Monday, August 31, 2026
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ইসরায়েলের নিহত সেনার সংখ্যা ১ হাজারের বেশি: তেহরান
সাম্প্রতিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত নিয়ে ডেফা প্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন শেকারচি।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী মূলত মুসলিম দেশগুলোর সম্পদ লুট করার জন্য গড়ে ওঠা একটি হলিউড ও প্রচারণানির্ভর বাহিনী। ইরানের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক শক্তির দুর্বলতা উন্মোচন করা।
শেকারচি বলেন, এর ফলে বিশ্ববাসী দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মনোবল ভেঙে পড়ার বিষয়টি দেখতে পেয়েছে। এমনকি যেসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেসব দেশের অনেকেই ওয়াশিংটনের ওপর আস্থা হারিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নিজেদের নিরাপত্তার জন্য নির্ভর করে, তারা এখন বুঝতে পারছে নিজেকেই রক্ষা করতে অক্ষম যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদেরও সুরক্ষা দিতে পারবে না।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে শেকারচি বলেন, বিভিন্ন প্রমাণ ও আলামতের ভিত্তিতে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের শতাধিক সামরিক সদস্য নিহত এবং কয়েক হাজার আহত হয়েছেন।
একইভাবে ইসরায়েলের সামরিক ক্ষয়ক্ষতি তুলে ধরে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনে ১ হাজারের বেশি ইসরায়েলি সেনা নিহত এবং কয়েক হাজার আহত হয়েছেন।
তবে এসব দাবির পক্ষে তিনি বিস্তারিত কোনো প্রমাণ দেননি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল প্রকৃত সামরিক হতাহতের সংখ্যা গোপন করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
উদাহরণ হিসেবে আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধে মার্কিন সেনাদের মৃত্যুর তথ্য অনেক বছর পর প্রকাশ করা হয়েছিল বলে দাবি করেন শেকারচি।
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেন ইরানের এই সামরিক মুখপাত্র।
তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট, তার সমর্থক ও মিত্ররা এখন অশুভ ও পাপের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। হরমুজ প্রণালিকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করার যেকোনো প্রচেষ্টা ইরান মেনে নেবে না।
শেকারচি বলেন, হরমুজ প্রণালি তাদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে তারা কেবল এমন স্বপ্নই দেখতে পারে। তবে তা কখনোই বাস্তবে রূপ নেবে না। ইরান পশ্চিম এশিয়া থেকে মার্কিন বাহিনীকে সরিয়ে দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও জানান তিনি।
এ সময় ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, মিনাবের শাজারেহ তাইয়্যেবেহ স্কুলে নিহত শিক্ষার্থী, লার শহরের নিহত ব্যক্তিসহ সংঘাতে নিহত সব নিরপরাধ ইরানির মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দেন শেকারচি। তিনি বলেন, প্রতিশোধ নিতে কিছুটা সময় কম-বেশি হতে পারে, তবে তা অবশ্যই নেওয়া হবে।
সূত্র : তাসনিম নিউজ এজেন্সি
![]() |
| এক ইসরায়েলি সৈন্য কামানের নলের ওপর মাথা রেখে দাঁড়িয়ে আছেন। ছবি: গেটি ইমেজেস |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা মানুষ, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪৪৯
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত ৪৮ ঘণ্টায় গাজায় আরও ৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন ১৮ জন। ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও কয়েকজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান ইসরাইলি হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ৪৪৯ এবং আহতের সংখ্যা ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৭২ জনে পৌঁছেছে।
গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও হামলা ও হতাহতের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইসরাইলি হামলা ও অন্যান্য লঙ্ঘনের ঘটনায় ১ হাজার ৩১৩ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৪ হাজার ৩৬১ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে ফিলিস্তিনি সেন্টার ফর মিসিং অ্যান্ড ফরসিবলি ডিসঅ্যাপিয়ার্ডের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, গাজায় যুদ্ধ চলাকালে প্রায় ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার মানুষ জোরপূর্বক নিখোঁজ হয়ে থাকতে পারেন। গবেষণাটি ৩১৭টি ঘটনার নমুনা বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এই হিসাব দিয়েছে।
