Tuesday, May 2, 2023
মানুষ কেন মিথ্যা বলে? by ফাহিমা আক্তার সুমি
যাই হোক, মিথ্যা আসলে মিথ্যাই। শিশুকালেই সকল সন্তানদের পরিবার থেকে শিক্ষা দেয়া হয়- মিথ্যা বলা মহাপাপ। এক সময় লেখাপড়া শুরু হতো আদর্শলিপি দিয়ে। যেখানে মিথ্যা বলা মহাপাপ- এ বচনটি সবার মুখস্থ ছিল। আর এখন সবক্ষেত্রেই এসেছে পরিবর্তন। এ পরিবর্তনের হাওয়ায় শিশু থেকে শুরু করে সকল বয়সের মানুষ কখনো ইচ্ছায়-অনিচ্ছায়, কখনো দুষ্টমির ছলে মিথ্যার আশ্রয় নেন। আবার কখনো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে বা রাজনীতির ময়দানে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে অনেক রাজনীতিক মিথ্যার বেসাতি করেন। স্বজনদের সান্ত¡না দিতে মিথ্যা বলতে হয়। প্রতারকরাও বিভিন্ন প্রতারণার জন্য মিথ্যার ফাঁদ পাতে। অনেকে মিথ্যা বলে নিজেকে খুব চালাক ভাবেন। মিথ্যা বলে অন্যকে ঠকাতে পারলে এক ধরনের আনন্দ ও তৃপ্তি পান। এক্ষেত্রে সবসময় মিথ্যা বলা এক ধরনের মানসিক সমস্যাও বলা যায়। অনেকে আবার অবচেতন মনে বার বার মিথ্যাটা বলে আসে। পারিবারিক বা সামাজিক কারণে কারও কারও ছোটবেলা থেকেই মিথ্যা বলার বদ অভ্যাস গড়ে ওঠে। অনেকে আবার সবার কাছে নিজেকে যোগ্য, দক্ষ, স্মার্ট, সৎ ও ভালো হিসাবে প্রকাশ করতে সত্য-মিথ্যার মিলে কথা বলে। নিজের হীনম্মন্যতাকে চাপা দেয়ার জন্য মিথ্যা বলে অনেকে। অপরাধীরা বিভিন্ন অপরাধ প্রতিষ্ঠিত করতেও আশ্রয় নেয় মিথ্যার। নিজের গোপন কথা গোপন রাখতে মিথ্যা বলা হয়। আবার কখনো যেকোনো সম্পর্ক সহজ করতে মিথ্যা বলে থাকে অনেকে। মিথ্যার এই অভ্যাসগুলো অনেকে সহজে ছাড়তে পারে না। কেউ অতীতে খারাপ কিছু করে থাকলে তা লুকানোর জন্যও মিথ্যার আশ্রয় নেয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান সময়ে কিছু মানুষের মিথ্যা বলা মুদ্রা দোষে পরিণত হয়েছে। মিথ্যা বলে পাপ, অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতি সব করছে। আর এ মিথ্যা প্রকাশ্যে অবলীলায় বলছে মানুষ। এমনকি মিথ্যার মাধ্যমে খুনের মতো ঘটনাও ঘটছে। অনেকে মিথ্যা বলে নিজের স্থানটাকে ধরে রাখতে চায়। মিথ্যা বলায় ব্যক্তিগত, সামাজিক, রাজনৈতিক, সব পর্যায়ে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।
অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জাইফা রহমান। রাজধানীর তেজতুরি বাজারের একটি হোস্টেলে থাকেন। বাবা-মা, ভাইবোন থাকেন কিশোরগঞ্জে। তার কাছে প্রশ্ন ছিল মানুষ মিথ্যা বলে কেন? সোজা কথায় জাইফা বলেন, আমি নিজেই পরিস্থিতির শিকার হয়ে প্রতিদিন কিছু না কিছু মিথ্যা বলছি। অনিচ্ছা সত্ত্বেও কেন জানি মিথ্যা মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে। বাবা-মা, ভাইবোন, আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে মিথ্যা বলে থাকি। তবে জাইফা জোর গলায় বলেন, আমি মিথ্যাবাদী পরিচয়ে পরিচিত হতে চাই না। আমি তো ইচ্ছা করেই সবসময় মিথ্যা বলি তা নয়। হুট করে কোনো পরিস্থিতিতে আমাকে কোনো না কোনো মিথ্যা বলতে হয়। অনেক সময় মিথ্যা বলার পরে চিন্তা হয়। নিজেও মেনে নিতে পারি না।
