Wednesday, September 30, 2009
ব্রাজিল দূতাবাস বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি হন্ডুরাস সরকারের
গত ২৮ জুন এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জেলায়াকে ক্ষমতাচ্যুত করে নির্বাসনে পাঠায় দেশটির সামরিক বাহিনী। এক সপ্তাহ আগে আকস্মিকভাবে দেশে ফিরে তেগুচিগালপায় ব্রাজিল দূতাবাসে আশ্রয় নেন তিনি। এর পর থেকেই হন্ডুরাসের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ব্রাজিল দূতাবাস ঘিরে রেখেছে এবং জেলায়াকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। এ জন্য গত শনিবার ব্রাজিল সরকারকে ১০ দিনের একটি সময়সীমাও বেঁধে দেয় সেনা সমর্থিত সরকার।
তবে ব্রাজিল মিশেলেত্তির সরকারের ওই হুমকি আমলে নিচ্ছে না। শনিবার দেশটির প্রেসিডেন্ট লুই ইনাসিও লুলা ডি সিলভা বলেছেন, অবৈধ পন্থায় ক্ষমতায় আসা কোনো সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা মানতে বাধ্য নয় ব্রাজিল। তিনি এ ব্যাপারে মিশেলেত্তি সরকারকে ক্ষমা চাইতে বলেন। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের ওই দাবির জবাবে অবশ্য হন্ডুরাস জানিয়েছে, জেলায়াকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া না হলে ব্রাজিল সে দেশে কোনো দূতাবাস পরিচালনার অধিকার হারাবে।
ব্রাজিল সরকার জানিয়েছে, জেলায়া যতক্ষণ প্রয়োজন ততক্ষণ তাদের দূতাবাসে অবস্থান করতে পারবেন। তবে মিশেলেত্তির সরকার চাইছে, ব্রাজিল জেলায়াকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে, এমন ঘোষণা দিক অথবা জেলায়াকে তাদের হাতে তুলে দিক। এদিকে ওএএসের প্রতিনিধি জন বিহল জানান, চলমান রাজনৈতিক সংকট সমাধানের উপায় বের করতে লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি দল চলতি সপ্তাহে হন্ডুরাস সফর করতে পারে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুড়ঙ্গপথে গাড়ি পাচারের রমরমা ব্যবসা
মিসর থেকে গাজায় পণ্য নেওয়ার কাজে ব্যবহার করা হয় কয়েক শ সুড়ঙ্গপথ। এর মধ্যে কয়েকটি সুড়ঙ্গপথ ব্যবহূত হয় শুধু গাড়ি নেওয়ার কাজে। সুড়ঙ্গপথে গাড়ি নেওয়ার কাজ শুরু হয় কয়েক বছর আগে। সুড়ঙ্গপথ নিয়ন্ত্রণকারীরা বলছেন, গত কয়েক মাসেই ৩০ থেকে ৪০টি গাড়ি আনতে সক্ষম হয়েছেন তাঁরা।
২০০৭ সালে সশস্ত্র লড়াইয়ের পর গাজায় হামাসের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। সুড়ঙ্গপথ পরিচালনাকারী এক ব্যক্তি বলেন, গাড়ি আনার কাজে ব্যবহূত হয়—এ রকম অন্তত দুটি সুড়ঙ্গপথ নিয়ন্ত্রণ করে হামাস।
আবু বিল্লাল নামের একজন মোটর মিস্ত্রি বলেন, ‘একটি গাড়ি আমাদের কাছে আসে চারটি ভাগে ভাগ হয়ে। সঙ্গে থাকে মোটর। প্রথমেই আমরা যাচাই করে দেখি, সবকিছু ঠিক আছে কি না। এরপর গাড়ি সংযোজনের কাজ করা হয়।’
২০০৪ মডেলের একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি সংযোজন শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন আবু বিল্লাল ও তাঁর সহকর্মীরা। তিনি জানান, একটি গাড়ি সংযোজন করতে তাঁদের দুই সপ্তাহ লাগে। গাড়ির ক্রেতারাই রং পছন্দ করেন। আবু বিল্লাল বলেন, জ্বালানি পাচারের চেয়ে গাড়ি পাচার অনেক বেশি কঠিন। তবে গাড়ি পাচারের ব্যবসা অনেক লাভজনক।
আবু সায়িদ নামের অন্য এক পাচারকারী বলেন, মিসর থেকে ছয় থেকে ১০ হাজার ডলারে একটি গাড়ি কেনা হয়। প্রায় দ্বিগুণ দামে গাড়িগুলো গাজায় বিক্রি হয়, তবে এটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা।
অন্য এক পাচারকারী জানান, গত সপ্তাহে এ রকম একটি সুড়ঙ্গপথে আঘাত হেনেছিল ইসরায়েলি জঙ্গি বিমান। ওই হামলার পর সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য গাড়ি আনার কাজ বন্ধ রাখা হয়।
গাজা থেকে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সময় রকেট হামলা হয়। এর জবাবে এসব সুড়ঙ্গপথে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি সুড়ঙ্গপথগুলো দিয়ে অস্ত্রও নেওয়া হয় বলে অভিযোগ তাঁদের।
হামাস সরকারের পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক আদনান আবু ওতাহ বলেন, লড়াইয়ের কারণে কয়েক শ গাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। খুচর যন্ত্রাংশের অভাবে অনেক গাড়ি রাস্তায় নামানো যাচ্ছে না।
হামাস সরকার বলেছে, গাজার ওপর থেকে অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত সুড়ঙ্গপথগুলো বৈধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শতবর্ষী ভিক্টোরিয়া লাইব্রেরি by আঞ্জুমান আরা
বই উপলের নিত্যসঙ্গী। পড়ার অভ্যাস থাকলেও সব বই তো আর কিনে পড়া সম্ভব নয়, তাই লাইব্রেরির সদস্য হয়েছেন। শুধু বিভিন্ন ধরনের বই নয়, প্রতিদিন পত্রপত্রিকা, ম্যাগাজিন ও চাকরির খবরাখবর পড়ার জন্য উপলের মতো অনেকেই আসে লাইব্রেরিতে। কারণ, এ লাইব্রেরির ভাণ্ডার বেশ সমৃদ্ধ। প্রায় ১৪ হাজার বই রয়েছে। এছাড়া ১২টি দৈনিক, চারটি সাপ্তাহিকসহ লাইব্রেরিতে প্রতিদিন সংযোজিত হচ্ছে বিভিন্ন দপ্তরের প্রকাশনা।
পাঠাগারের নিয়মিত পাঠক আতিকুল হক বলেন, ‘চাকরির ব্যস্ততা আর বাড়িতে স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের একঘেয়েমির মধ্যে এখানে আসি কিছুটা সময় নিজের করে পাওয়ার জন্য।’
আকাশসংস্কৃতির কারণে বই যখন পাঠক হারাচ্ছে, তখন পাঠকনন্দিত এই লাইব্রেরির পাঠচক্রের ব্যতিক্রমী দৃশ্য দেখা যায়। ইতিমধ্যে এ লাইব্রেরি তার পথচলায় শতবর্ষ অতিক্রম করেছে। এই পথপরিক্রমার মধ্য দিয়ে লাইব্রেরিটি নাটোরের গৌরবময় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আর হবেই বা না কেন, লাইব্রেরির পথপরিক্রমায় যে অনেক বিখ্যাত মানুষ জড়িয়ে আছেন। ভাবা যায়, এই লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠার মহোত্তম পরামর্শক ছিলেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। নাটোরের মাহারাজা জগদিন্দ্রনাথ রায় ছিলেন শিক্ষানুরাগী ও সুসাহিত্যিক। ‘সন্ধ্যাতারা’র কবি নামে খ্যাত জগদিন্দ্রনাথ রায়ের সঙ্গে কবিগুরুর সুসম্পর্ক ছিল। মহারাজার আমন্ত্রণে নাটোরে বিশ্বকবির আগমন ঘটেছে বারবার। ১৮৯৭ সালে নাটোরে এসে রবীন্দ্রনাথ সাহিত্যানুরাগী মহারাজাকে পরামর্শ দেন একটি লাইব্রেরি করার জন্য। রবীন্দ্রনাথের পরামর্শে ১৯০১ সালে জগদিন্দ্রনাথ রায় প্রতিষ্ঠা করেন ভিক্টোরিয়া পাবলিক লাইব্রেরি। শহরের লালবাজারে মহারাজা কর্তৃক প্রদত্ত কিছু বই, একটি ঘড়ি আর এককালীন সাহায্যে প্রতিষ্ঠিত হয় ভিক্টোরিয়া লাইব্রেরি।
মহারাজা লাইব্রেরির গ্রন্থ নির্বাচনের দায়িত্ব দেন তাঁর দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু প্রখ্যাত ঐতিহাসিক অক্ষয় কুমার মৈত্র ও ভারতবর্ষ প্রত্রিকার সম্পাদক রায়বাহাদুর জলধর সেনকে। লাইব্রেরির সংগ্রহশালায় সংযোজিত হয় এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ প্রকাশিত বিদ্যাসাগর রচনাবলী, নিয়মিত পত্রপত্রিকা মানসী, প্রবাসী, ভারতবর্ষ ইত্যাদি।
১৯৩০ সালে লালবাজার থেকে ভিক্টোরিয়া লাইব্রেরি স্থানান্তরিত হয় কাপুড়িয়াপট্টি এলাকায়। একটি চারচালা টিনের ঘরে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় এর পথ চলা। এ সময় কিছু জ্ঞানানুরাগী মানুষের সান্নিধ্যে লাইব্রেরিতে সমৃদ্ধি আসে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ডা. নলিনী কান্ত সাহা, নিরঞ্জন কুমার সাহা, সুবীর চন্দ্র রায়, শিক্ষাবিদ শীতেন্দ্র মোহন প্রমুখ। এ সময় লাইব্রেরিতে সংযোজিত হয় দেশ-বিদেশের নানা গ্রন্থসহ বাংলার ইতিহাস ও বিশ্বভারতী প্রকাশিত রবীন্দ্র রচনাবলী। ওই সময় প্রতি চান্দ্রমাসের পূর্ণিমা তিথিতে ‘পূর্ণিমা সম্মিলনী’ নামের সাহিত্য আসর চালু হয়। আয়োজন করা হতো বার্ষিক সাহিত্য সম্মেলনেরও। এসব সম্মেলনে বিভিন্ন সময় অতিথি হয়ে এসেছেন কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা যুগান্তর-এর সম্পাদক বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায়, আনন্দবাজার-এর সম্পাদক চপলাকান্ত ভট্টাচার্য প্রমুখ গুণীজন।
লাইব্রেরির ছন্দপতন ঘটে ১৯৪৭ সালের ভারত বিভক্তির পর থেকে। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দেশ ত্যাগে শূন্যতা নেমে আসে। একাত্তরের স্বাধীনতাযুদ্ধে বইপুস্তক, আসবাব লুটপাট ও ধ্বংসের মধ্য দিয়ে লাইব্রেরিটি প্রায় নিঃশেষ হয়ে পরে। তবে সে সময় লাইব্রেরিতে সংগীতচর্চা কার্যক্রম চালু হওয়ার ফলে এটি তখন ভিক্টোরিয়া ক্লাব হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে। ১৯৮০ সালে তত্কালীন মহকুমা প্রশাসক এ এইচ এস সাদিকুল হক লাইব্রেরির দৈন্যদশা উত্তরণে এগিয়ে আসেন। এ সময় গঠণতন্ত্র প্রণয়নসহ প্রশাসনিক সহযোগিতায় নতুন আঙ্গিকে প্রাণ ফিরে পায় লাইব্রেরিটি। ১৯৮৬ সালে গঠণতন্ত্র অনুযায়ী পদাধিকারবলে লাইব্রেরির সভাপতি হন নাটোরের জেলা প্রশাসক জালাল উদ্দিন আহম্মেদ। তাঁর উদ্যোগে লাইব্রেরির আমূল পরিবর্তন ঘটে। সেই টিনের চারচালা লাইব্রেরি পরিণত হয় দ্বিতল ভবনে।
নাটোর ভিক্টোরিয়া লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক রাশিদুজ্জামান সাদী বলেন, ১৯৯১ সাল থেকে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের সহযোগিতায় জেলা প্রশাসন ও লাইব্রেরির যৌথ উদ্যোগে ফেব্রুয়ারি মাসে সপ্তাহব্যাপী বইমেলার আয়োজন করা হচ্ছে। প্রকাশিত হয় ত্রৈমাসিক দেয়ালিকা বনলতা। এ ছাড়া জাতীয় দিবস, সাহিত্য আসর, বিভিন্ন কবি-সাহিত্যিকের জন্ম-মৃত্যু দিবস পালনসহ ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
লাইব্রেরির নিয়মিত সদস্য পাঠক প্রায় দেড় হাজার। আর প্রতিদিন গড় পাঠক ১৫০ জন। শনিবার ছাড়া বিকেল চারটা থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত সর্বস্তরের পাঠকের জন্য এটি খোলা থাকে। তবে শতবর্ষী এই লাইব্রেরিতে পাঠকের জন্য ইন্টারনেটব্যবস্থা এখনো চালু করা যায়নি। এ ছাড়া রয়েছে আসবাবের অপর্যাপ্ততা। তার পরও বটবৃক্ষের ছায়াস্বরূপ শতবর্ষী এই লাইব্রেরি সুস্থ ও সুন্দর জীবনবোধ সৃষ্টির মাধ্যমে একটি সচেতন সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যাশা নিয়ে এগিয়ে চলেছে। জ্ঞানের সেবা ও কল্যাণে ভিক্টোরিয়া পাবলিক লাইব্রেরি পথ চলুক অম্লান ধারায় অবিরত।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আসন্ন দুর্ভোগ আমরা কীভাবে মোকাবিলা করব -জলবায়ুর পরিবর্তন by আসাদউল্লাহ খান
বিশ্ব পানি ফোরামের বিশিষ্ট বিজ্ঞানী মার্টিন সমারকর্ন সুমেরু অঞ্চলে তাঁর পর্যবেক্ষণ অভিজ্ঞতা থেকে জানিয়েছেন, সুমেরু অঞ্চলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির পরিমাণ বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রার দ্বিগুণ। ফলে অত্যধিক মাত্রায় বরফ গলে যাচ্ছে। মোদ্দা কথা, সুমেরু সাগরে ভাসমান বরফের তাক গলে যাওয়া এবং একই সঙ্গে গ্রিনল্যান্ড ও পশ্চিম আন্টার্কটিকায় বরফ গলার কারণে এ শতাব্দীর শেষে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা আধা মিটার থেকে দুই মিটার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।
উল্লিখিত অঞ্চলে এ রকম মাত্রাতিরিক্ত বরফ গলে যাওয়ার কারণে বিশ্বের এক-চতুর্থাংশ জনগোষ্ঠী বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসের কবলে পড়বে। এ ধরনের দুর্যোগের সবচেয়ে বড় শিকার হবে সাগরের উপকূলে অবস্থিত স্বল্পোন্নত বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল যথা মুম্বাই, গুজরাট, চেন্নাই, কেরালা প্রভৃতি অঞ্চল। পৃথিবীর উন্নত দেশসমূহে কার্বন নির্গমণের মাত্রা কমিয়ে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালানোর কথা খুবই জোরেশোরে বলা হচ্ছে। কিন্তু কাজটা কে শুরু করবে এবং কোন কোন দেশ এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে? উল্লেখ্য, প্রায় ২৮ কোটি জন-অধ্যুষিত বিশ্বের সবচেয়ে ধনী এবং শিল্পোন্নত দেশ আমেরিকার অবদান বিশ্বে মোট কার্বন নির্গমণের প্রায় ২৫ শতাংশ হলেও এই নির্গমণ হ্রাস করার ব্যাপারে আমেরিকা বিগত এক দশকের বেশি সময় ধরে অনীহা দেখিয়ে আসছে।
জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর কারণে সৃষ্ট গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমণের জন্য বৈশ্বিক উষ্ণতা বেড়ে যাওয়ায় জলবায়ুর দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে এবং বিশ্বব্যাপী জনজীবন, বাসস্থান, খাদ্য উত্পাদন এবং কৃষিব্যবস্থার ওপর এই পরিবর্তনের মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের মতে, ‘আমরা এক্সিলারেটরে পা চেপে বসে আছি’।
বাস্তব অবস্থা পর্যালোচনা করলে এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে বাংলাদেশের মতো অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল দেশগুলো শুধু যে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে আছে তা-ই নয়, এসব দেশ বর্তমান মুহূর্তে অস্তিত্বের সংকটের মুখোমুখি। বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশসমূহে কার্বন নির্গমণের এই ধারা অব্যাহত থাকলে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে এবং কোনো রকম দায় ছাড়া বাংলাদেশের জন্য এটা হবে এক অশনি সংকেত। প্রতীয়মান হয়, জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত বিপর্যয়ের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে এ দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের দুই কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে। আইপিসিসির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা এক মিটার থেকে দুই মিটার পর্যন্ত বেড়ে গেলে বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ সাগরের নিচে তলিয়ে যাবে এবং এর ফলে নতুন আশ্রয় খোঁজার জন্য মানুষ ধেয়ে চলবে দেশের উত্তরাঞ্চলের দিকে। কিন্তু সেখানে কি এই বিপুল জনগোষ্ঠীকে ঠাঁই করে দেওয়ার মতো জায়গা আছে? এই বিপুল জনগোষ্ঠীর খাদ্য সংস্থানের জন্য শস্য ফলানোর মতো প্রচুর জমি পাওয়া যাবে? পরিস্থিতি যেটা হবে সেটা হলো: অল্প জমি এবং সীমিত সম্পদের ওপর মারাত্ম্যক চাপ সৃষ্টি হবে। সৃষ্টি হবে রাষ্ট্রের জন্য এক দুর্লঙ্ঘ সংকট। কারণ, প্রায় চার কোটি লোক তাদের জীবিকা হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়বে।
উল্লেখ্য, পৃথিবীর শক্তিধর দেশ আমেরিকার বিগত সময়ের বুশ প্রশাসন বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ব্যাপারটা গুরুত্বের সঙ্গে না নেওয়ায় অন্যান্য দেশও কার্বন নির্গমণ হ্রাসের ব্যাপারে তাদের প্রতিশ্রুতি থেকে অনেক পিছিয়ে গেছে। চীন এখন গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের ব্যাপারে শীর্ষে চলে এসেছে। স্বস্তির বিষয়, ওবামা প্রশাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের মনোভাবের পরিবর্তন ঘটেছে। কিন্তু আগামী ডিসেম্বরে কোপেনহেগেন সম্মেলনে এই সদিচ্ছার কতটা প্রতিফলন ঘটবে সে বিষয়ে কেউ খুব বেশি আশাবাদী এখনো হতে পারেননি।
বাংলাদেশ এই বিপর্যয় কিংবা অনভিপ্রেত পরিস্থিতির জন্য দায়ী না হলেও বাংলাদেশকে এ সমস্যার পূর্ণ দায়ভার বহন করতে হচ্ছে। জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে উদ্ভূত প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কবল থেকে এ দেশের জনগোষ্ঠী তথা মাটি ও পানিসম্পদ রক্ষা করার জন্য সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশ সরকার অনেক আইনি ব্যবস্থা, নীতি প্রণয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ নিয়েছে। বিপর্যয় ঠেকাতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার নিজস্ব সংস্থান থেকে এক ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। সম্প্রতি জেনেভা সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দুই ধরনের ড্রেজিং (ক্যাপিটাল এবং মেইনটেনান্স ড্রেজিং)-এর মাধ্যমে ভরাট হওয়া দেশের বড় নদীগুলোর তলদেশ উন্মুক্ত করতে পারলে নদীগুলোর প্রবাহ অব্যাহত থাকবে, পানি ধারণক্ষমতা বাড়বে এবং বন্যার ফলে সৃষ্ট দুর্ভোগ অনেকাংশে কমে আসবে। এই বিরাট কর্মকাণ্ডে সরকারের অর্থের সংস্থান নিয়ে প্রশ্ন আছে। অর্থের সংস্থান হলেও আগের অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়, মাঠ পর্যায়ে যাঁরা কাজ করবেন, তাঁদের নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতা নিয়ে একেবারে সংশয়মুক্ত হওয়া যায় না। শুধু তা-ই নয়, কাজ যাঁরা পর্যবেক্ষণ করবেন, যাঁরা দিকনির্দেশনা দেবেন, তাঁদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতাও প্রশ্নাতীত নয়। কারণ আশির দশক থেকে দেখা গেছে, বিভিন্ন সময়ে এ দেশের সরকার-সংশ্লিষ্ট প্রাজ্ঞজনেরা বক্তৃতায় যা বলেন, যেসব প্রতিশ্রুতি জনগণকে দেন তা কোনো সময় কাজে পরিণত করে দেখাতে পারেননি।
