Saturday, September 26, 2015
ঈদুল আজহার আনন্দ by ড. আব্দুস সাত্তার
আমাদের বাংলাদেশেও প্রতি বছর ঈদুল আজহার উৎসব পালিত হয় মহা ধুমধামে। ঈদের আগে ঈদকার্ডেও পূর্ণ হয়ে যায় দোকানের দেয়ালগুলো। পূর্ণ হয় নতুন নতুন পোশাকে। কেনাকাটার উৎসব চলে সর্বত্র। এ ক্ষেত্রে ছোট ছেলেমেয়ে ও গৃহিণীদের ভূমিকাই থাকে প্রধান। পরিবারের প্রধানরা ব্যস্ত থাকেন পশু ক্রয়ের উৎসবে। একপর্যায়ে পশু নিয়ে পরিবারের সবাই আনন্দে মেতে ওঠে। যেমনটি আমার জীবনেও ঘটেছে ছোটবেলায়, যখন গ্রামে ছিলাম। এখন শহুরে জীবনে তেমন আনন্দ অনুভব করি না। কারণ গ্রামের ঈদ ও কোরবানি যতটা স্বতঃস্ফূর্ত ও জীবন্ত ছিল শহরের ঈদ ও কোরবানির ক্ষেত্রে ততটা স্বতঃস্ফূর্ত ও জীবন্ত মনে হয় না। শহরের ঈদ ও কোরবানি ক্রমান্বয়ে ধর্মীয় অনুভূতি হারিয়ে গোশত খাওয়ার উৎসবে পরিণত হচ্ছে। শহরে ঈদের উৎসব কিংবা আনন্দের চেয়ে ভোগের দিকটিই প্রাধান্য পেয়েছে। প্রাধান্য পেয়েছে অর্থবিত্তের অধিকারী মানুষের আত্মপ্রচারের বিষয়। যেমনটি ঘটে ঈদুল ফিতরের সময় জাকাতের কাপড় দেয়ার ক্ষেত্রে। অর্থ-প্রতিপত্তিতে শক্তিধর, ক্ষমতার দাপটে অন্ধ অহঙ্কারী মানুষ যেমন মাইকে ঘোষণা দিয়ে, পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে হতদরিদ্র মানুষদের মধ্যে পরিধানের অযোগ্য কাপড় বিতরণ করেন ঠিক তেমনি। কোরবানিও তাদের জন্য একধরনের প্রচারণা। বিশ্বখ্যাত শিল্পী বেমব্রান্টের কোরবানি নামক চিত্রের প্রতি দৃষ্টি দিলে কোরবানি বিষয়ে যে অনুভূতির সৃষ্টি হয়, আল্লাহর অসীম ক্ষমতার প্রতি বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা জাগ্রত হয়, এসব কোরবানিদাতার অনেকের আচরণে সেরূপ অনুভূতি জাগ্রত হয় না। মনে হয় এ যেন ত্যাগের কোরবানি নয়। ভোগ-বিলাসের ও প্রচারের কোরবানি!
দরিদ্র যারা, অর্থসম্পদে দুর্বল যারা তারাই বরং কোরবানির আদর্শ-উদ্দেশ্যের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে থাকেন। ছোটবেলায় গ্রামে দেখেছি পশু কোরবানি দেয়ার পর শুধু গোশতই কেটে বেছে নেয়া হতো। অপ্রয়োজনীয় হাড়হাড্ডি এবং নাড়িভুঁড়ি ফেলে রাখা হতো। সেগুলো খেতো শিয়াল-শকুন-কুকুরে। শিয়াল, শকুন ও কুকুরও সেগুলো খাওয়ার জন্য আনন্দে মেতে উঠত। শকুন তার বিশাল দুই ডানা মেলে আনন্দ প্রকাশ করত খাবার পেয়ে। সে দৃশ্য উপভোগ্য ছিল। বিশেষ করে ছোটদের জন্য। সে স্মৃতির কথা এখনো হৃদয় ক্যানভাসে ভেসে ওঠে। কিন্তু শহুরে জীবনে সেরূপ কোনো স্মৃতি নেই স্মরণ করার মতো। শহরে দেখছি মানুষ হাড়হাড্ডি, নাড়িভুঁড়িসহ সব কিছুই খেয়ে ফেলছে! অদ্ভুত সংস্কৃতি শহরের। এই সংস্কৃতির আর এক উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে- কোরবানি দেয়া পশুর সব গোশতই নিজেরা খেয়ে ফেলা। এমনটি অনেকেই করেন। এমনকি আগের বছরের কোরবানির গোশত পরের বছরের কোরবানির