Wednesday, November 26, 2014
সিরিজ নিশ্চিত বাংলাদেশের

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বামীসহ বীণার ২৬ বছরের কারাদণ্ড

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নেপালে সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে নরেন্দ্র মোদি যা বললেন

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিষেধাজ্ঞা পরমাণু কর্মসূচি থামাতে পারবে না : ইরান
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বে শিশু পাচার বেড়েছে : জাতিসংঘ
মঙ্গলবার এএফপির খবরে বলা হয়, পাচার হওয়া শিশুরা অনেকেই যৌন নিপীড়ন ও জোরপূর্বক কায়িক শ্রমে নিয়োগের ঘটনার শিকার। পাচার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশই মেয়েশিশু ও নারী। পাচার হওয়া শিশুদের ৬০ শতাংশ কেবল আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে হয়ে থাকে বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ইউএনওডিসির নির্বাহী পরিচালক ইউরি ফেডোটোভ বলেন, বিশ্বে এমন কোনো স্থান নেই যেখানে শিশু, নারী ও পুরুষেরা মানব পাচার থেকে নিরাপদ। ফেডোটোভের দাবি, আধুনিক দাসত্ব অনেক খারাপ।
বিশ্বের ১২৮টি দেশের মানব পাচারের তথ্য নিয়ে এই প্রতিবেদন তৈরি করে জাতিসংঘের মাদকদ্রব্য ও অপরাধবিষয়ক কার্যালয়। রিপোর্টে দেখা যায় এসব দেশগুলোর মধ্যে ১২৪টিতে মানব পাচারের ঘটনা ঘটেছে। এই প্রতিবেদনে ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত সংরক্ষিত তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। রিপোর্টে আঞ্চলিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানব পাচার মামলার তথ্যের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
এর আগে ২০১০ সালে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের এ ব্যাপারে একটি প্রস্তাবনা পাস হয়। সদস্য দেশগুলো সেখানে মানব পাচার রোধে জাতিসংঘ অ্যাকশন প্ল্যান বাস্তবায়নের প্রতিশ্র“তি দেয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সাম্প্রতিক সময়ে এ ব্যাপারে রাষ্ট্রীয়ভাবে নানা ধরনের আইন পাস করেছে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চীনে চোরাই বউ বিক্রি
প্রতিবেদনে বলা হয়, বার্মিজ নারীদের বউ বানিয়ে চীনের পুরুষদের কাছে বিক্রি করে আসছে ওই চক্র। ওই চক্রকে আটকের সময় বিক্রির জন্য মিয়ানমার থেকে পাচার করে আনা ১৪ জন নারী ও বালিকাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের ইতিমধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে। চীনে নারী বিক্রি এখন বড় ব্যবসায় রূপ নিয়েছে। নারী ও বালিকাদের উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে মিয়ানমার থেকে চীনে আনা হতো এবং পরে সর্বনিু ৫০ হাজার ইউয়ান মূল্যে তাদের বিক্রি করে দেয়া হতো। ২০১৩ সালের হিসাব অনুযায়ী, চীনে নারীর চেয়ে পুরুষের সংখ্যা ৩৩ দশমিক ৮ মিলিয়ন বেশি। চীনের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে তিন দশকেরও বেশি সময় আগে এক সন্তাননীতি চালু করা হয়। এই নীতির প্রভাবে সেখানকার সমাজে ছেলে সন্তানের চাহিদা বেড়ে যায়।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক চায় ভারত
হিন্দুস্থান টাইমস জানায়, মোদি বলেছেন তার সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। নয়াদিল্লি আঞ্চলিক পর্যায়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বেশকিছু উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি আরও কিছু করারও অঙ্গীকার করেন। সার্ক শীর্ষ সম্মেলন থেকে কিছু সুনির্দিষ্ট ফলাফল পাওয়ার আশা করে মোদি বিশেষ করে দীর্ঘদিনের আলোচনার বিষয় যোগাযোগ সম্প্রসারণের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গত চার মাসে নেপালে এটি আমার দ্বিতীয় সফর যা কাঠমান্ডুর সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক স্থাপনে আমাদের গুরুত্বারোপেরই প্রতিফলন।
চলতি বছরের আগস্টে নেপাল সফরকালে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির দাবি করে মোদি বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালাসহ অন্য নেপালি নেতার সঙ্গে এসব অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা করবেন। এদিকে নওয়াজ শরিফের সঙ্গে মোদির বৈঠক নিয়ে এখনও হাল ছেড়ে দিচ্ছে না নয়াদিল্লি। দুদেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠক নিয়ে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন সুষমা স্বরাজ।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঘূর্ণিঝড় প্রথম আবিষ্কার করেন লিওনার্দো

একটি, দুটি নয়, ১৬টি চিত্রে হারিকেনের ছবি এঁকেছিলেন লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি। পিজোরুসসোর কথায়, ‘লিওনার্দোই প্রথম হারিকেন ঝড় আবিষ্কার করেছিলেন। এমন কয়েকটি ছবি তিনি এঁকেছিলেন সেই ঝড়ের, যার সঙ্গে বর্তমান যুগে হারিকেনের স্যাটেলাইট ইমেজে একেবারে মিলে যায়।’ প্রায় ৫০০ বছর আগে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ওপর লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির কয়েকটি ছবি, বর্তমান আবহাওয়া বিজ্ঞানকে পদে পদে চ্যালেঞ্জ করার ক্ষমতা রাখে বলেও দাবি পিজোরুসসোর। হিন্দুস্থান টাইমস।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে কারণে হেগেলকে সরালেন ওবামা

About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইভটিজিং যৌতুকপ্রথা বাল্যবিবাহ্ ও নারী নির্যাতন বন্ধের আহবান -কুতুবদিয়ায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ দিবসের সভা অনুষ্টিত by হাছান কুতুবী


কুতুবদিয়া থানার আয়োজনে বুধবার সকাল ১১টায় এক বর্নাঢ্য র্যালী উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পদক্ষিণ শেষে থানা কম্পাউন্ডে ওসি মুহাম্মদ আলতাফ হোছাইনের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। এতে উপজেলা স্বাস্থ কর্মকর্তা ডা.শাহাবুদ্দিন, প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি কামাল হুসেন, সাধারণ সম্পাদক হাছান কুতুবী, নির্বাহী সদস্য আরিফুল ইসলাম, সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সজল দাশ বিশেষ অতিথি ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন থানার উপ-পরিদর্শক এ.বি.এম.কামাল আহমদ, বসু মিত্র, কামরুজ্জামান, গন্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমেরিকায় দাঙ্গা, লুটপাট

ওবামা বলেন, আমিও ব্রাউনের বাবা-মা’র সঙ্গে মিলিতভাবে আহ্বান জানাচ্ছি এ বিক্ষোভ যাতে শান্তিপূর্ণ থাকে। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সামলাতে ফার্গুসন ও এ অঞ্চলের আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদেরও আমি সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানাচ্ছি। ফার্গুসনের সেন্ট লুইস এলাকার পুলিশ প্রধান জন বেলমার বলেন, কৃষ্ণাঙ্গ ওই কিশোর নিহত হওয়ার পর গত আগস্টে যে ধরনের সহিংসতা হয়েছিল এখন সম্ভবত তার চেয়ে বেশি সহিংসতা হচ্ছে। তিনি বলেন, জনতার দিক থেকে কমপক্ষে ১৫০টি গুলি ছোড়ার শব্দ শোনা গেছে। তিনি বলেন, ‘আমি সেখানে রাতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দেখিনি এবং পুরো ঘটনায় আমি হতাশ। দুর্ভাগ্যক্রমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।’ পুলিশ প্রধান বলেন, বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিক্ষোভকারীদের দেয়া আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে। পুলিশের দুটি গাড়ি প্রকৃতপক্ষে পুড়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা অপ্রস্তুত ছিলাম না। তবে আমরা ধৈর্য ধারণ করেছি। আমাদের ১০ হাজার পুলিশ সদস্য ছিল।’ আফ্রিকান আমেরিকান কমিউনিটির অনেকে পুলিশ কর্মকর্তা ড্যারেন উইলসনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনার আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত জানার জন্য ফার্গুসন শহরে দুপুর থেকে লোকজন জড়ো হতে থাকে। তবে জুরি বোর্ড রায়ে উল্লেখ করেছে, পুলিশ কর্মকর্তা আত্মরক্ষার্থে গুলি করার ফলে ব্রাউন মারা যান। তাই অভিযোগ থেকে পুলিশ কর্মকর্তাকে অব্যাহতি দেয়া হল। এই ঘোষণার পরেই বিক্ষোভে ফেটে পড়ে ফার্গুসনের বাসিন্দারা। বিক্ষোভকারীরা বলতে থাকে, জুরি বোর্ডের এ সিদ্ধান্ত বৈষম্যমূলক। বিক্ষোভকারীরা কয়েকটি স্থানে ব্যারিকেড দেয় এবং পুলিশকে বিদ্রুপ করতে থাকে। রায়কে কেন্দ্র করে সোমবার রাত থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়। নিউইয়র্কের টাইম স্কয়ার থেকে শুরু করে শিকাগো, ডেট্রোয়েটসহ কৃষ্ণাঙ্গদের বসবাসরত এলাকায় রাতেই ব্যাপক বিক্ষোভ, সমাবেশ হয়। তবে অন্য এলাকাগুলোতে বিক্ষোভ, সমাবেশ শান্তিপূর্ণ হলেও ফার্গুসন শহরের অবস্থা ভিন্ন। সেখানে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের থেমে থেমে সংঘর্ষ চলছে।
ফার্গুসন শহরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। সোমবার মধ্য রাত পর্যন্ত সেখানকার তিনটি ভবনে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। অনেক দোকানপাটে ভাংচুর এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এএফপি।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চাঁদপুরে লঞ্চ থেকে ঝাঁপ দিয়ে কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা
আমরীন নূর সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টায় টায় ঢাকা সদরঘাট থেকে চাঁদপুরের উদ্দেশে ছেড়ে আসা এমভি সোনারতরী-২ লঞ্চে উঠেন। পথিমধ্যে চাঁদপুর নৌসীমানার মতলব উত্তরের ষাটনল নামক স্থানে লঞ্চটি এলে আমরীন নূর তার সঙ্গে থাকা ব্যাগটি রেখে লঞ্চের তৃতীয় তলা থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন।
লঞ্চ কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের চিৎকার শুনে লঞ্চটি থামিয়ে ওই এলাকায় প্রায় দেড় ঘণ্টা ফোকাস লাইটের মাধ্যমে ব্যাপক খোঁজাখুঁজি করে তাকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করতে পারেনি। পরে লঞ্চটি চাঁদপুর ঘাটে চলে আসে। লঞ্চে থাকা যাত্রী আবুল হোসেন ও রেহানা বেগম জানান, মেয়েটি ঢাকা থেকে লঞ্চ ছাড়ার পর লঞ্চে ঘুরে ঘুরে কান্নাকাটি করছিল। তাদের সে জানিয়েছে, সে বাসায় তার মায়ের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা করে দুপুরে অভিমান করে বাসা থেকে চলে এসেছে। লঞ্চে ফেলে যাওয়া ব্যাগ তল্লাশি করে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ একটি বইয়ের ভেতর লেখা থেকে তার পিতার নাম ও মোবাইল নম্বর পায়। এছাড়া ওই কাগজটির মধ্যে বিভিন্ন লেখা দেখে বুঝা যায় মায়ের সঙ্গেই তার অভিমান। তিনি ঢাকার ক্যান্টনম্যান্ট এলাকায় থাকতেন।
তার পিতা অ্যাডভোকেট মীর আমিনুর রশিদ জানান, খাওয়া-দাওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে সে এ কাজটি করবে তা ভাবতেও পারেননি। তিনি বলেন, তার চার ছেলে-মেয়ের মধ্যে আমরীন নূর তৃতীয়। এ বিষয়ে স্থানীয় থানায় ডায়েরি করবেন বলে তিনি জানান। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় মতলব উত্তর থানা পুলিশ মতলব উত্তরের মেঘনা নদীর এখলাসপুর এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় আমরীন নূরের লাশ উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ মাহবুবুর রহমান জানান, মঙ্গলবার স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে খবর পেয়ে তিনি একদল পুলিশসহ মেঘনা নদীর এখলাসপুর থেকে কলেজছাত্রী আমরীন নূরের কলেজ ড্রেস পরা লাশ উদ্ধার করেছেন।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধর্ষণের জরিমানা ভাগ করে নিলেন সরকারদলীয় নেতারা
জরিমানার এক লাখের মধ্যে ২০ হাজার টাকা ধর্ষিতার পিতাকে দেয়া হয়। বাকি ৮০ হাজার টাকা স্বেচ্ছাসবক লীগ নেতা বাবুসহ স্থানীয় কয়েকজন মাতব্বর ভাগবাটোয়ারা করে নেন।
এ প্রসঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বাবু বলেন, হানিফ শিশুটিকে ধর্ষণ করে বড় অপরাধ করেছে। কিন্তু তার কাছে এসে ভুল স্বীকার করায় সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে ধর্ষক হানিফের উপযুক্ত বিচার করা হয়েছে। কিন্তু জরিমানার অর্থ ধর্ষিতার পিতাকে না দিয়ে আপনিসহ মাতব্বররা সিংহভাগ টাকা ভাগ করে কেন নিলেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নেয়ার কোনো ঘটনা নেই। এর বেশি আমি বলতে পারব না।
শিশু ধর্ষণের সঙ্গে অভিযুক্তকে আর্থিক জরিমানা করে ছেড়ে দেয়া এবং সে টাকা গ্রাম্য মাতব্বররা ভাগবাটোয়ারা করে নেয়ায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় লোকজনের বক্তব্য, ধর্ষককে ধরে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মারধর করে নিজেই বিচার করার ঘোষণা দেয়ার বিষয়টি গোদাগাড়ী থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ ঘটনাস্থলে এলেও ধর্ষককে রহস্যজনক কারণে আটক করেনি। প্রসঙ্গে গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি এসএম আবু ফরহাদ বলেন, ধর্ষণের বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছাত্রদলের অফিসে পদবঞ্চিতদের তালা
এদিকে দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসার পথে ছাত্রদলের ৫ কর্মীকে আটক করে পুলিশ। তারা হলেন শামীম, সিদ্দিকুর রহমান, আবুল হোসেন, সোহেল রানা, জাহিদুর রহমান । দুপুরে পদবঞ্চিত নেতা তরিকুল ইসলাম টিটু ও ফেরদৌস মুন্নার নেতৃত্বে শতাধিক নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে আসেন। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় তারা নতুন কমিটি মানি না, মানব না; বিএনপি থেকে এ্যানী-টুকুর বহিষ্কার চাইসহ নানা স্লোগান দিতে থাকেন।
সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে পদবঞ্চিত নেতারা বলেন, ছাত্রদল কমিটিকে বিতর্কিত করার মূলহোতা এ্যানী ও টুকুকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করতে হবে। বৃহস্পতিবারের মধ্যে তাদের বহিষ্কার করা না হলে পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতাকর্মীরা কঠোর আন্দোলন শুরু করবেন বলেও হুশিয়ারি দেন।
ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি জাভেদ হাসান স্বাধীন, তরুণ দে, হাবিবুর রহমান সুমন, মাহবুবুল আলম আজম, সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রয়েল, গাজী রেজওয়ানুল হক রিয়াজ, রফিকুল ইসলাম রফিক প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটি প্রত্যাখ্যান করে শুরু থেকেই বিদ্রোহ করে আসছেন পদবঞ্চিতরা।
পাঁচ কর্মী আটক : দুপুরে নয়াপল্টনে আসার পথে বিজয়নগরের নাইট এঙ্গেল মোড়ে ছাত্রদলের পাঁচ কর্মীকে আটক করে পুলিশ। তাদের পল্টন থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তারা সবাই ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের কর্মী। পল্টন মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, ছাত্রদলের কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সবকিছু যাচাই-বাছাই করে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লাশ তুলে ফের ময়নাতদন্তের নির্দেশ
যশোর জেলা প্রশাসককে এ আদেশ কার্যকর করতে বলা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে ঢাকা সিএমএম আদালতে একটি প্রতিবেদন দেয়ার জন্যও জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আদেশে সিভিল সার্জনসহ মোট তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠনের কথাও বলা হয়েছে। ওই কমিটির নেতৃত্বেই যশোরের কারবালা কবরস্থান থেকে লাশ উত্তোলন করা হবে।
গত ১৩ নভেম্বর ডা. শামারুখের মৃতদেহ নিয়ে যশোরের কারবালা কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার বাবা গৃহায়ন ও গণপূর্ত বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম লাশ পুনঃময়নাতদন্তের আবেদন করেন।
শামারুখ মারা যাওয়ার ১০ দিন পরে ২৩ নভেম্বর প্রকাশিত ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান হাবিবুজ্জমান চৌধুরী শামারুখের ময়নাতদন্ত করেছিলেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে একে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করা হয়। নিহতের ভাই মো. শরীফ বাবু বলেন, আমার বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। টিপু সুলতান ও তার পরিবারের লোকজন ঘটনাটি সুপরিকল্পিতভাবে ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা করছেন। আমার বোনকে বাম হাত দিয়ে হত্যা করা হয়, তিন আঙুলের দাগ রয়েছে। তার ডানপাশে দুইটি নখের নিখুঁত দাগ রয়েছে। বামপাশে বৃদ্ধাঙুলের নখের দাগ রয়েছে। বাম হাতে ধারালো অস্ত্রের দাগ রয়েছে, জিহ্বা ভেতরে ছিল। আত্মহত্যা হলে জিহ্বা বের হয়ে আসত। চোখ স্বাভাবিক ছিল। আত্মহত্যা হলে চোখ উল্টে যাওয়ার কথা। বাথরুমের ভেন্টিলেটরে আত্মহত্যা করার কোনো চিহ্ন নেই। শ্যামার উচ্চতা ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি। তার বাথরুমের ভেন্টিলেটরের উচ্চতা ৫ ফুট। শ্যামাকে হত্যা করার পর টিপু সুলতানরা সবাই মিলে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে। ১৩ নভেম্বর মারা যাওয়া শামারুখের লাশের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ২৩ নভেম্বর বিকালে ধানমণ্ডি থানা পুলিশ হাতে পায়।
ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চিকিৎসক শামারুখ আত্মহত্যা করেছেন।
নিহতের বাবা নুরুল ইসলাম এই ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে বলেন, মেরে ফেলা হতে পারে এমন আশংকার কথা শামারুখ তার সঙ্গে মোবাইল ফোনে বলেছিল।
সাবেক সংসদ সদস্য খান টিপু সুলতান ও ঢাকা হলি ফ্যামিলির গাইনি চিকিৎসক ডা. জেসমিন আরা দম্পতির ছেলে হুমায়ুন সুলতান সাদাফের স্ত্রী ছিলেন শামারুখ মাহজাবিন সুমি। ১৩ নভেম্বর রাজধানীর ধানমণ্ডির ৬ নম্বর রোডের ১৪ নম্বর বাসা থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই রাতেই টিপু সুলতান, জেসমিন আরা ও হুমায়ুন সুলতানকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দায়েরের পরই গ্রেফতার করা হয় সাদাফকে। খান টিপু সুলতান ও তার স্ত্রী পালিয়ে যান। পরে তারা হাইকোর্ট থেকে ৪ সপ্তাহের আগাম জামিন পান। এ অনুযায়ী আগামী ১৩ ডিসেম্বর জামিনের মেয়াদ শেষ হবে।
প্রসঙ্গত, শামারুখ মাহজাবিন সুমি হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবম ব্যাচের ছাত্রী ছিলেন। গত বছর তিনি একই কলেজ থেকে ডাক্তারি পাস করেন। দেড় বছর আগে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে ধানমণ্ডির ৬ নম্বর রোডের ১৪ নম্বর বাসার তৃতীয় তলার ভাড়া বাসায় শ্বশুর-শাশুড়ি ও স্বামীর সঙ্গে বসবাস করতেন।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টেন্ডার নিয়ে ছাত্রলীগ-ঠিকাদার ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া
গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন জানান, তাদের বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, নির্বাহী প্রকৌশলী, ডিআইজি এবং বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে দরপত্র জমা দেয়ার জন্য টেন্ডার বাক্স রাখা হয়। তিনি শুনেছেন ঠিকাদাররা তার এবং তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর কার্যালয়ে টেন্ডার জমা দিতে এলে ছাত্রলীগ কর্মীরা বাধা দেয়।
তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আবদুল গনি জানান, সাধারণ ঠিকাদারদের দরপত্র জমা দিতে বাধা দেয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ও র্যাবকে খবর দেয়া হয়।
র্যাব-পুলিশ দুটি কার্যালয়ে অবস্থান নিয়ে সাধারণ ঠিকাদারদের দরপত্র জমা দিতে সহযোগিতা করে।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাখায়াত হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দরপত্র জমাদানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে লাঠিচার্জ করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সরিয়ে দেয়া হয়। পরে শান্ত পরিবেশে সাধারণ ঠিকাদাররা দরপত্র জমা দেন।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি পাঁচ আসামির
তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মতিহার থানার ওসি আলমগীর হোসেন জানান, আসামিদের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা হিসেবে অভিযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি ঠিকাদার আবদুস সামাদ পিন্টু ও তার সহযোগী সিরাজুল ইসলাম কালুকে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এ, কাটাখালী পৌর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম ও সবুজকে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এ এবং আল মামুনকে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫ এ হাজির করা হয়।
প্রায় তিন ঘণ্টা পর তাদের ম্যাজিস্ট্রেটদের কক্ষ থেকে বের করা হয়। পরে প্রিজন ভ্যানে করে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তারা ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়নি বলে যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী মহানিগর পুলিশের উপকমিশনার তানভীর হায়দার চৌধুরী। এ বিষয়ে কোনো তথ্যই সাংবাদিকদের জানাননি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন। আসামিদের জেলহাজতে পাঠানোর প্রায় এক ঘণ্টা পর তিনি আদালত ভবন থেকে বের হলে সাংবাদিকরা তাকে ঘিরে ধরেন। তবে তিনি কোনো প্রশ্নের জবাব না দিয়ে মতিহার জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনারের গাড়িতে চড়ে তিনি চলে যান।
এর আগে পিন্টুসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ৬ জনকে গ্রেফতার করে র্যাব। রোববার ঢাকায় র্যাবের সংবাদ সম্মেলনে আবদুস সামাদ পিন্টু বলেন, স্ত্রীর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করায় আমি অধ্যাপক শফিউলের সঙ্গে দেখা করতে যাই। কিন্তু তিনি আমার কথা না শুনে দূরদূর করে তাড়িয়ে দেন। এ অপমান আমি কোনোভাবেই মানতে পারিনি। তাই চিন্তা করলাম শফিউলকে সাইজ করতে হবে। এ জন্য আমি উজ্জ্বল ও মানিকের সঙ্গে কথা বলে তাদের সাহায্য চাই। তারা আমার কথামতো কাজ করেছে। র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান জানান, অধ্যাপক শফিউল খুনের ঘটনায় ১১ জন জড়িত ছিল। এদের মধ্যে ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। অপরদিকে, হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশের হাতে গ্রেফতারকৃত ১১ জনের মধ্যে আরিফুর রহমান, জিন্নাহ আলী ও সাগরকে তৃতীয় সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।
বিচার দাবিতে রাবিতে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ চলছে : রাবি প্রতিনিধি জানান, অধ্যাপক ড. একেএম শফিউল ইসলাম লিলনের হত্যার বিচার দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ। সোমবার থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি চলবে বুধবার পর্যন্ত।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আসামি থেকেই যাচ্ছেন মেয়র আরিফ
মেয়র আরিফকে চার্জশিটে আসামি করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চার্জশিটে আমাদের ভিকটিম পরিবারের কোনো হাত নেই। মেয়র আরিফ কিভাবে চার্জশিটভুক্ত আসামি হলেন তা আমাদের জানার কথাও না। তিনি বলেন, হরকাতুল জিহাদের শীর্ষ নেতা মুফতি হান্নানের ভিডিও রেকর্ডকৃত জবানবন্দি শুনেছি। সেখানে আরিফুল হক নয়, আরিফুল ইসলাম নামে একজনের নাম এসেছে। সেই আরিফ এ আরিফ কিনা তা আমি জানিনা। তদন্তকারীরাই বলতে পারবেন। তবে মামলার জন্য ভিডিও বক্তব্য নয়, লিখিত বক্তব্য প্রাধান্য পাওয়ার কথা। আদালতে দেয়া মুফতি হান্নানের বক্তব্য পড়লে বুঝা যাবে। তিনি বলেন, আমার বাবার প্রকৃত ঘাতক ছাড়া নিরাপরাধ কেউ অভিযুক্ত বা সাজাপ্রাপ্ত হোক তা আমি চাই না। আবার নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডে যারা জড়িত তারা যত বড় ক্ষমতাধরই হোক, তাদের আমি ভয় করি না। তাদের বিরুদ্ধে আমি সোচ্চার। তিনি বলেন, ঘাতকরা শুধু আমার বাবার হত্যাকারীই নয়, এই দেশ ও জাতির জন্য চরম হুমকি।
ড. রেজা কিবরিয়া এখন বিশ্বের অর্থনীতিবিষয়ক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন। এর আগে তিনি পিডিএফের বাংলাদেশ প্রধান, অক্সফোর্ড ইউনির্ভাসিটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা ছাড়াও বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন দীর্ঘ ১৮ বছর।
কিবরিয়া হত্যা মামলার বাদী অ্যাডভোকেট আবদুল মজিদ খান এমপি কিছুটা নাখোশ ভিকটিমের পরিবারের ওপর। বিকালে ফোনে আলাপকালে তিনি বলেন, মামলার চার্জশিট হয়েছে। এ চার্জশিট ভিকটিমের পরিবার গ্রহণ করেছেন। তারা সন্তুষ্ট থাকলে নারাজি দেয়ার প্রয়োজন নেই। তারা অনেক বিজ্ঞ ও সচেতন। তারাই পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেবেন। আমি স্রেফ মামলার বাদী। আমাদের নেতা কিবরিয়া গ্রেনেড হামলায় নিহত হওয়ার পর আমি মামলা করেছিলাম। এখন আমরা ন্যায়বিচার প্রার্থী। স্পর্শকাতর এ মামলার সম্পূরক চার্জশিট নিয়ে শুরু থেকেই চলছে নানা লুকোচুরি। নানা ভুল ধরা পড়ে চার্জশিট জমা দেয়ার পর। জমা দেয়া চার্জশিটে প্রথমে অভিযুক্ত করা হয় আরিফুল ইসলাম চৌধুরী নামের একজনকে। অথচ নাম ঠিকানা উল্লেখ করা হয় সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর। এছাড়া চার্জশিটে শায়েস্তানগরের স্থলে শায়েস্তাগঞ্জ উল্লেখ করা হয়। এ নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হলে আবার চার্জশিটটি সংশোধন করে ইসলাম-এর স্থলে হক এবং শায়েস্তাগঞ্জ-এর স্থলে শায়েস্তানগর বসিয়ে সংশোধন করা হয়। সম্প্রতি সিলেট সিটি মেয়র, হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়রসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে এ চার্জশিট দাখিল করেন সিআইডির কর্মকর্তা মেহেরুন্নেছা পারুল। তিনি ভুল সংশোধনের কথা স্বীকার করেছেন।
চার্জশিটে সিলেটের মেয়র আরিফকেই আসামি করা হয়েছে এটা নিশ্চিত হওয়ার পর সিলেটে তোলপাড় চলছে। এর আগে কিবরিয়া হত্যা মামলার প্রথম চার্জশিট দিয়েছিলেন সিআইডির তৎকালীন সিনিয়র এসএসপি মুন্সী আতিকুর রহমান। তিনি ১০ জনকে অভিযুক্ত করেছিলেন। মামলার দ্বিতীয় দফার চার্জশিট দেন সিআইডির তৎকালীন সিনিয়র এসএসপি রফিকুল ইসলাম। ওই চার্জশিটে ১৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে গ্রেনেড হামলায় শিকার হন সাবেক অর্থমন্ত্রী, বরেণ্য কূটনীতিক শাহ এএমএস কিবরিয়া।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনগণের সঙ্গে সার্কের সংশ্লিষ্টতা আরও বাড়াতে হবে : এম হুমায়ূন কবির by মোহাম্মদ কবীর আহমদ
এম হুমায়ূন কবির : দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) সার্বিক অগ্রগতির বিষয়ে যারা হতাশা ব্যক্ত করেন, আমি তাদের সঙ্গে একমত হলেও এ বিষয়ে বিস্তৃত প্রেক্ষাপটে বিষয়টি দেখতে চাই। এ ক্ষেত্রে মনে রাখা দরকার, নিকট প্রতিবেশী দেশের নেতৃবৃন্দের মধ্যকার আলাপ-আলোচনাটাও সুসম্পর্ক রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সেদিক থেকে বিবেচনা করলে সার্কের সদস্যরাষ্ট্রের শীর্ষপর্যায়ের নেতৃবৃন্দ যখন আলোচনায় বসেন কিংবা সার্কের বিভিন্ন পর্যায়ে যখন আলোচনা হয়- তার একটা ইতিবাচক প্রভাব আছে বলে আমি মনে করি। কূটনীতিতে এটাকে আমরা গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করি। এ ছাড়া সাফটার আওতায় বাংলাদেশসহ অন্য স্বল্পোন্নত দেশগুলো ভারতের মতো অপেক্ষাকৃত অগ্রসর দেশগুলোতে বিভিন্ন পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে- এটাও সার্কের সহযোগিতারই একটি প্রতিফলন। কাজেই এ অঞ্চলের দেশগুলোর সার্বিক উন্নয়নে সার্কের ভূমিকা একেবারে নগণ্য- একথা বলা ঠিক হবে না। তবে এটা ঠিক যে, সার্কের প্রতি এ অঞ্চলের জনগণের যে ব্যাপক প্রত্যাশা ছিল, সে প্রেক্ষাপটে সার্কের অর্জন বড়ই কম। সার্কের সাফল্য আরও থাকা উচিত ছিল। পারস্পরিক যোগাযোগ সম্পর্ক উন্নয়নের প্রাথমিক ধাপ- এদিক থেকে বিবেচনা করলে সার্কের গুরুত্ব আমাদের কাছে স্পষ্ট হতে পারে।
যুগান্তর : ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা আসিয়ান তার সদস্যরাষ্ট্রগুলোর উন্নয়নে যে ভূমিকা রাখতে পারছে, সার্ক তা পারছে না কেন?