এ ছাড়া ধ্বংস হওয়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো বহু মানুষ চাপা পড়ে থাকতে রয়েছে। ফলে গাজায় নিহতের প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসাবে প্রকাশিত সংখ্যার চেয়েও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে গাজার আবাসিক এলাকা, হাসপাতাল, অবকাঠামো ও অন্যান্য বেসামরিক স্থাপনা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও সাম্প্রতিক দিনগুলোতেও গাজায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।
সূত্র: রয়টার্স, ডেইলি সাবাহ, ইমপ্যাক্ট ইন্টারন্যাশনাল, নিউজকর্ড ও ইয়েনি শাফাক

About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিশু ও নারীদের লাশও আটকে রেখেছে ইসরাইল, মানবিক সংকটে বিপর্যস্ত ফিলিস্তিন
ফিলিস্তিনি সংগঠন ‘ন্যাশনাল ক্যাম্পেইন ফর দ্য রিট্রিভাল অব মার্টার্স বডিজ অ্যান্ড ডিসক্লোজার অব দ্য ফেট অব দ্য মিসিং’ জানিয়েছে, ইসরাইলের কাছে আটক ৭৯৯ ফিলিস্তিনির নাম তারা নথিভুক্ত করেছে। এর মধ্যে ২৫৬ জনকে ‘নম্বরের কবর’ নামে পরিচিত সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। আটক লাশগুলোর মধ্যে ৮১ শিশু ও ১০ নারীও রয়েছেন।
ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলের এসব গোপন সামরিক কবরস্থানকে ‘নম্বরের কবর’ বলে থাকে। সেখানে মরদেহের নাম প্রকাশ না করে কবরের ওপর একটি নম্বর দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট তথ্য একটি নথিতে সংরক্ষণ করা থাকে। এসব কবরস্থান সাধারণত সামরিক নিয়ন্ত্রিত এলাকায় হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা সেখানে যেতে পারেন না। ফলে বহু পরিবার বছরের পর বছর স্বজনের কবরের অবস্থান বা মৃত্যুর প্রকৃত তথ্য জানতে পারে না।
ফিলিস্তিনিদের লাশ আটকে রাখার ঘটনা নতুন নয়। ২০১৫ সালের পর ইসরাইল এ নীতি আরও বিস্তৃত করে। ২০১৭ সালে দেশটির নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা আলোচনায় ব্যবহারের সম্ভাবনা রেখে কিছু মরদেহ আটকে রাখার অনুমোদন দেয়। ২০১৯ সালে ইসরাইলের সুপ্রিম কোর্টও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আলোচনার অংশ হিসেবে মরদেহ আটকে রাখার অনুমতি দেয়। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে এ নীতির সমালোচনা করে আসছে।
এদিকে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সংকট আরও বড় হয়েছে। ফিলিস্তিনি সংগঠনটির হিসাবে, ২০২৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইসরাইল গাজায় ৯৩০টি মরদেহ ফেরত দিয়েছে। এর সঙ্গে মানবদেহের দেহাবশেষ ভর্তি ৬৬টি বাক্সও ফেরত দেওয়া হয়। তবে এসব মরদেহ শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। পর্যাপ্ত ডিএনএ পরীক্ষার সরঞ্জাম না থাকায় পরিবারগুলোর দেওয়া তথ্য ও প্রচলিত পদ্ধতিতে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচেও হাজারো মরদেহ আটকে রয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য তথ্য ইউনিটের পরিচালক জাহের আল-ওয়াহিদি ২০ আগস্ট জানিয়েছেন, প্রায় ৭ হাজার ৪০০ মরদেহ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে পড়ে আছে। উদ্ধারকারী দল অনেক এলাকায় পৌঁছাতে পারছে না।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইলি হামলায় গাজায় ৭৩ হাজার ৪০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪০০-এর বেশি আহত হয়েছেন। ফলে নিহতদের পরিচয় শনাক্ত ও মরদেহ উদ্ধার করা এখন বড় মানবিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী, যুদ্ধে নিহত ব্যক্তিদের লাশ ও কবরের প্রতি সম্মান দেখানো এবং পরিস্থিতি সম্ভব হলে মরদেহ পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। জেনেভা কনভেনশনের অতিরিক্ত প্রটোকল-১-এর ৩৪ নম্বর ধারাতেও এ বিষয়ে বিধান রয়েছে।
সূত্র: ডেইলি সাবাহ

About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খার্গ দ্বীপ কি ‘ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে’, যা জানাল রয়টার্স
রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক লাইনের একটি পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘খার্গ দ্বীপ ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে।’ পোস্টের সঙ্গে বিস্ফোরণের একটি ভিডিওও দেন তিনি। তবে হামলার বিষয়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি ট্রাম্প।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ভিডিওটি পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এটি সম্ভবত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি। এআই-নির্মিত ছবি শনাক্ত করার একটি সফটওয়্যারও ভিডিওটিকে কৃত্রিমভাবে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে জানিয়েছে।
