহানগরীর রিমা কমিউনিটি সেন্টারে ঘটনাটি ঘটেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের কারো নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
চট্টগ্রাম মেডিকেলের পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানি উপলক্ষে মেজবানির জন্য যে ১২টি সেন্টারে আয়োজন করা হয়। রিমা কমিউনিটি সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত নগর আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ও কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী বলেন, ১২টি সেন্টারের মধ্যে জামালখানের রিমা কমিউনিটি সেন্টারে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য খাবারের আলাদা আয়োজন করা হয়। দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে সেন্টারে প্রবেশ করতে যেয়ে মানুষের অতিরিক্ত চাপে পদদলিত হয়ে এই ঘটনাটি ঘটে।
এদিকে নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা।
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানি উপলক্ষে দোয়া মাহফিল এবং নগরীর ১২টি কমিউনিটি সেন্টারে ৮০ হাজার মানুষের মেজবান আয়োজন করা হয় আজ।
এর আগে মহিউদ্দিন চৌধুরীর বড় ছেলে ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল জানান, সোমবার দুপুর থেকে ৮০ হাজার মানুষের খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সকাল থেকেই রুহের মাগফেরাত কামনায় মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে তার চশমা হিলের বাসভবনে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরিত্যক্ত ঘরে দুঃসহ জীবন মুক্তিযোদ্ধা আলী মাস্টারের by আশরাফুল ইসলাম

ছোট বড় সবার কাছে তিনি মুক্তিযোদ্ধা আলী মাস্টার নামে পরিচিত। নয় ভাইবোনের মধ্যে অষ্টম হযরত আলী মাত্র নয় বছর বয়সে পিতৃহারা হন। ১৯৫৯ সালে হোসেনপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মেট্রিকুলেশন পাস করে কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল কলেজে ভর্তি হন। সেখানেই মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির আদর্শে রাজনীতিতে তাঁর হাতেখড়ি হয়। ১৯৬২ সালে আইএসসি পাশ করে পাকুন্দিয়া উপজেলার চরপলাশ স্কুলে সহকারী শিক্ষক পদে যোগ দেন। এরপর কিছুদিন তারাকান্দি মাদরাসা ও হোসেন্দী স্কুলে শিক্ষকতা করেন। ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধে তিনি অংশ নিয়ে একজন অকুতোভয় যোদ্ধা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। পাক-ভারত যুদ্ধে তিনি ১২০ জন যোদ্ধার কমান্ডার নিযুক্ত হন এবং জামালপুর জেলার সীমান্তে দায়িত্ব পালন করেন। পাক-ভারত যুদ্ধের ইতি ঘটলে রণাঙ্গণ থেকে ফিরে ১৯৬৬ সালে তিনি উপজেলার কোদালিয়া স্কুলে সহকারী শিক্ষক পদে যোগ দেন। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ হযরত আলী মাষ্টারকে ফের উদ্দীপ্ত করে। ৭ই মার্চের ভাষণ শোনার পর থেকে ভেতরে ভেতরে মুক্তিসংগ্রামের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন তিনি। এ জন্যে রাতের বেলা স্কুল প্রাঙ্গণে এলাকার যুবক, ছাত্রদের বাঁশের লাঠি দিয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া শুরু করেন। তার এই প্রশিক্ষণে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশ সৈনিক উপজেলার আজলদী গ্রামের আব্দুল মান্নান। এ কারণে মুক্তিযুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনী কয়েক দফা অভিযান চালায় ওই স্কুলে এবং স্কুলের আসবাবপত্র ভাঙচুরের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করে। ২৫শে মার্চ ঢাকায় নিরীহ লোকজনের ওপর হানাদার বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার সংবাদ পান আলী মাষ্টার। ২৬শে মার্চ কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদের সভায় যোগ দিয়ে সভা চলার সময়েই রামদা হাতে মঞ্চে উঠে আলী মাষ্টার হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি সাহসী যুবকদের সঙ্গে নিয়ে পাশের মহকুমা কারাগারের গেইট ভেঙ্গে বন্দীদের মুক্ত করেন। এর পর পরই আলী মাষ্টার ভারতে চলে যান। সেখানে বিদেশী চর (গোয়েন্দা) সন্দেহে গ্রেপ্তার হন তিনি। বাংলা ভাষার পাশাপাশি উর্দু, হিন্দি, আরবী ও ইংরেজি ভাষা আয়ত্বে ছিল বলেই তাকে গোয়েন্দা ভেবে সন্দেহ করে ভারত সরকার। ভারতে ২৫ দিন বন্দি অবস্থায় থাকার সময়ে চার বার ফায়ারিং স্কোয়াডে নিয়ে মৃত্যুর মুখোমুখি করা হয় আলী মাস্টারকে। তথ্যপ্রমাণ দিয়ে প্রাণে বেঁচে যান তিনি। প্রকৃত বাংলাদেশী হিসেবে বিশ্বাস অর্জনের পর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় তুরা ক্যান্টনমেন্টে। ক্যান্টনমেন্টের ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে ছিলেন চট্টগ্রামের বাসিন্দা ইপিআর’এর সুবেদার আব্দুল গফুর। প্রশিক্ষণে চৌকস মেধাবীর পরিচয় দেয়ায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কিছুদিন উইং কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। প্রশিক্ষণ শেষে ২৬০ জন যোদ্ধার কোম্পানী কমান্ডার হিসেবে অস্ত্র ও গোলা বারুদ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন মুক্তিযুদ্ধে। প্রথম এক মাস সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলার সীমান্ত এলাকায়, পরে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল, কিশোরগঞ্জ সদর, হোসেনপুর, পাকুন্দিয়া, কটিয়াদী, কুলিয়ারচর, ভৈরব ও গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার টোক এলাকায় যুদ্ধ পরিচালনায় নেতৃত্ব দেন তিনি। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে উদয় হয় বিজয়ের সূর্য। যুদ্ধ শেষে অস্ত্র জমা দিয়ে তিনি পুনরায় ফিরে যান কর্মজীবন শিক্ষকতায়।
