Thursday, July 9, 2015
তিস্তার পানি বণ্টন- প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিন by আলী ইমাম মজুমদার
বাংলাদেশ আশা করেছিল, নরেন্দ্র মোদির সফরকালে উভয় দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সমঝোতা হবে। একটি হয়েছে, অপরটি হয়নি। তা হচ্ছে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি। উভয় দেশ ২০১১ সালে সেই চুক্তির একটি সম্মত খসড়া তৈরি করেছিল। শেষ মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরোধিতায় তা হয়নি। এবার তা আনুষ্ঠানিক আলোচনায়ও আসেনি। তবে নেপথ্যে হয়তো কিছু আলোচনা হয়েছে। আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও সে রকমই বলেছেন। পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘তিস্তা ও ফেনী নদীর পানি বণ্টন বিষয়টির ন্যায্য সমাধান হবে।’ সম্ভবত এ জন্য তাঁকে আরও ‘হোমওয়ার্ক’ করতে হবে। তবে এক বছরের শাসনকালে আমরা নরেন্দ্র মোদির মধ্যে একটি নিষ্ঠার ভাব দেখতে পাই। তিনি যেটা করতে চান সে লক্ষ্যে পৌঁছাতে দৃঢ় পদক্ষেপ নেন। প্রায় ক্ষেত্রে সফলও হচ্ছেন তিনি। ভারত–বাংলাদেশের যৌথ নদীগুলোর পানি বণ্টন স্পর্শকাতর ও জটিল প্রক্রিয়া হলেও অসম্ভব নয়। এর ন্যায্য সমাধান সবাই চায়। বিশেষ করে তিস্তা চুক্তিটি তো হতে হতে শেষ মুহূর্তে ঠেকে গেছে ২০১১ সালেই। এবারও হলো না। এর ফলে বাংলাদেশের মানুষের বর্তমান অনুভূতি সম্পর্কে ভারতীয় ইংরেজি দৈনিক হিন্দুস্তান টাইমস-এর সম্পাদকীয়র শিরোনাম ‘যে নদী বাংলাদেশের মন পোড়ায়’। এতে অনেক কথার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চলতি সফরের নানা সাফল্যের মাঝেও চোরাস্রোত হিসেবে রয়ে যাচ্ছে তিস্তা।’
বলতে হয়, মোদির এই সফর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ককে আরও গভীরতায় নিয়ে যেতে অবদান রাখবে। সম্পাদিত চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকগুলোর কোনো কোনোটির যৌক্তিকতা সম্পর্কে আমাদের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে বটে। সেই বিতর্ক দীর্ঘ এবং এই নিবন্ধের বিবেচ্যও নয়। আলোচ্য সফরে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তিস্তার পানি বণ্টন বিষয়টি নিষ্পত্তি না হলেও এর ন্যায্য সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এটাকেও আমরা বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে কিছুটা অর্জন বলে ধরে নিতে পারি। সেই প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত থাকলে একসময় সাফল্যের মুখ দেখতে পারে। তবে সেটা কবে আর কত ক্ষতির পর, এটা এখনই অনুমান করা দুষ্কর।
ঢাকার একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ২২ মার্চ বাংলাদেশ তিস্তার ২৩২ কিউসেক পানি পেয়েছে। এটা ইতিহাসে সর্বনিম্ন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। গত চার বছরে শুষ্ক মৌসুমের চূড়ান্ত পর্যায়ে (মার্চের শেষ ১০ দিন) তিস্তায় বাংলাদেশ অংশে পানি প্রাপ্তি ছিল ২০১৫, ২০১৪, ২০১৩ ও ২০১২ সালে গড়ে যথাক্রমে ৩১৫, ৫৫০, ২৯৫০ ও ৩৫০৬ কিউসেক। ১৯৭৩ থেকে ১৯৮৫ সময়কালে গজলডোবা বাঁধ চালু করার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ অংশে এর গড় প্রবাহ ছিল ৬৭১০ কিউসেক। ওই ইংরেজি দৈনিকটির ভাষ্য অনুসারে, ভারত সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে ২০১১ সালের তিস্তা চুক্তি খসড়া তৈরি করার পরপরই এর প্রবাহ শোচনীয়ভাবে কমতে থাকে। তিস্তায় পানিপ্রবাহের অস্বাভাবিক হ্রাসে বিশাল অঞ্চলের ভৌগোলিক পরিবেশ পাল্টে যাচ্ছে। ফসল ফলছে না। ‘নদীতে’ নৌকার পরিবর্তে চলে গরুর গাড়ি। মাছ ও জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব বিপন্ন। কৃষক, নৌকার মাঝি আর জেলে সবাই সংকটের মুখে।
ভারত সরকারের সদিচ্ছাও হার মানছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জেদের কাছে। তারা আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতেই রাজি নয়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন সংগ্রামী নেতা। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে তিনি আজ এই অবস্থানে। লক্ষণীয় যে তিনি পশ্চিমবঙ্গের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সম্ভ্রম নিশ্চিত করে তাদের কাছে প্রশংসিত ও আস্থাভাজন হয়েছেন। তিস্তার পানি বণ্টন প্রশ্নে তাঁর রাজ্যবাসীর স্বার্থকে তিনি সামনে রাখতে উদ্যোগী হবেন, এটাই স্বাভাবিক। তবে নদীটি যৌথ এবং পানি যে ভাটির দেশেরও পাওনা আছে, এমনটা কীভাবে তিনি বিস্মৃত হতে পারেন তা বিস্ময়কর। দুই দিন পর বর্ষা নামলে তো সেই নদীর পানি আমাদের দেশের ওপর দিয়েই যাবে। কখনো বা বাড়িঘর, ফসল নষ্ট করে ঘটাবে বিপর্যয়। তিস্তার পানির ন্যায্য বণ্টন হলে তিনি তাঁর রাজ্যের জনগণকে বোঝাতে পারবেন না এমনটা মনে করার কারণ নেই। যার যেটুকু প্রাপ্য, তাই নিয়ে সন্তুষ্ট থাকে সাধারণ মানুষও। বরং তাদের মধ্যে অযৌক্তিক আশাবাদ জাগিয়ে তুললে ক্ষতিই হয়।
আমরা আরও বেদনার সঙ্গে লক্ষ করি আত্রাই নদে আমাদের একটি রাবার ড্যাম নির্মাণকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সাম্প্রতিক ভূমিকা। এ রাবার ড্যাম হওয়ায় পশ্চিম দিনাজপুরের মানুষ সেচের পানি পাচ্ছে না—এমন অভিযোগ তারা করছে ভারত সরকারের কাছে। ড্যামটি উচ্চতায় চার মিটার এবং দৈর্ঘ্যে ১৩৫ মিটার। সেচের আওতাধীন জমি পাঁচ হাজার হেক্টর। আর গজলডোবায় পরিকল্পিত সেচের আওতাধীন জমি নয় লাখ হেক্টর। অবকাঠামো নির্মাণ অসম্পূর্ণ থাকলেও এর এক-চতুর্থাংশ ইতিমধ্যে সেচের আওতায় এসেছে। আত্রাই তিস্তার একটি শাখা নদ। এটি ভারত থেকে বাংলাদেশ অংশে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে পশ্চিমবঙ্গের ভেতরে কিছুটা গিয়ে আবার বাংলাদেশমুখী হয়েছে। উজানের দেশ ভারত গজলডোবায় বাঁধ দিয়ে একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহার করে নিচ্ছে, এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে আত্রাইয়েও। ভাটির দেশ বাংলাদেশ রাবার ড্যাম দিয়ে আত্রাইয়ে অতি সামান্য পানির ব্যবস্থা করল। এতেই নালিশ, আলাপ-আলোচনা না করে বাঁধ দেওয়ার। এখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘দুই বিঘা জমি’ কবিতার নিম্নোক্ত চরণ দুটি বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক—