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং সংকট সৃষ্টিকারী ধনী দেশগুলোর কাছ থেকে আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সাহায্য-সহযোগিতা আশা করতে পারে। অবশ্য এ ধরনের আশ্বাসবাণী প্রতিটি দুর্যোগের পর শোনা গেছে। কিন্তু প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে পার্থক্য সব সময় রয়ে গেছে এবং তা ভবিষ্যতেও থাকবে। কারণ দেশটা গরিব, তার ওপর ‘দুর্নীতি’ নামের একটি অপসংস্কৃতি দেশটাকে সবদিক থেকে আচ্ছন্ন করে ফেলেছে। অন্যদিকে দেশের নেতা-নেত্রীদের বিশ্বাসযোগ্যতা না থাকার কারণে বিশ্বসভায় আমাদের যুত্সই লবিংও নেই। বর্তমানে আমেরিকায় অবস্থানরত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামার কাছ থেকে জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত কারণে দুর্ভোগ ও ক্ষতি এড়ানোর জন্য অনেক আশ্বাস হয়তো পাবেন, কিন্তু সে সাহায্য এ দেশে পৌঁছানোর আগেই হয়তো আরেকটা দুর্যোগ আমাদের আঘাত করবে।
নদীভাঙন, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে আগামী দিনের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে। সবচেয়ে বড় কথা, নিজেদের কর্মদক্ষতা, নিষ্ঠা ও সতততার মাধ্যমে দেশের মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করতে না পারলে, কেউ আমাদের মূল্যায়ন করবে না। তাই বাংলাদেশকে তার নিজস্ব সম্পদ, মনোবল, প্রযুক্তিগত ধারণা ও কর্মদক্ষতা কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা মোতাবেক, উপকূলীয় অঞ্চলে সবুজ বলয় সৃষ্টি, জলোচ্ছ্বাস ঠেকানোর মতো সঠিক উচ্চতাসহ মজবুত করে বেড়িবাঁধ নির্মাণ, বাঁধের দুই পাশে গাছ লাগানো, উপকূলীয় অঞ্চলে চিংড়ি চাষ নিয়ন্ত্রণ, বিশেষভাবে বেড়িবাঁধের নিচে ছিদ্র করে চিংড়ির ঘেরে পানি ঢোকানোর উদ্যোগ প্রতিহত করা—এসব স্থানীয় প্রচেষ্টা সফল হতে হবে।
পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী হাছান মাহমুদ পরিবেশের ওপর প্রশিক্ষিত একজন প্রাজ্ঞ ব্যক্তি। প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, সরকারি উদ্যোগে দেশে সাত লাখ একরেরও বেশি জমিতে বন সৃষ্টি করা হবে। যত দূর বুঝতে পারা গেছে, এই বনজ সম্পদ থেকে প্রাপ্ত লাভ এলাকাভিত্তিক জনগোষ্ঠী পাবে। হিসাবটা বড় দূরের এবং জটিলও। বন যেখানে সৃজন করা হবে, সে এলাকার বিপুল জনগোষ্ঠী হতদরিদ্র। জীবন ধারণের ন্যূনতম কোনো ব্যবস্থা না করা গেলে, তাকে আগামীর প্রাপ্তির লোভ দেখিয়ে পরিবেশ রক্ষা কিংবা বনজ সম্পদ ধ্বংস করা থেকে নিবৃত্ত করা যাবে না। তাই এ বিষয়টি গভীরভাবে ভাবতে হবে।
আসাদউল্লাহ খান: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।
aukhanbd@gmail.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংযোজনের জন্য কিছু প্রস্তাব -শিক্ষানীতি by মুহাম্মদ ইব্রাহীম
অগ্রাধিকার
শিক্ষানীতিতে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত প্রাথমিক ও দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মাধ্যমিক করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, সেই ভিত্তিতেই বাকি নীতিগুলো প্রণীত হয়েছে। এটি বিশ্বজনীনভাবে স্বীকৃত ব্যবস্থা এবং এটিই হওয়া উচিত। তবে এ ক্ষেত্রে শিক্ষানীতির অগ্রাধিকার হওয়া উচিত শুরুতে এর জন্য ভৌত সুবিধাদি ও জনবল স্থানান্তরের বিশাল ব্যয়বহুল যজ্ঞে না গিয়ে এর অন্তর্নিহিত সংস্কার, অর্থাত্ এর পঠন-পাঠন-পরীক্ষাসহ প্রস্তাবিত কার্যক্রমকে, আপাতত যা যেখানে আছে সেখানে রেখেই বাস্তবায়িত করা। এতে প্রারম্ভিক গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ ও মনোযোগটি প্রকৃত শিক্ষা ও যথাযথ মানের দিকে যাবে, প্রশাসনিক পরিবর্তন ও ভৌত নির্মাণের দিকে যাবে না। যেসব ক্ষেত্রে সে রকম বড় পরিবর্তন, নির্মাণ ও আনুষঙ্গিক ব্যয়ের প্রয়োজনীয়তা কম হবে সেখান থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে এই স্থানান্তরের কাজটি দীর্ঘ মেয়াদে করা যাবে। আসলে অন্যান্য সব ক্ষেত্রেও শিক্ষানীতির অন্তর্নিহিত সংস্কারগুলোকে শুরু থেকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ব্যবস্থা শিক্ষানীতিতেই না থাকলে, পরিবর্তনগুলো বাহ্যিক আনুষ্ঠানিকতাগুলোতে গিয়েই ঠেকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে।
প্রাথমিক শিক্ষা
১। প্রাথমিক শিক্ষাতেও পঠন-পাঠন-পরীক্ষা পদ্ধতিকে সেই বয়সের উপযুক্ত সৃজনশীল, শিক্ষার্থীর নিজের প্রশ্ন উত্থাপন ও অনুশীলনভিত্তিক হবে। এ জন্য মাধ্যমিকের মতো এখানেও শিক্ষানীতির সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকতে হবে।
২। বিজ্ঞান শিক্ষার অনেকখানি নিজে করে দেখা ও নিজের পর্যবেক্ষণভিত্তিক হবে। এ জন্য পাঠ্যসূচি, পাঠ্যবই ও পঠন-পাঠন পদ্ধতিতে উপযুক্ত পরিবর্তন আনতে হবে। অতীতে এ রকম চেষ্টা করা হয়েছিল কিন্তু যথাযথ নীতি ও সহযোগিতার অভাবে তা ধরে রাখা যায়নি। এর জন্য শিক্ষাসামগ্রী-সাপোর্ট হিসেবে অতি সাধারণ ও সহজলভ্য কিছু সরঞ্জামের একটি বিজ্ঞান কিট-বাক্স প্রত্যেক ক্লাসে থাকতে পারে।
৩। পঞ্চম শ্রেণীতে যে সমাপনী পরীক্ষা হবে তাতে বাংলা-ইংরেজি পঠন, লিখন, হিসাব এই রকম কয়েকটি মৌলিক দক্ষতার (কম্পিটেন্স) ওপর সরাসরি যাচাইটিকেই গুরুত্ব দিতে হবে। এ পর্যায়ে এগুলো অর্জন নিশ্চিত না করলে অন্যান্য অনেক কিছুই নিরর্থক হবে।
৪। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণীতে প্রাক-বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা একটি অত্যন্ত বলিষ্ঠ উদ্যোগ। এটি যেন নেহাত প্রতীকী কিছুতে পরিণত না হয় সে জন্য এর উপায় সম্পর্কে একটি নির্দেশনা থাকা উচিত। আমার প্রস্তাব হলো এর জন্য মাত্র দু-একটি ট্রেডের জন্য স্থায়ী কারিগরি শিক্ষক নিয়োগ না দিয়ে বিভিন্ন উপযুক্ত প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া যারা সম্ভবমতো বিভিন্ন ট্রেডের কারিগরদের দিয়ে স্বল্পস্থায়ী কোর্সগুলো দেবে এবং ছাত্রের দক্ষতা প্রমাণিত হওয়ার ওপর তাদের নিয়োগের স্থায়িত্ব নির্ভর করবে।
৫। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের সঙ্গে পদোন্নতির যোগসূত্র স্থাপনের কথা বলা হয়েছে। আমার প্রস্তাব হলো প্রশিক্ষণ গ্রহণের সঙ্গে নয়, যথাযথ টেস্টের মাধ্যমে নির্ণিত শিক্ষকতা পারফরমেন্সের সঙ্গেই বরং এ যোগসূত্র স্থাপন করা উচিত। এটি অন্যান্য পর্যায়ের শিক্ষার পক্ষেও প্রযোজ্য।
মাধ্যমিক
১। মাধ্যমিকের শুরু থেকে বিজ্ঞান, কলা, বাণিজ্য ইত্যাদি ধারায় বিভক্ত হয়ে গেলে আধুনিক যুগের সম্পূর্ণ নাগরিক গড়া বাধাগ্রস্ত হয়। এই বিভাজন একাদশ শ্রেণীতে হওয়া উচিত এবং তার আগে পর্যন্ত বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, কলার মৌলিক বিষয়গুলো সবার পড়া উচিত। এ ক্ষেত্রে শুধু সাধারণ গণিত আবশ্যকীয় বিজ্ঞান শিক্ষার বিকল্প হতে পারে না। তা ছাড়া একেবারে অল্প বয়সে বিশেষায়ন শুরু না করলে ভবিষ্যতের বিশেষায়িত জ্ঞানে কুলাতে পারা যাবে না এমন ধারণা ঠিক নয়, অভিজ্ঞতায় সমর্থিতও নয়। যদি এভাবে দশম শ্রেণী পর্যন্ত একই ধারা প্রবর্তন করতে একান্তই অনীহা প্রকাশ করা হয়, তাহলে আমার বিকল্প প্রস্তাব হলো আপাতত বিজ্ঞান ধারার শিক্ষার্থীর জন্য ‘বিশ্ব সভ্যতা’ নামক এবং বিজ্ঞান ব্যতীত অন্যান্য ধারার জন্য ‘আধুনিক বিজ্ঞানে অগ্রগতি’ নামক একটি আবশ্যকীয় বিষয় নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত রাখা।
২। মাধ্যমিক শিক্ষার সৃজনশীলতা, কার্যকারিতা, মান ইত্যাদি যেহেতু অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও দরদি তত্ত্বাবধানের দাবি রাখে, তাই এর ব্যবস্থাপনা কমিটির কার্যকর নিয়ন্ত্রণ উপযুক্ত শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, অভিভাবকদের হাতে রাখার ব্যবস্থা নীতিতে থাকা উচিত, প্রশাসনিক কর্মকর্তা বা নির্বাচনভিত্তিক প্রতিনিধির হাতে না রেখে।
উচ্চশিক্ষা
১। উচ্চশিক্ষার যাবতীয় সংস্কার একটি মাত্র জিনিসের ওপর বিপুলভাবে নির্ভর করে বলে মনে করি, তা হলো শিক্ষার পরিবেশ, পরিবেশ এবং পরিবেশ। শিক্ষা ছাড়া বাকি সবকিছুই প্রকৃত গুরুত্ব পেলে কোনো নীতিই কাজ করবে না। এ ব্যাপারে শিক্ষানীতিতে সুস্পষ্ট প্রস্তাবনা ও কৌশল থাকতে হবে।
২। পঠন-পাঠন, পরীক্ষা সব কিছু সৃজনশীল ও বিশ্লেষণমূলক ব্যবস্থার ভিত্তিতে হতে হবে, যা শিক্ষার্থীকে পুরো কোর্সেই এই বিষয়ে নিবেদিত ও অনুসন্ধিত্সু রাখবে। সময় এলে মুখস্থ করে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা কাউকে শিক্ষিত করে না। এ জন্য সারা দুনিয়ায় প্রচলিত দৈনন্দিন অ্যাসাইনমেন্ট, সমস্যা সমাধানমূলক কাজ ইত্যাদিকেই পরীক্ষার বড় অংশ করতে হবে, মূল পরীক্ষাকেও সৃজনশীল করতে হবে।
৩। দুই-একটি ব্যতিক্রমী বিষয় ছাড়া অন্যগুলোর অন্তত আংশিক পরীক্ষা ইংরেজিতে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। নইলে আমাদের উচ্চশিক্ষা বিশ্ববাজারে আদৃত নাও হতে পারে।
৪। বিভিন্ন মানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, বিশেষ করে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান নিশ্চিত করার চেষ্টায় একটি স্বাধীন এডুকেশন টেস্টিং সার্ভিসের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত ও কার্যকর গ্র্যাজুয়েট মান নির্ণয় পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকতে হবে। এটি সারা দুনিয়ায় রয়েছে।
৫। উচ্চশিক্ষার সব বিষয়ে অন্তত ছয় মাস দীর্ঘ ইন্টার্ন ব্যবস্থা চালু করা উচিত। এ সময়ে শিক্ষার্থী বাস্তব কর্মস্থলে কাজ করে শিক্ষা নেবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত এসে এ সম্পর্কে অ্যাসাইনমেন্ট লিখবে। এ জন্য বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক কর্মস্থলের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতার চুক্তি থাকবে।
বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষা
১। বিভিন্ন পর্যায় থেকে কারিগরি বিকল্প ধারায় যাওয়ার যে অভিনন্দনযোগ্য ব্যবস্থা শিক্ষানীতিতে রাখা হয়েছে তাকে শুধু উপযুক্ত মানে নয়, উপযুক্ত সম্মানেও অভিষিক্ত করতে হবে। মূল ধারার সঙ্গে এর সমতা শুধু বাহ্যিকভাবে নয়, চাকরির মর্যাদা, প্রমোশন ইত্যাদির মাধ্যমেও প্রতিষ্ঠিত করার ব্যবস্থা নীতিতে থাকা উচিত।
২। কারিগরি শিক্ষার এক একটি পর্যায় থেকে কোনো শিক্ষার্থী যদি মূল ধারায় ফিরে আসতে চায় তা হলে তাকে ক্ষেত্রবিশেষে এক বা দুই বছরের একটি অন্তবৃর্তীকালীন প্রস্তুতি কোর্স ও পরীক্ষা দিয়ে ফিরে আসার সুযোগ ‘কারিগরি শিক্ষার পথনির্দেশিকায়’ থাকতে হবে। এটি ডিপ্লোমা করার ও ডিপ্লোমা থেকে প্রফেশনাল ডিগ্রি করার ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য হবে, কারিগরি ধারা থেকে সাধারণ বিষয়ে গ্র্যাজুয়েট হওয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত।
৩। অংশত শিক্ষাকেন্দ্রে এবং অংশত বাস্তব কর্মস্থলে শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে স্যান্ডউইচ বৃত্তিমূলক শিক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে। এরও মান ও সম্মান একই রকম হতে হবে।
৪। বৃত্তিমূলক শিক্ষা যাতে কেউ চাকরিতে অথবা ব্যবসায় রত থেকেই প্রয়োজনে দীর্ঘতর সময়ে লাভ করতে পারে তার জন্য আরও নমনীয়তা এতে থাকতে পারে।
৫। প্রাইভেট ব্যবস্থাগুলোকে তাদের নিজস্ব সৃষ্টিশীলতা বজায় রেখে প্রমিতকরণের এবং এ ক্ষেত্রে প্রাইভেট-পাবলিক সহযোগিতা সৃষ্টির কাজগুলো অধিদপ্তরে না করে সরকার ও প্রাইভেট প্রতিনিধিত্ব সম্পন্ন একটি মধ্যবর্তী প্রতিষ্ঠান এর জন্য সৃষ্টি করা উচিত।
বয়স্ক ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা
বিভিন্নমুখী প্রয়োজনের এই ব্যাপক কর্মকাণ্ড নানা অভীষ্ট গোষ্ঠীর প্রয়োজনে নানা কৌশলে হতে হয়। বড় বড় সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে ঢালাও প্রক্রিয়ায় এর প্রকৃত বাস্তবায়ন কঠিন হবে। তাই এর মধ্যে বহুমুখিতা, নমনীয়তা এবং বহু রকম কৌশল ও সৃজনশীলতাকে যাতে স্থান করে দেওয়া যায়, এই উদ্দেশ্যে স্বতঃপ্রণোদিত যারা বেসরকারিভাবে কাজ করছে তাদের সহায়তা দেওয়ার নীতিই বেশি কাম্য। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বকীয়তার ও আত্মনিবেদিত যোগ্যতার মূল্য অনেক। সেটি উপযুক্তভাবে নির্ণয় করে তাদের সর্বতোভাবে সহায়তা দেওয়া ও প্রয়োজনে তাদের সফল কাজগুলোকে সম্প্রসারণ করার জন্য উদ্যোগ নেওয়ার ব্যবস্থা শিক্ষানীতিতে থাকা উচিত। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোকে একটি সরকারি-বেসরকারি প্রতিনিধিত্বমূলক মধ্যবর্তী প্রতিষ্ঠানে রূপ দিয়ে এ রকম উদ্যোগ নেওয়া যায়।
মুহাম্মদ ইব্রাহীম: অধ্যাপক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডলারের বিপরীতে ইয়েন আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দরে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পতন
এর আগে জানুয়ারি মাসে একপর্যায়ে প্রতি ডলারের দর দাঁড়িয়েছিল ৮৭ দশমিক ১০ ইয়েন, যা ছিল ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
ইয়েন শক্তিশালী হওয়ায় জাপানের রপ্তানি কিছুটা প্রতিযোগিতাক্ষমতা হারিয়েছে।
তবে জাপানি ভোক্তাদের জন্য আমদানি করা পণ্য কিছুটা ব্যয়সাশ্রয়ী করে তুলেছে।
জাপানের অর্থমন্ত্রী হিরোহিসা ফুজির এক মন্তব্যের পর ইয়েন গতকালের লেনদেনে শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
তিনি ডাও জোনসের এক সংবাদে বলেন, কৃত্রিমভাবে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রভাবিত করা হবে ভুল নীতি।
অতীতে জাপান সরকার ইয়েনের দর দুর্বল করে রাখার জন্য বিভিন্ন সময় বাজারে হস্তক্ষেপ করেছে। তবে ২০০৫ সাল থেকে আর মুদ্রা বিনিময় হারের ক্ষেত্রে জাপান সরকার হস্তক্ষেপ করেনি।
কিন্তু ফুজি অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর অনেকেই বলতে থাকে, তিনি ইয়েনের ক্রমাগত শক্তিশালী হয়ে ওঠা থামিয়ে দিতে উদ্যোগী হতে পারেন।
তবে গতকালের ঘটনায় সে আশঙ্কা অনেকটাই কেটে গেছে বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।
এদিকে ইয়েন শক্তিশালী হয়ে ওঠার প্রভাব পড়েছে জাপানের শেয়ারবাজারে। ইয়েন শক্তিশালী হওয়ায় হোন্ডা মোটরস ও কিয়োসেরার মতো রপ্তানিমুখী বড় কোম্পানির শেয়ারদর গতকাল ব্যাপকভাবে পড়ে গেছে।
এর প্রভাবে সার্বিকভাবে নিক্কি সূচক ২৫৬ দশমিক ৪৬ পয়েন্ট পড়ে গিয়ে শেষ হয়েছে ১০ হাজার ৯ দশমিক ৫২ পয়েন্টে। গত জুলাই মাসের পর এটাই ছিল সবচেয়ে বড় পতন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি সেমিফাইনালে চোখ ভেট্টোরির
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের যে ব্যাটিংকে খোঁড়াতে দেখা গেছে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সে ব্যাটিংই দুর্দমনীয়! কেউ সেঞ্চুরি পাননি, অথচ স্কোরবোর্ডে ৭ উইকেটে ৩১৫ রান। আর এটাই সেমিফাইনালে খেলার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে ড্যানিয়েল ভেট্টোরিকে।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বড় রানের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন দুই ওপেনিং ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন ম্যাককালাম (৪৬) ও জেসি রাইডার (৭৪)। তাঁদের ১২৫ রানের জুটির পর মার্টিন গাপটিলের ৭৬ বলে ৬৬ ও ভেট্টোরির ৪৪ বলে ৪৮ রান নিউজিল্যান্ডের স্কোরকে তিন শ পেরোতে সাহায্য করে।
নিউজিল্যান্ডের এই রানের পাহাড়েই চাপা পড়েছে শ্রীলঙ্কা। চার ও আট নম্বরে উইকেটে আসা মাহেলা জয়াবর্ধনে ও নুয়ান কুলাসেকেরা ৭৭ ও ৫৭ রান করলেও এই দুটি ফিফটি পরাজয়ের ব্যবধান কমিয়ে আনা ছাড়া কোনো কাজে আসেনি। ৪৬.৪ ওভারে শ্রীলঙ্কা অলআউট ২৭৭ রানে। তাদের সেমিফাইনাল খেলাটা এখন তাই নির্ভর করছে আজকের ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড ম্যাচের ফলাফলের ওপর। আজ ইংল্যান্ড জিতলেই কেবল সেমিফাইনালে যেতে পারবে শ্রীলঙ্কা, নিউজিল্যান্ড জিতলে নিতে হবে বিদায়।
শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারা মনে করেন সেমিফাইনাল নিয়ে অনিশ্চয়তার বড় একটা কারণ বাজে ফিল্ডিং, ‘চ্যাম্পিয়নস ট্রফির মতো টুর্নামেন্ট জিততে ফিল্ডিংয়ে উন্নতি করতে হবে আমাদের। গত কয়েক মাসের মধ্যে এখনই আমাদের অবস্থাটা সবচেয়ে বাজে।’ ব্যাটসম্যানদের কারও বড় ইনিংস খেলতে না পারাটাকেও নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের কারণ মনে হচ্ছে সাঙ্গাকারার কাছে, ‘আমাদের দুর্ভাগ্য ম্যাচ জেতার মতো বড় কোনো ইনিংস ব্যাটসম্যানদের কাছ থেকে আসেনি।’
আজ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জেসি রাইডারকে পাচ্ছে না নিউজিল্যান্ড। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির বাইরে চলে যাওয়া রাইডারের বদলি হিসেবে ডাক পেতে যাচ্ছেন অ্যারন রেডমন্ড।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ সফরে দুর্বল ইংল্যান্ড দল
এমন ব্যস্ত সূচিকে সামনে রেখে ক্রিকেটারদের বিশ্রাম দিয়ে দিয়ে খেলানোর কথা জানিয়েছেন ইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিউ মরিস, ‘আমাদের এমন একটা উপায় বের করতে হবে যাতে ক্রিকেটাররা পর্যাপ্ত প্রস্তুতি, পর্যাপ্ত ম্যাচ এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায়। এ জন্য আমরা কোনো সিরিজ বা সিরিজের মাঝে ক্রিকেটারদের বিশ্রাম দিতে চাই।’ এই নীতিতেই বাংলাদেশ সফরে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে অধিনায়ক অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস, টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক পল কলিংউড, স্টুয়ার্ট ব্রড ও জেমস অ্যান্ডারসনকে। সে ক্ষেত্রে সহ-অধিনায়ক অ্যালিস্টার কুক টেস্ট দলের নেতৃত্ব দেবেন। ওয়ানডে সহ-অধিনায়ক পল কলিংউডকেও বিশ্রাম দেওয়া হলে ওয়ানডে নেতৃত্বে দেখা যেতে পারে নতুন কাউকে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আনুষ্ঠানিকতার দলবদল আজ থেকে
দলবদলের বাজার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল এবার এক মাস আগেই। জাতীয় দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকে ২০ লাখ টাকায় রেখে দিয়েছে আবাহনী, একই পারিশ্রমিকে তারা দলে ভিড়িয়েছে বিশ্বের এক নম্বর অলরাউন্ডারও জাতীয় দলের সহ-অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকেও। অনেক নাটকের পর মোহাম্মদ আশরাফুলের সঙ্গে মোহামেডানে গেছেন বাঁহাতি ওপেনার তামিম ইকবাল। প্রথমে পুরোনো দল আবাহনীতে খেলার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে ২০ লাখ টাকায় তামিম চলে গেছেন মোহামেডানে। মোহামেডানে পুলের অন্য খেলোয়াড় মাহমুদউল্লাহ। আবাহনী তামিমের বিকল্প হিসেবে নিশ্চিত করেছে ইমরুল কায়েসকে। জাতীয় দলের উইকেটকিপার মুশফিকুর রহিম গেছেন বিমানে। আর আইসিএলের ক্রিকেটারদের অধিকাংশ যোগ দিচ্ছেন গাজী ট্যাংকে।
দলবদলে এবার টাকার ছড়াছড়ি হলেও সেটা যেন কেবল ব্যাটসম্যানদের পকেট ভারী করতেই। পেস বোলারদের জন্য বরাবরের মতোই হতাশার উপলক্ষ হয়ে এসেছে দলবদল। মাশরাফি ব্যতিক্রম, নইলে কত টাকায় সূর্যতরুণে যাচ্ছেন সেটা বলতে জাতীয় দলের পেসার মাহবুবুল আলমকেও বিব্রত হতে হয়। রুবেল হোসেন আর কোনো দল না পেয়ে ওল্ড ডিওএইচএসে, এই দলে যাচ্ছেন মোহামেডানের ছেড়ে দেওয়া ডলার মাহমুদও। আর সৈয়দ রাসেল তো কাল পর্যন্ত দল পাননি বলেই খবর!
আরেক তারকা পেসার শাহাদাত হোসেন এবার খেলবেন কলাবাগানে। মহারাষ্ট্র সফরে যাওয়ায় ‘এ’ দলের অন্য ক্রিকেটারদের সঙ্গে তাঁর দলবদলের আনুষ্ঠানিকতাও সারা হয়ে গেছে আগেই।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফেডারেশন কাপ আবার মাঠে
![]() |
| নজরুল-রজনীদের নিয়ে আবাহনীর ট্রেনার ডিয়েগো আলভারোর অনুশীলনেও যেন ঈদ-পূজার আমেজ। দুই সপ্তাহের ছুটি কাটিয়ে আজ আবার মাঠে ফিরছে ফেডারেশন কাপ |
দুই সপ্তাহ পর আজ আবারও মাঠে গড়াচ্ছে ঘরোয়া ফুটবল। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বিকেল ৩টায় শুরু হবে আরামবাগ-শুকতারা যুব সংসদের ম্যাচ। বিকেল ৫টায় একই মাঠে চট্টগ্রাম মোহামেডানের প্রতিপক্ষ রহমতগঞ্জ। ঈদের পর অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলগুলোর ম্যাচ দিয়ে ফেডারেশন কাপ শুরু হলেও পাদপ্রদীপের আলোতে রয়েছে আবাহনী-মোহামেডানই। আগামী ১ অক্টোবর আবাহনী নামবে চট্টগ্রাম আবাহনীর বিপক্ষে। পরদিন মোহামেডান-বিকেএসপির ম্যাচ।
এমিলি, এমেকা, মামুনের মতো তারকা খেলোয়াড় হারিয়ে প্রথম ম্যাচে একটু দিশেহারাই দেখাচ্ছিল আবাহনীকে। বিদেশি খেলোয়াড় সামাদ ইউসুফ, ইব্রাহিম আইডু ও ফুয়াদ আলীর ওপরও খুব বেশি ভরসা করতে পারছে না তারা। কাল তাই আরও দুজনকে উড়িয়ে আনা হয়েছে ঘানা থেকে। স্ট্রাইকার শেরিফ মোহাম্মদ ও মিডফিল্ডার আওয়াল মোহাম্মদের কাগজপত্র এসে গিয়েছিল আগেই, কাল তাঁরা আকাশি-নীল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তবে পরের ম্যাচে তাঁদের খেলা এখনো নিশ্চিত নয়। আবাহনীর ম্যানেজার সত্যজিত্ দাস রুপু জানালেন, ‘আগে আমরা ওদের অনুশীলনে দেখি। যাচাই-বাছাই করি। তারপর মাঠে নামাব।’ এমিলি-এমেকা-মামুনদের অনুপস্থিতিতে দলে কোনো প্রভাবই পড়ছে না বলে দাবি করলেন তিনি, ‘একজন যাবে একজন আসবে এটাই তো নিয়ম। তাতে শক্তিতে এতটুকু ঘাটতি হবে বলে মনে করি না।’ বি-লিগ মাথায় রেখেই আবাহনী মূলত তাদের বিদেশি খেলোয়াড় আনিয়েছে। ফেডারেশন কাপকে এসব খেলোয়াড় ঝালাইয়ের উপযুক্ত জায়গা বলে মনে করছেন রুপু।
বড় দুই জয়ের পর মোহামেডান এখন আরও আত্মবিশ্বাসী। কোচ মারুফুল হকের দৃষ্টি ফেডারেশন কাপ ছাড়িয়ে বি-লিগে, ‘দলে এখন পর্যন্ত কোনো ইনজুরি নেই। অনুশীলনও চলছে জোরেশোরেই। আপাতত আমাদের লক্ষ্য ফেডারেশন কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া। দলবদলের আগে যেহেতু প্রস্তুতির জন্য কম সময় পেয়েছি, এখন তাই একসঙ্গে দুটি কাজই সেরে ফেলতে চাই। ফেডারেশন কাপের প্রস্তুতি এবং ম্যাচে খেলোয়াড়দের মান দেখে সেই অনুযায়ী বি-লিগের দল গড়ব আমরা।’ মোহামেডানের পরের প্রতিপক্ষ বিকেএসপি। এর আগে বিকেএসপি ০-৭ গোলে সকার ক্লাবের কাছে হেরেছিল। এই দলটাকে তবু অবহেলা করছেন না মারুফ, ‘তারাও ফেডারেশন কাপে খেলছে। তাদের অবহেলার চোখে দেখার কোনো সুযোগ নেই।’
গতবারের সেমিফাইনালিস্ট চট্টগ্রাম মোহামেডান এবারও শেষ চারে দেখতে চায় নিজেদের। তবে দলের ম্যানেজার মোহাম্মদ ইউসুফ হতাশ নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে, ‘নারায়ণগঞ্জ শুকতারার বিপক্ষে ২-১ গোলে জিতলেও দলের পারফরম্যান্সে খুব বেশি খুশি নই আমি। তারেক, শুভ্র আর মনুকে হারিয়ে আমরা এমনিতেই একটু বেকায়দায় পড়েছি। এরপর নতুন তিন খেলোয়াড় প্রদীপ, ধীমান ও চামদিন রাখাইনকে পেয়েও হারালাম। ওরা চুক্তি করেও শেষ পর্যন্ত অন্য ক্লাবে খেলছে। ব্যাপারটা বাফুফের প্লেয়ার স্ট্যাটাস কমিটিকে জানিয়েছি। ওদের রায়ে আমি সন্তুষ্ট না। ভাবছি একটা উকিল নোটিশ পাঠাব, কেন বাফুফে আমাদের সঙ্গে এমন বিমাতাসুলভ আচরণ করল।’ মোহামেডানের কাছে সাত গোলের লজ্জাজনক হারে বিব্রত ব্রাদার্স ম্যানেজার আমের খান, ‘আমাদের বড় মাপের খেলোয়াড় নেই। তাই বিদেশিদের ওপরই ভরসা রাখছি। যে ছেলেরা খেলছে ওরা এখনো পুরো পরিণত হয়নি। তা ছাড়া দলের ভেতরে টিম ওয়ার্কও গড়ে ওঠেনি। তার পরও পরের ম্যাচগুলো লড়াই করার চেষ্টা করব।’
এ পর্যন্ত হওয়া ফেডারেশন কাপের দশ ম্যাচে মোট গোল হয়েছে ৪১টি। হ্যাটট্রিক করেছেন মোহামেডানের এমেকা, ফেনী সকারের আনোয়ার ও মোনায়েম। একটা মাত্র ম্যাচে আবাহনী নিজেদের ভালোভাবে মেলে ধরতে না পারলেও গোল পাচ্ছে মোহামেডান। তবে বড় দল হিসেবে দর্শক-সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণের পরীক্ষার অনেকটাই এখনো বাকি তাদের।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Tuesday, September 29, 2009
রাজধানীর বনানীতে বাটা সিটি স্টোর উদ্বোধন
অনুষ্ঠানে বাটার সিএফও ইয়ে সিউ এনজি, কনসালট্যান্ট (বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) এম এ কাদের, অ্যাডভারটাইজিং অ্যান্ড প্রোমোশন ম্যানেজার জাহিদুল হুদা, স্টোর অপারেশন ম্যানেজার (ফ্যামিলি) জিয়াউদ্দিন আহমেদ, স্টোর অপারেশন ম্যানেজার (সিটি) ফিরোজ মোহাম্মদ এবং অন্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এই দোকানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের বাটা জুতো, যেমন—বাটা, পাওয়ার, মেরি ক্লেয়ার, হাস পাপিস, সোল, নর্থ স্টার, বি ফার্স্ট, বাটা কমফিট, অ্যামবাসেডর, বাবলগামারস, ওয়েইনব্রেনার এবং নাইকি পাওয়া যাচ্ছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা
সভায় ব্যাংকের পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রগতি লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের ১০ শতাশ লভ্যাংশ ঘোষণা
সভায় কোম্পানির চেয়ারম্যান সৈয়দ এম আলতাফ হোসাইন সভাপতিত্ব করেন। এতে কোম্পানির পরিচালক আব্দুল আওয়াল মিন্টু, তাবিথ এম আওয়াল, খলিলুর রহমান, এ কে এম রফিকুল ইসলাম, ইউনুস চৌধুরী, আনোয়ার ইমাম হোসেন, এম এ আওয়াল ও জাহাঙ্গীর চৌধুরী এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাফর হালিম উপস্থিত ছিলেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এডিসন গ্রুপ নতুন মোবাইল হ্যান্ডসেট নিয়ে এল বাজারে
সম্প্রতি সেটটির বাজারজাত কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে এডিসন গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুর রশিদ, সিএফও জাকারিয়া শহীদ, পরিচালক রেজওয়ানুল হক, সিএমও আহমেদ পাশা এবং বিপণন ব্যবস্থাপক মুনিম মো. ইশতিয়াক উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশে ২০০৮ সাল থেকে সিম্ফনি মোবাইল হ্যান্ডসেট বাজারজাত করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই হ্যান্ডসেটের সঙ্গে ফেইসবুক, এমএসএন, অপেরা মিনির মতো ইন্টারনেট কার্যাবলিও সংযুক্ত রয়েছে। এই ফোনের কিবোর্ডে প্রত্যেকটি অক্ষরের জন্য আলাদা ‘কি’ নির্দিষ্ট করা আছে। এতে ব্যবহারকারীরা একই সঙ্গে দুটি আলাদা সিম ব্যবহার করতে পারবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টেলিযোগাযোগ সেবা সম্প্রসারণ একীভূত লাইসেন্স দেওয়ার চিন্তা করছে বিটিআরসি
এ বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রণয়ন করার জন্য একটি বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে বিটিআরসি চুক্তিও করেছে। গতকাল রোববার বিটিআরসি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসি থেকে এ পর্যন্ত যত লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে তার অধিকাংশই হলো বিশেষ প্রযুক্তিনির্ভর। এর ফলে ওই বিশেষ প্রযুক্তির লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের পক্ষে একই ধরনের আরও উন্নত প্রযুক্তির সেবা দিতে হলে নতুন করে লাইসেন্স নিতে হয়।
তা ছাড়া একই যন্ত্রপাতি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের সেবা দেওয়ার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সেবা শুধু একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ রাখতে হচ্ছে।
এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য বিটিআরসি ইউনিফাইড লাইসেন্স দেওয়ার চিন্তা করছে বলে জানা গেছে।
অবশ্য বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিটিআরসি জানিয়েছিল, ২০১১ সালের মধ্যে দেশে ইউনিফায়েড লাইসেন্স দেওয়া হবে।
গতকাল বিটিআরসি কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত এক কর্মশালায় বলা হয়, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হচ্ছে। উদ্ভাবিত প্রযুক্তি গ্রহণ করার মাধ্যমে জনগণের কাছে সহজ সেবা পৌঁছে দিতে এবং লাইসেন্সিং পদ্ধতিকে সহজতর করার লক্ষ্যে বিটিআরসি এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।
এ কাজে বিটিআরসিকে ডেভিড বুচার অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস নামের একটি বিদেশি প্রতিষ্ঠান সহায়তা দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির স্থানীয় প্রতিনিধি এইচবি কনসালট্যান্টস। তিন সপ্তাহ ধরে বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ডেভিড বুচার অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের সমন্বয়ে পরামর্শক দল দেশের অধিকাংশ লাইসেন্সধারীর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছে।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন কমিশনের লিগ্যাল ও লাইসেন্সিং বিভাগের কমিশনার মাহবুবুর রহমান। বিটিআরসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও সব ধরনের লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এমিরেটসের বিশ্বব্যাপী নতুন টিভি ও অনলাইন বিজ্ঞাপন প্রচার শুরু
‘মিট দুবাই’ শীর্ষক এই প্রচার কার্যক্রম দি নিউইয়র্ক টাইমস, নিউজ উইক, টাইম, দি ওয়ালস্ট্রিট জার্নালসহ বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমে এখন প্রচারিত হচ্ছে।
এমিরেটসের এসব বিজ্ঞাপনচিত্রে বিজ্ঞাপন মডেল বা অভিনেতাদের পরিবর্তে সাধারণ লোকদেরই তুলে আনা হয়েছে, কোনো পাণ্ডুলিপি ব্যবহার না করে। এতে একমাত্র পেশাদার অভিনেতা হচ্ছেন যুক্তরাজ্যের কেভিন স্যাকার। মূলত কোনো রিহার্সেল ছাড়াই প্রামাণ্যচিত্রের আদলে বিজ্ঞাপনগুলো তৈরি করা হয়েছে।
গতকাল রোববার থেকে সিএনএন, বিবিসি ওয়ার্ল্ড, সিএনবিসি, ট্রাভেল চ্যানেল, গুগল, ইয়াহু! ও ইএসপিএনসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচারিত হচ্ছে।
বাংলাদেশে এমিরেটসের এরিয়া ম্যানেজার হানিফ জাকারিয়া বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের মধ্যে এসব বিজ্ঞাপন যথেষ্ট সাড়া জাগাবে। কারণ পছন্দের গন্তব্যে ভ্রমণের আগেই তাঁরা সেখানকার জীবনযাত্রা অবলোকনের সুযোগ পাবেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাইকেলভক্তদের রাতজাগানিয়া অপেক্ষা
গতকাল রোববার প্রথম প্রহর থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শনিবার সকালের মধ্যেই নোকিয়া থিয়েটারের বাইরে শত শত ভক্ত লাইনে দাঁড়িয়ে যান। লেটিসিয়া মার্টিন নামের এক ভক্ত সারা রাত জেগে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি ঘুমাইনি। টিকিট কেনার জন্য সারা রাত জেগেছিলাম। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগে লাইনে দাঁড়িয়ে কেউ কেউ স্লিপিং ব্যাগের ওপরই ঘুমিয়ে পড়েন। আবার কেউ ভাঁজ করা চেয়ার এনে তাতেই রাত পার করেছেন।’
এন্ড্রু উইংলার্জ নামের একজন গাড়িচালক বলেন, ‘আমি রাতে একফোঁটা ঘুমাইনি।’ দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া থেকে আসা ওই ভক্ত তাঁর তিন বন্ধুকে নিয়ে লাইনে দাঁড়ান। ব্রেন্ডা গঞ্জালেজ নামের আরেক ভক্ত বলেন, ‘ আমি শুক্রবার ভোর রাত তিনটায় লাইনে দাঁড়িয়েছি।’ গঞ্জালেজের সঙ্গে ছিল তাঁর বোন ও এক বন্ধু। ২৬ বছরের গঞ্জালেজ বলেন, ‘আমি সাধারণত ১২ ঘণ্টার মতো ঘুমাই। কিন্তু টিকিটের জন্য আমি আজ রাতে মাত্র চার ঘণ্টা ঘুমিয়েছি।’
পপতারকার মৃত্যুর কারণেই তাঁর তথ্যচিত্রের প্রতি আবেদন বেড়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে জ্যাকসনের অনুকারক জিমি লি বলেন, ‘জ্যাকসন জীবিত থাকলেও এ তথ্যচিত্র দেখার জন্য আমাদের আগ্রহের এতটুকু ঘাটতি হতো না।’
উল্লেখ্য, রোববার প্রথম কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তিন হাজার টিকিট বিক্রি হয়।
গত ২৫ জুন মাত্রাতিরিক্ত চেতনানাশক ওষুধ প্রয়োগের কারণে মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চলচ্চিত্র পরিচালক রোমান পোলানস্কি গ্রেপ্তার
কর্মকর্তারা জানান, একটি আজীবন সম্মাননা পুরস্কার নেওয়ার জন্য পোলানস্কি ফ্রান্স থেকে সুইজারল্যান্ডের জুরিখে চলচ্চিত্র উত্সবে যোগ দিতে আসেন। এ সময় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে পোলানস্কি স্বীকার করেছিলেন, ১৯৭৭ সালে ১৩ বছরের একটি কিশোরীর সঙ্গে অবৈধ যৌনসম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। ওই ঘটনায় পোলিশ বংশোদ্ভূত পোলানস্কির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। তিনি ওই সময় পালিয়ে ফ্রান্সে চলে আসেন। পরিচালকের আইনজীবী জানিয়েছেন, পোলানস্কি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে পারবেন না। কারণ সেখানে ফিরলেই তাঁকে পলাতক আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হবে। ২০০২ সালে পিয়ানিস্ট চলচ্চিত্রের জন্য অস্কার পুরস্কার পান পোলানস্কি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লিবীয় নেতা গাদ্দাফির কানাডা সফর বাতিল
