Thursday, January 17, 2019
তথ্য জানতে চাওয়ার জবাবে পেলেন ব্যবহৃত কনডম

জবাবের খাম হাতে পেয়ে তারা আপ্লুত হন। এ জন্য তাদের গ্রামের ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসারকে ডাকেন, যাতে তিনিও দেখতে পারেন তাদের কাছে পাঠানো প্যাকেটের ভিতর কি আছে। বিকাশ চৌধুরী বলেন, কিন্তু বিডিও কর্মকর্তা আমাদের ডাকে সাড়া দেন নি। ফলে আমরাই গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে ওই খাম খুলি এবং তা ক্যামেরাবন্দি করি। তার ভিতর পাওয়া যায় ওই জন্মবিরতিকরণের ব্যবহৃত সামগ্রি। মনোহর লালের খামের ভিতরও ওই একই জিনিস। খবরের কাগজ দিয়ে মোড়ানো ছিল তা। এ বিষয়ে হনুমানগড় জিলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নবনীত কুমার বলেছেন, বিষয়টি পরিস্কার করতে তারা তদন্ত করছেন। তিনি বলেছেন, গ্রামে দু’গ্রুপের মধ্যে বিরোধের জের ধরে এমনটা ঘটে থাকতে পারে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কে কী বলছে, এসবে আমি চিন্তিত না: মৌসুমী

মৌসুমী গতকাল বুধবার সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। তিনি বলেন, ‘চূড়ান্ত মনোনয়ন দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমি এটা নিয়ে কেন ভাবছি। কোথায় কী রটছে প্রধানমন্ত্রী এসব আমল দিচ্ছেন কি না, সেটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। দ্যাটস ইট। প্রধানমন্ত্রী খুব ভালো করেই জানেন, কে কী করেছে। কে কী করে। এর বাইরে কে কী বলছে, এটা নিয়ে আমি চিন্তিত না। যাঁরা চাইছে না আমি এই কাজে যুক্ত হই, তাঁরা এই কথাগুলো ছড়াচ্ছে। তাঁরা বলে একটু আনন্দ পাচ্ছেন। আমি কখনো কোনো দলের সঙ্গে কাজ করিনি। যাঁরা আমার সঙ্গে ওঠাবসা করেন তাঁরা সবাই জানেন। যদি করেও থাকি এটা বের করা খুব সাধারণ বিষয়।’
মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের ব্যাপারে মৌসুমীর বক্তব্য, সুন্দর একটা সময়ের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। এখন সেই সুন্দর সময়। তাই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছি। আরেকটা বিষয়, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীর মুখে শুনেছি, কারও সুপারিশ ছাড়া সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দেওয়া হবে। এটা আমার বেশ ভালো লেগেছে। এ কথার পর আমার বিশ্বাস আরও বেড়েছে। মনে হয়েছে এখনই সুসময়। জনগণের অনেক ভালোবাসা পেয়েছি। ২৫ বছর ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছি। এখন আমার প্রতিদান দেওয়ার সময়। যদি কোনো একটা দলের সঙ্গে এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়, তাহলে বেশ ভালো হয়। কারণ যে দল ক্ষমতায় থাকে সেই দল অনেক সহযোগিতা করতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকেও নারী উন্নয়নের জন্য অনেক বেশি চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।’
শোনা যাচ্ছে, এবার সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে দলের দুঃসময়ে যাঁরা পাশে ছিলেন তাঁদের ব্যাপারটি গুরুত্ব পাবে। আপনি কী মনে করছেন? ‘আমি মনে করাটা গুরুত্বপূর্ণ না। দুঃসময়ে যাঁরা ছিলেন তাঁদের অবশ্যই আগে দেওয়া উচিত। তার মানে এই নয় যে যাঁরা দুঃসময়ে ছিলেন না তাঁদের প্রতিভাকে মূল্যায়ন করা যাবে না। অনেকে হয়তো এমনটা ভাবেন, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী এসব নিয়ে ভাবেন না। প্রধানমন্ত্রী ভাবেন না বলেই এবারের মন্ত্রিসভায় একটা চমক তিনি দেখিয়েছেন। মন্ত্রিসভার দিকে তাকালেই আমরা বুঝতে পারি, তিনি কী চান। বর্ষীয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, তাঁরা কিন্তু হাল ছেড়ে দেননি। তাঁরা জুনিয়রদের হাত ধরে রেখেছেন। আমরা চলচ্চিত্রে কী করি, নতুনেরা এলে সরে দাঁড়াই, নতুনেরা কাজ করে। তার মানে এই নয় যে আমরা শেষ হয়ে গেছি।’
প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলার আগে মৌসুমী সংবাদ সম্মেলন ডেকে তাঁর অবস্থান তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলন ডেকে এই চিত্রনায়িকা জানালেন, সংরক্ষিত নারী আসন থেকে কেন তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন। মৌসুমী বলেন, ‘যদি আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে সংসদে যেতে পারি তাহলে আমাকে কোনো একটা সেক্টরে কাজের সুযোগ দেবেন। একটা দায়িত্ব পাব। সেই দায়িত্ব পালন করতে পারলে ভালো লাগবে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ড্যান্সবারে ড্যান্স ও পানীয় একসঙ্গে চলতে পারে: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

রাজ্য যে আইন করেছিল এক্ষেত্রে তাতে বলা হয়েছিল, কোন ধর্মীয় উপাসনালয় বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক কিলোমিটারের মধ্যে থাকতে পারবে না ড্যান্সবার। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট ওই বিধানও বাতিল করেছে। আদেশে আদালত বলেছে, এমন যুক্তি মুম্বইয়ের ক্ষেত্রে অযৌক্তিক। এ বিষয়ে আইনপ্রণেতাদের সিদ্ধান্ত নিতেই হবে। রায়ে আরো বলা হয়েছে, ড্যান্সবারে যারা ড্যান্স করেন তাদেরকে বখশিশ দেয়া যাবে।
কিন্তু অর্থ দিয়ে তাদেরকে ডুবিয়ে দেয়া যাবে না। এ ছাড়া বার রুম ও ড্যান্স ফ্লোরের মধ্যে পার্টিশন বা বিভক্তি দেয়াল রাখার যে আইন আছে তাও বাতিল করেছে সুপ্রিম কোর্ট।
আর আগে যখন ওইসব আইন করা হয় তখন ড্যান্স বারের মালিকরা এর প্রতিবাদ করেছিলেন। তারা বলেছিলেন, একটি বড় শহরে একটি ড্যান্সবার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের এক কিলোমিটারের মধ্যে থাকতে পারবে না এমনটা অসম্ভব।
২০১৬ সালে মহারাষ্ট্রের বিধানসভায় সর্বসম্মতক্রমে পাস হয় ড্যান্স বার রেগুলেশন বিল। এতে যেখানে ড্যান্স পরিবেশন করা হয় সেই হলে পানীয়, বিশেষত মদ সরবরাহ করা নিষিদ্ধ করা হয়। এ ছাড়া স্থানীয় সময় রাত সাড়ে এগারটায় অবশ্যই এসব বার বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়। এসব আইন যারা মানবেন না তাদেরকে বড় অংকের জরিমানা করার কথা বলা হয় এতে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এখনও শপথ নেন নি বিএনপি সহ অন্য দলের ৮ এমপি -রয়টার্সের রিপোর্ট