কহিলাম তবে, ‘আমি তো নীরবে দিয়েছি আমার সব—
দুটি ফল তার করি অধিকার, এত তারি কলরব।’
অবশ্য নীরবে আমরা এ অধিকার ছাড়িনি। প্রতিবাদ করে যাচ্ছি। আর সেটা চলবেও।
নরেন্দ্র মোদি বাস্তববাদী মানুষ। তিনি বিশাল দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দেশটি আঞ্চলিক পরাশক্তির বটে। পরাশক্তির বিকাশে নিকট প্রতিবেশীদের সঙ্গে সহযোগিতা ও শান্তিপূর্ণ অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্ববহ একটি উপাদান। সম্ভবত তাই সূচনাতেই প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন মোদি। দক্ষিণ এশিয়ার বাইরেও প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য যেখানেই গেছেন, সেখানেই তিনি রাখতে সক্ষম হয়েছেন সাফল্যের ছাপ। সবাই তাঁকে আজ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিচ্ছে। আমাদের দুটি দেশের মধ্যে অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন প্রশ্নেও তিনি একটি মূল্যবান কথা বলেছেন। তা হচ্ছে, ‘আমাদের নদীগুলো দুই দেশের বিরোধের কারণ নয়, বরং সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কারণ হওয়া উচিত।’ আমরা ভারতকে সড়ক, রেল ও নৌপথে চলাচলে সুযোগ করে দিচ্ছি। পানি না থাকলে সেই নৌপথও থাকবে না। তাই আমাদের নদীর পানিও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে ইতিবাচক অবদানই রাখতে পারে। মোদির ক্যারিশমা আজ সর্বোচ্চ আলোচিত। দীর্ঘ সংগ্রাম করে তিনি এই অবস্থানে পৌঁছেছেন। তাই আমরা আস্থা রাখতে চাই তিনি দ্রুততার সঙ্গে পানি বণ্টনসংক্রান্ত তাঁর আশ্বাস বাস্তবায়ন করবেন।
আলী ইমাম মজুমদার: সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
majumder234@yahoo.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনীতি by মাহবুব তালুকদার
প্রশ্নটা শুনে আমি হকচকিয়ে গেলাম। চাচার কাছ থেকে এ ধরনের প্রশ্ন আমি কখনো আশা করি না। আমাকে নিয়ে তার মনে দুটো ধারণা বদ্ধমূল রয়েছে। প্রথমত, আমি রাজনীতি বুঝি না। দ্বিতীয়ত, আমি কারণে বা অকারণে সরকারের সমালোচনা করি। এমতাবস্থায়, চাচার উপরোক্ত প্রশ্ন আমাকে স্বাভাবিকভাবে বিব্রত করল।
কি হলো? তুমি আমার কথার জবাব দিচ্ছ না কেন? চাচা ঈষৎ হেসে বললেন, যেহেতু দেশের সার্বিক অবস্থা এখন খুব ভাল, সেজন্য সত্য কথাটা তোমার মুখে আটকে যাচ্ছে।
বললাম, আপনি নিজেই তো আপনার প্রশ্নের জবাব দিয়ে দিলেন। তাহলে আমাকে জিজ্ঞাসা করে লাভ কি?
আমি তোমার মতামতটা জানতে চাচ্ছি।
আমার মতামত কি খুব গুরুত্বপূর্ণ?
অবশ্যই। তুমি সাধারণ মানুষের একটা অংশের প্রতিনিধি। তাই তোমার কাছ থেকে মতামত যাচাই এ মুহূর্তে বিশেষ প্রয়োজন।
এ মুহূর্তে কেন?
ব্যাপারটা তাহলে তোমাকে খুলেই বলি। সরকার এখন মধ্যবর্তী নির্বাচনের কথা ভাবছে।
তাই নাকি? হঠাৎ এ সময়ে এমন অশুভ চিন্তা কেন?
এমন একটা মহৎ চিন্তাকে তুমি অশুভ বলছ কোন যুক্তিতে?
চাচা! আপনার কথা অনুযায়ী দেশের সার্বিক পরিস্থিতি এখন ভাল। তাহলে এভাবেই চলুক না দেশটা। অযথা নির্বাচনের কথা তুলে ঝামেলা বাড়িয়ে লাভ কি?
ঝামেলা হবে কেন? সিটি করপোরেশন নির্বাচন তো চমৎকার হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম রওশন এরশাদ পর্যন্ত প্রশংসা করে বলেছেন, কোথাও কোন রক্তক্ষয় হয়নি। সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুসরণ করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যদি রক্তপাতহীন হয়, তাহলে নির্বাচনের ইতিহাসে তা একটা মডেল হয়ে থাকবে।
৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের মডেল বাদ দিয়ে এখন কি সিটি করপোরেশনের মতো জাতীয় নির্বাচন করার কথা ভাবা হচ্ছে?
অসুবিধা কি? জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি আসেনি, কিন্তু সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে তারা তো এসেছিল। পরে তারা নিজেরাই কেটে পড়েছে, সেটা তাদের ব্যাপার। জাতীয় নির্বাচনে তারা যদি আসে, পরে কেটে পড়লেই বা কি আসে যায়?
আমার তো মনে হয় না, বিএনপি কেবল বৈধতা দিতে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবে?
চাচা বললেন, ৫ই জানুয়ারি বিএনপি নির্বাচনে না আসায় ক্ষতিটা কার হয়েছে? বিএনপি এখন সংসদের বাইরে। তাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মামলা ঝুলছে। তাদের বড় বড় নেতারা সবাই কারাগারে। নির্বাচনে না এসে বিএনপি নিজেই নিজের পায়ে কুড়াল মেরেছে। সত্যি বলতে কি, খালেদা জিয়া এখন মনে মনে পস্তাচ্ছেন।
এরপরও আমি মনে করি না খালেদা জিয়া ৫ই জানুয়ারি মার্কা কোনো নির্বাচনে আসবেন।
কেন? তার অসুবিধা কি? নির্বাচন কমিশনকে আরও শক্তিশালী করা হলেই তো হলো।
আমার মনে হয়, জাতীয় নির্বাচনের ব্যাপারে কিছু সাংবিধানিক সংকট রয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সমঝোতা না হলে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে পারে না। আর নির্বাচন কমিশনের কথা বলছেন? একটা অনুগত নির্বাচন কমিশনকে আরও শক্তিশালী করার অর্থ অধিকতর অনুগত করা।
আজকাল তুমি বড় কঠিন কথা বলতে শুরু করেছ।
কিন্তু আমি ভেবে পাচ্ছি না, দেশের এমন চমৎকার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের কথা ভাবা হচ্ছে কেন?
