Sunday, June 17, 2018
‘হেক্সা’ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে ব্রাজিলের শুরু

রাশিয়ার ফুটবল মহাযজ্ঞের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড। শক্তি ও সাফল্যের দিক থেকে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা অনেকটা এগিয়ে থাকলেও সুইসরা প্রস্তুত তাদের কঠিন চ্যালেঞ্জ দিতে। রোস্তভে তাই উত্তেজনাকর এক ম্যাচই মঞ্চায়িত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সময় রবিবার দিবাগত রাত ১২টায়। ম্যাচটি সরাসরি দেখা যাবে বিটিভি, মাছরাঙা, টেন টু ও টেন থ্রি চ্যানেলে।
২০১৪ বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ায় স্বপ্নটা অনেক বড় ছিল ব্রাজিলিয়ানদের। ঘরের মাঠের বিশ্বকাপ জিতে ১৯৫০ সালের মারাকানো ট্র্যাজেডি ভুলতে চেয়েছিল তারা। যদিও জার্মানির বিপক্ষে ৭-১ গোলের হারের লজ্জায় ডুবতে হয় তাদের। মিনেইরোর ওই সেমিফাইনালের দুঃখ ভুলতে রাশিয়ার আসরে নামতে যাচ্ছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
আর এই স্বপ্নটা তাদের নেইমারকে কেন্দ্র করে। এই ফরোয়ার্ডকে ঘিরেই ‘হেক্সা’ জয়ের আশা সাম্বার দেশের মানুষের। বিশ্বকাপে নামার আগে চোট কাটিয়ে ফিরেছেন তিনি চেনা রূপে। ক্রোয়েশিয়া ও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে লক্ষ্যভেদ করে জানান দিয়েছেন, তিনি প্রস্তুত ফুটবলের মহাউৎসবে নামতে।
লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছে ব্রাজিল। কনবেমল অঞ্চল থেকে তো বটেই, সবার আগে রাশিয়ার টিকিট পায় সেলেসাও। তিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চলছে সাফল্যের গাড়ি। ২০১৬ সালে দায়িত্ব নিয়ে গোছানো এক দল নিয়েই বিশ্বকাপ মিশনে গেছেন তিনি। অভিজ্ঞ ও তারুণ্যের মিশেলে দুর্দান্ত এক স্কোয়াড গড়েছেন ৫৭ বছর বয়সী এই কোচ।
স্কোয়াডে থাকা মাত্র ছয় খেলোয়াড়ের অভিজ্ঞতা আছে ঘরের মাঠের বিশ্বকাপ খেলার। তবে রাশিয়ায় যারা নতুন যোগ হয়েছেন, তারাও নিজেদের পজিশনে বিশ্বমানের। মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগ তাদের দুর্দান্ত। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের একাদশে মাঝমাঠে কাসেমিরো, ফিলিপে কৌতিনিয়ো ও পাউলিনিয়োকে দেখার সম্ভাবনাই বেশি। তাদের উপরে আক্রমণভাগে নেইমার ও গাব্রিয়েল জেজুসের সঙ্গে হয়তো থাকবেন উইলিয়ান। সেন্টার ব্যাকে থিয়গো সিলভা ও মিরান্দার সঙ্গে লেফট ব্যাকে তিতের প্রথম পছন্দ অধিনায়ক মার্সেলো। রাইট ব্যাকে দেখা যাবে হয়তো দানিলোকে। আর গোলবারের নিচে দায়িত্বে থাকবেন আলিসন।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচটা সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। আর সেটা ব্রাজিলিয়ানরা বোঝে খুব ভালো করে। সে কারণেই ১৯৩৪ সালে ইতালির বিশ্বকাপ থেকে গত আসর পর্যন্ত উদ্বোধনী ম্যাচে কখনও হারের মুখ দেখেনি পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। এই প্রথম ম্যাচ থেকেই আবার অনুপ্রেরণা খুঁজতে পারে সুইজারল্যান্ড। ২০১০ সালের বিশ্বকাপটা তাদের স্মৃতির মণিকোঠায় সাজানো আছে। দক্ষিণ আফ্রিকার ওই আসরে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে সুইসরা হারিয়ে দিয়েছিল স্পেনকে, যারা চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ করে বিশ্বকাপ।
ব্রাজিলের আসরটা খুব একটা খারাপ কাটেনি সুইজারল্যান্ডের। শেষ ষোলোতে তারা আর্জেন্টিনার বিপক্ষে হেরেছিল অতিরিক্ত সময়ে। তাছাড়া ইউরোপ অঞ্চলের বাছাইয়েও দারুণ সময় পার করেছে ‘লা নাতি’রা। ‘বি’ গ্রুপে পর্তুগালের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে খেলে প্লে অফে নিশ্চিত করে রাশিয়ার টিকিট।
রোস্তভে তাই উত্তেজনাকর এক ম্যাচই অপেক্ষা করছে ফুটবল বিশ্বের জন্য। ফুটবলপ্রেমীরা তৈরি তো?