ওদিকে এরই মধ্যে ৩০ শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অনিয়মের নিরপেক্ষ ও পক্ষপাতিত্বহীন তদন্তের দাবি জানিয়েছে জাতিসংঘ। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন সহ পশ্চিমা সরকারগুলো নির্বাচনের দিনে সংঘটিত সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছে। বিভিন্ন অনিয়মের তদন্ত দাবি করেছে তারাও। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের অভিযোগ।
সংসদের ৫০টি আসনে জরিপ চালিয়ে ৪৭টি আসনেই অনিয়ম পেয়েছে আন্তর্জাতিক এই সংগঠন। রয়টার্স লিখেছে, পুলিশের মতে, নির্বাচনের দিনে রাজনৈতিক সহিংসতায় আওয়ামী লীগ কর্মী সহ কমপক্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছেন। ট্রান্সপারেন্সির অভিযোগ ব্যালট দিয়ে বাক্সভর্তি করা, ভোটারদের ভীতি প্রদর্শন করা, ভোটকেন্দ্রে দখল করা সহ অন্যান্য অনিয়ম হয়েছে নির্বাচনে। তবে এ রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করেছে সরকার। সরকারের তরফ থেকে ট্রান্সপারেন্সির এ রিপোর্টের বিষয়ে বলা হয়েছে, সংগঠনটি তার নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। প্রধান বিরোধী দল বিএনপির সঙ্গে তাদের কোনো গোপন যোগাযোগ আছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা উচিত। ট্রান্সপারেন্সি তার রিপোর্টে বলেছে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিরোধীরা নির্বাচনের জন্য কার্যকর প্রচারণা চালাতে পারে নি। বিরেধী নেতাকর্মীদের ভীতি প্রদর্শন করেছে সরকারের বিভিন্ন এজেন্সি। সব দলের জন্য সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে পারে নি নির্বাচন কমিশন। যে ৫০টি আসনে জরিপ চালিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি তার মধ্যে ৪৬টি আসনেই বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে নি নির্বাচন কমিশন। তাই তিনি এসব অভিযোগ তদন্তের জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের সুপারিশ করেন। তার ভাষায়, এমন নির্বাচন একটি গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক নয়।
নির্বাচন কমিশনের এক মুখপাত্র বলেছেন, তারা ট্রান্সপারেন্সির ওই রিপোর্ট পরীক্ষা করে দেখবেন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম বলেছেন, দুর্নীতি বিরোধী ওই গ্রুপটি (ট্রান্সপারেন্সি) বিএনপির হয়ে কাজ করেছে। এ বিষয়টি তদন্ত করে দেখার সময় এসে গেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মদ্যপের কাছে ছাড় পেলো না গর্ভবতী ছাগলও!

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত গত মঙ্গলবার বিকালে। পাটনার পরসা বাজারের এক বাসিন্দা অনেক খোঁজাখুজির পরও তার ছাগলটির কোনো হদিশ পাচ্ছিলেন না। পরের দিন সকালেই নিজ বাড়ির সামনে ছাগলটিকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন ওই নারী। এর পরেই পুলিশ অভিযোগ জানান তিনি।
তদন্তে নেমে পুলিশ মহম্মদ সিমরাজ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। সিমরাজ পেশায় ঠিকাদার। তিনি মদ্যপ অবস্থায় গর্ভবতী ছাগলটিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। লাগাতার যৌন অত্যাচারে অসুস্থ হয়ে মারা যায় ছাগলটি। শেষে মালিকের বাড়ির সামনেই ছাগলটিকে ফেলে চম্পট দেয় অভিযুক্ত।
ইতিমধ্যে পুলিশের কাছে অভিযোগের কথা স্বীকার করে নিয়েছে সে। অভিযুক্তের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ওই মহিলা।
তবে এই ঘটনা এবারই প্রথম নয়, গত বছর জুলাই মাসে হারিয়ানায় এক গর্ভবতী ছাগলকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পরে তদন্তে নেমে আট জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সূত্র: এবেলা
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে জিতে গেলেন তেরেসা মে

ফলে উত্তেজনাকর এক সময়ে তেরেসা মে টিকে গিয়ে সব এমপিকে নিজ স্বার্থকে একপাশে রেখে একসঙ্গে গঠনমূলক কাজ করারও আহ্বান জানিয়েছেন। ওই ভোটের পর রাতেই স্কটিশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি, লিবারেল ডেমোক্রেটস এবং প্লেড সাইমরু নেতাদের সঙ্গে দেখা করেছেন তেরেসা মে। তবে লেবার নেতা জেরেমি করবিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন নি। তিনি বলেছেন, লেবার পার্টির নেতা আমাদের সঙ্গে যোগ না দেয়ায় আমি হতাশ হয়েছি। তবে আমাদের দরজা সব সময় খোলা আছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।
এর আগে মঙ্গলবার ব্রেক্সিট ইস্যুতে ৫ দিনের আলোচনার পর ভোটাভুটিতে ২৩০ ভোটের রেকর্ড ব্যবধানে পরাজিত হয় ব্্েরক্সিট চুক্তিটি। প্রস্তাবটি বাতিলের পক্ষে ভোট দেন ৪৩২ জন এমপি। এর মধ্যে পার্লামেন্টে বিরোধী দলের সদস্যদের পাশাপাশি নিজ দলের ১১৮ জন এমপি বিরোধী দলের সঙ্গে চুক্তির বিপক্ষে ভোট দেন।
প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন ২০২ জন। বৃটেনের ইতিহাসে ১০০ বছরের মধ্যে এত বিশাল ভোটের ব্যবধানে আর কোনো ক্ষমতাসীন সরকার পরাজিত হয় নি। এর পর দিন বৃটেনের পত্রপত্রিকায় একে বিপর্যয়কর, অবমাননাকর ইত্যাদি আখ্যায়িত করে রিপোর্ট প্রকাশ করে।
মঙ্গলবার রাতে শোচনীয়ভাবে পার্লামেন্টে তেরেসা মের ব্রেক্সিট চুক্তি পরাজিত হলে বিরোধী লেবার দলের নেতা জেরেমি করবিন তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। তেরেসা মে’র প্রশাসনকে ‘জম্বি’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তেরেসা মে সরকার পরিচালনার সব ধরণের অধিকার হারিয়েছেন।
তবে অনাস্থা ভোটে টিকে যাওয়ার পর তেরেসা মে বলেন, ব্রেক্সিটের ব্যাপারে একটি সমঝোতায় আসতে তিনি পার্লামেন্টের সব দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবেন। এছাড়া ব্রেক্সিট পরিকল্পনার পক্ষে নিজ এমপিদের সমর্থন আদায় করাটাও তার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।
আস্থা ভোটে টিকে থাকার প্রতিক্রিয়ায় তেরেসা মে এমপিদের বলেন, গণভোটের ফলাফল অনুযায়ী ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার যে প্রতিশ্রুতি তিনি দেশের জনগণকে দিয়েছেন সেটা তিনি পূরণ করতে কাজ চালিয়ে যাবেন।
ব্রেক্সিটের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি বুধবার রাত থেকেই সব পার্টির নেতাদেরকে সাথে আলাদা আলাদা বৈঠক করারও আমন্ত্রণ জানান। এ সময় তিনি সবার কাছে ‘গঠনমূলক মনোভাব’ নিয়ে তাদের সাথে আলোচনায় অংশ নেয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আমাদের এমন একটি সমাধানে আসতে হবে যেটা আলোচনা সাপেক্ষ এবং পার্লামেন্টের জন্যও সহায়ক হবে।
তবে জেরেমি করবিন বলেন, যেকোনো ইতিবাচক আলোচনার আগেই প্রধানমন্ত্রীর ব্রেক্সিট চুক্তি বাতিল করতে হবে। চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের কারণে বড় ধরণের বিপর্যয় ও বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা রয়েছে। সেজন্য এই সরকারকে এখুনি পুরোপুরি সরিয়ে দিতে হবে। তার আনা অনাস্থা প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে স্কটিশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি, লিবারেল ডেমোক্রেট পার্টিসহ সব বিরোধী দল। কিন্তু কারবিন তার নিজদল এবং অন্যান্য বিরোধীদলের কয়েকজন এমপির চাপের মুখে পড়েছেন, যেন তিনি আরেকটি ইইউ গণভোটের আহ্বান জানান।
ওদিকে প্রধানমন্ত্রীর সবার সাথে আলোচনার যে প্রস্তাব দিয়েছেন সেটাকে স্বাগত জানিয়েছেন ওয়েস্টমিনস্টারের স্কটিশ ন্যাশনালিস্ট পার্টির এমপি ইয়ান ব্ল্যাকফোর্ড। তিনি বলেন, প্রতিটি দলের নিজ নিজ দায়িত্বের বিষয়ে সচেতন হওয়াটা জরুরি। তার দল সরকারের সাথে গঠনমূলকভাবে কাজ করার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি জানান। তবে তিনি ব্রেক্সিটের আইনী প্রক্রিয়ার সময়সীমা বাড়িয়ে এ সংক্রান্ত আরেকটি গণভোট আয়োজনের, সেইসঙ্গে চুক্তিহীন ব্রেক্সিট এড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টিকে আলোচনার টেবিলে আনার আহ্বান জানান।
মূলত ২০১৬ সালের গণভোটে ব্রেক্সিটের পক্ষে রায় এলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন পদত্যাগ করেন। পরে তেরেসা মে তার স্থলে এসে বিচ্ছিন্নতার প্রক্রিয়া শুরু করেন। সে অনুযায়ী ২০১৯ সালের ২৯ মার্চের মধ্যে যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বের হয়ে যাওয়ার কথা।
এ অবস্থায় পরবর্তী সম্পর্কের রূপরেখা নিয়ে জোটটির সঙ্গে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর যে চুক্তি হয়েছিল সেটার অনুমোদনের বিষয়ে বৃটিশ পার্লামেন্টে মঙ্গলবার রাতে ভোটাভুটি হয়। ওই চুক্তিতেও ২৯শে মার্চের মধ্যে ইইউ থেকে বৃটেনের বেরিয়ে যাওয়ার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে ‘প্রহসনের নির্বাচন’

