Saturday, August 24, 2019
যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের শান্তিচুক্তি কয়েক দিনের মধ্যে: তালেবান নেতা জায়িফ
![]() |
| আব্দুল সালাম জায়িফ |
১৯৯০’র দশকে তালেবানরা আফগানিস্তানের ক্ষমতায় থাকাকালে পাকিস্তানে নিযুক্ত তালেবান রাষ্ট্রদূত আব্দুল সালাম জায়িফ শুক্রবার বলেন যে তালেবান উপনেতা মোল্লা আব্দুল ঘানি বারদার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তিচুক্তিতে সই করবেন।
জাইফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাচ্ছে যে শান্তি চুক্তির পর সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর সঙ্গে তালেবানের কোন সম্পর্ক থাকবে না এই কথা চুক্তিতে উল্লেখ থাকুক।
দোহায় দুই পক্ষ চুক্তি বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে আলোচনা করছে বলে মনে করা হয়। আলোচনার প্রথম দিনে মার্কিন বাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার জেনারেল স্কট মিলার উপস্থিত ছিলেন বলে তালেবানের একজন মুখপাত্র জানান।
জাইফ বলেন, ১৫ থেকে ২৪ মাসের মধ্যে বিদেশী সেনা পুরোপুরি প্রত্যাহারের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবান একমত হয়েছে। তালেবান পক্ষে গ্যারান্টার হিসেবে চীন, রাশিয়া ও পাকিস্তান থাকছে বলে তিনি জানান।
যুক্তরাষ্ট্র-তালেবান শান্তি চুক্তি সই হওয়ার এক সপ্তাহ পর আন্ত:আফগান আলোচনা শুরু হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীর: ভারত সরকার বনাম মাঠের বাস্তবতা

সত্যিকারের কাহিনী
পাকিস্তান ও ভারতের সীমান্ত এলাকায় কাশ্মীর অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে বিরোধের কারণ হয়ে আছে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশদের কাছ থেকে ভারতবর্ষ স্বাধীন হওয়ার সময় মুসলিম সংখ্যাগুরু পাকিস্তান ও হিন্দু সংখ্যাগুরু ভারত রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। কাশ্মীর প্রাথমিকভাবে স্বাধীন থাকতে চেয়েছিলো। কিন্তু এর হিন্দু শাসক ভূখণ্ডটি ভারতের সঙ্গে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। তখন থেকে এ নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে তিনবার যুদ্ধ করেছে ভারত। পুরো অঞ্চলের উপর এখানো নিয়ন্ত্রণ দাবি করে দুই দেশ।
রাজ্যটি ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে ভারতীয় সংবিধানে ৩৭০ নং ধারা যুক্ত করা হয়। এতে কাশ্মীরকে তার নিজের আইন প্রণয়নের স্বাধীনতা দেয়া হয়। ভারত সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত প্রায় সাত দশকের ইতিহাস পাল্টে দিয়েছে। কাশ্মীরের আধা-স্বায়ত্তশাসন একে নিজস্ব আইন প্রণয়নের সুযোগ এবং সেখানে বহিরাগতদের ভূসম্পত্তি কিনতে বাধা দিয়েছে। কাশ্মীরের রাজ্য মর্যাদাও কেড়ে নিয়েছে নয়া দিল্লি, একে কেন্দ্রশাসিত ভূখণ্ডে পরিণত করা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিক্রিয়া হবে বলে আগে থেকেই ধারাণা করা হচ্ছিল। তাই ভারত সরকার কাশ্মীরের সঙ্গে যোগাযোগের সব ধরনের ব্যবস্থা তথা টেলিফোন, ইন্টারনেট, ল্যান্ডফোন, ক্যাবল টিভি লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেয়। রাজ্যের রাস্তায় রাস্তায় হাজার হাজার নিরাপত্তা সদস্য টহল দিচ্ছে। অনেক উঁচুমাপের রাজনীতিককে গ্রেফতার করে কারাগারে রাখা হয়েছে। দুই সপ্তাহ পর কর্তৃপক্ষ কড়াকড়ি কিছুটা শিথিল করার দাবি করলেও ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন সার্ভিস কখন চালু হবে তা জানাতে অস্বীকার করেছে।
ভারত সরকার পরিস্থিতি শান্ত থাকার কথা বললেও ভিডিও ও অন্যান্য প্রত্যক্ষদর্শী ও মিডিয়ার বিবরণে এর উল্টোটাই দাবি করা হচ্ছে।
শুক্রবার (৯ আগস্ট) জুমা নামাজের পর সেখানে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছে কিনা সেটা বিতর্কের একটি বড় কারণ। প্রথম দিকে ভারত সরকার এ ধরনের বিক্ষোভ আদৌ হয়নি বলে দাবি করে।
কিন্তু বিবিসি যে ভিডিও প্রকাশ করে সেখানে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গুলি ও টিয়ারগ্যাস শেল ছোঁড়ার শব্দ রয়েছে। কর্মকর্তারা পরে স্বীকার করতে বাধ্য হন যে ছররা গুলি ছোড়া হয়েছে এবং তাতে কিছু আহত হয়েছে। তারা তাজাগুলির বদলে ছররা গুলি ছোড়াকে যৌক্তিক করতে চেয়েছে।
১৮ আগস্ট এবং পরদিনও বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে। বিক্ষোভগুলো পুরনো বলে কর্তৃপক্ষ যেন চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা না করে সেজন্য বিক্ষোভকারীরা ইশারা ইংগিতে তারিখ লিখে রাখতে শুরু করেছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেয়ায় কাশ্মীরের মাঠ পর্যায় থেকে ছবি ও ভিডিও বাইরে আসা খুবই কঠিন ব্যাপার। কিন্তু ৯ আগস্ট সত্যিকারে কি ঘটেছে তা জানতে ফ্যাক্ট চেকার টিম মাঠ থেকে তোলা ভিডিওর অনুসন্ধান করে এবং কাশ্মীরে সত্যিকারে কি ঘটছে তার বিস্তারিত তুলে ধরে। সরকার যদিও বিক্ষোভ হওয়ার কথা অস্বীকার করছে এবং দাবি করছে যে সেখানে শান্তি বজায় রয়েছে কিন্তু ভিডিও ফুটেজ বলছে সেই দাবি সত্য নয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে মোদির ‘সাবকুচ ঠিক হ্যায়’ বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ করলেন কোরেশি by কামরান ইউসুফ

পররাষ্ট্র অফিসে কূটনৈতিক মিশনের প্রধানদের ব্রিফিংয়ের সময় কোরেশি প্রশ্ন করেন, “কাশ্মীরে সবকিছু যদি ভালোই চলে, তাহলে কেন সেখানে কারফিউ জারি রয়েছে, কেন মিডিয়াকে সেখানে যেতে দেয়া হচ্ছে না, কেন কেউ তাদের শিশুদের স্কুলে পাঠাচ্ছে না, কেন বহু ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে?”
ভারত কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো কূটনৈতিক কোরের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানালো ইসলামাবাদ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী কূটনীতিকদের বলেন যে, ভারত যে দাবি করেছে, বাস্তবতা তার উল্টা, পাকিস্তানের প্রাপ্ত তথ্য মতে, সেখানকার পরিস্থিতি ‘খুবই মারাত্মক’ অবস্থার মধ্যে রয়েছে।
৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর কোন বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়নি মর্মে ভারত যে দাবি করেছে, ভারতের সেই দাবিকে চ্যালেঞ্জ করেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, “ভারত সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে সবাই যদি খুশি হয়ে থাকে, তাহলে মোদি কেন তিনি শ্রীনগর সফর করে সেখানে সরকারী বৈঠক করছেন না?” তিনি আরও বলেন যে, ভারত কাশ্মীরে যে দমন চালাচ্ছে এবং সেখানে যে হাজার হাজার সেনা পাঠিয়েছে, এটাই প্রমাণ হিসেবে যথেষ্ট যে কাশ্মীরের মানুষ নয়াদিল্লীর সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করেছে।
ভারত সরকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে এরই মধ্যে আধা ডজন আবেদন দাখিল করা হয়েছে।
কোরেশির মতে, এটা থেকে বোঝা যায় যে, এমনকি ভারতের ভেতরের লোকজনও মোদি সরকারের কাশ্মীর সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছে।
ভারতের সাথে উত্তেজনা পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের অবস্থান সম্পর্কে কূটনীতিকদের অবগত করেন তিনি। কোরেশি তাদেরকে বলেন যে, পাকিস্তান সবসময় ভারতের সাথে শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে কাশ্মীর ও অন্যান্য ইস্যুর সমাধান করতে চেয়েছে। কিন্তু, নয়াদিল্লী বারবার পাকিস্তানের আমন্ত্রণকে প্রত্যাখ্যান করেছে।
তিনি বলেন যে, যুদ্ধ কোন সমাধান হতে পারে না। তিনি আরও বলেন যে, পারমাণবিক যুদ্ধের চিন্তা করলে সেটা হবে আত্মঘাতী।
ইতোমধ্যে, অব্যাহত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে কোরেশি শুক্রবার ইউএন হাই কমিশনার ফর হিউম্যান রাইটসের দৃষ্টি আকর্ষণ করে একটি চিঠি দেন, যেখানে ভারত অধিকৃত কাশ্মীরে (আইওকে) মানবাধিকার পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি এবং মানবিক সঙ্কটের বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়।
চিঠিতে ভারতের ৫ আগস্টের পদক্ষেপের প্রেক্ষাপট এবং এর পরিণতি সম্পর্কে বিশদভাবে উল্লেখ করা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বখাটে কাটিংয়ে’ বাধা দেওয়ার ব্যাখ্যা দিল মাগুরার পুলিশ
সম্প্রতি মাগুরায় সেলুন মালিক ও নরসুন্দরদের ‘বখাটে কাটিংয়ে’ চুল না কাটার নির্দেশনা দিয়েছিল পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, গত দুই মাসে মাগুরায় হত্যা, চাঁদাবাজিসহ বেশ কিছু অপরাধ কর্মকাণ্ডে কিশোরদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। তাই কিশোর অপরাধ দমনে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয় পুলিশ। এর একটি চুলে ‘বখাটে কাটিং’ না দিতে উদ্বুদ্ধ করা।
মাগুরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সভায় এসপি খান মুহাম্মদ রেজোয়ান বলেন, কিশোর অপরাধ দমনে অনেক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এসব পদক্ষেপের একটি হলো চুলে বখাটে কাটিং না দিতে উৎসাহিত করা। তবে সেটি কোনোভাবেই নাগরিকের ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে নয়। এ বিষয়ে কাউকে বাধ্য করাও হচ্ছে না। উঠতি বয়সীরা যাতে উচ্ছৃঙ্খলতা থেকে নিবৃত্ত হয়, সে জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সুপার বলেন, বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গে যেমন মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে, তেমনি সেলুন মালিক ও নরসুন্দরদের সঙ্গেও আলোচনা করা হয়েছে। বিষয়টি জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করতে সেলুন মালিকেরা সদর থানার ওসির নামে একটি নির্দেশনা টানিয়ে দিয়েছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো প্রচারপত্র সরবরাহ করা হয়নি। তাদের এসব পদক্ষেপের ইতিবাচক ফল পেতে শুরু করেছেন মাগুরা শহরবাসী। গত কয়েক মাসের তুলনায় চলতি মাসে কিশোর অপরাধের প্রবণতা কমেছে বলে তিনি দাবি করেন।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, গত ২ জুলাই সদর উপজেলার কুকিলা গ্রামে আল আমিন নামে অটোরিকশাচালককে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত ছিল তিন কিশোর। এর পাঁচ দিন পর ৭ জুলাই শহরতলির শিবরামপুর গ্রামে লিসানুর রহমান নামে এক কলেজছাত্রকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে তিনজনের বয়স ১৮ বছরের কম।। এ ছাড়া একই মাসে বাগবাড়িয়া একটি মাদ্রাসা ছাত্রকে হত্যাচেষ্টা, পারলায় মোবাইল ছিনতাই, শিমুলিয়ায় ট্রাক থামিয়ে চাঁদাবাজির মতো ঘটনায় জড়িত ছিল অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেরা। এর পাশাপাশি, স্কুল-কলেজগামী মেয়েদের যৌন হয়রানির ঘটনায়ও এই বয়সের ছেলেরা জড়িত।
ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, এসব অপরাধের ঘটনা বিবেচনায় নিয়ে কিশোর অপরাধ দমনে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ। সেসব পদক্ষেপের মধ্যে আছে—সন্ধ্যার পর শহরে, স্কুল-কলেজ ছুটির সময় বালিকা বিদ্যালয় ও মহিলা কলেজের আশপাশের কিশোরদের অপ্রয়োজনে ঘোরাফেরা করলে আটক করা। তাদের আটক করে অভিভাবকদের খবর দেওয়া হচ্ছে। এর পর সতর্ক করে কিশোরদের অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালালেও উঠতি বয়সীদের শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, মসজিদে নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাচ্ছে পুলিশ।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
চুলে ‘বখাটে কাটিং’ না দিতে সেলুনে পুলিশের নির্দেশনা শিরোনামে ২১ আগস্ট প্রথম আলো অনলাইনে ও পরের দিন প্রিন্ট সংস্করণে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নজরে নিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে মাগুরা জেলা পুলিশের কাছে এর ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।
![]() |
| কারও চুল বা দাড়ি মডেলিং ও বখাটে স্টাইলে না কাটার ব্যাপারে পুলিশের পক্ষ থেকে সেলুনে টাঙানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তি। বাটিকাডাঙ্গা, মাগুরা, ২১ আগস্ট। ছবি: কাজী আশিক রহমান |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনগণের সেই মালিকানা কীভাবে আসবে: ড. কামাল

‘বাংলাদেশ যত দিন থাকবে, তত দিন বঙ্গবন্ধু থাকবে’ উল্লেখ করে সভায় ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, বাংলাদেশ একটি দেশ হবে যেখানে জনগণ হবে ক্ষমতার মালিক। সেটা সংবিধানে তাঁর স্বাক্ষরিত দলিলের মধ্যে লেখা আছে। অথচ, জনগণকে বাস্তবে অধিকার বা মালিকানা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘জনগণের সেই মালিকানা কীভাবে আসবে? যদি নির্বাচন সঠিক, অবাধ, নিরপেক্ষ হয়, মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত হয়, তখন মালিক হিসেবে জনগণ ও আমরা সবাই সেই মালিকানার ভূমিকা পালন করতে পারি।’
আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের মানিক মিয়া হলে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গণফোরাম এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
ড. কামাল হোসেন বলেন, জনগণের স্বার্থে কাজে না লাগিয়ে যারা বঙ্গবন্ধুর নাম নিয়ে উল্টো কাজ করে, বঙ্গবন্ধুর নাম, ছবি দেখিয়ে আখের গোছাচ্ছে, তারা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ১৬ আনা বিপরীত। বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের লড়াই ছিল— জনগণকে এ দেশের মালিক হিসেবে দেখা। এ কারণে তাঁকে জীবনও দিতে হলো। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ভুলে গেলে চলবে না। তাঁর আদর্শ সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, সে ঐক্য অপরিহার্য। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ আমাদের প্রতিষ্ঠা করতেই হবে।’
বঙ্গবন্ধু যে বাংলাদেশ চেয়েছিলেন সে বাংলাদেশ আজ নেই— মন্তব্য করে গণফোরাম নেতা ও আওয়ামী লীগের সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ বলেন, ‘দেশে বৈষম্য এত পরিমাণ বেড়েছে, প্রতিটা মানুষ তাতে আক্রান্ত। রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি— জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং সমাজতন্ত্র। এর কোনোটাই বাস্তবে আজ প্রতিফলিত হচ্ছে না। যারা গলা দাপিয়ে বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করব, তাদের বলছি, বঙ্গবন্ধু কী চেয়েছিলেন আর আপনারা কী করছেন তা আত্মবিশ্লেষণ, আত্ম অনুসন্ধান করেন।’
দেশে গোঁজামিলের রাজনীতি চলছে মন্তব্য করে অধ্যাপক আবু সাইয়িদ বলেন, ‘আজকে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ব্র্যান্ডিং করা হচ্ছে, ব্যবসা করা হচ্ছে। কিন্তু, তাঁর নীতি, আদর্শ মানা হচ্ছে না। এই আদর্শহীন, নীতিহীন মানুষেরা রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন এবং করবেন। তাদের দ্বারা কখনো বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়িত হতে পারে না এবং সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা হতে পারে না। এই গোঁজামিলের রাজনীতি বাদ দিয়ে আদর্শের রাজনীতি করুন।’
গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু এ দেশের জনগণের জন্য, সাধারণ মানুষের আর্থিক, সামাজিক উন্নতি এবং স্বার্থ রক্ষা করার জন্য যুদ্ধ করেছিলেন। অথচ এত বছর পরও আমরা অনেক কিছুই করতে পারিনি। এখনো দেশের মানুষ মনে করে না, শাসকেরা দেশের মানুষের স্বার্থে দেশ পরিচালনা করে। এটা মানুষ ভাবে না।’
সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য ও গণফোরাম নেতা মোকাব্বির খান বলেন, ‘আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ স্মরণ করি। সেই আদর্শের পরিপন্থীরা লাখ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছে, হাজার কোটি টাকা লুটপাট করছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠন করা সেই দিনই সম্ভব হবে, যেদিন আমরা বঙ্গবন্ধুর নীতি-আদর্শকে ধারণ করে একটি সুন্দর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলব। যেখানে দুর্নীতিবাজদের কোনো ভূমিকা থাকবে না। রাষ্ট্র পরিচালনায় সৎ ব্যক্তিরা থাকবে, আইনের শাসন থাকবে।’
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন গণফোরামের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মহসিন রশিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেজর (অব.) আমিন আহমেদ আফসারী প্রমুখ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কিশোর অপরাধ :দায় নেবে কে? by হিমেল আহমেদ

>>>লেখক :শিক্ষার্থী, সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে ইয়াবা পাচার করছে ভারতীয় গ্যাং

চলতি মাসে ঢাকার রামপুরা এলাকা থেকে গ্রেফতার হওয়া আসামের স্থায়ী বাসিন্দা আব্দুস ছবুর মিয়া গোয়েন্দা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, তিনি আসামের একটি মাদক সিন্ডিকেট থেকে ইয়াবা কেনেন। পরে তা বাংলাদেশের কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। এরপর কুড়িগ্রামের সহযোগীদের মাধ্যমে তা ঢাকার পাইকারি কারবারিদের হাতে তুলে দেন। তিনি তো বেশ কয়েকটি চালান এনেছেনই, তার মতো আরও অনেকেই নতুন রুটে ইয়াবা পাচার করছে।
