Tuesday, October 22, 2013
সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে রাজনৈতিক অস্থিরতার অবসান হবে by এমএম আকাশ

এম এম আকাশ : রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অর্থনীতিতে যে কিছু ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে এ বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই। কারণ রাজনৈতিক অস্থিরতা তখনই দেখা দেয় যখন এক পক্ষ অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে হরতাল, অবরোধ, রাজপথে হানাহানি-এসব অস্ত্র প্রয়োগ করতে শুরু করে। এগুলো বাড়তে থাকলে স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আর চলতে পারে না, থমকে দাঁড়ায়- সড়ক-নৌ ইত্যাদি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়; শ্রমজীবী মানুষের নিত্যনৈমিত্তিক উৎপাদনশীল কাজে বিঘ্ন ঘটে এবং একটা অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়- কখন কী হবে বলা মুশকিল হয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে বিনিয়োগও থমকে থাকে। বিনিয়োগকারীরা ভাবেন, আচ্ছা দেখি কী হয়, তারপর আবার অর্থ বিনিয়োগ করব। সুতরাং রাজনৈতিক অস্থিরতায় অর্থনীতিতে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এ বিষয়ে কোনো দ্বিধা বা সন্দেহের অবকাশ নেই। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এ রাজনৈতিক অস্থিরতা চিরস্থায়ী হয় কি? না, তা চিরস্থায়ী হয় না। কারণ রাজনৈতিক অস্থিরতাই আবার এ অস্থিরতাবিরোধী একটা অগণতান্ত্রিক বা গণতান্ত্রিক শক্তিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসে এবং তারা পর্যায়ক্রমে কিছুদিনের জন্য একটা শৃংখলা বিধানের চেষ্টা করে। তখন ব্যবসায়ী সম্প্রদায় বা বিভিন্ন দলের মধ্যে যারা লুটপাট করেছিল, তারা পিছিয়ে যায় এবং সাময়িক একটা শান্তির ভাব সৃষ্টি হয়। কিন্তু পরবর্তীকালে, আমাদের অভিজ্ঞতায় আমরা দেখেছি, তারাও আবার একটা অগণতান্ত্রিক নিয়ম-আচরণ, দুর্নীতি, নিজেদের দল তৈরি ইত্যাদি কাজে লিপ্ত হয়। তখন আবার রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়, অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তার মানে, নিকট অতীতের চলমান প্যাটার্ন অব্যাহত থাকলে রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে আমরা স্থায়ীভাবে সহজে মুক্তি পাচ্ছি না এবং তার কারণে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা (আপেক্ষিক অর্থে) থেকেও আমরা সহজে স্থায়ীভাবে মুক্তি পাচ্ছি না। একমাত্র তখনই মুক্তি পাওয়া সম্ভব, যখন এখানে গণমুখী সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়া তখনই সম্ভব, যখন রাজনীতিকে ব্যবহার করে অর্থনৈতিক ফায়দা লোটার পুঁজিবাদী লুটপাটমূলক যে ব্যবস্থা - সে ব্যবস্থা থেকে আমরা বের হয়ে আসতে পারব।
যুগান্তর : আগামীতে বিশ্বব্যাপী নতুন নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে মানব সম্পদ রফতানিতে আমরা যাতে এগিয়ে থাকতে পারি তার জন্য কী পদক্ষেপ নিতে হবে?
এম এম আকাশ :বিশ্বব্যাপী নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে যেটা হবে তা হল, বিশ্বের যেসব অঞ্চলে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে সেসব অঞ্চলে শ্রমিকের যে চাহিদা সৃষ্টি হবে তা হবে দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা। এখন আমাদের দেশ থেকে মূলত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এবং মালয়েশিয়ায় শ্রমিক প্রেরণ করা হয়। এসব দেশ এখন মধ্য আয়ের দেশ হতে যাচ্ছে বা হওয়ার চেষ্টা করছে। ওই সব দেশে প্রচুর পুঁজি আছে। সেই তুলনায় তাদের নিজস্ব শ্রমিক কম। এখনও পর্যন্ত সেসব দেশে অদক্ষ শ্রমিকের বিশেষ চাহিদা রয়েছে। সেই অদক্ষ শ্রমিক সরবরাহের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জুড়ি নেই। উল্লিখিত দেশগুলোয় বাংলাদেশের তুলনায় বেতন বেশি বলে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক সেখানে গিয়ে সেসব কাজ করে যাচ্ছে। আমরা যদি কেবল অদক্ষ মানব না পাঠিয়ে দক্ষ মানব সম্পদ পাঠাতে চাই তাহলে অদক্ষ কর্মীদের দক্ষ কর্মীতে রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। বিদেশ গমনে ইচ্ছুক কর্মীদের প্রযুক্তিবিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদানের ক্ষেত্রে বহির্বিশ্বের চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে। এতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীরা দ্রুত চাকরিতে যোগদান করে তাদের দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ পাবে। সামগ্রিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বিদেশ গমনে ইচ্ছুক কর্মীদের দক্ষ মানব সম্পদে পরিণত করতে হবে। শিক্ষা বাজেটের একটি অংশ এ খাতে ব্যয় করলে শিক্ষা বাজেট ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। কারণ যাদের জন্য এ খাতের অর্থ ব্যয় হবে তাদের প্রেরিত রেমিটেন্সে আগামীতে সাধারণ শিক্ষার বিভিন্ন কর্মসূচি প্রসারিত করা যাবে।
যুগান্তর : দুর্নীতি দেশের উন্নয়নে কী ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে?
