Wednesday, March 23, 2016

মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও ফ্রি হেলথ ক্যাম্প সম্পন্ন

নগরীর মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজ-এর উদ্যোগে বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও ফ্রি হেলথ ক্যাম্প আজ সকাল ৯টায় অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্র সভাপতিত্বে অত্র প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। সকালে কুরআন তিলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবুল মনসুর। এর পরপরই শুরু হয় প্রতিভাদীপ্ত শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এবং অভিভাবকদের উপস্থিতিতে উন্মুক্ত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। কেরাত, ছড়া, কবিতা, গান, নৃত্য, কৌতুক- প্রতিটি ইভেন্টে শিক্ষার্থীদের সফল অংশগ্রহণ ছিল প্রশংসনীয়। এছাড়াও সকল শ্রেণির শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে যেমন খুশি তেমন সাজো-এর চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা ছিল অত্যন্ত আকর্ষণীয়। আজকের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়ন মোস্তাক হোছাইন এমজেএফ, মাননীয় জেলা গভর্নর ডিস্ট্রিক ৩১৫ বি ৪ বাংলাদেশ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মা, শিশু ও জেনারেল হাসপাতালের কার্যকরী পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট লায়ন সৈয়দ মো. মোরশেদ হোসেন ও অত্র প্রতিষ্ঠানের আইন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন চেীধুরী লিটন। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন- “সহপাঠক্রমিক কার্যাবলি ব্যতীত কেবলমাত্র পাঠক্রমিক কার্যাবলির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের পরিপূর্ণ বিকাশ সাধিত হয় না। মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজ দক্ষ প্রশাসন ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে সর্বদিক দিয়ে দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলে।’’ চট্টগ্রামে বেসরকারি পর্যায়ে শিক্ষা বিপ্লব ঘটিয়ে সকল ক্ষেত্রে কৃতিত্ব অর্জনের জন্য প্রধান অতিথি মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজ-এর স্বতঃস্ফূর্ত প্রশংসা করেন। অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্ তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদেরকে সত্যিকারের মানুষ হিসাবে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এই ত্রিমুখী প্রচেষ্টাকে বেগবান ও সফল করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে সফল ও সার্থক করার জন্য সকল শিক্ষক-শিক্ষিকাকে ধন্যবাদ জানান। সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা চলাকালীন সময়ে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত অত্র প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল এবং লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং প্রেসিডেন্সি-এর সহযোগিতায় গাইনী, শিশু ও মেডিসিন বিষয়ে অনুষ্ঠিত হয় ফ্রি হেলথ ক্যাম্প। এক্ষেত্রে উপস্থিত অভিভাবক,শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক সাড়া পরিলক্ষিত হয়। সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার  সঞ্চালনায় ছিলেন শিক্ষক ইউসুফ আলী খান, এমদাদ হোসেন, দিলরুবা তাহেরুন ও চম্পা দে। অনুষ্ঠানে মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রÑছাত্রী ও অভিভাবকম-লী উপস্থিত ছিলেন। 
সংবাদ প্রেরক। 
প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নাজুক লক্ষ্যবস্তুর ঝুঁকিই বেশি

