Thursday, November 26, 2015
যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমবিরোধী সশস্ত্র বিক্ষোভ
সংগঠনটির মুখপাত্র ডেভিড রাইট বলেন, ‘সিরিয়ার শরণার্থীদের আমেরিকায় প্রবেশ এবং আমেরিকাকে ইসলামীকরণের প্রতিবাদে আমরা এখানে সমবেত হয়েছি।’
গত মার্চে আরভিং সিটি কাউন্সিলের একটি বৈঠকে মুসলমানদের একটি গ্রুপ দেশীয় আইনের ওপর (যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত মুসলমানদের জন্য) বিদেশি আইনের প্রাধান্য দেওয়ার বিষয়ে একটি বিলে সমর্থন জানিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে আরভিংয়ের মেয়র ডানপন্থি একটি সংবাদমাধ্যমকে জানান, মুসলমানরা টেক্সাসে শরিয়াহ আইন প্রবর্তনের চেষ্টা করছে। কিন্তু তিনি সেটা হতে দেবেন না। মেয়রের এই ভুলবার্তার পর টেক্সাসে মুসলিমবিরোধী উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
প্রসঙ্গত, টেক্সাসে প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে চলাফেরা বৈধ। সালেম বলেন, গত ১৩ নভেম্বর প্যারিস হামলার ঘটনার পর ঘৃণামূলক কর্মকাণ্ডের সংখ্যা বেড়ে গেছে। তিনি নিজে কয়েকবার মৌখিক নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুদমুক্ত আর্থিক লেনদেনের ধরন by অধ্যক্ষ মো: ইয়াছিন মজুমদার
নবী মুহাম্মাদ সা: মদিনাকেন্দ্রিক ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর সব সুদি কারবার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। পবিত্র কুরআনের চারটি সূরার বারোটি আয়াতের মাধ্যমে সুদকে হারাম ঘোষণা করা হয়। তা ছাড়া রাসূল সা:-এর অসংখ্য হাদিসে সুদের পাপের ভয়াবহতার বর্ণনা রয়েছে। সুদ হারাম ঘোষণার পর কাফিররা বলাবলি করতে লাগল, ‘অর্থ বিনিয়োগ করে কোনো দ্রব্য ক্রয় করে বিক্রয় করলে লাভের টাকা পাওয়া যায়। আবার সুদে টাকা বিনিয়োগ করলে বাড়তি টাকা পাওয়া যায়- বেচাকেনা তো সুদেরই মতোই।’ অর্থাৎ আধুনিক যুগের ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞদের ভাষা ও জাহিলি যুগের কাফিরদের ভাষায় খুব বেশি তফাত নেই। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ পাক বলেন, ‘যারা সুদ খায় তারা হাশরের দিন সে ব্যক্তির ন্যায় দণ্ডায়মান হবে, যাকে শয়তান স্পর্শ দ্বারা পাগল করে দিয়েছে। তাদের এ অবস্থার কারণ এই যে, তারা বলে- নিশ্চয় ব্যবসা তো সুদেরই অনুরূপ। অথচ আল্লাহ ব্যবসায়কে হালাল করেছেন আর সুদকে করেছেন হারাম’ (সূরা বাকারা : ২৭৫)।
এ প্রসঙ্গে কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরছি- ধরা যাক, এক ব্যক্তি বাজার থেকে দু’টি ছাগল কিনে আনল। সে একটি ছাগল বিসমিল্লাহ বলে অর্থাৎ আল্লাহর নাম নিয়ে জবেহ করল। অপর ছাগলটি ইচ্ছাকৃত বিসমিল্লাহ বাদ দিয়ে জবেহ করল। এমতাবস্থায় বিসমিল্লাহ বলে জবেহ করা ছাগলটি খাওয়া হালাল, অপর ছাগলটি খাওয়া হারাম হয়ে গেল। কেউ যদি প্রশ্ন করে- একই জাতীয় প্রাণী একই ব্যক্তি একই রকমভাবে একই ছোরা দিয়ে জবেহের কাজ করল, তবে কেন একটি খাওয়া হারাম, অপরটি হালাল? এর উত্তরে এ প্রশ্নকারীকে কী বলা যাবে?
এক যুবক এক যুবতীকে নিয়ে ইজাব কবুল অর্থাৎ বিবাহ ব্যতীত একটি কক্ষে দৈহিক মিলনসহ আনন্দ করে রাত কাটাল। অপর দিকে অন্য দু’জন যুবক-যুবতী দু’জন সাক্ষীর সামনে ইজাব কবুল বলে একই রকম রাত কাটাল। প্রথম দু’জন যুবক-যুবতীর কর্ম হবে মারাত্মক পাপ। পরবর্তী দু’জন যুবক-যুবতীর কাজ হবে সওয়াবের অর্থাৎ পুণ্যের। যদি কেউ প্রশ্ন করে, একই রকম কাজ করে এক জোড়া যুবক-যুবতীর হবে পাপ, অপর জোড়া যুবক-যুবতীর হবে পুণ্য- এ পার্থক্য কেন? এর উত্তরে এ প্রশ্নকারীকে কী বলা যাবে? কেউ যদি বলে একজন মূর্তিপূজারী ঈশ্বরে বিশ্বাস করে মাটি বা পাথরের মূর্তির সামনে সিজদা দিয়ে ঈশ্বরের নৈকট্য লাভ করতে চায়, অপর দিকে একজন মুসলিম আল্লাহকে বিশ্বাস করে আল্লাহকে পেতে পাথরের কাবাঘরকে সামনে নিয়ে সেজদা দেয়। উভয় কাজ তো একই রকম। তা হলে মূর্তির সামনে সিজদাদানকারী জাহান্নামে এবং কাবার সামনে সিজদাকারী জান্নাতে যাবে- এ পার্থক্য কেন? এ ধরনের প্রশ্নকারীকে নিঃসন্দেহে ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞ ও বোকা বলা হবে।
উল্লিখিত তিনটি উদাহরণের প্রতিটিতে দু’ধরনের কাজের মধ্যে বাহ্যিক তেমন কোনো পার্থক্য না থাকলেও একটি কাজ ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক করা হয়েছে তাই তা পুণ্যের, অপরটি শরিয়াহ মোতাবেক না হওয়ায় পাপের। ঠিক তেমনিভাবে সাধারণ ব্যাংক সুদযুক্ত হওয়ায় ও শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত না হওয়ায় ইসলামি বিধানমতে তাতে লেনদেনে পাপ হবে। ইসলামি ব্যাংক শরিয়াহর নিয়ম অনুসরণ করায় তাতে লেনদেনে পুণ্য হবে।
পাঠকের যেন বিরক্তির কারণ না হয় তাই অতি সংক্ষেপে ইসলামি ব্যাংক লেনদেনে শরিয়াহর যে পদ্ধতি অনুসরণ করে তার কিছু অংশ তুলে ধরছি-
মুদারাবা পদ্ধতি : এ পদ্ধতিতে দু’টি পক্ষ থাকে। এক পক্ষ সাহিবুল মাল অর্থাৎ অর্থ জোগানদাতা। অপর পক্ষ ওই অর্থ দ্বারা তার মেধা, শ্রম ও চেষ্টার মাধ্যমে ব্যবসায় পরিচালনা করে। দ্বিতীয় পক্ষকে বলে মুদারিব। ইসলামি ব্যাংকে সঞ্চয়ী হিসাবের ও সঞ্চয়ী আমানতের লেনদেনে টাকা জমাকারী সাহিবুল মাল আর ব্যাংক মুদারিব। বিনিয়োগকৃত টাকায় যে লাভ হবে শর্তানুযায়ী উভয় পক্ষ তার লভ্যাংশের ভাগ পাবে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক তার পূর্ব অভিজ্ঞতা ও ব্যবসায়ের অবস্থার আলোকে স্বল্পহারে মাসিক নির্দিষ্ট লভ্যাংশ প্রদান করতে পারে। বছরান্তে পূর্ণাঙ্গ লভ্যাংশ হিসাব করে পূর্বে প্রদত্ত লভ্যাংশ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট লাভ সাহিবুল মালকে প্রদান করতে পারে। লোকসান হলে লোকসানের ভাগও নিতে হয়। অপর দিকে ব্যাংক যখন কোনো ব্যক্তিকে ওই পদ্ধতিতে বিনিয়োগ দেয়, তখন ব্যাংক হবে সাহিবুল মাল আর বিনিয়োগগ্রহিতা মুদারিব।
আলওয়াদিয়া পদ্ধতি : চলতি হিসাবে গ্রাহক যে টাকা হিফাজতের জন্য জমা রাখে মধ্যবর্তী সময়ে তা ব্যাংককে ব্যবহারের অনুমতি দেয়। চাহিবামাত্র ব্যাংক তার অর্থ তাকে ফেরত দিতে বাধ্য। এ হিসাবের ক্ষেত্রে লাভ-ক্ষতির কোনো সম্পর্ক নেই। তা ছাড়া বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাংক বেশির ভাগ বাঈ (ক্রয়-বিক্রয়) পদ্ধতি অনুসরণ করে; যেমন- শিরকাত ফিলবাই (অংশীদারি পদ্ধতি), ইজারা (ভাড়া, মজুরি), বাইয়েমুরাবাহা (লাভে বিক্রি), বাইয়েমুয়াজ্জাল (মুনাফার ভিত্তিতে বাকিতে মাল বিক্রি), বাইয়েসালাম (আগাম মূল্যশোধে বিক্রি), বাইয়েইসতিসনা (কোনো নির্ধারিত দামে কোনো বস্তু তৈরি করে দেয়া) ইত্যাদি পদ্ধতি অনুসরণ করে। ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ইসলামে নিষিদ্ধ কোনো ব্যবসায় সম্পদ বিনিয়োগ করে না। ইসলামি ব্যাংকগুলো আমানত গ্রহণের ক্ষেত্রে মুদারাবা ও মুশারাকা পদ্ধতি গ্রহণ করলেও বিনিয়োগ প্রদানের ক্ষেত্রে বাঈ (ক্রয়-বিক্রয়) পদ্ধতি বেশি ব্যবহার করে মুশারাকা মুদারাবা পদ্ধতিতে বিনিয়োগ প্রদান করলে জনগণ বেশি উপকৃত হতো। নিদির্ষ্ট লাভে বিনিয়োগ অবৈধ নয়; যেমন- কেউ কাউকে এক শত টাকা দিয়ে এক শত দশ টাকা গ্রহণ করলে বাড়তি দশ টাকা সুদ; কিন্তু এক শত টাকার পণ্য কারো কাছে এক শত দশ টাকায় বিক্রি করলে বাড়তি দশ টাকা লাভ ও বৈধ। ইসলামি ব্যাংকগুলো শুধু লাভ করে, লোকসান দেয় না- এ কথাটিও সঠিক নয়, কেননা ব্যাংকে সব শাখার মধ্যে কিছু শাখা লোকসান দিলেও বেশির ভাগ শাখা লাভ করলে গড়ে লাভ হয়। যদি কেউ বলে ইসলামি ব্যাংকগুলো থেকে এসব বিক্রয়সংক্রান্ত ঋণ নিতে গেলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্যাংক থেকে বলা হয়, মাল কিনে ভাউচার নিয়ে আসুন। তখন গ্রাহক ভুয়া একটি ভাউচার বানিয়ে টাকা নিয়ে যায়। এটা তো টাকা নিয়ে টাকা দেয়া সুদেরই মতো। এর জবাবে বলা যায়, ব্যাংকের লোকজন গিয়ে সরাসরি মাল কিনে দিলেই উত্তম হতো। কিন্তু একটি ব্যাংকের পক্ষে বিভিন্ন কারণে সব সময় তা সম্ভব হয়ে ওঠে না। ব্যাংক গ্রাহককে মাল কিনে ভাউচার জমা দিতে বলে মূলত তাকে মাল কেনার উকিল নিযুক্ত করে। এখন গ্রাহক যদি ভুয়া ভাউচার এনে দেয়- গ্রাহক উকালতির দায়িত্ব পালনে ত্র“টি করল। এ জন্য ব্যাংককে দায়ী করা যায় না।