হুমায়ূন কবির : ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বা আসিয়ানের মতো সার্ক কেন এ অঞ্চলের দেশগুলোর উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারছে না- এ বিষয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে আমাদের মনে রাখা দরকার, ঐতিহাসিকভাবে এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে সহযোগিতার পরিবর্তে দ্বন্দ্ব বা অসহযোগিতার প্রভাবই বেশি ছিল এবং এখনও যে তা নেই সে কথা বলা যাচ্ছে না। এ ছাড়া ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্ব এ অঞ্চলের দেশগুলোর একত্রে কাজ করার ক্ষেত্রে বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার করছে। পারস্পরিক সংঘাত ইউরোপের দেশগুলোতেও ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের দেশগুলোর নেতৃবৃন্দ বুঝতে পেরেছেন, সংঘাতের চেয়ে সহযোগিতার মূল্য অনেক বেশি। এ অনুভূতিকে গুরুত্ব দিয়ে সহযোগিতাকে ক্রমাগত শক্তিশালী করতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বর্তমান পর্যায়ে এসেছে। সে তুলনায় এ অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দের মধ্যে সহযোগিতার মনোভাব জোরালো, এমনটি লক্ষ করা যায়নি। ইইউর অগ্রগতির নেপথ্যে যে আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামকের ভূমিকা পালন করেছে তা হল, এ সংস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ইইউভুক্ত অগ্রসর দেশগুলোর নেতৃত্ব প্রদান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময় থেকে শুরু করে ইইউভুক্ত দেশগুলোর নেতৃবৃন্দ তাদের ভিশন বা লক্ষ্য অনুযায়ী ইউরোপকে সাজানোর জোরালো চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। সে জন্য ইইউ উন্নয়নের মডেল হিসেবে গুরুত্ব লাভ করেছে।
অন্যদিকে সার্ক গঠনের শুরুতেই ভারতের সন্দেহ ছিল- অন্য ছোট রাষ্ট্রগুলো ভারতের বিরুদ্ধে দল বাঁধার চেষ্টা করছে কি-না; পাকিস্তানের সন্দেহ ছিল, অন্যান্য রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে মিলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কিছু করছে কি-না। পারস্পরিক এ অবিশ্বাস এখনও বলা যায় আছে- যদিও অতিসম্প্রতি ভারত তার অবস্থান পরিবর্তন করেছে। কারণ ভারত এখন বুঝতে পেরেছে- সার্ক এ অঞ্চলের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের একটা কার্যকর বাহন হতে পারে। দ্বিতীয়ত, দ্বিপক্ষীয়ভাবে যেসব ইস্যুর মীমাংসা সম্ভব হচ্ছে না, ভারত মনে করে সেসব ইস্যু সার্কের আওতায় কোনো একসময় ইতিবাচকভাবে নিষ্পন্ন করা সম্ভব। আমরা লক্ষ করছি- অর্থনৈতিকভাবে সার্কের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ হিসেবে ভারতের উত্থান হচ্ছে এবং ভারত মনে করছে, তার অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করার জন্য সার্ক ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। এসব দিক বিবেচনায় গত এক দশক ধরে ভারত সার্কের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করে আসছে। সে কারণেই সাফটা তাত্ত্বিকভাবে মোটামুটি কার্যকর হয়েছে; কিন্তু এখনও অনেক শুল্ক ও অশুল্ক বাধা আছে। সেগুলো আমাদের অতিক্রম করতে হবে। তবে ইতিমধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার একটি ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে বলে আমি মনে করি। কাজেই সার্ককে ইইউ বা আসিয়ানের সঙ্গে তুলনা করলে পার্থক্যগুলো স্পষ্ট হবে। নিশ্চয়ই আমরা ওই জায়গায় পৌঁছাতে পারিনি। এর নেপথ্যে অনেক কারণও রয়েছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, নেতৃত্বের ভিশন, রাষ্ট্রগুলোর আয়তন, পারস্পরিক বিশ্বাস-অবিশ্বাস- এগুলো সার্কের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করছে। এবং যতদিন এ বিষয়গুলো নেতিবাচক ভূমিকায় থাকবে ততদিন সার্ক এখন যেভাবে যাচ্ছে সেভাবেই যাবে এবং এ অবস্থা কখনোই আমাদের ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা আসিয়ানের পর্যায়ে পৌঁছাতে সাহায্য করবে না। তবে আশার কথা হচ্ছে, এ অবস্থার সম্ভবত পরিবর্তন হচ্ছে।
যুগান্তর : গত দু’বছর সার্ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি। অর্থাৎ এটি অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। এটাকে আপনি কীভাবে দেখছেন?
হুমায়ূন কবির : সার্কে এ ধরনের অনিয়ম নতুন নয়। এ সংস্থা ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এবারে সার্কের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এ থেকেই স্পষ্ট, এ সম্মেলন বহুবার স্থগিত হয়েছে। এ ব্যত্যয়কে আমি বড় করে দেখতে চাই না। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাব অক্ষুণœ থাকলে এ অনিয়ম সার্কের লক্ষ্য অর্জনে খুব একটা ক্ষতির কারণ হবে বলে মনে হয় না। তবে সার্ক সম্মেলন যাতে নিয়মিত অনুষ্ঠিত হতে পারে- এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার চেষ্টা অব্যাহত রাখা উচিত।
যুগান্তর : বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে আমরা এত পিছিয়ে থাকার পরও বলা হয়েছে, সার্কের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করে সার্কের কী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা উচিত, যাতে আমাদের অর্জন পর্যবেক্ষণ করে বিশ্বের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অবস্থা বুঝতে পারি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সার্ক উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় আর কী ধরনের সংযোজন দরকার, যাতে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সার্কভুক্ত দেশগুলোর অর্জন স্পষ্ট হয়?
হুমায়ূন কবির : সার্ক উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়- এটা নিশ্চয়ই আমাদের জন্য সন্তুষ্টির বিষয়। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের অগ্রগতির ক্ষেত্রে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল বা এমডিজির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ ছাড়া আমাদের দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করার জন্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। এমডিজিকে সামনে রেখে আমরা দারিদ্র্য বিমোচন, নারী শিক্ষার বিস্তার, শিশুমৃত্যুর হার কমানো, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা- এ ধরনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক কিছু ধারা তিন দশক ধরে বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছি। সার্কের অন্য দেশগুলো লক্ষ্য অর্জনে আরও জোরালোভাবে এগিয়ে যাক- এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সে ক্ষেত্রে ওই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সার্কের ভূমিকা এখনও আমাদের নজরে আসছে না। পোস্ট মিলিনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল-এর আলোকে আমরা মনে করি, উন্নত ও অগ্রসর উন্নয়নশীল দেশগুলোর পক্ষ থেকে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে জোরালো করার জন্য নৈতিক, আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা অব্যাহত রাখা উচিত। একই সঙ্গে সার্কের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সার্কভুক্ত সব দেশ সহযোগিতা অব্যাহত রাখলে এসব দেশের লক্ষ্য অর্জনে সাফল্য আসতে পারে।
যুগান্তর : সার্কে দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনার সুযোগ নেই। অথচ সার্কের সদস্য দেশগুলোর বেশিরভাগ সমস্যাই দ্বিপক্ষীয়। এ বিষয়টি সার্কের অগ্রগতির পথে বাধা বলে মনে করেন কি?
হুমায়ূন কবির : সার্কের পক্ষ থেকে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার সুযোগ নেই- এটা সত্য; কিন্তু সার্ক সম্মেলন চলাকালে বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ অনানুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। এসব অনানুষ্ঠানিক আলোচনার অনেক গুরুত্ব রয়েছে। যেকোনো বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে দুই পদ্ধতিতে সমস্যা সমাধান করা হয়। একটি হচ্ছে দ্বিপক্ষীয়ভাবে শুরু করে বহুপক্ষীয় আলোচনায় যাওয়া, অপরটি হল বহুপক্ষীয় দিক থেকে আলোচনা শুরু করে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা। সার্ক কাঠামোতে বহুপক্ষীয় আলোচনার সূত্র ধরে দ্বিপক্ষীয় সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্র প্রস্তুত করা যেতে পারে। এখনও আমরা আশায় আছি- এ প্রক্রিয়ায় হয়তো একসময় কার্যকর ফল মিলবে। সার্কের বিদ্যমান কাঠামোর পাশাপাশি আরও সৃজনশীল কী কী পদক্ষেপ নেয়া যায় সে বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখা যেতে পারে।
যুগান্তর : এ ক্ষেত্রে সার্কের গঠনতন্ত্রে কোনো পরিবর্তন আনার প্রয়োজন আছে কি-না? এতে ভারতের সম্মতি পাওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু?
হুমায়ূন কবির : সার্কের গঠনতন্ত্রে পরিবর্তন আনার কথা চিন্তা করা যেতে পারে। তবে এর বর্তমান কাঠামোতে কেবল ভারতের ইচ্ছা-অনিচ্ছায় এ পরিবর্তন সম্ভব নয়। প্রতিটি সদস্যরাষ্ট্রের সম্মতিতে তা করা যেতে পারে। তবে সার্কের গঠনতন্ত্র পরিবর্তনে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা অস্বীকার করা যায় না। কারণ ভারত ছাড়া সার্কের অন্য দেশগুলোর কারও সঙ্গে কারও সীমান্ত নেই। ভারত যদি দ্বিপক্ষীয় আলোচনার বিষয়টি সার্কে নিয়ে আসে, তাহলে সার্কের অন্যান্য দেশ এতে স্বস্তিবোধ নাও করতে পারে। কাজেই ভারত যদি এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেয় এবং অন্য দেশগুলো যদি তাতে স্বস্তিবোধ করে বা তারা যদি দেশটির প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে পারে, তাহলে আমার ধারণা সার্কের গঠনতন্ত্রে পরিবর্তনের একটা উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে ভারতের কেবল সম্মতি নয়- ভারতকে এ বিষয়ে নেতৃত্ব দিতে হবে।
যুগান্তর : সার্কের গঠনতন্ত্র পরিবর্তনের প্রক্রিয়াটি কী হতে পারে?
হুমায়ূন কবির : এর জন্য সার্ক চার্টারে পরিবর্তন আনতে হবে। সদস্যরাষ্ট্রগুলো একমত হলে এ ধরনের পরিবর্তন তেমন জটিল কোনো কাজ নয়।
যুগান্তর : এ পরিবর্তনের উদ্যোগ তো বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে নিতে হবে- আওয়াজটা তুলতে হবে...
হুমায়ূন কবির : এ বিষয়ে আওয়াজ যে একেবারে নেই, তা বলা যাবে না। কিছু কিছু আওয়াজ তো উঠছেই। সার্কের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ‘সর্বসম্মত’ যে বিষয়টি রয়েছে, এটা কি আমাদের জন্য খুব উপযোগী? এতে কি আমরা উপকৃত হয়েছি? এ ধরনের আলাপ-আলোচনা বিভিন্ন পর্যায়ে হয়; কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এ আলোচনাটা শুরু হয়নি। থিংকট্যাংক লেভেলে, সুশীল সমাজের আলাপ-আলোচনায় এ বিষয়গুলো ইতিমধ্যে উঠে এসেছে।
যুগান্তর : সামগ্রিকভাবে সার্কের দেশগুলো যাতে দ্রুত উপকৃত হতে পারে- সে জন্য আর কী পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে?
হুমায়ূন কবির : এ বিষয়ে ইতিমধ্যে যেসব আলোচনা করেছি তার সঙ্গে আরও যা
যোগ করতে চাই তা হল, ইইউকে উদাহরণ হিসেবে নেয়া। প্রথমদিকে মাত্র কয়েকটি দেশ মিলে ইইউ প্রতিষ্ঠা করলেও সংস্থাটির কর্মপদ্ধতিতে আকৃষ্ট হয়ে সদস্য সংখ্যা বাড়তে থাকে।
যুগান্তর : বিশেষ প্রয়োজনে ইইউভুক্ত দেশগুলোর শীর্ষ নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হলে অল্প সময়ের ব্যবধানে সংস্থাটির শীর্ষপর্যায়ে বৈঠকের আয়োজন করা যায়। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় কাক্সিক্ষত গতি আসার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। সার্কে এ রকম পদ্ধতি চালু করা কতটা সম্ভব?
হুমায়ূন কবির : সেটা তো হতেই পারে এবং সেটা হয়তো বাঞ্ছনীয়ও। কিন্তু সেটা হওয়ার জন্য যে পরিমাণ সদ্ভাব-আস্থা-বিশ্বাস দরকার- সেটা কি এ অঞ্চলে আছে? ভারত-পাকিস্তান কি সে পর্যায়ে আছে? সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী সার্কভুক্ত দেশের সব শীর্ষ নেতাকে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ভারতে এলে পাকিস্তানে কী প্রতিক্রিয়া হয়েছিল, সেসব বিভিন্নভাবে আমরা শুনেছি। কাজেই রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার দ্বিপক্ষীয়, বিশেষত জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়টিও এ ক্ষেত্রে জরুরি। এর অভাবে অবিশ্বাস-অনাস্থা বাড়তে থাকে।
যুগান্তর : জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করবেন?
