Tuesday, July 9, 2024

২২ বছর পর পর্বতারোহীর অক্ষত মৃতদেহ

বাইশ বছর আগে পাহাড়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন মার্কিন পর্বতারোহী উইলিয়াম স্ট্যাম্পফল। সেই থেকে বরফে ঢাকা পড়ে তার দেহ অরক্ষিত থেকে যায়। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পাহাড়ের বরফের স্তুর কমতে থাকে। এরপর অক্ষত অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। এতে বলা হয়, পেরুতে মাউন্ট হাউসকারানে ২০০২ সালের জুনে আরোহন করছিলেন স্ট্যাম্পল (৫৯)। ২২ হাজার ফুট উচ্চতার এই পাহাড়ে তিনি আকস্মিক হিমবাহের নিচে চাপা পড়েন। শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। কিন্তু সফল হয়নি তা। এতদিন পরে করডিলেরা ব্লাঙ্কা রেঞ্জে আইস গলতে শুরু করে। ফলে পেরুর পুলিশ বলছে, মৃতদেহ প্রকাশিত হয়ে পড়ে। পুলিশ সেই ছবি বিতরণ করেছে। তাতে দেখা গেছে- তার শরীর, পোশাক, বুট সবই ঠাণ্ডায় অক্ষত রয়েছে। তার সঙ্গে থাকা জিনিসপত্রের মধ্যে পাওয়া যায় পাসপোর্ট। তার ওপর ভিত্তি করে তাকে শনাক্ত করা হয়।

অনলাইনে পর্নোগ্রাফি

দিন দিন মানুষের রুচির পরিবর্তন হচ্ছে। বিকৃত হতে হতে তার নানা রকম রূপান্তর ঘটছে। এর প্রভাব পড়েছে মানুষের, বিশেষ করে পশ্চিমা দুনিয়ার মানুষের মধ্যে। আগে তারা জৈবিক চাহিদা পূরণে নিষিদ্ধপল্লীতে যেতেন। সঙ্গিনীকে নিয়ে মেতে উঠতেন অবাধ যৌনতায়। কিন্তু সেই ধারা এখন পরিবর্তন হচ্ছে। এখন আর যৌনপল্লীতে যেতে হয় না তাদের। তারা অনলাইনেই এমন চাহিদা পূরণ করছেন। আর এর সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছেন অনেক যুবতী। তারা অনলাইনে যৌন তৃপ্তি দিয়ে কামিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। এরা ‘ক্যাম গার্লস’ নামে পরিচিত। প্রতি সপ্তাহে গড়ে তাদের আয় ১৬০০ পাউন্ড। তাদেরকে নিয়েই একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বৃটেনের একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ।
এতে বলা হয়েছে, একটি ছোট্ট রুম। তার ভিতর ছোট্ট একটি বিছানা। তার ওপর নিজেকে প্রস্তুত করছেন ২৪ বছর বয়সী যুবতী পিক্সি। তিনি তার দিনের কার্যক্রম শুরু করবেন। তবে জানেন না তাকে কি কাজ করতে হবে। এদিনে তার ক্লায়েন্টদের চাহিদা কেমন হবে। যুক্তরাষ্ট্রে তার মতো হাজার হাজার ‘ক্যাম গার্লস’ আছেন। তারা অর্থের বিনিময়ে অনলাইনে ক্লায়েন্টদের যৌন তৃপ্তি দিচ্ছেন। ক্লায়েন্ট যেমনভাবে চাইছেন তারা তেমন তেমনভাবে অ্যাক্টিং করছেন। বিনিময়ে তার একাউন্টে এসে জমা হচ্ছে কাড়ি কাড়ি অর্থ। পর্নোগ্রাফিতে নানা রকম ঝক্কি থাকার কারণে এমন রীতি চালু হয়েছে। এ বিষয়টি চ্যানেল ৪ তার এডভেঞ্চারস ইন ফিউচারল্যান্ডে তুলে ধরেছে। তাতে দেখানো হয়েছে কিভাবে এসব যৌনআসক্ত ব্যক্তির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিভাবে পাল্টে যাচ্ছে যৌনতার ধরন, কিভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে অনলাইনে যৌনতা। ভার্চুয়াল প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন একটি প্রবণতা খুব তীব্র হচ্ছে।
তবে এ নিয়ে উদ্বিগ্ন এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রেজেন্টার জামালি ম্যাডিক্স। তিনি বলেছেন, এই ভার্চুয়াল জগতে আপনি একজন মানুষকে কল্পনার চোখে বাস্তবে ভেবে নিতে পারেন। ওয়েবক্যাম আপনাকে বিষয়টি সহজ করে দিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আপনি পেতে পারেন এক তৃপ্তিকর অনুভূতি।
শুধু এ বছর প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিষ্ঠানগুলো এ রকম শত শত নতুন পথ আবিষ্কার করেছে অনলাইনে। এর সাহায্যে যেসব দম্পতির বয়স বেড়ে যাচ্ছে তাদের তারুণ্যের রমরমা সম্পর্ককে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সেক্স টেপে ধারণ করতে পারেন ১২০০০ পাউন্ড দিয়ে। অন্যদিকে যুবতীরা বা যুবকরা অনলাইনে হা করে থাকা যৌন আসক্ত ব্যক্তিদের শিকারে পরিণত করতে পারেন। এ খাত থেকে তারা আদায় করে নিতে পারেন বা নিচ্ছেন বিপুল পরিমাণ বাড়তি অর্থ।
সম্প্রতি লাস ভেগাস সফর করেছেন ম্যাডিক্স। সেখানে তিনি সাক্ষাত করেছেন ক্যাম গার্ল হিসেবে পরিচিত মিসি’র সঙ্গে। সেখানে ম্যাডিক্স দেখতে পেয়েছেন মিস মিসি অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচারিত যৌনতা বিষয়ক উপস্থাপনায় সপ্তাহে ১৬০০ পাউন্ড পর্যন্ত কামাচ্ছেন। এক্ষেত্রে ইন্টারনেটের অন্যপ্রান্তে যিনি বসে আসেন তার চাহিদামতো তাকে অ্যাক্টিং করতে হয়। এভাবেই মিসি’র সঙ্গে নিয়মিত সম্পর্ক গড়ে উঠেছে নাথানের। তিনি একটি দোকানের কর্মচারী। স্বীকার করেছেন তাদের মধ্যে এমন সম্পর্ক ৫ বছরের। এ সময়ে তিনি মিসি’র সঙ্গে অনলাইন যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে পরিশোধ করেছেন ৮০০০ ডলার। নাথানের মতে, আমার কাছে এর মূল্য অনেক। তার সঙ্গে সময় কাটাতে পারি। গল্প করতে পারি। বিষয়টা যেন দীর্ঘদিনের এক বন্ধুত্বে পরিণত হয়েছে।