হোয়াইট হাউস ও মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরও ট্রাম্পের দাবির বিষয়ে রয়টার্সের প্রশ্নের তাৎক্ষণিক কোনো জবাব দেয়নি। ইরানের গণমাধ্যম থেকেও ট্রাম্পের ওই বক্তব্যের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
যুদ্ধ শুরুর আগে ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি খার্গ দ্বীপের ওপর নির্ভরশীল ছিল। ফলে যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিই দ্বীপটিতে হামলা চালিয়ে থাকে, তাহলে ইরানের তেল রপ্তানি ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
এর আগে হরমুজ প্রণালির লারাক দ্বীপে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণস্থলে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। খার্গ দ্বীপ থেকে লারাকের দূরত্ব প্রায় ৬৬০ কিলোমিটার।
ইরানের গণমাধ্যমের দাবি, লারাকে মার্কিন হামলার জবাবে ইরান জর্ডানে থাকা দুটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।
এর মধ্য দিয়ে কয়েক সপ্তাহের তুলনামূলক শান্ত অবস্থার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আবারও সরাসরি সামরিক উত্তেজনা শুরু হয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহে ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক পদক্ষেপের বদলে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর দিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিল।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে প্রতি সপ্তাহে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে। শুরুতে ইরানের সঙ্গে লেনদেন করা ব্যাংকগুলোকে লক্ষ্য করা হবে।
বেসেন্ট বলেন, ইরানের অর্থ রাখা বা দেশটির সরকারকে সহায়তা করা ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে কোনো প্রতিষ্ঠানকে পুরোপুরি ডলারভিত্তিক আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হতে পারে।
তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহগুলোতে এ ধরনের আরও অনেক নিষেধাজ্ঞা দেখা যেতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স
![]() |
| খার্গ দ্বীপের স্যাটেলাইট চিত্র। ছবি: রয়টার্স থেকে |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘সর্প’ নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়েছেন: আরাগচি
সোমবার (৩২ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আরাগচি বলেন, নেতানিয়াহু হিব্রু ভাষায় প্রকাশ্যেই গর্ব করে বলছেন যে, ইসরায়েলের স্বার্থে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে তিনি বোকা বানিয়ে জড়িয়েছেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন টেলিভিশন নেটওয়ার্কে প্রায় এক হাজার ঘণ্টা সম্প্রচারের মাধ্যমে মার্কিন জনমত ও প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তারের বিষয়টিও হাসতে হাসতে স্বীকার করেছেন।
আরাগচি লেখেন, ‘হিব্রু ভাষায় নেতানিয়াহু প্রকাশ্যেই গর্ব করে বলছেন, ইসরায়েলের হয়ে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনকে তিনি ফাঁদে ফেলেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘নেতানিয়াহু স্পষ্টভাবে হাসতে হাসতে বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নেটওয়ার্কগুলোতে এক হাজার ঘণ্টা সম্প্রচারের মাধ্যমে তিনি আমেরিকাকে প্রভাবিত করেছেন।’
এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশংসা করে নেতানিয়াহুর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে আরাগচি লেখেন, ‘ইংরেজিতে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। সর্প।’
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘অপরাধী শাসকরা’ শুধু ইরানের জনগণের শত্রু নয়, তারা পুরো মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধেই অবস্থান নিয়েছে বলে মন্তব্য করেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। একই সঙ্গে পশ্চিম এশিয়া ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের মুসলিম দেশগুলোর শাসকদের নিজেদের ‘প্রকৃত শত্রু’ চিহ্নিত করে তাদের ষড়যন্ত্র মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
এক বার্তায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, মুসলিম উম্মাহর সমস্যার সমাধান নিহিত রয়েছে অভিন্ন লক্ষ্য, পারস্পরিক বন্ধুত্ব, কল্যাণ, ন্যায়বিচার ও সহযোগিতার মধ্যে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপরাধী শাসক’ এবং ‘অবৈধ ইহুদিবাদী শাসক’ মুসলিমদের এই ঐক্য ও বন্ধুত্বের ঘোর বিরোধী।
তিনি বলেন, ‘তারা শুধু ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান, ইরানি জনগণ কিংবা বৃহত্তর ইসলামি প্রতিরোধের শত্রু নয়; তারা পশ্চিম এশিয়া ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোসহ পুরো মুসলিম উম্মাহর বিরোধী।’