উকিল নিযুক্ত করে লেনদেন, বিবাহশাদী, ক্রয়-বিক্রয় করা ইসলামি শরিয়তে বৈধ। ইসলামি আইনশাস্ত্রে বাবুল উকালাত (উকিল নিযুক্ত করণ) বিষয়ে আলাদা অধ্যায় রয়েছে। আপনি যদি আপনার বাড়িঘর ও সম্পদ বিক্রি করার জন্য কাউকে উকিল নিযুক্ত করেন, তবে ভূমি রেজিস্ট্রি অফিসে আপনাকে যেতে হবে না। যাকে উকিল (আমমোক্তার) নিযুক্ত করেছেন তিনি রেজিস্ট্রি করে দিলেই আপনার বাড়িঘর-সম্পদ বিক্রি হয়ে যাবে। তাহলে ব্যাংক কাউকে দায়িত্ব দিলে, তা অবৈধ হবে কেন? বিক্রয়-পদ্ধতিতে বিনিয়োগে ব্যাংক সাধারণত লোকসানের ভাগ নেয় না। যেমন- আপনি বাজার থেকে একহালি ডিম কিনলেন, ক্রেতা আপনাকে তা বুঝিয়ে দিলো; বাড়িতে আসার পথে আপনি ডিমগুলো ভেঙে ফেললেন। এর দায়ভার কি বিক্রেতা নেবে? বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত ইসলামি ব্যাংকিংয়ের অনুমতি দিয়েছে। ইসলামি ব্যাংকিং যেন শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত হয় সে জন্য ‘গাইড লাইন্স ফর ইসলামিক ব্যাংকিং’ নামে নীতিমালা জারি করেছে। ইসলামি ব্যাংকগুলো সে নীতিমালা মানছে কি না, তার তদারকি বাংলাদেশ ব্যাংক করে। দেশের সব ব্যাংক তাদের তলবি ও মেয়াদি আমানতের এসএলআর হিসাবে একটি নিদিষ্ট অংশ বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। ইসালামি ব্যাংক এ জমা ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও এবং ইসলামি বিনিয়োগ বন্ড হিসাবে জমা রাখে- এ বন্ড মুদারাবা পদ্ধতিতে ও আন্তঃইসলামি ব্যাংকিং লেনদেনে ব্যবহৃত হয়; ফলে তা সুদমুক্ত কিন্তু প্রচলিত সুদভিত্তিক ব্যাংক এ জমার বিপরীতে সুদ নেয়। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে ইসলামি ব্যাংকগুলো ফরেন কারেন্সি ক্লিয়ারিং অ্যাকাউন্টে বৈদেশিক মুদ্রা জমা রাখতে হয়। এবং লন্ডন ইন্টার ব্যাংক অফার রেট অনুযায়ী সুদ পেয়ে থাকে, যা অবৈধ। অপর দিকে বাংলাদেশে ঋণখেলাপির প্রবণতা বেশি থাকায় ঋণখেলাপি প্রবণতা রোধে ইসলামি ব্যাংকগুলো খেলাপি বিনিয়োগের ওপর ক্ষতি পূরণ আদায় করে। যেসব দেশে ঋণখেলাপি প্রবণতা নেই এবং রাষ্ট্র খেলাপি ঋণ আদায়ের দ্রুত ব্যবস্থা করে দেয়, সেখানে শরিয়াহ বোর্ড ক্ষতিপূরণ আদায়ের অনুমতি দেয় না। ওই ক্ষতিপূরণ আদায় অবৈধ। এসব অবৈধ অর্থ এবং প্রচলিত রাষ্ট্রীয় আইনের ফাঁকফোকরে অন্য উৎস থেকেও ইসলামি ব্যাংকগুলোতে সুদের টাকা আসতে পারে। ইসলামি ব্যাংকগুলো এ সুদের টাকা তার মুনাফা হিসেবে গণ্য করে না। শরিয়াহ বোর্ডের পরামর্শমতো দাতব্য খাতে ব্যয় করে এবং আলাদা করে রেখে দিয়ে হাসপাতাল-ক্লিনিকের মাধ্যমে দরিদ্র অসহায় রোগীর সেবায় ব্যয় করে। দরিদ্রদের মধ্যে শীতবস্ত্র, কম্বল বিতরণ করে, ত্রাণতহবিলে দান করে, ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় দান করে।
সুদি ব্যাংকের মাধ্যমে এলসি খুলে খাদ্যদ্রব্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য আমদানি করা হয়, চাকরিজীবীদের বেতন সুদি ব্যাংকের মাধ্যমে দেয়া হয়, সুদি ব্যাংকের লোনের মাধ্যমে রাস্তাঘাট তৈরি ও দেশের উন্নয়নকাজ করা হয়। আমরা কি সেই খাদ্য খাই না? সে সামগ্রী ব্যবহার করি না? সে বেতন তুলি না? সে রাস্তায় চলি না? রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার কারণে তা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় আইন কি অমান্য করা যাবে? এ ক্ষেত্রে আমরা কি সুদের পাপে পাপী হবো? এ ক্ষেত্রে আমাদের পাপ হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে যদি সুদভিত্তিক অর্থব্যবস্থার পরিবর্তন কামনা না করে খুশি মনে তা করা হয় এবং স্বাভাবিক লেনদেন সুদি ব্যাংকে করা হয় তবে পাপ হবে। ইসলামি ব্যাংকগুলো একেকটি লি: কোম্পানি, যদি কোনো কোম্পানি তাদের লাভের জন্য গোপনে শরিয়াহ নীতি লঙ্ঘন করে লেনদেন করে তার পাপ গ্রাহকের হবে না, ওই পাপ ব্যাংক কর্তৃপক্ষের। ইসলামি ব্যাংকগুলো শরিয়াহভিত্তিক পরিচালনার জন্য রয়েছে বিজ্ঞ আলেমদের সমন্বয়ে শরিয়াহ বোর্ড। ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ লি: নামে প্রথম বাংলাদেশে ইসলামি ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হয়। এ ব্যাংকের সুফল দেখে বর্তমানে বাংলাদেশে নয়টির বেশি ইসলামি ব্যাংকের শত শত শাখা ইসলামি ব্যাংকিং পদ্ধতি অনুসরণ করছে। এসব ব্যাংকের নিজস্ব শরিয়াহ বোর্ড ছাড়াও রয়েছে সেন্ট্রাল শরিয়াহ বোর্ড ফর ইসলামিক ব্যাংকস্ অফ বাংলাদেশ। বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশে বিভিন্ন নামে শরিয়াহভিত্তিক ইসলামি ব্যাংকিংব্যবস্থা রয়েছে। রয়েছে ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক (ওউই)। অন্যান্য ব্যাংক জামানত ছাড়া ঋণ দেয় না; ফলে দরিদ্র জনগোষ্ঠী উপকৃত হয় না। এ জন্য ইসলামি ব্যাংক পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প, আরবান পুউর ডেভেলপমেন্ট স্ক্রিমের মাধ্যমে প্রায় জামানতবিহীন বিনিয়োগ করে দরিদ্র জনগণের উপকার করছে; ফলে ইসলামি ব্যাংকিং কল্যাণকর ব্যাংকিং। ইসলামি ব্যাংকিং স্বাভাবিক লেনদেন করে মুসলমানগণ সুদের ভয়াবহ পাপ থেকে রক্ষা পেতে পারে।
লেখক : অধ্যক্ষ, ফুলগাঁও ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসা, কুমিল্লা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একটি জগাখিচুড়ি নির্বাচন হচ্ছে
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘একদলীয় শাসনের কবলে দেশ’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আ’লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যানের নির্যাতনে কাতরাচ্ছেন গৃহবধূ ফজিলা by মোঃ শহীদুল হক সরকার
সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নির্যাতিত ফজিলা বেগম ও তার স্বামী বাবলু মিয়া এবং এলাকাবাসী জানান, রোববার দুপুরে উপজেলার বনকুড়ি গ্রামে বনকুড়ি মসজিদের নিয়ন্ত্রনে থাকা খাস জলাশয়ের মাছ ধরতে যায় ১২ নং রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সমর্থিত ইউপি চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ ওরফে বাবা সুলতান ও তার সহযোগীরা। এ সময় এলাকার নারী পুরুষ সকলে এসে মাছ মারতে বাঁধা দিলে তিনি পকেট থেকে পিস্তল বের করে সবাইকে তাড়িয়ে দেন। ঘটনার সময় বনকুড়ি গ্রামের বাবলু মিয়ার স্ত্রী ফজিলা বেগম (৩৮) সকলের পিছনে পড়ে গেলে বাবা সুলতান তাকে ধরে রাস্তা দিয়ে টেনে হিচড়ে বনকুড়ি ব্রিজে নিয়ে আসে। পরে তার সহযোগী শামীম ও এনামুলসহ কয়েকজন এলোপাথারিভাবে মারপিটের পর তার মাথায় রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে ও তার বাম পা এবং হাত ভেঙ্গে দেয়। বাবা সুলতার চলে যাওয়ার পর এলাকাবাসী আহত গৃহবধু ফজিলা বেগমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।