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুলিতে নিহত রেহেনা ১৭ ঘণ্টা নিখোঁজ ছিল by আতাউর রহমান জুয়েল

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল ইসলাম জানান, রেহেনার বিরুদ্ধে মাদক আইনে ১০টি মামলা রয়েছে এবং সে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের একজন। রেহেনাকে ‘ইয়াবা সম্রাজ্ঞী’ হিসেবেই সবাই চেনে। যদিও পরিবারের দাবি, রেহেনার বিরুদ্ধে থানায় ২টি মামলা আছে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের এক মামলায় ৫/৬ বছর আগে এক বছর সাজা খেটে কারাগার থেকে বের হয়ে এসেছিল সে।
স্থানীয়রা জানান, সানকিপাড়া বাইলেনের মরহুম আজিজুল হকের স্ত্রী রেহেনা বেগম। এই দম্পতির একমাত্র কন্যা আজেদা বেগম। গত দুই বছর আগে রেহেনার স্বামী আজিজুল হক ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মারা যান। রেহেনা গত ১৫ বছর ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। একাধিকবার সে পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তাদের হাতে গ্রেফতার হয়েছে।শুরুতে গাঁজা ও হেরোইনের ব্যবসা করলেও ইয়াবা বাজারে আসার পর ইয়াবা ব্যবসা শুরু করে রেহানা।
প্রতিবেশী রেনুয়ারা বেগম জানান, দুই বছর আগে সানকিপাড়ার গন্ধ্রপা এলাকায় জমি কিনে বাড়ি করে সেখানে বসবাস শুরু করে রেহেনা। সানকিপাড়ার পুরনো বাসায় তার মেয়ে আজেদা বেগম স্বামীকে নিয়ে থাকেন। শনিবার বিকাল ৪টার দিকে ৫/৬টি মোটর সাইকেলে এসে ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে রেহেনাকে অটোরিকশা করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর আর কিছু তারা বলতে পারেন না।
এদিকে রেহেনার মেয়ে আজেদা বেগম জানান, তার মায়ের বিরুদ্ধে থানায় ২টি মামলা আছে। ওই মামলায় তিনি জামিনে ছিলেন এবং আদালতে নিয়মিত হাজিরা দেন। আজেদা আরও জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের এক মামলায় ৫/৬ বছর আগে তার মায়ের এক বছর সাজা হয়েছিল এবং সাজা খেটে কারাগার থেকে বের হয়ে এসেছেন। এরপর থেকে তার মা আর মাদক ব্যবসা করতো না বলেও দাবি করেন মেয়ে আজেদা বেগম।
আজেদা আরও বলেন, ‘শনিবার ঈদের দিন বিকাল ৪টার দিকে মোটর সাইকেলে করে এসে ডিবি পুলিশের পরিচয়ে বাসার সামনের রাস্তা থেকে তার মাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে শনিবার রাত ৮টার দিকে ডিবি অফিসে মায়ের খোঁজ নিতে গেলে পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, রেহেনা নামে কাউকে আটক করে আনা হয়নি। মায়ের কোনও হদিস না পেয়ে আমরা বাসায় ফিরে আসি। রবিবার সকাল ৯টার সময় জানতে পারি গন্ধ্রপা এলাকায় খড়ের ডিবির পাশে মায়ের গুলিবিদ্ধ মরদেহ পড়ে আছে। পরে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে গিয়ে মায়ের মরদেহ শনাক্ত করি।’
এবিষয়ে জেলা গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)এর ওসি আশিকুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, রেহেনা বেগমকে তারা তুলে আনেননি এবং এ বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না। ওসি আরও জানান, রেহেনা বেগম পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের একজন।
ময়মনসিংহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপপরিচালক পরিতোষ কুমার কুন্ডু জানান, রেহেনার বিরুদ্ধে মাদক আইনে ৫/৬টি মামলা আছে। এর আগে একটি মামলায় এক বছর সাজা খেটে কারাগার থেকে বের হয়ে এসেছে রেহেনা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাতিসংঘের ‘ইসরায়েলবিরোধী’ মানবাধিকার কাউন্সিল ছাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র!

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অ্যাকটিভিস্ট ও কূটনীতিক সূত্রকে উদ্ধৃত করে গার্ডিয়ান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ‘ইসরায়েলবিদ্বেষী’ ভূমিকাকে কারণ দেখিয়ে তারা কমিশন থেকে সরে যেতে পারে। জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৬ সালে। প্রতিষ্ঠার পর দখলীকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক আইনবিরোধী অনৈতিক দখলদারিত্ব ও নিপীড়নকে এর আলোচ্যসূচির স্থায়ী বিষয়বস্তু হিসেবে রেখেছে ওই কাউন্সিল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশা, কাউন্সিল তাদের অবস্থান থেকে সরে এসে ইসরায়েলি দখলদারিত্বকে তাদের স্থায়ী আলোচ্যসূচি থেকে বাদ দেবে। বুশ প্রশাসনের সময় প্রতিষ্ঠা-পরবর্তী ৩ বছরের জন্য যুক্তরাষ্ট্র কাউন্সিলের সঙ্গে সম্পর্ক রাখেনি। তবে ওবামা শাসনামলে ২০০৯ সালে ওয়াশিংটন কাউন্সিলের সঙ্গে যুক্ত হয়।
ফিলিস্তিনের ভূমি দখল করে ১৯৪৮ সালের ১৫ মে প্রতিষ্ঠিত হয় ইসরায়েল নামের রাষ্ট্র। ১৯৭৬ সালের ৩০ মার্চ ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে ইহুদি বসতি নির্মাণের প্রতিবাদ করায় ছয় ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়। পরের বছর থেকেই ৩০ মার্চ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত পরবর্তী ছয় সপ্তাহকে ভূমি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে ফিলিস্তিনিরা। গ্রেট রিটার্ন মার্চ নামে অনুষ্ঠিত এবারের সেই বিক্ষোভ কর্মসূচির শেষদিনের আগে (১৪ মে) জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ জোরালো হয়ে উঠলে একদিনেই ৬৫ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী। ৪৭ সদস্যবিশিষ্ট জাতিসংঘ মানবাধিকার প্যানেল গত মাসের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর ওই হত্যাযজ্ঞের তদন্তের পক্ষে অবস্থান নেয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জন্মত্রুটিজনিত গর্ভপাতকে নাৎসিবাদী প্রবণতা আখ্যা দিলেন পোপ