• বাংলাদেশের জন্য দারুণ কাজ করেছেন শেখ হাসিনা।
• একচেটিয়া জয় অর্জনকে মলিন করে।
টানা প্রায় ১০ বছর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের সময় বাংলাদেশের জন্য দারুণ কাজ করেছেন শেখ হাসিনা। বিশ্বের স্বল্পোন্নত দেশগুলোর একটি বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় বেড়েছে প্রায় ১৫০ শতাংশ এবং চরম দারিদ্র্যসীমায় বসবাসকারী জনসংখ্যার হারও ১৯ শতাংশ থেকে নেমে এসেছে প্রায় ৯ শতাংশে। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, নির্বাচনে শেখ হাসিনার দল জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৮৮ টিতে জয় পায়, যা শতকরা হিসাবে প্রায় ৯৬ ভাগ, তাঁর অর্জন ম্লান করে দিচ্ছে।
৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের আগের সপ্তাহ ও মাসগুলোতে স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো বিরামহীন ভীতি প্রদর্শন, সহিংসতা, বিরোধীদলীয় প্রার্থীদের গ্রেপ্তারের ঘটনা থেকে শুরু করে নজরদারি ও কঠোর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োগ লক্ষ করেছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ‘আক্রমণাত্মক বা ভীতি উদ্রেককারী’ লেখা প্রকাশের জন্য কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত হয়েছেন অন্তত ১৭ জন। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের একটি প্রতিবেদনে ‘সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশের’ উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু ‘ভীত’ বিচার বিভাগ বা নির্বাচন কমিশনকে কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
উন্নয়নশীল দেশের প্রবৃদ্ধির জন্য স্বৈরশাসকেরা মানবাধিকারের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেন না। গত ডিসেম্বরে দ্য টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও একই মনোভাব পোষণ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি খাদ্য, কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারলে সেটাই মানবাধিকার।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ নিয়ে বিরোধীরা কী বলছে বা নাগরিক সমাজ বা আপনাদের এনজিওদের আমি পাত্তা দিই না। আমি আমার দেশকে জানি। আমার দেশের উন্নয়ন কীভাবে সম্ভব, তাও জানি।’
শেখ হাসিনা যে তাঁর দেশকে জানেন, সে বিষয়ে কেউ প্রশ্ন তুলবেন না। তাঁর বাবা শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তাঁকে যখন হত্যা করা হয়, তখন তিনি বিদেশে ছিলেন। আওয়ামী লীগের হাল ধরতে ১৯৮১ সালে তিনি দেশে ফিরে আসেন। এখনো তা ধরে রেখেছেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগ পর্যন্ত তাঁর দল এবং আরেক ক্ষমতাধর নারী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল পালাক্রমে ক্ষমতায় এসেছে। নির্বাচনপদ্ধতি পরিবর্তনের প্রতিবাদে ২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করেছিল বিরোধীরা। এতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আরেক দফা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার সুযোগ পান শেখ হাসিনা। দুর্নীতির দায়ে গত বছর খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড হয়েছে এবং শেখ হাসিনা আরেক দফায় ক্ষমতায় এসেছেন। এতে (বাংলাদেশ) একদলীয় রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার এবং নিয়ন্ত্রণ আরও পাকাপোক্ত হওয়ার পথে।
কিন্তু কেন এই অযৌক্তিক নির্বাচনী ফলাফল তৈরির প্রয়াস? জরিপের ফলাফলেই এমন আভাস তো ছিল যে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে শেখ হাসিনা সহজ জয় পাবেন। শেখ হাসিনার অর্জনগুলো এখন কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থায় মলিন হবে। তাঁর সমালোচকেরা দেশ ছাড়ুক বা আত্মগোপনে যাক, তাঁরা আরও গলা ফাটাবে এবং তাঁর বিদেশি সহযোগীরা সতর্ক হয়ে যাবে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিনিয়োগকারী ও বৃহত্তম একক বাজারের দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রচার–প্রচারণাকালে ‘হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও সহিংসতার বিশ্বাসযোগ্য খবরাখবরে’ উদ্বেগ জানিয়েছিল। এসব বিবেচনায় নিয়ে সমাধানের জন্য সব পক্ষের সঙ্গে কাজ করতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানায় পররাষ্ট্র দপ্তর। অনুরূপভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নও নির্বাচনী সহিংসতা ও ‘গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবন্ধকতাসমূহ’ যা নির্বাচনী প্রচার ও নির্বাচনকে ‘ম্লান’ করেছে, তা তদন্ত করে দেখার আহ্বান জানিয়েছে।
শেখ হাসিনা এসব সমালোচনা সম্ভবত আমলে নেবেন না। কিন্তু যেসব দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা–বাণিজ্য করছে এবং দেশটি দারিদ্র্য থেকে উঠে আসায় আনন্দিত, তাঁকে ও তাঁর মিত্রদের তাদের বারবার স্মরণ করিয়ে দেওয়া উচিত যে মানবাধিকার উন্নয়ন ও অগ্রগতির এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দিল্লির গবেষক–বিশ্লেষকদের মত: বাংলাদেশের নির্বাচন ‘সুষ্ঠু ও অবাধ হয়নি’

