Wednesday, May 7, 2025
ব্যাটারিচালিত রিকশা: অপেক্ষা করছে মহাদুর্ভোগ by কামরান রেজা চৌধুরী
প্রথম আলোয় প্রকাশিত এক খবরে জানা যায়, বুয়েটের একটি কারিগরি দল ব্যাটারি রিকশার নতুন ‘নিরাপদ নকশা’ করেছে এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনও ওই নকশার রিকশাকে ঢাকায় চলাচলের অনুমতি দেবে বলে জানিয়েছে। তারা ভুলে গেল যে এগুলোর পরিবেশ ছাড়পত্র দেবে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং রাস্তায় চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দায়িত্ব বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের। সিটি করপোরেশনের নয়।
যা–ই হোক, এই ঘোষণার ফলে ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধ হবে না; বরং নতুন ডিজাইনের রিকশা বানানোর হিড়িক লেগে যাবে এবং ভবিষ্যতে এদের দৌরাত্ম্য আরও বৃদ্ধি পাবে। যানজট মারাত্মক বৃদ্ধি পাবে। মানুষের কর্মঘণ্টা কমতে থাকবে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে মানুষের আয়ে এবং সার্বিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর।
বাংলাদেশে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকের সঠিক সংখ্যা নেই। তবে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সংসদে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, বাংলাদেশে ৪০ লাখ ইজিবাইক ও ব্যাটারিচালিত রিকশা রয়েছে। তবে গত এক বছরে এদের সংখ্যা যে হারে বেড়েছে, তা কমপক্ষে ৬০ লাখ হয়েছে বললে ভুল হবে না।
অনেকেই বলতে পারেন, ‘পরিবেশবান্ধব’ এই রিকশায় কী ক্ষতি? কাঠামো নিরাপদ করা গেলে সমস্যা কোথায়? বরং পায়ে টানা অমানবিক রিকশা ও ভ্যানের চেয়ে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক অনেক ভালো, দ্রুতগতির ইত্যাদি।
ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকের সমালোচনা এলেই বলা হয়, এর মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি হয় বেশি, চালকেরা উল্টোপথে যাচ্ছেতাইভাবে চলাচল করেন।
কিন্তু দুর্ঘটনা ছাড়াও সবার অলক্ষ্যে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক দেশ ও সমাজের যে অপূরণীয় ক্ষতি ও সর্বনাশ করে যাচ্ছে, সেই আলোচনা তেমন নেই। সর্বনাশটি হলো, ক্রমবর্ধমান সিসা দূষণ, যা বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করে দিতে পারে। শুধু সিসা দূষণ নয়, সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে ধ্বংস ডেকে আনবে এই ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক।
আলোচনার শুরুতে ব্যাটারিচালিত রিকশার ভালো দিকে দিয়েই শুরু করি। ডিজেল, পেট্রল, লুব্রিকেটিং ওয়েল লাগে না, তাই ধোঁয়া থাকে না, বায়ুদূষণ করে না এরা। চার থেকে পাঁচটি ব্যাটারি নিয়ে এক সেট সিসা ব্যাটারি দিয়ে চলে এই রিকশা ও ইজিবাইক। বিভিন্ন ক্ষমতার ও ওজনের সিসা ব্যাটারি থাকে এগুলোতে। বৈদ্যুতিক লাইনে লাগিয়ে চার্জ দিলে ব্যাটারি চার্জ ধরে রাখে। সেই চার্জ দিয়ে মোটর চলে এবং বাহনটি চলাচল করে।
প্রকারভেদে একটি রিকশা ও ইজিবাইকে ৫০ থেকে ১০০ কেজির বেশি সিসা ব্যাটারি থাকে। বেশি সময় ধরে বেশি ওজন বহন করার কারণে এক সেট ব্যাটারি ছয় থেকে আট মাস চলে। এরপর নতুন আরেক সেট ব্যাটারি লাগাতে হয়। মোটাদাগে ধরা যায়, একটি রিকশার প্রতিবছর কমপক্ষে ১০০ কেজি সিসা বর্জ্য উৎপাদন করে।
ব্যাটারির কার্যকারিতা শেষ হওয়ার পর সেগুলো অর্ধেকের কম দামে বিক্রি হয়।
বাংলাদেশে বৈজ্ঞানিকভাবে পুনঃ চক্রায়ণ (রিসাইকেল) শিল্প তেমন গড়ে ওঠেনি। এ কারণে নষ্ট ব্যাটারিগুলো দেশের বিভিন্ন আনাচকানাচে, প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে লোকচক্ষুর অন্তরালে অনানুষ্ঠানিক ‘ব্যাটারি ভাঙার কারখানা’ গড়ে উঠেছে। সেখানে ছোট ছোট শিশুরা এবং অত্যন্ত দরিদ্র মানুষগুলো কোনো রকম সুরক্ষা ছাড়াই ব্যাটারি ভেঙে পানিতে ধুয়ে সিসা বের করার কাজ করে। সিসা ধোয়া পানি সরাসরি কৃষিজমি এবং নদী, নালা, খাল-বিলে ফেলে দেওয়া হয়। এরপর ব্যবহৃত সিসা আগুনে গলিয়ে গোলা তৈরি করে নতুন ব্যাটারি তৈরির কারখানায় বিক্রি করা হয়।
আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে (আইসিডিডিআরবি) ব্যাটারি রিকশা ও সিসা দূষণ নিয়ে গবেষণা করেছেন ড. মাহবুবুর রহমান। তিনি আমাকে জানান, পোড়ানোর ফলে সর্বোচ্চ ৮০ ভাগ সিসা ফেরত পাওয়া যায়। বাকি ২০ ভাগ মাটি, নদী, খাল, বিলসহ পরিবেশে নিক্ষিপ্ত হয়। অর্থাৎ রিকশাপ্রতি গড়ে ২০ কেজি সিসা হিসাবে ধরলে, ৪০ লাখ বাহনে প্রতিবছর ৮০ কোটি কেজি সিসা যুক্ত হচ্ছে আমাদের পরিবেশে। সিসা ধ্বংস হয় না। চিন্তা করুন, আগামী ১০ বছরে সিসা দূষণ আমাদের কোথায় নিয়ে যাবে!
পরিবেশে নিক্ষিপ্ত সিসা পানি থেকে মাছ, পশু, হাঁস-মুরগি ও অন্যান্য প্রাণীর শরীরে যায়। সিসাযুক্ত পানি কৃষিকাজে ব্যবহারের কারণে সেগুলো খাদ্যচক্রের মাধ্যমের মানবদেহে প্রবেশ করে। নারীর শরীর থেকে শিশুদের শরীরে চলে যায়। আবার সিসাযুক্ত পানি ভূগর্ভস্থ পানি দূষিত করে। সেই পানি আমরা পান করি।
প্রশ্ন আসতে পারে, তাতে ক্ষতি কী? হ্যাঁ, ক্ষতি আছে। মনে রাখতে হবে, সিসা একটি মারাত্মক ধাতু, যা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করে।
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ইনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সি (ইপিএ) বলছে, সিসা শিশুদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে। বুদ্ধি (আইকিউ) কমিয়ে দেয়, মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত করে, শিক্ষা এবং আচরণগত জটিলতা সৃষ্টি করে, শিশুদের বিকাশ কমিয়ে দেয়, শ্রবণশক্তির সমস্যা ও মাথাব্যথা সৃষ্টি করে।
২০২০ সালের জুলাই মাসে নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত প্রথম বৈশ্বিক সিসা দূষণ নিয়ে প্রকাশিত ইউনিসেফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সারা বিশ্বে ৮০ কোটি শিশুর শরীরে অতিমাত্রায়; অর্থাৎ প্রতি ডেসিলিটার রক্তে পাঁচ মাইক্রোগ্রাম সিসা রয়েছে। সারা বিশ্বের মধ্যে সিসা দূষণের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। বাংলাদেশে প্রতি ডেসিলিটার রক্তে পাঁচ মাইক্রোগ্রাম অথবা তার চেয়ে বেশি সিসা রয়েছে, এমন শিশুর সংখ্যা ৩ কোটি ৫৫ লাখ।
(আইসিডিডিআরবি) গবেষক ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, তাঁর গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে একটি শিশুর রক্তে প্রতি ডেসিলিটারে ৪৬ মাইক্রোগ্রাম সিসা পাওয়া গেছে। যেখানে রক্তে সিসার সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য পরিমাণ সাড়ে তিন মাইক্রোগ্রাম প্রতি ডেসিলিটার।
কেবল শিশুরা নয়, বয়স্করাও সিসা দূষণের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হন। প্রথমত, নারী-পুরুষনির্বিশেষে প্রজননসমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ ও হাইপারটেনশন ও স্নায়বিক সমস্যা সৃষ্টি করে, স্মরণশক্তি এবং মনোযোগ কমিয়ে দেয়, পেশি ও গিরায় ব্যথা সৃষ্টি করে।
সিসা দূষণ একদিকে শিশুদের হাবাগোবা করবে, বুদ্ধিহীন করবে আর অন্যদিকে নারী-পুরুষের প্রজননক্ষমতা কমাবে। কী হবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ?
এই ব্যাটারিচালিত বাহনগুলো চালকদের আয়ের পথ করেছে। দিনে গড়ে এক হাজার টাকা আয় করছেন চালকেরা। কিন্তু তাঁরা আয় করছেন শর্ষে আর ক্ষতি হচ্ছে বেলসমান।
এসব চালকের কোনো শারীরিক শ্রম নেই। সিটে বসে থেকে সুইচ টিপলেই চলে রিকশা। সামনেও যায়; পেছনেও যায়। এসব চালক শারীরিক পরিশ্রম না করে প্রতিদিন বেশি পরিমাণ ভাত খেয়ে রিকশা চালিয়ে শান্তিতে ঘুমান। এ চালক ভাইদের অনেকেই আগে খেতখামারে কাজ করতেন। শরীর ভালো থাকত। এখন আর করেন না। শারীরিক পরিশ্রম না থাকায় অনেক রিকশাচালক ইতিমধ্যে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন এবং পড়ছেন। ভবিষ্যতে এই সংখ্যা আরও বাড়বে, সন্দেহ নেই।
একবার ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে তার সঙ্গে অন্যান্য রোগ হবেই। ফলে এসব মানুষের কর্মক্ষমতা কমতে থাকবে। এ ছাড়া তাঁরা যে আয়টি করছেন, সেই আয়ের চেয়ে বেশি টাকা ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য রোগের চিকিৎসার জন্য ব্যয় করতে হবে। পরিবার হবে নিঃস্ব।
তরুণ চালকদের যাঁরা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবেন, তাঁদের অনেকেরই সংসার টিকবে না। দেখা দেবে পারিবারিক সহিংসতা। যার নিদারুণ শিকার হবেন নারী ও শিশুরা। সমাজে দেখা দেবে হানাহানি, ব্যাভিচার।
অধিকন্তু এভাবে লাখ লাখ নতুন মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে আমাদের চিকিৎসাব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। দেশে চিকিৎসার মান আরও নিম্নমুখী হবে এবং মানুষ বাধ্য হয়েই বিদেশে চিকিৎসা করতে যাবেন। বাইরে চলে যাবে কোটি কোটি বৈদেশিক মুদ্রা।
চালকেরা যেভাবে কুঁজো হয়ে পা গুটিয়ে এগুলো চালান এবং ঝাঁকি খান, তাতে খুব অচিরেই তাঁদের মেরুদণ্ড এবং কোমরব্যথা শুরু হবে। তা ছাড়া নারী যাত্রীদের জন্য ভাঙা ও অসমতল রাস্তায় যাওয়ার সময় তাঁদের বিভিন্ন প্রজননস্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে আসবে। গর্ভবতী নারীদের জন্য মারাত্মক বাহন এই ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক।
স্বাস্থ্য খাতে এই বাড়তি বোঝা কি আমরা নিতে পারব?
ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকের কারণে আমাদের কৃষি খাতে শ্রমিকদের সংখ্যা কমছে। মাঠে ধান পড়ে থাকে। কাটার লোক পাওয়া যায় না।
অর্থনীতিবিদেরা বলবেন, দেশ উন্নত হলে কৃষিতে শ্রমশক্তি কমবে, বাড়বে সেবা খাতে। কিন্তু আমাদের শ্রমশক্তি ব্যাটারি রিকশাচালক হচ্ছেন অথবা কায়িক শ্রমিক হয়ে বিদেশে জীবন দিচ্ছেন। এভাবে কি উন্নত, মর্যাদাসম্পন্ন, জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ হবে?
সর্বনাশা ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক বন্ধ করা হোক। রক্ষা করা হোক পরিবেশবান্ধব পায়ে টানা রিকশা। অমানবিক মনে হলেও আমার শ্রমঘন দেশের পায়ে টানা রিকশা অনেক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, সিসা দূষণ থেকে রক্ষা করবে, দেশ-সমাজ বাঁচবে নীরব ঘাতক এই ব্যাটারি রিকশা থেকে।
সিসামুক্ত বিশ্বের জন্য আন্দোলন চলছে দেশে দেশে। কিন্তু আমরা কী করছি? এভাবে প্রতিদিন ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকের সংখ্যা বাড়তে থাকলে আমাদের ভবিষ্যৎ কী হবে, সেটি নিয়ে ভেবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে বাংলাদেশের জন্য মহাদুর্ভোগ অপেক্ষা করছে।
* কামরান রেজা চৌধুরী সাংবাদিক
| নতুন ডিজাইনের রিকশা বানানোর হিড়িক লেগে যাবে এবং ভবিষ্যতে এদের দৌরাত্ম্য আরও বৃদ্ধি পাবে। ছবি : প্রথম আলো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানে হামলা চালাতে গিয়ে ভয়াবহ ক্ষতির মুখে ভারত
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী নিশ্চিত করে বলেন, ভারতীয় যুদ্ধবিমান ধ্বংসের পর পাকিস্তান বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমানগুলো নিরাপদে ফিরে এসেছে।
ভারতীয় বিমান বাহিনীর (আইএএফ) ধ্বংসপ্রাপ্ত জেটের মধ্যে তিনটি ফরাসি তৈরি রাফায়েল, একটি এসইউ৩০এমকেআই এবং একটি এমআইজি-২৯ ফুলক্রাম রয়েছে বলে রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন সামরিক মুখপাত্র।
অন্যদিকে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলওসি) ধুন্দিয়াল সেক্টরে ভারতীয় সেনাদের ব্রিগেড সদরদপ্তর ধ্বংস করেছে এবং একটি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে। নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর অবস্থানের সঙ্গে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর তীব্র গুলি বিনিময় চলছে।
পাকিস্তানের বিমান ভূপাতিত করার দাবি সম্পর্কে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করেনি। তবে এসব যুদ্ধবিমান ধ্বংস হলে তা হবে কয়েক দশকের মধ্যে ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষতি। ফলে যুদ্ধ তীব্রতর হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করবে।
উল্লেখ্য, কাশ্মীরের পেহেলগাঁওয়ে সম্প্রতি এক সন্ত্রাসী হানায় ২৬ জন নিরীহ পর্যটক নিহত হন। এ ঘটনায় ভারত পাকিস্তানকে দায়ি করছে, অন্যদিকে পাকিস্তান হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
তবে উত্তেজনার মধ্যে মঙ্গলবার মধ্যরাতে পাকিস্তানের একাধিক শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারতীয় সেনারা। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’। অন্যদিকে, ভারতীয় হামলাকে ‘বিনা প্ররোচনায় কাপুরুষোচিত’ বলে আখ্যা দিয়েছে পাকিস্তান। তারা পাল্টা জবাব দেওয়া শুরু করেছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারত দেশের নাগরিকদের সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানাচ্ছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া উত্তর ভারতগামী ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হামলা চালিয়েছে ভারত, ৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে পাকিস্তান, নিহত ৮
ভারতের এ হামলাকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। পাকিস্তানের আইএসপিআরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতের পর কোটলি, ভাওয়ালপুর, মুরিদকে, বাগ ও মুজাফ্ফরবাদে ‘কাপুরুষোচিত’ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। পাকিস্তান সেনাবাহিনী ইতিমধ্যে এর বদলা নিতে শুরু করেছে।
উল্লেখ্য, গত ২২শে এপ্রিল ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর হামলায় ২৬ জনের প্রাণহানি হয়। এর পর থেকে পারমাণবিক ক্ষমতাধর দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এ হামলা চালাল ভারত। পাকিস্তানের আইএসপিআরের মহাপরিচালক বলেন, ‘কাপুরুষ শত্রু ভারত এখন থেকে কিছু সময় আগে ভাওয়ালপুরের আহমেদ ইস্ট এলাকার সুবহান্নাল্লাহ মসজিদ, কোটলি ও মুজাফ্ফরবাদের অন্তত তিন জায়গায় বিমান হামলা চালিয়েছে।’ হামলাগুলো ভারতের আকাশসীমা থেকে চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
পাকিস্তান এর সমুচিত জবাব দেবে উল্লেখ করে এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, ‘এই ঘৃণ্য উসকানি জবাব ছাড়া পার পাবে না।’ তিনি জানান, আহমেদপুরে একটি মসজিদে হামলা হয়েছে। কাছের একটি বাড়িও আক্রান্ত হয়েছে। সেখানে একটি শিশু ও তার বাবা-মা আটকা পড়েছেন। তাদেরকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। কোটলিতেও একটি মসজিদে হামলা হয়েছে। মুজাফ্ফরবাদে একটি সড়কে ক্ষেপণাস্ত্র পড়েছে। তাতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পাকিস্তানি বাহিনী স্থল ও আকাশপথে এই হামলার জবাব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর কোনো স্থাপনাকে এই অভিযানে নিশানা করা হয়নি। পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের মুজাফ্ফরাবাদে বুধবার গভীর রাতে বড় ধরনের একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একটি সম্ভাব্য নিশানা ছিল মুজাফ্ফরাবাদের বিলাল মসজিদ। ওই মসজিদের পাশেই বসবাস করেন মোহাম্মদ ওয়াহিদ। তিনি বলেন, আমার খুব ঘুম পাচ্ছিল এমন সময় প্রথম বিস্ফোরণে আমার বাড়িটা কেঁপে ওঠে। আমি দৌড়ে রাস্তায় বের হই। সেখানে দেখি অন্যরাও একই কাজ করছে। আমরা তখনও বুঝে উঠতে পারিনি কী হচ্ছে। এর মধ্যেই আরও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও বিশৃংখলা দেখা দেয়।
পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফ্ফরাবাদে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার একটি জায়গার আশপাশের বাসিন্দারা প্রাণ ভয়ে ঘরবাড়ি ছেড়ে আসেন। ওয়াহিদ বলেন, ডজনখানেক মানুষ আহত হয়েছেন এবং তাদের প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে ওয়াহিদ বলেন, ‘বাচ্চারা কাঁদছে, মহিলারা দৌড়াদৌড়ি করছে, তাঁরা নিরাপদ আশ্রয় খুঁজছে। আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম। আমরা জানিই না কী করব। মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছে, আর চারদিকে এক অজানা অনিশ্চয়তা ছড়িয়ে পড়েছে।’
তিনি বলেন, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তিনি বুঝে উঠতে পারছিলেন না একটি মসজিদ কেন হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হলো। ওয়াহিদ বলেন, ‘এটা তো সাধারণ একটা মসজিদ ছিল, যেখানে আমরা দিনে পাঁচবার নামাজ পড়তাম। আমরা এই মসজিদ ঘিরে কখনো সন্দেহজনক কিছু দেখিনি।’

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় প্রতি ৪০ মিনিটে এক শিশুকে হত্যা
সোমবার দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে সংবাদ সম্মেলন করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা মারওয়ান আল-হামস। তিনি বলেন, ইসরায়েলের হামলায় নিহত মোট শিশু ১৬ হাজার ২৭৮ জন। এর মধ্যে ৯০৮ জন একেবারে ছোট শিশু এবং ৩১১ জন নবজাতক রয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় নির্বিচার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। চলতি বছরের শুরুর দিকে মাস দুয়েকের যুদ্ধবিরতি চললেও গত ১৮ মার্চ তা লঙ্ঘন করে আবার হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, এই সময়টাতে সেখানে মোট ৫২ হাজার ৬১৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৭৫২ ফিলিস্তিনি। বহু মানুষ এখনো নিখোঁজ।
সংবাদ সম্মেলনে মারওয়ান আল-হামস বলেন, গত ২ মার্চ থেকে গাজায় কোনো ত্রাণসহায়তা প্রবেশ করতে দিচ্ছে না ইসরায়েল। এতে উপত্যকাটিতে সাধারণ মানুষের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। হাজার হাজার শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা নারী চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন না। অনেক শিশুকে দিনে একবার খাবার খেয়ে থাকতে হচ্ছে। তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে খাওয়ার পানির।
এরই মধ্যে গাজা ‘দখলের’ নতুন পরিকল্পনা অনুমোদন দিয়েছে ইসরায়েল। এর অংশ হিসেবে ফিলিস্তিনিদের উপত্যকাটির দক্ষিণে সরিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এতে আবার বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকির মুখে পড়েছেন গাজার অধিবাসীরা। মারওয়ান আল-হামস বলেন, উদ্বাস্তু শিবিরগুলোতে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ছাড়া শিশুদের থাকতে হচ্ছে। হাসপাতালে যেতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে নারীদের।