আগামী সপ্তাহে কানাডার নিউ ফাউন্ড ল্যান্ড প্রদেশের সেন্ট জনে তাঁবুতে গাদ্দাফির রাত কাটানোর কথা ছিল। কানাডা সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে বিমানবন্দরে অভিবাদন জানানোর জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাঠানোর কথাও ছিল।
স্কটল্যান্ডের লকারবি বিমান হামলার নায়ক আবদেল বাসেত আলী মেগরাহিকে গত মাসে লিবিয়ায় বীরের সম্মান দেওয়ায় সারা বিশ্বে আলোচিত হগন গাদ্দাফী। ১৯৮৮ সালে বোমা হামলায় প্যান অ্যাম বিমান ধ্বংস হলে এর ২৭০ জন যাত্রী মারা যায়। এতে কানাডার তিনজন নাগরিকও নিহত হন। ওই ঘটনায় মেগরাহির ২৭ বছর জেল হয়। ক্যানসারে আক্রান্ত বাসেতকে মানবিক কারণে গত মাসে স্কটিশ জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনা বাতিল করল রাশিয়া
যুক্তরাষ্ট্রের পিটসবুর্গে জি-২০ সম্মেলন শেষে দিমিত্রি মেদভেদেভ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এর আগে ঘোষণা দিয়েছিলাম, যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা স্থাপনা গড়ে তুললে নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে আমরাও ইস্কান্দার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করব। ওয়াশিংটন এই সময়ের মধ্যে তাদের সিদ্ধান্ত পাল্টেছে। আমাদেরও আর ওই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের প্রয়োজন নেই।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুয়ানতানামোর বন্দীদের জন্য নতুন জায়গা খুঁজছে হোয়াইট হাউস
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ক্ষমতায় এসেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যে গুয়ানতানামো বে বন্ধ করা হবে। তবে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিরোধিতার মুখে তাঁর পূর্বঘোষিত সময়ের মধ্যে গুয়ানতানামো বে কারাগারটি বন্ধ করা মোটেও সহজ হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওই মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। আশা করি প্রেসিডেন্টের পূর্বঘোষিত সময়ের মধ্যেই সব করা সম্ভব হবে। আমরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে কারাগার নির্মাণের জন্য জুতসই জায়গা খোঁজার চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছি।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওবামার প্রশাসনের অপর একজন মুখপাত্র বলেন, এ ব্যাপারে আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি ওবামা পাকাপাকি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তিনি আরও বলেন, মিশিগানের স্ট্যান্ডিশ এলাকায় অথবা কলোরাডোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেখানেই হতে পারে গুয়ানতানামো বে বন্দীদের নতুন আবাসন। অন্তত আটজন বিপজ্জনক বন্দীকে যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তর করা ঝুঁকিপূর্ণ হবে। তাই তাঁদের হয়তো প্রশান্ত মহাসাগরের পালাউ দ্বীপে পাঠানো হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের প্রশাসন ২০০১ সালে আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে। ওই সময় গ্রেপ্তার করা বন্দীদের আনা হয় গুয়ানতানামো বে কারাগারে। সেখানে বন্দী নির্যাতনের নানা লোমহর্ষক কাহিনী প্রকাশিত হয়ে পড়ায় বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। ওবামা শেষমেশ কারাগারটি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন। বন্দীদের যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরের ব্যাপারে রিপাবলিকানদের জোর আপত্তি রয়েছে। তাঁরা দাবি করে আসছেন, এতে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা আরও হুমকির মুখে পড়বে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একসঙ্গে চারজনকে বিয়ে
এমভেলেকে উদ্ধৃত করে পত্রিকাটি জানায়, সব স্ত্রীকে সমানভাবে ভালোবাসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। এমভেলে বলেন, ‘আমি সারা জীবন এই দিনটির অপেক্ষায় ছিলাম।’ একসঙ্গে চার বিয়ে করার কারণ হিসেবে ঐতিহ্য আর খরচ কমানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একজন স্ত্রী আর ৩০ জন মেয়ে বন্ধু রাখার কোনো মানে হয় না। এতে খরচ অনেক বেড়ে যায়।’
দক্ষিণ আফ্রিকার আইনে বহুবিবাহ করার অনুমতি রয়েছে। কাওয়াজুলু নাটাল প্রদেশের স্থানীয় একটি খেলার মাঠে এই বিয়ের আয়োজন করা হয়। একটি লিমুজিন গাড়িতে চার কনেকে নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হন এমভেলে। এ সময় তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের স্যুট।
এমভেলে (৪৪) ১০ সন্তানের জনক। এর মধ্যে তাঁর চার স্ত্রীর সন্তান সাতজন। বাকি তিনজন আগের সম্পর্কের ফসল। একাধিক বিয়েকে ঐতিহ্য হিসেবে উল্লেখ করে সরকারি এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি একজন গর্বিত জুলু। একাধিক বিয়ে জুলু-সংস্কৃতির অংশ। নিজেকে আমি গোত্র থেকে আলাদা হিসেবে বিবেচনা করি না।’ তিনি জানান, এই চার বিয়েতে দেড় লাখ র্যান্ড (দক্ষিণ আফ্রিকার মুদ্রা) খরচ হয়েছে।
স্ত্রীদের মধ্যে স্বস্তিদায়ক প্রতিযোগিতা চলে জানিয়ে এমভেলে বলেন, ‘তারা সবকিছু নিয়েই প্রতিযোগিতা করে। তবে সেটি সুস্থ প্রতিযোগিতা। তাদের প্রত্যেকের আচরণই ভালো। আমি খুবই সুখী মানুষ।’ চার স্ত্রীর জন্যই বাড়ি বানিয়ে দেবেন বলে জানান এমভেলে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফিলিপাইনে প্রচণ্ড ঝড় ও বৃষ্টিপাত ৭৩ জনের প্রাণহানি
সরকার জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা করে জরুরি সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে।
ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গিলবার্ট টিওডোরো জানান, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক দল উদ্ধারকাজে নেমে পড়েছে। আড়াই লাখের বেশি লোক ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছে।
কর্মকর্তারা গতকাল রোববার জানান, শনিবার টানা নয় ঘণ্টা ধরে ঝড় ও বৃষ্টিপাত হয়। এর ফলে সৃষ্ট বন্যায় মহাসড়কগুলো নদীতে পরিণত হয়েছে। পানির তোড়ে অসংখ্য ঘর ও গাড়ি ভেসে গেছে। এতে এক কোটি ২০ লাখ লোক পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
গিলবার্ট টিওডোরো বলেন, ‘এটাই হচ্ছে আমার দেখা সবচেয়ে প্রলয়ংকরী বন্যা।’ তিনি বলেন, বন্যায় এখন পর্যন্ত ৭৩ জনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করা গেছে। এ ছাড়া আরও ২৩ জন নিখোঁজ রয়েছে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা হেলিকপ্টার ও রাবার বোটে করে এ পর্যন্ত চার হাজার বন্যার্তকে উদ্ধার করেছেন। গতকাল বিকেল পর্যন্ত অসংখ্য লোক বাড়ির ছাদে এবং ঘরের চালে আটকা ছিল। প্রতিরক্ষামন্ত্রী এক রেডিও ভাষণে বলেছেন, ‘আপনাদের কেউ ঘরের চালে থাকলে, সেখান থেকে চলে আসার চেষ্টা করবেন না। ওখানেই অবস্থান করুন, আপনাদের উদ্ধারে সম্ভাব্য সবকিছু করা হবে।’
ম্যানিলার পাশে প্যাসিগ শহরের লোকজনকে গলা সমান পানিতে তাদের শিশুসন্তানদের দুই হাতে উঁচু করে ধরে এবং মাথায় মালামাল নিয়ে ঝুঁকির মধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে দেখা গেছে।
কর্মকর্তারা জানান, ম্যানিলার তিনটি বিমানবন্দর গত শনিবারই বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এর ফলে পর্যটকসহ হাজার হাজার যাত্রী আটকা পড়েছে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, বন্যায় ম্যানিলা ও পাঁচটি নিম্নাঞ্চলীয় প্রদেশে দুই লাখ ৮০ হাজার লোক বাস্তুহারা হয়েছে। ৪১ হাজার লোক আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছে। রাস্তা ডুবে যাওয়ায় এবং রাস্তায় শত শত গাড়ি আটকে পড়ায় উদ্ধারকারী দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছাতে পারছে না।
ফিলিপাইনের রেডক্রসের চেয়ারম্যান গুয়েনডোলিন প্যাং বলেন, উদ্ধারকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছার চেষ্টা করছেন। কিন্তু মহাসড়কে অসংখ্য গাড়ি আটকে পড়ায় উদ্ধারতত্পরতায় বিঘ্ন ঘটছে। তিনি বলেন, ফিলিপাইনে এর আগে এ রকম ভয়াবহ বন্যা আর কখনোই হয়নি।
ফিলিপাইনের প্রধান দ্বীপ লুজন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শনিবার টেলিভিশনে দেখা গেছে, রাস্তার ওপর দিয়ে নদীর মতো পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট গ্লোরিয়া অ্যারোইয়ো জরুরি সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি দেশের সব নাগরিককে বিশেষ করে ম্যানিলা ও অন্যান্য প্রদেশের শহর এলাকার লোকজনকে শান্ত থাকার অনুরোধ করছি। তাদের স্থানীয় কর্মকর্তা ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশ মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে ইরান
সামরিক মহড়া শুরুর কথা জানিয়ে গত শনিবার ইরানের প্রভাবশালী রেভল্যুশনারি গার্ডস বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, ইরানি সামরিক বাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডার উন্নত করার লক্ষ্যে তাঁরা ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাবেন। রেভল্যুশনারি গার্ডসের বিমানবাহিনীর অধিনায়ক হোসেইন সালামি বলেন, এই মহড়ায় ভূমি থেকে ভূমিতে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন পরীক্ষা করা হবে। কয়েক দিন ধরে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানো হতে পারে বলে জানান তিনি। নিজের অস্ত্রাগারের ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য উপসাগরীয় এলাকায় প্রায়ই সামরিক মহড়া চালায় ইরান।
আইএইএর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে
ইরান বলেছে, কোম শহরের কাছে দ্বিতীয় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শোধনাগার নির্মাণের কাজটি আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) তত্ত্বাবধানে হবে। শনিবার ইরানের আণবিক শক্তি প্রকল্পের প্রধান আলী আকবর সালেহি বলেন, নতুন এই শোধনাগার আইএইএর পর্যবেক্ষকদের পরিদর্শন করতে দেওয়া হবে এবং তাঁদের তত্ত্বাবধানে শোধনাগারের নির্মাণকাজ পরিচালিত হবে। তিনি জানান, সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের ক্ষমতা থাকবে শোধনাগারটির। আগামী দুই বছরের মধ্যে এর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা।
এদিকে ইরানের এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘ইরানের আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার যেকোনো ঘোষণাকে আমরা স্বাগত জানাই।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেই ইউসুফ-মালিকের এই যুগলবন্দী
আইসিএলে যোগ দিয়েই ইউসুফ দাবি করেছিলেন, তখনকার অধিনায়ক মালিক তাঁকে যোগ্য সম্মান আর মর্যাদা দেননি বলেই পাকিস্তানের জাতীয় দলে খেলার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন তিনি! অনেক জলঘোলা শেষে ইউসুফ আবার জাতীয় দলে ফিরলেও সম্পর্কের বরফ নাকি গলছিল না। অধিনায়ক ইউনুস খানের মধ্যস্থতায় হলো সমাধান। নতুন বন্ধন কত মজবুত তা পরশুই দেখল সবাই।
দলের ভেতরের একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘কিছুদিন আগ পর্যন্তও তারা কথা বলত না। কিন্তু দুই সিনিয়র খেলোয়াড়ের মধ্যে সব বিভেদ দূর করে দেন অধিনায়ক ইউনুস।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিজানুর-রাসিউল সংবর্ধিত
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ এ ২৯/২
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রুপা জিতলেন ফাহিমা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টিম ম্যানেজমেন্টে আর পরিবর্তন চান না সিডন্স
‘কোচকে বলা হয়েছে টিম ম্যানেজমেন্টে কোনো পরিবর্তন হলে সেটা ক্রিকেটের ভালোর জন্যই হবে। সিডন্সও ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছেন’—সিডন্সের সঙ্গে আলোচনা শেষে বলেছেন ক্রিকেট অপারেশনস প্রধান। তবে বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ বিশ্বকাপ পর্যন্ত টিম ম্যানেজমেন্টে আর কোনো পরিবর্তন না আনার অনুরোধ জানিয়েছেন সিডন্সও।
আলোচনায় আসন্ন বাংলাদেশ সফরে প্রথম টেস্টের ভেন্যু চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্টেডিয়ামেই ইংল্যান্ডের তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচটি রাখা নিয়ে আপত্তি তুলেছেন কোচ। এনায়েত হোসেন জানিয়েছেন, সিডন্সের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রস্তুতি ম্যাচটি সরিয়ে এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে সরিয়ে নেওয়ার চিন্তাভাবনা হচ্ছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জি-২০ সম্মেলন জলবায়ু বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা নেই, হতাশ পরিবেশবাদীরা
ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংও সম্মেলনে জলবায়ু তহবিলের বিষয়ে কোনো ঘোষণা না আসায় হতাশা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, সম্মেলনে বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তবে ডিসেম্বরে কোপেনহেগেনে জলবায়ু-চুক্তি সম্পাদন নিয়ে আসলে কী হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। এ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করাও ঠিক হবে না। সম্মেলন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে কোপেনহেগেন সম্মেলনের সফলতার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি এ কথা বলেন।
কোপেনহেগেন সম্মেলনে কিয়েটো চুক্তি-পরবর্তী জলবায়ু চুক্তি করা সম্ভব কি না—এ প্রশ্নের জবাবে মনমোহন বলেন, ‘আমি জ্যোতিষী নই।’ উন্নত দেশগুলোর বিশ্বাসযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়ার মধ্য দিয়েই জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে চুক্তিতে পৌঁছা সম্ভব।
জি-২০ সম্মেলনের চূড়ান্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘কোপেনহেগেনে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে চুক্তিতে পৌঁছাতে আমরা চেষ্টার কোনো ত্রুটি করব না।’ তবে এ বিবৃতিতে চুক্তির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহের ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি।
তবে এ সম্মেলনে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে ভারসাম্য আনার ব্যাপারে ঐকমত্য পোষণ করেছেন জি-২০ নেতারা। তাঁরা বলছেন, প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে ভারসাম্যহীনতার কারণে বারবার অর্থনৈতিক মহামন্দার সৃষ্টি হচ্ছে। সম্মেলনের চূড়ান্ত ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, গৃহীত কৌশলে কাজ হচ্ছে।
তবে অনেকে মনে করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে বারাক ওবামা প্রথমবারের বড় ধরনের একটি সম্মেলন আয়োজনে সফল হলেন। ওবামা বলেছেন, আমরা অতীতের মতো অর্থনীতির ফুলেফেপে ওঠা এবং হঠাত্ করে শোচনীয়পতন—এমন দশা চলতে দিতে পারি না। এরকম সংকট আপনা-আপনি কেটে যাবে বলে হাত গুটিয়েও বসে থাকতে পারি না। সে কারণেই আমাদের নতুন রূপরেখা একে অন্যের নীতিকে আমলেনেবে, সংস্কার বিষয়েঐকমত্য গড়ে তুলবে এবং প্রবৃদ্ধির জন্যসহায়ক বিশ্ব চাহিদা নিশ্চিত করবে।
আন্তর্জাতিক নাগরিক সংগঠন ‘আভাজ’-এর কর্মকর্তা বেন উইকলার বলেন, ‘আমরা নেতার সংকটে ভুগছি। জি-২০-র নেতারা জলবায়ু তহবিলের ব্যাপারে ঠিকই সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন, কিন্তু এরপর এ ব্যাপারে তাঁরা আর অগ্রসর হননি।
আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা অক্সফামের অন্যতম উপদেষ্টা ম্যাক্স লসন বলেন, ‘কোপেনহেগেন সম্মেলনের বাকি মাত্র ৭২ দিন। কিন্তু ধনী দেশগুলো জলবায়ু চুক্তিতে পৌঁছার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তহবিলের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট ঘোষণায় ব্যর্থ হয়েছে।’
