Tuesday, November 11, 2025
মামদানির নাগরিকত্ব বাতিলের চেষ্টা রিপাবলিকানদের
তিনি মামদানির নাগরিকত্ব নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রশ্নে সুর মিলিয়ে তাকে মিথ্যা ভাবে ‘কমিউনিস্ট’ বলে আখ্যা দেন। কিছু রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা মামদানির নাগরিকত্ব প্রক্রিয়া তদন্তের আহ্বান জানিয়ে তার মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল ও বহিষ্কার করার দাবি তুলেছেন। অভিযোগ করেছেন যে তিনি ‘কমিউনিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী কার্যকলাপ’ সমর্থন করেছেন। তবে এর কোনো প্রমাণ নেই।
রিপাবলিকান প্রতিনিধি অ্যান্ডি ওগলস ২৯ অক্টোবর এক বিবৃতিতে বলেন, যদি মামদানি তার নাগরিকত্বের কাগজপত্রে মিথ্যা বলে থাকে, তাহলে সে নাগরিক হতে পারে না এবং অবশ্যই নিউইয়র্ক সিটির মেয়র হওয়ার যোগ্য নয়। এক মহান আমেরিকান শহর এমন একজনের হাতে যেতে চলেছে, যিনি প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী মতাদর্শকে সমর্থন করেছেন। তিনি মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে মামদানির বিরুদ্ধে তদন্তের আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, ফ্লোরিডার রিপাবলিকান প্রতিনিধি র্যান্ডি ফাইন নিউজম্যাক্সে বলেন, বর্বররা আর দরজার বাইরে নেই, তারা এখন ঘরের ভেতরে। মামদানি মাত্র আট বছর আগে এখানে এসেছে এবং নাগরিক হয়েছে। সে নাগরিকত্ব পাওয়ার মানদণ্ডই পূরণ করেনি। কিন্তু পলিটিফ্যাক্ট জানিয়েছে, মামদানি নাগরিকত্ব আবেদনপত্রে মিথ্যা বলেছিলেন- এর কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নেই।
মামদানি ১৯৯৮ সালে সাত বছর বয়সে উগান্ডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যান। ২০১৮ সালে নাগরিকত্ব পান। মার্কিন আইনে, প্রাপ্তবয়স্কদের নাগরিক হতে সাধারণত পাঁচ বছর দেশটিতে আইনত স্থায়ীভাবে বসবাস করতে হয়। নাগরিকত্ব বাতিল শুধুমাত্র আদালতের আদেশে সম্ভব। ইতিহাসে এটি খুবই বিরল- যেমন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেয়া নাৎসিদের ক্ষেত্রে, অথবা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞ জেরেমি ম্যাককিনি বলেন, নাগরিকত্ব বাতিল একটি চরম এবং বিরল প্রক্রিয়া, যা প্রমাণ করতে সরকারের ‘পরিষ্কার, অখণ্ড ও বিশ্বাসযোগ্য’ প্রমাণ লাগবে। তাদেরকে বলতে হবে যে আবেদনপত্রে এমন কোনো মিথ্যা ছিল যা নাগরিকত্বের ফলাফল বদলে দেয়। মামদানির ক্ষেত্রে এমন কোনো প্রমাণ নেই। মামদানির নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা শুরু হয় গ্রীষ্মে, যখন তিনি ডেমোক্রেটিক মেয়র প্রার্থী হন। ওগলস জুনে এক চিঠিতে বিচার বিভাগকে অনুরোধ করেন মামদানির বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করতে।
অভিযোগ করেন, তিনি ‘সন্ত্রাসবাদের সমর্থন লুকিয়ে নাগরিকত্ব পেয়েছেন।’ তিনি উল্লেখ করেন মামদানির ২০১৭ সালের এক র্যাপ গানের কথা, যেখানে তিনি ‘হলি ল্যান্ড ফাইভ’-এর সমর্থনে গান লেখেন। এরা হলেন পাঁচজন মুসলিম। তাদের ‘হলি ল্যান্ড ফাউন্ডেশন’ নামে একটি দাতব্য সংস্থা পরিচালনার জন্য ২০০৮ সালে হামাসকে আর্থিক সহায়তার অভিযোগে দণ্ডিত করা হয়। অনেক আইনজীবী মামলাটির প্রমাণকে প্রশ্নবিদ্ধ বলে মনে করেন। ওগলস ও ফাইন আরও অভিযোগ করেন, মামদানি তার ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকা (ডিএসএ) সদস্যপদ নাগরিকত্ব আবেদনপত্রে উল্লেখ করেননি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন, ডিএসএ কমিউনিস্ট পার্টি নয়। এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হার্ভি ক্লেয়ার বলেন, ডেমোক্রেটিক সমাজতন্ত্রীরা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রকে সমর্থন করেন, যা কমিউনিজমের বিপরীত ধারণা। ইমিগ্রেশন আইনজীবী ম্যাককিনি বলেন, ডিএসএ সদস্যপদ কোনো নাগরিকত্ব বাধা নয়। তাছাড়া বৈধ রাজনৈতিক সংগঠন উল্লেখ না করাও প্রতারণা নয়, যদি তা আবেদন বাতিলের কারণ না হতো।
নির্বাচনের প্রচারে মুসলমানবিদ্বেষী বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশন্স (কেয়ার)। তারা মামদানির নাগরিকত্ব বাতিলের দাবি ‘বর্ণবাদী ও ইসলামোফোবিক’ বলে আখ্যা দিয়েছে। অক্টোবরে এমএসএনবিসি’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মামদানি বলেন, ইসলামোফোবিয়া এই দেশের রাজনীতির এক স্থায়ী অংশ হয়ে গেছে। এখন এ নিয়ে কথা বলাটাই অনেকের কাছে সমস্যা মনে হয়- যেন আমরা নতুন কোনো ইস্যু তুলছি, অথচ বাস্তবে আমরা কেবল সেই বিদ্বেষের নাম বলছি যা আগেই ছিল।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই নৌকায় পা রেখে ভারতের চলার দিন শেষ by ইশাআল জেহরা
এর ধাক্কা কেবল রাশিয়াতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। এটি পৌঁছে গেছে সরাসরি নয়া দিল্লিতে। ভারত রাশিয়ার তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা, এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।
ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ভারত খুব নীরবে রাশিয়ার অন্যতম প্রধান তেল সরবরাহকারী দেশ হয়ে উঠেছে। ২০২২ সালের শুরুতে রাশিয়া থেকে ভারতে অপরিশোধিত তেলের আমদানি দিনে ১ লাখ ব্যারেলের কম ছিল। এ বছর সেটা প্রায় ১৮ লাখ ব্যারেল হয়েছে।
রাশিয়ার তেলের প্রতি ভারতের এই আকর্ষণের কারণটা স্পষ্ট। রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল আন্তর্জাতিক দামের তুলনায় ব্যারেলপ্রতি ১০ থেকে ২০ ডলার সস্তা। এতে প্রতি তিন মাসে ভারতের কয়েক বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হয়। এটি ভারতের বাজারে জ্বালানির দাম স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে।
রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ, ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন ও নায়ারা এনার্জি সস্তায় রাশিয়ার তেল কিনে স্থানীয়ভাবে পরিশোধন করে এবং প্রায়ই ইউরোপে রপ্তানি করে লাভজনক ব্যবসা গড়ে তুলেছে।
তেল ব্যবসার এই মডেলে এখন ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট নির্বাহী আদেশে রোসনেফট বা লুকঅয়েলের সঙ্গে যেসব কোম্পানি, ব্যাংক ও বিমা ব্যবসা করে সবাইকে শাস্তির হুমকি দিয়েছে। ফলে আদেশ অমান্যকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের বাজার ও বৈশ্বিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।
জ্বালানি ব্যবসায়ী ও বিমা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এই হুমকি এতটাই কঠিন যে তারা রাশিয়ার সঙ্গে চলমান লেনদেন পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হচ্ছে।
