Monday, January 20, 2025
কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে টিস্যু পেপারে পাঁচ মিনিট ধরে চিঠি লিখলেন দীপু মনি by আসাদুজ্জামান
প্রিজন ভ্যান থেকে নামেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তাঁকে পুলিশের নারী সদস্যরা আদালতের হাজতখানার ভেতর নিয়ে যান।
সাবেক
সংসদ সদস্য হাজি সেলিমসহ অন্যদের আগে থেকেই এই হাজতখানায় এনে রাখা হয়েছিল।
দীপু মনিকে হাজতখানায় নেওয়ার ৩০ মিনিট পর সেখান থেকে প্রথমে হাজি সেলিমকে
বের করে আনেন পুলিশ সদস্যরা। তাঁর পরনে দেখা যায় ঢিলেঢালা সাদা রঙের
পাঞ্জাবি।
গণমাধ্যমকর্মীদের দেখার পর হাজি সেলিম হাসতে থাকেন। এ সময় তাঁর দুই হাত ধরে ছিলেন পুলিশ সদস্যরা।
হাজি সেলিমের ঠিক পেছনে ছিলেন সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ।
এরপর
একে একে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার
উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক
মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক
মন্ত্রী হাসানুল হক ইনুসহ অন্যদের সিএমএম আদালতের চতুর্থ তলার এজলাসকক্ষে
আনা হয়।
আদালতের এজলাসকক্ষে আগে থেকে আসামিদের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে এজলাসে আসেন বিচারক।
‘কারা কর্তৃপক্ষ হাজি সেলিমের কথা বুঝছে না’
বিমর্ষ
হাজি সেলিমকে আসামির কাঠগড়ায় তোলার পর তিনি চিৎকার করতে থাকেন। একপর্যায়ে
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর
আবেদন করে পুলিশ।
হাজি সেলিমের আইনজীবী প্রাণনাথ রায় আদালতে তাঁর
মক্কেলের জামিন চেয়ে আবেদন করেন। তিনি আদালতকে বলেন, ‘মাননীয় আদালত, আমার
মক্কেল কোনো কথা বলতে পারেন না। তিনি অসুস্থ। দীর্ঘদিন ধরে তিনি গ্রেপ্তার
হয়ে কারাগারে আছেন। আগে তিনি কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন। সংসদ
সদস্য হিসেবে তিনি সেখানে প্রথম শ্রেণির কারাবন্দী হিসেবে বিভিন্ন
সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তাঁকে কেরানীগঞ্জ থেকে কাশিমপুর
কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
আইনজীবী প্রাণনাথ রায় আদালতকে আরও বলেন,
কাশিমপুর কারাগারে যাওয়ার পর তাঁর মক্কেলকে কোনো প্রথম শ্রেণির মর্যাদা
দেওয়া হচ্ছে না। কারা কর্তৃপক্ষ হাজি সেলিমের কোনো কথা বুঝছে না। তিনি
সেখানে বেশ সমস্যায় রয়েছেন। আদালত যদি প্রথম শ্রেণির মর্যাদা দেওয়ার
নির্দেশ দেন, তাহলে তাঁর মক্কেল অনেক উপকার পাবেন।
হাজি সেলিমের জামিনের বিরোধিতা করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রধান পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী।
আদালত
উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে হাজি সেলিমের জামিন আবেদন নাকচ করেন। তাঁকে হত্যা
মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে চিঠি লিখলেন দীপু মনি
ঘড়ির কাঁটায় তখন সকাল ১০টা। জনাকীর্ণ আদালতে আনিসুল হক, সালমান এফ রহমানসহ অন্যদের দুটি মামলায় রিমান্ড আবেদনের শুনানি চলছিল।
এ
সময় আসামির কাঠগড়ার দাঁড়িয়ে ছিলেন দীপু মনি। তাঁর সামনে ছিলেন সাবেক সংসদ
সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী। তাঁর বাঁ পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন হাসানুল হক
ইনু।
একপর্যায়ে দেখা যায়, দীপু মনির বাঁ হাতে কয়েকটি টিস্যু পেপার। আর ডান হাতে কলম। দীপু মনি টিস্যুর ওপর কিছু লিখতে শুরু করেন।
প্রায়
পাঁচ মিনিট ধরে টিস্যু পেপারের ওপর ‘চিঠি’ লেখেন দীপু মনি। কাঠগড়ার সামনে
দাঁড়িয়ে থাকা এক ব্যক্তির (আইনজীবীর পোশাক পরা) হাতে দীপু মনি চিঠিটি তুলে
দেন। এরপর ওই ব্যক্তি নিজের মুঠোফোনে চিঠির ছবি তোলেন। তিনি টিস্যু পেপার
তাঁর বাঁ হাতে ভাঁজ করে রাখেন। চিঠির ছবি তোলার বিষয়টি তিনি আকারে-ইঙ্গিতে
দীপু মনিকে জানান।
আদালতে দেখা যায়, দীপু মনি জনৈক ব্যক্তির হাতে