দিনেও খান এবং অনেককে খাওয়ান! অথচ গ্রামে এরূপ ঘটতে দেখিনি কখনো। গ্রামের মানুষ তার অংশের গোশত তিন ভাগ করে এক ভাগ দরিদ্রদের মধ্যে, এক ভাগ আত্মীয়স্বজনের মধ্যে বিলি করে নিজের জন্য রাখতেন এক ভাগ। সেটুকুই খেতেন যে ক’দিন খাওয়া যায়। শহরের অনেকেই এ নিয়ম মেনে চলেন। তবে অনেকে আবার এ নিয়ম মানেন না। অথচ কোরবানির ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় কোরবানিদাতার প্রাপ্য এক ভাগই। বাকি দুই অংশ দরিদ্র ও আত্মীয়স্বজনের হক। কিন্তু এই হক আদায়ের ক্ষেত্রে শহরের অনেকের মধ্যেই অনীহা দেখা যায়। আর এ কারণে কোরবানির প্রকৃত আদর্শ-উদ্দেশ্যের অনেক কিছুই শহরে দেখা যায় না। তবে ছোট ছেলেমেয়েরা ঠিকই ঈদের উৎসবকে ধরে রাখে। নানা রঙের পোশাক পরে যখন তারা দলবেঁধে ঘুরে বেড়ায়, পাড়ায়-মহল্লায় বাড়ি বাড়ি যায় তখন তাদের দেখেই মনে হয় ঈদের উৎসব প্রাণ পেয়েছে।
ঈদের উৎসব কতটা প্রাণবন্ত হয়, কতটা আকর্ষণীয় হয় এবং কতটা গুরুত্ব পায় সে বিষয়টি অনুভব করা যায় যখন মুঘল আমলে আঁকা শিল্পীদের ঈদের শোভাযাত্রার চিত্র দেখি। ঈদের সেই বিশাল শোভাযাত্রায় স্বয়ং সম্রাট ও তার পরিবারের সদস্যরা অংশ নিতেন। অংশ নিতেন ইংরেজ সভাসদবৃন্দ। অংশ নিতেন সমাজের সর্বস্তরের ধনী-দরিদ্র সবাই। ফলে শোভাযাত্রা হয়ে উঠত সব শ্রেণীর মানুষের। প্রাণ পেত শোভাযাত্রা। প্রাণবন্ত শোভাযাত্রায় সবাই সমভাবে আনন্দ উপভোগ করতেন। মুঘল আমলের এ রূপ দৃষ্টান্ত ঢাকার জাতীয় জাদুঘরেও সংরক্ষিত আছে। তৎকালে ঢাকাতেও যে গুরুত্বের সাথে ঈদের শোভাযাত্রার আয়োজন করা হতো সংরক্ষিত এসব চিত্র তারই উৎকৃষ্ট প্রমাণ। এখন সরকারি উদ্যোগে কিংবা সরকারপ্রধানের উদ্যোগে ঈদের শোভাযাত্রার আয়োজন কল্পনাও করা যায় না। কারণ এখন সব কিছুর সাথেই যুক্ত হয়েছে নোংরা রাজনীতি। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম থাকবে কি থাকবে না সে বিতর্ক থেকেই অনুমান করা যায় বাংলাদেশে কারা কিভাবে ধর্মকে দেখেন। ধর্মের ক্ষেত্রে এখন বহুভাবে বিভাজিত মানুষ বাংলাদেশে। কিন্তু তার পরেও দ্ুেটা ঈদ আনন্দ উৎসবের মাধ্যমেই মানুষ পালন করতে চেষ্টা করেন। যারা এ উৎসবকে গুরুত্ব দেন, গুরুত্বের সাথে পালন করেন তারা কোনো বিতর্কের মধ্যে নেই। উৎসবই তাদের কাছে প্রধান। এ শ্রেণীর মানুষ সমাজে এখনো আছে বলেই ঈদের উৎসব এবং কোরবানি গুরুত্বের সাথেই পালিত হয়। পালিত হচ্ছে এবং হবে বলেই বিশ্বাস করি। তবে আমাদের সমাজে, দেশে কিভাবে ঈদের উৎসব পালিত হচ্ছে, কতটা গুরুত্বের সাথে এবং ধর্মের প্রতি দৃষ্টি রেখে পালিত হচ্ছে, কতটা অবহেলা করা হচ্ছে এসবের জবাব পাওয়া যাবে সংরক্ষিত ঈদের শোভাযাত্রা নামক চিত্রগুলো থেকে। এ চিত্রগুলো সব সময় আমাদের ঈদ এবং ঈদের গুরুত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিখোঁজ বাংলাদেশী হাজিরা মৃত না জীবিত?
সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস বলছে, এ পর্যন্ত তারা ৯৮ জনের নিখোঁজ বাংলাদেশির একটি তালিকা করেছেন বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে। কিন্তু এদের মধ্যে কতজন আসলে হতাহত হয়েছেন সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য এখনো তাদের কাছে নেই।
দিনাজপুরের ষাটোর্ধ্ব কেরামত আলী মিনার দুর্ঘটনার সময় ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন বলে তার সাথে থাকা হাজীরা পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছেন।
তার ছেলে কামাল হোসেন বলছেন, মিনা থেকেই তার বাবার মৃতদেহ পুলিশ নিয়ে যায়। এরপর থেকে আর কোন খবর তারা পাননি।
“আমরা শুনেছি উনি পদদলিত হয়ে ওখানে মারা গেছেন। উনার সঙ্গে যারা ছিলেন, তাদের কাছ থেকে খবরটা পেয়েছি।“
মিনার ওই দুর্ঘটনায় সাত শতাধিক হাজী মারা গেলেও তাদের বেশিরভাগকেই এখনো সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। টেলিফোন, সামাজিক মাধ্যমে আরো অনেকে তাদের স্বজনদের নিখোজ থাকার তথ্য জানিয়েছেন।
অনেকে বলছেন, তাদের চোখের সামনেই মারা যাওয়ার পর মৃতদেহ পুলিশ নিয়ে গেছে, কিন্তু তারপরে কি হয়েছে, তা তাদের জানা নেই।
নিখোঁজদের বিষয়ে তথ্য জানাতে, বাংলাদেশ দূতাবাস যে দুটি হটলাইন চালু করেছে, সেখানে ফোন করে কোন সাড়া মেলেনি। তবে বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলছেন, নিহতদের বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত তারা কিছু বলতে পারছেন না।
শুক্রবার রাতে নিহত সাত শতাধিক মানুষের মধ্যে মাত্র ৮২জনের ছবি টাঙ্গিয়ে, তাদের বিষয়ে তথ্য জানাতে হজ মিশনগুলোকে অনুরোধ করে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশের কর্মকর্তারাও সেই ছবিগুলো মিলিয়ে দেখেছেন, কিন্তু এখনো তাদের কাছে থাকা নিখোঁজদের তথ্যের সঙ্গে মিল পাওয়া যায়নি।
সূত্র : বিবিসি
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুসলমানদের সন্তান কুরবানি দিতে বললেন বিজেপি নেত্রী
তার ‘পরামর্শ’ ,ঈদুল আজহায় নিষ্পাপ পশুদের কুরবানি বন্ধ করুক মুসলিমরা। নিরীহ পশুদের বদলে নিজের সন্তানদের কুরবানি দিক!
