Saturday, December 15, 2018
বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হোন: হামাস; ফিলিস্তিনিদের দ্বন্দ্বের সুযোগ নিচ্ছে ইসরাইল

ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলের আগ্রাসন দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ এবং ফিলিস্তিন শরণার্থীদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনসহ আরো বেশ কিছু দাবিতে ফিলিস্তিনিরা প্রতি শুক্রবার বিশাল বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে থাকে। ৩৮তম শুক্রবারের এ বিক্ষোভে এবার ৭০জন আহত ফিলিস্তিনি অংশ নিয়েছে যারা ইসরাইলি সেনাদের হামলায় আহত হয়েছিল। এদিকে, গত সাত সেপ্টেম্বর ইসরাইলি সেনাদের হামলায় আহত আহমাদ ইয়াসির সাবেরি আবু আবেদি নামের চার বছরের এক শিশু গতকাল (শুক্রবার) শহীদ হয়েছে।
ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দাবিতে চলতি বছর ৩০ মার্চ থেকে আন্দোলন শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত ২৪৮জন ফিলিস্তিনি শহীদ এবং আহত হয়েছে ২৬ হাজার মানুষ। নিহতদের মধ্যে ৩৪টি শিশুও রয়েছে।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইসরাইলি আগ্রাসনের মোকাবেলায় ফিলিস্তিনি সংগঠনগুলোর মধ্যে ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু তারপরও হামাস ও ফাতাহ দলের মধ্যে দূরত্ব যেন বেড়েই চলেছে। ফিলিস্তিন স্বশাসন কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে সহিংসতায় জড়ানোর জন্য ইসরাইলের পাশাপাশি হামাসকে অভিযুক্ত করেছে। বিবৃতিতে ইসরাইলের অপরাধযজ্ঞ ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের শাহাদাত পিয়াসি হামলাকে সহিংস কর্মকাণ্ড বলে অভিহিত করা হয়েছে। এমনকি হামাসকে সরাসরি উত্তেজনা সৃষ্টিকারী হিসেবে উল্লেখ করেছে স্বশাসন কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস তাদের বিবৃতিতে ২০১১ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তির ভিত্তিতে জাতীয় ইস্যুতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। হামাস আরো বলেছে, প্রত্যেকেরই এমন কোনো কাজ করা উচিত নয় যার ফলে পরিস্থিতি ইসরাইলের অনুকূলে চলে যায়।
এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, ফিলিস্তিনি দলগুলোর মধ্যে যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে তাতে দখলদার ইসরাইল খুবই খুশী। কেননা ফিলিস্তিনিদের মধ্যে যত বেশি মতবিরোধ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হবে ততবেশি তা ইসরাইলি স্বার্থের অনুকূলে যাবে। এ কারণে দেখা যায় ফিলিস্তিনি দলগুলোর মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা তৈরি হলে ইসরাইলের গায়ে জ্বালা ধরে এবং সহিংসতা বাড়িয়ে দেয়। ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টির পাশাপাশি আরব দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যে উদ্যোগ নিয়েছে হামাসের বিবৃতিতে তারও সমালোচনা করা হয়েছে।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, হামাস ও স্বশাসন কর্তৃপক্ষের মধ্যকার দ্বন্দ্বে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিলিস্তিনিদের সাফল্যগুলো ম্লান হয়ে পড়ছে। এ অবস্থায় বিশ্ববাসীর দৃষ্টি এখন ইসরাইলি অপরাধযজ্ঞ থেকে সরে গিয়ে ফিলিস্তিনি দলগুলোর ঝগড়া বিবাদের দিকে নিবদ্ধ হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘সরকার আর ১৫ দিন ক্ষমতায়, বেআইনি আদেশ মানবেন না’

কোনো সরকার চিরস্থায়ী নয়। আপনারা বেআইনি আদেশ মানবেন না। আগে দেখবেন আইনানুগ কিনা, সংবিধান ভঙ্গ করবেন না। আমি আপনাদের শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে বলছি।
দেশের প্রতি আপনাদের দায়িত্ব আছে। সংবিধানের কথা বঙ্গবন্ধু বলে গেছেন। আজকে যে কাজগুলো করা হচ্ছে। এতে সংবিধান অমান্য করা হচ্ছে। এতে বঙ্গবন্ধুর কথাকে অমান্য করা হচ্ছে। ড. কামাল বলেন, পুলিশ ভাইদের জন্য আজ দুঃখ লাগে যে, তাদের বেআইনি কাজ করতে বাধ্য করে। একটু চিন্তা করে দেখেন- আপনাদের বেআইনি কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছে এটা বলে পার পাওয়া যাবে না।
তিনি বলেন, এটা একটা সভ্য দেশ। এখানে সভ্যতা আমরা রক্ষা করি। সংবিধান এখানে মেনে চলতে হয়। ক্ষমতায় তো সরকার ৫ বছর থাকে। সেই ৫ বছর শেষ। আর কয়দিন আছে। মাত্র ১০, ২০ বা ১৫ দিন। অর্থাৎ যারা এই ১৫ দিন ক্ষমতায় আছেন। মাথা ঠান্ডা করে এসব বেআইনি আদেশ দেয়া বন্ধ করুন। এই মুহূর্তে বন্ধ করুন। তিনি বলেন, এই সরকারের লজ্জা থাকা উচিত। শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি সৌধে হামলার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এদিন আমরা আমাদের অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে হারিয়েছি। তাদের স্মরণেই আমরা এদিনটা উদযাপন করি। এই দিবসে তাদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে ফেরার পথে আমাদের ওপর হামলা হয়েছে। এতে আমাদের কি হয়েছে সেটা চিন্তা করার দরকার নেই। কিন্তু শহীদদের প্রতি তারা অবমাননা করেছে।