চিঠি হস্তান্তরের পর তিনি জুনাইদ আহ্মদের সঙ্গে কথা বলেন। সালমান এফ
রহমানের সঙ্গেও দীপু মনিকে হাসিমুখে কথা বলতে দেখা যায়।
কাঠগড়ায়
দাঁড়িয়ে চিঠি লেখার বিষয়ে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রধান পিপি ওমর
ফারুক ফারুকী প্রথম আলোকে বলেন, এজলাসকক্ষের যেখানে দাঁড়িয়ে তিনি শুনানি
করছিলেন, সেখান থেকে কাঠগড়া কিছুটা দূরে। আদালতে অনেক আইনজীবী ছিলেন।
জনাকীর্ণ আদালতে দীপু মনির চিঠি লেখার বিষয়টি তাঁর নজরে আসেনি। যদি নজরে
আসত, তাহলে অবশ্যই তিনি আদালতের দৃষ্টিতে বিষয়টি আনতেন। কারণ, একজন আসামি
আদালতের হেফাজতে থাকেন। আদালতের অনুমতি ছাড়া এখানে তিনি চিঠি লিখতে,
হস্তান্তর করতে পারেন না; কিংবা আইনজীবী ব্যতীত অন্য কারও সঙ্গে কথা বলা
যায় না।
দীপু মনির আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর
মক্কেল এ ধরনের কোনো চিঠি লিখেছেন কি না, তা তাঁর নজরে আসেনি। কারণ,
জনার্কীর্ণ আদালতে তিনি সামনের দিকে অবস্থান করছিলেন। শুনানিতে ব্যস্ত
ছিলেন।
দীপু মনিকে যাত্রাবাড়ী থানার পৃথক দুটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।
চুপচাপ আনিসুল, সাবেক দুই আইজিপির কথোপকথন
আদালতে
দেখা যায়, হাজতখানা থেকে আনিসুল হককে যখন এজলাসকক্ষে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল,
তখন তাঁর দুই হাত ছিল সামনে। বিমর্ষ মুখে এজলাসকক্ষে ঢুকে তিনি দাঁড়িয়ে
ছিলেন আসামির কাঠগড়ায়। তিনি কেবল তাঁর আইনজীবীর সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলেন।
এরপর তিনি ঠায় দাঁড়িয়ে ছিলেন আসামির কাঠগড়ায়। তাঁর পাশে সালমান এফ রহমান
দাঁড়িয়ে থাকলেও তিনি কোনো কথা বলেননি।
আনিসুল হকের খুব কাছে দাঁড়িয়ে
ছিলেন সাবেক আইজিপি শহীদুল হক ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুন। পাঁচ থেকে দশ
মিনিট ধরে তাঁরা নিজেদের মধ্যে কথা বলেন।
আসামির কাঠগড়ার এক পাশে
দাঁড়িয়ে ছিলেন রাশেদ খান মেনন। তাঁর বেশ দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন হাসানুল হক
ইনু। দুজনের মধ্যে কোনো কথা হয়নি। তবে তাঁরা দুজনই তাঁদের আইনজীবীদের সঙ্গে
কথা বলেন।
আজ শুনানি নিয়ে আদালত আনিসুল হক, সালমান এফ রহমান,
হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেনন ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনকে দুটি হত্যা
মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন। এ ছাড়া বিভিন্ন হত্যা
মামলায় জুনায়েদ আহ্মেদ, ফজলে করিম চৌধুরী ও শহীদুল হককে গ্রেপ্তার দেখানো
হয়েছে।
![]() |
| সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিকে আজ সোমবার ঢাকার আদালতে হাজির করা হয়। সিএমএম কোর্ট, ২০ জানুয়ারি। ছবি: দীপু মালাকার |
![]() |
| হাজি সেলিমকে আজ সোমবার ঢাকার আদালতে হাজির করা হয়। সিএমএম কোর্ট, ২০ জানুয়ারি। ছবি: দীপু মালাকার |
![]() |
| সালমান এফ রহমান, হাসানুল হক ইনু ও আনিসুল হককে আজ সোমবার ঢাকার আদালতে হাজির করা হয়। সিএমএম কোর্ট, ২০ জানুয়ারি। ছবি: দীপু মালাকার |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উত্তরটা আপাকেই দিতে হবে by শামীমুল হক
দপ্তরগুলোর মধ্যে রয়েছে শেখ হাসিনা জাতীয় যুব কেন্দ্র। জামালপুরের মেলান্দহে রয়েছে শেখ হাসিনা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি। রয়েছে নৌবাহিনী জাহাজ বিএনএস শেখ হাসিনা। ভবনের মধ্যে রয়েছে- ঢাকায় শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, মানিকগঞ্জেও রয়েছে শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। জামালপুরে রয়েছে শেখ হাসিনা সাংস্কৃতিক পল্লী। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- নেত্রকোনায় শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়। খুলনায় শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। কিশোরগঞ্জে শেখ হাসিনা ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি। শেখ হাসিনা কৃষি ইনস্টিটিউট, কৃষি অনুষদ, বশেমুরবিপ্রবি। হলের মধ্যে রয়েছে- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা হল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ হাসিনা হল, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ হাসিনা হল, বুটেক্সে রয়েছে শেখ হাসিনা হল, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে শেখ হাসিনা হল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশে দেশরত্ন শেখ হাসিনা হল, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ হাসিনা হল, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ হাসিনা হল, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশরত্ন শেখ হাসিনা হল, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ হাসিনা হল। এ ছাড়া কলেজগুলোর মধ্যে রয়েছে- হবিগঞ্জে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ, মেলান্দহ, জামালপুরে শেখ হাসিনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, মাদারীপুরের ডাসারে সরকারি শেখ হাসিনা একাডেমি অ্যান্ড উইমেন্স কলেজ, গোপালগঞ্জে শেখ হাসিনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, ঝিনাইদহে শেখ হাসিনা পদ্মপুকুর ডিগ্রি কলেজ, পিরোজপুরে শেখ হাসিনা একাডেমি, পাবনার আতাইকুলায় শেখ হাসিনা উচ্চবিদ্যালয়। ইনস্টিটিউটগুলোর মধ্যে রয়েছে- জামালপুরের ইসলামপুরে শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, ঢাকায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট। সড়কের মধ্যে রয়েছে- মাদারীপুর-শরীয়তপুর শেখ হাসিনা মহাসড়ক, চট্টগ্রামে শেখ হাসিনা রোড, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শেখ হাসিনা মহাসড়ক। সেতুর মধ্যে রয়েছে গংগাচড়া শেখ হাসিনা সেতু। সামরিক স্থাপনার মধ্যে রয়েছে পটুয়াখালীতে শেখ হাসিনা সেনানিবাস, কক্সবাজারে বানৌজা শেখ হাসিনা।
আচ্ছা, হাসু আপা, এত নামের কী দরকার। যেখানে প্রধানমন্ত্রী হয়ে দেশের ইতিহাসে নাম লেখিয়েছেন। দেশের জন্য কাজ করেছেন। কিন্তু বারবার প্রধানমন্ত্রী হতে হবে কেন? এ প্রশ্নটা করতাম না। কারণ আপনি নিজেই নিজের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। শতাধিক দিন হরতাল করে যে তত্ত্বাবধায়ক পদ্ধতি দেশে আনলেন সেটা কলমের এক খোঁচায় বাদ দিয়ে দিলেন। আবার এতে ব্যবহার করলেন আদালতকে। আপনার এ উদ্দেশ্য ছিল একেবারে নিজের স্বার্থে। যার পরিণতিতে আপনি হয়ে উঠেছিলেন স্বৈরশাসক। মনে পড়ে আপা, ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে বিরোধী দলকে নিয়ে আপনি বৈঠকে বসেছিলেন। সেই বৈঠকে বলেছিলেন- আমি বঙ্গবন্ধুর মেয়ে, আমাকে একবার বিশ্বাস করে দেখুন। আপনার এ কথায় বিশ্বাস করে বিরোধী দলগুলো নির্বাচনে গেল। নির্বাচনী প্রচারণাকালীন সময়েই বুঝা গেছে কেমন নির্বাচন হবে। বিরোধী দলের প্রার্থীদের কোনো পোস্টার লাগাতে দেয়া হয়নি। কেউ সাহস করে প্রচারণায় বেরুলে তার ওপর হামলা হয়েছে। মামলা হয়েছে। কেউ কোনো দিন চিন্তা করেনি আগের রাতেই ব্যালট বাক্স পূরণ হয়ে যাবে। দিনের বেলা শুধু লোক দেখানো নির্বাচন। যদিও দিনের বেলায় ৫ শতাংশের বেশি মানুষ ভোট দিতে যায়নি। রাতের ভোটে আপনি পাস। এরপর জোর গলায় বলে বেড়িয়েছেন জনগণ আওয়ামী লীগকে চায়। এ কারণেই তারা আওয়ামী লীগকে বারবার ভোট দেয়। আপা আপাগো, দেশের মানুষ যা দেখে তার উল্টোটা আপনি বলে বেড়ান সভা-সমাবেশে। তা শুনে মানুষ হাসে। ইদানীং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভেসে বেড়াচ্ছে আপনার একটি সাক্ষাৎকার। যেখানে আপনাকে বলতে শোনা যায়- আমি প্রধানমন্ত্রী হলে সপ্তাহে একদিন টিভিতে দেখতে পাবেন। আপনার এ কথা যে কতোটুকু মেনেছেন তা জাতি দেখেছে। এভাবেই আপনি নিজের দেয়া কথা বেমালুম ভুলে যান। তবে কেন? আপা, এর উত্তরটা আপনার কাছে চাই। দয়া করে বলবেন কি?