গর্ভাবস্থায় বিশেষ পরীক্ষার মাধ্যমে শিশুর জন্মত্রুটি শনাক্ত করা হয়ে থাকে যেন গর্ভপাতের মধ্য দিয়ে ত্রুটিযুক্ত শিশুর জন্ম ঠেকানো যায়। শনিবার (১৬ জুন) কনফেডারেশন অব ইতালিয়ান ফ্যামিলি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে জন্মত্রুটিজনিত গর্ভপাতের সঙ্গে নাৎসিদের শুদ্ধি অভিযানের তুলনা করেন ফ্রান্সিস। তার মতে, দুর্বলদের বিনাশের মধ্য দিয়ে নাৎসিরা যে জাতিগত শুদ্ধি অভিযান চালিয়েছিল, এটি তারই সমতুল্য। পোপ বলেন, ‘শিশুরা যেভাবে পৃথিবীতে আসে, ঈশ্বর যেভাবে তাদের পাঠান, ঈশ্বর যেভাবে তাদেরকে অনুমোদন করেন, তাদেরকে সেভাবেই আমাদের গ্রহণ করা উচিত; এমনকি তারা যদি অসুস্থ হয়, তখনও।
বর্ণবাদী ইহুদি বিদ্বেষকে প্রচারণার মূল অস্ত্র বানিয়ে হিটলার জার্মানিতে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন জাত্যাভিমান। জার্মান জনগণ সে সময় নর্ডিক জাতি হিসেবে পরিচিতিপ্রাপ্ত হয় এবং নিজেদের আর্য জাতির বিশুদ্ধ উত্তরসূরি হিসেবে ভাবতে শুরু করে। ৩০ এর দশকে নাৎসি শাসনামলে ‘সুপ্রজনন কর্মসূচি’র আওতায় ইহুদি এবং অন্যান্য সম্প্রদায় ও জাতিগোষ্ঠীর কয়েক লাখ মানুষের জোরপূর্বক প্রজনন সক্ষমতা নষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী প্রজন্মে শারীরিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশু জন্ম রোধে লাখো মানুষকে হত্যাও করা হয়েছিল সে সময়।
জন্ম পূর্ববর্তী ভ্রুণের ত্রুটি শনাক্তকরণ পরীক্ষা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে ফ্রান্সিস প্রশ্ন তোলেন, ‘এক্ষেত্রে প্রথম কথা হলো শিশু হত্যার সংস্কৃতির অবসান প্রয়োজন কিনা।’ অপেক্ষাকৃত নিরুদ্বেগ জীবনের জন্য অবুঝ শিশুদের যেনতেনভাবে শেষ করে দেওয়া উচিত কিনা সেই প্রশ্নও তোলেন পোপ। বলেন, ‘আমি মর্মাহত হয়ে বলছি, গত শতাব্দীতে নাৎসিদের জাতিগত শুদ্ধি অভিযানের মধ্য দিয়ে গোটা বিশ্ব কলঙ্কিত হয়েছে। আজ, আমরা বিশেষ সুরক্ষার নামে একই কাজ করছি।'
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের উপকূলে আসতে থাকা জ্বলন্ত জাহাজ আটকে দিলো ভারত

কৃষ্ণাপতনম থেকে রাসায়নিক নিয়ে জাহাজটি কলকাতা বন্দরের দিকে আসছিল। বন্দরে আসার আগে সমুদ্রের যে জায়গায় জাহাজগুলি নোঙর করে থাকে, সেই স্যান্ডহেডে নোঙর করে থাকা অবস্থাতেই ১৪ই জুন মাঝরাতে জাহাজটিতে আগুন লাগে। নৌবাহিনী সূত্রে বিবিসি জানিয়েছে, এমভি কলকাতা নামের জাহাজটি বেশ দ্রুত সুন্দরবন হয়ে বাংলাদেশের দিকে ভেসে যাচ্ছিল। নোঙর করতে পারার ফলে সেটিকে ভারত-বাংলাদেশ সমুদ্র-সীমার ২২ নটিক্যাল মাইল দূরে ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারতীয় নৌবাহিনীর কমোডোর সুপ্রভ কুমার দে বিবিসিকে বলেন, "এখন আর জাহাজটি সমুদ্র-সীমা বা সুন্দরবনের কোর এরিয়ার দিকে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে আমরা চেয়েছিলাম যদি ইঞ্জিন কোনোভাবে চালু করে গভীর সমুদ্রের দিকে নিয়ে যাওয়া যায়।" তিনি জানান, "কিন্তু যখন নৌ-কমান্ডো আর জাহাজটির একজন অফিসার ইঞ্জিন চালু করার চেষ্টা করেন, তখন আবারও বিস্ফোরণ হয়। আগুন ছড়াতে থাকে। সবাই অপারেশন বন্ধ করে দিয়ে চলে আসতে বাধ্য হয়।"
এমভি কলকাতা থেকে তারা কোনও বিপদসংকেত পায় নি। পাশ দিয়ে যাওয়া অন্য জাহাজ কোস্ট-গার্ডকে প্রথমে সতর্ক করে। পরের দিন প্রায় আট ঘণ্টার চেষ্টায় হেলিকপ্টার আর উদ্ধারকারী জাহাজ নিয়ে গিয়ে ২২ জন অফিসার ও নাবিকদের সবাইকে উদ্ধার করা হয়। 'মার্কোজ' নামে পরিচিত নৌবাহিনীর কম্যান্ডোরা জ্বলন্ত জাহাজ থেকে এধরনের উদ্ধার অভিযানের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত। আরব সাগরে মাঝে মাঝেই পণ্যবাহী জাহাজে আগুন লাগলে এই মার্কোজদেরই পাঠানো হয়। শনিবার সকালে হেলিকপ্টার থেকে দড়ি বেঁধে জাহাজে নামিয়ে দেওয়া হয় কম্যান্ডোদের। নোঙর করার পরে জ্বলন্ত জাহাজের ইঞ্জিন চালু করার সময়ে আবারও বিস্ফোরণ হয়। কম্যান্ডোরা রশি বেয়ে হেলিকপ্টারে উঠে আসতে বাধ্য হন।
কমোডোর দে বিবিসিকে জানান, "ঐ অঞ্চলে বেশ জোর হাওয়া বইছে। তাতেই জ্বলন্ত জাহাজটি সুন্দরবনের কোর এরিয়া আর বাংলাদেশের দিকে ভেসে যাচ্ছিল। শুক্রবার বিকেলে জাহাজ কোম্পানি, ভারত সরকারের বাণিজ্যতরী বিভাগ, কোস্ট গার্ড আর কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমরা বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে শনিবার সকালে মার্কোজদের নামিয়ে নোঙর করাটাই হবে আমাদের প্রাথমিক টার্গেট। তারপরে চেষ্টা করা হবে জাহাজটিকে যদি গভীর সমুদ্রের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়া যায়।"
সৌজন্য: বিবিসি বাংলা
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘খালেদা জিয়ার ঘরে বড় বড় ইঁদুর’

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘খালেদা জিয়ার রুমে তেলাপোকা, ছারপোকা—এটা কমন ব্যাপার। আরও আছে বড় বড় বিছা। তিনি তো এসব দেখতে অভ্যস্ত নন।’ তিনি আরও বলেন, ‘পুরনো কারাগারের পরিবেশ নিয়ে অনেকবার বলেছি। একটা পরিত্যক্ত, ঝরাজীর্ণ দেড় শ-দুই শ বছরের পুরনো কারাগারে তাকে রাখা হয়েছে। যেটা কোনও সভ্য সমাজে রাখা হয় না। একেবারেই নিঃসঙ্গ, তিনি ছাড়া কোনও বন্দি সেখানে নেই।’
সরকারের নীতি-নির্ধারকদের উদ্দেশে বিএনপির মহাসচিব বলেন ‘আপনারা খালেদা জিয়ার সঙ্গে এই আচরণ কেন করছেন? এটা তো সভ্য আচরণ নয়। এটা অসভ্য বর্বরদের আচরণ। তিনি একজন রাজনৈতিক বন্দি। তার সঙ্গে রাজনৈতিক আচরণ করুন।’
নিজের কারাজীবনের অভিজ্ঞতার তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘আমি প্রথম ২০১২ সালে কারাগারে যাই। আমার মনে আছে, একটি রুমে আমি ও দাদা (গয়েশ্বর চন্দ্র রায়) ছিলাম। আমাদের পাশের রুমে ছিলেন আন্দালিব পার্থ ও শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী। হঠাৎ রাত্রিবেলা চিৎকার করে উঠেছেন পার্থ, ‘চাচা আমি তো আর বাঁচবো না।’ কেন কী হয়েছে—জানতে চাইলে ‘এত বড় বিছা এখানে।’ সেই পুরো রাতে আন্দালিব পার্থ চৌকির ওপর বসছিলেন। এটা বাস্তবতার কথা বলছি। আপনারা দেখবেন পুরনো ইউরোপের ছবিতে যে চিত্র দেখা যায়, এখানে সেই অবস্থা।’’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কায়কোবাদের দেশে by রাশিম মোল্লা

