Showing posts with label বিচার. Show all posts
Showing posts with label বিচার. Show all posts

Thursday, April 22, 2010

১৫ বিচারপতির শপথ -বিচারক বাছাই-প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা অগ্রহণযোগ্য

সুপ্রিম কোর্টের ১৫ অতিরিক্ত বিচারকের শপথ অনুষ্ঠানে আপিল বিভাগের বিচারপতিদের অনুপস্থিতি ছিল এক নজিরবিহীন ঘটনা। সম্প্রতি নিয়োগ পাওয়া ১৭ বিচারপতির মধ্যে ১৫ জনকে প্রধান বিচারপতি রোববার শপথবাক্য পাঠ করান। দুজনকে শপথ না পড়ানোর চেয়ে এবারের বিচারক বাছাইয়ে সার্বিক অস্বচ্ছতা অনেক বেশি উদ্বেগজনক।
উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগে একটি জুডিশিয়াল কমিশন গঠনের কোনো বিকল্প নেই। উচ্চ আদালতের বিচারকাজ প্রজাতন্ত্রের সবচেয়ে জটিল ও সংবেদনশীল কাজ। এখানে বিশেষজ্ঞ-জ্ঞান, উঁচু নৈতিকতা, সততা ও নিষ্ঠা না থাকলে কারও উচিত নয় এই পদ লাভের আশা করা। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিচারক নিয়োগের প্রক্রিয়ায় মাঝেমধ্যেই দুর্ভাগ্যজনক সব ঘটনা ঘটেছে। বিচারক বাছাইয়ে রাষ্ট্র ব্যর্থ হলে সে রাষ্ট্রের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অন্তঃসারশূন্য হতে বাধ্য।
২০০৮ সালে হাইকোর্ট বিভাগের একটি বৃহত্তর বেঞ্চ বিচারক নিয়োগে একটি বিস্তারিত নীতিমালা তৈরি করে। ২০০৯ সালে আপিল বিভাগ তাতে কিছুটা সংশোধনী আনে। এই নীতিমালার মূল নির্দেশনা হলো, বিচারক নিয়োগ-প্রক্রিয়া শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অবশ্যই স্বচ্ছ হতে হবে। এই স্বচ্ছতা বিমূর্ত কোনো বিষয় নয়। কেউ একজন দাবি করলেই চলবে না যে বিচারক নিয়োগের প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়েছে। আপিল বিভাগের রায় বলেছে, সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে হবে এবং সেই প্রক্রিয়াটির অবশ্যই লিখিত রূপ থাকতে হবে। আমরা সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলের বক্তব্য থেকে এটা অনুমান করতে অপারগ যে সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার কোনো চেষ্টা আদৌ হয়েছিল। সে কারণে আমরা মনে করি, এবারের বিচারক বাছাই-প্রক্রিয়া আপিল বিভাগের নিজের বেঁধে দেওয়া নীতিমালা অনুযায়ী হয়নি। এটা ঠিক যে, নতুন নীতিমালায় প্রধান বিচারপতির পরামর্শকেই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে প্রধান বিচারপতির একক কর্তৃত্ব খাটানোর কোনো সুযোগ সেখানে রাখা হয়নি।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি দুঃখজনকভাবে দলীয় রাজনৈতিক রেখায় বিভক্ত। বিচারক নিয়োগের প্রশ্নে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সমর্থকেরা একই দিন পৃথক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বিএনপিপন্থী শীর্ষস্থানীয় নেতারা পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দুজন বিচারকের শপথ পাঠ না করাতে একটি অবস্থান নেন। কিন্তু তাঁরা সার্বিকভাবে বিচারক বাছাই-প্রক্রিয়ার বৈধতা কিংবা শুদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন। আমরা দেখেছি যে বিএনপির আমলে বিচারক বাছাই-প্রক্রিয়াও ছিল যথেষ্ট অস্বচ্ছ। অযোগ্য ও অদক্ষ বিচারক নিয়োগের