Friday, February 6, 2026
মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা, ৩ বন্ধু নিহত
নিহত তিনজন হলেন তুর্জয় মাঝি (২৮), হোসাইন মোহাম্মদ সাকিব (২৭) ও মো. সানিয়াত (২৯)। তাঁদের সবার বাড়ি টঙ্গিবাড়ী উপজেলার সোনারং টঙ্গিবাড়ী ইউনিয়নে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে করে দিঘীরপাড়ের দিকে যাচ্ছিলেন। তাঁদের মোটরসাইকেলটি রাত ৯টার দিকে সিপাহিপাড়া-দিঘীরপাড় সড়কের যশলং এলাকায় এলে নিয়ন্ত্রণ হারায়। সে সময় মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশের আমগাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে হোসাইন মোহাম্মদ সাকিব ও মো. সানিয়াত মারা যান। ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে তুর্জয় মাঝি মারা যান।
টঙ্গিবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুল হক প্রথম আলোকে বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের সুরতহাল করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।
![]() |
| সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হোসাইন মোহাম্মদ সাকিব, তুর্জয় মাঝি ও মো. সানিয়াত। ছবি: সংগৃহীত |
Wednesday, December 4, 2024
লুট করা অস্ত্রে প্রেমিকাকে হত্যা
নিহত শাহিদা ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানার বেগুনবাড়ির বরিবয়ান এলাকার প্রয়াত আবদুল মোতালেবের মেয়ে। তিনি ঢাকার ওয়ারী থানার যুগীনগর এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। গ্রেপ্তার প্রেমিক তৌহিদ শেখ তন্ময় রাজধানী ঢাকার ওয়ারীর বনগ্রাম এলাকার প্রয়াত শফিক শাহ’র ছেলে। মঙ্গলবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জে ক্লুলেস হত্যা মামলা নিয়ে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, শাহিদাকে গুলি করে হত্যার বিষয়ে স্বীকারোক্তি দিয়েছে তৌহিদ শেখ। আমরা তাকে (তৌহিদকে) হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। তৌহিদ আমাদের জানিয়েছে, তার সঙ্গে শাহিদার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু তৌহিদ তার পরিবারের পছন্দের অন্য একটি মেয়েকে বিয়ে করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। প্রেমের সম্পর্কের পর তাদের মধ্যে দৈহিক সম্পর্কও ছিল। শাহিদা তৌহিদকে বলেছিল সে আড়াই মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তবে সামপ্রতিক সময়ে শাহিদাকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছিল সে। এবিষয়টি শাহিদা বুঝতে পেরে তৌহিদকে বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী গত শুক্রবার রাতে শাহিদাকে মুঠোফোনে ওয়ারীর বাড়ি থেকে মাওয়ায় ইলিশ খাওয়ার কথা বলে ডেকে আনে তৌহিদ। শাহিদাকে নিয়ে খাওয়া- দাওয়া শেষে রাতভর মাওয়া এলাকায় ঘোরাঘুরি করে। শনিবার ভোরে শ্রীনগর দোগাছি এলাকার এক্সপ্রেসওয়েতে শাহিদাকে নিয়ে আসে তৌহিদ। সেখানেই তার সঙ্গে থাকা ওয়ারী থানা থেকে লুট করা পিস্তল দিয়ে শাহিদাকে গুলি করে হত্যা করে।