এম এম আকাশ : দুর্নীতি যারা করছে, তারা যদি দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দেশে বিনিয়োগ করে তাহলে এ প্রক্রিয়ায় উৎপাদনশীল কাজের মধ্য দিয়ে কিছু লোকের বেকারত্ব দূর হয়, কিছু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটে। কিন্তু আমাদের দেশে যেটা সমস্যা- যারা দুর্নীতির মাধ্যমে প্রচুর কালো টাকা উপার্জন করছেন, তাদের কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া হচ্ছে। বিনিয়োগের মাধ্যমে তারা সেটা সাদা করার সুযোগ পাচ্ছেন। কিন্তু তারপরও তারা সেটা করছেন না। তারা ওই টাকাটা অন্য কোথাও পাচার করে দিচ্ছেন। তার মানে, আমাদের দেশে দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের দ্বিগুণ ক্ষতি। একটি হল দুর্নীতির মাধ্যমে অন্যায়ভাবে কিছু লোক টাকা সঞ্চয় করে ধনী হয়ে গেল, দ্বিতীয়ত সে ধনীর অর্থ দেশে বিনিয়োজিত হল না। অন্যান্য দেশে পুঁজির আদিম সঞ্চয় পর্বে এর ঠিক উল্টোটাই ঘটেছিল- ব্রিটিশ পুঁজিপতিরা ভারতবর্ষ থেকে অর্থ লুট করে নিয়ে ব্রিটেনে পুঁজি বিনিয়োগ করেছিল। আর আমাদের পুঁজিপতিরা বাংলাদেশ থেকে টাকা লুট করে নিয়ে কানাডায় বাড়ি কেনেন। এ কারণে আমাদের দেশে দুর্নীতির একটা ভিন্ন মাত্রা রয়েছে। দুর্নীতির মাধ্যমে টাকাটা অল্পসংখ্যক লোকের পকেটে যায়, তারপর তা দেশের বাইরে চলে যায়।
যুগান্তর : উচ্চ প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি- এসবের সুফল কারা পাচ্ছে? এসবের সুফল প্রান্তিক জনগণের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করার জন্য কী করণীয়?
এম এম আকাশ : আমাদের দেশে যে প্রবৃদ্ধি হয়, সে প্রবৃদ্ধির প্রকৃতি যদি শ্রমঘন হয় তাহলে কিছু কর্মসংস্থান হয়। আর প্রবৃদ্ধির প্রকৃতি যদি পুঁজিঘন হয় তাহলে কর্মসংস্থান তুলনামূলকভাবে কম হয়। এখন পর্যন্ত যেহেতু আমরা শ্রমঘন পর্যায়ের প্রবৃদ্ধিতেই আছি (যদিও বহুজাতিক কোম্পানিগুলো বা ‘দাতা’ দেশগুলো এখানে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিও কখনো কখনো চাপিয়ে দেয়), সুতরাং প্রবৃদ্ধি যদি হয় তাহলে কিছু কর্মীর কর্মসংস্থান হয়। যে কারণে আমরা লক্ষ্য করেছি ২০০০ থেকে ২০১০ সালে দারিদ্র্যের হার প্রতিবছর ১.৭ পার্সেন্টেজ পয়েন্ট হারে কমেছে। কিন্তু বৈষম্যের ব্যাপারটা- পরিসংখ্যানের তথ্য অনুযায়ী স্থির থাকার কথা বলা হলেও আমার মনে হয় এখানে আয় ও সম্পদের ক্ষেত্রে বৈষম্য বেড়েছে।
প্রবৃদ্ধির কিছু ফল চুইয়ে পড়ে দরিদ্ররা পাচ্ছে। কিন্তু এটা তারা আরও অনেক বেশি পেতে পারত যদি প্রবৃদ্ধি সমতাধর্মী হতো; সুযোগ-সুবিধাগুলো সবার হাতের নাগালে থাকত- সুশাসন, বিদ্যুৎ এসব যদি নিশ্চিত করা যেত। সুতরাং আমার বিবেচনায়, বর্তমানে যে প্রবৃদ্ধি হচ্ছে এবং যে গতিতে দারিদ্র্য হ্রাস পাচ্ছে- প্রবৃদ্ধির প্রকৃতি আরও সমতা অভিমুখী হলে এবং সুশাসন নিশ্চিত হলে দুই ক্ষেত্রেই সাফল্য আরও অনেক বেশি আসত।
যুগান্তর : দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কী কী লক্ষ্য সামনে রেখে এগোতে হবে?
