Friday, September 11, 2026
বিহারের বন্যা সামলাতে ফারাক্কা ব্যারেজের সব গেট খোলা, প্লাবিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ভারতের বিহার রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতেই ফারাক্কার সব গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, ফারাক্কা ব্যারেজের সব গেট খুলে দেওয়ার ফলে ভাটির দিকে অর্থাৎ বাংলাদেশের অভিমুখে প্রচুর পরিমাণে পানি ছাড়া হচ্ছে।
এর ফলে বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টিতে জেলার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে অন্তত ৩ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছে। এছাড়া ৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে এবং সাড়ে ৫৬ হেক্টরের বেশি জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, গত ৭ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দিনে পদ্মায় ৪৪ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় পাঙ্খা গেজ স্টেশনে পদ্মার পানি রেকর্ড করা হয় ২১.৭৬ মিটার, যা বিপৎসীমার (২২.০৫ মিটার) মাত্র ২৯ সেন্টিমিটার নিচে।
একই দিনে মহানন্দা নদীর খালঘাট পয়েন্টে পানির সমতল রেকর্ড করা হয় ১৯.৪৩ মিটার (বিপৎসীমা ২০.৫৫ মিটার) এবং পুনর্ভবা নদীর রহনপুর পয়েন্টে ১৯.৪৬ মিটার (বিপৎসীমা ২১.৫৫ মিটার)। পাউবো জানিয়েছে, তিনটি নদীতেই পানি বৃদ্ধি পাওয়া অব্যাহত রয়েছে।
নদীগুলোর পানি বাড়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ২টি ও শিবগঞ্জ উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের চরাঞ্চলের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নে ১ হাজার ও আলাতুলি ইউনিয়নে ৫০০ পরিবার এবং শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নে ১ হাজার, উজিরপুর ইউনিয়নে ২৫০ ও দুর্লভপুর ইউনিয়নে ২৫০টি পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।
পাঁকা ইউনিয়নের দুর্গম চরাঞ্চলের বাসিন্দা সুফিয়া বেগম বলেন, চারিদিকে শুধু পানি আর পানি। ঘরবাড়ি থেকে বের হওয়ার কোনো পথ নেই। গবাদিপশু আর ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে আমরা খুব বিপদের মধ্যে আছি।
পাঁকা এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন,ওই এলাকা থেকে মাত্র ১১ কিলোমিটার দুরে ফারাক্কা ব্যারেজের অবস্থান। পর্যায়ক্রমে ১০৯টি গেট খুলে দেয়ায় বন্যার সৃষ্টি হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলায়।
পাকা ইনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক বলেন,ফারাক্কা ব্যারেজের সবগুলো গেট খুলে দেয়ায় চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে চরাঞ্চলের ইউনিয়নগুলো। যে হারে পানি বাড়ছে,অব্যাহত থাকলে ক্ষতিগ্রস্থ্য হবে হাজার হাজার মানুষ। মাঠেই ডুবে নষ্ট হবে কৃষকের মাঠের ধান।
তিনি আরও বলেন,তাঁর ইউনিয়নের ৬-৭টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে এবং অন্তত সাড়ে তিনশ পরিবারের বাড়িতে পানি ঢুকে গেছে। আপাতত পানি বৃদ্ধি স্থগিত থাকলেও সামনে বন্যা বড় রূপ নিতে পারে বলে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
শিবগঞ্জ উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ ও নির্দেশনা পেলেই দুর্গতদের মাঝে সহায়তা কার্যক্রম শুরু করা হবে।
বন্যার কারণে সদর উপজেলার ২টি ও শিবগঞ্জ উপজেলার ৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি ঢুকে পড়ায় সেগুলোতে সাময়িক পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রাজ্জাক।
অন্যদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আতিকুল ইসলাম জানান, জেলার ৫টি উপজেলায় ৫৬.৫ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৩১.৫ হেক্টর মাসকলাই, ১৪.২ হেক্টর শাকসবজি, ৪ হেক্টর রোপা আমন, ৩.৪ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের বীজতলাসহ আউশ ধান ও হলুদ রয়েছে।

About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাব-এল-মান্দেবে নৌ চলাচল ‘নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল’: হুথি
হুথিদের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য হাজেম আল-আসাদ যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-আরাবি আল-জাদিদকে বলেন, ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলে তাদের সাম্প্রতিক অগ্রগতির কারণে জাহাজ চলাচল নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।
তিনি বলেন, লোহিত সাগর ও বাব-এল-মান্দেবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল রয়েছে।
এদিকে হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, গত ৩ সেপ্টেম্বর অভিযানটি শুরু হয়। তায়েজ ও হোদেইদা প্রদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সৌদি-সমর্থিত বাহিনীকে সরিয়ে দেওয়া এবং ইয়েমেনের ওপর দীর্ঘদিনের অবরোধ ও হামলার অবসান ঘটানোই অভিযানের লক্ষ্য ছিল।
ইয়াহিয়া সারির দাবি, অভিযানে মোট ৫ হাজার ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকার ছয়টি জেলা থেকে সৌদি-সমর্থিত বাহিনীকে হটিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সাতটি সামরিক ব্রিগেডে হামলা চালিয়ে কয়েকশ সেনাকে নিহত, আহত ও আটক করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
হুথিদের সামরিক বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর হাতে আটক ইয়েমেনি বন্দিদের মুক্ত করা হয়েছে এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে নয়টি বিমান ভূপাতিতসহ ৩২টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তবে এসব দাবির স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সমুদ্রপথে চলাচলের বিষয়ে হুথিদের সামরিক মুখপাত্র বলেন, সৌদি জাহাজ ছাড়া অন্য সব কোম্পানির জন্য নৌ চলাচল নিরাপদ থাকবে। সৌদি জাহাজের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলেও জানানো হয়।
হুথিরা আরো বলেছে, ইয়েমেনের ওপর হামলা ও অবরোধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তারা ‘অবরোধের জবাবে অবরোধ এবং উত্তেজনার জবাবে উত্তেজনা’ নীতি অব্যাহত রাখবে।
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত। |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আবারও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে ইরান
মার্কিন ও মধ্যপ্রাচ্যের কর্মকর্তাদের বরাতে পত্রিকাটি জানিয়েছে, যুদ্ধের আগের তুলনায় সীমিত পরিমাণে ইরান নতুন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে। বিদ্যমান যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে দেশটির কয়েকটি ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় এসব ক্ষেপণাস্ত্র সংযোজন করা হচ্ছে। এর মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের খোজির ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাও রয়েছে।
নতুন করে মার্কিন হামলা হলে উৎপাদন যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য ইরান আরও ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র সংযোজন কেন্দ্র তৈরির কাজ করছে বলেও কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের বেশ কয়েকটি শিল্প স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি মার্কিন নৌ অবরোধের কারণে ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ ও জ্বালানি তৈরির উপকরণ আমদানিও বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
এক মার্কিন কর্মকর্তা ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেছেন, জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির অন্তর্বর্তী চুক্তি হওয়ার পর ইরান আবার ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরু করেছে।
মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা অ্যাডভোকেসি অ্যালায়েন্সের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক তাল ইনবারের ধারণা, ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে।
তবে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস হওয়ার আগের দাবিই পুনর্ব্যক্ত করেছেন। দ্য হিলকে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নজর রাখছে এবং দেশটির প্রতিটি পদক্ষেপ সম্পর্কে অবগত।
ওই কর্মকর্তা বলেন, ইরান এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় দুর্বল এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেবেন না।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের মুখপাত্র শন পারনেলও দাবি করেছেন, ইরানের ড্রোন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও নৌবাহিনীর শিল্পভিত্তির ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ধ্বংস করা হয়েছে এবং দেশটির ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্সকে জানিয়েছে, দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে শিগগিরই আরও কিছু ঘোষণা আসবে। মন্ত্রণালয় বলছে, ‘শিগগিরই আপনারা এই হিমশৈলের চূড়া দেখতে পাবেন।’
এদিকে মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবারের মধ্যে জর্ডানের মুওয়াফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে একাধিক মার্কিন সামরিক উড়োজাহাজ লক্ষ্য করে ইরান কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলার জবাবে এই হামলা চালানো হয়।
তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওই হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর অস্বীকার করেছেন। নিউজ নেশনকে তিনি বলেন, ‘কোনো ক্ষতি হয়নি, একেবারেই হয়নি।’
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত এখন ষষ্ঠ মাসে গড়িয়েছে। যুদ্ধের অবসানে এখনো কোনো স্থায়ী চুক্তির সম্ভাবনা স্পষ্ট নয়। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের বিরোধ আরও তীব্র হয়েছে।
ইরান প্রণালিটি বন্ধ করে দেওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ কার্যত বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এতে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও যুদ্ধ নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে।
বুধবার ডালাসে রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির মধ্যবর্তী নির্বাচন বিষয়ক সম্মেলনে যাওয়ার পথে ট্রাম্প বলেছিলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই সংঘাত শেষ হয়ে যাবে। পরে অবশ্য তিনি স্বীকার করেন, নভেম্বরের নির্বাচনের পরও সংঘাত চলতে পারে। ট্রাম্প বলেন, আলোচনা হতে পারে। তবে আপাতত যুক্তরাষ্ট্র সেটিকে অগ্রাধিকার দিয়ে দেখছে না।
সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল
![]() |
| ইরানের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ-রেজা ক্ষেপণাস্ত্রের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। ছবি : রয়টার্স |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে গোপনে ক্লড এআই ব্যবহার করেছিল হুতিরা
অ্যানথ্রপিকের এক প্রতিবেদনে উত্তর ইয়েমেনে অবস্থানরত একটি ‘হুমকি সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী’র কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে সরাসরি হুতিদের নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে উত্তর ইয়েমেন বর্তমানে ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে এআইয়ের অপব্যবহার শনাক্ত ও প্রতিরোধ নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অ্যানথ্রপিক জানায়, ওই গোষ্ঠী ‘ক্লড কোড’ ব্যবহার করে উড্ডয়নকারী যান নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীল রাখার সফটওয়্যার তৈরির কাজ করেছে। একই সঙ্গে তারা অ্যানথ্রপিকের কাছ থেকে নিজেদের কাজের প্রকৃত উদ্দেশ্য গোপন করার চেষ্টা করেছে।
অ্যানথ্রপিকের তথ্য অনুযায়ী, গোষ্ঠীটি তিনটি অস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছিল। এর মধ্যে ছিল ‘ফোন-শ্রেণির ফ্লাইট কম্পিউটার’ ও শেষ পর্যায়ের লক্ষ্যভেদী নির্দেশনা ব্যবস্থা সম্বলিত একটি গাইডেড রকেট। দ্বিতীয়টি ছিল দুই হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লার লক্ষ্য নির্ধারণ করা একটি বহু-ধাপের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। তৃতীয় কর্মসূচিটির নাম ছিল ‘আর-২০০০ সেট’, যাতে একটি হাইপারসনিক গ্লাইড ভেহিকলের সংস্করণও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্দেশনা, নেভিগেশন ও নিয়ন্ত্রণ-সংক্রান্ত সফটওয়্যার তৈরিতে মানব সফটওয়্যার প্রকৌশলীদের পরিবর্তে ‘ক্লড কোড’ ব্যবহার করেছিল তারা।
অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন ধাপে ক্লডকে ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে সফটওয়্যার লেখা, গবেষণা, উড্ডয়ন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সমন্বয়, সফটওয়্যার তৈরি এবং উড্ডয়ন সিমুলেশন পরিচালনার কাজও ছিল।
হুতিরা একই সময়ে ক্লডের একাধিক সেশন চালাত। আলাদা এআই ব্যবস্থাকে আলাদা দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। একটি দিয়ে কোড লেখা, অন্যটি দিয়ে গবেষণা এবং তৃতীয়টি দিয়ে প্রথমটির তৈরি কাজ পর্যালোচনা করা হতো।
অ্যানথ্রপিক জানায়, তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গোষ্ঠীটির অনেক অনুরোধ আটকে দিয়েছিল। তবে কিছু বিধিনিষেধ পাশ কাটানোর উপায় খুঁজে বের করতে সক্ষম হয়েছিল তারা।
নিজেদের উদ্দেশ্য ও সফটওয়্যারের সম্ভাব্য ব্যবহার গোপন করার চেষ্টা করেছিল গোষ্ঠীটি। একই সঙ্গে কাজগুলো একাধিক সেশনে ভাগ করে দেওয়া হয়েছিল, যাতে কোনো একটি কথোপকথন থেকে পুরো অস্ত্র কর্মসূচির চিত্র পাওয়া না যায়।
অ্যানথ্রপিকের দাবি, শেষ পর্যন্ত ইয়েমেনে একটি গাইডেড রকেটের সরাসরি পরীক্ষা চালিয়েছিল গোষ্ঠীটি। তবে পরীক্ষাটি ব্যর্থ হয়েছে বলেই মনে হয়েছে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কী ভুল হয়েছিল তা খুঁজে বের করতে তারা আবার ক্লডের সাহায্য নেয়।
