Sunday, March 23, 2025
শাহবাগে সমাবেশ: বিচারের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে
এ সময় ‘আবু সাঈদ, মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘এনসিপি কি চায়, আওয়ামী লীগের বিচার চায়’, ‘একটা একটা লীগ ধর, ধইরা ধইরা জেলে ভর’, ‘বিচার বিচার বিচার চাই, আওয়ামী লীগের বিচার চাই’, ‘গুম খুনের বিচার চাই, আওয়ামী লীগের বিচার চাই’, ‘জুলাই হত্যার বিচার চাই, আওয়ামী লীগের বিচার চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দেয়া হয়।
সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সাবেক সমন্বয়ক মাহিন সরকার বলেন, আমরা জুলাইকে ভুলি নাই। জুলাইয়ের শক্তি আছে আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশ থেকে মুছে দেয়ার। যে আওয়ামী লীগ শাপলা, বিডিআর, মোদিবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে। নাৎসি পার্টির থেকেও ভয়ঙ্কর দল আওয়ামী লীগ। যারা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে চান তারা সাবধান হয়ে যান।
এনসিপি’র মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ২০১৪ সালে যখন ভোট হলো না তখন ইনক্লুসিভ ইলেকশন কোথায় ছিল, ১৮ সালে রাতে ভোট হলো, ২৪-এ ডামি নির্বাচন হলো তখন আপনাদের ইনক্লুসিভ ইলেকশন কোথায় ছিল? যে বাংলাদেশে এখনো রক্তের দাগ মুছে যায় নাই। এখন বিডিআর, শাপলা, মোদিবিরোধী আন্দোলনের বিচার হয় নাই। এখনো জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার হয় নাই। রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে আপনারা যেভাবে নগ্নভাবে হস্তক্ষেপ করেছেন, রাজনীতিবিদদের হস্তক্ষেপ করেছেন আপনারা তখন কোথায় ছিলেন। এত গুম খুন হত্যা হয়েছে আপনারা তখন কোথায় ছিলেন?
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করেছিলেন। এর জন্য জীবন দিতে হয়েছে। জামায়াত পুনর্বাসন করেছিল তাদের নেতাকর্মীদের গুম খুন করা হয়েছে। কেউ যদি জীবন দিয়ে আওয়ামী লীগকে আবার পুনর্বাসন করতে চায় তাহলে সেই দায় পূরণ করতে হবে। আমরা সব করবো গণতান্ত্রিকভাবে। কিন্তু সেখানে আওয়ামী লীগ থাকবে না।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে বলতে চাই, দ্রুত নিবন্ধন বাতিল করতে হবে। বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। এটা দেশের দল নয় এটা ভারতের দল। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা, সমর্থন রয়েছে। কোনো ব্যক্তির ওপর আমাদের ক্ষোভ নাই। আপনাদের ওপর আমরা আস্থা রাখতে চাই। আর রাজনীতির বিষয়টি আপনারা রাজনীতি করতে দেন। আমাদের অবস্থান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নয়। সেনাবাহিনীর অবদান রয়েছে। আমাদের আস্থা রয়েছে। আমরা বিশ্বাস রাখতে চাই। অমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির দলগুলোকে এক থাকতে হবে। আপনাদের ওপর যে নির্যাতন দেড় দশক চালিয়েছে সেটা আপনারা ভুলে যাইয়েন না।
এনসিপি’র সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, আমাদের পুনর্জন্ম হতে পারে কিন্তু আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন হতে পারে না। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে বাকশাল কায়েম করেছিল। তারা গণতন্ত্রের মুখে চুনকালি মাখিয়েছিল। বাংলাদেশের মানুষ রক্ত দিয়ে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত দিয়েছে। আমাদের শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকতে আমরা আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করতে দেবো না। বাংলাদেশে মুজিববাদী আদর্শের রাজনীতি আর পুনর্বাসন হবে না। সাত মাসে অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের কোনো বিচার শুরু করে নাই। অবিলম্বে আওয়ামী লীগকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। আওয়ামী লীগের নিবন্ধন অল্প সময়ের মধ্যে বাতিল করতে হবে। তা না হলে ছাত্র-জনতা আবার রাজপথে এসে বাতিল করিয়ে ছাড়বে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের কোনো ভালো নেতৃত্ব নাই। পিলখানা, শাপলা, মোদিবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড, জুলাই হত্যাকাণ্ডর দায় স্বীকার করে নাই। কেউ যদি তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে তাদের প্রতিহত করবো। আজ আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে হবে।