এলাকাবাসী জানিয়েছে ‘বাবা সুলতান’ খ্যাত সুলতান আহমেদ ২০১১ সালের ২৫ জুন ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও নির্যাতনের কারণে তার বিরুদ্ধে অনেক মামলা হলে তিনি চলে যান আত্মগোপনে। বেশির ভাগ সময়ই ইউনিয়ন পরিষদ চলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দিয়ে। সুলতান আতঙ্কে সাধারণ মানুষেরা কেউ আর ইউনিয়ন কার্যালয়ে যায় না। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে একটি গোপন কক্ষ রয়েছে। সেটা সবার কাছে সুলতানের টর্চার সেল নামে পরিচিত। নির্যাতনের ভয়ে প্রকাশ্যে তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতেও চায় না। বগুড়া অবস্থান করে সপ্তাহে ২/১দিন তিনি অফিস করেন।
এর আগে এই চেয়ারম্যান সুলতানের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে দুর্নীতিসহ সতেরোটি অভিযোগে তার উপর অনাস্থা এনে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে স্মারকলিপি দেন ইউনিয়ন পরিষদের ১০ ইউপি সদস্য। পরে চেয়ারম্যানের রোষানল থেকে বাঁচতে রাতেই জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সিংড়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তারা।
এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য বাবা সুলতানের মোবাইল নম্বরে বার বার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। সিংড়া থানার ওসি নাসির উদ্দিন মন্ডল বলেছেন, বিষয়টি তিনি লোকমুখে শুনেছেন তবে এ ঘটনায় এখনও কেউ থানায় মামলা করতে আসেনি। মামলা করলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বগুড়ায় শিয়া মসজিদে ঢুকে গুলি, মুয়াজ্জিন নিহত
শিবগঞ্জের আটমুল ইউনিয়নের হরিপুর বাসস্ট্যান্ড শিয়া মসজিদে আজ বৃহস্পতিবার মাগরিব নামাজের পর এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হরিপুর বাসস্ট্যান্ড শিয়া মসজিদে মাগরিব ও এশার নামাজ একসাথে পড়া হয়। বৃহস্পতিবার মাগরিব নামাজের সময় নিয়মিত মুসল্লিদের সাথে ২০-২২ বছর বয়সী অপরিচিত তিন যুবক মসজিদে প্রবেশ করে। তাদের মাথায় টুপি এবং পরনে পায়জামা-পাঞ্জাবি ছিল। মাগরিব নামাজ শেষে যখন মুসল্লিরা এশার নামাজের জন্য অপেক্ষা করছিল ঠিক সেই মুহূর্তে ওই তিন যুবক মুসল্লিদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে থাকে। গুলির শব্দ শুনে আশে পাশের লোকজন ছুটে এলে ওই তিন যুবক দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।
গুলিবিদ্ধ অপর তিনজন হলেন- হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা আফতাব হোসেন (৪০), মাওলানা শাহিনুর ইসলাম (৩৫) ও আলাদীপুর গ্রামের আবু তাহের মিস্ত্রি (৫০)।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মসজিদটি ঘিরে রেখেছে। জড়িতদের ধরতে এলাকায় অভিযান চলছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দামি হাসপাতালে তোফা আরামে মনোরঞ্জনা
দিন পনেরো আগে হঠাৎ সকাল থেকেই তাঁকে ফুরেফুরে মেজাজে দেখে খানিক অবাক হয়েছিলেন ওই কর্মীরা। ওই দিনই দুপুরে কার্ডিওলজি বিভাগের সামনে অ্যাম্বুল্যান্স আসার খবর শুনে বিছানা থেকে প্রায় লাফিয়ে উঠে পড়েছিলেন মনোরঞ্জনা। তার পর তড়িঘড়ি ব্যাগপত্তর গুছিয়ে সটান অ্যাম্বুল্যান্সে উঠে পড়েন তিনি। কার্ডিওলজি বিভাগের এক কর্মী বললেন, ‘‘প্রথমে আমরা ভেবেছিলাম, উনি বোধ হয় জেলেই চলে গেলেন। কিন্তু প্রশ্ন জেগেছিল, জেলে গেলে এত ফূর্তি হবে কেন! পরে আসল কারণটা বুঝতে পারলাম। উনি সরকারি হাসপাতাল থেকে বেসরকারি হাসপাতালে থাকার অনুমতি পেয়েছেন।’’ সিবিআইয়ের কর্তারা জানিয়েছেন, গ্রেফতার হওয়ার পরেই মনোরঞ্জনা লকআপে এসি মেশিন বসানোর বায়না জুড়েছিলেন। পরে তাঁকে অসুস্থতার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখান থেকে তিনি ভর্তি হয়েছেন একবালপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের আটতলার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত একটি বিলাসবহুল কেবিনে।
সিবিআই সূত্রের খবর, প্রথমে এসএসকেএম হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের ৪ নম্বর কেবিনে মনোরঞ্জনাকে রাখা হয়েছিল। কিন্তু সরকারি হাসপাতালের কেবিনে এসি মেশিন নেই। এ নিয়ে অনেক বার অনুযোগ করছেন তিনি। হাসপাতালে তাঁর জন্য আলাদা শৌচালয়ের ব্যবস্থা করার দাবিও তুলেছিলেন। মনোরঞ্জনার বক্তব্য ছিল, সরকারি হাসপাতালের এই পরিবেশের সঙ্গে তিনি মানিয়ে নিতে পারছেন না। তাই আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। সিবিআই আফিসাররা জানিয়েছেন, জেরার সময়েও মনোরঞ্জনা বারবার জানিয়েছেন, যে বিলাসবহুল জীবনযাত্রায় তিনি অভ্যস্ত, তাতে এই পরিবেশে থাকা তাঁর পক্ষে অসম্ভব। কিন্তু আইনে এ রকম কোনও ব্যবস্থা না থাকায় তাঁর এই সব দাবি মানা যায়নি বলে জানিয়েছিলেন সিবিআই অফিসারেরা।
তা হলে এখন কী করে সরকারি হাসপাতাল থেকে বিলাসবহুল বেসরকারি হাসপাতালে গেলেন মনোরঞ্জনা? সিবিআই অফিসারেরা জানিয়েছেন, গত ৭ নভেম্বর মনোরঞ্জনা আলিপুরের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারকের কাছে একটি আর্জি পেশ করে জানান, তাঁর উন্নতমানের চিকিৎসার প্রয়োজন, যা সরকারি হাসপাতালে পাওয়া যাচ্ছে না। তাই তিনি নিজের খরচে কোনও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে চান। ওই দিন সিবিআই তাঁকে ফের হেফাজতে নেওয়ার আর্জি জানায়নি। তাই আদালত মনোরঞ্জনার জামিনের আবেদন খারিজ করে তাঁকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়। পরে তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত আর্জিও মঞ্জুর করে কোর্ট। নিজের খরচে চিকিৎসা করানোর বিষয়ে সিবিআইয়ের পক্ষ থেকেও কোনও আপত্তি জানানো হয়নি। মনোরঞ্জনার আইনজীবী বিপ্লব গোস্বামী বলেন, ‘‘সব কিছু আইনের পথেই হয়েছে।’’
সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১১ নভেম্বর একবালপুরের ওই হাসপাতালে ভর্তি হন মনোরঞ্জনা। হাসপাতাল সূত্রের খবর, তিনি যে কেবিনে রয়েছেন তার দৈনিক ভাড়া ৮ হাজার টাকা। তা ছাড়া দৈনিক আরও ৬ হাজার টাকা খরচ রয়েছে। সব মিলিয়ে রোজ প্রায় ১৪ হাজার টাকা খরচ করে ওই কেবিনে থাকছেন মনোরঞ্জনা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ২০০ বর্গফুটের ওই কেবিনে রয়েছে সোফাসেট ও টিভি।
এ দিন আটতলার ওই কেবিনের সামনে গিয়ে দেখা গেল, দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। সামনে পুলিশ পাহারা। তবে অভিযুক্তর সঙ্গে দেখা করতে আসছেন অনেকেই। সিবিআই সূত্রের খবর, জেল হেফাজতে থেকেও পরিজনদের সঙ্গে নিয়মিত দেখা করছেন মাতঙ্গ সিংহের প্রাক্তন পত্নী। সিবিআইয়ের দাবি, হাসপাতালের কাছেই একটি হোটেলে এসে উঠেছেন তাঁর আত্মীয়রা।
কী চিকিৎসা হচ্ছে ওই হাসপাতালে? আদালতে দাখিল করা নথি অনুয়ায়ী, মনোরঞ্জনার হৃদ্যন্ত্রে সমস্যা রয়েছে। সঙ্গে উচ্চ-রক্তচাপ, ইউরিক অ্যাসিড ও ডায়াবেটিসজনিত সমস্যাও আছে। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এখন উচ্চ-রক্তচাপজনিত অল্প সমস্যা ছাড়া বাকি সব কিছু নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে।