বাংলাদেশকে তিস্তার জল দেবে! জল কী আছে যে দেবে? মমতার প্রশ্ন

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের জলবণ্টন নীতির বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন দেশটির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার তিনি এ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। রাজ্যকে এড়িয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে নিজ দেশের কেন্দ্রীয় সরকারের জলবণ্টনের চেষ্টার বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী এর আগেও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে তিনি কেন্দ্রকে চিঠিও দিয়েছেন। আর, এবার সরাসরি কেন্দ্রের জলবণ্টন নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এ খবর দিয়ে জানায়ঃ যদিও কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়ে দিয়েছে, যা করা হয়েছে বা হচ্ছে, সবটাই রাজ্যকে জানিয়েই করা হচ্ছে। তবে, কেন্দ্রের সেই যুক্তির তোয়াক্কা না করে সোমবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ফারাক্কা চুক্তি নবীকরণ হলে শুধু বাংলাই নয়, বিহারও কিন্তু ভাসবে। এই ফারাক্কা বাংলায়। অথচ, চুক্তির নবীকরণ করার সময় আমাদের জানানোই হল না। আবার, এখন কি না বলছে যে তিস্তার জলও দেবে (বাংলাদশকে)। কিন্তু, জল দেবে কী? তিস্তায় কী জল রয়েছে যে দেবে? যেটুকু আছে, সেই জল দেওয়া হলে, উত্তরবঙ্গে কেউ পানীয় জলই পাবেন না।’

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছেঃ বছরের বিস্তীর্ণ সময় তিস্তায় তেমন জল না থাকলেও বর্ষায় ভিনদেশ এবং ভিনরাজ্যের বাঁধ থেকে বিপুল জল ছেড়ে দেওয়ায় নদী অববাহিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়।