এটা কোনোভাবে মেনে নেয়া যায় না। এটা সারা দেশের কোটি কোটি মানুষ মেনে নিতে পারে না। কবরস্থানে আমার বাবা যেখানে আছেন সেখানে গিয়ে কেউ যদি এমন ঘটনা ঘটাতো তাহলে কি মনে করতাম। আর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে তো অনেক শহীদ রয়েছেন। আমরা সেখানে গিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে গাড়িতে উঠে চলে আসছি। এমন সময় কিছু ভাড়াটিয়া হামলা করেছে। আমরা কোনো ক্ষতি করিনি। আমরা শ্রদ্ধা জানিয়েছি শহীদদেরকে। এটা যাদের গায়ে লাগে ওরা কারা? যারা পয়সা নিয়ে এগুলো করতে পারে স্মৃতিসৌধে। ওরা ভাড়াটিয়া। ওদের দুই পয়সায় কেনা যায়। তোমাদেরকে আমি চার পয়সা দেব। তোমরা ওখান থেকে সরে যাও। কয় পয়সা দিয়েছে ওরা। কয় পয়সা পেয়ে তোমরা এগুলো করেছো। এটা কোনো নীতির কাজ হতে পারে না। শহীদদের স্মৃতিসৌধে গিয়ে এগুলো করা কোনো সুস্থ ও দেশপ্রেমিক মানুষের কাজ হতে পারে না। এই ঘটনায় শহীদদের আত্মা তো অবশ্যই কষ্ট পাওয়ার কথা। ১৪ই ডিসেম্বর যে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এটা ভুলে গেছে তারা। এ সময় তিনি রেগে গিয়ে বলেন, যেসব ছোকড়ারা এই কাজটা করেছে।
আমি দেখলাম কিছু ছোকড়া দৌড়ে দৌড়ে এদিক ওদিক যাচ্ছে। শুনলাম তারা ইটপাটকেল মেরেছে। আহত করেছে। গাড়িগুলো ভাঙার চেষ্টা করেছে। এরা টোকাই। কারা এদের ভাড়া করেছে। হামলার ঘটনার তথ্য আইজিপিকে দেয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইজিপি সাহেব আমি আপনাকে লিখিত চিঠি পাঠাবো। আপনার কাছ থেকে অনেক কিছু আশা করা যায়। দেশে আইন যদি প্রয়োগ করা হয়। আপনার পুলিশদের ব্যাপারে কিছু কথা আমি শুনেছি। আমি খুবই উদ্বিগ্ন। গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশের পুলিশের ব্যাপারে এই কথাগুলো পাবলিকলি শুনতে হচ্ছে। আপনার দায়িত্ববোধ আছে আমি জানি।
আইজি সাহেব আপনার সম্পর্কে আমার ভালো ধারণা ছিল। যেন সেই ধারণা থাকে। আপনাকে অনুরোধ করব। আপনি আমাদের কথাগুলোকে গুরুত্বসহকারে দেখবেন। আপনাকে যে তথ্যগুলো দেয়া হবে। আপনি আপনার বিশ্বস্ত লোককে দিয়ে এই হামলার তদন্ত করাবেন। আপনাকে সব রকম সাহায্য করবো। আইনানুগ সহায়তা করবো। আমাদের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সম্মানে এই কাজটা করব। এ সময় আহতদের দেখিয়ে বলেন, তাদের মেডিকেল সার্টিফিকেট ও কাগজপত্র সবই আছে। তিনি বলেন, ওখানে আমাদের যারা আইনানুগভাবে কাজ করছে তাদের পুলিশ কার আদেশে অ্যারেস্ট করে? কেন এত অ্যারেস্ট করা হচ্ছে? অ্যারেস্ট, অ্যারেস্ট, অ্যারেস্ট। আমি প্রত্যেকটা অ্যারেস্টের তথ্য চাই। এদেশে এখনো সংবিধান আছে।
যে সংবিধানে এক নম্বরে বঙ্গবন্ধুর স্বাক্ষর রয়েছে। সংবিধানে বলা আছে, এই দেশের মানুষ আইনের আশ্রয় পাবে। কিন্তু আজ পুলিশ যেটা করেছে এটা সংবিধানের লঙ্ঘন করেছে। বঙ্গবন্ধু যেটা দিয়ে গেছে তারা এটা অমান্য করেছে। বঙ্গবন্ধুর কথাকে বিজয়ের মাসে অমান্য করেছে।
তিনি বলেন, আমি পুলিশ একাডেমিতে বহু বক্তৃতা করেছি। বেআইনি আদেশ তোমরা একদম মানবে না। তোমাদের কর্তব্য আছে। তোমরা মানবে না। এটা পুলিশরা সব জেনে রাখো। যারা বেআইনি আদেশ দিচ্ছে তারা চিরস্থায়ী না। কেউ কোনদিন চিরস্থায়ী হয় না। তোমরা ভুলে যেও না। ৫০/৫৫ বছর বয়স পর্যন্ত তোমরা তো কাজ করবে। পুলিশ থাকবে। এটা মনে রেখে আজ যে বা যারা আদেশ দেয় সেটা যাচাই করবে। দেখবে যাদের ব্যাপারে আদেশ আসছে তারা অন্যায় করেছে কিনা। তোমরা যার কথামতো এগুলো করছো আমাকে জানাতে পারো। বলতে পারো আমরা চাকরি করি।
আমাদের বাধ্য করা হচ্ছে। যারা বাধ্য করছে তাদের চিহ্নিত করা হবে। তাদের বিচার হবে। তিনি বলেন, এটা বিজয়ের মাস। আমাদের মনে করেছিল নিরস্ত্র বাঙালি। ওরা কি করতে পারবে। কিন্তু আমরা এখন নিরস্ত্র না। অসহায়ও না। স্বাধীনতার প্রায় ৫০ বছর হতে যাচ্ছে। আমরা চাই এই দেশ একটা সুন্দর দেশ হোক। শহীদদের আকাঙ্ক্ষিত দেশ হোক। উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এটা কি আপনাদের আকাঙ্ক্ষিত দেশ। যেখানে মানুষের উপরে হামলা হবে। এটা আমাদের কথা না। দলীয় কথা না। এটা দেশের ১৮ কোটি মানুষের কথা।
ড. কামাল লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে আওয়ামী লীগ পুলিশের সহায়তায় প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় ধানের শীষের প্রার্থী, নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা, গ্রেপ্তার, প্রচারণায় বাধা, ভাঙচুরের মাধ্যমে সারা দেশে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। যা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের অন্তরায়। দলীয় সরকারের অধীনে কোন নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে না। এটা অনুভব করেই জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে ৭ দফা দাবি উত্থান করা হয়েছিল।