সরকার যখন ভাল অবস্থায় থাকে তখনই তো মধ্যবর্তী নির্বাচনের কথা ভাবা হয়। দল হিসেবে বিএনপির অস্তিত্ব প্রায় শূন্যের কোঠায়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ত্বরান্বিত করে জাতির আকাঙ্ক্ষা পূরণ করা হচ্ছে। খালেদা জিয়াও তার ব্যক্তিগত মামলায় ফেঁসে যেতে পারেন। তিনি নির্বাচনে অযোগ্য হওয়ারই সম্ভাবনা। বিএনপিতে ভাঙন ধরাতে সবরকম ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সংস্কারপন্থিরা তো আছেনই, মামলার ভারে জর্জরিত অন্য নেতারা বিএনপির নামে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। জামায়াতকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করারও ব্যবস্থা হয়েছে। তাছাড়া দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির এখন অনেক উন্নতি হয়েছে।
চাচা! বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেছেন, ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কিন্তু উন্নতিটা নড়বড়ে’।
বিদেশীরা কি বলল না বলল, তাতে কি আসে যায়?
কিছু তো নিশ্চয়ই আসে যায়। সম্প্রতি বৃটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে যে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয় তাতে বাংলাদেশ বিষয়ক সর্বদলীয় কমিটি সভাপতি কনজারভেটিভ দলীয় এমপি অ্যান মেইন রাজনৈতিক সংঘাত ও অস্থিরতাকে বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা বলে উল্লেখ করেছেন। অন্য এক এমপি কেরি ম্যাকার্থি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের অনেক অগ্রগতি আছে। কিন্তু যে কথা বলা প্রয়োজন, তা হচ্ছে দেশটিতে গণতন্ত্র প্রয়োজন। প্রয়োজন গ্রহণযোগ্য পদ্ধতিতে ক্ষমতার পালাবদলের ব্যবস্থা। এর কোনো বিকল্প নেই।’
বৃটিশ পার্লামেন্টের এমপিদের গায়ে পড়ে এসব কথা বলার উদ্দেশ্যটা কি?
বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে তারা খুবই উদ্বিগ্ন।
আমরা তো তাদের রাজনীতির ব্যাপারে গায়ে পড়ে কোনো পরামর্শ দিতে যাই না।
চাচা! বাংলাদেশের রাজনীতিকদের বিবদমান দুটি দলের রাজনৈতিক উত্তেজনা যখন বৃটিশ পার্লামেন্টের সামনে উত্তাপ ছড়ায় তখন তারা নীরব থাকবেন কি করে? পৃথিবীতে বাংলাদেশ সম্ভবত একমাত্র দেশ যার রাজনৈতিক দলের বৈদেশিক শাখা রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে বৃটিশ কনজারভেটিভ পার্টি বা লেবারপার্টির সমর্থকদের কোন সংগঠন বা অফিস নেই। যুক্তরাষ্ট্রে যেমন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বৈদেশিক শাখা আছে, বাংলাদেশে তেমন ডেমোক্রেটিক পার্টি ও রিপাবলিকান পার্টির কোন শাখা সংগঠন নেই।
এতে তুমি কি বোঝাতে চাও? এতে কি প্রমাণিত হয় না যে, বাংলাদেশের রাজনীতি চর্চা যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে?
আমি বাংলাদেশের রাজনীতির নষ্ট চরিত্রের বিষয়টা মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর উক্তি দিয়ে বোঝাতে চাই।
তিনি কি রাজনীতি সম্পর্কে কোন নেতিবাচক উক্তি করেছেন?
না। তা করেননি। তবে তিনি সম্প্রতি একটি সত্য কথা বলেছেন।
কি সেই সত্য কথা?
ওবায়দুল কাদের সাহেব বলেছেন, ‘রাজনৈতিক কারণেই রাস্তা ও ফুটপাথ দখলমুক্ত করা যায় না।’
এতো খুবই সত্য কথা। চাচা বললেন।
কথাটা চিন্তা করে দেখার মতো। সম্প্রতি দেশের একটি প্রধান পত্রিকা এর সম্পাদকীয়তে বলেছে: ‘কথা সত্য। কিন্তু তিনি কোন রাজনীতির কথা বলেছেন? যে রাজনীতির তিনি একজন নেতা এবং যে রাজনীতি তাকে মন্ত্রী করেছে, সেই রাজনীতির কাছে তিনি এত অসহায় হলে চলবে কেন?’ পত্রিকাটি আরো লিখেছে: ‘সঠিকভাবেই সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেছেন, রাস্তা দখলমুক্ত করতে না পারলে ষোল লেন করেও যানজট দূর করা যাবে না। দখলদারেরা ক্ষমতাবান। কিন্তু তারা কি মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও ক্ষমতাবান?’
এসব কথা বলে তুমি কি বোঝাতে চাচ্ছ?
চাচা! আমরা এক অর্থে রাজনীতির রাহুগ্রাসে পতিত হয়েছি। দেশের স্বাধীনতাসহ আমাদের রাজনীতিবিদদের বিশাল অর্জন রয়েছে, একথা যেমন সত্য, তেমনি রাজনীতির দোহাই দিয়ে আমাদের জনগণকে এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে।
তুমি কি বুঝতে পারছ, তুমি কি বলছ?
আমি না বুঝে কোন কথা বলছি না। মাননীয় অর্থমন্ত্রী যখন বলেন, শেয়ার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নেয়া যাবে না, কারণ তারা অত্যন্ত প্রভাবশালী, তখন বুঝতে অসুবিধা হয় না, এরও অলক্ষ্যে রয়েছে রাজনীতি। ছাত্রলীগের টেন্ডারবাজির বিরুদ্ধে যখন কোন ব্যবস্থা নেয়া যায় না, তখনও বোঝা যায় এর পেছনে রাজনীতির স্বার্থ জড়িত। এমনকি পুলিশের বিরুদ্ধে হামলাকারী আওয়ামী ক্যাডারদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে গেলে সেখানেও রাজনৈতিক স্বার্থ এসে বিচারের পথ রোধ করে দাঁড়ায়। ঢাকার দুজন মেয়রই ভেবেছিলেন, তারা নগরবাসীকে একটা জঞ্জালমুক্ত আধুনিক ঢাকা শহর উপহার দেবেন। কিন্তু তাদের নির্দেশে বিলবোর্ড সরানোই সম্ভব হচ্ছে না। অনেক ক্ষমতাবান ব্যক্তি জমি দখল করে নিচ্ছে, সেখানেও দখলকারীর পরিচয় তিনি ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতিক। সুতরাং দখলদারিত্ব তার অধিকার।
এসব বলে তুমি কি বোঝাতে চাইছ?
রাজনীতির নামে এসব অপকর্ম যারা করে, আমরা তাদের প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হচ্ছি।
তোমার কথাবার্তা কি বিরাজনীতিকরণের হোতাদের উসকে দেবে না?
আমি কখনও বিরাজনীতিকরণের পক্ষে নই, তা আপনিও জানেন। আমি মনে করি, রাজনীতি সর্বদা সুস্থধারায় প্রবাহিত হওয়া উচিত। আমি বললাম।
আমাদের আলোচনার এই পর্যায়ে চাচি ঘরে ঢুকলেন। আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, খুব সরগরম মনে হচ্ছে। আজকের আলোচনা কি নিয়ে?
রাজনীতি। আমি বললাম, রাজনীতি আমাদের দিয়েছে অনেক, কিন্তু কেড়ে নিয়েছে কম নয়।
এজন্য রাজনীতি দায়ী নয়, দায়ী রাজনীতিকের আবরণে যারা অপকর্ম করছে, তারা। চাচি বললেন।
চাচা বিরক্ত হয়ে বললেন, তোমরা রাজনীতির অর্জনগুলো দেখছ না।
কি অর্জন? চাচির প্রশ্ন।
বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত চুক্তি কি একটা অর্জন নয়?
