Monday, December 16, 2013
সহিংসতা- এদের এখনই রুখতে হবে by আসাদুজ্জামান নূর

আমার নির্বাচনী এলাকার কোথাও কোথাও জামায়াতের ঘাঁটি আছে। এখানে আমার বিরুদ্ধে বিএনপি নয়, জামায়াতের প্রার্থীই দেওয়া হয়। সুতরাং, বিএনপির চেয়ে জামায়াত এখানে শক্তিশালী, সেটা বলাই যায়। কিন্তু এখানে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াত ছিল, আছে। কখনো কখনো হালকা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, কিন্তু তা লাঠালাঠির পর্যায়ে ছিল না। আমরা কেউই অবস্থাটা এ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবিনি কখনো।
সহিংসতার শুরু মাস ছয়েক আগে থেকে। যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারপ্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর আদালতের রায় আসতে লাগল, তখন থেকে। সে সময় আমাদের পলাশবাড়ী ইউনিয়নের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন প্রামাণিক ও তাঁর চাচার ওপর জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। গুরুতর আহত হয়ে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ইদানীং খবর পাচ্ছিলাম, জামায়াতের ক্যাডাররা রাস্তাঘাট কেটে ফেলছে, ব্রিজ খুলে নিচ্ছে। নীলফামারী শহরে কিন্তু এসব হচ্ছিল না। আমার নির্বাচনী এলাকা জেলা সদরে। জামায়াত চেষ্টা করছিল গ্রামের সঙ্গে শহরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে। গ্রাম পর্যায়েও হরতালকারীদের সঙ্গে আমাদের উত্তেজনা ঘটেছে। কিন্তু তীব্র কোনো ঘটনা ঘটেনি।
১২ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে নীলফামারীতে এলাম। ১৩ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল। নির্বাচনী বিধিমালার কারণে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়ে গিয়েছিল। জাসদের প্রার্থীও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন।
১২ ডিসেম্বর রাতেই খবর পেয়েছিলাম, লক্ষ্মীচাপ ও পলাশবাড়ী ইউনিয়নে এসে হামলা করেছে, অগ্নিসংযোগ করেছে টুপামারি ইউনিয়নের জামায়াতের সমর্থকেরা। এখানে তারা বিশেষত হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের ওপরে অমানুষিক অত্যাচার করেছে। বেশ রাত হয়ে যাওয়ায় সেখানে যাওয়ার সুযোগ ছিল না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিংবা ফায়ার ব্রিগেডও সেখানে যেতে পারেনি। ১৪ ডিসেম্বর আমরা লক্ষ্মীচাপের দিকে রওনা হই। লক্ষ্মীচাপে যাওয়ার সাধারণ রাস্তা দিয়ে যাওয়া হয়নি। পলাশবাড়ীর রাস্তা দিয়ে যেতে হয়েছে। আমরা মোটরসাইকেল, গাড়িবহর নিয়ে পৌঁছালাম লক্ষ্মীচাপ। হাইস্কুল মাঠে আমরা সভা করেছি। সবাইকে সংঘবদ্ধ হয়ে থাকতে বলেছি। যাদের বাড়িতে আগুন লাগিয়েছিল ওরা, তাদের আশ্বস্ত করেছি। সেখানকার মেয়েরা বলল, রাতে তারা আতঙ্কে ঘরে থাকতে পারে না। বন-জঙ্গলে রাত কাটায়। আমার মনে হলো, একাত্তরেও তো এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। রাজাকার-আলবদরদের ভয়ে বাড়ি থেকে সরে থাকতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে! একাত্তরের বিভীষিকাকেই মনে করিয়ে দিল তাদের বিবরণ। কীভাবে এই নৃশংসতা ও নাশকতা প্রতিরোধ করা যায়, তা নিয়ে ভাবছিলাম। ঢাকায় এসে পরিকল্পনা করব, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সক্রিয় হতে বলব ইত্যাদি ছিল মাথায়। কিন্তু টুপামারির ভেতর দিয়ে আসার সময়ই দেখলাম, পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে। গাছ কেটে রাখা হয়েছে, রাস্তা কেটে রাখা হয়েছে। আমরা কিছু গাছ আর ইট ফেলে রাস্তা ঠিক করে এগোতে থাকলাম। এই সময়ই হামলা শুরু হলো। রাস্তার দুদিকে ঢালু, নিচু ধানখেত। সেখান থেকে ইটপাটকেল মারতে লাগল ওরা। কারও হাতে চায়নিজ কুড়াল, কারও হাতে ধারালো ছুরি, রড। রামগঞ্জ বাজারে এসে পৌঁছানোর পথে বাজারের বিভিন্ন গলিপথ দিয়ে ওরা একযোগে আক্রমণ করতে থাকে আমাদের গাড়িবহরের ওপর। আমাদের গাড়িবহরের পেছনের অংশ আমাদের সঙ্গে কিছুটা বিচ্ছিন্ন ছিল। সেখানেই মূল আঘাত আসে। চারজন গুরুতর আহত হন, এর মধ্যে সেখানেই দুজন নিহত হন, দুজন মারা যান হাসপাতালে নেওয়ার পর। আহত অনেকের ঠাঁই হয়েছে নীলফামারী হাসপাতালে। গুরুতর আহতদের নেওয়া হয়েছে রংপুর হাসপাতালে। এই নাশকতার পর অপরাধীদের খুঁজতে বিজিবি, র্যাব রাতে গিয়েছিল সেখানে। কাউকে পায়নি। বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে।
এটা যে পূর্বপরিকল্পিত হামলা, তা নিয়ে আমার একেবারেই সন্দেহ নেই। ওরা আমাদের কয়েকজন কর্মীর হাত-পায়ের রগ এমনভাবে কেটেছে, যা পাকা হাতের কাজ। চিকিৎসকেরা বলেছেন, এগুলো প্রশিক্ষিত কেউ করেছে। এরা হয় বাইরে থেকে এসেছে, অথবা বাইরের কেউ এদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। সেটা আমি বিশ্বাস করি। কারণ, নীলফামারীর মানুষ এ ধরনের সহিংস কাজে অভ্যস্ত বলে আমি মনে করি না। পরে শুনেছি, আক্রমণকারীদের অনেককেই এই এলাকার মানুষ চেনে না। এরা অন্য এলাকা থেকে এসেছে। এদের মূল টার্গেট আওয়ামী লীগের সমর্থক ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। ঠিক একাত্তরের মতোই।
জামায়াত-শিবির একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময়ের মতোই নৃশংস হয়ে উঠেছে। তারা নির্মমভাবে মানুষ হত্যা করছে, লুটতরাজ করছে; বাড়িতে, যানবাহনে আগুন লাগাচ্ছে। তাদের পাশবিক তাণ্ডবের ফলে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে মানুষ, কাতরাচ্ছে নারী ও শিশু, বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে আত্মরক্ষা করছে কেউ কেউ, আতঙ্কে বিনিদ্র রাত কাটাচ্ছে বহু মানুষ। একাত্তরে এই অত্যাচারী ঘাতকদের আমরা পরাজিত করেছি। কিন্তু তারা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। বহু তরুণকে তারা ধর্মের নামে বিপথগামী করতে পেরেছে। এদের এখনই রুখতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা বিপন্ন হব।
নির্বাচনকে সুনির্দিষ্টভাবে মাথায় রেখেই আমরা আমাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছি। এবার সহিংস রাজনীতির জন্ম হতে পারে, সে রকম আশঙ্কা আমাদের দৃষ্টি এড়িয়ে গিয়ে থাকতে পারে। ফলে এ ধরনের তাণ্ডব মোকাবিলার ব্যাপারে আমাদের মানসিক ও সাংগঠনিক প্রস্তুতি ছিল না। এই দুর্ঘটনা ঘটার পর আমি মনে করি, আমাদের মানসিক প্রস্তুতিরও খুব দরকার। সেই প্রস্তুতি থাকলে আমরা লড়াই করতে পারি, যেমন করেছিলাম একাত্তরে। এখনো সময় আছে। এখনই সাংগঠনিকভাবে আমাদের ঘুরে দাঁড়াতে হবে। আপাতত আক্রান্ত এলাকা পলাশবাড়ী ও লক্ষ্মীচাপের সাধারণ মানুষই রাত জেগে দল বেঁধে নিজেদের পাহারা দিচ্ছে। এভাবেই গড়ে উঠবে প্রতিরোধ।
আসাদুজ্জামান নূর: সাংসদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিজয় দিবস- ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’ by সেলিনা হোসেন

এ কথা এক গভীরতম সত্য যে এ দেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ, কিন্তু ধর্মান্ধ নয়। যারা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে, তারা বুঝতে চায় না ইসলাম শান্তির ধর্ম। সহিংসতার ধর্ম নয়। তাদের হঠকারিতার কারণে তারা রাজনীতির নামে ধর্মের মৌল সত্যকে অস্বীকার করেছে। তাই রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কখনোই ভোটে বিজয়ী হতে পারেনি এই দল।
২০১৩ সালের বিজয়ের মাস বাঙালির জীবনে আবার গভীর তাৎপর্য নিয়ে ফিরে এসেছে। বাঙালি তার অসমাপ্ত কাজের কিছু অংশ সম্পন্ন করতে পেরেছে। এই বিজয়ের মাসে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য জামায়াতের নেতা যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। বিজয়ের মাসে এটি আরেকটি অবিস্মরণীয় দিন।
যে যুদ্ধাপরাধীরা বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছে, তাদের শাস্তি পেতেই হবে। দেশের প্রতিটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তির দাবিতে এক হতে হবে। শক্ত অবস্থান তৈরি করে জঙ্গিবাদের উত্থান বন্ধ করতে হবে। জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে। সবার স্বপ্নের বাংলাদেশ যেন গৌরবের জায়গা থেকে দূরে সরে না যায়।
এই বিজয়ের মাসে মানুষের বুকফাটা আর্তনাদে তলিয়ে গেছে স্বদেশ। পুড়ে দগ্ধ হওয়া মানুষেরা একাত্তরের পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতনের সমতুল্য যন্ত্রণা ভোগ করেছে। হত্যা-নির্যাতন-জাতীয় সম্পদ ধ্বংস-বৃক্ষনিধন, যানবাহনে আগুন, ট্রেন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, গ্রেনেড, পেট্রলবোমার ব্যবহার ইত্যাদি করে জামায়াতে ইসলামী নামের দলটি মানুষকে একাত্তরে তাদের অবস্থান আঙুল দিয়ে দেখাচ্ছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দোসর হয়েও সেদিন তারা জিততে পারেনি, আজও পারবে না। শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চেও তরুণ প্রজন্মের সমাবেশ এই সত্যকে প্রতীয়মান করে। তারা বলছে, রাজাকারমুক্ত করবে স্বদেশ।