এমন পরিস্থিতিতে আজ মঙ্গলবার গাজা নিয়ে নতুন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোৎরিচ। তিনি বলেছেন, গাজায় ‘কয়েক মাসের মধ্যে বিজয় ঘোষণার’ অবস্থায় রয়েছেন তাঁরা। খুব শিগগির উপত্যকাটি ‘পুরোপুরি ধ্বংস’ করা হবে। সেখানকার মানুষজনকে দক্ষিণে সরিয়ে নেওয়া হবে। পরে তাঁদের সেখান দিয়ে তৃতীয় কোনো দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
![]() |
| গাজায় ইসরায়েলের হামলায় আহত শিশুদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ফাইল ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানে হামলা: ভারতের দুটি জেট বিমান ভূপাতিত করল পাকিস্তান
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের পাঞ্জাব ও আজাদ কাশ্মীরের শহরগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে পাকিস্তান ভারতীয় বিমান বাহিনীর (আইএএফ) দুটি জেট বিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে। ভারতের এই হামলায় কমপক্ষে ৩ পাকিস্তানি নিহত এবং ১২ জন আহত হয়েছে।
পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী ভারতের এই আগ্রাসনের যোগ্য জবাব দিচ্ছে।
নিরাপত্তা সূত্র জানায়, পাকিস্তান বিমান বাহিনী এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারতের এই কাপুরুষোচিত হামলার বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃঢ় প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে।
এর আগে পাকিস্তানে হামলা চালিয়েছে ভারত। মঙ্গলবার (৬ মে) রাতে পাকিস্তান ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে।
পাকিস্তানের কর্মকর্তাদের বরাতে দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, এ হামলায় এক শিশুসহ কমপক্ষে ৩ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ১২ জন আহত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী জানিয়েছেন, ভারতের কাপুরুষোচিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাকিস্তানের কোটলি, বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে, বাগ এবং মুজাফফরাবাদে তিনজন নিহত এবং ১২ জন আহত হয়েছেন।
ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাতে স্কাই নিউজ জানিয়েছে, পাকিস্তান এবং পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২২ এপ্রিল ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে একটি সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হয়। পরে ভারত এ ঘটনায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ তোলে। এরপর থেকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমাগত বাড়ছে। যদিও এ অভিযোগ পাকিস্তান অস্বীকার করেছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুদ্ধবিরতি আলোচনার আর কোনো অর্থ নেই : হামাস
এদিকে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তেনিও গুতেরেস সতর্ক করে বলেন, গাজায় ইসরাইলের স্থল অভিযান সম্প্রসারণের ফলে আরও অসংখ্য বেসামরিক নাগরিক নিহত হবেন। এছাড়া সাম্প্রতিক ঘটনাবলিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেন, গাজায় খাদ্য সরবরাহ করবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি। ট্রাম্প বলেন, গাজার মানুষ ক্ষুধার্ত এবং আমরা তাদেরকে খাবার দিয়ে সহায়তা করবো। তবে হামাস সবকিছু জটিল করে তুলছে। উল্লেখ্য, ২রা মার্চ গাজার উদ্দেশে যাওয়া সকল সাহায্য বন্ধ করে দেয় ইসরাইল। এর দুই সপ্তাহ পর যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে তারা উপত্যকাটিতে পুনরায় হামলা চালায়। বলা হয়, জিম্মি মুক্তির বিষয়ে হামাসকে চাপ দিতেই ওই হামলা চালানো হয়েছে।
প্রতি ২-৩ দিনে মাত্র এক বেলা খাবার পায় গাজার মানুষ: জাতিসংঘ
গাজার মানবিক সহায়তা বন্ধ করায় উপত্যকাটির লাখ লাখ মানুষকে এক অবর্ণনীয় ক্ষুধা গ্রাস করেছে। প্রতি দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে মাত্র এক বেলা খাবার পাচ্ছে গাজাবাসী। ফিলিস্তিনিদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্মসংস্থান সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) এ তথ্য জানিয়েছে। গাজাবাসীর এমন করুণ পরিণতির জন্য উপত্যকায় ত্রাণ সহায়তা ঢুকতে ইসরাইলের বাধাকে দায়ী করেছে সংস্থাটি। এ খবর দিয়েছে তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু। এতে বলা হয়, আল-গাদ নামের একটি টিভি চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ইউএনআরডব্লিউএ এর মুখপাত্র আদনান আবু হাসনা বলেছেন, তীব্র অপুষ্টিতে ভোগা শিশুর সংখ্যা ৬৬ হাজার। ২ মার্চ থেকে গাজার সীমান্ত গুলোতে অবরোধ দিয়েছে ইসরাইল। খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধা দিচ্ছে তারা। ফলত যুদ্ধবিধ্বস্ত উপত্যকাটিতে মানবিক সংকট আগের তুলনায় আরও প্রকট হয়েছে। কর্মরত মানবাধিকার সংস্থাগুলোর রিপোর্ট বলছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের হামলার পর ক্ষুধায় এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৫৭ ফিলিস্তিনি। গাজায় বর্তমানে প্রায় ২৪ লাখ মানুষের বসবাস। যাদের প্রত্যেকেরই কোনো না কোনোভাবে মানবিক সহায়তার প্রয়োজন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কংগ্রেসের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী তিন দিন আগেই পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হামলার খবর জানতেন: ১৪ প্রশ্ন তৃণমূলের
মঙ্গলবার রাঁচির এক সভায় কংগ্রেস সভাপতি বলেন, আমি সংবাদপত্রে পড়েছি যে ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও হামলার তিন দিন আগে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি গোয়েন্দা রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল। তাই তিনি কাশ্মীর সফর বাতিল করেন । যখন গোয়েন্দা সংস্থাগুলি আপনাকে বলেছিল যে সেখানে যাওয়া ঠিক হবে না, তখন আপনি কেন পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য ভাগ করে নেননি?' খাড়গের কথায়, 'সরকার স্বীকার করেছে যে পহেলগাঁওয়ে ছুটি কাটাতে আসা পর্যটকদের উপর সন্ত্রাসীরা গুলি চালিয়ে ২৬ জনকে হত্যা করেছিল। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, 'আমাদের প্রশ্ন হল আপনি যখন জানতেন, তাহলে কেন সঠিক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি?'
অন্যদিকে, কংগ্রেস সভাপতিকে এই মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি তুলেছে বিজেপি। খাড়গেকে নিশানা করে বিজেপির মুখপাত্র সিআর কেশবন বলেন, 'তিনি আধুনিককালের মীর জাফরের মতো বিশ্বাসঘাতক ভাষণ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তার বিষাক্ত, ভিত্তিহীন ক্ষোভ অত্যন্ত নিন্দনীয়। খাড়গের মন্তব্য ক্ষমার অযোগ্য। তাকে স্পষ্ট করে বলতে হবে যে তিনি এই ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য করার জন্য কোথা থেকে তথ্য পেয়েছেন।'
পেহেলগাম হামলার ১৪ দিন পর মোদির কাছে ১৪ প্রশ্ন তৃণমূলের by সেবন্তী ভট্টাচার্য্য
পেহেলগাম সন্ত্রাসী হামলার পর থেকেই ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারতের অভিযোগ, ওই ঘটনায় সীমান্তপারের যোগ রয়েছে। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। এএনআই সূত্রে খবর, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে পাকিস্তানের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, পেহেলগামের ওই ঘটনায় লস্কর-ই তৈয়বার কোনও যোগ রয়েছে কিনা। দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের পরামর্শও দেয়া হয়েছে পাকিস্তানকে। যদিও সেই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের দু’সপ্তাহ পেরিয়ে যাবার পর এখনও অধরা মাস্টারমাইন্ডরা। কেন এখনও অধরা ? এই প্রশ্নে মোদি সরকারকে বারবার বিদ্ধ করেছেন বিরোধীরা। এবার পেহেলগাম হামলার ১৪ দিনে মোদি সরকারের কাছে ১৪ দফা প্রশ্ন তুলে ধরলো পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূল। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে সন্ত্রাসী হামলায়, স্বজনহারা পরিবার, দেশের নিরাপত্তা নিয়ে একে একে ১৪টি প্রশ্ন তোলা হয়েছে ঘাসফুল শিবিরের তরফে। সেইসঙ্গে কটাক্ষ করে দাবি, ‘উত্তর দিন মৌনমোদী।’শোকের আবহেও দেশজুড়ে ক্ষোভের আঁচ দেখা গেছে। প্রত্যাঘাত চাইছেন সকলে। দফায় দফায় সেনাবাহিনীর প্রধান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক সারছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তৎপরতা সেনাবাহিনীতেও। জোর দেয়া হয়েছে মহড়ায়। যুদ্ধ যুদ্ধ আবহ। তবে এখনও পর্যন্ত হামলাকারীদের নাগাল পাওয়া যায়নি। এবার তৃণমূলের তরফে কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হল সোশাল মিডিয়ায়। নৃশংস হামলার ১৪ দিন পর প্রশ্ন তোলা হলো -
অবিচারের ৩৩০ ঘণ্টা পার, তবু কেন সব সন্ত্রাসী এখনও ধরা পড়ল না?
তদন্তের অগ্রগতি কী?
কেন আগাম ইঙ্গিত সত্ত্বেও এত বড় হামলা এড়ানো গেল না?
কেন নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ না করে প্রধানমন্ত্রী বিহারের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন?
এই মুহূর্তে দেশের সুরক্ষায় কী ব্যবস্থা নিয়েছে কেন্দ্র?
এমন হাজারো প্রশ্নের মাঝে রয়েছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি জিজ্ঞাসাও। সীমান্ত সুরক্ষার কাজ করতে গিয়ে পাক রেঞ্জার্সের হাতে ‘বন্দি’ পশ্চিমবঙ্গের জওয়ান পূর্ণম কুমার সাউকে কবে দেশে ফেরানো হবে?