অ্যানথ্রপিক বলেছে, গোষ্ঠীটি কোনো কার্যকর অস্ত্র সফলভাবে মোতায়েন করতে পেরেছিল এমন প্রমাণ তাদের হাতে নেই। তবে রকেট কর্মসূচির বাইরেও দীর্ঘ সময় ধরে অস্ত্র তৈরি ও সিমুলেশনের চেষ্টা চালানোর প্রমাণ পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
ক্লড ব্যবহার করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সিমুলেশন এবং অন্যান্য অস্ত্র নিয়েও কাজ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ মডেলিং ও উড্ডয়ন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও কার্যকর করার কাজ ছিল।
এ ছাড়া গোষ্ঠীটি এমন একটি অফলাইন সিমুলেশন টুলকিট তৈরি করেছিল, যা ক্লড কিংবা ম্যাটল্যাবের মতো প্রকৌশল সফটওয়্যারের ওপর নির্ভরশীল ছিল না। পরে সেটিকে একটি স্বতন্ত্র প্রোগ্রামে রূপান্তর করা হয়, যা ‘ক্লড ছাড়াই চলতে ও কাজ চালিয়ে যেতে’ সক্ষম ছিল।
অ্যানথ্রপিক বলেছে, এর ফলে তাদের এআই ব্যবস্থা ছাড়াই স্বাধীনভাবে প্রকৌশলগত কাজ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা তৈরি হয়েছিল গোষ্ঠীটির।
পরে ওই গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলো নিষিদ্ধ করে অ্যানথ্রপিক। পাশাপাশি তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারদের তথ্য জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
অ্যানথ্রপিকের মতে, ঘটনাটি দেখিয়েছে ব্যবহারকারীরা যখন ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেদের উদ্দেশ্য গোপন করে এবং জটিল প্রকল্পের কাজ একাধিক আলাদা যোগাযোগে ভাগ করে নেয়, তখন এআই-সহায়তায় অস্ত্র তৈরির প্রচেষ্টা ঠেকানো কতটা কঠিন।
এআই প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে অস্ত্র তৈরির প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হওয়ার আশঙ্কাও এই ঘটনায় সামনে এসেছে। বিশেষ করে ব্যবহারকারীরা যখন নিজেদের উদ্দেশ্য গোপন করে এবং এআই প্ল্যাটফর্মের বাইরে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে এমন সরঞ্জামে কাজ স্থানান্তর করে, তখন ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।
এমন সময় এই তথ্য সামনে এলো, যখন সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় হামলা জোরদার করেছে হুতিরা এবং এর জবাবে রিয়াদ বিমান হামলা চালাচ্ছে। ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠী ইয়েমেনের কৌশলগত উপকূলীয় শহর মোখার নিয়ন্ত্রণও নিয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের সঙ্গে তাদের সংঘাত অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র : টিআরটি ওয়ার্ল্ড
![]() |
| ইয়েমেনের সানায় হুতিদের একটি সামরিক কুচকাওয়াজে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন। ছবি: রয়টার্স |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেনাবাহিনী পুনর্গঠনে তুরস্কের সহায়তা, এরদোয়ানের প্রশংসায় সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট
সোমালিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মোহাম্মদ দেশটির সেনাবাহিনীর বিশেষায়িত ইউনিট গরগর বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন করেছেন। তুরস্কের প্রশিক্ষণে গড়ে ওঠা এই বাহিনীর সদস্যরা সম্প্রতি উন্নত সামরিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন।
পরিদর্শনকালে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সেনাসদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় ইউনিট কমান্ডার ও সামরিক কর্মকর্তারা বাহিনীর চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন।
তিনি ঘাঁটির প্রশাসনিক ইউনিট, সেনাসদস্যদের আবাসন, হাসপাতাল ও বিভিন্ন লজিস্টিক সুবিধাও পরিদর্শন করেন। সেনাদের সার্বিক অবস্থা, তাদের জন্য দেওয়া সুযোগ-সুবিধা এবং জাতীয় দায়িত্ব পালনে প্রস্তুতির প্রশংসা করেন তিনি।
সোমালিয়ার নিরাপত্তা রক্ষায় এবং জঙ্গিগোষ্ঠী আল-শাবাবের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গরগর বাহিনীর ভূমিকারও প্রশংসা করেন প্রেসিডেন্ট। তিনি বাহিনীর সদস্যদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে সবসময় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন।
সেনাসদস্যদের উদ্দেশে হাসান শেখ মোহাম্মদ বলেন, সন্ত্রাসমুক্ত সোমালিয়া গড়ার যে লক্ষ্য দেশটির জনগণ নির্ধারণ করেছে, তা অর্জনে তাদের ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যেতে হবে।
প্রেসিডেন্ট বলেন, সোমালিয়ার সেনাবাহিনীর বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তুরস্ক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। বিশেষ করে গরগর বাহিনী গঠন ও উন্নয়নে তুরস্কের সহযোগিতা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সোমালিয়া দীর্ঘদিন ধরে আল-শাবাবের বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছে। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সূত্র: মিডলইস্ট মনিটর

About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক হাজার টন বিস্ফোরক দিয়ে হিজবুল্লাহর ঘাঁটি ধ্বংসের দাবি ইসরাইলের
ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ধ্বংস করা সুড়ঙ্গ দুটির সম্মিলিত দৈর্ঘ্য দুই কিলোমিটারের বেশি। বিস্ফোরণের পর সৃষ্ট কম্পন এতটাই শক্তিশালী ছিল যে তা ভূমিকম্পের মতো অনুভূত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, বিস্ফোরণের ফলে ৪ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পের সমতুল্য ভূকম্পন সৃষ্টি হয়।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত আইডিএফের ভিডিও ও ছবিতে বিস্ফোরণের পর আকাশজুড়ে বিশাল আগুনের গোলা দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিস্ফোরণের পর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে।
নাবাতিয়েহ শহরের বাসিন্দা আহমেদ বলেন, বিস্ফোরণের প্রায় ১৫ সেকেন্ড পর বিকট শব্দ শোনা যায়। এরপর পুরো বাড়ি এমনভাবে কেঁপে ওঠে, যেন সত্যিই ভূমিকম্প হয়েছে। আতঙ্কে মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে আসে; শিশুদের কান্না ও মানুষের চিৎকার শোনা যায়। অনেক গাড়ি এলাকা ছেড়ে বৈরুতের দিকে চলে যায়।
আলি তাহের রিজ থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত উপকূলীয় শহর সাইদাতেও বিস্ফোরণের কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।
কী ছিল ভূগর্ভস্থ স্থাপনাটিতে
আইডিএফের দাবি, ভূগর্ভস্থ এই অবকাঠামোটি হিজবুল্লাহর বদর ইউনিটের একটি কমান্ড সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত হতো। সেখানে কয়েক ডজন রকেট, ক্ষেপণাস্ত্র ও মানববিহীন আকাশযান (ড্রোন) ছাড়াও ট্যাংকবিধ্বংসী অস্ত্র, মাইন ও বিস্ফোরক মজুত ছিল।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনী বলেছে, স্থাপনাটি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে নির্মাণ ও সম্প্রসারণ করা হয়েছিল। আইডিএফের দাবি, ইরানের অর্থায়ন ও পরিকল্পনায় এটি গড়ে তোলা হয়। আইডিএফ আরো জানিয়েছে, স্থাপনাটির ভেতরে থাকা হিজবুল্লাহর সদস্যদের কেউ নিহত হয়েছেন, আবার কেউ পালিয়ে গেছেন। ইসরাইলি বাহিনীর ভাষ্য, এই স্থাপনা ধ্বংসের মধ্য দিয়ে ওই এলাকায় হিজবুল্লাহর আটটি সুড়ঙ্গ ধ্বংস এবং একটি ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠার অভিযান সম্পন্ন হয়েছে। তবে ইসরাইলের এসব দাবির বিষয়ে হিজবুল্লাহ কিংবা লেবানন সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
দক্ষিণ লেবাননে ফের বেড়েছে উত্তেজনা
আলি তাহের রিজের নিয়ন্ত্রণ গত সপ্তাহে নেয় ইসরাইলি বাহিনী। কয়েক মাস ধরে সেখানে হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘর্ষের পর ওই এলাকায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে তারা।
মার্চে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘর্ষ নতুন করে শুরু হওয়ার পর থেকে দক্ষিণ লেবাননের বিস্তীর্ণ এলাকায় ইসরাইলি বাহিনী অবস্থান করছে। ইসরাইল এই এলাকাকে সীমান্তসংলগ্ন ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ হিসেবে উল্লেখ করছে।
লেবাননের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবারও দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে ইসরাইলি হামলা হয়েছে। এর মধ্যে নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা এবং টায়ার জেলার মানসুরির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা এলাকাগুলোতে লেবাননের সেনাবাহিনী তাদের মোতায়েন বাড়িয়েছে। স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল এমটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর নাবাতিয়েহেও সেনা উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। এর লক্ষ্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনা।
সংঘাতের পটভূমি
গত ২ মার্চ ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধে লেবাননও জড়িয়ে পড়ে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রতিশোধ হিসেবে হিজবুল্লাহ ইসরাইলে রকেট হামলা চালালে পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়।
এর জবাবে ইসরাইল লেবাননজুড়ে ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে এবং দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের একটি উল্লেখযোগ্য অংশে স্থল অভিযান চালায়। ইসরাইলি বাহিনী এখনো লেবাননের প্রায় ৫ শতাংশ ভূখণ্ড দখলে রেখেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জুনে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এবং একই সময়ে লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে একটি পৃথক সমঝোতার পর সংঘর্ষের তীব্রতা কিছুটা কমে আসে। ওই কাঠামোর আওতায় হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ, দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরাইলি বাহিনীর ধীরে ধীরে প্রত্যাহার এবং সেখানে লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা রয়েছে। তবে হিজবুল্লাহ সরাসরি ওই চুক্তির অংশ ছিল না এবং তারা ইসরাইলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনাও প্রত্যাখ্যান করেছে। যুদ্ধের তীব্রতা কমলেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলা ও স্থাপনা ধ্বংসের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, চলমান সংঘাতে দেশটিতে অন্তত ৪ হাজার ৩৬২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৩৯৫ জন নারী ও ২৫৯ শিশু রয়েছে। তবে মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যানে নিহতদের মধ্যে কতজন যোদ্ধা ও কতজন বেসামরিক নাগরিক, তা আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়নি। অন্যদিকে, ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, সংঘাতে দেশটির ৪০ সেনা ও চারজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
সূত্র: বিবিসি

About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হরমুজের বিকল্প বাব-এল-মান্দেবের নিয়ন্ত্রণে হুথিরা
সম্প্রতি দ্রুত সামরিক অভিযানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন উপকূলীয় শেষ শহরগুলো দখলে নেয় হুথিরা। পাশাপাশি প্রণালিটির গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপগুলোতেও নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে তারা। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে হুথিদের নিয়ন্ত্রণ আরো জোরালো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালি দিয়ে রপ্তানি ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি রপ্তানির জন্য বাবেল-মান্দেব প্রণালিটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প নৌপথ হিসেবে সামনে এসেছে।
তবে, হুথিরা উপকূলীয় ধুবাব শহর এবং প্রণালির মাঝে অবস্থিত কৌশলগত মায়উন (পেরিম) দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় বৈশ্বিক বাণিজ্য নতুন করে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
উদ্ভূত উদ্বেগের বিষয়ে হুথি রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রতিনিধি হাজেম আল-আসাদ বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে কোনো ঝুঁকি নেই। তার দাবি, এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে সৌদি আরব ইতোমধ্যে বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণাধীন মোখা বিমানবন্দরে বিমান হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে অস্থিরতা এড়াতে এবং ইয়েমেনের ওপর সৌদি অবরোধ প্রত্যাহারের দাবিতে কূটনৈতিক আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত। |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা: বাব আল-মান্দেব বন্ধে ইয়েমেনে কাজ করছে শত শত আইআরজিসি কর্মকর্তা
এই মোতায়েনের খবর এমন সময় সামনে এলো, যখন ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ নাটকীয়ভাবে বাড়িয়েছে হুতিরা।
বৃহস্পতিবার কয়েক দিনের লড়াইয়ের পর সৌদি সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর কাছ থেকে কৌশলগত বন্দরনগরী মোখা দখল করে হুতিরা। বাব আল-মান্দেব থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরের এই বন্দর দখলের পাশাপাশি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হানিশ দ্বীপপুঞ্জের দিকেও হুতি বাহিনী অগ্রসর হয়েছে বলে সামরিক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে রয়টার্স।
লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে বাব আল-মান্দেব প্রণালি। সুয়েজ খালে প্রবেশের জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ।
এই প্রণালির নিয়ন্ত্রণ বা কার্যকরভাবে এটি বন্ধ করে দেওয়া হলে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে আফ্রিকা ঘুরে অনেক দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হতে পারে।