শাহবাগে সমাবেশ শেষ করে এনসিপি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের দিকে যায়। এর আগে শাহবাগে একই দাবিতে ব্লকেড কর্মসূচি পালন করে জুলাই মঞ্চ। আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধকরণের দাবিতে শাহবাগে অবস্থান নেয় জুলাই মঞ্চ। তারা শাহবাগ চৌরাস্তার মাঝে অবস্থান নেয়। চারদিক থেকে যানবাহন চলাচল করে।
শনিবার বেলা ২টার দিকে এই অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। পূর্বঘোষিত ‘গণহত্যার বিচার ও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের’ দাবিতে শাহবাগ ব্লকেডের ঘোষণা দেন। তারা ‘দফা এক দাবি এক, লীগ নট কাম ব্যাক’ স্লোগান দেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, এ বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ রাজনীতি করতে পারবে না। গত ১৬ বছর আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে জাহান্নামে পরিণত করেছে। বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। কেউ যদি ইনিয়ে বিনিয়ে আওয়ামী লীগের পাশে থাকার চেষ্টা করে তাদের বিরুদ্ধে লড়াই জারি থাকবে। জুলাই মঞ্চ শুধু নয় অনেকেই আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি জানাচ্ছে। তাদের বিচার দাবিতে, নিষিদ্ধের দাবিতে আমরা রাজপথে থাকবো। সরকারের কাছে দাবি থাকবে অনতিবিলম্বে আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত করুন। নিবন্ধন বাতিল করুন।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে বলা হয়, আপনি জনগণের ভাষা বুঝুন। না বুঝলে আপনার পরিণতিও শেখ হাসিনার মতো হবে। আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল ও বিচারের দাবি জানানোর জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

Monday, January 13, 2025
‘৫ মাসেও সরকার চমক দেখাতে পারেন নাই’ জুলাই ঘোষণা নিয়ে মাঠে ছাত্ররা, দ্বিধায় সরকার
এ ছাড়া জটিলতা নিরসন করে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে আহত ও নিহতদের পরিবারকে দ্রুত সহায়তা প্রদান করতে হবে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত বিচার সম্পন্ন করতে হবে, গণঅভ্যুত্থানের জন্য সম্পূর্র্ণ পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করতে হবে এবং সকল দাবিগুলো সরকারিভাবে লিপিবদ্ধ করে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।
কবি নজরুল সরকারি কলেজের আহত শিক্ষার্থী মো. তৌফিক শাহরিয়ারের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাসির উদ্দিন আহমেদ, আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী শহিদুল আলম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাজমুল হাসানসহ আহত ও নিহত পরিবারের সদস্যরা।
জুলাই ঘোষণা নিয়ে মাঠে ছাত্ররা, দ্বিধায় সরকার
ছাত্র-জনতার নজিরবিহীন আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের চার মাস পর আন্দোলনকারীরা জুলাই বিপ্লবের ঘোষণার বিষয়টি সামনে আনেন। শুরুতে সরকার থেকে বলা হয়, এর সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এটিকে যেন একটি বেসরকারি উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এরপর ৩০শে ডিসেম্বর সরকার জুলাই বিপ্লবের ঘোষণা প্রস্তুতের কথা জানায়। ছাত্ররা সরকারে আস্থা রেখে বিপ্লবের ঘোষণা থেকে সরে আসে। কিন্তু এর জন্য সরকারকে ১৫ দিন সময় বেঁধে দেন ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। ছাত্রদের বেঁধে দেয়া সময় শেষ হচ্ছে আগামী পরশু। কিন্তু জুলাই বিপ্লবের ঘোষণা নিয়ে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। অন্যদিকে সরকারের একজন উপদেষ্টা জানিয়েছেন, সরকার জুলাই বিপ্লব ঘোষণা করবে না তারা কেবল সহায়তা করবে। এরপর নতুন করে আলোচনা সরকার আসলে কী করতে চাইছে। সরকার জুলাই বিপ্লব নিয়ে রাজনৈতিক দল ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার কথা বললেও এখনো পর্যন্ত এ বিষয়ে কারও সঙ্গে বসা হয়নি। অন্যদিকে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণা নিয়ে জনমত তৈরি করতে মাঠে নেমেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি। আর বিএনপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল জুলাই বিপ্লবের ঘোষণা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে রেখেছে। সবমিলিয়ে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণা নিয়ে অস্পষ্টতা কাটেনি।