যার জেরে উত্তরবঙ্গ প্রতিবছর বন্যায় ভাসে। এবারও সেই বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি, রাজ্যের পাহাড়ি অঞ্চলে ধস নেমেছে। পার্শ্ববর্তী সিকিমেও ধস নামায় বহু পর্যটক আটকে পড়েছেন। এসব নিয়ে সোমবার উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি বলেন, ‘উত্তরবঙ্গের সম্পর্কে রিপোর্ট আমি হাতে পেয়েছি। উত্তরবঙ্গে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। সেচ বিভাগ ইতিমধ্যেই পর্যবেক্ষণ চালু করেছে। দুর্গতরা যাতে যোগাযোগ করতে পারেন, সেজন্য প্রশাসনের তরফে নম্বর দেওয়া হবে। পাশাপাশি, মালদহে গঙ্গার পাড় ভাঙছে।’

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েও কথা রাখছে না, সোমবার এ নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেন, ‘গঙ্গার ভাঙনে যে বাড়িগুলো তলিয়ে গেছে, সেগুলো পুনরায় নির্মাণ করে দেওয়া হবে বলে কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু, সেজন্য প্রয়োজনীয় ৭০০ কোটি টাকা আজ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে দেয়নি। অথচ, গঙ্গার ভাঙন কেন্দ্রীয় সরকারের দেখার কথা। কিন্তু, গত ১০-১২ বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকার সম্পূর্ণ চোখ বুজে আছে। কিছুই দেখছে না। ফারাক্কায় ড্রেজিং পর্যন্ত করেনি। বাংলাদেশের সঙ্গে যখন চুক্তি হয়েছিল, তখন কথা হয়েছিল যে, বাংলাদেশে জল যাক, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গবাসীর যাতে সমস্যা না হয়, তা দেখা হবে। ড্রেজিং করা হবে। কিন্তু, কেন্দ্রীয় সরকার গঙ্গায় ড্রেজিং না করায় মালদায় ভাঙনে অনেক বাড়ি তলিয়ে গেছে।’