মোখা দখলের মাধ্যমে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের কাছাকাছি সরাসরি উপস্থিতি প্রতিষ্ঠা করেছে হুতিরা। ইয়েমেনে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হান্স গ্রুন্ডবার্গ এই অগ্রগতিকে সংঘাতের নতুন ও আরও বিপজ্জনক পর্যায় বলে সতর্ক করেছেন।
পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও বেড়েছে, কারণ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালিও ইতোমধ্যে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। পারস্য উপসাগরের এই গুরুত্বপূর্ণ চোকপয়েন্ট দিয়ে জাহাজ চলাচল কমে গেছে। ট্যাংকারে হামলা এবং বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে হুমকির কারণে সেখানে পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।
ইয়েমেনে আইআরজিসির শত শত সদস্য থাকার মার্কিন মূল্যায়ন সঠিক হলে হুতিদের সামরিক অভিযানে তেহরানের সরাসরি সম্পৃক্ততা উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বেড়েছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
রয়টার্সও ইয়েমেনি সরকারি, ইরানি ও আঞ্চলিক সূত্রের বরাতে পৃথক এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের সরাসরি নির্দেশনায় হুতিদের উপকূলীয় অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
তবে ইরান বরাবরই হুতিদের নিয়ন্ত্রণ করার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। হুতিরাও বলছে, তাদের সামরিক সিদ্ধান্ত তারা নিজেরাই নেয়।
ইরান দীর্ঘদিন ধরে হুতিদের অস্ত্র, প্রযুক্তি ও সামরিক দক্ষতা দিয়ে সহযোগিতা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু শত শত আইআরজিসি সদস্যের বড় ধরনের মোতায়েনের খবর সত্য হলে আন্তর্জাতিক নৌপথকে হুমকির মুখে ফেলা অভিযানে ইরানের আরও সরাসরি ভূমিকার ইঙ্গিত মিলবে।
একই সময়ে হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব আরব উপদ্বীপের দুই পাশের এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক চোকপয়েন্ট চাপের মুখে পড়লে বৈশ্বিক জ্বালানি ও নৌপরিবহনে নজিরবিহীন সংকট তৈরি হতে পারে।
হরমুজ প্রণালি উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস রপ্তানির প্রধান পথ। অন্যদিকে ভারত মহাসাগর, লোহিত সাগর ও সুয়েজ খালের মধ্যে নৌ চলাচলের জন্য বাব আল-মান্দেব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দুই পথই অনিরাপদ হয়ে উঠলে জাহাজ কোম্পানিগুলোকে দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল বিকল্প পথে চলাচল করতে হতে পারে। একই সঙ্গে যুদ্ধঝুঁকির কারণে বিমার প্রিমিয়ামও বাড়তে পারে।
এরই মধ্যে বাজারে এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে। হুতিদের অগ্রগতি এবং সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিয়ে বাড়তে থাকা শঙ্কার মধ্যে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৭ ডলারের ওপরে উঠেছে।
পরিস্থিতির কৌশলগত তাৎপর্য ইয়েমেনের সীমানার বাইরেও বিস্তৃত। আরব উপদ্বীপের দুই প্রান্তের হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব দুটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথেই প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পেলে ইরান একই সঙ্গে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
সূত্র : গালফ নিউজ
![]() |
| ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সদস্যরা। ছবি: রয়টার্স |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাৎসিদের পর জার্মানিতে অতি ডানপন্থীদের প্রথম জয়, কেন by ক্যাস মুডে
কয়েক দশক ধরে অতি ডানপন্থীদের এমন ক্রমাগত উত্থান বিষয়টিকে এতটাই স্বাভাবিক বানিয়ে ফেলেছে যে বিশাল কোনো জয় ছাড়া এখন আর তা সংবাদের শিরোনামই হয় না। কিন্তু যে দলকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘উগ্র চরমপন্থী’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেই দলের ৪৪ শতাংশ ভোট পাওয়া কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয়। জার্মানির ক্ষুদ্র এক রাজ্যে হলেও এটি ইউরোপীয় গণতন্ত্রের জন্য এক অশনিসংকেতের দিন।
সাখসেন-আনহাল্টে (এবং সার্বিকভাবে জার্মানি) হয়তো সাময়িকভাবে পরিস্থিতি চরম অবনতির হাত থেকে বেঁচে গেছে; কারণ, এএফডি নাৎসি আমলের পর জার্মানির প্রথম উগ্র ডানপন্থী রাজ্য সরকার গঠনের লক্ষ্য সরাসরি পূরণ করতে পারছে না। কিন্তু পরবর্তী নির্বাচনেও যে তাদের ভাগ্যের এমন জোর থাকবে, তা ভাবার কোনো কারণ নেই।
দুই সপ্তাহ পর মেকলেনবুর্গ-ফোরপোমার্ন রাজ্যের নির্বাচন কিংবা আগামী বছর ফ্রান্সের নির্বাচনে পরিস্থিতি কী হবে, তা-ও নিশ্চিত নয়। কোনো দেশই এখন অতি ডানপন্থার চোখরাঙানি থেকে মুক্ত নয়।
আর তার চেয়েও আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, কোনো উগ্র ডানপন্থী দল বা রাজনৈতিক নেতাই এখন আর রাজনৈতিক সাফল্যের দৌড়ে পিছিয়ে নেই (আমেরিকা যার বড় প্রমাণ)। সুতরাং আমাদের বিশ্লেষণ ও কৌশলগুলো এখন নতুন করে সাজানোর সময় এসেছে।
সাখসেন-আনহাল্ট তথা পূর্ব জার্মানির এই চিত্র এক চরম বাস্তবতা হলেও এটি পুরো ইউরোপের সাধারণ প্রবণতাকেই প্রতিফলিত করে। পুরোনো মূলধারার প্রধান দলগুলো ধসে পড়ছে, রাজনীতি খণ্ডিত হয়ে পড়েছে এবং অতি ডানপন্থী দলগুলো দিন দিন শক্তিশালী হচ্ছে।
ফলস্বরূপ জোট সরকার গঠন করা ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে; বিশেষ করে যদি অতি ডানপন্থীদের ক্ষমতার বাইরে রাখতে হয়। অনেক দেশ, রাজ্য ও শহরেই চরম ডানপন্থীদের আটকাতে সব গণতান্ত্রিক দলকে বাধ্য হয়ে একসঙ্গে সরকার গড়তে হচ্ছে।
এর ফলে তৈরি হচ্ছে অকার্যকর ও অস্থির জোট সরকার, যা জনগণের রাজনৈতিক অসন্তোষকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং দিন শেষে উগ্র ডানপন্থীদের সমর্থন বাড়াতে সাহায্য করছে।
গত রোববারের এই ফলাফল জার্মানির ‘ব্র্যান্ডমাউয়ার’ নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও উসকে দেবে। এই নীতি অনুযায়ী, মূলধারার দলগুলো এএফডির সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক সমঝোতা বা জোটে যায় না। বলতে গেলে পুরো ইউরোপের মধ্যে জার্মানিই এখন অন্যতম ব্যতিক্রম, যারা অতি ডানপন্থীদের বিরুদ্ধে এমন রাজনৈতিক বর্জন বজায় রেখেছে।
অন্যদিকে ইতালি থেকে সুইডেন—ইউরোপের প্রায় সর্বত্রই অতি ডানপন্থী দলগুলোকে স্বাভাবিকীকরণ করা হয়েছে এবং মূলধারার রাজনীতিতে অন্তর্ভুক্ত করে নেওয়া হয়েছে।
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে, ডানপন্থী দলগুলো এই উগ্রপন্থীদের সঙ্গে জোট বাঁধার সময় দাবি করে যে এরা নাকি এখন অনেক ‘নরম’ বা ‘রক্ষণশীল’ হয়েছে। যদিও এ দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, তবু সাধারণ ভোটার, দলীয় কর্মী ও গণমাধ্যমের একাংশের কাছে এটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
তবে জার্মানির ক্ষেত্রে এই অজুহাত দাঁড় করানো প্রায় অসম্ভব। ইউরোপের সবচেয়ে চরমপন্থী দলগুলোর অন্যতম এএফডি, আর সাখসেন-আনহাল্টসহ যেসব অঞ্চলে এরা বেশি সফল, সেগুলো এএফডির সবচেয়ে উগ্র শাখা হিসেবে পরিচিত। অবশ্য এতেও কিছু ডানপন্থী রাজনীতিক থেমে থাকছেন না; তাঁরা দাবি করছেন যে বামপন্থীদের চেয়ে এএফডি কম ক্ষতিকর।
এমনকি আশঙ্কা করা হচ্ছে, সাখসেন-আনহাল্টে এএফডিকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিতে কনজারভেটিভ সিডিইউ পার্টির কয়েকজন আইনপ্রণেতা দল পরিবর্তনও করতে পারেন। রাজনীতির অন্য মেরুতে এএফডিকে নিষিদ্ধ করার দাবি আরও জোরালো হচ্ছে। আইনিভাবে এটি সম্ভব হলেও সাখসেন-আনহাল্টের বাইরেও এটি এক বিশাল গণ–অসন্তোষের জন্ম দিতে পারে।
দুই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গিই মূল সমস্যাটিকে খুব সংকীর্ণভাবে দেখে। ব্র্যান্ডমাউয়ার বজায় রাখার পেছনের মূল ধারণাটি হলো—একমাত্র বা মূল সমস্যাটি ব্যবস্থার বাইরে অবস্থান করছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, মূল রাজনৈতিক ব্যবস্থাটি নিজেই ভেঙে পড়ছে।
এটা সত্য যে এএফডি (এবং সামগ্রিকভাবে অতি ডানপন্থা) উদার গণতন্ত্রের জন্য এক অস্তিত্ব সংকট, কিন্তু সেই সঙ্গে এটাও সত্যি যে দেশের এক বিশাল ও ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠী মনে করে, মূলধারার নেতারা আর তাদের প্রতিনিধিত্ব করছেন না। বহু মানুষ এখনো গণতন্ত্র রক্ষা করতে ভোট দিচ্ছেন ঠিকই, তবে তা কোনো দলের পক্ষে নয়, বরং নির্দিষ্ট একটি দলকে আটকানোর জন্য।
পরিস্থিতি আরও শোচনীয়; কারণ, মূলধারার অধিকাংশ রাজনীতিক মেনে নিয়েছেন যে তাঁরা জনগণের কাছে অজনপ্রিয়। তাই তাঁরা নিজেদের ‘কম ক্ষতিকর’ হিসেবে উপস্থাপন করেন এবং অতি ডানপন্থীদের বিরুদ্ধে মানুষকে ভোট দিতে উৎসাহিত করে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা করছেন। শেষ পর্যন্ত এই কৌশল টেকসই হতে পারে না।
গণতান্ত্রিক দলগুলো যদি সরকার পরিচালনায় অনুপ্রেরণাদায়ক কোনো ইশতেহার তৈরি করতে না পারে, তবে উদারপন্থীরা একসময় ভোটকেন্দ্রমুখী হওয়া বন্ধ করে দেবে। আর তখন অতি ডানপন্থীরা পুরো জনসংখ্যার সংখ্যালঘু অংশ হয়েও ভোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে যাবে।
এমন ইশতেহার তৈরির জন্য রাজনীতিক, গণমাধ্যম ও ভোটার—সব পক্ষকেই বাস্তবমুখী হতে হবে। যে রাজনৈতিক ব্যবস্থায় বড় বড় অতি ডানপন্থী দলের উপস্থিতি রয়েছে, সেখানে কোনো একক দলের পক্ষে তাদের পছন্দসই নীতি শতভাগ বাস্তবায়ন করা অসম্ভব।
সোশাল ডেমোক্র্যাট, ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাট কিংবা গ্রিন পার্টি—কারোরই নিজস্ব একক এজেন্ডা বাস্তবায়নের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই।
তবে এই মুহূর্তে সেটি মূল চিন্তার বিষয় হওয়াও উচিত নয়। অতি ডানপন্থীরা যখন একা বা জোটের প্রধান শক্তি হিসেবে সরকার গঠনের কাছাকাছি পৌঁছে যায়, তখন মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতিগতভাবে উদার গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা। এটি এমন একটি জায়গা, যেখানে সব গণতান্ত্রিক দল একমত হতে পারে।
এর মানে শুধু বিচার বিভাগকে শক্তিশালী করা, সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করা কিংবা সমাজে অন্তর্ভুক্তি ও সহনশীলতা বৃদ্ধি করা নয়। এর অর্থ হলো উগ্র ডানপন্থীদের ভোট না দেওয়া অধিকাংশ ভোটারের নানা উদ্বেগ ও চাহিদার কথা শোনা।
অর্থাৎ মূলধারার রাজনীতিকদের কেবল অপরাধ ও অভিবাসন নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না; আবাসন সংকট নিরসন, সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক বৈষম্য কমানো, জলবায়ু সংকট মোকাবিলা এবং ইউরোপীয় সংহতি জোরদার করার মতো বিষয়গুলোতেও নজর দিতে হবে; পাশাপাশি এই মুহূর্তে বা অদূর ভবিষ্যতে নিজের সব দাবি পূরণ হবে না—এ বাস্তবতাকে মেনে নিতে হবে।
অবশ্য অনেক দেশেই সাখসেন-আনহাল্টের মতো অতি ডানপন্থীরা সরকার গঠনের এত কাছাকাছি পৌঁছায়নি। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না যে ২০২১ সালের নির্বাচনে এই রাজ্যে এএফডির ভোট ছিল ‘মাত্র’ ২০ শতাংশ, যেখানে এখন পুরো ইউরোপে অতি ডানপন্থীদের গড় সমর্থন প্রায় ২৫ শতাংশ।
সহজ কথায়, হাতে আর বেশি সময় নেই। হাঙ্গেরি বা যুক্তরাষ্ট্রের দিকে তাকালে বোঝা যায়, অতি ডানপন্থীরা একবার ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলে গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইটা কত কঠিন ও অসম হয়ে পড়ে।
অতএব গণতান্ত্রিক রাজনীতিকদের উপলব্ধি করতে হবে যে আজকের মূল লড়াইটি ক্ষমতা বা দলীয় স্বার্থের জন্য নয়, বরং গণতন্ত্র রক্ষার জন্য। এর জন্য একদিকে যেমন অতি ডানপন্থার বিরুদ্ধে লড়তে হবে, অন্যদিকে তেমনি গণতন্ত্রকে ভেতরে থেকে শক্ত করতে হবে।
অতি ডানপন্থীদের নিষিদ্ধ করে কিংবা তাদের স্বাভাবিকীকরণ করে—কোনোভাবেই এই লক্ষ্য অর্জিত হবে না। ভয় দেখিয়ে বা বিচ্ছিন্ন রেখে গণতন্ত্রকে রক্ষা করা যায় না।
এর জন্য প্রয়োজন গণতান্ত্রিক নেতা, সাধারণ নাগরিক এবং সাংবাদিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা; যেখানে সবাইকে প্রদর্শন করতে হবে বাস্তবতা, সংযম ও দৃঢ়তা। আর সেই লড়াইয়ের সঠিক সময় এখনই।
* ক্যাস মুডে, জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। দ্য গার্ডিয়ান থেকে সংক্ষেপে অনূদিত।
![]() |
| জার্মানির স্যাক্সনি-আনহাল্ট রাজ্য নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর এএফডি দলের উলরিখ জিকমুন্ড। রয়টার্স |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দাফন নাকি দাহ, ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে মা–বাবার টানাটানিতে হিমঘরে লাশ
হিন্দুধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করা শুভকে ইসলামি রীতিতে দাফন করতে চান মা, স্ত্রী ও ভাই। কিন্তু বাবা চান হিন্দু ধর্মীয় রীতিতে শেষকৃত্য করতে। শুভর মৃত্যুর পরপরই মা ও স্ত্রী দাফন করতে চাইলে বাধা দেন বাবা। দাফন কিংবা দাহকাজ নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে স্ত্রীর পক্ষ থেকে উচ্চ আদালতে রিট করা হয়। পরে গতকাল বৃহস্পতিবার ইসলামি রীতিতে দাফনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী প্রথম আলোকে বলেন, দাফন নিয়ে মা ও বাবার মধ্যে মতভেদ তৈরি হয়। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের হিমঘরে রাখা হয়েছে। মা ও ভাই উচ্চ আদালতে আবেদন করলে ইসলামি রীতিতে লাশ দাফনের আদেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া হকার্স মার্কেটের পেছনের সড়কে শুভকে গুলি করে হত্যা করা হয়। শুভর মা পার্বতী রানী দাস ও বাবা হরি চন্দ্র দাসের সংসারে দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। ২০০৩ সালে তিন সন্তানকে (দুই ছেলে ও এক মেয়ে) নিয়ে পার্বতী রানী হিন্দুধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর তাঁর নাম হয় আয়েশা বেগম। দুই ছেলের নামও পরিবর্তন করা হয়। শুভর নতুন নাম রাখা হয় মো. বিল্লাল এবং তাঁর ছোট ভাই সুজনের নাম হয় ইব্রাহিম। তবে জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) শুভ চন্দ্র দাস নাম পরিবর্তন করা হয়নি।