মহাকবি কায়কোবাদের জন্মভূমি: নবাবগঞ্জের আগলা নামক স্থানে মহাকবি কায়কোবাদ জন্মগ্রহণ করেছিলেন। এই স্থানটিও ঘুরে দেখার মতো। বিশেষ করে যারা মহাকবি সম্পর্কে জানতে চান তারা বেশ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাবেন আগলায় আসলে। তার বাড়ির পাশেই মহাকবি কায়কোবাদ উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। পাশেই রয়েছে পোস্ট অফিস। যেখানে তিনি পোস্ট মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ভাঙা মসজিদ: নবাবগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে নতুন বান্দুরায় অবস্থিত ভাঙা মসজিদ। প্রায় ৫০ শতাংশ জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত তিন গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদটি। তবে মূল ভবন রয়েছে মাত্র ২ শতাংশ জমির ওপর। মসজিদটিতে পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও নামাজের আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে।
মসজিদটিতে এবাদত করতে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন আসেন। প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজে নবাবগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী কয়েকটি থানার কয়েক হাজার নারী-পুরুষ নামাজির সমাগম হয়।
ধারণা করা হয়, তিন গম্বুজবিশিষ্ট ‘ভাঙা মসজিদ’ সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে নির্মিত। সে হিসাবে প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো মসজিদটি নবাবগঞ্জের কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। মসজিদের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে প্রায় ১৬৫ ফুট সুউচ্চ একটি মিনার। মিনারটি ঢাকা দক্ষিণের সবচেয়ে বড় মিনার বলে জানা গেছে।
লোকমুখে প্রচলিত, ১৬০০ শতকে দিল্লি থেকে নদীপথে ঢাকা যাতায়াত করতেন মোগল সুবেদার ইসলাম খান চিশতি। তিনি নৌবহর নিয়ে যমুনা নদী হয়ে পাবনা ও মানিকগঞ্জ অংশে পদ্মা পাড়ি দিয়ে ইছামতী নদী দিয়ে ঢাকা আসতেন। রাতযাপন ও ইবাদত করার জন্য আনুমানিক ১৬১৫ সালে নদীর পাশেই মসজিদটি নির্মাণ করেন তিনি। কালের পরিবর্তনে ইছামতী নদী ভাঙতে ভাঙতে উত্তরদিকে চলে যায়। উল্লেখ্য, ১৬১০ সালে দিল্লির সম্রাট জাহাঙ্গীরের সুবেদার ছিলেন ইসলাম খান চিশতি।
নির্মাণের সময় মসজিদের পাশে কোনো বসতি ছিল না। পুরো এলাকা ছিল বনাঞ্চল। ১৮৮০ সালে হিন্দু জমিদাররা ওইসব বনাঞ্চল পত্তন নেন। তখন সেখানে বসতি স্থাপন করার জন্য বনাঞ্চল কাটা আরম্ভ করে হিন্দুরা। বন কাটতে গিয়ে নজরে আসে এই মসজিদটি। যার ওপরের কিছু অংশ ভাঙা ছিল। সেই থেকেই এই মসজিদের নাম হয় ‘ভাঙা মসজিদ’ বা ‘গায়েবি মসজিদ’।
হাসনাবাদ গির্জা: নবাবগঞ্জের হাসনাবাদে অনেক বিশাল এলাকা নিয়ে গড়ে উঠেছে এই গির্জাটি। গির্জার ভেতরের দিকটা বেশি আকর্ষণীয় এবং সামনে একটি বিশাল খোলা মাঠ রয়েছে। গির্জার পূর্ব পাশে রয়েছে দীঘি। চারপাশ সবুজ গাছগাছালি। পাখির কলতানি। এর সৌন্দর্য হাজারগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। গির্জাটিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে কিছু খ্রিষ্টান মিশনারি ক্যাম্প।
খেলারামদাতার বাড়ি (আন্ধার কোঠা): এটি এক সময় সকলের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। কিন্তু সংস্কার এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এটি এখন প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত। এখনো মাটির উপর দুইতলা একটি জরাজীর্ণ ভবন দেখতে পাবেন। কথিত আছে এই পাঁচতলা ভবনটি এক রাতে তিনতলা পর্যন্ত মাটির নিচে চলে গিয়েছিল। ভবনটির উপরের তলায় একটি বড় চৌবাচ্চা আছে। কথিত আছে জমিদার খেলালামদা এর মা একদিন তার সন্তানের কাছে দুধ খেতে চাইলে সে তার মায়ের জন্য এই চৌবাচ্চা বানানোর নির্দেশ দেন। পরে সেই বিরাট চৌবাচ্চায় দুধ এবং কলা দিয়ে পূর্ণ করে তার মাকে সেই চৌবাচ্চায় নামিয়ে দেন। তার মা সাঁতার কেটে কেটে মনের সাধ মিটিয়ে দুধ খেয়েছিলেন। এই বাড়িটির পাশেও একটি বিরাট পুকুর আছে। কথিত আছে এই পুকুরের পাশে এসে কেউ কিছু চাইলে তার পর দিন তাই মিলে যেত। তবে এসব কাহিনীর সত্যতা কতটুকু তা নিয়ে কোনো সদুত্তর বা প্রমাণ নেই। এক সময় এই ভবনের নিচের তলাগুলোতে সিঁড়ি বেয়ে যাওয়া যেত। কিন্তু সিড়িগুলো ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ায় এখন এর প্রবেশমুখ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এই ভবনের ভেতরে অন্ধকার এতই ঘন যে অতি উজ্জ্বল আলোও এখানে পৌঁছাতে পারে না। এর জন্যই এই ভবনকে আন্ধার কোঠা বলা হয়।
কলাকোপা আনসার ক্যাম্প: জজ বাড়ির কাছেই কলাকোপা আনসার ক্যাম্প অবস্থিত। এটিও একটি দৃষ্টিনন্দন স্থান। ছায়া সুনিবিড় সুন্দর একটি পরিবেশ। পিকনিক স্পট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আনসারদের বসবাসের জন্য অনেক বড় একটি এলাকা নিয়ে গড়ে উঠেছে এই নয়নাভিরাম ক্যাম্পটি।
জজ বাড়ি: এটি নবাবগঞ্জের কলাকোপায় অবস্থিত। একটি সুন্দর বাগান ঘেরা এবং বিশালাকৃতির এই জমিদার বাড়িটি মূলত জজ বাড়ি নামে পরিচিত। বাড়ির পাশেই রয়েছে শাণ বাঁধানো পুকুর। রয়েছে পোষা হরিণের একটি খামার। বাগানের হাজারো রকমের ফুল দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। জমিদার বাড়িটি অতি প্রাচীনকালের ঐতিহ্যবাহী নকশায় তৈরি। যা কিছুক্ষণের জন্য হলেও পুরোনো দিনের কথা মনে করিয়ে দেবে। এই বাড়িটিতে প্রায়ই নাটক এবং চলচিত্রের শুটিং স্পট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