সেটা অবশ্যই অর্জন। আমি তা খাটো করে দেখছি না। কিন্তু ট্রানজিট? চাচি আবার প্রশ্ন করলেন।
সেটাও একটা বড় অর্জন।
চাচি ঘরের তাক থেকে একটা পত্রিকা হাতে তুলে নিয়ে বললেন, তুমি কি পত্রিকা পড়া বাদ দিয়েছ?
কেন?
পত্রিকার পাতা মেলে ধরে চাচি জানালেন, অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, ‘প্রকৃতপক্ষে ট্রানজিটের কারণে বাংলাদেশের কোন লাভ হবে না। ট্রানজিটের মাশুল বা অবকাঠামো উন্নয়নে ভারত কি দেবে সে বিষয়ে কোন চুক্তি বা নীতিমালা হয়নি। পুরো বিষয়টি নিয়ে সরকারের কোন পরিকল্পনা ছিল না। যে কারণে ইতিমধ্যেই ভারত মাশুল ছাড়াই চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার শুরু করেছে।’
এসবই হচ্ছে ভারতবিরোধী কথা।
তা হবে কেন? এসব হচ্ছে বাংলাদেশের স্বার্থের কথা। আমি জানালাম।
তোমরা দেখছি নরেন্দ্র মোদির সফরের মধ্য দিয়ে অর্জিত বাংলাদেশের সাফল্য খাটো করতে চাও। চাচার বক্তব্য।
আমরা একজন ভারতীয় সাংবাদিকের মতামতের ভিত্তিতে নরেন্দ্র মোদির সফরের তাৎপর্য তুলে ধরতে চাই। বলে চাচি আরেকটা পত্রিকার পাতা মেলে ধরলেন।
কে তিনি? চাচার জিজ্ঞাসা।
কুলদীপ নায়ার। তিনি বলেছেন, ‘ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরটি হয়েছে অসময়ে। দেখে মনে হয়েছিল তিনি যেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পড়তি ইমেজ ঠেকাতে বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। তিনি সেখানে কেবল ভারতবিরোধী অনুভূতিকেই আরও তীব্রতর করে তুলেছেন। কেননা, নয়াদিল্লিকে নিরপেক্ষ হিসাবে মনে হয়নি। আমি জানিনা কেন এবং কতদিন ধরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্তৃত্বপরায়ন শাসনকে সমর্থন দিয়ে যেতে হবে আমাদের’।
কি আশ্চর্য! চাচা সবিস্ময়ে উচ্চারণ করলেন।
আশ্চর্যের কিছু নেই। চাচি জানালেন, ভারতের প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কূটনীতিক কুলদীপ নায়ার আরও অনেক কঠোর ও কঠিন কথা বলেছেন। সেটা পড়ে নিও। বাংলাদেশের মানুষের প্রকৃত মনোভাবই তার লেখায় উঠে এসেছে।
বাংলাদেশের মানুষ কখনোই ভারত বিদ্বেষী নয়। চাচা উচ্চকণ্ঠে জানালেন।
বাংলাদেশের মানুষ খালেদা জিয়াও নয় যে, অবস্থান পরিবর্তন করে ভারত প্রেমের কথা ঘোষণা করবে। তবে আমরা সমতা ও সমমর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে আগ্রহী।
তাহলে বাংলাদেশের মানুষের রাজনীতিটা কি?
আমরা বাংলাদেশের মানুষ বাংলাদেশপ্রেমী। দলীয় রাজনীতির দৃষ্টিভঙ্গী থেকে বেরিয়ে আমরা বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ বুঝে নিতে চাই। এটাই বাংলাদেশীদের রাজনীতি। চাচি মৃদুকণ্ঠে বললেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপমানে মুক্তিযোদ্ধার আত্মহত্যা? তদন্ত দাবি পরিবারের
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদার বিচার হবে ট্রাব্যুনালে -শেখ হাসিনা
মাথাপিছু আয় দুই হাজার মার্কিন ডলার
সরকারি দলের সদস্য মো. মনিরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমান প্রেক্ষাপটে মধ্য মেয়াদের ষষ্ঠ ও পরে ২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছর মেয়াদে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা মেয়াদ শেষে ২০২১ সালে বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় হবে প্রায় ২ হাজার মার্কিন ডলার। ফলে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। তিনি বলেন, রূপকল্প ২০২১-এর বাস্তব রূপান্তরের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে আগামী দিনের বাংলাদেশকে বিশ্বে অগ্রগামী ও উন্নত জনপদে পরিণত করতে আমরা জাতিকে শিগগিরই রূপকল্প ২০৪১ উপহার দেবো।
বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৪ হাজার মেগাওয়াট
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০০৯ সালের ৬ই জানুয়ারি আমরা ক্ষমতা গ্রহণের সময় বিদ্যুৎ কমে দাঁড়ায় ৩ হাজার ২৬৮ মেগাওয়াটে। এ সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন না বাড়িয়ে দুর্নীতি ও অস্বচ্ছতা দিয়ে বিএনপি-জামায়াত জোট বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়ে ফেলে। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আমরা তাৎক্ষণিকভাবে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করি। ফলে বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ১৪ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। সেই সঙ্গে আমরা বাড়িয়ে চলেছি বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন। ২০০৬ সালে সঞ্চালন লাইন ছিল ৬৬ হাজার ৯৭৩ সার্কিট কিলোমিটার, বর্তমান সঞ্চালন লাইন হচ্ছে ৯ হাজার ৫৫৫ কিলোমিটার। একইভাবে ২০০৬ সালে বিতরণ লাইন ছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ২৬৩ কিলোমিটার। বর্তমানে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩৩ হাজার কিলোমিটার।
বাংলাদেশের অনুকূলে ১১১টি ছিটমহল
স্বতন্ত্র সদস্য ডা. রুস্তম আলী ফরাজীর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, স্থলসীমান্ত চুক্তির ফলে মোট ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের অনুকূলে আসবে। এর মধ্যে লালমনিরহাট জেলায় ৫৯, কুড়িগ্রাম জেলায় ৩৬, পঞ্চগড় জেলায় ১২ এবং নীলফামারী জেলায় ৪টি বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, ২০১১ সালের হেডকাউন্টিংয়ের তথ্য অনুযায়ী এর মধ্যে বসবাসকারী নাগরিকের সংখ্যা ৩৭ হাজার ৩৮৬ এবং ১৭ হাজার ১৬১ একর জমি বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্ত হবে। অন্যদিকে ভারতের অনুকূলে ৫১টি ছিটমহল যাবে। যেখানে নাগরিকের সংখ্যা ১৪ হাজার ৯০ এবং জমির পরিমাণ ৭ হাজার ১১০ একর।
খালেদা জিয়া মিথ্যাচার করছেন