বিষয়টি নিয়ে জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন শনিবার বলেন, সরকারের আশ্বাসে গত ৩১শে ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত গণ-অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র পাঠ স্থগিত রাখা হয়। সরকারের তরফ থেকে আগের রাতে আশ্বস্ত করা হয় যে সরকার সব রাজনৈতিক পক্ষ ও অন্যদের সঙ্গে বসে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র জারি করবে। পরদিন সরকারকে ১৫ই জানুয়ারির মধ্যে ঘোষণাপত্র জারির কাজটি শেষ করতে আহ্বান জানানো হয়। তবে সরকার এখন পর্যন্ত তেমন কিছু জানায়নি।
এর আগে বৃহস্পতিবার সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল ১৫ই জানুয়ারির মধ্যে ঘোষণাপত্র তৈরি করা। তবে এই সময় কিছুটা বাড়ানো হতে পারে। সবার সঙ্গে আলোচনা করেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র প্রস্তুত করা হবে। সরকার কোনো ঘোষণাপত্র দেবে না। এটি আসবে শিক্ষার্থীদের প্রস্তাবনা এবং সব রাজনৈতিক দল, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে। এজন্য শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহ থেকেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় শুরু হবে। তিনি বলেন, সরকার যখন অনুভব করলো বিষয়টি শুধু ছাত্রদের দিক থেকে গেলে সেটি বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ও ঐক্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ফলে সরকার দায়িত্ব নিয়েছে, সবার সঙ্গে আলোচনা করে একটি ঘোষণাপত্র তৈরি করা হবে। অন্যদিকে সরকারের সময় নেয়ার বিষয়ে জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, সরকারকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজটি শেষ করার আহ্বান জানাই। আর যদি অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হয়, তাহলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর পর সবাই মিলে এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা সিদ্ধান্ত নেবে। এদিকে শনিবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠন আব্দুল হান্নান মাসুদ দাবি করেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র যাতে না হয়, সেজন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে নানাভাবে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ১৫ই জানুয়ারির মধ্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র প্রকাশে আমাদের পক্ষ থেকে সরকারকে একটা আল্টিমেটাম দেয়া হয়েছে। তার আলোকে আমরা মাঠে মানুষের সঙ্গে কথা বলছি। আমরা মানুষের কাছ থেকে মেসেজ নিতে এসেছি, তারা আগামীর বাংলাদেশ কেমন দেখতে চাচ্ছেন? আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে তাদের স্বপ্ন কী, সেটা জানতে এসেছি। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যারা জীবন বাজি রেখে লড়াই করেছেন। গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের রক্তের বিনিময়ে আমরা যে বাংলাদেশ পেয়েছি, সেই বাংলাদেশে তারা কী ধরনের পরিবর্তন দেখতে চাচ্ছেন, সেটা আমরা জানতে এসেছি। তাদের চাওয়াটা যাতে আমরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্রে অন্তর্ভুক্ত করতে পারি, সেজন্য আমরা তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন মেসেজ নিয়ে যাচ্ছি। যে মানুষগুলো আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে লড়াই করেছেন, তাদের আগামীতেও আমরা পাশে চাচ্ছি, যাতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্বীকৃতিতে কেউ বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। ১০ই জানুয়ারি ভোলায় জনসংযোগকালে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠন সারজিস আলম বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র’ যেন কয়েকজনের কথা না হয়, সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। এই ঘোষণাপত্রে প্রতিটি জেলা ও উপজেলার শ্রমিক, মেহনতি মানুষের আত্মত্যাগের কথা উঠিয়ে আনতে হবে। এটি যেন কয়েকজনের কথা না হয়। তিনি বলেন, ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশের জনগণ একটি নজিরবিহীন ফ্যাসিবাদী ও মাফিয়া শাসনের অধীন চরম জুলুম-নির্যাতন সহ্য করেছে। বাংলার মানুষ হাতে হাত রেখে বাংলার মাটিতে লড়াই করে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারকে বিদায় করেছে। সেজন্য বাংলার জনগণ সরকারের কাছে অবিলম্বে ২৪’র অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্রে সবার আগে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার বিচার দেখতে চায়।
অন্যদিকে জুলাই বিপ্লব নিয়ে সরকার আসলে কী করছে তা স্পষ্ট নয়। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করার কথা বলা হলেও সেটি এখনো দৃশ্যমান নয়। কবে নাগাদ হবে তাও অজানা সবার কাছে। রাজনৈতিক দলগুলোকেও এ বিষয়ে কথা বলতে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এমনকি সরকার কী করছে তাও প্রকাশ করা হচ্ছে না। গতকাল এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এটা নিয়ে নতুন করে কিছু অ্যাড করার নেই। বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা যা বলেছেন সেটিই সরকারের বক্তব্য।

Saturday, September 14, 2024
সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদে কল্যাণ ফ্রন্টের মানববন্ধন
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব নির্মল কুমার বিটের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের যশোর জেলা শাখার নেতা অ্যাডভোকেট সুদীপ্ত কুমার ঘোষের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট যশোর জেলা শাখার নেতা অসীম কুমার, মানিক সাহা, বিষ্ণুপদ সাহা প্রমুখ। কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, শিক্ষক নেতা অধ্যাপক অলোক ঘোষ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আমির ফয়সাল প্রমুখ নেতারা।
কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনী একের পর এক গুলি চালিয়ে নিরীহ বাংলাদেশিদের হত্যা করছে। বিএসএফের এই নৃশংস ও নির্বিচারে হত্যা গণহত্যার শামিল। পৃথিবীর সব দেশে সীমান্ত আছে, কিন্তু একমাত্র বাংলাদেশ সীমান্ত তার ব্যতিক্রম। যেখানে প্রতিনিয়ত প্রতিবেশী দেশের সীমান্ত রক্ষীবাহিনী একের পর এক নিরীহ বাংলাদেশিদের হত্যা করে। অথচ আমেরিকা-মেক্সিকো, ভারত-চীন কিংবা ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে বিরোধ থাকা সত্ত্বেও এমন হত্যার কোনো ঘটনা ঘটে না। স্বাধীনতার পর থেকে ভারতীয় বাহিনী একের পর এক নিরীহ বাংলাদেশিকে নৃশংসভাবে হত্যা করেই চলেছে। এ পর্যন্ত তাদের হাতে কয়েক হাজার নিরীহ বাংলাদেশি নির্মম হত্যার শিকার হয়েছেন। সীমান্ত হত্যার বিষয়টি তাদের কাছে সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বক্তারা ভারতকে সীমান্তে হত্যা বন্ধ কিংবা এই জাতীয় কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। সীমান্তে যদি এই নৃশংস হত্যার পুনরাবৃত্তি ঘটে, তার জন্য ভারতকে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
![]() |
| সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট। ছবি : কালবেলা |
BNM Special
BNM Archive
-
▼
2026
(1519)
-
▼
August
(66)
-
▼
Aug 10
(7)
- ট্রাম্প চাইলেও গাজা পরিকল্পনা মানছেন না নেতানিয়াহু
- কোনো দিন অন্যের ফ্যাশন ফলো করিনি by রুনা লায়লা
- গাজা চুক্তি বাস্তবায়নে স্পষ্ট সময়সূচি চায় হামাস
- তুরস্কের পিকেকে নিরস্ত্রীকরণ বিলে কারাবন্দি কুর্দি...
- সুযোগের সদ্ব্যবহার করছেন শি by সাইমন টিসডাল
- নির্বাচনে জয়ের আশায় গাজা পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যানের ...
- ব্যান্ড সংগীতের সোনালি সময়ের গল্প শোনাবেন নকীব খান
-
▼
Aug 10
(7)
-
▼
August
(66)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