আলী মাস্টার জানান, সমাজের নানান অসঙ্গতি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করায় ১৯৭৫ সালের ৪ঠা জানুয়ারি পাকুন্দিয়া থানার সামনে থেকে গ্রেপ্তার হন তিনি। টানা ১৮ দিন ডিএসবি শেলে জিজ্ঞাসাবাদের পর ময়মনসিংহ কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয় তাকে। কারাগার থেকে মুক্তি পান ২৮শে জানুয়ারি। মুক্তি পেয়ে ফিরে আরো কিছুদিন শিক্ষকতা করেন। ১৯৭৯ সালে শিক্ষকতা থেকে ইস্তফা দিয়ে বাড়িতে ফিরে যান। মনোনিবেশ করেন কৃষি কাজে, হয়ে উঠেন গবাদি পশুপ্রেমী, বৃক্ষপ্রেমী এক কৃষক। এরই মধ্যে মেঘে মেঘে অনেক বেলা গড়িয়ে যায়। কখন যে যৌবনকাল পেরিয়ে গেছে বুঝতেও পারেননি তিনি। আজও তিনি সঙ্গীবিহীন একাকী জীবন কাটাচ্ছেন। এরই মাঝে ১৯৮২ সালে স্বজনদের হামলায় আহত হন তিনি। এরপর ৯৪, ৯৭ ও ২০০০ সালে আরো ৩ দফা হামলায় রক্তাক্ত হন আলী মাস্টার। সর্বশেষ আহত হওয়ার ঘটনায় তিনি থানায় মামলা করেন। এখনো মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। বাড়িঘর জমাজমি বেশির ভাগই দখল করে নিয়েছে ভাতিজারা। ঠাই নিয়েছেন পরিত্যক্ত মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয়ে। বেশির ভাগ সময় নিজেই রান্না করেন। পরিত্যক্ত এ কার্যালয়টির চারপাশে বিদ্যুৎ থাকলেও তিনি থাকেন বিদ্যুৎহীন একটি কক্ষে। একরাশ হতাশা আর অবহেলায় আজ কেবলই বিষাদময় এই বীরযোদ্ধার জীবন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় মেটাতে দারিদ্র্যসীমার নিচে ৫ শতাংশ পরিবার by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

অন্যদিকে যাদের প্রাতিষ্ঠানিক মেডিকেল শিক্ষা আছে তাদের সংখ্যা ৪৫ শতাংশ। এখানেও মানসম্মত কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। পরিচালক বলেন, স্বাস্থ্যসেবা ক্ষেত্রে বাংলাদেশে সরকারি ব্যবস্থাকে আরো কার্যকর করতে হবে। সরকারি কেন্দ্রগুলোতে রোগী কম আসার কারণ-চাহিদা ও সরবরাহে সমস্যা।
স্বাস্থ্যের জন্য ৬৭ শতাংশ খরচ ব্যক্তি নিজের পকেট থেকে করে। এটা রোগ নির্ণয় করতে গিয়ে ব্যক্তি বেশি খরচ করেন বলে গবেষকরা উল্লেখ করেন। অতিরিক্ত ওষুধ, অতিমাত্রায় ওষুধের দাম রাখা, বেশি বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা দেয়া, হাসপাতাল ও ক্লিনিকের নিজেদের মতো করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি নির্ধারণ, হাসপাতালে রোগীর সিটের বা কেবিনের ভাড়া বাবদ বেশি টাকা ব্যয় করা, বেসরকারি হাসপাতালে অতিমাত্রায় কনসালটেশন ফি নেয়া, সরকারি হাসপাতালে এই টেবিল সেই টেবিলে খরচ এবং শহর এলাকায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবার উপর নির্ভরশীল হওয়ার কারণে ব্যক্তির পকেট থেকে খরচ বেশি হচ্ছে বলে পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।
সেভ দ্য চিলড্রেন ও ব্র্যাক জেমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ-এর যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত সামপ্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৯৭ সালে বছরে স্বাস্থ্যখাতে সরকারের মোট ব্যয়ের ৩৭ শতাংশ খরচ করলেও এখন ব্যয় করছে মাত্র ২৩ শতাংশ। স্বাস্থ্যের জন্য ৬৭ শতাংশ খরচ করে ব্যক্তি নিজের পকেট থেকে। বাকি ১৪ শতাংশ দাতাসহ অন্যরা। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে, স্বাস্থ্যসেবার জন্য বছরে মাথাপিছু কমপক্ষে ৮৬ মার্কিন ডলার খরচ করা দরকার। অথবা জিডিপির ৫ শতাংশ। প্রতিবছর বাংলাদেশে মাথাপিছু স্বাস্থ্য ব্যয় বছরে ৩৭ ডলার। ‘বাংলাদেশে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা: কর্মকাণ্ড, চ্যালেঞ্জ, সুপারিশ ও প্রতিশ্রুতি’ বিষয়ক ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, গ্রাম ও শহর এলাকায় মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বৈষম্য রয়েছে। অর্থনৈতিক, শিক্ষা এবং ভৌগোলিক কারণেও স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে পার্থক্য রয়েছে। বিনামূল্যে মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার জন্য নীতি প্রয়োজন। গবেষণায় সুপারিশে বলা হয়, ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ (ইউএইচসি) অর্জন করতে হলে এক্ষেত্রে সরকারের ব্যয় বাড়াতে হবে। ব্যক্তি নিজের পকেট থেকে ব্যয় কমানোর বিষয়ে জোর দিতে হবে। হেলথ সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট বাড়াতে হবে। দুর্গম এলাকাকে চিহ্নিত করে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে হবে। দেশের সীমানার মধ্যে সবার কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে হবে।
স্বাস্থ্যসেবার পেছনে ব্যয় প্রতিবছর বিশ্বের প্রায় ১০ কোটি মানুষকে চরম দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। চলতি মাসে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা দু’টির প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দৈনিক ২ ডলারের কম অর্থের ওপর নির্ভরশীল হতদরিদ্র ও সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে থাকা মানুষেরা স্বাস্থ্যসেবা এবং খাদ্য ও শিক্ষাসহ সংসারের অন্যান্য প্রয়োজনের মধ্যে যে কোনো একটিকে বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, সারা বিশ্বের ১২ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ স্বাস্থ্যসেবার ব্যয়ের কারণে দৈনিক ৩ ডলারের সামান্য কিছু বেশি অর্থ দিয়ে জীবনধারণ করতে বাধ্য হচ্ছে। ২০০০ সাল থেকে এ সংখ্যা বছরে ১৮ লাখ করে বেড়েছে। দৈনিক ৩ দশমিক ১০ ডলারে জীবন ধারণ মাঝারি দারিদ্র্যসীমা ধরা হয়। মোট ৮০ কোটি মানুষ তাদের পারিবারিক বাজেটের ১০ শতাংশের বেশি সাধ্যের অতীত স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় হিসাবে খরচ করে এবং এসব ব্যয় বীমা সেবার বাইরে।