এম এম আকাশ : দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দরকার অর্থনীতির বর্ধিষ্ণু খাতগুলো চিহ্নিত করা। ১৯৯৫ সালের পর আমাদের প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের ওপর চলে গেছে। এর আগে সব সময় আমাদের প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ শতাংশের নিচে। প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় আমরা এখন ৬-৭ শতাংশ থেকে ৮ শতাংশে যাওয়ার চেষ্টা করছি। এ লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য আমাদের বর্ধিষ্ণু চারটি খাতের প্রতি মনোযোগ বাড়াতে হবে। বর্ধিষ্ণু চারটি খাতের একটি হল কৃষি। আমাদের কৃষকরা অব্যাহতভাবে দক্ষতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদনে তারা সফল হয়েছেন বলেই আমদানির ওপর নির্ভর না করেই আমাদের বিপুল জনগোষ্ঠীর খাদ্যের জোগান দেয়া সম্ভব হচ্ছে। এটা সম্ভব হয়েছে কৃষিবিজ্ঞানের অগ্রগতি এবং আমাদের কৃষকদের কঠোর পরিশ্রমের ফলে। সরকারের পক্ষ থেকে কৃষি খাতে ভর্তুকি ও ঋণ প্রদানে উদারতা প্রদর্শন উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। সরকারের এ মনোভাব অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।
সরকার যাতে কৃষি খাতে কম মনোযোগী হয় এ ব্যাপারে বিদেশী চাপ রয়েছে। কৃষিক্ষেত্রে আমাদের উৎপাদন বৃদ্ধি অব্যাহত না থাকলে কৃষিপণ্যে বিদেশের ওপর আমাদের নির্ভরতা বাড়বে। আমার মনে হয়, বিদেশীদের আত্মঘাতী পরামর্শ অনুসরণ না করাই বাঞ্ছনীয় হবে। দ্বিতীয়ত, গার্মেন্ট খাতে আমাদের মনোযোগ বাড়াতে হবে। চীন ও ভারত যেসব দেশে গার্মেন্ট পণ্য রফতানি করত সেসব দেশের অনেকগুলো বাংলাদেশের জন্য ছেড়ে দিচ্ছে। সেই জায়গায় যদি আমাদের ঢুকতে হয়, তাহলে কোয়ালিটির দিকে মনোযোগ দিতে হবে। কোয়ালিটি বাড়াতে হলে শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে, ‘লিড টাইম’ কমাতে হবে। গার্মেন্টে দুর্ঘটনাগুলো যাতে না ঘটে সেজন্য যেসব বিনিয়োগ দরকার সেসব তাদের করতে হবে। শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ এবং উন্নত প্রযুক্তি আমদানি করে তাদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির দিকে মনোযোগ দিতে হবে। বাজার বিস্তৃত ও বহুমুখী করার বিষয়ে মনোযোগ দিতে হবে। ব্যাংক ঋণের সুবন্দোবস্ত করতে হবে।
এখন উপজেলা পর্যায়ে ছোটখাটো অকৃষি উৎপাদন খাত গড়ে উঠেছে, যাদের আমরা বলি এসএমই- স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজ। সার্ভিস সেক্টর, ট্রান্সপোর্ট, মোবাইল ফোন সার্ভিসিং, ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ- এসব জায়গায় এক ধরনের পুঁজির অভাব রয়েছে, জ্ঞানের অভাব রয়েছে এবং মার্কেটিং সুযোগ-সুবিধার অভাব রয়েছে। এসব অসুবিধা দূর করার জন্য সরকারকে মনোযোগ বাড়াতে হবে। যেহেতু কৃষকের হাতে টাকা আছে সুতরাং তারা উপজেলা সদরে এসে এসএমইর পণ্যগুলো কিনছেন। তারা আমদানিকৃত বিলাস পণ্য কেনেন না, তারা এসএমইর পণ্যই কেনেন। চীনে যেমন গ্রামীণ শিল্প ও গ্রামীণ কৃষি পরস্পর পরিপূরকভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক সে ধরনের একটা কৌশল আমাদের নিতে হবে। তাহলে গ্রামগুলো একটু উন্নত হবে। এখন গ্রাম-শহরে যে বৈষম্য বিদ্যমান, তা কিছুটা কমে আসবে।
যুগান্তর : আন্তর্জাতিক সূচকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান যাতে ওপরের দিকে থাকে তার জন্য কী করণীয়?
এম এম আকাশ : বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা যদি আমরা উন্নততর সূচকে নিতে চাই, বিশেষ করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো- তাহলে সেখানে আর্থিক সংস্থান বৃদ্ধি খুব জরুরি। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে যেভাবে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে, এই ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও গুরুত্ব আরও বাড়াতে হবে। আমাদের দেশে সর্বস্তরে যেভাবে শিক্ষা বিস্তৃত হয়েছে, সেভাবে শিক্ষার গুণগত মান বাড়েনি। অর্থাৎ শিক্ষার মানটা আমাদের বাড়াতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার মান বাড়াতে হলে শিক্ষকের দক্ষতা বাড়াতে হবে। শিক্ষকের দক্ষতা বাড়াতে হলে শিক্ষকের প্রাপ্ত আর্থিক সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে তাদের গবেষণার মান বাড়ানোর জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে।
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিবেশ যাতে অক্ষুণ্ন থাকে, তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। বর্তমানে যেখানে একটি রুমে চারজন শিক্ষার্থীকে মেঝেতে থাকতে হয়, পানির মতো ডাল পান করে জীবনধারন করতে হয়- এ ধরনের পরিবেশে শিক্ষার্থীদের পক্ষে ভালো ফলাফল নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সুতরাং বিদ্যমান আবাসন সংকট দূর করতে হবে, শিক্ষাবৃত্তির অর্থের পরিমাণ বাড়াতে হবে, নতুন বইপত্র লিখতে হবে, নতুন বইপত্র সংগ্রহের সুব্যবস্থা করতে হবে। সামগ্রিক পরিকল্পনার মাধ্যমে শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে।
যুগান্তর : সাবির্ক দিক বিবেচনায় আমাদের কী ধরনের জ্বালানি ব্যবহারে গুরুত্ব বাড়ানো উচিত?
এম এম আকাশ : আমাদের অন্যতম জ্বালানি-গ্যাসের মজুদ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে হবে এবং গ্যাসের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। জ্বালানির অন্যান্য উপকরণের ব্যবহারে জনস্বাস্থ্যের ওপর এর কী প্রভাব পড়ে- সে বিষয়ে গবেষণা অব্যাহত রাখতে হবে। পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহারে গুরুত্ব বাড়াতে হবে। কয়লা-বিদ্যুতে আমরা যেতে পারি, কিন্তু সুন্দরবন বা অপুরণীয় কোনো ক্ষতির বিনিময়ে নয়।
যুগান্তর : বিশ্বমন্দা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার প্রেক্ষাপটে অনুমান করা যায়, আগামীতেও এ অবস্থার পুনরাবৃত্তি হতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতি যাতে দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে না পারে সেজন্য কী ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে?