জি-২০ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন গত শুক্রবারও পেনসিলভানিয়ার পিটসবার্গে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ হয়েছে। এতে কয়েক হাজার লোক অংশ নেয়। তবে আগের দিন বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কনফুসিয়াস বংশের ২০ লাখ সদস্যের তালিকা প্রকাশ
টাইমস আরও জানায়, চীনের কুফু শহরেই জন্মেছিলেন কনফুসিয়াস। গত বৃহস্পতিবার কনফুসিয়াসের ২৫৬০তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়। ওই দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে তালিকাটি প্রকাশ করা হয়। এর আগে তালিকার সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছিল ১৯৩৭ সালে। তখন ওই তালিকায় সদস্যসংখ্যা ছিল পাঁচ লাখ ৬০ হাজার।
কনফুসিয়াস বংশের ৭৭তম প্রজন্ম ও ইন্টারন্যাশনাল কনফুসিয়াস অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান কং দেয়ং বলেন লিঙ্গ, ধর্ম, জাতীয়তা নির্বিশেষে ওই তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে। এ জন্য চীন, তাইওয়ান, হংকং এবং দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কনফুসিয়াসের বংশধরদের ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে তাদের নাম নিবন্ধন করা হয়েছে।
ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটির শিক্ষক কং দেজুন বলেন, এই বংশে জন্ম নেওয়া একটি গর্বের বিষয়। ৪৩ হাজার পৃষ্ঠার ওই তালিকাটি ৮০টি খণ্ডে বই আকারে বাঁধাই করা হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা নাকচ করেননি ওবামা
ওবামা বলেন, ইরান সম্পর্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন এবং পিটসবার্গে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে নজিরবিহীন ঐক্য দেখেছেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ১ অক্টোবর জেনেভায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য ও জার্মানির সঙ্গে ইরানের বৈঠক হবে। ওই বৈঠকে ইরানকে অবশ্যই নিজের পরমাণু কর্মসূচির বিস্তারিত সবকিছু প্রকাশ করতে হবে।
ওবামা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি মোকাবিলায় সামরিক পন্থাসহ কোনো পন্থাকেই নাকচ করে দিচ্ছেন না তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমি সব সময় বলে আসছি, আমরা কোনো পন্থাকেই নাকচ করছি না। যখন সেটি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়; তবে আমি আবারও এটা জোর দিয়ে বলছি, এ সমস্যা সমাধানে আমার পছন্দের পথ হচ্ছে কূটনৈতিক পন্থা।’
সম্প্রতি ইরান স্বীকার করেছে, তারা আরেকটি ইউরেনিয়াম শোধনাগার নির্মাণ করছে। এ বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।
জেনেভার বৈঠকে নিজেদের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করতে রাজি না হলে তেহরানের বিরুদ্ধে দ্রুত অবরোধ আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিকোলা সারকোজি। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভও ইঙ্গিত দিয়েছেন, হঠকারি করলে ইরানের বিরুদ্ধে অবরোধ প্রস্তাব উঠলে তাতে ভেটো দেবে না মস্কো।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জার্মানিতে আজ সাধারণ নির্বাচন
কয়েক সপ্তাহজুড়ে সীমিত আকারে প্রার্থীরা তাঁদের সমর্থকদের নিয়ে নিজ নিজ এলাকায় ভোটারদের সঙ্গে জনসংযোগ করেছেন। আজ তাঁদের ভাগ্য নির্ধারণের পালা।
নির্বাচনে জার্মানির দুটি বড় দল খ্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন এবং সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট পার্টির মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। তবে মাঝারি আকারের পরিবেশবাদী সবুজ দল, লিবারেল দল এবং বাম দলের সমন্বয়ে গড়া বিভিন্ন দলও নির্বাচনে ক্ষমতায় ভাগ বাটোওয়ারা বা কোয়ালিশনের অংশ হয়ে উঠতে পারে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ১৫
এর আগে একই দিন পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় বান্নু শহরের কাছে আত্মঘাতী হামলায় পাঁচজন নিহত এবং ৫০ জনের বেশি আহত হয়। উত্তর ওয়াজিরিস্তানে চালকবিহীন মার্কিন বিমান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১২ জন জঙ্গি নিহত হওয়ার একদিন পরই ওই আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়। হামলায় ঘটনাস্থলের আশপাশের কয়েকটি দোকান ও বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জঙ্গিগোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালিবান ওই হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অডিওবার্তায় ইউরোপের প্রতি বিন লাদেন আফগানিস্তান থেকে সেনা সরিয়ে নিন
শুক্রবার প্রচারিত এক অডিও টেপে বিন লাদেন ওই আহ্বান জানান। ওই বার্তাটি জঙ্গি সংগঠনটির একটি ওয়েবসাইটে প্রচার করা হয়েছে। এতে ইংরেজি ও জার্মান ভাষায় সাবটাইটেল এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে লাদেনের ছবি রয়েছে। ‘এ মেসেজ টু দ্য পিপল অব ইউরোপ’ শিরোনামের ওই বার্তায় লাদেন আরও বলেন, ‘আমরা কোনো অযৌক্তিক দাবি জানাচ্ছি না। আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার ও অন্যায় যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছি। কারণ সেখানে অহেতুক গণহত্যা চালানো হচ্ছে। ন্যাটোর ছত্রছায়ায় ইউরোপের সরকার ও সেনারা আফগানিস্তানে ওই অন্যায় করছে।’ আল-কায়েদার গণমাধ্যম শাখা আস-শাহাবের প্রচার করা চার মিনিটের ওই অডিওবার্তায় আল-কায়েদার প্রধান আরও বলেন, ‘আশা করি, কোনো বুদ্ধিমান ব্যক্তিই ওয়াশিংটন গংয়ের জন্য তাঁর সন্তান ও অর্থ নষ্ট করবেন না।’ আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে মার্কিন হামলায় বেসামরিক মানুষ হতাহত হওয়ার বিষয়ে ইঙ্গিত করে লাদেন বলেন, ‘যাদের নেতারা মানুষের খুন ঝরাতে দ্বিধা করে না, অহেতুক ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে আফগানিস্তানের গ্রামগুলোতে বোমা ফেলে নিরীহ লোকদের হত্যা করতে যারা কুণ্ঠিত হয় না, তাদের মিত্র হওয়া সত্যিই লজ্জাকর। আপনারা আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে আপনাদের মার্কিন মিত্রের গণহত্যা পর্যবেক্ষণ করলে মাদ্রিদ ও লন্ডনের রক্তাক্ত হামলার মর্মার্থ বুঝতে পারবেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লন্ডনে আন্তর্জাতিক প্রবৃদ্ধি সম্মেলন দেশের পোশাক খাত গুরুত্ব পেল বিকেএমইএর সভাপতি বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করেছেন
সম্মেলনের তৃতীয় দিন (২৪ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার) বিকেলে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসে বাংলাদেশের পোশাক খাতের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বাংলাদেশ নিট পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) সভাপতি ফজলুল হক।
ফজলুল হক তাঁর উপস্থাপনায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের উত্থানের চিত্র, প্রতিযোগিতাসক্ষমতার বিভিন্ন দিক, এ খাতের সম্ভাবনা ও বিকাশের প্রতিবন্ধকতাগুলো তুলে ধরেন। গতকাল শনিবার বিকেএমইএর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
একই দিন সম্মেলনে বাংলাদেশবিষয়ক এক বিশেষ অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিকবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নীতিনির্ধারণের বিভিন্ন দিক এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান নাসিরউদ্দিন আহমেদ রাজস্ব আদায়ে নতুন প্রচেষ্টার বিষয়ে বক্তব্য দেন।
২২-২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক এ সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদ, গবেষক ও শিক্ষাবিদ অংশ নেন।
বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতির উন্নয়নে বিশেষ করে গার্মেন্টস সেক্টরের উন্নয়নে বিভিন্ন দিক দেখতে ইন্টারন্যাশনাল গ্রোথ সেন্টার এবং এলএসই থেকে একদল গবেষক শিগগিরই বাংলাদেশ সফরে আসবে।
এই সম্মেলনের পরবর্তী পর্ব ২০১০ সালের মার্চে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হবে। ইয়েল ও কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘বাণিজ্য উন্নয়ন’ শীর্ষক এক সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য বিকেএমইএর সভাপতি ফজলুল হককে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মন্দা নিয়ে সাইপ্রাস ও ইস্তাম্বুলে সম্মেলন অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে যোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ
সাইপ্রাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর লিমাসলে ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে কমনওয়েলথ অর্থমন্ত্রীদের সম্মেলন।
চার দিনের এ সম্মেলনের পর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে আগামী ৬ ও ৭ অক্টোবর হবে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বার্ষিক সাধারণ সভা।
সম্মেলন দুটিতে যোগ দিতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ১২ দিনের সফরে সাইপ্রাস ও ইস্তাম্বুল যাচ্ছে। প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান, অর্থসচিব মোহাম্মদ তারেক, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া ও অর্থমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (এপিএস) আবু সৈয়দ মোহাম্মদ রাশেদ।
জানা গেছে, সম্মেলনে বিশ্ব অর্থনীতির চলমান মন্দাই হবে মূল আলোচ্য বিষয়। কীভাবে দ্রুততর সময়ের মধ্যে এই মন্দা কাটিয়ে ওঠা যায়, সে বিষয়ে কৌশল নির্ধারণের জন্য বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি নিয়ে গভর্নররা আলোচনা করবেন।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দুই সম্মেলনের মূল পর্বের ফাঁকে ফাঁকে বিভিন্ন দেশের অর্থমন্ত্রী ও বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে।
এর মধ্য দিয়ে বিভিন্ন দেশ ও বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।
ভালোভাবে মন্দা মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ যেন বেশি অর্থ ছাড় করে, সে ব্যাপারেও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হবে।
প্রতিবছর বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ বার্ষিক সভার মাধ্যমে সদস্যভুক্ত দেশগুলোর অর্থমন্ত্রী, উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি-বিশেষজ্ঞদের একসঙ্গে নিয়ে বৈঠক করে।
ওই বৈঠকে বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, দারিদ্র্য বিমোচন, অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশ্বমন্দা মোকাবিলার করণীয় ঠিক করতে সরকার এর আগে ১৮ মার্চ বিরোধী দল, অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে অর্থমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে ২৭ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের একটি টাস্কফোর্স গঠন করে।
২৪ মার্চ টাস্কফোর্সের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সুপারিশের আলোকে ১৯ এপ্রিল বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশও তিন হাজার ৪২৪ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে।
এ ছাড়া চলতি ২০০৯-১০ অর্থবছরের বাজেটে বিশ্বমন্দার প্রভাব মোকাবিলার জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়।
১৬ সেপ্টেম্বর টাস্কফোর্সের দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বস্ত্র, তৈরি পোশাক ও জাহাজ নির্মাণসহ কয়েকটি খাতে আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিদেশি সাহায্য-প্রবাহ কমেছে
এতে দেখা যায়, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ১৬৬ কোটি ৪০ লাখ ডলারের বিদেশি সাহায্য এসেছে। এর মধ্যে আবার পুরোনো ঋণের মূল্য বাবদ পরিশোধ করতে হয়েছে ৬৪ কোটি ১০ লাখ ডলার।
ফলে গত অর্থবছরে বিদেশি সাহায্যের প্রকৃত বা নিট প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ১০২ কোটি ৫০ লাখ ডলার।
এর আগের বছর অর্থাত্ ২০০৭-০৮ অর্থবছরে মোট বিদেশি সাহায্য-প্রবাহ ছিল ১৯৫ কোটি ৬৭ লাখ ডলার।
আর সেই বছর বকেয়া বিদেশি ঋণের মূল্য বাবদ পরিশোধ করতে হয়েছিল ৫৮ কোটি দুই লাখ ডলারের সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রা।
ফলে ২০০৭-০৮ অর্থবছরে নিট বা প্রকৃত বিদেশি সাহায্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ১৩৭ কোটি ৬৫ লাখ ডলার।
গত অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি অর্থায়ন কম হওয়ায় এতে বিদেশি অর্থায়নের পরিমাণও কম ছিল।
পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, গত অর্থবছর মোট সাহায্যের মধ্যে প্রকল্প সাহায্যের পরিমাণ ছিল ১৬২ কোটি ৬৫ লাখ ডলার। বাকি তিন কোটি ৭৫ লাখ ডলার এসেছে খাদ্য সহায়তা হিসেবে। পণ্য সহায়তা বাবদ কোনো বিদেশি সাহায্য পাওয়া যায়নি।
বস্তুত, গত চার অর্থবছরে দেশে কোনো পণ্য সাহায্য আসেনি। সর্বশেষ ২০০৪-০৫ অর্থবছরে মোট দুই কোটি ২০ লাখ ডলারের বিদেশি সাহায্য এসেছিল।
বিশ্বমন্দার প্রভাবে ভবিষ্যতে বিদেশি সাহায্য আরও কমে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অর্থমন্ত্রী আশা করছেন, মন্দা মোকাবিলায় জি-২০ জোট এক লাখ ১০ হাজার কোটি ডলারের (১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন) সহায়তা প্যাকেজ থেকে বাংলাদেশ কিছু সহায়তা পাবে।
২০০৯-১০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট বক্তৃতায় তিনি বলেছেন, ‘আমাদের বিশ্বাস, এই অর্থায়ন কর্মসূচি থেকে বাংলাদেশও তার ন্যায্য হিস্যা পাবে। বিশ্বব্যাংক এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক জি-২০ সম্মেলনের উদ্যোগ অনুসরণ করে বিশ্বমন্দা মোকাবিলার লক্ষ্যে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে নানাভাবে সাহায্য করার কার্যক্রম নিয়েছে এবং বাংলাদেশ এসব কার্যক্রম থেকেও বাজেট সহায়তা পাবে বলে আশা করি।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অবশেষে হিগুয়েইনের স্বপ্নপূরণ
জরিপের ফল যা-ই হোক, ডিয়েগো ম্যারাডোনা এখনো আর্জেন্টিনার কোচ আছেন এবং বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শেষ দুটি ম্যাচের জন্য দলও ঘোষণা করেছেন। তবে ‘আমি কারও কথায় চলি না, নিজের কাছে যা ভালো মনে হয় তাই করি’ বলে আসা ম্যারাডোনা দল দিতে গিয়ে আর্জেন্টাইনদের একটি চাওয়া পূরণ করেছেন। এবার তিনি দলে রেখেছেন রিয়াল মাদ্রিদের তরুণ স্ট্রাইকার গঞ্জালো হিগুয়েইনকে।
সাধারণ আর্জেন্টাইন থেকে ফুটবল বোদ্ধাদের অনেকেই বলে আসছিলেন হিগুয়েইনকে দলে নেওয়া উচিত ম্যারডোনার। আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে তোলার প্রতীক্ষা করে ছিলেন হিগুয়েইন নিজেও। কিন্তু কোচ বরাবারই উপেক্ষা করে গেছেন ফ্রান্স এবং আর্জেন্টিনার দ্বৈত নাগরিকত্বের অধিকারী হিগুয়েইনকে।
রিভারপ্লেট থেকে ২০০৬-০৭ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদে নাম লিখিয়েছেন হিগুয়েইন। রিয়ালের জার্সি গায়ে খেলেছেন ৯৯টি ম্যাচ। ৩৬ গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ১৬ গোল। প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে ফ্রান্স কোচ রেমন্ড ডমেনেখ হিগুয়েইনকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন ফ্রান্স জাতীয় দলে খেলার। আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে তোলার স্বপ্নে বিভোর হিগুয়েইন ডমেনেখের সেই প্রস্তাবে রাজি হননি। পরে ম্যারাডোনার কাছ থেকে বারবার উপেক্ষিত হয়ে হুমকি দিয়েছিলেন, ম্যারাডোনা তাঁকে দলে না ডাকলে অন্য সিদ্ধান্ত (ফ্রান্স দলে খেলার) নিতে বাধ্য হবেন।
হিগুয়েইনকে সেটা আর করতে হয়নি। শৈশব থেকে লালন করে আসা স্বপ্নটা এবার পূর্ণতা পাচ্ছে। লিওনেল মেসি, কার্লোস তেভেজদের সঙ্গে তিনিও খেলবেন আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে। খেলবেন ম্যারাডোনার দলে।