ব্রাসেলসের ম্যালবিক মেট্রো স্টেশনের বাইরে আহত
যাত্রীদের সেবা দিচ্ছেন জরুরি বিভাগের কর্মীরা।
সেখানেই হতাহত হয়েছে বেশি মানুষ। রয়টার্স
বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসের বিমানবন্দর এবং মেট্রো স্টেশনে গতকাল মঙ্গলবার সকালের বিস্ফোরণের ঘটনাগুলো ঘটে অপেক্ষাকৃত দ্রুততার সঙ্গেই। কিন্তু বেশ কার্যকর ছিল সেগুলো। এ হামলা বিমানবন্দর বা পাতাল রেলস্টেশনের মতো নাজুক লক্ষ্যবস্তুর ঝুঁকির দিকটি আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। এ ছাড়া পশ্চিম ইউরোপে হামলার বিষয়ে জঙ্গিদের সক্ষমতার ব্যাপারেও ধারণা দেয় তা। বেলজিয়াম সরকার বলেছে, হামলায় দুপুর পর্যন্ত ৩০ জনের বেশি নিহত হওয়ার বিষয় নিশ্চিত হয়েছে। আহত হয়েছিল ৩০ জনের বেশি। ব্রাসেলসের জাভেনতেম বিমানবন্দরের বহির্গমন হলে প্রথম বিস্ফোরণ হয় আমেরিকান এয়ারলাইনসের কাউন্টারের কাছে। দ্বিতীয় বিস্ফোরণটি হয় ব্রাসেলস এয়ারলাইনসের টিকিট কাউন্টারে। এর কিছুক্ষণ পরই ম্যালবিক মেট্রো স্টেশনে বিস্ফোরণ ঘটে। এ জায়গাটি ব্রাসেলসের কেন্দ্রস্থল। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) একাধিক প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় এখানে। এই ঘটনার পর ব্রাসেলসের মেট্রোসহ সব ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাতিল করা হয় বিমানের ফ্লাইট। বেলজিয়াম সরকার দেশটির নিরাপত্তার মাত্রা বিদ্যমান ৩ থেকে সর্বোচ্চ ৪-এ উন্নীত করে। ব্রাসেলসের এ হামলা এসব নাজুক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা প্রতিরোধের জটিলতার বিষয়টিই তুলে ধরে। বৃহৎ লক্ষ্যবস্তুতে হামলায় দলে ভারী হতে হয় হামলাকারীদের। সেখানকার নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে দিতে বড়সড় আকারের পরিকল্পনা এবং বেশি পরিমাণ বিস্ফোরকেরও ব্যবহার করতে হয়। এর বিপরীতে নাজুক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার সময় পরিকল্পনাকারীদের একটি বিষয়ই বিবেচনায় করতে হয়। তা হলো, এক দফাতেই হামলা সারতে হবে। আর এ জন্য ছোট দলই যথেষ্ট।
বিমানবন্দর বা মেট্রো স্টেশনের মতো এলাকাগুলোতে অনেক লোক থাকে। এ জন্যই সেখানে হামলা করে সহজেই বড় ধরনের ক্ষতি এবং গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করে জঙ্গিরা। এর আগেও বিমানবন্দরের বাইরের অপেক্ষাকৃত নাজুক এলাকাগুলো হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে রোম ও ভিয়েনায় বিমানবন্দরের টিকিট কাউন্টারে হামলা চালায় চরমপন্থী ফিলিস্তিনি আবু নিদালের সংগঠন। লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টিকিট কাউন্টারে হামলা চালায় বন্দুকধারীরা। মস্কোর দমোদেদভো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২০১১ সালে বোমা হামলায় ৩৫ জন নিহত হয়। আহত হয় ১৬০ জন। বিমানবন্দরের প্রবেশ এবং বের হয়ে যাওয়ার পথে নিরাপত্তাব্যবস্থা অপেক্ষাকৃত ঢিলেঢালা থাকে। এরই সুযোগ নেয় হামলাকারীরা। তাই বিমানে ভ্রমণকারীদের উচিত, বিমানবন্দরের এসব নাজুক এলাকায় যতটা সম্ভব কম সময় ব্যয় করা।গত বছরের ১৩ নভেম্বর প্যারিসে হামলা চালানোর পর বেঁচে থাকা একমাত্র হামলাকারী সালেহ আবদেসালাম ব্রাসেলসেরই মলেনবেক এলাকা থেকে নাটকীয়ভাবে গ্রেপ্তার হন ১৮ মার্চ। ওই গ্রেপ্তারের চার দিন পরই এ হামলার ঘটনা ঘটল। গণমাধ্যমে প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আবদেসালাম ইউরোপজুড়ে আরও হামলার পরিকল্পনা করছিলেন। বেলজিয়াম সরকার তাঁর দুই সহকারীকে খুঁজছিল। এটা এখনো নিশ্চিত নয়, ওই দুই হামলাকারী না অন্য কেউ গতকালের হামলাটি করল। ব্রাসেলস দীর্ঘদিন ধরেই জঙ্গিদের বড় আস্তানা। বেলজিয়ামের বেশ কয়েকজন নাগরিক মধ্যপ্রাচ্যে সক্রিয় জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) ও জাবাত-আল-নুসরার মতো সংগঠনে যোগ দিয়েছে। ২০১৪ সালের জুনে এক আইএস জঙ্গি বেলজিয়ামের ইহুদি জাদুঘরে হামলা চালায়। যে বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ তা হলো, গত নভেম্বরের প্যারিস হামলার পরিকল্পনাই হয়েছে বেলজিয়ামে। গতকাল যে হামলা হলো, এর প্রধান লক্ষ্য ছিল অনেক মানুষের প্রাণহানি। আমেরিকান এয়ারলাইনসের কাউন্টারে হামলার উদ্দেশ্য ছিল মার্কিন নাগরিক হত্যা।