মনোরঞ্জনার প্রাক্তন স্বামী মাতঙ্গ সিংহও সারদাকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন। প্রভাবশালী ব্যক্তি বলে সুপ্রিম কোর্ট তাঁর জামিনের আবেদনও খারিজ করে দিয়েছে। সিবিআই সূত্রের খবর, মাতঙ্গ সিংহের কিডনি ও লিভার প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু তিনি এখনও জেল হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। অন্য দিকে মনোরঞ্জনার জন্য পৃথক ব্যবস্থা। অনেকটাই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্রের মতো। মদনও জেল হেফাজতে থাকাকালীন এসএসকেএমের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেবিনে ছিলেন। সিবিআইয়ের এক অফিসার বলেন, ‘‘মদনের সঙ্গে মনোরঞ্জনা ফারাক একটাই। মদন সরকারি খরচে সরকারি হাসপাতালে রাজার হালে ছিলেন। আর মনোরঞ্জনা নিজের খরচে তোফা আরামে রয়েছেন।
প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েও মাতঙ্গের কপালে অবশ্য এর কোনওটাই জোটেনি।’’
সুত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বল্পোন্নত থেকে বের হতে আরও সময় লাগবে বাংলাদেশের
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে মৃত্যু ও ধবংসের চক্র by সুনন্দা কে. দত্ত রায়
সালাউদ্দিন চৌধুরী নিজেও হয়তো জানতেন না, তার সেদিনকার কথাগুলো কতটা নির্দয় ভবিষ্যদ্বাণীপূর্ণ ছিল। মাত্র দুই বছর পর শেখ মুজিবুর রহমান ও পরিবারের বেশিরভাগ সদস্য তার ধানমন্ডির বাসায় নির্দয়ভাবে খুন হন। তাজউদ্দীন আহমেদ ও অন্য মন্ত্রীদের টেনেহিঁচড়ে ঢাকার কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়। শেখ মুজিবের হত্যাকারী অথবা তাদের কট্টর সমর্থকরা কারাগারে ঢুকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে তাদের।
জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ স¤পাদক আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের সঙ্গে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকেও এখন ফাঁসি দেয়া হলো। ২০১০ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনা ওয়াজেদের প্রতিষ্ঠিত দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল ২০১৩ সালের অক্টোবরে ফাঁসির দ- দেয় সালাউদ্দিনকে। তার করা আপিল খারিজ করে দেয় বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট।
যথাযথ প্রক্রিয়াই এখানে অনুসরণ করা হয়েছে। কিন্তু এ উপমহাদেশে, যেখানে সাক্ষী কেনাবেচা করা যায়, প্রমাণও যেখানে প্রায়ই কাগজে লেখার উপযুক্ত নয়, সেখানে এসবের মূল্যই বা কি? সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আর কতদিন বাংলাদেশ অতীতের কয়েদি হয়ে থাকবে, যে অতীত প্রতিশোধ ও ন্যায়বিচারের মধ্যকার পার্থক্য অস্পষ্ট করে দেয়? সত্যিকারের স্বাধীন হওয়ার জন্য কখন বাংলাদেশ পর্যাপ্ত আত্মবিশ্বাস অর্জন করবে?
মৃত্যু ও ধ্বংসের চক্রে আরেকটি সংযোজন সালাউদ্দিনের মৃত্যু। সামাজিক স্থিতিশীলতা উপভোগ করার যে সুযোগটুকু বাংলাদেশের এখনও রয়েছে, এ চক্র তাও ধ্বংস করতে পারে।
সমান্তরাল আরেকটি বিষয় যেটি মাথায় আসে, তা হলো ভিয়েতনাম, যে দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ও তিক্ত একটি যুদ্ধ লড়েছিল। কিন্তু বহু বছর ধরে চলা সংঘাতের তিক্ততা ভিয়েতনামে যতটা স্মরণ করা হয়, তার চেয়ে বেশি করা হয় দেশটির বাইরে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মতপার্থক্য মিটিয়ে ফেলাই হবে জাতীয় ভবিষ্যতের জন্য উত্তম, এ পরিপক্ব সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পেরেছিল ঐক্যবদ্ধ ভিয়েতনামিজরা। এ কারণেই তারা অতীতের দাস নয়, বরং তারা অতীতকে নিজেদের আয়ত্তে নিয়ে এসেছে। তারা ভারতীয়দের মতো নয়, যারা সড়কের নাম পরিবর্তন করে বা ব্যক্তি-ভাস্কর্য অপসারণ করে ইতিহাসকে মুছে ফেলার শিশুতোষ প্রচেষ্টা চালায়। ভিয়েতনাম গর্বের সঙ্গে তাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সব টানেল ও ধ্বংসাবশেষ অক্ষত রেখেছে।
অনুরূপ ঘটনা আরেকটি হতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা, যে দেশটির কৃষ্ণাঙ্গ ও ভারতীয়-বংশোদ্ভূত নাগরিকরা বহু দশক ধরে চলা নিষ্ঠুর নিপীড়নমূলক শাসনে সবচেয়ে কঠোর বর্ণবাদী বৈষম্যের ভুক্তভোগী ছিল। তারাও অতীতের শত্রুতা কাটিয়ে উঠে নিজেদের জন্য নতুন জীবন সৃষ্টির সাহসী প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এটা সত্য, অনেক শ্বেতাঙ্গ বহুজাতিক সমাজে বসবাস না করে অস্ট্রেলিয়ায় চলে গিয়েছিল। কিন্তু আমি এক শ্বেতাঙ্গ পরিবারকে চিনি। তারা পুরনো দক্ষিণ রোডেশিয়া (বর্তমান জিম্বাবুয়ে) থেকে জাতিবিদ্বেষ-পরবর্তী দক্ষিণ আফ্রিকায় চলে গিয়েছিল। কারণ, তারা বিশ্বাস করেছিল ওই দক্ষিণ আফ্রিকাই তাদের জন্য অনেক বেশি সাম্যের দেশ হবে। তারা কিন্তু হতাশ হয়নি। এটার অন্যতম কৃতিত্ব বিশপ ডেসমন্ড টুটুর। তার মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি, সর্বজনীন দূরদর্শিতার ফলে গঠিত হয়েছিল কমিশন অব ট্রুথ অ্যান্ড রিকন্সিলিয়েশন। এ কারণেই তিনি যোগ্যতম ব্যক্তি হিসেবে নোবেল শান্তি পুরস্কার জয় করেন।
এ জিনিসটিই আহত ও ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশের খুব বেশি দরকার। এ দেশটি এক রাষ্ট্রনায়কের নিরাময়ের ছোঁয়ার জন্য আর্তনাদ করছে। যে রাষ্ট্রনায়ক ইতিহাস বুঝবেন, ফলে নিজের ব্যক্তিগত শোকের অন্ধকার ছাড়িয়ে উজ্জ্বলতর দিগন্তে চোখ রাখতে সক্ষম হবেন। তা যতদূরেই হোক না কেন। শাসকের আকস্মিক পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা যে দেশগুলোর রয়েছে, সেখানে সমাপ্তি খুব সুখকর হয়নি।
এটা ভাবা মূর্খতা হবে যে, বৃটিশ শাসনের সময় ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসের সকল জ্যেষ্ঠ ভারতীয় সদস্য তৎকালীন কংগ্রেস দল ও ‘স্বরাজ’-এর লক্ষ্য সমর্থন করেছিলেন। আবেগি জহরলাল নেহরু তাদেরকে বহিষ্কার করার জন্য উত্তেজিত হয়ে থাকতে পারেন। কিন্তু চির বাস্তববাদী বল্লবভাই প্যাটেল নির্দেশ দিয়েছিলেন অন্য কিছু। তিনি অবশ্যই উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন যে, সরকারি ব্যক্তিদের তাদের ওই সময়ের প্রেক্ষাপটের বাইরে বিবেচনা করাটা অন্যায্য।
সালাউদ্দিনের পিতা ফজলুল কাদের চৌধুরী ছিলেন পাকিস্তান ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির পঞ্চম স্পিকার। আইয়ুব খানের অধীনে কনভেনশন মুসলিম লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তিনি। তিনি কিছু সময়ের জন্য পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টও ছিলেন। রাঙ্গামাটির চাকমা প্রধান রাজা ত্রিদিব রায়ের মতো তিনিও বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলেন, তার সে অধিকারও ছিল। কিন্তু তিনি কোন যুদ্ধাপরাধ করেছিলেন কিনা যার দরুন তাকে কারাদ- দেয়া হয়েছিল, সে ব্যাপারে আমার জানা নেই। আটক থাকা অবস্থায় তার আকস্মিক মৃত্যুর কারণে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ও তাকে বিচারের মুখোমুখি করার প্রয়োজনীয়তা এড়াতে পেরেছিল কর্তৃপক্ষ।