নিন্দা জানিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বার তখন লিখিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল। ওই সিদ্ধান্তপ্রণেতারাই পরে ১০ বিচারকের মামলায় বিচারক বাছাই-প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করার প্রশ্নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু এবার একই ধরনের অস্বচ্ছ প্রক্রিয়া অনুসরণের পর সেই সরব মুখগুলো আশ্চর্যজনক নীরবতা পালন করেছেন।
আপিল বিভাগের বিচারকেরা কেন শপথ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থেকেছেন তা স্পষ্ট নয়, তবে বিচারক বাছাই-প্রক্রিয়ার সার্বিক প্রক্রিয়াগত অস্বচ্ছতা নিরসনে তাঁরা যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন, সেটাই প্রত্যাশিত। বিচারপতি মো. আবদুল মতিন তাঁর দীর্ঘ রায়ে ২১টি দেশের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে যথার্থই মন্তব্য করেছেন, সংসদীয় গণতান্ত্রিক বিশ্বের প্রবণতা হলো বিচারক বাছাইয়ে কমিশন গঠন করা। সংসদকে অবশ্যই এ-সংক্রান্ত বিলুপ্ত অধ্যাদেশের আদলে একটি আইন করতে হবে। ইতিমধ্যে সংসদীয় কমিটি যোগ্যতানির্ধারণী আইন করার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তাকে আমরা স্বাগত জানাই। তবে আপিল বিভাগের রায় থাকা সত্ত্বেও বিচারক বাছাই যে স্বচ্ছ ও শুদ্ধ প্রক্রিয়ায় হলো না, তা মার্জনা করা যায় না।

Thursday, October 15, 2009

বাংলাদেশের সামুদ্রিক অঞ্চল: সহজ পাঠ -বিচারের বাণী by মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী

২ অক্টোবর দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন পড়ে বঙ্গোপসাগরের অন্তঃস্থ খনিজ সম্পদে বাংলাদেশের কর্তৃত্ব ও মালিকানা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে জেনে চমকে উঠেছি এবং তাত্ক্ষণিক এ লেখাটির জন্ম হয়েছে বিক্ষুব্ধ অন্তরে। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৩ অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তির যে তালিকা দেওয়া আছে, তার অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে ‘বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ এবং অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী।’ এই অনুচ্ছেদের ২ দফায় বলা আছে, জাতীয় সংসদ ‘বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান’ করতে পারবে। সেই মতো জাতীয় সংসদ কর্তৃক ১৯৭৪ সালে ‘বাংলাদেশ জলসীমা ও সমুদ্রোপকূল অঞ্চলসমূহ আইন’ প্রণীত হয়েছে এবং আইনটির ভিত্তিতে সরকারি বিজ্ঞপ্তি দ্বারা বাংলাদেশের যে জলসীমা নির্দিষ্ট করা হয়েছে, সেটা এই—বঙ্গোপসাগরের জলের ১০ ফ্যাদম (১ ফ্যাদম = ৬ ফুট বা ১.৮ মিটার) গভীরতা যেখানে শেষ হয়েছে, সেই ভিত্তিরেখা থেকে আরও দক্ষিণে ১২ নটিক্যাল মাইল (১ নটিক্যাল মাইল = ৬০৮০ ফুট বা ১৮৫২ মিটার) পর্যন্ত।