হুমায়ূন কবির : সার্কের কর্মকাণ্ড বর্তমানে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়ে থাকে। কৃষি খাত, স্বাস্থ্য খাত, অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী কর্মসূচি- এরকম অনেক ধরনের কাজ হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড কী করে জনগণের সামনে তুলে ধরা যায় এবং বিভিন্ন কর্মসূচির সঙ্গে কী করে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো যায়- এ বিষয়ে আরও ভাবতে হবে।
সার্কের একটি অন্যতম সমস্যা হল- এটি একটি সুপার বুরোক্র্যাটিক অর্গানাইজেশন ও আমলাতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। যতক্ষণ আপামর জনগণের সঙ্গে সার্কের সংশ্লিষ্টতা না বাড়বে, যতক্ষণ জনগণ সার্কের মাধ্যমে সরাসরি উপকৃত না হবে- ততক্ষণ পর্যন্ত সার্কের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন থাকবে। সার্কের কর্মপদ্ধতি নিয়ে যখন আমি আলোচনা করব, তখন জনসম্পৃক্ততা কী করে বাড়ানো যায়, জনগণ কীভাবে সার্কের কাজটা দেখবে- সেটাও আমাকে চিন্তা করতে হবে। কারণ সবকিছুই করা হচ্ছে জনগণের কল্যাণে এবং সবকিছুর লক্ষ্যই জনগণ।
যুগান্তর : সার্ক ব্যাংক গঠনের কথা শোনা যাচ্ছে? এ ধরনের উদ্যোগ সদস্যরাষ্ট্রগুলোর উন্নয়নে কী ভূমিকা রাখতে পারে?
হুমায়ূন কবির : সার্কের বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোই ঠিকমতো কাজ করতে পারছে না। সার্ক ডেভেলপমেন্ট ফান্ডটি ঠিকমতো কাজে লাগানো যায়নি। এ অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিলে যে প্রশ্নটি এসে যায় তা হল, সার্ক ব্যাংক কীভাবে কাজে লাগানো যাবে? ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে হলে অর্থের প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় সেই অর্থ দেবে কে? সার্কভুক্ত দেশগুলো গত প্রায় ৩০ বছরে একটিও সার্ক প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারেনি। ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করলেই তো হবে না। এর কাজ তো দেখাতে হবে। ব্যাংকটিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হলে ব্যাংকের বিনিয়োগটি লাভজনক হতে হবে। সার্ক ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগটি ভালো। কিন্তু এ ব্যাংককে লাভজনক করতে না পারলে এটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য অর্জিত হবে না। ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি একে কী করে প্রকৃত অর্থে লাভবান করা যায়, তাও খুঁজে বের করতে হবে।
যুগান্তর : জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সার্কভুক্ত দেশগুলো কী উদ্যোগ নিতে পারে? এ ক্ষেত্রে নেপালের বিদ্যুৎ সংকটের বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করা যায়।
হুমায়ূন কবির : নেপালে বিদ্যুৎ উৎপাদনের যে প্রচুর সম্ভাবনা আছে, তা কাজে লাগানোর জন্য বিনিয়োগ লাগবে, যথাযথ পরিকল্পনা লাগবে, এর জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি করতে হবে। এসব সম্পন্ন করা হলেই তো সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাবে। নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে ৮৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। কিন্তু বর্তমানে দেশটিতে উৎপাদন হয় মাত্র ৭০০ মেগাওয়াট।
যুগান্তর : নেপালে কখনও কখনও নাকি প্রায় ২০ ঘণ্টার মতো লোডশেডিং করা হয়?
হুমায়ূন কবির : নেপালের জনসংখ্যা বাংলাদেশের ছয় ভাগের এক ভাগ। আমাদের তুলনায় তাদের অন্তত ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করার কথা। তারা তা করতে পারছে না। কাজেই লোডশেডিং তো হবেই। নেপালে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের যে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে তার সামান্যতমও দেশটি কাজে লাগাতে পারেনি।
যুগান্তর : এ অঞ্চলের দেশগুলোর জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে কী উদ্যোগ
নেয়া উচিত?
হুমায়ূন কবির : দক্ষিণ এশিয়ার বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানে কয়লাকে এক নম্বর বা প্রধান জ্বালানি হিসেবে রাখতে হবে। কারণ বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানে প্রচুর কয়লা রয়েছে। জলবিদ্যুতের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও ভুটানে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান- এ তিনটি দেশে গ্যাস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রে শ্রীলংকা, মালদ্বীপ ও বাংলাদেশে যেসব সম্ভাবনা আছে, তা কাজে লাগানো হলে এটিও জ্বালানি নিরাপত্তায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আগামী দিনের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে হলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রাথমিক উপকরণ বা জ্বালানির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোয় বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রাথমিক জ্বালানি এমনভাবে বিস্তৃত যে, এককভাবে কোনো দেশ বিদ্যুৎ খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পরিবর্তে আন্তঃদেশীয় সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করলে কাজটি অনেক সহজ হবে। ইতিমধ্যে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত সার্ক দেশগুলোর জ্বালানি ও বিদ্যুৎমন্ত্রীদের সম্মেলনে সার্ক গ্রিড নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। পাকিস্তান এখনও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানায়নি। ১৮তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত মন্ত্রী পর্যায়ের সিদ্ধান্তকে সার্কের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করা যায় কি-না তা আলোচিত হবে। পাকিস্তান রাজি থাকলে এবারের কাঠমান্ডু সম্মেলন দক্ষিণ এশিয়ায় বিদ্যুৎ সংকটের সমাধানে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।
যুগান্তর : সার্কভুক্ত দেশগুলোর বিনিয়োগ ও বাণিজ্য প্রসারের অন্যতম অন্তরায় অশুল্ক বাধা। এ সমস্যা দূর করতে কী করণীয়?
হুমায়ূন কবির : ভারত বাংলাদেশকে ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিয়েছে। কিন্তু অশুল্ক বাধার কারণে বাংলাদেশ এলডিসিভুক্ত দেশ হিসেবে প্রাপ্ত শুল্কমুক্ত সুবিধার সুযোগ কাজে লাগাতে পারছে না। কাজেই অশুল্ক বাধা দূর করতে ভারত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
যুগান্তর : সার্কভুক্ত দেশগুলোর যৌথ উদ্যোগে গবেষণা খাতে কী ধরনের নতুন কর্মসূচি নেয়া যায়, যা দেশগুলোর টেকসই উন্নয়নে সহায়তা করবে?
হুমায়ূন কবির : দারিদ্র্য দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের জন্যই এক বড় সমস্যা। দারিদ্র্য বিমোচনে যে কয়েকটি বিষয় প্রধান ভূমিকা পালন করে তার অন্যতম হল শিক্ষা ও দক্ষতা। সার্কভুক্ত দেশগুলোতে ভারত অনেক এগিয়ে রয়েছে। অন্যান্য দেশে শিক্ষার প্রসার হলেও শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। একটা দক্ষিণ এশীয় মান নির্ধারণ করা যায় কিনা তা বিবেচনায় নিতে হবে। সার্কভুক্ত দেশগুলোর পাঠ্যক্রমে সমতা বা অভিন্ন মান রক্ষা করার বিষয়টি কী করে নিশ্চিত করা যায় তা আলোচনা করতে হবে। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, গণিত, ইংরেজি- এ ধরনের মৌলিক বিষয়ে সার্কভুক্ত দেশগুলোতে একই পাঠ্যসূচি অনুসরণ করার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। এই মৌলিক বিষয়ের পাশাপাশি প্রতিটি দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি- এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় বিষয় সংযুক্ত হলে সার্কভুক্ত দেশগুলোর জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে এটি বিশেষভাবে সহায়তা করবে। মৌলিক বিষয়ে একই পাঠ্যসূচি অনুসরণ করা হলে যৌথ উদ্যোগের উচ্চতর গবেষণায় দ্রুত ইতিবাচক ফল মিলবে। আগামী দিনগুলোতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে দক্ষ কর্মীর চলাচল আরও বাড়বে। বর্তমানে ভারতের প্রায় পাঁচ লাখ কর্মী বাংলাদেশে কর্মরত। আমাদের দেশের দক্ষ কর্মীর সংখ্যা বাড়লে অন্য দেশে তাদের চাহিদা বড়বে। বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতে এ অঞ্চলের অন্যান্য দেশে বাংলাদেশের দক্ষ কর্মীর চাহিদা তৈরি হবে না। দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতিতে যে বিবর্তন হচ্ছে অর্থাৎ আমরা কৃষি অর্থনীতি থেকে শিল্পকারখানাভিত্তিক অর্থনীতিতে যাচ্ছি- এসব শিল্পকারখানায় দক্ষ কর্মীর চাহিদা বাড়বে। ভারতের বর্তমান সরকার শিল্পকারখানা স্থাপনের জন্য দেশীয় বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। নেপাল ও ভুটানেও শিল্পকারখানা স্থাপনে জোরালো চেষ্টা লক্ষ করা যাচ্ছে। কাজেই আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবেলায় সক্ষম হয়। সর্বজনীন গ্রহণযোগ্য মান রক্ষার (Commonly acceptable standard) বিষয়টি বিবেচনা নিয়ে শিক্ষা ও গবেষণায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় খুঁজে বের করতে হবে- যাতে প্রকৃত অর্থে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সর্বজনীন গ্রহণযোগ্য মান বজায় থাকে। এতে আগামী দিনের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করার জন্য দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রসারিত হবে। এ অঞ্চলের সব দেশই কম-বেশি প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ। এসব দুর্যোগ সফলভাবে মোকাবেলায় বিদ্যমান গবেষণা ও সহযোগিতাকে আরও বিস্তৃত করতে হবে।
যুগান্তর : আপনাকে ধন্যবাদ
হুমায়ূন কবির : ধন্যবাদ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধুঁকে ধুঁকে চলছে উপজেলার সরকারি কলেজ
জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, মফস্বলের কলেজগুলো সবসময়ই আমাদের অগ্রাধিকারে থাকে। পদোন্নতির কারণে কিছু শিক্ষক অন্যত্র বদলির সুযোগ পেয়েছেন সত্যি। তবে সবাইকে সরিয়ে আনা হয়েছে। সবেতনে অনেককেই আগের স্থানে রেখে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এছাড়া আরও প্রভাষক নিয়োগের জন্য আমরা ইতিমধ্যে সাড়ে তিন হাজার পদের রিকুইজিশন (চাহিদা) সরকারি কর্মকমিশনকে দিয়েছি। আশা করছি, ৩৪ ও ৩৫তম বিসিএস থেকে এটা দ্রুত পূরণ করা সম্ভব হবে। জানা গেছে, সারা দেশে বর্তমানে ৩০৩টি সরকারি কলেজ আছে। এরমধ্যে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের কলেজ মাত্র দুটি আর মাদ্রাসা ৪টি। উচ্চ মাধ্যমিক এবং উপজেলা পর্যায়ের কলেজে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ ছাড়া আর সব পদ প্রভাষকের। সাধারণত অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপকরা অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ হয়ে থাকেন। ফলে এসব কলেজে নেতৃত্বের সমস্যা নেই। কিন্তু একদিকে সহস্রাধিক প্রভাষকের সহকারী অধ্যাপক হওয়া আর আড়াই হাজার প্রভাষকের পদ শূন্য থাকায় এর প্রভাব পড়েছে উপজেলা তথা মফস্বলের কলেজে। ফলে এসব কলেজ চলছে ধুঁকে ধুঁকে।
জানা গেছে, সর্বশেষ তিন স্তরের পদোন্নতির ফলে ২৪তম বিসিএসে নিয়োগ পাওয়া প্রভাষকরা সবাই সহকারী অধ্যাপক হয়েছেন। ২৫ থেকে ২৭তম বিসিএসের কয়েকটি বিষয় বাদে বাকিরা সহকারী হয়েছেন। কিন্তু ২৮তম বিসিএস থেকে ৩৩তম পর্যন্ত সবাই প্রভাষকই আছেন। ২৫ থেকে ৩৩তম বিসিএসে মোট আড়াই হাজার প্রভাষক আছেন। জানা গেছে, এদের মধ্যে অনেকেই মামার জোরে ঢাকাসহ বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কলেজে আছেন। ফলে বসুরহাটের মুজিব মহাবিদ্যালয়ের মতো উপজেলা পর্যায়ের কলেজগুলো ভুগছে শিক্ষক সংকটে।
সাধারণত ঢাকার বাইরের কলেজে প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পদায়ন করে মাউশি। ঢাকার বাইরে সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক এবং ঢাকায় সব ধরনের কর্মকর্তার পদায়ন নিয়ন্ত্রণ করে থাকে মন্ত্রণালয়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক ফাহিমা খাতুন বলেন, নতুন পদোন্নতিতে মফস্বলের কলেজে ছোটখাটো ধাক্কা লাগতে পারে, এই আশংকা থেকেই আমরা পদোন্নতি পরবর্তী পদায়নে সবেতনে আগের স্থানে রেখে দিয়েছি। এটা মূলত এক ধরনের সংযুক্তিই। তারপরও এটা করতে হয়েছে। এর বাইরে দেশের কোনো কলেজে কত সংখ্যক পদ শূন্য রয়েছে সেটাও নিরূপণের কাজ চলছে। আগামী সপ্তাহ নাগাদ সব তথ্য পাওয়া যাবে। এরপর সেগুলো পূরণে উদ্যোগ নেয়া হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঢাকায় কিছু সংযুক্তি প্রয়োজনের নিরিখে করা হয়। আমরা অপ্রয়োজনীয় সংযুক্তি বের করে তাদের থেকে প্রয়োজনে শিক্ষক সংকটে থাকা কলেজে পদায়ন করব। শিক্ষা ছুটিজনিত ওএসডি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই হয়ে থাকে বলে জানান তিনি।
সূত্র জানায়, শিক্ষা ক্যাডারে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক এবং প্রভাষক- এই চারটি স্তর রয়েছে। সহকারী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পর্যায় পর্যন্ত তিন স্তরে পদোন্নতি দেয়া হয়। এরমধ্যে এবার অধ্যাপক পদে ৩৬৬, সহযোগী অধ্যাপক পদে ৬৭৬ ও সহকারী অধ্যাপক পদে ১ হাজার ৮৮ জন পদোন্নতি পেয়েছেন। পদোন্নতিপ্রাপ্ত এসব শিক্ষকের বেশির ভাগ মফস্বলের কলেজের। কিন্তু পদোন্নতির পর তাদের খুব কমসংখ্যকই এ উপজেলা পর্যায়ের কলেজে পদায়ন পেয়েছেন। জেলার বড় বড় কলেজে চলে এসেছেন। এর বাইরে ইনসিটু (নিুপদে কর্মরত, কিন্তু উপরের পদের বেতনভোগী) ৪৩ অধ্যাপক, ১২৮ সহযোগী অধ্যাপক এবং ২২২ জন সহকারী অধ্যাপককেও পদায়ন করা হয়। এদের বেশির ভাগই ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরের বড় বড় কলেজ ও অন্য সরকারী দফতরে নিয়োজিত ছিলেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এবারের পদোন্নতির কারণে প্রায় ৬ বছর ধরে ঢাকায় গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা কিছু প্রভাষককে ঢাকার বাইরে পদায়ন করা হয়। ঢাকায় থাকা এসব প্রভাষকের বেশির ভাগই প্রভাবশালী। অনেকের বিরুদ্ধে দুর্নীতিতে ব্যাপকভাবে জড়িয়ে পড়ারও অভিযোগ রয়েছে। যে কারণে মন্ত্রণালয় চিহ্নিত এসব কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে পাঠিয়ে দেয়। জানা গেছে, এ ধরনের মোট ৬১ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। এরা আবার ঢাকায়ই থাকার জন্য নিজেদের সাবেক ছাত্রলীগার পরিচয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পর্যন্ত গিয়েছেন। এ নিয়ে একশ্রেণীর ব্যক্তি বিতর্ক তৈরিরও চেষ্টা করছেন। জানতে চাইলে এই অংশের একজন বিজয় কুমার ঘোষ বলেন, যেসব কর্মকর্তা ঢাকার বাইরে বদলির আদেশ পেয়েছেন তাদের মধ্যে কিছু কর্মকর্তা ছাত্রলীগের পরিচয়ে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) সাইফুজ্জামান শিখরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তারা তাদের ঢাকার বাইরে বদলির ব্যাপারে অসন্তোষ প্রকাশ করার কথাও জানান।