ভারতের রাজধানী দিল্লির কিছু গবেষক ও বিশ্লেষক বলেছেন, বাংলাদেশে গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন যে ‘সুষ্ঠু ও অবাধ হয়নি’ এবং তার ফলাফলও যে ‘অবিশ্বাস্য’-তা নিয়ে সন্দেহ নেই। তাঁরা বলেছেন, এ নির্বাচনে কারচুপি না হলেও বিরোধীরা কম আসনই পেতেন, কিন্তু তার সংখ্যা সাত হতো না।
দিল্লিতে এলেই বাংলাদেশের রাজনীতিবিদেরা যে থিঙ্কট্যাঙ্কগুলোতে নিয়মিত যান, এমন একাধিক প্রতিষ্ঠানের গবেষকেরা বিবিসিকে এ কথা বলছেন। তবে এর সঙ্গে ভারতের সরকারের অবস্থান পুরোপুরি মেলে না।
সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে চলে দিল্লির এমন অন্যতম প্রধান দুটি থিঙ্কট্যাঙ্ক বিবেকানন্দ ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ও অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন।
বিবেকানন্দ ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ফেলো শ্রীরাধা দত্ত বলছেন, বাংলাদেশে বিরোধী জোট হয়তো এমনিতেও ক্ষমতায় আসতে পারত না, কিন্তু নির্বাচনী কারচুপির কারণেই তাদের আসনসংখ্যা এতটা কম হয়েছে। আর বিরোধী জোটে নেতৃত্বের সংকটও ছিল প্রবলভাবে। তাদের প্রধান নেত্রী জেলে, তাঁর ছেলে লন্ডনে। আর কামাল হোসেন যতই আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইনবিদ হোন, তাঁকে দেখে দেশের মানুষ ভোট দেন না।
ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপির আদর্শিক অভিভাবক বলে যাদের ধরা হয়, সেই আরএসএসের মুখপত্র দ্য অর্গানাইজার-এ এই বিষয়ে একটি নিবন্ধ লিখেছেন শ্রীরাধা দত্ত। সেখানেও তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, এ ধরনের একতরফা নির্বাচন স্বল্প মেয়াদে ভারতের স্বার্থ রক্ষা করলেও দীর্ঘ মেয়াদে কিন্তু বিপর্যয় বয়ে আনতে পারে।
অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ফেলো জয়িতা ভট্টাচার্য বলেছেন, ভোটের ফল বেশ আশ্চর্যজনক হলেও বাংলাদেশের মানুষ আসলে আওয়ামী লীগের উন্নয়নের ন্যারেটিভটাই গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের যেটা মনে হয়েছে, বাংলাদেশের মানুষ স্থিতিশীলতাই চায়। তাদের দেশ অর্থনৈতিক উন্নতির যে ধারায় এগিয়ে চলেছে, সেটাকে তারা কোনোভাবে ডিস্টার্ব করতে চায় না। ২০১৪ সালের পর থেকে আসলে বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক ফোকাসটাই বদলে গেছে।’ তিনি আরও বলেন, তা ছাড়া বিরোধী জোট শক্তিশালী হলে তারা সরকারের সামনে যে ধরনের চ্যালেঞ্জ খাড়া করতে পারত, তার ছিটেফোঁটা ক্ষমতাও এখন তাদের নেই। ফলে শেখ হাসিনা আরও অন্তত পাঁচ বছর নিশ্চিন্তে সরকার চালাতে পারবেন বলেই মনে হচ্ছে।
কিন্তু ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনকে ঘিরে অনেক প্রশ্ন থাকলেও ভারত যেভাবে আগ বাড়িয়ে ও তড়িঘড়ি চীনেরও আগে সেটাকে স্বীকৃতি দিয়েছে, তা সমর্থন করতে পারছেন না শ্রীরাধা দত্ত। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই জানি এটা একটা একতরফা নির্বাচন। তারপরও যেভাবে চীনকে টেক্কা দিতে আমরা আগেভাগে তাকে বৈধতা দিতে গেলাম, সেটা আমি তো বলব বেশ বাড়াবাড়িই হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘২০১৪ সালের নির্বাচনের পরও আমরা শেখ হাসিনার সঙ্গে ঠিক একই জিনিস করেছিলাম।’
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নির্বাচন যে বিতর্কমুক্ত নয়, সে কথা স্বীকার করেছে দিল্লির আর একটি থিঙ্কট্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট অব ডিফেন্স স্টাডিজ অ্যান্ড অ্যানালিসিসও।
তাদের মন্তব্য প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের গণতন্ত্র আসলে আজ অবধি এমন একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনই গড়ে তুলতে পারেনি, যাকে কোনো বিরোধী দল ভরসা করতে পারে।
তবে নির্বাচন যতই ত্রুটিপূর্ণ হোক, ঢাকার ক্ষমতায় শেখ হাসিনাই যে ভারতের জন্য সেরা বাজি ও একমাত্র অপশন-তা নিয়ে এই থিঙ্কট্যাঙ্কগুলোর মধ্যে কোনো মতবিরোধ নেই। (সংক্ষেপিত)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বার্থ রেখে একসঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করুন: থেরেসা মে

থেরেসা মের সরকারের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাবের ওপর গতকাল সন্ধ্যায় যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ভোটাভুটি হয়। এতে ৩২৫ জন আইনপ্রণেতা থেরেসা মের সরকারের পক্ষে ভোট দেন। বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ৩০৬ জন।
আস্থা ভোটে টিকে যাওয়ায় সরকারে বহাল থাকছেন থেরেসা মে। এর আগে গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে সম্পাদিত ব্রেক্সিট চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেন দেশটির আইনপ্রণেতারা। এতে বড় ধরনের ধাক্কা খায় থেরেসা মের সরকার। ব্রেক্সিট চুক্তি পাসে ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন তাৎক্ষণিকভাবে থেরেসা মের সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব উত্থাপন করেন। সংসদের অন্যান্য বিরোধী দল লিবারেল ডেমোক্র্যাটস, স্কটিশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি, প্লাইড কামরি ও গ্রিন পার্টি এই অনাস্থা প্রস্তাবে সমর্থন করে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটাভুটিতে টিকে যান মে।
গতকাল রাতে ভোটের পর লিবারেল ডেমোক্র্যাটস, স্কটিশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি, প্লাইড কামরি সঙ্গে বৈঠক করেন থেরেসা মে। তবে ওই বৈঠকে লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন ছিলেন না।
বৈঠকে থেরেসা বলেন, ‘আমি অত্যন্ত হতাশ যে লেবার পার্টির নেতা এখন পর্যন্ত অংশ নিতে চাননি। কিন্তু আমাদের দরজা সব সময় খোলা।’
এর আগে জেরেমি করবিন এক বিবৃতিতে বলেছিলেন, যেকোনো ‘ইতিবাচক আলোচন’ হওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীকে ‘কোনো চুক্তি ছাড়া ব্রেক্সিট’—এই চিন্তা বাদ দিতে হবে।
এ বিষয়ে বিবিসির রাজনীতিবিষয়ক সম্পাদক লরা কুইন্সবার্গ বলছেন, ‘যুক্তরাজ্য একটি পরিচালিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচ্ছেদে যাবে’—সরকারের পক্ষ থেকে এই রকম কোনো বিবৃতি না পেলে করবিন যেকোনো ধরনের সংলাপে যাবেন না—এ বিষয়ে লেবার পার্টি একদম নিশ্চিত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে মাদক, অস্ত্র, জড়িত শতাধিক সিন্ডিকেট by রুদ্র মিজান