তিনি বলেন, ঈদুল আজহার দিনে আসলে পুত্রের কুরবানি দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীকালে যা ছাগল দিয়ে প্রতিস্থাপিত করা হয়।
‘যদি বলিদান দিতেই হয় তাহলে নিজ পুত্রের বলিদান দেওয়া উচিৎ। তার বদলে নিরীহ পশুদের বলিদান দেওয়ার অধিকার কারোর নেই,’ বলছিলেন ঊষা ঠাকুর।
তিনি আরো বলেন, ‘যে সমস্ত মুসলিম ভাইরা নিজেদের পোষ্য জন্তুদের কুরবানি থেকে বিরত থেকেছেন আমি তাদের অভিনন্দন জানাই। আমি বিশ্বাস করি আমরা যদি কাউকে জন্ম দিতে না পারি, কারোর প্রাণ নেওয়ার অধিকার আমাদের নেই। এই নীরিহ জন্তুরাও ঈশ্বরের সৃষ্টি।’
তবে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা ছাগল বলিদান করে এবং অন্যান্য সময় যে অসংখ্য প্রাণী বধ করে তা কোন যুক্তিতে করে তার কোনো ব্যাখ্যা দেননি এই হিন্দু মৌলবাদী নেতা।
এর আগে মুসলিমদের পূজোর প্যান্ডেলে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার দাবিও জানিয়েছেন ঊষা ঠাকুর।
তার দাবি, কোরআনের মতে মূর্তি পুজো নিষিদ্ধ, তাই মুসলিমদেরও পুজো প্যান্ডেলে প্রবেশের অধিকার নেই।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিনা দুর্ঘটনায় ৯৮ বাংলাদেশি নিখোঁজ
দূতাবাসের হজ কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ঘটনার পরই বিভিন্ন উৎস, হটলাইনে করা ফোন ও পরিবারের স্বজনদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৯৮ জনের এ তালিকা করা হয়েছে।
এদিকে সৌদি কর্তৃপক্ষ নিহত কোনো হাজির পরিচয় নিশ্চিত করেনি। তবে লাশ শনাক্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে সৌদি কর্মকর্তরা জানিয়েছেন।
তবে জামালপুরের ফিরোজা খানমের মৃত্যুর ব্যাপারে তার পরিবার নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া আরও আটজন হাজির মৃত্যু হয়েছে বলে তাদের পরিবার থেকে দাবি করা হয়েছে। এরা হলেন- সুনামগঞ্জের জুলিয়া হুদা, মুন্সিগঞ্জের জাহানারা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গোলাম মোস্তফা, দিনাজপুরের কুরমত আলী, ফেনীর তাহেরা বেগম ও নুরনবী, শরিয়তপুরের রাজ্জাক ও হাসিনা আক্তার।
আসাদুজ্জামান জানান, সৌদি কর্তৃপক্ষ তালিকা প্রকাশ না করা পর্যন্ত হতাহতের তালিকায় কত জন বাংলাদেশি আছেন সে ব্যাপারে কিছু বলা যাবে না।
সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশর রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ বলেন, দূতাবাসের কর্মকর্তারা নিখোঁজ হাজিদের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। সৌদি কর্তৃপক্ষ পর্যায়ক্রমে সব নিহত ও আহতদের তালিকা প্রকাশ করবে।
হজের সময় গত বৃহস্পতিবার শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের প্রতীকী আনুষ্ঠানিকতা পালনের সময় মিনার ২০৪ নম্বর সড়কে পদদলিত হয়ে ৭১৭ জন নিহত ও আট শতাধিক আহত হন।
এদিকে, ঘটনার দুদিন পরও নিহত হাজিদের পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় তাদের স্বজনরা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। তারা বিভিন্নভাবে নিজেদের স্বজনদের অবস্থা জানার চেষ্টা করছেন। এবছর বাংলাদেশ থেকে লক্ষাধিক ব্যক্তি হজ করতে গেছেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘খুন হয়ে থাকতে পারেন লালবাহাদুর’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আজও রাজধানী ছাড়ছেন অনেকে
আরেক যাত্রী বলেন, ঈদে আমি ঢাকাতেই কোরবানি দেই, তাই আগে কোথাও যাওয়া হয় না। এখন গ্রামে যাচ্ছি। শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টার কর্মকর্তা বলেন, আজও ভালোই যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে। কাজে আটকা পড়ে যারা বাড়ি যেতে পারেনি, কিংবা ঈদের আগের ঝামেলা এড়াতে চেয়েছেন তারাই এখন বাড়ি যাবেন। অনেকেই কোরবানীর মাংস নিয়ে আজ স্বজনদের বাড়ি যাচ্ছেন। এ ছাড়া ঈদের পরের দিন অনেকেই ঢাকার বাইরে ঘুরতে যাচ্ছেন।