জানা গেছে, ৪৪২ জন কর্মকর্তা বিভিন্ন সরকারি দফতরে রয়েছেন সংযুক্ত কর্মকর্তা হিসেবে। ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে আছেন আরও অন্তত ২শ কর্মকর্তা। এসব কর্মকর্তার অনুপস্থিতির প্রভাবও পড়েছে মফস্বলের কলেজগুলোতে। কেননা, গ্রামে থাকবেন না বলেই একশ্রেণীর কর্মকর্তা সংযুক্তি নিয়ে শহরের বিভিন্ন কলেজ ও সরকারি দফতরে ঢুকে পড়েছেন। আর ওএসডি হিসেবে যারা আছেন তাদের বেশির ভাগ শিক্ষা ছুটি নেয়া। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিক্ষা ছুটির আড়ালেও অনেকেরই মূলত গ্রামে না যাওয়া আর শহরে থাকার মানসিকতা রয়েছে। এর বাইরে কর্মকর্তাদের বেশির ভাগই সাধারণত শহরের কলেজে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। এতে ফাঁকা থাকে গ্রামের কলেজ। মাউশির সহকারী পরিচালক কামাল হায়দার জানান, পদোন্নতির পর বাকি তিন স্তরে আর পদ শূন্য নেই। এরপরও নতুন করে কলেজ ধরে ধরে শূন্য পদ বের করার কাজ চলছে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সার্ক সম্মেলনে গুরুত্ব পাক ফুড ব্যাংকের বাস্তবায়ন by আবদুল লতিফ মন্ডল
সার্ক ফুড ব্যাংক অকার্যকর থাকা অবস্থায় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে সার্কের প্রোগ্রামিং কমিটির বৈঠকের মধ্য দিয়ে ২২ নভেম্বর শুরু হয়েছে সার্কের ১৮তম সম্মেলন। ২৬ ও ২৭ নভেম্বর সার্কের আটটি সদস্য দেশ আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভারত ও পাকিস্তানের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের শীর্ষ বৈঠকের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ১৮তম সার্ক সম্মেলন। এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য গভীর সমন্বয়’। আমরা চাইব, এ অঞ্চলের দেশগুলোতে শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য চলতি সার্ক সম্মেলনে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে গুরুত্ব পাক সার্ক ফুড ব্যাংক বাস্তবায়নের বিষয়টিও।
সার্ক ফুড ব্যাংক প্রতিষ্ঠা চুক্তির প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সদস্য দেশগুলো খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব অনুধাবন করে এবং তারা আরও অনুধাবন করে যে, একটি আঞ্চলিক খাদ্য মজুদ স্থাপনা তাদের খাদ্য নিরাপত্তার উন্নতি সাধনে সহায়ক হবে।
২০০৭ সালে সার্ক ফুড ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় সার্কভুক্ত দেশগুলো যে চুক্তি স্বাক্ষর করে, তাতে সার্ক ফুড ব্যাংক স্থাপনের উদ্দেশ্যাবলী সুনির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো হল- এই ব্যাংক ক. স্বাভাবিক সময়ে খাদ্যাভাব এবং জরুরি অবস্থায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর জন্য আঞ্চলিক খাদ্য নিরাপত্তায় মজুদ হিসেবে কাজ করবে; খ. সার্কভুক্ত দেশগুলোর জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা প্রচেষ্টায় আঞ্চলিক সহায়তা দেবে; গ. সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক ও আঞ্চলিক সংহতি জোরদার এবং যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে আঞ্চলিক খাদ্যাভাব দূর করবে। চুক্তির অন্য প্রধান বিষয়গুলো হল- খাদ্যশস্যের (ধান ও গম) মজুদ, মজুদের গুণগত মান, খাদ্যশস্য উত্তোলন, মজুদ থেকে খাদ্যশস্য ছাড়করণের পদ্ধতি, মজুদ পুনর্ভরণ, কোনো সদস্যের নিজ মজুদের অংশ থেকে খাদ্যশস্য উত্তোলনের পদ্ধতি, খাদ্যশস্যের মূল্য নির্ধারণ, প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাদি এবং ফুড ব্যাংক পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত ফুড ব্যাংক বোর্ডের গঠন ও কার্যাবলি।
সার্ক ফুড ব্যাংক স্থাপন চুক্তিতে ২ লাখ ৪১ হাজার ৫৮০ টন খাদ্যশস্যের মজুদ গড়ে তোলার বিধান রাখা হয়েছে। সদস্য দেশগুলোর জন্য সার্ক ফুড ব্যাংকে খাদ্যশস্য মজুদের যে পরিমাণ নির্ধারিত হয়েছে তা হল- বাংলাদেশ ৪০ হাজার, ভুটান ১৮০, ভারত ১ লাখ ৫৩ হাজার ২০০, মালদ্বীপ ২০০, নেপাল ৪ হাজার, পাকিস্তান ৪০ হাজার এবং শ্রীলংকা ৪ হাজার টন। আফগানিস্তানের জন্য কোনো মজুদের পরিমাণ ওই চুক্তিতে নির্ধারণ করা হয়নি।
২০১০ সালের ২৭-২৮ অক্টোবর ঢাকায় অনুষ্ঠিত সার্ক ফুড ব্যাংকের চতুর্থ বোর্ড সভায় খাদ্যশস্যের মজুদের পরিমাণ ৪ লাখ টনে উন্নীত করার সুপারিশ করা হয়। এ সুপারিশের পেছনের কারণগুলো হল- ক. দক্ষিণ এশিয়ায় কৃষিজমির পরিমাণ ক্রমাগত হ্রাস পাওয়ার বিপরীতে জনসংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধি খ. সার্কভুক্ত দেশগুলোয় ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি, যার ফলে ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ার আশংকা এবং গ. দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে জরুরি খাদ্য পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফুড ব্যাংকে খাদ্যশস্যের মজুদের অপর্যাপ্ততা।
২০১২ সালের মে মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সার্ক ফুড ব্যাংক পরিচালনা বোর্ডের বিশেষ সভায় বাংলাদেশ ফুড ব্যাংকে খাদ্যশস্যের মজুদের পরিমাণ ৪ লাখ টনে উন্নীত করার সুপারিশ পুনর্ব্যক্ত করে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়, সার্ক ফুড ব্যাংক প্রতিষ্ঠালগ্নে খাদ্যশস্যের মজুদের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৪১ হাজার ৫৮০ টন। তবে সময়ের ব্যবধানে এ অঞ্চলে খাদ্য নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করতে মজুদের পরিমাণ বাড়ানো দরকার। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ দক্ষিণ এশিয়ায় বাস করে। সাব-সাহারা অঞ্চলের পরেই এ অঞ্চলে দারিদ্র্যের হার বেশি। বিশ্বের প্রায় ৪০ শতাংশ দরিদ্র মানুষের বাস দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে। এখানকার প্রায় ৩৫ শতাংশ মানুষ পুষ্টিহীনতার শিকার। উল্লেখ্য, সার্ক ফুড ব্যাংক কার্যকর করতে বাংলাদেশ সবসময় আন্তরিক।
শুধু তা-ই নয়, জনসংখ্যা বৃদ্ধির উচ্চ হার, আয়বৈষম্য ও সম্পদের অসম বণ্টন, প্রযুক্তি ব্যবহারে ধীরগতি, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগের ঝুঁকি, প্রাকৃতিক সম্পদের ঘাটতিসহ বিভিন্ন দিক থেকে সার্কভুক্ত দেশগুলোর অভিন্ন সমস্যা রয়েছে। এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন, দারিদ্র্য হ্রাস, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, জলবায়ু পরিবর্তন পরিস্থিতি মোকাবেলা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় কার্যকর উপায় উদ্ভাবনে সার্কভুক্ত দেশগুলোর নেতাদের একসঙ্গে কাজ করার কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে সার্ক ফুড ব্যাংক কার্যকর করা হলে এটি এ অঞ্চলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।
পত্রপত্রিকা সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ইক্যুইটিবিডি (ইক্যুইটি অ্যান্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ, বাংলাদেশ) আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা দক্ষিণ এশিয়ায় খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সার্ক ফিড ও ফুড ব্যাংক বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন। সেমিনারে ১৮তম সার্ক সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তুলে ধরার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। সেমিনারে বলা হয়, বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা সূচক-২০১৪ অনুযায়ী নাগরিকদের ক্রয়ক্ষমতা, খাদ্যের সহজ লভ্যতা ও খাদ্যমানের বিষয়ে ১০৯টি দেশের ওপর পরিচালিত জরিপে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৮তম। দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর অবস্থানও আশাপ্রদ নয়। সেমিনারে আরও বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তন দক্ষিণ এশিয়ার কৃষির জন্য মারাত্মক হুমকি। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এশিয়ার দেশগুলোর প্রকৃত উৎপাদন ৪-১০ শতাংশ কমে যেতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ থেকে মুক্তি পেতে সার্ক ফিড ও সার্ক ফুড ব্যাংক বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন বক্তারা।
সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে পত্রপত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে যে, সম্প্রতি কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত ‘সাউথ এশিয়া রিজিওনাল পলিসি ফোরাম অন ডিজাস্টার, ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এগ্রিকালচার/ফুড সিকিউরিটি’ শীর্ষক সংলাপে যোগদানকারী ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া দুর্যোগ মোকাবেলায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে সার্ক ফুড ব্যাংককে কার্যকর ও শক্তিশালী করার জন্য সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে পত্রপত্রিকার খবর অনুযায়ী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম জানিয়েছেন, এবারের সার্ক সম্মেলনে সার্ক ফুড ব্যাংক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, সার্কভুক্ত প্রায় প্রতিটি দেশে নতুন সরকার এসেছে। তাই ফুড ব্যাংক কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। তাছাড়া কত সময়ের জন্য খাদ্য মজুদ রাখা হবে তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। তবে অচিরেই এসব সমস্যা কেটে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, কোনো কোনো মহলের রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে এর আগে ১৯৮৮ সালের সার্ক ফুড সিকিউরিটি রিজার্ভ প্রতিষ্ঠা চুক্তিটি সফল হয়নি। সার্ক ফুড ব্যাংক কার্যকর করার অস্বাভাবিক দেরি দেখে তারা এর ভবিষ্যৎ নিয়েও সন্দিহান।
এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, সার্ক কাঠামোর আওতায় বেশ কয়েকটি ভালো উদ্যোগের মধ্যে সার্ক ফুড ব্যাংক অন্যতম। তাই দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের অবস্থার উন্নয়নে একযোগে কাজ করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সহায়ক পন্থা হিসেবে সার্ক ফুড ব্যাংককে দ্রুত কার্যকর করতে হবে। এ অঞ্চলের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সার্ক ফুড ব্যাংকের বিকল্প নেই বললেও অত্যুক্তি হবে না। সার্কভুক্ত দেশগুলোর নেতারা রাজনৈতিক সদিচ্ছা নিয়ে যত শিগগির সার্ক ফুড ব্যাংক কার্যকর করতে এগিয়ে আসবেন, ততই তা এ অঞ্চলের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে।
আবদুল লতিফ মন্ডল : সাবেক সচিব, কলাম লেখক
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভাড়া খাটল দুদক!
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ২০১১ সালে চট্টগ্রামস্থ ‘এসকে স্টিল’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক থেকে ১৪০ কোটি টাকা বিনিয়োগ সুবিধা নেয়। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজিম উদ্দিন চৌধুরী। ঋণ দেয়ার সময় গ্যারান্টার হন শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকেরই উদ্যোক্তা পরিচালক, ‘প্যারাডাইস কর্পোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের মালিক মোহাম্মদ সোলায়মান। ২০১৩ সালের ৩০ নভেম্বর ঋণটি মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যায়। পরিপ্রেক্ষিতে দায় এসে বর্তায় ব্যাংকটির পরিচালক সোলায়মানের ওপর। এ নিয়ে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদে দেন-দরবার হলেও সোলায়মান অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হন।
এরই এক পর্যায়ে শাহজালাল ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ১৩ এপ্রিল চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানায় মোহাম্মদ সোলায়মান, তার দুই ভাইসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা [নং-২৭ (৪)১৪] করে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন মেসার্স এসকে স্টিলের অংশীদার আনম জাহাঙ্গীর, সোলায়মানের ভাই প্যারাডাইজ কর্পোরেশনের পরিচালক এনামুল হক ও আনিসুল হক। মামলাটি যাতে দুদকই তদন্ত করতে পারে সে লক্ষ্যে দুদকের তফসিলভুক্ত দুটি ধারায় (দন্ডবিধির ১০৯ ও ৪০৯ ধারা) এজাহারটি রেকর্ড করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০১৩ (সংশোধিত) অনুসারে এ দুটি ধারায় সংঘটিত অপরাধ একমাত্র দুদকই তদন্ত করতে পারবে। অভিযোগ রয়েছে, দুদকের একজন শীর্ষ ব্যক্তির সঙ্গে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সদস্যের ‘অদৃশ্য’ সমঝোতায় দায়ের হয় এ মামলা। সংশ্লিষ্ট স্বার্থান্বেষী পক্ষের অভূত যোগসাজশে অস্বাভাবিক দ্রুততার সঙ্গে মামলাটি ‘তদন্তের’ জন্য চলে আসে দুদকে। হাজারো মামলা পড়ে থাকলেও দুদক সোলায়মানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাটিকে গুরুত্ব দেয়। কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয় সহকারী পরিচালক এসএম রফিকুল ইসলামকে। তদন্ত প্রক্রিয়ায় তিনি চলতি বছরের ২৫ জুন রাজধানীর বিজয়নগর আকরাম টাওয়ার থেকে গ্রেফতার করেন মোহাম্মদ সোলায়মানকে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে রিমান্ড প্রার্থনা করেন। আদালত দু’দফায় ১২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন সোলায়মানের। রিমান্ড শেষে জামিন প্রার্থনা করেন সোলায়মানের আইনজীবী। হাকিম আদালত জামিন নামঞ্জুর করে পাঠিয়ে দেন জেলহাজতে। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতি হিসেবে সোলায়মান বন্দি (বন্দি নং-১৯৩১৯/১৪) ছিলেন পুরো জুলাই মাস। এ সময় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের পাওনা আদায়ে মোহাম্মদ সোলায়মানের সঙ্গে ১৫ জুলাই একটি সমঝোতা চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী সোলায়মান নিজের কাছে থাকা শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের সমুদয় শেয়ার বিক্রি করে ব্যাংকের পাওনার মধ্য থেকে ৫০ কোটি টাকা পরিশোধে সম্মত হন। জানা যায়, চুক্তি সইয়ের পর দুদকের আইনজীবী সোলায়মানের জামিনে মুক্তির বিষয়ে কোনো বিরোধিতা করেনি। মামলা দায়ের থেকে চুক্তি সম্পাদন পর্যন্ত এভাবেই অনুঘটক হিসেবে নেপথ্যে থেকে কাজ করে দুদক। সোলায়মানের কাছ থেকে আদায়ের ব্যবস্থা করে দেয় শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের পাওনা ৫০ কোটি টাকা ।
দুদক কর্তৃক গ্রেফতার, রিমান্ড এবং সমঝোতা চুক্তি সম্পাদনের পর মুক্তিলাভ সম্পর্কে জানতে চাইলে মোহাম্মদ সোলায়মান যুগান্তরকে অভিমানের স্বরে বলেন, আমার ভাগ্যে জেলখানা ছিল! কারও প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই! আমি আর এখন শাহজালাল ব্যাংকের পরিচালক পদে নেই। এ বিষয়ে আর কী বলব? এ নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করবেন না, প্লিজ!
