Wednesday, July 23, 2014
ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনলো জাতিসংঘ

নাভি পিল্লাই বলেন, গাজায় হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ধ্বংস করে দিচ্ছে ইসরাইল। হত্যা করছে শিশুদের। এটা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। এসময় হামাসের রকেট ও মর্টার হামলারও নিন্দা করেন নাভি পিল্লাই।
ইসরাইলের হামলায় গাজায় এ পর্যন্ত ৬৩০ জন নিহত হয়েছেন৷ নিহতদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক৷ এদিকে হামাসের রকেট হামলার কারণে তেল আবিব থেকে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে৷ যুদ্ধ বন্ধের জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে৷
ইসরায়েলের এক সেনা কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, বুধবারের হামলায় অন্তত ৩০ জন হামাস সদস্য নিহত হয়েছে৷ ইসরাইলি হামলার তীব্রতা বেড়েই চলেছে৷ গাজায় প্রতিদিন মিছিলে যোগ হচ্ছে নারী শিশুদের নিষ্পাপ মুখ৷ বুধবার ইসরায়েলের গোলার আঘাতে প্রাণ হারিয়েছে গাজার দক্ষিণে আট বছর বয়সি এক শিশু৷এক পরিবারের ৪জন শিশুসহ ১৮জন নিহত হয়েছে গাজায়।
৮ জুলাই থেকে শুরু হওয়া হামলায় ইসরায়েলের ক্ষয়ক্ষতিও বাড়ছে৷ হামাসের রকেট হামলা বন্ধ করার লক্ষ্যের কথা বলে শুরু করা হামলায় কমপক্ষে ২৯ জন সেনাসদস্যকে হারিয়েছে দেশটি৷ এক ফিলিস্তিনি স্নাইপারের গুলিতে বুধবার ইসরাইলি ট্যাংক অফিসার প্রাণ হারায় ৷
এদিকে গাজা থেকে ছোড়া রকেট তেল আবিব বিমানবন্দরের কাছের একটি বাড়িতে আঘাত হেনেছে৷ হামলার আশঙ্কায় আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকটি দেশ ইসরাইল থেকে এবং ইসরাইলের দিকে তাদের সব ফ্লাইট বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে৷
ইসরাইল সরকারও বেন গুরিয়ন বিমান বন্দরের ৮০টি ফ্লাইট সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে৷
তবে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে কোনো পক্ষই সাড়া না দিলেও শান্তি স্থাপনে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে৷ ইসরাইল সাময়িকভাবে যুদ্ধ বন্ধ রাখলেও হামাস তা মানতে অস্বীকৃতি জানায়৷
এদিকে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব কার্যকর করার উপায় খুঁজতে মিশর সফর করছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি৷ জন কেরি হামাসকে মিশরের দেয়া যুদ্ধ বিরতি প্রস্তাব মেনে নেয়ার আহবান জানিয়েছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন অবস্থান করছেন ইসরাইলে৷ বান কিন মুন দু পক্ষকে হামলা বন্ধ করে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব মানার আহবান জানালেও উভয় পক্ষের মধ্যে তা অব্যাহত রয়েছে। তবে হামাস বলেছে, অবরোধ প্রত্যাহার না হলে তারা কোন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে সম্মত হবে না।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিএনপি কি রাজনীতির মূল মঞ্চে ফিরতে পারবে? by এম. আবদুল হাফিজ
এ প্রেক্ষাপটে আপসহীন বলে পরিচিত বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া তার তত্ত্বাবধায়কের দাবিতে অনড় থেকে নির্বাচনে গেলেন না। গেলে কী হতো এবং না গিয়ে কী হয়েছে, সেসব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং তার নির্বাচনে না যাওয়ার কী খেসারত দিচ্ছে বিএনপি, তা তো দেশবাসীই দেখছে। মামলা-মোকদ্দমায় ফেঁসে থাকা দলের শত শত নেতাকর্মী গ্রেফতার ও নির্যাতনের ভয়ে যেখানে প্রকাশ্যেই আসতে পারছেন না, সেখানে আপসহীন নেত্রীর আন্দোলনের হুংকার হয়তো হাস্যকর মনে হবে। তবে আমার বিশ্বাস, গণতন্ত্রকে এগিয়ে নেয়ার একটি অদৃশ্য চালিকাশক্তি আছে। তা না হলে আড়াই হাজার বছর ধরে নানা প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে লড়াই করে গণতন্ত্র কীভাবে আজও টিকে আছে? এই বাংলাদেশেই আগেও গণতন্ত্রে পচন ধরেছিল এবং জাতির জনককে তা পরিহার করে উদ্ভট মতবাদের এক একদলীয় বাকশাল প্রবর্তন করতে হয়েছিল। শাসন কাজে অনভিজ্ঞ বঙ্গবন্ধু কোনো কূলকিনারা না করতে পেরে ক্ষমতার কর্তৃত্বকে কুক্ষিগত করতেই বাকশালের পথে পা বাড়িয়েছিলেন বলে অনেকে মনে করেন। তার পরিণতি আমরা সবাই জানি।
আজকের দোর্দণ্ড প্রতাপশালী আওয়ামী লীগের অবস্থা পঁচাত্তরের ট্রাজেডির পর ছিল আরও করুণ। বঙ্গবন্ধুর জীবিত দুই কন্যা তখন ভারতের আশ্রয়ে। সত্তরের নির্বাচনে নির্বাচিত এবং তেহাত্তরের নির্বাচনে পুনর্নির্বাচিত অনেক জাঁদরেল নেতা তখন অবশিষ্ট থাকলেও পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের গোলকধাঁধা কেটে গেলে এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনর্বহাল হলে আলোচ্য আওয়ামী লীগ নেতারা পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে খাপ খাওয়াতে অক্ষমতা দেখিয়েছেন; উপরন্তু তখন তারা আন্তঃউপদলীয় কোন্দলে লিপ্ত। প্রায় আধা ডজন আওয়ামী লীগ নেতার নামের ব্র্যাকেটবন্দি উপদলগুলো রাজনীতি নয়, কাদা ছোড়াছুড়িতেই তখন ব্যস্ত।
নব্বইয়ের দশকে দেশ সামরিক শাসনমুক্ত হওয়ার পর ক্ষমতাসীন অধিক আÍবিশ্বাসী খালেদা জিয়া যখন রাজনীতির অঙ্গনে কিছু ভুল পদক্ষেপ নিতে শুরু করেন, শুধু তখনই ক্ষমতার দরদালান থেকে নির্বাসিত আওয়ামী লীগ দীর্ঘ ২১ বছর পর প্রকাশ্য জনসভায় সদাচরণের কিরা-কসম খেয়ে এরশাদের ওপর ভর দিয়ে কোনোমতে ক্ষমতায় ফেরে।
পঁচাত্তরের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক আনুগত্যের পর জিয়াউর রহমান যখন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন এবং সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহের লাগাম টেনে ধরেন, বঙ্গবন্ধুর প্রতাপশালী আওয়ামী লীগ তখন রাজনীতির এক প্রান্তিক অবস্থানে। এরপরই রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গৌরবোজ্জ্বল আÍপ্রকাশ। বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা-ভালোবাসা অক্ষুণ্ন রেখেই বলছি, জিয়ার মাত্র অল্প কবছরের নেতৃত্বে বাংলাদেশ তো বটেই, সারা মুসলিম বিশ্ব অবাক বিস্ময়ে তাদের ভাগ্যাকাশে এক সোনালি অরুণোদয় দেখেছিল। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে দৃশ্যপটে আবির্ভূত বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের জনক এই নেতাকে আমি এর আগে আমার দুই দশকের চাকরি জীবনে দেখিনি। অথচ তিনি ছিলেন আমার নিজ জেলা বগুড়ার আমার গাবতলী থানারই সন্তান।
প্রশংসা ও প্রচারবিমুখ এ নেতাকে প্রথম দেখি যশোর সেনানিবাসে। সেনাসদরে এ স্পষ্টভাষী রাজনীতিবিমুখ মেজর জেনারেল জিয়া তখন তারই জুনিয়র মেজর জেনারেল শফিউল্লাহর অধীনে আর্মির ডেপুটি চিফ। সেনাবাহিনীর মূল স্রোত থেকে এ মেধাবী কর্মকর্তাকে সরিয়ে রাখতেই এ ব্যবস্থা। ডেপুটি চিফ হিসেবে তার দৃশ্যমান একটি কাজই দেখেছি- তা হল দেশের ক্যাডেট কলেজগুলোর তদারকি। সেই সুবাদেই তিনি তখন যশোর হয়ে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজে যেতেন। ৫৫নং পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর আমি কখনও কখনও তাকে বিমানবন্দর থেকে সেনানিবাসে এনেছি।
একপর্যায়ে জিয়া যখন সেনাপ্রধান হলেন, দেশের ভবিষ্যৎ সেনাবাহিনীর রূপরেখা নিয়ে কম্বাইন্ড আর্মস স্কুলে (বর্তমানে বিলুপ্ত) তিনি একটি ভাষণ দিয়েছিলেন। পাকিস্তানে বেশ কিছু জেনারেলের সান্নিধ্যে এসেছি, কিন্তু আমাকে স্বীকার করতেই হবে, জিয়া প্রদত্ত যশোরের ভাষণটি আমাকে মুগ্ধ করেছিল। তবু জিয়ার কঠোর প্রকৃতি, স্বল্পভাষী স্বভাব ও গাম্ভীর্য আমার কদাচিত ভালো লেগেছে। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর তিনি আমাদের দৃষ্টিসীমার বাইরে তার বৃহত্তর কর্মপরিসরে চলে গেলেন। মুক্তিযুদ্ধে রাজনৈতিক নেতৃত্ব না দিলেও তিনি আলবৎ জানতেন ভারতসহ প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্কের স্পর্শকাতরতা, আন্তর্জাতিক রীতিনীতি এবং মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে আমাদের বিশেষ সম্পর্কের কথা।