শুভর ভাই ইব্রাহিম প্রথম আলোকে বলেন, ধর্মান্তরের পর থেকেই তাঁরা মুসলিম পরিচয়ে জীবনযাপন করে আসছেন। ছোটবেলায় শুভ মাদ্রাসায় পড়েছেন। এখন বাবা হিন্দুধর্মের অনুসারী দাবি করে মরদেহ দাফনে বাধা দিচ্ছেন।
শুভ মুসলিম পরিচয়েই বড় হয়েছেন বলে দাবি পরিবারের। প্রায় আট বছর আগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি মুসলিম তরুণী জ্যোতি আক্তারকে বিয়ে করেন। কাবিননামার মাধ্যমে তাঁদের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে সুমাইয়া আক্তার নামে দুই বছর বয়সী একটি মেয়ে আছে। তাঁরা নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার ভূঁইগড় এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।
শুভর স্ত্রী জ্যোতি আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর স্বামী জীবিত থাকতে বলে গেছেন, মারা গেলে মুসলিম রীতি অনুযায়ী দাফন করতে। কিন্তু তাঁর শ্বশুর পুলিশ পাঠিয়ে মাসদাইর কবরস্থান থেকে মরদেহ নিয়ে গেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী মরে গিয়েও শান্তি পাইতাছে না। ওনারা তাকে কষ্ট দিতাছে। আমরা চাই, ইসলাম ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তাঁর মরদেহ দাফন করা হোক।’
তবে শুভর বাবা হরি চন্দ্র দাসের অবস্থান ভিন্ন। তাঁর দাবি, শুভ হিন্দু পরিবারে জন্মেছেন। তাই হিন্দু ধর্মীয় রীতিতেই তিনি ছেলের শেষকৃত্য করতে চান।
পরিবারের তথ্যমতে, শুভর জাতীয় পরিচয়পত্রে তাঁর নাম পরিবর্তন করা হয়নি। তাঁর বাবা নিজে জাতীয় পরিচয়পত্রে সৎমায়ের নাম ব্যবহার করেছেন বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়। মরদেহ নিয়ে বিরোধ শুরু হওয়ার পর প্রথমে শুভর মরদেহ নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় অ্যাম্বুলেন্সের ফ্রিজে রাখা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিমঘরে পাঠানো হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক (এসআই) মফিজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, শুভর মায়ের আবেদনের পর মরদেহ দাফনের জন্য কবরস্থানে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শুভর বাবা আইনজীবীর মাধ্যমে হিন্দু ধর্মীয় রীতিতে শেষকৃত্যের জন্য মরদেহ চেয়ে আবেদন করেন। হস্তান্তরের আগপর্যন্ত মরদেহ ঢাকা মেডিকেলের হিমঘরে রাখার আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। তিনি বলেন, শুভর মা ও ভাই উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি ইকবাল কবির ও বিচারপতি সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ শুভকে ইসলাম ধর্মীয় রীতিতে দাফন করার আদেশ দেন।
রিটকারী আইনজীবী মো. জুয়েল আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে আদেশ হওয়ায় আদেশের কপি সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো সম্ভব হয়নি। রোববার কার্যদিবসের শুরুতেই আদেশের কপি পৌঁছানোর আশা করছেন।
শুভর স্ত্রী জ্যোতি আক্তার বলেন, উচ্চ আদালতের আদেশ অনুযায়ী তাঁরা শুভকে ইসলামি রীতিতে দাফন করবেন। রোববার আদেশের কপি পাওয়ার পর শহরের মাসদাইরে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।
এদিকে শুভর হত্যাকাণ্ডের তদন্তও চলছে। ৫ সেপ্টেম্বর শুভর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধারের সময় ঘটনাস্থল থেকে ৫টি গুলির খোসা ও ১০০টি ইয়াবা উদ্ধার করেছিল পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য, ইয়াবার বিনিময়ে শুভর এক সহযোগীর মাধ্যমে তাঁকে ঘটনাস্থলে ডেকে আনা হয়েছিল। সেখানে ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল তাঁকে গুলি করে ও ধারালো অস্ত্র কোপায়। পরে রিমান্ডে থাকা এক আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিন জব্দ করা হয়।
![]() |
| নিহত শুভ চন্দ্র দাস ওরফে মো. বিল্লাল। ছবি: সংগৃহীত |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হুতিদের অগ্রযাত্রা: বাব–আল মানদেব নিয়ন্ত্রণে নিলে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বড় সুবিধা পাবে ইরান
হুতিদের অগ্রযাত্রা: বাব–আল মানদেব নিয়ন্ত্রণে নিলে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বড় সুবিধা পাবে ইরান
যুক্তরাষ্ট্রে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরান যুদ্ধ শেষ হবে—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরই হুতিদের এ অগ্রযাত্রার খবর এল।
ইয়েমেন সরকারের সামরিক সূত্রগুলো বলেছে, হুতিরা বাব আল-মানদেব প্রণালির ওপর আরও বেশি প্রভাব বিস্তার করেছে। লোহিত সাগরের দক্ষিণে অবস্থিত এই প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। প্রণালিটির কাছে হানিস দ্বীপপুঞ্জ পর্যন্ত পৌঁছে গেছে হুতিরা।
হুতিরা বাব–আল মানদেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিতে পারলে তাদের পৃষ্ঠপোষক ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বড় ধরনের কৌশলগত সুবিধা পাবে। তেহরান ইতিমধ্যে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ করে যুদ্ধে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করে চলেছে।
হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বাব–আল মানদেব প্রণালি একই পরিস্থিতির মুখে পড়লে যুক্তরাষ্ট্রসহ এ বৈশ্বিক জ্বালানির বাজার বড় সংকটে পড়বে।
হুতিদের অগ্রসর হওয়ার এ ঘটনা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য খারাপ খবর। ইরান যুদ্ধের কারণে নিজ দেশে ইতিমধ্যেই চাপের মুখে আছেন তিনি। এর প্রভাব পড়তে পারে আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় দেশটির মধ্যবর্তী নির্বাচনে।
নির্বাচনে নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির অবস্থান ধরে রাখতে যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার উপায় খুঁজছেন ট্রাম্প। এমন সময় বাব–আল মানদেবে হুতিদের প্রভাব পাকাপোক্ত হলে তাঁকে আরও কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হতে পারে।
হুতি–নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের মানবিক কার্যক্রম সমন্বয় কেন্দ্র এক বিবৃতিতে বলেছে, সৌদি আরবের জাহাজ ছাড়া সব নৌপরিবহন প্রতিষ্ঠানের জন্য লোহিত সাগরে চলাচল নিরাপদ রয়েছে।
বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো। জলপথটি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সৌদি আরব জ্বালানি তেল রপ্তানিতে লোহিত সাগরের জলপথগুলোর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।
ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ও তাদের মিত্ররা (সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট) লোহিত সাগরের উপকূল ধরে দক্ষিণে বাব আল-মানদেব প্রণালির কাছে ধুবাব শহরের দিকে সরে যাচ্ছে। ধুবাবের অপর পাশে রয়েছে পেরিম দ্বীপ। সামরিক সূত্রগুলো বলেছে, এ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিতে ধুবাব ও পেরিম দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ।
গতকাল ইয়েমেন পরিস্থিতি নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে ইয়েমেন–বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত হ্যান্স গ্রুন্ডবার্গ বলেন, ইয়েমেনের যুদ্ধে ‘নতুন এবং আরও বিপজ্জনক পরিস্থিতি’ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পদক্ষেপ নিতে হবে।
গ্রুন্ডবার্গ বলেন, হুতিরা ইয়েমেনের বন্দরনগরী মোখা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার অর্থ হলো, তারা বাব–আল মানদেব প্রণালির প্রবেশপথে পৌঁছে গেছে। এতে সেখানে অবাধে নৌ চলাচল নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি জেনিফার নাইডহার্ট ডি অর্টিজ হুতিদের ‘ইরানের এজেন্ট ও হাতিয়ার’ হিসেবে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, ‘এ উত্তেজনা অগ্রহণযোগ্য। যাদের কারণে এটি সম্ভব হয়েছে, তাদের এর পরিণতির দায় নিতে হবে।’
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, হুতিদের বিরুদ্ধে অবরোধ বা সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে ইয়েমেন সংঘাতের সমাধান সম্ভব নয়। তারা সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে। তবে বিবৃতিতে ইয়েমেনে ইরানের ভূমিকার বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
ইয়েমেন সরকার, ইরান ও আঞ্চলিক কয়েকটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সরাসরি নির্দেশনায় চলতি সপ্তাহে হুতিরা উপকূল ধরে অগ্রসর হয়েছে।
হুতিদের মুখপাত্র মোহাম্মদ আবদুস সালাম বিস্তারিত কিছু না জানিয়ে বলেছেন, তাঁদের অভিযান আত্মরক্ষামূলক। ইয়েমেনে (সৌদি আরবের) হামলা বন্ধ হলে এসব অভিযানও বন্ধ হবে।
তেলের দাম বেড়েছে
বাব–আল মানদেব প্রণালি দিয়ে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় গতকাল অশোধিত জ্বালানির আন্তর্জাতিক বাজার আদর্শ ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫ ডলারের ওপরে উঠেছে।
জ্বালানির মূল্য পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান গ্যাসবাডির তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের গড় দাম প্রথমবারের মতো গ্যালনপ্রতি ৬ ডলার ছাড়িয়েছে।
চলতি বছরের মার্চে ইসরায়েলে হামলার মধ্য দিয়ে ইরান যুদ্ধে জড়ায় হুতিরা। এরপর জুলাইয়ে তারা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করে। চলতি মাসে গোষ্ঠীটি সৌদির বিরুদ্ধে হামলা আরও বাড়িয়েছে।
হুতিদের হামলার মধ্যে সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর খামিস মুশাইতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চতুর্থবারের মতো জরুরি সতর্কতা জারি করেছে।
হুতিদের নিয়ন্ত্রণে আনার মাধ্যমে সংকট নিরসনে ইরানের প্রতি সৌদি আরবের সতর্কবার্তা পৌঁছে দিয়েছে পাকিস্তান। সৌদি, পাকিস্তানি ও ইরানি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
![]() |
| হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালে একটি সাঁজোয়া যানে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর সদস্যরা। ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ছবি: রয়টার্স |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘চিকনি চামেলি’ থেকে ‘কালা চশমা’ নাচে বাজিমাত ক্যাটরিনার
কিন্তু বাস্তব গল্পটা একেবারেই আলাদা। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে নাচ নিয়ে কম অপমান সহ্য করতে হয়নি ক্যাটরিনাকে। এমনকি এক কোরিওগ্রাফার তাঁকে বলেছিলেন, ‘তুমি নাচে শূন্য। তোমার ছেড়ে দেওয়া উচিত।’ সে কথাই একসময় ক্যাটরিনাকে বিশ্বাস করিয়ে দিয়েছিল, হয়তো তিনি সত্যিই নাচতে পারেন না। অথচ কয়েক বছর পর সেই ক্যাটরিনাই এমন সব গানে নাচলেন, যেগুলো বলিউডের জনপ্রিয় নাচের গানের তালিকায় স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।
সম্প্রতি কোরিওগ্রাফার বসকো মার্টিস ও সিজার গোমেজের পডকাস্টে ক্যাটরিনার নাচ নিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছে সেই পুরোনো দিনের গল্প। সেখানে ছিলেন কোরিওগ্রাফার ও পরিচালক ফারাহ খান। তাঁরাই মনে করিয়ে দিয়েছেন, ‘শিলা কি জওয়ানি’ কীভাবে ক্যাটরিনার ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন এনেছিল।
‘শিলা কি জওয়ানি’ বদলে দিয়েছিল সব
‘তিস মার খান’ সিনেমার ‘শিলা কি জওয়ানি’ শুধু একটি জনপ্রিয় আইটেম গান ছিল না, ক্যাটরিনার জন্য এটি ছিল ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ বাঁক। গানটি মুক্তির পর দর্শকের চোখে ক্যাটরিনার পরিচয়ই যেন বদলে যায়।
পডকাস্টে বসকো বলেন, ‘শিলা কি জওয়ানি’ ক্যাটরিনার জন্য ‘গেম চেঞ্জার’ ছিল। ফারাহও তাঁর সঙ্গে একমত হন।
তবে ফারাহর মনে পড়ে, সেই সময় ক্যাটরিনাকে নৃত্যশিল্পী হিসেবে কেউ খুব একটা চিনতেন না। ক্যাটরিনা এর আগে ‘টাচ মি’সহ বেশ কিছু গানে নেচেছেন। কিন্তু সেগুলো তাঁকে নাচের তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেনি।
ফারাহ বলেন, ‘তখন আমরা জানতামই না যে ক্যাটরিনা নাচতে পারে। সে “টাচ মি” করেছিল, কিন্তু নৃত্যশিল্পী হিসেবে পরিচিত ছিল না। ক্যাটরিনার সঙ্গে আমার প্রথম কোরিওগ্রাফ করা গান ছিল “জাস্ট চিল”—“ম্যায়নে পেয়ার কিউঁ কিয়া” সিনেমার।’
এরপর আসে ‘শিলা কি জওয়ানি’। ফারাহ জানান, গানটির শুটিংয়েও ছিল না বিশাল আয়োজন। মাত্র ১০ জন ছেলে ও ক্যাটরিনাকে নিয়ে গানটির শুটিং করেছিলেন তিনি। কিন্তু পর্দায় সেই গান যে এত বড় আলোড়ন তুলবে, তা হয়তো তখন কেউ ভাবেননি।
গানটি মুক্তির পর ক্যাটরিনার নাচ নিয়ে দর্শকের ধারণা বদলে যায়। তাঁর নাচের সঙ্গে যুক্ত হয় একধরনের আত্মবিশ্বাস, সাবলীলতা ও তারকাসুলভ উপস্থিতি।
‘তুমি নাচে শূন্য’
ক্যাটরিনার এই পরিবর্তনের পেছনে অবশ্য শুধু একটি গান নয়, ছিল দীর্ঘ পরিশ্রম। পডকাস্টে বসকো জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ক্যাটরিনাকে নাচের জন্য অপমান করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ক্যাটরিনা অনেক পরিশ্রম করতেন, কিন্তু এক কোরিওগ্রাফার তাঁকে বলেছিলেন, ‘তুমি নাচে শূন্য। তোমার ছেড়ে দেওয়া উচিত।’
কথাটি শুনে ফারাহ খান বিস্মিত হন। তিনি মজা করে বলেন, ‘আহা, বেচারি! শূন্য তো ছিল না। হয়তো চার–পাঁচ ছিল। কিন্তু “শিলা কি জওয়ানি”র পর সে ৯ বা ১০ হয়ে গেল।’
এই কথার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ক্যাটরিনার পরিবর্তনের গল্প। একজন মানুষকে তাঁর দুর্বলতার কথা বলা খুব সহজ। কিন্তু সেই দুর্বলতাকে শক্তিতে পরিণত করা কঠিন। ক্যাটরিনা সেটিই করেছিলেন।
অপমানের পর ক্যাটরিনা নাচ ছেড়ে দেননি; বরং আরও বেশি অনুশীলন করেছেন। নিজের সীমাবদ্ধতা বুঝে সেগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছেন। একসময় যে জায়গায় তাঁকে ‘শূন্য’ বলা হয়েছিল, সেখান থেকেই তিনি নিজেকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যান, যেখানে তাঁর নাচই হয়ে ওঠে জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ।