এদিকে সোলায়মানকে গ্রেফতারের ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায় করা হলেও আদায়কৃত অর্থ নিয়ে ঘটে আরেক তুলকালাম। নগদ অর্থ না থাকায় শাহজালাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক মোহাম্মদ সোলায়মান নিজের কাছে থাকা ১ কোটি ৮৭ লাখ ৭৩ হাজার ৯৬০টি শেয়ার বিক্রি করতে সম্মত হয়েছিলেন বটে। কিন্তু শেয়ার বিক্রির সমুদয় টাকা ব্যাংকে এখনও জমা পড়েনি। অথচ সমুদয় শেয়ার তার আগে ক্রেতার বিও অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার হয়ে যায়। অভিযোগ উঠেছে, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সম্পৃক্ততায় শেয়ারের অবশিষ্ট ৩০ কোটি টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাৎ করেন আক্কাস মোল্লাসহ কয়েকজন পরিচালক।
সূত্র জানায়, সোলায়মানের শেয়ার কিনে নেন ব্যাংকটির আরেক পরিচালক আক্কাস মোল্লা। তবে আয়কর ফাঁকি দিতে শেয়ারগুলো কেনেন স্ত্রী শাহান আরা বেগমের বিও অ্যাকাউন্টে। সোলায়মান তার সব শেয়ার ট্রান্সফার করে দিলেও আক্কাস মোল্লা শেয়ারের ৫০ কোটি টাকা পরিশোধ করেননি। শাহজালাল ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বুঝে পায়নি পুরো টাকা। দুটি চেকের মাধ্যমে ২০ কোটি ৬২ লাখ ৩ হাজার ৭৮৯ টাকা ব্যাংকে জমা পড়ে। বাকি ২৯ কোটি ৩৭ লাখ ৯৬ হাজার ২১১ টাকা জমা হয়নি। বলা হচ্ছে, এ অর্থ কতিপয় পরিচালক আÍসাৎ করেছেন। অথচ পুরো টাকা বুঝে না পেয়েও ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকে বিক্রয় প্রক্রিয়া ‘সম্পন্ন হওয়া’র বিষয়টি অনুমোদন করিয়ে নেয়া হয়েছে। পুরো মূল্য পরিশোধ না করে কিভাবে আপনার স্ত্রী ১,৮৭,৭৩,৯৬০টি শেয়ারের মালিক হলেন- জানতে চাইলে শাহজালাল ব্যাংকের পরিচালক আক্কাস মোল্লা যুগান্তরকে বলেন, ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে শেয়ার কেনা হয়েছে। সব নিয়ম-কানুন মেনেই শেয়ার কেনা হয়েছে। ব্যাংকের সঙ্গে আন্ডারস্ট্যান্ডিং আছে। তাই পেমেন্টেরও কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। শেয়ার বিক্রির পুরো টাকা বুঝে না পেয়ে কিভাবে শেয়ার ট্রান্সফার হল- জানতে কয়েকবার ফোন করা হয় শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী ফরমান আর চৌধুরীকে। বহুবার রিং হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও পাওয়া যায়নি উত্তর।
এদিকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাওনা আদায়ের অনুঘটক হিসেবে দুদকের কাজ করার ঘটনাকে ‘গুরুতর অভিযোগ’ বলে বর্ণনা করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। দুদকের এ ভূমিকায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এটি যদি সত্য হয়ে থাকে তাহলে অত্যন্ত দুঃখজনক। দুদক একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। ব্যক্তি বিশেষের স্বার্থে এ প্রতিষ্ঠান ব্যবহৃত হলে একদিন এটি আস্থাহীন প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।
তাই দুদকের উচিত বিষয়টি পরিষ্কার করা। আরও স্বচ্ছ হওয়া। একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হয়ে অর্থ আদায়ের বিষয়ে দুদক কমিশনার (তদন্ত) মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু যুগান্তরকে বলেন, আসামিকে গ্রেফতার করার পর পাওনা টাকা পরিশোধ করেছে। এটি আমাদের অর্জন।
দুদকের তফসিলভুক্ত অপরাধের মামলায় কাকে গ্রেফতার করা হবে আর কাকে করা হবে না এটি দুদকের নিজস্ব বিষয় এবং দুদকের এখতিয়ার। এ জন্য কাউকে কৈফিয়ত দেবে না দুদক।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কারাগারে লতিফ সিদ্দিকী

যেভাবে আত্মসমর্পণ : ধানমণ্ডি থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক যুগান্তরকে জানান, মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজেই থানায় ফোন করেন আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। ওই সময় ডিউটি অফিসার ছিলেন এসআই জাহাঙ্গীর আলম। লতিফ সিদ্দিকী ল্যান্ডফোনে ডিউটি অফিসারকে জানান, তিনি কিছু সময়ের মধ্যেই থানায় আসবেন। ডিউটি অফিসার তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি তাকে জানালে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ফোন করেন। খবর পেয়ে রমনা জোনের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) ইব্রাহীম হোসেন থানায় আসেন। ওসি আবু বকর সিদ্দিক জানান, বেলা দেড়টার দিকে লতিফ সিদ্দিকী একটি প্রাইভেট কারে করে থানায় আসেন এবং সরাসরি তার কক্ষে ঢোকেন। এর আগেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে উপস্থাপনের সব কাগজপত্র তৈরি করে রাখা হয়। তৈরি রাখা হয় বিপুলসংখ্যক পুলিশও। থানায় প্রবেশের ১৫ মিনিট পরই ওসি আবু বকর সিদ্দিক তার ব্যবহৃত সরকারি গাড়িতে করেই লতিফ সিদ্দিকীকে নিয়ে আদালতের পথে রওনা হন। তখন এই গাড়ির আগে-পিছে ছিল সাদা ও পোশাকধারী পুলিশের তিনটি গাড়ি।
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে গোয়েন্দা পুলিশের একটি সূত্র বলেছে, রোববার রাতে কলকাতা থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর থেকেই সাবেক এই মন্ত্রী তাদের নজরদারির মধ্যেই ছিলেন। তিনি যেখানে ছিলেন তার আশপাশে সার্বক্ষণিক সাদা পোশাকের পুলিশ ছিল। গ্রেফতারে আইনগত জটিলতা নিয়ে বিতর্ক থাকায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ‘সবুজ সংকেতের’ অপেক্ষায় ছিল পুলিশ।
ওই কর্মকর্তা আরও জানান, জাতীয় সংসদের স্পিকারের বক্তব্য এবং সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতারের উদ্যোগ নেয়া হয়। ওই সময় গোয়েন্দা পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর সঙ্গে কথা বলেন। লতিফ সিদ্দিকী ওই কর্মকর্তাকে বলেন, ‘আমাকে নিয়ে টানাহেঁচড়ার প্রয়োজন নেই। আমি সকালে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করবো। আমি মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলছি। আপনারা সকালে আসেন।’
এরপর গোয়েন্দা সংস্থার সংশ্লিষ্টরা সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কথা বলেন। পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের। মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে সরকারের ওপর মহল থেকে এ সংক্রান্ত একটি সবুজ সংকেত দেয়া হয়। এতে বলা হয়, লতিফ সিদ্দিকীকে রাতে গ্রেফতার না দেখিয়ে সকালে আত্মসমর্পণের সুযোগ দেয়া। এরপরই গ্রেফতার প্রক্রিয়া থেকে সরে আসে পুলিশ।
আদালতে লতিফ সিদ্দিকী : দুপুর ২টার দিকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের হাজতখানায় নেয়া হয় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে। ২টা ২৫ মিনিটে আদালতের এজলাসে তোলা হয় তাকে। আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। ওই সময় বিচারক তাকে বলেন, আপনার কোনো আইনজীবী আছে কিনা? জামিন চেয়েছেন কি? জবাবে লতিফ বলেন, ‘আমি কোনো আইনজীবী নিযুক্ত করিনি। নিজেই নিজের মামলার শুনানি করব। আর জামিন আবেদন করিনি।’
এ সময় মামলার বাদী অ্যাডভোকেট আবেদ রাজাকে কিছু বলার নির্দেশ দেন বিচারক। আবেদ রাজা আদালতকে বলেন, ‘মহানবী ও হজ সম্পর্কে কটূক্তি করে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়েছেন লতিফ সিদ্দিকী। বিশ্বের ২শ’ কোটি মুসলমানের পক্ষে আমি ঘৃণাভরে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছি। তার বাবা (লতিফ সিদ্দিকী) আইনজীবী ছিলেন। তার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত কোনো বিরোধ নেই। কিন্তু তিনি জঘন্য অপরাধ করেছেন। তাই তার শাস্তি দাবি করছি।’ তার এ বক্তব্যের পরই বিচারক আদেশ দেন। তিনি বলেন, ‘আসামি জামিনের কোনো আবেদন করেনি। তাই তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিচ্ছি। তাকে কারাগারে পাঠানো হোক।’
৭ মিনিটের শুনানি : এজলাসে লতিফ ছিলেন মাত্র সাত মিনিট। কারাগারে পাঠানোর আদেশের পর আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কথা বলতে থাকেন। তিনি বলেন, এটা একটি জামিনযোগ্য মামলা।
হাজতখানায় ২০ মিনিট : কারাগারে নেয়ার আদেশের পর পুলিশ তাকে সিএমএম কোর্ট হাজতখানা চত্বরে নিয়ে যায়। ওই সময় চত্বরে রাখা এক উচ্চপদস্থ পুলিশের গাড়িতে তাকে রাখা হয়। তখন তিনি পুলিশের কাছে পানি পান করার আগ্রহ প্রকাশ করলে তাকে পানি দেয়া হয়। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পুলিশ কর্মকর্তার গাড়িতে হাসিমুখে বসেছিলেন তিনি।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে লতিফ সিদ্দিকী বলেছিলেন, ‘আমি কিন্তু হজ আর তাবলিগ জামাতের ঘোরতর বিরোধী। আমি জামায়াতে ইসলামীরও বিরোধী। এ হজে যে কত ম্যানপাওয়ার নষ্ট হয়। এ হজের জন্য ২০ লাখ লোক সৌদি আরবে গেছেন। এদের কোনো কাজ নাই। কোনো প্রোডাকশন নাই, শুধু ডিডাকশন দিচ্ছে। শুধু খাচ্ছে আর দেশের টাকা বিদেশে দিয়ে আসছে।’
তার এসব মন্তব্য নিয়ে সারা দেশে শুরু হয় তোলপাড়। তার ফাঁসির দাবিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সভা-সমাবেশ ও মানববন্ধন অব্যাহত থাকে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ায় লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ঢাকাসহ দেশের ১৮ জেলায় তার বিরুদ্ধে ২২টি মামলা হয়। প্রত্যেকটি আদালত তার বিরুদ্ধে সমন জারি করে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু তিনি নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে জারি হয় গ্রেফতারি পরোয়ানা।
মন্ত্রিসভা ও দল থেকে বাদ : ওই বক্তব্যের পর গত ১২ অক্টোবর আমেরিকায় থাকাকালেই লতিফ সিদ্দিকীকে মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ওই দিনই আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যপদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়। পরে তার দলের প্রাথমিক সদস্যপদও বাতিল করা হয়। পরে তিনি আমেরিকা থেকে ভারতে আসেন। কলকাতায় কিছুদিন অবস্থানের পর নাটকীয়ভাবে রোববার (২৩ নভেম্বর) রাত ৮টা ২১ মিনিটে তিনি এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন। হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে ভিআইপি লাউঞ্জ দোলনচাঁপায় প্রায় এক ঘণ্টা বসিয়ে রাখেন। এ সময় সরকারের উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ করা হয় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে। কিন্তু কোনো নির্দেশনা না থাকায় গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তাকে আটক না করে বের হয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেন। তবে তখন থেকেই লতিফ সিদ্দিকী গোয়েন্দা নজরদারির মধ্যেই ছিলেন বলে গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছিল। এর মধ্যেই সোমবার লতিফ সিদ্দিকী আগাম জামিন নিতে হাইকোর্টে যান বলে এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে কেউ তা স্বীকার করেনি।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আজই মাশরাফির প্রথম সিরিজ জয়?