তেল–সংক্রান্ত এই বিবাদ এরই মধ্যে বড় পরিসরে বাণিজ্যিক রাজনীতিতেও ছড়িয়ে পড়ছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করেছেন, রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে তিনি ভারতের ওপর ‘বিশাল শুল্ক’ বহাল রাখবেন। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক এরই মধ্যে ভারতের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। ভারতের সরকারি তথ্য থেকে দেখা যাচ্ছে, সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের রপ্তানি ২০ শতাংশের বেশি কমেছে। সে কারণে পর্দার অন্তরালে দুই পক্ষই একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।
মনে করা হচ্ছে যে ওয়াশিংটন ও নয়া দিল্লি এমন একটি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে, যেখানে ভারতের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ১৫–১৬ শতাংশ পর্যন্ত কমবে। সংবাদে বলা হচ্ছে, শুল্ক ছাড়ের বিনিময়ে ভারত ধারাবাহিকভাবে রাশিয়ার তেল আমদানি কমাতে পারে। এতে ট্রাম্প কূটনৈতিক সাফল্য দাবি করতে পারবেন আর মোদি নিজের দেশে যে বেকায়দা অবস্থায় পড়েছেন, সেটা সামলানোর সুযোগ পাবেন।
ট্রাম্প বারবার করে ভারতীয় প্রতিশ্রুতির বিষয়টির কথা বলছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত ভারতের দিক থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি; বরং বার্লিনে গ্লোবাল ডায়ালগে ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী বেশ দৃঢ় কণ্ঠেই বলেছেন, ‘ভারত তড়িঘড়ি করে কোনো চুক্তি করবে না অথবা মাথায় বন্দুক থাকা অবস্থায় চুক্তি করবে না।’
ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য ভারতের মনোভাবকে তুলে ধরে। সেটা হলো ভারত নিজেদের শর্তে সিদ্ধান্ত নেবে, ওয়াশিংটনের চাপে নয়।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপ বাড়ার কারণে ভারত রাশিয়ার তেল আমদানি ৩০–৪০ শতাংশ কমাতে পারে। এটি ভারতের জন্য যথেষ্ট লোকসানের কারণ হবে। ভারতকে যদি রাশিয়ার থেকে ব্যয়বহুল তেল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করতে হয়, তাহলে দেশটির আমদানি খরচে মাসে অতিরিক্ত ১ থেকে দেড় বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বাড়তে পারে। এতে চলতি হিসাবে ঘাটতি যেমন বাড়বে, ডলারের বিপরীতে রুপিও দুর্বল হবে।
ভারতের ব্যাংক খাতও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। রুপি–রুবল এবং দিরহাম–রুবল লেনদেন পরিচালনা করা ভারতীয় ব্যাংকগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারিতে পড়তে পারে। এতে বছরে কমবেশি ৫–৭ বিলিয়ন ডলারের তেল–সংক্রান্ত লেনদেন ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে।
ওয়াশিংটনের চাপের মুখে তেলবাণিজ্য যখন সংকুচিত হচ্ছে, তখন ভারত রাশিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সম্পর্ক শক্তিশালী করছে।
সংবাদে বলা হয়েছে, ভারত এস-৪০০ বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কিনতে রাশিয়ার সঙ্গে প্রায় ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করতে যাচ্ছে। নিষেধাজ্ঞার কারণে তেল থেকে রাশিয়ার আয় কমেছে, তাই নতুন অস্ত্র ক্রয় রাশিয়ার জন্য আর্থিক সহায়তা হিসেবে কাজ করবে। একই সঙ্গে এই কৌশলগত নিশ্চয়তা দিচ্ছে যে হাইড্রোকার্বনের বাইরেও দুই দেশের সম্পর্ক টিকে থাকবে।