সালাউদ্দিনও সম্ভবত পূর্ব বাংলার স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলেন। তাকে আমি যখন জানতে পেরেছি, ততদিনে তিনি নতুন বাস্তবতা মেনে নিয়েছিলেন। বাংলাদেশেই তিনি রাজনৈতিক ক্যারিয়ার গঠনের জন্য তিনি প্রস্তুত ছিলেন। নিজের এলাকা চট্টগ্রাম থেকে কমপক্ষে ছয় বার তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। প্রাথমিকভাবে তিনি স্বতন্ত্র হিসেবে কাজ করেছেন। পরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শাসনামলে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সংসদবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন। তার বিরুদ্ধে হিন্দু গণহত্যা এবং আওয়ামী লীগের হিন্দু ও মুসলিম কর্মীদের উদ্দেশ্যমূলক হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছিল। অনেক ভারতীয়র সন্দেহ, তিনি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বিদ্রোহীদের সহায়তা ও সমরাস্ত্র সরবরাহ করে আসছিলেন। বলা হয়ে থাকে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল। আর যুদ্ধের পর মাথার খুলির পাহাড়ের যে দৃশ্য সবাই দেখেছিল, তাতে করে এটা আশ্চর্য্যজনক নয় যে, ওই ক্ষত দীর্ঘদিন থেকে যাবে। সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ এ ক্ষতকে জীবিত রাখে, রক্তপাত ঘটায়। ২০১৩ সালের শাহবাগ আন্দোলন ও বেছে বেছে ও বিচ্ছিন্নভাবে ধর্মনিরপেক্ষ ব্লগারদের হত্যা বাংলাদেশী সমাজের মৌলিক একটি অস্থিতিশীলতার কথা মনে করিয়ে দেয়। সম্ভবত, যখন একটি ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্রের জন্ম হয়েছে ভেবে ভারতীয়রা উদ্যাপন করছিল, তখনই হয়তো পূর্ব বাংলার কিছু মুসলিম বেছে বেছে হত্যা করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করেছিলেন।
পাকিস্তান বিভক্তির বিরোধিতা করেছিলেন তৎকালীন এমন এক বাঙালি কূটনীতিক পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পরাজয়ের কথা শোনার পর ঢাকায় ফেরার উদ্দেশে রওনা দেন। তিনি ও তার মালামাল তখন মাঝ সমুদ্রে। কি মনে করে তিনি এক পর্যায়ে জাহাজ থেকে নেমে যান কাছের এক বন্দরে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রগামী আরেকটি জাহাজে মালামালসমেত উঠে যান তিনি। যুক্তরাষ্ট্রেই তিনি বাকি জীবন কাটিয়েছেন। তিনি আসলে বিজ্ঞ ছিলেন।
[সুনন্দা কে. দত্ত রায় ভারতের একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, কলামিস্ট ও লেখক। উপরের লেখাটি ভারতের দ্য এশিয়ান এইজ পত্রিকায় প্রকাশিত ‘ট্রাবল্ড ঢাকা’ শীর্ষক তার নিবন্ধের অনুবাদ।]
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নারীরা পুরুষের সমান নন: এরদোয়ান
![]() |
| রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তুরস্কের পরিকল্পিত উস্কানিতে যুদ্ধে জড়াবে না রাশিয়া
কয়েকটি রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র লাঞ্চার এবং কমান্ড পোস্ট নিয়ে এ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে।
তুরস্ক-রাশিয়ার সামরিক সহযোগিতায় ছেদ : তুরস্কের সঙ্গে সব ধরনের সামরিক সহযোগিতা স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। একই সঙ্গে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ তুরস্ক সফর বাতিল করেছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারত ছাড়ার চিন্তা করিনি : আমির খান
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমিরের মতো এআর রহমানও অনিরাপদ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পিছু হটতে নারাজ রাশিয়া, তুরস্ক ভূমধ্যসাগরে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশী হাই কমিশনারকে তলব করবে পাকিস্তান
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংসদে বিতর্কে ধর্মনিরপেক্ষতা by সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
ভারতীয় সংবিধান নিবেদনের ৬৫তম এবং সংবিধানের অন্যতম রূপকার বাবাসাহেব ভীমরাও আম্বেদকরের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে অধিবেশনের প্রথম দুদিন বিশেষ এক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। এই বিশেষ আলোচনাপর্বেই বড় হয়ে উঠে আসে অসহিষ্ণুতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্ন। আর সেখানেই শাসক বিজেপিকে সরাসরি কটাক্ষ করে সোনিয়া বলেন, ‘সংবিধান রচনায় যাঁদের পূর্বসূরিদের কোনো ভূমিকাই ছিল না, সংবিধানের ওপর যাঁদের আস্থাই নেই, তাঁরাই আজ সংবিধান রক্ষকের দাবি জানাচ্ছেন!’ আক্রমণাত্মক সোনিয়া বলেন, ‘কংগ্রেসই সংবিধানের জন্য লড়াই করেছে। অথচ আজ আমরা দেখছি, সংবিধানের মূল আদর্শগুলো ধ্বংস হওয়ার মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। কয়েক মাস ধরে দেশে যা চলছে, তা সংবিধানের মূল ধ্যানধারণা ও আদর্শের সম্পূর্ণ বিপরীত।’
সংবিধান রচনা, তাতে আম্বেদকরের ভূমিকা এবং সংবিধানের বেঁধে দেওয়া মূল সুর অনুযায়ী ভারতের এগিয়ে চলা নিয়ে আলোচনা শুরু করে বিরোধী আক্রমণের মুখে পড়েন লোকসভার উপনেতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। বলিউড সুপারস্টার আমির খানের নাম না করে প্রথমে তিনি কটাক্ষ করেন এই বলে যে, ‘জীবনকালে আম্বেদকরকে প্রবল প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এগোতে হয়েছে, পদে পদে বাধা পেতে হয়েছে, কিন্তু তিনি কোনো দিন দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা ভাবেননি।’ এর পরেই তিনি বলেন, ধর্মনিরপেক্ষ ও সমাজতান্ত্রিক শব্দ দুটি সংবিধানের প্রস্তাবনায় প্রথমে ছিল না। কারণ, আম্বেদকর মনে করেছিলেন, দুই বিষয়ই ভারতের মূল প্রকৃতির মধ্যেই নিহিত। রাজনাথ বলেন, এ দেশে যে শব্দটির অপব্যবহার সবচেয়ে বেশি, তা হলো ‘ধর্মনিরপেক্ষ’। এই শব্দটির বদলে ‘পন্থ (পথ) নিরপেক্ষ’ ব্যবহার হওয়া উচিত।
ধর্মনিরপেক্ষতার ব্যাখ্যা নিয়েই অসহিষ্ণুতার মাথাচাড়া দেওয়া। কাজেই কংগ্রেস বেঞ্চ থেকে শুরু হয় প্রবল প্রতিরোধ। দলনেতা মল্লিকার্জুন খারগে বলেন, আম্বেদকর অবশ্যই প্রস্তাবনায় ধর্মনিরপেক্ষ শব্দটি রাখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিরোধের দরুন পারেননি। তাই পরে জুড়তে হয়।
রাজনাথের পরেই বলতে ওঠেন সোনিয়া। সংবিধান রচনায় কংগ্রেসের ভূমিকার উল্লেখ করে তিনি সরাসরি চলে যান সরকার বিরোধিতায় এবং তাতেও তাঁর হাতিয়ার হন আম্বেদকর। সোনিয়া বলেন, ‘আম্বেদকর বলেছিলেন, সংবিধান যতই ভালো হোক, যাঁরা তা রূপায়ণ করবেন তাঁরা ভালো মানুষ না হলে সংবিধানও বাজে হয়ে যায়। আবার রূপায়ণকারীরা ভালো মানুষ হলে খারাপ সংবিধানও ভালো হয়ে যায়।’ এই টিপ্পনী কেটেই সোনিয়া বিরোধীদের দিকে চেয়ে অর্থপূর্ণ হাসি হেসে বলেন, ‘এটা আপনারা ও আমাদের উদ্দেশে।’
সংবিধান-সভায় (কনস্টিটিউয়েন্ট অ্যাসেম্বলি) আম্বেদকরের নির্বাচন নিয়েও বিতর্ক দেখা দেয় তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আম্বেদকর সংবিধান সভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন বাংলা থেকে। বিজেপির সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন বোম্বে থেকে। এই বিতর্কের অবসান ঘটান তৃণমূল কংগ্রেসের ইতিহাসবিদ সাংসদ সুগত বসু। তিনি বলেন, ১৯৪৬ সালে সংবিধান সভায় আম্বেদকর নির্বাচিত হন যশোর-খুলনা কেন্দ্র থেকে। কিন্তু ৪৭ সালে দেশভাগের পর তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্র পূর্ব পাকিস্তানে চলে যাওয়ায় আম্বেদকরকে বোম্বে থেকে নির্বাচিত করা হয়।
আম্বেদকর ও সংবিধান প্রথম দুদিনের বিশেষ অধিবেশনের আলোচ্য বিষয় হলেও ঘুরেফিরে লোকসভায় প্রাধান্য পায় অসহিষ্ণুতা, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সংরক্ষণ। স্বাধীনতার ৬৭ বছর পর এখন সংরক্ষণ ব্যবস্থার পুনর্মূল্যায়ন প্রয়োজন, মন্তব্য করে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত বিতর্কের শীর্ষে উঠেছিলেন। ওই মন্তব্য বিহারে বিজেপির বিপর্যয়ের অন্যতম প্রধান কারণ বলেও মনে করা হচ্ছে। রাজনাথসহ অন্য সদস্যরা তাই এই অবকাশে সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা এবং সেই ক্ষেত্রে আম্বেদকরের অভিমতকেও তুলে ধরেন। তবে সব ছাপিয়ে বড় হয়ে থাকে অসহিষ্ণুতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্ন।