এম এম আকাশ : যুক্তরাষ্ট্রে সৃষ্ট মন্দা আমাদের দেশে তেমন ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের পোশাকশিল্পের বাজার যেটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, সে ক্ষতিটা আমরা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি ইউরোপ ও অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশে আমাদের রফতানির গতিমুখ পরিবর্তন করে। উন্নত দেশে মন্দার ফলে ওই দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়। ফলে উন্নত দেশে আমরা যেসব পণ্য রফতানি করি, সেসব পণ্যের রফতানি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং উন্নত দেশ থেকে আসা বৈদেশিক অনুদান কমে যায়। মন্দার প্রভাব সত্ত্বেও আমাদের গার্মেন্ট খাতে এ বছরেও রফতনি ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গার্মেন্ট খাতে অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠতে পারলে বিশ্বমন্দা সত্ত্বেও আমাদের তৈরি পোশাক খাতে রফতানির প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে।
একসময় উন্নয়ন বাজেটের একটি বড় অংশের জন্য বৈদেশিক অনুদানের ওপর নির্ভর করতে হতো। সে ধরনের চরম নির্ভরশীলতা থেকে আমরা বের হয়ে আসতে পেরেছি। এখন বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুর ১.২ বিলিয়ন ডলার না দিলে আমাদের কিছু যায় আসে না। আমরা ওই অর্থ মালয়েশিয়া থেকে আনতে পারি। আমাদের দুই মাসের রেমিট্যান্সে পদ্মা সেতুর মতো ব্যয়বহুল একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায়। বর্তমানে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও অনেক বেড়ে গেছে। বিশ্বমন্দার প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য দরকার একটা শক্তিশালী বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়। সেটা আমাদের আছে। সুতরাং এ নিয়ে আমাদের বেশি চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।
যুগান্তর : সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশে কী করণীয়?
এম এম আকাশ : সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের জন্য দরকার সংস্কৃতির ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন। নজরুল-রবীন্দ্রনাথ-জীবনানন্দ- এদের প্রদত্ত মূল্যবান সাংস্কৃতিক সম্পদের সঙ্গে বাউল সংস্কৃতির চর্চা অব্যাহত রাখতে পারলে যারা আমাদের সংস্কৃতিতে বিকৃতি ও অসহিষ্ণুতা ছড়াতে চায়, তাদের অপতৎপরতা রোধ করা সম্ভব হবে। তখন আবদুল করিম বয়াতির ভাষায় ‘আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম’ এটা না বলে এখন কী সুন্দর দিন কাটাইতেছি- এটা বলতে পারব।
এ অবস্থার সৃষ্টি হলেই আমাদের সামাজিক-মানবিক মূল্যবোধগুলো ফিরে আসবে। আর তার সঙ্গে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। দুর্নীতিকে আমরা এখন কমন স্ট্যান্ডার্ড ধরে নিয়েছি এবং আমরা অনেকে মনে করি, ঘুষ যে চাকরিতে আছে সেই চাকরিতে যাওয়াই শ্রেয়। আমরা অনেকে মনে করি, ঘুষটা খুব একটা অন্যায় কাজ নয়; এটার নামও বদলে দেয়া হয়েছে- উপরি। এই যে মূল্যবোধের একটা অবক্ষয় হয়েছে এবং খুব বড় বড় পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিরা দুর্নীতির উদাহরণ তৈরি করছে- এ অবস্থা থেকেও আমাদের মুক্ত হতে হবে। আর সেটার জন্য দরকার সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কী হতে পারে সামনের দিনগুলোতে by ড. তুহিন মালিক

অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ এরই মধ্যে শুধু ঢাকা শহরেই ১৬০০ প্রতিরোধ কমিটি গঠন করে রেখেছে। সঙ্গে পুলিশ-বিডিআর আর লগি-বৈঠা বাহিনী তো প্রস্তুত আছেই। বোঝাই যাচ্ছে, সমঝোতার উদ্যোগ তিরোহিত। আর সংঘাত অতি আসন্ন। মাননীয় মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী সোজাসাপ্টাই বলে দিয়েছেন, যারা হরতাল করবে তাদের ঘরে ঢুকে গুলি করে হত্যা করা হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, সরকারের বিরুদ্ধে কোনো আন্দোলন করা হলে তা হবে রাষ্ট্রদ্রোহিতা। এসব আলটিমেটাম আর রাজনীতির অংকশাস্ত্রে ২৫ অক্টোবরের পরে দেশে ‘কেয়ামত’ হবে বলে অনেকেই ভয় পাচ্ছেন। অবশ্য আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মাদ নাসিম বলেছেন, কেয়ামত হয়ে গেলেও তারা নির্বাচন করে ফেলবেন। ইহলোকের রাজনৈতিক সংঘাত এখন কেয়ামত পর্যন্ত পৌঁছে গেছে! তবে নাসিম সাহেবের কথা না শুনলে জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হবে, এটা মোটামুটি নিশ্চিত। নাসিম সাহেবের নির্দেশমতো তারা নিজেদের কপালে দুঃখ কেন অহেতুক টেনে আনতে যাবেন?