যে যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন-সহযোগিতা না দিয়ে হানাদার বাহিনী পাকিস্তানিদের সহযোগিতা দিয়েছিল, ৪২ বছর পরও তারা ভোলেনি সেই সব স্বাধীনতাবিরোধীদের। আপনজন তখন ছিলেন নিক্সন-কিসিঞ্জার, এখন আছেন ওবামা-জন কেরি। সে জন্য কাদের মোল্লার প্রাণরক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করেন। যে ভুল করেছিলেন একাত্তরে, তার জন্য অনুতপ্ত হন না। শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের দিকে তাকিয়ে তাঁদের বোঝা উচিত ছিল তরুণ প্রজন্ম কী চায়। সময়ের নাড়ি অনুধাবন না করে তাঁরা আবার নিক্সন-কিসিঞ্জারের ভূমিকা পালন করছেন।
এটা সত্যি যে একাত্তরে যেমন তাদের বিরোধিতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল, ২০১৩-তেও তাদের প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর হয়েছে। অনেক দুঃখ-বেদনা-মৃত্যুর যন্ত্রণার মধ্যে এটা সান্ত্বনা। সামনে আরও পথ পাড়ি দিতে হবে। রবীন্দ্রনাথের ভাষায় বলতে হবে, ‘সেই পূর্ণতার পায়ে মন স্থান আগে।’
বাংলাদেশের বিজয়ের মাসে মৃত্যুবরণ করলেন বিশ্ববিবেক নন্দিত রাজনীতিবিদ-রাষ্ট্রনায়ক নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সমর্থন দিয়েছিলেন। স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী উৎসবে বাংলাদেশে এসেছিলেন। বলেছিলেন, বাংলাদেশ আমাদের বন্ধুরাষ্ট্র। যে প্রজ্ঞা দিয়ে তিনি ভিন্ন দেশের মুক্তিসংগ্রামকে সমর্থন দিয়েছিলেন, তার ন্যূনতম মানবিক আবেগ মার্কিন রাষ্ট্রনায়কদের ছিল না।
৪২ বছর পরে দেশ অনেক এগিয়েছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করার জন্য বদ্ধপরিকর হয়েছে এ দেশের মানুষ। একাত্তরের খুনির মানবাধিকার কী করে ভিন্ন দেশের মানুষের কাছে বড় হয়, এটা অবিশ্বাস্য লাগে।
ম্যান্ডেলার রাজনীতির দর্শনে শান্তি ও গণতন্ত্র শব্দ দুটো অটল ছিল। তিনি প্রতিরোধ ও সমঝোতার বিষয়কে গভীরভাবে দেখেছিলেন। আজকের বাংলাদেশে এ সত্যটি দেখার সময় হয়েছে। রাজনীতি যেন মানুষের পক্ষেই থাকে সত্য উপলব্ধির ভেতর দিয়ে। মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে দাঁড়িয়ে কোনো নারী যেন কাঁদতে কাঁদতে না বলেন যে গণতন্ত্রকে লাথি মারি।
আমরা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চাই। একজন যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়াই শেষ কথা নয়। আমরা সব যুদ্ধাপরাধীর বিচারের রায় কার্যকর দেখতে চাই। আমরা শান্তি ও স্বস্তির দেশ দেখতে চাই। বাংলাদেশ একটি ধর্মের দেশ নয়, সব ধর্মের, জাতি-বৈচিত্র্যের দেশ, এটা বড় গলায় বলার উৎসব চাই। যারা সহিংস রাজনীতি নিয়ে মানুষের জীবন ছারখার করছে, তাদের শক্ত হাতে দমন করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানাই। বিজয়ে
মানুষ আনন্দ করবে, সেই পরিসর উন্মুক্ত করার জন্য বিরোধী দলকে অনুরোধ জানাই।
২০১৩ সালের বিজয়ের মাস দেশের মানুষের মর্যাদার বোধকে সমুন্নত করেছে—২০১৩ সালের বিজয়ের মাস তরুণ প্রজন্মকে প্রতিজ্ঞায় উদ্বুদ্ধ করেছে—এই হোক আমার শান্তি। রবীন্দ্রনাথের ভাষায় বলতে চাই—‘আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে।/ তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে।।’
সেলিনা হোসেন: কথাসাহিত্যিক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিএনপিকে অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে- দেশ ধ্বংসের আন্দোলন!
বিশেষ করে আবদুল কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পর থেকে জামায়াতে ইসলামী সারা দেশে হত্যা, নৈরাজ্য ও ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে। সরকারি স্থাপনা, পুলিশের যানবাহন, যাত্রীবাহী গণপরিবহন ও ট্রেনে চোরাগোপ্তা হামলা চালানোর পাশাপাশি তারা সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে, যা একাত্তরে দলটির মানবতাবিরোধী অপরাধের কথাই মনে করিয়ে দেয়।

নীলফামারী জেলার এরকম একটি আক্রান্ত সংখ্যালঘু এলাকা পরিদর্শন শেষে গত শনিবার ঢাকায় ফেরার পথে স্থানীয় সাংসদ ও জনপ্রিয় অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূরের গাড়িবহরে হামলা চালায় জামায়াত-শিবিরের সশস্ত্র ক্যাডাররা। তাদের নিবৃত্ত করতে পুলিশ অভিযান চালালে, তারাও পাল্টা আঘাত হানে এবং দুই পক্ষের সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হন। এটি চোরাগোপ্তা নয়, পরিকল্পিত হামলা।
এখানে সরকারের ব্যর্থতার দিকটিও স্পষ্ট। কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার পর জামায়াতে ইসলামী যে আরও ভয়ংকর রূপে আবির্ভূত হতে পারে, সেটি কি সরকারের নীতিনির্ধারকেরা জানতেন না? জানলে কেন তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলেন না?
প্রধান বিরোধী দল বিএনপিকে বুঝতে হবে যে, তাদের কাঁধে ভর করে মৌলবাদী জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও এর জনগণের বিরুদ্ধে আক্রোশমূলক সহিংসতায় লিপ্ত হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা একাত্তরে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে চাইছে। এখন বিএনপিকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা সেই যুদ্ধে কোন পক্ষে থাকবে?
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদা পাকিস্তানের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন: হানিফ

আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনের সামনে বিজয় র্যালি-পূর্ব সমাবেশে হানিফ এ কথা বলেন।
সমাবেশে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী সাহারা খাতুন বলেন, ‘প্রতিটি এলাকায় জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ নেতা- কর্মীদের রুখে দাঁড়াতে হবে। আমরা যখন বিজয় দিবস পালন করছি, তখন তারা দেশে আগুন লাগিয়ে, বাস পুড়িয়ে, গাছ কেটে নিরীহ মানুষ হত্যা করছে। এটা আর হতে দেওয়া যায় না।’
পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির পৃষ্ঠপোষকতায় জামায়াত-শিবির জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অনেক ধৈর্য ধরেছে। কিন্তু স্বাধীন রাষ্ট্র রক্ষায় তারা আর ধৈর্য ধরবে না। সরকার আরও কঠোরভাবে সহিংসতাকারীদের দমন করবে।
এ দিকে মত্স্য ভবন থেকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়ির উদ্দেশে আওয়ামী লীগের বিজয় র্যালি শুরু হয়েছে। এতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগসহ হাজারো নেতা-কর্মী অংশ নিয়েছেন। ঢোল-তবলা বাজিয়ে তাঁরা বিজয় উল্লাসে মেতে উঠেছেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচনী সংকট- না থাকা সদিচ্ছার ওপর আস্থা by আলী ইমাম মজুমদার
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিজয় দিবস- পতাকার জন্য ভালোবাসা by শাহানা হুদা
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
না থাকা সদিচ্ছার ওপর আস্থা
majumder234@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পতাকার জন্য ভালোবাসা
![]() |
| বিজয় দিবস |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’
সেলিনা হোসেন: কথাসাহিত্যিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঐক্যই পারে বিজয়কে সুসংহত করতে by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানের রেকর্ড ও ছবি অনুযায়ী পাকিস্তানিদের পক্ষে আত্মসমর্পণ করেন পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের কমান্ডার লে. জেনারেল এএকে নিয়াজি এবং আত্মসমর্পণ গ্রহণ করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের কমান্ডার লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা। সেই অনুষ্ঠানে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি তৎকালীন কর্নেল এমএজি ওসমানী উপস্থিত ছিলেন না (বা তাকে উপস্থিত রাখা হয়নি)। তার কোনো প্রতিনিধিকেও আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট করা হয়নি। অর্থাৎ বিষয়টিকে এমনভাবে সাজানো হয়েছিল যে, ১৩ দিনের দীর্ঘ ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ সমাপ্ত হয়েছে এবং ওই যুদ্ধে পরাজিত পাকিস্তানিরা বিজয়ী ভারতীয়দের কাছে আত্মসমর্পণ করছে। ১৬ ডিসেম্বর অপরাহ্নে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ সফলভাবেই মুক্তিবাহিনীর অবদান ও সাফল্যকে মার্জিনালাইজড করে দেয়। দু’বছর পর সিমলায় অনুষ্ঠিত আলোচনার পর যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, সেই চুক্তির ফলেও বাংলাদেশের মানুষ ও মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানকে মার্জিনালাইজড করে ফেলা হয়েছিল। এখন ৪২ বছর পর পুরো স্বাধীনতাটাকেই মার্জিনালাইজড করে ফেলার প্রক্রিয়া উৎকটভাবে প্রতিফলিত।
২.