প্রতিবেদনটি পড়ে কেন চমকে উঠেছিলাম সেটা এখন বলছি। জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জানিয়েছেন, অতি শিগগিরই বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার মধ্যে তিনটি ব্লক তেল-গ্যাস অনুসন্ধান-উত্তোলনের জন্য বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা দেওয়া হবে। অপরদিকে ওই প্রতিবেদন পড়ে জানা গেল, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বলেছেন, ভারত সরকার ও মিয়ানমার সরকার উভয়ই ইজারা দেওয়ার আপত্তি জানিয়েছে এই মর্মে যে ওই ব্লক তিনটি তাদের নিজ নিজ রাষ্ট্রের জলসীমার অন্তর্ভুক্ত। এখানে দুঃখের সঙ্গেই বলতে হয়, আন্তর্জাতিক আইনগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭৪ সালের আইনবলে প্রকাশিত সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত ভিত্তিরেখা থেকে বাংলাদেশের জলসীমা প্রকৃত পক্ষে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল বা ৬৫০ কিলোমিটার, কিন্তু অদ্যতক ওই বিজ্ঞপ্তিটি সংশোধন করা হয়নি এবং জাতিসংঘ কর্তৃক গঠিত বিশেষ কমিশনে সেই মতো দাবি জানানো হয়নি, অথচ সে দাবি জানানোর নির্দিষ্ট শেষ সময় ২০১১ সালের ২৭ জুলাই এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক সে জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার প্রকাশ্য তত্পরতা জোট সরকার কিংবা তত্ত্বাবধায়ক সরকার উভয়ের আমলেই দেখা যায়নি।
প্রিয় পাঠক/পাঠিকা, এখন লক্ষ করুন, এই লেখার সঙ্গে ছাপা বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার মানচিত্র এবং সেটার ভেতরে ভারত ও মিয়ানমারের আগ্রাসী রেখাচিত্র। এই মানচিত্রটির ফটোকপি নেওয়া হয়েছে কমোডর মোহাম্মদ খুরশেদ আলমের লেখা বাংলাদেশ’স মেরিটাইম চ্যালেঞ্জেস ইন দ্য টোয়েন্টি ওয়ান সেঞ্চুরি নামের গবেষণামূলক বই থেকে। কমোডর আলমের অভিমত এই যে বাংলাদেশের উপকূলরেখা খিলানাকৃতি হওয়ায় ন্যায়পরতার নীতি ও পদ্ধতি অনুযায়ী এ তিনটি দেশের জলসীমা নির্ধারণ করা সঠিক হবে। তদুপরি ঐতিহাসিক স্বত্ব অর্থাত্ জলভাগটির নাম বঙ্গোপসাগর বিবেচনায় রাখতে হবে। জলসীমা নির্ধারণে কমোডর আলমের প্রস্তাবটির সমর্থন পাওয়া যায় আরেকটি পুস্তকে, যার নাম ডেলিমিটেশন অব মেরিটাইম বাউন্ডারি। এ পুস্তকটির লেখক রাজশাহী বিশ্ববািদ্যালয়ের অধ্যাপক হাবিবুর রহমান।
অধ্যাপক রহমানের অভিমত এই যে ন্যায়পরতা নীতির ভিত্তিতে ‘ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস’ নর্থ সি কন্টিনেন্টাল কেসে যে রায় দিয়েছে, তারই ভিত্তিতে বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়নামারের জলসীমা নির্ধারণ করা যায়। রায়টির সংশ্লিষ্ট অংশটির বঙ্গানুবাদ এই: ‘(ক) জলসীমা নির্ধারণ করতে হবে ন্যায্যতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ বোঝাপড়ার মাধ্যমে ও সব কটি পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনায় রেখে এ মতো উদ্দেশে যেন প্রত্যেক পক্ষকে যথাসম্ভব দেওয়া যায় মহীসোপানের ওই অংশটি, যেটা পক্ষ-দেশটির মূল ভূভাগ থেকে সমুদ্র বরাবর জলের অভ্যন্তরস্থ প্রাকৃতিক বর্ধিত অংশ এবং অন্য পক্ষ দেশ বা দেশগুলোর বর্ধিত অংশের তেমন সীমানা লঙ্ঘন করে না। (খ) যদি উপরিউক্ত নীতিটি প্রয়োগে দেখা যায় যে পক্ষ-দেশগুলোর মহীসোপানের কোনো অংশ পরস্পরকে আবৃত করেছে, সে ক্ষেত্রে সে অংশটি আপসে ভাগ-বণ্টন হবে কিংবা আপস ব্যর্থ হলে সে অংশটির যৌথ মালিকানা দেওয়া হবে।’ প্রিয় পাঠক/পাঠিকা, ইউরোপের মানচিত্রটি লক্ষ করুন। দেখবেন, নর্থ সি বা উত্তর সাগরকে কেন্দ্র করে আটটি দেশের অবস্থান। ঘড়ির কাঁটা যেদিকে ঘোরে, সেভাবে অবস্থিত দেশগুলোর নাম হচ্ছে নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক, জার্মানি, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য।