কোকিল প্যারি জমিদার বাড়ি: এই জমিদার বাড়িটি জজ বাড়ির ঠিক পাশেই অবস্থিত। বলা যেতে পারে এটি জজ বাড়ির ওল্ড ভারসন। জজ বাড়ি বিভিন্ন সময়ে সংস্কার করা হলেও এটি রয়ে গেছে সেই আগে যেমনটি ছিল। এই জমিদার বাড়িতেও রয়েছে শত শত দৃষ্টিনন্দন ফুলের গাছ আর বাড়ির ঠিক সামনে রয়েছে বিশালাকৃতির স্বচ্ছ পানির পুকুর। রয়েছে বিশালাকৃতির পুকুর ঘাট।
বৌদ্ধ মন্দির: এই বৌদ্ধ মন্দিরটি কোকিল প্যারি জমিদার বাড়ির ঠিক বাইরে। মন্দিরটির ভেতরে একটি ভাঙা মূর্তি আছে। কথিত আছে ১৯৭১ সালে পাক বাহিনী এই মূর্তিটি ভেঙে রেখে গিয়েছিল। সংস্কারের অভাবে মন্দিরটির দেয়াল খসে খসে পড়ছে।
সাত মাথার মূর্তি: নবাবগঞ্জের মাঝির কান্দা নামক স্থানে অবস্থিত এই সাত মাথার মূর্তি। একটি বিরাট বটগাছের নিচে এই মূর্তিটি নির্মাণ করা করেছে হিন্দু সমপ্রদায়ের লোকজন। প্রতি বছর এই মূর্তিকে ঘিরে পূজা এবং মেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে। এ সময় বিপুলসংখ্যক লোকজনের মিলন ঘটে।
যেভাবে যেতে হবে: রাজধানী গুলিস্তান থেকে এন মল্লিক পরিবহনে নবাবগঞ্জের বান্দুরায় যেতে হবে। প্রায় বিশ মিনিট পরপর বাস ছেড়ে যায়। জনপ্রতি ভাড়া পড়বে ৭০-৮০ টাকা। বাস ছেড়ে দেয়ার এক থেকে দেড় ঘণ্টার মধ্যে নামিয়ে দেবে আগলা মহাকবি কায়কোবাদ স্কুলের সামনে। ঘন্টা খানিক সময় কবির বাড়িতে অতিবাহিত করে অটোগাড়িতে চলে যাবেন বান্দুরায়। নতুন বান্দুরা ভাঙ্গা মসজিদে ঘুরে হাসনাবাদ গির্জায় চলে আসুন। এরপর চলে আসুন কলাকোপায় । নবাবগঞ্জ কিংবা দোহারে কোনো আবাসিক হোটেল নেই। এখানে রাতযাপনের কোনো ব্যবস্থা নেই। সুতরাং, বর্তমানে এক দিনের ভ্রমণ পরিকল্পনাই এখানকার জন্য উপযুক্ত। তাছাড়া ঢাকা থেকে খুব সহজেই দিনে দিনে ঘুরে আসা সম্ভব।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মিরে মানবাধিকার হরণ: জাতিসংঘ কমিশনের প্রতিবেদনে অভিযুক্ত ভারত-পাকিস্তান

মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার জায়েদ রাদ আল হোসেন বলেন, ‘ভারত ও পাকিস্তানের রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও বিবাদ চলছেই। এই সহিংসতা থেকে নেই। আর এই সহিংসতায় লাখ লাখ মানুষ তাদের মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এখন পর্যন্ত এই দুর্দশা চলছে। হাইকমিশনারবলেন, ‘কাশ্মিরে নেওয়া যেকোনও রাজনৈতিক সমাধানের আগে এই সহিংসতা বন্ধ নিশ্চিত করা জরুরি। একইসঙ্গে পূর্বে মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদেরও শাস্তির আওতায় আনতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘আমি জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলকে একটি তদন্ত কমিশন গঠনের আহ্বান জানাই যেটা স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাশ্মিরের মানবাধিকার লঙ্ঘনের তদন্ত করবে।’
সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি কথা উল্লেখ করে জায়েদ হোসেন বলেন, নিরাপত্তা বাহিনীর উচিত সর্বাত্মকভাবে আন্তর্জাতিক আইন মেনে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া। ভবিষ্যতেও যেসকল সহিংসতা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে সেগুলোও দমন করা দরকার। তিনি বলেন, ‘ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে খেয়াল রাখতে হবে যেন অনেকদিন ধরে চলা আসা নিরাপত্তা বাহিনীর জোরপূর্বক বলপ্রয়োগের ঘটনা আর না ঘটে।’ গত দুই বছর ধরেই ভারত ও পাকিস্তানকে এই আহ্বান জানিয়েছে আসছে মানবাধিকার কমিশন। এরপরও সংস্থাটিকে কোনও পক্ষই প্রবেশাধিকার দেয়নি। দূরবর্তী অবস্থান থেকে ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংস্থাটি। প্রতিবেদনটিতে মূলত ২০১৬ সাল থেকে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মিরের মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে। সে বছরই পুলিশের গুলিতে বিদ্রোহী নেতা বুরহান ওয়ানি নিহত হওয়ার পর হাজার হাজার কাশ্মিরবাসী রাজপথে নেমে আসে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী প্রায়ই বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকে। দেশটির সিভিল সোসাইটিকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত অন্তত ১৪৫ জন বেসামরিককে হত্যা করেছে পুলিশ। আর সশস্ত্র গোষ্ঠীর গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে ২০ জন বেসামরিক। ২০১৬ সালে আন্দোলনরত কাশ্মিরিদের ওপর সবচেয়ে ভয়াবহ অস্ত্রের প্রয়োগ করা হয়। সে সময় ব্যবহৃত ছোড়ড়া গুলির প্রয়োগ অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। কর্মকর্তাদের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ১৭ জন। আহত হয়েছেন ৬ হাজার ২২১ জন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীরা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকা ও আইন নিশ্চিত করতে না পারাটাই জম্মু-কাশ্মিরের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ার এক্ট ১৯৯০ ও পাবিলক সেফটি এক্ট ১৯৭৮ এমন একটি আইনি কাঠামো তৈরি করেছে যা স্বাভাবিক আইনপ্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকাররা এতে করে বিপাকে পড়ে যান। এফএসপিএ অনুযায়ী নিরাপত্তা বাহিনীর কোনও সদস্যে বিচার হবে না। এজন্য ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতির প্রয়োজন হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘এতে করে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা যা খুশি তাই করতে পারেন। গত ২৮ বছর ধরে এই আইন বহাল আছে এবং এখন পর্যন্ত একজন সদস্যেরও বিচার হয়নি। এছাড়া কাশ্মিরে বেড়ে চলেছে অপহরণ ও গুমের ঘটনা। এর সঠিক তদন্তও হয় না অনেক সময়। কাশ্মির উপত্যকা ও জম্মুতে পাওয়া গেছে গণকবরও।