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একনজরে গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি
এ ছাড়া ইসরাইলে কয়েক হাজার রকেট নিক্ষেপ করে হামাস। ইসরাইলের সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে আকাশপথে ও স্থলপথে গাজায় হামলা চালিয়ে এর জবাব দেয়। ২৭শে অক্টোবর গাজায় স্থল আগ্রাসন চালায় ইসরাইল। গাজার ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালায় তারা। ২১শে নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতায় একটি চুক্তি হয়। তার অধীনে ইসরাইল তার জেলে থাকা ফিলিস্তিনের কমপক্ষে ২৪০ জন বন্দিকে মুক্তি দেয়। এর বিনিময়ে ১০৫ জিম্মিকে মুক্তি দেয় হামাস। চালু হয় এক সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি। কিন্তু তা টিকে থাকেনি। এর জন্য হামাস ও ইসরাইল একে অন্যকে দায়ী করে। ২৮শে ডিসেম্বর নতুন একটি যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি মুক্তির শাটল কূটনীতি শুরু হয়। ২০২৪ সালের ৩১শে মে ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে তিন দফার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব দেয় ইসরাইল। তা জোর দিয়ে তুলে ধরেন যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সেই প্রস্তাবই শেষ পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে এবং আট মাস পরে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে উভয়পক্ষ সম্মত হয়। ১০ই জুন যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনাকে সমর্থন করে একটি রেজ্যুলুশন পাস করে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। ৩১শে জুলাই ইরানের রাজধানী তেহরানে হামাসের রাজনৈতিক নেতা ও প্রধান সমঝোতাকারী ইসমাইল হানিয়েকে ইসরাইল হত্যা করার পর আলোচনা স্থগিত হয়ে যায়। এর দু’সপ্তাহ পরে হামাসের অনুপস্থিতিতে আলোচনা শুরু করে তেহরান। ১৭ই অক্টোবর ইসরাইলি সেনারা গাজার দক্ষিণে হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে হত্যা করে। একে যুদ্ধ সমাপ্তির সূচনা বলে অভিহিত করেন নেতানিয়াহু। ৯ই নভেম্বর কয়েক মাস ধরে আলোচনায় যখন কোনো ফল আসছিল না তখন সমঝোতা প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিজেদের চেষ্টা স্থগিত করে কাতার।
তারা বলে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি করতে হলে ইসরাইল এবং হামাস উভয়কেই তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে হবে। অচলাবস্থার জন্য এক পক্ষ অন্য পক্ষকে দায়ী করে। ২০শে নভেম্বর অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান সংবলিত একটি খসড়া প্রস্তাবে ভোট দেয় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। তবে এতে যুদ্ধবিরতির সঙ্গে জিম্মি মুক্তির কোনো যোগসূত্র রাখা হয়নি। ২৭শে নভেম্বর যোদ্ধাগোষ্ঠী হিজবুল্লাহ’র সঙ্গে ১৩ মাসের যুদ্ধ বন্ধে লেবাননের সঙ্গে রাজি হয় ইসরাইল। এর ফলে গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পর্কে আশা জেগে ওঠে। জো বাইডেন বলেন, তিনি আঞ্চলিক শক্তিগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আরও একবার চেষ্টা করবেন। ২রা ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ২০শে জানুয়ারি তিনি হোয়াইট হাউসে ফেরার আগে যদি গাজার জিম্মিদের মুক্তি দেয়া না হয়, তাহলে তার জন্য কঠিন মূল্য দিতে হবে।
১৭ই ডিসেম্বর ফিলিস্তিনের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে। তা সুচিন্তিত ও চূড়ান্ত দশায় আছে। একই সময়ে ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ বলেন- যেকোনো সময়ের চেয়ে একটি চুক্তি খুব কাছাকাছি রয়েছে। ২০২৫ সালের ১৩ই জানুয়ারি হোয়াইট হাউসের শেষ সপ্তাহে সমঝোতা প্রক্রিয়া নিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন জো বাইডেন। তার আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেন, খুব কাছাকাছি রয়েছে চুক্তি। তিনি আশা করেন ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার আগেই তা কার্যকর হবে। ১৫ই জানুয়ারি কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইসরাইল ও হামাস গাজায় যুদ্ধবিরতি, জিম্মি মুক্তির বিষয়ে একমত হয়েছে। তা কার্যকর হবে ১৯শে জানুয়ারি। ১৭ই জানুয়ারি ইসরাইলি মন্ত্রিপরিষদ চুক্তি অনুমোদন করে। তার আগে মন্ত্রিপরিষদ কয়েক ঘণ্টা ধরে দীর্ঘ আলোচনা করে। উগ্র ডানপন্থি দু’জন মন্ত্রী এই চুক্তির বিরোধিতা করেন। ১৯শে জানুয়ারি স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে আটটায় চুক্তি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও তা বেশ বিলম্বে স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে কার্যকর হয়।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘হিটলার খুব মিষ্টি ছিলেন', সামনে এলো বৃটিশ বান্ধবীর ডায়েরি