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কানাডা থেকে বিচ্ছিন্ন হতে গণভোটের প্রস্তাব দিলেন আলবার্টার প্রধানমন্ত্রী
একটি প্রাদেশিক গণভোটের জন্য আবেদনকারীদের যেসব শর্ত পূরণ করতে হতো, সেই বাধা কমিয়ে আনতে একটি আইন প্রণয়ন করেছে আলবার্টার ক্ষমতাসীন দল ইউনাইটেড কনজারভেটিভ। তবে আইনটি এখনো পার্লামেন্টে পাস হয়নি। আইনটি পাস হয়ে গেলে নাগরিকদের নেয়া উদ্যোগে গণভোটের নীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। পাশাপাশি গণভোটের জন্য ১০ শতাংশ ভোটারের সই লাগবে, আগে যেটা ছিল ২০ শতাংশ। এছাড়া আবেদনে এক লাখ ৭৭ হাজার ভোটারের সইয়ের জন্য আগে যেখানে ৯০ দিন সময় বেঁধে দেয়া হয়েছিল, সেটা বাড়িয়ে ১২০ দিন করা হয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একই দিনে ইয়েমেন, লেবানন, সিরিয়া ও গাজায় হামলা চালিয়েছে ইসরাইল
অন্যদিকে গাজায় পুরোপুরি অবরোধের ৬৫ দিন অতিবাহিত হয়েছে। ফলে সেখানকার মানুষ অনাহারে মৃত্যুর মুখে। হাসপাতালগুলোতে স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। যাওবা অবকাঠামো অবশিষ্ট আছে তাতে ৪৮ ঘন্টা কোনোমতে সেবা দেয়া সম্ভব। ফলে হাজার হাজার মানুষের জীবন ঝুঁকিতে। অসুস্থ মানুষ, যুদ্ধে আহতদের জীবন বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়বে। ওদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইসরাইলের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য অক্লান্তভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন তার মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতে ইসরাইলি দূতাবাস আয়োজিত ইসরাইলের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা, টাইমস অব ইসরাইল।
এতে বলা হয়, উপস্থিত ব্যক্তিদের সামনে ইসরাইলের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বক্তব্যে উইটকফ বলেন, এ বছর এই দিবস তিক্ত-মিষ্টতায় ভরা। কারণ, এখনও হামাসের হাতে নির্দয় অবস্থায় জিম্মি আছে ৫৯ জন। উইটকফ আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পক্ষ থেকে আমি আপনাদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে- আমরা এ বছর অক্লান্তভাবে কাজ করবো, যাতে আগামী বছরের স্বাধীনতা দিবস শুধু আনন্দেরই নয়, একই সঙ্গে ইসরাইলের জন্য বাস্তব শান্তি, সমৃদ্ধি এবং ঐক্যের হয়। তিনি ওই অনুষ্ঠানে আরও বলেন, এরই মধ্যে অনেক উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে আছে গাজায় মানবিক ত্রাণের প্রচেষ্টা। আব্রাহাম শান্তি চুক্তির সম্প্রসারণ। অন্যদিকে খুব শিগগিরই ইসরাইল এবং আরব রাষ্ট্রগুলোর সম্পর্ক স্বাভাবিক করা নিয়ে খুব বিরাট ঘোষণা দেয়া হবে। এমন এক সময়ে তিনি এ ঘোষণা দিলেন যখন আগামী সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে আসার কথা রয়েছে।
ওদিকে ওয়াশিংটনের থিংক ট্যাংক নিউ লাইন্স ইনস্টিটিউটের পরিচালক ক্যারোলাইন রোজ আল জাজিরাকে বলেছেন, গাজা থেকে ইয়েমেন, সিরিয়া থেকে লেবানন- এতগুলো ফ্রন্টে একই সঙ্গে যুদ্ধ করতে গিয়ে ইসরাইলি সেনারা ক্লান্ত হয়ে পড়বে। এতে তাদের নৈতিকতার ক্ষয় হবে। নেতানিয়াহু অবশ্যই গাজা উপত্যকায় তার আক্রমণ দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা প্রস্তুত করছেন। এর ফলে অবশ্যই ইসরাইলি সেনাবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতার ওপর প্রভাব পড়বে।
ওদিকে নিউ ইয়র্কের সামার স্টেজ কনসার্ট তাদের ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে জানিয়েছে, তারা প্রাইড কনসার্ট বাতিল করেছে। আরঅ্যান্ডবি’র সঙ্গীতশিল্পী কেহলানির সঙ্গে হওয়ার কথা ছিল এই কনসার্ট। কিন্তু মেয়র এরকি এডামসের অফিস নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে। নিউ ইয়র্কের প্রতিনিধি রিচি টোরেস দাবি করেন কেহলানি ফিলিস্তিনের একজন সোচ্চার সমর্থক। তিনি ইসরাইলের ধ্বংস চেয়েছেন। এ কথা প্রকাশ হওয়ার পর ওই কনসার্ট বাতিল করা হয়েছে। তবে এর আগে ফিলিস্তিনপন্থি হওয়ার জন্য তার যে সমালোচনা হয়েছে তার জবাব দিয়েছেন কেহলানি। তিনি বলেছেন- আমি গণহত্যার বিরোধী। ইসরাইলি সরকার যা করছে আমি তার বিরোধী। একটি পুরো জাতিকে ধ্বংস করে দেয়ার বিরোধী আমি। ওদিকে পেন আমেরিকার জোনাথন ফ্রায়েডম্যান বলেছেন, এই কনসার্ট বাতিল করা কাপুরুষোচিত কাজ হয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা: ৮০ বছর পর আবার শঙ্কিত পশ্চিমা বিশ্ব
জরিপ অনুযায়ী, বেশিরভাগ মানুষ (৬৬ ভাগ থেকে ৮৯ ভাগ) মনে করেন এই সম্ভাব্য যুদ্ধের সঙ্গে তাদের দেশ জড়িত থাকবে। তবে নিজেদের সশস্ত্র বাহিনীর ওপর আস্থার অভাবও স্পষ্ট। ইতালিতে শতকরা মাত্র ১৬ ভাগ এবং ফ্রান্সে শতকরা ৪৪ ভাগ মানুষ বিশ্বাস করেন তাদের সামরিক বাহিনী দেশকে রক্ষা করতে পারবে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে শতকরা ৭১ ভাগ মানুষ মার্কিন সেনাবাহিনীর সক্ষমতার প্রতি আস্থা রাখেন। যুদ্ধের সম্ভাব্য প্রধান কারণ হিসেবে রাশিয়াকে দেখছেন সর্বোচ্চ সংখ্যক উত্তরদাতা। পশ্চিম ইউরোপে শতকরা ৭২ ভাগ থেকে ৮২ ভাগ এবং যুক্তরাষ্ট্রে শতকরা ৬৯ ভাগ মানুষ রাশিয়াকে সম্ভাব্য আগ্রাসনকারী হিসেবে দেখছেন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইসলামপন্থি উগ্রবাদ। তবে আশ্চর্যজনকভাবে ইউরোপের অনেক নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রকেও হুমকি হিসেবে দেখছেন। স্পেনে শতকরা ৫৮ ভাগ, জার্মানিতে শতকরা ৫৫ ভাগ এবং ফ্রান্সে শতকরা ৫৩ ভাগ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনাকে ইউরোপীয় শান্তির জন্য ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বা ‘মাঝারি ধরনের’ হুমকি বলে মনে করেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হেঁটে ফিরোজায় ফিরলেন খালেদা জিয়া: ভালোবাসার জনস্রোত
ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের নির্যাতন-নিপীড়নে বিপর্যস্ত খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের এমন ছবি বহুদিন পর দেখতে পেয়েছেন দলের নেতাকর্মীরা। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পত্নী ডা. জুবাইদা ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরেছেন। আবেগ জড়ানো তার এই ফেরায়ও উচ্ছ্বসিত বিএনপি’র নেতাকর্মীরা।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বহনকারী কাতারের আমীরের দেয়া বিশেষ এয়ার এম্বুলেন্স লন্ডন থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় গতকাল সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেলা ১১টার দিকে তার গাড়িবহর গুলশানের বাসা ফিরোজার দিকে যাত্রা শুরু করে। তার দেশে ফেরাকে ঘিরে সকাল থেকে দলের হাজার হাজার নেতাকর্মী বিমানবন্দর থেকে গুলশানের বাসা পর্যন্ত সড়কের দুইপাশে অবস্থান নেন। বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পরই জনস্রোতে আটকে পড়ে গাড়িবহর। হাতে খালেদা জিয়ার ছবি, জাতীয় ও দলীয় পতাকা, প্ল্যাকার্ড, ব্যানার হাতে নিয়ে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগানে স্লোগানে প্রিয় নেত্রীকে স্বাগত জানান। ভিড় সামলাতে পুলিশ, র্যাব, সেনাসদস্যসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সক্রিয় অবস্থান নেন। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে নেতাকর্মীদের ভিড় ঠেলে বিমানবন্দর থেকে গুলশানের বাসায় ফিরতে খালেদা জিয়ার সময় লাগে দুই ঘণ্টারও বেশি। বাসায় পৌঁছে দুই পুত্রবধূর সহায়তায় হেঁটেই তিনি ফিরোজায় প্রবেশ করেন। চিকিৎসা শেষে অনেকটা সুস্থ হয়ে খালেদা জিয়ার এই ফেরা গণতন্ত্র উত্তরণের পথ সহজ করবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। খালেদা জিয়ার সফর সঙ্গী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া এখন অনেকটা সুস্থ এবং মানসিকভাবে স্ট্যাবল।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বিমানবন্দরে পৌঁছালে স্থায়ী কমিটির সদস্যদের পক্ষ থেকে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিমানবন্দর থেকে বেলা ১১টার পর তাকে বহনকারী গাড়ি ফিরোজার পথে রওনা দেয়। সেখান থেকে খিলক্ষেত, কুর্মিটোলা, নৌ-সদর দপ্তরের পাশের সড়ক হয়ে হয়ে ফিরোজায় পৌঁছায়। ফিরোজায় ও তার সামনের সড়কে সেনা, বিজিবি, র্যাব ও পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন।
ফিরোজায় খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানান তার মেজো বোন সেলিমা ইসলাম, ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার, শামীম ইস্কান্দারের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা, জুবাইদা রহমানের বড় বোন শাহীনা জামান বিন্দু এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা। এ ছাড়া মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ ছিলেন সেখানে।
বিমানবন্দরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও সেলিমা রহমান।
বিমানবন্দরে মির্জা ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়া দীর্ঘকাল ফ্যাসিবাদের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ফ্যাসিবাদ বিদায় নেয়ার পর কারাবন্দিত্ব মুক্ত হয়ে চিকিৎসার জন্য বিদেশে গিয়েছিলেন। সেখানে প্রায় ৪ মাস চিকিৎসা শেষে আজকে দেশে ফিরলেন। এটা আমাদের এবং জাতির জন্য একটা আনন্দের দিন। তিনি বলেন, গণতন্ত্র উত্তরণের এই সময়ে খালেদা জিয়ার উপস্থিতি একটি উল্লেখযোগ্য দিক। তার ফিরে আসা আমাদের গণতন্ত্র উত্তরণের পথ সহজ করবে। দেশকে সঠিক ও বৈষম্যহীন পথে নিয়ে যেতে সহায়তা করবে।