ভারতের জন্য যুক্তিটা সমানভাবে পরিষ্কার। ভারতের সামরিক সরঞ্জামের প্রায় ৪৫ শতাংশ এখনো মস্কো থেকে আসে। তাই রাশিয়ার সঙ্গে সম্পূর্ণ বিচ্ছেদ বাস্তবসম্মত অথবা কাম্য নয়। পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহকারীদের কাছ থেকে অস্ত্র কিনে ভারত বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করছে। কিন্তু ভারতের সশস্ত্র বাহিনী রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল। এটি ক্রেমলিনকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে দর–কষাকষির ক্ষেত্রে সুবিধা করে দেবে।
ভারতের পরবর্তী সিদ্ধান্ত চীনের ওপর অনেকখানি নির্ভর করছে। চীনের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি এখন সমুদ্রপথে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের আমদানি সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে। ভবিষ্যতে চীন মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আমদানি চালিয়ে যেতে পারে। চীন যদি সেটা করে, ভারতেরও একই পথ অনুসরণ করার সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারতের জন্য মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা সহজ হবে না। ওয়াশিংটনের দিক থেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার অর্থ হচ্ছে, উচ্চ শুল্ক, বাণিজ্যিক দ্বন্দ্ব এবং পশ্চিমা পুঁজিতে প্রবেশাধিকার হ্রাসের ঝুঁকি তৈরি হওয়া।
মোদি সরকার একসঙ্গে অনেক লক্ষ্য পূরণের চেষ্টা করছে। শুল্ক কমানো, জ্বালানি মূল্যের স্থিতিশীলতা, রাশিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব বজায় রাখা। এ ছাড়া ভোটারদের কাছে তাঁকে প্রমাণ করতে হবে যে সিদ্ধান্তগুলো ভারতের স্বার্থ বজায় রেখেই নেওয়া হচ্ছে।
দশকের পর দশক ধরে ভারত প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে পেরেছে। ভারত একই সঙ্গে ব্রিকসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং কোয়াডে কৌশলগত অংশীদার। কিন্তু ট্রাম্প যখন হাতের মুঠো শক্ত করছেন কঠোর আইন প্রয়োগ করছে এবং পুতিন যখন বিশ্বস্ত ক্রেতাদের ওপর আরও নির্ভরশীল হতে চাইছেন, তখন ভারসাম্য বজায় রাখার কাজটা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র দুই পক্ষই ভারতের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি চায়। ফলে ভারত হয়তো খুব শিগগির সেই কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হতে হবে, যেটি বহুদিন দেশটি এড়িয়ে চলে এসছে। ভারতকে কোনো একটি পক্ষকে বেছে নিতে হবে।
* ইশাআল জেহরা, পাকিস্তানের ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক
- এশিয়া টাইমস থেকে নেওয়া, ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্তাকারে অনূদিত
| ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামনে অগ্নিপরীক্ষা। ছবি : রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আলোচনায় নিউইয়র্কের ভাবি ফার্স্টলেডি