কিন্তু আর্জেন্টাইনদের বিশ্বকাপ স্বপ্ন কি বাঁচাতে পারবেন হিগুয়েইন? ম্যারাডোনা যে তাঁর স্বপ্ন পূরণ করলেন, এর প্রতিদান দিতে পারবেন তিনি? পারবেন দলকে পেরু আর উরুগুয়ের বিপক্ষে জয় এনে দিয়ে বিশ্বকাপের মূলমঞ্চে নিয়ে যেতে? এসব প্রশ্নের উত্তর সময়ের হাতেই তোলা রইল।
তবে ম্যারাডোনা আর্জেন্টাইনদের কথা দিয়েছিলেন সবকিছুর পরও আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপের মূলমঞ্চে নিয়ে যাবেন। পেরু ও উরুগুয়ের বিপক্ষে ইউরোপভিত্তিক ১৮ খেলোয়াড়ের নাম ঘোষণায় সে কথার প্রতিফলন আছে। সর্বশেষ দুটি ম্যাচে ব্রাজিল ও প্যারাগুয়ের কাছে হেরে যাওয়া দলের সাত খেলোয়াড়কে বাদ দিয়েছেন তিনি। এবার তিনি দলে রেখেছেন পাবলো আইমার আর অলিম্পিক সোনাজয়ী স্ট্রাইকার অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়াকে।
ম্যারাডোনার চেষ্টার অন্ত নেই। এখন শেষটা ভালো হলে হয়। পেরু-উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দুটি জিতলেও আর্জেন্টিনাকে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য ম্যাচগুলোর দিকে। ১৬ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার পঞ্চম স্থানে আর্জেন্টিনা। এ অঞ্চল থেকে সরাসরি বিশ্বকাপে খেলবে চারটি দল। আর পঞ্চম স্থানে থাকা দলটি প্লে-অফ খেলবে কনক্যাকাফ অঞ্চলের চতুর্থ হওয়া দলের সঙ্গে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওয়ানডে বদলানোর পক্ষে নন সিম্পসন
কিছু পরিবর্তন চান সিম্পসনও। তবে ফরম্যাট বদলে নয়, সাবেক এই অলরাউন্ডারের মতে ওয়ানডেকে বাঁচাতে প্রয়োজন প্রাণবন্ত উইকেট, ভালো মানের বোলার আর বাউন্ডারির দৈর্ঘ্য বাড়ানো, ‘আমার মনে হয় না ওয়ানডে নিয়ে খুব বেশি নাড়াচাড়ার প্রয়োজন আছে। ক্রিকেটার ও প্রশাসকদের মনে রাখতে হবে যে, বোলাররাই ম্যাচ জেতায়। ভালো মানের বোলিং আক্রমণ এখন খুব বেশি চোখে পড়ে না। বাউন্ডারির দৈর্ঘ্যও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা ব্যাটসম্যানদেরই সাহায্য করছে।’ ওয়ানডে ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার পেছনে বিরক্তিকর কৌশলকেই দায়ী করেছেন ৭৩ বছর বয়সী সিম্পসন, “যখন ওয়ানডে ক্রিকেট এল, তখন সবাই বলছিল এটা খেলাটিকে বাঁচাবে। কিন্তু একঘেয়ে সব কৌশল দেখতে দেখতে মানুষ ক্লান্ত হয়ে উঠেছে। ব্যাটিংকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া আর ‘তথাকথিত’ অলরাউন্ডারদের আধিপত্য বোলিংয়ের সার্বিক মান নাটকীয়ভাবে কমিয়ে দিয়েছে।”
৬২ টেস্টে ৪৮৬৯ রান করা এবং লেগ স্পিনে ৭১ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি সর্বকালের সেরা স্লিপ ফিল্ডারদের অন্যতম সিম্পসন ক্যাচ নিয়েছেন ১১০টি। ওয়ানডে খেলেছেন অবশ্য মাত্র দুটি। ভারতীয় দলের প্রথম বিদেশি বিশেষজ্ঞ সিম্পসন সব শেষে জানিয়েছেন টি-টোয়েন্টি নিয়ে তাঁর শঙ্কার কথাও, ‘টি-টোয়েন্টি নিয়ে মাতামাতির সবচেয়ে ক্ষতিকর দিকটা হলো, এটা দিয়েই অনেকে এখন ক্রিকেট শিখবে। এখনকার ক্রিকেটাররা টেস্ট ও ওয়ানডে খেলেই টি-টোয়েন্টি খেলছে, ক্রিকেটের কৌশলটা তাই তাঁদের জানাই আছে। কিন্তু টি-টোয়েন্টি দিয়ে ক্রিকেট শুরু করলে সব ধরনের ক্রিকেট খেলার কৌশল এবং মানসিক সামর্থ্য থাকবে না।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমিরাতে মুখোমুখি পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেখানে হেনিনকে ছাড়িয়ে ক্লাইস্টার্স
![]() |
| ক্লাইস্টার্সের (ডানে) মতোই সফল প্রত্যাবর্তন কি হবে হেনিনের? |
ষোলো মাসের অবসর ভেঙে পেশাদার টেনিসে ফেরার ঘোষণা দিলেন, অথচ হেনিনের ফেরা নিয়ে মাতামাতি নেই বেলজিয়ামে। কয়েক মাস আগে ক্লাইস্টার্সের ফেরা নিয়ে বেলজিয়ানদের মধ্যে যে প্রবল উচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছিল, সেটা ঘটেনি হেনিনের বেলায়।
ক্লাইস্টার্সের শিরোপা জয়ের পরই হেনিন ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন, হেনিনের ফেরা নিয়ে মাতামাতি না হওয়ার এটা একটা কারণ হতে পারে। কিন্তু মূল কারণটা অন্য জায়গায়। ক্লাইস্টার্সের চেয়ে বেশি গ্র্যান্ড স্লাম এবং ডব্লুটিএ শিরোপা জিতলেও বেলজিয়ানদের কাছে ক্লাইস্টার্সের মতো জনপ্রিয় নন হেনিন। এর একটা কারণও খুঁজে পেয়েছেন হেনিনকে নিয়ে বেশ কয়েকটি বইয়ের লেখক ও সাংবাদিক প্যাট্রিক হ্যামন্ট। ক্লাইস্টার্স মিশুকে স্বভাবের। আর সেই তুলনায় হেনিন বেশি অন্তর্মুখী, আত্মকেন্দ্রিক। আর এটাই ক্লাইস্টার্সকে বেশি জনপ্রিয় করে তুলেছে বলে মত হ্যামন্টের, ‘ক্লাইস্টার্স সহজে মানুষের সঙ্গে মিশতে পারেন বলে তাঁর সবকিছুই ভালো লাগে আমাদের। কিন্তু জাস্টিনের সবকিছুই বেশ নিয়ন্ত্রিত।’
বেলজিয়ানরা বেশি উচ্ছ্বাস না দেখালেও ক্লাইস্টার্স কিন্তু স্বাগতই জানাচ্ছেন স্বদেশিকে। হেনিনকে ‘দুর্দান্ত’ আখ্যা দিয়ে ক্লাইস্টার্স বলছেন, ‘তাঁর ফেরাটা মহিলা টেনিস ও বেলজিয়ামের জন্য দারুণ খবর।’ অবসরে যাওয়ার আগে বিশ্ব মহিলা টেনিসে হেনিন ক্লাইস্টার্স মিলে একটা বেলজিয়ান আধিপত্য তৈরি করেছিলেন। হেনিনের ফেরায় আবারও সে রকম কিছুর স্বপ্ন দেখছেন দুবারের ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন ক্লাইস্টার্স।
তবে এর মধ্যেই আরও এক প্রতিশ্রুতিশীল তারকা ইয়ানিনা উইকমেয়ারকে পেয়ে গেছে বেলজিয়াম। ইউএস ওপেনের সেমিফাইনাল খেলা উইকমেয়ারের কথা জানিয়ে ক্লাইস্টার্স বললেন, ‘বেলজিয়ান টেনিস নিয়ে আবারও একটা উচ্চাশা তৈরি হয়েছে।’ টেনিস র্যাঙ্কিংয়ে ১৭তম অবস্থানে ক্লাইস্টার্স। উইকমেয়ারের অবস্থান ২২। কোর্টে খেলা শুরু করলে শীর্ষ বিশে আসতে খুব একটা সময় লাগবে না হেনিনের। ‘র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ বিশে তিন বেলজিয়ানের থাকাটা দারুণ একটা ব্যাপার হবে’—বলছেন ক্লাইস্টার্স।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অস্ট্রেলিয়াকেও কাঁপিয়ে দিয়েছিল উইন্ডিজ
ইনিংসের প্রথম বলেই কেমার রোচের দুর্দান্ত এক ইয়র্কারে ওয়াটসন বোল্ড হওয়ার পর পন্টিং খেলেছেন ৭৯ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস। ১৭১ রানে ৭ উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ২৭৫-এ নিয়ে যাওয়ার মূল কৃতিত্ব মিচেল জনসনের। সঙ্গী হিসেবে পেয়েছিলেন আরেক পেসার ব্রেট লিকে। অষ্টম উইকেটে ৭০ রানের আক্রমণাত্মক এক জুটি গড়ে স্কোরবোর্ডের চেহারা বদলে দেন এই দুজন। ৪০ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথম ফিফটিতে পৌঁছানো জনসনের ৪৭ বলে করা ৭৩ রানের অপরাজিত ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ছক্কা ৩টি। এই বাঁহাতির ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে শেষ ৮ ওভারে ৯৯ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া।
৫.৪ ওভারে ৩৮ রান তুলে শুরুটা ভালোই করেছিলেন দুই ওপেনার ডেভন স্মিথ ও আন্দ্রে ফ্লেচার। দ্বিতীয় উইকেটে ট্রাভিস ডাওলিনকে নিয়ে আরও ৮৪ রান যোগ করেন ফ্লেচার। আরও একবার অস্ট্রেলিয়ার ত্রাণকর্তা হয়ে ফ্লেচারকে (৫৪) সরাসরি থ্রোতে রান আউট করে বিপজ্জনক এই জুটি ভাঙেন জনসন। ব্যাটিং পাওয়ার প্লের (ইনিংসের ৩৭তম) প্রথম ওভারেই ৫৫ রান করা ডাওলিন আউট হলে অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায় ক্যারিবীয়দের হার। শেষ চার উইকেট হারায় তারা ১০ রানে। ইনজুরির জন্য ব্যাট করতে পারেননি ওপেনার ডেল রিচার্ডস। ইএসপিএন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
অস্ট্রেলিয়া: ৫০ ওভারে ২৭৫/৮ (পন্টিং ৭৯, জনসন ৭৩*, পেইন ৩৩, লি ২৫; মিলার ২/২৪, বার্নার্ড ২/৬৩, রোচ ২/৭৩)। ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৪৬.৫ ওভারে ২২৫ (ডাওলিন ৫৫, ফ্লেচার ৫৪, হরিজ ২/২৩, ওয়াটসন ২/৩৪, সিডল ২/৩৭)
ফল: অস্ট্রেলিয়া ৫০ রানে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: মিচেল জনসন
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তথ্য অধিকার-চাই তথ্য অধিকার আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন by ইফতেখারুজ্জামান
তথ্য অধিকার আইন
বাংলাদেশে ২০০৯ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশে এমন কয়েকটি আইন ও বিধানের প্রাধান্য ছিল, যেগুলো অবাধ তথ্যপ্রবাহের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টিকারী। যেমন—দাপ্তরিক গোপনীয়তা আইন ১৯২৩, সাক্ষ্য আইন ১৮৭২, ফৌজদারি দণ্ডবিধি ১৯৬০, কার্যপ্রণাল বিধি ১৯৯৬, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি ১৯৭৯ প্রভৃতি। এ আইনগুলোর কারণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য গোপন করার বা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল। একটি কার্যকর তথ্য অধিকার আইন ছাড়া এতগুলো আইনি বাধা পেরিয়ে এসব তথ্য জনগণের পক্ষে জানা সম্ভব ছিল না।
পৃথিবীর প্রায় ৭৫টি দেশে বর্তমানে তথ্য অধিকার আইন রয়েছে। বাংলাদেশে ১৯৮৩ সালে প্রেস কমিশন তথ্য অধিকার আইন প্রণয়নের ব্যাপারে আইন কমিশনের মাধ্যমে সুপারিশ জানায়। বাংলাদেশ আইন কমিশন ২০০২ সালে এ বিষয়ে একটি খসড়া কার্যপত্র প্রস্তাব করে, কিন্তু প্রক্রিয়াটি কয়েক বছর থেমে থাকে। ২০০৮ সালে সরকার তথ্য অধিকার অধ্যাদেশ জারি করে। চলতি বছরের ২৯ মার্চ জাতীয় সংসদে তথ্য অধিকার আইন পাস হয়। আইন অনুযায়ী ইতিমধ্যে সরকার তথ্য অধিকার কমিশন গঠন করেছে।
আইন বাস্তবায়নে মূল চ্যালেঞ্জগুলো
তথ্য অধিকার আইন গৃহীত হওয়া নিঃসন্দেহে একটি বড় অর্জন। তবে কোনো আইন প্রণয়ন এবং তার যথাযথ বাস্তবায়নের মধ্যে বিস্তর ফারাক থাকে। তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে তথ্যের অবাধ আদান-প্রদানের মানসিকতা গড়ে তোলা। এ আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও বাস্তবায়নে সরকারের উচ্চপর্যায়সহ সব পক্ষের আন্তরিক সদিচ্ছা আরো গুরুত্বপূর্ণ।
একটি সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে তথ্য অধিকার আইন প্রয়োগে অগ্রসর হতে হবে। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সুশীল সমাজ, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ও গণমাধ্যমসহ সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন কৌশল প্রণীত হতে পারে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
তথ্য কমিশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর স্বাধীনতা, সক্রিয়তা ও কার্যকারিতার ওপর অনেক কিছুই নির্ভর করবে। কমিশনারদের সক্রিয়তা, দক্ষতা, বিশ্বস্ততা ও যথাযথ নেতৃত্ব প্রদানের মাধ্যমে কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা সৃষ্টি করতে হবে। কমিশনের পর্যাপ্ত জনবল, অর্থসম্পদ ও কারিগরি সক্ষমতা থাকা জরুরি।
তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সরকারি কর্মকর্তাদের সহযোগিতা ও সমর্থন এবং পর্যাপ্ত ও স্পষ্ট ধারণা লাভ ছাড়া এ আইনের সঠিক বাস্তবায়ন কঠিন হতে পারে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত প্রয়োজন।
গোপনীয়তার সংস্কৃতি পরিহার করতে হবে। বর্তমানে তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে যে অনীহা রয়েছে, তা অতিক্রম করা সহজ নয়, তবে অসম্ভবও নয়। বিশেষ করে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে অঙ্গীকারের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তথ্য প্রকাশের মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।
তথ্যপ্রাপ্তি, ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণের একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। অনুরোধ করা কোনো তথ্য যথাসময়ে খুঁজে পাওয়া না গেলে সময়মতো আবেদনের উত্তর দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। অদক্ষভাবে তথ্য সংরক্ষণের কারণে যদি অনুসন্ধান করা তথ্যগুলো পরীক্ষা করা বা অনুলিপি তৈরি করার উপযোগী না থাকে, তবে তা এ আইনকে উপেক্ষিত করে তুলবে। সে জন্য তথ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন জরুরি। তথ্য সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন প্রয়োজন। তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে সরকারি অফিসগুলোকে আধুনিকায়ন করাও জরুরি, যাতে জনগণ প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত পেতে পারে।
বর্তমানে যেসব আইন ও বিধি অবাধ তথ্যপ্রবাহে বাধা সৃষ্টিকারী, সেগুলো বাতিল, পরিবর্তন কিংবা সংশোধন করতে হবে। তা না হলে জনগণের তথ্য জানার অধিকার পুরোপুরি নিশ্চিত হবে না।
নির্ভুল ও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রচার সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করে। তাই তথ্য প্রচার ও প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনো বাধা-বিপত্তি থাকা উচিত নয়। বিশেষ করে গণমাধ্যমের কর্মীরা যাতে নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন, এ ধরনের পরিবেশ সৃষ্টি করা একান্ত জরুরি।
তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থাকে এ ব্যাপারে উদ্যোগী ভূমিকা পালন করতে হবে। তথ্য অধিকারের বিষয়টি সম্পর্কে যখনই জনগণ সচেতন হবে, তখনই তারা এর সুবিধাদি ভোগ করতে পারবে।
পথটা সহজ নয়, চাই সবার সদিচ্ছা
তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নে বাধা আসাটাও অসম্ভব কিছু নয়। অবাধ তথ্যপ্রবাহের কারণে যখন সরকারি কর্মকর্তাদের একচ্ছত্র ক্ষমতা হ্রাস পাবে, তখন তাঁরা এ ক্ষেত্রে বাধার কারণ হতে পারেন। একই কারণে রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকেও বাধা আসতে পারে। গোপনীয়তার সংস্কৃতির কারণে বেসরকারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং তথ্য প্রদানে অনীহার কারণে এনজিওগুলো এর সফল প্রয়োগে বাধার কারণ হতে পারে। বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থসিদ্ধির জন্য ক্ষেত্র বিশেষে গণমাধ্যম তথ্যের অপব্যবহার করতে পারে। বিচার বিভাগ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দুর্বলতার কারণে তথ্য অধিকার আইনের সঠিক বাস্তবায়ন প্রলম্বিত হতে পারে। সর্বোপরি, সুশীল সমাজের মধ্যে অনৈক্য, অসুস্থ প্রতিযোগিতা, স্বেচ্ছায় ও স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে তথ্য প্রকাশে অনীহাও বাধার কারণ হতে পারে।
দুর্নীতি রোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশে একটি কার্যকর তথ্য অধিকার আইন প্রণয়নের কোনো বিকল্প ছিল না। তথ্যের আবদ্ধতায় জনগণ তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়তই শিকার হয় দুর্নীতি, শোষণ ও প্রতারণার। সরকারি কর্মকর্তাদের কার কী দায়দায়িত্ব, নাগরিক সুযোগ-সুবিধাগুলো কী কী, কোন খাতে কত টাকা বরাদ্দ আছে, তা কীভাবে খরচ করার কথা, খরচ হচ্ছে কীভাবে, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কী আলোচনা বা সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে কোন প্রক্রিয়ায় ও কিসের ভিত্তিতে এবং কীভাবে—তথ্য অধিকার আইনানুযায়ী এসব তথ্য জনগণ এখন সহজেই জানতে পারবে। এ ক্ষেত্রে দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া কঠিন হবে। আইনটির যথাযথ বাস্তবায়ন করা হলে জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা বাড়বে। সেই সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত হবে প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা। তথ্য অধিকার আইন যে অপার সম্ভাবনা ও সুযোগ সৃষ্টি করেছে, বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ যেন তা প্রতিহত না করতে পারে, সে জন্য একটি সমন্বিত উদ্যোগের দরকার, যা তথ্যদাতা ও গ্রহীতা উভয়ের স্বার্থকে সংরক্ষণ করবে। এ জন্য দৃঢ় রাজনৈতিক অঙ্গীকার দরকার। পাশাপাশি আইন বাস্তবায়নে প্রয়োজন শক্তিশালী নেতৃত্ব। আমরা তথ্য অধিকার আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন চাই।
ড. ইফতেখারুজ্জামান: নির্বাহী পরিচালক, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে ৫৪ রানে হারালো পাকিস্তান -আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধের বীর মেজর নাজমুল নাসির উদ্দিন হায়দার
লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ গ্রামে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার শহীদ মেজর নাজমুল হকের স্মৃতি বহন করছে এই বিদ্যালয়টি। মুক্তিসংগ্রামের এই বীরসেনানির আর কোনো স্মৃতি নেই গোটা গ্রামে।
গ্রামের লোকজনই বা কতটুকু জানে তাঁর সম্পর্কে?