ওদিকে দলীয় চেয়ারপারসনকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দর থেকে গুলশানের বাসা ফিরোজা পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে অবস্থান নেন নেতারা। প্রিয় নেত্রীকে দেখতে তারা অপেক্ষা করেন দীর্ঘ সময়। কারও হাতে খালেদা জিয়ার ছবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড, কারও হাতে তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড, কারও হাতে জুবাইদা রহমানের ছবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন, জাতীয় এবং দলীয় পতাকা হাতেও আসেন কেউ কেউ। বিমানবন্দর থেকে খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসায় পৌঁছানোর পথে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দলীয় নেতাকর্মীদের ভিড় সামলাতে ট্রাফিক পুলিশও তৎপর ছিল। বিএনপি এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়, নেতাকর্মীরা যাতে সড়কে অবস্থান না করে ফুটপাথে শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে দাঁড়ান।
গত জানুয়ারিতে কাতারের আমীরের পাঠানো বিশেষ এয়ার এম্বুলেন্সে করে লন্ডনে গিয়েছিলেন, একইভাবে কাতারের আমীরের পাঠানো এয়ার এম্বুলেন্সে চড়ে খালেদা জিয়া দেশে এলেন। তার সঙ্গে এসেছেন দুই পুত্রবধূ- তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমান সিঁথি। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে আরও এসেছেন তার মেডিকেল বোর্ডের প্রধান শাহাবুদ্দিন তালুকদার, বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এনামুল হক চৌধুরী, নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল, লন্ডন বিএনপি’র সভাপতি এম এ মালেক, সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমেদসহ ১৪ জন।
খালেদা জিয়া সুস্থ আছেন:
শারীরিকভাবে বিএনপি চেয়ারপারসন অনেকটাই সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। গতকাল গুলশানে চেয়ারপারসনের বাসভবনের সামনে সাংবাদিকদের তিনি একথা জানান। জাহিদ হোসেন বলেন, চিকিৎসা পরবর্তীতে উনার শারীরিক অবস্থা আলহামদুলিল্লাহ, অনেকটুকু উনি (খালেদা জিয়া) সুস্থ আছেন এবং মানসিকভাবেও উনি অনেক শক্তিশালী আছেন। আপনারা উনার সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন। অনেকটাই শারীরিক-মানসিকভাবে সুস্থ হয়ে উনি ফিরোজায় ফেরত এসেছেন। যদিও ১৪ ঘণ্টার জার্নি এবং রাস্তার এই অবস্থায় উনি শারীরিকভাবে একটু অবসন্ন। তারপরেও মানসিকভাবে উনার অবস্থা অত্যন্ত স্থিতিশীল আছে।
এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত এই চিকিৎসক বলেন, আপনাকে মনে রাখতে হবে বিএনপি’র নেতৃত্বের মধ্যে কোনো ধরনের গ্যাপ নাই। অনেকে বলেছিল সেই ১৯৮১ সালের ৩০শে মে মাসের ঘটনার (জিয়াউর রহমানের নিহত হওয়ার ঘটনা) পরে যে, বিএনপিকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। আলহামদুলিল্লাহ বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদত বরণের পরে বিএনপি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আবার ১/১১ করে বিএনপিকে নেতৃত্ব শূন্য করার চেষ্টা করা হয়েছিল, তারেক রহমানের কোমর ভেঙে দেয়া হয়েছিল কিন্তু আল্লাহ’র কি অশেষ মেহেরবাণী তারেক রহমান আজকে আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় বিদেশের চিকিৎসায় অনেকটা সুস্থ।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার কথা, একজন মাঝে মাঝেই বলতেন এখনো যায় না কেন, এখনো যায় না কেন? উনিই (শেখ হাসিনা) চলে গেছেন কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া এখন বর্তমানে, আল্লাহ’র কাছে শুকরিয়া জানাই। কাজেই মনে রাখবেন যখনই প্রয়োজন, জাতির প্রয়োজনে বেগম খালেদা জিয়া নেতৃত্ব দেবেন। আমাদের নেতা তারেক রহমানের যে নেতৃত্ব ইনশাআল্লাহ আরও সুদৃঢ় হবে এবং বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্র পাবে এবং জনগণের অধিকার আদায় হবে এবং সকল অন্যায়-অবিচারের বিচার বাংলার মাটিতে হবে।
ডা. জাহিদ বলেন, যখনই প্রয়োজন এবং জাতির প্রয়োজনে বেগম খালেদা জিয়া নেতৃত্ব দেবেন। উনি জনগণের নেত্রী, জনগণের পাশে থাকতেই পছন্দ করেন, সেজন্য আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ, দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ যারা উপস্থিত থেকে উনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন- তাদের উনি শুভেচ্ছা ও সালাম জানিয়েছেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের জন্য কাতারের ‘রাজকীয় বিশেষ এয়ার এম্বুলেন্স’ ‘বিনাভাড়ায়’ দেয়ার জন্য কাতারের আমীর শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এবং কাতার কর্তৃপক্ষের প্রতি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কতৃজ্ঞতার কথাও জানান তিনি। জাহিদ জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন লন্ডনে একদিন কম চার মাস ছিলেন। সেখানে লন্ডন ক্লিনিকে তার চিকিৎসা হয়েছে। সেখানে লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক প্যাট্রিক কেনেডি ও অধ্যাপক জেনিফার ক্রসের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসাধীন ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন। টানা ১৭ দিন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি ২৫শে জানুয়ারি থেকে ছেলে তারেক রহমানের বাসায় ছিলেন।
লন্ডনে উন্নত চিকিৎসার বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং তার সরকার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিমান কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের প্রতি খালেদা জিয়ার কৃতজ্ঞতা প্রকাশের কথাও জানান ডা. জাহিদ।
বিএনপি চেয়ারপারসনকে বিমানবন্দর থেকে গুলশানের বাসায় নিয়ে আসতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিজিপি, পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা যে দায়িত্ব পালন করেছেন সেজন্য তাদের প্রতি দলের চেয়ারপারসন এবং দলের পক্ষ থেকে কতৃজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। অধ্যাপক জাহিদ বলেন, ম্যাডামের চিকিৎসাধীন সময়ে লন্ডনে উনার ছেলে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৮ই জানুয়ারি উনাকে রিসিভ করা থেকে শুরু করে সোমবার ৫ই মে পর্যন্ত উনি লন্ডন ক্লিনিকের চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় এবং উনার বাসায় উনার পরিবারের সকল সদস্যদের তত্ত্বাবধায়নে বিশেষ করে উনার তিন নাতনির কথা বলতেই হয়, ব্যারিস্টার জায়মা রহমান, জাফিয়া রহমান, জাহিয়া রহমান তারা সব সময় তাদের দাদু অর্থাৎ আমাদের দেশনেত্রীর বেগম খালেদা জিয়াকে মানসিকভাবে প্রশান্তি আনার জন্য যে দায়িত্ব পালন করেছেন, সেজন্য আমরা বিএনপি’র পক্ষ থেকে তারেক রহমানসহ তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই। একই সঙ্গে ইউকে বিএনপি’র এমএ মালেক, কয়ছর এম আহমেদসহ সকল প্রবাসী বিএনপি’র নেতাকর্মী ছাড়াও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দলের প্রবাসী নেতাকর্মীরা বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসার জন্য যে সহযোগিতা করেছেন এবং দেশবাসী সুস্থতার জন্য দোয়া করেছেন- সেজন্য দেশনেত্রী সবার কাছে তার কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। আল্লাহ’র কাছে আমরা শুকরিয়া জানাই তার রহমতে দেশনেত্রী অনেকটা সুস্থ হয়ে দেশে ফিরে আসতে পেরেছেন।
৭৯ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন থেকে লিভার সিরোসিস, কিডনি, হার্ট, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিসসহ নানা শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য কাতারের আমীর শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির পাঠানো রাজকীয় বহরের বিশেষ এয়ার এম্বুলেন্স করে গত ৮ই জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হয়। হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে নিজে গাড়ি চালিয়ে খালেদা জিয়াকে সরাসরি লন্ডন ক্লিনিকে নিয়ে যান তার বড় ছেলে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেখানে টানা ১৭ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২৫শে জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে তার বড় ছেলে তারেক রহমানের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। বাসা থেকেই লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক প্যাট্রিক কেনেডি ও অধ্যাপক জেনিফার ক্রসের তত্ত্বাবধায়নে তিনি চিকিৎসা দেন। নানা জটিল রোগে আক্রান্ত খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে বার বার চিকিৎসকরা পরামর্শ দিলেও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তাকে সেই অনুমতি দেয়া হয়নি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা: বেগম খালেদা জিয়া শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর তার গুলশানের বাসা পর্যন্ত সড়কে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। পাশাপাশি পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি), র্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশও নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিশেষ সহায়তা দেন সেনা সদস্যরা।
সকাল থেকে ডিএমপি’র উত্তরা বিভাগ ও গুলশান বিভাগ যৌথ দায়িত্ব শুরু করে। ডিএমপি’র উত্তরা বিভাগ বিমানবন্দরসহ তাদের আওতাধীন এলাকায় মোড়ে মোড়ে এবং কিছুদূর পর পর পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিল। একইসঙ্গে গুলশানের আওতাধীন এলাকা বাসভবন ফিরোজাসহ বনানী ও খিলক্ষেত এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল। পাশাপাশি ট্রাফিক উত্তরা ও গুলশান বিভাগ সড়কে শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এসএসসি পরীক্ষার জন্য এবং হজযাত্রী ও বিদেশযাত্রীরা যেন নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে সেজন্য পুলিশ সড়কে কাজ করেছে। কোনো অবস্থাতেই অকারণে রাস্তার মাঝখানে গাড়ি থামলে সেই গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা ছিল। বিমানবন্দরেও নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছে পুলিশ। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও নজরদারি করেছেন পুলিশ সদস্যরা। এ ছাড়াও বিভিন্ন ভবনের রুফটফেও পুলিশ সদস্যদের দেখা গেছে।