সূত্র : দ্য টাইমস অব ইসরায়েল
![]() |
| আব্বাস আরাগচি ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সন্তান হারানো ফিলিস্তিনি মায়েদের থমকে গেছে জীবন, বেড়েছে শিশু হত্যার হার
বি’তসেলেমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বাহিনীর হাতে নিহত ২৩৫ শিশু-কিশোরের মধ্যে পাঁচজন ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় নিহত হয়েছে। ২০০৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ১৭ বছরে প্রতি মাসে গড়ে একজন ফিলিস্তিনি শিশু বা কিশোর ইসরাইলি বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর সেই হার বেড়ে মাসে প্রায় সাতজনে দাঁড়িয়েছে।
সন্তান হারানো ১২ জন ফিলিস্তিনি মা জানিয়েছেন, সন্তান হারানোর পর তাঁদের পারিবারিক জীবন থমকে গেছে। একই সঙ্গে এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য জবাবদিহির অভাব নিয়েও তাঁরা অভিযোগ করেছেন।
পশ্চিম তীরের আল-রিহিয়া গ্রামের ৯ বছর বয়সী মোহাম্মদ আল-হাল্লাকের ঘটনা খুবই মর্মান্তিক। গত বছরের অক্টোবরে ইসরাইলি সেনাদের টহলের সময় গুলিতে শিশুটি নিহত হয়। তার পরিবারের ভাষ্য, সেনাদের কাছ থেকে দৌড়ে পালানোর সময় গুলিতে সে আহত হয়। তবে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী বলেছে, পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজনদের দিকে সেনারা গুলি চালিয়েছিল এবং তাতে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত লাগে।
কিশোরদের অনেকেই ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে ফিলিস্তিনি তরুণদের সংঘর্ষের সময় নিহত হয়। বিশেষ করে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় ইসরাইলি সেনারা গুলি চালানোর ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের শুরুতে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বাহিনীর কমান্ডার মেজর জেনারেল আভি ব্লুথ জানিয়েছিলেন, ২০২৫ সালে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় ৪২ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে সেনাবাহিনী। তবে নিহতদের মধ্যে কতজন অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন, তা তিনি জানাননি।
তবে সব ঘটনা সংঘর্ষের সঙ্গে যুক্ত নয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। কয়েকটি ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেছেন, ইসরাইলি সেনারা নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে এবং ঘটনাস্থলে থাকা শিশুরাও এতে নিহত হয়েছে।
এমন একটি ঘটনায় চলতি বছরের জুনে হেবরনে ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে সাত মাস বয়সী সাম আবু হাইকাল নিহত হয়। তার মা দানিয়া আবু হাইকালও গুলিতে আহত হন। তিনি জানান, সন্তানকে কোলে নিয়ে গাড়িতে থাকা অবস্থায় সেনারা গুলি চালায়।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী প্রাথমিক তদন্তের পর দাবি করে, সেনাদের দিকে গাড়িটি এগিয়ে আসায় এক সেনা ‘বেসামরিক ব্যক্তিদের’ লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল। তবে শিশুটির মা এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, গুলি চালানোর আগে তাঁর স্বামী গাড়ি থামিয়ে দিয়েছিলেন।
সন্তান হারানো পরিবারগুলো এসব ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও বিচার দাবি করছে। নিহত শিশুদের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করছেন, ইসরাইলি বাহিনীর হাতে ফিলিস্তিনিদের নিহত হওয়ার ঘটনায় যথাযথ বিচার পাওয়া কঠিন।
বি’তসেলেমের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ইসরাইলি বাহিনীর হাতে নিহত ৫৪ ফিলিস্তিনি শিশু ও কিশোরের মধ্যে সবচেয়ে ছোটটির বয়স ছিল মাত্র দুই বছর। নিহতদের অধিকাংশের বয়স ছিল ১৪ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে।
ফিলিস্তিনি শিশুদের ওপর সহিংসতা নিয়ে নতুন এসব তথ্য পশ্চিম তীরে চলমান সংঘাত ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও কিশোরদের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে এবং এসব ঘটনার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মহলের চাপ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।
সূত্র: এএফপি ও ডেইলি সাবাহ

About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গারো উপকথা: চন্দ্র কেন কম আলো দেয় by সালেক খোকন
এত তাপে মানুষ চলাফেরা করতে পারত না। অন্যান্য প্রাণী ও গাছপালাদের জীবনও যায় যায়।
সূর্যের তাপ থেকে নিজেদের বাঁচাতে সবাই ছুটে গেল সূর্যের বোন চন্দ্রের কাছে। সবার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনল সে। এরপর চন্দ্র এক বুদ্ধি আঁটল।
কী সেই বুদ্ধি?