সত্যি কথা বলতে কী, জিয়া শাসনের মেয়াদে একটি আধুনিক, সম্মুখ দৃষ্টি ও কর্মতৎপর বাংলাদেশের অবয়ব অস্তিত্বে আসতে থাকে। আওয়ামী লীগ তখনও রাজনৈতিকভাবে অগোছালো এবং পঁচাত্তরের জের ধরে বিমূঢ়। নানা স্তরে বিভক্ত জিয়া শাসনামলেই অস্তিত্বে এলো বিএনপি। অনেক আওয়ামী লীগ নেতা সে সময় বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন। আরও অধিক দলছুট আওয়ামীরা যোগ দিয়েছিলেন এরশাদের দলে। আমি নিশ্চিত, এ দেশে যদি আর নতুন কোনো ক্ষমতাসীন দলের উদ্ভব ঘটে, আওয়ামীরাই তার নেতানেত্রী ও কর্মীবাহিনীর জোগান দেবে।
রাজনীতিতে উত্থান-পতন আছে। এ দেশেও আমরা তা আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সীমাবদ্ধ দেখেছি। আরেকটি অপ্রিয় সত্য এ দেশ সম্পর্কে প্রযোজ্য। ক্ষমতার পালাবদল এ দেশে কদাচিত মসৃণ হয়েছে। বৈধভাবে সাংবিধানিক পথেই ক্ষমতার মসনদে একবার আসীন হলে ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতার প্রতি আসক্তি এত বেড়ে যায় যে, তখন তাদের প্রচণ্ড ঝাঁকুনি দিতে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবি ওঠে। এই ঝাঁকুনিটিই হল আন্দোলন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয়েই সেটা করেছে। তবে এ কাজটিতে আওয়ামী লীগ অনেক বেশি পারদর্শী। ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর আমাদের অস্তিত্বের বেশির ভাগ সময় জুড়ে ছিল আন্দোলন। ভাষা আন্দোলন, স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন, শিক্ষা-সংস্কৃতির আন্দোলন, ছয় দফার আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণআন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধ। আন্দোলনের কলাকৌশল দলটির নখদর্পণে। অষ্টম সংসদের মেয়াদের গোটা সময় জুড়ে-এক-এগারো সংঘটিত হওয়া পর্যন্ত- আওয়ামী আন্দোলনের মাঝে জীবনপণ আন্দোলনের নমুনা আমরা দেখেছি। তখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিল। এখন আওয়ামী লীগের মতো আন্দোলন গড়ে তোলা এবং তা প্রতিহত করার আওয়ামী শক্তির সামনে বিএনপির সরকার পতনের হুমকি একেবারেই শূন্যগর্ভ।
বিএনপি ও তার নেতৃত্বের রাজনীতি করার প্যাটার্ন সম্পূর্ণ আলাদা। আন্দোলন কোনো দিনই বিএনপির বৈশিষ্ট্যসূচক গুণ ছিল না, এখনও নেই। তাছাড়া অনেক ঘাত-প্রতিঘাতের পর আওয়ামী লীগের শক্তি ও অভিজ্ঞতা বেড়েছে। তেমনিভাবে অনেক প্রতিকূলতা, দুর্বল নেতৃত্ব ও রাজশক্তির দাপটে বিএনপি আগের চেয়ে অনেক চুপসানো। তবে শেষমেশ এ দেশের রাজনীতিতে উভয় দলের টিকে থাকার স্বার্থে যৌক্তিক পথ অবলম্বন করতে হবে।
দুর্বলরা সব সময়ই অহেতুক উত্তেজনা ও আতংকে ভোগে। বিএনপিকে সেটা কাটিয়ে উঠতে অনেক কথাই বলতে হবে। কিন্তু উভয়ের মধ্যে সৃষ্ট সংকটের জট খোলার চাবিকাঠি আওয়ামী লীগের হাতে। একটি বিতর্কিত নির্বাচনে জিতে দলটির উচ্চাশা ও ক্ষমতার আসক্তি অনেক বেড়ে গেছে। তবে অগ্রজ রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে অবশ্যই বুঝতে হবে, এভাবে চিরদিন চলতে পারে না। এটা অবশ্যই গণতন্ত্র নয়। অথচ তার সাময়িক রাজনৈতিক বিপথগমন (Political aberration) বাদ দিলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আজীবন স্বপ্নই ছিল গণতন্ত্র। ভিন্নমত, ভিন্নপথ ও সেগুলোর প্রতি শ্রদ্ধা তো গণতন্ত্রেরই দীক্ষা। তাই তার চর্চা এবং নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার ক্ষমতাসীনদেরই নিশ্চিত করতে হবে।
আন্দোলন করে বিএনপি সরকারের পতন ঘটাবে এটি প্রলাপোক্তি। তাই বলে ক্ষমতাসীনরাও পরিতৃপ্ত হয়ে বসে থাকতে পারে না। রাজনৈতিক প্রলয় যদি একটা ঘটেই, উভয়ের কেউই তা থেকে অক্ষত থাকবে না।
এম আবদুল হাফিজ : রাজনীতি ও নিরাপত্তা বিশ্লষক
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজা এখন লাশের শহর- মৃত্যুনগরী, বধ্যভূমি -মসজিদে লাশ মর্গে পচা মাংসের গন্ধ

এদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল কেদরা বলেন, গাজা-ইসরাইল পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে মোতায়েন করে রাখা ট্যাংক থেকে আল আকসা হাসপাতালে কয়েকটি গোলা হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এতে চিকিৎসা সহকারী, নার্স ও অন্যান্য মানুষ মিলিয়ে ৭ জন নিহত এবং ৫০ জন আহত হয়েছে। গাজা অভিযানের চতুর্দশ দিন মঙ্গলবার ভোর রাতে গাজার সাতটি মসজিদে হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। ওই হামলায় ৭ জন নিহত হয়েছেন। এই নিয়ে গাজায় নিহতের সংখ্যা ছয় শতাধিক ছাড়াল।
ইসরাইলি সেনাদের কবর দেয়া হবে : হানিয়া
ফিলিস্তিনের সাবেক নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়া বলেছেন, ইসরাইলি সেনাদের জন্য গাজা হবে কবরস্থান। সোমবার রাতে ফিলিস্তিনি জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে তিনি এ হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
ইসমাইল হানিয়া এমন সময় এই হুশিয়ারি উচ্চারণ করলেন যখন হামাস ৪৩ ইসরাইলি সেনাকে হত্যা এবং একজনকে আটক করার দাবি করেছে। অবশ্য ইসরাইল ২৭ সেনা নিহতের কথা স্বীকার করেছে।
তিনি বলেন, গাজার চলমান আগ্রাসন ও গণহত্যার মাধ্যমে ইহুদিবাদী ইসরাইলের আসল চেহারা উন্মোচিত হয়েছে। তবে, শত বাধা এবং ইসরাইলের বারবার আগ্রাসন সত্ত্বেও ফিলিস্তিনিদেরকে তাদের সংগ্রামের পথ থেকে সরানো যায়নি।
সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবরোধ তুলে নিতে ইসরাইল এবং মিসরের প্রতি হামাসের চাপ গাজার প্রায় ১৭ লাখ মানুষের দাবিকেই প্রতিধ্বনিত করে।
তিনি বলেন, ‘আমরা পেছনে ফিরে যাব না, আমরা অবরোধে ধীরে ধীরে মৃত্যুমুখে ফিরে যাব না। গাজার অধিবাসীরা তাদের রক্ত এবং সাহস দিয়ে অবরোধের ইতি টানবে।’ প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালে ভোটের মাধ্যমে গাজায় হামাস ক্ষমতায় এলে ইসরাইল অবরোধ আরোপ করে একে বিশ্বের বৃহৎ কারাগারে পরিণত করে। এর সঙ্গে এক জোট হয়ে গাজায় প্রবেশের একমাত্র পথ রাফা ক্রসিং বন্ধ করে দেয় ইসরাইল ঘনিষ্ঠ মিসরের আল-সিসি সরকার।
ইসরাইলি সৈন্য নিখোঁজ
গাজায় আক্রমণকারী ইসরাইলি সেনাবাহিনীর এক সদস্যকে পাওয়া যাচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে হামাস সদস্যরা তাকে আটক করেছে কিংবা তিনি নিহত হয়েছেন।

ইসরাইলের একটি স্থানীয় সংবাদমাধ্যম মারফত ইসরাইলি সেনা নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে।
এদিকে, ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় বিপর্যস্ত ফিলিস্তিনিদের ৪৭০ লাখ মার্কিন ডলার সহায়তা দেয়ার প্রতিশ্র“তি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি সোমবার এ প্রতিশ্র“তি দেন। যুক্তরাষ্ট্র ১৫০ লাখ মার্কিন ডলার ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডাব্লিউএকে দেবে।
বাকি ৩২০ লাখ মার্কিন ডলার ফিলিস্তিনিদের সহায়তা করতে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক সংস্থাকে দেয়া হবে। এএফপি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সানিয়া মির্জার জন্য এক কোটি রুপি

মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার জন্য এক কোটি রুপি অনুদান ঘোষণা করেছেন। ইউএস ওপেন ও আসন্ন অন্যান্য টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের খরচের জন্য মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী নিজে সানিয়ার হাতে চেক তুলে দেবেন। সম্প্রতি ডব্লিউটিএ ডাবলস র্যাংকিংয়ে ক্যারিয়ারে প্রথমবার পঞ্চম স্থানে উঠে আসেন ভারতীয় এই টেনিস তারকা। ওয়েবস
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কৌশল বদলেছে হামাস