৭ দফার অন্যতম দাবি ছিল একটি অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের কর্মকাণ্ডে তা সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। আমরা মনে করি বুদ্ধিজীবী দিবসে জাতীয় নেতৃবৃন্দের উপরে এই আক্রমণ শহীদ বুদ্ধিজীবীদের ওপর আক্রমণের শামিল। এই দুর্বৃত্তায়িত আওয়ামী লীগের মুখে স্বাধীনতার কথা মানায় না। আমরা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, এতদিন জানতাম আওয়ামী লীগের রাগ আছে শুধু বিএনপির প্রতি। এখন দেখি যারাই তাদের বিরদ্ধে যায় তাদের ওপর হামলা করে।
তিনি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলছেন, তৃতীয় শক্তিকে প্রতিহত করতে হবে। আমরা কিন্তু কিছুই বলিনি। সব তারাই বলছে। নির্বাচন কমিশন একটা ঠুঁটো জগন্নাথের মতো বসে আছে। নজরুল ইসলাম খান বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় বিব্রত বোধ করে নির্বাচন কমিশন। অসহায়ত্ব দেখান। আপনি মসজিদের ইমাম নাকী যে, কোনো ক্ষমতা নেই। তিনি বলেন, এই পর্যন্ত যে কয়টা ঘটনা ঘটেছে সব কয়টার বিচার করতে হবে। বিচার করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। যদি দায়িত্ব পালন করতে না পারেন অব্যাহতি নেন। না হয় সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করেন।
জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, ধারালো অস্ত্র, লাঠি, হকিস্টিক ও রড নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। তারা আমাদের ভয় দেখায়। ভয় দেখিয়ে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে চায়। এখানে যারা বসে আছি, এই ড. কামাল হোসেন, আ স ম অবদুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্না এরা কেউ ভয় পাওয়ার মতো লোক না। আমরা সবাই মুক্তিযুদ্ধ করেছি। তিনি বলেন, ভয় দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরানো যাবে না। মরবো কিন্তু সরে যাবো না। আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে চাই। নির্বাচন করতে চাই। তিনি বলেন, আমাকে বলা হয়েছিল মনোনয়ন দাখিল করবেন না। তখন বললাম দাখিল করলে কি হবে? বলে শেষ করে দেব। আমি বলেছিলাম- এর আগে আমাকে ৪ বার শেষ করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু আল্লাহ যদি কারো হায়াত রাখে কেউ তাকে শেষ করতে পারে না। তিনি বলেন, আজ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি সৌধে হামলা করা হয়েছে। শেখ হাসিনা আজ যা করছে তাতে বঙ্গবন্ধু কবরে কান্নাকাটি করছেন।
শেখ হাসিনার মুখে মুক্তিযুদ্ধের কথা, গরিব মানুষের কথা মানায় না। আ স ম রব বলেন, আমাদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানোর পর পুলিশ চলে যায়। এর পরই হামলা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী পতাকা ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। এই পতাকা নামিয়ে প্রটোকল ছাড়া প্রচার চালাতে হবে। তা নাহলে ড. কামাল হোসেনকেও পতাকা ব্যবহার করার সুযোগ দিতে হবে। সরকার ভোট ডাকাতির পরিকল্পনা করছে দাবি করে তিনি বলেন, আমরা খবর পেয়েছি- সরকার খিচুড়ি খাইয়ে ২৯ তারিখে লোক দাঁড় করিয়ে রাখবে। রাত ১০টার মধ্যে ভোটের বাক্স ভরে রাখবে। কেন্দ্রে ধানের শীষের ভোটারদের প্রবেশ করতে দেবে না।
নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, নির্বাচন কমিশন সরাসরি আমাদের বিপক্ষে এবং সরকারের পক্ষে কাজ করছে। আমরা ২৯ তারিখ পর্যন্ত মাটি কামড়ে পড়ে থাকবো। তবে ৩০ তারিখ এই কামড় অন্যদিকে চলে যাবে। ৩০ ডিসেম্বর ব্যালটের মাধ্যমে বিপ্লব ঘটবে। তিনি আরো বলেন, আমরা কর্মসূচি ঠিক করেছি। শনিবার আমরা ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ রোড মার্চ করবো। ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় র্যালি করবো। ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী রেজা কিবরিয়া বলেন, আমার বিশ্বাস ছিল ড. কামাল হোসেনের ওপরে হামলা করার ক্ষমতা কারো নেই। কিন্তু এখন দেখছি ক্ষমতার জন্য এই সরকার যা ইচ্ছা তাই করতে পারে। তারা ক্ষমতা ছাড়তে ভয় পায়। কিন্তু এত ভয় কেন? কি এমন করেছেন যে, ক্ষমতা হারাতে এত ভয় পান। এ সময় তিনি বলেন, তাদের কোনো লজ্জা নেই। যদি তাদের সামান্য সম্মানও থাকে তাহলে সরে যাওয়া উচিত।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন- গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসিন মন্টু, জেএসপি সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা শহীদুল্লাহ কায়সার, গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নেতা জগলুল হায়দার আফ্রিক, ড. রেজা কিবরিয়া, ঢাকা-১৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিক প্রমুখ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিইসির নির্দেশিত তদন্ত ফল প্রকাশ পাবে কি?

নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতেই সহিংসতা এবং রক্তপাতের ঘটনা ঘটেছে। আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দু’জন মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারিয়েছেন। অন্যদিকে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক এলাকায় নির্বাচনী প্রচারাভিযানে হামলার ঘটনা ঘটছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তিনি কোথাও কারো প্রশাসনিক ব্যর্থতা চিহ্নিত করতে পেরেছেন বলে জানা যায়নি।
খুলনায় কমিশনার রদবদল এবং গাজীপুর এসিপিকে সরিয়ে নারায়ণগঞ্জে দেয়া ছাড়া আরো কোথাও কোনো রদবদল ঘটেনি। সিইসি এবং তার সহকর্মীগণ বলছেন, অভিযোগ না পেলে তারা কিছু করবেন না। কিন্তু গত কয়েকদিনে বিরোধীদলীয় সমাবেশে যেভাবে হামলার ব্যাপকতা বাড়ছে তাতে অনেকের মতে ইসি নিশ্চিত থাকতে পারে যে, আক্রান্তরা অভিযোগ করে তাদের ভারক্রান্ত করার অবস্থায় নাও থাকতে পারেন।
যদি কিছু করার থাকে তাহলে তাদেরকেই পদক্ষেপ নিতে হবে।
রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রায় পাইকারি হারে বিরোধী দলের প্রার্থীদের মনোনায়নপত্র নাকচ করেছিলেন, সেই প্রেক্ষাপটে বেশকিছু প্রার্থীর বৈধতা ফিরিয়ে দিয়ে সিইসি’র ম্লান ভাবমূর্তি কিছুটা উদ্ধার হয়েছিল। ন্যায়পরায়ণতার জন্য বিএনপি মহাসিচব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ইসিকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন। কিন্তু তার রেশ না কাটতেই সিইসি কার্যত বিএনপি’র বিরুদ্ধ সরকারি মহলের আনা অব্যাহত আগুন সন্ত্রাসের বিষয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে সতর্ক করে দিলেন। কেউ বলছেন, আওয়ামী লীগের দু’জনের মৃত্যুই হয়তো সিইসিকে উদ্বিগ্ন করে থাকবে। দু’টি খুন বলেই কি তিনি এতটা বিচলিত নাকি তার কাছে অন্যবিধ ম্যাসেজ আছে, সেটা একটা প্রশ্ন। আবার তার আশঙ্কা কি তিনি ব্যক্তিতগভাবে করেছেন, নাকি পাঁচ সদস্যের ইসি’র এটি মত? তাকে লিখিত ভাষণে ওই আশঙ্কা ব্যক্ত করতে দেখা গেছে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অর্ধ শতাধিক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। কিন্তু সে বিষয়ে ইসিকে উদ্বিগ্ন হতে দেখা যায়নি।
৬ই জানুয়ারি ২০১৪ প্রথম আলোর রিপোর্টে তথ্য দেয়া হয়েছিল, ‘একতরফা দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের দিন গতকাল রোববার ১৯ জন নিহত হয়েছে। এদের প্রায় সবাই প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মী। এদের মধ্যে ১৫ জনই পুলিশের গুলিতে মারা গেছেন। দেশে ভোটের দিন এতো প্রাণহানি এর আগে ঘটেনি।’ তাহলে ২০১৪ সালের নির্বাচনী সহিংসতার সঙ্গে তিনি ২০১৮ সালের তুলনা কোন দিক থেকে করেছেন, সেটা একটা বিবেচ্য বিষয়। বিরোধীরা নির্বাচনে না গিয়েও যদি ১৯ জন নিহত হয়, তাহলে কি সিইসি তারা অংশ নেবে বলে আরো বেশি সসিহংসতার আশঙ্কা করছেন। গত কয়েকদিনে যেভাবে হামলার ঘটনা ঘটছে, তার সঙ্গে সিইসি’র যুক্তির সবটা বিবেচনায় নিলে অসঙ্গতি ঠেকে।
সিইসি’র কথায় ২০১৫ সালের বিরোধীদলীয় অবরোধ চলাকালে পেট্রলবোমায় ৩৫ দিনে ৯৭ ব্যক্তির প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
২০১৫ সালের ৫ই জানুয়ারিতে সরকার ও বিরোধী দলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি এবং পরেরদিন থেকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের ডাকা লাগাতার অবরোধ ও বিচ্ছিন্নভাবে চলা হরতালে সহিংসতার বিস্তার ঘটে।
বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের টানা অবরোধের ৩ মাসে নিহত হয়েছেন ১৩৮ জন। সরকারি সূত্রের দাবি ছিল, পুলিশি হিসাবে অবরোধে সহিংসতা ও নাশকতায় নিহত হয়েছেন ৯৮ জন। তাদের ৭৪ জন পেট্রলবোমার আগুনে দগ্ধ হয়ে ও ককটেলের আঘাতে মারা গেছেন। দগ্ধ হয়েছেন ২৮১ জন। সংঘর্ষে ১৪ জনের প্রাণহানি হয়েছে। ১০ জন নিহত হন অন্যান্য নাশকতায়। পুলিশের হিসাবে এই ৯৮ জনের ৮২ জনই সাধারণ মানুষ। এর মধ্যে পরিবহন শ্রমিক ৭৪ জন। এখন প্রশ্ন হলো সিইসি আসলে কিসের ভয় করছেন? নির্বাচনের আগে, নির্বাচনের দিনে নাকি নির্বাচনের পরে, এটা পরিষ্কার হয়নি।
তবে তার সঙ্গে অনেকেই একমত হবেন কারণ তিনি বলেছেন তৃতীয় শক্তির ষড়যন্ত্র আছে কিনা তা তিনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে খতিয়ে দেখার তাগিদ দিয়েছেন।
