Saturday, August 15, 2026

প্রথম স্ত্রীর সম্মতি নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করছেন আজলান

২০২২ সালের ডিসেম্বরে ধুমধাম করে বিয়ে করেন পাকিস্তানি জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর আজলান শাহ। স্ত্রী ওয়ারিশা খান পেশায় চিকিৎসক, পাশাপাশি কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবেও পরিচিতি রয়েছে।

আজলান ও ওয়ারিশা দম্পতির সংসারে আজওয়া নামের দুই বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান রয়েছে।

ওয়ারিশার সঙ্গে বিচ্ছেদের আগেই দ্বিতীয় বিয়ের পরিকল্পনা করেছেন আজলান শাহ। গতকাল মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন তিনি। এরপর এ নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে।

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে আজলান জানান, একজন পাবলিক ফিগার হিসেবে দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে বিষয়টি প্রকাশ করেছেন তিনি।

আজলান লিখেছেন, ‘আপনাদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেয়ার করতে চেয়েছি। একজন পাবলিক ফিগার হিসেবে অন্য কারও মাধ্যমে জানার আগেই এটা আপনাদের জানানো আমার দায়িত্ব বলে মনে করি।’

দ্বিতীয় বিয়ের পরিকল্পনা প্রকাশ্যে আসার পর বিতর্কের ঝড় উঠেছে। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের আগেই দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন কেন?

আজলান শাহর দাবি, প্রথম স্ত্রী ওয়ারিশা খানের পূর্ণ সম্মতি নিয়েই সিদ্ধান্তটি নিয়েছেন তিনি। তিনি লিখেছেন, ‘যতই অদ্ভুত শোনাক, আমি আবার বিয়ে করছি। আমার স্ত্রী এতে সম্মতি দিয়েছেন। তাই দয়া করে আমার পরিবারকে এ বিষয়ে জড়াবেন না, এটা আমার ব্যক্তিগত বিষয়। ধন্যবাদ।’

এ সময়ে পরিবারের গোপনীয়তাকে সম্মান জানানোর অনুরোধ করেছেন আজলান। তিনি লিখেছেন, ‘আপনাদের দোয়া কামনা করছি।’

তবে বিষয়টি নিয়ে ওয়ারিশা খানের কোনো বক্তব্য সামনে আসেনি।

এআরআই নিউজ অবলম্বনে

স্ত্রী ওয়ারিশা খানের সঙ্গে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আজলান শাহ
স্ত্রী ওয়ারিশা খানের সঙ্গে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আজলান শাহ। ইনস্টাগ্রাম থেকে

অন্তরালের রহস্যও খুঁজছে নগর পুলিশ

সিলেটে ট্রিপল মার্ডারঃ সিলেটের ট্রিপল মার্ডারের ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কিনা- সেটি খতিয়ে দেখছে নগর পুলিশ। শুধুমাত্র বাবুল মিয়ার প্রেমের ঘটনাই নয়, যেসব প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে সব বিষয়ই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনটি জানিয়েছেন, সিলেট নগর পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা। সেজন্য সিনিয়র কর্মকর্তারাও তদন্ত কাজ মনিটরিং করবেন। এদিকে, বাবুল মিয়ার বক্তব্যের বিষয়টি উড়িয়ে দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। সিসিটিভি ফুটেজে বাবুল মিয়ার উপস্থিতি, ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়া, কথা মতো ছুরি উদ্ধার হওয়া, ড্রয়ার থেকে নেয়া টাকা ভাড়া হিসেবে পরিশোধ করা- সবই ঘটনার ধারাবাহিকতায় মিলে গেছে। সিলেট মেট্রোপলিন পুলিশের এডিসি (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, মামলার অনেক বিষয় রয়েছে। তার সঙ্গে জমি বিরোধে অনেকের মামলা চলমান ছিল বা হুমকি দেয়ার বিষয়টি আমাদের নলেজে রয়েছে। সেগুলো তদন্ত করে দেখবো।’ তিনি বলেন, ‘ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইলের সিডিআরসহ অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করে দেখেছি, বাসায় কিন্তু ওই সময় অন্য কেউ প্রবেশ করেনি।