যৌন নিপীড়নকারীদেরও এখানে সাজা হয় না। ২৭ বছর আগে আলোড়ন তোলা কুনান-পুসপোরা ধর্ষণের বিচারই এখনও হয়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, বারবার আইনের আশ্রয় নিতে চাইলেও নিপীড়নের শিকারের পরিবার সেটা পায়নি। জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, জম্মু ও কাশ্মিরে ১৯৮০ সাল থেকে কার্যক্রম চালানো সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোও মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। তাদের বিরুদ্ধে অপহরণ, হত্যা ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগও রয়েছে। পাকিস্তান এমন গোষ্ঠীকে সমর্থন করে না দাবি করে আসলও বিশেষজ্ঞদের ধারণা ইসলামাবাদ থেকে তাদের সামরিক সহায়তা করা হয়।
পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরেও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে। বলা হয় এখানে আরও কাঠামোবদ্ধভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়। আজাদ জম্মু ও কাশ্মিরে বাকস্বাধীনতা নেই। শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করারও সুযোগ মেলে না কাশ্মিরবাসীর।

প্রতিবেদনে বলা ইস্যুগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল এই দুই জায়গার সঙ্গে পাকিস্তানের সাংবিধানিক সম্পর্ক। ইতিহাসের শুরু থেকেই আজাদ কাশ্মির পাকিস্তনের নিয়নত্রণে। গিলগিত বালতিস্তানেও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পাকিস্তানের। ফেডারেল গোয়েন্দারাও পুরো অঞ্চলে মোতায়েন রয়েছেন। একটি জাতীয় এনজিওকে উদ্ধৃত করে রিপোর্টে বলা হয়, গিলগিত-বালতিস্তানে আইন ব্যবহার করে শত শত মানুষকে বন্দি করেছে। যারাই মানবাধিকার নিয়ে কথা বলতে গেছে তাদেরই জেলে যেতে হয়েছে। প্রতিবেদনে ভারত ও পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।
পরিস্থিতির উন্নয়নে মানবাধিকার কমিশন কিছু সুপারিশ করে। তা হলো, ভারতের উচিত এএফএসপিএ আইনটি সংস্কার করা, ২০১৬ এর জুলাই থেকে সশস্ত্র বাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত বেসামরিকদের ব্যাপারে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা, হতাহতদের পরিবারের পুনর্বাসন নিশ্চিত করা। প্রতিবেদনে বলা হয়, পিএসএ আইনও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন মেনেই অনুসরণ করা উচিত। প্রশাসনের হাতে যারা আটক, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করতে হবে নয়তো মুক্তি দিতে হবে।
পাকিস্তানের কাছে মানবাধিকার কমিশন আহ্বান জানায় যেন সন্ত্রাস বিরোধী আইনের অপব্যবহার না হয়। শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও সামাজিক কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার জন্য যেন এই আইন ব্যবহার করা না হয়। আজাদ কাশ্মিরের অভ্যন্তরীণ সংবিধানে বাকস্বাধীনতা নেই, করা যায় না শান্তিপূর্ণ আন্দোলন। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন দরকার বলে জানায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন। মত প্রকাশ করতে গিয়ে যদি কোনও রাজনৈতিক কর্মী কিংবা সাংবাদিক আটক হয়ে থাকে তবে তাদেরও মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানায় সংস্থাটি। তারা বলেন, আজাদ কাশ্মির ও গিলতি বালতিস্তানের সংবিধানের সংশোধনী করা প্রয়োজন। আহমেদিয়া মুসলিমদের সংবিধানের মাধ্যমেই ‘অপরাধী’ করে রাখা হয়েছে। সংশোধন প্রয়োজন সেই আইনেরও।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হতে উচ্চ ডিগ্রিধারী ভারতীয়দের ১৫১ বছর অপেক্ষায় থাকতে হতে পারে

১৫১ বছর অপেক্ষা করার বিষয়টি তাদের জন্য প্রযোজ্য তারা ‘উচ্চ ডিগ্রিধারী’ বিভাগে আবেদন করেছেন। ওই বিভাগ ইবি-২ নামে পরিচিত। অথচ দীর্ঘ সময় অপেক্ষার বিষয়টি তাদের জন্য প্রযোজ্য নয় যারা শুধু স্নাতক ডিগ্রিধারী। এমন কি দক্ষ পেশাজীবীদেরও অপেক্ষার প্রহর অতটা দীর্ঘ নয়। ইউএসসিআইসি জানিয়েছে ইবি-১ বিভাগে যারা আবেদন করেছেন তাদের অপেক্ষা করতে হবে ৬ বছর। ইবি অর্থ ‘এমপ্লয়মেন্ট বেজড।’ দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য ওই বিভাগ প্রযোজ্য। এমন আবেদনকারীর সংখ্যা ৩৪ হাজারের বেশি। তাদের সঙ্গে রয়েছেন পরিবারের ৪৮ হাজার সদস্য। ইবি-১ বিভাগের মোট আবেদনকারী ভারতীয়র সংখ্যা ৮৩ হাজার ৫৭৮ জন।
শুধু স্নাতক সম্পন্ন করার পর যারা আবেদন করেছেন তারা ইবি-৩ বিভাগের অন্তর্ভুক্ত। ‘কাটো ইন্সটিটিউট’ জানিয়েছে, এমন আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস ও কাজ করার অনুমতি পেতে ১৭ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করা লাগতে পারে। এপ্রিলের ২০ তারিখ পর্যন্ত ৫৪ হাজারের বেশি ভারতীয় ওই বিভাগে আবেদন করেছেন। আবেদনকারীদের পরিবারের সদস্যদেরসহ ইবি-৩ বিভাগের মোট ভারতীয় আবেদনের সংখ্যা ১ লাখ ১৫ হাজার ২৭৩টি।
বর্তমানে যে আইন আছে তা যদি না পাল্টানো না হয় তাহলে সবচেয়ে বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে ইবি-২ বিভাগের আবেদনকারীদের। তাদের আবেদন অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকবে ১৫১ বছর। ওই বিভাগের আবেদনকারীরা সবাই উচ্চ ডিগ্রিধারী। এমন আবেদনকারীর সংখ্যা ২ লাখের বেশি। তাদের পরিবারের সদস্যদের আবেদনের সংখ্যাও একই পরিমাণ। ইবি-২ বিভাগে থাকা মোট ভারতীয় আবেদনকারীর সংখ্যা ৪ লাখ ৩৩ হাজার ৩৬৮ জন।