বসকোর কথায় বদলে যায় আত্মবিশ্বাস
ক্যাটরিনা নিজেও এর আগে এক সাক্ষাৎকারে নাচ নিয়ে তাঁর শুরুর দিকের অভিজ্ঞতার কথা বলেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, একজন কোরিওগ্রাফারের মন্তব্য তাঁকে এতটাই প্রভাবিত করেছিল যে তিনি বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন, তিনি কখনোই ভালো নৃত্যশিল্পী হতে পারবেন না।
ক্যাটরিনার মনে হয়েছিল, তিনি নাচতেই পারেন না। এই জায়গায় বসকোর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। ক্যাটরিনার ভাষ্য অনুযায়ী, বসকো তাঁকে বুঝিয়েছিলেন যে তিনি আসলে ভালো নাচেন। শুধু নিজের ওপর আরেকটু কাজ করতে হবে। এই ছোট্ট উৎসাহই হয়তো তাঁর আত্মবিশ্বাসে বড় পরিবর্তন আনে।
পরে বসকো–সিজার জুটির কোরিওগ্রাফিতেই ‘রেস’ সিনেমার ‘টাচ মি’ গানে নাচেন ক্যাটরিনা। সেই সময়ও তাঁর নাচ নিয়ে কাজ করার সুযোগ ছিল। ধীরে ধীরে তিনি বুঝতে শুরু করেন, নাচ তাঁর নাগালের বাইরে নয়।
‘চিকনি চামেলি’ থেকে ‘কালা চশমা’
‘শিলা কি জওয়ানি’র পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ক্যাটরিনাকে। ‘অগ্নিপথ’–এর ‘চিকনি চামেলি’ তাঁর নাচের জনপ্রিয়তাকে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে দেয়। এই গানে ক্যাটরিনার নাচ ছিল আরও আক্রমণাত্মক, শক্তিশালী ও ছন্দময়। গানটি মুক্তির পর তাঁর নাচ আবারও আলোচনার কেন্দ্রে আসে।
এরপর ‘ধুম ৩’–এর ‘কামলি’। এখানে আগের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের নাচের চ্যালেঞ্জ ছিল। গানের কোরিওগ্রাফি, শরীরের নমনীয়তা ও দ্রুতগতির মুভমেন্ট—সব মিলিয়ে গানটি ক্যাটরিনার নাচের আরেকটি দিক দেখায়।
‘কালা চশমা’তে এসে ক্যাটরিনার নাচ আবার বদলে যায়। এবার ছিল পার্টি ধাঁচের নাচ, সহজ ভঙ্গি ও তারুণ্যের ছন্দ। গানটি শুধু সিনেমার দর্শক নয়, সামাজিক অনুষ্ঠান ও পার্টিরও অন্যতম জনপ্রিয় গান হয়ে ওঠে।
এর সঙ্গে যোগ হয় ‘স্ব্যাগ সে স্বাগত’, ‘আফগান জালেবি’, ‘নাচদে নে সারে’র মতো গান। একসময় যাঁকে নাচের জন্য শুনতে হয়েছিল ‘তুমি শূন্য’, তিনিই তখন বলিউডের অন্যতম নির্ভরযোগ্য নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী।
দুই বছর বড় পর্দার বাইরে
এই মুহূর্তে অবশ্য ক্যাটরিনা তাঁর নাচের ক্যারিয়ারের সেই ব্যস্ত সময় থেকে কিছুটা দূরে। গত দুই বছর তাঁকে বড় পর্দায় দেখা যায়নি। ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর তিনি প্রথম সন্তানের মা হন। বর্তমানে মাতৃত্বের সময় উপভোগ করছেন অভিনেত্রী।
ক্যাটরিনার সর্বশেষ মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘মেরি ক্রিসমাস’। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া শ্রীরাম রাঘবন পরিচালিত এ সিনেমায় বিজয় সেতুপতির সঙ্গে অভিনয় করেন তিনি। প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি প্রত্যাশিত সাফল্য না পেলেও পরে ওটিটিতে দর্শকের আগ্রহ তৈরি করে।
হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে
![]() |
| ক্যাটরিনা কাইফ। আইএমডিবি |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্ব রাজনীতি পাল্টে দেওয়া নাইন ইলেভেন হামলার ২৫ বছর আজ
শুধু মার্কিনিরাই নয়, পুরো বিশ্ব চমকে গিয়েছিল এ ঘটনায়। দিনটি ছিল ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার। এর পর বিশ্বরাজনীতির গতিপথ বদলে যায়।
লক্ষ্যবস্তু কী ছিল
ছিনতাইকারীরা ছোট ছোট দলে পূর্ব আমেরিকার আকাশপথ দিয়ে ওড়া চারটি বিমান একইসাথে ছিনতাই করে।
তারপর বিমানগুলো তারা ব্যবহার করে নিউইয়র্ক আর ওয়াশিংটনের গুরুত্বপূর্ণ ভবনে আঘাত হানার জন্য বিশাল ও নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র হিসাবে।
দুটি বিমান বিধ্বস্ত করা হয় নিউইয়র্কে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ার ভবনে।
প্রথম বিমানটি আঘাত হানে নর্থ টাওয়ারে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় সকাল ৮টা ৪৬ মিনিটে। দ্বিতীয় বিমানটি সাউথ টাওয়ারে আঘাত হানে এর অল্পক্ষণ পর, সকাল ৯টা ৩ মিনিটে।
দুটি ভবনেই আগুন ধরে যায়। ভবন দুটির উপরতলায় মানুষজন আটকা পড়ে যায়। শহরের আকাশে ছড়িয়ে পড়ে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। দুটি টাওয়ার ভবনই ছিল ১১০ তলা। মাত্র দুই ঘন্টার মধ্যে দুটি ভবনই বিশাল ধুলার ঝড় তুলে মাটিতে ভেঙে গুঁড়িয়ে পড়ে।
তৃতীয় বিমানটি পেন্টাগনের সদর দপ্তরের পশ্চিম অংশে আঘাত হানে স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৩৭ মিনিটে। রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির উপকণ্ঠে ছিল মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের বিশাল এই সদর দপ্তর পেন্টাগন ভবন।
এরপর, সকাল ১০টা ৩ মিনিটে চতুর্থ বিমানটি আছড়ে পড়ে পেনসিলভেনিয়ার এক মাঠে। ছিনতাই হওয়া চতুর্থ বিমানের যাত্রীরা ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর পর সেটি পেনসিলভেনিয়ায় বিধ্বস্ত হয়।
কত মানুষ মারা গিয়েছিল
এসব হামলায় সব মিলিয়ে মারা গিয়েছিল দুই ৯৭৭ জন। এই হিসাবের মধ্যে ১৯ জন ছিনতাইকারী অন্তর্ভুক্ত নেই। নিহতদের বেশিরভাগই ছিল নিউইয়র্কের। হতাহতের মধ্যে ৭৭টি ভিন্ন ভিন্ন দেশের মানুষ ছিলেন।
নিউইয়র্ক শহরে যারা প্রথম ঘটনাস্থলে জরুরি অবস্থা মোকাবেলায় দৌড়ে যান, তাদের মধ্যে মারা যান ৪৪১ জন।
হাজার হাজার মানুষ আহত হন, যারা পরে নানাধরনের অসুস্থতার শিকার হন। যেমন দমকলকর্মীদের অনেকে বিষাক্ত বর্জ্যের মধ্যে কাজ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
কারা ছিল হামলাকারী
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, আল-কায়দা আফগানিস্তান থেকে এই হামলার পরিকল্পনা করেছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ছিনতাইকারী ছিল মোট ১৯ জন। এদের মধ্যে তিনটি দলে ছিল পাঁচজন করে, যারা বিমান হামলা চালায় টুইন টাওয়ার ও পেন্টাগনে। আর যে বিমানটি পেনসিলভেনিয়ায় ভেঙে পড়ে, তাতে ছিনতাইকারী দলে ছিল চারজন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া কী ছিল
ওই হামলার এক মাসেরও কম সময় পর তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ বুশ বিশ্বব্যাপী ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ ঘোষণা করেন।
আফগানিস্তান আক্রমণ করেন আল-কায়দাকে নিশ্চিহ্ন করতে এবং ওসামা বিন লাদেনকে খুঁজে বের করতে। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন এই অভিযানে যোগ দেয় আন্তর্জাতিক মিত্র জোট।
এরপর ২০০৩ সালের ১৯ মার্চ ধ্বংসাত্মক অস্ত্রের মিথ্যা অভিযোগে ইরাক আক্রমণ করা হয়।
যুদ্ধ শুরুর কয়েক বছর পর ২০১১ সালে মার্কিন সেনারা অবশেষে ওসামা বিন লাদেনকে খুঁজে পায় প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানে এবং তাকে হত্যা করে।
নাইন ইলেভেন হামলার অভিযুক্ত পরিকল্পনাকারী দাবি করে খালিদ শেখ মোহাম্মদ নামে একজনবে গ্রেপ্তার করা হয় পাকিস্তানে ২০০৩ সালে। এর পর থেকে তাকে গুয়ান্তানামো বে’র বন্দিশিবিরে যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে আটক করে রাখা হয়।
নাইন ইলেভনের পর যা হয়েছে
১১ সেপ্টেম্বরের ওই হামলার ঘটনার পর থেকে সারা বিশ্বে বিমান ভ্রমণের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বিমানবন্দর ও বিমানের ভেতর নিরাপত্তা আরো কঠোর করতে ট্রান্সপোর্টেশান সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশান নামে পরিবহন নিরাপত্তা প্রশাসন গঠন করা হয়েছে।
নিউইয়র্কে হামলার স্থানে তৈরি হয়েছে একটি যাদুঘর এবং একটি স্মৃতিসৌধ। ভবনগুলো আবার নির্মিত হয়েছে, তবে ভিন্ন নক্সায়।
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসলামভীতি ছড়াতে নিজের পাতা ফাঁদেই আটকেছিল যুক্তরাষ্ট্র
ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা ৯/১১ হামলা সংঘটিত হওয়ার আগেই এ সম্পর্কে জানত। ইসরাইলের নেতৃত্ব কখনোই ৯/১১ হামলা নিয়ে তাদের মনোভাব লুকায়নি; বরং তাদের ধারণা ছিল, এ হামলা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সম্পর্ককে আরো গভীর করে তুলেছে। ব্রিটিশ সাংবাদিক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও লেখক পিয়ার্স মরগানের অনুষ্ঠান ‘আনসেন্সরড নিউজ’-এ মার্কিন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার টাকার কার্লসন একটি প্রামাণ্যচিত্র সিরিজে সম্প্রতি এসব দাবি করেছেন।
কার্লসন উল্লেখ করেন, হামলার পরপরই বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ক্যামেরার সামনে বলেছিলেন, ‘এ ঘটনা আসলে ভালো। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র এমন এক সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে, যেখানে ইসরাইল কয়েক দশক ধরে অস্তিত্বের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।’ তিনি ৯/১১ হামলার সঙ্গে পার্ল হারবারে জাপানি হামলার তুলনাও করেছিলেন। ট্রাম্পসহ বেশ কিছু পরিচিত মুখ ও গণমাধ্যম ভাষ্যকার মুসলিম এবং আরব মার্কিনদের নিয়ে ভয় উসকে দিয়ে নিজেদের সমর্থকগোষ্ঠীকে আরো উজ্জীবিত করার চেষ্টা করেন।
কার্লসন এ প্রসঙ্গে বহুল আলোচিত ‘ইসরাইলি আর্ট স্টুডেন্টস’ ইস্যুও সামনে আনেন। তার কথায়, যুক্তরাষ্ট্রে এ তথাকথিত শিল্পশিক্ষার্থীদের কেউ কেউ প্রকৃতপক্ষে শিল্পশিক্ষার্থী ছিলেন না, বরং ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাদের যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার করে কিছুদিন আটকে রাখা হলেও পরে কোনো অভিযোগ ছাড়াই ছেড়ে দেওয়া হয়। এফবিআইয়ের নথি অনুযায়ী ওই শিক্ষার্থীদের কয়েকজন হামলার দৃশ্য ধারণ করেছিলেন এবং দৃশ্যত হামলার বিষয়ে আগে থেকেই তাদের ধারণা ছিল।
অথচ হামলার ঠিক পরপরই যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত মুসলিম ও আরব বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিকদের জীবনে নেমে আসে নতুন সংকট। বহু মসজিদে আগুন দেওয়া হয় বা ভাঙচুর করা হয়, মুসলিমদের ওপর নেমে আসে হত্যার হুমকি ও হয়রানি। ২০১১ সালে মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া সাউদার্ন পোভার্টি ল সেন্টারের সাক্ষ্য অনুযায়ী, শুধু মুসলিম বলে মনে হওয়ার কারণেই অনেককে মারধর, আক্রমণ এমনকি বন্দুকের মুখে ফেলা হয়েছিল।
মিনেসোটার ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর ৯/১১ ও এর পরবর্তী বৈষম্য নিয়ে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী হিসেবে তারাও (মুসলিমরা) সেদিন আক্রান্ত হয়েছিলেন। তার ভাষায়, ‘এ দেশ, এ কমিউনিটি তাদেরও। হামলায় মুসলিম ফায়ার সার্ভিসের কর্মীসহ বহু মুসলিম নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।’
মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরোর (এফবিআই) তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণাজনিত অপরাধ বেড়ে যায় প্রায় ১৬১৭ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ইসলামভীতি থেকে সৃষ্ট ঘৃণামূলক অপরাধের অন্যতম সর্বোচ্চ সংখ্যা এটি। এমন অপরাধের ঘটনা ২০০০ সালে ছিল ২৮টি। ২০০১ সালে তা একলাফে বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮১টিতে।
মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের আরব আমেরিকান স্টাডিজ সেন্টারের পরিচালক স্যালি হাওয়েল বলেন, ৯/১১ পরবর্তী সময়ে মুসলিম ও সন্ত্রাসবাদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এতটাই ভয় তৈরি হয়েছিল যে সন্ত্রাস মোকাবিলার নামে নাগরিকদের ওপর নজরদারি, হয়রানি ও ফাঁদে ফেলার মতো নতুন নতুন সুযোগ তৈরি করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৬ সালের নির্বাচনী মৌসুমেও মুসলিমবিরোধী মনোভাব অব্যাহত ছিল। সে সময় ইসলামভীতিজনিত ঘৃণামূলক অপরাধ আবার বেড়ে যায়। এফবিআইয়ের হিসাবে ২০০১ সালে এমন ঘটনা ঘটেছিল ৪৮১টি, যা পরের বছরই কমে দাঁড়ায় ১৫৫টিতে। এরপর ২০১৫ সালে তা আবার বেড়ে হয় ২৫৭, আর ২০১৬ সালে ৩০৭। অবশ্য, এর পর থেকে এ সংখ্যা ক্রমশ কমেছে।
সূত্র: এবিসি নিউজ ও সিবিএস

About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ বছরের যুদ্ধ, বিশ্বজুড়ে বিপর্যস্ত কোটি মানুষের জীবন
সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে ৪৫ লাখ মানুষের মৃত্যু
ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ‘কস্ট অব ওয়ার’ প্রকল্পের হিসাবে, ২০০১ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন যুদ্ধগুলোতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৪৫ থেকে ৪৭ লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় নয় লাখ ৪০ হাজার মানুষ সরাসরি যুদ্ধে এবং ৩৬ থেকে ৩৮ লাখ মানুষ রোগ, অপুষ্টি ও স্বাস্থ্যগত জটিলতায় মারা যান।
আফগানিস্তান: প্রায় এক লাখ ৭৬ হাজার নিহত
৯/১১-এর এক মাসেরও কম সময় পর, ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান শুরু করে। তালেবান কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত হলেও যুদ্ধ চলে প্রায় ২০ বছর।
কস্ট অব ওয়ারের হিসাবে, যুদ্ধে সরাসরি প্রায় এক লাখ ৭৬ হাজার মানুষ নিহত হন। খাদ্যসংকট, রোগ, চিকিৎসার অভাব এবং অবিস্ফোরিত বোমা ও স্থলমাইন আরো বহু মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়। ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করলে তালেবান আবার ক্ষমতা দখল করে।
ইরাক: প্রায় ৩ লাখ ১৫ হাজার নিহত
২০০৩ সালের ১৯ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে আগ্রাসন শুরু করে। তৎকালীন মার্কিন প্রশাসনের দাবি ছিল, ইরাকের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র রয়েছে। পরে সেই দাবি মিথ্যা প্রমাণিত হয়।
ইরাকের তৎকালীন ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থী ওমর স্মরণ করেন, বোমা হামলার শব্দে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। তার কয়েকজন বন্ধু যুদ্ধ পরিস্থিতি দেখতে বাইরে গিয়ে আর ফিরে আসেননি।
কস্ট অব ওয়ারের হিসাবে, ইরাক যুদ্ধে সরাসরি প্রায় ৩ লাখ ১৫ হাজার মানুষ নিহত হন।
ড্রোন ও বিমান হামলা