বেসরকারী একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যাচ্ছেন রাঙ্গামাটি। ধানমণ্ডির ডলফিন কাউন্টার থেকে টিকেট কেটেছেন তিনি ও তার বন্ধুরা। তিনি বলেন, ঈদটা বাবা-মায়ের সঙ্গে কাটালাম। এখন ঈদের ছুটি উপভোগ করতে বন্ধুরা মিলে রাঙ্গামাটি ঘুরতে যাচ্ছি। ডলফিন কাউন্টারের কর্মকর্তা বলেন, ঈদের পরও আমাদের বাসের টিকেটের অনেক চাহিদা থাকে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নওয়াজকে ছাপিয়ে রাহিল
![]() |
| এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের (বা থেকে তৃতীয়) বা পাশে সেনাপ্রধান রাহিল শরিফ। ছবি: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া |
উত্তর ওয়াজিরিস্তানে তালেবান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত সেনাদের সঙ্গে ঈদের নামাজ পড়া; বন্যা দুর্গত এলাকায় ছুটে যাওয়া কিংবা বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করা—যা কিছুতে রাহিলের অংশগ্রহণ সেটাই খবরের প্রধান শিরোনাম হয়ে উঠছে।
অনেকেই মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ নন; জেনারেল রাহিল শরিফই এখন দেশ পরিচালনায় চালকের আসনে। কেননা গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি।
চরমপন্থা ও জঙ্গি দমনের বিষয়টি সামনে আসার পরই বিষয়টি সুস্পষ্ট হয়ে উঠতে থাকে। কেননা এ ক্ষেত্রে সরকার যখন নির্লিপ্ত, সেখানে সেনা নেতৃত্ব অনেকটাই শক্ত অবস্থান পোষণ করেন। অবাক হওয়ার কিছু নেই যে জেনারেল রাহিল পাকিস্তানিদের কাছে সেনাবাহিনীর জনপ্রিয়তাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের গত দুই মেয়াদে সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাঁর অভিজ্ঞতা খুব সুখকর ছিল না। নিজের পছন্দ করা সেনাপ্রধান জেনারেল পারভেজ মোশাররফের হাতেই ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়েছিল তাঁকে। তাই তৃতীয় দফায় ক্ষমতায় এসে সেনাপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে সতর্ক চাল চালেন নওয়াজ। তিনি জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে তৃতীয় অবস্থানে থাকা রাহিলকে নিয়োগ দেন সেনাপ্রধান হিসেবে।
পেশাদার সেনা সদস্য হিসেবে রাহিলের ব্যাপক খ্যাতি থাকলেও সরকারের সঙ্গে সেনাবাহিনীর যে দূরত্ব তা সহজে ঘুচার নয়। রাষ্ট্রদ্রোহের দায়ে সাবেক সেনাপ্রধান ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জেনারেল পারভেজ মোশাররফের বিচারের বিষয়টি যখনই সামনে আসে তখনই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দিনের আলোর মতো স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয় তারা এ বিচার মানতে নারাজ। অবশেষে সরকারকে নিরুপায় হয়ে পিছু হটতে হয়। যার ফলশ্রুতিতে পারভেজ মোশাররফ এখন নিশ্চিন্তে করাচিতে নিজের বাড়িতে দিন কাটাচ্ছেন।
জেনারেল রাহিল তাঁর পূর্বসূরি জেনারেল আশফাক পারভেজ কায়ানি থেকে অনেক বেশি দৃঢ়চেতা ও পারদর্শিতার পরিচয় রেখেছেন। যেকোনো কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণে যেখানে কায়ানি ছিলেন অনেক সতর্ক ও বাছবিচারি সেখানে জেনারেল রাহিল অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। তাঁর কাছে জঙ্গি মানে জঙ্গি। এর কোনো ভালো-মন্দ নেই। জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে সরকারের অনুমতির তোয়াক্কা করেন না তিনি। এর ফলে জঙ্গিদের নিরাপদ স্বর্গ হিসেবে পরিচিত উত্তর ওয়াজিরিস্তানে এখন সহিংসতা অনেকটাই কমে এসেছে। এটা জেনারেল শরিফের একটি বড় অর্জন।