তার তৈরি একটি চিত্রে দেখা যায়, মার্কিন ডলারের গুচ্ছের ওপর লেখা রয়েছে- ইসরাইল যুদ্ধাপরাধী। এই অ্যানিমেশনটি ২০২৪ সালের জুলাইয়ে নিজেই পোস্ট করেন জোহরান মামদানি। সঙ্গে লিখেছিলেন, প্রতি বছর নিউইয়র্কের দাতব্য সংস্থাগুলো ইসরাইলি যুদ্ধাপরাধে অর্থায়নের জন্য ৬০ মিলিয়ন ডলার পাঠায়। এই সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এখন সময় এসেছে এর অবসান ঘটানোর। আরও আগে ২০২০ সালের নভেম্বরে দুয়াজি শেয়ার করেন একটি অঙ্কনচিত্র। তাতে দেখা যায়, এক ফিলিস্তিনি পরিবার তাদের জমিতে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের উপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছে এক ইসরাইলি যুদ্ধবিমান। এর ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, প্রেসিডেন্টরা আসে আর যায়, কিন্তু আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ কখনও বদলায় না। ভাবছি ফিলিস্তিনিদের কথা- যাদের কষ্টের শেষ নেই, কে ক্ষমতায় আছে তা নির্বিশেষে।
সম্প্রতি আরও বিতর্ক ওঠে, যখন তিনি ফিলিস্তিনি সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার সালেহ আল-জাফারাওয়ির ছবিতে চারটি ভাঙা হৃদয়ের ইমোজি পোস্ট করেন। ২৮ বছর বয়সী আল-জাফারাওয়ি গত মাসে হামাসবিরোধী এক মিলিশিয়ার হাতে নিহত হন। এ হামলাকারীরা ইসরাইল থেকে অস্ত্র পেয়েছে বলে বলা হয়। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র হিসেবে শপথ নেবেন মামদানি। ফলে ওইদিন দুবাইয়ে বেড়ে ওঠা, হিউস্টনে জন্ম নেওয়া এবং নিজেকে সিরীয় হিসেবে পরিচয় দেওয়া রামা দুয়াজি হবেন নিউইয়র্কের ফার্স্ট লেডি। মঙ্গলবার ব্রুকলিনের প্যারামাউন্ট থিয়েটারে তিনি স্বামীর সঙ্গে মঞ্চে ওঠেন। কালো লেস পোশাক ছিল পরণে। চপচপে ফ্রিঞ্জসহ অড্রে হেপবার্ন-প্রেরণায় সাজানো চুল ও গাঢ় নখের রঙে তিনি দর্শকদের উদ্দেশে নিখুঁতভাবে হাত নেড়ে অভিবাদন জানান। ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা ইতিমধ্যেই ১০ লাখ ছাড়িয়েছে। ভক্তরা মুগ্ধ তার গম্ভীর অথচ আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতিতে।
রামা ও মামদানির প্রেমের গল্প শুরু হয় ২০২১ সালে ডেটিং অ্যাপ ‘হিঙ্গ’-এর মাধ্যমে। সে সময় দুয়াজির বয়স ছিল ২৪, আর মামদানি তখন ২৯। রাজনীতিতে তখন উদীয়মান তারকা মামদানি। এক সাক্ষাৎকারে মামদানি বলেন, যারা ভালোবাসা খুঁজছেন, তারা যেন অনলাইন ডেটিং অ্যাপগুলোকে একেবারে বাদ না দেন। আমি আমার স্ত্রীকে হিঙ্গে পেয়েছি। তাই এখনো আশার জায়গা আছে!
তারা গত বছরের অক্টোবরে এনগেজমেন্ট ঘোষণা করেন এবং ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিউইয়র্ক সিটির ঐতিহাসিক সিটি হলে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দুবাইয়ে একটি জাঁকজমকপূর্ণ বাগদান ও ইসলামী নিকাহ অনুষ্ঠানও হয়। রামা দুয়াজি ভার্জিনিয়া কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটি স্কুল অব দ্য আর্টস থেকে স্নাতক। সেখানে তিনি দোহা (কাতার) ও রিচমন্ড (ভার্জিনিয়া)- দুই শহরেই পড়াশোনা করেছেন। স্নাতকোত্তর শেষে তিনি দুবাইয়ে ফিরে যান এবং ২০২১ সালে নিউইয়র্কে চলে আসেন। ঠিক কয়েক মাস পরই ভাগ্যে মিলে যায় ভবিষ্যৎ স্বামীর সঙ্গে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘মামদানি মডেল’ কি নিউইয়র্কের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে by আদিত্য চক্রবর্তী
গত বছর নভেম্বর মাসে ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার পরপরই মামদানি ভোটারদের কাছে যান এই প্রশ্ন নিয়ে—কেন তাঁরা এই লোকটিকে ভোট দিলেন? তাঁদের সঙ্গে সেই কথোপকথনগুলোই তাঁকে নিউইয়র্কের মেয়র হিসেবে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত করেছিল। সেই আলাপচারিতার ভিডিওটিও সময়ের রাজনীতিকে বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক দলিল।