![]() |
| গাজা উপত্যকায় গতকাল ইসরায়েলি বিমান হামলার আগাম সর্তকবার্তা পেয়ে সন্তানদের নিয়ে বাড়িঘর থেকে বেরিয়ে যান একদল ফিলিস্তিনি নারী। রয়টার্স |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজশিশুর প্রথম জন্মদিন
![]() |
| বাবা–মায়ের সঙ্গে প্রিন্স জর্জ |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইন্দোনেশিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো
![]() |
| জোকো উইদোদো |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মসজিদে লাশ মর্গে পচা মাংসের গন্ধ
ইসরাইলি সেনাদের কবর দেয়া হবে : হানিয়া
ফিলিস্তিনের সাবেক নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়া বলেছেন, ইসরাইলি সেনাদের জন্য গাজা হবে কবরস্থান। সোমবার রাতে ফিলিস্তিনি জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে তিনি এ হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। ইসমাইল হানিয়া এমন সময় এই হুশিয়ারি উচ্চারণ করলেন যখন হামাস ৪৩ ইসরাইলি সেনাকে হত্যা এবং একজনকে আটক করার দাবি করেছে। অবশ্য ইসরাইল ২৭ সেনা নিহতের কথা স্বীকার করেছে। তিনি বলেন, গাজার চলমান আগ্রাসন ও গণহত্যার মাধ্যমে ইহুদিবাদী ইসরাইলের আসল চেহারা উন্মোচিত হয়েছে। তবে, শত বাধা এবং ইসরাইলের বারবার আগ্রাসন সত্ত্বেও ফিলিস্তিনিদেরকে তাদের সংগ্রামের পথ থেকে সরানো যায়নি। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবরোধ তুলে নিতে ইসরাইল এবং মিসরের প্রতি হামাসের চাপ গাজার প্রায় ১৭ লাখ মানুষের দাবিকেই প্রতিধ্বনিত করে। তিনি বলেন, ‘আমরা পেছনে ফিরে যাব না, আমরা অবরোধে ধীরে ধীরে মৃত্যুমুখে ফিরে যাব না।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজার ধ্বংসস্তূপে স্বজনদের খুঁজতে গিয়ে লাশ হলো যুবক
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রশাসন নিষ্ক্রিয়, ছাত্রনেতারাই হর্তাকর্তা -ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল ব্যবস্থাপনা by আসিফুর রহমান
প্রথম আলোর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, হলগুলোতে প্রাধ্যক্ষরা কার্যত নিষ্ক্রিয়, আবাসিক শিক্ষকেরা খোঁজ নেন না সাধারণ শিক্ষার্থীদের। হল প্রশাসনের শিক্ষার্থীদের হলে তোলার কথা থাকলেও কাজটি করেন ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রনেতারা। আর এই সুযোগে প্রথম বর্ষের ছাত্রদের হলে তুলে জোর করে মিছিলে নেওয়া হয়।
হলগুলোতে খোঁজ নিয়ে এবং ছাত্রলীগের হল শাখার নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের অন্তত এক হাজার শিক্ষার্থী হলে উঠেছেন। এঁদের ওঠানোর পেছনে সবচেয়ে বড় পরিচয় হিসেবে দেখাতে হয়েছে, তাঁরা সবাই ছাত্রলীগ করেন।
এর মধ্যে হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে ২৫০ জন, জহুরুল হক হলে দেড় শ’র বেশি, সূর্যসেন হলে ১৮৫, জিয়া হলে ৬০, বঙ্গবন্ধু হলে ৫৫, জসীমউদ্দীন হলে ৩৫, এফ রহমান হলে ২২, জগন্নাথ হলে ৯৫, ফজলুল হক হলে ৬৫, শহীদুল্লাহ হলে ৪৩ ও অমর একুশে হলে ৪০ জন শিক্ষার্থী ছাত্রলীগের মাধ্যমে উঠেছেন।
এ ছাড়া সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হলে ৯৭ জন শিক্ষার্থী উঠেছিলেন। তাঁদের গত ১০ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে ছাত্রলীগ বের করে দেয়। তাঁদের নিজ নিজ এলাকার আওয়ামী লীগ নেতার সুপারিশ নিয়ে আসতে বলা হয়। পরে ওই শিক্ষার্থীদের অনেকে নিজ এলাকার আওয়ামী লীগের নেতাদের সুপারিশপত্র এনে হলে উঠেছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, হলে থাকতে হলে ছাত্রলীগের মিছিল-সমাবেশে অংশগ্রহণ অনেকটা বাধ্যতামূলক। চলতি বছর বিভিন্ন হলে ওঠা প্রথম বর্ষের ১২ জন শিক্ষার্থীর সঙ্গে এ প্রতিবেদকের কথা হয়। তাঁরা জানান, হলে ওঠার পর বিভিন্ন সময়ে রাতে মিছিলের নামে প্রথম বর্ষের ছাত্রদের দিয়ে মহড়া দেওয়ান ছাত্রনেতারা। অনেক সময় তাঁদের দিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আকস্মিক অভিযানের নামে বেড়াতে আসা বাইরের লোকজনকে অপদস্ত বা মারধর করা হয়। এর মাধ্যমে মফস্বল থেকে আসা শিক্ষার্থীদের ‘সাহসী’ করার নামে মূলত মারামারির প্রাথমিক পাঠ দেওয়া হয়।
অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান। তিনি দাবি করেন, ‘আমরা সবাইকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সংগঠনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাই। জোর করে কাউকে রাজনীতি করানোর নজির আমাদের নেই।’
মেহেদী হাসান অস্বীকার করলেও ছাত্রনেতাদের নির্দেশ না শুনলে যখন-তখন হল থেকে পিটিয়ে বের করে দেওয়ার অনেক নজির রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস ও সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে অন্তত ৯৪ জন শিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে দিয়েছে ছাত্রলীগ।
ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হাসান অভিযোগ করেন, শুধু ছাত্রদল করার কারণে গত পাঁচ বছরে ১৪৩ জনকে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।
অবশ্য বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন ছাত্রদলও একইভাবে শিক্ষার্থীদের নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছিল। হল থেকে ছাত্রলীগের অনেক কর্মীকে বের করে দিয়েছিল।
এ নিয়ে চারটি হলের প্রাধ্যক্ষের সঙ্গে এ প্রতিবেদকের কথা হয়। তাঁরা জানান, দল ভারী করার জন্য ছাত্রনেতারা প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের হলে তোলেন। নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধি না থাকায় যখন যে সরকার থাকে, তাদের ছাত্রসংগঠনের একচেটিয়া আধিপত্য থাকায় তাদের কছে প্রশাসনও জিম্মি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক বায়তুল্লাহ কাদেরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘যারা অবৈধভাবে হলে উঠছে এবং যারা ওঠাচ্ছে, দুই পক্ষই সুযোগ নিচ্ছে। রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন না হলে এমন দুর্বৃত্তায়ন চলতেই থাকবে।’
তবে উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক প্রথম আলোকে বলেন, ‘হলে কে থাকছে আর কে থাকছে না, তা দেখার দায়িত্ব প্রাধ্যক্ষের। যদি তাঁকে ফাঁকি দিয়ে কেউ হলে কাউকে রাখে, তার বিরুদ্ধে প্রাধ্যক্ষ শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবেন।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘মন্ত্রী সচল থাকলেও সড়কগুলো অচলপ্রায়’ by আলী ইমাম মজুমদার
এ সময়ে যাত্রীসংখ্যার তুলনায় যানবাহনের অপ্রতুলতা ভোগান্তির একটি কারণ। কিন্তু মূল সমস্যা হলো সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্কের বেহাল অবস্থা। গত কয়েক দশক এ নেটওয়ার্কটির বিশাল অংশ চলাচলের প্রায় অযোগ্য হয়ে যায় বর্ষায়। তার পরও অধিকতর যানবাহনের চাপে এসব সড়ক-মহাসড়ক এ সময়ে পাড়ি দিতে সৃষ্টি হয় অচলাবস্থার। আর সে অবস্থা দূরীকরণে নেওয়া হয় সাময়িক কিছু কার্যক্রম। এতে ভোগান্তি কিছুটা হ্রাস পায়। শেষ হয় ঈদ উৎসব। কিন্তু ব্যাপারটি পূর্ববর্তীই থেকে যায়।