গত ডিসেম্বরে পেশোয়ারে স্কুলে নৃশংস তালেবান হামলার পর রাজনৈতিক নেতা না হয়ে সেখানে ছুটে গিয়েছেন রাহিল। শিক্ষার্থীদের দিয়েছেন সান্ত্বনা, জুগিয়েছেন সাহস। এরপর দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় সেনাবাহিনীর তৎপরতা ব্যাপক বাড়ানো হয়েছে। পাকিস্তান বিষয়ে অনেক বিশ্লেষকই মনে করছেন, সেনাবাহিনী কেবল উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় লড়াইয়ে ব্যস্ত নয় তারা মূল ভূ-খণ্ডে জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের সঙ্গে লড়াইয়ে অনেক বেশি মনোযোগী। এরই অংশ হিসেবে করাচিতে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নেওয়া ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান কার্যকর করতে গঠিত কমিটিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেনা কমান্ডাররা। এর মধ্য দিয়ে বোঝা যায় অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় প্রশাসনের চেয়ে সেনাবাহিনীর তৎপরতা বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
২০১৩ সালে সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর গত বছরের নভেম্বর ওয়াশিংটনে, জানুয়ারিতে লন্ডন ও বেইজিংয়ে, জুনে মস্কোতে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন জেনারেল রাহিল। পাকিস্তানের কোনো সেনাপ্রধান এই প্রথম এই দেশগুলোতে গিয়েছেন এমনটা নয়। কিন্তু জেনারেল রাহিলের এ ধরনের সফরে যে আগ্রহ তা নজিরবিহীন।
লক্ষণীয় যে জনগণ মনে করে পশ্চিমা জোটের কাছে এখন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী হচ্ছে প্রধান সিদ্ধান্তদাতা এবং তারা আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতেও সেনাবাহিনীর সহযোগিতা চাচ্ছে। যদিও দেশটির পররাষ্ট্রনীতি নীতে গঠনে সেনাবাহিনী সব সময়ও প্রধান ভূমিকা রেখেছে কিন্তু বর্তমানে সব ধরনের নীতি-নির্দেশনাতে সেনাবাহিনীর অংশ গ্রহণ দেখা যায়। যার প্রকৃষ্ট উদাহরণ হলো দেশটিতে সার্বক্ষণিক পররাষ্ট্র মন্ত্রী না থাকা।
তবে ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক নিয়ে দুই শরিফের মধ্যকার সম্পর্কটা কণ্টকাকীর্ণ। উফা সম্মেলনে গিয়ে দুই দেশের পক্ষ থেকে যে ১০ দফা ঘোষণা দেওয়া হয় যেটাকে পাকিস্তানে একপক্ষীয় বলে উল্লেখ করা হয় তা নিয়ে সেনাবাহিনীর প্রবল আপত্তি রয়েছে। তবে এ নিয়ে যদি দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয় তাতে বাহিনীর কোনো আপত্তি নেই। সম্প্রতি লাইন অব কন্ট্রোল এবং সীমান্তে যে উত্তেজনা বিরাজ করছে তা নিয়ে সেনাবাহিনী তার অবস্থান থেকে কড়া জবাব দেওয়া হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে।
এদিকে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি জেনারেল শরিফের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছেন। নিরাপত্তা সহযোগিতার চুক্তির অংশ হিসেবে আফগান সেনা কর্মকর্তারা এখন পাকিস্তানে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। সম্প্রতি পাকিস্তানের দীর্ঘ দিনের চাওয়া অনুযায়ী আফগান সেনারা সীমান্তে আশ্রয় নেওয়া পাকিস্তানি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। এমনকি আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তালেবান ও আফগান সরকারের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা বসার সুযোগ করে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন রাহিল শরিফ।
সম্প্রতি ইসলামাবাদের বাইরে দ্বিতীয় মুরি বৈঠককে আফগান সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানের প্রথম ধাপ হিসেবে মনে করা হচ্ছে। কেননা সেখানে আফগানিস্তানের দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা ছাড়াও চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিও ছিলেন।