বটতলী মোটরস্টেশনে কথা হয় স্থানীয় কয়েকজন যুবকের সঙ্গে। ব্যাংক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলা উদ্দীন বললেন, ‘মেজর নাজমুল হক যে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন সেটা তো জানতাম না। এই বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিরক্ষায় এলাকায় কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ে না। নতুন প্রজন্মও তাঁর সম্পর্কে তেমন কিছু জানে না।’
তাঁর কথার সত্যতা পাওয়া গেল কলেজছাত্র নুরুল ইসলামের কথায়, ‘আমাদের গ্রামে একজন সেক্টর কমান্ডারের জন্ম, এ কথা শিক্ষকেরা কখনোই আমাদের বলেননি।’
মেজর নাজমুল হক রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা পারভিন আকতার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘স্বাধীনতার ৩৭ বছর পরও পাঠ্যবইয়ে সেক্টর কমান্ডারদের কোনো পরিচিতি সংযুক্ত করা হয়নি। পঞ্চম শ্রেণীর সমাজ বইয়ে নামটা উল্লেখ করা হয়েছে মাত্র। প্রতিবছর নীরবে চলে যায় মেজর নাজমুলের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী।’
হ্যাঁ, আজ আমরা বলছি, মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার শহীদ মেজর নাজমুল হকের কথা, যিনি ছিলেন ৭ নম্বর সেক্টরের প্রথম কমান্ডার। ১৯৭১ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর মিত্রবাহিনীর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে ভারতের শিলিগুড়ি ক্যান্টনমেন্ট থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় অকালেই প্রাণ হারান মেজর নাজমুল। আজ তাঁর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী।
মেজর নাজমুলের জন্ম ১৯৩৮ সালের ১ আগস্ট লোহাগাড়ার আমিরাবাদ গ্রামে। তাঁর বাবা অ্যাডভোকেট হাফেজ আহমদ, মা জয়নাব বেগম।
মেজর নাজমুল হক কৃতিত্বের সঙ্গে কুমিল্লার পেশোয়ারা পাঠশালা থেকে ম্যাট্রিকুলেশন ও ঢাকার জগন্নাথ কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ঢাকা আহসান উল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে (বর্তমানে বুয়েট) দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময়ই যোগ দেন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীতে।
সমগ্র রাজশাহী-ঠাকুরগাঁও বাদে দিনাজপুরের বাকি অংশ, ব্রহ্মপুত্র-তীরবর্তী এলাকা ব্যতীত সমগ্র বগুড়া ও পাবনা জেলা ছিল ৭ নম্বর সেক্টরের অধীন। মুক্তিযুদ্ধ শুরুর কিছু দিন আগে ১৮ মার্চ মেজর নাজমুল হককে নওগাঁয় ৭ ইপিআর উইংয়ের অধিনায়ক করে পাঠানো হয়। ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতা শুরু হলে পরদিন স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করে নওগাঁ মহকুমাকে শত্রুমুক্ত স্বাধীন বাংলার অংশ ঘোষণা করেন মেজর নাজমুল হক। স্থানীয় যুবকদের হাতে তিনি তুলে দেন অস্ত্র। স্বেচ্ছাসেবক যুবকদের নিয়ে গঠন করেন ইপিআর মুজাহিদ বাহিনী। সেই বাহিনীর অধিনায়ক হিসেবে প্রথমেই তিনি নওগাঁ ও বগুড়ার পাকিস্তানি হানাদারদের ক্যাম্প দখল করে শত্রুমুক্ত করেন গোটা বগুড়া জেলা। ২৮ মার্চ তাঁর বাহিনীর দ্বিমুখী আক্রমণে রাজশাহী ক্যান্টনমেন্টে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে হানাদাররা। দিনাজপুরের ধনধনিয়াপাড়ায় ১৮ জুন বড় রকমের এক যুদ্ধের পর ওই এলাকা মেজর নাজমুলের বাহিনীর দখলে আসে। এতে ১৪ জন পাকিস্তানি সেনা মারা যায়।
নিউজ উইকের সাংবাদিক মিলান কে কিউবিক ভারত সীমান্ত দিয়ে ঢুকে মেজর নাজমুলের একটি সাক্ষাত্কার নেন। ১৯৭১ সালের ১০ মে ছাপা হয় সেই সাক্ষাত্কার। মিলান কে কিউবিক লেখেন, “চলে আসার সময় হক (মেজর নামজুল হক) বললেন, ‘চার মাস পর যদি আবার আসেন, তখন আপনাকে কিছু অ্যাকশন দেখাব।’ আমার বিশ্বাস, তিনি এটা ঠিকই করতে পারবেন।”
বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর যুদ্ধ করেছেন মেজর নাজমুলের ৭ নম্বর সেক্টরেই। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সোনামসজিদ প্রাঙ্গণে ঘুমিয়ে আছেন বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ও তাঁর প্রিয় কমান্ডার মেজর নাজমুল হক।
গ্রামের কিছু মানুষ মেজর নাজমুলের স্মৃতিরক্ষায় কাজ করেছেন। ১৯৮৮ সালে এস এম মঞ্জুরুল হক, আহমেদ মনির (সাংবাদিক), গাজী খায়ের আহমেদ ও শামীম আহমদের প্রচেষ্টায় আমিরাবাদ গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘মেজর নাজমুল হক প্রাথমিক বিদ্যালয়’। ১৯৯১ সালে বিদ্যালয়টি নিবন্ধিত হলেও এখনো সরকারি করা হয়নি।
মেজর নাজমুল হকের দুই মেয়ে ইশরাত জাহান সুরভী ও নওরীন সাবা শিউলী। সুরভী স্বামীর সঙ্গে আমেরিকায় থাকেন, শিউলী থাকেন ঢাকার উত্তরায়।
নওরীন সাবা শিউলী বলেন, ‘বাবা যখন মারা যান, তখন আমার বয়স মাত্র ১১ মাস। শুনেছি বাবা আমাকে খুব আদর করতেন।’
তিনি দুঃখ করে বলেন, ‘আমার বাবা একজন সেক্টর কমান্ডার, অথচ তাঁকে রাষ্ট্রীয় খেতাবে ভূষিত করা হয়নি। তাঁর নামটাও এখন উচ্চারিত হয় না রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে—এটা খুব কষ্ট দেয় আমাদের। বাবার নামে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টির সরকারীকরণে অনেক চেষ্টা করেছি। এমনকি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কাছেও গিয়েছিলাম, কাজ হয়নি।’
মেজর নাজমুলের ভাই আজিজুল হক বলেন, ‘গত ৩৭ বছরে কোনো সরকারই মেজর নাজমুলের পরিবারের খোঁজ নেয়নি। ১৯৭২ সালে অনেক চেষ্টা করে ১৩০ টাকা পেনশন জোগাড় করেছিলাম। এরপর আর কেউ খবর রাখেনি।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তেল গ্যাস উত্তোলন-সাত বোনের না বদলানোর কেচ্ছা
দিনবদলের হাওয়ায় গত সাত-আট মাসে বিশেষ কিছু বদলিয়েছে বলে চোখে পড়ছে না। তাই সেই প্রসঙ্গ আপাতত থাক। তবে দিন বদলাচ্ছে আর গত কয়েক মাসে না হলেও নিকট-অতীতে হয়তো অনেক কিছু বদলে গেছে, যা আমার চোখে পড়েনি। এমনিতেই ইদানীং দৃষ্টিশক্তি কমে গেছে, তাই হয়তো চোখে পড়েনি। দিন হয়তো বদলাচ্ছে, আমি দেখতে পাচ্ছি না।
যেমন বিজেএমইর কোনো নেতা বা বিরাট গার্মেন্টের কোনো মালিক হয়তো ঈদের আগে ঘোষণা দিয়েছেন যে এবার ঈদে তিনি দেড় কোটি টাকার গাড়ি না কিনে সেই টাকায় শ্রমিকদের জন্য দুটো বাস কিনে দেবেন। হাজার হলেও গত দু-তিন বছরে একটা ২০, আরেকটা ৩০ আর তৃতীয়টা ৭০ লাখ টাকায় তিনটি গাড়ি কেনা হয়েছে। বাসার সবাই ধরেছে—এবার একটা মার্সিডিজ বা বিএমডব্লিউ চাই। দরকার হলে দুই বছর আগে কেনা একটি গাড়ি বিক্রি করে দিতেও বাসায় কারও আপত্তি নেই। তা ছাড়া নিজেরই চারটি গাড়ি থাকলে বাসায় গাড়ি রাখার জায়গার সংকুলান হচ্ছে না। আরেকটু বড় বাড়িও দরকার। সেটা পরে। আপাতত এই ঈদে দেড় কোটি টাকার একটা গাড়ি হলেই চলবে। দু-চারটা গাড়ির শোরুমে যাওয়া-আসাও হয়েছে।
এমন অবস্থায় গাড়ি কেনার প্ল্যান বাদ দিয়ে নিজের শ্রমিকদের জন্য বাস কেনার ঘোষণাটা চোখে পড়েনি কোনো পত্রিকার খবর হিসেবে।
দিন বদলায়নি। তবে একটা বিষয়ে নিশ্চয়ই বদলিয়েছে। বিজেএমইর পক্ষ থেকে চান্স পেলেই জাহির করা হয় যে গার্মেন্টস খাত থেকে আমাদের রপ্তানি আয়ের শতকরা ৭৬ বা ৭৭ শতাংশ আসে প্রতিবছর। আমরাও তাই এটাই ভাবি—তাই তো। আমাদের পাউন্ড, ডলার, ইউরোর কমবেশি তিন-চতুর্থাংশই যখন এ খাত থেকে আসে, তখন এ খাতকে রক্ষা করা সবার জাতীয় দায়িত্ব। এই খাত থেকে আমাদের সব ডলার, পাউন্ড, ইউরোই যখন আসে, আর তা আসলে এই ঈদ মৌসুমে যে চিনি, আলু, ভোজ্যতেলসহ সবকিছুই বৈদেশিক মুদ্রায় আমদানি করতে হয়, সে আমদানির বৈদেশিক মুদ্রা কোথায় পেতাম।
হক কথা। যদি সত্যি হতো। শতকরা ৭৫ ভাগের হিসাব ডাহা মিথ্যা। যেমন মিথ্যা ব্যবসায়ীদের ঈদের আগে চাল, ডাল, তেল, চিনির দাম না বাড়নোর পঞ্চাশ বারের প্রতিশ্রুতি। কিছু জিনিস বদলায় না। দিনবদলের কথা আমরা যতই জপি না কেন।
২.
সাত বোনের কেচ্ছা এই না-বদলানোর কেচ্ছা। বছর পঁয়ত্রিশেক আগে বইটি বাজারে এসেছিল। এন্থনি স্যামসনের বই, নাম দি সেভেন সিস্টারস। ওই বইয়ের সাত বোন ছিল সে সময়ের সাতটা সবচেয়ে বড় তেল কোম্পানি। ওই সাতটা তেল কোম্পানি সারা বিশ্বের বিশেষত তৃতীয় বিশ্বের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোকে নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নিয়েছিল তার রোমাঞ্চকর কাহিনী। রোমাঞ্চকর এ জন্য যে বইটি না পড়লে সহজে বিশ্বাসই হবে না যে তখন ওই তেল কোম্পানিগুলো কীভাবে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর ওপর তেল উত্তোলন আর রপ্তানির নামে তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছিল।
গত শতাব্দীর পঞ্চাশ-ষাটের দশকে তেলসমৃদ্ধ তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো স্বাধীন হয়ে পড়ায় বড় তেল কোম্পানিগুলো কিছুটা বিপাকে পড়েছিল। সেই বিপাকটা ছিল অল্পস্থায়ী। বইটির পুরো টাইটেল ছিল দি সেভেন সিস্টারস: দি গ্রেট ওয়েল কোম্পানিজ অ্যান্ড দ্য ওয়ার্ল্ড দে শেইপড।
১৯৭৭ সালে প্রকাশিত এন্থনি স্যামসনের আরেকটি বই দি আর্মস বায়ার এ স্টাডি অব ইন্টারন্যাশনাল আর্মস ট্রেডার অর্থাত্ অস্ত্র প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলো তাদের উত্পাদিত অস্ত্র বিক্রির জন্য কীভাবে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে যুদ্ধবিগ্রহ বাধিয়ে দেয় তার বিশ্লেষণ।
স্যামসনের সাত বোন-এর ফিরিস্তির পুরোটাই এখন অত প্রয়োজনীয় নয়। তাও দু-চারটার নাম পরিবর্তিত, কারণ এখনো তারা বহাল তবিয়তে তেল ব্যবসা করছে। তখন ছিল এশো (Esso)। এখন হয়েছে অ্যাকশন মবিল রয়েল ডাচ শেল; স্টান্ডার্ড অয়েল অব ক্যালিফোর্নিয়া, এখন হয়েছে শেভরন। ওই সময়ের সাত বোনের এক বোন— গালফ ওয়েল এখন শেভরনের অংশ অর্থাত্ ১৯৮৫ সালে শেভরন গালফ ওয়েলের বেশির ভাগ শেয়ার কিনে নিয়েছিল। আরেক বোন, টেক্সাকোকেও শেভরন হজম করে ফেলেছে।
আর আমরা বাংলাদেশে বসে সেই শেভরনের সঙ্গে দেন-দরবার করছি। নিজের জন্য কোটি টাকার গাড়ি কেনার বদলে শ্রমিকদের জন্য বাস কেনার মতো আমরাও ভাবছি, শেভরনের মতো তেল কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য নিবেদিতপ্রাণ। দিন বদলেছে!!
৩.
সাত বোন নিছক একটা বই যে না তার প্রমাণ—১১ মার্চ ২০০৭ সালের লন্ডনের অন্যতম প্রভাবশালী পত্রিকা দি ফাইনানশিয়াল টাইমস, ‘দি নিউ সেভেন সিস্টারস’ নামে একটি প্রতিবেদন ছাপে। মুখ্য প্রতিপাদ্য ছিল সেই পুরোনো সাত বোন আর নেই। তাদের জায়গায় নতুন সাতটা বড় তেল কোম্পানির উত্থান হয়েছে, যাদের মধ্যে এখন আছে সৌদি কোম্পানি আরামকো রাশিয়ার গ্যাজস্প্রম, নিওক (ইরান), পেট্রোনাস (মালয়েশিয়া) ইত্যাদি। অর্থাত্ তেল আছে এমন অনেক দেশ নিজের তেল-গ্যাস উত্তোলনের জন্য দেশের সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় নিজেদের কোম্পানি গড়ে তুলেছে। আর এসব কোম্পানি এখন তাদের স্ব-স্ব দেশের গণ্ডি পেরিয়ে অন্যান্য দেশেও তেল-গ্যাস আবিষ্কার আর উত্তোলনের ব্যবসায় পশ্চিমা কোম্পানিগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে।
আর আমরা আমাদের পেট্রোবাংলাকে প্রায় ৪০ বছরেও কেন আঁতুড় ঘরে রেখে দিয়েছি, সেটা কি খুলে বলতে হবে? এখন খোদ আমেরিকার কেচ্ছা। সারা পেলিনের নাম আমরা ইতিমধ্যে বোধ হয় ভুলতে বসেছি। ওবামা-জো বাইডেনের বিরুদ্ধে এই মাত্র গত বছরের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ছিলেন জন ম্যাককেইনের সঙ্গে। সারা পেলিন তখন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আলাস্কার গভর্নর অর্থাত্ পাশের ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বা আগের জ্যোতি বসুর মতো নির্বাচিত প্রধান নির্বাহী। খবরে দেখলাম, সপ্তাহ দুয়েক আগে সারা গভর্নরের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।
আলাস্কা তেল-গ্যাসে ভরপুর স্থান। সেই আলাস্কার সারা পেলিন নিয়ে ২০০৭-এ বই বেরিয়ে ছিল, সারা টেকস অন বিগ ওয়েল বই। বইয়ের এই ইংরেজি নামটির বাংলা অনুবাদ করা আমার জন্য কষ্টসাধ্য। ভাবার্থ অনেকটা এ রকম—বড় তেল কোম্পানিকে সারা কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। তেল-গ্যাস বিশারদ দুই সাংবাদিক বইটি লিখেছিলেন সারা পেলিনের কার্যাবলির ওপর ভিত্তি করে। খোদ আমেরিকায় বসে সারাকে দেখতে হয়েছিল যে তিনি কীভাবে বড় তেল কোম্পানিকে বাগে রাখতে হয়েছিল। স্বীকার করছি অকপটে যে বইটি পড়িনি, ইন্টারনেটে পুস্তক সমালোচনা পড়েছি। কিন্তু মর্ম আন্দাজ করেছি।
তাই ১৪ সেপ্টেম্বরের তেল-গ্যাস রক্ষা কমিটির হরতালের প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন টক শোতে সরকারি দলের হর্তাকর্তা ব্যক্তিদের তেল কোম্পানিগুলোর ব্যাপারে উচ্ছ্বাসের বহিঃপ্রকাশ দেখতে বেশ মজাই লাগছিল।
একটা পুরোনো কথা আমার মনের মাধুরী মিশিয়ে বলি, সৃষ্টিকর্তা যখন কোনো জাতির ওপর থেকে তার অনুকম্পা হ্রাস করেন, তখন জাতি, বিশেষত জাতির নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা প্রথমে এবং ক্রমান্বয়ে জাতিটা বোকা হয়ে যায়।
৪.