অদ্ভুত লোকটি by পূরবী চক্রবর্ত্তী

অলংকরণ: মাসুক হেলাল
শ্রাবণ। শ্রাবণ মাসে জন্ম হওয়ায় তার এই নাম। সে এখন ক্লাস সেভেনে পড়ে। এরই মধ্যে সে খুব বিখ্যাত হয়ে গেছে। তার একটাই কারণ, সে ভালো গল্প লিখতে পারে। অবশ্যি সেটা সায়েন্স ফিকশন। তার পাঠানো একটা গল্প সম্প্রতি বাংলাদেশের জনপ্রিয় এক দৈনিকে বেরিয়েছে। বন্ধুদের মধ্যে এটা নিয়েই আলোচনা হচ্ছে।
রাকিব এই ক্লাসের সবচেয়ে দুষ্টু ছেলে। ক্লাসে সে অন্যদের নামে নালিশ করে খুবই মজা পায়। আগেরবার সায়েন্স ফেয়ারে ফার্স্ট হওয়ায় তার দম্ভ। সে বলল, ‘কিরে শ্রাবণ, গল্পটা কার থেকে নকল করলি?’
শ্রাবণ: ‘নকল কেন করব? এটা আমারই লেখা।’
রিয়া: ‘আসলেই গল্পটা সুন্দর। শেষে যখন উত্তেজনা দিয়ে রিও পৃথিবীতে ফিরে আসে, তখন রোমাঞ্চ সৃষ্টি হয়।’
শ্রাবণ: ‘থ্যাংকস।’
এমনিতেই আফসানা ম্যাডাম শ্রাবণের প্রশংসা করেন, আজ একটু বেশিই করলেন। রাকিবের খুব রাগ হচ্ছিল কিন্তু ও কিছু বলল না।
স্কুল ছুটি হয়েছে। শ্রাবণ ও রাকিব একসঙ্গে আসছে।
রাকিব: ‘দোস্ত! তুই তো ফেমাস হয়ে গেলি।’
শ্রাবণ: ‘তো!’
রাকিব: ‘এবার সায়েন্স ফেয়ারে তোকে ক্যাপ্টেন করা হবে।’
শ্রাবণ: ‘হুম। মনে মনে খুশিই হয়েছে।’
এবার রাকিব ডানের গলিতে ঢুকে গেল আর শ্রাবণ তার বাড়ির দিকে রওনা দিল। শ্রাবণের বাড়ি যেতে একটা পার্ক পড়ে। প্রজাপতি পার্ক। ও ভাবল, পার্ক থেকে ঘুরে আসি। হঠাৎ একটা অপরিচিত লোক ওর নাম ধরে ডাকল।
শ্রাবণ: ‘আপনি কে?’
লোক: ‘আমি রিও। আমার বাড়ি রাশিয়া।’
শ্রাবণ একটু বিব্রত: ‘জি...’
লোক: ‘অবাক হয়ো না। ওই যে কদিন আগে চাঁদে গিয়েছিলাম।’
শ্রাবণ: ‘আপনি কি আমার সঙ্গে মজা করছেন? হয়তো আপনি আমার লেখা পড়েছেন।’
লোক: ‘হুম পড়েছি! আমার মনে হয় তোমার গল্পে ভুল আছে।’
শ্রাবণ: ‘কী ভুল?’
লোক: ‘তোমার গল্পের শেষে আছে আমরা এলিয়েনের সাহায্য নিয়ে এই পৃথিবীতে এসেছি। কিন্তু বাস্তবে এমনটা হয় না।’
শ্রাবণ: ‘কেন?’
লোক: ‘শোনো। ওরা আমাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। ওরা চাইবে আমাদের নিয়ে রিসার্চ করতে।’
বাসায় গিয়ে শ্রাবণ এ কথাটা সবাইকে বলল। সবাই খুব খুশি ছিল বলে কেউ তেমন পাত্তা দিল না। সবাই বলল, লোকটা তোর গল্প পড়ে, তোর সঙ্গে মজা করেছে। তবে সে এ ব্যাপারে মেজো আপুকে বলল। ওর বড় আপু অর্পা থাকে ঢাকায়। সে কেমিস্ট হতে চায়। ওর তেমন সময় নেই। তবে মেজো আপুর হাতে অনেক সময়। সবে এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হলো। সে বলল পার্কে গিয়ে আবার লোকটার সঙ্গে কথা বলতে।
পরদিন স্কুল ছুটির পর সে রাকিবকে সব বলল। রাকিব বাপারটা হাসাহাসি করে উড়িয়ে দিল। আজকেও শ্রাবণ গেল। লোকটা খুব বেঁটে। টাইট পোশাক পরা। আর সব সময় শ্রাবণের থেকে দূরে একটা গাছের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলে। এদিনও তা-ই।
লোক: ‘তোমাকে খুব চিন্তিত মনে হচ্ছে।’
শ্রাবণ: ‘জি না।’
লোক: ‘তোমার আরও কয়েকটা ভুল ছিল।’
শ্রাবণ: ‘বলেন, শুনি।’
লোক: ‘তুমি সঠিক হিসাব দাওনি।’
শ্রাবণ: ‘কিসের?’
লোক: ‘ওই যে আদৌ মহাকর্ষ বল ওই এলিয়েনটার ওপর কাজ করবে কি না...’
শ্রাবণ: ‘হুম...’
পরদিন শ্রাবণ আবার গেল। প্রতিদিন লোকটা একটা করে ভুল বলে। কিন্তু শ্রাবণ তাকে বাসায় নিতে চাইলে আসে না।
এদিনও লোকটা ভুল ধরিয়ে দিল। এবার শ্রাবণ বাড়ির দিকে রওনা দিল। হঠাৎ মনে পড়ল যে সে বেঞ্চের ওপর তার স্কুলব্যাগ ফেলে এসেছে। সে আবার পার্কে গেল। গিয়ে সে হাঁ করে দাঁড়িয়ে রইল।
‘রাকিব, এসব কী হচ্ছে?’ শ্রাবণ বলল। সে দেখল রাকিব লোকটার হাত-পা আলাদা করে ব্যাগে ভরছে। ওকে দেখে রাকিব হো হো করে হেসে ফেলল।
রাকিব: ‘ভয় পেলি নাকি?’
শ্রাবণ: ‘কী করছিস তুই?’
রাকিব: ‘বলছি। ও হলো আর থার্টিফোর। আমার নাসার গবেষক ছোট মামার আবিষ্কার। সায়েন্স ফেয়ারে ফার্স্ট হয়েছিলাম বলে খুশি হয়ে মামা আমাকে কিছু দিনের জন্য দিয়েছেন।’
শ্রাবণ: ‘কী?’
রাকিব: ‘তোর সঙ্গে একটু মজা করেছিলাম। আমি ভয়েস রেকর্ড করে ডিভাইসে দিয়েছিলাম। বল, আমার চিহ্নিত ভুলগুলো কেমন?’
শ্রাবণ: ‘তোর সঙ্গে কথা বলব না। তুই একটা...’
রাবিক: ‘গাধা?’
হা হা হা! দুজনে হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ল।
দশম শ্রেণি, নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়।
>>>২৯ এপ্রিল ২০১৬