এসব সড়ক-মহাসড়ক তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন সড়ক ও জনপথ বিভাগের। এ সংস্থাটি নতুন করে যাত্রা শুরু করেছে ১৯৬২ সালে। এর আগে এটা ছিল কমিউনিকেশন ও বিল্ডিং (সিঅ্যান্ডবি) বিভাগের একটি অংশ। তখন এর আওতায় ছিল আড়াই হাজার কিলোমিটার সড়ক। আর এখন তার পরিমাণ ২১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার। এর মধ্যে জাতীয় ও আঞ্চলিক হাইওয়ে আর জেলা সড়ক রয়েছে। এ ছাড়া তাদের আওতায় আছে ২২ হাজার ব্রিজ ও কালভার্ট। অবশ্য এক হাজার ৫০০ মিটারের ঊর্ধ্বে সেতু, ফ্লাইওভার, ওভারপাসের দায়িত্বে রয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ নামে আরেকটি সংস্থা। সড়ক ও জনপথ বিভাগের এ বিশাল কাঠামো ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছেন নয় হাজার ৩০০ স্থায়ী আর আট হাজার ৭০০ অস্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারী। সুতরাং, অবকাঠামোর ব্যাপকতার সঙ্গে তাদের জনবলকাঠামোও সংগতিপূর্ণ বলেই বিবেচনা করা যায়। তাদের কাজের রূপকল্প দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের অনুকূল, টেকসই, নিরাপদ ও মানসম্মত সড়ক অবকাঠামো তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণ। এ সংস্থার কাজ তদারকি, এ বিষয়ে প্রকল্প প্রস্তাবের অগ্রাধিকার নির্ধারণ, বাজেট নিয়ন্ত্রণসহ সামগ্রিক নীতিনির্ধারণের দায়িত্বে রয়েছে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সড়ক বিভাগ।
প্রায় এক দশক যাবৎ সড়ক ও জনপথ বিভাগের কাজকর্মে একটি বিস্ময়কর জড়তা লক্ষণীয় হচ্ছে। এটা সত্যি, তারা তাদের এ বিশাল সড়ক নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সময়মতো পর্যাপ্ত বরাদ্দ পায় না। সীমিত সম্পদের দেশে এটা অস্বাভাবিক নয়। অতীতেও কখনো চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। তবে যতটুকু পাওয়া যায়, তা অগ্রাধিকার নির্ণয় করে সময়োচিত ব্যবহার করলে অবস্থা এ পর্যায়ে আসতে পারে না। এটাও ঠিক, রাজনৈতিক চাপে সঠিক ঠিকাদার নিয়োগ ও তাদের থেকে কাজ আদায় করা কঠিন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি এটাও জানা যায় যে সেই ঠিকাদার চক্রের সঙ্গে একীভূত হয়ে গেছেন এ বিভাগের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী। এই বেহাল অবস্থায়ও তাঁদের মধ্যে প্রয়োজনীয় তৎপরতা অদৌ লক্ষণীয় হয় না।
সংস্থাটি যেহেতু যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন, তাই স্বাভাবিকভাবে এর নৈতিক দায় তাদের ওপর বর্তায়। সংসদ ও জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হয় এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে। তিনি আজ প্রায় আড়াই বছর এ পদে বহাল আছেন। মন্ত্রণালয়টির আগের নেতিবাচক ভাবমূর্তি কিছুটা হলেও দূর করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। এ–জাতীয় ঈদ উৎসবের আগে সড়ক নেটওয়ার্ক কার্যকর রাখার জন্য অবিরাম ছোটাছুটি করেন মাস খানেক আগে থেকেই। পাশাপাশি তাঁর মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত ২৪টি কমিটিও তদারক করে যাচ্ছে বলে খবরে জানা যায়। পাশাপাশি এটাও বলার থাকে যে যাদের এ কাজগুলো করার কথা, তাদের দিয়ে তারা তা করাতে পারছে না। জনবল, যন্ত্রপাতি ও অতীত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সড়ক ও জনপথ বিভাগ নামের প্রতিষ্ঠানটিতে কার্যত গতি আনতে সক্ষম হয়নি এ মন্ত্রণালয়। এটা কার ব্যর্থতা, সেটা তলিয়ে দেখার আবশ্যকতা রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিবসহ অন্য কর্মকর্তাদের দায়িত্ব মূলত নীতি প্রণয়ন, লক্ষ্য নির্ধারণ এবং সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য তহবিল সংগ্রহ। পাশাপাশি অধীনস্থ সংস্থার কাজ তদারক, নির্দেশনা আর ক্ষেত্রবিশেষে আন্তমন্ত্রণালয় সম্পর্কবিষয়ক জটিলতা নিরসন। এভাবেই চলছে দেশের অন্য সব প্রতিষ্ঠান আর মন্ত্রণালয় ও বিভাগ। সবকিছুই ঠিকঠাক চলছে এমন দাবি কেউ করে না। তা সত্ত্বেও একটি সংস্থার কাজ নিয়ে মন্ত্রণালয় প্রত্যক্ষভাবে এ রকম সংশ্লিষ্ট হওয়ার নজির সম্ভবত সাম্প্রতিককালে নেই। পত্রিকান্তরের খবর থেকে জানা যায়, বর্তমান যোগাযোগমন্ত্রী গত আড়াই বছরে ৬৪ জেলার ২০৪টি উপজেলায় ৩৮১ দিন সড়ক-মহাসড়ক পরিদর্শন করেছেন। তাঁর অধীন তদারক টিমগুলোও একইভাবে সক্রিয়। তবে গণমাধ্যম ফোড়ন কাটছে ‘মন্ত্রী সচল থাকলেও মহাসড়কগুলো এখনো অচলপ্রায়’। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সময়মতো মানসম্মত কাজ না করার কারণে এ অবস্থা হয়েছে।
ঈদ অত্যাসন্ন। সক্রিয় ও আন্তরিক যোগাযোগমন্ত্রীর সদিচ্ছায় এবারও হয়তো বা অচলাবস্থা কিছুটা কেটে যাবে। তবে এভাবে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা স্থায়ীভাবে চলতে পারে না। সড়ক ও জনপথ বিভাগের এ নিষ্ক্রিয়তার অবসান ঘটাতে মন্ত্রণালয়কেই উদ্যোগী হতে হবে। তদারক টিম হয়তো থাকবে, কিন্তু মূল কাজ করাতে হবে সংস্থাকে দিয়েই। তাদের মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ অনীহা দেখালে শাস্তি অবশ্যই দেওয়া যাবে। তবে প্রয়োজন রয়েছে সংস্থাটির ভেঙে পড়া কর্মসংস্কৃতি নতুনভাবে গড়ে তোলার। এটা অসাধ্য কোনো বিষয় হওয়ার কথা নয়। যার কাজ তাকেই করতে হবে। বিভিন্ন স্তর থেকে অবিরাম তদারকি ক্ষেত্রবিশেষে মাঠ কর্মকর্তাদের উদ্দীপনা শিথিল করে দেয়। তাঁরা নির্ভরশীল হয়ে পড়েন নির্দেশনার জন্য। পর্যাপ্ত ক্ষমতা অর্পণ আর যথোপযুক্ত তদারকিই আদর্শ কর্মসংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারে। আর এ তদারকির সিংহভাগই করার কথা সেই বিভাগের ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলীদের। এ রকম না করলে মন্ত্রণালয়ের বর্তমান তদারকব্যবস্থা সাময়িক কিছু সুফল দেবে। কিন্তু ঘুরে দাঁড়াবে না ঐতিহ্যবাহী এ প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানটি। তাই সময়ের দাবির দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হোক। তাদেরও বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দৃঢ়তার সঙ্গে অগ্রসর হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। সেদিকে অনুপ্রাণিত করতে পারে মন্ত্রণালয়। দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য টেকসই যোগাযোগব্যবস্থা অপরিহার্য। আর সেই ব্যবস্থা যারা করবে, তাদের সক্ষমতার ক্রমহ্রাসমান অবস্থার অবসান অতি প্রয়োজনীয়।
আলী ইমাম মজুমদার: সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
majumder234@yahoo.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুক্তিযোদ্ধা সনদ কেলেঙ্কারি -ভুয়া সনদের দাতা ও গ্রহীতার বিচার হতে হবে
মুক্তিযুদ্ধের সনদ প্রতারণার দায় থেকে পূর্বাপর কোনো সরকারই মুক্ত নয়। মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ে যখন সুযোগ-সুবিধার দরজা খোলে, তখন তা দুর্নীতির দুয়ারও খুলে দেয়। মুক্তিযোদ্ধা সনদ দেখাতে পারলে চাকরির মেয়াদ এক বছর বাড়ানোর সুযোগ খোলা মাত্রই তাই জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে সনদ নেওয়ার হিড়িক পড়ে গিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি প্রজ্ঞাপনে সুস্পষ্টভাবে বলা রয়েছে, চাকরিতে যোগ দেওয়ার সময়ে না জানালে পরে কাউকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেচনা করা হবে না। তাহলে পরে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদের আবেদন বিবেচনা করা হলো কিসের ভিত্তিতে?
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের পাঁচ বছরে মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়েছেন বিভিন্ন পেশার মোট ১১ হাজার ১৫০ জন। সংখ্যাটি ব্যাপক! সম্প্রতি সনদ জাল করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে আটক হয়েছেন পুলিশের ২৩ কনস্টেবল। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রাথমিক শিক্ষক পদে আবেদনকারী এক হাজার ৩৩৮ জনের মধ্যে ১৫২ জনের সনদ ভুয়া প্রমাণিত হয়। প্রশ্ন উঠেছে রাষ্ট্রীয় সুবিধা নেওয়া সাত হাজার সনদধারীকে নিয়েও। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এখন ভুয়া সনদ বাতিলের ভঙ্গি করছে, কিন্তু সময়মতো এগুলো ঠেকানো হলো না কেন? যাঁদের সময়ে এই সীমাহীন দুর্নীতি হয়েছে, তাঁদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে না কেন?