আজকের বিজয় দিবসে আমাদের হৃদয় আপ্লুত। দেশমাতৃকার মুক্তিযুদ্ধের সময়ে আমাদের সবার মাঝে যে ইস্পাত কঠিন ঐক্য ছিল, আজ সে ঐক্য ম্লান হয়ে গেছে। দেশ আজ দু’ভাগে বিভক্ত। কথাটি হাজারো লোকে বলছেন। অনেক বছর আগে বিএনপি সরকারের অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানও বলতেন, ওয়ান কান্ট্রি টু নেশন। দেশ যে দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গেল, এটি কি পরিকল্পিত নাকি অপরিকল্পিত? আমার মতে, এটা কিছুটা পরিকল্পিত কিছুটা অপরিকল্পিত। পরিকল্পিত অংশের সূক্ষ্ম পরিকল্পনাকারী এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নকারী হচ্ছে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রধান নেতৃত্ব প্রদানকারী রাজনৈতিক দল এবং সেই রাজনৈতিক দলের অনুসারী সুধী সমাজ। এরূপ বিভাজিত জাতির জন্য স্থিতিশীল ধারাবাহিক অগ্রগতি অথবা অগ্রগতির ধারাবাহিকতায় স্থিতিশীলতা আনা কঠিন কাজ। বিভাজিত জাতির দুটি ভাগের বৈশিষ্ট্যগুলো উৎকটভাবেই বিপরীতমুখী। একভাগ ভারত পছন্দের আরেক ভাগ ভারত অপছন্দের। যারা ভারত পছন্দের, তারা অপর ভাগকে স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি বলে। আজকের বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি। অথচ ১৯৭১ সালে জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি। যেসব লোক ১৯৭১ সালে বয়স ও লেখাপড়ার কারণে পরিপক্ব জ্ঞানসম্পন্ন ছিলেন এবং নিজের স্বাধীন মত গঠন করে স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিলেন এবং এখনও বেঁচে আছেন, এরূপ লোকের সংখ্যা আজকের তারিখে কত হতে পারে? ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী দেশের এ মুহূর্তের জনগোষ্ঠীতে ৬০ বছরের ওপরের জনসংখ্যা হার ২০ শতাংশের কম। আমার মতে, বর্তমানে মাত্র ১৫-২০ হাজার ব্যক্তি পাওয়া যাবে, যারা স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি ছিল। এই ১৫-২০ হাজার ব্যক্তির জন্য আজ আমরা পুরো জাতিকে বিভাজিত করে রেখেছি, যা কখনোই কাম্য হতে পারে না।
জাতিকে বিভাজন করার যে চেষ্টা অতীতে চালু হয়েছিল, সেটি আজ পরিপক্বতা পেয়েছে। জাতিকে বিভাজন না করেও ১৯৭১ সালের বিজয়ের চেতনাকে সমুন্নত রাখার চেষ্টা গুরুত্ব পায়নি বলে আমার মনে হয়। আজ বিজয়ের ৪২ বছর পর তাই বিজয় দিবসের তাৎপর্য বিশেষ মনোযোগের দাবিদার।
৩.
১৯৭১ সালে কার ওপর কিসের বিজয় ছিল? দর্শনীয়ভাবে, পাকিস্তান সামরিক বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের ওপর বিজয় অর্জন করেছিল মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনীর যৌথ কমান্ড। দর্শনীয়ভাবে পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের ওপর বিজয় অর্জন করেছিল ভারত ও বাংলাদেশ নামক দুটি রাষ্ট্র যৌথভাবে। দার্শনিক বা তত্ত্বীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে : (এক) পাকিস্তানি সামরিক শাসন তথা স্বৈরশাসনের ওপর বিজয় অর্জন করেছিল বাংলাদেশের জনগণের শক্তি ও ইচ্ছা। (দুই) পাকিস্তানি অগণতান্ত্রিক অভ্যাস ও রেওয়াজের বিপরীতে বিজয় অর্জন করেছিল গণতান্ত্রিক অভ্যাস ও চিন্তা-চেতনা। (৩) পশ্চিম পাকিস্তানিদের শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তান বাঙালি জনগোষ্ঠী কর্তৃক পরিচালিত প্রতিবাদের বিজয় হয়। (৪) পাকিস্তান সরকার ও শাসকগোষ্ঠী শান্তি ও সাম্য
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুক্তির মন্দির সোপানতলে কত প্রাণ হল বলিদান by মহিউদ্দিন আহমদ

’৭১-এ লন্ডনে ছিলাম, মুক্তিযুদ্ধের কোনো ফ্রন্টে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করিনি। কিন্তু তারপরও কর্নেল জাফর ইমাম প্রতি বছরই আমাকে দাওয়াত দেন। আমি আগ্রহের সঙ্গেই দাওয়াত গ্রহণ করি, অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করি, এই সব মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিচারণ শুনতে। স্মৃতিচারণে তারা অনেক শহীদের কথাও বললেন। শ্রদ্ধার সঙ্গে তারা স্মরণ করলেন শহীদ হাবিলদার এআর আহমেদ বীরবিক্রম, শহীদ হাবিলদার বায়েজেদুর রহমান, শহীদ মোসলেহ আহমেদ কচি এবং শহীদ মোশাররফ হোসেন হারুনের কথা।
এই বছর বিশেষভাবে দাওয়াত করা হয়েছিল প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম মূসাকেও। তার গ্রামের বাড়িও আমাদের বাড়ির পাশে কুতুবপুর। আমার নুরপুর গ্রামের মাইল তিনেক উত্তরে জাফর ইমামদের নোয়াপুর গ্রাম। তার মাইলখানেক উত্তরে বেগম খালেদা জিয়ার পৈতৃক বাড়ি, শ্রীপুর, ফুলগাজী উপজেলা সদর থেকে মাইলখানেক পশ্চিমে। তার মাইলখানেক পশ্চিমে চোত্তাখোলা-ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের একটি বাজার। এখানেই বছর তিনেক আগে আমাদের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি মুক্তিযুদ্ধ পার্ক নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে এসেছিলেন। ত্রিপুরা সরকার তিন বছরের মধ্যে এই পার্কটির নির্মাণ সমাপ্ত করার কথা ছিল। আরও কথা ছিল, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই পার্কটি উদ্বোধন করবেন। ’৭১-এ এই চোত্তাখোলায় হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধার, বিশেষ করে তখনকার ফেনী সাবডিভিশনের, প্রাথমিক ‘প্রসেসিং’ সম্পন্ন হয়েছিল। এখান থেকে প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ভারতের বিভিন্ন ক্যাম্পে ট্রেনিংয়ের জন্য পাঠানো হয় একাত্তরে। ত্রিপুরার মেলাঘর যেমন আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল, চোত্তাখোলারও কাছাকাছি একটি স্থান ছিল।
কর্নেল জাফর ইমাম ডাক নাম হুমায়ুন, তখন একজন ক্যাপ্টেন, তখনকার সেক্টর কমান্ডার মেজর খালেদ মোশাররফের অধীনে একজন সাব-সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। ফেনী পাইলট স্কুলে ছাত্রজীবনে দারুণ দুরন্ত ছিলেন হুমায়ুন। বাবা-চাচা দুজনই রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন, বাবা শেখ ওয়াহিদউল্লাহ চৌধুরী মুসলিম লীগ রাজনীতির সঙ্গে। মনে আছে ১৯৫৪-তে যুক্তফ্রন্ট প্রার্থী, মূসা ভাই, এবিএম মূসার মামা এবং শ্বশুর এবং তখনকার পাকিস্তান অবজারভার পত্রিকার সম্পাদক আবদুস সালামের বিপরীতে মুসলিম লীগ প্রার্থী ছিলেন শেখ ওয়াহিদ উল্লাহ। হুমায়ুনের চাচা ছিলেন শেখ নুরুল্লাহ, সেই জামানায় দারুণ প্রতাপশালী ইউনিয়ন বোর্ড প্রেসিডেন্ট। পাশের ইউনিয়ন বোর্ড, তখন বোর্ডই বলা হতো- আনন্দপুরের প্রেসিডেন্ট হোসেনউদ্দিন চৌধুরী ছিলেন মেজর জেনারেল আমীন আহমেদ চৌধুরী বীরবিক্রম এবং ফেনী জেলা পরিষদ প্রশাসক আজিজ আহমেদ চৌধুরীদের (গোলাপ ভাই) দাদা। একাত্তরে এই হোসেনউদ্দিন চৌধুরী তার বাড়িতে আরও কয়েকজনসহ শহীদ হয়েছিলেন। ফেনী শহরে মিজান ময়দান রোডে শেখ ওয়াহিদউল্লাহ চৌধুরীদের পাশেই স্টেশন রোডে শহীদ হোসেনউদ্দিন চৌধুরীর বাসা ছিল। এখন দুই জায়গাতেই মার্কেট; তবে শহীদ হোসেন চৌধুরীর বিপণিবিতান বেশি পরিচিত।
দুই.