সীমান্ত পারি দিয়ে ফল, সবজি, মাছসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকে করে মাদক ছড়িয়ে দেয়া হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। একই পদ্ধতিতে অবৈধপথে আমদানি করা হয় অস্ত্র। বৈধ অস্ত্র নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ সেন্টার’ এর তথ্যানুসারে, দেশে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায় ১২৮টি শক্তিশালী সিন্ডিকেট সক্রিয়।
দেশে আসা এসব অস্ত্রের বেশির ভাগই পার্শ্ববর্তী দেশের তৈরি।
প্রায়ই র্যাব, বিজিবিসহ অন্যান্য সংস্থার অভিযানে জব্দ করা হচ্ছে অস্ত্র। র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)’র গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান মানবজমিনকে জানান, চোরাইপথে নানা কৌশলে অবৈধ অস্ত্র আমদানি করা হয়। প্রায়ই অস্ত্র জব্দ করা হচ্ছে। সাধারণত এসব অস্ত্র কোনো কারখানায় তৈরি হয় না। পার্শ্ববর্তী দেশে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন ওয়ার্কশপে তৈরি করা হয়।
এসব অস্ত্র যাতে দেশে না আসতে পারে, অস্ত্রের চালান ছড়িয়ে না যায় এজন্য র্যাব তৎপর রয়েছে বলে জানান তিনি।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, দেশেও তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন অস্ত্র। চট্টগ্রামের দুর্গম পাহাড়ে দেশি প্রযুক্তি ব্যবহার করে অস্ত্র তৈরি করা হয়। কম দাম ও সহজলভ্য হওয়ায় এসব অস্ত্রের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে দেশি এলজি, পিস্তল, পাইপগান, বন্দুক উল্লেখযোগ্য। এসব অস্ত্র যাচ্ছে বিভিন্ন প্রভাবশালীদের হাতে। যাদের বেশির ভাগই রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ ছাড়াও সন্ত্রাসী, জঙ্গিদের হাতে যাচ্ছে এসব অস্ত্র।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, স্থল ও জলপথের অর্ধশতাধিক রুটে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের চোরাচালান আনা-নেয়া করা হচ্ছে। অস্ত্র ও মাদকের সবচেয়ে বড় চালানগুলো ঢুকছে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়া সীমান্ত দিয়ে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপরতা বাড়ালে ওই চক্রটিও রুট পরিবর্তন করে। যশোরের চৌগাছা, ঝিকরগাছা, শার্শা, দর্শনা, শাহজাদপুর, হিজলা, আন্দুলিয়া, মান্দারতলা, বেনাপোলের সীমান্তের গোগা, কায়বা, শিকারপুর, দৌলতপুর, দিনাজপুরের হিলি, খাগড়াছরির দীঘিনালা, পানছড়ি, মাটিরাঙ্গা, রাঙ্গামাটির বরকল ও বাঘাইছড়ি, বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ভোলা নদী হয়ে এবং মোরেলগঞ্জ ও কচুয়া উপজেলা দিয়ে বলেশ্বরী নদীপথে সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক দেশে ঢুকছে।
গত বছরে বিপুল অস্ত্র জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এর মধ্যে রয়েছে ৭৭টি পিস্তল, আটটি ওয়ান সুটার গান, একটি একে-৪৭ রাইফেল, তিনটি রিভলবার, ১১টি এয়ার গান, তিনটি পাইপ গান, আটটি ওয়ান সুটার পিস্তল, একটি দুইনলা বন্দুক, ৭৬টি ম্যাগাজিন, ৩৭২ রাউন্ড গুলি, ৫৬টি ককটেল, ১২টি বিভিন্ন প্রকারের বোমা, ৫০৪ কেজি সালফার, ১০টি ‘নিউজেল-৯০’ (বিস্ফোরক), ১৭টি ডেটোনেটর, ২৮ কেজি ১০০ গ্রাম গান পাউডার।
এর মধ্যে নভেম্বরে জব্দ করা হয়েছে ১৮টি পিস্তল। ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই একটি চক্র অস্ত্রের বাণিজ্যে তৎপরতা বৃদ্ধি করেছিল। গত বছরে ছোট অস্ত্রের পাশাপাশি বড় ধরনের অস্ত্র দেশে আনা হয়েছে। এই অস্ত্রের পরিমাণ কত হতে পারে তার কোনো পরিসংখ্যান না থাকলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অবৈধ পথে আসা সকল অস্ত্র জব্দ করা সম্ভব না।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, একাধিক প্রভাবশালী চক্র জড়িত রয়েছে অস্ত্র আমদানিতে। দেশের বাইরে থেকে আমদানি করা বিভিন্ন অস্ত্র চট্টগ্রাম হয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকা ও ভারতে পাঠায় একটি চক্র। আবার ভারত থেকেও অবৈধ অস্ত্র আমদানি করে তারা। অস্ত্রগুলো চড়া দামে বিক্রি হয় দেশের বাজারে। সীমান্ত এলাকার দর্শনা, শাঁকারা, চাঁপাই নবাবগঞ্জ, যশোর সীমান্ত এলাকা থেকে মূলত ফল ও বিভিন্ন ধরনের পণ্যের ট্রাকসহ নানা মাধ্যমে আনা হয় অবৈধ অস্ত্রের চালান। ছোট অস্ত্রগুলো পাচার করতে তেমন বেগ পেতে হয় না চক্রের সদস্যদের। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে বিভিন্ন সবজি ও মৌসুমি ফলের ভেতরে ঢুকিয়েও পাচার করা হয় অস্ত্র। সীমান্ত এলাকা থেকে রাজধানীতে ঢুকতে প্রতিটি অস্ত্রের পরিবহন ব্যয় হয় পাঁচ-সাত হাজার টাকা। আন্ডারগ্রাউন্ডের এসব অস্ত্রের বেশির ভাগই ভারত, ইতালি, চিন, ব্রাজিল, আমেরিকা, জার্মানি ও আর্মেনিয়ার তৈরি।
গোয়েন্দারা জানান, ছোট অস্ত্রগুলো ধরতে বেশ বেগ পেতে হয়। অস্ত্র তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আনা হয়। মূল হোতারা থাকে ধরাছোঁয়ার বাইরে। অস্ত্র চোরাচালান আটক হলেও মূল ব্যবসায়ীদের পরিচয় পর্যন্ত উদঘাটন করা দুষ্কর হয়ে যায়। আখের ট্রাকে, পেঁপে ও তরমুজের ভেতরে ঢুকিয়ে অস্ত্র আনা হয়। এমনকি কাঁচা তরকারির গাড়িতে, শিশুদের স্কুলব্যাগে, বাসের সিটের নিচসহ নানা কৌশলে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সন্দেহ এড়াতে অস্ত্র চোরাকারবারিরা নারীদেরকেও ব্যবহার করে। শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে বিশেষভাবে ছোট অস্ত্রগুলো রেখে তা পরিবহন করছে।
গত বছরে বিপুল মাদক জব্দ করেছে বিজিবি। জব্দকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে ১,২৬,৫৮,৫১৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩,৫৯,১৫০ বোতল ফেনসিডিল, ৭৯,২৮৬ বোতল বিদেশি মদ, ৪,৬০৮ লিটার বাংলা মদ, ৩৬,৪৩৫ ক্যান বিয়ার, ১৩,৬৮২ কেজি গাঁজা, ৩৩ কেজি ৩৫১ গ্রাম হেরোইন, ৮,৩৪,৬৯৫ পিস এনেগ্রা-সেনেগ্রা ট্যাবলেট, ১৯,৪৪৮টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন এবং ৪৭,০৩,৮২৪ পিস অন্যান্য ট্যাবলেট। বিজিবি’র অভিযানে মাদক পাচারসহ অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ২,৭০৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অস্ত্রের মতো একই কায়দায় আনা হচ্ছে মাদক। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা জানান, অনেক সময় ওপার থেকে বস্তায় ভরে তারকাঁটার ওপর দিয়ে মাদক এপারে পাঠিয়ে দেয় চক্রের সদস্যরা। এরকম নানা কৌশলে আসছে অস্ত্র ও মাদক।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সমাজবিজ্ঞানী তৌহিদুল হক বলেন, আধিপত্য বিস্তার ও রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের জন্য বেশির ভাগ অবৈধ অস্ত্র দেশে আনা হচ্ছে। এছাড়াও ছিনতাইকারী, জঙ্গি ও ডাকাতদের হাতে এসব অবৈধ অস্ত্র চলে যাচ্ছে। এজন্য প্রথমেই রাজনৈতিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দকে এক্ষেত্রে দলের নেতাকর্মীদের কঠোর নির্দেশনা দিতে হবে। কেউ যেন অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার না করে। পাশাপাশি রাষ্ট্রকে নিরাপত্তা দিতে হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। সবাই সচেতনভাবে দেশপ্রেম নিয়ে এগিয়ে গেলে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক প্রতিরোধ সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচনের ফলকে কীভাবে দেখছেন ভারতীয় গবেষকরা?