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যাবিষয়ক জ্যেষ্ঠ পরিচালক টিমোথি ইভান্স বলেন, সবচেয়ে দরিদ্র এক-পঞ্চমাংশ পরিবারের মাত্র ১৭ শতাংশ নারী পর্যাপ্ত মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সেবা পেয়ে থাকে। এর বিপরীতে এক-পঞ্চমাংশ ধনী পরিবারগুলোর ৭৪ শতাংশ নারী এ সেবা গ্রহণের সুযোগ পায়। এ পরিস্থিতি কেবল বিশ্বের দরিদ্র অঞ্চলেরই সমস্যা নয় বরং সব দেশের সব আয়স্তরের জন্যই এটি সমস্যা। সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা কভারেজ কেবল উন্নত স্বাস্থ্যের বিষয় নয়। বাস্তবতা হলো, যতক্ষণ পর্যন্ত বিশ্বের কোটি মানুষ স্বাস্থ্যের পেছনে ব্যয়ের কারণে দরিদ্র হয়ে পড়ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য নিরসনে আমাদের সমন্বিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যে (এসডিজি) পৌঁছাতে পারব না। বিশ্বব্যাংক ও ডব্লিউএইচওর লক্ষ্য, পরিবেশ-পরিস্থিতি নির্বিশেষে বিশ্বের সব মানুষকে অর্থকষ্টের ঝুঁকি ছাড়া স্বাস্থ্যসেবায় নিয়ে আসা। সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা জাতিসংঘের এসডিজির অন্যতম লক্ষ্য হলেও, স্থানীয় সরকারগুলোর দৃঢ়প্রত্যয় ছাড়া এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। প্রতিবেদন অনুসারে, সারা বিশ্বের মধ্যে সামর্থ্যের বেশি স্বাস্থ্য ব্যয়ের কারণে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাওয়ার হার এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি। পারিবারিক বাজেটের ২৫ শতাংশ স্বাস্থ্যসেবার পেছনে ব্যয় করা ৭২ শতাংশ মানুষ এশিয়ায় বসবাস করে। স্বাস্থ্যসেবার পেছনে ১০ শতাংশের বেশি পারিবারিক বাজেট ব্যয় করা মানুষের হার সবচেয়ে দ্রুত বাড়ছে আফ্রিকা অঞ্চলে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদিই ব্যতিক্রম by রোকনুজ্জামান পিয়াস

শ্রমবাজার সংশ্লিষ্টরা বলছে বাংলাদেশের শ্রমবাজার এখন বড় এক চ্যালেঞ্জের মুখে। যদিও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় বলছে, এ বছর রেকর্ড সংখ্যক কর্মী বিদেশে গেছেন। চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত বিদেশে কর্মী গেছেন ৯ লাখ ৩১ হাজার ৮৩২ জন। ১৯৭৬ সালে বিদেশে বাংলাদেশি কর্মী প্রেরণ শুরু হওয়ার পর সংখ্যার দিক থেকে এখন পর্যন্ত এটিই সর্বোচ্চ। এর আগে ২০০৮ সালে কর্মী গিয়েছিলো ৮ লাখ ৭৫ হাজার ৫৫ জন।
সংখ্যার দিক থেকে অতীতের রেকর্ড ছাড়ালেও এক দেশনির্ভর হয়ে পড়েছে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এ খাতটি। সৌদি আরব ছাড়া প্রায় সকল দেশেই শ্রমবাজারে ধস নেমেছে। মধ্যপ্রাচ্যের এ দেশটিতে এ যাবৎকালের মধ্যে এবার সর্বোচ্চ কর্মী গেছে। গত নয় মাসে সেখানে কাজের সন্ধানে গেছে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৮৬২ জন। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, এই বাংলাদেশি কর্মীদের একটি অংশ বেকার হয়ে পড়েছেন। কাজ না থাকার পরও মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সৌদি আররে কর্মী পাঠানো হচ্ছে এমন অভিযোগ আসছে দীর্ঘদিন থেকেই। চলতি বছরের কর্মী প্রেরণের হার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সৌদি আরবে কর্মী প্রেরণ অস্বাভাবিক হারে বাড়লেও বেশিরভাগ দেশেই কমেছে। এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে ১৬৩ দেশে কর্মী পাঠানো হচ্ছে এমন ঘোষণা দিলেও বাস্তবে কোনো অগ্রগতি নেই।
সূত্র মতে, এ বছর কর্মী পাঠানো হয়েছে ৯৭টি দেশে। যার মধ্যে ৩৮টি দেশে কর্মী গমনের সংখ্যা ১ থেকে ৯ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এদিকে কর্মী প্রেরণের সংখ্যা বাড়লেও ধস নেমেছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সে। গত বছরের তুলনায় এ বছর আড়াই লাখ কর্মী বেশি বিদেশ গেছেন। এর বিপরীতে রেমিটেন্স এসেছে ১ হাজার মিলিয়র ডলার কম। অন্যদিকে আফ্রিকার মতো অতি দরিদ্র দেশেও কর্মী পাঠানো হয়েছে। সুদান, সোমালিয়ার মতো দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থান করা দেশে কর্মী পাঠানোয় সংশ্লিষ্ট মহলে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সবমিলে চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশের শ্রমবাজার। এ অবস্থায় আজ ১৮ই ডিসেম্বর পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন দিবস-২০১৭। এ উপলক্ষে গতকাল দুপুরে ইস্কাটনের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে তিনি এ খাতে সরকারের নানা অর্জন তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, চলতি বছরে প্রায় ১০ লাখের অধিক কর্মী বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। যা বাংলাদেশে অভিবাসন খাতের এযাবৎ কালের সর্বোচ্চ সংখ্যক। তিনি বলেন, এ বছর আজ পর্যন্ত বাংলাদেশ হতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মোট ৯ লাখ ৭৩ হাজার কর্মীর বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ১৮ হাজার মহিলা কর্মীর কর্মসংস্থান হয়েছে।