দলের খাতিরে বনে যাওয়া মুক্তিযোদ্ধা, সুপারিশে রূপান্তরিত মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা এখন হাজার হাজার। এঁরা এবং এঁদের সনদদাতারা শুধু মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদা, ইতিহাস ও অবদানই আত্মসাৎ করেননি, তাঁরা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদেরও তাঁদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করেছেন। এঁরা ক্ষমার অযোগ্য, এঁদের বিচার হতে হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তাজউদ্দীন আহমদ এবং সরদার স্যার by সিমিন হোসেন রিমি
কিছুদিন পর একসময় সাহস করে ভেতরে ঢুকি। পরিচয় হয় একে একে। এরপর আরও কিছুদিন পর আমাদের রুটিনে শিক্ষকের নাম পরিবর্তন হয়। আমরা আমাদের প্রথম শিক্ষক হিসেবে পাই শওকত আরা আপাকে। তিনি আমাদের প্রাচীন গ্রিক সভ্যতা পড়াতে শুরু করলেন।
আমি মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাঁর প্রতিটি ক্লাসে উপস্থিত থেকে শুনতাম তাঁর প্রতিটি কথা। সক্রেটিস (স্কুলজীবন থেকে যিনি আমার আদর্শ, অন্তরের খুব কাছের মানুষ), প্লেটো, অ্যারিস্টটল পড়তে গিয়ে আমার শুধু মনে হয় আরও জানতে হবে, আরও জানতে হবে।
নিউমার্কেটে বইয়ের দোকানে দু-একজন সহপাঠীসহ বইয়ের খোঁজে ঘুরে বেড়াই। সরদার ফজলুল করিমের অনুবাদগ্রন্থ প্লেটোর রিপাবলিক কিনি। দর্শন কোষ কিনি। সরদার ফজলুল করিম রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক। স্যারকে সামনাসামনি দেখে বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে যাই।
সহপাঠী ছোটন আর আমার মাথায় ঢোকে সরদার স্যারের কাছে রাষ্ট্রতত্ত্ব পড়ব।
একদিন স্যারের ক্লাসের বাইরে অপেক্ষা করতে থাকি। ক্লাস শেষে স্যারের পেছন পেছন হাঁটতে হাঁটতে বললাম, রাষ্ট্রতত্ত্ব পড়তে চাই। স্যার থমকে দাঁড়ালেন। খুব খুশি হলেন। বললেন, ‘আমি তো অনার্সের ক্লাস নিই না, তবে তোমরা যখন এসেছ আগ্রহ করে, এই আগ্রহকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।’ স্যার বললেন, ‘তোমরা আটজন এসো এক সঙ্গে, দেখি কী করা যায়।’
আমাদের প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হয়েছে দেরিতে, সঙ্গে নতুন একটা বিষয়, কেউ রাজি হলো না। স্যারকে এ কথা জানাতে গেলে তিনি মাঝে মাঝে দেখা করতে বললেন। সেই শুরু সরদার ফজলুল করিম স্যারের কাছে আমার অল্প অল্প যাওয়া।
অদ্ভুত লাগে মানুষটিকে। অসম্ভব পজিটিভ। বাবার সঙ্গে মিল খুঁজি। নিজের ভেতরে নতুন করে সাজাই সংসার, সমাজ, রাষ্ট্র, রাজনীতি, বিশ্বচরাচর। অনন্ত জিজ্ঞাসা মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, স্বাধীন দেশে ১৫ আগস্টের নৃশংস হত্যাকাণ্ড ও জেলহত্যা নিয়ে।
স্যারের সঙ্গে মাঝে দিয়ে দেখা নেই অনেক দিন। ১৯৮৬ সালে হঠাৎ একদিন তাজউদ্দীন আহমদের ডায়েরি আম্মার (সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন) কাছে ফিরিয়ে দিতে এলেন বদরুদ্দীন উমর। তাঁর সঙ্গে আরও দুজন এবং সরদার ফজলুল করিম স্যার।
স্যার আমাকে এই বাসায় দেখে অবাক হলেন। আমি তাজউদ্দীন আহমদের মেয়ে জেনে বললেন, ‘কী সাংঘাতিক মেয়ে! এত দিন একবারও বলে নাই এর পরিচয়!’
স্যার স্বভাবসুলভ হাসতে হাসতে বললেন, ‘তাজউদ্দীন ও আমার জন্ম একই বছর, ১৯২৫ সালে। তাজউদ্দীন সম্পর্কে আমার একটা ধারণা অথবা বলা যায় দৃঢ় বিশ্বাস আছে, সেটা তোমাকে আরও আগে বলা যেত।’
স্যার ইংরেজিতে বলেন, ‘তাজউদ্দীন কেম বিফোর হিজ টাইম অ্যান্ড হি ইজ ইয়েট টু বি আন্ডারস্টুড।’ নিজেই বাংলা করলেন, ‘তাজউদ্দীন সময়ের অনেক আগে আবির্ভূত হয়েছেন, তাই তাঁকে বুঝতে আমাদের এখনো অনেক বাকি।’
আমি খাতায় লিখে রাখি।
এর পর থেকে যখনই দেখা হয় অথবা দীর্ঘক্ষণ ফোনে কথা, স্যার তাজউদ্দীন প্রসঙ্গ টানতেন প্রায় একই ছন্দে, একই শব্দে—‘আমার জন্ম ১৯২৫, তাজউদ্দীনেরও। কিন্তু দেখো, তাজউদ্দীন তাঁর ডায়েরি লিখতে গিয়ে বরিশালের কোনো অখ্যাত সরদার ফজলুল করিম ছাত্রদের প্রতিবাদ সভায় যোগ দিয়েছিল, সে কথা লিখে রেখেছেন। আমি তো লিখিনি। মনেও রাখিনি কত কাউকে। তাজউদ্দীন লিখেছেন, সরদারের নাম, আরও অনেকের নাম।’
বাবার বন্ধু এবং শুভানুধ্যায়ী, যাঁদের প্রবল আগ্রহে ২৩ জুলাই ১৯৮৭ সালে প্রথম ছোট পরিসরে জন্মদিনের স্মরণ আয়োজন হয়েছিল, সরদার স্যার তাঁদের অন্যতম একজন।
১৯৭১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বাংলা একাডেমি থেকে পাকিস্তান আর্মি সরদার স্যারকে ধরে নিয়ে টর্চার সেলে আটকে রাখে। স্যার সেই বর্ণনাও দিয়েছিলেন তাঁর স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে, যা আজ শুধুই স্মৃতি। ছোটখাটো এই মানুষটিকে জিজ্ঞাসাবাদের নামে মানসিক অত্যাচার করার সময়ে পাকিস্তান আর্মির লোকেরা চিৎকার করে বলত, ‘ইউ পিপল দ্য বাস্টার্ড সানস অব তাজউদ্দীন, উই শ্যাল টিচ ইউ আ গুড লেসন।’
‘আমি সরদার তখন ভাবতাম, তার মানে তাজউদ্দীন সঠিক পথেই আছে। আমাদের ভয় নাই। বঙ্গবন্ধু মুজিব তো ওদের হাতে বন্দী। তাই সব রাগ ওই তাজউদ্দীনের ওপর। তাজউদ্দীনকে পেলে ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলবে—এমন ছিল তাদের দাঁত-মুখের ভঙ্গি।’
স্যার তাঁর স্ত্রীকে অত্যন্ত সম্মান করতেন। স্ত্রীর জন্য দুষ্টুমিতে ভরা কথা শুনে নির্মল আনন্দ উপভোগ করতাম খুব। চাচি মাঝে মাঝে নালিশ করতেন, স্যার পাশে থেকে হাসতে থাকতেন। ছেলেমেয়েদের খুব ভালোবাসতেন। স্যারের ভালোবাসা ছিল একটু ভিন্ন প্রকৃতির। মানুষের নিজস্বতা যে বিষয়টি, তাকে তিনি মূল্য দিতেন সবকিছুর ঊর্ধ্বে। বড় ছেলেটিকে নিয়ে চিন্তিত থাকতেন। কিন্তু সেখানেও ছিল অদ্ভুত এক মূল্যায়ন।
ঢাকার শ্যামলী, মগবাজার, মধুবাগ, ইন্দিরা রোডের বিভিন্ন বাসায় থেকেছেন তিনি। শক্ত মজবুত তাঁর মন। সতেজ তরুণ যুবক তিনি। বয়স হার মানে। পা ভাঙে। জোড়া লাগে। বাস ধরে ছুটে চলেন গাজীপুরে অথবা পুরান ঢাকার সেন্ট্রাল উইমেন্স বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে পড়াতে। আমাদের পাঠচক্রেও আসেন। একালের সক্রেটিস ছোটখাটো ফরসা মানুষটি। প্রশ্ন আর উত্তরের সিঁড়ি ভাঙেন। দৃষ্টি প্রসারিত। মুখে আলোর বন্যা।
১৯৮৯ সালে দৈনিক সংবাদ–এর ২১ ফেব্রুয়ারি সংখ্যায় সরদার স্যার লেখেন, ‘হেগেলের দুর্বোধ্য ভাষায় ইতিহাসের দর্শন তত্ত্বের একটি পরিচিত উক্তি হচ্ছে, “বুদ্ধিমানরা ইতিহাসের সঙ্গে যায়, নির্বোধকে ইতিহাস টেনে নেয়”। তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন আমাদের সমকালীন সঙ্গীদের অন্যতম সেই ব্যক্তি, যিনি ইতিহাসের গতিপথকে সচেতনভাবে অনুসরণ করেছেন। যিনি ইতিহাসের সঙ্গে গেছেন।’
সরদার স্যার তাঁর অ্যারিস্টটলের পলিটিকস বইয়ের দ্বিতীয় সংস্করণের মুখবন্ধে লিখেছেন, ‘ব্যক্তি মানুষের মৃত্যু থাকে। কিন্তু যথার্থ চিন্তাবিদের কোনো মৃত্যু থাকে না। আমাদের স্মৃতিতেই তাঁদের জীবন। এবং তাঁদের জ্ঞান ও চিন্তার ভান্ডারের বিশ্লেষণ ও অনুধাবনের মধ্যেই যেকোনো বর্তমানের অচিন্তনীয় সমৃদ্ধি।’
সরদার স্যারের সুরে সুর মেলাই, তাজউদ্দীন আহমদের মতো মানুষেরা যুগে যুগে জন্ম নেন না। এই ক্ষণজন্মা মহাপ্রাণ মানুষেরা বিশ্বকে আলোকিত করেন তাঁদের চিন্তায়, কর্মে, আহ্বানে, যা প্রতিনিয়ত পথ দেখায় আজ, আগামী এবং অনাগত ভবিষ্যৎকে। সুন্দর ভবিষ্যৎ, আত্মপ্রত্যয়ী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা যেন তাঁদের অনুসরণ করতে পারি গর্বিত-ভালোবাসায়।
সিমিন হোসেন রিমি: সাংসদ, সমাজকর্মী ও লেখক। তাজউদ্দীন আহমদের কন্যা।
simrim_71@hotmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরকারকে বাধা দেয় কে? by মশিউল আলম
আমাদের কৌতূহল, সংবাদমাধ্যম কীভাবে সরকারের সামনে বাধা সৃষ্টি করে? কী ধরনের বাধার কথা বলা হচ্ছে? সংবাদমাধ্যম কী করলে সরকারের কর্মসম্পাদনে বাধা সৃষ্টি হয়?