তাদের একজনের কথা: 'এ নির্বাচনে রিগিং না হলেও বিরোধীরা কম আসনই পেতেন, কিন্তু তার সংখ্যা সাত হতো না।'
দিল্লিতে এলেই বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা যে থিঙ্কট্যাঙ্কগুলোতে নিয়মিত যান, এমন একাধিক প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা বিবিসিকে বলছেন এ কথাই - যার সাথে এ ব্যাপারে ভারতের সরকারি অবস্থান পুরোপুরি মেলে না।
ওই বিতর্কিত নির্বাচনের পর প্রথম যে বিদেশি সরকারপ্রধান প্রধানমন্ত্রী টেলিফোনে শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন, তিনি নরেন্দ্র মোদী।
সেটাকে বাংলাদেশ নির্বাচনী গ্রহণযোগ্যতার স্বীকৃতি হিসেবেই তুলে ধরেছে। তবে ভারতের শীর্ষস্থানীয় স্ট্র্যাটেজিক থিঙ্কট্যাঙ্কগুলোর বিশ্লেষণ কিন্তু দিল্লির এই সরকারি অবস্থানের সঙ্গে পুরোপুরি মিলছে না।
দিল্লির অন্যতম প্রধান দুটি থিঙ্কট্যাঙ্ক বিবেকানন্দ ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ও অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন - বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দলের রাজনীতিবিদরা ভারত সফরে এলেও তাদের প্রায়শই এই দুটি গবেষণাকেন্দ্রে আলোচনায় অংশ নিতে দেখা যায়।
উভয় প্রতিষ্ঠানই সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে চলে - তবে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নির্বাচন নিয়ে তাদের মূল্যায়ন কিন্তু রীতিমতো সমালোচনামূলক।
বিবেকানন্দ ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ফেলো শ্রীরাধা দত্ত যেমন পরিষ্কার বলছেন, বাংলাদেশে বিরোধী জোট হয়তো এমনিতেও ক্ষমতায় আসতে পারত না - কিন্তু নির্বাচনী কারচুপির কারণেই তাদের আসন সংখ্যা এতটা কম হয়েছে।
তার কথায়, "রিগিং তো হয়েছে একশোবার - ভোটে রিগিং না-হলেও অবশ্য বিরোধীরা কম আসনই পেতেন, কিন্তু এরকম হাস্যকর সাতটা আসনে এসে তারা ঠেকতেন না।"
"আসলে যদি ধরি বাংলাদেশে এক-তৃতীয়াংশ আওয়ামী লীগের, এক-তৃতীয়াংশ বিএনপির কমিটেড ভোট - আর বাকিটা সুইং ভোট, যার মধ্যে এবার প্রচুর তরুণ ভোটার ছিলেন - সেই সুইং ভোটটা শেখ হাসিনা এবার একেবারেই বিরোধী জোটের দিকে যেতে দেননি!"
"তা ছাড়া বিরোধী জোটে নেতৃত্বের সঙ্কটও ছিল প্রবলভাবে। তাদের প্রধান নেত্রী জেলে, তার ছেলে লন্ডনে - আর কামাল হোসেন যতই আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জুরিস্ট হোন তাকে দেখে দেশের মানুষ ভোট দেয় না" , বলছিলেন শ্রীরাধা দত্ত।
ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপির আদর্শিক অভিভাবক বলে যাদের ধরা হয়, সেই আরএসএসের মুখপত্র 'দ্য অর্গানাইজারে'ও এই বিষয়ে একটি নিবন্ধ লিখেছেন ড: দত্ত।
সেখানেও তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, এই ধরনের একতরফা নির্বাচন স্বল্পমেয়াদে ভারতের স্বার্থ রক্ষা করলেও দীর্ঘমেয়াদে কিন্তু বিপর্যয় বয়ে আনতে পারে।
অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ফেলো জয়িতা ভট্টাচার্যর আবার ধারণা ভোটের ফল বেশ আশ্চর্যজনক হলেও বাংলাদেশের মানুষ আসলে আওয়ামী লীগের উন্নয়নের ন্যারেটিভটাই গ্রহণ করেছে।
তিনি বিবিসিকে বলছিলেন, "শেখ হাসিনা যেরকম বিপুল গরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন, ৯৫ শতাংশরও বেশি আসন পেয়েছেন সেটা সবাইকেই আশ্চর্য করেছে কোনও সন্দেহ নেই।"
"তবে আমাদের যেটা মনে হয়েছে, বাংলাদেশের মানুষ স্থিতিশীলতাই চান - এবং তাদের দেশ অর্থনৈতিক উন্নতির যে ধারায় এগিয়ে চলেছে সেটাকে তারা কোনওভাবে ডিসটার্ব করতে চান না। ২০১৪ সালের পর থেকে আসলে সেদেশের মানুষের রাজনৈতিক ফোকাসটাই বদলে গেছে।"
"তা ছাড়া বিরোধী জোট শক্তিশালী হলে তারা সরকারের সামনে যে ধরনের চ্যালেঞ্জ খাড়া করতে পারত তার ছিটেফোঁটা ক্ষমতাও এখন তাদের নেই। ফলে শেখ হাসিনা আরও অন্তত পাঁচ বছর নিশ্চিন্তে সরকার চালাতে পারবেন বলেই মনে হচ্ছে", বলছিলেন মিস ভট্টাচার্য।
সুতরাং বিরোধী জোটের দুর্বলতার কারণে শেখ হাসিনা সরকার এবারেও অনায়াসে মেয়াদ পূর্ণ করতে পারবে বলেই ভারতীয় গবেষকদের ধারণা।
কিন্তু ৩০শে ডিসেম্বরের নির্বাচনকে ঘিরে অনেক প্রশ্ন থাকলেও ভারত যেভাবে আগ বাড়িয়ে ও তড়িঘড়ি চীনেরও আগে সেটাকে স্বীকৃতি দিয়েছে, শ্রীরাধা দত্ত সেটাকে সমর্থন করতে পারছেন না।
"আমি তো বলব এটা একটা অদ্ভুত সিদ্ধান্ত - আমরা সবাই জানি এটা একটা একতরফা নির্বাচন - তারপরও যেভাবে চীনকে টেক্কা দিতে আমরা আগেভাগে তাকে বৈধতা দিতে গেলাম সেটা আমি তো বলব বেশ বাড়াবাড়িই হয়েছে।"
"২০১৪ সালের নির্বাচনের পরও আমরা শেখ হাসিনার সঙ্গে ঠিক একই জিনিসই করেছিলাম", বলছিলেন ড: দত্ত।
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নির্বাচন যে বিতর্কমুক্ত নয়, সে কথা স্বীকার করেছে দিল্লির আর একটি থিঙ্কট্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট অব ডিফেন্স স্টাডিজ অ্যান্ড অ্যানালিসিসও।
তাদের মন্তব্য প্রতিবেদেনও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের গণতন্ত্র আসলে আজ অবধি এমন একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনই গড়ে তুলতে পারেনি যাকে কোনও বিরোধী দল ভরসা করতে পারে।
তবে নির্বাচন যতই ত্রুটিপূর্ণ হোক, ঢাকার ক্ষমতায় শেখ হাসিনাই যে ভারতের জন্য সেরা বাজি ও একমাত্র অপশন - তা নিয়ে এই থিঙ্কট্যাঙ্কগুলোর মধ্যে কোনও মতবিরোধ নেই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কানাডায় পাল্টে যাওয়া জীবন সৌদি টিনেজার রাহাফের

এখন তিনি পরিচিত হবেন শুধু রাহাফ মোহাম্মদ নামে। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন ডেইলি মেইল।
রাহাফ মোহাম্মদকে তার পরিবার ধর্ম ত্যাগ করার কারণে হত্যা করতে চায়- এমন অভিযোগ করে পালিয়ে তিনি চলে যান থাইল্যান্ডে। সেখান থেকে তার যাওয়ার কথা ছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু তার পিতা সৌদি আরবের হেইল প্রদেশের গভর্নর। ফলে কূটনৈতিক সুবিধা ব্যবহার করে রাহাফের পাসপোর্ট ও ভ্রমণ সংক্রান্ত কাগজপত্র জব্দ করান তিনি। তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা চলতে থাকে। কিন্তু বেঁকে বসেন রাহাফ। তিনি হোটেলে নিজেকে অবরুদ্ধ করে রেখে তৃতীয় কোনো দেশে আশ্রয় প্রার্থনা করেন। এক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যকে বেছে নেন। পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। তারা তাকে শরণার্থীর মর্যাদা দেয়। এরপর তাদের আহ্বানে কানাডা রাহাফকে আশ্রয় দেয়। রাহাফ সিউল থেকে কানাডার উদ্দেশে উড়াল দেন। তাকে কানাডায় গ্রহণ করেন সেদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর শুরু হয় মুক্ত পরিবেশে রাহাফের নতুন জীবন। সেখানে তাকে দেখা গেছে শীতের গরম কাপড় পরে আছেন। তবে তাতে শরীরের নিম্ন অংশের অর্থাৎ হাঁটু বেরিয়ে আছে। তাকে দেয়া হয়েছে টেলিফোন সুবিধা। বলা হচ্ছে, সংরক্ষণশীল সৌদি আরবে এমন সব মুক্ত স্বাধীনতা তিনি ভোগ করতে পারতেন না। মঙ্গলবার তিনি সকালের নাস্তার ছবি স্নাপচ্যাটে পোস্ট করেছেন। তাতে রয়েছে কানাডার স্টাইলের বেকন ও ডিম। ক্যাপশনে লিখেছেন ‘ওএমজি বেকন’। সঙ্গে দিয়েছেন হার্টের ইমোজি ও কানাডার পতাকা। সকালে স্টারবাক থেকে কফি পানের ছবিও শেয়ার করেছেন। তাতে তার ওই হাঁটু বের করা ছবি রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের পর যুক্তরাজ্য, বগল বাজাচ্ছেন পুতিন!