হত্যার পর তৌহিদ দোগাছি এলাকা থেকে ঢাকায় পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার আগে পিস্তলটি কেরানীগঞ্জের বটতলী বেইলি সেতুর নিচে ফেলে যায়। রোববার তৌহিদ আত্মগোপনে ছিল।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, তৌহিদ তার পরিবারের লোকজনের সহযোগিতায় সোমবার রাতে ঢাকা থেকে লঞ্চে করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ব্যাপক তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা বিষয়টি জানতে পারি। পরবর্তীতে ভোলার ইলিশাঘাট এলাকায় লঞ্চের কেবিনের ভেতরে ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে গ্রেপ্তার করে আমাদের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। এর আগে গত শনিবার দুপুরে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সমসপুর এলাকার দোগাছি সার্ভিস সড়ক থেকে শাহিদা আক্তারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশের পাশে কয়েকটি গুলির খোসা পড়ে ছিল। তার শরীরে আটটি গুলির ছিদ্র ছিল।
সেদিন দুপুর ১২টার দিকে লাশ উদ্ধার করে শ্রীনগর থানায় নিয়ে যান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। সেখান থেকে শাহিদার মুঠোফোনে থাকা নম্বরের মাধ্যমে তার মায়ের নম্বর পাওয়া যায়। বিকালে জরিনা বেগম এসে মেয়ের লাশ শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় শনিবার দিবাগত রাত ১২টার পর নিহত তরুণীর মা জরিনা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে মামলাটি করেন। পরে রোববার সকালে ওই মামলায় একমাত্র নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয় তৌহিদকে। রোববার রাতে ময়নাতদন্ত শেষে শাহিদার লাশ ময়মনসিংহের বরিবয়ান গ্রামে দাফন করা হয়।
নিহতের মা জরিনা বেগম বলেন, তিন মাস আগে শাহিদা ও তৌহিদ সবার অজান্তে চাঁদপুরে ঘুরতে গিয়েছিল। সেখানে তৌহিদ আমার মেয়েকে মারধর করে। পরে পুলিশ এসে দু’জনকে ধরে নিয়ে যায়। তখন তাদের মধ্যে প্রেমের বিষয়টি আমি জানতে পারি। পরে তৌহিদের বিষয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিই। জানতে পারি, তৌহিদ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ছেলে হিসেবেও ভালো না। আমার মেয়েকে ওই ছেলের সঙ্গে মেলামেশা করতে নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু তৌহিদ বিভিন্ন সময় আমার মেয়েকে ফুসলিয়ে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যেত। আমার মেয়েটাকে গুলি করে হত্যা করেছে। আমি মেয়ে হত্যার বিচার চাই।
অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি সঠিক কিনা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে নিশ্চিতভাবে জানার কথা বলেন পুলিশ সুপার। তবে শাহিদা অন্তঃসত্ত্বা ছিল কিনা এমনটা জানে না তার মা জরিনা বেগম।
মুন্সীগঞ্জ গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ইশতিয়াক রাসেল বলেন, আসামি তৌহিদকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সেখানে সে ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

Tuesday, December 3, 2024
বিয়ের জন্য চাপ দেয়ায় প্রেমিকাকে গুলি করে হত্যা