ফেনীর একটু জিওগ্রাফি এবং বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের কয়েকজনের নাম এখানে উল্লেখ করার মুখ্য উদ্দেশ্য হল, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য কর্তৃক তিন দিক পরিবেষ্টিত ‘ফেনী-বিলোনীয়া বাল্জ’ নামে পরিচিত এই জায়গাটিতে ’৭১-এ কতগুলো প্রচণ্ড যুদ্ধ হয়েছিল। কর্নেল জাফর ইমামের বর্ণনা মতে, এই যুদ্ধগুলোর কথা কতগুলো দেশের সামরিক একাডেমিতেও পড়ানো হয়ে থাকে।
কর্নেল জাফর ইমামের বাসায় আমি এই বীরউত্তম এবং বীরবিক্রমদের মুখে ফেনী বিলোনীয়া রণাঙ্গনের স্মৃতির কথা শুনি আর অভিভূত হয়ে পড়ি। লক্ষ্য করুন, যুদ্ধটা হচ্ছে ফেনীর কতগুলো রণাঙ্গনে, কিন্তু এখানে যুদ্ধ করেছেন সিরাজগঞ্জের জেনারেল হেলাল মোরশেদ খান, সিলেটের জেনারেল ইমামুজ্জামান এবং ফরিদপুরের মেজর মিজান। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের এসব মানুষকে ফেনীর যুদ্ধে এমন সরাসরি সশস্ত্র অংশগ্রহণে দেখতে পাই, যদিও ফেনী জায়গাটা তাদের নয়, তাদের বাবা-মা, ভাইবোন কারও জন্মও এখানে নয়, এখানে তাদের দাদা-দাদি, মামা-মামির কবরও নেই। তারপরও তারা মনে করেছেন আক্রান্ত বাংলাদেশের প্রতিটি ইঞ্চি জমিই তাদের, সুতরাং জানপ্রাণ দিয়েই তাদের প্রতিটি পবিত্র ইঞ্চি রক্ষা করতে হবে, শত্র“কে পবিত্র ভূমি থেকে তাড়াতে হবে। দেশপ্রেমের এই গভীর বোধ থেকে সেদিন ’৭১-এ তারা তাড়িত হয়েছিলেন, এই বোধ থেকে তারা গভীর ঐক্য গড়ে তুলেছিলেন। ’৭১-এর এই ঐক্যে আমরা দেখি, সিলেট-ফেনীর মধ্যে তারা ফারাক দেখেননি, ফারাক করেননি জেনারেল ইমামুজ্জামান। সিরাজগঞ্জ-ফেনীর মধ্যে একই মায়ের ছবি দেখেছেন জেনারেল হেলাল মোরশেদ খান। মুসলিম লীগ পরিবারে জন্ম নেয়া কর্নেল জাফর ইমাম বীরবিক্রম যেমন উজ্জীবিত হয়ে ’৭১-এ যুদ্ধ করেছেন, তেমন যুদ্ধ করেছেন ফেনী শহরের পাশের বাড়ির অরাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেয়া মেজর জেনারেল আমীন আহমেদ চৌধুরী বীরবিক্রম।
বলতেই হয়, ‘বাংলার হিন্দু, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার খ্রিস্টান, বাংলার মুসলমান- আমরা সবাই বাঙালি’ এই মন্ত্রে দীক্ষিত হয়েই সেদিন বাংলাদেশের প্রায় দুই লাখ সন্তান ফেনী, সিলেট, সিরাজগঞ্জ, খুলনা, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম যুদ্ধ করেছেন, ১৬ ডিসেম্বর অনেক দিনের প্রত্যাশিত বিজয়টি অর্জন করেছিলেন।
তিন.
বিভিন্ন মতবাদ এবং ধারার তরুণরা ’৭১-এ কেমন উদ্দীপিত হয়েছিল, ঐক্য গড়ে তুলেছিল, তার একটি উৎকৃষ্ট বর্ণনা দেখেছিলাম বছর দুই আগে শহীদুল হক খান বাদলের একটি ছোট লেখায়। বাদলের কোনো লেখা আমি আগে পড়েছি বলে মনে পড়ে না। তবে একাত্তরে শহীদুল হক খান বাদলের ভূমিকার যথার্থ কতগুলো বর্ণনা আছে জাহানারা ইমামের সেই অসাধারণ বই ‘একাত্তরের দিনগুলিতে’। বাদল এবং শহীদ রুমি, বদি এবং আশফাকুস সামাদদের এই গ্র“পটি ’৭১-এ ঢাকায় বেশ কতগুলো সাহসী অভিযান চালিয়েছিল। জাহানারা আপা জীবিতকালে তার এলিফ্যান্ট রোডের ‘কণিকা’ নামের বাড়িটির দোতলায় তার বাসায় ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় অনেকবার বর্ণনা করেছেন বাদলদের কথায়। তার আমেরিকা প্রবাসী ছোট ছেলে জামী এখনও যখন দেশে আসে, বাদলের বাসাতেই ওঠে থাকে। রুমী যেমন মা ডাকত জাহানারা ইমামকে; বাদল, বদি, সামাদ-আজাদ-শাহাদাত চৌধুরীরাও জাহানারা আপাকে তাই ডাকত। তো বাদল লিখেছেন তার আলোচ্য লেখায়- বাদলরা করত ছাত্র ইউনিয়ন, আর বদি করত এনএসএফ- ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ফেডারেশন। আয়ুব খান-মোনেম খানদের গুন্ডা ছাত্র সংগঠন। বাদলের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল সালেক, তার এক বন্ধু স্বপন। তারা কোনো এক জায়গায় ফিজিক্যাল ট্রেনিং নিত। ’৭১-এর ২৫ মার্চের পর যখন কারফিউ প্রত্যাহার করা হল, তখন বদি এলো বাদলের কাছে, সঙ্গে সালেক এবং স্বপন। বদিকে দেখে বাদল স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা আতংকিত বোধ করে। পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষায় দীক্ষিত এনএসএফের সদস্য বদি; আর বাদলরা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। বদির পাশে বাদলের বন্ধু মালেককে দেখে কিছুটা আশ্বস্তও বোধ করে বাদল। কিন্তু বাদলকে উদ্দেশ করে বদি বলে, listen you, commies (commies মানে communists) সশস্ত্র বিপ্লবের কথা বল তোমরা, কিন্তু কোথায় বিপ্লব?let's go and fight. বদির এমন আহ্বানের জন্য অপ্রস্তুত বাদল, স্তম্ভিত হয়। চোখে মুখে বাদলের অবিশ্বাস।
বাদলের দ্বিধাদ্বন্দ্ব বুঝতে পারে বদি। পকেট থেকে ব্লেড বের করে বদি, তার এবং বাদলের কব্জিতে একটু আঁচড় দেয়। দুজনের কব্জি থেকে একটু রক্ত বের হয়। দুই কব্জির রক্ত মিলিয়ে বদি এবার বাদলকে বলে, From today, we are blood brothers. let's go and fight. একাত্তরে এই দুই যোদ্ধার একজন, বদি শহীদ হয়; আর বাদল, রাশেদ খান মেননদের ছোট ভাই শহীদুল হক খান বাদল, অসাধারণ মেধাবী একজন ছাত্র- এসএসসি এবং এইচএসসিতে ঢাকা বোর্ডের প্রথম স্থান অধিকারী এবং যুদ্ধশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিকস ডিপার্টমেন্ট থেকে অনার্সে ফার্¯¡ ক্লাস ফার্স্ট, কিন্তু এমএসসি করেননি একটি গুরুতর বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গিয়ে। সে আরেক কাহিনী। ইংরেজি দৈনিক ‘নিউএজ’ এর প্রকাশক শহীদুল খান বাদল একেবারেই প্রচারবিমুখ। মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধের ভূমিকা, অবদান ইত্যাদি বিষয়ে কত প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা, কত ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা, কত কিসিমের এবং বর্ণের কাহিনী টিভি এবং পত্রপত্রিকায় সাক্ষাৎকার ছড়াচ্ছে! কিন্তু আমি যে কত বছর ধরে কতগুলো পত্রিকা পড়ি, এতগুলো টিভি চ্যানেল দেখি, কোনো দিন শহীদুল খান বাদলকে কোথাও দেখিনি।
চার.