এদিকে বিদেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শুধুমাত্র সৌদি আরব ছাড়া প্রায় সবগুলো দেশেই কর্মী প্রেরণের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। বিএমইটির পরিসংখ্যান মতে, এ বছর নভেম্বর পর্যন্ত ওমানে কর্মী গমনের সংখ্যা অর্ধেকে নেমে এসেছে। এ বছর দেশটিতে কর্মী গিয়েছিলো ৮৩ হাজার ১৬ জন। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮৮ হাজার ২৪৭ জন। কাতারে গেছে ৭৭ হাজার ১৪৫ জন যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৬০ হাজার কম। বাহরাইনে গত বছর গিয়েছিলো ৭২ হাজার ১৬৭ জন। এ বছর নেমে দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজারে। লেবাননে গত বছর কর্মী যায় ১৫ হাজার ৯৫ জন। চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত একই দেশে গেছে ৭ হাজার ৪০৭ জন। জর্ডানে কর্মী প্রেরণ ২৩ হাজার ১৭ থেকে নেমে গেছে ২০ হাজারে। সিঙ্গাপুরে ৫৪ হাজার ৭৩০ জন থেকে নেমে গেছে ৩৮ হাজারে। এভাবে বিশ্বের নানা প্রান্তে যেসব দেশে বাংলাদেশের কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে তার প্রায় সবক’টিই সংকুচিত হয়ে এসেছে। তবে মালয়েশিয়ায় গত বছরের তুলনায় এ বছর কর্মী প্রেরণ কিছুটা বেড়েছে।
এদিকে সৌদি আরবে কর্মী প্রেরণের সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ায় সেদেশে বেকার হয়ে পড়ছে বাংলাদেশিরা। সমপ্রতি সৌদি আরব থেকে ফিরে আসা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তাও বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, দেশটিতে ফ্রি ভিসার নামে যারা গেছেন, তাদের প্রায় সবাই বেকার অবস্থায় দিন পার করছেন। এছাড়া আর্থিক মন্দার কারণে বিভিন্ন কোম্পানি থেকেও তাদের ছাঁটাই করা হচ্ছে। এদিকে কর্মহীন কর্মীদের বেশ কয়েকজন জানান, কতিপয় রিক্রুটিং এজেন্সি শুধু টাকার লোভে কাজ না থাকা সত্ত্বেও প্রলোভন দিয়ে সৌদি আরব পাঠাচ্ছে। বেকার কর্মীদের কয়েকজন জানান, ‘আমেলে মনজিল’ ভিসা বা বাসাবাড়ির কাজ নিয়ে অনেকেই সৌদি আরব আসছেন। কিন্তু তাদের কেউই কাজ পাচ্ছেন না। কর্মীরা জানান, নির্দিষ্ট এই ভিসার কারণে বাসাবাড়ির বাইরে তাদের কাজ করার সুযোগ নেই। ফলে তাদেরকে অন্য কোথাও কাজ করতে দেখলে পুলিশ ধরে দেশে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু অনেকে ভিটেমাটি বিক্রি করে আসায় কষ্ট হলেও পালিয়ে বেড়ায়। এছাড়া ফ্রি ভিসার নামে গিয়েও হাজার হাজার কর্মী কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। তারা আরো বলেন, ‘আমেলে মনজিল’ ভিসায় গিয়ে সংশ্লিষ্ট মালিকের বাসায় কাজ তো পাওয়াই যায় না, উল্টো প্রতিবছর তাদের নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিতে হবে। তাদের অভিযোগ সেদেশে কাজ তো নেই-ই বরং আগে থেকে অনেকেই যারা কাজ করতো তাদের ছাঁটাই করে দেয়া হচ্ছে। অন্যদিকে কর্মী প্রেরণ করা হচ্ছে দারিদ্র্য সীমার নিচেই বাস করা আফ্রিকার দেশ সোমালিয়া ও সুদানেও। জনশক্তি রপ্তানি ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ছাড়পত্র নিয়ে সুদান গেছে, ১৫৭৪ জন। অন্যদিকে সোমালিয়ায় পাঠানো হয়েছে ১০৪ বাংলাদেশি কর্মীকে।
রেমিটেন্স কমেছে: কর্মী প্রেরণের সংখ্যা বাড়লেও রেমিটেন্স কমেছে এ বছর। চলতি বছরের গত ৯ মাসের বিএমইটির তথ্যমতে, এ বছর প্রায় ২ লাখ কর্মী বেশি বিদেশে গেছে। গত বছর ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৭৩১ জন প্রবাসী কর্মী রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন ১৩ হাজার ৬০৯ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন ডলার। আর চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত ৯ লাখ ৩১ হাজার ৮৩২ জন কর্মী রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন ১২ হাজার ৩৫৯ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ বছর শেষে রেমিটেন্স ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১ হাজার মিলিয়ন ডলার।
এদিকে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষে আজ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, অভিবাসীদের নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংস্থা নানা কর্মসূচি পালন করেছে। গতকাল মন্ত্রণালয় প্রবাসী ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি তুলে ধরা হয়। মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি জানান, অভিবাসী দিবসটিতে প্রতিটি জেলায় র্যালি, আলোচনা সভার পাশাপাশি সচেতনতা সৃষ্টিমূলক প্রচার-প্রচারণার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাজধানীতে আজ সকাল ৮টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে মূল র্যালি বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) যাবে। সেখানে সকাল সাড়ে ৯টায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। প্রবাসী কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়, অভিবাসী মেলা-২০১৭, অভিবাসন বিষয়ক গম্ভীরা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে। দিনের ২য় ভাগে বিকাল ১৫টা ১০ মিনিটে ‘সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমেই নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা সম্ভব’ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা। বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে চিত্রাঙ্কন, রচনা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও অভিবাসী মেলায় নির্বাচিত সেরা স্টলের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। বিকাল ৪টা ৫০ মিনিটে দ্বিতীয় পর্বের প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন মো. ইসরাফিল আলম, এমপি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহিউদ্দিনের কুলখানিতে ৮০ হাজার মানুষের মেজবান