তন্ময় রাজধানীর ওয়ারীর বনগ্রাম এলাকার প্রয়াত শফিক শাহর ছেলে। শনিবার রাত ১২টার পর নিহতের মা জরিনা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে মামলাটি করেন। রোববার সকালে সে মামলায় একমাত্র নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়। নিহতের শরীরে আটটি গুলির ছিদ্র ছিল। সে সময় লাশের পাশে কয়েকটি গুলির খোসাও পড়ে ছিল। এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মো. আজাদ বলেন, শাহিদাকে হত্যার পর থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে তৌহিদকে গ্রেপ্তারের জন্য আমাদের একাধিক দল কাজ করছিল। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি তৌহিদ ভোলা রয়েছে। রোববার রাতে আমাদের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। সেখান থেকে তৌহিদকে গ্রেপ্তার করে। পরে তৌহিদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে যে অস্ত্র দিয়ে শাহিদাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল সেটি কেরানীগঞ্জের একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
হত্যার ঘটনার বিষয়ে তিনি বলেন, তৌহিদ আমাদের জানিয়েছে, শাহিদার সঙ্গে তৌহিদের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রেমের সম্পর্ক থেকে তাদের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্কও গড়ে ওঠে। এর মধ্যে তৌহিদ অন্য একটি মেয়েকে বিয়ে করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। বিষয়টি শাহিদা জানতে পারে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে একাধিকবার ঝগড়াঝাঁটি হয়। তাদের সম্পর্কের দূরত্ব সৃষ্টি হয়। তবে গত শুক্রবার রাতে তৌহিদ শাহিদাকে মুঠোফোনের মাধ্যমে ওয়ারীর বাড়ি থেকে মাওয়ায় ইলিশ খাওয়ার কথা বলে ডেকে আনে। তারা সারারাত এক্সপ্রেসওয়েতে ঘোরাঘুরি করে। শনিবার ভোরে তারা শ্রীনগর দোগাছী এলাকায় হাঁটাহাঁটি করছিল। এ সময় শাহিদা বিয়ের জন্য চাপ দেন। তৌহিদ বিয়ে করতে অস্বীকার করে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তৌহিদের সঙ্গে থাকা পিস্তল দিয়ে শাহিদাকে গুলি করে হত্যা করে। যে পিস্তলটি দিয়ে শাহিদাকে হত্যা করা হয়েছে এটি গত ৫ আগস্ট ওয়ারী থানা থেকে লুট করেছিল তৌহিদ।
নিহত শাহিদা ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানার বেগুনবাড়ীর বরিবয়ান এলাকার প্রয়াত আবদুল মোতালেবের মেয়ে। তিনি ঢাকার ওয়ারী এলাকায় ভাড়াবাড়িতে থাকতেন। গত শনিবার ভোরে শাহিদা ও তৌহিদকে সার্ভিস লেনে হাঁটতে দেখেছেন পথচারীরা। কিছুক্ষণ পর অন্য পথচারীরা শাহিদার রক্তাক্ত লাশ সড়কে পড়ে থাকতে দেখেন। তার পিঠে একাধিক গুলির চিহ্ন ছিল। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানান। শাহিদার মা জরিনা বেগম বলেন, ৬ বছর ধরে তার মেয়ের সঙ্গে প্রেম করছিল তৌহিদ। বিষয়টি তৌহিদের পরিবারের লোকজন জানত। তিন মাস আগে শহিদা ও তৌহিদা সবার অজান্তে চাঁদপুরে ঘুরতে গিয়েছিল। সেখানে তৌহিদ আমার মেয়েকে মারধর করে। পরে পুলিশ এসে দু’জনকে ধরে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে তৌহিদের পরিবারের লোকজন। তখন থেকে প্রেমের বিষয়টি আমি জানতে পারি। এরপর তৌহিদের বিষয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ-খবর নেই। জানতে পারি তৌহিদ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ছেলে হিসেবেও ভালো