চন্দ্র জানত তার ভাই সূর্য কী কী খেতে পছন্দ করে। একদিন সে খরগোশের মাংস রান্না করে সূর্যকে দাওয়াত করে।
সূর্য আদরের বোন চন্দ্রের বাড়িতে এসে উপস্থিত হয়।
ছোট বোন ভাইকে যত্ন করে খরগোশের মাংস খাওয়াল।
তা খেয়ে সূর্য তো আত্মহারা।
এমন সুস্বাদু মাংস সে আর কখনোই খায়নি। সূর্য ভাবতে থাকল, এটা কিসের মাংস? কিন্তু বোন থেকে কীভাবে সে জানবে এর উত্তর!
বোনকে সে আড়ালে ডেকে নিল। এরপর জিজ্ঞাসা করল, ‘চন্দ্র, তোমার রান্নার তুলনা হয় না। কিন্তু এমন মজাদার মাংস আমি কখনো খাইনি। এটা কিসের মাংস?’
চন্দ্র ভাই সূর্যকে উত্তরে বলে, ‘তুমি হয়তো বিশ্বাস করবে না, এ আমারই সন্তানদের মাংস।’
খানিক গম্ভীর হয়ে সে সূর্যকে আরও বলে, ‘তোমার সন্তানদের মাংস এর চেয়েও সুস্বাদু হবে। তুমিও আমার মতো তাদের মাংস খেয়ে দেখতে পারো।’
প্রিয় বোন চন্দ্রের কথাগুলো সূর্যের মনে গেঁথে গেল। সূর্য বাড়ি ফিরেই বোনের কথায় একে একে সব সন্তানকে রান্না করে খেয়ে ফেলল।
সূর্যের সন্তানেরা না থাকায় পৃথিবীতে তাপ গেল কমে।
এভাবে চন্দ্রের বুদ্ধিতে রক্ষা পেল গোটা পৃথিবী।
আনন্দে কাটতে থাকল মানুষ ও অন্য প্রাণীদের জীবন।
কিন্তু পালিয়ে গিয়ে বেঁচে রইল একটি তারা। তার নাম—‘শুকতারা’।
আজও সে আকাশে জ্বলজ্বল করে।
গারো বা মান্দি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীরা মনে করে, চন্দ্র ও সূর্য ভাই-বোন।
কিন্তু চন্দ্র কেন কম আলো দেয়?
চন্দ্র ছিল খুবই সুন্দরী। ভাই সূর্য থেকে অনেক বেশি উজ্জ্বলও। তার দিকে কেউ তাকাতেও পারত না। কে বেশি সুন্দর, এ নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হতো। একজন আরেকজনের পেছনে লেগেই থাকত।
সূর্য বোন চন্দ্রের রূপ–লাবণ্যে হিংসা করতে থাকে। ফলে দুই ভাই–বোনে ঝগড়া চলত নিত্যদিন।
তাদের মা দুজনকেই থামাতেন। রাগ হতেন। ঝগড়া নয়, ভাই-বোনকে মিলেমিশে থাকতে বলতেন।
একদিন ঘটল এক ঘটনা।
চন্দ্র-সূর্যকে বাড়িতে রেখে জরুরি কাজে মা গেলেন বাইরে। সে সুযোগে ভাই–বোনে শুরু হয় তুমুল ঝগড়া। সে ঝগড়া এক সময় রূপ নেয় হাতাহাতিতে। প্রচণ্ড ক্ষেপে যায় সূর্য। মুঠিভরা কাদা নিয়ে সে বোন চন্দ্রের মুখে তা লেপ্টে দেয়।
বোনও হয় উত্তেজিত।
ভাই সূর্যকে শায়েস্তা করতে হবে।
তাই মুখের কাদা না ধুয়ে মাকে দেখাতে হবে। সে ওই অবস্থাতেই মায়ের অপেক্ষায় থাকে। বাড়িতে পা রেখেই মা বুঝে যান সবকিছু।
চন্দ্রের কাদামাখা মুখ দেখে তিনি অবাকও হন।
চন্দ্র মুখ দেখিয়ে ভাই সূর্যের বিরুদ্ধে মায়ের কাছে নালিশ দেয়।
কিন্তু মা চন্দ্রের মনোভাব বুঝতে পারেন।
সব শুনে মা চন্দ্রের প্রতি সদয় হন না।
বরং তার এমন আচরণে রাগান্বিত হন। মিলেমিশে না থাকায় মা ক্ষেপে যান।
তিনি মেয়ে চন্দ্রকে বলেন, চিরদিনই তোমার মুখ যেন এমনি কর্দমাক্ত থাকে।
মান্দি বা গারোরা বিশ্বাস করে, সে থেকেই চন্দ্রের মুখে কলঙ্ক লাগে এবং সূর্যের চেয়ে কম আলোর অধিকারিণী হয়।
![]() |
| অলংকরণ: আরাফাত করিম |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে পাঁচ ধাপে বয়স অতিক্রম করে মস্তিষ্ক