প্রধানমন্ত্রীর উক্তির মধ্যে অবশ্য কিছু ইশারা মেলে। তিনি বলেছেন, ‘সরকারবিরোধীদের ইন্ধন বা উসকানি দেবেন না। এটা গণমাধ্যমের কাজ নয়।’ এ রকম পরামর্শের কারণ সম্ভবত এই যে বাংলাদেশে কিছু কিছু সংবাদমাধ্যম সরকারবিরোধীদের ইন্ধন বা উসকানি দিয়ে থাকে। তারা এমন অসত্য ও ভিত্তিহীন প্রচারণা চালায়, যার ফলে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। কিন্তু বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) যে অংশ ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) যে অংশ মিলিতভাবে ওই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছিল, তারা সরকারবান্ধব হিসেবেই পরিচিত। সে কারণেই তারা প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়েছিল প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করতে এবং প্রধানমন্ত্রীও তাদের অনুরোধ রক্ষা করে ওই মাহফিলে যোগ দিয়েছিলেন। সরকারের সামনে বাধা সৃষ্টি না করা, সরকারবিরোধীদের ইন্ধন বা উসকানি না দেওয়ার পরামর্শ অন্তত তাদের দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। কারণ, তারা সরকারবান্ধব; তারা সরকারবিরোধীদের ইন্ধন বা উসকানি দেয় না। বরং পারলে উল্টোটাই করে।
তাহলে ব্যাপারটা দাঁড়াচ্ছে এই যে প্রধানমন্ত্রী সেদিন সরকারবান্ধব সাংবাদিকদের মাহফিলে ওই কথাগুলো বলেছেন সাংবাদিক সমাজের সেই অংশের উদ্দেশে, যারা সরকারবান্ধব নয়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যটি এমনভাবে প্রকাশিত হয়েছে, যাতে মনে হয় সামগ্রিকভাবে গোটা সংবাদমাধ্যমকে উদ্দেশ করেই তিনি কথাগুলো বলেছেন। আসলে রাজনৈতিক দলের মুখপত্রের মতো আচরণ করে এমন হাতে গোনা দু-একটি সংবাদপ্রতিষ্ঠান ছাড়া সামগ্রিকভাবে সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে এমন কথা বলার সুযোগ নেই। নির্দিষ্টভাবে কোনো সংবাদপত্র বা টিভি চ্যানেলের আচরণে সরকারের অভিযোগ থাকলে সে ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ আছে। প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ করা যায়, সেখানে সন্তোষজনক প্রতিকার না মিললে আদালতেও যাওয়ার বিধান রয়েছে। তা ছাড়া, সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে ‘ইন্ধন’ বা ‘উসকানি’র অভিযোগের মধ্যেও সুনির্দিষ্টতা থাকে না। আসলে দেখা উচিত কোনো সংবাদপ্রতিষ্ঠান দেশের প্রচলিত আইনের পরিপন্থী আচরণ করছে কি না। সংবাদপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে আইনের পরিপন্থী আচরণের মধ্যে প্রধান কয়েকটি হলো অসত্য, মিথ্যা, ভিত্তিহীন সংবাদ বা গুজব প্রচার করা; এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করা, যার ফলে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সম্মানের হানি ঘটা কিংবা জনশৃঙ্খলা বিনষ্ট হওয়া, দাঙ্গা-হাঙ্গামা লাগার আশঙ্কা থাকে। এ ধরনের প্রতিটি আচরণের ক্ষেত্রেই আইনগত প্রতিকারের ব্যবস্থা অন্যান্য দেশের মতো এ দেশেও আছে।
সে কারণে গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সরকারপ্রধানেরা সাধারণভাবে সংবাদমাধ্যমকে লক্ষ্য করে এ ধরনের শাসনমূলক কথা বলেন না। তাঁরা সংবাদমাধ্যমকে গণতন্ত্র, সংবিধান, আইনের শাসন, সরকারের কর্মসম্পাদন ও জনস্বার্থের ‘ওয়াচডগ’ বা পাহারাদার হিসেবে দেখেন। এই আধুনিক যুগে কোনো শাসকই যেমন জনসাধারণকে লক্ষ্য করে হুঁশিয়ারিমূলক বা শাসনমূলক বক্তব্য দেন না, তেমনি পুরো সংবাদমাধ্যমকে লক্ষ্য করেও তা করেন না। কারণ, সংবাদমাধ্যম জনসাধারণের কণ্ঠস্বর, যে জনসাধারণ সরকারকে নির্বাচিত করে কিংবা কোনো শাসকের শাসনক্ষমতায় থাকা সহ্য করে। জনসাধারণের মতামত, আশা-প্রত্যাশা, অভিযোগ-অনুযোগ ইত্যাদির প্রতিফলন ঘটে সংবাদমাধ্যমেই।
সরকারপ্রধানের এমন বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সংবাদমাধ্যমের ব্যাপারে সরকারের একটি বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশিত হয়, যা স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যম প্রত্যাশা করে না। আমাদের প্রধানমন্ত্রী জানেন এবং তিনি সেদিন বলেছেনও যে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ সরকারের কাজের সহায়ক হতে পারে, সমাজের অসংগতি দূর করতে পারে। বস্তুত সরকারের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের সম্পর্ক এই দৃষ্টিভঙ্গিতেই বিচার করা উচিত। কিন্তু তা সব সময় করা হয় না। অনেক সময় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারিত হলেই বরং সরকারের কোনো মহল ক্ষুব্ধ হয়, ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়াও ব্যক্ত করে। বিশেষত সরকারি দল, সরকার ও আইন প্রয়োগকারী সশস্ত্র বাহিনীগুলোর সদস্যদের অনিয়ম, দুর্নীতি, সন্ত্রাস ইত্যাদি সম্পর্কে বিশদ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশিত হলে তাঁরা বিরূপ প্রতিক্রিয়া করেন, সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে সরকারবিরোধিতার অভিযোগ তোলেন এবং যে সংবাদপ্রতিষ্ঠান এভাবে সরকারের বিরাগভাজন হয়, তাকে নানাভাবে হেনস্তা করার চেষ্টা করা হয়।
সংবাদমাধ্যমের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের ফলে সরকারের কাজে বাধা সৃষ্টি হয় না, এই কথা সবাই জানে। বাধা সৃষ্টি হয় দুর্নীতিবাজ মন্ত্রী ও আমলাদের বেআইনি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার পথে। তাঁদের কারও কারও মুখোশ খসে পড়ে কুৎসিত চেহারা জনসমক্ষে বেরিয়ে যায়। ক্ষমতাসীন দলের যেসব নেতা-কর্মী চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, সন্ত্রাস ও খুনখারাবি করেন, তাঁদের ওই সব অপরাধ সংঘটনের পথেও বাধা সৃষ্টি হয় সংবাদমাধ্যমের কারণে। ক্ষমতা ও প্রভাব-প্রতিপত্তির অধিকারী লোকদের হত্যা-অপহরণসহ নানা গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ ঘটানোর পরও আইনের ঊর্ধ্বে থেকে যাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি হতে পারে সংবাদমাধ্যমের কারণে। ক্ষমতাসীন দলের লোকেরা যখন পরস্পরের মধ্যে খুনোখুনি করে, তখন সেই সংবাদ সরকার ও সরকারি দলকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দিতে পারে। ঘুষের টাকাসহ মন্ত্রীর এপিএসের গাড়িচালক ধরা পড়লে সংবাদমাধ্যম যদি সে খবর জনসাধারণকে জানিয়ে দেয়, তাহলে ওই মন্ত্রী ও সরকারের মুখে চুনকালি লাগে। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বিদেশি বন্ধুদের দেওয়া সম্মাননা ক্রেস্টের সোনা-রুপা ষোলো আনাই মেরে দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দলের সরকারের মন্ত্রী-সচিবেরা মিলে—এই সংবাদ পরিবেশিত হলে সরকারের অবশ্যই বেকায়দা হয়ে যায়। সংবাদমাধ্যমের নিরবচ্ছিন্ন চাপের কারণে নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনায় র্যাবের মতো এলিট ফোর্সকেও বিব্রত হতে হয়, তার তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করতে বাধ্য হতে হয় সরকারকে।
সংবাদমাধ্যমের এসব কাজই যদি হয়ে থাকে সরকারের সামনে বাধা সৃষ্টি করা, তাহলে সংবাদমাধ্যম নাচার। কারণ, এসব করাই সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব। উপরন্তু নিজেকে জনগণের ভোটে নির্বাচিত দাবি করে যে সরকার, সে যখন দেশে সংবিধান বলবৎ থাকা অবস্থায় বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে সভা-সমাবেশ-মিছিলসহ সব রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দিয়ে সংবিধানপ্রদত্ত গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে, এমনকি ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মিলনায়তনের ভেতরে ঘরোয়া সভাও করতে দেয় না, তখন সেই খবর পরিবেশন করা সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব বটে। এমনকি সরকারের এমন অগণতান্ত্রিক ও জবরদস্তিমূলক আচরণের সমালোচনা করে কোনো সংবাদপ্রতিষ্ঠান যদি মন্তব্য প্রকাশ করে, তবে তাকে অন্যায়ও বলা যায় না। বিরোধী দলগুলোর নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিংবা ক্ষমতাসীন দলের মাস্তান বাহিনী দিয়ে ভন্ডুল করার সমালোচনা সংবাদমাধ্যম অবশ্যই করবে। এটাকে সরকারবিরোধীদের ইন্ধন বা উসকানি দেওয়া বলা ঠিক হয় না। গণতন্ত্র ও আইনের শাসন থেকে বিচ্যুত হওয়া চলবে না—এ কথা সংবাদমাধ্যম সব সময় বলে যাবে। সহনশীল ও পরমতসহিষ্ণু রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান সংবাদমাধ্যম সব সময়ই জানাবে। এমনকি ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচন আইনসিদ্ধ হলেও দেশের সব মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি, এ কথাও যদি কোনো সংবাদপ্রতিষ্ঠান বারবার বলতে থাকে এবং সব দলের অংশগ্রহণে নতুন করে সাধারণ নির্বাচনের দাবি তুলতে থাকে, তবে সেটাকেও সরকারের সামনে বাধা সৃষ্টি করা বলা ঠিক হবে না।
প্রধানমন্ত্রী সংবাদমাধ্যমকে ছেড়ে দিয়ে বরং যদি নিজের দল ও সরকারের গভীরে নিবিড় দৃষ্টি নিক্ষেপ করেন, তাহলেই বরং সরকারের সামনের প্রকৃত বাধাগুলো খুঁজে পাবেন। সরকারের সামনে বাধা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের সেই সব নেতা-কর্মী, যাঁরা নানা রকমের গুরুতর অপরাধে লিপ্ত আছেন এবং মাঝেমধ্যেই পরস্পরের প্রাণ সংহার করছেন। সরকারের সামনে বাধা মন্ত্রিসভার সেই সব সদস্য, যাঁদের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ব্যাপক, যাঁদের আত্মীয়স্বজনেরা দেশটাকে নিজেদের পারিবারিক সম্পত্তি ভেবে নিয়েছেন। সরকারের সামনে বাধা সৃষ্টি হয় সেই সব আমলার কারণে, যাঁরা ব্যক্তিগত ভাগ্যোন্নয়নের জন্য দেশ ও জনগণের স্বার্থ জলাঞ্জলি দেন, সরকারের কোনো ভালো উদ্যোগ যাঁদের কারণে সফল হতে পারে না, যাঁরা অনিয়ম-দুর্নীতিতে আকণ্ঠ লিপ্ত থাকেন। সরকারের সেই সব বিভাগ সরকারের সৎ কাজে স্থায়ী বাধা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে, যেগুলোতে অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, দলপ্রীতি স্থায়ী ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে। শুধু অসৎ ও স্বার্থপর নয়, অদক্ষ মন্ত্রী-আমলারাও সরকারের পথের বিরাট বাধা।
এসব বিষয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জানা থাকার কথা। তাঁর মন্ত্রী-আমলাদের তাঁর থেকে ভালো করে আর কে জানে? কাদের দ্বারা কীভাবে তাঁর শাসনযন্ত্র চলছে, তা তিনি বিলক্ষণ জানেন। তাঁর দলের নেতা-কর্মীদের কার কী স্বভাব-চরিত্র, তা তাঁর চেয়ে ভালো করে কে আর বোঝে?