না। পরে আমরা মেয়েকে ওই ছেলের সঙ্গে মেলামেশা করতে নিষেধ করি। তৌহিদ বিভিন্ন সময় আমার মেয়েকে ফুসলিয়ে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যেত। প্রেমের অপরাধে তৌহিদের মা আমার মেয়েকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিল। আমি মেয়েকে বাড়ি থেকে বের হতে দিতাম না। শুক্রবার শাহিদাকে ফুসলিয়ে ফোনের মাধ্যমে বাড়ি থেকে বের করে নেয়। শেষপর্যন্ত আমার মেয়েটাকে গুলি করে হত্যা করেছে। আমি মেয়ে হত্যার বিচার চাই।

Tuesday, April 21, 2020
হারিয়ে যাচ্ছে ঘোড়ার গাড়ি by হামিদুল ইসলাম লিংকন

ধারণা করা হয়, বৈদিক যুগ থেকে ভাওয়াল ও সোনারগাঁও রাজধানী হিসেবে আবির্ভূত হবার আগ পর্যন্ত এটিই ছিল বাংলার প্রাচীনতম রাজধানী। বিক্রমপুর ছিল রাজা বিক্রমাদিত্যের রাজধানী। এই এলাকায় বাংলার বহু কীর্তিমান ব্যক্তির জন্ম হয়েছে। সে সময় থেকেই যোগাযোগ ও মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রে বহুল ব্যবহৃত ঘোড়ার গাড়ি।
আধুনিক যান্ত্রিক যানবাহনের যাতাকলে পিষ্ট হয়ে বর্তমানে প্রায় বিলুপ্তির পথে ঘোড়ার গাড়ি! ইঞ্জিনের স্পর্শে আবহমান গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী অনেক যানবাহনই কালপরিক্রমায় পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। সময় অতিবাহিত হবার সাথে সাথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের ধারক-বাহক অনেক বাহনেরই আমূল পরিবর্তন, আধুনিকায়ন সাধিত হয়েছে। আবার ঐতিহ্যবাহী অনেক বাহনই হারিয়ে গেছে দৃশ্যপট থেকে।
তেমনি মান্ধাতার আমলে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ঘোড়ার সাহায্যে চলমান ঘোড়ার গাড়ি বহুবিধ কারণে বর্তমানে হারিয়ে যেতে বসেছে দৃশ্যপট থেকে। কয়েক বছর আগেও কালে ভাদ্রে দু’একটি ঘোড়ার গাড়ির দেখা মিললেও বর্তমানে তা যেন ডুমুরের ফুল।
জানা গেছে, প্রাচীনকাল থেকে গাঁও গ্রামে বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হতো ঘোড়ার গাড়ির অবকাঠামো। আর কেটে পুরিযে গোলাকার করে পেরেক মেরে তৈরি করা হতো চাকা। ওই গাড়িকে টেনে নেয়ার কাজে ব্যবহার করা হতো ঘোড়াকে। কালের আবর্তে ঘোড়ার গাড়ির ব্যবহার কমে যেতে থাকলেও এখনও বিশ্বে আধুনিক সকল যানবাহনের জন্য তৈরিকৃত সকল ইঞ্জিনের ক্ষমতাকে ঘোড়ার শক্তি (অশ্বশক্তি) হিসাবে পরিমাপ করা হয়েছে থাকে। যে ইঞ্জিনের অশ্বশক্তি (হর্স পাওয়ার) যত বেশী তার পরিবহন ক্ষমতা ও মূল্যও তত বেশী হয়ে থাকে।
সুপ্রাচীনকাল থেকে দেশের গ্রামীণ জনপদের কাঁচা মেঠো পথে যাতায়াত ও মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রে গরুর গাড়ি, মহিষের গাড়ি ও ঘোড়ার গাড়ির বহুল প্রচলণ পরিলক্ষিত হতো। কিন্তু যখন থেকে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানী দ্বারা চালিত ইঞ্জিন দিয়ে তৈরি যানবাহনের প্রচলন ঘটতে থাকে তখন থেকেই মান্ধাতা আমলের দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরিকৃত ‘ঘোড়ার গাড়ি’র কদর ও ব্যবহার হ্রাস পেতে থাকে।