আমরা যারা বিল ক্লিনটন আর টনি ব্লেয়ারের রাজনৈতিক কৌশলের বিষয়ে জানি, তারা হয়তো এমন ‘জনতার কথা শোনা’ ধাঁচের অনুষ্ঠানের বিষয়ে সন্দিহান থাকি। কারণ, এ ধরনের অনুষ্ঠানে ক্ষমতার প্রতিনিধি এবং তাঁর সহযোগীরা আলোঝলমলে হলঘরে ‘জনতার পাশে’ থাকার অভিনয় করেন। কিন্তু মামদানির প্রচার একেবারেই তেমন নয়।
মামদানি ব্রঙ্কসের এক রাস্তার মোড়ে হাতে একটি প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন; যেন তিনি এক দৃঢ়বিশ্বাসী ধর্মপ্রচারক। তিনি প্রচলিত রাজনৈতিক বুলি আওড়াননি। তিনি সরাসরি কথা বলেছেন সেই সব মানুষের সঙ্গে যাদের চেহারায় ক্লান্তি, শরীরে নাগরিক শ্রান্তি। তাঁরা আগে কখনো কোনো রাজনৈতিক ক্ষমতাধর লোকের সঙ্গে এমনভাবে কথা বলেননি, এমনকি মামদানির মতো ছোট পরিসরের কোনো আইনপ্রণেতার সঙ্গেও নয়।
এই মানুষেরা মামদানিকে মন খুলে বলেছেন, কেমন করে জীবনের প্রতিদিনের চাহিদাগুলো পূরণ করা তাঁদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে উঠেছে; কীভাবে রাজনীতি তঁাদের জীবনকে সংকীর্ণ করে ফেলছে। এই মানুষেরা রাজনীতিকদের ব্যর্থ লোক হিসেবেই দেখেন। জনগণের এই হতাশাই একসময় ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউসে তুলেছিল। এই হতাশার কারণেই মামদানি আজ আমেরিকার বৃহত্তম শহর নিউইয়র্কের মেয়র।
বিশ্লেষকেরা প্রায়ই ট্রাম্প আর মামদানিকে পাশাপাশি রেখে তুলনা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁদের বক্তব্য ‘দুজনেই টিকটকে জনপ্রিয়’ বা ‘দুজনেই পপুলিস্ট’—ধরনের কথায় গিয়ে শেষ হয়। কিন্তু এই তুলনার গভীরে আরও বড় বিষয় আছে। দুজনেই নিউইয়র্কের মানুষ। কিন্তু তাঁরা এই শহরের দুই বিপরীত দিককে তুলে ধরেন। ট্রাম্প তুলে ধরেন ম্যানহাটানের দালানকোঠার ছবি। আর মামদানি হন সাধারণ মানুষের পাড়া-মহল্লার প্রতিনিধি। তাঁদের দুজনকে দেখলে মনে হয়, আমেরিকার দুই ভিন্ন ভবিষ্যৎ মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে।
ট্রাম্প টেনে নিচ্ছেন দেশকে জাতিগত বিভাজন আর নির্মম অর্থনীতির পথে। আর মামদানি অভিবাসী ও সাধারণ নাগরিকদের পাশে এমন এক শহরের স্বপ্ন নিয়ে দাঁড়াচ্ছেন, যেখানে সবার জন্যই বেঁচে থাকা সম্ভব। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মামদানি বুঝতে পেরেছেন, শহরের শ্রমজীবী মানুষ মানে শুধু শ্বেতাঙ্গ নয়; তাঁদের মধ্যে কৃষ্ণাঙ্গ, বাদামি ও অভিবাসীরাও আছেন।
ট্রাম্পের মতো লোকেরা যে ভয়াবহ বিপদের প্রতীক, তা গভীরভাবে ভাবলেই বোঝা যায়। আর সেটি বোঝা গেলেই বোঝা যায়, কেন মানুষ মামদানির মধ্যে এতটা আশা খুঁজে পেয়েছে। কয়েকটা উদাহরণ দিই—গত সেপ্টেম্বর ট্রাম্পের দেহরক্ষীরা হুন্দাই কারখানা থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার কয়েকজন প্রকৌশলীকে ধরে নিয়ে যান। সব কাগজপত্র ঠিকঠাক থাকার পরও জোর করে তাঁদের দেশ থেকে হাজার মাইল দূরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তার পরের মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ ভিসা নিয়ে ভ্রমণরত এক ব্রিটিশ সাংবাদিককে আইসিই কর্মকর্তারা ধরে নিয়ে যান। কারণ, তিনি ইসরায়েলের নৃশংসতার সমালোচনা করেছিলেন।