এদিকে অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পবিত্র রমজান মাসে ইফতারের সময় প্রতিদিন বিএনপি নেত্রী মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন। নিজের অপরাধ অন্যের ঘাড়ে চাপাতে চাইছেন। পবিত্র রমজান মাসে মিথ্যাচারের জন্য আল্লাহই তার বিচার করবেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে গতকাল সমাপনী অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বিএনপি-জামায়াত জোটের ৯২ দিনব্যাপী হরতাল-অবরোধের নামে ভয়াল নাশকতা-সন্ত্রাস ও পেট্রলবোমা মেরে মানুষকে পুড়িয়ে হত্যার অসংখ্য আলোকচিত্র সংসদে প্রদর্শন করে বলেন, বিএনপি নেত্রী ইফতার মাহফিলে শুধু আমাদের বিরুদ্ধেই অপবাদ বা মিথ্যাচার করছেন না, যারা দিনরাত পরিশ্রম করে দেশের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিচ্ছেন সেই পুলিশ বাহিনীকে জড়িয়েও মিথ্যাচার করেছেন। তিনি বলেন, ইফতার মাহফিলে বিএনপি নেত্রী বলেছেন, পুলিশ বাহিনী নাকি পেট্রলবোমা মেরে মানুষ খুন করেছে! রমজান মাসে এমন মিথ্যাচার শুনে তাজ্জব হয়ে যাই। রমজান মাসে কীভাবে উনি এমন মিথ্যাচার করেন? অথচ সব দেশবাসীই জানেন এবং দেখেছেন, কীভাবে বিএনপি নেত্রীর নির্দেশে বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, পেট্রলবোমা মেরে মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে, পুলিশের ওপর আক্রমণ করে হত্যা করেছে। নিজের দোষ উনি পুলিশের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছেন। এ প্রসঙ্গে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার কথা উল্লেখ করে বলেন, তখনও বিএনপি নেত্রী বলেছিলেন, আমি নাকি ভ্যানিটি ব্যাগে করে গ্রেনেড নিয়ে আমিই মেরেছি! তখনকার মতো এখনও নিজের দোষ বিএনপি নেত্রী অন্যের ঘাড়ে চাপাতে চাইছেন। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও সমাপনী অধিবেশনে বক্তব্যে রাখেন বিরোধী দলের নেতা বেগম রওশন এরশাদ। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর স্পিকার প্রেসিডেন্টের আদেশ পাঠের পর বিকাল চারটায় বাজেট অধিবেশনের সমাপনী ঘোষণা করেন। এর আগে গত ১লা জুন বাজেট অধিবেশন শুরু হয়। ৪ঠা জুন সংসদে চলতি অর্থবছরের বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, যা ৩০শে জুন পাস হয়। সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী আগামী ৩ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে- এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, দারিদ্র্য হ্রাস পেয়েছে। হতদরিদ্রের সংখ্যা ৭ দশমিক ৯ ভাগে নামিয়ে আনতে আমরা সক্ষম হয়েছি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ যখন সব দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে, দেশের মানুষ উন্নত জীবন পাচ্ছে- ঠিক তখন দেশের মানুষের ওপর বিএনপি-জামায়াত জোটের জুলুম-নির্যাতন সবাই প্রত্যক্ষ করেছে। আন্দোলনের নামে ৯২ দিন ধরে দেশের মানুষকে নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ বিএনপি-জামায়াত জোটের সন্ত্রাস-সহিংসতা ও নাশকতা মোকাবিলা করেছে। বিএনপি নেত্রী ওই সময় নিজের দলীয় কার্যালয় থেকে ঘোষণা দিয়েছিলেন আমার পতন না হওয়া পর্যন্ত উনি ঘরে ফিরে যাবেন না। কিন্তু কিছু অর্জন ছাড়াই উনাকে আদালতে আত্মসমর্পণ করেই ঘরে ফিরে যেতে হয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি নেত্রী এতিমের টাকা মেরে খেয়েছেন। উনি ভাল করেই জানেন, আদালতে গেলে তার দুর্নীতির তথ্য ফাঁস হয়ে যাবে। এ কারণে উনি আদালতে লাঠিসোটা নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সবশেষে আদালতেই তাকে আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে। ‘গ্রামে খাবার নেই, কাজ নেই’- বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া এমন অভিযোগের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রামের একজন দিনমজুর দিনে যা আয় করেন, তা দিয়ে ৮-১০ কেজি চাল কিনতে পারেন। গ্রামে খাবার ও কাজ না থাকলে দিনমজুর ও শ্রমিকের মজুরি এত বেশি বৃদ্ধি পেলো কীভাবে? তার এসব অভিযোগ মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়। যানজট প্রসঙ্গে বিরোধী দলের নেতার অভিযোগের জবাবে সংসদ নেতা বলেন, দেশের অর্থনীতি যত বেশি শক্তিশালী হচ্ছে, যানবাহনের সংখ্যাও তত বাড়ছে। এরশাদ সাহেব আমার ইফতার মাহফিলে এলেন, কিন্তু যানজটের কারণে বিরোধী দলের নেতা নাকি আসতে পারেননি। কিন্তু দুজনে যদি একসঙ্গে এক গাড়িতে আসতেন তবে এ অসুবিধাও হতো না, যানজটও কিছুটা কম হতো। এভাবে একাধিক গাড়ি ব্যবহারের কারণেই যানজট বাড়ছে। তিনি বলেন, আমরা বসে নেই, বসে থাকলে দেশের এত উন্নয়ন হতো না। প্রতিদিন মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে, মানব পাচারকারীদের ধরা হচ্ছে। আমরা এক কোটি ২৮ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছি। এখন আর বিদেশে যেতে মানুষের ঘরবাড়ি বেচতে হয় না। তিনি বলেন, আমার ক্ষমতায় আসার আগে সৌদি আরবে সাড়ে ৮ লাখ এবং মালয়েশিয়ায় সাড়ে ৬ লাখ অবৈধ বাংলাদেশী ছিল। আমরা ক্ষমতায় এসেই সফল কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে সবাইকে বৈধ করিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিরলসভাবে আমরা দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করে যাচ্ছি, যার সুফল দেশের মানুষ পাচ্ছে। ১৬ কোটি জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হলেও আমরা সেই কঠিনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। আমরা চার গুণ বিশাল বাজেট দিয়েছি। এ বাজেটও বাস্তবায়ন করে আমরা দেশকে একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাব। আগামী ৩ বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পরই বদলে যায় সবকিছু by আশরাফুল ইসলাম
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, পূর্বনির্ধারিত সফরসূচি অনুযায়ী মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় এলজিআরডি মন্ত্রীর বেইলী রোডের বাসভবন থেকে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল। মন্ত্রীর সঙ্গে কর্মসূচিতে অংশ নিতে তার ২১ বেইলী রোডের বাসভবনে নির্ধারিত সময়ে যান কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক ও তার ছোট ভাই রাসেল আহাম্মদ তুহিনও। কিন্তু এর মাঝেই সৈয়দ আশরাফকে মন্ত্রিত্ব থেকে অব্যাহতির খবর বেসরকারি টেলিভিশনগুলোতে ব্রেকিং নিউজ হিসেবে প্রচার হতে থাকলে দেশজুড়ে এ নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়। এ নিয়ে কিশোরগঞ্জেও মন্ত্রীর সফর নিয়ে নানা গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এ অবস্থায় ফোন আসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে। প্রধানমন্ত্রীর জরুরি ফোন পেয়ে তৎক্ষণাত গণভবনে ছুটে যান সৈয়দ আশরাফ। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের কারণে সৈয়দ আশরাফকে অনেকটা বিলম্বে তার নির্ধারিত সফরের জন্য কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে রওয়ানা দিতে হয়। বিকাল ৩টায় কিশোরগঞ্জ পৌঁছার কথা থাকলেও এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফ বিকাল সোয়া ৬টার দিকে তার খরমপট্টি এলাকার বাসভবনে পৌঁছান। সেখানে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি মন্ত্রিত্ব থেকে অব্যাহতির বিষয়টিকে ‘গুজব’ হিসেবে উল্লেখ করে এতে কান না দেয়ার পরামর্শ দেন। পরে শহরের সমবায় কমিউনিটি সেন্টারে কিশোরগঞ্জ জেলা ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত ইফতার পার্টিতে যোগ দিয়ে সেখানে ইফতারের পূর্বে সৈয়দ আশরাফ মাত্র এক মিনিটের বক্তৃতায় কিশোরগঞ্জ ও হোসেনপুর উপজেলায় দু’দিন দু’টি ইফতারে অংশ নিতে এসেছেন জানিয়ে ইফতার আয়োজকদের কৃতজ্ঞতা জানান। ইফতারের আগে ও পরে গণমাধ্যমকর্মীরা মন্ত্রিত্ব নিয়ে বার বার এলজিআরডি মন্ত্রীর বক্তব্য চাইলেও তাদের হতাশ করেন মন্ত্রী। ইফতার শেষে রাতে শহরের খরমপট্টি এলাকার বাসভবন ‘পূর্ণি ভিলা’য় মন্ত্রী রাতযাপন করেন। মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠজনেরা জানান, বাসায় দলীয় নেতৃবৃন্দের অনেকেই মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তবে সেটি কুশলাদি বিনিময় পর্যন্তই ছিল। রাত একটার দিকে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফাঁকে ফাঁকে পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গেও অনুরূপ কুশল বিনিময় করেন। তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়টি নিয়ে তিনি টুকটাক কথা বলেন। এ সময় তিনি এও বলেন, ‘নো নিউজ ইজ গুড নিউজ, গুড নিউজ ইজ নো নিউজ।’ সকালে ঘুম থেকে ওঠে সোয়া দশটার দিকে তিনি যশোদল ইউনিয়নের বীরদামপাড়া গ্রামের বাড়ি পরিদর্শনের উদ্দেশে বের হন। বেলা ১১টার দিকে সেখানে পৌঁছে পারিবারিক কবরস্থানে সদ্যপ্রয়াত ফুফু সৈয়দা সজেতুন নেছার কবর জিয়ারত, নবনির্মিত মসজিদ পরিদর্শন ও শাহ সৈয়দ গওহর আলীর মাজার জিয়ারত করেন। সেখান থেকে বেলা পৌনে ১২টার দিকে তিনি কিশোরগঞ্জের বাসভবনের উদ্দেশে রওনা দিয়ে সাড়ে ১২টার দিকে বাসায় পৌঁছান। পরে বেলা ২টার দিকে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার সকল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের পরিচিতি সভায় যোগ দিতে সৈয়দ আশরাফ সার্কিট হাউজে যান।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২০৫০-এর মধ্যে ৩ শূন্য অর্জনে ড. ইউনূসের ফর্মুলা
উল্লেখ্য, রাশিয়ার উফ শহরে আজ ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক বৈঠকটি বসবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংসহ ব্রিকস নেতারা ইতিমধ্যেই রাশিয়ার উফ শহরে পৌঁছেছেন। এই সম্মেলনকে সামনে রেখেই গতকাল ভারতের দৈনিক দি হিন্দু ড. মুহাম্মদ ইউনূসের একটি বিশেষ নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। এতে তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে, নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক কার্যক্রমের হূদয় হতে হবে মানবাধিকার ও সুশাসন।
দি হিন্দুতে ‘একটি নতুন যুগের জন্য একটি নতুন ব্যাংক’ শিরোনামে প্রকাশিত এক নিবন্ধে গ্রামীণ ব্যাংক জনক ড. ইউনূস লিখেছেন, চলতি সপ্তাহে রাশিয়ায় অনুষ্ঠেয় ব্রিকস এর বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে একশ’ বিলিয়ন ডলারের মূলধন নিয়ে বিশ্বের নবীনতম বহুজাতিক ব্যাংক হিসেবে এনডিবি প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসছে। কিন্তু এই ব্যাংক যেন বিশ্ব ব্যাংকের মতো পুরনো ধ্যান-ধারণা ও মানসিকতা নিয়ে প্রকল্প তৈরি না করে। এই ব্যাংকের প্রধান লক্ষ্য এমার্জিং দেশগুলোর আর্থিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রদর্শনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহূত হতে দেয়া উচিত নয়। এর প্রতিষ্ঠার কারণ হওয়া উচিত খুবই উল্লেখযোগ্য। বিশ্বব্যাংক দেশে দেশে যেভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করে তার পদাঙ্ক অনুসরণ করা খুবই সহজ কিন্তু তাকে এই প্রবণতা প্রথম দিন থেকেই পরিহার করতে হবে।
ড. ইউনূস বলেন, আমি তাই এই নতুন ব্যাংকের উল্লিখিত তিনটি কোর বা মূল লক্ষ্য নির্দিষ্ট করার প্রস্তাব করছি। এজন্য তরুণ প্রজন্মকে উদ্বেলিত করে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। সামাজিক ব্যবসায়ের মাধ্যমে কর্মসংস্থানহীনতাকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব। প্রত্যেক মানব সন্তানের ডিএনএ-তে উদ্যোক্তা-সত্তা রয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চার্জশিট গ্রহণ ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

সেলিনা ইসলাম বিউটির মামলার আইনজীবী জেলা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান জানান, মামলার তদন্ত সংস্থা আদালতে যে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিল তাতে অনেক অসঙ্গতি এবং এজাহার নামীয় অনেক আসামিকে বাদ দেয়ার কারণে আদালতে নারাজি পিটিশন দেয়া হয়েছিল। আমরা আশা করেছিলাম সুবিচার পাবো। কিন্তু আদালতের আদেশে আমরা ব্যথিত, হতাশ ও সংক্ষুব্ধ হয়েছি। আদেশের সই মুড়ি নকল হাতে পাওয়ার পর আমরা এ ব্যাপারে উচ্চ আদালতে যাবো। সেলিনা ইসলাম বিউটি জানান, মামলার এজাহার থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর দুই আসামি ইকবাল ও আমিনুল হক রাজু এলাকায় ফিরে এসে হুমকিধমকি দিচ্ছে। রাজু মিজমিজি এলাকায় বলে বেড়াচ্ছে দেড় কোটি টাকা খরচ করে নাকি মামলা থেকে বেরিয়ে এসেছে। যারা মামলা করেছে তাদের এখন দেখে নেবে। আর সাত হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করে যারা আন্দোলন করেছে ইকবাল তাদের হুমকি দিচ্ছে। এতে আমরা নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছি। হত্যার পরিকল্পনাকারীদের চার্জশিট থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। অথচ তারা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছিল ১৫ দিনের মধ্যে নজরুল ইসলামকে শেষ করে দেবে। আমি আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাবো।
রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি কেএম ফজলুর রহমান জানান, সাত খুনের ঘটনায় দুটি মামলার মধ্যে একটি মামলার বাদী নিহত চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল আদালতে উপস্থিত থেকে কোন আপত্তি উত্থাপন করেনি। এবং চার্জশিট গ্রহণ করলে তার কোন আপত্তি নেই বলে আদালতকে জানান। আরেকটি মামলার বাদী সেলিনা ইসলাম বিউটি নারাজি দিয়েছিল, আদালত পর্যালোচনা ও উভয় পক্ষের শুনানি শেষে নারাজি পিটিশন খারিজ করে দিয়ে দুটি মামলায় চার্জশিট গ্রহণ করেছেন এবং মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য তারিখ নির্ধারণ করেছেন। নারাজি খারিজের পর আদালত প্রাঙ্গণে সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার অনেকেই মন্তব্য করেন, একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতে এবং এলাকায় একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখতে সেলিনা ইসলাম বিউটি চার্জশিটের বিরুদ্ধে নারাজি দিয়েছেন। তিনি এজাহারে ৬ জনের নাম উল্লেখ করেছেন। অথচ পুলিশ তদন্ত করে ৩৫ জনকে শনাক্ত করেছেন। এরমধ্যে র্যাবেরই ২৫ জন। কিন্তু মামলায় তিনি র্যাবের কাউকে আসামি করেননি। শুধুমাত্র নজরুলের নানা অপকর্মের বিরোধিতা করার কারণে মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়া ৫ জনকে মামলায় আসামি করেছেন সেলিনা ইসলাম এবং নারাজি দিয়েছেন।

নাসিক প্যানেল মেয়র-২ নজরুল ইসলামসহ ৫ জনকে অপহরণ শেষে হত্যার ঘটনায় নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি বাদী হয়ে নূর হোসেনসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ্য করে একটি মামলা করেন। অন্যদিকে অ্যাডভোকেট চন্দন সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহীমকে অপহরণ ও হত্যা মামলার বাদী ছিলেন চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল। এ মামলায় আসামি অজ্ঞাত ছিল। গত ৮ই এপ্রিল মামলার তদন্তকারী সংস্থা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সেভেন মার্ডারের দুটি মামলার অভিন্ন চার্জশিটে ভারতের কলকাতায় গ্রেপ্তারকৃত সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি নূর হোসেন এবং র্যাব-১১ এর সাবেক তিন কর্মকর্তা লে. কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, মেজর আরিফ হোসেন, লে. কমান্ডার এমএম রানাসহ ৩৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। তবে বিউটির মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে এজাহারভুক্ত ৫ জনসহ ১৬ জনকে। এ ঘটনায় গত ১১ই মে আদালতে সেলিনা ইসলাম বিউটি চার্জশিটের বিরুদ্ধে নারাজি পিটিশন দাখিল করেন। অন্যদিকে একটি মামলার বাদী নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের মেয়ের জামাতা বিজয় কুমার পাল চার্জশিটে সন্তোষ প্রকাশ করেন। উল্লেখ, ২০১৪ সালের ২৭শে এপ্রিল দুপুরে নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা লিংক রোডের ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সামনে থেকে নাসিক প্যানেল মেয়র-২ নজরুল ইসলাম, তার সহযোগী মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম লিটন, স্বপনের গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম এবং নারায়ণগঞ্জ আদালতের সিনিয়র আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক ইব্রাহীমকে অপহরণ করে র্যাব-১১ এর একটি টিম। পরে তাদের প্রত্যেককে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ গুম করার জন্য লাশের পেট ফুটো করে বস্তাভর্তি ইট বেঁধে নদীতে ফেলে দেয়া হয়। ৩০শে এপ্রিল বিকালে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ৬ জন এবং ১লা মে সকালে একজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
যে ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ারা

এদিকে অভিযুক্ত ৩৫ জনের মধ্যে পলাতক ১৩ জন এখনও গ্রেপ্তার হয়নি। তারা হলো, করপোরাল লতিফুর রহমান, সিপাহী আবদুল বারী, মহিউদ্দিন মুন্সী, আলামীন শরীফ, তাজুল ইসলাম, সার্জেন্ট এনামুল কবীর, এএসআই কামাল হোসেন, কনস্টেবল হাবিবুর রহমান, নাসিক কাউন্সিলর ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি নূর হোসেন, তার সহযোগী মো. সেলিম, সানাউল্লাহ সানা, শাহজাহান ও জামাল উদ্দিন। তাদের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ারা জারি করেছেন। এদিকে চার্জশিটে অভিযুক্ত ৩৫ জনের মধ্যে র্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ২৫ জন এবং নূর হোসেন ও তার ৯ সহযোগী। এদের মধ্যে নূর হোসেন ও তার সহযোগী সেলিম কলকতায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দি রয়েছে।
পুলিশ সুপারের বক্তব্য
নারায়ণগঞ্জ পুলিশ খন্দকার মুহিদ উদ্দিন জানান, অভিযুক্ত ৩৫ আসামির মধ্যে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি ১৩ জনের বিরুদ্ধে আদালত আজ (বুধবার) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। তারাও পর্যায়ক্রমে গ্রেপ্তার হয়ে যাবে। তিনি আবারও দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে আমরা স্পর্শকাতর সেভেন মার্ডারের ২টি মামলা তদন্ত সম্পন্ন করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছি। একটি মামলার বাদী বিজয় কুমার পাল শুরু থেকে চার্জশিটে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আরেকটি মামলার বাদী নারাজি পিটিশন দিয়েছেন। বিজ্ঞ আদালত শুনানি শেষে তা খারিজ করে দিয়েছেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, মামলার সবগুলো তথ্য-উপাত্ত আমাদের হাতে চলে আসে। যার আর কোন কিছু অবশিষ্ট ছিল না। তাই চার্জশিট দিতে পেরেছি। এখন নূর হোসেনকে বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়েই আসতে হবে। এবং নূর হোসেন দেশে আসলেই গ্রেপ্তার হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্লাড ব্যাংকে অভিযান: যেভাবে পানি হয়ে যায় রক্ত
র্যাব জানিয়েছে, ফেমাস জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ও বাংলাদেশ ব্লাড ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ অপরীক্ষিত রক্ত জব্দ করা হয়। ব্লাড ব্যাংক দুটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও অধিক মুনাফার লোভে পরীক্ষা- নিরীক্ষা রক্ত সংগ্রহ করে থাকে। এমনকি রক্তের সঙ্গে স্যালাইন মিশিয়ে এক ব্যাগ রক্তকে দুই ব্যাগ বানিয়ে বিক্রয় করে প্রতিষ্ঠান দুটি। ব্লাড সংরক্ষণ করার জন্য ব্লাড প্রিজারভিশন রিফ্রেজারেটর ব্যবহার করা আবশ্যক হলে সাধারণ ফ্রিজ ব্যবহার করে এই দুটি প্রতিষ্ঠান। যা রক্ত সংরক্ষণের উপযোগী নয়। এসব অনিয়মের দায়ে বাংলাদেশ ব্লাড ব্যাংককে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ফেমাস জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক থেকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। র্যাব-২ উপপরিচালক ড. মো. দিদারুল আলমের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠান দুটিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন, র্যাব-২ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. স্বপন কুমার তপাদার।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পর্যাপ্ত বরাদ্দ কমানোর যুক্তি কী by নূরুননবী শান্ত