বর্তমানে দেশের গ্রামীণ জনপদের বেশীরভাগ কাঁচা ও মেঠোপথ/সড়ককে আধুনিকায়ন করা হয়েছে। ওইসব সড়ককে পিচপাথর দিয়ে পাকা সড়কে রূপদান করা হয়েছে। সড়কে যাতায়াত ও মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রে জায়গা করে নিয়েছে যান্ত্রিক ইঞ্জিন দ্বারা চালিত বাস, মিনিবাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, সিএনজি অটোরিক্সা, নছিমন, করিমনরা।
নদীমাতৃক এ দেশের চরাঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ ও মালামাল পরিবহনে দু’একটি ঘোড়ার গাড়ির দেখা মিললেও ক্রমান্বয়ে তাও দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। ফলে প্রাচীনকাল থেকে সড়ক যোগাযোগে বহুল জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত ‘ঘোড়ার গাড়ি’ বর্তমানে প্রায় বিলুপ্ত হয়ে পড়েছে।
ঘোড়ার গাড়ির এই তীব্র দুর্দিনেও প্রাচীনকালের এই বাহনটি চালান মমিন আলী। তিনি বলেন, আগে আমার বাবা এই ঘোড়ার গাড়ি চালাইতো। তাই আমিও চালাই, কিন্তু আগের মত মালামাল বহন করা হয় না। আমার ঘোড়াটা বিক্রি করতে পারলে অন্যকাজ করতাম। ঘোড়াটা বিক্রি হয় না বলে আমি ঘোড়ার গাড়ি দিয়ে যা পাই তাই বহন করি সংসার চালাতে হবে তাই।
বয়রাগাদী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেন্টু মিয়া বলেন, একটা সময় ঘোড়ার গাড়ির চাহিদা ছিল। এখন দেশ উন্নত হয়েছে, ইঞ্জিন চালিত গাড়ির অভাব নেই। তাই আগের মত ঘোড়ার গাড়ির চাহিদা নেই।

Monday, October 7, 2019
অপরূপ জলজ নিসর্গ আড়িয়াল বিল by তানজিল হাসান

জলরাশির দিকে তাকালে পানির রঙ কখনও নীল, কখনও সাদা, কখনওবা কালো মনে হবে। শ্রাবণের আকাশের সঙ্গে রঙ বদলায় জল। ক্ষণে ক্ষণে বৃষ্টি নামে, আবার রোদ ঝকঝক করে ওঠে। কালো মেঘের ছোটবড় ভেলা চেনা পরিবেশের বাইরে ভাসিয়ে নিয়ে যায় কল্পনার জগতে। আড়িয়াল বিলের এই অপার সৌন্দর্য তুলনাহীন। এ যেন অপরূপ জলজ নিসর্গ।
মূহূর্তে বদলে যাওয়া চারপাশের প্রকৃতির রঙ মনে দোলা দেয়। প্রকৃতির এই অপার সৌন্দর্য দু’চোখ ভরে উপভোগ না করলে বোঝা যায় না। ঢাকার নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলা এবং মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর ও সিরাজদিখান জুড়ে বিস্তৃত আড়িয়াল বিল। এখানে এলেই ভ্রমণপ্রেমীরা হারিয়ে যান প্রকৃতির মাঝে। দূরের কোনও গ্রামের প্রতিচ্ছায়ায় আটকে থাকে দৃষ্টি।
জলরাশিতে ভাসতে ভাসতে চোখ মেলে তাকালে আকাশটা বিশাল লাগে। মনে হতে পারে, এত বড় আকাশ কতদিন দেখা হয়নি! নৌকা থেকে নেমে ডেঙ্গায় হেঁটে বেড়ালে মন্দ লাগবে না। আড়িয়াল বিলে রয়েছে অনেক ডেঙ্গা। এগুলো মূলত বিশাল আকৃতির দীঘি। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো সাগরদীঘি। এগুলো প্রাকৃতিক মৎস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত।
মাছের মধ্যে আড়িয়াল বিলের সরপুঁটি ও কই বেশ প্রসিদ্ধ ছিল। এছাড়া শিং, মাগুর, রুই, কাতলা, বোয়াল, পুঁটি ও টেংরা মাছসহ প্রায় সব দেশি মাছ পাওয়া যায় এতে। এখানকার প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন মাছের পাশাপাশি আধুনিক পদ্ধতিতে ডেঙ্গায় মাছ চাষ হয়। সংগৃহীত মাছ সরবরাহ হয় ঢাকাসহ আশেপাশের জেলাগুলোতে। দীঘির পাড়ে আছে বৃক্ষরাজি।