ছবুর জানিয়েছেন, আসামের ওই গ্রুপটি মিয়ানমার থেকে ইয়াবা নিয়ে আসে। তিনি তাদের কাছ থেকে প্রতি পিস ইয়াবা ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় কেনেন। পরে তা বাংলাদেশের সিন্ডিকেটের কাছে ৬৫ টাকা দরে বিক্রি করেন। সবুরের দুই সহযোগী জাকির হোসেন এবং শামসুল আলমও গ্রেফতার হয়েছে। গত ৯ আগস্ট ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) উত্তর বিভাগ এই অভিযান চালায়।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা ইয়াবা পাচারের এই নতুন রুটের সন্ধান পেয়ে কিছুটা চিন্তায় পড়েছেন। তারা বলছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিশাল সীমান্ত এলাকা রয়েছে। এসব সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা পাচার হতে থাকলে ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়বে। এ জন্য সীমান্ত এলাকাগুলোতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্য সংস্থাগুলো কঠোর নজরদারি করছে।
পুলিশের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্ত পার হয়ে আসা মাদক ঠেকাতে দুই দেশ যৌথভাবে কাজ করছে। এর ফলে ফেনসিডিলের পাচার প্রায় বন্ধ হয়েছে। তবে ভারতের সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ইয়াবা প্রবেশের তথ্য পেয়ে তারা উদ্বিগ্ন। শিগগিরই বিষয়টি ভারতের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সীমান্ত বাহিনীর দৃষ্টিতে আনা হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের উপদেষ্টা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ও মাদকবিরোধী সংগঠন মানসের প্রতিষ্ঠাতা ড. অরূপ রতন চৌধুরী সমকালকে বলেন, বিভিন্ন সময়েই তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা পাচার হচ্ছে। তবে গ্রেফতারের পর ভারতীয় নাগরিক যে তথ্য দিয়েছেন, তা খুবই উদ্বেগের। এখনই বিষয়টি নিয়ে ভারতের সঙ্গে বৈঠক করা উচিত। মাদক ব্যবসায়ীদের নতুন রুট বন্ধ করতে না পারলে ইয়াবা আরও মহামারি আকার ধারণ করবে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তর বিভাগের ডিসি মশিউর রহমান সমকালকে বলেন, ইয়াবা সাধারণত মিয়ানমার থেকে টেকনাফ হয়ে ঢাকায় প্রবেশ করে। এ জন্য সবার চোখ ওই দিকেই থাকে। তবে তাদের কাছে তথ্য ছিল, ইয়াবার নতুন বাজার খুঁজতে ভারতীয় একজন নাগরিক ঢাকায় অবস্থান করছেন। সেই তথ্য নিশ্চিত হয়ে ভারতীয় পাসপোর্টসহ আব্দুস ছবুরকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে ইয়াবা পাচারের নতুন রুট সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, ভারতীয় নাগরিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, টেকনাফ সীমান্তে কড়াকড়ি থাকায় মিয়ানমার থেকে আসাম হয়ে কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্ত দিয়ে তারা ইয়াবা পাচার করছিলেন। তার মতো আরও অনেকেই আসামের সিন্ডিকেট থেকে ইয়াবা কিনে একই পথে বাংলাদেশে পাচার করছে।
ডিবি পুলিশ জানায়, গত ৯ আগস্ট রাজধানীর রামপুরার উলন রোডে একটি বাড়ির পঞ্চমতলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে আব্দুস ছবুর মিয়া, জাকির হোসেন ও শামসুল আলমকে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ইয়াবা পাচারের নতুন রুটের বিষয়ে তথ্য মেলে। ওই ফ্ল্যাটটির ভাড়াটিয়া জাকির হোসেন। তার বাড়ি কুড়িগ্রামের রৌমারী থানার তেকানী এলাকায়। পূর্বপরিচিত এই জাকিরের কাছেই উঠেছিলেন ভারতীয় নাগরিক ছবুর।
এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিবি-উত্তর বিভাগের এডিসি জুনায়েদ আলম সরকার। তিনি বলেন, ছবুর জানিয়েছেন, জুন ও জুলাই মাসে তিনি আসাম থেকে ইয়াবার তিনটি চালান রৌমারী হয়ে ঢাকায় পাঠিয়েছিলেন। সর্বশেষ চালানটি নিয়ে তিনি নিজেই গত মাসের ২৬ তারিখ বাংলাদেশে আসেন। ছবুর মিয়া বাংলাদেশে ইয়াবা পাইকারদের সঙ্গে সরাসরি পরিচিত হতে, বাজার যাচাই ও নতুন ক্রেতা খুঁজতে এসেছিলেন বলে জানিয়েছেন।
এই কর্মকর্তা বলেন, রৌমারীর জাকির হোসেন এক সময়ে সীমান্ত এলাকায় গরুসহ বিভিন্ন চোরাচালান করত। তার বিরুদ্ধে রৌমারী থানায় মামলাও রয়েছে। ভারতীয় নাগরিক ছবুর মিয়াও আসামে কাঁচামালের ব্যবসার আড়ালে চোরাচালানে জড়িত ছিলেন। সেখান থেকেই তাদের দু’জনের সঙ্গে পরিচয়। জাকির এখন ঢাকায় বাসা নিয়ে বসবাস করলেও রৌমারী সীমান্তে চোরাচালানের বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। তার হয়ে শামসুল আলম ভারতীয় নাগরিককে ইয়াবাসহ ঢাকায় নিয়ে আসে।
ওই ভারতীয় নাগরিকের পাসপোর্ট নম্বর-এস ৭৩৬৯৯৮৪. পাসপোর্টে থাকা তথ্যানুযায়ী আব্দুস ছবুরের বাড়ি আসামের গৌহাটির কুকুরমারা, পার্ট-২ এলাকায়। তার জন্ম ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৬ সালে। চলতি বছরের জুলাই মাসে তিনি ভারতীয় পাসপোর্ট তৈরি করেন। এরপর ২৬ জুলাই ভারতের ভারতের মানিকচর স্থলবন্দর দিয়ে কুড়িগ্রামের রৌমারী স্থলবন্দর দিয়ে বৈধভাবে ইমিগ্রেশন পার হন। গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, ওই সময় ১০ হাজার পিস ইয়াবা তার লাগেজে কয়েকটি পুঁটলিতে ছিল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীরে নামতে দেয়া হলো না রাহুলসহ বিরোধীদের
![]() |
| বিমানে রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী দলীয় নেতারা |
এর আগে কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল সহ বিরোধী দলীয় নেতারা কাশ্মীর পরিস্থিতি দেখার জন্য সেখানে সফরের ঘোষণা দেন। সফরকারী দলে কংগ্রেসের প্রতিনিধি হিসেবে থাকছেন রাহুল গান্ধী ছাড়াও রাজ্যসভায় দলটির নেতা গুলাম নবী আজাদ ও আনন্দ শর্মার মতো শীর্ষ নেতারা রয়েছেন বলে জানা গেছে।
বিরোধী দলের এই গ্রুপে আছেন সিপিআই-এমের সীতারাম ইয়েচুরি, সিপিআইয়ের ডি রাজা, ডিএমকের তিরুচি শিবা, আরজেডির মনোজ ঝা, এনসিপির দিনেশ ত্রিবেদীসহ অনেকে। এর আগে, গুলাম নবী আজাদকে কাশ্মীর যেতে না দিয়ে জম্মু বিমানবন্দর থেকে জোর করে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক নেতাকে উপত্যকা এলাকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
জম্মু-কাশ্মীরের তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগ রাজনৈতিক নেতাদের সেখানে না যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরানোয় বিঘ্ন ঘটতে পারে এই আশঙ্কায় কাশ্মীরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।
৫ আগস্ট ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে ভারত সরকার। এতে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা স্থগিত হয়। আটক করা হয় সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতিসহ রাজনৈতিক দলের ৪০০ নেতাকে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীর সফরে যাবেন রাহুল গান্ধীরা, নিষেধ করল সরকার
গতকাল (শুক্রবার) দিবাগত রাতে রাজ্যের তথ্য ও জনসংযোগ দফতরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘সীমান্তের ওপারের সন্ত্রাসবাদী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের থেকে জম্মু-কাশ্মীরের মানুষকে নিরাপত্তা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে। স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ফেরানোর প্রক্রিয়া ব্যাঘাত ঘটানোর চেষ্টা করা উচিত নয় প্রবীণ নেতাদের। প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করার অনুরোধ করা হচ্ছে। শ্রীনগরে এসে মানুষকে সমস্যায় ফেলবেন না। কাশ্মীরে নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘিত করা উচিত নয়। শান্তিরক্ষা ও মানুষের জীবন বাঁচানোই এখন অগ্রাধিকার। এটা বোঝার চেষ্টা করুন।’
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে আজ জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা গুলাম নবী আজাদ, কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা আনন্দ শর্মা, সিপিআই মহাসচিব ডি রাজা, সিপিএম মহাসচিব সীতারাম ইয়েচুরি, ডিএমকে নেতা তিরুচি সিবা, আরজেডি’র মনোজ ঝা, তৃণমূল নেতা দীনেশ ত্রিবেদী এবং এনসিপি নেতা মজিদ মেমনের যাওয়ার কথা রয়েছে। তাঁরা রাজ্যটির বর্তমান পরিস্থিতির খোঁজখবর নেয়ার পাশপাশি স্থানীয় নেতা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন।
এর আগে কাশ্মীরে বিভিন্ন বিধিনিষেধ ও অনির্দিষ্টকালীন কারফিউ চলাকালীন সাধারণ মানুষের উপর নির্যাতন হচ্ছে বলে সোচ্চার হয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। সেসময় প্রতিবাদ জানিয়ে জম্মু-কাশ্মীরের গভর্নর সত্যপাল মালিক বলেছিলেন, ‘রাহুল প্রকৃত সত্য জানেন না। আমি বিমান পাঠাচ্ছি। রাহুল এসে দেখে যান কাশ্মীরের অবস্থা।’
সঙ্গে সঙ্গে গভর্নরের সেই প্রস্তাব বা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে রাহুল বলেছিলেন, পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলেই তিনি যাবেন। অন্য নেতাদেরও সঙ্গে নিয়ে যাবেন। কাউকে বিমান পাঠাতে হবে না।
কংগ্রেস নেতাদের কটাক্ষ, ‘গভর্নর সত্যপাল মালিক তো নিজেই আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন রাহুলকে। সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেই তিনি সেখানে যাচ্ছেন। আশাকরি গভর্নর খুশি মনেই রাহুলকে শ্রীনগরে ঢোকার অনুমতি দেবেন!’