সকাল থেকে সড়কে বিভিন্ন পয়েন্টে নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সড়কে থাকা গাড়ি তল্লাশি করা হয়। র্যাবের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর গাড়ি টহল দিতে দেখা যায়। সেনা সদস্যরা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনের সড়কে অবস্থান করা গাড়ি সরিয়ে দিয়েছেন। এতে কমছে যানজট। সকাল থেকে বিমানবন্দর সড়কের গণপরিবহনকে কোনোরকম জটলা করতে দেননি সেনা সদস্যরা। প্রতিটি গাড়িকে অযথা সড়কে না থাকতে সতর্ক করেছেন সেনা সদস্যরা। ছিল পুলিশের চেকপোস্টও। সড়কে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করছেন সিটি করপোরেশনের কর্মীরা। উত্তর সিটি করপোরেশন থেকে সড়কে ছিটানো হয়েছে পানি।
![]() |
| খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বনানী পর্যন্ত সড়কে নেতাকর্মীদের ঢল -নিজস্ব ছবি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারত জুড়ে সম্ভাব্য যুদ্ধ মোকাবিলায় আপৎকালীন মহড়া
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে সোমবার রাতে সব রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিবদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করা হয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সব মিলিয়ে দেশের সব জেলায় এই মহড়া চলবে। মহড়া চলবে গ্রামীণ এলাকাতেও। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক যে যে বিষয়ে মহড়া দিতে বলেছে, তার মধ্যে রয়েছে, বিমান হামলার সময় সতর্কতামূলক সাইরেন ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে কিনা, নাগরিকদের সুরক্ষার স্বার্থে সাধারণ মানুষ, বিশেষত পড়ুয়াদের ভূমিকা কী হবে, হঠাৎ ব্ল্যাকআউট হলে করণীয় কী এবং জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে দ্রুত উদ্ধারকাজ চালানো হবে। রাতে হামলার ক্ষেত্রে যুদ্ধ বিমানের খবর পাওয়া মাত্র যাতে সমস্ত আলো নিভিয়ে ক্র্যাশ ব্ল্যাক আউট করা যায় তারও মহড়া দিতে বলা হয়েছে। বাঙ্কার ও ট্রেঞ্চগুলোকেও পরিষ্কার রাখতে বলা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, মহড়ায় অংশ নেবেন জেলা শাসক-সহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিক, নাগরিক সুরক্ষা কর্মী ও হোমগার্ডরা। এ ছাড়াও মহড়ায় অংশ নিতে বলা হয়েছে এনসিসি ক্যাডেট, নেহরু যুব কেন্দ্র সংগঠনের সদস্য এবং স্কুল-কলেজের পড়ুয়াদের।
উল্লেখ্য, রোববার রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত পাঞ্জাবের ফিরোজপুর ক্যান্টনমেন্টে সব আলো নিবিয়ে ‘ব্ল্যাকআউট ড্রিল’ করেছে সেনাবাহিনী। স্থানীয় বাসিন্দাদের আগে থেকেই এ নিয়ে সতর্ক করে বলা হয়েছিল, তারা যেন আলোকিত বা দূর থেকে চোখে পড়ে এমন কোনো বস্তু বা আলো ব্যবহার না করেন ওই সময়টুকু। সাধারণত যুদ্ধের সময় বিপক্ষের নজর এড়াতে বা বিপক্ষের বায়ুসেনাকে বিভ্রান্ত করতে বিস্তীর্ণ এলাকার আলো নিবিয়ে ‘ব্ল্যাকআউট’ করে দেয়া হয়। এমনিতেই গত ২২শে এপ্রিল থেকে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রোববার রাতে ‘ব্ল্যাকআউট’ ড্রিলের পরে বাসিন্দারা স্বাভাবিক ভাবেই আরও সতর্ক হয়ে গিয়েছেন।
এদিকে, যথাসম্ভব ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভবন, সেতু, তেলের ডিপো, রেলস্টেশন বা বিমানবন্দরের মতো পরিকাঠামো আগে থেকেই ঢেকে রাখা বা লুকিয়ে রাখার জন্য রাজ্যগুলোকে বলা হয়েছে।
যুদ্ধের সম্ভাব্যতা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোমবার প্রতিরক্ষা সচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর রাতে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব গোবিন্দ মোহনের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের শীর্ষ কর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা ওই বৈঠকে জাতীয় সুরক্ষা ও বিশেষ কৌশলগত রণনীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। মঙ্গলবার মোদি ফের আরেকবার জাতীয় উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে রুদ্ধদ্বার বৈঠক: ভারত-পাকিস্তান শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর জোর
এএনআই বলছে, বৈঠকে পাকিস্তানের ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। সদস্য রাষ্ট্রগুলো দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের পরামর্শ দেয়। উল্লেখ্য, পাকিস্তান নিজেই এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকের আহ্বান জানায়। কারণ সে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১০ অস্থায়ী সদস্যের একটি। প্রায় এক ঘণ্টা আলোচনায় সন্ত্রাসবাদবিরোধী অবস্থান ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার উপর জোর দিয়ে পাকিস্তানকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা নেয়ার বার্তা দেয়া হয়। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুষ্ঠিত রুদ্ধদ্বার আলোচনার পর সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার। তিনি বলেন, পেহেলগাম সন্ত্রাসী হামলায় পাকিস্তানের জড়িত থাকার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা তার দেশ পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করছে। তিনি আরও বলেন, ভারত যে সিন্ধুর পানিসম্পদ চুক্তি স্থগিত করেছে, তা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। অন্যদিকে, এই আলোচনার পর নিরাপত্তা পরিষদ কিংবা ভারত- কারও পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। আলোচনার শেষে মিডিয়াকে ব্রিফ করেন জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব খালেদ মোহাম্মদ খিয়ারি। তিনি মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের রাজনৈতিক ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের দায়িত্বে আছেন। তিনি পরিস্থিতিকে উত্তেজনাপূর্ণ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং বলেন, বৈঠকে দ্বন্দ্বের শান্তিপূর্ণ সমাধান ও সংলাপের ওপর জোর দেয়া হয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মা-মেয়ের আবেগঘন মিলন
জুবাইদা রহমান দেশে ফিরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে ফিরোজায় যান। সেখান থেকে সন্ধ্যায় রাজধানীর পান্থপথ স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি তার মা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুকে দেখতে যান। ওদিকে দলীয় সূত্র জানিয়েছে, জুবাইদা রহমানের মা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু গত কয়েকদিন আগে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সেখানে আগে থেকেই ছিলেন জুবাইদা রহমানের বড় বোন শাহীনা জামান। জুবাইদা রহমান স্কয়ার হাসপাতালে আসবেন সেজন্য আগে থেকেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
হাসপাতালে পৌঁছালে সুরভী ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয় জুবাইদাকে। এ সময়ে বিএনপি নেতৃবৃন্দের মধ্যে রশিদুজ্জামান মিল্লাত, নাসির উদ্দিন অসীম, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম শামসুল ইসলাম শামস, নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমনসহ দলের কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা উপস্থিত ছিলেন। ‘সুরভী ফাউন্ডেশন’-এর প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু। এই সংগঠনটি মূলত সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য কাজ করে। এই কর্মকাণ্ডের জন্য তাকে ‘স্বাধীনতা পদক’ প্রদান করে সরকার।
মায়ের সঙ্গে দীর্ঘ বছর পর সাক্ষাতে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন জুবাইদা। এর আগে লন্ডনে দুই বার মায়ের সঙ্গে দেখা হলেও ১৭ বছরের মধ্যে দেশের মাটিতে দেখা হলো মা-মেয়ের।
ওদিকে ছোট মেয়ে জুবাইদা রহমান ঢাকায় এসে বাবার বাসায় উঠবেন বলে বাসার নিরাপত্তা ও সাজসজ্জা করা হয়েছে।
গুলশানে ফিরোজার সামনে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ডা. জুবাইদা রহমান ম্যাডামের সঙ্গে এসেছেন এবং এটা শুরু নয়, এটা উনাদের দেশ, উনারা আসবেন- এটাই স্বাভাবিক। আসতে দেয়া হয় নাই সেজন্য আসতে পারেন নাই। আর সময় বলে দেবে যে, উনি কয়দিন থাকবেন। স্বাভাবিকভাবে উনার স্বামী তারেক রহমান ওখানে (লন্ডনে) আছেন, উনার মেয়ে ওখানে (লন্ডনে) আছেন। আবার কয়েকদিনের মধ্যে উনি যাবেন, সব কিছু গোছগাছ করে, ১৭ বছর ওখানে নির্বাসনের থাকতে হয়েছে। কাজেই সেটাকে গুছিয়ে এবং অতি সহসাই দেখবেন তারেক রহমানসহ আবারো দেশে প্রত্যাবর্তন করবেন এবং দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার যে সংগ্রাম চলছে অর্থাৎ এটার যে চূড়ান্ত লক্ষ্য সেই গণতন্ত্র, ওই চূড়ান্ত পর্য়ায়ের নেতৃত্ব দেবেন আমার দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
২০০৮ সালের ১১ই সেপ্টেম্বরে স্বামী তারেক রহমানের সঙ্গে একমাত্র মেয়ে জায়মা রহমানকে নিয়ে ঢাকা ছেড়েছিলেন জুবাইদা রহমান। এক-এগারোর সরকার এবং পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের শেখ হাসিনার সরকারের রোষানলে পড়েছিলেন স্বামীর সঙ্গে ডা. জুবাইদাও। ২০০৮ সালে শিক্ষা ছুটি নিয়ে লন্ডন যাওয়ার পরে শেখ হাসিনার সরকার তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে। কথিত দুনীতির মামলা করে সাজাও দেয়।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কে কী বললো, তাতে কিছু যায় আসে না