আর আলমারি তছনছ করার বিষয়টি হচ্ছে, বাবুল যখন হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে হাত ধুয়ে ড্রয়ারগুলো খোলা দেখেছে, সেখান থেকে সে কিছু টাকা নিয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে, ওই টাকাগুলো সে দীর্ঘদিনের জমানো বাসা ভাড়া পরিশোধ করেছে।’ বুধবার সকালে সিলেট নগরীর রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসার দোতলায় গলা কেটে খুন করা হয় ধনাঢ্য ব্যবসায়ী আব্দুল সাত্তার, তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম ও কাজের মেয়ে তাহমিনাকে। ঘটনার পর বিকালে পুলিশ এ ঘটনায় বাবুল মিয়া নামের এক রংমিস্ত্রিকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনাকালীন সিসিটিভি ফুটেজে তার উপস্থিতি ছিল। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল জানায়, কাজের মেয়ে তাহমিনার সঙ্গে প্রেমের সূত্র ধরে সে ওই বাসায় যায়। এরপর একেক করে তিনজনকে ধারালো ছুরি দিয়ে খুন করে পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনায় ছুরিও উদ্ধার করেছে। আলোচিত এ ঘটনার লোমহর্ষক দৃশ্য উঠে এসেছে ময়নাতদন্তে। নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার, তার স্ত্রী ও কাজের মেয়েকে।

এর মধ্যে কাজের মেয়ে তাহমিনার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন ছিল। প্রায় ১৬-১৭টি ছুরিকাঘাত ছিল তার দেহে। আব্দুস সাত্তার ও তার স্ত্রী সুরাইয়ার শরীরেও ছিল আঘাতের পর আঘাত। এসব আঘাতে রক্তক্ষরণে তারা ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের আমেরিকান প্রবাসী ছেলে আসিফ ইফতেখারের কাছে লাশ বুঝিয়ে দেয়া হয়। পিতা-মাতার মৃত্যু সংবাদ শুনে আসিফ ইফতেহার বৃহস্পতিবার বিকালেই সিলেট এসে পৌঁছান। সঙ্গে তার বোনরাও আসেন। গতকাল বিকালে সিলেটের শাহী ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে তাদের মরদেহ মানিকপীর (র.) গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে। নামাজে জানাজায় উপস্থিত ছিলেন- রাষ্ট্রদূত ও সিনিয়র সচিব মুশফিকুল ফজল আনসারী, সিলেট নগর প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, নগর বিএনপি’র সভাপতি নাসিম হোসাইনসহ সর্বস্তরের মানুষ। জানাজার নামাজের পূর্বে বক্তৃতায় সিটি প্রশাসক বলেন, এ ঘটনার পেছনে অন্য কোনো রহস্য আছে কিনা সেটি পুলিশ খতিয়ে দেখবে। এ ছাড়া তিনি মামলার দ্রুত বিচার কামনা করেন।

এর আগে গতকাল বাদ জুমা বৃহত্তর মিতালী, টিবি গেট এলাকাবাসীর উদ্যোগে টিবি গেট এলাকায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তব্যে মওদুদুল হক মওদুদ বলেন, বাবুলের প্রেমের ঘটনায় এ ঘটনা ঘটতে পারে- সেটি বিশ্বাসযোগ্য হচ্ছে না। সত্য উদ্‌ঘাটনে ভিন্নখাতে ডাইভার্ট করা হচ্ছে কিনা, তা দেখা দরকার। এলাকার মুরুব্বি আলিমুস সাদাত বলেন, ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কিনা- সে প্রশ্নের উত্তর বের করতে হবে। ভালো করে বিষয়টি তদন্ত প্রয়োজন। তাঁতীদলের জেলার সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বেলাল বলেন, এলাকার লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে আমরা মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে নামবো। আরেকজনের উপস্থিতি: সিলেটের ওই বাসায় ঘটনার সময় আরও এক ব্যক্তির উপস্থিতির বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকার মানুষ। ২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা গেছে, খুনের ঘটনার সময় এক ব্যক্তি সিঁড়ি দিয়ে নেমে যাচ্ছে। তবে আদৌও ওই ভিডিওটি ঘটনার সময়ের কিনা, তা নিশ্চিত করতে পারেননি কেউ। নগর পুলিশের ডিসি (উত্তর) সাইফুল ইসলাম গতকালও বলেছেন, ঘটনার সময় ওই বাসায় বাবুল ছাড়া আর কারও উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মোবাইল ট্র্যাকিং করে তারা এ বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন।