এরআগে শ্রীনগর বিমানবন্দরে সিপিএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি, সিপিআই নেতা ডি রাজাদের আটকে রেখে ফেরত পাঠায় সেখানকার প্রশাসন। তাঁদেরকে শ্রীনগরের অভ্যন্তরে ঢুকতে দেয়া হয়নি। জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা গুলাম নবী আজাদকেও সেখানে আটকে রেখে দিল্লিতে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। গুলাম নবী আজাদকে গত ৮ অগস্ট শ্রীনগর বিমানবন্দর ও ২০ অগস্ট জম্মু বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হয়। এবার রাহুল গান্ধীদের সফরের ক্ষেত্রে সরকার কী পদক্ষেপ নেয় সেটিই দেখার।
বিরোধী নেতারা বলছেন, সরকারের দাবি সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শান্ত রয়েছে। তাহলে তাঁদেরকে যেতে দিতে আপত্তি কোথায়? যদিও জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন রাহুল গান্ধীদের সেখানে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
![]() |
| গুলাম নবী আজাদ ও রাহুল গান্ধী (ফাইল ফটো) |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীর: নামাজের পরে শ্রীনগরের সৌরা এলাকায় বিক্ষোভ, সংঘর্ষ by আমীর পীরজাদা
![]() |
| কাশ্মীরের আঞ্চার সৌরা এলাকায় শুক্রবার ভারতীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল শান্তিপূর্ণভাবেই। |
![]() |
| ৯ই অগাস্ট কাশ্মীরে হওয়া বিক্ষোভের ঘটনাটি ভারত সরকার প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে স্বীকার করে। |
![]() |
| শ্রীনগরে পোস্টার দিয়ে শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর বিক্ষোভের আহ্বান জানানোর পর নিরাপত্তা বাহিনী শহর জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা জারি করে। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঋণের টাকায় ভারত থেকে অস্ত্র কিনবে বাংলাদেশ

বুধবারর ডয়চে ভেলেকে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলছেন, ভারত থেকে কি কি অস্ত্র কেনা হবে সেই সিদ্ধান্ত নেবে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ৷
সামরিক সরঞ্জাম কিনতে ২০১৭ সালে ভারতের সঙ্গে ৫০ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তি করে বাংলাদেশ৷ কিন্তু ওই অর্থ দিয়ে এখনো কোনো সামরিক সরঞ্জাম কেনা হয়নি৷ ভারতের দেওয়া এই ঋণ এক শতাংশ সুদে ২০ বছরে শোধ করতে হবে৷
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর গত মঙ্গলবার ঢাকায় এক বৈঠকে তাদের দেওয়া ঋণের টাকায় ভারত থেকে সামরিক সরঞ্জাম কিনতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেনকে অনুরোধ করেন৷
এ প্রসঙ্গে আবদুল মোমেন ডয়চে ভেলেকে বলেন, “সামরিক সরঞ্জাম কেনার জন্য তারা পাঁচশ’ মিলিয়ন ডলার (৫০ কোটি ডলার) লাইন অব ক্রেডিট দিয়েছে৷ তারা বলছে, আপনারা এখন আমাদের সামরিক সরঞ্জাম কেনেন৷ ভারতে এখন অনেকগুলো ডিফেন্স কোম্পানি গড়ে উঠেছে৷
“আমরা বিভিন্ন দেশ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কিনি৷ অ্যামেরিকা, চায়না, ইউকে, টার্কি থেকে সামরিক সরঞ্জাম কিনি৷ আমরা যেহেতু আগে কোনোদিন ভারত থেকে সামরিক সরঞ্জাম কিনি নি তাই এখন আমাদের লোকরা দেখছে ভারত থেকে কী ধরনের সামরিক সরঞ্জাম কেনা যায়৷”
মন্ত্রী বলেন, “অফিসিয়াল কমফার্মেশন নেই, আমি শুনেছি আমরা ভারত থেকে আমরা একটা সাবমেরিন কিনতে চেয়েছিলাম৷ কিন্তু তারা সাবমেরিন দেবে না৷”
“সম্প্রতি আমরা চীন থেকে মাল্টিপল রেঞ্জের কিছু অটোমেটিক ফায়ার আর্মস কিনেছি৷ তারা (ভারত) বলছে এগুলো তাদের কাছ থেকে কিনতে৷ আমরা বলেছি আমরা কিনতে রাজি আছি এবং তোমাদের কাছ থেকে আমরা সামরিক সরঞ্জাম কিনব৷ আমাদের আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনকে জানাব, তারা জানাবে কী ধরণের সরঞ্জাম আমরা কিনতে পারি, তারাই সেই লিস্ট তৈরি করবে৷”
ভারত থেকে অস্ত্র কিনলে রাজনৈতিক বিরোধিতা হতে পারে কি না, সেই প্রশ্নে মোমেন বলেন, “আমার মনে হয় না৷ কারণ আমরা আমাদের প্রতিরক্ষাকে শক্তিশালী করব৷ ভারত শুধু আমাদের দেশে নয়, অন্য দেশেও সামরিক সরঞ্জাম বিক্রি করে, অস্ত্র বিক্রিতে তাদের সুনাম আছে৷ তাদের বাস-ট্রাক বিশ্বের বিভিন্ন দেশ কেনে, আমরাও কিনি৷ আমাদের দেশে ভারতবিরোধী একটি মত থাকলে ভারতের ট্রাক-বাসের কেউ বিরোধিতা করে না৷ আমরা আগে কখনো ভারতীয় সামরিক সরঞ্জাম কিনি নি৷ এখন ওরা আমাদের টাকা দিয়েছে, এখন আমরা ওদের কাছ থেকে কিনব৷”
এসব সরঞ্জাম কীভাবে কেনা হবে তার ব্যাখ্যায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “কী কিনব এখন তা চিহ্নিত করতে হবে৷ আমরাতো যেই-সেই জিনিস কিনব না৷ আমাদের খুবই সতর্কতার সাথে কিনতে হবে৷ যাতে এটা দিয়ে (ঋণের টাকা) অপ্রয়োজনীয় কোনো কিছু কিনতে না হয়৷ কারণ ভারতের ঋণের টাকা সুদসহ ফেরত দিতে হবে৷ সুতরাং আমাদের খুবই কেয়ারফুল থাকতে হবে৷”
তিনি বলেন, “বাংলাদেশকে এখন অনেক দেশই টাকা দিতে চাচ্ছে৷ এটা খুবই ভালো খবর যে সম্পর্ক এখন টাকার মাধ্যমে আসছে৷ কিন্তু বাংলাদেশ সবার কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে না৷ আমরা সতর্কভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি৷”
এদিকে ভারতের ঋণের টাকায় ওই দেশ থেকেই অস্ত্র কেনার অনুরোধে সাড়া দেয়া উচিত হবে না বলে মত দিয়েছেন এই সরকারের শরিক দলের নেতা ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। আরেক বামপন্থী নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স তার সঙ্গে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। অবশ্য আরেক সাবেক মন্ত্রী ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির আনিসুল ইসলাম মাহমুদ মনে করেন, ভারত থেকে অস্ত্র কেনা যেতে পারে। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘আমি মনে করি এ ধরনের কোনো শর্ত দেয়া উচিত নয়। কারণ ওই চুক্তির আওতায় সামরিক সরঞ্জাম কেনার কোনো কথা ছিল না। সরকার এ ধরনের কোনো বিষয়ে সাড়া দেবে বলে আমি মনে করি না।’
অপরদিকে বাংলাদেশের কোন ধরনের অস্ত্রের প্রয়োজন রয়েছে তা মূল্যায়ন করে ভারত থেকে কেনা হলে তাতে কোনো অসুবিধা দেখছেন না জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘অনুরোধ করতেই পারে। আমরা তো অস্ত্র কিনছিই। যখন কিনব তখন মূল্যায়ন করে যদি ভারত থেকে কেনা যায় তাতে তো আপত্তির কারণ আছে বলে মনে করি না। আর্মড ফোর্সেস আছে, আর্মির জন্য সময় সময় আমরা অস্ত্র কিনি। মিয়ানমার ১১ লাখ মানুষ তাড়িয়ে দেয়, আমরা আশ্রয় দিয়েছি। ভবিষ্যতে যদি ওরকম কোনো পরিস্থিতির উদ্ভব হয়, আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বুলগেরিয়ার উদ্দেশে উড়াল সান্ত্বনার
![]() |
| সান্ত্বনা রানী রায় |
প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তায়কোয়ান্দো অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইটিএ) চারজন সদস্য অংশ নিচ্ছেন। তাঁরা হলেন আইটিএর মহাসচিব বাংলাদেশ দলের কোচ ও ব্যবস্থাপক সোলায়মান সিকদার, লালমনিরহাট তায়কোয়ান্দো অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক সান্ত্বনা রানী রায় এবং খেলোয়াড় রহমত উল্লাহ ও আয়েশা সিদ্দিকা। তাঁদের মধ্যে প্রথম তিনজন গতকাল ভোরে রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হন। আয়েশা গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত একটার দিকে অপর একটি উড়োজাহাজে করে ঢাকা ছাড়েন।
এর আগে এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ দলের সদস্যদের খরচ বাবদ ২ লাখ ৭০ হাজার করে টাকা বিআইটিএর মহাসচিব সোলায়মান সিকদারের হাতে দেওয়ার জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হয়। ক্যামব্রিয়ান স্কুলের শরীরচর্চা বিভাগের শিক্ষক সান্ত্বনার পক্ষে এ অর্থ জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছিল না। এ অবস্থায় ১১ আগস্ট প্রথম আলোয় ‘মার্শাল আর্ট-কন্যা সান্ত্বনার বুলগেরিয়া যাওয়া হবে না?’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে সান্ত্বনার সঞ্চিত ৪০ হাজার টাকা এবং আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আতাউর রহমান প্রধান লালমনিরহাট তায়কোয়ান্দো অ্যাসোসিয়েশনের ব্যাংক হিসাবে ৮০ হাজার টাকার একটি চেক দেওয়ার তথ্য জানানো হয়। সংবাদে আরও দেড় লাখ টাকা সংস্থানের উপায় না থাকার কথা উল্লেখ করা হয়। সংবাদ প্রকাশের পর মুঠোফোনে আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ দেড় লাখ টাকা সান্ত্বনার ব্যাংক হিসাবে জমা করে।
সান্ত্বনা রানী রায় রওনা দেওয়ার আগে প্রথম আলোকে বলেন, প্রথম আলোয় সংবাদ প্রকাশের পর বিকাশ ছাড়াও বিএসবি ক্যামব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপের চেয়ারম্যান এম কে বাশার ৪০ হাজার টাকা, শিল্পপতি ও সমাজসেবক রবিন খান ২৪ হাজার টাকা, লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মো. আবু জাফর ১০ হাজার টাকা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জয়শ্রী রানী রায় ১০ হাজার টাকাসহ অনেকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমি ও আমার পরিবারকে যাঁরা আর্থিক সহায়তা করেছেন, তাঁদের প্রতি এবং প্রথম আলো পরিবারের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আমিসহ অন্যদের জন্য দোয়া করবেন, যাতে আমরা প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন করে দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে পারি।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিয়ানমারের ৫০ সেনা সদস্যকে হত্যার দাবি আরাকান আর্মির

জাতিগত সংঘাত ও দারিদ্র্য-জর্জরিত রাখাইনে কেবল রোহিঙ্গারাই একমাত্র নিপীড়িত জাতিগোষ্ঠী নয়। রাখাইন বৌদ্ধরা (আরাকান জাতিভূক্ত) সহ সেখানকার বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী সেনাপ্রাধান্যশীল কেন্দ্রীয় সরকারের নিপীড়নের শিকার হয়। কেবল রোহিঙ্গা ছাড়া বাদবাকি সব জনগোষ্ঠীর স্বীকৃতির প্রশ্নকে সামনে রেখেই নিজেদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে আরাকান আর্মি। আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে এই সরব ভূমিকা বিশেষত রাখাইন বৌদ্ধদের মধ্যে তাদের গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তি তৈরি করেছে।