আরাকান আর্মিকে দেয়া বার্তার কি জবাব পেয়েছে ঢাকা? জানতে চাইলে নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, না, আমরা প্রশ্ন করেছি। জবাব আসলে বিচার বিবেচনা করে দেখবো কি তারা কি বলতে চেয়েছে। এখানে কোনো রাখ-ঢাক নেই, বিষয়টি সাদাকালো। হয় তারা জাতিগত নিধনের পক্ষে, নয় বিপক্ষে। আমরা পৃথিবীর কোথাও এ ধরনের জাতিগত নিধন সমর্থন করি না। এটি আরাকান আর্মির জন্য একটি পরীক্ষা। আমরা অপেক্ষা করছি, এ পরীক্ষায় তারা উত্তীর্ণ হতে পারছে কিনা? আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ বিষয়ে মিয়ানমারের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে ড. খলিল বলেন, বাংলাদেশ সার্বভৌম রাষ্ট্র। আমরা নিজের মতো করে আমাদের স্বার্থ বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেবো। এখানে কে কি বললো তা শোনার সময় নেই। বাংলাদেশ একটা স্বাধীন পররাষ্ট্র নীতি প্রণয়ন করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা এটি বাস্তবায়ন করছি। মিয়ানমার আরাকান আর্মিকে জঙ্গি সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে, তারাও (মিয়ানমার) তো তাদের (আরাকান আর্মি) সঙ্গে যোগাযোগ করছে। নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, একটি জিনিস বিবেচনায় রাখতে হবে। বাংলাদেশের সীমান্তের ওপারে আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণ। এ সীমান্ত বাংলাদেশকে ম্যানেজ করতে হবে, রক্ষা করতে হবে, শান্তিপূর্ণ রাখতে হবে। ফলে ওপারে যেই থাক, তার সঙ্গে আমরা যোগাযোগ রাখবো। মিয়ানমারের সঙ্গে বোঝাপড়া নিয়ে নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, তাদের সঙ্গে আমাদের বোঝাপড়া রয়েছে। কিছুদিন আগে ভূমিকম্পে বাংলাদেশ থেকে সহযোগিতা গিয়েছে, মিয়ানমারের অনুরোধের অপেক্ষা করা হয়নি।
মিয়ানমারের সঙ্গে রোহিঙ্গা, বাণিজ্যসহ সব দিকে যোগাযোগ রয়েছে। কোনো সমস্যার সমাধান চাইলে সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ থাকতে হবে, না হলে সমস্যার সমাধান হবে না। মিয়ানমারের সার্বভৌম ও অখণ্ডতার কথা বাংলাদেশ বলছে, আরেক দিকে আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ সাংঘর্ষিক কিনা? এমন প্রশ্নে ড. খলিল বলেন, না, আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগটি বাস্তবিক প্রয়োজনীয়তা। ওপারে সীমান্তে তারা (আরাকান আর্মি) আছে, তাদের সঙ্গে তো আমাদের কাজ করতে হবে। মানবিক করিডোর বিষয়ে জানতে চাইলে নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, সকল পক্ষ রাজি কিনা? আমরা দেখবো। রাজি হলেই যে আমরা মানবিক সাহায্য দেবো এমন কোনো কথা নেই, এখানে অন্যান্য বিষয়ও রয়েছে। আরাকানে যে নতুন প্রশাসন তৈরি হচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধিত্ব চায়। সেখানে যেসব রোহিঙ্গারা রয়েছে, তাদের ওপর যাতে কোনো অত্যাচার না হয়, তাদের সঙ্গে যেন বৈষম্য করা না হয়, তারা যাতে দলে দলে বাংলাদেশে না আসে। এ বিষয়গুলো মানতে হবে। জাতিগত নিধন কোনো অবস্থাতেই বাংলাদেশ মানবে না। ১ লাখ ১৩ হাজার রোহিঙ্গাদের ঘর বরাদ্দ নিয়ে প্রশ্ন করলে নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, সবচেয়ে বেশি এসেছে ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালে জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত। পুরোটাই এসেছে সেখানকার যুদ্ধাবস্থার কারণে। এর আগেও যারা এসেছিলেন, তারা বন কেটে পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব রেখেছিলেন। বনের এ গাছগুলোকে পুনরায় ফিরিয়ে আনতে আমাদের অনেক সময় লেগেছে, অনেক কষ্টও হয়েছে। ফলে পরিবেশগত বিষয় গবেষণা না করে বাংলাদেশ কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না। রাখাইনে মানবিক করিডোরের বিষয়ে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা হবে জানিয়ে নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, করিডোরের বিষয়ে সকল পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ হবে। সবাই রাজি হলেও করিডোর দেয়া হবে কিনা, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ঢাকা।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন: মার্কিন শুল্কনীতিতে হুমকির মুখে পোশাক খাত
১৯৭০-এর দশকে এক রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের পর দেশটিকে অর্থনৈতিকভাবে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা হয়। তবে ১৯৮০-এর দশকে দেশের অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে দেয় তৈরি পোশাক খাত। এই খাতে নারী শ্রমিকদের বিশেষ অবদানের কারণে তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক দেশগুলোর মধ্যে প্রধান শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ। দেশটিতে বর্তমানে এই খাতে শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৪০ লাখ। যাদের একজন মুর্শিদা আখতার। সম্ভবত তার ছেলে ও স্বামীর মতো আরও পাঁচগুণ মানুষ তার আয়ের ওপর নির্ভরশীল। চীনা পণ্যের ওপর ১৪৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন ট্রাম্প। তার এ ধরনের শুল্ক পরিকল্পনায় যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে তাতে বাংলাদেশের মতো দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি (পোশাক খাত) ভেঙে যেতে পারে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুল্ক স্থগিত করার আগে তাকে একটি চিঠি লেখেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে তিনি ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ ৯০ দিনের জন্য স্থগিত করার অনুরোধ জানান। ড. ইউনূস প্রতিশ্রুতি দেন যে, তার দেশ আরও বেশি মার্কিন তুলা ও অন্যান্য পণ্য আমদানি করবে। এক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে বাৎসরিক ৬ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। তবে বিষয়টি এত সহজ নয় বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের হুমকিকে ‘ক্ষমতার বাজে চর্চা’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি। মাহমুদ বলেন, দীর্ঘ কয়েক দশকের ঈর্ষণীয় প্রবৃদ্ধির পর যখন দেশটি মন্দার মুখে পড়েছে এবং এক প্রকার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে, ঠিক তখনই এই হুমকি এসেছে। ২০২৪ সালে ভয়াবহ মূল্যস্ফীতির ফলে যে সংকট তৈরি হয়েছিল তা শেখ হাসিনার সরকারের অবস্থানকে নড়বড়ে করে দেয়। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী লৌহহস্তে বাংলাদেশকে শাসন করেছিলেন। পরে গত বছর গণ-অভ্যুত্থানের ফলে তার পতন হয়। এতে তাৎক্ষণিকভাবে দেশে কিছুটা নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়। ৯ মাস পার হলেও এখনো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চেষ্টায় আছে বাংলাদেশ। দেশটির রপ্তানিযোগ্য পণ্যের ৮৫ শতাংশই হচ্ছে তৈরি পোশাক। এই পণ্য সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় যুক্তরাষ্ট্রে। স্থগিত আদেশ শেষ হওয়ার পর যদি ট্রাম্প ৩৭ শতাংশ শুল্ক নাও আরোপ করেন, তবুও বাংলাদেশকে ১০ শতাংশ শুল্কের মুখোমুখি হতে হবে। যা তিনি পৃথিবীর অন্যান্য দেশের জন্য আরোপ করে রেখেছেন। ১০ শতাংশ শুল্কের এমন একটি পর্যায় যা সহ্য করা কঠিন এবং যা থেকে লভ্যাংশ খুব কম আসে। কেননা, পোশাক খাতে রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে চীনের পাশাপাশি ভারত, কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কার অবস্থান বেশ শক্ত। তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের তীব্র প্রতিযোগিতাও রয়েছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন পশ্চিমা দেশের উদার গণতন্ত্রের সমর্থকদের কাছে আশার প্রতীক হিসেবে দেখা দেয়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে স্বাগত জানান সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে খুশি হতে পারেনি ভারত। হাসিনার আকস্মিক পতনে বেশ হতাশ হয়েছে দেশটি। হাসিনার আমলে আর্থিক খাতে ব্যাপক লুণ্ঠনের ফলে যে ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে তৎপরতা চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রথম বছর প্রবৃদ্ধি হ্রাস পেলেও তা ২০২৬ সালের মধ্যে স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ সেই আশায় গুড়েবালি হয়েছে। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের পরবর্তী দুই বছরের প্রবৃদ্ধি হ্রাসের সংকেত দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। ঢাকাভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেছেন, আমরা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ)- ভর্তুকি হ্রাস করে জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির চাপে রয়েছি। ভবিষ্যতে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সম্ভাবনাও বাংলাদেশের পোশাক খাতের ওপর চাপ বৃদ্ধি করবে। যা হবে এই খাতের জন্য মারাত্মক আঘাত। এর আগে ২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসে পড়ে। এতে ১১০০ জনের বেশি শ্রমিকের প্রাণহানি হয়। ওই ভয়াবহ প্রাণহানির পর পশ্চিমা অংশীদারসহ স্থানীয়রাও বাংলাদেশের এই খাতের সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখার বিষয়ে সন্দিহান হয়ে পড়েন। তবে প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে পরবর্তীতে শিল্প খাতটি ঘুরে দাঁড়ায়। সাভারের যে জায়গাটিতে রানা প্লাজার বিল্ডিংটি ছিল তা এখনো খালি পড়ে আছে। স্থানটি বাংলাদেশের উৎপাদন খাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ক্ষেত্রে ভয়াবহ বাস্তবতার প্রতীক হয়ে উঠেছে। দেশের শিল্প খাতটি এখন আরও সংগঠিত এবং একীভূত হয়েছে। পোশাক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমলেও রপ্তানি আয় ও কর্মসংস্থানের পরিমাণ বেড়েছে। বাংলাদেশে বর্তমানে ২৩০টি পোশাক কারখানা রয়েছে। এগুলোর প্রতিটি ‘লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন’(এলইইডি) কর্মসূচির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন মানদণ্ড অনুযায়ী সনদপ্রাপ্ত। এলইইডি সনদপ্রাপ্ত পোশাক কারখানার সংখ্যায় এখন বিশ্বের শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেজমেন্টে গ্যারেজের স্থলে সিলিন্ডার ও জেনারেটর: বেইলি রোডের সেই ভবন ঘিরে ভয় ও আতঙ্ক by ফাহিমা আক্তার সুমি