স্থলযুদ্ধের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তান, ইয়েমেন, সোমালিয়া, আফগানিস্তান এবং ইরাক-সিরিয়ায় আইএসবিরোধী অভিযানে ব্যাপক বিমান ও ড্রোন হামলা চালায়।
ব্রিটেনভিত্তিক ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজমের হিসাবে, ২০০৪ সালের পর পাকিস্তানে শত শত মার্কিন হামলায় চার হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকশ বেসামরিক নাগরিক। ইয়েমেনে ৮৫৩ ও সোমালিয়াতে ১৮৮ থেকে ২৭৬ জন নিহত হন।
২০১১ সালে লিবিয়ায় মুয়াম্মার গাদ্দাফির বিরুদ্ধে চলা বিক্ষোভ দমনের সময়, জাতিসংঘের ম্যান্ডেট অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো একটি বিমান হামলা চালায়। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্যমতে, গাদ্দাফি বিদ্রোহী যোদ্ধাদের হাতে ধরা পড়ার ও নিহত হওয়ার আগে সাত মাস ধরে দেশটিতে প্রায় নয় হাজার ৭০০টি হামলা চালানো হয়েছিল।
২০১৪ সালে ইরাক ও সিরিয়ায় আইএসবিরোধী মার্কিন নেতৃত্বাধীন অভিযানেও হাজার হাজার বোমা নিক্ষেপ করা হয়। বেসামরিক প্রাণহানির প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার হিসাবের মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে।
৩ কোটি ৮০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত
কস্ট অব ওয়ারের হিসাবে, আফগানিস্তান, ইরাক, পাকিস্তান, ইয়েমেন, সোমালিয়া, ফিলিপাইন, লিবিয়া ও সিরিয়ায় যুদ্ধের কারণে তিন কোটি ৮০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
দুই দশক পরও এই বাস্তুচ্যুতি থামেনি। আফগানদের বড় একটি অংশ এখনো প্রতিবেশী দেশগুলোতে অনিশ্চিত জীবন কাটাচ্ছেন। ইরাকেও যুদ্ধের দুই দশক পর ১০ লাখের বেশি মানুষ এখনো বাস্তুচ্যুত।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রবীণ সেনাসদস্যদের ওপর প্রভাব
আফগানিস্তানে আট লাখের বেশি মার্কিন সেনা দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে প্রায় দুই হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা নিহত এবং ২০ হাজার আহত হন। ইরাক যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর তিন হাজার ৪৮১ সদস্য নিহত এবং ৩১ হাজারের বেশি আহত হন।
যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদি মানসিক ও শারীরিক ক্ষতও গুরুতর। কস্ট অব ওয়ার প্রকল্পের হিসাবে, ২০৫০ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১১-পরবর্তী প্রবীণ সেনাসদস্যদের সেবার পেছনে ২ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন থেকে ২ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে, যার বড় একটি অংশ এখনো পরিশোধ করা হয়নি।
‘কস্টস অফ ওয়ার প্রজেক্ট’-এর পরিচালক স্টেফানি সাভেল আল-জাজিরাকে বলেন, ‘৯/১১-পরবর্তী যুদ্ধগুলোতে সম্মুখ সমরে যত মার্কিন সেনা ও প্রবীণ সেনাসদস্য নিহত হয়েছিলেন, তার চেয়ে চার গুণ বেশি সেনা ও প্রবীণ সদস্য আত্মহত্যায় প্রাণ হারিয়েছেন।’
চিরস্থায়ী যুদ্ধ: খরচ ৮ ট্রিলিয়ন ডলার
দুই দশকের যুদ্ধ ও সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় প্রায় ৫ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার। প্রবীণ সেনাদের ভবিষ্যৎ চিকিৎসা ও অন্যান্য ব্যয় যোগ করলে মোট খরচ দাঁড়ায় অন্তত আট ট্রিলিয়ন ডলার।
এই যুদ্ধগুলোর অর্থনৈতিক ও মানবিক মূল্য এখনো পরিশোধ করছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে যুদ্ধক্লান্ত মার্কিন জনগণের মধ্যে বিদেশে সামরিক হস্তক্ষেপের প্রতি আগ্রহও কমেছে।
কস্ট অব ওয়ার প্রকল্পের মতে, ‘চিরস্থায়ী যুদ্ধ’ বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যারা সমর্থন পেয়েছিলেন, তাদের আমলেও বিভিন্ন অঞ্চলে মার্কিন সামরিক অভিযান ও বিমান হামলা আরো জোরদার হয়েছে।
২৫ বছর পর নাইন ইলেভেন পরবর্তী যুদ্ধের সবচেয়ে বড় উত্তরাধিকার তাই শুধু নিহত ও ধ্বংসস্তূপ নয়—বাস্তুচ্যুতি, মানসিক আঘাত, অর্থনৈতিক বোঝা এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলা যুদ্ধের ক্ষত।
![]() |
| আল জাজিরা |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা আলজেরিয়ার
আলজেরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখার সব ধরনের পথ তারা এরই মধ্যে ব্যবহার করেছে। কিন্তু পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য তাদের হাতে আর কোনো উপায় অবশিষ্ট নেই।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আলজেরিয়ায় নিযুক্ত আমিরাতের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আলজেরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্ক ক্রমেই অবনতির দিকে গেছে। মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন আঞ্চলিক ইস্যুতে দুই দেশের অবস্থানে বড় ধরনের পার্থক্য তৈরি হয়েছে। এর পাশাপাশি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক ইস্যুতে তারা কার্যত বিপরীত অবস্থানে রয়েছে।
ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিরোধিতা করে আসছে আলজেরিয়া। অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং আলজেরিয়ার আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী মরক্কো ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় করা আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের আওতায় ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।

About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইয়েমেনের অবরোধ প্রত্যাহার চায় ইরান
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেছে।
আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইয়েমেনের সমস্যার সমাধান অবরোধ অব্যাহত রাখা বা সামরিক উত্তেজনা বাড়ানোর মাধ্যমে সম্ভব নয়। ইয়েমেনের জনগণের চাপ, ভয়ভীতি ও নির্মম অবরোধমুক্ত মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের অধিকার রয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ‘ইসলামি উম্মাহর স্বার্থ’ বিবেচনায় নিতে হবে। পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতিতে বিষয়টি আরো গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে ইরান।
ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, পশ্চিম এশিয়া বর্তমানে ‘জায়নবাদী শাসনের’ নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলা, অবিচার ও সম্প্রসারণবাদের মুখে রয়েছে। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে ইরান।
এদিকে ইয়েমেন ইস্যুতে অবিলম্বে সংলাপ পুনরায় শুরুর ওপর জোর দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, আগে সম্মত হওয়া রোডম্যাপের ভিত্তিতে এই সংলাপ শুরু করতে হবে। একই সঙ্গে রোডম্যাপের সব বিধান বাস্তবায়ন করতে হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংলাপ পুনরায় শুরু এবং রোডম্যাপ বাস্তবায়নের পথে যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগে সহযোগিতা করতে ইরান প্রস্তুত।
![]() |
| ইয়েমেনে বড় যুদ্ধের শঙ্কা, জাতিসংঘের কড়া সতর্কতা >> আল-জাজিরাঃ ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর ইয়েমেনে বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঝুঁকি এখন সবচেয়ে বেশি। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের (ইউএনএসসি) বৈঠকে এ সতর্কবার্তা দিয়েছেন ইয়েমেনবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত হ্যান্স গ্রুন্ডবার্গ। গ্রুন্ডবার্গ বলেন, মাত্র এক মাস আগে তিনি নিরাপত্তা পরিষদকে সতর্ক করেছিলেন যে ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর ইয়েমেন বড় ধরনের যুদ্ধের সবচেয়ে বড় ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এখন সেই আশঙ্কাই বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ইয়েমেনের পরিস্থিতি নিয়ে এমন আশঙ্কার কথা বলে আসছেন গ্রুন্ডবার্গ। নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে তিনি এ বিষয়ে স্পষ্ট সতর্কতা জানান। তিনি বলেন, যে পরিস্থিতির আশঙ্কা করে তিনি আগে সতর্ক করেছিলেন, সেটিই এখন ঘটছে। জাতিসংঘের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ৩ সেপ্টেম্বর থেকে এ পর্যন্ত ইয়েমেনের অন্তত ১১ হাজার ৪০০ পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে এই তথ্য জানান গ্রুন্ডবার্গ। তবে এই মুহূর্তে নিরাপত্তা পরিষদের নতুন কোনো প্রস্তাব গ্রহণের আহ্বান জানাননি তিনি। বরং ইয়েমেনের বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদেশগুলোর ঐক্য চান জাতিসংঘের এই দূত। গ্রুন্ডবার্গ বলেন, ইয়েমেন নিয়ে যেকোনো ধরনের পদক্ষেপের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তার মতে, ইয়েমেনকে কোনোভাবেই নিরাপত্তা পরিষদের আলোচ্যসূচি থেকে বাদ যেতে দেওয়া যাবে না। |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের মিত্র হুথিদের বড় বিজয়
ইয়েমেন বিষয়ক গবেষক ফারেয়া আল-মুসলিমি বলেন, মোখা দখলের ফলে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব ও তাদের মিত্ররা আরো কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়বে। নিউ আমেরিকার ইয়েমেন বিষয়ক ফেলো অ্যাডাম ব্যারনও ঘটনাটিকে সাম্প্রতিক বছরগুলোর ইয়েমেন সংঘাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
মোখা লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তের সংকীর্ণ বাব আল-মান্দাব প্রণালি থেকে ৫০ মাইলেরও কম দূরে। কয়েক শতাব্দী ধরে শহরটির ভৌগোলিক অবস্থান একে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সামুদ্রিক কেন্দ্রে পরিণত করেছে। একসময় ইয়েমেনের কফি রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র ছিল মোখা। বৃহস্পতিবার মোখা দখলের খবরের পর আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৫ ডলারের বেশি উঠে যায়, যা কয়েক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।
বৃহস্পতিবার ইয়েমেন সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে হটিয়ে শহর ও এর বন্দর নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় হুথিরা। এরপর ইয়েমেনের স্থানীয় এক কর্মকর্তা ও প্রাদেশিক পর্যায়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, কয়েক দিন ধরে মোখায় হুথি ও ইয়েমেন সরকারের সমর্থিত বাহিনীর মধ্যে তীব্র স্থলযুদ্ধ চলছিল। বৃহস্পতিবার সেই লড়াইয়ে সরকারি বাহিনীকে সরিয়ে শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেয় হুথিরা। নিরাপত্তাজনিত কারণে সরকারি কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব কথা বলেন।
২০১৪ সালে হুথিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করার পর থেকে দেশটির সংঘাত চলছে। এরপর সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট ইয়েমেন সরকারকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বিমান হামলা শুরু করে। এতে দেশটি দীর্ঘস্থায়ী ও ভয়াবহ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ২০২২ সালে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি হলেও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তা কার্যত ভেঙে পড়েছে।
মোখা দখলের পর হুথিরা আরো দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে বাব আল-মান্দাবের কাছাকাছি এলাকা এবং জলপথের একটি দ্বীপ দখলের চেষ্টা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিউ আমেরিকার অ্যাডাম ব্যারনের মতে, ওই এলাকা ইয়েমেনের সবচেয়ে কৌশলগতভাবে মূল্যবান ভূখণ্ডগুলোর একটি। হুথিরা সেখানে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারলে আরব উপদ্বীপের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক প্রবেশপথ—বাব আল-মান্দাব ও হরমুজ প্রণালির ওপর ইরান ও তার মিত্রদের অন্তত আংশিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
তবে হুথিদের সংশ্লিষ্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, সমুদ্রপথে নৌ চলাচল নিরাপদ রয়েছে। পশ্চিম ইয়েমেনে চলমান ‘বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ’ শেষ হয়েছে বলেও তারা দাবি করেছে। মোখা এর আগে ইয়েমেন সরকারের মিত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল তারেক সালেহর বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। বৃহস্পতিবার জেনারেল সালেহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, তিনি তার বাহিনীকে পুনর্গঠিত করার এবং নিরাপদ স্থানে বিকল্প কমান্ড সেন্টার স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন। এ সিদ্ধান্ত সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের সঙ্গে আলোচনা করেই নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
এদিকে মোখার কাছের হুনাইশ ও জুকার—লোহিত সাগরের দুটি দ্বীপ থেকেও সালেহর বাহিনী সরে গেছে বলে ইয়েমেনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে বাব আল-মান্দাবের ভেতরে অবস্থিত পেরিম বা মায়ুন দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে রয়েছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়।
হুথিদের রাজনৈতিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল-বুখাইতি বলেছেন, তাদের লক্ষ্য ইয়েমেনের ‘সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা পুরোপুরি পুনঃপ্রতিষ্ঠা’ করা এবং সৌদি আরবের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া; ভূখণ্ড সম্প্রসারণ করা নয়। দক্ষিণ ইয়েমেনের অন্যান্য গোষ্ঠী রাজনৈতিক সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় থাকতে পারবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের মধ্যে বাব আল-মান্দাবের গুরুত্ব আরো বেড়েছে। হুথিরা গত জুলাইয়ে লোহিত সাগর দিয়ে চলাচলকারী সৌদি তেলবাহী ট্যাংকারের ওপর অবরোধ ঘোষণা করে এবং উত্তর ইয়েমেনের ঘাঁটি থেকে জাহাজ ও সৌদি স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হুতি কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, সৌদি আরব তাদের মিত্রদের সহায়তায় ইয়েমেনে শতাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে। সৌদি সরকার এসব দাবির বিষয়ে মন্তব্য করেনি। অন্যদিকে হুথিরা সৌদি আরবের ভেতরে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি, সাম্প্রতিক হুথি হামলায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে ৭০ জনের বেশি বেসামরিক মানুষ আহত হয়েছেন।