মূলত আবেদন মঞ্জুরের ক্ষেত্রে দেশভিত্তিক যে কোটা আছে তার কারণেই উচ্চ ডিগ্রিধারী ভারতীয়দের এমন দীর্ঘ সময় অপেক্ষার ফাঁদে পড়তে হতে পারে। উচ্চ ডিগ্রিধারীদের জন্য দেশ প্রতি ৭ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তাছাড়া এটাও নির্ধারিত যে প্রতিটি বিভাগ থেকে অন্তত ৪ হাজার ৪০টি করে আবেদন মঞ্জুর করা হবে। তবে দেশ প্রতি ৭ শতাংশ কোটার বিষয়টি তখন কার্যকর হয় যখন ওই বিভাগের জন্য বরাদ্দ করা গ্রিন কার্ড শেষ হয়ে যায়। যদি তা না হয়, তাহলে ৭ শতাংশের বেশি আবেদন মঞ্জুর হতে পারে। যে কারণে ২০১৭ সালে বরাদ্দ করা মোট গ্রিন কার্ডের ১৮ শতাংশই ভারতীয় ইবি-৩ বিভাগের আবেদনকারীরা পেয়েছেন। কিন্তু এই সুবিধা উচ্চ ডিগ্রিধারীদের জন্য প্রযোজ্য ইবি-২ বিভাগের ক্ষেত্রে কার্যকর হচ্ছে না। ফলে ওই ভারতীয় আবেদনকারীদের গ্রিন কার্ড পেতে দেড় শতাব্দী পার হয়ে যেত পারে।
গত বছরে মঞ্জুর করা গ্রিন কার্ড আবেদনের হিসেব থেকে দেখা গেছে মাত্র ২ হাজার ৮৭৯ জন উচ্চ ডিগ্রিধারী ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস ও কাজ করার অনুমতি পেয়েছেন। সেখানে দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য প্রযোজ্য ইবি-১ বিভাগে অনুমোদন পেয়েছেন ১৩ হাজার ০৮২ জন। অন্যদিকে শুধু স্নাতক সম্পন্ন করা ভারতীয় আবেদনকারীদের জন্য প্রযোজ্য ইবি-৩ বিভাগে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ৬ হাজার ৬৪১ জনকে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আজ ওদের কথা ভীষণ মনে পড়ছে’
![]() |
| কান্নারত ফেরুজ খাতুন |
কাছে গিয়ে কান্নার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন,‘গত বছর মিয়ানমারে ঈদের স্বামী ও সন্তানদের সাজিয়ে গুজিয়ে ঈদের নামাজের জন্য পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু আজ ওরা নেই। ৮ মাস আগে মিয়ানমার সেনাবাহিনী আমার স্বামী নূর আলম ও তিন বছরের ছেলে নূর খালেদকে গুলি করে হত্যা করে। আজ এই ঈদের দিনে ওদের কথা ভীষণ মনে পড়ছে।’
ফেরুজ খাতুনের বাড়ি মিয়ানমারের কাওয়ারবিল গ্রামে।
শনিবার টেকনাফ-উখিয়ার লেদা, মৌচনি, কাঠমুড়া, বালুখালী, মধুরছড়া, কুতুপালংসহ আরও কয়েকটি রোহিঙ্গা শিবিরে ঘুরে ও খবর নিয়ে জানা গেছে, খোলা আকাশে নিচে রোহিঙ্গারা ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। এসব জামাতে আনন্দের সঙ্গে অংশ নেওয়াদের সংখ্যা ছিল খুবই কম। বেশিরভাগই জামাতে গেছেন বুক ভরা কষ্ট নিয়ে। দেশ হারানো, ভিটে হারানো, বাড়ি-ব্যবসা-সম্পত্তি হারানোর কষ্টের চেয়েও বেশি তাদের স্বজন হারানোর কষ্ট। একবছর আগেও যারা ছিলেন ঈদ জামাতের সাথী, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞে এবার অনেকেই সঙ্গে নেই তাদের। তবে ঈদ উপলক্ষে অনেক রোহিঙ্গাকে নতুন জামা পরে ঘুরে বেড়াতেও দেখা গেছে।
![]() |
| খোলা মাঠে রোহিঙ্গাদের ঈদ জামাত |
এ প্রসঙ্গে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল হাসান বলেন, সব রোহিঙ্গা শিবিরে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদের নামাজ আদায় হয়েছে। কোথাও মিছিল বের হয়েছে কিনা তা জানা নেই। তবে এ বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঈদের জামাত শেষে অসহায় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান রোহিঙ্গা নেতা সৈয়দ আলম। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা খুব বেশি নির্যাতিত জনগোষ্ঠী। এ জনগোষ্ঠীকে নির্বিচারে হত্যা করেছে মিয়ানমার সেনারা। যদি আমরা এ দেশে পালিয়ে না আসতাম তাহলে আমাদের নিশ্চিত মৃত্যু হতো। আমরা আন্তর্জাতিক আদালতে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। আমরা সামনে আমার বড় ভাই দিল আলমকে গুলি করে হত্যা করছে মিয়ানমার সেনারা। অথচ আমি কিছু করতে পারেনি। এ যন্ত্রণা এখনও মনের ভেতর বয়ে চলছে। গত বছর আমরা সবাই ঈদের খুশির আনন্দ ভাগ করেছিলাম। কিন্তু আজ সেই আনন্দ দুঃখের স্মৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবুও আমরা নিজ দেশে ফিরে যেতে চাই।’
তবে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেওয়াসহ জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিতে হবে বলেও দাবি জানান তিনি।
উখিয়া শিবিরের রোহিঙ্গা নারী ফেরুজা খাতুন (৩৫) বলেন, এবারের ঈদ কান্নার মধ্যে যাচ্ছে। কেননা ৮ মাস আগে স্বামী নূর আলম ও ছেলে তিন বছরের ছেলে নূর সাদেকে গুলি করে হত্যা করেছে মিয়ানমার সেনারা। তাদের কথা খুব বেশি মনে পড়েছে। আমার আরও পাঁচ সন্তান রয়েছে তাদেরকে মাংস ও রুটি খাওয়াতে পারিনি।কাউকে কোনও নতুন জামা কিনে দিতে পারিনি।
টেকনাফ লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের মেম্বার মো. রশিদ আহমেদ বলেন, তার শিবিরে প্রায় তিনশ’’ ঘর রয়েছে। ঈদে অধিকাংশ ঘরে টাকার অভাবে মাংস কিনতে পারেনি। যে কিনতে পেরেছে সে তাদের পাশের ঘরের লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে তা ভাগ করে খাচ্ছে।
![]() |
| রোহিঙ্গাদের অস্থায়ী মসজিদে ঈদ জামাত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সফটওয়্যার আমদানিতে ‘বিশেষ সুবিধা’ কাদের স্বার্থে? by হিটলার এ. হালিম

বাজেট ঘোষণায় অর্থমন্ত্রী সফটওয়্যার আমদানির ওপর থেকে ২০ শতাংশ শুল্ক ও ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব করেছেন।
জানতে চাইলে বেসিসের (বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস) সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বললেন ভিন্ন কথা। তিনি মনে করেন, এটা হয়তো ভুলে হয়েছে। তার আশা, সরকার এটা বাজেট পাসের আগেই ঠিক করে দেবে। তা না হলে দেশীয় সফটওয়্যার খাত বড় ধরনের অসুবিধার মধ্যে পড়বে। বেসিস সভাপতি বলেন, ‘আমরা সংশ্লিষ্ট মহলকে আমাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছি। শিগগিরই আমরা এনবিআর চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করবো। আশা করছি এর একটা সুরাহা হবে।’ বিদেশি সফটওয়্যারের টোটাল আমদানি শুল্ক ও কর প্রায় ৫৯ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনাকে নিছকই তিনি ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে দেখছেন!