এ উপলক্ষে দোয়া মাহফিল এবং নগরীর ১২টি কমিউনিটি সেন্টারে ৮০ হাজার মানুষের মেজবান আয়োজন করা হয়েছে।
মহিউদ্দিন চৌধুরীর বড় ছেলে ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল জানান, সোমবার দুপুর থেকে ৮০ হাজার মানুষের খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এর আগে সকাল ১১টায় পাঁচলাইশ থানার বিপরীতে দি কিং অব চিটাগাং ও জিইসি মোড়ে কে স্কয়ার কমিউনিটি সেন্টারে কুলখানি, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। কুলখানি শেষে মেজবান খাওয়ানো শুরু হবে।
সকাল থেকেই রুহের মাগফেরাত কামনায় মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে তার চশমা হিলের বাসভবনে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
মেজবানির জন্য যে ১২টি সেন্টারে আয়োজন করা হয়েছে সেগুলো হল - পাঁচলাইশ এলাকার ‘দি কিং অব চিটাগাং’, জিইসির মোড়ের ‘কে স্কয়ার কমিউনিটি সেন্টার’, চকবাজারের ‘কিশলয় কমিউনিটি সেন্টার’, পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকার ‘সুইস পার্ক কমিউনিটি সেন্টার’, লাভ লেনের ‘স্মরণিকা কমিউনিটি সেন্টার’, মুরাদপুর এলাকায় ‘এন মোহাম্মদ কনভেনশন হল’, বাকলিয়ার ‘কেবি কনভেনশন হল’, কাজির দেউড়ির ‘ভিআইপি ব্যাকুইট কমিউনিটি সেন্টার’ এবং ‘সাগরিকা স্কয়ার’, ডাবল মুরিংয়ের ‘গোল্ডেন টাচ কমিউনিটি সেন্টার’।
এছাড়া হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও অন্যান্যদের ধর্মালম্বীদের জন্য জামালখানের ‘রিমা কনভেনশন সেন্টার’-এ আলাদা বেবস্থা করা হয়েছে।
নওফেল জানান, চশমা হিলের বাসভবনে নারীদের জন্য মেজবানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে তার মা অন্যান্য নারী নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন।
এছাড়াও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ নেতারা, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য কুলখানিতে উপস্থিত থাকবেন বলেও তিনি জানান।
গত শুক্রবার ভোর সাড়ে তিনটার দিকে চট্টগ্রামের ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী মারা যান।
শুক্রবার বিকেলে লালদিঘী ময়দানে জানাজা শেষে সন্ধ্যায় চশমা হিলের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই মাসে ৪০টি গ্রাম পুড়িয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী : এইচআরডব্লিউ
যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) বলছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গেলো দুই মাসে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের প্রমাণ পেয়েছে তারা। স্যাটেলাইটে তোলা ছবি বিশ্লেষণের পর এটি জানিয়েছে সংস্থাটি।
তারা বলছে, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে আরো ৪০টি গ্রামের ভবনসহ বহু ঘরবাড়ি ধ্বংস করে দিয়েছে মিয়ানমার। ২৫ অগাস্টের পর রাখাইনে এ নিয়ে ৩৫৪টি গ্রাম আংশিক বা পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে।
এই সময়ে হাজার হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।
সংস্থাটি বলছে, স্যাটেলাইট ছবিগুলো প্রমাণ করছে এই ধ্বংসযজ্ঞ এমন সময়ে চালানো হয়েছে যখন রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছে মিয়ানমার। গেলো ২৩ নভেম্বর ওই সমঝোতা হয়।
কিন্তু ২৫ নভেম্বর রাখাইনের মংডুর কাছে মিয়াও মি চ্যাঙ গ্রামে আগুন আর ঘরবাড়ি ধ্বংসের ছবি তুলেছে স্যাটেলাইট। পরের এক সপ্তাহের মধ্যে চারটি গ্রামে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে।
এইচআরডব্লিউ এর এশিয়া বিষয়ক পরিচালক ব্রাড অ্যাডামস বলছেন, সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের সময়েও রাখাইন গ্রামে বার্মার সেনাবাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞ চালানো থেকে এটাই প্রমাণ হয়, রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার এই প্রতিশ্রুতি স্রেফ একটি প্রচারণা। রোহিঙ্গা গ্রামগুলো ধ্বংসের যেসব অভিযোগ বার্মার সেনাবাহিনী অস্বীকার করে আসছে, সেটাই প্রমাণ করে দিচ্ছে এসব স্যাটেলাইট ছবি।
মিয়ানমারের মংডু, বুথিডাং আর রাথিডাং শহরে আশেপাশের এক হাজার গ্রামের ওপর স্যাটেলাইটের তোলা ছবি বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পেয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। চলতি বছরের আগস্ট মাসের শেষের দিকে রাখাইনে সামরিক অভিযান শুরুর পর এসব গ্রামে ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হয়।
সম্পূর্ণ বা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫৪টি গ্রামের মধ্যে অন্তত ১১৮টি গ্রামে হামলা হয়েছে ৫ সেপ্টেম্বরের পর, যখন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলরের অফিস থেকে ঘোষণা দেয়া হয় যে রাখাইনে অভিযানের সমাপ্তি হয়েছে।
এইচআরডব্লিউ বলছে, আগস্ট থেকে রাখাইনে শুরু করা এই অভিযানের সময় বার্মার সেনাবাহিনী হত্যা, ধর্ষণ, গ্রেপ্তার আর ব্যাপক অগ্নিকাণ্ড চালিয়েছে। জাতিগত নিধনের এই অভিযান মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গেই সমতুল্য বলে মনে করছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে বেসরকারি দাতব্য প্রতিষ্ঠান মেদসঁ সঁ ফ্রঁতিয়ে (এমএসএফ) বলছে, মিয়ানমারে আগস্টে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার পর এক মাসে অন্তত ৬ হাজার সাতশ রোহিঙ্গাকে হত্যা করা হয়েছে। যার মধ্যে পাঁচ অথবা তার চেয়ে কম বয়সের শিশু ছিল ৭৩০ জন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পূর্ব জেরুজালেমে দূতাবাস খুলবে তুরস্ক
জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে ট্রাম্পের ঘোষণার পর এর কড়া প্রতিবাদ জানান এরদোয়ান। চলতি মাসের ৭ তারিখ ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন। এরপর থেকে বিশ্বব্যাপী নিন্দার ঝড় ওঠে।
ইসরায়েল বর্তমানে জেরুজালেম শহরের পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করে, এবং একে তারা অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করে। তবে এরোয়ান কিভাবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবেন তা নিশ্চিত করে বলা হয়নি।
তবে জেরুজালেমে ইতিমধ্যেই তুরস্কের একটি কনস্যুলেট রয়েছে। একথাও মনে করিয়ে দেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।
গত সপ্তাহে মুসলিম দেশগুলোর একটি শীর্ষ বৈঠক থেকে পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
গত ৭ ডিসেম্বর পবিত্র জেরুজালেম শহরকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার একতরফা এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার ক্ষেত্রে তিনি জাতিসংঘ, আরব ও মুসলমান-অধ্যুষিত দেশ, এমনকি মার্কিন মিত্রদের আপত্তি রয়েছে। কিন্তু তিনি নিজের একগুঁয়েমি সিদ্ধান্তেই অনড় থেকেছেন।
এই ঘোষণায় তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফ্রান্স। দেশটির প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ বলেছেন, তার দেশ যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে না। জাতিসংঘ বলেছে, ফিলিস্তিন সংকটে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের কোনো বিকল্প নেই। আর ট্রাম্পের ঘোষণা ‘নরকের দরজা’ খুলে দিল বলে মন্তব্য করেছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। তবে একে ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ বলে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন তাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে এ শহরকে বিবেচনা করে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বের সবচেয়ে দামি বাড়ির মালিক সৌদি যুবরাজ!
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য বিশ্বের সবচেয়ে দামি বাড়ির স্বীকৃতি পাওয়া ফরাসি বাড়িটির মালিক সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। দুই বছর আগে বাড়িটি কিনেছিলেন তিনি। এতোদিন ক্রেতার নাম জানা না গেলেও এক অনুসন্ধানের মধ্য দিয়ে তা বের করা হয়েছে। রবিবার (১৭ ডিসেম্বর) প্রধান শিরোনামের খবরে এমন দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই বছর আগে ফ্রান্সের শেতো লুই কেদভ নামের বাড়িটি ৩০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি দামে বিক্রি হয়েছিল। তখন ফরচুন ম্যাগাজিন একে বিশ্বের সবচেয়ে দামি বাড়ি হিসেবে আখ্যা দেয়। তখন বাড়িটিতে কী আছে তা নিয়ে বিস্তারিত জানা গেলেও এর ক্রেতা কে তা জানা যায়নি। তবে এই সংক্রান্ত নথি বিশ্লেষণের মধ্য দিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমস দাবি করেছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানই এর ক্রেতা। একে সৌদি যুবরাজের অসংযত ক্রয়গুলোর একটি বলে উল্লেখ করেছে নিউ ইয়র্ক টাইমস। ৫০০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের ইয়ট এবং ভিঞ্চির আঁকা ৪৫০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের চিত্রশিল্প ক্রয় নিয়ে সৌদি যুবরাজের বিরুদ্ধে বিতর্ক রয়েছে।
দেশের ভেতরে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চালানোর মধ্য দিয়ে নিজের ভাবমূর্তি স্বচ্ছ করে বিদেশে বিলাসিতা করছেন বলে উল্লেখ করেছে নিউ ইয়র্ক টাইমস।
ব্রুস ও রিয়েডেল নামের সাবেক এক সিআইএ বিশ্লেষক ও লেখকও তেমনটাই মনে করছেন। তিনি বলেন, ‘তিনি (সৌদি যুবরাজ) নিজের ভাবমূর্তি গড়ার চেষ্টা করেছেন, নিজেকে ভিন্ন ধারার বলে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন যে তিনি একজন সংস্কারবাদী। অন্তত নিজেকে সমাজ সংস্কারক হিসেবে দেখানোর প্রচেষ্টা ছিল তার। বোঝাতে চেয়েছিলেন তিনি দুর্নীতিবাজ নন। আর সেই ভাবমূর্তির ক্ষেত্রে ব্যাপক দোলা দেবে এই ঘটনা।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, শেতো লুই কেদভ বাড়িটির মালিকানা সতর্কভাবে ফ্রান্স ও লুক্সেমবার্গের শেল কোম্পানির নামের আড়ালে রাখা হয়েছিল। ওই কোম্পানিগুলোর মালিক সৌদি এইট ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি। মোহাম্মদ বিন সালমানের ব্যক্তিগত ফাউন্ডেশনের প্রধান এই সৌদি ফার্মটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছেন। নিউ ইয়র্ক টাইমসের দাবি, রাজ পরিবারের উপদেষ্টারা বলেছেন শেতো লুই এর চূড়ান্ত মালিকানা মোহাম্মদ বিন সালমানের।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বের শীর্ষ ১০ ছবির দুটি বাংলাদেশের
উইকিপিডিয়া আয়োজিত সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে ছবি তোলার প্রতিযোগিতা ‘উইকি লাভস মনুমেন্টসের(ডব্লিউএলএম)’ বিজয়ী তালিকার শীর্ষ দশে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের দুটি ছবি।
চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী, বাংলাদেশের আজিম খান রনির তোলা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে জুমার নামাজ আদায়ের একটি ছবি তৃতীয় এবং জুবায়ের বিন ইকবালের তোলা বায়তুল মোকাররমের ভেতরের একটি ছবি সপ্তম হয়েছে।