কাল শুক্রবার এই বিতর্কে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অসহিষ্ণুতা নিয়ে এ যাবৎ মৌন প্রধানমন্ত্রী এই প্রথম প্রকাশ্যে এবং সংসদে তাঁর ও সরকারের মনোভাব জানাবেন। তা যাতে নির্বিঘ্নে হয় এবং সংসদ যাতে সুষ্ঠুভাবে চলে সে জন্য আবেদন জানিয়েছেন সংসদীয় মন্ত্রী ভেঙ্কাইয়া নাইডু। তিনি বলেছেন, সরকারের লুকানোর কিছুই নেই। সরকার সবকিছু নিয়ে আলোচনায় রাজি। প্রধানমন্ত্রী নিজেও বলেছেন এই কথা। মোদি বৃহস্পতিবার সংসদ শুরুর আগে বলেন, ‘বিতর্ক ও আলোচনাই সংসদের প্রাণ। আশা করি, বিরোধীরা সংসদীয় অধিবেশন সুষ্ঠুভাবে চলতে সাহায্য করবেন।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তুরস্কের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে না রাশিয়া
দু’দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। আলাপে রুশ বিমান ভূপাতিত করাকে ‘দুর্ঘটনা’ বলে এর জন্য তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সমবেদনা জানিয়েছেন বলেও জানান লাভরভ। আকাশসীমা লঙ্ঘনের দাবি করা তুরস্কের ভূমিকাকে ‘ভণ্ডামি’ বলেছে রাশিয়া। কারণ ২০১২ সালে তুর্কি ফ্যান্টম বিমান সিরিয়ার আকাশসীমা অতিক্রম করায় তা ভূপাতিত করা হয়।
তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছিলেন,‘ কয়েক মিনিটের জন্য আকাশসীমা অতিক্রম করার মানে এই নয় যে কোনো দেশের বিমানকে ভূপাতিত করতে হবে’। অথচ কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে এই তুরস্কই রুশ বিমান ভূপাতিত করে।
সুখোয়-টোয়েন্টি ফোর ভূপাতিত করার জন্য তুরস্ককে তিরস্কার অব্যাহত রেখেছে রাশিয়া। পাশাপাশি হুঁশিয়ারি হিসেবে ভূমধ্যসাগরে ‘মস্কোভা’ নামের বিশালাকার ডেস্ট্রয়ার মোতায়েন করা হয়েছে। ‘যে কোনো টার্গেট’ ধ্বংস করতে ডেস্ট্রয়ারটি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় প্রহরা দিচ্ছে।
এ ছাড়া সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট বা আইএস বিরোধী বিমান হামলা চলবে বলে জানিয়েছে রাশিয়া। প্রয়োজনে বোমা নিক্ষেপের সময় রুশ বোমারু বিমানের নিরাপত্তায় একসঙ্গে উড়বে রাশিয়ার অত্যাধুনিক সব ফাইটার জেট। অবস্থা গুরুতর হলে আকাশে যেকোনো হুমকি রুখতে প্রস্তত রাখা হয়েছে সর্বাধুনিক এস- ফোর হানড্রেড মিসাইল ব্যবস্থা।
আইএস জঙ্গিদের তেলবাহী লরিবহরে হামলা চালিয়ে ফেরার সময় তুরস্কের এফ-সিক্সটিন যুদ্ধবিমানের হামলায় রাশিয়ার একটি সুখোয় বিমান বিধ্বস্ত হয়। বিমানের দু’জন পাইলট প্যারাশ্যুটে অবতরণের চেষ্টার সময় সিরিয়ার তুরস্কপন্থী বিদ্রোহীদের গুলিতে এক রুশ পাইলট নিহত হন। অপর রুশ পাইলটকে বিশেষ অভিযানে উদ্ধার করে রাশিয়া। তবে সে সময় বিদ্রোহীদের হামলায় আরও এক রুশ মেরিন সেনা নিহত হন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে চলাফেরা সীমাবদ্ধ করে ফেলেছেন বিদেশীরা by অ্যানি গোয়েন
কাজে যাবার ক্ষেত্রে অনেকেই হাঁটা বা বাইসাইকেলে চড়া থামিয়ে দিয়েছেন, বেছে নিচ্ছেন কো¤পানির গাড়ি। একটি আন্তর্জাতিক এইডস বিষয়ক সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে, আরও কয়েকটি অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। এ সপ্তাহান্তের ঢাকা লিট ফেস্টে’র মতো যেসব অনুষ্ঠানগুলো আয়োজিত হয়েছে, সেগুলোতে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল। জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সাহায্য সংস্থাগুলো নীরবে নিজ নিজ কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীদের দেশে পাঠিয়ে দিচ্ছে। যারা এখনও ঢাকায় রয়ে গেছেন, তারা নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী অনলাইনে কিনছেন। অন্ধকার হওয়ার আগেই ফিরছেন ঘরে। মার্কিন দূতাবাস নিজেদের কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বেশিরভাগ পাবলিক প্লেসে যাওয়ার অনুমতি দিচ্ছে না। এমনকি সড়কে ও ফুটপাতে হাঁটা, আন্তর্জাতিক হোটেল সহ বড় জনসমাবেশে অংশ নিতেও কড়া বারণ।
৬১ বছর বয়সী মার্টন বলেন, আমি আমার অ্যাপার্টমেন্টে আটকে গেছি। আমি নিরাপদ বোধ করিনি। তিনি বলেন, ঘরের বাইরে একমাত্র যে জায়গাটিতে তিনি বসতে পারেন, সেটি হলো শহরের প্রাইভেট ক্লাবগুলো। সেগুলোর উঁচু দেয়ালের বাইরেই পাহারা দেয় সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী। ওখানেই তিনি অন্য বিদেশীদের সঙ্গে সামাজিকতা রক্ষা করেন। মার্টন ও তার স্বামী বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়ার কথা বিবেচনা করছেন। তিনি বলেন, এটা আমার জীবন পাল্টে দিয়েছে। পুরো উল্টো করে ফেলেছে, সত্যি। আগে যা ছিল, তাতে আমি আর কখনও ফিরতে পারবো কিনা, আমি জানি না।
ফেব্রুয়ারিতে আটলান্টা-ভিত্তিক বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত আমেরিকান ব্লগার অভিজিৎ রায় তার স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকার একটি বইমেলা থেকে বের হচ্ছিলেন। তখনই চাপাতি হাতে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে। পুলিশ বলেছে, হত্যাকারীরা ছিল উগ্রপন্থী, যারা ধর্মবিশ্বাস ও সংস্কৃতি নিয়ে অভিজিতের ধর্মনিরপেক্ষ লেখালেখির বিরুদ্ধে ছিল। এ ঘটনার পর আরও তিন ব্লগার ও অভিজিতের প্রকাশক ফয়সাল আরেফিন দিপনকে হত্যা করা হয়েছে।
বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে - এমন শঙ্কা ক্রমেই বেড়েছে সাম্প্রতিক দিনগুলিতে, যখন তিন বিদেশী নাগরিক, শিয়া ধর্মীয় সমাবেশ ও পুলিশ চেকপয়েন্টে হামলার দায় অনলাইনে স্বীকার করে নিয়েছে আইএস। ২৮ই সেপ্টেম্বর ইতালিয়ান এক সাহায্যকর্মী কূটনৈতিক এলাকায় জগিং করার সময় গুলিবিদ্ধ হন। এরপর একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে জাপানের এক কৃষিকর্মীও গুরুতরভাবে গুলিবিদ্ধ হন ৩রা অক্টোবর। ১৮ই নভেম্বর উত্তরাঞ্চলীয় জেলা দিনাজপুরে ইতালিয়ান মিশনারি কর্মী পিয়েরো পারোলারি গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। অন্যান্য পাদ্রিরা মৃত্যুর হুমকি পেয়েছেন, ধর্মীয় একটি ফোরামের এক হিন্দু নেতার ওপর মঙ্গলবার ছুরি হাতে হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বাংলাদেশে নিজেদের কর্মকান্ডের কথিত সম্প্রসারণ নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেছে আইএস। গত সপ্তাহে প্রকাশিত নিজেদের অনলাইন ম্যাগাজিন দাবিকে ‘দ্য রিভাইভাল অব জিহাদ ইন বেঙ্গল’ শীর্ষক একটি নিবন্ধে বাংলাদেশকে তারা আখ্যায়িত করেছে বেঙ্গল নামে।
নিবন্ধটিতে বলা হয়, এ ধারাবাহিক হামলাগুলোর ফলে বেঙ্গলে বসবাসরত ক্রুসেডার দেশগুলোর নাগরিক ও তাদের সহযোগিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে তাদের কূটনীতিক, পর্যটক ও অভিবাসীরা নিজেদের চলাচল সীমাবদ্ধ করতে ও নিত্য ভয়াল পরিবেশে বসবাস করতে বাধ্য হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার এ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটির উপস্থিতি অস্বীকার করার প্রচেষ্টা চালিয়েছে। শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক স¤পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভি বলেন, আমাদের মনে হচ্ছে যে বাংলাদেশে আইএস শক্তিশালী নয়। আমাদের খুব উদার একটি মুসলিম সমাজ রয়েছে। বৃহৎ দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করলে এ দেশে কোন চরমপন্থী মৌলবাদ নেই। বাংলাদেশে আকস্মিকভাবে আইএস সক্রিয় থাকার যে ধারণা, তা অনেক দূরবর্তী বলেই মনে হয়। তবে তিনি আরও বলেন, আমরা অবশ্যই যেকোন সম্ভাবনার বিষয়েই সজাগ। সন্ত্রাসীদের যেকোন হুমকিই আমরা গুরুত্বের সঙ্গে নিই।
