Saturday, February 14, 2009

ফরিদপুরে আখচাষিদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ফরিদপুর চিনিকলের আখচাষিদের নিয়ে সম্প্রতি এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। মধুখালীর বাগাট ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এ সম্মেলনে ফরিদপুর চিনিকলের ১৮টি ইউনিটের ৪২ জন আখচাষি যোগ দেন।
স্থানীয় আখচাষি শফিউদ্দিন আহম্মেদের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ফরিদপুর চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমল কান্তি সরকার। এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কৃষি বিভাগের প্রধান মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) মো. আমজাদ হোসেন, উপমহাব্যবস্থাপক (সম্পদ) সূর্য কান্তি ব্যাপারি, ব্যবস্থাপক মীর মেরাজ, শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. জহুরুল হক, বাগাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ. রহিম ফকির; আখচাষি হোসনে জামান, নজরুল ইসলাম, এ টি এম মাসউদ, হারুন আর রশীদ, ওসমান মোল্লা, আ. হাই মিয়া, মোস্তফা আনোয়ার ও আহসান হাবিব।
কমল কান্তি সরকার বলেন, ‘ফরিদপুর চিনিকলটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি জানান, চলতি ২০০৯-১০ অর্থবছরে এই অঞ্চলে ১২ হাজার ৫০০ একর জমিতে আখ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। আখচাষিদের সহায়তায় এ লক্ষ্য পূরণে আমরা সক্ষম হব।’
মো. আমজাদ হোসেন বলেন, এ মিলকে রক্ষা করতে হলে বেশি করে আখ চাষ করতে হবে।

Monday, February 9, 2009

বনভোজন by গোলাম মোস্তফা

নুরু, পুশি, আয়েশা, শফি সবাই এসেছে,
আম বাগিচার তলায় যেন তারা হেসেছে।
রাঁধুনিদের শখের রাঁধার পড়ে গেছ ধুম,
বোশেখ মাসের এই দুপুরে নাইকো কারো ঘুম।
বাপ মা তাদের ঘুমিয়ে আছে এই সুবিধা পেয়ে,
বনভোজনে মিলেছে আজ দুষ্টু কটি মেয়ে।
বসে গেছে সবাই আজি বিপুল আয়োজনে,
ব্যস্ত সবাই আজকে তারা ভোজের নিমন্ত্রণে।
কেউবা বসে হলদি বাটে কেউবা রাঁধে ভাত,
কেউবা বলে দুত্তুরি ছাই পুড়েই গেল হাত।
বিনা আগুন দিয়েই তাদের হচ্ছে যদিও রাঁধা,
তবু সবার দুই চোখেতে ধোঁয়া লেগেই কাঁদা।
কোর্মা পোলাও কেউবা রাঁধে, কেউবা চাখে নুন,
অকারণে বারে বারে হেসেই বা কেউ খুন।
রান্না তাদের শেষ হল যেই, গিন্নী হল নুরু,
এক লাইনে সবাই বসে করলে খাওয়া শুরু।
ধূলোবালির কোর্মা-পোলাও আর সে কাদার পিঠে,
মিছিমিছি খেয়ে সবাই, বলে- বেজায় মিঠে।
এমন সময় হঠাৎ আমি যেই পড়েছি এসে,
পালিয়ে গেল দুষ্টুরা সব খিলখিলিয়ে হেসে।

Friday, February 6, 2009

নাতিদের দেখভালের দায়িত্ব ক্যাথেরিন জ্যাকসনের

পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের ২০০২ সালে করা উইলটি অনুমোদন করেছেন আদালত। ওই উইল অনুযায়ী প্রয়াত পপতারকার সম্পত্তির দেখভাল করার জন্য দুজন প্রশাসককেও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সোমবার লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি আদালত এ আদেশ দেন। একই আদালত মাইকেলের তিন সন্তানের স্থায়ী অভিভাবক হিসেবে তাদের দাদি (মাইকেলের মা) ক্যাথেরিন জ্যাকসনের নামও ঘোষণা করেন।
আদালতের আদেশে মাইকেলের সম্পত্তি দেখাশোনার জন্য যৌথ প্রশাসক হিসেবে সংগীত জগতের ব্যক্তিত্ব জন ম্যাকক্লেইন ও জন ব্রাংকারের নিয়োগ স্থায়ী করা হয়। মাইকেল মারা যাওয়ার পর গত মাসে সম্পত্তির প্রশাসক হিসেবে ওই দুজনকে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ করা হয়েছিল। জল্পনা ছিল তৃতীয় প্রশাসক হিসেবে মাইকেলের মাকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আবেদন জানাবে মাইকেলের পরিবার, কিন্তু তেমনটি হয়নি। ম্যাকক্লেইন ও ব্রাংকার আইনজীবী হাওয়ার্ড উইটজম্যান বলেন, বিচারক সঠিক রায় দিয়েছেন এবং উইলটি অনুমোদন করেছেন। মাইকেলের মায়ের তরফ থেকে কোনো আপত্তি জানানো হয়নি।
এর আগে একই বিচারক মাইকেলের তিন সন্তান প্রিন্স মাইকেল (১২), প্যারিস (১১) ও প্রিন্স মাইকেল টুর (৭) অভিভাবক হিসেবে মাইকেলের মায়ের নাম ঘোষণা করেন। মাইকেলের মৃত্যুর পর থেকে দাদির দায়িত্বে রয়েছে নাতিরা। এ ছাড়া রায়ে বলা হয়, প্রিন্স মাইকেল ও প্যারিসের সঙ্গে দেখা করতে পারবে তাদের মা ডেবি রোয়ে। ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত মাইকেলের সঙ্গে রোয়ের দাম্পত্য জীবনে এই দুই সন্তানের জন্ম হয়। পরে তাঁদের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। এদিকে তৃতীয় সন্তান প্রিন্স মাইকেল টুর মায়ের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।
আদালতের আদেশে আরও বলা হয়, নাতিদের দেখাশোনা করার জন্য পপতারকার সম্পত্তির আয় থেকে নির্দিষ্ট ভাতা দেওয়া হবে ক্যাথেরিন জ্যাকসনকে। পাশাপাশি সন্তানেরাও নির্দিষ্ট পরিমাণ ভাতা পাবে। এ ছাড়া মাইকেলের সাবেক স্ত্রী হিসেবে বিয়ের চুক্তি অনুযায়ী ৮৫ লাখ ডলার পাবেন রোয়ে। এদিকে মাইকেলের সন্তানদের অভিভাবকত্ব চেয়ে শেষ মুহূর্তে আবেদন করেছিলেন মাইকেলের ‘ডারমাটোলজিস্ট’ আরনল্ড ক্লেইন। তবে আদালত তাঁর আবেদনে সাড়া দেননি।
আদালতের আদেশ হওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রের ফক্স টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে ক্যাথেরিন জ্যাকসন জানান, মাইকেলের সন্তানেরা ভালো আছে। তিনি বলেন, ‘মাইকেলের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। কী হয়েছে, তা আমি জানি না। তবে (অস্বাভাবিক) কিছু একটা ঘটেছিল।’ মাইকেল মারা যাওয়ার পর এ বিষয়ে এই প্রথম মন্তব্য করলেন তাঁর মা। গত ২৫ জুন মাইকেল জ্যাকসন মারা যান।