ডাটাবেজ, অপারেটিং সিস্টেম, ডেভেলপমেন্টস টুল, প্রোডাক্টিভিটি, অটোমেটিক ডাটা প্রসেসিং মেশিনের জন্য কমিউনিকেশন বা কোলাবরেশন সফটওয়্যারসহ বিভিন্ন সফটওয়্যারে শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুল্ক ও ভ্যাট মিলিয়ে ৪০ শতাংশ দেখালেও আমদানি মোট খরচ (শুল্ক, ভ্যাটসহ অন্যান্য খরচ মিলিয়ে) প্রায় ৫৯ শতাংশ।
বেসিসের সাবেক সভাপতি ফাহিম মাশরুর বলেন, ‘এই প্রস্তাবনা পাস হলে দেশীয় সফটওয়্যার খাত বড় ধরনের ধাক্কা খাবে। যে সফটওয়্যার দেশেই তৈরি হয়, সেগুলোর আমদানির শুল্ক যদি একেবারে কমিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে দেশি কোম্পানিগুলো একেবারে পথে বসে যাবে। বিদেশি সফটওয়্যার বাদ দিয়ে কেউ দেশি সফটওয়্যার কিনতে চাইবে না।’ তিনি মনে করেন, দেশে যেসব বিদেশি কোম্পানি সফটওয়্যার বিপণন করছে, তারা হয়তো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) প্রভাবিত করে নিজেদের স্বার্থে কাজটি করিয়েছে। এটা দেশীয় সফটওয়্যার খাতে সংকট তৈরি করবে।
সংশ্লিষ্টরা আরও বলছেন, অপারেটিং সিস্টেম, ডাটাবেজ সফটওয়্যার দেশে আসুক, শুল্ক যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা হোক। সবসময় যেভাবে কেনা হচ্ছে, এসব সেভাবেই কেনা হবে। অন্যদিকে ইআরপি, ইআরএম বা অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার দেশেই তৈরি হচ্ছে। সরকারের উচিত এসব সফটওয়্যার তৈরিতে উৎসাহ দেওয়া। তা না করে সফটওয়্যার আমদানিতে শুল্ক কমানো ও ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এখন দেদার এসব সফটওয়্যার আমদানি হবে। বিদেশপ্রীতির কারণে অনেকেই দেশি সফটওয়্যার ফেলে বেশি দামে বিদেশি সফটওয়্যার কিনতে উৎসাহী হবে। ফলে দেশীয় নির্মাতারা ক্রেতা পাবে না। বাজার হারাবে। এই বিষয়গুলো সরকারের বিবেচনা করা উচিত বলে অনেকেই মনে করেন।
বেসিসের সাবেক সভাপতি শামীম আহসান বলেন, ‘বাংলাদেশে যেসব বিদেশি সফটওয়্যার কোম্পানি ব্যবসা করছে সেসব প্রতিষ্ঠান কর অব্যাহতি পাচ্ছে। বরং এসব কোম্পানিকে করপোরেট করের আওতায় আনা উচিত। তা না করে তাদের সুবিধা দিতে শুল্ক কমানো হয়েছে এবং ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সব সময় বলে এসেছি, অপারেটিং সিস্টেম, ডাটাবেজ সফটওয়্যার যেগুলো দেশে তৈরি হয় না, সেগুলোর আমদানি শুল্ক ‘মিনিমাম’ করা উচিত। তাহলে দেশে লাইসেন্সড সফটওয়্যারের ব্যবহার বাড়বে। আর ইআরপি, ইআরএম ও অ্যাকাউন্টিংয়ের মতো যেসব সফটওয়্যার দেশে তৈরি হচ্ছে, সেগুলোর আমদানি শুল্ক ম্যাক্সিমাম করা উচিত। তাহলে দেশীয় সফটওয়্যার খাত বিকশিত হবে। কিন্তু তা না করে বরং উল্টোটা করা হয়েছে—যা দেশীয় সফটওয়্যার খাতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।’
বেসিসের সাবেক জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রাসেল টি আহমেদ জানান, দেশীয় তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের বিকাশে হুমকি বাড়িয়ে বিদেশি সফটওয়্যার আমদানি কর ৫৮ থেকে মাত্র ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। তিনি মনে করেন, বিদেশি কোম্পানির হয়ে এমন সফল লবিং নিশ্চয়ই আমাদের মধ্য থেকেই কেউ কেউ করেছেন। বিদেশি সফটওয়্যারের ওপর কর মাটিতে নামিয়ে আনার প্রস্তাবে আমাদের স্থানীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং দেশীয় সফটওয়্যার খাতের উন্নয়ন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
June
(201)
-
▼
Jun 17
(11)
- ‘হেক্সা’ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে ব্রাজিলের শুরু
- গুলিতে নিহত রেহেনা ১৭ ঘণ্টা নিখোঁজ ছিল by আতাউর র...
- জাতিসংঘের ‘ইসরায়েলবিরোধী’ মানবাধিকার কাউন্সিল ছাড়ছ...
- জন্মত্রুটিজনিত গর্ভপাতকে নাৎসিবাদী প্রবণতা আখ্যা দ...
- বাংলাদেশের উপকূলে আসতে থাকা জ্বলন্ত জাহাজ আটকে দিল...
- ‘খালেদা জিয়ার ঘরে বড় বড় ইঁদুর’
- কায়কোবাদের দেশে by রাশিম মোল্লা
- কাশ্মিরে মানবাধিকার হরণ: জাতিসংঘ কমিশনের প্রতিবেদন...
- যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হতে উচ্চ ডিগ্রিধারী ভারতীয়দের...
- ‘আজ ওদের কথা ভীষণ মনে পড়ছে’
- সফটওয়্যার আমদানিতে ‘বিশেষ সুবিধা’ কাদের স্বার্থে? ...
-
▼
Jun 17
(11)
-
▼
June
(201)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