রাখাইনের পার্লামেন্টে মিনবায়া অঞ্চলের আইন প্রণেতা উ হ্লা থেইন অং জানান বৃহস্পতিবার দিনভর সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে লড়াই চলে। সেনাবাহিনীর দুই থেকে তিনটি হেলিকপ্টার থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবর্ষণ করা হয় বলে জানান আরাকান ন্যাশনাল পার্টির এই আইন প্রণেতা। তিনি জানান, মিনবায়ার পান মিয়াং মডেল গ্রাম থেকে ৩ মাইল উত্তরপূর্বে ওই যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছে।
রাখাইনের নৃতাত্ত্বিক কংগ্রেসের সেক্রেটারি কো জাউ জাউ বলেন, ‘বিমান হামলার কারণে সুয়ে কিয়ান, দাই থা এবং কিয়াং টং গ্রামের মতো আশেপাশের গ্রামগুলো থেকে বাসিন্দারা নিরাপদ জায়গার স্থানে সরে গেছেন’। তিনি জানান, স্থানীয়রা তাদের জানিয়েছেন বৃহস্পতিবারের লড়াই ছিল তীব্র আর প্রায় পুরো দিনভর চলে।
আরাকান আর্মি’র তরফে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা নাগাদ মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দুই শতাধিক পদাতিক সেনা তাদের নিয়ন্ত্রিত দাই থা গ্রামের দিকে অগ্রসর হলে যুদ্ধ শুরু হয়। সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত ওই গ্রামের দক্ষিণপূর্ব এলাকায় যুদ্ধ চলে বলে জানায় সশস্ত্র গোষ্ঠীটি।
আরাকান আর্মির দাবি তারা সেনাবাহিনীর ৫০ সদস্যকে হত্যা করেছে আর নিজেদের তিন সদস্য মারা গেছে। গোষ্ঠীটির দাবি, মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির মুখে সেনাবাহিনী হেলিকপ্টার ডেকে পাঠায়। এসব হেলিকপ্টার ক্ষেপণাস্ত্র ও মেশিনগান ব্যবহার করে বনাঞ্চলে হামলা চালায়।
আরাকান আর্মির দাবি করা হতাহতের সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ডের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উইন জাও উ বলেন, যুদ্ধ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনায় হেলিকপ্টার ব্যবহার করেছে সেনাবাহিনী। হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করতে অস্বীকার করেন তিনি।
গত এপ্রিলে পুলিশের একটি রেজিমেন্ট ও সেনা অবস্থানে হামলার পর মারুক উ এলাকায় বিমান হামলা চালায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী। জুলাইয়েও বুথিডং এলাকায় একই ধরণের হামলা চালানো হয়। বৃষ্টির মওসুম শুরু হলেও আরাকান আর্মি ও সেনাবাহিনীর মধ্যে বিচ্ছিন্ন লড়াইয়ের ঘটনা কমেনি। চলতি বছরে শুরু হওয়া দুই পক্ষের লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দাবানলে পুড়ছে পৃথিবীর ফুসফুস! বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা
ব্রাজিলের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা দ্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্পেস রিসার্চ (ইনপে) জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলেই এই বিপুল সংখ্যায় দাবানলে আক্রান্ত হচ্ছে আমাজনের জঙ্গল।
ইনপে জানায়, আমাজনের জঙ্গলে যে দাবানল হতো না তা নয়। তবে গত বছরে এই একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরে ৮৩ শতাংশ বেশি আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।
ইনপে-র এই তথ্য সামনে আসার পরে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জার বোলসোনারোর নির্দেশে বরখাস্ত করা হয়েছে ইনপে-র শীর্ষ কর্মকর্তা রিকার্ডো গ্যালভাওকে। অভিযোগ আনা হয়েছে, তিনি ওই সংস্থার মাধ্যমে ভুল তথ্য রটাচ্ছেন। এই ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই সামনে এসেছে আরেক তথ্য। সম্প্রতি ক্ষমতায় আসার পরে দেশের বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের তহবিলে বরাদ্দ অনেক কমিয়ে দিয়েছেন বোলসোনারো। মনে করা হচ্ছে, সরকারকে কাঠগড়ায় তুলতে আমাজনের জঙ্গলে ইচ্ছে করে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে ক্ষুব্ধ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলি।
ইনপের ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় বোলসোনারো জানান, যা ঘটছে তার সবকিছুই এনজিও-র লোকদের আমাজানে গিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে আসার দিকে ইঙ্গিত করছে।
তবে কারণ যা-ই হোক, একটা বড় এলাকা জুড়ে এই ভয়াবহ আগুন ক্রমেই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। প্রায় ১৬,০০০ প্রজাতির, কয়েক হাজার কোটি সংখ্যক গাছ রয়েছে এই বিশাল বনভূমিতে। এই বনভূমির ৬০ শতাংশই ব্রাজিলে অবস্থিত। আমাজনের জঙ্গলের আগুন থেকে উৎপন্ন ঘন ধোঁয়ার কারণে ব্রাজিলের সাও পাওলো শহরে দিনের বেলাতেই অন্ধকার নেমে এসেছে প্রায়।
পরিবেশবিদেরা জানিয়েছেন, আমাজন জঙ্গল সংলগ্ন আমাজোনাস ও রোনডোনিয়া রাজ্যের বনাঞ্চলে লাগা আগুনের ধোঁয়া দু'হাজার ৭০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করে সাও পাওলোতে এসে পৌঁছেছে। এ সপ্তাহের প্রায় প্রত্যেক দিন দুপুর ৩ টার পর থেকে ঘণ্টাখানেকের জন্য শহরটি অন্ধকারে ডুবে ছিল বলে জানা গেছে।
এদিকে, প্রকৃতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই চিরহরিৎ বনাঞ্চল আমাজনে বিপুল পরিমাণ কার্বন জমা রয়েছে। এই জঙ্গলই বিশ্ব উষ্ণায়নের গতি খানিকটা ধীর রেখেছে। এই অরণ্যের উপরে রাষ্ট্রের লোভও নতুন নয়। ফলে এটা কোনও ষড়যন্ত্র হতেই পারে। যদিও এখনও কোনও পক্ষের বিরুদ্ধেই কোনও প্রমাণ মেলেনি।
ইমপে'র সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৮ সালে সব মিলিয়ে ৭৫০০ কিলোমিটার বনাঞ্চল হারিয়ে গেছে, যা ২০১৭ সালের তুলনায় ৬৫ শতাংশ বেশি। ২০১৯ সালে আপাতত যে পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে তা থেকে মনে করা হচ্ছে যে, আমাজন বনাঞ্চল উজাড় হওয়ার এই হার তিন গুণ বেড়ে গেছে। শুধু গত মাসেই ২২০০ কিলোমিটার বনাঞ্চল পুড়ে গেছে, যা গত বছরের জুলাই মাসের তুলনায় ২৮০ শতাংশ হারে বেশি।
মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা-ও আমাজন অঞ্চলের দাবানলের বেশ কয়েকটি উপগ্রহ চিত্র প্রকাশ করেছে।
তবে এসব তর্কের ঊর্ধ্বে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই বনভূমিকে রক্ষা করা। যেভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে আমাজন, তাতে খুব তাড়াতাড়ি পৃথিবীর জলবায়ুর কাঠামো বদলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা পরিবেশবিদদের।
>>>সূত্র : দ্য ওয়াল
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে ভারতকে ফ্রান্সের চাপ by আবদুল মোমিত রোমেল

তখনই ফরাসি বিদেশমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, কাশ্মীর ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক ইস্যু।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়োল ম্যাক্রোন উত্তেজনা এড়িয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ওপর জোর দেন। গত ৫ই আগস্ট ভারতীয় সংবিধান থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল করে মোদি সরকার। ফলে জম্মু-কাশ্মীর তার বিশেষ মর্যাদা হারায়। এর আগে ভারত সরকার হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করে ওই অঞ্চলটিতে। এমন পরিস্থিতিতে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরিদের পাশে থাকার ঘোষণা দেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
এ ছাড়া দেশটির সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে কাশ্মীরি জনগণের পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতারও আশ্বাস দেয়া হয়। মঙ্গলবারের আগে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরাইশি ফ্রান্সের কাছে আশা প্রকাশ করেন- শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ফ্রান্স ভূমিকা নেবে। কোরাইশি ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-ইয়েভস লে দ্রিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কাশ্মীর বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময় কোরাইশি ভারতের পক্ষ থেকে কাশ্মীরের শান্তি এবং নিরাপত্তার বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে তিনি অধিকৃত কাশ্মীরে কারফিউর ফলে সেখানকার মানুষের ভোগান্তির বিষয়টিও তুলে ধরেন। যদিও প্রথম থেকেই কাশ্মীরকে ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক বিষয় জানিয়ে ভারতের পাশে দাঁড়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, বৃটেনসহ একাধিক দেশ। পাকিস্তানের আর্জিতে বিষয়টি রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ওঠে। কিন্তু সেখানেও ‘বন্ধু’ চীন ছাড়া অন্য কোনো দেশের সমর্থন পায়নি পাকিস্তান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটে কিং রতনের ‘ইয়াবাকন্যা’ নূপুর গ্রেপ্তার

কিন্তু ব্যবসা জমজমাট। কারান্তরীণ রতনের ব্যবসার হাল ধরবে কে- এমন প্রশ্ন তখন রতনের মাদকের হাটে। এগিয়ে এলেন নূপুর। রতনের মেয়ে। বয়স ৩০ কিংবা ৩২। স্বামীর সংসারে আছেন। পিতার সাম্রাজ্যের হাল ধরে নূপুর। ধীরে ধীরে নূপুরও হয়ে ওঠে ইয়াবা সম্রাজ্ঞী। কাস্টঘরে এক নামেই চিনে সবাই। পিতার মতোও শেষ রক্ষা হলো না নূপুরের। গ্রেপ্তার হতে হয়েছে র্যাবের হাতে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে র্যাব সদস্যরা তাকে কাস্টঘর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে। আর এই অভিযানের পর ফের আতঙ্ক নেমে এসেছে রতনের মাদক হাটে। গতকাল র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নূপুরকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছেন। জানানো হয়। বলা হয় বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে র্যাবের আভিযানিক দল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে এসএমপির কোতোয়ালি থানা এলাকায় মাদক উদ্ধার ও গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে এসএমপির কোতোয়ালি থানাধীন কাস্টঘর এলাকার রাজু স্টোর’র উত্তর পার্শ্বে সিটি করপোরেশন বিল্ডিংয়ের নিচ তলায় মেইন গেটের সামনে থেকে নূপুরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৩৬০ পিস ইয়াবা, ৩৫০ পিস পুড়িয়া ও ৩শ’ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামত ও গ্রেপ্তার আসামিকে সিলেটের কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। নূপুরের পুরো নাম নূপুর লাল। স্বামী শুক্রা লাল। পিতা রতন লাল। পিতার সাম্রাজ্য আকড়ে ধরা নূপুর সম্পর্কে স্থানীয়রা জানিয়েছেন