হিজল, নারিকেল, বরুণ, মেহগনিসহ বিভিন্ন গাছ দেখা যায়। বিলে মাঝে মধ্যে উড়ে বেড়ায় কানিবক, মাছরাঙা, পাতিহাঁস, শঙ্খচিল, ডাহুক পাখি। বিলের পাশের গ্রামে বাবুই পাখিরও দেখা মিলবে। শোনা যায়, অতীতে আড়িয়াল বিলে কালিম পাখি দেখা যেতো। তবে অতিথি পাখি খুব একটা দেখা যায় না।
সবজি হিসেবে বাজারে আড়িয়াল বিলের শাপলা কেনাবেচা হয়। স্থানীয়দের অনেকে বিল থেকে এটি তোলে। ঢাকা থেকে ব্যবসায়ীরা সেগুলো সংগ্রহ করে নিয়ে যায়। বিলে এলেই চোখে পড়বে স্থানীয় অনেকে শাপলা তুলছেন। কেউ একমনে শাপলা গোছাতে ব্যস্ত। মূলত তারা কৃষক। বর্ষা মৌসুমে ভোর থেকে বিকাল পর্যন্ত তারা শাপলা তোলেন।
অম্বিকাচরণ ঘোষ ও যোগেন্দ্র নাথ গুপ্ত রচিত ‘বিক্রমপুরের ইতিহাস’ গ্রন্থে আড়িয়াল বিলের দৈর্ঘ্য পূর্ব-পশ্চিমে ১২ মাইল ও প্রস্থ দক্ষিণে ৭-৮ মাইল উল্লেখ করা হয়েছে। আড়িয়াল বিলের দক্ষিণ প্রান্তে মইজপাড়া ও কোলাপাড়া, উত্তরে শ্রীধরখোলা, বারুইখালি ও শেখেরনগর। পশ্চিমে নারিশা গ্রাম, পূর্বে দয়হাটা, হাসাড়া গাদিঘাট ও প্রাণীমণ্ডল বা পরানিমণ্ডল প্রভৃতি গ্রাম।
ঢাকা বিভাগের সবচেয়ে বড় ও বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আড়িয়াল বিল। অনেকের অনুমান, রাজশাহীর চলনবিল ও ঢাকা-মুন্সীগঞ্জের আড়িয়াল বিলেই অতি প্রাচীনকালে গঙ্গা ও ব্রক্ষপুত্রের সঙ্গম হয়েছিল। পরে উভয় নদীর প্রবাহ পরিবর্তনের কারণে এই স্থান শুকিয়ে বিলে পরিণত হয়। আড়িয়াল বিলের আরেক নাম ‘চূড়াইন বিল’। একসময় বর্ষায় এতে কুমির দেখা যেতো।
বিলের মধ্যে এখানে-সেখানে উঁচু মাটির ঢিবিতে ঘরবাড়ি দেখা যায়। বর্ষাকালে বিলে পানি টইটম্বুর থাকলে মনে হয়, বাড়িগুলো দ্বীপের মতো ভেসে আছে! তখন যাতায়াতের একমাত্র উপায় হয়ে ওঠে কোষা নৌকা। বর্ষার আগে ধান কেটে ঘরে তোলেন কৃষক। বিলের পাশের গ্রামগুলোতে খড়ের গাদা দেখা যায়– কারও বাড়ির উঠানে, কোথাও রাস্তার পাশে, আবার কোথাও বিলের পাশের উঁচু জমিতে।
আড়িয়াল বিলের সৌন্দর্য উপভোগের জন্য বর্ষায় অনেক পর্যটক সমাগম হয়। বর্ষায় দেখতে বেশি মনোমুগ্ধকর হলেও এই বিলের সৌন্দর্য শীতেও কম নয়। আড়িয়াল বিলে ধান চাষ বেশি হয়। তবে মিষ্টি কুমড়া, লাউ, ঢেঁড়স, পটলসহ বিভিন্ন রকম সবজি উৎপন্ন হয়। ফলে বিস্তীর্ণ সবুজ ফসলের মাঠ নিশ্চিতভাবে সবার মন কাড়ে।
যেভাবে আসবেন
ঢাকার গুলিস্তান থেকে মাওয়াগামী বিআরটিসি ও ইলিশ পরিবহনসহ বেশকিছু বাস রয়েছে। ভাড়া নেবে ৯০-১২০ টাকা। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের শ্রীনগরের ছনবাড়ি চৌরাস্তায় বাস থেকে নেমে অটোরিকশা নিয়ে যেতে হবে গাদিঘাট গ্রাম। সেখান থেকে বিল দেখা যায়। অথবা শ্রীনগর বাজার থেকে ট্রলার ভাড়া নিয়ে বিল ঘুরে দেখা যাবে। ঢাকা থেকে সকালে রওনা দিয়ে আড়িয়াল বিলে বেড়িয়ে আবার বিকালের মধ্যে ঢাকায় ফেরা যায়। দুপুরে খাবারের উদ্দেশে মাওয়াতেও বেড়িয়ে আসতে পারেন। শিমুলিয়া ঘাটে নিতে পারেন তাজা ইলিশের স্বাদ।
Friday, July 27, 2018
গজারিয়ায় যেভাবে হত্যা করা হয় নর্থসাউথের ছাত্র পায়েলকে

গতকাল দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সভা কক্ষে মিডিয়া ব্রিফিংয়ে মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পায়েলের মৃত্যুর রহস্যের কথা তুলে ধরে বলেন, হানিফ পরিবহনের ঢাকা মেট্রো-ব-৯৬৮৭ নম্বরের সেই বাসটিকে জব্দ এবং হানিফ পরিবহনের মালিক পক্ষকে পায়েল হত্যা মামলায় জড়িত করা হবে।