মানুষের মস্তিষ্কের বয়স মূলত পাঁচটি ধাপে ভাগ করা যায়। যেগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসে শৈশব থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, মস্তিষ্কের বয়সের এই ধাপগুলো হলো- শৈশবকাল, কৈশোর, প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থা, বার্ধক্যের শুরু এবং বার্ধক্যের শেষ।
শৈশবকাল (জন্ম থেকে ৯ বছর): এ সময়ে মস্তিষ্ক দ্রুত বৃদ্ধি পায়, তবে মস্তিষ্কের কোষগুলোর মধ্যে অতিরিক্ত সংযোগ ধীরে ধীরে কমতে থাকে। এই সময়ের মস্তিষ্ক কাজ করে এক শিশু হিসেবে, যা অগোছালোভাবে কাজ করার মতো।
কৈশোর (৯ থেকে ৩২ বছর): এই পর্যায়ে মস্তিষ্কের কোষগুলোর সংযোগ আরও দক্ষ ও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। তবে, এই সময়ের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বেশি থাকে। নতুন গবেষণা থেকে জানা গেছে যে, মস্তিষ্কের কৈশোর শেষ হয়ে যায় ১৮-১৯ বছর বয়সে, তবে তা প্রকৃতপক্ষে ৩০ বছর বয়স পর্যন্তও স্থায়ী হতে পারে।
প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থা (৩২ থেকে ৬৬ বছর): এই সময়কালে মস্তিষ্কের পরিবর্তন কম হয়ে যায় এবং এটি বুদ্ধিমত্তা ও ব্যক্তিত্বের এক স্থিতিশীল অবস্থানে পৌঁছে যায়। এই ধাপটি দীর্ঘস্থায়ী- ৩২ থেকে ৬৬ বছর বয়স পর্যন্ত।
বার্ধক্যের শুরু (৬৬ থেকে ৮৩ বছর): এই পর্যায়ে মস্তিষ্কের সক্ষমতা কমতে শুরু না করলেও, মস্তিষ্কের কোষের সংযোগের ধরনে পরিবর্তন আসে। মস্তিষ্কের অংশগুলো একত্রে কাজ না করে, আলাদা আলাদা ভাগে বিভক্ত হয়ে কাজ করতে থাকে। ডিমেনশিয়া ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে।
বার্ধক্যের শেষ (৮৩ বছরের পর): এই সময় মস্তিষ্কে আরও স্পষ্ট পরিবর্তন ঘটে, যা আগের পরিবর্তনের মতোই তবে অনেক বেশি দৃশ্যমান হয়। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে যায়, এবং বিভিন্ন মানসিক ও শারীরিক সমস্যা বৃদ্ধি পায়।
গবেষকরা বলছেন, এই তথ্যগুলি আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। মস্তিষ্কের বয়সের বিভিন্ন ধাপের পরিবর্তনগুলো মানুষের জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে স্বাস্থ্যগত সমস্যা তৈরি করতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে মাতৃত্ব, পিতৃত্ব এবং বয়স্ক অবস্থায় শারীরিক সমস্যার বৃদ্ধি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হিমালয়ের উজান-ভাটির রাজনীতি
পানির প্রবাহ, স্যাটেলাইট তথ্য আদান-প্রদান এবং বাঁধ নির্মাণের মেগা প্রজেক্টকে কেন্দ্র করে এই অঞ্চলের ভূরাজনীতি নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। হিমালয় অঞ্চলে ভূরাজনৈতিক কৌশলে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে উজান বা আপস্ট্রিম দেশ চীন। তিব্বত মালভূমি থেকে উৎপন্ন আন্তর্জাতিক নদীগুলো (যেমন—ত্রিশূলি, কোশি, সিন্ধু ও ব্রহ্মপুত্র) নেপাল ও ভারতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী আন্তঃসীমান্ত নদীতে নদীর পানির স্তর, হিমবাহের অবস্থা ও বন্যার আগাম সতর্কবার্তা ভাটির দেশকে জানানো জরুরি। কিন্তু কাঠমান্ডু ও দিল্লির দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ, বেইজিং সময়মতো হাইড্রোলজিক্যাল বা স্যাটেলাইট ডাটা শেয়ার করে না।