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছে, কাদের মোল্লার ফাঁসিও হয়ে গেছে। আজ এই বিশেষ দিনে জাহানারা ইমামকে খুব মনে পড়ছে।
১৯৯২ সালের মার্চের শুরু থেকে গোলাম আযম এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবিতে অনেক সভা, সমিতিতে অনুষ্ঠান হয়। এসব অনুষ্ঠানে তখন বিরোধীদলীয় নেত্রী, শেখ হাসিনা অথবা জাহানারা ইমাম আলাদা আলাদাভাবে অথবা দুজনই একত্রে বক্তৃতা-বিবৃতি দিয়েছেন। ওই বছরের ২৬ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উত্তাল জনসমুদ্রে ’৭১-এর ৭ মার্চের স্মৃতিস্তম্ভেব পাশে চারটি ট্রাক পাশাপাশি দাঁড় করিয়ে তৈরি করা মঞ্চে ১২টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশ গণ-আদালতের চেয়ারম্যান হিসেবে জাহানারা ইমাম ‘গণ-আদালতে গোলাম আযমের ফাঁসির রায়টি পড়ে শোনান। শেখ হাসিনা তখন একে জনতার বিজয় বলে অভিহিত করেন। এই দিন সন্ধ্যায় দৈনিক ‘আজকের কাগজে’র সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে জাহানারা ইমাম বলেন, ‘রায় কার্যকর না করলে দুর্বার আন্দোলন। পর্যায়ক্রমে সকল ঘাতকের বিচার করব।’ এর ১০ দিন পর জাহানারা আপা ঢাকা থেকে নিউইয়র্কে আমাকে যে চিঠিখানা লিখেছিলেন, তা আজকের এই দিনে খুব প্রাসঙ্গিক মনে করি। এই চিঠিতে তার সাফল্য ও বিনয়ের প্রকাশ ঘটেছে। তাই চিঠিটি হুবহু তুলে দিলাম। নিউইয়র্কে তখন আমি জাতিসংঘে আমাদের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ডেপুটি পারমান্যান্ট রিপ্রেজেনটেটিভ, উপস্থায়ী প্রতিনিধি।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্ষমা চাহিতে পারিলাম না, ক্ষমো হে মম দীনতা by শাহ নেওয়াজ বিপ্লব

একজনও বললেন না, ‘আমরা অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করছি বাংলাদেশের মাটির কাছে, বাংলাদেশের মানুষের কাছে আর সেসব মায়ের কাছে, যারা যুদ্ধের বছর তাদের কিশোরী মেয়েদের বেড়ে না ওঠার জন্য প্রার্থনা করেছিল সৃষ্টিকর্তার কাছে; সেসব বোনের কাছে, আমাদের লোলুপ দৃষ্টির কাছে শহীদ হয়েছে যাদের সম্ভ্রম; আর মুক্তিযুদ্ধের সব শহীদের কাছে- প্রতিদিন চুপি চুপি আসবে বলে বাংলাদেশের মানুষ যাদের জন্য সব ক’টা জানালা এখনও খুলে রাখে।’
না, কেউই ক্ষমা চাইলেন না। বরং উল্টো যুদ্ধাপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন সাজার রায়ের পর কাদের মোল্লা হাত তুলে দেখালেন বিজয় চিহ্ন। পত্রিকাগুলো কাদের মোল্লার বিজয় চিহ্নের যে ছবি ছেপেছিল, তাতে দেখা যায় সাদা পাজামা-পাঞ্জাবি পরা কাদের মোল্লা হাতের আঙুল উঁচিয়ে বিজয় চিহ্ন দেখাচ্ছেন আর মুখে তার একরাশ হাসি। মুখজুড়ে অনুতাপের, অনুশোচনার কোনো চিহ্ন নেই। এটি সবচেয়ে বিস্ময়ের যে, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের বিরোধিতা করার পরও তারা বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পেরেছে এবং এখনও রাজনীতি করছে। আর এসব অপরাধীর জন্য ইতিহাস না জানা কিছু তরুণ গাড়ি ভাঙছে, মিছিল করছে।
অথচ যুদ্ধাপরাধ বা মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ক্ষমা চাওয়া আজ এক সভ্য আন্তর্জাতিক রীতিতে পরিণত হয়েছে। ভারতে বিজেপির প্রভাবশালী রাজনীতিক নরেন্দ্র মোদি আগামীতে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লক্ষ্য সামনে রেখে কিছুদিন আগে ২০০২-এর গুজরাট দাঙ্গার জন্য তার দল বিজেপি ও শিবসেনার কিছু নেতাকে দায়ী করে অনুশোচনা প্রকাশ করেছেন। ভারতের কথা যখন এলো তখন আরেকটু বলি, জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের জন্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল দুঃখ প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘নট দ্য ব্রিটিশ ওয়ে অব ডুইং বিজনেস।’ তারপর ১৯৯৭ সালে স্বামী প্রিন্স ফিলিপকে নিয়ে অমৃতসরে এসেছিলেন কুইন এলিজাবেথ। দুজনে মিলে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের স্মরণে নির্মিত শহীদস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানিয়ে ঘটন
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশী আইকম্যানের মৃত্যুদণ্ড এবং একশ্রেণীর আঁতেলের বিলাপ by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী

ইসরাইল সরকার তাতে দমে যায়নি। তাদের গোয়েন্দা সংস্থা নিপুণ পরিকল্পনা করে তাকে গোপনে অপহরণের। আন্তর্জাতিক সব আইন-কানুন, বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করে ইসরাইলি গোয়েন্দা চক্র আইকম্যানকে অপহরণ করে ইসরাইলে নিয়ে আসে এবং তার নারীঘাতী, শিশুঘাতী জঘন্য অপরাধের বিচার শুরু হয়। বিচারে আইকম্যানের সব অপরাধ প্রমাণিত হয় এবং আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেবেন এটা সুনিশ্চিত জেনে তিনি এবং তার আইনজীবীরা একটি নতুন কৌশল গ্রহণ করেন। এই কৌশলটি হল, হঠাৎ করে দাবি করা বিচারাধীন আইকম্যান যুদ্ধাপরাধী নাৎসি ঘাতক আইকম্যান নন। ইসরাইলের গোয়েন্দা ভুলক্রমে আইকম্যানের মতো দেখতে এক ব্যক্তিকে ধরে এনেছে।
এই কৌশলটি কাজে লাগেনি। তার বাড়ি থেকে জব্দ করা কাগজপত্র এবং পরিচিতজনের সাক্ষ্য থেকেই তার আসল পরিচয় বেরিয়ে আসে এবং তাকে ফাঁসি দেয়া হয়। এই ফাঁসি হওয়ার পর লন্ডনের একটি প্রথম শ্রেণীর দৈনিকের সম্পাদকীয়ের হেডিং ছিল Justice was delayed but not denied (ন্যায়বিচার বিলম্বিত হয়েছে, কিন্তু অস্বীকৃত হয়নি)। আইকম্যানকে যে ইসরাইল অন্য দেশ থেকে অবৈধভাবে অপহরণ করে এনে নিজেরাই বিচারক সেজে (কোনো আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করে নয়) এমন এক সময় মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে, যখন ইউরোপের বহু দেশে এবং আমেরিকারও কোনো কোনো রাজ্যে মৃত্যুদণ্ডের ব্যবস্থা বাতিল হয়ে গেছে, তাতে এসব দেশের কোনো মানবতাবাদী বা মিডিয়া টুঁ শব্দটি করেনি। পরবর্তীকালে ভানু (ঠধহঁ) নামে এক পলাতক ইহুদিকেই ইসরাইল বিদেশ থেকে অপহরণ করে এনে রাষ্ট্রদ্রোহিতার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। তাতেও যে খুব একটা হৈচৈ হয়েছে, তা আমার স্মরণ হয় না। কিন্তু বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যেসব স্বদেশদ্রোহী বিদেশী হানাদারদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে গণহত্যা, বুদ্ধিজীবী হত্যা, নারী নির্যাতন ও ধর্ষণে বর্বরতার বিশ্বরেকর্ড তৈরি করেছে, যাদের সন্ত্রাসের বিভীষিকায় প্রায় এক কোটি মানুষকে দেশত্যাগ করে বিদেশে আশ্রয় নিতে হয়েছিল; বাংলাদেশের সেই স্বদেশদ্রোহী ও মানবতার শত্র“দের দীর্ঘ ৪২ বছরেও কোনো বিচার ও দণ্ড হয়নি। তাদের শীর্ষ নেতারা বিদেশে পালিয়ে গিয়েও স্বদেশী মিত্রদের সহায়তায় শুধু দেশে ফিরে আসা নয়, ক্ষমতায় বসারও সুযোগ পেয়েছে। বিশ্বের ইতিহাসে এমন ঘটনার নজির বিরল। সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশেই তা সম্ভব হয়েছে।
বাংলাদেশে প্রায় নিহত মানবতা হয়তো চিরকাল কেঁদে বেড়াত, কয়েক লাখ শহীদের দীর্ঘশ্বাসে হয়তো দেশটির আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে থাকত, যদি না শেখ হাসিনা দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় এসে নিজের জীবন বাজি রেখে এই মানবতার শত্র“দের বিচার ও দণ্ডদানের ব্যবস্থা করতেন। কিন্তু এই বিচার শুরু হওয়ার প্রস্তুতি পর্বেই দেশে এবং বিদেশে হঠাৎ একদল ‘নব্য মানবতাবাদী’র আবির্ভাব লক্ষ্য করা গেল, যারা এই বর্বর ঘাতকদের বিচার ও দণ্ডদানের মধ্যে মানবাধিকার লঙ্ঘন, ন্যায়বিচার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে মায়াকান্না শুরু করে দিতে দ্বিধা করেননি। ১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধী ঘাতক আইকম্যানদের একজন কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতেই ব্রিটেন, আমেরিকা, এমনকি জাতিসংঘ পর্যন্ত যেমন হায় হায় করে উঠেছে, তেমনি দেশের ভেতরে সুশীল সমাজ ও মিডিয়ার একদল মাথাওয়ালা ব্যক্তি পর্যন্ত মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের নামে হায় হায় করছেন।
এরা কেউ বলছেন না, বিচারাধীন ও দণ্ডিত যদ্ধাপরাধীরা কেউ যুদ্ধাপরাধ করেনি। তারা বলছেন, এদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিশোধ গ্রহণ করা হচ্ছে এবং বিচার আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হচ্ছে না। প্রশ্ন হচ্ছে, হাসিনা সরকার কেন তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিশোধ গ্রহণ করতে যাবে? ’৭১ সালে তো তারা শুধু আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী হত্যা করেনি। ’৭১ সালের মার্চ মাসে এবং ১৪ ডিসেম্বর তারিখে তারা যে অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করেছে, তাদের মধ্যে দু-একজন আওয়ামী লীগের সমর্থক থাকলেও বাকি সবাই ছিলেন বামপন্থী এবং বিভিন্ন বামপন্থী দলের সমর্থক।
একাত্তর সালে জামায়াত এবং তাদের উপদলগুলো তো কেবল আওয়ামী লীগার হত্যায় নামেনি, তারা বাঙালি হত্যায় নেমেছিল। তাই গোটা বাঙালি জাতির দাবি তাদের বিচার ও দণ্ড। এটা দলীয় প্রতিশোধ গ্রহণের ব্যাপার হয় কী করে? বরং বর্তমান হাসিনা সরকার তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্র“তি অনুযায়ী জাতির এই দাবি পূরণের জন্যই চারদিকের বিশাল বাধা অতিক্রম করে এই বিচারের ব্যবস্থা করেছেন। যদি এটা প্রতিশোধ গ্রহণ করা হয় তাহলে বলা চলে এটা গোটা বাঙালি জাতির প্রতিশোধ গ্রহণ। নুরেমবার্গ ট্রায়ালে নাৎসি যুদ্ধাপরাধীদের মৃত্যুদণ্ডদান কি ছিল চার্চিল ও রুজভেল্টের রাজনৈতিক প্রতিশোধ গ্রহণ? এখন পর্যন্ত বলা হচ্ছে, এটা ছিল বর্বর ফ্যাসিবাদের বিলোপ ঘটিয়ে সারা বিশ্বমানবতাকে রক্ষা করা।
বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হচ্ছে না বলে প্রচার চালানো হচ্ছে। এই প্রচার যারা চালাচ্ছেন তাদের মধ্যে সুশীল সমাজের একদল নবীন ও প্রবীণ আঁতেলকেও দেখা যায়। এদের বক্তব্য ও বিবৃতি পাঠ করলে ফাউস্টের কাহিনীর শয়তানের কাছে আÍবিক্রি করার বিবরণ আমার মনে পড়ে। পেট্রো ডলারের কৃপায় বাংলাদেশের জামায়াতিদের ঘরে এখন অঢেল টাকা। কেউ কেউ বলেন, এই টাকা দিয়ে তারা ইকোনমিস্ট, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, নিউইয়র্ক টাইমসের মতো পত্রিকার সুর ঘুরিয়ে ফেলতে পারেন এবং তারা ঘোরাচ্ছেনও। কেউ কেউ বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ধনী আরব দেশের সহায়তায় এবং ইসলামের নাম ভাঙিয়ে ব্যাংক, ইন্স্যুরেন্স ও এনজিওর একচেটিয়া ব্যবসা করে জামায়াত আন্তর্জাতিকভাবে যে বিশাল জিহাদ ফান্ড তৈরি করেছে, তা দিয়ে ইউরোপের কোনো কোনো দেশের পার্লামেন্ট সদস্য এবং আমেরিকার সিনেট সদস্যও কিনে ফেলতে পারে এবং তারা কিনছেও।
এটা কতটা সত্য জানি না। কিন্তু বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে বিশ্বব্যাপী শক্তিশালী প্রচার অভিযান দেখে কথাটা সত্য বলে বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হয়। বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী সমাজ ও মিডিয়ার এক অংশের বর্তমান ভূমিকা দেখে তো ফাউস্টের শয়তানের কাছে আÍবিক্রির কাহিনীটি সম্পূর্ণ সত্য বলে মনে হয়। আইকম্যানের মতো একজন হত্যাকারীর পক্ষে আদালতে দাঁড়াতে ইসরাইলের একজন ইহুদি আইনজীবীও রাজি হননি। ইসরাইল সরকারকে বিশেষ আইনজীবী নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হয়েছিল। আর কাদের মোল্লা বা অন্য ঘৃণ্য ঘাতকদের পক্ষে দাঁড়াতে বাংলাদেশে বাঙালি আইনজীবীর অভাব হয়নি। শুধু আইনজীবী হিসেবে ঘাতকদের পক্ষে দাঁড়ানো নয়, একজন ঘাতক কাদের মোল্লার ফাঁসির চূড়ান্ত রায় হতেই এরা আদালত প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ প্রদর্শনের নামে দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টা করেছেন।
ঢাকার আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের বিচার কেন আন্তর্জাতিক বিচারের মানসম্পন্ন হচ্ছে না, তার একটাও নজির তারা দেখাতে পারেনি। ঘাতকদের দণ্ড থেকে বাঁচানোর জন্য আইকম্যানের মতোই একই ধরনের কৌশল তারা গ্রহণ করতে চেয়েছিলেন। এই কৌশলটি হল- ঘাতক কাদের মোল্লা আসল কাদের মোল্লা নন বলে শেষ সময়ে প্রচার। এ জন্য আওয়ামী লীগেরই একজন সাবেক সংসদ সদস্য এবং নানা দুষ্কৃতির দায়ে দণ্ডিত এক ব্যক্তির সাহায্য গ্রহণ করা হয়েছে। এই ব্যক্তি জেল থেকে বেরিয়েই কাদের মোল্লার লিখিত চিঠি বলে দাবি করে একটি চিরকুট দেখিয়ে বলেছেন, মোল্লা দাবি করেছেন, তিনি আসল কাদের মোল্লা নন। আসল কাদের মোল্লার বদলে নির্দোষ কাদের মোল্লাকে দণ্ড দেয়া হয়েছে।
ঠিক এই প্রচার আরেক দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী সম্পর্কেও প্রচার করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, এই সাঈদী একাত্তরের ঘাতক সাঈদী নন, বর্তমান সাঈদী এতই বুজুর্গ ব্যক্তি যে, তার চেহারা নাকি চাঁদের মধ্যেও দেখা গিয়েছিল। এই একুশ শতকে এ ধরনের মধ্যযুগীয় তামাশা সম্ভবত একমাত্র বাংলাদেশেই দেখানো সম্ভব। যা হোক শেষ পর্যন্ত কাদের মোল্লার ফাঁসি হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মৃত্যুদণ্ডদানের প্রথার বিরোধী। ব্যক্তিগত পর্যায়ে কোনো লোক রাগে, উত্তেজনায় বা হিংসা ও লোভের বশবর্তী হয়ে যদি কাউকে হত্যা করে, তাকে প্রাণদণ্ড না দিয়ে লাইফ সেনটেন্স দেওয়া উচিত। অনেক সময় দেখা গেছে, বিচারের ভুলে নির্দোষ ব্যক্তিরও ফাঁসি হয়ে গেছে। একবার ফাঁসি হয়ে গেলে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার পর তাকে আর প্রাণ ফিরিয়ে দেয়া যায় না। এজন্যই মৃত্যুদণ্ডের প্রথা রদ হওয়া উচিত।
কিন্তু যারা রাগ, সাময়িক উত্তেজনা বা লোভের জন্য নয়, ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পিতভাবে জনসমষ্টিকে হত্যা করে এবং হত্যা করার পরও অনুতপ্ত হয় না, তাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়া ছাড়া মানবতাকে কলঙ্কমুক্ত ও নিরাপদ করার দ্বিতীয় কোনো বিকল্প পথ নেই। এজন্যই কাদের মোল্লার প্রাণদণ্ডে আমি দুঃখিত নই। বরং আমার দাবি, অন্যান্য নরপশু যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও দণ্ডদানও ত্বরান্বিত করা হোক। এই ঘাতকদের সামনে খাড়া করে কারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালাচ্ছে তার প্রমাণ তো পাওয়া গেছে পাকিস্তানের জামায়াত দলের ঘোষণায়। তারা পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনীকে অবিলম্বে বাংলাদেশ আক্রমণের আহ্বান জানিয়েছে। আর এই আহ্বান অনুসরণ করেই বাংলাদেশের জামায়াতিরা একাত্তরের মতো সারা দেশে বর্বর নাশকতার অভিযান শুরু করেছে।
কঠোরভাবে এই যুদ্ধের মোকাবেলা করতেই হবে এবং শেষবারের মতো প্রমাণিত হোক, এই যুদ্ধে বাংলাদেশের ভেতরে এবং বাইরে কারা দেশটির শত্র“ এবং মিত্র।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুস্থ অর্থনীতিকে ধ্বংস করছে অসুস্থ রাজনীতি
![]() |
| সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী |
প্রথম আলো: বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের দায় ব্যবসায়ীরা এড়াতে পারেন না। কেননা, তাঁরাই তো রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করছেন। সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: হ্যাঁ, ব্যবসায়ীদের এই দায় তো নিতেই হবে। যেমন, সরকারই ঠিক করে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কে হবেন। আমরাও সেটি মেনে নিচ্ছি। প্রথম আলোর রিপোর্ট সঠিক। কিন্তু এই প্রবণতা দেড়-দুই দশকের। তার আগে কখনো এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কে হবেন, তা নিয়ে সরকারপ্রধান মাথা ঘামাতেন না। কোনো সভ্য দেশেই এটি হয় না। দেখুন, সরকারপ্রধান যদি ঠিক করে দেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কে হবেন, তাহলে তো সেই সভাপতির পক্ষে সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বলা সম্ভব নয়।
প্রথম আলো: এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা কী করবেন?
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, ব্যবসায়ীরা এখন অস্তিত্বের সংকটে ভুগছেন। তাঁদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। আমি মনে করি, ব্যবসায়ীদের এই রাজনৈতিক বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ব্যবসায়ীদের একাংশ সরকার-সমর্থক; অন্য অংশ সরকারবিরোধী। এ অবস্থায় ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি নেওয়া কঠিন। আমরা এখন চাই একটি সমঝোতা হোক। যে ক্ষমতায় আসুক না কেন, তাকে তো দেশ চালাতে হবে। এভাবে চললে তো শিল্পকারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য সব বন্ধ হয়ে যাবে। ব্যবসায়ীদের ঋণের পরিমাণ এত বেড়ে যাবে যে তা শোধ করা কঠিন হবে। বিদেশে পণ্য রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। এমনকি দেশে বাজারজাত পণ্যও বিক্রি হচ্ছে না। ছোট দোকানদার, ফুটপাতের হকার—সবাই প্রায় বেকার হয়ে পড়েছেন। রাজনৈতিক অস্থিরতা, হরতাল-ধর্মঘট আগেও ছিল। কিন্তু এ রকম পরিস্থিতি গত ৩০ বছরেও দেখা দেয়নি। আগের হরতাল-ধর্মঘট সত্ত্বেও বন্দর থেকে মাল খালাস হয়ে ঢাকায় চলে আসত। আবার ঢাকা থেকে রপ্তানিপণ্য চট্টগ্রামে যেতে সমস্যা হতো না। অর্থাৎ পণ্য সরবরাহব্যবস্থাটি মোটামুটি সচল ছিল। এবারের লাগাতার অবরোধের কারণে সরবরাহব্যবস্থাটি একেবারে ভেঙে পড়েছে। ফলে আমরা ক্রেতা হারাচ্ছি। বাইরের কাঁচামাল না এলে কারখানা চালু রাখাও সম্ভব হবে না।
প্রথম আলো: ব্যবসায়ীদের সরাসরি রাজনীতিতে এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা কি ঠিক?
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: এটা আমি পুরোপুরি অপছন্দ করি। টাকা দিয়ে মনোনয়ন কেনার সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া উচিত। কোনো কোনো ব্যবসায়ী নিজের অন্যায় কাজ আড়াল করার জন্য সাংসদ হতে চান। তাঁরা ভাবেন, সাংসদ-মন্ত্রী হলে কেউ গায়ে হাত দিতে পারবে না। বর্তমান সংসদের অধিকাংশ সদস্য ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ীদের রাজনীতিতে আসা ঠিক নয়।
প্রথম আলো: বিষয়টি নিয়ে ব্যবসায়ী ফোরামে কি কোনো আলোচনা হয় না?
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: অনেক সময় আলোচনা হয়, প্রস্তাবও নেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তবায়ন করা যায় না। আমাদের অনেক কিছু সংস্কার করার দরকার ছিল, যা হয়নি। নিজেদের মধ্যে ঐক্য না থাকলে সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন।
প্রথম আলো: কোনো কোনো ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দল ও জোট ভাঙারও অভিযোগ আছে?