দুঃখ শুধু সরকারি কর্মকর্তাদের কপালে একা আসবে না। রিকশাওয়ালা-দিনমজুর থেকে শুরু করে স্কুলগামী শিশুদের জীবন পর্যন্ত প্রচণ্ড চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। একতরফা নির্বাচন করে ফেলা, নির্বাচন বানচালকারীদের প্রতিহত করা এবং নির্বাচনের পর বহাল তবিয়তে ক্ষমতায় টিকে থাকা- মোটা দাগে এই তিনটি কৌশল নিয়ে মাঠে নামবে সরকারি দল। সোজা কথায় যার অর্থ হচ্ছে, তিনটি ক্ষেত্রেই ব্যাপক শক্তি প্রয়োগ করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই। অর্থাৎ নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান কাজই হবে নির্যাতন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা।
এই প্রক্রিয়ায় একতরফা কোনো নির্বাচন জায়েজ করতে হলে সরকারের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হবে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের কাছ থেকে কোনোমতে একটা সার্টিফিকেট জোগাড় করা। তাছাড়া একতরফা নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য দেখাতে যে কোনো পন্থায়ই হোক না কেন, ৫১ শতাংশ ভোট পড়ার ব্যবস্থা করতে হবে সরকারকে। ভারতের অন্ধ সমর্থনকে শেষ পর্যন্ত ধরে রেখে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাদের সমর্থন আদায়ে জঙ্গি ইস্যুকে আরও ব্যাপকভাবে দৃশ্যমান প্রমাণ করাটাই হতে হবে সরকারের অন্যতম বহিঃকৌশল। দেশের সামরিক-বেসামরিক প্রশাসনে বিদ্যমান নিয়ন্ত্রণ শেষ পর্যন্ত কতটুকু সরকারের হাতে থাকবে, সেটাও একটা বড় প্রশ্ন। বিগত বিএনপি সরকারও সবকিছু নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েও শেষ রক্ষা পায়নি। ইয়াজউদ্দিন-মঈনউদ্দিন আর জেনারেল মাসুদ তো তাদেরই গুণগ্রাহী ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর খন্দকার মোশতাকের মন্ত্রিসভায় তো ১৯ জনই ছিলেন বঙ্গবন্ধুর বাকশাল মন্ত্রিসভার সদস্য। এই হিসাব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হয়তো ভুলে গেছেন। এত সতর্কতার পরও যেখানে যুদ্ধাপরাধের বিচারে স্কাইপ কেলেংকারি বা আগাম রায় ফাঁসের মতো ঘটনা ঘটতে পারে এবং মন্ত্রীদের পর্যন্ত যেখানে বলতে হয়, ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের লোক মিশে আছে, সেখানে কোথায় কোথায় জামায়াতের লোক মিশে আছে তা কি সরকার জানে?
সরকারের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের কঠিন জায়গাটি হচ্ছে নিজ জোটের বড়-ছোট দলগুলোকে যে কোনো মূল্যে নিজেদের আয়ত্তে রাখা। কিন্তু মহাজোটের মধ্যে দৃশ্যমান শরিক দল তো বলতে গেলে একটাই। আর তা হচ্ছে এরশাদের জাতীয় পার্টি। কিন্তু এরশাদ সাহেব তো প্রায় প্রতিদিনই মহাজোট ছাড়ার ঘোষণা দিচ্ছেন। তাই তাদের মহাজোটে থাকার সম্ভাবনা বেশ ক্ষীণ। এর মধ্যে সরকার সমর্থক বাম দলগুলো রামপাল ইস্যুতে ইতিমধ্যেই সরকারকে লালকার্ড দেখিয়ে দিয়েছে। শুধু ইনু আর দীলিপ বড়–য়ার ওপর ভর দিয়ে কি আর জোট টেকানো যাবে?
বাকি রইল গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজ। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে গ্রেফতারের ভয় সবার মনেই রয়েছে। মুখে কেউ কিছু বলতে সাহস পাচ্ছে না এখন। ক’দিন আগে আরেক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে ফেইসবুকে প্রধানমন্ত্রীর ছেলেমেয়েদের নামে পোস্ট দেয়ার অপরাধে। যে কাউকে এই আইনে গ্রেফতার করতে এখন আর পুলিশের জন্য কোনো অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না। আমার দেশ, দিগন্ত, ইসলামিক টিভি কিংবা আদিলুর রহমান বা মাহমুদুর রহমানের পরিণতি কারও হয়তো কাম্য নয়। কিন্তু ২৫ অক্টোবরের পর নির্যাতনকালীন গণমাধ্যম যে ঘুরে দাঁড়াবে না, তার নিশ্চয়তা সরকার দিতে পারবে কি? প্রধানমন্ত্রী তো বলেছেনই, রাত সাড়ে ১১টার পর থেকে টিভিগুলোতে টকশোর নামে সরকারের বিরুদ্ধে প্রচারণা শুরু হয়ে যায়। তাই তিনি ওই সময়ে বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয়ার কথাও বলেছিলেন। কিন্তু এটা হয়তো তিনি সত্যি সত্যি মিন করেননি। তবে নির্যাতনকালীন সময়ে টকশোর ওপরে সর্বপ্রথম কালো নিষেধাজ্ঞা বা অলিখিত সেন্সর যে আসবে না তা বলা কঠিন।
তাহলে কী হতে পারে সামনের দিনগুলোতে? সরকারের ক্ষমতায় টিকে থাকার কৌশল হিসেবে দেশে সংঘাত সৃষ্টি করে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়কে ব্যবহার করে সংবিধানের ১৪১ক অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করিয়ে সংবিধানের মৌলিক অধিকার স্থগিত করে ব্যাপক নিপীড়ন-নির্যাতন চালানো হতে পারে। কিংবা সরকার যদি তার নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই ফেলে, তখন পরিকল্পিতভাবে দেশব্যাপী আইন-শৃংখলার মারাত্মক অবনতি ঘটিয়ে তৃতীয় কোনো শক্তির কাছে ক্ষমতা অর্পণ করে তাদের দিয়ে চালানো হতে পারে নির্যাতনের স্টিম রোলার। তাই এককথায় বলা যায়, আলোচনায় সমঝোতা হলে হয়তো আমরা একটা প্রত্যাশিত নির্বাচনকালীন সরকারের দেখা পাব। অন্যথায় সংঘাতের বিনিময়ে শুধুই পাব নির্যাতনকালীন সরকার। কারণ যুগে যুগে একরোখা জনবিচ্যুত সরকারগুলো টিকে থাকতে এমন মরণ কামড়ই দিয়ে থাকে।