ভারতের বিপক্ষে সিরিজের পর মিরপুরে আবার ওয়ানডে ক্রিকেট ফিরছে। চট্টগ্রাম ও মিরপুরের উইকেটের পার্থক্য সবার জানা। একাদশে পরিবর্তন হতে পারে। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। মিরপুরে সাকিব ও মুশফিককে আগে ব্যাট করতে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে টিম ম্যানেজমেন্টের। মাশরাফি বলেন, স্বস্তিতে থাকার কিছু নেই। এমনটা ভাবলেও তা হবে অপেশাদার মনোভাব। আমার মনে হয় না যে, আমরা খুব ধারাবাহিক। সিরিজ জয়ের ব্যাপারে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, আমরা প্রত্যেকটা ম্যাচ জেতার জন্যই খেলছি। কালকের (আজ) ম্যাচ জিতলে আমাদের জন্য সহজ হয়ে যাবে সিরিজ। কেউই চাইবে না সুযোগ হারাতে। এদিকে জিম্বাবুয়ে টাইগারদের পিছু ধাওয়া করেই চলেছে। সিরিজে তিনটি টেস্ট আর দুটি ওয়ানডে খেলার পরও স্পিনারদের সামনে অসহায় এল্টন চিগুম্বুরারা। ব্যাটিং অনুশীলনে স্পিন নিয়ে তাই কাল সময় ব্যয় করল জিম্বাবুয়ে। একটা জয়ের জন্য তৃষ্ণার্ত অতিথিরা। কাল ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক চিগুম্বুরা বলেন, আমরা এখনও জয় পাইনি। একটা জয়ের জন্য আমরা ক্ষুধার্ত। সিবান্দা মনে করছেন নিজেদের বাঁচা-মরার ম্যাচে জয়ে ফিরবে জিম্বাবুয়ে। মিরপুরে বাংলাদেশ সর্বশেষ ২০১৩ সালের অক্টোবরে ম্যাচ জিতেছে। এরপর আট ম্যাচের মধ্যে সাতটিতেই হার। একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়। দ্বিতীয় ওয়ানডের জন্য বাংলাদেশ দলে শুধু বাদ পড়েছেন আল-আমিন হোসেন। মিরপুরেও তিন পেসার নিয়ে খেলতে পারে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে এনামুল হক ও তামিম ইকবালের রেকর্ড ১৫৮ রানের জুটি বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে। তৃতীয় ওয়ানডেতেও ওপেনিং জুটি থেকে বড় রানের আশা করছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাশরাফির দুর্দান্ত বোলিংয়ের সঙ্গে স্পিনার আরাফাত সানি চার উইকেট নিয়েছিলেন। মিরপুরের উইকেটে টার্ন ও বাউন্স হবে বলে ধারণা মাশরাফির।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাদের মোল্লার ন্যায়বিচার পাওয়া না পাওয়ার প্রশ্ন
মঙ্গলবার কাদের মোল্লার রিভিউ আবেদন খারিজ করে দেয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। এতে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন ১৯৭৩-এ দণ্ডিত ব্যক্তিদের পক্ষে রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন দায়েরের জন্য ১৫ দিন সময় দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার আপিল বিভাগের পূর্ণ রায় প্রকাশের পর তার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, সরকারের তাড়াহুড়োর কারণে সেদিন তড়িঘড়ি করে রিভিউ আবেদন করা হয়েছিল। আমরা যদি সময় পেতাম, তাহলে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারতাম। কিন্তু আমাদের তখন সময় দেয়া হয়নি। সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির এ সভাপতি আরও বলেন, কাদের মোল্লার ক্ষেত্রে আইনের ব্যত্যয় ঘটানো হয়েছে। সরকারের তাড়াহুড়োর কারণে তিনি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হলেন কিনা জনমনে এখন সেই প্রশ্ন উঠেছে।
কাদের মোল্লার আরেক আইনজীবী তাজুল ইসলাম বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হল, কাদের মোল্লার রিভিউ আবেদন দায়েরের জন্য ১৫ দিন সময় ছিল। কিন্তু সরকারের তাড়াহুড়োর কারণে আমরা দ্রুত রিভিউ আবেদন করতে বাধ্য হয়েছিলাম। পরে তা দু’দিনের শুনানি করেই খারিজ করা হয়েছিল। রিভিউয়ের জন্য সময় পেলে কাদের মোল্লা আরও কয়েকদিন বেঁচে থাকতেন। তাকে অবশ্যই ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তবে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, তিনি কেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন? তার রিভিউ আবেদনের শুনানি করেই তো খারিজ করা হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের রায়ে যাবজ্জীবন দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আবদুল কাদের মোল্লাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়ে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর রায় দেন আপিল বিভাগ। ৫ ডিসেম্বর রায়ের পূর্ণ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। রায়ের কপি প্রকাশের পর ৮ ডিসেম্বর তা ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ট্রাইব্যুনাল সেদিনই মৃত্যুপরোয়ানা জারি করে আদেশটি ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠান। ৯ ডিসেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রায় পুনর্বিবেচনার এবং জেল কোডের কোনো বিধান কাদের মোল্লার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। তাই যে কোনো দিন তার ফাঁসির রায় কার্যকর করা যাবে।
অ্যাটর্নি জেনারেলের এ বক্তব্যের পরের দিন রাতে ফাঁসি কার্যকরের উদ্যোগ নেয় কারা কর্তৃপক্ষ। ওই রাতেই কাদের মোল্লার পক্ষে দুটি আবেদন দাখিল করা হয় আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে। এর একটি ছিল রিভিউ আবেদন গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে, অন্যটি ছিল রিভিউ আবেদন। এ দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চেম্বার বিচারপতি কাদের মোল্লার ফাঁসি স্থগিত করার আদেশ দেন। এরপর ১১ ও ১২ ডিসেম্বর শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ দুটি আবেদনই খারিজ করে দেন। ১২ ডিসেম্বর রাতেই কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করা হয়। রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশের পর থেকে তার ফাঁসি কার্যকরে সময় লাগে এক সপ্তাহ।
জামায়াতের আরেক সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায়ের পরও একই অবস্থা দেখা যায়। ৩ নভেম্বর আপিলে ফাঁসি বহাল রাখার রায়ের পরে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ‘এই রায় রিভিউয়ের (পুনর্মূল্যায়নের) কোনো সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি না’। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘এর আগে কাদের মোল্লার রায়ের পরেও তার পক্ষ থেকে একটি রিভিউ আবেদন হয়েছিল, আদালত তা খারিজ করে দেন। এক্ষেত্রে রিভিউয়ের আর কোনো সুযোগ নেই’।
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যক্তিগত মত জানিয়ে বলেন, ‘কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকরে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ের অনুলিপির প্রয়োজন হবে না। সংক্ষিপ্ত আদেশেও তার ফাঁসি কার্যকর করা যেতে পারে’। এর দু’দিন পর আইনমন্ত্রী তার বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকরের জন্য কারা কর্তৃপক্ষকে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। তিনি প্রাণভিক্ষার জন্য সাত দিনের সময় পাবেন। যখন থেকে তিনি মৃত্যুদণ্ড বহালের খবর শুনেছেন, তখন থেকে এ সাত দিনের গণনা শুরু হয়েছে।
পরে অবশ্য অ্যাটর্নি জেনারেল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সংক্ষিপ্ত আদেশ পাঠানো হবে, নাকি পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি পাঠানো হবে, তার সম্পূর্ণ এখতিয়ার আপিল বিভাগের। এছাড়া আপিল বিভাগ যেহেতু এখনও সংক্ষিপ্ত আদেশ পাঠাননি, সেহেতু পূর্ণাঙ্গ অনুলিপিই পাঠাবেন বলে ধারণা করছি। মঙ্গলবার রায় প্রকাশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, রিভউয়ের রায় প্রকাশ হওয়ায় কামারুজ্জামানের রিভিউ নিয়ে দোদুল্যমনতা কেটে গেল। আমি বলেছিলাম রিভউ করার সুযোগ নেই। কিন্তু সুপ্রিমকোর্টের এখতিয়ার বলে তার একটা সুষ্ঠু সমাধান হল।
মাহবুবে আলম আরও বলেন, কামারুজ্জামানের রিভিউ করার সুযোগ করে দিলেও তার ক্ষেত্রে জেলকোড প্রযোজ্য হবে না বলে রায়ে বলা হয়েছে। তবে কামারুজ্জামানের রিভিউ আবেদনের নিষ্পত্তি হওয়ার পরে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা (প্রাণ ভিক্ষা) চাইতে পারবেন। রিভিউ আবেদনের পরে কামারুজ্জামানের রায়ের কোনো পরিবর্তন না হলে রায় দ্রুত কার্যকর করতে হবে। খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, রিভিউ মানে ভুল সংশোধন করা, সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা এবং আইনের বরখেলাপ হয়েছে কিনা তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখা। যদি রায়ে কোনো ভুল হয় তা সংশোধন করে দেয়া। কামারুজ্জামানের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের রায় প্রকাশের পর খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখার পর রিভউ আবেদন করা হবে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনগণকে জাগিয়ে তুলতে হবে : বি চৌধুরী

আজ বুধবার বিএনপির চিকিৎসক সংগঠন ড্যাপ আয়োজিত ডা. মিলনের ২৪গত শাহাদাত বার্ষিকীর আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বি চৌধুরী বলেন, ডা. মিলনের শাহাদাতে বাংলাদেশ যেমন জেগে উঠেছিল তেমনি সকল দল ও মতের লোকদের নিয়ে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করে এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএমএ’র সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. এম এ মাজেদ, ডাকসু ভিপি আমানুল্লাহ আমান, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ড্যাবের মহাসচিব অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকায় লতিফ সিদ্দিকীর ৪২ ঘণ্টা
নিউইয়র্কের লতিফ সিদ্দিকী ঝড় কলকাতায় এসে কিছুটা স্তিমিত হয়ে এসেছিল। কিন্তু রোববার সন্ধ্যায় নিস্তেজ হয়ে পড়া ঝড়ো হাওয়া গতি পথ পাল্টে ঢাকার দিকে এগোতে থাকে। রাত সাড়ে আটটার আগে আঘাত হানে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে তিনি ঢাকায় ফিরলে গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা ছুটতে থাকেন বিমানবন্দরে। শুরু হয় তোলপাড়।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকেই সাবেক মন্ত্রীর নাটকটি বিয়োগান্তক পরিণতির দিকে এগোতে থাকে। নাটকের ট্রাজিক হিরো আত্মগোপনের চেষ্টা করেন। গোপনে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে ছেলের বাসার সামনে দিয়ে বন্ধুর বাসা হয়ে সাবেক এ প্রেসিডিয়াম সদস্য বেছে নেন ধানমণ্ডি থানা। থানা থেকে আদালত, সেখান থেকে কারাগার। এরপর যবনিকা।
রোববার রাত ৮টা ২১ মিনিট থেকে মঙ্গলবার দুপুর দেড়টা পর্যন্ত দীর্ঘ ৪২ ঘণ্টার ঘটনাক্রম প্রায় এমনই। এর আগে ২৮ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে ধর্ম নিয়ে কটাক্ষ করায় দেশ-বিদেশে সর্বত্র ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় ২২টি মামলা হয়। জারি হয় গ্রেফতারি পরোয়ানা। এই সাবেক মন্ত্রী ঢাকায় এলে বিশৃংখলার আশংকা দেখা দেয়। হরতালের ডাক দেয় বিভিন্ন সংগঠন।
সাবেক এই ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী হযরত শাহজালাল (র) বিমানবন্দরে নেমেই তিনি যাকে ফোন করেন তার অবস্থান ছিল উত্তরা ৫ নম্বর সেক্টর এলাকা। সেখান থেকে ঘনিষ্ঠ দুই ব্যক্তি গাড়ি নিয়ে আসেন শাহজালালের এক নম্বর আন্তর্জাতিক টার্মিনালে। এখান থেকে উত্তরা ৫ নম্বর সেক্টরের তিন নম্বর সড়কের একটি বাসায় যান। কিন্তু বাসায় ঢোকেননি। পরবর্তী ঠিকানা গুলশান বন্ধুর বাড়ি। এখানেই দুদিন অবস্থান করেন। বিমানবন্দর থেকে উত্তরা হয়ে গুলশান আসার পথে গোয়েন্দারা তাকে একবার হারিয়ে ফেলে। ওই ফোনকলের সূত্র ধরে তার সন্ধান পায় গোয়েন্দারা। সাবেক এ মন্ত্রীর দেশে ফেরায় আইনশৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে- এ আশংকায় একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা তার ওপর নজরদারি শুরু করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গুলশান-১ নম্বরে তার বন্ধুর বাড়িতেই ডিএমপির একজন উপ-কমিশনার (ডিসি) মর্যাদার কর্মকর্তা তার সঙ্গে সোমবার রাতে দেখা করেন। ওই কর্মকর্তা লতিফ সিদ্দিকীকে আত্মসমর্পণের পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, স্যার আপনার জন্য আত্মসমর্পণই হবে শ্রেয়।