ইয়েমেন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ফারেয়া আল-মুসলিমির ধারণা, সৌদি আরবের বিমান হামলার সহায়তায় ইয়েমেন সরকার মোখা পুনর্দখলের চেষ্টা করতে পারে। তবে সৌদি আরব সংঘাতে আরো গভীরভাবে জড়িয়ে পড়তে চায় না এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে ইয়েমেন সরকারকে সহায়তা দেওয়ার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় ১০৮ ডলারে উঠল জ্বালানি তেলের দাম
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহে তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে। হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরে লড়াই তীব্র হওয়ায় বাজারে এই চাপ তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরস্পরের ওপর হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুথিরা সৌদি আরবে হামলা চালিয়েছে। বাব এল-মান্দেব প্রণালিতেও উত্তেজনা বেড়েছে।
বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একপর্যায়ে ৭ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৮ ডলারে পৌঁছায়। পরে কিছুটা কমে দিনশেষে ১০৭ দশমিক ৬৩ ডলারে স্থির হয়। দিনের হিসাবে ব্রেন্টের দাম বেড়েছে ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ। গত ১৯ মের পর এটিই ব্রেন্টের সর্বোচ্চ দাম। একই সঙ্গে ছয় সপ্তাহের মধ্যে এক দিনে ব্রেন্টের সবচেয়ে বড় মূল্যবৃদ্ধিও এটি।
যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেল ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দামও একপর্যায়ে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৩ ডলারে পৌঁছায়। মে মাসের পর এই প্রথম মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম ১০৩ ডলারে উঠল। পরে কিছুটা কমে দিনশেষে ১০২ দশমিক ৪৮ ডলারে স্থির হয়। দিনের হিসাবে দাম বেড়েছে ৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ। গত ১৯ মের পর এটিই মার্কিন অপরিশোধিত তেলের সর্বোচ্চ সমাপনী দাম। একই সঙ্গে দুই মাসের মধ্যে এক দিনে ডব্লিউটিআইয়ের সবচেয়ে বড় মূল্যবৃদ্ধিও এটি।
সংঘাত আবারও তীব্র হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ আরো ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে অপরিশোধিত তেল পরিবহন নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে তেলের বাজারে সরবরাহ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষণী সংস্থা ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের ডেপুটি চিফ ইমার্জিং মার্কেটস ইকোনমিস্ট জেসন টুভে এক নোটে বলেন, ‘হরমুজ প্রণালিতে এবং হুথিদের সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হামলা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত করছে যে, ইরান ও তার মিত্ররা যুদ্ধে আবারও উদ্যোগ নিজেদের হাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে।’
টুভে বলেন, ‘এতে উপসাগরীয় অঞ্চলে তেল উৎপাদন পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া পিছিয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে আগামী কয়েক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম আরো বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।’
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো বৃহস্পতিবার এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এনার্জি জানিয়েছে, আগামী বছরের শেষ নাগাদ মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদন যুদ্ধের আগের পর্যায়ে ফিরে আসবে বলে তারা আর আশা করছে না। প্রতিষ্ঠানটি এখন আর ধরে নিচ্ছে না যে যুদ্ধের একটি নিশ্চিত সমাপ্তি হবে। একই সঙ্গে ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ হরমুজ প্রণালিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে—এমন প্রত্যাশাও তারা করছে না।
এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এনার্জি এখন ধারণা করছে, আগামী বছরজুড়েও তেলের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকবে। দাম ব্যারেলপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ ডলারের মধ্যে থাকতে পারে বলে তারা মনে করছে।
এর বিপরীতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার রাতে দ্রুত সস্তা জ্বালানির পরিস্থিতি ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেন, ‘৩ নভেম্বরের এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের পরপরই দাম ব্যাপকভাবে কমে যাবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচনের খুব অল্প সময়ের মধ্যেই যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে।’
তবে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এনার্জির ক্রুড অয়েল গবেষণার বৈশ্বিক প্রধান জিম বার্কহার্ড বলেন, বাজার ‘শান্ত অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে না।’
বার্কহার্ড ওই প্রতিবেদনে বলেন, ‘অমীমাংসিত সংঘাত এবং সমুদ্রপথে অব্যাহত ঝুঁকি যে নতুন স্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করেছে, বাজার এখন তার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে।’
![]() |
| প্রতীকী ছবি |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাত্র ১০০ টাকায় সারা সন্ধ্যা গাইতেন বলিউডের এই বিখ্যাত গায়ক
তাঁকে আমরা অনেকেই কমবেশি চিনি। অবশ্য তাঁর নামটি যত না–চেনা, তার চেয়ে বেশি চেনা তাঁর কণ্ঠ। অন্য রকম আওয়াজ। কেমন সে আওয়াজ, সেটা ব্যাখ্যা দেওয়া কঠিন। তাঁর কণ্ঠে ‘প্যাহেলা নেশা’, ‘অ্যা ম্যারা হামসফর’, ‘জাদু তেরে নজর’ কিংবা ‘তেরে নাম’-এর জাদুতে মুগ্ধ উপমহাদেশের কয়েক প্রজন্ম। আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যে কেটেছে শৈশব। প্রতিবেশীর বাড়ির রেডিওতে গান শুনে শুনে সংগীতের প্রতি ভালোবাসা। ১০০ রুপিতে সারা সন্ধ্যা নৈশক্লাবে গাওয়া এই শিল্পী গত শতকের আশি ও নব্বইয়ের দশকে বলিউডের গানের দুনিয়া শাসন করেছেন। হিন্দি ঠিকমতো বলতে পারতেন না, তবে গেয়েছেন একের পর এক হিন্দি গান। আর তা জনপ্রিয় হয়েছে। তিনি উদিত নারায়ণ।
তাঁর জন্ম ১৯৫৫ সালের ১ ডিসেম্বর। তাঁর বাবা হরেকৃষ্ণ ঝা ছিলেন কৃষক। মা ভুবনেশ্বরী ঝা লোকগান গাইতেন। মায়ের কাছ থেকেই গানের প্রথম পাঠ।
অমিতাভ বচ্চন থেকে রাজেশ খান্না, দেব আনন্দ কিংবা তিন খান—সবার ঠোঁটেই সাবলীল উদিত। পর্দায় দেখে মনে হয়, যেন গানটা ওই নায়কেরাই গাইছেন। বিহারে না নেপালে—উদিত নারায়ণের জন্মস্থান কোথায়?
এ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দুটি মত দেখা গেছে। উদিতের বাবা নেপালের নাগরিক। মা বিহারের। উদিতের দাবি, তাঁর জন্ম বিহারের সুপাউল জেলায় বৈশী গ্রামে, মামার বাড়িতে। এ নিয়ে প্রথম কথা ওঠে ২০০৯ সালে। তাঁকে যখন পদ্মশ্রী পুরস্কার দেওয়া হয়, তখন তাঁর জন্মস্থান আর নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। অনেকের মতে, তাঁর জন্মস্থান নেপাল। জন্মস্থান যেখানেই হোক, উদিত নারায়ণ বড় হয়েছেন বিহারে, এ ব্যাপারে কোনো দ্বিমত নেই। পড়াশোনা বিহারের স্কুলে।
ভারতের জি বাংলা চ্যানেলে ‘মীরাক্কেল’-এ অতিথি হয়ে এসে কথা প্রসঙ্গে ছেলেবেলা নিয়ে উদিত বলছেন, ‘আমার কণ্ঠস্বর হয়তো ভগবানের দান, কিন্তু জীবনের পথ ছিল কঠিন। বাড়িতে কোনো রেডিও ছিল না। প্রতিবেশীর রেডিও সেট থেকে মোহাম্মদ রফির গান শুনে মুগ্ধ হয়ে যাই। গানটা ভেতরে ঢুকে যায়।’
সেই থেকে গানের প্রতি ভালোবাসা। মোহাম্মদ রফির ভক্ত উদিত ছেলেবেলায় গ্রামে একবার গেয়ে ২৫ পয়সা পেয়েছিলেন, সেটাই ছিল প্রথম সম্মানী। একসময় নেপালে পড়াশোনা শুরু করেন উদিত নারায়ণ। সেখানে ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত রত্ন রাজ্য লক্ষ্মী ক্যাম্পাস কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট। ১৯৭০ সালে প্রথম গান নেপালের বেতারে। ওই সময়ে তিনি নেপালি ও মৈথিলি ভাষার লোকগান গাইতেন। মূলত লোকগানই করতেন। তারপর লোকগান থেকে নেপালের আধুনিক গান। আট বছর গান করার পর ভারতীয় দূতাবাসের একটা বৃত্তি পান। সেই বৃত্তি নিয়ে ধ্রুপদি সংগীতের পাঠ নিতে তিনি মুম্বাই যান।
১৯৮০ সালে উদিত নারায়ণকে সুযোগ দেন সংগীত পরিচালক রাজেশ রোশন, তাঁর ‘উনিশ–বিশ’ ছবিতে গান গাওয়ার জন্য। ক্যারিয়ারের শুরুতেই লতা মঙ্গেশকরসহ তখনকার নামী শিল্পীদের সঙ্গে দ্বৈতকণ্ঠে গাওয়ার সুযোগ পেয়েও খুব একটা সাড়া ফেলতে পারেননি। ১৯৮৮ সালে ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’ ছবিতে উদিত নারায়ণকে সুযোগ দেন আনন্দ মিলিন্দ। উদিতের কণ্ঠে আমির খানের ঠোঁটে ‘পাপা ক্যাহতে হ্যায়’।
সারা ভারতে সাড়া ফেলে দেয়, জয় করে বাংলাদেশের দর্শক-শ্রোতার মনও। শুরুতেই অবশ্যএমনটি হয়নি। নবীন নায়ক আমির খানের ছবি গোড়ার দিকে তেমন চলছিল না। ব্যাগ গুছিয়ে বিহারে ফিরে চাষবাস শুরু করবেন বলে ঠিক করেন উদিত। তৃতীয় সপ্তাহের পর উদিত বুঝে যান, এই ইন্ডাস্ট্রিতে থাকার জন্যই এসেছেন তিনি। এরপর ১৯৯৩ সালে ‘প্যাহলা নেশা’ সুপারহিট হয়। উদিতের এর পর শুধু এগিয়ে যাওয়ার পালা। উদিত নারায়ণের জনপ্রিয় গানের তালিকা দীর্ঘ। আলাদা করে বলতে গেলে ‘দিল তো পাগল হ্যায়’, ‘কুচ কুচ হোতা হ্যায়’, ‘আয়ে হো মেরি জিন্দেগি মে’, ‘ইয়ে তারা ও তারা’, ‘মিতুয়া, ‘চান্দ ছুপা বাদাল মে’, ‘ক্যাহানো পেয়ার হে’, ‘জাদু তেরে নজর’ ‘প্যায়ার কি কিসতিমে’ ইত্যাদি। বাংলাদেশেও একাধিক চলচ্চিত্র এবং অডিও মাধ্যমে গান গেয়েছেন উদিত নারায়ণ। আঁখি আলমগীরের সঙ্গে তাঁর একটি দ্বৈত গানের অ্যালবাম সাড়া ফেলে অডিও বাজারে।
সুবীর নন্দীর গাওয়া ‘তোমারই পরশে জীবন আমার’ গানটি নিজের মতো করে গেয়েছিলেন তিনি। ৩৬টি ভাষায় গান গেয়েছেন উদিত। দেড় হাজার ছবিতে তাঁর গান আছে। ২৫ হাজারের ওপর গান গেয়েছেন। পেয়েছেন পাঁচবার ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড। পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণও মিলেছে।
বিবিসির সেরা ৪০ বলিউডের গানের মধ্যে উদিতের রয়েছে ২১টি গান। তিন দশক দাপট দেখানোর পর এখন কেন তাঁর কণ্ঠ থেকে বঞ্চিত ভক্তরা। উদিত বলছেন, ‘এখন কোথায় যেন সততার অভাব। প্রযুক্তির বাগাড়ম্বরে কণ্ঠ হারিয়ে গেছে।’ সমালোচকেরাও বলছেন একই কথা। এখন গান ও ছবির ধরন বদলে গেছে। নতুন প্রজন্ম এসেছে। শ্রোতাদের চাহিদাও বদলে গেছে।
![]() |
| তিনি উদিত নারায়ণ। তাঁর কণ্ঠে ‘পহেলা নেশা’, ‘অ্যা মেরা হামসফর’, ‘জাদু তেরে নজর’ কিংবা ‘তেরে নাম’-এর জাদুতে মুগ্ধ ভারতের কয়েক প্রজন্ম। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজা গণহত্যা নিয়ে নতুন প্রামাণ্যচিত্রে চাঞ্চল্যকর তথ্য
গার্ডিয়ানের প্রযোজনায় নির্মিত এই প্রমাণ্যচিত্রটি ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে গোল্ডেন লায়ন প্রতিযোগিতায় একমাত্র তথ্যচিত্র হিসেবে প্রদর্শিত হয়েছে।
চলচ্চিত্রটির নাম নেওয়া হয়েছে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর একটি সংক্ষিপ্ত শব্দ বা অ্যাক্রোনিম থেকে; সামরিক হামলায় বেসামরিক নাগরিকরা নিহত হতে পারে—এমন পরিস্থিতি বোঝাতে কৌশলে বা প্রচ্ছন্নভাবে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
এতে সাক্ষ্য দেওয়া কর্মকর্তাদের পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে। তাদের দাবি, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ব্যবস্থা ব্যবহার করে হামাসের কথিত নিম্নপদস্থ সদস্যদের শনাক্ত করত এবং অনেক ক্ষেত্রে তাদের বাড়িতে রাতের বেলায় হামলা চালানো হতো—পরিবারের সদস্যরা প্রাণ হারাবেন জেনেও।
সাক্ষ্য অনুযায়ী, লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে হামাস সদস্যদের ফোন হ্যাক করে অবস্থান নির্ণয় এবং পরিবারের সদস্যদের কথোপকথন নজরদারির মতো পদ্ধতিও ব্যবহার করা হয়েছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী হামলার ঠিক আগ মুহূর্তে স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে তাদের কথোপকথন গোপনে আড়ি পেতে শুনত।
তথ্যচিত্রে বেসামরিক বাড়িঘর ধ্বংস, আবাসিক এলাকায় আগুন দেওয়া এবং খাদ্য বিতরণকেন্দ্রে বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের হত্যার কথাও উঠে এসেছে।
নির্মাতারা বলেছেন, প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণের উদ্দেশ্য বিচ্ছিন্ন কোনো ‘যুদ্ধাপরাধী’ সেনাকে দায়ী করা নয়; বরং বেসামরিক হত্যাকাণ্ডকে সম্ভব করে তোলা সামরিক নির্দেশ, নীতি, প্রচলিত আচরণ ও ব্যবস্থাগুলোকে সামনে আনা।
আব্রাহাম বলেন, ২৪ জনের সাক্ষ্য একত্র করে তারা গাজায় ব্যাপক হত্যাকাণ্ডের পেছনে থাকা সামরিক কাঠামো ও ব্যবস্থাগুলো তুলে ধরেছেন। ছবিটি নির্মাণে প্রায় তিন বছর সময় লেগেছে এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়।
বৃহস্পতিবার ভেনিসে এক সংবাদ সম্মেলনে আব্রাহাম বলেন, ‘কর্মকর্তাদের মধ্যে কয়েকজন কোনো অনুশোচনাই প্রকাশ করেননি, আবার কেউ কেউ তা করেছেন। কেউ কথা বলেছেন উদাসীনতা থেকে, আবার কেউ গর্বের সঙ্গে।’
ভেনিসে প্রদর্শনের পর ‘নাজা’ প্রায় ২৫ মিনিটের দীর্ঘ করতালি পায় বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে। ছবিটি নির্মাণে ‘দ্য জোন অব ইন্টারেস্ট’-এর প্রযোজক দলের সদস্যরাও যুক্ত ছিলেন।
‘নাজা’ নির্মিত হয়েছে ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ইসরাইলি-ফিলিস্তিনি গণমাধ্যম ও অন্যান্য অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে। নির্মাতাদের আগের ছবি ‘নো আদার ল্যান্ড’ ২০২৫ সালে সেরা তথ্যচিত্রের অস্কার জিতেছিল।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতে মুসলিম এলাকায় গুড়িয়ে দেওয়া হলো ৭০ বাড়ি