ড. তুহিন মালিক : আইনজীবী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনমত জরিপ ও টেকসই গণতন্ত্রের স্বরূপ by তারেক শামসুর রেহমান

বাংলাদেশে এখন ২৫ অক্টোবরকে ঘিরে একটা শংকা তৈরি হয়েছে। আরও একটা শংকা তৈরি হয়েছে ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে। খোকা ‘দা-কুড়াল’ নিয়ে তৈরি থাকার জন্য বিএনপির কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সঙ্গত কারণেই যে প্রশ্নটি আসে তা হচ্ছে, এই ‘দা-কুড়ালের’ আহ্বান বাংলাদেশে টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কোনো অবদান রাখাবে কিনা? আমরা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের ‘লগি-বৈঠা’ নিয়ে রাজনীতির মাঠ গরম করার খবরও জানি। দুঃখজনক হলেও সত্য, সেই একই স্টাইলে আমরা প্রত্যক্ষ করছি ‘দা-কুড়ালের’ আহ্বান। এর পেছনে হয়তো অনেকে যুক্তি দেবেন যে, ২০০৬ সালের ‘লগি-বৈঠার’ আহ্বানে যদি কোনো দোষ না হয়ে থাকে, তাহলে আজকের ‘দা-কুড়ালের’ আহ্বানেও কোনো দোষ নেই! এ নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। যে কেউ এ ধরনের কর্মসূচির পক্ষে ও বিপক্ষে যুক্তি তুলে ধরতে পারেন। এ ধরনের আহ্বান কোনো মতেই গণতন্ত্রের ভাষা হতে পারে না। গণতন্ত্র যে সহনশীলতার কথা বলে, এ ধরনের আহ্বানে সেই সহনশীলতা প্রকাশ পায় না। টেকসই গণতন্ত্র বিনির্মাণে এটা একটা বড় সমস্যা। এ ধরনের আহ্বান দেশে সহিংসতার জন্ম দিতে পারে। সরকার এটাকে তার স্বার্থে ব্যবহার করতে পারে। এবং সরকার তা-ই করেছে। বিএনপি কার্যালয় কোরবানির পর থেকেই অবরুদ্ধ হয়ে আছে। বিএনপিকে ২৫ অক্টোবরের জনসভা করার অনুমতি দেয়া হয়নি। জাতির উদ্দেশে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ সংকট নিরসনের আশা জাগালেও রাজধানীতে সব ধরনের মিছিল-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে সরকারের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
আসলে টেকসই গণতন্ত্রের সংজ্ঞা কী? যেখানে মহাজোট সরকারের অন্যতম শরিক জাতীয় পার্টিও বলছে, তারা একদলীয় নির্বাচনে অংশ নেবে না, সেখানে প্রধানমন্ত্রী টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবেন কীভাবে? দেয়ালের লিখন থেকে আমরা কেউ কিছু শিখি না। প্রধানমন্ত্রী অতীতে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার ছিলেন নিরপেক্ষ একটি নির্বাচনের জন্য। দেশে একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে তিনিই জামায়াতের সঙ্গে একাÍ হয়ে ১৯৯৫-৯৬ সালে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। সেদিনের ‘মিত্র’ আজকের শত্র“! আজ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নেই। তবে একটি সুযোগ ছিল আরও দুই টার্ম রাখার। কিন্তু তিনি তা রাখেননি। আজ তিনি যখন টেকসই গণতন্ত্রের কথা বলেন, তখন প্রশ্ন তো উঠবেই- শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রেখে যে গণতন্ত্র, তাকে আমরা টেকসই গণতন্ত্র বলব কিনা? তার উপদেষ্টারা, মন্ত্রীরা, দলের নীতিনির্ধারকরা যে ভাষায় কথা বলেন, বিরোধী দলকে আক্রমণ করে বক্তব্য রাখেন, তা টেকসই গণতন্ত্রের নমুনা কি? বনমন্ত্রীর একটি বক্তব্য- বেগম জিয়া তালেবানদের নেতা! তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে এ ধরনের বক্তব্য রাখা কতটুকু গণতান্ত্রিক কিংবা বনমন্ত্রীর সৌজন্যবোধ কতটুকু, সে প্রশ্ন করাই যায়। শুধু বনমন্ত্রী কেন, মোহাম্মদ নাসিমের একটি বক্তব্য ছাপা হয়েছে অনলাইনে। তার বক্তব্য ছাপা হয়েছে এভাবে, ‘খালেদা জিয়ার বুলেট তাড়া করে বেড়াচ্ছে শেখ হাসিনাকে’ (আরটিএন, ২৪ সেপ্টেম্বর)। এ দুটি বক্তব্য এটা প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট যে, রাজনৈতিক শিষ্টাচার বলতে যা বোঝায়, তা আওয়ামী লীগের নেতারা জানেন না। বিগত নির্বাচনে নাসিম সাহেব অযোগ্য ঘোষিত হয়েছিলেন। এখন আবার লাইম লাইটে আসতে চান। আবারও মন্ত্রী হতে চান! প্রধানমন্ত্রীকে খুশি করার জন্যই এসব কথা বলা। প্রথমবারের মতো সংসদে আসা বনমন্ত্রীর বেগম জিয়া সম্পর্কে মন্তব্য করা ঠিক হয়নি। রাজনীতিতে শিষ্টাচার একেবারেই উঠে গেছে। অপর পক্ষকে শ্রদ্ধাভরে কথা বলার (কিংবা রাজনৈতিকভাবে আক্রমণ করা) যে রেওয়াজ এক সময় ছিল, তা আর নেই। তরুণ প্রজন্ম কী শিখছে? বনমন্ত্রী হাছান মাহমুদ কিংবা সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাসিম তরুণ প্রজন্মের রাজনীতিকদের কী শেখাচ্ছেন?
নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী টেকসই গণতন্ত্রের যে কথা বলেছেন, তাতে প্রধান বিরোধী দলের কোনো অংশগ্রহণ নেই। অথচ প্রধান বিরোধী দল ও জোট মোট ভোটারদের ৩৮ ভাগের প্রতিনিধিত্ব করে। এখন ৩৮ ভাগ জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব যেখানে নেই, সেই গণতন্ত্র টেকসই হল কীভাবে? বিরোধী দলের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা স্থাপনের অপর নামই গণতন্ত্র। বাংলাদেশে এ মুহূর্তে সেটা অনুপস্থিত। বিরোধী দলকে বাইরে রেখে যে নির্বাচন, তা কি বাংলাদেশে টেকসই গণতন্ত্র উপহার দেবে? নির্বাচনের প্রশ্নে একটা সমাধান প্রয়োজন। নির্বাচনকালীন একটি সরকার দরকার, যার ওপর প্রধান বিরোধী দলের আস্থা থাকবে। প্রধানমন্ত্রী সংবিধানের দোহাই দেন বটে, কিন্তু সংবিধানের আওতায়ও একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। প্রয়োজন শুধু আন্তরিকতার। সেই সঙ্গে ‘বিচার মানি, কিন্তু তালগাছটা আমার’- এ মানসিকতা পরিবর্তন করাও জরুরি।
প্রধানমন্ত্রীর জন্য একটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তিনি ইতিহাসে স্থান করে নিতে পারতেন। কিন্তু তিনি সম্ভবত বেছে নিয়েছেন একদলীয় নির্বাচন। বাংলাদেশের যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি, তাতে নির্বাচনে অংশ নেয়ার লোকের অভাব নেই। রাজনৈতিক দলেরও অভাব নেই। নির্বাচন হতেই পারে। কিন্তু গ্রহণযোগ্যতা? ১৯৮৬ সালে দেশে নির্বাচন হয়েছিল। তাতে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত অংশ নিয়েছিল। কিন্তু প্রধান বিরোধী দল বিএনপি অংশ না নেয়ায় সেই নির্বাচন কোনো গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছিল ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করার জন্য ওই সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছিল। তাতে আওয়ামী লীগ অংশ নেয়নি। ফলে সংসদের কোনো গ্রহণযোগ্যতা ছিল না। সে সময় সংসদ টিকে ছিল মাত্র ১৩ দিন। যারা ওই সংসদে নির্বাচিত হয়েছিলেন, তাদের নিয়েও বিতর্ক কম হয়নি। বিতর্কের মুখে সংসদ ভেঙে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ওই সংসদের গুরুত্ব আছে একটি কারণে আর তা হচ্ছে, ওই সংসদেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল পাস হয়েছিল। এর পরের ইতিহাস সবার জানা। বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাসে একটি দলনিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আওতায় সপ্তম (১৯৯৬), অষ্টম (২০০১) ও নবম (২০০৮) জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছিল এবং ওই তিনটি নির্বাচন ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দু’দুবার বিজয়ী হয়ে (১৯৯৬, ২০০৮) সরকার গঠন করেছেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার এখন ইতিহাস। এ সরকার ভালো কী মন্দ ছিল, তা নিয়ে একসময় গবেষণা হবে। যে প্রেক্ষাপটে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল ঘোষিত হয়েছে তাও বিতর্কের ঊর্ধ্বে নয়। আদালতের রায়ে ওই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল ঘোষিত হয়েছে। কিন্তু উচ্চ আদালতের সুপারিশ গ্রহণ করা হয়নি। অনেকেই বলার চেষ্টা করেন, অনির্বাচিত একটি সরকার গণতন্ত্রের পরিপন্থী। এর পেছনে ‘সত্যতা’ যতটুকু আছে, তার চেয়েও বেশি ‘সত্য’ হচ্ছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে এ ধরনের একটি সরকারের গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি। আমরা টেকসই গণতন্ত্র চাই বটে, কিন্তু একজন দলীয় প্রধানকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হেসেবে রেখে এবং তাকে সব সুযোগ-সুবিধা দিয়ে যে নির্বাচন, সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। সরকার ২৫ অক্টোবর থেকে ২৪ জানুয়ারির (২০১৪) মধ্যে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন করবে। অপেক্ষা করছে বিএনপির সিদ্ধান্তের জন্য। নিঃসন্দেহে বিএনপি তথা ১৮ দলীয় জোটের জন্য এটা একটা কঠিন সময়। নির্বাচনকালীন সরকারের দাবিকে উহ্য রেখে বিএনপি যদি নির্বাচনে যায় (?), তাহলে সরকারের অবস্থান শক্তিশালী হবে। বিএনপি এ নির্বাচনে অংশ নেবে না বলেই জানিয়েছে।
এখন সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে দশম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু সে সংসদ কোনো সমাধান বের করতে পারবে না। ওই সংসদ তার টার্ম শেষ করতে না পারলেও তা টিকে থাকবে কিছুদিন। আমরা ১৯৮৬ সালের তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা চিন্তা করতে পারি। অনেকটা অংকের যোগফলের মতো বলে দেয়া যায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়েই একটা ‘সমাধান’ বের হবে এবং আমরা নির্বাচনকালীন একটা সরকারের রূপরেখা পাব। তবে এ মুহূর্তে বলা কঠিন, সেই সরকারের রূপরেখা কী হবে। নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করে যে সম্ভাবনার জন্ম হয়েছিল, তার ‘মৃত্যু’ ঘটেছে শুধু নির্বাচন কমিশনারদের অতিকথনের কারণে। অতীতেও নির্বাচন কমিশন তাদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারেনি। তাদের সবার যেন একটা টার্গেট ছিল মিডিয়ায় পরিচিতি পাওয়া। টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় যে মানসিকতা দরকার, তা কারও মধ্যেই নেই। ক্ষমতা ধরে রাখা কিংবা ফের ক্ষমতায় যাওয়ার যে ফন্দি, তা বাংলাদেশে টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনার ‘মৃত্যু’ ঘটিয়েছে। আমি তাই আশাবাদী হতে পারছি না। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বসভায় টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা বলেছিলেন বটে, কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে সে রকম কোনো উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। তাই বাংলাদেশে টেকসই গণতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেল।
নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র থেকে
ড. তারেক শামসুর রেহমান : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সহজিয়া কড়চা- গণতন্ত্র চাই, ষড়যন্ত্র নয় by সৈয়দ আবুল মকসুদ
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone! *** my internal no:atm.kutubi@BGS
About: ধূমকেতু এডমিন
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গদ্যকার্টুন- বড় সমস্যার একটা ছোট্ট সমাধান by আনিসুল হক
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone! *** my internal no:atm.kutubi@BGS
About: ধূমকেতু এডমিন
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাঁচ বছর পর বিজ্ঞাপনে ছবি
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone! *** my internal no:atm.kutubi@BGS
About: ধূমকেতু এডমিন
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইতিবাচক সাড়া আশা করছি: বিএনপি
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone! *** my internal no:atm.kutubi@BGS
About: ধূমকেতু এডমিন
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শ্রদ্ধাঞ্জলি- দুটি মানুষ চলে গেলেন নিভৃতে by সুলতানা কামাল
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone! *** my internal no:atm.kutubi@BGS
About: ধূমকেতু এডমিন
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দিল্লির চিঠি- সোনার খাজানার খোঁজে by সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone! *** my internal no:atm.kutubi@BGS
About: ধূমকেতু এডমিন
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্টিয়ারিং কন্যা by জাকারিয়া পলাশ
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone! *** my internal no:atm.kutubi@BGS
About: ধূমকেতু এডমিন
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদাকে ফোন করবেন হাসিনা by দীন ইসলাম
"& still even today I hear the mournful tune of the Sanai"Say,Valiant,High is my head!I am the rebel,the rebel son of mother-earth!Ever-high is my head.O travellers on the road of destruction,Hold fast Ur hammer,pick up Ur shovel,Sing in unison & advance.We created in the joy of our arms.We shall now destory at the pleasure of our feet.‘O Lord,For eight years have I lived & never did I say my prayers & yet,did U ever refuse me my meals for thet?Ur mosques & temples are not meant for men,Men heve no right in them.The mollahs & the Priests Heve closed their doors under locks & keys.’Comrades, Hammer away at the closed doors Of those mosques & temples,& hit with Ur shovel mightily.For,climbing on their minarets,The cheats are today glorifying Selfishness & hypocrisy.& creatr a new universe of joy & peace.Weary of struggles,I,the great rebel,Shall rest in quiet only when I find The sky & the air free of the piteous groans of the oppressef.Only when the dattlefields are cleared of jingling bloody sabres Shall I,weary of struggles,rest in quiet,I,the great rebel.I am the rebel-eternal,I raise my head beyond this world,High,ever-erect & alone! *** my internal no:atm.kutubi@BGS
About: ধূমকেতু এডমিন
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিন দিনের সফরে মনমোহন রাশিয়ায়
উল্লেখ্য, মোনমোহন সিং ১৪তম রুশ-ভারত সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন। রাশিয়া সফর শেষ করে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে যাওয়ার কথা রয়েছে তার। এদিকে রাশিয়ায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত অজয় মলহোত্র ‘রেডিও রাশিয়া’কে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, রাশিয়া এবং ভারত উভয়েই বিশ্বাস করে, অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক যোগাযোগ দুই দেশের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি ৪ অক্টোবরে মস্কোয় অনুষ্ঠিত দুই দেশীয় আন্তঃসরকারি বৈঠকে বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও সাংস্কৃতিক বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
October
(362)
-
▼
Oct 22
(12)
- সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে রাজনৈতিক অস্থিরতার অবসান হবে...
- কী হতে পারে সামনের দিনগুলোতে by ড. তুহিন মালিক
- জনমত জরিপ ও টেকসই গণতন্ত্রের স্বরূপ by তারেক শামসু...
- সহজিয়া কড়চা- গণতন্ত্র চাই, ষড়যন্ত্র নয় by সৈয়...
- গদ্যকার্টুন- বড় সমস্যার একটা ছোট্ট সমাধান by আনিস...
- পাঁচ বছর পর বিজ্ঞাপনে ছবি
- ইতিবাচক সাড়া আশা করছি: বিএনপি
- শ্রদ্ধাঞ্জলি- দুটি মানুষ চলে গেলেন নিভৃতে by সুলতা...
- দিল্লির চিঠি- সোনার খাজানার খোঁজে by সৌম্য বন্দ্যো...
- স্টিয়ারিং কন্যা by জাকারিয়া পলাশ
- খালেদাকে ফোন করবেন হাসিনা by দীন ইসলাম
- তিন দিনের সফরে মনমোহন রাশিয়ায়
-
▼
Oct 22
(12)
-
▼
October
(362)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