মশিউল আলম: সাংবাদিক।
mashiul.alam@prothom-alo.info
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কে বেশি লম্বা দীপিকা না ক্যাটরিনা?
ওই পরীক্ষায় একটি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নে বলিউডের চারজন তারকার মধ্যে সবচেয়ে লম্বা অভিনেত্রী কে তার উত্তর জানতে চাওয়া হয়। এমন প্রশ্ন করায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন এসএসসির চেয়ারম্যান এ ভট্টাচার্য। তিনি ক্ষমাও চেয়েছেন। এনডিটিভির এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পরীক্ষায় প্রশ্নের এমন অদ্ভুত ধরন দেখে কিছুটা ভড়কে যান চাকরিপ্রার্থীরা। পরীক্ষায় প্রশ্নটি ছিল: নিচের অভিনেত্রীদের মধ্যে উচ্চতায় কে সবচেয়ে লম্বা? বিকল্প উত্তর হিসেবে চারজন অভিনেত্রীর নাম দেওয়া হয়। ১) হুমা কোরাইশি, ২) ক্যাটরিনা কাইফ, ৩) দীপিকা পাড়ুকোন এবং ৪) প্রীতি জিনতা।
একজন পরীক্ষার্থী বলেন, একটি সর্বভারতীয় পরীক্ষায় যেখানে প্রায় ১০ লাখ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়, যার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের যোগ্য করে তোলা, সেখানে কীভাবে এমন গুরুত্বহীন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হলো? এই প্রশ্ন দিয়ে কীভাবে মেধাযাচাই সম্ভব?
এ ধরনের প্রশ্ন করায় বিপদে পড়ে গেছেন এসএসসির কর্মকর্তারাও। এসএসসির চেয়ারম্যান এ ঘটনায় ক্ষমাও চেয়েছেন। এক বিবৃতিতে এ ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘এটা ভুল, ন্যক্কারজনক, নিকৃষ্ট মানের...আমরা খুবই মর্মাহত ও আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’
কেরালার একটি নারী সংস্থা এই প্রশ্নের সমালোচনা করেছে এবং ব্যাখ্যা দাবি করেছে। প্রশ্নপত্রের নৈর্ব্যক্তিক অংশে দীপিকা-ক্যাটরিনার মধ্যে কে লম্বা, এ ধরনের প্রশ্ন ছাড়াও নারীদের নিয়ে ‘বিতর্কিত’ একটি বিবৃতিও ছিল।
এ ব্যাপারে এসএসসির চেয়ারম্যান বলেন, এসএসসির কেউ এই প্রশ্ন তৈরি করেনি। স্থানীয় শিক্ষকদের কাছ থেকে প্রশ্ন নিয়ে প্রশ্ন ব্যাংক করা হয়েছিল। পরে একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল এর মধ্য থেকে মূল প্রশ্ন নির্বাচন করেছে।
পরীক্ষার ফলাফলের জন্য ওই দুটি বিতর্কিত প্রশ্ন মূল্যায়ন করা হবে না বলেও জানান তিনি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অলি বার বার ফিরে আসে by কাজল ঘোষ
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি দখলের লড়াই by সোলায়মান তুষার ও রোকনুজ্জামান পিয়াস
একেএম এনামুল হক শামীম একটি ব্যাংকের পরিচালক থাকাকালে ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হন। বর্তমানে শামীম ছাড়াও তার স্ত্রী তাহমিনা খাতুন, বোন শামীম আরা হক কাকলী ও শামীমের আত্মীয় জাকির হোসেন ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য। শামীম ইউনিভার্সিটিতে নিয়মিত অফিস করলেও অন্যরা একেবারেই অনিয়মিত। কিন্তু প্রতি মাসে তারা নিয়ে নেন কাগজে-কলমে আড়াই লাখ টাকা। এর বাইরে তো আছেই। এছাড়া শামীম ডিসিপ্লিন বোর্ডের সভাপতি। হান্নান ফিরোজের পর শামীমের ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অন্যদিকে হান্নান ফিরোজ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান। এর বাইরে তার স্ত্রী ফাতিনাজ ফিরোজ, ছোট ভাই মাহবুব আলম জাকির, বড় মেয়ে ফারাহনাজ ফিরোজ, ছোট মেয়ে জারাহনাজ ফিরোজ, শ্যালক তালাল রহমান, ছোট ভাই মনিরুজ্জামান মনির, চাচা সেলিম হোসেন চৌধুরী ও ছোট বোন রুমানা হক রিতা ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় আসায় শামীমের আধিপত্য বাড়তে থাকে ক্যাম্পাসে। তিনি রাজনীতি করলেও ক্যাম্পাসে যাতায়াত ছিল নিয়মিত। সংশ্লিষ্টরা জানান, কি কারণে শামীম গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তা এখনও স্পষ্ট না হলেও স্টামফোর্ড নিয়ে শামীম আর হান্নান ফিরোজের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল এক প্রকার প্রকাশ্যে। বিশেষ করে সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসটি নিয়ে বছর খানেক আগে হান্নান ফিরোজ ও শামীমের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। এছাড়া সমপ্রতি একজন ট্রাস্টি সদস্যকে সরিয়ে দেয়া নিয়ে এ দ্বন্দ্ব চরমে ওঠে। তখন থেকেই এক পক্ষ অপর পক্ষকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, ইউনিভার্সিটির ব্যবস্থাপনা নিয়ে শামীম ও হান্নান ফিরোজের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (ডিসি-দক্ষিণ) কৃষ্ণপদ রায় বলেন, গ্রেপ্তারকৃত একজনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হান্নান ফিরোজের নাম আসায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা ঘটনার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করছি। ইউনিভার্সিটির ব্যবস্থাপনা নিয়ে তাদের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ছিল। তদন্ত শেষ হলেই সব কিছু বলা যাবে।
ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম.এ হান্নান ফিরোজের স্ত্রী ও ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ফাতিনাজ ফিরোজ বলেন, শামীমের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক কোন দ্বন্দ্ব নেই। তিনিই শামীমকে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে এসেছেন। কথিত অভিযোগের ভিত্তিতে শামীমের হত্যাচেষ্টার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বয়স্ক একজন মানুষকে বারবার রিমান্ডে নেয়ার বিষয়টি দুঃখজনক। আমি আমার স্বামীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি। হান্নান ফিরোজের মেয়ে ফারাহনাজ ফিরোজ বলেন, সুপরিকল্পিতভাবে কতিপয় অজ্ঞাত টোকাইদের সাক্ষী বানিয়ে আরেকটি জজ মিয়া নাটকের অবতারণা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টি দখলের পাঁয়তারা করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি একেএম এনামুল হক শামীম বলেন, কারও নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়নি। তবে পুলিশ সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবি করে তিনি বলেন, জড়িত কেউ যেন রেহাই না পায়। শামীম আরও বলেন, হান্নান ফিরোজের সঙ্গে আমার কোন দ্বন্দ্ব নেই। পুলিশ গ্রেপ্তারকৃতদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় দখলের অভিযোগ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি শুরু থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আছি। এখানে দখলের কোন প্রশ্নই আসে না। কেউ এ ধরনের অভিযোগ করলে সেটা ভুল এবং ভিত্তি নেই। সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাস তার নিয়ন্ত্রণে নেয়ার বিষয়ে শামীম বলেন, আমি দুই ক্যাম্পাসের সঙ্গেই জড়িত। ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা প্রতি মাসে আড়াই লাখ টাকা নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে শামীম বলেন, যারা ফুলটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করেন তারাই ওই টাকা নিয়ে থাকেন।
ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক একে আজাদ চৌধুরী বলেন, সমমনা মনের ব্যক্তিরাই ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হন। এতে আইনি কোন সমস্যা নেই। তবে এ স্পিরিট আমি সমর্থন করি না। ইউজিসি চেয়ারম্যান বিশ্ববিদ্যালয় তো ট্রাস্টের সম্পদ। এখান থেকে ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা অর্থনৈতিক সুবিধা নিতে পারেন না। আড়াই লাখ টাকা কেন এক টাকাও নিতে পারবেন না। এটা হয়ে থাকলে নিশ্চয় অর্থনৈতিক অনিয়ম। তবে সভা বা কোন প্রোগ্রামে অংশ নিলে সভাপতি ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা সুবিধা নিতে পারেন। তাই বলে মাসে আড়াই লাখ টাকা? এটা নিশ্চয় বেআইনি। বিষয়টি ইউজিসি খতিয়ে দেখবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাতীয় পার্টি সরকারের অংশ -বৃটিশ সরকারের মূল্যায়ন