এখন অন্য মতটি উল্লেখ করা যাক। প্রকৌশলী ইনামুল হক বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী এবং তিনি ওয়াটার রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট ইন বাংলাদেশ নামের এক গবেষণামূলক বইয়ের লেখক। প্রকৌশলী হকের মতটি হচ্ছে, সমদূরত্ব নীতি ও পদ্ধতি অনুযায়ী এ তিনটি দেশের জলসীমা নির্ধারণ করা সঠিক হবে। এই মতটি আলোচনা করার আগে আমাদের জানা দরকার যে জাতিসংঘের উদ্যোগে সমুদ্র আইন সম্পর্কীয় কনভেনশন বা মতৈক্য গৃহীত এবং কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালের ১০ নভেম্বর। প্রকৌশলী হকের অভিমত এই: উপরিউক্ত কনভেনশনের ৩ আর ১৫ ধারা অনুযায়ী পশ্চিমে হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মধ্যস্রোত ধরে ভারত ও বাংলাদেশের উপকূলরেখা থেকে সমদূরত্বে এবং বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের ছেড়া দ্বীপ ও ওয়েস্টার দ্বীপের মাঝামাঝি উপকূলরেখা ধরে সমদূরত্বে হবে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা এবং সেটা পশ্চিমের ও পূর্ব দিকের উপকূলের শেষ পয়েন্ট থেকে উপরিউক্ত রেখা দুটির দক্ষিণ বরাবর দূরত্বের ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত হবে। প্রকৌশলী হকের আরও অভিমত হচ্ছে, ভারত যে অতল সমুদ্রের পূর্ব দিকে মহীসোপানের ওপর দাবি জানিয়েছে, সেটা বাংলাদেশের নদীবাহিত পলি দ্বারা গঠিত হওয়ায় জাতিসংঘ কনভেনশনের ৭৬ ধারার লঙ্ঘন এবং মিয়ানমার যে বঙ্গোপসাগরে দক্ষিণমুখী খাড়ির পশ্চিমে মহীসোপানের ওপর দাবি জানিয়েছে, সেটাও বাংলাদেশের নদীবাহিত পলি দ্বারা গঠিত হওয়ায় একই ৭৬ ধারার লঙ্ঘন। দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি ভাটায় জাগে, জোয়ারে ডুবে যায় এবং দ্বীপটি হাড়িভাঙ্গা নদীর মধ্যস্রোতের পূর্ব দিকে অবস্থিত, যা বাংলাদেশের জলসীমার অন্তর্গত।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের স্থলভাগের আয়তন কিছু কম দেড় লাখ বর্গকিলোমিটার আর বাংলাদেশের সমুদ্র এলাকার আয়তন দুই লাখ বর্গকিলোমিটার। অন্যভাবে বলা যায়, বাংলাদেশের স্থলভাগের চেয়ে জলভাগের আয়তন বেশি। শুধু তা-ই নয়, এই জলভাগে মহীসোপানের ওপরে ও সমুদ্রের অভ্যন্তরে আছে অফুরন্ত সম্পদ। প্রিয় পাঠক/পাঠিকা, আসুন সবাই মিলে দাবি করি, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ও সমুদ্রসম্পদ রক্ষা করার জন্য অবিলম্বে একটি পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করা হোক। শুধু তা-ই নয়, পৃথক মন্ত্রণালয় জরুরি এ জন্য যে সমগ্র আদি বাখেরগঞ্জ ও নোয়াখালী জেলার দ্বীপগুলো নিয়ে সক্রিয় বদ্বীপ অঞ্চল, যা ক্রমাগত সে অঞ্চলের প্রবাহিত নদীগুলো পলি বহন করে ভূমি গঠনপ্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে।
মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী: অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, আপিল বিভাগ, সুপ্রিম কোর্ট