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: একজন ব্যবসায়ী কেন এই কাজ করবেন? পৃথিবীর সব দেশেই ব্যবসায়ীরা রাজনৈতিক দলকে চাঁদা দেন। যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যে এসব চাঁদা দেওয়া বা নেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আছে। তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে তা নেই। ব্যবসায়ীরা রাজনৈতিক দলকে চাঁদা দিলে তা রসিদ নিয়ে দেওয়া উচিত। এখানে সমস্যা হলো, এক দলকে চাঁদা দিলে অন্য দল বিরূপ চোখে দেখে।
প্রথম আলো: রাজনীতি যখন ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করে দিচ্ছে, তখন আপনারা চাঁদা দেওয়া বন্ধ করছেন না কেন?
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: আমরা যখন বৈঠক করি, তখন সবাই বলেন, আমরা চাঁদা দেব না। তারপর দেখা যায়, গোপনে কোনো দলকে চাঁদা দিয়ে আসেন। এই চাঁদা দেওয়ার উদ্দেশ্য হলো, ওই দল ক্ষমতায় গেলে কিছু টেন্ডার বা লাইসেন্স বাগিয়ে নেওয়া।
প্রথম আলো: এই সংঘাতের শেষ কোথায়?
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী পাকিস্তান আমলে আমরা রাজনৈতিক সংঘাত দেখেছি। তখন আমাদের প্রতিপক্ষ ছিল পাকিস্তানিরা। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক যে স্বাধীনতার ৪২ বছর পরও সেই সংঘাত-সংঘর্ষ চলছে। একসঙ্গে ১০-১৫ বছর কখনো শান্তিতে থাকতে পারিনি। এটা হয়তো আমাদের জাতিগত সমস্যা। না হলে এ রকমটি হবে কেন?
প্রথম আলো: সংকট থেকে উত্তরণের পথ কী?
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: উত্তরণের পথ হলো, নিজেদের মধ্যকার বিভেদ ভুলে সবাইকে শান্তির পক্ষে অবস্থান নিতে হবে। দলের চেয়ে দেশের ও মানুষের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। একটি অসুস্থ রাজনীতি সুস্থ অর্থনীতিকে কীভাবে অসুস্থ করে, বাংলাদেশ তার জ্বলন্ত প্রমাণ। গত পাঁচ বছরে আমাদের যথেষ্ট অর্থনৈতিক অগ্রগতি হয়েছে। প্রবৃদ্ধি বেড়েছে, দারিদ্র্য কমেছে, বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বেড়েছে। কিন্তু অসুস্থ রাজনীতির জন্য সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এত খারাপ অবস্থা কখনো আসেনি। আমরা ১৮ দল বা ১৪ দল বুঝি না। আমাদের একটাই চাওয়া যে ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা হোক। সেটি করতে না পারলে আওয়ামীপন্থী, বিএনপিপন্থী কোনো ব্যবসায়ীই থাকবেন না। রাজনীতিতে দল ও মতের পার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু তার জন্য ব্যবসা-বাণিজ্য ধ্বংস হতে পারে না।
প্রথম আলো: প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের নেতার কাছে ব্যবসায়ীরা স্মারকলিপি দিয়েছেন। কোনো ফল পেয়েছেন কি?
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যবসায়ীদের দেখা হলেও বিরোধী দলের নেতার দেখা তাঁরা পাননি। তিনি সে সময়ে অফিসে না থাকলেও পরে ব্যবসায়ীদের ডাকতে পারতেন। সেটি হয়নি। বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ীরা তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা চালিয়েও সফল হননি।
প্রথম আলো: আপনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দুবার দায়িত্ব পালন করেছেন ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে। এবারের পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে।
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: কঠিন প্রশ্ন। আমি মনে করি, সমঝোতার জন্য দুই নেত্রীকে বসতে হবে। দ্বিতীয় কোনো নেতা বসলে এ সমস্যার সমাধান হবে না। তাঁরা একসঙ্গে না বসলে, সংলাপ না করলে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, কেউ বলতে পারে না। দুজনকে বসে ঠিক করতে হবে, কে কতটুকু ছাড় দেবেন। শান্তির জন্য সবাইকে ছাড় দিতে হয়। দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদবিরোধী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা ক্ষমতায় এসে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ডি ক্লার্ককে ভাইস প্রেসিডেন্ট করেছিলেন দেশের ও জনগণের স্বার্থে। আমাদের দুই নেত্রীকেও দেশের স্বার্থে ছাড় দিতে হবে। তাঁরা একগুঁয়েমি দেখালে অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাবে। বহির্বিশ্বে আমাদের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে।
প্রথম আলো: ব্যবসায়ীরা দুই নেত্রীকে বসানোর ব্যাপারে কিছু করতে পারেন কি না?
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: আমার মনে হয় না, ব্যবসায়ীদের সেই শক্তি আছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ীদের বাইরে যাঁরা আছেন, তাঁরা নীরব জনতা। তাঁরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও কিছু করার নেই। আওয়ামী ও বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ীরাই সব নিয়ন্ত্রণ করেন।
প্রথম আলো: সরকার ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী নির্বাচন করার ব্যাপারে অনড় আর বিরোধী দল বলছে, তফসিল পরিবর্তন করতে হবে।
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দল না এলে এর গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না। কোনো নির্বাচনে ২০ শতাংশের নিচে ভোটার উপস্থিত হলে সেটি গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। বর্তমান প্রযুক্তির যুগে ভোটাররা কেন্দ্রে না গেলে উপস্থিতি বাড়ানোর সুযোগ আছে বলে মনে হয় না।
প্রথম আলো: নির্বাচনের পরে কী হবে?
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: যাঁরা নির্বাচন বর্জন করবেন, তাঁরাও নিশ্চয়ই বসে থাকবেন না। আরও হরতাল-অবরোধের কর্মসূচি দেবেন। তাতে অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য বলে কিছু থাকবে না। আমরা পথে বসে যাব।
প্রথম আলো: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আপনার অভিজ্ঞতা জানতে চাই।
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর যদি রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ না থাকে, তাহলে তারা সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে, যা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য জরুরি। তারা জানে, এলাকায় কারা সন্ত্রাসী, কারা সমাজবিরোধী। নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক থাকলে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যান এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
প্রথম আলো: দলীয় সরকারের অধীনে এটি সম্ভব নয় কেন?
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: এর জন্য নির্বাচন কমিশনসহ নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইনি সুরক্ষা দিতে হবে। নির্বাচন কমিশনের বাজেট সংসদে পাস করতে হবে। তাহলে ১০ লাখ টাকার জন্য তাদের অর্থমন্ত্রীর কাছে ধরনা দিতে হবে না। দ্বিতীয়ত, ব্যক্তিত্বসম্পন্ন লোকদেরই কমিশনে নিতে হবে। জনপ্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কিন্তু জনপ্রশাসনের দলীয়করণ এমন অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে যে সেটি আর সম্ভব নয়।
প্রথম আলো: একতরফা নির্বাচন হয়ে গেলে পরিস্থিতি কোন দিকে যেতে পারে?
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: একতরফা নির্বাচন হলে শান্তি আসবে না। সে কারণে সমঝোতা নির্বাচনের আগেই হতে হবে।
প্রথম আলো: বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় অর্থনীতির ওপর স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি, দীর্ঘমেয়াদি কী প্রভাব পড়বে বলে আপনি মনে করেন?
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: ইতিমধ্যে তৈরি পোশাক খাতের বেশ কিছু অর্ডার বাইরে চলে গেছে। আরও যেত, কিন্তু আমরা যে পরিমাণ পণ্য উৎপাদন করি সেই পরিমাণ পণ্য অন্য দেশ এত কম সময়ে করতে পারছে না। আমাদের একটি কারখানায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার পর্যন্ত শ্রমিক কাজ করেন; যেটি ভারতে বা ভিয়েতনামে দেখা যাবে না। এই অস্থিরতা ও সহিংসতা দীর্ঘস্থায়ী হলে ক্রেতারাও বিকল্প চিন্তা করবেন। তখন তাঁরা বাংলাদেশের পণ্যের পরিমাণটি ভাগ করে একাধিক দেশ থেকে নিতে চাইবেন। সে ক্ষেত্রে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিটা অনেক বেশি হবে।
প্রথম আলো: বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ফিরে যাবেন কি না?
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: কয়েক দিন আগে এক কোরিয়ান ব্যবসায়ী আমাকে বললেন, তিনি এখানে ১৮ বছর ধরে ব্যবসা করছেন। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় তিনি মিয়ানমারে চলে যাওয়ার চিন্তা করছেন। এভাবে অন্যরাও চলে যাবেন। অস্থিরতা থাকলে বিদেশি নতুন বিনিয়োগও আসবে না।
প্রথম আলো: বিজিএমইএসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন সরকারের কাছে সুদ মওকুফসহ নানা দাবি পেশ করেছে।
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সরকার সবাইকে সেটি দিতে পারবে না। তবে বিজিএমইএ সুদ মওকুফের যে দাবি জানিয়েছে, তা পূরণ করতে হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহায়তা জরুরি। বাণিজ্যিক ব্যাংক নিজে থেকে সুদ মওকুফ করতে পারবে না। ব্যাংকিংব্যবস্থা হলো অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি, একে ঝুঁকিতে ফেলা যাবে না। এ ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও শিল্পোদ্যোক্তাদের একসঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
এই মুহূর্তে বড় সমস্যা হলো পণ্য সরবরাহ। আগে যে ট্রাক আমি ১০ হাজার টাকায় ভাড়া নিতাম, সেই ট্রাক এক লাখ টাকায়ও পাচ্ছি না। সরকার সংবিধান রক্ষার কথা বলছে, কিন্তু জনগণের জানমাল রক্ষার চিন্তা করছে না। এই মুহূর্তে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ও অন্যান্য স্থানে পণ্য সরবরাহ সচল রাখা জরুরি। সংবিধান অনুযায়ী শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকুন, আমাদের আপত্তি নেই; কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের নিরাপত্তা তাঁকে দিতে হবে।
প্রথম আলো: সরকার যদি ব্যবসায়ীদের কথায় কর্ণপাত না করে?