তৃতীয় স্থান অর্জনকারী পুরস্কার হিসেবে এক হাজার ২০০ ইউরো সমমূল্যের এবং সপ্তম স্থান অর্জনকারী ৪০০ ইউরো সমমূল্যের ক্যামেরা-সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি পাবেন। এবার ভারতের পি খারোতের ছবি প্রথম এবং থাইল্যান্ডের আলোকচিত্রী বেরির ছবি দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।
গত বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিযোগিতার ফল প্রকাশিত হয়েছে।

এই প্রতিযোগিতায় ৫৬টি দেশের ১০ হাজার অংশগ্রহণকারী ২,৪৫,০০০ ছবি আপলোড করেন। দ্বিতীয়বারের মতো এতে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ।
এবার প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ পর্বে ১১৯জন অংশগ্রহণকারী প্রায় ৩০০০ হাজার ছবি আপলোড করেন। সেখান থেকে বিজয়ী সেরা ১০টি ছবি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য পাঠানো হয়।
২০১০ সালে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতায় এ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের স্থাপনার ১৬ লাখের বেশি ছবি যুক্ত হয়েছে। গিনেজ বুকের রেকর্ড অনুযায়ী, এটিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডায়বেটিস রোগীদের ডিজিটাল নিবন্ধন শুরু
বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানি নভো নরডিস্কের সহযোগিতায় রোগীদের ডিজিটাল নিবন্ধনের কাজটি সম্পন্ন করবে ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।
এই প্রক্রিয়া সম্পাদন করতে রোববার ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক একে আজাদ খান ও নভো নরডিস্কে’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফ্রেডরিক কিয়ার এক চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। ঢাকা ক্লাবে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অধ্যাপক আজাদ খান বলেন, ‘বাংলাদেশে ডায়াবেটিস রোগীর সঠিক কোনো সংখ্যা বা এ সংক্রান্ত জরিপের উদ্যোগ এখন পর্যন্ত নেয়া হয়নি। দেশজুড়ে এই নিবন্ধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রোগীর সংখ্যাই শুধু নয়, একটা সঠিক চিত্র পাওয়া যাবে। ডিজিটাল নিবন্ধনের ফলে দেশে বসবাসকারী রোগীদের রক্তে গ্লু-কোজের মাত্রা, তিন মাসের গ্লু-কোজের গড় হিসাব (এইচবিএওয়ানসি) জানা যাবে। একইসঙ্গে রোগ সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যার সহজে সমাধান করা সম্ভব হবে।
এ সময় বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালনকারী প্রতিষ্ঠান নভো নরডিস্কের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফ্রেডরিক কিয়ার বলেন, ‘ডায়াবেটিস প্রতিরোধের জন্য এর গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা থাকা খুব জরুরি। পুরো পৃথিবীতে এই রোগ যাতে মহামারী আকার ধারণ করতে না পারে তার পেছনে ৯০ বছরের ও বেশি সময় ধরে কাজ করছে নভো নরডিস্ক।’
প্রসঙ্গত, এরই মধ্যে এসডিজি অর্জনের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে জাতিসংঘ অন্যান্য অসংক্রামক রোগের মধ্যে ডায়াবেটিসকে স্বীকৃতি দিয়েছে। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের তথ্য মতে, বাংলাদেশে এখন প্রায় ৬ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডায়াবেটিস রোগীর বসবাস। ২০৪৫ সাল নাগাদ এ সংখ্যা ১৩ দশমিক ৭ মিলিয়ন হবে। বাংলাদেশে শুধুমাত্র ২০১৭ সালেই ৯৭ হাজার ৬৪১ জনের মৃত্যুর কারণ ডায়াবেটিস।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতি’র ভোটগ্রহন চলছে
সোমবার সকাল ১০ টা থেকে ভোটগ্রহন শুরু হয়। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এর পর নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

এবার ৮ম দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে ২১টি পদে নির্বাচন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে অর্থ সম্পাদকের পদটি বিনা প্রতিদন্ধিতায় নির্বাচিত হয়। ফলে ২০টি পদে ভোটগ্রহন চলছে। মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৩৫৯। উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পর্যাপ্ত পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিত রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তাদের কি বিবেক বলে কিছু নেই

গতকাল আওয়ামী লীগ আয়োজিত বুদ্ধিজীবী হত্যা ও বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা এ দেশের স্বাধীনতা চায়নি, যারা যুদ্ধাপরাধী তাদের বিচার জাতির পিতা শুরু করেছিলেন। ওই সময় অনেকেই সাজাপ্রাপ্ত ছিল। যারা যুদ্ধাপরাধ করেছিল, তাদের জন্য রাজনীতি করার সুযোগ ছিল না, তাদের ভোটের অধিকার ছিল না। কিন্তু জাতির পিতাকে হত্যার পর সাজাপ্রাপ্ত সব আসামিকে মুক্তি দেয়া হয়। তাদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয়া হয়। যারা পাকিস্তানের পাসপোর্ট নিয়ে পাকিস্তানে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিল, তাদের ফিরিয়ে আনা হয়। রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনী যারা তৈরি করেছিল, যারা দেশকে ধ্বংস করেছে, যারা গণহত্যা চালিয়েছে, তাদেরই কেউ কেউ হয় উপদেষ্টা, কেউ কেউ হয় মন্ত্রী। তিনি আরো বলেন, আমাদের কী দুর্ভাগ্য, যারা দেশের জন্য রক্ত দিলো, যারা নিজেদের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করলো, তারা হয়ে গেল অপরাধী। আর যারা দেশকে ধ্বংস করলো, যারা ধর্ষণ করলো, নির্যাতন করলো, লুটপাট করলো, তারাই হয়ে গেল মন্ত্রী। সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন ছিল সাধারণ এক মেজর। জাতির পিতা তাকে পদোন্নতি দিয়ে মেজর জেনারেল বানালেন। সেই বেইমান, মুনাফেক জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুকেই হত্যার সঙ্গে জড়িয়ে পড়লো। সে ইনডেমনিটি জারি করলো। যারা খুনি, তাদের দূতাবাসের চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করা হলো। জাতির পিতার হত্যাকারীরাই হয়ে গেল বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের কর্মকর্তা। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন জিয়াউর রহমান, এরশাদ সবাই যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন করেছে। খালেদা এসে আরো একধাপ ওপরে নিয়ে গেল। যুদ্ধাপরাধী, খুনিদের হাতে তুলে দিলো লাখো শহীদের রক্তে রাঙানো পতাকা। তারা হয়ে গেল মন্ত্রী। যাদের বিরুদ্ধে ফাঁসির হুকুম হয়েছে, যাদের ফাঁসি কার্যকর করেছে, তাদেরই মন্ত্রী করা হলো। যারা স্বাধীন দেশে বিশ্বাস করে, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে, তারা কী করে মেনে নিতে পারেন যে ফাঁসির হুকুম পাওয়া যুদ্ধাপরাধীরা মন্ত্রী হবে? প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, এই দেশের আর্থসামাজিক উন্নতি যারা চায়, যারা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন চায়, ক্ষুধামুক্ত-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ চায়, যারা চায় দেশের মানুষ লেখাপড়া শিখবে, ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরি হবে, বিজয় দিবস ও শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে তাদের প্রতি বলতে চাই, ‘আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় থাকে, দেশের উন্নতি হয়। জাতির পিতার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ আমাদের মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার দিয়েছে। জাতির পিতার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ স্বাধীনতা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ এখন বিশ্বের বুকে উন্নয়নের রোল মডেল। যারা সৃষ্টি করে, ত্যাগ স্বীকার করে, তাদের যে দরদ-আন্তরিকতা থাকে, উড়ে এসে জুড়ে বসা মানুষের তা থাকে না। তাদের লক্ষ্য থাকে ভোগ বিলাস, দেশের অর্থ বিদেশে পাচার। তাদের পক্ষে কেউ থাকবে না। যারা দেশের বিরোধী, যারা আগুনে পুড়িয়ে মানুষকে হত্যা করেছে, তাদের বাংলাদেশের মানুষ ভোট দেবে না। তারা কখনও ক্ষমতায় আসতে পারবে না। বিজয় দিবসে দেশের তরুণদের উচ্ছ্বাস-উৎসাহের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশ স্বাধীন করেছি, এখন আমাদের নেতৃত্বেই দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি খুব খুশি হয়েছি যে এ বছর বিজয় দিবস ব্যাপকভাবে পালন করা হচ্ছে। আপামর জনগণ, বিশেষ করে তরুণ সমাজ, শিশু, যুবক থেকে শুরু করে সব ধরনের মানুষ যে উৎসাহ নিয়ে এই দিনটিকে পালন করেছে, তারা যেভাবে স্বাধীনতার চেতনাকে তুলে ধরেছে, তারা যেভাবে নতুনভাবে জাগ্রত হয়েছে, আমি তাদের মধ্যে আশার আলো দেখি। তাদের হাত ধরেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। উন্নত হবে। আগামী দিনের প্রত্যয়ের কথা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে বিশ্বের ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। অথচ এই ভাষণ একটা সময় নিষিদ্ধ করে দিয়েছিল। কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে জনগণ এখন মাথা উঁচু করে চলছে, চলবে। সেটাই এই বিজয় দিবসের প্রতিজ্ঞা। আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলব। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারাও বক্তব্য রাখেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1390)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
-
▼
2017
(8870)
-
▼
December
(1121)
-
▼
Dec 18
(21)
- একাত্তর: আগে-পরে, ২- তারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসটাকে...
- যেভাবে উগ্রপন্থায় দীক্ষিত হয় আকায়েদ
- জেরুজালেমকে ইসলায়েলের রাজধানীর ঘোষণার প্রতিবাদে ট্...
- গর্ভবতী রোহিঙ্গা নারীদের জীবন বাঁচালেন যে ধাত্রীরা
- নতুন বছরে ৩৫ কোটি ৪২ লাখ নতুন পাঠ্যবই
- কুলখানিতে নিহত প্রত্যেক পরিবারকে ১ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ
- অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে এই দুর্ঘটনা : সিএমপি কমিশনার
- টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতি’র ভোটগ্রহন সম্পন্ন , চলছে...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা এলএমজি তাহের সংবর্ধিত
- মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে পদদলিত হয়ে নিহত ১০
- পরিত্যক্ত ঘরে দুঃসহ জীবন মুক্তিযোদ্ধা আলী মাস্টারে...
- স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় মেটাতে দারিদ্র্যসীমার নিচে ৫ শ...
- সৌদিই ব্যতিক্রম by রোকনুজ্জামান পিয়াস
- মহিউদ্দিনের কুলখানিতে ৮০ হাজার মানুষের মেজবান
- দুই মাসে ৪০টি গ্রাম পুড়িয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিন...
- পূর্ব জেরুজালেমে দূতাবাস খুলবে তুরস্ক
- বিশ্বের সবচেয়ে দামি বাড়ির মালিক সৌদি যুবরাজ!
- বিশ্বের শীর্ষ ১০ ছবির দুটি বাংলাদেশের
- ডায়বেটিস রোগীদের ডিজিটাল নিবন্ধন শুরু
- টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতি’র ভোটগ্রহন চলছে
- তাদের কি বিবেক বলে কিছু নেই
-
▼
Dec 18
(21)
-
▼
December
(1121)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
