আসামের গোয়ালপাড়ার মাগুরমারিসহ কয়েকটি এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতে বাড়িগুলো ভেঙে দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের দাবি, অভিযানে প্রায় ৭০ থেকে ৭৫টি বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে বহু পরিবার আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে আসামের বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতি থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
উত্তর-পূর্ব সংখ্যালঘু ছাত্র ইউনিয়নের কার্যনির্বাহী সভাপতি নুরুল ইসলাম সরকার এ অভিযানের সমালোচনা করেছেন। তার অভিযোগ, গোয়ালপাড়ায় মুসলিমদের বারবার উচ্ছেদ অভিযানের মুখে পড়তে হচ্ছে। তার দাবি, অতীতে বন্যা ও নদীভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে কেউ কেউ সরকারি জমিতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তবে এবারের অভিযানে নিজেদের মালিকানাধীন জমিতে বসবাসকারী পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নুরুল ইসলাম সরকারের ভাষ্য, যেসব জমিতে অভিযান চালানো হহয়েছে, সেগুলো সরকারি নয়; বাসিন্দাদের কাছে মালিকানার প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও রয়েছে। তবে জমিগুলো কৃষিজমি হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ হওয়ায় প্রশাসন আপত্তি তুলেছে।
আসামের মুসলিম ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি আশিক রব্বানিও অভিযানের বিরোধিতা করেছেন। তার বক্তব্য, নিজের কৃষিজমিতে বাড়ি নির্মাণ করাকে অপরাধ হিসেবে দেখা উচিত নয়।
এদিকে, আসামে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চলতি বছরেই সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া নির্দেশনাও আলোচনায় এসেছে। আদালত বলেছে, কারও জমির অধিকার বা দখলের বৈধতা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নথিপত্র যাচাই, নোটিশ দেওয়া, বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ এবং কারণ উল্লেখ করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। আদালত অনুমোদিত প্রক্রিয়ায় ১৫ দিনের নোটিশের কথাও বলা হয়েছে।
এ অবস্থায় যথাযথ নোটিশ ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে বহু পরিবারকে রাতারাতি উচ্ছেদ করা হয়েছে—এমন অভিযোগ সত্য হলে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। বিশেষ করে একই সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী বারবার উচ্ছেদ অভিযানের শিকার হচ্ছে কি না, তা-ও নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত। |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজার আহত ও অসুস্থ ফিলিস্তিনির জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন
বৃহস্পতিবার আনাদোলুকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, গাজার সব সীমান্ত ক্রসিং পুরোপুরি খুলে দিতে হবে। এতে প্রতিদিন ১ হাজার আহত ও অসুস্থ মানুষকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া সম্ভব হবে।
গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর সীমান্ত দিয়ে ফিলিস্তিনিদের যাতায়াতের বিষয়ে ইসরায়েল যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তার প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল দেশটির সীমান্ত কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানায়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর গাজা থেকে প্রায় ১০ হাজার ৫০০ মানুষ বের হয়ে গেছেন। একই সময়ে প্রায় ৬ হাজার মানুষ গাজায় ফিরে এসেছেন।
ইসমাইল আল-থাওয়াবতেহ বলেন, ‘অক্টোবর থেকে গাজা থেকে ১০ হাজার ফিলিস্তিনি বের হয়েছেন এবং ৬ হাজার ফিরে এসেছেন—ইসরায়েলের প্রকাশিত এই সংখ্যা খুবই কম। গাজার ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতির তুলনায় এই সংখ্যা কোনোভাবেই যথেষ্ট নয়।’
তিনি বলেন, গাজায় ২২ হাজার আহত ও অসুস্থ মানুষ বিদেশে চিকিৎসার অপেক্ষায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে হাজার হাজার শিশু রয়েছে। প্রতিদিনই তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে।
আল-থাওয়াবতেহ অভিযোগ করেন, রোগীদের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার সুযোগ সীমিত করে ইসরায়েল ‘ইচ্ছাকৃত বিলম্ব ও ধীরে ধীরে মৃত্যুর’ নীতি অনুসরণ করছে।
তিনি বলেন, আহত ও অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসার জন্য প্রতিদিন ১ হাজার জনকে গাজা থেকে বের হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। এ জন্য সব সীমান্ত ক্রসিং দ্রুত ও পুরোপুরি খুলে দিতে হবে।
এ ছাড়া গাজার বাইরে থাকা প্রায় ৯০ হাজার ফিলিস্তিনির ফিরিয়ে আনার দাবির প্রতিও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রতি ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন আল-থাওয়াবতেহ। তিনি বলেন, রোগীদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে সীমান্ত ক্রসিংকে ‘সমষ্টিগত শাস্তির হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করা বন্ধ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত দিয়ে খুব অল্পসংখ্যক মানুষকে বের হওয়ার সুযোগ দেওয়া আন্তর্জাতিক ও মানবিক আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। গাজার ভয়াবহ স্বাস্থ্য ও মানবিক সংকট মোকাবিলায় এ ধরনের ব্যবস্থা কোনোভাবেই যথেষ্ট নয়।
আগস্টের শেষ দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস জানিয়েছিলেন, গাজার হাজারো রোগী এখনও জরুরি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।
তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, আগস্টের শেষ সপ্তাহে রাফাহ ও কেরেম শালোম সীমান্ত দিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় ১০৬ জন রোগীকে গাজা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৯ জন শিশু ছিল। রোগীদের সঙ্গে আরও ১৩২ জন ছিলেন।
২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান চলছে। এতে বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি নিহত ও আহত হয়েছেন। হামলায় গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে এবং লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে বিভিন্ন অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র ও তাঁবুতে অবস্থান করছেন।
![]() |
| ছবি: এএফপি |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইয়েমেনের আল–মোখা শহর হুতিদের দখলে, চাপে সরকারি বাহিনী
বেশ কিছুদিন ধরেই তাইজের পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল হুতিরা। তাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল আল–মোখা শহর ও লোহিত সাগরের উপকূল দখল করা।
আল–মোখা ও উপকূলীয় এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিতে পারলে বাব আল–মানদেব প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ঠেকানোর ক্ষেত্রে হুতিরা বড় ধরনের সুবিধা পাবে। একই সঙ্গে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে সরকারি বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ তিনটি সরবরাহপথ বিচ্ছিন্ন করার সক্ষমতাও তারা অর্জন করবে।
হুতিরা এরই মধ্যে এসব এলাকা দখল করেছে। এখন শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে আল–মোখা শহর পুরোপুরি দখলের ঘোষণা দেওয়ার অপেক্ষা।
আল–মোখায় থাকা কয়েকটি সূত্রের সঙ্গে কথা বলে আল–জাজিরার সাংবাদিকেরা জানিয়েছেন, শহরটি ইতিমধ্যে হুতিদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। সরকারি বাহিনী আল–মোখা থেকে তাদের সব সামরিক ইউনিট সরিয়ে নিয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে তাইজের পশ্চিমাঞ্চলে হুতিদের এই জয়কে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
হুতি ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে চলমান লড়াইয়ে যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোনসহ নানা ধরনের ভারী অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। গত দুই সপ্তাহে তাইজ, পশ্চিমাঞ্চলীয় উপকূলীয় এলাকা, আল-জাউফ, মারিব ও আল-দালির অনেক এলাকায় লড়াইয়ে অন্তত ১৯৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৮৮০ জন।
![]() |
| ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের বন্দরনগরী মোখায় হুতিদের হামলার পর ক্ষয়ক্ষতির চিত্র। ফাইল ছবি: রয়টার্স |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৬৫০ সিনেমায় অভিনয় করেছেন, কোথায় আছেন সেই অভিনেতা by মকফুল হোসেন
১৯৬৩ সালের দিকে এই তো জীবন নাটক দিয়ে প্রথম মঞ্চে অভিনয় করেন জামিল। ১৯৬৬ সালে অভিনেতা ফরিদ আলীর সহযোগিতায় টিভি নাটকে অভিনয় করার সুযোগ পান তিনি। টিভি নাটকের পাশাপাশি বেতারে সমানতালে অভিনয় করেছেন জামিল। তাঁর অভিনীত নাটকের সংখ্যা প্রায় ২০০।
১৯৯১ সালে নাম লেখান ঢাকাই চলচ্চিত্রে; রাজধানী, প্রেম প্রতিশোধ, খায়রুন সুন্দরী, একাত্তরের মা জননী, জীবনঢুলীসহ সাড়ে তিন দশকের ক্যারিয়ারে ৬৫০টি সিনেমায় কাজ করেছেন জামিল। সিনেমার কাজ কমতে থাকায় দেড় যুগ আগে রাজধানী ছেড়েছেন এ অভিনয়শিল্পী। এখন ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার আলগীরচর গ্রামে থাকেন আশি–নব্বই দশকের চলচ্চিত্রের এই চেনা মুখ।
বেশ কিছুদিন আগে এসেছিলেন এফডিসিতে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সামনে পাতা চেয়ারে বসে পরিচালক শিল্পী চক্রবর্তীর সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন। কেমন আছেন? জিজ্ঞেস করতেই একগাল হেসে বললেন, ‘আল্লাহর রহমতে খুব ভালো আছি। কাজকর্ম নেই, খাইদাই আর ঘুমাই। এত দিন বই পড়তে পারতাম, মাসখানেক ধরে ঠিকমতো দেখতে পাই না। দুই চোখেই ছানি পড়েছে। আর পায়ে একটু সমস্যা রয়েছে, লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটতে হয়।’
মাঝে অসুস্থ হয়ে বিছানাবন্দী ছিলেন, হাসপাতালেও থাকতে হয়েছিল কয়েক সপ্তাহ। আক্ষেপ করে বলেন, ‘দীর্ঘদিন চলচ্চিত্রে কাজ করেছি, এখানে কেউ কারও নয়। কেউ ফোন করে না। কেউ জিজ্ঞাসাও করে না, বেঁচে আছি নাকি মারা গেছি। তবে আলমগীর ফোন করেছেন; চিকিৎসার জন্য অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।’
চলচ্চিত্রে পার্শ্বশিল্পী হিসেবেই একটা জীবন কাটিয়ে দিলেন, কখনো নায়ক হতে ইচ্ছা করেনি? জামিলুর রহমান বলেন, ‘মঞ্চে নায়কের চরিত্র করেছি। টিভিতে সিঁড়িঘর নামে একটি নাটকে প্রধান চরিত্র করেছিলাম। যোগ্যতার অভাবে পরে আর উঠতে পারিনি। ‘শেষ কবে অভিনয় করেছেন?’ কড়ে আঙুল গুনেও বের করতে পারলেন না তিনি।
স্মৃতি হাতড়ে এটুকু বললেন, বেশ কয়েক বছর আগে ‘ইত্যাদি’তে অভিনয় করেছিলেন।
৮০ বছর পেরিয়েছেন জামিল, মৃত্যুর আগপর্যন্ত অভিনয় করে যেতে চান তিনি, ‘মানুষ কর্মক্ষম অবস্থায় ঘরে বসে গেলে নানান দুশ্চিন্তা গ্রাস করে।’
‘তাহলে অভিনয়ে আপনাকে দেখা যায় না কেন?’ এ প্রশ্নের উত্তরে দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন; বললেন, ‘আমি তো কাজ করতেই চাই। কিন্তু আমাকে কেউ নেয় না।’ না নেওয়ার কারণও জানান, ‘যাঁদের সঙ্গে কাজ করেছি, তাঁরা ছবি করছেন না। এখন যাঁরা ছবি করছেন, তাঁদের সঙ্গে আমার পরিচয় নেই। তাঁরা আমাকে চেনেনও না। সিনেমা কিংবা নাটক যা–ই হোক, আমি কাজ করতে চাই।’
(প্রতিবেদনটি ২০২৩ সালের ২৫ মার্চ প্রথম আলোর বিনোদন পাতায় ছাপা হওয়া সাক্ষাৎকার থেকে সংকলিত)
| জামিলুর রহমান, শাখা নামেই যাঁকে বেশি চেনে মানুষ। ছবি: কোলাজ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
-
▼
2026
(2116)
-
▼
September
(279)
-
▼
Sep 11
(25)
- বিহারের বন্যা সামলাতে ফারাক্কা ব্যারেজের সব গেট খো...
- বাব-এল-মান্দেবে নৌ চলাচল ‘নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল’: হুথি
- আবারও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে ইরান
- গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে গোপনে ক্লড এআই ব্যবহার ...
- সেনাবাহিনী পুনর্গঠনে তুরস্কের সহায়তা, এরদোয়ানের প্...
- এক হাজার টন বিস্ফোরক দিয়ে হিজবুল্লাহর ঘাঁটি ধ্বংসে...
- হরমুজের বিকল্প বাব-এল-মান্দেবের নিয়ন্ত্রণে হুথিরা
- যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা: বাব আল-মান্দেব বন্ধে ইয়েমেনে...
- নাৎসিদের পর জার্মানিতে অতি ডানপন্থীদের প্রথম জয়, ক...
- দাফন নাকি দাহ, ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে মা–বাবার টানাটানি...
- হুতিদের অগ্রযাত্রা: বাব–আল মানদেব নিয়ন্ত্রণে নিলে ...
- ‘চিকনি চামেলি’ থেকে ‘কালা চশমা’ নাচে বাজিমাত ক্যাট...
- বিশ্ব রাজনীতি পাল্টে দেওয়া নাইন ইলেভেন হামলার ২৫ ব...
- ইসলামভীতি ছড়াতে নিজের পাতা ফাঁদেই আটকেছিল যুক্তরাষ...
- যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ বছরের যুদ্ধ, বিশ্বজুড়ে বিপর্যস্ত...
- আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা আলজে...
- ইয়েমেনের অবরোধ প্রত্যাহার চায় ইরান
- মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের মিত্র হুথিদের বড় বিজয়
- ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় ১০৮ ডলারে উঠল জ্বালানি তেলের দাম
- মাত্র ১০০ টাকায় সারা সন্ধ্যা গাইতেন বলিউডের এই বিখ...
- গাজা গণহত্যা নিয়ে নতুন প্রামাণ্যচিত্রে চাঞ্চল্যকর ...
- ভারতে মুসলিম এলাকায় গুড়িয়ে দেওয়া হলো ৭০ বাড়ি
- গাজার আহত ও অসুস্থ ফিলিস্তিনির জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন
- ইয়েমেনের আল–মোখা শহর হুতিদের দখলে, চাপে সরকারি বাহিনী
- ৬৫০ সিনেমায় অভিনয় করেছেন, কোথায় আছেন সেই অভিনেতা b...
-
▼
Sep 11
(25)
-
▼
September
(279)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
-e0d74c-720x405.webp)


-85904d-720x405.webp)