এখন এই তৃতীয় শক্তির ষড়যন্ত্র আছে কি নেই সে বিষয়টি তিনি নির্বাচনের আগে জাতিকে জানানোটা প্রয়োজন হবে। জানাতে পারলে মানুষের ভয় ঘুচবে। এমনিতেই ভয়ভীতির কমতি নেই। তার উপরে কিছু লোক যদি সিইসি’র নিজের ভয় শুনে আরো ভীত হয়ে পড়ে সেটা নিশ্চয় সিইসি চাইবেন না। সে কারণে সিইসি’র ওই ঘোষণার পরে তার এবং তার সহকর্মীদের উচিত হবে তদন্ত ফলাফল প্রকাশ করা এবং সেটা যতো দ্রুত করবেন, ততোই সবার জন্য মঙ্গল হবে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জন্য তা আরো বেশি কার্যকর ফলপ্রসূ বলে গণ্য হবে।
ভোটের ভাগ্য যাতে মাস্তান সন্ত্রাসীদের হাতে চলে না যায় সেই ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেছেন, কিন্তু এখন হামলাগুলো কারা করছে? পর্যবেক্ষকদের কারো কারো মতে, ইতিমধ্যেই নির্বাচনী প্রচারণার প্রক্রিয়ার হামলাগুলো যদি তিনি পর্যালোচনা করে দেখেন, তাহলে তিনি দেখবেন যে নির্বাচন প্রচারণা ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্যভাবে মাস্তান-সন্ত্রাসীদের হাতে চলে গেছে। কিন্তু সে কারণে তিনি বাহিনীগুলোকে কিভাবে সতর্ক করেছেন এবং এগুলো খতিয়ে দেখতে বলছেন সেটা জনগণের কাছে পরিষ্কার করা দরকার।
কারণ তার নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন গঠন হওয়ার পর থেকে অনেক ধরনের ঘটনা ঘটেছে যা তার নিজের এবং নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তির জন্য সহায়ক হয়নি। তিনি যত ভালোভাবেই আপিলগুলো নিষ্পত্তি করুন না কেন, কারো কারো দাবি তিনি যে অবস্থান গ্রহণ করেছেন, তা সরকারি দলের পছন্দের বাইরে যাওয়ার কথা নয়।
কেউ আবার বলছেন, তিনি বাংলাদেশের নির্বাচনকে বিতর্ক মুক্ত করার ক্ষেত্রে নিজের ভাগ্নেকে নির্বাচনে দাঁড় করানো থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত করেছিলেন কি-না, সেটা জনগণ জানতে চায়। সেটা না দিলে তার ব্যক্তিগত কমিটমেন্টের প্রশ্ন অনেকের কাছেই প্রশ্নবিদ্ধ থাকতে পারে। নির্বাচনে তার ভাগ্নেকে আওয়ামী লীগের তরফ থেকে দাঁড় করানোর ক্ষেত্রে তিনি নিয়ম রক্ষা করতে পারেননি। তার ভাগ্নে যে, কোনো ভালো ক্যান্ডিডেট নন, সে বিষয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের তরফ থেকেই প্রশ্ন আছে।
স্থানীয় আওয়ামী লীগাররা যে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সে কথা তার অজানা ছিল না। কারো মতে তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার হয়ে নিজেই একটি পরোক্ষ নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের পক্ষ হয়েছেন বলে প্রতিয়মান হতে পারে। কারণ নির্বাচনী বিধান এমনই যে তৃণমূল পর্যায় থেকে মনোনীত ব্যক্তিদের মধ্য থেকে কেন্দ্রীয় কমিটি বাছাই করে নিবে। কিন্তু তার এটা অজানা নয় যে, তার ভাগ্নেকে পটুয়াখালীর সংশ্লিষ্ট এলাকার আওয়ামী লীগের নেতারা প্যানেলভুক্ত করেননি। বরং ওই আসেন ভাগ্নের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা খ ম জাহাঙ্গীর। তিনি একজন সাবেক প্রতিমন্ত্রী এবং তিনি সাংবাদিকদের বলছেন, তার এলাকায় একটি আসমানি বালা কায়েম হয়েছে। তার একটাই পরিচয়, তিনি অমুকের আত্মীয়। এ কথা বলার পরেও কিন্তু প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দিক থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়নি।
সিইসি গত পরশু বলেছেন, ‘পেছনের একটা ঘটনার রেশ টানা প্রয়োজন’। সেটা কোনটা? পর্যবেক্ষকরা বলছেন পিছনের ঘটনার রেশ যদি টানতেই হয়, তাহলে একটি ঘটনার কেন, অন্তত ১৯৯০ সালের পরে অথবা তত্ত্বাবধায়ক সরকার আন্দোলন এবং তার প্রতিষ্ঠা থেকে এ পর্যন্ত যা ঘটেছে, সবটাই বিবেচনায় নিতে হবে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অতীতে ভোটারবিহীন নির্বাচন এদেশে কিভাবে হয়েছে, সেটা তাকে বিবেচনায় নিতে হবে। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির একতরফা নির্বাচনে জাতি তাকে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে সক্রিয় দেখেছিল।
তিনি উল্লেখ করেছেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের অবস্থা আমাদের ভুলে গেলে চলবে না তখন ভয়ঙ্কর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। তার ভাষায় তখন ভয়ঙ্কর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল, নাকি তিনি একবছর পরের বিরোধী দলের অবরোধকালের আগুন সন্ত্রাসকে নাকি উভয়পর্বকে বুঝিয়েছেন?