গতকাল সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, ক্যাপিটাল সিরাজ সেন্টার নামের ওই ভবনের বিভিন্ন তলায় পোশাক, প্রসাধনীসহ বিভিন্ন জিনিসের দোকান রয়েছে। ভবনটির সামনের দিকের একপাশে কালো ধোঁয়ার আস্তরণ পড়েছে। অনেকে দেখার জন্য ছুটে এসেছেন সেখানে। ব্যবসায়ীরা ভবনটির কার্যক্রম বন্ধ থাকায় আশপাশে ঘুরছেন। কোনো কোনো দোকানের মধ্যে কালো ধোঁয়া প্রবেশ করে দোকানে থাকা জিনিসপত্র কালো হয়ে গেছে। কেউ কেউ ভেতরে প্রবেশ করে তাদের সেই জিনিসপত্র বের করে বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন।
আগুনের ঘটনা বর্ণনা দিয়ে গাড়িচালক শাহজাহান মানবজমিনকে বলেন, এই মার্কেটে আমার মালিকের ফটোকপি-স্টুডিওর তিনটি দোকান রয়েছে। ঘটনার আগে আমি দোকানের মালিককে নামিয়ে মাত্র পার্কিংয়ে গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করি। এ সময় ট্রান্সমিটার ব্লাস্ট হয়ে আগুন ও ধোঁয়া দেখা যায়, তখন আমি বাইরে বেরিয়ে আসি। এরপর উপরে থাকা আমার মালিককে ফোন দেই। সবাই ছাদে গিয়ে আশ্রয় নেয়। কোনোভাবে আগুনটি ভেতরে গেলে সব শেষ হয়ে যেতো। ভবনের বেজমেন্টে জেনারেটর রয়েছে। ভবনের নিচে ক্ষতি হয়েছে কিন্তু ভেতরে কোনো ক্ষতি হয়নি। আমাকে বের হতে দেখে সেখানে আরও অনেকে বেরিয়ে আসে। মার্কেটের অনেকে জীবনবাজি রেখে আগুন নেভানোর কাজ করেছে। ফায়ার সার্ভিস খবর পেয়ে ১০ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে চলে এসেছে। ভবনের মধ্যে যদি কোনোভাবে আগুন লাগতো তাহলে পুরো শেষ হয়ে যেতো। ভবনটির দশতলা পর্যন্ত বর্তমানে চালু রয়েছে। উপরের তলাগুলোতে কনস্ট্রাকশনের কাজ চলছে। এখানে রেস্টুরেন্ট, প্রসাধনী, পোশাকের দোকান রয়েছে। ২০০-২৫০টির মতো দোকান রয়েছে। বর্তমানে মার্কেটটি বন্ধ রয়েছে। কিছু ক্ষতি হয়েছে সেগুলো মেরামত না করা পর্যন্ত খুলবে না। গত বছরে গ্রিন কোজি কটেজে লাগা আগুনের মতো ভয়ে ছিল সবাই।
সাবরিনা নামে এক নারী দোকানি বলেন, এখনো আতঙ্ক কাটছে না। যখন আগুনের কথা শুনি তখন বাইরে বেরিয়ে আসি। এ সময় জিনিসের মায়া করিনি, জীবন বাঁচাতে বাইরে বেরিয়ে আসি। আমার দোকানের কোনো ক্ষতি হয়নি।
ব্যবসায়ী নাজিম বলেন, তিনতলায় আমার কাপড় ও টেইলার্সের দোকান রয়েছে। জিনিসপত্র ধোঁয়ায় কালো হয়ে রয়েছে। পুরো দোকান দেখার মতো নেই, কালো হয়ে আছে। সকালে দোকানের মধ্যে গিয়ে এরকম দেখে কিছু কাপড় নিয়ে বাসায় যাচ্ছি। এক সপ্তাহের মতো বন্ধ থাকতে পারে মার্কেট। ঘটনার সময় ভেতরে ছিলাম তখন বিকট একটা আওয়াজ শুনতে পাই। সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ চলে যায়। ধোঁয়ায় কালো হয়ে গিয়েছিল তখন। এরমধ্যে উপরে চলে যাই। নিচে নামতে গিয়ে দেখি নামা যাচ্ছে না। শুধু দিকবিদিক ছুটাছুটি করেছি। একপর্যায়ে বাইরে বেরিয়ে আসি।
ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেনেন্স) লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমরা এক ঘণ্টার মধ্যে রাত ৭টা ৪৭ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। ভবনটিতে শপিংমল, রেস্টুরেন্ট, হোটেল, অফিস ও আবাসিক ফ্ল্যাট ছিল। হুইল চেয়ারেও রেস্টুরেন্ট কিংবা উপরে গিয়েছিলেন আমরা দেখেছি। প্রায় দুইশ’র কাছাকাছি পরিবারের সদস্য ছিল। প্রায় একশ’র কাছাকাছি মানুষকে আমরা উপর থেকে নামিয়ে নিরাপদে নিয়ে আসি। পাশেই বেইলি রোডের একটি পুকুর থাকায় পুকুরের পানি নিয়ে আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে বেজমেন্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে মনে হয়েছে। তদন্তের পর আগুনের মূল কারণ জানা যাবে। তিনি বলেন, বেজমেন্টে গাড়ির গ্যারেজ হওয়ার কথা। কিন্তু আমরা সিলিন্ডার ও জেনারেটর দেখেছি। জেনারেটরের পয়েন্ট থেকে আগুনের সূত্রপাতটা বেশি দেখছি। অতিরিক্ত ধোঁয়ার কারণে শুরুতে আমাদের কাজ করতে বেগ পেতে হয়েছে। ৫-৬ তলা পর্যন্ত ধোঁয়া ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, জেনারেটর থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। এ ঘটনায় আহত কিংবা নিহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
উল্লেখ্য, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৭ মিনিটে ঢাকার বেইলি রোডের ক্যাপিটাল সিরাজ সেন্টার আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। এরপর ৭টা ৪৭ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
গত বছরের ২৯শে ফেব্রুয়ারি রাতে বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়। মৃত্যুপুরী এই ভবনটি এখনো ক্ষত-বিক্ষত অবস্থায় রয়েছে। সোমবার আবার বেইলি রোডের বহুতল ভবনে আগুন লাগার পর আশপাশের মানুষের মধ্যে সেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইয়েমেনে ইসরাইলের ২০ যুদ্ধবিমানের হামলা
হুতি-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, সেখানে অন্তত ২১ জন আহত হয়েছেন। অভিযানের সময় তেল আবিবের কিরিয়া ঘাঁটির গোপনীয় কমান্ড সেন্টারে উপস্থিত ছিলেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ ও আইডিএফ প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এয়াল জামির। বিমান বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল তোমের বার পাশের একটি কমান্ড পোস্ট থেকে অভিযান পরিচালনা করেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন টাইমস অব ইসরাইল। আইডিএফ-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ২০টি ইসরাইলি যুদ্ধবিমান ওই অভিযানে অংশ নেয়। ইয়েমেনের উপকূলবর্তী এলাকায় অবস্থিত হুতিদের অবকাঠামো লক্ষ্য করে ৫০টির বেশি বিস্ফোরক নিক্ষেপ করে। হামলার লক্ষ্যস্থলগুলোর মধ্যে হোদেইদা বন্দর এবং কাছের বাজিল শহরের একটি কংক্রিট কারখানা অন্তর্ভুক্ত ছিল। সেখান থেকে ইসরাইলের দূরত্ব প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার। আইডিএফ-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হোদেইদা বন্দরটি ইরানি অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
বাজিলের কংক্রিট কারখানাটি হুতি গোষ্ঠীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্পদ এবং এটি সামরিক টানেল ও অবকাঠামো নির্মাণে ব্যবহৃত হচ্ছিল। আইডিএফ আরও বলেছে, এ হামলা হুতি নিয়ন্ত্রিত সরকারের বিরুদ্ধে একটি অর্থনৈতিক ও সামরিক আঘাত। এ আঘাত হুতিদের দ্বারা ইসরাইলের ভূখণ্ড ও সাধারণ জনগণের ওপর চালানো ধারাবাহিক হামলার জবাবে পরিচালিত হয়েছে।
এটি ছিল ইয়েমেনে ইসরাইলের ৬ষ্ঠ হামলা এবং জানুয়ারির পর এই প্রথম। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র হুতি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে একটি বড় আকারের বিমান অভিযানে অংশ নেয়। এর পর ইসরাইল কিছুদিন হুতিদের হামলার জবাব দেওয়া বন্ধ রেখেছিল।
ইসরাইলি কর্মকর্তারা জানান, এ হামলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হলেও তা যৌথ অভিযান ছিল না। হুতি মিডিয়া অফিসের প্রধান নাসরুদ্দিন আমের এক বিবৃতিতে বলেন, সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনাগুলোর ওপর পরিচালিত এই আগ্রাসী ইহুদি-আমেরিকান হামলা আমাদের প্রতিরোধ আন্দোলনকে দমন করতে পারবে না। আমরা এর উপযুক্ত জবাব দেব। ওদিকে রোববার যে ক্ষেপণাস্ত্রটি বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের পাশে আঘাত হানে, তা প্রথমবারের মতো ইসরাইলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটবর্তী এলাকায় বিস্ফোরিত হয়। এটি একটি পার্কিং লটের পাশে গাছপালায় পড়ে বিস্ফোরণ ঘটায় এবং এতে একটি বড় গর্ত সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ছয়জন আহত হলেও কারও অবস্থা গুরুতর নয়। এর ফলে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা তাদের ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
May
(344)
-
▼
May 07
(18)
- ব্যাটারিচালিত রিকশা: অপেক্ষা করছে মহাদুর্ভোগ by কা...
- পাকিস্তানে হামলা চালাতে গিয়ে ভয়াবহ ক্ষতির মুখে ভারত
- হামলা চালিয়েছে ভারত, ৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে পা...
- গাজায় প্রতি ৪০ মিনিটে এক শিশুকে হত্যা
- পাকিস্তানে হামলা: ভারতের দুটি জেট বিমান ভূপাতিত কর...
- যুদ্ধবিরতি আলোচনার আর কোনো অর্থ নেই : হামাস
- কংগ্রেসের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী তিন দিন আগেই পহেলগ...
- কানাডা থেকে বিচ্ছিন্ন হতে গণভোটের প্রস্তাব দিলেন আ...
- একই দিনে ইয়েমেন, লেবানন, সিরিয়া ও গাজায় হামলা চালি...
- তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা: ৮০ বছর পর আবার শঙ্কিত প...
- হেঁটে ফিরোজায় ফিরলেন খালেদা জিয়া: ভালোবাসার জনস্রোত
- ভারত জুড়ে সম্ভাব্য যুদ্ধ মোকাবিলায় আপৎকালীন মহড়া
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে রুদ্ধদ্বার বৈঠক: ভারত-পাক...
- মা-মেয়ের আবেগঘন মিলন
- কে কী বললো, তাতে কিছু যায় আসে না
- নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন: মার্কিন শুল্কনীতিতে হ...
- বেজমেন্টে গ্যারেজের স্থলে সিলিন্ডার ও জেনারেটর: বে...
- ইয়েমেনে ইসরাইলের ২০ যুদ্ধবিমানের হামলা
-
▼
May 07
(18)
-
▼
May
(344)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