মানবাধিকার নিয়ে ওবামা–কাস্ত্রো বিরোধ

রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় ওবামা ও রাউল কাস্ত্রো। এএফপি
কিউবা সফররত মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা দেশটির প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন গত সোমবার। হাভানায় প্যালেস অব দ্য রেভল্যুশনে দুই নেতার মধ্যে এই ঐতিহাসিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক-পরবর্তী যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ওবামা বলেন, ফ্লোরিডা প্রণালির দুই পাশের দেশ দুটির মধ্যে ‘নতুন দিনের’ সূচনা হলো। তবে ওবামা প্রতিশ্রুত অর্থনৈতিক অবরোধ এখনো প্রত্যাহার না হওয়ায় উষ্মা প্রকাশ করেছে কিউবা। কিউবার মানবাধিকার ইস্যুতে সংবাদ সম্মেলনে কিছুটা অস্বস্তি ছড়িয়ে পড়ে। রাউল কাস্ত্রোকে যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিকেরা রাজনৈতিক বন্দীদের ব্যাপারে প্রশ্ন করলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, ‘কিউবায় কোনো রাজনৈতিক বন্দী নেই।
বৈঠকের পর আপনারা আমাকে রাজনৈতিক বন্দীদের তালিকা দিতে পারেন। যদি এ ধরনের কোনো বন্দী থাকে, তবে তাদের আজ রাতের মধ্যেই মুক্তি দেওয়া হবে।’ স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও নারীর সম-অধিকারে কিউবার ভালো অবস্থানের কথা উল্লেখ করে রাউল যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা সমালোচনা করেন। তিনি মার্কিন সমাজের বর্ণবাদ, পুলিশি সহিংসতা ও গুয়ানতানামো কারাগারে বিনা বিচারে আটক রাখা বন্দীদের ওপর নির্যাতনের বিষয় তুলে ধরেন। কিউবার ভূখণ্ড গুয়ানতানামোর সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিও করেছেন রাউল। সংবাদ সম্মেলনে বারাক ওবামা বলেন, ‘বৈঠকে আমি কাস্ত্রোকে বলেছি, যদি আপনারা ভিন্নমতাবলম্বীদের প্রতি কম অসহিষ্ণু হতেন, তাহলে রাষ্ট্র পরিচালনা উন্নত হতো এবং কিউবার মানুষদের কাছে সরকারের বৈধতা আরও বেশি হতো।’ সফরের শেষ দিনে গতকাল মঙ্গলবার কিউবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ভাষণ দেন ওবামা। হাভানার গ্র্যান্ড থিয়েটার থেকে দেওয়া এই ভাষণে তিনি কিউবার গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের জন্য কমিউনিস্ট সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। ওবামা বলেন, তিনি কিউবা এসেছেন স্নায়ুযুদ্ধকালীন তিক্ততা মুছে ফেলার জন্য। তিনি বলেন, ‘যদি আমরা আগামীকাল দেশটির ওপর থেকে অর্থনৈতিক অবরোধ তুলেও ফেলি, তবু কিউবানরা এর স্বাদ পাবেন না, যতক্ষণ না দেশটির গণতান্ত্রিক পরিবর্তন আসছে।’ এরপরই হাভানায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে ভিন্নমতাবলম্বীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা ওবামার। ওই বৈঠকে কারা উপস্থিত থাকবেন, সে সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।

ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও নয়টি লাশ উদ্ধার

কলকাতার পার্কস্ট্রিটের বহুতল ভবন ’স্টিফেন কোর্ট’-এর ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে আরও নয়টি লাশ। গত শুক্রবার ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করতে গিয়ে পৌরকর্মীরা ছয়টি লাশ পান। গতকাল শনিবার পেয়েছেন আরও তিনটি লাশ। এ নিয়ে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ৩২ জনে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে শুক্রবার কলকাতা পৌরসভার এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্ট স্টিফেন কোর্টের বিপজ্জনক অংশ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন।

নাদালের জয়, হারলেন জোকোভিচ

আক্কেল দাঁতটা তাঁকে ভীষণ যন্ত্রণা দিচ্ছে। টুর্নামেন্ট শেষ করার আগে অবশ্য তুলতে পারছেন না। তবে দাঁতের ব্যথা নিয়েও মায়ামি মাস্টার্স টেনিসে দারুণ খেলেছেন রাফায়েল নাদাল। পরশু যুক্তরাষ্ট্রের টেলর ডেন্টকে দ্বিতীয় রাউন্ডে উড়িয়ে দিলেন ৬-৪, ৬-৩ গেমে। নাদাল জিতলেও টুর্নামেন্টের অঘটনের শিকার হয়েছেন নোভাক জোকোভিচ। বেলজিয়ামের অলিভিয়ের রোচাস ৬-২, ৬-৭ (৭/৯), ৬-৪ গেমে হারিয়েছেন বিশ্বের দুই নম্বর তারকা জোকোভিচকে। মায়ামিতে রোচাসের সেরা ১০ খেলোয়াড়ের বিপক্ষে এটি দ্বিতীয় জয়। মাত্র ১.৬৭ মিটার উচ্চতার রোচাসের কাছে হেরেও জোকোভিচ প্রশংসায় ভাসালেন ৫৯তম এই বেলজিয়ানকে, ‘ও আজ (পরশু) সত্যি দারুণ খেলেছে। জয়টা ওর প্রাপ্যই।’ জোকোভিচের বিপক্ষে জিতে বিস্ময়ের ঘোর যেন কাটছেই না রোচাসের, ‘ম্যাচটি ছিল খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। আমার মনে হচ্ছিল আমি একটা কিছু ঘটিয়ে ফেলতে পারি। আমি শুধু আমার সেরাটাই খেলার চেষ্টা করেছি। প্রথম রাউন্ডে আমি ভালো খেলেছি তাই আমার নিজেকে খুব আত্মবিশ্বাসী মনে হচ্ছিল। তবে আমি যে জিতব, এটা আশা করিনি।’
পরশু মেয়েদের বিভাগে সহজ জয় পেয়ে তৃতীয় রাউন্ডে উঠেছেন ইয়েলেনা জাঙ্কোভিচ, কিম ক্লাইস্টার্স ও জাস্টিন হেনিন।