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক বিশ্লেষণে এই অভিমত দিয়েছে। সিএনএন বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য এক সময় বিশ্বজুড়ে সমাজতন্ত্র উচ্ছেদে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। স্নায়ুযুদ্ধের ওই সময়ে পৃথিবী ছিল দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে ছিল সমাজতন্ত্র, আরেকদিকে পুঁজিবাদ। সেই ঠোকাঠুকিতে দুই পক্ষই আশপাশের দেশগুলোতে নিজেদের মতবাদ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে।
সিএনএন বলছে, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের আনন্দ ও স্বস্তি ছিল দেখার মতো। সোভিয়েতের পতনের পর প্রায় দুই দশক বৈশ্বিক রাজনীতি ও অর্থনীতি শাসন করেছে এই দুটি দেশ। ইরাক যুদ্ধে মিত্র হিসেবে অংশ নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। এই ‘দোস্তি’ দেখা গেছে পুঁজি ও সাম্রাজ্যবাদের বিকাশেও। এ ক্ষেত্রেও দুই দেশ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একই উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে গেছে।
কিন্তু প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নেতৃত্বে রাশিয়ার যেন পুনর্জাগরণ ঘটেছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, নিজের দেশের অর্থনীতির আসল অবস্থা বিশ্বকে জানতে দেন না পুতিন। গত বছরের নির্বাচনে জয়ের পর একনায়ক হিসেবে নিজের ভিত আরও শক্ত করেছেন পুতিন। এখন আগের সোভিয়েত আমলের ‘প্রভাব’ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন তিনি। আর সেক্ষেত্রে যাদের কাছ থেকে বাধা আসার কথা, তারাই পড়ে গেছে বেকায়দায়। ফলে কঠিন কাজটি বেশ সহজ হয়ে গেছে পুতিনের।
যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের আপত্তি সত্ত্বেও ক্রিমিয়াকে রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত করে ফেলেছেন পুতিন। সেই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সিরিয়া থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় পোয়াবারো পুতিনের। গোল করতে এখন যে আর প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের সঙ্গে লড়তেই হবে না!
লেজেগোবরে অবস্থা যুক্তরাজ্যেরও। যুক্তরাষ্ট্রের মতোই ব্রিটিশ মুলুকে অভ্যন্তরীন রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে। লোকরঞ্জনবাদী ব্যক্তিগত ক্যারিশমা দেখিয়ে ট্রাম্প-থেরেসা দেশের নেতা বনে গেলেও, নেতৃত্বে সফল হতে পারছেন না। নিজেদের দেশেই যাঁদের এই অবস্থা, তাঁরা বিশ্ব রাজনীতির খেলায় আর কি নৈপুণ্য দেখাবেন!
বিশ্লেষকেরা বলছেন, ঠিক এই কারণেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এখন সুবিধাজনক অবস্থায় আছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মতো অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ঝামেলায় তাঁকে ভুগতে হচ্ছে না। দেশ থেকে এখন বিদেশেও ছড়িয়ে পড়ছে পুতিনের ‘লৌহমানব’ মর্যাদা। এভাবে চলতে থাকলে পুতিন তথা রাশিয়া বিশ্ব রাজনীতিতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জুলহাস-তনয় হত্যা: কিলিংমিশনে অংশ নেয়া আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

মনিরুল ইসলাম বলেন, জুলহাস-তনয় হত্যা মামলার অন্যতম হোতা আসাদুল্লাহ।
দীর্ঘ তদন্ত ও গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আমরা নিশ্চিত হয়েছি হত্যাকাণ্ডের সময় ঘটনাস্থলে ছিল সাতজন। এর মধ্যে পাঁচজন ছিলো মূল কিলিং মিশনে। তারা এবিটি’র কিলার গ্রুপের সদস্য। বাকি দুইজন ইন্টেলিজেন্ট গ্রুপের সদস্য। এখন পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দিয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত চারজনের মধ্যে কিলার গ্রুপের দু’জন হচ্ছে আসাদুল্লাহ ও ইতিপূর্বে গ্রেপ্তারকৃত আরাফাত ওরফে শামস ওরফে সিয়াম। গ্রেপ্তার বাকি দু’জন ইন্টেলিজেন্ট গ্রুপের জুবায়ের ওরফে আবু ওমায়ের ও সায়মন ওরফে শাহরিয়ার। তারা সবাই আনসার আল ইসলামের সামরিক শাখার দাওরা প্রশিক্ষক হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করতো বলে জানান ডিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. মনিরুল ইসলাম।
তিনি জানান, জুলহাস মান্নান ও তনয়কে হত্যার পরিকল্পনা গ্রহণ করার পর কলাবাগানের লেকসার্কাসের বাসাটি রেকি করেছিল জঙ্গিরা। ২০১৬ সালের ২৫শে এপ্রিল বিকালে ভুয়া পার্সেল সঙ্গে নিয়ে ওই এলাকায় যায় সাতজন। তারমধ্যে জুলহাস মান্নানের লেক সার্কাসের ওই বাড়িতে ঢুকে পাঁচজন। তখন বাইরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিল দু’জন। পাঁচজনের মধ্যে তিনজন ভুয়া পার্সেল হাতে ছয়তলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় জুলহাসদের ফ্ল্যাটে যায়। বাকি দু’জন বাড়ির নিচ তলায় ছিলো। হত্যাকাণ্ডের সময় বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী পারভেজ মোল্লা উপরে যেতে চাইলে তাকে অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে এই দু’জন। ওই দু’জনের দলে ছিলো আসাদুল্লাহ।
মনিরুল ইসলাম বলেন, আসাদুল্লাহর বাড়ি ঝিনাইদহের মহেশপুরের মদনপুরে। তার বাবা এমদাদুল হক। তিনি চুয়াডাঙ্গার মাধবপুর ইসলামিয়া মাদরাসায় শিক্ষকতা করতেন। গত কিছুদিন ধরে টঙ্গীর মরকুন কবরস্থান গেইট এলাকায় থাকতো আসাদুল্লাহ। এবিটিতে যোগদানের আগে যশোরের নওয়াপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সাথী ছিলো সে। তার পরিবার জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আসাদুল্লাহ ওই এলাকার মদনপুর দাখিল মাদরাসা এবং যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে লেখাপড়া করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল ইসলাম জানান, লেখক-ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন শরীফুল ওরফে মুকুল রানার মাধ্যমে ২০১৫ সালের শেষ দিকে এবিটিতে যোগ দেয় আসাদুল্লাহ। শুরুতে তার সাংগঠনিক নাম ছিলো ফয়সাল। এবিটিতে যোগ দিয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে সে। প্রশিক্ষণের বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে, বাসা ভাড়া নেয়ার পদ্ধতি, নিজেদের নিরাপত্তা, ডে-অ্যাম্বুশ, সম্মানজনক মৃত্যু, চাপাতি চালানো, পিস্তল চালানো, টার্গেট ব্যক্তিকে হত্যা করার আগে রেকি করা এবং হত্যার সময় ও স্থান নির্ধারণ করার পদ্ধতি। এগুলো তাদের সামরিক শাখার প্রশিক্ষণ বলে জানান মনিরুল ইসলাম। আসাদুল্লাহ রাজধানীর বাড্ডা, আশকোনা, গাজীপুরের বিভিন্ন আস্তানায় ও মারকাজে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ২০১৬ সালে উত্তর বাড্ডার সাঁতারকুলে পুলিশের ওপর হামলা করে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়েছিল আসাদুল্লাহ।
২০১৬ সালের ২৫শে এপ্রিল ইউএসএআইডি কর্মকর্তা জুলহাস মান্নান ও তার বন্ধু মাহবুব রাব্বী তনয়কে কুপিয়ে হত্যার পর দ্রুত পালিয়ে যায় জঙ্গিরা। দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় একজনের কাছ থেকে একটি ব্যাগ ছিনিয়ে রাখেন কলাবাগান এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এএসআই মমতাজ। ব্যাগ থেকে একটি পিস্তল, একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও মোবাইলফোন উদ্ধার করা হয়। ঘটনার রাতেই জুলহাসের ভাই মিনহাজ মান্নান বাদী হয়ে অজ্ঞাত পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করে কলাবাগান থানায় হত্যা মামলা করেন। এএসআই মমতাজের ওপর হামলা এবং অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় অপর মামলাটি করেন কলাবাগান থানার এসআই শামীম আহমেদ।
হত্যাকাণ্ডের পর দ্বায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয় আনসার আল ইসলাম। চাঞ্চল্যকর এই মামলাটি প্রথমে তদন্ত করে ডিএমপি’র গোয়েন্দা বিভাগ। পরবর্তীতে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। তদন্তে এই হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন হতে থাকে।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির খালাতো ভাই জুলহাস মান্নান (৩৫)। সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদ্রুত ড্যান মজিনার প্রটোকল কর্মকর্তা ছিলেন তিনি। পরে যোগ দেন উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএইডে। জুলহাস মান্নান সমকামীদের অধিকার নিয়েও কাজ করতেন। সমকামীদের নিয়ে প্রকাশিত সাময়িকী ‘রূপবান’র সম্পাদক ছিলেন। আর মাহবুব রাব্বী তনয় ছিলেন লোকনাট্য দলের কর্মী। পিটিএ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে শিশুদের নাট্য প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করতেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রেক্সিটে তেরেসার হার কী ঘটবে বিলেতে