কিন্তু এরপরও বাংলাদেশে আইএস-এর সহযোগীদের কার্যক্রম পরিচালনা করার লক্ষণ রয়েছে। বুধবার পুলিশ স্থানীয় একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর এক সদস্যকে আটক করে, যে আইএস-এর নামে ইন্টারনেটে হত্যার হুমকি ছড়ানোর দায়ে অভিযুক্ত। মঙ্গলবার ঢাকার একটি আদালত সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে চার ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করেছে। এদের একজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে আইএস-এর আঞ্চলিক সমন্বয়ক হিসেবে। জানুয়ারিতে যখন তাদের আটক করা হয়, তখন তাদের ল্যাপটপে আইএস-এর প্রচারপত্র ও জিহাদি ভিডিও পেয়েছিল।
সরকার এর আগে হামলার দায় চাপিয়েছিল হাসিনার প্রতিপক্ষদের ওপর। একটি তত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিল যে, হামলাগুলো পরিচালিত হয়েছে দেশটির চলমান যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ করার উদ্দেশ্যে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে সংঘটিত নৃশংস অপরাধের বিচারের উদ্দেশ্যে ট্রাব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। তবে ট্রাইব্যুনালকে পক্ষপাতদুষ্টতার দায়ে ব্যপক সমালোচনা করেছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। রবিবার সকালে দুই জন দ-িত যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
বাংলাদেশের অবরুদ্ধ বিরোধী দল বিএনপি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দলের মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, এটা একটা স্থুল মিথ্যা। ২০১৪ সালে বিতর্কিত একটি নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। ওই নির্বাচনে হাসিনা নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই বিএনপির অনেক শীর্ষ নেতা পলাতক কিংবা হাসিনা সরকারের হাতে আটক।
প্রায় ১৬ কোটি মানুষের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ বাংলাদেশ। বর্তমানে দেশটি ব্যপকভাবে আধুনিকায়িত হচ্ছে। কৃষি ও উঠতি গার্মেন্ট শিল্পের বদৌলতে দেশটির অর্থনীতি প্রতি বছর ৬ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাধীনতার পর থেকেই মধ্যপন্থী ইসলামকে গ্রহণ করেছে দেশটি। কিন্তু এরপরও দেশটিতে ধর্মনিরপেক্ষ সরকার ও ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সমর্থকদের মধ্যে সবসময়ই একটি বিভাজন ছিল। সংঘাত এ দেশে হয় রাস্তায়, যেখানে রাজনৈতিক প্রতিবাদ ও হরতাল সহিংস হয়ে উঠে।
গোপন চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলোর অস্তিত্ব ১৯৯০’র পর থেকেই ছিল, যখন আফগানিস্তান থেকে জিহাদি যোদ্ধারা দেশে ফেরত এসেছিল, বললেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক স¤পর্ক বিষয়ক অধ্যাপক আবদুর রব খান। ২০০৫ সালের আগস্টে একই দিনে সারা দেশে শ’ শ’ বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় একটি জঙ্গি সংগঠন। এর পর থেকেই ছোট আকারের এ জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর নেটওয়ার্কে হানা দিয়ে আসছে সরকার। আবদুর রব বলেন, এ দেশে অবশ্যই জঙ্গিবাদ আছে। আমরা দাবি করতাম, এগুলোর বেশিরভাগই দেশীয়। কিন্তু এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। মনে হচ্ছে, পরস্থিতি পাল্টাচ্ছে। যদিও আইএস-এর শারিরীক উপস্থিতি এখানে নেই, কিন্তু এখানে তাদের সমর্থক রয়েছে। তারা আইএস-এর নিয়ন্ত্রণাধীন।
আল কায়দার লেখালেখিতে অনুপ্রাণিত আরেকটি জঙ্গি সংগঠনের চার জনকে সরকার ব্লগার হত্যার দায়ে আটক করেছে। অথচ, এরপরও দেশের বহু নেতৃত্বাস্থানীয় বুদ্ধিজীবী আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করছেন। এদের কেউ কেউ ইতিমধ্যে নজরে পড়ে যাওয়া বা কোন হিটলিস্টে নিজের নাম উঠে যাওয়ার ভয়ে কর্মকা- গুটিয়ে ফেলতে শুরু করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, আবদুর রব খান নিজেও নিয়মিত সান্ধ্যকালীন টক শো’তে হাজির হতেন, কিন্তু এখন তিনি তা করেন না বললেই চলে।
অন্ধকার ঘনিয়ে আসায় সন্ধ্যা নেমেছে। ঢাকার বাসিন্দারা শহরের পুনঃসংস্কারকৃত হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ি লেকের ধারে হাঁটছেন। কয়েক বছর আগে ওই লেক উদ্বোধন করা হয়েছে। নব-নির্মিত এ স্থাপনায় বহু রঙের বাতি জ্বলছে। পার্কের বেঞ্চে মানুষজন হাত ধরে রেখেছে একে অপরের, ভ্রাম্যমান বিক্রেতাদের কাছ থেকে কিনেছে মশলাদার স্ন্যাক ও ক্যান্ডি। দেশের সর্ববৃহৎ ইংরেজি দৈনিক পত্রিকা দ্য ডেইলি স্টারের স¤পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম বলেন, ঢাকা উদ্দীপনায় ভরপুর একটি শহর। তাই জীবন এগিয়ে যায়। কিন্তু ওই ঘটনাগুলো খুবই উদ্বেগজনক। হঠাৎ করেই পুরো সমাজকে অরক্ষিত দেখাচ্ছে। কিভাবে এর জবাব দেব, তা নিয়ে আমরা লড়ছি।
লেকের ধারে মানুষের আনাগোনা এখন স্বাভাবিকের চেয়ে কমেছে বলে জানালেন রুবেল ইসলাম (২৬)। তিনি বলেন, এখানকার একটি জায়গায় তিনি বন্ধুদের নিয়ে সচরাচর রাত ৯টা-১০টা পর্যন্ত আড্ডা দিতেন। কিন্তু হামলাগুলোর পর থেকে তিনি কখনই একা হাঁটাচলা করেন না। অন্ধকার ঝেঁকে ধরার আগেই তিনি বাড়িতে ফেরেন। পাশের একটি কলেজের গণিতের প্রভাষক একেএম নাজিমুদ্দিন (২৮) পানিতে পড়া আলোর দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। ধরে আছেন স্ত্রী ফারজানার হাত। তিনি জানালেন, এটা সুন্দর একটা সন্ধ্যা ছিল। কিন্তু এ অনুভূতি বেশিক্ষণ টিকবে না। কারণ, তার ভাষায়, ‘যেকোন সময় যেকোন কিছু ঘটে যেতে পারে’।
[অ্যানি গোয়েন ওয়াশিংটন পোস্টের ভারত ব্যুরো চীফ। এ লেখাটি ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত তার নিবন্ধের অনুবাদ।]
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশিষ্টজনদের হুমকি মূল কারিগর পুলিশের খাঁচায়
গোয়েন্দা কর্মকর্তা মনিরুল জানান, ব্যক্তিগত শত্রুতা মেটাতেই আবদুল হক প্রযুক্তির ব্যবহার করে বিভিন্ন জনের মোবাইল নাম্বার ক্লোন করে দেশের বিশিষ্টজনের মোবাইলে হত্যার হুমকি পাঠাতেন। তার সঙ্গে ব্যক্তিগত শত্রুতা থাকায় তিনি ফায়যুর রহমান, মাওলানা সাদ উদ্দিন ও কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সালেহ আহমদ ফুয়াদসহ বিভিন্ন জনের নম্বর থেকে হুমকিবার্তা দিয়েছিলেন।
এর আগে আনিসুজ্জামানকে হত্যার হুমকির ঘটনা প্রসঙ্গে ১৬ই নভেম্বর এক অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক জানিয়েছিলেন, অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে যে নম্বর থেকে হুমকি দেয়া হয়েছিল, ওই নম্বর ব্যবহারকারীকে আটকের পর পুলিশ নিশ্চিত হয় মোবাইল ক্লোনিং করে হুমকিবার্তা গেছে অন্য আরেকজনের কাছ থেকে। সে আরেকজনই হলেন আবদুল হক।
আনিসুজ্জামানের কাছে যে নম্বরটি থেকে হুমকিবার্তা যায় একসময় সে ফোন নম্বরটি (০১৭৩৮-৭২৫৮১৫) ব্যবহার করতেন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদিসের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সালেহ আহমদ ফুয়াদ। তবে এক যন্ত্রণার কারণে সে নম্বরের সঙ্গ ত্যাগ করেছিলেন তিনি। কীভাবে জানি তার মোবাইলে পরিচিতজনের কাছে আজেবাজে এসএমএস যেতে থাকে। কোন কিছুতেই যেন সমাধান পাচ্ছিলেন না। বাধ্য হয়ে গ্রামীণফোনের অফিসে গিয়ে ২০১৪ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর সিমটি বন্ধ করে দেন সালেহ ফুয়াদ। প্রিয় নম্বরটির সঙ্গে সেই তার সম্পর্কের শেষ।