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: এর সহজ উত্তর নেই। আবার আমরা চুপচাপ বসে থাকব, তাও হতে পারে না। আমরা সমাবেশের কর্মসূচি নিয়েছি। সরকার ও বিরোধী দলকে বলছি, আপনারা সমঝোতায় আসুন, দেশকে বাঁচান।
প্রথম আলো: ব্যবসায়ীদের দলীয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণকে কীভাবে দেখছেন?
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: আমি মনে করি, এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। যে সরকার যখন ক্ষমতায় এসেছে, তারা ব্যবসায়ীদের পক্ষে টানতে চেয়েছে; আবার ব্যবসায়ীরাও সরকারের কাছে কিছু পাওয়ার জন্য দলের প্রতি আনুগত্য দেখিয়েছেন।
প্রথম আলো: ধন্যবাদ।
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী: আপনাকেও ধন্যবাদ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অবরোধবাসিনী
![]() |
| অবরোধবাসিনী |
উম্মে মুসলিমা: সাহিত্যিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রার্থীবিহীন নির্বাচন
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৮ শর্তে কংগ্রেস-বিজেপিকে সমর্থন দেবে আম আদমি
গঠিত না হলে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথাও জানায়। এমন পরিস্থিতিতে সমালোচনায় পরে বিজেপি ও এএপি। এক বছর বয়সী এএপি প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়ে জনগণের সমর্থন পেয়েছে। আর তাই তাদের দায়িত্ব গ্রহণ এড়িয়ে চলার ক্ষেত্রে সমালোচনার তীরও বেশি আসছে। এটি ভেবেই জনগণ স্বার্থসংশ্লিষ্ট ১৮টি ইস্যুর তালিকা দিয়েছেন এএপি প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। দুর্নীতিবিরোধী লোকপাল বিল পাস, রাজধানীতে ভিআইপি সংস্কৃতির অবসান, বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর পর্যবেক্ষণ, পানি সমস্যাসহ বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু রয়েছে ওই চিঠিতে। আম-আদমি নেতা কেজরিওয়াল দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর নাজিব জুংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। তাকেও ক্ষমতাসীন কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী ও বিজেপি সভাপতি রাজনাথ সিংকে লেখা ১৮ দফা দাবি সংবলিত চিঠির কপি দেন। কেজরিওয়ালকে নাজিব জুং বলেছেন, এখন সরকার গঠন সম্ভব নয় মর্মে তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতিবেদন পাঠাবেন। নাজিব জুংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর কেজরিওয়াল সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, দিল্লির জনগণের কথা ভাবার আগে তিনি কংগ্রেস ও বিজেপির সাড়ার জন্য অপেক্ষা করবেন। তিনি বলেছেন, শর্তহীন সমর্থন দেয়ার কোনো বিষয় নেই। আমরা কংগ্রেসের কাছে সমর্থন চাচ্ছি না, তারা আমাদের শর্তে সমর্থন দিতে চাইলে দেবে।’ টাইমস অব ইন্ডিয়া।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রানীর বাদাম খায় রক্ষী!
২০০৫ সালে রাজরক্ষীদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ জানিয়ে একটি ই-মেইল পাঠান রাজপরিবারের ঘনিষ্ঠ একজনকে। ঘটনাচক্রে সেই ই-মেইল সম্প্রতি হাতে আসে এক সাংবাদিকের। সেখান থেকেই জানা গেছে এ তথ্য। বাকিংহাম প্যালেসের রক্ষীদের ওপর রানী এতটাই খেপেছিলেন যে রীতিমতো নোটিশ দিয়ে জানিয়েছিলেন, কেউ যেন তার খাবারে হাত না দেয়। আসলে মাঝেমধ্যে টুকটাক কিছু খেতে পছন্দ করেন এলিজাবেথ। তাই প্রাসাদের নানা জায়গায় কৌটা ভর্তি করে রাখা থাকে কাজু-বাদামের মতো খাবার-দাবার। সেগুলো থেকেই লুকিয়ে খেয়ে নিতেন রক্ষীরাও। বিষয়টা বুঝতে পেরে এতটাই রেগে গিয়েছিলেন রানী যে, কৌটায় দাগ দিয়ে রাখতেন। আর লক্ষ্য রাখতেন, কাজু-বাদাম দাগ পর্যন্তই রয়েছে কি-না। ডেইলি মেইল।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিকিনিতে বাংলাদেশি মডেল জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া!
এদিকে রোববার রাতে ফেসবুকে দেশীয় একাধিক মডেল থেকে শুরু করে অনেকেই পিয়ার এ ছবি শেয়ার করতে থাকেন। যার ফলে সঙ্গে সঙ্গেই এ নিয়ে আলোচনার ঝড় শুরু হয়। সোমবার সকাল থেকে ‘টক অব দ্য শোবিজ’-এ অবস্থান করে বিষয়টি। কোন আন্তর্জাতিক ইভেন্টে দেশীয় মডেল-অভিনেত্রীর এ রকম বিকিনি পরা ছবি প্রকাশ পাওয়ার নজির নেই বললেই চলে। আর যদি থেকেও থাকে তা সেভাবে প্রকাশ না পাওয়ায় এমন আলোচনা-সমালোচনা হয়নি।

চলতি বছরই দেশের নামকরা র্যাম্প মডেল পিয়া রেদওয়ান রনি পরিচালিত ‘চোরাবালি’ ছবিতে অভিনয় করে অভিনেত্রী হিসেবেও সবার নজর কাড়েন। এ ছবিতেও বেশ খোলামেলা রূপে দেখা গেছে তাকে। ছবিটির মাধ্যমে বেড়ে যায় তার পরিচিতিও।
এদিকে কয়েক বছর ধরেই দেশীয় র্যাম্পে দাপটের সঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি পিয়া একাধিক আন্তর্জাতিক ইভেন্টেও অংশ নিয়েছেন, যার মাধ্যমে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। এসব প্রতিযোগিতায় অন্যান্য দেশের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে সাফল্যও লাভ করেছেন।
এর আগে ২০০৭ সালে মিস বাংলাদেশ হন পিয়া। এরপরই লাইমলাইটে চলে আসেন তিনি। একাধিক ব্র্যান্ডের মডেল হিসেবেও দেখা গেছে তাকে। এরপর আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও পরিচিতি পান।

২০১১ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় আয়োজিত ‘ওয়ার্ল্ড মিস ইউনিভার্সিটি’ খেতাব জয় করেন তিনি। চলতি বছরের শুরুতেই ‘ইন্ডিয়ান প্রিন্সেস ইন্টারন্যাশনাল’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন পিয়া। সেখানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে বিজয়ের মুকুট মাথায় উঠে তার।
অন্যদিকে চলতি বছরই বাহরাইনে আয়োজিত ‘ইন্টারন্যাশনাল প্রিন্সেস’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন তিনি। এছাড়া মিশরে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড টপ মডেল’ প্রতিযোগিতায় শীর্ষ মডেল হওয়ার সাফল্য অর্জন করেন পিয়া। আর এ প্রতিযোগিতায় অন্য প্রতিযোগীদের সঙ্গে তার বিকিনি পরে পোজ দেয়া ছবিই দেশীয় মিডিয়ায় তাকে তুমুল আলোচনায় নিয়ে আসে।
ফেসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন স্থানে পিয়ার বিকিনি পরা ছবি ও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের বিষয়টিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই বলেছেন, দেশীয় সংস্কৃতি, আমাদের ধর্ম কখনও এমন খোলামেলাভাবে উপস্থাপনকে সমর্থন করে না। পিয়ার এমনভাবে নিজেকে উপস্থাপন আমাদের সংস্কৃতিকে অসম্মানিত করেছে, কলুষিত করেছে। এমন অসংখ্য নেতিবাচক মন্তব্যের বিপরীতে অবশ্য ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিও দেখা গেছে। অনেকে বলেছেন, দেশীয় একজন মডেলের আন্তর্জাতিক ইভেন্টে পদচারণা ও সাফল্য অর্জন করা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। এটাকে নিরুৎসাহিত না করে বরং উৎসাহিত করা উচিত।

পিয়া জানান, এখানে বিকিনি পরে কাজ করতে হয়। আর আমি কিন্তু এমন নয় যে বিচে বিকিনি পরে একা একা পোজ দিয়েছি! মঞ্চে অন্য দেশের মডেলরাও কিন্তু আমার পাশে ছিল। আমার কাছে কাজটাই মুখ্য। কাজের মাধ্যমে নিজ দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারছি, এটা আমার জন্য বড় ব্যাপার।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
December
(526)
-
▼
Dec 16
(19)
- সহিংসতা- এদের এখনই রুখতে হবে by আসাদুজ্জামান নূর
- বিজয় দিবস- ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’ by সেলিনা হোসেন
- বিএনপিকে অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে- দেশ ধ্বংসের আন...
- খালেদা পাকিস্তানের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন: হানিফ
- নির্বাচনী সংকট- না থাকা সদিচ্ছার ওপর আস্থা by আলী ...
- বিজয় দিবস- পতাকার জন্য ভালোবাসা by শাহানা হুদা
- না থাকা সদিচ্ছার ওপর আস্থা
- পতাকার জন্য ভালোবাসা
- ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’
- ঐক্যই পারে বিজয়কে সুসংহত করতে by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবর...
- মুক্তির মন্দির সোপানতলে কত প্রাণ হল বলিদান by মহিউ...
- ক্ষমা চাহিতে পারিলাম না, ক্ষমো হে মম দীনতা by শাহ ...
- বাংলাদেশী আইকম্যানের মৃত্যুদণ্ড এবং একশ্রেণীর আঁতে...
- সুস্থ অর্থনীতিকে ধ্বংস করছে অসুস্থ রাজনীতি
- অবরোধবাসিনী
- প্রার্থীবিহীন নির্বাচন
- ১৮ শর্তে কংগ্রেস-বিজেপিকে সমর্থন দেবে আম আদমি
- রানীর বাদাম খায় রক্ষী!
- বিকিনিতে বাংলাদেশি মডেল জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া!
-
▼
Dec 16
(19)
-
▼
December
(526)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