মামদানির জনপ্রিয়তার উৎস শুধু তাঁর তারুণ্য, আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব নয়। তাঁর প্রতি এই প্রবল আগ্রহের মূল কারণ হলো, তিনিই প্রথম বামপন্থী রাজনীতিক, যিনি দেখিয়েছেন ট্রাম্পবাদের মুখোমুখি দাঁড়ানোই শুধু নয়, সেটিকে পরাজিত করাও সম্ভব। এটাই আমাদের সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ—আর নিউইয়র্কের নতুন মেয়র তা ভালোভাবেই জানেন।
বিজয় ভাষণে তিনি কৃতজ্ঞতা জানানোর পর বলেছিলেন, ‘যদি কেউ ট্রাম্পের বিশ্বাসঘাতকতায় ক্ষতবিক্ষত একটি জাতিকে দেখাতে পারে কীভাবে তাকে পরাজিত করতে হয়, তবে সেই শহরই পারে, যে শহর ট্রাম্পকে তৈরি করেছিল।’
এক বছর ধরে ট্রাম্পের দ্বিতীয় আমলে মধ্যপন্থী ও মধ্য-বাম রাজনীতিকদের সেরা মেধাবীরাও বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছেন। কীভাবে ট্রাম্পকে মোকাবিলা করবেন, তা তাঁরা বুঝে উঠতে পারেননি। ওবামা প্রায় কিছুই বলেননি। কমলা হ্যারিস আত্মজীবনী লেখায় ব্যস্ত ছিলেন।
মামদানিকে সবচেয়ে তীব্র আক্রমণ করেছেন তাঁর নিজের দিকের মানুষেরাই। ডেমোক্র্যাট প্রাইমারিতে হেরে গিয়ে যৌন কেলেঙ্কারিতে জড়িত অ্যান্ড্রু কুমো স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ান এবং এই নির্বাচনে প্রকাশ্যে ট্রাম্পের পছন্দের প্রার্থী হিসেবে প্রচার চালান। এই প্রচারে নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়র হতে চাওয়া মামদানিকে নিয়মিতভাবে ‘সন্ত্রাসবাদে সহানুভূতিশীল’ বলে অপবাদ দেওয়া হয়েছে।
ইউরোপজুড়ে এখন দেখা যাচ্ছে সামাজিক গণতন্ত্রের নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের ‘চরমপন্থার প্রধান’ ট্রাম্পের সামনে মাথা নত করছেন। ব্রিটেনের কিয়ার স্টারমার ট্রাম্পকে অভূতপূর্ব কায়দায় স্বাগত জানিয়েছেন। আর ন্যাটোর প্রধান মার্ক রুতে তাঁকে ‘ড্যাডি’ পর্যন্ত বলেছেন। পাঁচ বছর আগেও মার্কিন গণমাধ্যমের মালিকেরা বৈচিত্র্যের প্রতি প্রতিশ্রুতি দেখাতে হাঁটু গেড়ে প্রতিবাদ করেছিলেন। এখন তারা হাঁটু গেড়ে বসছে এক বর্ণবাদী গালিবাজের সামনে।
ট্রাম্পবাদের বিরুদ্ধে যখন দুই দিনব্যাপী বিশাল বিক্ষোভে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ অংশ নেয়, তখন মার্কিন কলামিস্ট আর পডকাস্টাররা পরিবেশ বদলের গল্প শুনিয়েছেন। এ অবস্থায় মামদানির জয় প্রমাণ করে জনগণ এখনো প্রতিরোধে আস্থা রাখে।
* আদিত্য চক্রবর্তী, দ্য গার্ডিয়ান-এর কলামিস্ট
- গার্ডিয়ান থেকে নেওয়া, ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্ত আকারে অনূদিত
![]() |
| নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি। ফাইল ছবি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাড়িটি ধীরে ধীরে এসে থামার পরই হয় বিস্ফোরণ: দিল্লির পুলিশ কমিশনার
পুলিশ কর্মকতা সতীশ গোলচা বলেন, চলন্ত গাড়িটি সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিটে লালকেল্লার কাছে একটি ট্রাফিক সিগন্যালে থামে। এরপর বিস্ফোরণ হয়। এতে আশপাশের গাড়িগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিস্ফোরণে কয়েকজন নিহত হয়েছেন। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
এর আগে গাড়ি বিস্ফোরণে আটজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। তখন দিল্লি ফায়ার সার্ভিসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দ্য হিন্দুকে জানান, বিস্ফোরণটি লালকেল্লা মেট্রোস্টেশনের ১ নম্বর গেটের কাছে একটি গাড়িতে হয়েছে। বিস্ফোরণের তীব্রতা ছিল ব্যাপক। অনেকে আহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