ঘটনার পর বাগানে চলে যায় বাবুল: ঘটনার পর বাগানে চলে যায় বাবুল মিয়া। সেখানে গিয়ে মাদকসেবন করেন। তার বাসার কেয়ারটেকার রিয়াজ এ নিয়ে গণমাধ্যমকেও বিষয়টি জানান। তিনি বলেন, বাবুলের কাছে টাকা পাবেন- এজন্য তাকে বার বার ফোন দেয়া হচ্ছে। প্রথমে জানায় শাহী ঈদগাহে যাবে। পরে বলে বাগানে। এরপর এসে টাকা দেয়। ওই সময় তার হাতের আঙ্গুলে ব্যান্ডেজ দেখেছেন বলে জানান তিনি। 

অন্তরালের রহস্যও খুঁজছে নগর পুলিশ

‘প্রথম শুটেই বিকিনি পরা সহজ ছিল না’

অনেকে কৈশোরেই রাতারাতি তারকাখ্যাতি পান, কিন্তু পরে আর সে সাফল্য ধরে রাখতে পারেন না। তেমনই একজন সোনম খান। কৈশোরে বলিউডে পা রেখেই পেয়েছিলেন অল্প সময়ে ব্যাপক সাফল্য। মাধুরী দীক্ষিত ও শ্রীদেবীর মতো তারকাদের সমকক্ষ হয়ে ওঠেন, পাশাপাশি কাজ করেছেন অমিতাভ বচ্চন, ঋষি কাপুর, নাসিরুদ্দিন শাহদের মতো তারকাদের সঙ্গে। সোনম সম্প্রতি তাঁর ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের একটি অভিজ্ঞতার কথা ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, জীবনের প্রথম বিকিনি দৃশ্যের শুটিং করেছিলেন প্রয়াত অভিনেতা ঋষি কাপুরের সঙ্গে। যশ চোপড়া পরিচালিত ছবি ‘বিজয়’–এর সেই শুটিংয়ের স্মৃতি আজও তাঁর কাছে বিশেষ কিছু।

একটি ভিডিও শেয়ার করে সোনম খান লেখেন, ‘“বিজয়” ছবির প্রথম দিনের শুটিংয়ের কথা ভাবলে এখনো আবেগাপ্লুত হয়ে যাই। আমি খুব নার্ভাস ছিলাম। এটাই ছিল ক্যামেরার সামনে আমার প্রথম কাজ, আর তখন আমাকে বিকিনি পরে একটি দৃশ্য করতে হয়েছিল। সেই দৃশ্যটির শুটিং হয়েছিল মাধ আইল্যান্ডে। সৌভাগ্যবশত, সবকিছু খুব ভালোভাবে হয়—এ জন্য যশজী ও ঋষি কাপুর স্যারের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’
সোনম আরও লেখেন, ‘এই রিলটি শেয়ার করার জন্য হয়তো আমাকে ট্রল করা হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। তাতে আমার কিছু যায় আসে না। আমি তখন কাজ করেছিলাম আমার মা–বাবাকে সাহায্য করার জন্য। সত্যিই আমি খুব সাহসী মেয়ে ছিলাম—বিশেষ করে প্রথম শুটেই বিকিনি পরা মোটেও সহজ ছিল না। আজ এই রিলটি দেখে নিজেকেই বাহবা দিয়েছি—তখন যেমন ছিলাম, আজও ঠিক তেমনই আছি—সম্পূর্ণ নিজের মতো, নিঃসংকোচ। মানুষ আমাকে বিচার করুক বা না করুক, সেটা তাদের ব্যাপার। আমার মা–বাবা ও ঈশ্বর সব জানেন, সেটাই আমার কাছে আসল।’

শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, লাল রঙের বিকিনি পরে সমুদ্রের পানিতে শুয়ে রয়েছেন সোনম খান। তাঁর পাশেই রোমান্টিক দৃশ্যে রয়েছেন ঋষি কাপুর। গত মাসেও এই অভিনেত্রী ছবিটির আরেকটি বিকিনি দৃশ্যের একটি ক্লিপ শেয়ার করেছিলেন। সে সময় তিনি লিখেছিলেন, ‘দৃশ্যটি নিয়ে বলতে গেলে, যখনই যশজী “কাট”বলতেন, সঙ্গে সঙ্গে আমার হেয়ার স্টাইলিস্ট দৌড়ে এসে আমার দিকে ড্রেসিং গাউন এগিয়ে দিতেন। যশজী ও ঋষি কাপুর স্যার আমার স্টাইলিস্টকে এমন নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিল অসাধারণ ভদ্রতা ও মর্যাদা। আর ঠিক এই দৃশ্য দিয়েই ভারতীয় চলচ্চিত্রজগতে আমার যাত্রা শুরু হয়েছিল।’

১৯৮৭ সালে তেলেগু সিনেমা ‘সম্রাট’ দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক সোনমের। নির্মাতা যশ চোপড়ার হাত ধরে তাঁর হিন্দি সিনেমায় যাত্রা। পর্দায় সাহসী অভিনয়ের জন্য তিনি আলাদা করে নজর কেড়েছিলেন। রাজেশ খান্না, ঋষি কাপুর, হেমা মালিনী, অনিল কাপুরের মতো তারকার সঙ্গে কাজ করেছেন অভিনেত্রী।

মাত্র ১৮ বছর বয়সেই সোনম বিয়ে করেন নিজের থেকে দ্বিগুণ বয়সী পরিচালক রাজীব রাইকে। রাজীব ছিলেন বিখ্যাত প্রযোজক গুলশান রাইয়ের ছেলে, যিনি ‘দেওয়ার’, ‘মোহরা’র মতো ছবি উপহার দিয়েছেন বলিউডকে। বিয়ের পর সোনম ধর্ম পরিবর্তন করেন এবং সিনেমার জগৎ থেকে সরে দাঁড়ান।

কিছুদিন পরই সম্পর্কে ফাটল দেখা দিল। শোনা যায়, রাজীব রাই আন্ডারওয়ার্ল্ড, বিশেষ করে আবু সালেমের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। এ ভয়েই তাঁরা মুম্বাই ছেড়ে বিদেশে চলে যান। তবে সোনম বিদেশে স্থায়ী হতে চাননি। তিনি ছেলেকে নিয়ে মুম্বাই ফিরে আসেন এবং একাই ছেলেকে মানুষ করেন। ছয় বছরের মাথায় ভেঙে যায় তাঁদের সংসার।
অনেক বছর পর, ২০১৭ সালে আবার বিয়ে করেন সোনম। বর মুরালি নামের এক ব্যক্তি। তিনি সিনেমা–দুনিয়ার কেউ নন। তখন সোনমের ছেলে গৌরবের বয়স ২৫। মজার ব্যাপার, দ্বিতীয় বিয়ের খবরটি সোনম প্রকাশ করেন আরও আট বছর পর, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টের মাধ্যমে।

ইন্ডিয়াডটকম অবলম্বনে

সিনেমার দৃশ্যে সোনম খান। কোলাজ
সিনেমার দৃশ্যে সোনম খান। কোলাজ