এ ছাড়া চীন তাদের তিব্বত সীমান্তে কঠোর তথ্য সেন্সরশিপ বজায় রাখে। এই তথ্যের অপ্রতুলতা নেপালের জন্য আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা তৈরি করা অসম্ভব করে তোলে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত ও নদী-সংক্রান্ত তথ্য গোপন বা নিয়ন্ত্রণ করা চীনের একটি কৌশলগত হাইড্রো-লিভারেজ বা পানি-কূটনীতির অস্ত্র, যা দিয়ে ভাটির দেশগুলোকে চাপে রাখা যায়।
নেপালের প্রাকৃতিক জলবিদ্যুৎ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দক্ষিণ এশিয়ার দুই বৃহৎ অর্থনীতি—ভারত ও চীন—তীব্র প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের অংশ হিসেবে চীন নেপালের পাহাড়ি নদীগুলোয় বিশাল জলবিদ্যুৎ ও টানেল প্রকল্প গড়ে তুলছে।
এদিকে ভারত নেপালের শত শত মেগাওয়াটের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে এবং নীতি গ্রহণ করেছে যে, যেসব প্রকল্পে চীনা ঠিকাদার বা অর্থায়ন থাকবে, সেই বিদ্যুৎ ভারত ক্রয় করবে না।
দুই পরাশক্তির এই অবকাঠামোগত ও ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ফলে নেপালের সংবেদনশীল হিমালয় অঞ্চলে পরিবেশগত প্রভাব বিবেচনা না করেই একের পর এক বাঁধ ও টানেল নির্মাণ করা হচ্ছে। জলবায়ু বিজ্ঞানীদের মতে, এই অতি-অবকাঠামো নির্মাণই পাহাড়ি অঞ্চলকে আরও বেশি ধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকিতে ফেলছে।
যে কোনো বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের একটি দৃশ্যমান মাধ্যমে পরিণত হয়। ভারত সাধারণত নেপালের দুর্যোগে প্রথম সাড়া দানকারী দেশ হিসেবে কাজ করে। বিমান, উদ্ধারকারী দল ও কারিগরি বিশেষজ্ঞ পাঠিয়ে দিল্লি নেপালি জনগণের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের সফট পাওয়ার জোরদার করতে চায়।
এদিকে চীন তাদের প্রকল্প ও অবকাঠামো রক্ষার অজুহাতে উদ্ধারকারী ও কারিগরি টিম পাঠায়। বেইজিং মূলত কাঠমান্ডুর সরকারি ও কৌশলগত পরিকাঠামোতে নিজস্ব নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার দিকে মনোযোগ দেয়।
নেপালে সংঘটিত যে কোনো বন্যা বা হিমবাহ ধস ভারতের জন্যও একটি জাতীয় নিরাপত্তা সমস্যা। নেপালের কোশি ও গণ্ডক অববাহিকার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা অতিরিক্ত পানি একযোগে নামলে ভারতের সীমান্ত ঘেঁষা রাজ্যগুলোয় ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া নেপাল থেকে ভারতে বিদ্যুৎ সরবরাহের যে আঞ্চলিক গ্রিড গড়ে উঠছে, তা ক্ষতিগ্রস্ত হলে দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি ট্রানজিট নীতি হুমকির মুখে পড়ে।
হিমালয় অঞ্চলে নেপালের মতো ছোট রাষ্ট্রগুলো ভারত ও চীনের পানি-কূটনীতি এবং কৌশলগত প্রতিযোগিতার মধ্যে স্যান্ডউইচ বা বাফার স্টেট হিসেবে আটকা পড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে যখন বরফ ধস ও বন্যার মাত্রা বাড়ছে, তখন ডাটা গোপনীয়তা ও মেগা প্রকল্পের প্রতিযোগিতা পুরো অঞ্চলের জন্যই একটি ভূরাজনৈতিক টাইমবোমে পরিণত হচ্ছে।
হিমালয়ের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে এবং মানবিক ট্র্যাজেডি এড়াতে ভারত, চীন ও নেপালের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় ‘হিমালয় নদী কমিশন’ বা যৌথ পানি-ব্যবস্থাপনা চুক্তি এখন সময়ের দাবি।