মূল কথা- সত্যের বিপরীতই মিথ্যা। যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা বলে তাকে মিথ্যাবাদী বলা যেতে পারে। সাধারণত মিথ্যা শব্দটি একটি নেতিবাচক অর্থ বহন করে। কোরআন ও হাদিসের মাধ্যমে প্রমাণিত যে, ইসলামে মিথ্যার সামান্যতম আশ্রয় বা সুযোগ নেই। এটা ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও গর্হিত। শুধু ইসলাম ধর্মই নয়, সকল ধর্মেই মিথ্যা সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে। মিথ্যাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের হার্টফোর্ডশায়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক রিচার্ড ওয়াইজম্যান বলেছেন, প্রতিদিন জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মিথ্যা বলে। আমরা মিথ্যা বলায় বেশ ভালো, মিথ্যা শনাক্তকরণ বেশ বাজে। এক জরিপে দেখা গেছে যে, পাঁচ শতাংশ মানুষ দাবি করেছে যে, তারা কখনোই মিথ্যা বলেনি।
এই বিষয়ে কথা হয় ফার্মগেটের ফল ব্যবসায়ী রাকিবের সঙ্গে। তিনি বলেন, অনেক সময় পরিবারের সঙ্গে কারণে-অকারণে মিথ্যা বলতে হয়। আবার দেখা যায় ব্যবসার সুবিধা লাভের জন্য কমবেশি মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয়। একজন টাকা পাবে। তাকে কখনো কখনো মিথ্যা বলে সামলে রাখতে হয়। এদিকে হাতে টাকা থাকলেও চিন্তা করতে হয় এই টাকা দিয়ে আবার নতুন কিছু মাল আনতে পারি কিনা। ব্যবসার ক্ষেত্রে সবসময় সত্য বলা যায় না। এতে অসুবিধাও হয়।
রিকশাচালক ইকবাল হোসেন বলেন, আমার বাড়ি গাজীপুর। তিন বছর ধরে ঘর ছেড়েছি। আমি রাজনীতি করি। এলাকায় নেতাদের সঙ্গে ঘোরাফেরা করতাম। তাতেই আমাকে হয়রানি করা হয়। এরপর ঢাকায় চলে আসি। আমি কোথায় আছি? কি করি এলাকার কেউ জানতে চাইলে সত্য বলতে পারি না। আমাকে মিথ্যা বলতে হয়। আমি ঢাকায় রিকশা চালাই এটাও কেউ জানে না। এই মিথ্যাগুলো তো আমি ইচ্ছা করে বলছি না। এগুলো তো নিজেকে রক্ষা করার জন্য বলতে হচ্ছে।
আফসানা মৌ বলেন, আমরা সবাই কমবেশি মিথ্যা বলি অপরাধ ঢাকার জন্য। কমবেশি ছোট ছোট অপরাধ করা হয়। আর এই অপরাধের দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতে মাঝে মাঝে মিথ্যা বলা হয়। শুধু তাই নয়, কখনো কখনো প্রিয় মানুষদের কষ্ট বা উদ্বেগ থেকে দূরে রাখতে মিথ্যা বলা হয়। আমার মনে হয় সঙ্গী, বন্ধু-বান্ধব বা পরিবার আমার যেকোনো বিষয়ে উদ্বিগ্ন থাকলে তার মানসিক শান্তির জন্য অনেক সময় বাড়িয়ে মিথ্যা কথা বলতে হয়। এসব মিথ্যা কথাগুলো আসলে না বলে আর কোনো উপায় থাকে না।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম মানবজমিনকে বলেন, মিথ্যায় যদি আর্থিক লাভ হয় তাহলে সাধারণত মিথ্যা বলে মানুষ। যারা সেই সমাজকে বিশ্বাস করে যেখানে মিথ্যার কোনো আর্থিক মূল্য নেই। আমরা সেই আদর্শে বিশ্বাস করি। সত্য-মিথ্যার রহস্য এখানে। যারা পুঁজিবাদে বিশ্বাস করে, লোভী তারা মিথ্যা বলার পরে লোভ হয়। নিজের অর্থনৈতিক স্বার্থের জন্য মিথ্যা বলে। কিন্তু যারা সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করে তারা মিথ্যা বললে এখানে কোনো আর্থিক সুবিধা হয় না। এখন প্রচলিত রাজনীতি যারা বড় বড় রাজনীতি সত্য বলে দাবি করে তারা মিথ্যাচারের মধ্যে আছে। অতীত ও বর্তমানের রাজনীতির মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। এখনকার রাজনীতিকে আমি রাজনীতি বলি না- এটা এক ধরনের ব্যবসা। ব্যবসায়ীক বিবেচনা থেকে রাজনৈতিক লেবাস গায়ে জড়িয়ে তারা সেই বাবসায়ীক সুবিধা করতে চায়। অনেকে মিথ্যা বলে বলে নিজের স্থানটাকে ধরে রাখতে চায়। সেই ব্যক্তি এক্সপার্ট পলিটিশিয়ান যে নাকি মিথ্যাচারে এক্সপার্ট এবং মিথ্যা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করে। এবং এটা করে কারণ এটা দিয়ে তার আর্থিক লাভ হচ্ছে।
এ ব্যাপারে মানবজমিনের যুগ্ম সম্পাদক শামীমুল হক বলেন, মানুষ মিথ্যা বলে কেন? এর উত্তর দেয়ার আগে বলে নেই, মিথ্যা বলা মহাপাপ। সকল ধর্মই মিথ্যাকে না বলেছে। তারপরও মানুষ মিথ্যা বলে। আর এ মিথ্যা বলার প্রধান কারণ মনে হয়-স্বার্থ। নিজের স্বার্থের জন্য মিথ্যা বলে মানুষ। বর্তমান সময়ে কিছু মানুষের মিথ্যা বলা মুদ্রা দোষে পরিণত হয়েছে। মিথ্যা বলে পাপ, অন্যায়, অনিয়ম সবকিছু করছে। আর এ মিথ্যা প্রকাশ্যে অবলীলায় বলছে মানুষ। আপনি দেখবেন, ঢাকায় রাস্তায় আপনার পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া ব্যক্তি ফোনে বলছেন, আমি এখন কুমিল্লায়। চার পাঁচদিন পরে ঢাকায় আসবো। আপনি তার কথা শুনছেন। মিথ্যা কথা বলছেন তাও বুঝছেন। ওই ব্যক্তিও জেনে শুনেই মিথ্যা বলছেন। তার মানে প্রকাশ্যে এই মিথ্যা বলাকে তিনি দোষের কিছু মনে করছেন না। তবে, সত্য হলো মিথ্যা একটি সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। সমাজে অশান্তি তৈরি করে। একটি মিথ্যায় সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। মিথ্যা থেকে সবাইকে বেরিয়ে আসতে হবে। মনে রাখতে হবে, সত্য মানুষকে সঠিক পথ দেখায়। ভুল করে কারও কাছে স্বীকার করে নিলে সহজেই ক্ষমা পাওয়া যায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক এবং সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক মানবজমিনকে বলেন, শুরু থেকেই একজন শিশুকে সত্যের কথা বলবে, সৎ পথে চলবে এই শিক্ষা দিয়েই কিন্তু বড় করা হয়। কিন্তু সেই শিশু বড় হয়ে দেখে আদর্শ সেই বাণীগুলো দিয়ে সমাজে অনেক সময় সে পেরে উঠে না, খাপ খাওয়াতে পারে না- তখন তাকে বিকল্প উপায় ভাবতে হয়। আর সেই বিকল্প উপায়টাই হলো মিথ্যা। মিথ্যা দিয়ে বিপদ থেকে বাঁচা যায়, মিথ্যা বলে নিজের স্বার্থ হাসিল করা যায়, মিথ্যা বলে নানা ধরনের অভাব-অভিযোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায় বা মিথ্যা বলে নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা যায়। আমাদের দেশে সকল শ্রেণির মানুষই মিথ্যা বলছে। রাজনীতি, ব্যবসায়ী বা অন্যান্য পেশাগত ব্যক্তি যারা তারা সত্য দিয়ে আসলে টিকে থাকতে পারবেন কিনা? যখনই তিনি টিকে থাকতে পারবেন না মনে করেন তখনই ওই ব্যক্তি মিথ্যার আশ্রয় নেয় বা সত্য গোপন করে। তিনি বলেন, যারা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে থাকেন তারা যখন মিথ্যা বলেন বা অর্ধ সত্য বলেন বা সত্য-মিথ্যার মিশ্রণ করে কথা বলেন সেটি আসলে সমাজ, জাতির যে ইতিবাচক প্রভাবের জায়গাটা বা মানুষকে সঠিক তথ্যটি পাওয়ার থেকে মানুষকে বঞ্চিত করে এর মধ্য