নানা তথ্য। কাস্টঘরের নিচ তলার এক পাশে স্বামীসহ নূপুর বসবাস করে। পাশেই তার পিতার ঘর। তারা জানান, নূপুর লালের পুরো পরিবার অনেক আগে থেকেই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের ঘর কাস্টঘরের মাদকসেবীদের কাছে পরিচিত। সন্ধ্যা নামলেই ঘরে বসে চোলাই মদের আসর। এই আসনের মধ্যমনি নূপুর লাল। নিজে বিক্রি করেন চোলাই মদ। বিয়ের আগে পিতার ঘরে থাকা অবস্থায়ও একইভাবে পিতা রতনের চোলাই মদের আসর আগলে রাখতো নূপুর। বিয়ে হওয়ার পর স্বামীর ঘরে এসে নিজে ব্যবসা শুরু করে। তবে, পিতার ব্যবসার দেখভাল করতো নূপুর নিজেই। এর মধ্যে গাঁজা ও হেরোইন ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে রতন লাল। কয়েক বছর রতন পাইকারি হারে হেরোইন ও গাঁজা বিক্রি করতো। এই ব্যবসায় নূপুরের তেমন হস্তক্ষেপ ছিল না। সে সংসার ও চোলাই মদের ব্যবসা চালিয়ে যেতে থাকে। মরণ নেশা ইয়াবার যুগে প্রবেশের পর রতন হেরোইন ব্যবসা ছেড়ে দেয়। প্রথম থেকেই শুরু করে ইয়াবা ব্যবসা। স্থানীয় দোকানিরা জানিয়েছেন, কাস্টঘরে রতন ও পুন্ন লাল হচ্ছে ইয়াবার সবচেয়ে বড় ডিলার। তাদের কাছে গাড়িযোগে আসে ইয়াবার চালান। এক চালানে আসে কয়েক হাজার পিস ইয়াবা। সিলেট ও বাইরের জেলার ইয়াবা সিন্ডিকেট বিশেষ করে ভোরে তাদের কাছে ইয়াবার চালান দিয়ে যায়। কাস্টঘরে বসেই স্থানীয় ডিলারদের কাছে রতন ইয়াবা বিক্রি করে। প্রায় দেড় বছর আগে কথা। কাস্টঘরের মাদকের হাটে ‘ম্যাসিভ অপারেশন’ চালায় সিলেটের র্যাব। এই অভিযানে র্যাব সদস্যা প্রায় ৩০ জনের মতো মাদক বিক্রেতা ও সেবীকে গ্রেপ্তার করে। ওই অভিযানের পর কাস্টঘরের ইয়াবার হাট সম্পর্কে র্যাবের কাছে তথ্য আসে। এ নিয়ে মামলাও হয়। ওই সময় আটক করা হয়েছিল কাস্টঘরের ইয়াবার কিং রতনকে। প্রায় ৮ মাস কারান্তরীণ ছিল রতন। ওদিকে, রতন গ্রেপ্তারের পর তার ইয়াবা নেটওয়ার্ক পরিচালনা নিয়ে সংকট তৈরি হয়। এগিয়ে আসে নূপুর। পিতা রতনের ইয়াবার হাটের দায়িত্ব নেয় সে। সেই থেকে ইয়াবা নেটওয়ার্কে জড়িয়ে পড়ে নূপুর। এখন কাস্টঘরে নূপুরের ইয়াবা ব্যবসা একতরফা। তার প্রতিদ্বন্দ্বী কেউ নয়। রতন কয়েক মাস কারাবরণ করে বেরিয়ে আসে। সে বাইরে এলেও ইয়াবা নেটওয়ার্ক পরিচালনা করতো নূপুর নিজেই। পিতা রতনও কিছুটা ছলনার আশ্রয় নিয়েছেন। এখন দোকান খুলেছেন কাস্টঘরে। আর এই দোকানে বসেই তিনি মেয়ের ইয়াবা নেটওয়ার্কের তদারকি করে। অবশেষে বৃহস্পতিবার নূপুর লালও গ্রেপ্তার হয়েছে র্যাবের হাতে। র্যাব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নূপুর পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। সে শুধু ইয়াবা নয়, গাঁজাসহ হরেক রকমের মাদকের ব্যবসা করে। সন্ধ্যা নামলেই সে কলোনি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসে। প্রকাশ্যও চালাতো মাদক ব্যবসা। আর নূপুর গ্রেপ্তারের পর তার মাদক হাটে আতঙ্কও নেমে এসেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতকে ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ করাই কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ্য: -সীতারাম ইয়েচুরি
![]() |
| বক্তৃতা করেন সীতারাম ইয়েচুরি |
ডিএমকে দলের আহ্বানে আয়োজিত ওই বিক্ষোভ সমাবেশে সীতারাম ইয়েচুরি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকার নিজেদের স্বার্থে সংবিধানকে নিজেদের মতো করে ব্যবহার করেছে। মেহবুবা মুফতি নেতৃত্বাধীন রাজ্যের জোট সরকার ভেঙে দেয়ার মধ্য দিয়েই বেশ কয়েকমাস আগে থেকে তারা এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এ নিয়ে ধাপে ধাপে কাজ করেছে তারা। এটা এক বিশাল ষড়যন্ত্রের অংশ! সংবিধানকেই বাতিল করে দিয়ে ভারতকে ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ হিসেবে গড়ে তোলাই ওদের লক্ষ্য।’
তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার দাবি করছে, জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতি একেবারেই স্বাভাবিক। তাহলে কেন তাঁদের সেখানে ঢুকতে দেয়া হলো না? সিপিআইয়ের সাধারণ সম্পাদক ডি রাজা, কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ, সীতারাম ইয়েচুরি সম্প্রতি কাশ্মীরে গেলেও শ্রীনগর বিমানবন্দরেই তাঁদের আটক করে রাখা হয়। তাদেরকে কোথাও যেতে দেয়া হয়নি। এদিন সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন ইয়েচুরি।
বিজেপি গণতন্ত্রের ওপর আঘাত হানছে মন্তব্য করে সীতারাম ইয়েচুরি বলেন, সংবিধানের তিনটি বিষয়- গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো, প্রত্যেকটির বিরুদ্ধাচারণ করেছে গেরুয়া শিবির। জম্মু-কাশ্মীরকে ভেঙে দিয়ে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়েছে।
সমাবেশে সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য বৃন্দা কারাতের অভিযোগ, ‘কাশ্মীরের মানুষদের বিরুদ্ধে বিজেপি মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে। সিপিএম নেতা ইউসুফ তারিগামির পরিবারের ছ’জন সন্ত্রাসীদের হাতে প্রাণ দিয়েছেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও তাঁকেই দেশদ্রোহী বলা হচ্ছে!’
| সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ |
বিরোধীদলীয় নেতাদের উপস্থিতিতে এদিন এক প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘জম্মু-কাশ্মীরের মানুষ কিংবা তাঁদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও কথা না বলে যেভাবে ৩৭০ ধারা বাতিল করে দেয়া হলো, তার জেরে সেই রাজ্যে অঘোষিত জরুরি অবস্থা জারি হয়ে গেছে। এই কষ্টের দিনে আমরা জম্মু-কাশ্মীরের প্রতিটি সাধারণ মানুষের পাশে আছি। কাশ্মীরকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে তুলতে কেন্দ্রীয় সরকারের ওই সিদ্ধান্ত। রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে অন্য বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের এখনও আটক করে রাখা হয়েছে। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিসহ হাজার-হাজার সাধারণ মানুষ বন্দি। এই বিষয়গুলো যথেষ্ট উদ্বেগের!’
‘জম্মু-কাশ্মীর উপত্যকায় বাক্ স্বাধীনতার উপর মারাত্মক হস্তক্ষেপ চলছে। এই সিদ্ধান্ত সংবিধানে স্বীকৃত মৌলিক অধিকারের বিরোধী। অবিলম্বে ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেয়া উচিত’ বলেও বিরোধীদের ওই প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
ডিএমকে দলের আহ্বানে দিল্লির যন্তরমন্তরে আয়োজিত ওই সমাবেশ কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা ও সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা গুলাম নবী আজাদ, কংগ্রেস নেতা কার্তি চিদম্বরম, সিপিএমের মহাসচিব সীতারাম ইয়েচুরি, সিপিএমের পলিটব্যুরোর সদস্যা বৃন্দা কারাত, সিপিআই মহাসচিব ডি রাজা, লোকতান্ত্রিক জনতা দলের শারদ যাদব, রাষ্ট্রীয় জনতা দলের মনোজ ঝা, সমাজবাদী পার্টির রামগোপাল যাদব, তৃণমূল নেতা দীনেশ ত্রিবেদী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হুমকিতে ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ অ্যামাজন, মিনিটে পুড়ছে ১০ হাজার বর্গমিটার

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে থাকা অক্সিজেনের ২০ শতাংশেরই উৎপত্তি অ্যামাজনে। গবেষকদের মতে এই বন প্রতিবছর ২০০ কোটি মেট্রিক টন কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে। সে কারণে একে ডাকা হয়ে থাকে ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ নামে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির হারকে ধীর করতে অ্যামাজনের ভূমিকাকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। বিশ্বের দীর্ঘতম এ জঙ্গলটির আয়তন যুক্তরাষ্ট্রের আয়তনের প্রায় অর্ধেক।
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর স্পেস রিসার্স ২০১৩ সাল থেকে অ্যামাজন জঙ্গলে আগুন লাগা নিয়ে গবেষণা করছে। মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) প্রকাশিত নতুন এক প্রতিবেদনে তারা জানিয়েছে রেকর্ড হারে পুড়ছে অ্যামাজন জঙ্গল। এরইমধ্যে ব্রাজিলের রোন্ডানিয়া, অ্যামাজোনাস, পারা, মাতো গ্রোসো অঞ্চলের কিছু অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। অ্যামাজনে আগুন লাগা কোনও অস্বাভাবিক ঘটনা নয়, কিন্তু এবারের মতো আগুন আগে কখনও ছড়ায়নি জঙ্গলে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাও পাওলোর আকাশ কালো হয়ে গেছে, আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এটা আসলে মেঘ নয়, হাজার কিলোমিটার দূরে ভয়াবহ এক অগ্নিকাণ্ডের ধোঁয়া চলে এসেছে সেখানে। আগুনের ভয়াবহতা কতটা প্রকট হলে হাজার কিলোমিটার দূরের আকাশও কালো হয়ে যায় তা ধারণা করা যেতে পারে। সামাজিক মাধ্যমেও দানবীয় আকারের সেই ধোঁয়ার কুণ্ডলীর ছবি ভেসে বেড়াচ্ছে। সবুজ বনের ওপর দিয়ে লাল অগ্নিশিখা বয়ে বেড়াচ্ছে শুধু অন্ধকারই রেখে যাচ্ছে পেছনে। সেই ধোঁয়াই ১৭০০ মাইল পাড়ি দিয়ে পৌঁছেছে সাও পাওলোতে।
সামাজিক মাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে মধ্যদুপুরেও সেখানকার আকাশ কালো, সূর্য ঢেকে গেছে ধোঁয়া ও ছাইয়ে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্যাটেলাইট প্রকল্প কোপের্নিকাস আগুনের ধ্বংসযজ্ঞের একটি ম্যাপ প্রকাশ করেছে। ব্রাজিল থেকে পূর্ব আটলান্টিক উপকূল পর্যন্ত পুরো ‘আগুন পথের’ চিহ্ন আঁকা হয়েছে। দেশটির অর্ধেক এলাকাজুড়েই এখন কালো ধোঁয়া। সেই ধোঁয়া পৌঁছে গেছে পাশ্ববর্তী পেরু, বলিভিয়া এবং প্যারাগুয়েতেও।
লাতিন আমেরিকার বেশ কয়েকটি দেশে অববাহিত হচ্ছে অ্যামাজন নদী। তবে এর বড় অংশই ব্রাজিলের এই বনটিতে। আইএনপি’র তথ্য অনুযায়ী বনটিতে প্রতি মিনিটে একটি ফুটবল মাঠের চেয়ে দেড় গুণেরও বড় এলাকা ধ্বংস হচ্ছে। ফিফার ফুটবল মাঠের মাপকে অনুসরণ করে হিসাব করলে, এই ধ্বংসের পরিমাণ প্রায় ১০,০০০ বর্গমিটার (৯,৬০০)।
বিশ্বজুড়েই ধ্বংসযজ্ঞের ভয়াবহ ছবিগুলো সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে। কে-পপ ব্যান্ড বিটিসের ভক্তরা টুইটারের মাধ্যমে সচেতনতা ছড়াচ্ছেন। নিজেদের ‘আর্মি’ অ্যাখ্যা দেওয়া এই ভক্তরা হ্যাশট্যাগ দিয়েছে #আর্মিহেল্পদ্যপ্লানেট।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়ায় পাইলট যেভাবে বিমানটিকে ভুট্টা ক্ষেতে নামালেন
বিমানটিতে কী ঘটেছিল?