তখন আরেক অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে বৃটিশরা।
পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠ এমপিদের দল নতুন সরকার গঠন করবে। কিন্তু কোনো পক্ষই যদি সরকার গঠন করতে না পারে তাহলে নতুন জাতীয় নির্বাচনের দিকে ধাবিত হবে বৃটেন। তবে গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, তেরেসা মে’র খসড়া ব্রেক্সিট চুক্তির সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করলেও কনজারভেটিভ পার্টির এমপিরা তার প্রধানমন্ত্রিত্বের প্রতি আস্থাশীল। মঙ্গলবার চেকার্সের ব্রেক্সিট চুক্তির বিপক্ষে ভোট দিলেও কনজারভেটিভ পার্টির কট্টরপন্থি এমপিরা অনাস্থা ভোটে তেরেসা মে’র পক্ষ নিতে পারেন। এরই মধ্যে ডিইউপি ও কনজারভেটিভ দলের কট্টরপন্থি ব্রেক্সিটিয়ার বলে পরিচিতদের অনেকে তাকে সমর্থন দেয়ার কথা জানিয়েছেন। সেক্ষেত্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাস দিয়েছে বৃটিশ দৈনিকটি।
মঙ্গলবার রাতে হাউস অব কমন্সে ১০০ বছরের মধ্যে ভয়াবহতম পরাজয় দেখেছে ক্ষমতাসীন দল। প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’র ব্রেক্সিট চুক্তি বিশাল ভোটের ব্যবধানে প্রত্যাখ্যান করেছেন কমন্স সদস্যরা। এদিন খসড়া ব্রেক্সিট চুক্তি বাতিলের পক্ষে ভোট দেন ৪৩২ এমপি। বিপরীতে তেরেসা মে’র চুক্তির পক্ষে ভোট দেন মাত্র ২০২ এমপি। এমনকি ক্ষমতাসীন দলেরও শতাধিক এমপি চেকার্সের খসড়া প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। ফলে ২৩০ ভোটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হন প্রধানমন্ত্রী। এর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বিরোধী লেবার দলের নেতা জেরেমি করবিন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট আহ্বান করেছেন।
এর মধ্য দিয়ে তিনি ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভদের ক্ষমতাচ্যুত করার প্রয়াস নিয়েছেন। আর যদি তাতে সফল হন, তাহলে তিনি আশা করছেন নিজের হাতেই উঠবে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের চাবি। তেরেসা মে’র ব্রেক্সিট চুক্তি প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর তিনি পার্লামেন্টে বলেছেন, মঙ্গলবারের ভোট হলো ১৯২০-এর দশক থেকে হাউস অব কমন্সের ইতিহাসে কোনো সরকারের সবচেয়ে বড় পরাজয়। এটা হলো সরকারের জন্য বিপর্যয়কর পরাজয়। তিনি আরো বলেন, দুই বছরের ব্যর্থ সমঝোতা শেষে হাউস অব কমন্স ব্রেক্সিট চুক্তিতে তার রায় দিয়ে দিয়েছে। আর এই রায় চূড়ান্ত।
এই চ্যালেঞ্জে যদি জেরেমি করবিন বিজয়ী হন তাহলে তার মধ্য দিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’কে তার দায়িত্ব থেকে বিদায় নেয়ার বার্তা দিতে পারেন। এর মধ্য দিয়ে নতুন জাতীয় নির্বাচনের পথ তৈরি হবে। মঙ্গলবার রাতে প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্টে হেরে যাওয়ার পরে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে লেবার দলের পক্ষ থেকে জেরেমি করবিনের ওপর প্রচণ্ড চাপ ছিল। তিনি তেরেসা মে’র বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট ডাকার হুমকি দিয়েছিলেন গত মাসেই। কিন্তু সমালোচকরা একে বাঁকা চোখে দেখার পর তিনি ইউ-টার্ন নেন।
কোনো প্রধানমন্ত্রীকে বিজয়ী হয়ে ক্ষমতা ধরে রাখতে হলে অবশ্যই হাউস অব কমন্সে এ ভোটে বিজয়ী হতে হয়। একেই আস্থা ভোট বলে। যদি তিনি পরাজিত হন তাহলে তার বিদায় ঘণ্টা বেজে যায়। তেরেসা মে’ মঙ্গলবার রাতে ব্রেক্সিট ভোটে হেরে যান বিশাল ভোটের ব্যবধানে। সম্ভবত এটাকেই উত্তম সুযোগ হিসেবে নিয়েছেন বিরোধী নেতা জেরেমি করবিন। তিনি মনে করেছেন, যেহেতু বিপুল সংখ্যক এমপি তেরেসা মে’র বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন, তাই তারা তার প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করতে পারেন। আগেই অনাস্থা ভোট ডাকার কথা ছিল করবিনের। কিন্তু তিনি অপেক্ষা করছিলেন। অপেক্ষা করছিলেন একটি উপযুক্ত সময়ের জন্য, যখন তিনি জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত হবেন।
তাহলে কি তেরেসা মে’র বিদায় নিশ্চিত? সম্ভবত না। কারণ, কনজারভেটিভ দলের সমর্থন ছাড়া শুধু লেবার পার্টি ও অন্য বিরোধীরা সম্ভবত বিজয়ী হতে পারবে না। ঐতিহাসিকভাবে অনাস্থা ভোটে হেরে গেলে প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’র জন্য পদত্যাগের ঘণ্টা বেজে যাবে। সামনে চলে আসবে একটি জাতীয় নির্বাচন। এমনটা ঘটেছিল ১৯৭৯ সালে সর্বশেষ। ওই সময় জেম ক্যালাগান ৩১১-৩১০ ভোটে হেরে যান। ফলে তাকে পদত্যাগ করতে হয়। এর ফলে নির্বাচন আসে। সেই নির্বাচনে বিজয়ী হন মার্গারেট থ্যাচার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
January
(487)
-
▼
Jan 17
(15)
- তথ্য জানতে চাওয়ার জবাবে পেলেন ব্যবহৃত কনডম
- কে কী বলছে, এসবে আমি চিন্তিত না: মৌসুমী
- ড্যান্সবারে ড্যান্স ও পানীয় একসঙ্গে চলতে পারে: ভার...
- এখনও শপথ নেন নি বিএনপি সহ অন্য দলের ৮ এমপি -রয়টার্...
- মদ্যপের কাছে ছাড় পেলো না গর্ভবতী ছাগলও!
- যেভাবে জিতে গেলেন তেরেসা মে
- বাংলাদেশে ‘প্রহসনের নির্বাচন’
- দিল্লির গবেষক–বিশ্লেষকদের মত: বাংলাদেশের নির্বাচন ...
- স্বার্থ রেখে একসঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করুন: থেরেসা মে
- সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে মাদক, অস্ত্র, জড়িত শতাধিক সিন্ড...
- নির্বাচনের ফলকে কীভাবে দেখছেন ভারতীয় গবেষকরা?
- কানাডায় পাল্টে যাওয়া জীবন সৌদি টিনেজার রাহাফের
- যুক্তরাষ্ট্রের পর যুক্তরাজ্য, বগল বাজাচ্ছেন পুতিন!
- জুলহাস-তনয় হত্যা: কিলিংমিশনে অংশ নেয়া আসাদুল্লাহ গ...
- ব্রেক্সিটে তেরেসার হার কী ঘটবে বিলেতে
-
▼
Jan 17
(15)
-
▼
January
(487)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...