সম্প্রতি আবিষ্কৃত তার ডায়েরিটি বই আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। ডেইলি মেইল মোতাবেক, সেই ডায়েরির পাতায় পাতায় বর্ণনা রয়েছে হিটলারের সঙ্গে তার সম্পর্কের।
ইউনিটি জানিয়েছেন, হিটলারের ভালোবাসা পাওয়ার জন্য তিনি উন্মুখ ছিলেন। ডায়েরির পাতায় তাকে বারবার সেকথা লিখতে দেখা গিয়েছে। ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত পুরুষদের মধ্যে একজন হিসাবে যাকে বিবেচনা করা হয় সেই হিটলারকে তিনি "মিষ্টি" পুরুষ বলে অভিহিত করেছেন ।
নাৎসি ভক্ত ছিলেন ইউনিটি মিটফোর্ড। ডায়েরির পাতায় বর্ণনা লিখতে গিয়ে হিটলারকে বহুবার 'তুমি' বা 'সে' বলে সম্বোধন করা হয়েছে। ১৯৩৩ সালে হিটলারকে প্রথমবার দেখার পর অভিভূত হয়ে পড়েছিলেন মিটফোর্ড। তাকে 'হিরো' মনে করতেন। তার সঙ্গে হিটলারের প্রথমবার ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ হয় নুরেমবার্গের ব়্যালিতে। মিটফোর্ড এরপর জার্মানিতে বসবাস শুরু করেন। হিটলারের আরও কাছে আসার চেষ্টা করেন। সেক্ষেত্রে সফলও হন। তিনি হিটলারকে যতটা চিনতেন আর কোনও বৃটিশ নাগরিক ততটা চিনতেন না।
ডায়েরিটির নাম দেয়া হয়েছে 'অ্যাডলফ হিটলারের ইংরেজ বান্ধবী'। সেখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্ববর্তী বছরগুলিতে তাদের সাক্ষাৎ এবং কথোপকথনের বিবরণ রয়েছে। ডায়েরির লেখাতে কর্তৃত্ববাদী হিটলার এবং তার শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে ভয়াবহ তথ্যও রয়েছে। হিটলারের একান্ত গোপনীয় তথ্যও পাওয়া গিয়েছে ডায়েরিতে।
এত বছর বাদে হারিয়ে যাওয়া সেই ডায়েরির প্রত্যাবর্তন নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। মনে করা হচ্ছে হিটলারের অত্যাচার ও ব্যক্তিগতভাবে তিনি কেমন মানুষ ছিলেন, সে সম্পর্কে নতুন করে আলো ফেলবে ইউনিটির এই দিনলিপি।
ডায়েরির পাতায় শেষ এন্ট্রি ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর। সেদিনই জার্মানি পোল্যান্ড দখল করে। দুদিন পরে যুদ্ধ ঘোষণা হয়ে যায়। হিটলারের ‘প্রেমিকা’ আবিষ্কার করেন, তার প্রিয় দেশ জার্মানি ও মাতৃভূমি ব্রিটেন পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত। এই আঘাত সইতে না পেরে নিজের মাথাতেই গুলি করেন ইউনিটি। কিন্তু আত্মহত্যার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তবে বাম মস্তিষ্ক ভয়ংকর জখম হয়। একটি বুলেট আটকে ছিল খুলির ভিতরে। তিনি ব্রিটেনে ফিরে আসেন। সেখানেই ১৯৪৮ সালে মৃত্যু হয় ইউনিটির। তখন তার বয়স মাত্র ৩৩।
সূত্র : হিন্দুস্থান টাইমস

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দ্য হিন্দুর চোখে খালেদা জিয়ার প্রত্যাবর্তন
খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা দু’টি ভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে এসেছেন। প্রথম জন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীতে থাকা, বিদ্রোহ করে দেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বাঙালি অফিসারের স্ত্রী। অন্যদিকে পাকিস্তানবিরোধী অগ্নিঝরা একজন নেতার কন্যা শেখ হাসিনা। কিন্তু তখনকার প্রেসিডেন্ট এরশাদকে ক্ষমতাচ্যুত করতে তারা দু’জন ১৯৮৪ সালে একজোট হন। দু’টি রাজনৈতিক জোট একত্রিত হয়। এরশাদের বিরুদ্ধে সাতদলীয় জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। অন্যদিকে ১৫ দলীয় জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন শেখ হাসিনা। ১৯৮৬ সালে একটি জালিয়াতির নির্বাচন করেন এরশাদ। জাল ভোটে ক্ষুব্ধ হয়ে এই দুই জোট একসঙ্গে হাত মিলায় এবং ১৯৯০ সালে চূড়ান্ত পর্যায়ে এরশাদকে ক্ষমতাচ্যুত করে।
এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয় পায় বিএনপি। এরপর মিসেস জিয়া, যিনি বেগম জিয়া নামে বেশি পরিচিত, তিনি বাংলাদেশে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি যখন বাংলাদেশের অনেক সমস্যা নিয়ে কাজ করছিলেন, তখনই এক প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ নিহত হন। এটাকে সুযোগ হিসেবে নিয়ে বিএনপি সরকারকে অযোগ্য বলে অভিহিত করেন শেখ হাসিনা। বিরোধিতা সত্ত্বেও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জয় পেতে সক্ষম হয় বিএনপি। কিন্তু নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ আনে আওয়ামী লীগ। ফলে তাদের ক্ষমতা ছাড়তে হয়। এরপরই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা।