ডিসির কথায় লতিফ সিদ্দিকী তখন কিছুটা ভেঙে পড়েন। বলেন, রাতে নয় দিনেই তিনি নিজে থানায় গিয়ে হাজির হবেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশের এই উপ-কমিশনার লতিফ সিদ্দিকীর অবস্থানের বিষয়টি পুলিশ সদর দফতরকে অবহিত করেন। পুলিশ কর্মকর্তা গুলশানের ওই বাসা থেকে বের হওয়ার সময় লতিফ সিদ্দিকীর সঙ্গে হ্যান্ডশেক করেন। তখন সাবেক এ মন্ত্রী এই কর্মকর্তাকে গলা জড়িয়ে ধরেন। বলেন, যাও ভালো থেকো, কাল আমি হাজির হচ্ছি। অবশেষে কথা রেখেছেন ধর্ম নিয়ে কটাক্ষ করা সাবেক এই মন্ত্রী। তিনি মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় ধানমণ্ডি থানায় হাজির হন।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি গুলশান-১ নম্বরের ওই বাসা থেকে বের হন। আর দশজন সাধারণ মানুষের মতো একটি সিএনজি নিয়ে ধানমণ্ডির ১২ নম্বরের এক বাসায় গিয়ে কিছু সময় কাটান। নিচে দাঁড়ানো ছিল সিএনজি। পরে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বেলা ১টা ৩০ মিনিটে ধানমণ্ডি থানায় প্রবেশ করেন। সাবেক মন্ত্রীকে থানায় প্রবেশ করতে দেখে আঁতকে ওঠেন প্রধান গেটের নিরাপত্তায় থাকা কনস্টেবল নূরুল ইসলাম। জিজ্ঞাসা করেন, স্যার, আপনি কোথায় যাবেন। এমপি নরম স্বরে বলেন আমাকে চিনো না? ওসির রুমে যাচ্ছি। তারপর তিনি সোজা ওসির রুমে যান। তখন কক্ষে থাকা ওসি সোজা হয়ে দাঁড়ান। সম্মান দিয়ে ওসি বলেন, স্যার সালাম। কেমন আছেন? উত্তরে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ভালো আর কই। ওসি বলেন, স্যার আমরা তো আপনাকেই খুঁজছি এলেন ভালোই হল। লতিফ সিদ্দিকী তখন বলেন, ওসি সাহেব ভাবলাম আপনাদের খুঁজতে কষ্ট হবে, তাই নিজেই চলে এলাম। আমি হাজির হলাম।
ধানমণ্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুবকর সিদ্দিক সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর সঙ্গে তার এই সাক্ষাৎ-আলাপের কথাগুলো যুগান্তরকে নিশ্চিত করেন। ওসি বলেন, ধানমণ্ডি থানায় তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। তাই তাকে তিনি আদালতে নিয়ে যান। ধানমণ্ডি থানার ওসি সাবেক মন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করেন, স্যার এই থানায় তো আপনার বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা পরোয়ানা নেই? তাহলে আসলেন কেন? উত্তরে সাবেক মন্ত্রী বলেছেন, ইচ্ছে হল তাই এলাম।
কিন্তু গোয়েন্দা সংস্থার এই সদস্য কোন স্থান থেকে সঙ্গী হন লতিফ সিদ্দিকীর? এর উত্তর পাওয়া গেছে অপর এক গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকেই। সংস্থাটির একজন কর্মকর্তা বলেন, রোববার রাতে পুরোদমে নাটক করেছিলেন সাবেক এই মন্ত্রী। তিনি উত্তরার ৫ নম্বর সেক্টরে তিন নম্বর রোডে যাবেন বলে তার প্রাইভেটকার অনুসরণ করেন গোয়েন্দারা। হঠাৎ তার গাড়িটি হাওয়া হয়ে যায়। তারপর গোয়েন্দা টিমের একজন সদস্য উত্তরা পশ্চিম থানায় যোগাযোগ করে জানার চেষ্টা করেন থানার কাছে লতিফ সিদ্দিকীর কোনো অবস্থানের তথ্য আছে কিনা। থানা থেকে বলা হয়, তাদের কাছে আগে থেকে কোনো বার্তা ছিল না। এ সময়ের মধ্যে লতিফ সিদ্দিকী গুলশানে তার বন্ধুর বাড়িতে চলে আসেন। গোয়েন্দারা তখন প্রযুক্তিগত তদন্ত চালিয়ে জানতে পারেন লতিফ সিদ্দিকী যাকে ফোন করে গাড়িসহ আসতে বলেছিলেন শাহজালাল বিমানবন্দরে তার অবস্থান গুলশানে। ওই সূত্র ধরে গভীর রাতে তারা সাবেক এ মন্ত্রীর অবস্থানের পিন পয়েন্ট চিহ্নিত করেন। ওই রাত থেকেই সেই গোয়েন্দা কর্মকর্তা লতিফ সিদ্দিকীর সঙ্গেই ছিলেন। সর্বশেষ তিনিই তাকে গুলশান থেকে ধানমণ্ডি থানা পর্যন্ত পৌঁছে দেন।
লতিফ সিদ্দিকীকে ধানমণ্ডি থানার ওসির গাড়িতে করে আদালতে নেয়া হয়। এ সময় তার পরনে ছিল সাদা স্ট্রাইপ শার্ট, কালো প্যান্ট ও সাদা জুতো। তখন তার সঙ্গে থাকা একজন পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে সাবেক এ মন্ত্রীর দীর্ঘ সময় আলাপ হয়। এ সময় লতিফ সিদ্দিকী ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে বলেন, উত্তরায় তার ছেলের বাসা ছিল সেখানেও যাননি। উত্তরাতে আরেক আত্মীয়ের বাাড়িতে তার ওঠার কথা ছিল সেখানে যাননি। তিনি গুলশানে তার বন্ধুর বাড়িতেই ছিলেন। আবার গুলশানেও ছেলে অনিক সিদ্দিকীর বাসা আছে সেখানেও যাননি। ওই কর্মকর্তাকে তিনি আরও জানিয়েছেন, মানুষের কখন যে কি হয়ে যায় বলা যায় না। এই যে আমি কি বলতে গিয়ে কি বলে ফেলেছি। আর কিছু না বলে লতিফ সিদ্দিকী ভেঙে পড়েন। অনেকক্ষণ গাড়িতেই চোখ বন্ধ করে থাকেন। চোখ খুলে বলেন, আর কত দূর আদালত? তখন ওই কর্মকর্তা বলেন, স্যার মাঝামাঝি এসেছি।
গাড়িতে থাকা ওই কর্মকর্তাকে বলেছেন, আমি জানি গোয়েন্দারা আমার পিছু নিয়েছেন। আমি তো ধরা দিতেই এসেছি। জানি এটা নিয়ে কোনো সমঝোতা নয়। আর আমি তা আশাও করিনি। এ জন্যই তো দেশে এসেছি। গোয়েন্দাদের একটি সূত্র জানিয়েছে, লতিফ সিদ্দিকী গুলশানের ওই বাড়িতে অবস্থানের পর সরকারের প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেন। তারাও তাকে সাফ বলে দিয়েছেন- উপায় নেই, একমাত্র পথ আদালত। এদিকে লতিফ সিদ্দিকী গাড়িতে থাকা অবস্থায় ধানমণ্ডি থানার ওসিকে বলেছেন, ওসি সাহেব পানি আছে। তখন ওসি আবুবকর সিদ্দিক বলেন, স্যার ফোটানো ভালো পানি আছে। পানি পান করে লতিফ সিদ্দিকী বোতলটি ওসির হাতে দিয়ে বলেন, থ্যাঙ্কস। ওসি বলেন, ওয়েলকাম স্যার।
ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, ৪২ ঘণ্টায় লতিফ সিদ্দিকী অনেকের সঙ্গে শুধু পরামর্শ করেছেন। আর এ সময় পরিবারের লোকদের সঙ্গে তার কথা কমই হয়েছে। তিনি সরকারের উঁচু সারিতে থাকা বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে কথা বলেছেন। কেউ তাকে আশ্বস্ত করতে পারেনি। সবার সে ফ উচ্চারণ ছিল, আপনি আদালতে হাজির হন।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঘুষ দুর্নীতির শীর্ষে প্রকৌশলী শহিদুর রহমান

শহিদুর রহমান মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডে যে ফ্ল্যাটে থাকেন সেটি তার নিজের এবং ফ্ল্যাটটির বর্তমান বাজার মূল্য কোটি টাকার ওপরে। এই এলাকায় তার আরও একটি ফ্ল্যাট আছে। এছাড়া নামে-বেনামে ১৬১/১ মালিবাগ বাজার রোডে একটি বাড়ি, মেরুল বাড্ডায় আরও একটি বাড়ি এবং গাজীপুরে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের ১০ বিঘা জমি রয়েছে।
দুর্নীতিবাজ হিসেবে বিশেষ পরিচিতি পাওয়া এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধার সনদ গ্রহণ নিয়েও জালিয়াতি করার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়, অতিরিক্ত সময় চাকরি করার জন্য তিনি মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও ভিন্ন উপায়ে মুক্তিযোদ্ধার সনদ জোগাড় করেন। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার লায়েক আলী খান মিন্টু প্রধানমন্ত্রী বরাবর লেখা একটি পত্রে জানিয়েছেন, তার উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের সন্তান শহিদুর রহমান প্রামাণিকের পিতা মৃত তমিজ উদ্দিন প্রামাণিক ১৯৭১ সালে চন্ডিপুর পাকবাহিনী ক্যাম্পের কুখ্যাত দালাল ছিলেন। তার পরিবার রাজাকার হিসেবে পরিচিত। তিনি কখনও মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। এলাকার কুখ্যাত রাজাকার কমান্ডার শলু মিয়া তার নিকটাত্মীয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর তার বাড়ি থেকে লুটের মালামাল উদ্ধার করা হয়। তারা এলাকায় স্বাধীনতাবিরোধী ও জামায়াত ঘরনার লোক বলে পরিচিত। তার ভাই স্থানীয় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ শামীম হোসেন প্রামাণিক সক্রিয়ভাবে জামায়াতে ইসলামী মনোভাবাপন্ন।
এদিকে স্থানীয় সরকার বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, দুর্নীতি ও ক্ষমতা অপব্যবহারের অভিযোগে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পানিসম্পদ, পরিকল্পনা ও নকশা) শহিদুর রহমান প্রামাণিককে ১২ অক্টোবর এলজিইডির সদর দফতর থেকে পটুয়াখালী অঞ্চলে বদলি করা হয়। পরদিন তাকে রিলিজও করা হয়। কিন্তু অদ্যাবধি তিনি সেখানে যোগ দেননি। উল্লিখিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে জানতে চাইলে মঙ্গলবার শহিদুর রহমান প্রামাণিক যুগান্তরকে বলেন, তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত কোনো অভিযোগই সত্য নয়। একটি মহল তাকে হেনস্তা করতে ষড়যন্ত্র করছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তিনি ছুটিতে আছেন। এজন্য নতুন কর্মস্থলে যোগ দেননি। সম্ভবত তিনি যোগ দেবেন না। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন কিনা জানতে চাইলে শহিদুর রহমান বলেন, ‘আমার নিয়মিত চাকরির মেয়াদ রয়েছে ২০১৬ সাল পর্যন্ত। তিনি এখনও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কোনো সুবিধা নেননি।’
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
November
(2026)
-
▼
Nov 26
(75)
- সিরিজ নিশ্চিত বাংলাদেশের
- স্বামীসহ বীণার ২৬ বছরের কারাদণ্ড
- নেপালে সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে নরেন্দ্র মোদি যা বললেন
- নিষেধাজ্ঞা পরমাণু কর্মসূচি থামাতে পারবে না : ইরান
- বিশ্বে শিশু পাচার বেড়েছে : জাতিসংঘ
- চীনে চোরাই বউ বিক্রি
- প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক চায় ভারত
- ঘূর্ণিঝড় প্রথম আবিষ্কার করেন লিওনার্দো
- যে কারণে হেগেলকে সরালেন ওবামা
- ইভটিজিং যৌতুকপ্রথা বাল্যবিবাহ্ ও নারী নির্যাতন বন্...
- আমেরিকায় দাঙ্গা, লুটপাট
- চাঁদপুরে লঞ্চ থেকে ঝাঁপ দিয়ে কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা
- ধর্ষণের জরিমানা ভাগ করে নিলেন সরকারদলীয় নেতারা
- ছাত্রদলের অফিসে পদবঞ্চিতদের তালা
- লাশ তুলে ফের ময়নাতদন্তের নির্দেশ
- টেন্ডার নিয়ে ছাত্রলীগ-ঠিকাদার ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া
- ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি পাঁচ আসামির
- আসামি থেকেই যাচ্ছেন মেয়র আরিফ
- জনগণের সঙ্গে সার্কের সংশ্লিষ্টতা আরও বাড়াতে হবে : ...
- ধুঁকে ধুঁকে চলছে উপজেলার সরকারি কলেজ
- সার্ক সম্মেলনে গুরুত্ব পাক ফুড ব্যাংকের বাস্তবায়ন ...
- ভাড়া খাটল দুদক!
- কারাগারে লতিফ সিদ্দিকী
- আজই মাশরাফির প্রথম সিরিজ জয়?
- কাদের মোল্লার ন্যায়বিচার পাওয়া না পাওয়ার প্রশ্ন
- জনগণকে জাগিয়ে তুলতে হবে : বি চৌধুরী
- ঢাকায় লতিফ সিদ্দিকীর ৪২ ঘণ্টা
- ঘুষ দুর্নীতির শীর্ষে প্রকৌশলী শহিদুর রহমান
- মতপার্থক্য এক পাশে রেখে কাজ করুন -শেখ হাসিনা
- পে-স্কেল নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে ‘রাবিশ’ বললেন অর্থম...
- রিভিউ নিস্পত্তির পর রায় কার্যকর হবে : খন্দকার মাহবুব
- কোটি টাকার বদলি বাণিজ্য করেছেন আতোয়ার
- ‘জনগণকে বোকা বানানোর চেষ্টা করলে পরিণাম হবে ভয়াবহ’
- বক্ষবন্ধনী এবং…!
- ৫ জানুয়ারির নির্বাচন দুর্নীতি ছড়িয়ে দিচ্ছে: শাহদীন...
- কোনো প্রাপ্তি ছাড়াই শেষ হতে পারে সম্মেলন
- ‘টুনি’র মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ
- নয়াপল্টনে ছাত্রদলের পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ
- ‘হাসিনা-এরশাদ ভিলেন হিসেবে চিহ্নিত হবেন’ -বদরুদ্দো...
- ফার্গুসনের ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে by ইব্রাহীম চৌধুরী
- ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে ফার্গুসন
- প্রথম নারী প্রতিরক্ষামন্ত্রী পাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
- ইন্দিরার শাসনকাল নিয়ে প্রণবের বই আসছে
- দেড় যুগেও সম্মেলন হয়নি নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগে by ব...
- শাবির ঘটনায় দায়ী আওয়ামী লীগের দু’নেতা -ছাত্রলীগ সভ...
- বেশি দইয়ে মেদ বাড়ার আশঙ্কা
- বন্দী ইসরাইলি সেনা হামাসের তুরুপের তাস
- রোগের নাম ‘টেক্সট নেক’
- ১৬ই ডিসেম্বরের আগেই সীমান্ত চুক্তির সুখবর!
- ভাসমান স্কুল
- সম্পূর্ণ হল ডায়নোসরের কঙ্কাল
- সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে যৌথ সমৃদ্ধির পথে আসার আহবান প...
- ‘পশ্চিমা গণতন্ত্র চলবে না পাকিস্তানে’
- চীন সাগরে নির্মাণ করা হচ্ছে দ্বীপ
- ১০০০ ডলারে শরণার্থী মর্যাদা বিক্রি- মালয়েশিয়ায় ইউএ...
- অপেক্ষায় তৃতীয় রাজনৈতিক জোট by কাজী সুমন
- মার্কিন মন্ত্রী নিশা দেশাই ঢাকায়
- চুক্তি বিড়ম্বনায় ক্ষতি সাধারণের
- মহাকাশে ইতিহাস গড়লেন প্রথম ইতালীয় নারী
- বিশিষ্টজনদের সঙ্গে খালেদার মতবিনিময়
- 'আজকের ম্যাচ জিততে হবে'
- এবার ‘খোলা চিঠি’ শাহজালালের ছাত্রলীগ সভাপতির
- অদম্য ঈশ্বর! by এনামুল হক
- সার্কের শীর্ষ নেতারা এক মঞ্চে বসছেন আজ
- সিরিজ জয়ের হাতছানি by ইশতিয়াক পারভেজ
- সিলেটে দুই দশকে ৪০ ‘ছাত্রনেতা’ খুন by ওয়েছ খছরু
- কিবরিয়া হত্যা: সম্পূরক চার্জশিট পরিবার মেনে নিলেও ...
- মেক্সিকোতে সোশাল বিজনেসের জমকালো আসর
- মাহজাবিনের লাশ উত্তোলনের নির্দেশ
- কাশ্মীর দখলের লড়াইয়ে বিজিপি
- মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রিভিউ বিতর্কের যবনিকাপাত
- জেলগেটে ১৭ মিনিটের লতিফিয় নাটক
- ‘মমতা জঙ্গিদের সহায়তা করছেন’
- নিয়ম ভেঙে রাস্তা পারাপার ৩৩১ জনকে দণ্ড
- কারাগারে লতিফ সিদ্দিকী
-
▼
Nov 26
(75)
-
▼
November
(2026)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...