তিনি জানান, গেটের দরজায় আঘাত পেয়ে জ্ঞান হারানোর পর বাসের চালক, হেলপার ও সুপার ভাইজার মিলে নদীতে ফেলে হত্যা করেছে মেধাবী ছাত্র সাইদুর রহমান পায়েল (২১)কে। ১৬৪ ধারায় আদালতের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বাসের সুপার ভাইজার জনি। গত ২১শে জুলাই চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে গজারিয়ার পথে প্রসাব করতে নামে পায়েল। এরপর গত ২৩শে জুলাই সকাল সাড়ে ৮টার দিকে গজারিয়ার ফুলদি নদীতে ভেসে ওঠে পায়েলের লাশ। এ ঘটনায় বাসের চালকসহ তিনজনকে আটক করা হয় বলে জানান জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম।
তিনি আরো জানান, নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির বিবিএ’র পঞ্চম সেমিস্টারের মেধাবী ছাত্র ছিলেন পায়েল। চট্টগ্রামের বাড়িতে ছুটি কাটিয়ে দুই বন্ধু শান্ত ও আদরকে সঙ্গে করে হানিফ বাসে চড়ে ঢাকার উদ্দেশে ২১শে জুলাই রাত সোয়া ১০টায় হানিফ পরিবহনের বাসে করে রওনা হন পায়েল। ২২শে জুলাই ভোর ৪টার দিকে গজারিয়ার ভাটের চর ব্রিজের কাছে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে নামেন পায়েল। বন্ধুরা ঘুমিয়ে থাকলেও কিছুটা পথ পর, জেগে সুপারভাইজারের কাছে পায়েলের কথা জানতে চায় বন্ধুরা। পায়েল পরের গাড়িতে আসবে বলে জানান, গাড়ির চালক, হেলপার ও সুপার ভাইজার।
গত ২৩শে জুলাই সকালে গজারিয়ার ফুলদি নদীতে ভেসে ওঠে পায়েলের লাশ।
আর লাশ উদ্ধারের পর, নাক মুখ থেতলানো ও রক্তের চিহ্ন দেখে পায়েলের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করেন পুলিশ। পরে ২৪শে জুলাই পুলিশের সহযোগিতায় গজারিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন পায়েলের মামা গোলাম সারোওয়ার্দী বিপ্লব।
এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বাসের চালক জামাল হোসেন, হেলপার ফয়সাল এবং সুপার ভাইজার জনিকে গ্রেপ্তার করলে তারা জানান, পায়েল দৌড়ে বাসে উঠতে চাইলে দরজায় বাড়ি খেয়ে নাক, মুখ ফেটে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে বাইরে পড়ে যায় এবং পায়েলকে তারা মৃত ভেবে নদীতে ফেলে দেয়ার কথা আদালতে স্বীকার করেন সুপার ভাইজার জনি।
এ সময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আশফাকুজ্জামান, গজারিয়া থানার ওসি হারুন অর রশিদসহ পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তা।
Tuesday, December 5, 2017
গজারিয়ায় বাস খাদে পড়ে ৩৬ যাত্রী আহত।

Saturday, April 8, 2017
মুন্সীগঞ্জের অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ জাটকা

Saturday, April 1, 2017
মুন্সীগঞ্জে আ’লীগ কর্মী হত্যার প্রতিবাদে থানা ঘেরাও

Thursday, March 23, 2017
গজারিয়ায় আফিল পেপার মিলে ভয়াবহ আগুন

Tuesday, March 14, 2017
ঠিকাদারের গাফিলতিতে এক বছর ধরে দুর্ভোগে ৩ গ্রামের মানুষ

লৌহজংয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও পলিথিন জব্দ

BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
- ▼ 2026 (2180)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...