দিল্লিতে গাড়ি বিস্ফোরণের পর মহারাষ্ট্রে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। মুম্বাই পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, মহারাষ্ট্র পুলিশের জেলা পর্যায়ের সব ইউনিটের কমান্ডার ও কমিশনারদের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানোর জন্য সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ২০০৮ সালে দিল্লিতে বড় ধরনের হামলা হয়েছিল। সে বছর রাজধানীর দুটি বাজার এলাকায় একাধিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে প্রায় ২০ জন নিহত হন। ২০০৮ সালে মুম্বাইতেও ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হয়। ওই হামলায় ১৬৬ জন নিহত হয়েছিলেন। আর ২০০৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বোমা হামলায় ভারতের বিভিন্ন শহরে চার শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন।
![]() |
| নয়াদিল্লিতে গাড়ি বিস্ফোরণের স্থান ঘিরে রেখেছে পুলিশ। ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোগীর দেহে প্রতিস্থাপনের জন্য দাতার ফুসফুস মেট্রোতে করে পৌঁছাল হাসপাতালে
চেন্নাই মেট্রো রেল লিমিটেড (সিএমআরএল) গত শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’–এ একটি পোস্ট দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।
ওই পোস্টে বলা হয়, কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড নিউরোসায়েন্স (এনআইএমএইচএএনএস) থেকে অঙ্গ পরিবহন দলের সদস্যরা প্রথমে দান করা ফুসফুস নিয়ে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে চেন্নাই বিমানবন্দরে পৌঁছান। এরপর বিমানবন্দর ঘেঁষা মেট্রোস্টেশন মিনামবাক্কম থেকে দলটি মেট্রোতে করে এজি-ডিএমএস স্টেশনে পৌঁছায়।
এ যাত্রা পথে তাদের সময় লেগেছে ২১ মিনিট। স্থানীয় সময় বেলা ২টা ৭ মিনিটে দলটি মিনামবাক্কম স্টেশনে মেট্রোতে ওঠে। সাতটি স্টেশন পেরিয়ে এজি-ডিএমএম স্টেশনের পৌঁছায় বেলা ২টা ২৮ মিনিটে। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁরা গ্রিমস রোডের অ্যাপোলো হাসপাতালে পৌঁছায়।
পরে হাসপাতালটিতে পূর্বনির্ধারিত সময়ে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।
অনলাইনে এক পোস্টে অ্যাপোলো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেছেন, তারা বেঙ্গালুরুর এনআইএমএইচএএনএস থেকে দাতার ফুসফুস চেন্নাই নিয়ে আসতে একটি ‘গ্রিন করিডর’ তৈরি করেছিলেন।
চেন্নাই ট্রাফিক পুলিশ, চেন্নাই মেট্রো রেল এবং অ্যাপোলো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অঙ্গ পরিবহন দলটির বিনা বাধায় ফুসফুস নিয়ে বেঙ্গালুরু থেকে চেন্নাই পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছে।
তামিলনাড়ুতে প্রতিস্থাপনের জন্য অঙ্গ পরিবহন কাজে মেট্রোর ব্যবহার এই প্রথম। এর আগে হায়দরাবাদ ও বেঙ্গালুরু মেট্রো রেলে প্রতিস্থাপনের জন্য অঙ্গ পরিবহন করা হয়েছে।
| প্রতিস্থাপনের জন্য মেট্রোতে করে অঙ্গ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ০৮ নভেম্বর, ২০২৫ ছবি: চেন্নাই মেট্রোরেলের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে নেওয়া |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ▼ 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