গার্মেন্টসের মালিকেরা নিজেদের জন্য গাড়ি না কিনে শ্রমিকদের জন্য বাস ক্রয় করেছেন—খবরটা একটার পর একটা গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি থেকে যখন পেতে শুরু করব, তখন ভাবতে শুরু করব যে আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানি আর আমাদের কর্মকর্তারা আমাদের জাতীয় সম্পদ রক্ষায় নিবেদিতপ্রাণ হয়ে গেছেন। নিদেনপক্ষে তাঁরা যৌক্তিক চুক্তি করছেন।
বিদেশি তেল কোম্পানিগুলোর সঙ্গে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান আর পরে আবিষ্কৃত তেল-গ্যাস ভাগাভাগি, বিক্রি আর রপ্তানি-সংক্রান্ত চুক্তিগুলো যদি যৌক্তিক এবং আমাদের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করেই থাকে, তাহলে চুক্তিগুলো এখনো কেন গোপনীয়।
লেখা শেষ হওয়ার আগে মাঝপথেই একটা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে রাখি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আব্দুল্লাহ ফারুক ইংল্যান্ডের ডান্ডি বিশ্ববিদ্যালয় তেল-গ্যাস চুক্তি এবং এ সংশ্লিষ্ট আইনের বিষয়ে তার পিএইচডি থিসিস লিখেছে। তেল-গ্যাস সংক্রান্ত আইন নিয়ে চর্চার জন্য ডান্ডি বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। ফারুক বলছিল যে তার থিসিসের গবেষণার জন্য সে প্রচুর খোঁজাখুঁজি করেছিল। আমাদের জাতির পক্ষে আন্তর্জাতিক তেল-গ্যাস কোম্পানির সঙ্গে যেসব চুক্তি হয়েছে, এর সবটাই ‘অতি গোপনীয়’।
একটা চুক্তি নিয়ে দুই পক্ষ আলাপ-আলোচনা করে, দরদাম করে তখন সেটা গোপনীয় থাকতেই পারে। সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তারপর সংবিধানকে মাঠে নামাই। সংবিধানের ১৪৩ অনুষদে বলা আছে ক) দেশের ভূমি এবং খ) সমুদ্র সীমানার অন্তর্গত সকল খনিজ ও মূল্যবান সামগ্রীর মালিক প্রজাতন্ত্র। আর সংবিধানের সপ্তম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণ। অর্থাত্ সকল খনিজ সম্পত্তির মালিক জনগণ।
আমাদের খনিজ সম্পদ কে, কোথায়, কীভাবে, কী শর্তে, কত দামে বিক্রি করছে, সেটা আমরা-জনগণ জানতে পারব না, এটা তো হতেই পারে না। আমাদের সম্পদ আমাদের কাছ থেকে ‘গোপন’ রাখবে—এ কেমন কথা, এটা কি মগের মুল্লুক।
মোদ্দাকথা, চুক্তি নিয়ে আলাপ-আলোচনা সরকারের দায়িত্ব। সে পর্যায়ে আমাদের না জানালেও চলবে। তবে ২০, ৩০, ৪০ বছর মেয়াদি চুক্তি, স্বাক্ষরিত হওয়ার পর জানার আধিকার দেশের জনগণের আছে।
ড. ফারুক জানিয়েছে, বিভিন্ন দেশে এ গোছের চুক্তি এখন তথ্য জানার অধিকারের আওতাভুক্ত।
জানতে চাই। জানাতে হবে। অবিলম্বে!
ড. শাহদীন মালিক। অ্যাডভোকেট, সুপ্রিম কোর্ট, ডাইরেক্টর, স্কুল অব ল, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সময়চিত্র আসিফ নজরুল সংবিধান সংশোধনের চিন্তা কেন
এটি নিয়ে আমি নিজেও আগে লিখেছি। যা লিখিনি তা হচ্ছে, এই পরিণতির একটি বড় কারণ সংবিধান সংশোধনের চিন্তা। প্রতিটি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার তার পতন ত্বরান্বিত বা অবধারিত করেছে এই চিন্তাকে বাস্তবায়ন করতে গিয়ে। উদাহরণ দেওয়ার আগে প্রথমে বলে রাখি, সংবিধান সংশোধন এমনিতে খারাপ কিছু নয়। আমেরিকায় প্রথম দিককার সংশোধনীগুলোর মধ্য দিয়ে মানবাধিকারের প্রসার ঘটানো হয়েছে। ইউরোপে বেশ কিছু দেশে সামপ্রতিক সংশোধনীগুলো আনা হয়েছে মানবাধিকার শক্তিশালীকরণ বা নাগরিকদের তথ্য অধিকারকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য। ভারতে গত ষাট বছরে শ খানেক সংশোধনীর মধ্যে বেশ কয়েকটি ছিল জনস্বার্থমূলক। যেমন—নিম্ন বর্ণ ও গোত্রের মানুষের জন্য জাতীয় কমিশন গঠন করা, স্থানীয় শাসন জোরদার করা, মন্ত্রিসভার আয়তন সীমিত করা, স্পিকারের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা এবং জরুরি অবস্থা জারিকে আরও নিয়ন্ত্রিত করা। দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৯৬ সালে যে নতুন সংবিধান গ্রহণ করেছে, তাকে পৃথিবীর অন্যতম প্রগতিশীল একটি সংবিধান হিসেবে অভিহিত করা হয়।
পৃথিবীতে এমন বহু দেশে সংবিধানে সংশোধনী আনা হয়েছে নাগরিক অধিকার ও স্বার্থকে সুনিশ্চিত করার জন্য, সুশাসনের সম্ভাবনা সুদৃঢ় করার জন্য। এর ব্যতিক্রমও আছে। এই ব্যতিক্রম দক্ষিণ এশিয়ায় কম নয়। আমাদের দেশেই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে সরকারের স্বেচ্ছাচারিতার সুযোগ বৃদ্ধির জন্য বা অবৈধ ক্ষমতা আইনানুগ করার জন্য। আশ্চর্য নয়, এর মধ্যে সবচেয়ে আপত্তিকর সংশোধনগুলো করা হয়েছে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আসা সরকারগুলোর সময়ে।
২.
বঙ্গবন্ধুর সরকারের আমলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে কার্যত এক ব্যক্তির সরকার প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর মাধ্যমে ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ সংবিধানের বেসিক স্ট্রাকচার বা মৌলিক কাঠামোই বদলে দেওয়া হয় (দেখুন: মাহমুদুল ইসলাম, কনস্টিটিউশনাল ল অব বাংলাদেশ, পৃষ্ঠা: ৪০৬)। অনেক পরে একটি মামলায় হাইকোর্ট সংশোধনীটির তীব্র সমালোচনা করলেও এটিকে অবৈধ ঘোষণা করা থেকে অযৌক্তিকভাবে বিরত থাকেন (৩৩ ডিএলআর ৩৮১)।
জিয়াউর রহমানের আমলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে ১৮ নম্বর অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সামরিক শাসনামলের আইনকানুন, সংবিধান সংশোধনীসহ সবকিছু বৈধতা দেওয়া হয়। পঞ্চম সংশোধনী নামে বহুল পরিচিত এই সংবিধান সংশোধনীও ছিল সংবিধানের বেসিক স্ট্রাকচার বা মূল কাঠামোবিরোধী। ২০০৫ সালে হাইকোর্টের রায়ে এটিকে তাই অবৈধ ঘোষণা করা হয়। একইভাবে পরে এরশাদ সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ আসনের সুযোগে সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে তাঁর সামরিক শাসনকে বৈধ করে নেন। এটিও সংবিধানের মৌলিক কাঠামোবিরোধী ছিল। আমার ধারণা, আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হলে এটিও অবৈধ বলে ঘোষিত হবে। এরশাদ সংবিধানের যে অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে হাইকোর্টকে অঞ্চলভিত্তিকভাবে ভাগ করার চেষ্টা করেন, তা অবশ্য উচ্চ আদালতে অনেক আগেই অবৈধ ঘোষিত হয়েছে।
অষ্টম সংশোধনী মামলার রায়ে সার্বভৌমত্ব, আইনের শাসন, মানবাধিকার, গণতন্ত্র, প্রজাতন্ত্র, ক্ষমতার পৃথক্করণ, এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো হিসেবে উল্লেখ করা হয়। রায়ে বলা হয়, (নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও) কোনো সংসদের মাধ্যমে সংবিধানের এসব মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন করা হলে তা হবে অবৈধ। এই রায়ের আলোকে ১৯৯০ সালে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আগে প্রতিটি সরকার অবৈধভাবে সংবিধান সংশোধন করেছিল বলা যায়।
১৯৯০ সালের পর প্রথম নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে ২০০১ সালের বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকার। জোট সরকারের চতুর্দশ সংশোধনী সংবিধানের মৌলিক কাঠামোবিরোধী ছিল না। কিন্তু পছন্দসই একজন সাবেক বিচারপতির নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করার লক্ষ্যে এই সংশোধনীটি করা হয়েছিল বলে ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হয়। এটি নৈতিকভাবে বিপুলসংখ্যক মানুষের বিরোধিতারও সম্মুখীন হয়। সংবিধান সংশোধনীকে তাই আগের আমলের নিরঙ্কুশ সরকারগুলোর মতো বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারেরও পতনের বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে একটি দলের পক্ষে এককভাবে সংবিধান পরিবর্তন করা সম্ভব। এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা বাংলাদেশের সংবিধান ও মানুষের জন্য কোনো দিন কল্যাণ বয়ে আনেনি। বর্তমান সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রীরা সংবিধান সংশোধনের কথা জোরেশোরে বলা শুরু করা মাত্র তাই বিভিন্ন মহলে দুর্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। এই দুর্ভাবনা অপরিণত এমনকি কারও কারও ক্ষেত্রে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হতে পারে। কিন্তু ইতিহাস ঘাঁটলে একে অযৌক্তিক মনে করার কোনো কারণ নেই।
৩.
বাংলাদেশের বহু নিরপেক্ষ মহল মনে করে, আমাদের সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে। সংবিধানের ত্রুটিগুলো লক্ষ করলেই তা বোঝা যাবে। সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকারগুলো আমাদের সংবিধানে যথেষ্টভাবে বর্ণিত হয়নি। লিগ্যাল এইড, শ্রমিকদের জীবনধারণক্ষম ন্যূনতম মজুরি, মা ও শিশুদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা, পরিবেশ রক্ষা, ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীগুলোর সাংসৃ্কতিক অধিকারের কোনো উল্লেখ নেই সেখানে। ধর্ম পালনের অধিকারের ক্ষেত্রে বৈষম্য আছে আমাদের সংবিধানে। আমাদের সংবিধানে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান ভারত বা পাকিস্তানের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর ও স্বৈরতান্ত্রিক। সংবিধানে সংসদের ন্যূনতম অধিবেশন বা কার্যদিবসের কথা বলা হয়নি; বরং অনুমতি না নিয়ে একাদিক্রমে সংসদের ৮৯ বৈঠক দিবসে অনুপস্থিত থাকার সুযোগ রয়েছে সাংসদদের। আবার সরকারি দল কোনো কালো আইন পাস করতে চাইলে এর বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার, এমনকি ভোটদানে বিরত থাকার অধিকার সরকারি দলের সাংসদদের নেই। গত অন্তত পাঁচ বছরে নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী, গণমাধ্যম, এমনকি বড় দুই দলের কিছু নেতাও এসব বিষয়ে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজনের কথা বলেছেন।
আওয়ামী লীগের মন্ত্রীরা সংবিধান সংশোধনের কথা বলতে গিয়ে এসব বিষয়ের অবতারণা করেননি। তাঁরা বরং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিলুপ্তি এবং সরকারের মেয়াদ হ্রাসের মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলোতে সংবিধান পরিবর্তনের চিন্তার কথা বলেছেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাংলাদেশের সংবিধানে সংযোজন করা হয়েছিল অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকার যতগুলো নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছে, তা আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় শ্রেয়তর হিসেবে দেশে-বিদেশে স্বীকৃত হয়েছে। এই সরকারগুলোর আমলে সংবাদপত্রের সুরক্ষা, নির্বাচনী আইনের সংস্কার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা শক্তিশালীকরণ-সংক্রান্ত বিভিন্ন জনস্বার্থমূলক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
সর্বশেষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আমাদের কিছু খারাপ অভিজ্ঞতা হয়েছিল, এটিও সত্যি। কিন্তু নজিরবিহীন যে জরুরি অবস্থার জোয়াল জাতির কাঁধে ওই সময়ে চেপে বসে, তার প্রেক্ষাপট রচনা করেছিল মূলত রাজনৈতিক দলগুলোই। সেই সময়ের খারাপ অভিজ্ঞতা স্মরণে রেখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ক্ষমতা ও মেয়াদ সুনির্দিষ্টকরণের লক্ষ্যে সংবিধান সংশোধনের চিন্তা করা যেতে পারে। কিন্তু এ জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুরোপুরি বাতিল করার উদ্যোগ নিলে এর পেছনের আসল উদ্দেশ্য নিয়ে বিতর্ক উঠবে। বর্তমান সরকার তার পূর্বসূরির মতো প্রশাসনে যে নগ্ন দলীয়করণ শুরু করেছে, এতে এই সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার পদক্ষেপ নিলে তা আরও একটি ভয়াবহ রাজনৈতিক বিরোধ ডেকে আনতে পারে দেশে।
সরকারের মেয়াদ হ্রাস করে চার বছর করার চিন্তাটি নিয়েও আরও ভাবনার প্রয়োজন রয়েছে। এটি প্রশংসনীয় চিন্তা, তবে এ ক্ষেত্রেও সরকারের উচিত হবে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে এগোনো। রাজনৈতিক সমঝোতার পাশাপাশি সংবিধানের আপাদমস্তক পূর্ণপাঠ, পর্যালোচনা ও পরিবর্তনের জন্য একটি স্থায়ী কমিশন গঠনের চিন্তাও সরকার করতে পারে।
আমার ধারণা, বাংলাদেশের তিনজন অতি শ্রদ্ধেয় সাবেক প্রধান বিচারপতিকে (সাহাবুদ্দীন আহমদ, মোস্তফা কামাল ও মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান) রাজি করিয়ে তাঁদের নিয়ে এই কমিশন গঠন করা হলে এবং কমিশনের মতামতের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিলে রাজনৈতিক সমঝোতা স্থাপন অনেক সহজতর হবে। সংবিধান সংশোধন নিয়ে আমাদের দুর্ভাবনাও এতে বহুলাংশে হ্রাস পাবে।
আসিফ নজরুল: অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
September
(494)
-
▼
Sep 30
(10)
- ব্রাজিল দূতাবাস বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি হন্ডুরাস সরক...
- সুড়ঙ্গপথে গাড়ি পাচারের রমরমা ব্যবসা
- শতবর্ষী ভিক্টোরিয়া লাইব্রেরি by আঞ্জুমান আরা
- আসন্ন দুর্ভোগ আমরা কীভাবে মোকাবিলা করব -জলবায়ুর পর...
- সংযোজনের জন্য কিছু প্রস্তাব -শিক্ষানীতি by মুহাম্ম...
- ডলারের বিপরীতে ইয়েন আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দরে শে...
- আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি সেমিফাইনালে চোখ ভেট্টোরির
- বাংলাদেশ সফরে দুর্বল ইংল্যান্ড দল
- আনুষ্ঠানিকতার দলবদল আজ থেকে
- ফেডারেশন কাপ আবার মাঠে
-
►
Sep 29
(45)
- রাজধানীর বনানীতে বাটা সিটি স্টোর উদ্বোধন
- ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা
- প্রগতি লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের ১০ শতাশ লভ্যাংশ ...
- এডিসন গ্রুপ নতুন মোবাইল হ্যান্ডসেট নিয়ে এল বাজারে
- টেলিযোগাযোগ সেবা সম্প্রসারণ একীভূত লাইসেন্স দেওয়ার...
- এমিরেটসের বিশ্বব্যাপী নতুন টিভি ও অনলাইন বিজ্ঞাপন ...
- মাইকেলভক্তদের রাতজাগানিয়া অপেক্ষা
- চলচ্চিত্র পরিচালক রোমান পোলানস্কি গ্রেপ্তার
- লিবীয় নেতা গাদ্দাফির কানাডা সফর বাতিল
- ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনা বাতিল করল রাশিয়া
- গুয়ানতানামোর বন্দীদের জন্য নতুন জায়গা খুঁজছে হোয়াই...
- একসঙ্গে চারজনকে বিয়ে
- ফিলিপাইনে প্রচণ্ড ঝড় ও বৃষ্টিপাত ৭৩ জনের প্রাণহানি
- স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে ইরান
- সেই ইউসুফ-মালিকের এই যুগলবন্দী
- মিজানুর-রাসিউল সংবর্ধিত
- বাংলাদেশ এ ২৯/২
- রুপা জিতলেন ফাহিমা
- টিম ম্যানেজমেন্টে আর পরিবর্তন চান না সিডন্স
- জি-২০ সম্মেলন জলবায়ু বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা নেই, ...
- কনফুসিয়াস বংশের ২০ লাখ সদস্যের তালিকা প্রকাশ
- ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা নাকচ করে...
- জার্মানিতে আজ সাধারণ নির্বাচন
- পাকিস্তানে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ১৫
- অডিওবার্তায় ইউরোপের প্রতি বিন লাদেন আফগানিস্তান থে...
- লন্ডনে আন্তর্জাতিক প্রবৃদ্ধি সম্মেলন দেশের পোশাক খ...
- মন্দা নিয়ে সাইপ্রাস ও ইস্তাম্বুলে সম্মেলন অর্থমন্ত...
- বিদেশি সাহায্য-প্রবাহ কমেছে
- অবশেষে হিগুয়েইনের স্বপ্নপূরণ
- ওয়ানডে বদলানোর পক্ষে নন সিম্পসন
- আমিরাতে মুখোমুখি পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড
- যেখানে হেনিনকে ছাড়িয়ে ক্লাইস্টার্স
- অস্ট্রেলিয়াকেও কাঁপিয়ে দিয়েছিল উইন্ডিজ
- তথ্য অধিকার-চাই তথ্য অধিকার আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন ...
- চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে ৫৪ রানে হারালো পাকিস্তান ...
- স্মরণ মুক্তিযুদ্ধের বীর মেজর নাজমুল নাসির উদ্দিন হ...
- তেল গ্যাস উত্তোলন-সাত বোনের না বদলানোর কেচ্ছা
- সময়চিত্র আসিফ নজরুল সংবিধান সংশোধনের চিন্তা কেন
-
▼
Sep 30
(10)
-
▼
September
(494)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