১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রতিপক্ষ শেখ হাসিনার সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করেছেন খালেদা জিয়া। নতুন শতাব্দীর শুরুর দিকে তিনি জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সমর্থনে আবার ক্ষমতায় ফেরেন। ২০০৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন। শেখ হাসিনা যদিও তাকে পরবর্তী ১৫ বছর ক্ষমতার বাইরে রেখেছিলেন, তবু মাঠপর্যায়ে শক্তিশালী অবস্থানে ছিল বিএনপি। হাসিনার যুগে খালেদা জিয়া যখন পেছনে পড়ে ছিলেন, তখন প্রতিদিন দলীয় কর্মকাণ্ড মোকাবিলা করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচন তিনবার বর্জনের জন্য দলীয় যুদ্ধং দেহী মনোভাব বজায় রেখেছিলেন তারা।
২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন হয়। এরপর বন্দিদশা থেকে মুক্তি পান খালেদা জিয়া। তিনি বার বার বলেন, বর্তমানে স্বেচ্ছায় নির্বাসনে থাকা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তিনি কোনো খারাপ মনোভাব পোষণ করেন না। এর মধ্যদিয়ে এমন একটি ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে যে, শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার কতোদিন স্থায়ী হয় তার জন্য অপেক্ষা করছেন তিনি এবং পর্যবেক্ষণ করছেন। বিএনপি অতীতে যখন নির্বাচন বর্জন করেছে, এটা জানা বিষয় যে, ২০২১ সালে খালেদা জিয়ার জটিল অপারেশনে যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস হাসপাতালের ডাক্তারদের ঢাকায় আসা থামায় নি শেখ হাসিনার শাসকগোষ্ঠী।
শেখ হাসিনা এখন বাংলাদেশের বাইরে। বিএনপি আবার ক্ষমতায় ফেরার উজ্জ্বল অবস্থায় আছে। এমন অবস্থায় ৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া আরও একবার লাইমলাইটে এসেছেন। কিন্তু এ সময়ে তিনি অধিক মাত্রায় সতর্ক। এ মাসের শুরুর দিকে কাতার থেকে আসা একটি এয়ার এম্বুলেন্স তাকে উড়িয়ে নিয়েছে লন্ডনে, বিশেষ চিকিৎসার জন্য। সেখানে তিনি তার বড় ছেলে তারেক রহমানের সঙ্গে মিলিত হয়েছেন। ২০০৬-০৮ সময়কালে সেনা সমর্থিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে তারেক রহমানকে নির্যাতন করা হয়েছিল। তারপর থেকে তিনি নির্বাসনে লন্ডনে রয়েছেন। গত সপ্তাহে ২০০৮ সালের একটি দুর্নীতি মামলা থেকে খালেদা জিয়াকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে এর আগে দেয়া ১০ বছরের জেলের রায়।
বাংলাদেশের রাজনীতি ভগ্নদশার। তার মাঝে খালেদা জিয়াকে দেখা হয় টিকে থাকা একজন রাজনীতিক বা সারভাইভার হিসেবে। অন্তর্বর্তী সরকার আবার যখন নির্বাচন ঘোষণা করবে তখন তার কৌশল আরও একবার পরীক্ষার মুখে পড়বে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাটকীয়তার পর গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর
অনেকে সেই ধ্বংসস্তূপের দিকে তাকিয়ে হাউমাউ করে কাঁদছেন। তাদেরকে সান্ত্বনা দেয়ার মানুষ নেই। সবারই এক অবস্থা। পুরো পরিবার বা পরিবারের কাউকে হারাননি এই যুদ্ধে এমন পরিবার খুব কমই আছে। যারা ফিরছেন তাদের চোখে-মুখে হতাশা। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। ফেরত আসা মানুষের মধ্যে আবেগ, কান্না মিলেমিশে একাকার। এই মাটি, এই ধ্বংসস্তূপ তাদের স্বজন, সব হারানোর সাক্ষ্য বহন করছে। হিসাব অনুযায়ী প্রায় ৪৭ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইল। তার মধ্যে আছেন কয়েক ডজন সাংবাদিক, মিডিয়াকর্মী। তারা ইসরাইলের গণহত্যাকে প্রামাণ্য হিসেবে ধারণ করতে গিয়ে তার মূল্য দিয়েছেন। গাজায় আল জাজিরার ব্যুরো চিফ ওয়ায়েল দাহদু তার স্ত্রী, সন্তান এবং নাতি-পুতিদের হারিয়েছেন। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর তিনি বলেন, ঠিক এ সময়ে আমার মনের মধ্যে ঝড় চলছে। আমার হৃদয় কেঁপে কেঁপে উঠছে। আমার বেশ কিছু সহকর্মীকে হারিয়েছি। আমরা একসঙ্গে অনাহার এবং হুমকি মোকাবিলা করেছি। এখন সেই কষ্ট আমাকে মুষড়ে দিচ্ছে। এই যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতায় বড় ভূমিকা পালন করেছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল আনসারী বলেছেন, ২০২৩ সালের নভেম্বরে আমরা একই রকম পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। কিন্তু এবার শেষ মুহূর্তে বন্দি ও জিম্মি- যাদেরকে মুক্তি দেয়া হবে তাদের নাম পাওয়া নিয়ে বিঘ্ন ঘটে। এ জন্য শেষ মুহূর্তে চুক্তি কার্যকরে বিলম্ব হয়। তা সত্ত্বেও চুক্তি কার্যকর হয়েছে। জিম্মি এবং বন্দি বিনিময় হয়েছে দুইপক্ষের মধ্যে। তিনি আরও বলেন, যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এখনো প্রচুর লজিস্টিক জটিলতা আছে। মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সেগুলো