থেকে সমাজ, রাষ্ট্র বির্নিমাণে মানুষের যে অঙ্গীকার বা একত্র হওয়া বা তাদের সঙ্গে অংশগ্রহণমূলক যে প্রক্রিয়ার জায়গাটি কিন্তু নষ্ট হয়ে যায়। এদিকে মিথ্যা ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে গুজব তৈরি হয়। এই গুজবকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে এমনকি মানুষ খুনেরও শিকার হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. তানিয়া রহমান বলেন, নিজের প্রতি যখন আত্মবিশ্বাস কম থাকে, বাস্তবতাকে যখন ফেস করতে পারে না তখনই মানুষ মিথ্যা বলে। এই মিথ্যা বলার প্রভাবটা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। যত মিথ্যা বলবে সেটি একসময় তার কাছে কোনো ব্যাপারই মনে হবে না। তখন কারণে-অকারণে কথায় কথায় সে মিথ্যা বলবে। একসময় এটি তার ব্রেনে সেট হয়ে যায়। এর প্রসারতা দিন দিন বাড়তে থাকে। মিথ্যা কথা বলা মানুষগুলোর বিবেকটাও তখন ঠিকভাবে কাজ করে না।
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ রুহুল আমীন বলেন, হাদিসে আছে মিথ্যা বলা মহাপাপ। এবং এমন একটি বিষয় যে মিথ্যা বললে একটি দুর্গন্ধ আছে সেই দুর্গন্ধটা ফেরেশতারা অনুভব করতে পারেন। সেটির কারণে ফেরেশতারা অনেক দূরে চলে যায়। বড় যে গুনাহ বা পাপ আছে তার মধ্যে এটি একটি। মিথ্যা থেকে অবশ্যই সবাইকে দূরে থাকা দরকার। ব্যক্তিগত, সামাজিক, রাষ্ট্রীয়, আন্তর্জাতিক সব ধরনের ক্ষতি মিথ্যা বলা। মিথ্যা না বলা একজন মুমিনের বিশেষত্ব। মিথ্যাবাদীকে সৃষ্টিকর্তাও পছন্দ করেন না।
ঢাকার রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের স্বামী শান্তিকরা নন্দজী (কিশোর মহারাজ) বলেন, মিথ্যা বলা কোনো ধর্ম সমর্থন করে না। প্রত্যেকটি ধর্মেই মিথ্যা বলা পাপ। যারা মিথ্যা বলে তাদের বিবেক জাগ্রত হয়নি। যখন বিবেক জাগ্রত হয় তখন বুঝতে পারে। যারা বলছে মিথ্যা বলো না তারাই মিথ্যা বলছে। আগে নিজের বিবেকটাকে জাগ্রত করতে হবে। মানুষ আত্মসাৎ করছে, এটি সে জেনেশুনেই করছে। বাবা তার সন্তানকে বিশ্বাস করছে না, সন্তান তার বাবাকে বিশ্বাস করছে না। আগে তো এইসব ছিল না। এর থেকে রেহাই পাওয়ার একটাই উপায় ছোটবেলা থেকে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা। পারিবারিক শিক্ষায় শিক্ষিত করা এবং নৈতিক আচরণ তাকে বুঝানো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিন মাস অনশনের পর ইসরাইলি কারাগারে মারা গেলেন ফিলিস্তিনি
তিন মাস ধরে অনশনের পর মারা গেছেন ফিলিস্তিনি কারাবন্দী খাদের আদনান। ইসরাইলি কারাগার কর্তৃপক্ষ এ খবর নিশ্চিত করেছেন। খাদের আদনান ফিলিস্তিনি সশস্ত্র দল ইসলামিক জিহাদের সদস্য ছিলেন। ইসরাইলিরা তাকে গ্রেপ্তার করলে তিনি খাদ্য গ্রহণ বন্ধ করে দেন। এ খবর দিয়েছে আল-জাজিরা।
খবরে জানানো হয়, আদনান কোনো চিকিৎসা গ্রহণেও অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে তাকে তার সেলে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরীক্ষার পর জানা যায় তিনি মারা গেছেন। এর আগে গত ৫ই ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তারের পরপরই অনশন শুরু করেন আদনান। এর আগেও যখনই গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তখনই অনশন শুরু করেছেন তিনি। ২০১৫ সালেও একবার ৫৫ দিন অনশন করেছিলেন তিনি।