![]() |
| কোন হতাহত না হওয়ার বিষয়টি বিস্ময়কর বলে মনে করছেন অনেকে। |
![]() |
| বেশ ঠান্ডা মাথায় বিমানটিকে জরুরী অবতরণ করিয়েছেন পাইলট দামির ইউসুপভ। |
পাখির আঘাত কতটা গুরুতর?
![]() |
| ভুট্টা ক্ষেতে জরুরী অবতরণের পর যাত্রীদের দ্রুত বের করে আনা হয়। |
![]() |
| ২০০৯ সালে নিউ ইয়র্কের হাডসন নদীতে জরুরী অবতরণ করান আরেক পাইলট। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক কোটি আফগানকে হত্যা করেও জয় পাওয়া গেল না যেভাবে by পেপে এসকোবার

এইমাত্র যা পাঠ করা হলো, তা থেকে আমরা বুঝতে পারি যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিম্নোক্ত কথাগুলো জোরালোভাবে ঘোষণা করছেন: ১. আফগানিস্তানে যুদ্ধ করছে না যুক্তরাষ্ট্র; ২. যুক্তরাষ্ট্র যদি যুদ্ধ করতে চায়, তবে প্রেসিডেন্ট তা এক সপ্তাহের মধ্যে জয় করতে পারবেন; ৩. তিনি এক কোটি লোককে হত্যা করতে পারেন, যদিও তা করতে চান না; ৪. কোনো অর্থপূর্ণ উদ্দেশ্যে ছাড়াই সার্বিকভাবে আফগানিস্তানকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা যায়।
ট্রাম্প এসব কথা বলেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পাশে বসে। আর চতুর পদক্ষেপে ইমরান হোয়াইট হাউসকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করছিলেন যদিও তিনি সতর্কভাবে রাশিয়া, চীন ও ইরানের সাথে পাকিস্তানকে ইউরেশিয়ায় দিকে এগিয়ে নিতে চান।
ট্রাম্প আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ করছে না বলার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিকে ইঙ্গিত করেছেন। অবশ্য টিম ট্রাম্প এ দিয়ে সিআইএ বসকে লক্ষ্য করে কিছু বললেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়ে গেছে।
ট্রাম্প তার ঘৃণিত পূর্বসূরী বারাক ওবামাকেও কিছু বললেন কিনা তা নিয়েও সংশয় থেকে যাচ্ছে। ওমাবা হয়তো এক কোটি লোককে হত্যা করেননি, তবে তার কমান্ডে থাকা বাহিনী অসংখ্য বেসামরিক লোকসহ বিপুলসংখ্যক আফগানকে হত্যা করেছে। কিন্তু তবুও ওবামা এক সপ্তাহ তো নয়ই, কখনেই জয়ী হতে পারেননি।
বারাক ওবামা আফগানিস্তান যুদ্ধে জয়ী হওয়ার ধারণা পোষণ করতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে আফগান যুদ্ধ একটি মহান ক্রুসেড এবং তিনি ২০০৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণা কাজের সময় সবসময় এটি ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ বলে উল্লেখ করতেন।
ওবামা মানবিক সাম্রাজ্যবাদের যুক্তিতে আফগানিস্তানে মার্কিন শক্তি বৃদ্ধিকে সমর্থন করতেন। তিনি বলতেন, আফগান জনগণের জন্য তালেবান শাসনের প্রত্যাবর্তন হবে তাদের দেশকে নৃশংস শাসনে ফেলে দেয়া, আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতাবাদের দিকে ঠেলে দেয়া, অর্থনীতিকে স্থবির করে দেয়া, আফগান লোকজন বিশেষ করে নারী ও মেয়েদের জন্য মৌলিক মানবাধিকার অস্বীকার করা। নিউ ইয়র্ক টাইমস ও ওয়াশিংটন পোস্ট তার এই বক্তব্যকে স্বাগত জানায়।
কিন্তু কাবুলে আমরা একটি সমস্যার দেখা পাই। চেনির আমলে বোমা আর হামলা চালানো সত্ত্বেও আফগানিস্তানে কখনোই ‘সঠিক’ বা ‘ন্যায়সঙ্গত’ যুদ্ধ ছিল না। ৯/১১-এর সাথে তালেবানের কোনো ধরনের বাস্তব যোগসূত্র ছিল না। ৯/১১-এর ষড়যন্ত্রে ও অর্থায়নে জড়িত ছিল সৌদিরা, আর জার্মান, পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন মহল। আমেরিকায় মোল্লা ওমর কখনো কোনো সন্ত্রাসীকে পাঠাননি।
কিন্তু তা সত্ত্বেও কান্দাহারে তালেবান নেতৃত্ব মস্কোর মধ্যস্ততায় ওসামা বিন লাদেনকে (৯/১১-এর ঘোষিত অপরাধী, টুইন টাওয়ারের পতনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে অপরাধী ঘোষণা করা হয়েছিল) এমনকি কোনো তদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করতে রাজি হয়েছিল। চেনি জান্তা তালেবান প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। এমনকি এরপর তালেবান পক্ষ কোনো মুসলিম দেশে ওসামার বিচার করার প্রস্তাবও চেনিরা প্রত্যাখ্যান করে। চেনিরা কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই তার প্রত্যাবর্তন চেয়েছিল।
এগিয়ে আসে এসসিও
পুতুল হামিদ কারজাই কাবুলে সবেমাত্র দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। আর নিউকনরা ইরাকের আসল টার্গেটের দিকে নজর দিকে আফগানিস্তানের দখলদারিত্ব ন্যাটোর হাতে হস্তান্তর করে। এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছিল ৯/১১ ঘটারও আগে, জুলাই মাসে জেনোয়ায় অনুষ্ঠিত জি৮-এ। ওই সময়ই স্পষ্ট হয়ে যায় যে অক্টোবর নাগাদ আফগানিস্তানে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে ওয়াশিংটন। রাশিয়া ও চীনাদের ওপর নজরদারি চালানোর জন্য মধ্য এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার সংযোগস্থলে একটি জায়গার খুবই প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল চেনিদের। তাছাড়া মধ্য এশিয়ার বিপুল গ্যাস সম্পদের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের জন্যও আফগানিস্তান তাদের জরুরি প্রয়োজন ছিল।
হিন্দুকুশের জঘন্যভাবে বদলানোর ইতিহাস কাজ করে অন্যভাবে। তালেবান ২০১০-এর দশক থেকে তাদের শক্তি বাড়াতে বাড়াতে বর্তমানে দেশের অর্ধেকের মতো এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে।
এমনকি জেনারেল ভেডিড পেট্রাউস পর্যন্ত জানতেন যে আফগান যুদ্ধে জয়ী হওয়া সম্ভব নয়। আর অপদস্থ জেনারেল স্ট্যানলি ম্যাকক্রিস্টাল অন্তত স্পষ্টভাবে স্বীকার করে নিয়েছেন যে আমরা আশ্চর্যজনকভাবে অনেক লোককে হত্যা করেছি এবং আমার জানা মতে, তারা সত্যিকারের হুমকি ছিল না।
কিন্তু তা সত্ত্বেও অত্যাধুনিক মার্কিন সামরিক যুদ্ধসম্ভার তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে, বিয়ের অনুষ্ঠানে পর্যন্ত হামলা চালাচ্ছে।
মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস যারা জানেন, তারা বুঝতে পারেন যে আফগানিস্তান থেকে কখনো প্রত্যাহার করা হবে না মার্কিনিদের। বাগরাম বিমান ঘাঁটিটি রাশিয়া-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্বের ওপর নজরদারির জন্য অমূল্য একটি সম্পদ। ট্রাম্প হয়তো অনেক কথাই বলতে পারেন, সেগুলো শেষ পর্যন্ত কথার কথাই থেকে যাবে।
আফগানিস্তানের একমাত্র সম্ভাব্য সমাধান হতে পারে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) মাধ্যমে কিছু একটা করা। এই সংস্থার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে রাশিয়া ও চীন। আর ভারত ও পাকিস্তান এর পূর্ণ সদস্য, ইরান ও আফগানিস্তান এর পর্যবেক্ষক। তা করা হলে আফগানিস্তান পুরোপুরি একীভূত হয়ে যাবে নতুন সিল্ক রোড বা বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে, চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের অংশ হবে, সেইসাথে ইরানি বন্দর চাবাহার থেকে শুরু হওয়া আফগানিস্তান থেকে মধ্য এশিয়াগামী ভারতীয় মিনি-সিল্ক রোডের অংশে পরিণত হবে।
এটিই চায় বেশির ভাগ ইউরেশিয়ার প্র্রধান শক্তি। আর এভাবেই আপনি যুদ্ধে ‘জয়ী’ হতে পারেন। আর এভাবেই আপনাকে এক কোটি লোককে হত্যা করার দরকার হবে না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সামরিক শক্তি বাড়াতে ‘চীনা হুমকি’র ব্যবহার বন্ধ করা উচিত ভারতের by আই জুন

তবে, কিছু ভারতীয়ের, বিশেষ করে ভারতীয় সাংবাদিকদের একটা খারাপ অভ্যাস রয়েছে – সেটা হলো ভারতের সামরিক বাহিনীর শক্তি বৃদ্ধির জন্য তথাকথিত চীনা হুমকিকে ব্যবহার করা।
গত ১ জুলাই সোমবার ভারতীয় এক সাংবাদিকের একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ব্লুমবার্গ, যেখানে বলা হয়েছে যে ভারত সরকার “২.২ বিলিয়ন ডলারের যুদ্ধজাহাজ কেনার পরিকল্পনা করছে”। রিপোর্টার লিখেছেন যে, এটা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ২৫০ বিলিয়ন ডলারের সামরিক আধুনিকায়ন পরিকল্পনার একটা অংশ, বিশেষ করে নৌ সীমায় প্রতিবেশী চীনের হুমকি মোকাবেলার জন্য যে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ‘হুমকি’ বলতে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, “অতীতে বেইজিং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে”। ভারতের আরও বেশ কিছু মিডিয়া ওই নিবন্ধটি আবার পুনঃপ্রকাশ করেছে।