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এমন আইন করা হচ্ছে যে মিডিয়ার স্বাধীনতা থাকবে না
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিন দূতকে মতিয়া- হিসাব করে কথা বলবেন
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লন্ডনে হাসিনা ক্যামেরন বৈঠক
লন্ডন প্রতিনিধি জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতি বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রকাশ ঘটেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক। তিনি বলেন, অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে দুই প্রধানমন্ত্রীর ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। বাংলাদেশের মৌলবাদ মোকাবিলা ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের প্রশংসা করেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। বাংলাদেশ সফর করে এ অর্জনের কৌশল নিজ চোখে দেখতে ও জানতে চান তিনি। গতকাল স্থানীয় সময় সকাল পৌনে ৯টায় শুরু হওয়া হাসিনা-ক্যামেরন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা কথা বলেন পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক।
স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় ডাউনিং স্ট্রিটে পৌঁছলে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান। এরপর তারা ভেতরে প্রবেশ করেন। শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন শেখ রেহানা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী কে এম মাহমুদ আলী এবং নারী ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ ও লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজারুল কায়েস। বৈঠক শুরুর আগেই শেখ হাসিনার হাতে ওয়ার্ল্ড গার্ল সামিট চার্টার তুলে দেন ডেভিড ক্যামেরন। এরপর তারা বৈঠকে বসেন। প্রায় ৩০ মিনিটের বৈঠক শেষে বের হয়ে গার্ল সামিট ভেন্যুর উদ্দেশে রওনা হন শেখ হাসিনা। বৈঠকে শেখ হাসিনা গত নির্বাচন ও নির্বাচন পরবর্তী বিষয় ছাড়াও দু’দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন। ক্যামেরনের সঙ্গে বৈঠকটিই এখন প্রধানমন্ত্রীর লন্ডন সফরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবেই দেখছেন প্রধামন্ত্রীর কার্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের পর বৃটিশ সরকার যে নেতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছিল তা থেকে সরে গিয়ে বাংলাদেশের প্রতি ইতিবাচক হয়ে উঠেছে- সেটাই এ বৈঠক প্রমাণ করেছে। দুই সরকারপ্রধান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়েই কথা বলেন। এরপর শেখ হাসিনা ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট থেকে বের হয়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বেশ উৎফুল্ল হয়ে হাত নাড়েন।
পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ কে এম শামীম চৌধুরী সাংবাদিকদের কাছে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সময় বাংলাদেশ সফরের জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানান বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীকে। প্রেস ব্রিফিংকালে জানানো হয়, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, নারীর অধিকার ও নারী স্বাধীনতায় অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, উন্নয়ন সহযোগী দেশ হিসেবে বৃটেন বাংলাদেশে শান্তি ও সম্প্রীতি কামনা করে। বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা উল্লেখ করেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ সামাজিক উন্নয়নে যে সাফল্য দেখিয়েছে তার কৌশল নিজ চোখে দেখতে বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেন ডেভিড ক্যামেরন। বাংলাদেশে বিশেষ করে সিলেট অঞ্চল সফরের আগ্রহ দেখান তিনি।
ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন মন্ত্রী ডেসমন্ড সোয়াইন ও ব্যারোনেস সাইদা ওয়ার্সি।
সামিট ভেন্যু ওয়ালওয়ার্থ একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্থনি লেক বৈঠক করেন। স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় এ বৈঠক ৩০ মিনিট স্থায়ী হয়। এ বৈঠকে শেখ হাসিনা শিশু শিক্ষা উন্নয়নে বাংলাদেশে তার সরকারের বিভিন্ন সাফল্য তুলে ধরেন। এর পরপরই একই ভেন্যুতে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী ডেসমন্ড সোয়াইন টিডির সঙ্গে। প্রায় ২০ মিনিটের বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয় তাদের মধ্যে। এরপর দুপুর ১২টায় তিনি যোগ দেন গার্ল সামিটে। সামিটের উচ্চপর্যায়ের সেশনে অংশ নিয়ে নারীর ক্ষমতায়নে ও উন্নয়নে বিশেষ করে বাল্যবিয়ে রোধে তার সরকারের উদ্যোগ ও অঙ্গীকারগুলো তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দারিদ্র্য নিরসন, শিক্ষা ও কাজের সুযোগ নিশ্চিত হলে মেয়েদের বাল্যবিয়ে কমে যাবে। আর তার সরকার সে লক্ষ্যেই কাজ করছে। মাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়েদের শিক্ষা অবৈতনিক করার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে মাস্টার্স পর্যন্ত তা অবৈতনিক করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। এ ছাড়া গতকাল বিকাল ৪টায় শেখ হাসিনার সঙ্গে তার হোটেলকক্ষে বৈঠক করেন যুক্তরাজ্যের শ্যাডো পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডগলাস আলেকজান্ডার এবং বিকাল ৫টায় রয়েছে অল পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের একটি প্রতিনিধি দল। রাতে হোটেল হিলটনে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে যোগ দেন শেখ হাসিনা।
বিক্ষোভ: গার্ল সামিট চলাকালে সেন্ট্রাল লন্ডনের ওয়েস্টমিনিস্টার কুইন এলিজাবেথ কনফারেন্স সেন্টারের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও কালো পতাকা প্রদর্শন করেছে যুক্তরাজ্য বিএনপি। এ ছাড়া সিটিজেন মুভমেন্ট আহ্বায়ক এম এ মালেকের নেতৃত্বে সদ্য অব্যাহতিপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা খসরুজ্জামান খসরু, আমিরুল ইসলাম, আবদুর রহিমসহ বেশ কয়েক নেতাকর্মী হাসিনার গাড়িবহর লক্ষ্য করে জুতা ও ডিম নিক্ষেপ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। নেতাকর্মীরা গাড়ি আটকানোর চেষ্টা করলে তারা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। এ সময় তারা ‘কিলার হাসিনা, গো ব্যাক গো ব্যাক’ বলে স্লোগান দেন। তাদের হাতে প্ল্যাকার্ড ও কালো পতাকা ছিল। হাসিনার নিরাপত্তাকর্মী তাদের ছবি তোলার চেষ্টা করলে তাদের মধ্যে বাকবিত-া হয়।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
July
(592)
-
▼
Jul 23
(21)
- ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনলো জাতিসংঘ
- বিএনপি কি রাজনীতির মূল মঞ্চে ফিরতে পারবে? by এম. আ...
- গাজা এখন লাশের শহর- মৃত্যুনগরী, বধ্যভূমি -মসজিদে ল...
- সানিয়া মির্জার জন্য এক কোটি রুপি
- কৌশল বদলেছে হামাস
- রাজশিশুর প্রথম জন্মদিন
- ইন্দোনেশিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো
- মসজিদে লাশ মর্গে পচা মাংসের গন্ধ
- গাজার ধ্বংসস্তূপে স্বজনদের খুঁজতে গিয়ে লাশ হলো যুবক
- প্রশাসন নিষ্ক্রিয়, ছাত্রনেতারাই হর্তাকর্তা -ঢাকা ব...
- ‘মন্ত্রী সচল থাকলেও সড়কগুলো অচলপ্রায়’ by আলী ইমাম...
- মুক্তিযোদ্ধা সনদ কেলেঙ্কারি -ভুয়া সনদের দাতা ও গ্...
- তাজউদ্দীন আহমদ এবং সরদার স্যার by সিমিন হোসেন রিমি
- সরকারকে বাধা দেয় কে? by মশিউল আলম
- কে বেশি লম্বা দীপিকা না ক্যাটরিনা?
- অলি বার বার ফিরে আসে by কাজল ঘোষ
- স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি দখলের লড়াই by সোলায়মান তুষ...
- জাতীয় পার্টি সরকারের অংশ -বৃটিশ সরকারের মূল্যায়ন
- এমন আইন করা হচ্ছে যে মিডিয়ার স্বাধীনতা থাকবে না
- মার্কিন দূতকে মতিয়া- হিসাব করে কথা বলবেন
- লন্ডনে হাসিনা ক্যামেরন বৈঠক
-
▼
Jul 23
(21)
-
▼
July
(592)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...