বর্তমানে এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে আটকে রেখেছে ইসরাইল।
তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও গঠন করা হচ্ছে না কিংবা বিচারের মুখোমুখিও করা হচ্ছে না। ২০০৩ সালের পর ফিলিস্তিনি বন্দির সংখ্যা এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। আদনানের মৃত্যুর পর ফিলিস্তিনি সংগঠন ‘ওয়ায়েদ প্রিজোনার্স এসোসিয়েশন’ বলে, তাকে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে যে, দখলকৃত পশ্চিম তীরের জেনিন শহরের কাছে আররাবা শহরের বাসিন্দা ছিলেন ৪৪ বছর বয়সী আদনান। ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স সোসাইটির দাবি, বিনা অভিযোগে তাকে আটক করে ইসরাইল। এর প্রতিবাদ জানিয়ে টানা ৮৭ দিন খাদ্য গ্রহণে বিরত ছিলেন তিনি। ফিলিস্তিনের প্রাক্তন তথ্যমন্ত্রী এবং প্যালেস্টাইন ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভ পলিটিক্যাল পার্টির সাধারণ সম্পাদক মুস্তাফা বারঘৌতি বলেছেন, আদনানের মৃত্যু অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি ঘটনা। ইসরাইলি সরকার এবং জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ব্যক্তিগতভাবে দায়ী। আমি এটাকে হত্যাকাণ্ড বলে অভিহিত করি কারণ ইসরাইলি সরকার এবং তার সামরিক আদালত খুব ভালোভাবে জানত যে, একজন ব্যক্তি যিনি ৮৭ দিন ধরে অনশনে আছেন, যিনি কোনো ধরনের চিকিৎসা সেবা পাননি, সে যে কোনো মুহূর্তে মারা যেতে পারেন। এবং ঠিক এটাই ঘটেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘চীনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হলে হুমকিতে পড়বে ইউরোপের বৃহত্তম অর্থনীতিও’
আরটি জানিয়েছে, মার্সিডিজ- বেঞ্জের সবথেকে বড় ক্রেতা চীন। ফলে চীনের বাজার গাড়ি কোম্পানিটির জন্য সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে জার্মানিসহ গোটা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গেই চীনের সম্পর্ক নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ইইউ ক্রমশ চীনের উপরে নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে বলে উদ্বেগ রয়েছে একটি পক্ষের মধ্যে। তবে ওলা মনে করেন, বিশ্ব অর্থনীতির তিনটি বড় খেলোয়াড় হচ্ছে চীন, ইইউ ও যুক্তরাষ্ট্র। তারা একে অপরের সঙ্গে এত বেশি যুক্ত যে কাউকে আলাদা করে দেয়ার কোনো অর্থই হয় না।
তিনি আরও বলেন, চীনের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার চিন্তা একটি ভ্রম মাত্র, এটি মোটেও কাম্য কিছু নয়।
চীনের আছে বিশ্বের সবথেকে বড় গাড়ির বাজার। বিশ্বের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর টার্গেটই থাকে চীনের বাজার। জার্মানি গাড়ি নির্মাতা কোম্পানিগুলোর আয়ের বড় একটি অংশই আসে চীন থেকে। মার্সিডিজ-বেঞ্জের সবথেকে বড় শেয়ারহোল্ডার হচ্ছে চীনের বিএআইসি গ্রুপ এবং গিলি চেয়ারম্যান লি শুফু। রয়টার্সের হিসাবে, ২০২২ সালে যত মার্সিডিজ-বেঞ্জ গাড়ি বিক্রি হয়েছে তার ৩৭ শতাংশই হয়েছে চীনে। আয়ের ১৮ শতাংশ গিয়েছে চীন থেকে।