তবে, বেইজিং শুধু ভারত মহাসাগর নয়, এডেন উপসাগর ও ক্যারিবিয়ানসহ আরও বেশ কিছু জায়গায় যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে তারা। এই নৌ রুটগুলোর আশেপাশের বহু দেশ বেইজিংয়ের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে, এদের মধ্যে ছোট দেশগুলোও রয়েছে। কিন্তু একমাত্র দেশ ভারত, যাদের শক্তিশালী জাতীয় শক্তি রয়েছে, তারা এটাকে হুমকি মনে করছে।
চীনের সাথে ইউরোপ, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের সংযোগ স্থাপনকারী বাণিজ্য রুটগুলোর মধ্যে ভারত মহাসাগর অন্যতম। চীনের আমদানিকৃত জ্বালানি ও কাঁচামালের বড় একটা অংশ ভারত মহাসাগর দিয়ে পরিবহন করা হয়। কিন্তু এই নৌ পথের নিরাপত্তা সবসময় সেভাবে বজায় থাকে না। এই অঞ্চলে চীনের নৌবাহিনীর যে সব নৌ যান রয়েছে, সেগুলো শুধু চীনা বাণিজ্য জাহাজেরই নিরাপত্তা দেয় না, বরং অন্যান্য দেশের বাণিজ্য জাহাজেরও নিরাপত্তা দেয় তারা। জলদস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযান ও বিপর্যয় মোকাবেলায় সহায়তা দেয় তারা।
২০১৪ সালের ডিসেম্বরে মালদ্বীপের একটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে আগুন লাগে। বিবিসি তাদের রিপোর্টে জানায়, “মালের প্রায় ১০০,০০০ অধিবাসী খাবার পানি থেকে সে সময় বঞ্চিত হয়”। চীন সেখানে শুধু বিশুদ্ধ পানিবাহী বিমানই পাঠায়নি, বরং চীনা পিপলস লিবারেশান আর্মি নেভির উদ্ধারকারী জাহাজ চাংশিংদাওকেও সেখানে পাঠিয়েছিল, যেটা তাদের ওয়াটার ডিস্যালিনেশান ইউনিটকে ব্যবহার করে মালের অধিবাসীদেরকে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করেছিল।
চীনের জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতি সম্পূর্ণ আত্মরক্ষামূলক। তারা কখনও কোন বিদেশের মাটিতে বড় আকারের সামরিক মোতায়েন করেনি, কিছু পশ্চিমা দেশ যেটা প্রায় নিয়মিত করে আসছে।
সন্দেহ নেই যে, বেইজিং ও নয়াদিল্লীর মধ্যে সীমান্ত নিয়ে বিবাদ রয়েছে। কিন্তু দুই পক্ষই আলোচনার মাধ্যমে সেই বিবাদ মিটিয়ে ফেলার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। মাঝে মাঝেই তাদের মধ্যে যোগাযোগ হচ্ছে। দীর্ঘ সময় তাদের মধ্যে সীমান্তে কোন সঙ্ঘাত হয়নি।
কিন্তু কিছু ভারতীয় সাংবাদিক বাণিজ্যিক স্বার্থে তথাকথিত চীনা হুমকি তত্ত্ব নিয়ে হৈ চৈ করছে। বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে কিছু কর্মকর্তার পর্যবেক্ষণকে অতিরঞ্জিত করে এই কাজটা করা হচ্ছে।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, গত মার্চে ভারতের নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল সুনিল লাম্বাকে উদ্ধৃত করে প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া বলে, “ভারত মহাসাগরের উত্তরাংশে চীনের তৎপরতা বৃদ্ধি ভারতের জন্য একটা চ্যালেঞ্জের বিষয়”।
ভারতের দিক থেকে প্রতিযোগিতাকে স্বাগত জানায় চীন। কিন্তু চীন-বিদ্বেষী জাতীয়তাবাদ উসকে দিয়ে ভারতের এই প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাওয়া উচিত নয়। ভারত তাদের সামরিক শক্তি বাড়ালে চীন তাকে স্বাগত জানাবে। কিন্তু ভারতীয় মিডিয়ার এ বিষয়ে সচেতন হওয়া উচিত যে ভারতের আসল চ্যালেঞ্জগুলো হলো তাদের পশ্চাৎপদ সামরিক প্রযুক্তি, অস্ত্রের উপর অতিমাত্রায় আমদানির উপর নির্ভরতা, অসম্পূর্ণ বাণিজ্যিকীকরণ ও আধুনিকায়ন, চীন ‘হুমকি’ নয়, যেটা আসলে একটা অতিরঞ্জিত অজুহাত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শরণার্থী শিশুর কান্নার ছবি জিতল সেরা পুরস্কার

গত বছর বিশ্বজুড়ে ৭৮ হাজার ৮০১টি ছবির মধ্যে সেরা বিবেচিত হয়েছে জন মুরের ‘ক্রাইং গার্ল ইন দ্য বর্ডার’ শীর্ষক ছবিটি।
দীর্ঘদিন আমেরিকা-মেক্সিকো সীমান্তে কাজ করছেন চিত্রসাংবাদিক জন মুর। গত বছর তার তোলা একটি ছবি পুরস্কার জিতে নিয়েছে। ছবিটি গত বছর প্রকাশ্যে আসার পরই আলোড়ন তৈরি হয়েছিল।
জন মুর জানিয়েছেন, ১২ জুন ২০১৮ সালের সন্ধ্যায় তিনি এ ছবিটি তুলেছিলেন। সেদিন রাতের অন্ধকারে মেক্সিকো থেকে বেশ কয়েক শরণার্থী সীমান্ত পেরিয়ে টেক্সাসে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন।
কিন্তু সীমান্তরক্ষা বাহিনীর হাতে ধরে পড়ে যান তারা। এদের মধ্যেই ছিলেন হন্ডুরাসের স্যান্ড্রা স্যানচেজ ও তার দুই বছরের শিশুকন্যা ইয়ানেলা।
স্যানচেজের তল্লাশি শুরু হতেই ভয়ে কাঁদতে শুরু করে ইয়ানেলা। কয়েক মুহূর্তের সেই ঘটনা বন্দি হয় জন মুরের ক্যামেরায়।
ছবিটির নাম দেন ‘ক্রাইং গার্ল ইন দ্য বর্ডার’। ছবিটি ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো অ্যাওয়ার্ডের স্পট নিউজ, সিঙ্গেলস ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার জিতে নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পুরস্কার ঘোষণার পর জন মুর জানিয়েছেন, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তার কাজের মধ্য দিয়ে সবসময় চেষ্টা করেছেন, যাতে এ শরণার্থী সমস্যাকে মানবতার চোখ দিয়ে দেখা হয়।
![]() |
| The crying Honduran girl on the cover of Time was not separated from her mother, father says |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1373)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
August
(1053)
-
▼
Aug 24
(30)
- যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের শান্তিচুক্তি কয়েক দিনের ম...
- কাশ্মীর: ভারত সরকার বনাম মাঠের বাস্তবতা
- জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে মোদির ‘সাবকুচ ঠিক হ্যায়’ বক্তব্...
- ‘বখাটে কাটিংয়ে’ বাধা দেওয়ার ব্যাখ্যা দিল মাগুরার প...
- জনগণের সেই মালিকানা কীভাবে আসবে: ড. কামাল
- কিশোর অপরাধ :দায় নেবে কে? by হিমেল আহমেদ
- বাংলাদেশে ইয়াবা পাচার করছে ভারতীয় গ্যাং
- কাশ্মীরে নামতে দেয়া হলো না রাহুলসহ বিরোধীদের
- কাশ্মীর সফরে যাবেন রাহুল গান্ধীরা, নিষেধ করল সরকার
- কাশ্মীর: নামাজের পরে শ্রীনগরের সৌরা এলাকায় বিক্ষো...
- ঋণের টাকায় ভারত থেকে অস্ত্র কিনবে বাংলাদেশ
- বুলগেরিয়ার উদ্দেশে উড়াল সান্ত্বনার
- মিয়ানমারের ৫০ সেনা সদস্যকে হত্যার দাবি আরাকান আর্মির
- দাবানলে পুড়ছে পৃথিবীর ফুসফুস! বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা
- পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে ভারতকে ফ্রান্সের চা...
- সিলেটে কিং রতনের ‘ইয়াবাকন্যা’ নূপুর গ্রেপ্তার
- ভারতকে ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ করাই কেন্দ্রীয় সরকারের লক্...
- হুমকিতে ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ অ্যামাজন, মিনিটে পুড়ছে ১০...
- রাশিয়ায় পাইলট যেভাবে বিমানটিকে ভুট্টা ক্ষেতে নাম...
- এক কোটি আফগানকে হত্যা করেও জয় পাওয়া গেল না যেভাবে ...
- সামরিক শক্তি বাড়াতে ‘চীনা হুমকি’র ব্যবহার বন্ধ করা...
- শরণার্থী শিশুর কান্নার ছবি জিতল সেরা পুরস্কার
- সানজানার হাতে পুঁচকো নম্বর ৪২৮... by মানসুরা হোসাইন
- হংকং বিক্ষোভ: চীন কীভাবে হস্তক্ষেপ করতে পারে
- রাশিয়ায় বিমান তৈরির কারখানা পরিদর্শন করলেন মিয়ানমা...
- মোদির ওপর আস্থা হারাচ্ছে ভারতের ডানপন্থীরা by আমরু...
- আফগানিস্তান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কৌশল by জে স্কট ও’ম...
- কাশ্মিরে একদিকে বিক্ষোভের ঘোষণা, অন্যদিকে কারফিউ জারি
- কলকাতায় কয়েকশ মানুষকে ফোন ফিরিয়ে দিল পুলিশ by অ...
- কিশোরী রাতারাতি হয়ে ওঠেন যুবতী! by রোকনুজ্জামান পিয়াস
-
▼
Aug 24
(30)
-
▼
August
(1053)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

