গত ১১ই নভেম্বর ক্লাসে যাওয়ার আগ মুহূর্তে সালেহ ফুয়াদ চোখ বুলাচ্ছিলেন পত্রিকায়। দৈনিক প্রথম আলোয় ছাপা হওয়া অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে হত্যার হুমকির সংবাদে তার চোখ আটকে যায়। অভিযোক্ত নম্বরটি তার চোখে পড়ে। এটি তার বন্ধ করে দেয়া নম্বর। এ নম্বর থেকেই হত্যার হুমকি গেছে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের কাছে। আতঙ্কে হিম হয়ে যায় সালেহ ফুয়াদের শরীর। কী সর্বনাশ! একটু ধাতস্থ হয়ে ফোন দেন সিলেটে তার এক পরিচিতজনের কাছে। যিনি এমন ‘সর্বনাশে’র শিকার হয়েছিলেন।
হাফিজ ফায়যুর রাহমান। দু-দুবার আটক হয়েছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের এসএমএসে হুমকির অভিযোগে। প্রথমবার আটক হন ২০১৩ সালের ১৪ই জুন অর্থমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীসহ ছয় সংসদ সদস্যকে হুমকির অভিযোগে। প্রায় ৪ মাস কারাভোগ শেষে বেরিয়ে আসার পর ২০১৪ সালের ৩০শে জুন আবারও র্যাবের হাতে আটক হন তিনি। এবারও অভিযোগ, আইনমন্ত্রীর মোবাইলে হত্যার হুমকি দিয়ে খুদে বার্তা প্রেরণ। মসজিদে খতমে তারাবিহ পড়িয়ে আসা ফায়যুরের দু-দুটো রমজান কাটে কারাগারের অন্ধকারে। দুবার হুমকির অভিযোগে আটক হলেও ফায়যুরের দাবি তিনি ঘটনাগুলোর সঙ্গে মোটেও সংশ্লিষ্ট নন। তিনি আদালত ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রমাণও দিয়েছেন তার সংশ্লিষ্ট না থাকার।
কোন উপায় পেতে সেই ফায়যুর রহমানকেই ফোন দেন সালেহ ফুয়াদ। ফায়যুর তাকে আশ্বস্ত করে বলেন, পুলিশের সাহায্য নিলে প্রকৃত অপরাধীকে খুঁজে বের করা যাবে। ফায়যুর যোগাযোগ করেন সিলেট ডিবি অফিসে। কিন্তু কর্মকর্তারা ব্যস্ত থাকায় বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি। তবে পরে দেখা করার অনুমতি নিয়ে রাখেন।
এদিকে, নম্বরের সূত্র ধরে পুলিশ ট্র্যাক করছিল সালেহ ফুয়াদকে। সালেহ ফুয়াদের সঙ্গে কথোপকথনের সূত্রে ট্র্যাকিংয়ের আওতায় পড়েন ফায়যুর রহমানও। ওইদিনই পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে সিলেটে নির্দেশনা আসে ফায়যুরের সঙ্গে যোগাযোগের। ডাক পড়ে ফায়যুরের। বিকাল ৫টায় সিলেটে ডিবি কার্যালয়ে পৌঁছেন ফায়যুর রাহমান। ঢুকতেই প্রশ্ন ছুটে আসে, সালেহ ফুয়াদের সঙ্গে তার সম্পর্ক কী? সালেহ ফুয়াদের নম্বর থেকে হুমকি গেছে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের কাছে, এটা তিনি জানেন কিনা। ফায়যুর জানান, সে কথা জানিয়ে প্রতিকার চাইতেই তিনি এখানে এসেছেন। পুলিশ যোগাযোগ করে সালেহ ফুয়াদের সঙ্গে। ফুয়াদ পুলিশকে বলেন, তিনিও আসছেন। তৎক্ষণাৎ কুষ্টিয়া থেকে রওনা হন সালেহ ফুয়াদ। হাজির হন সিলেট ডিবি কার্যালয়ে। প্রমাণ দেন হুমকির ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ত না থাকার।
ফায়যুর রাহমান ও সালেহ ফুয়াদ দুজনেই পুলিশের নজরে থাকেন। হেডকোয়ার্টার থেকে নির্দেশ পেয়ে ১৪ই নভেম্বর তাদের নিয়ে ঢাকায় রওনা হন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। পরদিন মিন্টো রোডের গোয়েন্দা কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হন দুজন। নিজেদের সম্পৃক্ত না থাকার কথা দুজনেই জোর গলায় বলেন। তবে নিজেদের একটা সন্দেহের কথা জানান পুলিশের কাছে। সামনে আসে আরও একটি নাম। আবদুল হক। যিনি ফায়যুর ও ফুয়াদের সঙ্গে ‘মুক্তস্বর’ সাংস্কৃতিক ফোরামের সাহিত্য আসরে আসতেন। সালেহ ফুয়াদের সহকর্মী হিসেবে জকিগঞ্জের একটি মাদরাসায় কম্পিউটার শিক্ষকতাও করেছেন।
আবদুল হকের নাম আলোচনায় এসেছিল ফায়যুর রহমান প্রথম যখন আটক হয়েছিলেন তখন থেকেই। ফায়যুর রহমানের পরিবারের অভিযোগ, এসএমএস জালিয়াতি করে আবদুল হকই ফাঁসিয়েছিলেন ফায়যুর রহমানকে। ফায়যুর এককালে তার প্রতিবেশী আবদুল হকের বন্ধু ছিলেন। তবে পারিবারিক বিরোধের কারণে দুজনের সম্পর্কে ফাটল ধরে। পরিবারের অভিযোগ, সেই শোধ তুলতেই তিনি ফায়যুরকে বারবার ফাঁসিয়েছেন এসএমএস সন্ত্রাসের মাধ্যমে।
পরে আরও কয়েকটি এমন অভিযোগ উঠে আবদুল হকের বিরুদ্ধে। তারই কারসাজিতে হত্যার হুমকিবার্তা পান আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আইনূর আক্তার পান্না ও ছাতক থানার ওসি শাহজালাল মুন্সি। শেখ সেলিমকে হত্যার হুমকির ঘটনায় ফেঁসেছিলেন আবদুল হকের মাদরাসার সহকর্মী মাওলানা সাদ উদ্দিন। আর ছাতকের ইউএনও এবং ওসিকে হুমকির দায়ে ফাঁসেন আবদুল হকের গ্রামের বাসিন্দা মোখলেসুর রহমান।
দুয়ে দুয়ে চার মিলিয়ে পুলিশ অনেকটাই নিশ্চিত হয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের কাছে হুমকিবার্তা গেছে আবদুল হকের মাধ্যমেই। বিভিন্ন জায়গায় নিরন্তর অভিযানের পর অবশেষে পুলিশের খাঁচায় বন্দি হন আবদুল হক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিচিত্র জীবন আবদুল হকের by চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে অপরাধ ও শাস্তি
[ভারতের প্রভাবশালী পত্রিকা দ্য হিন্দুতে গতকাল প্রকাশিত ‘ক্রাইম অ্যান্ড পেনাল্টি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সম্পাদকীয়র অনুবাদ]
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
November
(600)
-
▼
Nov 26
(28)
- যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমবিরোধী সশস্ত্র বিক্ষোভ
- সুদমুক্ত আর্থিক লেনদেনের ধরন by অধ্যক্ষ মো: ইয়াছিন...
- একটি জগাখিচুড়ি নির্বাচন হচ্ছে
- ‘একদলীয় শাসনের কবলে দেশ’
- আ’লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যানের নির্যাতনে কাতরাচ্ছেন গৃ...
- বগুড়ায় শিয়া মসজিদে ঢুকে গুলি, মুয়াজ্জিন নিহত
- দামি হাসপাতালে তোফা আরামে মনোরঞ্জনা
- স্বল্পোন্নত থেকে বের হতে আরও সময় লাগবে বাংলাদেশের
- বাংলাদেশে মৃত্যু ও ধবংসের চক্র by সুনন্দা কে. দত্ত...
- নারীরা পুরুষের সমান নন: এরদোয়ান
- তুরস্কের পরিকল্পিত উস্কানিতে যুদ্ধে জড়াবে না রাশিয়া
- ভারত ছাড়ার চিন্তা করিনি : আমির খান
- আমিরের মতো এআর রহমানও অনিরাপদ
- পিছু হটতে নারাজ রাশিয়া, তুরস্ক ভূমধ্যসাগরে ক্ষেপণা...
- বাংলাদেশী হাই কমিশনারকে তলব করবে পাকিস্তান
- সংসদে বিতর্কে ধর্মনিরপেক্ষতা by সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
- তুরস্কের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে না রাশিয়া
- বাংলাদেশে চলাফেরা সীমাবদ্ধ করে ফেলেছেন বিদেশীরা by...
- বিশিষ্টজনদের হুমকি মূল কারিগর পুলিশের খাঁচায়
- বিচিত্র জীবন আবদুল হকের by চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
- বাংলাদেশে অপরাধ ও শাস্তি
- নিজস্ব মুদ্রা, পুলিশ-সেনাবাহিনী আছে, নেই রাষ্ট্রের...
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার রয়টার্সের বিশ্লেষণ
- ‘৫ লাখ টাকা দিচ্ছি, বউয়ের দাবি ছেড়ে দে’ by রোকনুজ্...
- ড. ইউনূসের সঙ্গে ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিদের ...
- ইইউ পার্লামেন্টে বাংলাদেশ নিয়ে বিতর্ক আজ
- চীনে ম্যাসাজ পার্লারে সব বয়সীদের সমাগম by দীন ইসলাম
- ‘দুই পাকিস্তানপ্রেমী’র জন্য পাকিস্তানের দরদ by সোহ...
-
▼
Nov 26
(28)
-
▼
November
(600)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...




