তবে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর চীনের সঙ্গে পশ্চিমাদের দূরত্ব বাড়ছে। নিন্দা জানানোর পরিবর্তে চীন রাশিয়াকে পরম মিত্রের মতো কাছে টেনে নিয়েছে। পশ্চিমাদের আশঙ্কা, রাশিয়ার কোনো অস্ত্র ঘাটতি দেখা দিলে চীন তা পূরণে এগিয়ে আসতে পারে। এ বছর চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মস্কো সফর করেছেন এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে নানা বিষয়ে আলোচনা করেছেন। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য এখন ২০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছুঁই ছুঁই করছে।
এছাড়া উদ্বেগ আছে তাইওয়ান নিয়েও। চীন তাইওয়ান দ্বীপকে নিজের অংশ মনে করে। কিন্তু পশ্চিমাদের উদ্বেগ যে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই তাইওয়ানকে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনতে রাশিয়ার মতো সামরিক অভিযান চালাবে চীন। তাইওয়ানের প্রতি পশ্চিমাদের অব্যাহত সমর্থনকে চীনও ভালোভাবে দেখছে না। ফলে যে দূরত্বের সৃষ্টি হয়েছে তাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ ব্লকের সঙ্গে বাণিজ্যেও প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করার পর যেভাবে দেশটির বিরুদ্ধে নজিরবিহীন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল, চীনের বিরুদ্ধেও একই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
যদিও চীনের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাকে ‘অচিন্তনীয়’ বলে বর্ণনা করেছেন মার্সিডিজ-বেঞ্জের সিইও। তিনি বলেন, এটি হলে গোটা জার্মানির শিল্পের জন্য অচিন্তনীয় ক্ষতি হয়ে যাবে। ইউরোপের যত রেয়ার-আর্থ ম্যাটেরিয়ালস দরকার পড়ে তার ৯৮ শতাংশই সরবরাহ করে চীন। এগুলো ব্যবহার করেই উইন্ড-পাওয়ার জেনারেশন, হাইড্রোজেন সংরক্ষণ এবং ব্যাটারি তৈরি করা হয়। ব্যাটারি তৈরিতে যে লিথিয়াম প্রয়োজন তার ৯৭ শতাংশই আসে চীন থেকে। রেয়ার আর্থ ম্যাটেরিয়াল প্রসেসিং-এ বিশ্বে শীর্ষ স্থানে রয়েছে চীন। বিশ্বের যত লিথিয়াম রয়েছে তার ৬০ শতাংশই পূর্ব এশিয়ার এই দেশটি রিফাইন করে। এছাড়া ইইউভুক্ত দেশগুলোর সোলার প্যানেলের ৮০ শতাংশই আসে চীন থেকে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া কেমন সেনা হারাচ্ছে ধারণা দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বিবিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি এই সংখ্যা ঘোষণা করেছেন। যদিও নিহতদের মধ্যে অর্ধেকেই রাশিয়ার প্রাইভেট মিলিটারি কোম্পানি (পিএমসি) ওয়াগনারের সদস্য। ওয়াগনার মূলত বাখমুতসহ ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে যুদ্ধ করছে। ডনবাস অঞ্চলের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ শহরের একটি এই বাখমুত। যার ৯৫ শতাংশ এলাকাই এখন রাশিয়ার দখলে। এর আগে ওয়াগনার সোলেদার নামে আরেকটি খনিসমৃদ্ধ শহর দখলে নেতৃত্ব দিয়েছিল। যদিও এসব যুদ্ধে দুই পক্ষেরই ব্যাপক হতাহত হয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়, ইউক্রেনীয় সেনারা এখনো শহরটির পশ্চিমাঞ্চলে ছোট একটি অংশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দুই পক্ষের জন্যই এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ একটি প্রতীকীভাবে ব্যাপক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইউক্রেনের কর্মকর্তারা বলছেন যে, তারা এই যুদ্ধকে ব্যবহার করে যত বেশি সম্ভব রুশ সেনা হত্যা এবং তাদের মজুদ কমিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। অপরদিকে রাশিয়াও বাখমুতকে ইউক্রেনীয়দের জন্য ‘মিট গ্রাইন্ডার’ বলে বর্ণনা করছে।
জন কিরবি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, রাশিয়া কোনো বাস্তবিক কৌশলগত এবং উল্লেখযোগ্য অঞ্চল দখল করতে পারেনি। আমরা অনুমান করি যে, রাশিয়ার এক লাখের বেশি সেনা হতাহতের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ২০ হাজার জনেরও বেশি যুদ্ধে নিহত হয়েছে। তিনি আরো বলেন যে, তিনি এখানে ইউক্রেনের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব দিচ্ছেন না কারণ ‘তারা এখানে ক্ষতিগ্রস্ত আর রাশিয়া আক্রমণকারী’। বিবিসি স্বাধীনভাবে এই পরিসংখ্যান যাচাই করতে পারেনি এবং এ নিয়ে মস্কো কোন মন্তব্য করেনি।
বাখমুত শহর দখল করে নেয়ায় রাশিয়া এখন পুরো দনেতস্ক অঞ্চল নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছে গেলো। দোনেৎস্ক হচ্ছে পূর্ব ও দক্ষিণ ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলের মধ্যে একটি, যেটি গত সেপ্টেম্বরে এক গণভোটের পর রাশিয়ার অধিভুক্ত করা হয়েছিল। তবে একে ভুয়া উল্লেখ করে রাশিয়ার ব্যাপক নিন্দা জানানো হয়েছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আগামী ৫ বছরে বিশ্বব্যাপী ১৪ মিলিয়ন চাকরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে
WEF অনুসারে, ডাটা বিশ্লেষক ,বিজ্ঞানী, মেশিন লার্নিং বিশেষজ্ঞ এবং সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ ২০২৭ সালের মধ্যে গড়ে ৩০% বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।
একই সময়ে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার অনেক কর্মীর ভূমিকাকে ঝুঁকিতে ফেলবে, কারণ কিছু ক্ষেত্রে রোবট মানুষকে প্রতিস্থাপন করবে। ডেটা এন্ট্রির জন্য ক্লার্ক এবং নির্বাহী সচিবরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ChatGPT-এর মতো সাম্প্রতিক সংবেদনশীল সরঞ্জামগুলি থাকা সত্ত্বেও, এই দশকের প্রথম দিকে অটোমেশন ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়েছে। WEF দ্বারা জরিপ করা সংস্থাগুলি অনুমান করেছে যে সমস্ত ব্যবসা-সম্পর্কিত কাজের ৩৪ % মেশিন দ্বারা সঞ্চালিত হবে। ২০২০ সালে নিয়োগকর্তারা ভেবেছিলেন ২০২৫ সালের মধ্যে ৪৭% কাজ স্বয়ংক্রিয় হয়ে যাবে। তারা এখন আশা করছে যে ২০২৭ সালের মধ্যে এই সংখ্যাটি ৪২% এ পৌঁছাবে। WEF অনুসারে, ইতিমধ্যে কোম্পানিগুলি তাদের কর্মীদের কী দক্ষতা প্রয়োজন তা পুনর্বিবেচনা করছে। সংস্থাগুলি এখন AI সরঞ্জামগুলি ব্যবহার করার ক্ষমতাকে কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের চেয়ে বেশি মূল্য দিচ্ছে।
সূত্র : সিএনএন
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...