![]() |
| হিমালয়ের উজান-ভাটির রাজনীতি |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন প্রজন্মের কণ্ঠে পুরোনো বাংলা গান by পল্লব মোহাইমেন
নন্দিতা ও শুভেন্দুর গানের দল মোজি অ্যান্ড কোম্পানি ও শিল্পী অনিমেষ রায়কে নিয়ে এই পরিবেশনার নাম ছিল ‘তারা আনপ্লাগড’। কখনো নন্দিতা ও শুভেন্দু, কখনো অনিমেষ আবার কখনো তিনজন মিলে গান গেয়েছেন। সবই বাংলা গান এবং তা পুরোনো আমলের। তাঁরা একে এক গেয়ে শোনান ‘ময়ূরকণ্ঠী’, ‘দাঁড়ালে দুয়ারে’, ‘আকাশ এত মেঘলা’, ‘এ গানে প্রজাপতি’, ‘নাসেক নাসেক’, ‘ভবের দেশ’, ‘লাল পাহাড়ের দেশে’ ইত্যাদি জনপ্রিয় গান। তিনজনে মিলে গাইলেন ‘আহা কী আনন্দ’, ‘কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়’। প্রতিটি পরিবেশনা আধুনিক যন্ত্র সংগতে হয়ে উঠেছিল হৃদয়ছোঁয়া।
শিল্পীরা যেমন নতুন প্রজন্মের, তেমনি বাদ্যযন্ত্রীরাও এই প্রজন্মের। সরোদ বাজিয়েছে ফুলঝুরি। সে মাত্র দশম শ্রেণিতে পড়ছে। এসএসসির টেস্ট পরীক্ষার ফাঁকেই সে পারফর্ম করে। আর অন্য যন্ত্রীরা ছিলেন বাঁশিতে কামরুল, স্যাক্সোফোনে রাহিন, কি–বোর্ডে অন্তর, গিটারে মাতিস ও ড্রামসে সুদীপ্ত।
‘তারা’ একটা প্রচারণা। ‘আনপ্লাগড’ একটা আয়োজন। বাংলা গান নিয়ে আরও আয়োজন করবে ‘তারা’। ‘তারা’র প্রতিষ্ঠাতা ও স্বপ্নদ্রষ্টা জান্নাতুল ফেরদৌস মুন বলেন, ‘আমাদের এই “তারা” প্রচারণার উদ্দেশ্য বাংলা সংস্কৃতিকে বর্তমান প্রজন্মের হাত দিয়ে তুলে ধরা। ইয়াং স্টার বা প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পীদের মাধ্যমে বাংলা গানকে উপস্থাপন করতে চাই কিছুটা নতুন আঙ্গিকে। এটাকে আমরা নতুন তারকাদের এটা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।’
জান্নাতুল ফেরদৌস আরও জানালেন, ধীরে ধীরে ‘তারা’র পরিসর বাড়বে। ডিসেম্বর ২০২৫ আরও দুটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে ‘তারা’। সেসবে শিল্পী কারা থাকবেন, তা তোলা থাক আগামী অনুষ্ঠানের জন্য।
![]() |
| অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন নন্দিতা, শুভেন্দু ও অনিমেষ। ছবি: আয়োজকদের সৌজন্যে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
-
▼
2026
(1995)
-
▼
August
(340)
-
▼
Aug 31
(10)
- ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ইসরায়েলের নিহত সেনার সংখ্যা ১ ...
- গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা মানুষ, নিহতের সংখ্যা ...
- শিশু ও নারীদের লাশও আটকে রেখেছে ইসরাইল, মানবিক সংক...
- খার্গ দ্বীপ কি ‘ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে’, যা জানাল র...
- ‘সর্প’ নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে য...
- সন্তান হারানো ফিলিস্তিনি মায়েদের থমকে গেছে জীবন, ব...
- গারো উপকথা: চন্দ্র কেন কম আলো দেয় by সালেক খোকন
- যে পাঁচ ধাপে বয়স অতিক্রম করে মস্তিষ্ক
- হিমালয়ের উজান-ভাটির রাজনীতি
- নতুন প্রজন্মের কণ্ঠে পুরোনো বাংলা গান by পল্লব মো...
-
▼
Aug 31
(10)
-
▼
August
(340)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