সেই ঘটনার আলোকে আমাদের এবারের নির্বাচনের প্রস্তুতির রূপরেখা ও কৌশল অবলম্বন করা প্রয়োজন। সবাই অপেক্ষা করবে, তিনি প্রস্তুতির রূপরেখটা প্রকাশ করবেন। গোপন রাখেবন না। অন্তত ৫ সদ্যসের কমিশন সভায় তা প্রকাশ করবেন। সব কমিশনারকে আস্থায় নেবেন।
তিনি বলেন, তখন মাঠে সব বাহিনী ছিল সশস্ত্র বাহিনী ছিল, পুলিশ বাহিনী ছিল, র্যাব ছিল, বিজেপি ছিল, তবুও আমরা কি দেখেছিলাম পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছিল প্রিজাইডিং অফিসার নিহত হয়েছিল, ম্যাজিস্ট্রেট নিহত হয়েছে, শ’ শ’ মানুষ নিহত হয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভস্মীভূত হয়েছে সেটা কি প্রেক্ষিত ছিল আমরা কেন নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি।
এখানেই খটকা, শ’ শ’ মানুষতো ২০১৪ সাল মারা যায়নি।
তবে গত কয়েকদিন হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ যা ঘটছে, তারপর তিনি কি বলবেন, সেটা জানা দরকারি। মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা তাকে বিব্রত করেছিল, এখন ড. কামাল হোসেন, অধ্যাপক আবু সাইদ, মওদুদ আহমদ এবং ড. মঈন খানের মতো ব্যক্তিত্বের ওপর হামলাগুলো বিষয়ে তিনি কি বলেন, সেটা একটা জিজ্ঞাসা বটে। সিইসি’র কথাটাকেই লাগাতার হামালাগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে আরো তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন সচেতন মহল:‘দুটো জীবনের মূল’ অনেক।... ওগুলোর পেছনে কি রাজনৈতিক সামাজিক কারণ নাকি সেই ২০১৪ সালের মতো ভয়াবহ পরিবেশ সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে কি না?
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জম্মু-কাশ্মিরে বন্দুকযুদ্ধে গেরিলাসহ নিহত ৫, বন্ধ ইন্টারনেট

আজ (শনিবার) দক্ষিণ কাশ্মিরের ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইন্টারনেট পরিসেবা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এদিকে, পুলওয়ামা জেলায় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে কর্তৃপক্ষ বারামুল্লা ও বানিহালের মধ্যে ট্রেন চলাচল স্থগিত ঘোষণা করেছে।
পুলওয়ামার সিরনো গ্রামে গেরিলাদের লুকিয়ে থাকার খবর পেয়ে আজ ভোর ৪ টা নাগাদ সেনাবাহিনী, আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফ এবং পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের সদস্য সমন্বিত যৌথবাহিনী গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি অভিযান চালায়। এসময় লুকিয়ে থাকা গেরিলারা তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে হতাহতের ঘটনা ঘটে।
এদিকে, ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদী জনতা সড়কে নেমে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে দু’জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। যৌথবাহিনী মারমুখী জনতাকে মোকাবিলা করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপসহ পেলেটগান ব্যবহার ও গুলিবর্ষণ করলে তাঁরা নিহত হন।
কাশ্মির উপত্যকায় নিরাপত্তা বাহিনী একনাগাড়ে গেরিলাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। চলতি বছরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে কমপক্ষে ২৩৫ জন গেরিলা নিহত হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাঁচ ফিলিস্তিনিকে গ্রেফতারের পর বাড়ি গুঁড়িয়ে দিলো ইসরায়েল

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাড়িটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার আগে সেখান থেকে সাংবাদিক ও সলিডারিটি অ্যাক্টিভিস্টদের সরিয়ে দেয় ইসরায়েলি বাহিনী। এরপর পরিকল্পিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে ভবনটি ধ্বংস করা হয়।
দখলদার বাহিনীর অভিযানে বিপাকে পড়েন নারী ও শিশুসহ ওই এলাকার শত শত মানুষ। শীতের মধ্যেই রাতের বেলা ঘরবাড়ি ছেড়ে তাদের সংলগ্ন মাঠে অবস্থানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে দখলদার ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে টিয়ার গ্যাস, রাবার কোটেড স্টিল বুলেড ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের দমনের চেষ্টা করা হয়। এ সময় অন্তত ৫৬ ফিলিস্তিনি নিহত হন।
এদিকে শুক্রবার দখলকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লায় বিক্ষোভের সময় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে একটি ফিলিস্তিনি কিশোর নিহত হয়েছে। আল-জালাজুন শরণার্থী শিবিরে মাত্র ১০ মিটার দূর থেকে ইসরায়েলি সেনারা গুলি করে এই কিশোরকে। নিহতের নাম মাহমুদ নাখলেহ (১৮)। শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি সেনাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের সময় পাকস্থলীতে গুলিবিদ্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়।
ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা মান জানায়, গুলির পর ইসরায়েলি সেনারা নাখলেহকে আটকের চেষ্টা করে। কিন্তু ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্যকর্মীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
জালাজুন শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দা ফাদওয়া সাফি জানান, সেনারা নাখলেহকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায় ও মারধর করে। কিশোর গুলিবিদ্ধ হওয়ার সময় ৪২ বছরের এই নারী নিজের ঘরের ভেতরেই ছিলেন। বোন তাকে ঘটনা জানালে তিনি বেরিয়ে আসেন।