পাকিস্তান ও চীন দীর্ঘ দিন ধরেই কৌশলগত অংশীদার। কিন্তু গত কয়েক বছরে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও সংযোগের ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় উঠে এসেছে। ৪৬ বিলিয়ন ডলারের চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। এই প্রকল্প ও চীনের কর্মীদের সুরক্ষায় ১০ হাজার সদস্যের বিশেষ বাহিনী গঠন করার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। এমনকি চীন থেকে কয়েক হাজার কোটি ডলার দিয়ে আটটি সাবমেরিন ক্রয় নিয়ে আলোচনা চলছে পাকিস্তানের। চীন পাকিস্তানের সম্পর্ক বিষয়ক কয়েকজন বিশ্লেষকের মতে এটি হলে তা হবে চীনের জন্য এই প্রথম কোনো দেশের সঙ্গে এত বড় অঙ্কের চুক্তি।
সেনাবাহিনীর বাইরে নানা ক্ষেত্রে রাহিল শরিফের তৎপরতা হয়তো প্রধানমন্ত্রী শরিফের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে। তবে তিনি তাঁকে সরিয়ে সামরিক শাসনক্ষমতায় আসার শঙ্কা এখনই করছেন না। কেননা ২০১৩ সালে নির্বাচনে কারচুপির যে অভিযোগ পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ এনেছে তা খারিজ করে দিয়েছেন বিচারিক কমিশন। ইন্ডিয়া টুডে অবলম্বনে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আরও চিকিৎসার দরকার ‘ঝোপে পাওয়া’ শিশুটির by কমল জোহা খান
অথচ নির্মম ভাগ্য নিয়ে গত ১৫ সেপ্টেম্বর জন্ম নিয়েছিল এই শিশুটি। ওই দিন দুপুরে রাজধানীর পূর্ব শেওড়াপাড়ায় পুরোনো বিমানবন্দরের রানওয়ে মাঠের পাশে ঝোপের ভেতর থেকে পাওয়া যায় ফুটফুটে ওই মেয়েকে। তখন মেয়েটিকে চার-পাঁচটি কুকুর খামচে ধরেছিল। কুকুরের আক্রমণে ওর মুখ ও নাকের বেশি ক্ষতি হয়। ঠোঁটের ওপরের অংশে মাংস প্রায় ছিল না। শিশুটি বাঁ-হাতের বুড়ো আঙুলসহ দুটি এবং ডান হাতের কড়ে আঙুলে বেশ আঘাত পায়।
জাহানারা বেগম নামে এক এলাকাবাসী উদ্ধার করে ওই দিন সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসেন। তবে আঘাতের সঙ্গে সংগ্রাম করে সুস্থ হয়ে উঠেছে শিশুটি। ক্ষত শুকিয়েছে।
শিশুটির চিকিৎসায় নবজাতক বিভাগের প্রধান আবিদ হোসেন মোল্লাকে প্রধান করে নয় সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। হাসপাতালে প্রথম দিকে ওকে খাবার দেওয়া যাচ্ছিল না। স্যালাইন দিয়ে শিশুটির প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা মেটানো হয়। জলাতঙ্ক ও ধনুষ্টঙ্কারের মতো রোগ প্রতিরোধে শিশুটিকে দেওয়া হয় ভ্যাকসিন।
আবিদ হোসেন মোল্লা আজ শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, শিশুটি শরীরের জটিল স্থানে আঘাত পেয়েছে। কিন্তু এখন অনেকটাই সুস্থ। ওর ঘা শুকিয়েছে। ফিডারে দুধ খাচ্ছে। পায়খানা-প্রস্রাব স্বাভাবিক। শিশুটির পুরোপুরি সুস্থ হতে দীর্ঘ চিকিৎসার প্রয়োজন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষই চিকিৎসার খরচ বহন করছে।
তিনি আরও বলেন, মুখের ক্ষত সারাতে শিশুটির প্লাস্টিক সার্জারি করাতে হবে। তবে সম্পূর্ণ সুস্থ হলে অস্ত্রোপচার করানো হতে পারে।
এদিকে এখনো শিশুটির প্রকৃত মা-বাবার সন্ধান পাওয়া যায়নি। কাফরুল থানার উপপরিদর্শক কৃষ্ণ বিশ্বাস বলেন, আমরা শিশুটিকে যেখান থেকে উদ্ধার করা হয় তার আশপাশের এলাকায় খোঁজ নিচ্ছি। তবে ওর বাবা-মায়ের কোনো সন্ধান পাইনি।
সুস্থ হলে শিশুটির ভার কে নেবে, সে ব্যাপারে কোনো তথ্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিংবা পুলিশ কারও কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। চিকিৎসা শেষে শিশুটিকে নিজেদের কাছে নিতে চান উদ্ধারকারী জাহানারা বেগম। তিনি বলেন, ‘আমি মেয়েটারে বাঁচাইছি। আমার পাঁচ ছেলেমেয়ে। আরেকটা বাড়লে ক্ষতি নাই। রিজিকের মালিক আল্লাহ।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1329)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ▼ 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...