সম্পন্ন করতে হবে। তিনি বলেছেন, গাজার ভেতরে যোগাযোগ রক্ষা করা এবং চলাচল করা সহজ হবে না। এ জন্য কিছু সময় প্রয়োজন হবে। আমরা এ সমস্যা সমাধানে সক্ষম হবো। সবেমাত্র চুক্তি কার্যকর করা হয়েছে। গাজায় ত্রাণ প্রবেশ শুরু করেছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ডব্লিউএফপি বলেছে, তাদের ত্রাণবাহী ট্রাক গাজা সীমান্ত অতিক্রম শুরু করেছে চুক্তি কার্যকরের পরপরই। দক্ষিণে কারেম আবু সালেম এবং উত্তরে জিকিমে আরেকটি সীমান্ত দিয়ে এসব ট্রাক প্রবেশ করেছে। প্রথম ট্রাকগুলোতে আছে আটা এবং তাৎক্ষণিকভাবে খাওয়া যাবে এমন খাদ্য। বিপর্যস্ত মানুষ এসব খাবার সঙ্গে সঙ্গে খেতে পারবেন। মিশর, জর্ডান এবং ইসরাইলের রুট ব্যবহার করে তারা নিয়মিতভাবে খাদ্য সরবরাহ দেবে।
ইসরাইলের জেলে অন্যায়ভাবে আটকে রাখা হয়েছে হাজারো ফিলিস্তিনিকে। প্রথম দফায় কুখ্যাত অফার কারাগারে আটক ৯৫ জনসহ যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম দফায় মুক্তি পাওয়ার কথা কয়েক শত ফিলিস্তিনি বন্দির। দখলীকৃত পশ্চিম তীরের জেনিন শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছেন মরিয়ম ওয়াইস নামে এক মা। তার তিন ছেলে ইসরাইলের কারাগারে বন্দি। তিনি আশায় বুক বেঁধে আছেন, তার ছেলেরা মুক্তি পাবে। চুক্তি কার্যকরের প্রথমদিনে তার কমপক্ষে এক ছেলেকে তিনি ঘরে নিয়ে যেতে পারবেন- এমন আশায় প্রার্থনা করছিলেন। অন্য দুই ছেলেকে পরে মুক্তি দেয়ার কথা। শেষের দু’জন ইসরাইলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছিলেন। মরিয়ম বলেন, আমার ছেলে মুক্তি পাবে শোনার পর আমি বিস্মিত হয়েছি। আমার শরীর কাঁপতে শুরু করে। হঠাৎ করে অসুস্থ বোধ হচ্ছিল। আমার চারপাশে যারা আছেন তারা জানতে চাইলেন- আমার কি হয়েছে? জবাবে বললাম- জানি না। মনে হচ্ছে আমি খুব খুশি। জানি না আমার কেমন অনুভূতি হচ্ছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বের কথা শুনে বিএনপি’র কর্মী হিসেবে গর্ব অনুভব করি’
গতকাল রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মিলনায়তনে বিএনপি’র উদ্যোগে ‘মহান স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে’ এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় জিয়াউর রহমানকে নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। ডকুমেন্টারি তৈরি করেছেন তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
সভায় মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদের একটি বক্তব্যে তার নির্বাচনী এলাকায় মোটরসাইকেল শোডাউনের কথা উল্লেখ করে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ৫ তারিখের পর থেকে এ রকম মানুষগুলো আস্তে আস্তে ভিড় করা শুরু করেছে। বিএনপি’র প্রত্যেকটি কর্মী বিগত ১৬ বছর অত্যাচারিত ও নির্যাতিত হয়েছেন। জেলের ভেতরে হাতকড়া অবস্থায় কীভাবে মারা গেছেন। এই ঘটনা ও দৃশ্যগুলো নিশ্চয় আপনারা ভুলে যাননি। যদি ভুলে গিয়ে না থাকেন তাহলে কেন এই মানুষগুলোকে আমরা আমাদের আশেপাশে ভিড় করতে দেবো?
তিনি বলেন, ওই যে মোটরসাইকেল বহর, আপনারা বিগত ১৬ থেকে ১৭ বছর অনেক ধরনের নির্যাতিত হয়েছেন। বিএনপি’র ৬০ লাখ নেতাকর্মীর নামে বিভিন্ন মিথ্যা ও গায়েবি মামলা। শুধুমাত্র জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে বিএনপি’র প্রায় ৫০০ নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। বহু হাজার নেতাকর্মী বিভিন্নভাবে জখম হয়েছেন। আমরা কি ওই মোটরসাইকেল বহরে যারা, তাদেরকে সুবিধা দেয়ার জন্য এই অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছি? অবশ্যই নয়।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বলেন, কারা (সরকার) চলে আসবে আমরা জানি না! কিন্তু আর যাই হোক সেটা আপনাদের (বিএনপি’র নেতাকর্মী) কারও জন্য ভালো হবে না। আমাদের কারও জন্য ভালো হবে না। আমি আপনাদের প্রতি অনুরোধ করবো, আপনারা ওই মোটরসাইকেলরাদের ভিড় করতে দেবেন না। দয়া করে আপনারা কোনো বিভ্রান্তকর কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। সবাই বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপি’র সর্বোচ্চ সম্ভাবনা আছে সরকার গঠন করার। আমি আপনাদের কাছে একটি প্রশ্ন রাখতে চাই, ওই মোটরসাইকেলরাদের নিজ স্বার্থ উদ্ধারের জন্য কিংবা আমাদের কিছু নেতাকর্মীদের বিভ্রান্তের জন্য যদি এমন পরিস্থিতির উদ্ভব হয়, এখানে অন্য কেউ সরকার গঠন করলে তাহলে কি আপনি মনে করেন, আপনি খুব ভালো থাকতে পারবেন? আপনি কি মনে করেন- আমি এবং আপনি ভালো থাকতে পারবো। বাংলাদেশে যদি ১ কোটি বিএনপি’র নেতাকর্মী থাকে। আমি এক কোটি মানুষকেই বলছি। আপনারা কি ভালো থাকতে পারবেন?
এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, কোনো কারণে যদি অন্য কেউ সরকার গঠন করে, একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আপনার ভেতরে এতটুকু চিন্তা থাকতে হবে, অন্য কেউ যদি সরকার গঠন করে, সেটা বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেই হোক, আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেই হোক- সেটা কি দেশ এবং জাতির জন্য খুব ভালো হবে? তাই এখনো আমাদের সময় আছে, মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়ান। কারণ দিন শেষে ভোটারের কাছে আপনাকে যেতে হবে।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আপনারা যত সহজ ভাবছেন সামনের নির্বাচন এত সহজ নয়। বিএনপি’র তো শাখা-প্রশাখা গ্রাম পর্যন্ত আছে। অন্যদের তো নেই। এত বড়াইয়ের কিছু নেই। তারপরও জনগণ ম্যাটার। জনগণই হচ্ছে আমাদের শক্তি। সুতরাং আমরা যদি আবার একটা ভুল করি, তখন জনগণ কিন্তু আবার একটা কিছু দেখিয়ে দেবেন, তখন কিন্তু পস্তাতে হবে। এখনো সময় আছে, জনগণের পাশে থাকি, জনগণের সঙ্গে থাকি।
সভাপতির বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আজকে সংস্কারের কথা বলা হয়। সংস্কার তো জিয়াউর রহমান সাহেব শুরু করেছিলেন। রাজনৈতিক সংস্কারটা ছিল তার সবচেয়ে বড় সংস্কার। যেটা একদলীয় শাসন ব্যবস্থা থেকে বহদলীয় শাসন ব্যবস্থায় তিনি নিয়ে এসেছিলেন।
স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আজকে দেশের যে অবস্থা, এই অবস্থায় দেশের মানুষের প্রত্যাশা রয়েছে যে শহীদ জিয়াউর রহমানের দল বিএনপি তাদের এই প্রত্যাশাকে বাস্তবায়ন করতে পারবে। আর অনেকে বলতে চান যে, শুধু জুলাই-আগস্টে আন্দোলনে শেখ হাসিনা ফ্যাসিস্টের পতন হয়েছে। এটা সঠিক না। আমরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করেছি। আমাদের এমন কেউ নেই যারা জেল খাটেনি এবং জুলুম ও নির্যাতনের স্বীকার হননি। কেন তাহলে আমরা ১৬-১৭ বছর আন্দোলন করলাম। আমরা বলবো, এটা সঠিকভাবে মূল্যায়ন করুন। সুতরাং দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল এই অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকার একটু সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে বিদায় নেবে। তাহলে দেশ ও জনগণের জন্য মঙ্গল হবে।
স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, আজকে আমরা সংস্কারের কথা বলছি। সংস্কার চলতে থাকবে। আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে এদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবো। আর আমরা ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করিনি। দেশের মানুষের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার রাজনীতি করেছি। সুতরাং আজকে কথা বলার সময় নেই। আমরা আজ শপথ নিচ্ছি, এদেশের মানুষের গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেবো।
স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আজকে আমরা সংস্কারের কথা বলি। সংস্কারের মূল নায়ক হচ্ছেন জিয়াউর রহমান। আর রাজনীতিতে সততার বড় কিছু নেই। এটা দিয়েছেন জিয়াউর রহমান। সুতরাং বিএনপি’র কোনো নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যদি কোনো সততা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তার বিএনপিতে থাকার কোনো অধিকার নেই।
স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, একদিকে আসমান থেকে টপকিয়ে ৫ই আগস্টে ফ্যাসিবাদের পতন হয়। ফ্যাসিবাদের ঐক্য ফাটল আমরা দেখছি। যেটা জাতির জন্য কল্যাণকর হবে না। আমি প্রধান উপদেষ্টাকে বলতে চাই, ঐক্যকে ধরে রাখতে যা কিছু করার করুন। আসুন কী কী সংস্কার দরকার, সেই আলোচনা আমরা করি। বেশি সময় লাগার তো কথা নয়। সুতরাং সংস্কার সংস্কার খেলা যেন না করি।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, এসব স্লোগান দিয়ে কিছু হবে। এখানে স্লোগান দিয়ে কোনো কিছু হবে। কিছু হবে। এখন রাজপথে মোকাবিলা করতে এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মোকাবিলা করতে হবে। আর আমরা তিনবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়েছি, কিন্তু এই মহান নেতার কৃতিত্ব আমরা তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছি। আমরা সঠিক ভূমিকা পালন করতে পারি নাই। আর আমরা অবশ্যই একটি নির্বাচিত সরকার দেখতে চাই। এজন্য আমাদের করণীয় শহীদ জিয়ার পথ অনুসরণ করা উচিত।
বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঞ্চালনায় সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান, বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1422)
-
▼
2025
(3281)
-
▼
January
(191)
-
▼
Jan 20
(7)
- কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে টিস্যু পেপারে পাঁচ মিনিট ধরে চিঠি ...
- উত্তরটা আপাকেই দিতে হবে by শামীমুল হক
- একনজরে গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি
- ‘হিটলার খুব মিষ্টি ছিলেন', সামনে এলো বৃটিশ বান্ধবী...
- দ্য হিন্দুর চোখে খালেদা জিয়ার প্রত্যাবর্তন
- নাটকীয়তার পর গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর
- ‘জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বের কথা শুনে বিএনপি’র কর্মী ...
-
▼
Jan 20
(7)
-
▼
January
(191)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