সাফি বলেন, ঘর থেকে বের হয়ে দেখি আহত কিশোরকে মারধর করছে ইসরায়েলি সেনারা। চারজন সেনা তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে এবং আরও সাত সেনা তাদের সঙ্গে হাঁটছিল। আমি তাদের লক্ষ্য করে দৌঁড় দেই। সেনারা আমার দিকে একটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং ঘরে ফিরে যেতে বলে। কিন্তু আমি এগিয়ে যাচ্ছিলাম। আমি ছেলেটিকে নিয়ে আসতে চাইছিলাম কারণ সে তখনও নিঃশ্বাস নিচ্ছিলো ও নড়াচড়া করছিল। তারা তাকে মাটিতে আছড়ে ফেলে।
সাফি আরও বলেন, পাশেই অ্যাম্বুলেন্স ছিল। কিন্তু সেনারা সেটাকে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছিলো না। এক সেনা আমার দিকে বন্দুক তাক করে। আমি বলি, আমাকে গুলি করো। তবু ছেলেটিকে আমি ফিরিয়ে নেবই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যা বলল ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস
![]() |
| প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গাজা উপত্যয় হামাসের বিশাল জনসমাবেশ |
বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি সংগঠনগুলোর মধ্যে মতবিরোধ নিরসন করে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। এতে বলা হয়, জাতীয় ইস্যুতে সংগঠনগুলোর মধ্যে যে অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে সেগুলোকে সামনে রেখে তারা ঐক্যবদ্ধ হতে পারে।
হামাসের বিবৃতিতে বলা হয়, সব আন্তর্জাতিক আইনে দখলদার ইহুদিবাদী সরকারের মোকাবিলায় ফিলিস্তিনি জনগণের অকাট্য অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। কাজেই সে অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ২০১১ সালের কায়রো চুক্তি অনুযায়ী নিজেদের মধ্যে ঐক্য ও সংহতি জোরদার করতে ফিলিস্তিনি সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
ফিলিস্তিনি জনগণ গত ছয় মাস ধরে নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে যে বিক্ষোভ মিছিল করে আসছে বিবৃতিতে তার প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করা হয়। একইসঙ্গে ফিলিস্তিন সংকট সমধানের লক্ষ্যে ‘শতাব্দির সেরা চুক্তি’ নামক যে পরিকল্পনা মার্কিন সরকার প্রণয়ন করেছে যেকোনো উপায়ে তার বাস্তবায়ন ঠেকিয়ে দেয়ার আহ্বান জানানো হয়।
কিছু আরব দেশ ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের যে চেষ্টা করছে বিবৃতিতে তার তীব্র নিন্দা জানায় হামাস। মুসলিম দেশগুলোকে এ তৎপরতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড থেকে ইহুদিবাদী ইসরাইলকে হটিয়ে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে ১৯৮৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর হামাস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিতে মার্কিন কংগ্রেসে রেজ্যুলেশন পাস: মতপ্রকাশ ও সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের আহ্বান

পাশাপাশি একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।
তৃতীয়ত- এমন পক্ষপাতিত্বহীন ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানানো হয় যাতে বাংলাদেশিরা স্বাধীনভাবে অংশ নিতে পারে। একই সঙ্গে ভোটারদের ইচ্ছার প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য বিচার বিভাগ ও রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি অনুরোধ জানায় মার্কিন কংগ্রেস। চতুর্থত- রেজুলেশনে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে উদারতা দেখানোর জন্য বাংলাদেশি জনগণ ও সরকারের প্রশংসা করা হয়।
এছাড়াও রেজুলেশনে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ও অতীতের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক সহিংসতা, ইসলামী উগ্রপন্থা, শরণার্থী সংকটসহ বাংলাদেশে গণমাধ্যম ও বাকস্বাধীনতা হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। অবাধ, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্র্র্র্বাচনকে গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে রেজুলেশনে বলা হয়- সব ভোটারের স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে যে নির্বাচনে মানুষের মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি সম্মান দেখানো হয়, তাই ন্যায্য নির্বাচন। দেশের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো আক্রান্ত হলে তা বাংলাদেশি জনগণের আত্মত্যাগকে ক্ষুণ্ন করে। একই সঙ্গে এতে মানবাধিকার ও আইনের শাসনের প্রতি বাংলাদেশের যে দায়বদ্ধতা রয়েছে তাও ক্ষুণ্ন হয়। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশসহ গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ বলে রেজুলেশনে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতিত্বের আশঙ্কায় বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো ২০১৪ সালের নির্বাচন বয়কট করে।
যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে রেজুলেশনে বলা হয়, অর্থনৈতিক অগ্রগতি, শ্রম অধিকার, শান্তিরক্ষা, সন্ত্রাস-বিরোধী যুদ্ধসহ পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে দুদেশের সম্পর্ক অভিন্ন মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। মানবাধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্র নিশ্চিতের অভিন্ন স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত বাংলাদেশের সঙ্গে আরো সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়া। এ ছাড়া রেজুলেশনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও ধর্মীয় সহাবস্থানের কথা তুলে ধরা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে সহিংসতায় যোগ হল আরও এক হামলা -দ্য ডিপ্লোম্যাটের প্রতিবেদন by জুলহাস আলম

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র লতিফুল বারি বার্তা সংস্থা এপি’কে বলেছেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ঢাকায় শ্রদ্ধা জানিয়ে ফিরছিলেন বিরোধী দলীয় নেতা ড. কামাল হোসেন। এ সময়ই তার ওপর ওই হামলা হয়। লতিফুল বারি বলেছেন, হামলাকারীরা বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে। কিন্তু অক্ষত আছেন ড. কামাল হোসেন। পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান বলেছেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং তারা তদন্ত করছেন।
গত সোমবার নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর পরে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে এরই মধ্যে কমপক্ষে দু’জন নিহত হয়েছেন।
আহত হয়েছেন কয়েক ডজন মানুষ। প্রচারণা শুরুর পর প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের দু’জন সমর্থক। নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ শুক্রবার একটি বিবৃতি দিয়েছে। তাতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে বাংলাদেশ সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আহ্বান জানানো হয়েছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি। নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধী দলীয় নেতাদের গ্রেপ্তার, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হুমকিতে ফেলার জন্য বাংলাদেশের নিরাপত্তা রক্ষাকারীদের সমালোচনা করেছে ওই সংগঠনটি।
দেশের ভিতরকার ও দেশের বাইরের অধিকারকর্মীরা নিরাপত্তা রক্ষাকারীদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক গুম ও অপহরণের অভিযোগ করে যাচ্ছেন। বলা হচ্ছে তারা শুধু সরকারবিরোধীদের টার্গেট করছেন। তবে বাংলাদেশী কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ জোর দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
বিরোধীরা বলছে, তাদের হাজার হাজার নেতা ও কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, বিরোধী দলীয় নেতাদের রাজনৈতিক উদ্দেশে গ্রেপ্তার করা হয় নি। বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপির প্রধান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বর্তমানে দুর্নীতির অভিযোগে জেলবন্দি। আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রধান প্রতিপক্ষ তিনি। কিন্তু সম্প্রতি আপিল আদালত প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে অযোগ্য ঘোষণা করেছেন খালেদা জিয়াকে।
বাংলাদেশে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা একটি সাধারণ বিষয়। এই সংঘর্ষ সাধারণত প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে হয়ে থাকে। কিন্তু মনোনয়নবঞ্চিত হওয়ার পরে স্ব স্ব দলের ভিতরেও এ সংঘর্ষ হয়ে থাকে। এখন পর্যন্ত, আগের বছরগুলোর তুলনায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সহিংসতা কমই ঘটেছে।
বিরোধীরা বলছে, নির্বাচন সামনে রেখে তাদেরকে দুর্বল করে দেয়ার জন্যই এসব হামলা করা হচ্ছে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দলের অভিযোগ, তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীরা পরাজিত হওয়ার ভয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শক্তিধর চ্যালেঞ্জার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন ড. কামাল হোসেন, বিশেষ করে তার জোটে বিএনপি যোগ দেয়ার পর থেকে। বাংলাদেশের ইসলামপন্থি সবচেয়ে বড় দল জামায়াতে ইসলামীও যোগ দিয়েছে তার ফ্রন্টে। এ দলটির বেশির ভাগ নেতার্কে স্বাধীনতাযুদ্ধের সময়কার অপরাধের জন্য ফাঁসি দেয়া হয়েছে।
ড. কামাল হোসেন একজন প্রসিদ্ধ আইনজীবী ও সাবেক আইনমন্ত্রী। তিনি নির্বাচনে নিজে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না। কিন্তু তার দলীয় কর্মকান্ড শেখ হাসিনার জন্য বিবেচ্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।
(অনলাইন দ্য ডিপ্লোম্যাটে প্রকাশিত রিপোর্টের অনুবাদ)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
December
(211)
-
▼
Dec 15
(8)
- বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হোন: হামাস; ফিলিস্তিনিদের দ্বন...
- ‘সরকার আর ১৫ দিন ক্ষমতায়, বেআইনি আদেশ মানবেন না’
- সিইসির নির্দেশিত তদন্ত ফল প্রকাশ পাবে কি?
- জম্মু-কাশ্মিরে বন্দুকযুদ্ধে গেরিলাসহ নিহত ৫, বন্ধ ...
- পাঁচ ফিলিস্তিনিকে গ্রেফতারের পর বাড়ি গুঁড়িয়ে দিলো ...
- ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যা বলল ইসলামি প্রতিরোধ আন...
- বাংলাদেশে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিতে মার্কিন ক...
- বাংলাদেশে সহিংসতায় যোগ হল আরও এক হামলা -দ্য ডিপ্লো...
-
▼
Dec 15
(8)
-
▼
December
(211)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