২০১০ থেকে ২০১৪ সময়কালে বিশ্বব্যাংক জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশের জনসংখ্যার শতকরা ৩০ ভাগই ১৪ বছর বয়সের কমে জনগণের মধ্যমা বয়স (মিডিয়ান এজ) এখন ২৫.৪ বছর (http://www.worldometers.info/world-population/bangladesh-population/)। তার মানে জনসংখ্যার অর্ধেকের বয়স পঁচিশের নিচে। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টের সর্বোচ্চ সুবিধাজনক পরিস্থিতিতে আমরা আছি। এই সুবিধার সঠিক ব্যবহারের ওপরেই নির্ভর করছে আমাদের কাক্সিক্ষত উন্নয়ন। এর বাইরে আরো দুটি দৃশ্যমান পরিবর্তিত প্রেক্ষাপট আমাদের তৈরি হয়েছে। প্রথমত, মোবাইল ফোন ও মোবাইল ফোনভিত্তিক ইন্টারনেট ব্যবহার প্রান্তিক অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত জনগণের হাতেও পৌঁছে গেছে। দ্বিতীয়ত, অবাধ অপরিকল্পিত দ্রুত বর্ধমান নগরায়নের বিপরীতে নাগরিক সুবিধা সীমিত হচ্ছে। একইসঙ্গে জিডিপিতে কৃষির অবদান কমে গিয়ে সেবা খাতের অবদান বাড়ছে অথচ আনুপাতিকভাবে শিল্পায়নের বিকাশ থমকে আছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে, আমাদের বিরাট জনসংখ্যার অর্ধেক, অর্থাৎ নতুন প্রজন্মকে শিক্ষিত, দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তোলার ওপরেই নির্ভর করছে আগামী দিনের সত্যিকার টেকসই উন্নয়ন। অতএব শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বিনিয়োগের বিকল্প নেই।
আমরা বিশ্বাস করি, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টের স্বতঃস্ফূর্ত সুবিধার ওপর ভর করে আমরা হয়তো মধ্য আয়ের দেশে সময়মতোই পৌঁছে যাব, দারিদ্র্যও আশানুরূপ কমে যাবে, কিন্তু পরবর্তী প্রজন্ম সে অর্জন ধরে রাখতে সক্ষম না হলে সবকিছু অর্থহীন হয়ে পড়বে, যেমনটা হয়েছে নাইজেরিয়ার ক্ষেত্রে। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, চীনের উন্নয়ন ইতিহাস থেকে আমার শিক্ষা নেয়ার আছে। শিক্ষা প্রাসঙ্গিক ও মানসম্পন্ন হলে প্রজন্ম স্বতঃস্ফূর্তভাবেই দায়িত্বশীলতা ও দায়বদ্ধতা অর্জন করবে। এর ইতিবাচক প্রভাব আপনা-আপনি আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক সবক্ষেত্রেই পড়বে। বিশ্বব্যাংকসহ অনেক আন্তর্জাতিক মহলই অবশ্য বলছে যে, শিক্ষায়; বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের বিনিয়োগ তুলনামূলক ভালো। কিন্তু এই প্রশংসা করার আগে বাংলাদেশের শিক্ষা গ্রহণের যোগ্য বয়সীদের সংখ্যা ও আনুপাতিক প্রয়োজনীয়তাকে বিবেচনায় নিতে হবে। অন্যদিকে, আমাদের শিক্ষামন্ত্রীসহ সবাই জানেন ও মানেন যে শিক্ষার মান সন্তোষজনক নয়। পঞ্চম শ্রেণী পাস করেও আমাদের অনেক শিশু মাতৃভাষায় শুদ্ধ বাক্য লিখতে সক্ষম হচ্ছে না। এবারের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন যে, প্রাথমিক শিক্ষার পরে শিশুরা ঝরে পড়ে, মানসম্মত শিক্ষকের অভাব প্রকট এবং এই (মাধ্যমিক) স্তরে শিক্ষার মান নিম্ন পর্যায়ে আছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ে এই বাস্তব উপলব্ধি সত্ত্বেও ঘোষিত বাজেটে তার কোনো প্রতিফলন নেই। এটা নীতি-নির্ধারকদের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড বটে। আজকাল বাজেট ঘোষণা টেলিভিশনের পর্দায় দেখা এখন প্রায় ক্রিকেট খেলা দেখার মতোই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাজেট বক্তৃতা দীর্ঘ বা হ্রস্ব যাই হোক, দর্শক তথা জনসাধারণের মনোজগতে তা একটা প্রভাব ফেলে। তরুণরা এখান থেকে শিক্ষাও গ্রহণ করে। বাজেট এখন জনপ্রিয় ডিসকোর্স। করের আওতা বাড়লেও, কর্পোরেট কর কমানো; কালো টাকা সাদা করার চিরায়ত ব্যবস্থা কিংবা বিদেশের ব্যাংকে টাকা পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়া ইত্যাদি বিষয়ে জনগণ সরকারের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রত্যাশা করে। ধনীদের টাকা পাচার করার প্রবণতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রচার মাধ্যমের সামনে অর্থমন্ত্রী যখন বলেন যে, ‘এটা আসলে দুর্নীতিগ্রস্ত সমাজ’, তখন এভাবে বিশাল অঙ্কের কর লোকসান মেনে নেয়াকে দুর্নীতিগ্রস্ততাকে উৎসাহিত করার শামিল বিবেচনা করা যায়। করারোপে ন্যায্যতা নিশ্চিত না করতে পারলে উন্নয়ন বৈষম্য কমানো সম্ভব হবে না। ধনীরা অধিকতর ধনী হতে থাকবে। অন্যদিকে, বাজেটের ব্যয় খাতে মানব সম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন প্রাধান্যকে খাটো করা ঘরের খুঁটিকে দুর্বল করে রেখে ঘরের বেড়াকে দৃষ্টিনন্দন করে তোলার সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। কর আদায়ের পরিমাণ বাড়ানোই সব কথা নয়। কর আদায়ের পদ্ধতি ও কোথায় ব্যয় করলে নব্বই ভাগ সাধারণ মানুষের কল্যাণ হবে, বৈষম্য কমবে এসব কিছুই আসল কথা। বরাদ্দের অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় করার জন্য সংশ্লিষ্টদের দক্ষতা বৃদ্ধির দিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে। জনসংখ্যার অর্ধেকই যেহেতু শিক্ষা খাতের ওপর নির্ভরশীল, সুতরাং শিক্ষার জন্য পর্যাপ্ত অবকাঠামো, উপকরণ, বিষয়বস্তু, শিখন-শিক্ষণ প্রক্রিয়া, শিখন মূল্যায়ন পদ্ধতি, পাঠ্যক্রম হালনাগাদকরণ, শিক্ষকের মান ও সম্মান বৃদ্ধি, শিক্ষা গবেষণা, ঝরেপড়াদের দক্ষতা উন্নয়ন ও জীবনমুখী শিক্ষার আওতায় আনা, শিক্ষানীতির বাস্তবায়ন ইত্যাদি কোনোকিছুই সম্ভব নয় প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ছাড়া। কৈলাস সত্যার্থী সম্প্রতি আমাদের স্মরণ করিয়ে দিয়ে গেছেন, দেশকে উন্নত দেশ হিসেবে দেখতে হলে প্রতিটি শিশু, কিশোর-কিশোরীর অধিকার আছে দেশ গড়ার কাজে অবদান রাখার উদ্দেশ্যে নিজের যোগ্যতা তৈরির শিক্ষা পাওয়ার। এই অধিকার নিশ্চিত হলে উন্নয়নের কারিগরের অভাব বাংলাদেশে হবে না। দারিদ্র্যমুক্ত, বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ জনগণ নিজেরাই গড়ে তুলতে পারবে যদি তাদের উপযুক্ত শিক্ষা নিশ্চিত হয় অথচ আমরা কেবল হতাশাই দেখতে পাচ্ছি। অর্থ মন্ত্রণালয় কি অন্তত একটা ব্যাখ্যা জনগণের সামনে পেশ করতে পারে কী কী যুক্তিতে শিক্ষায় বরাদ্দ কমানো হলো?
লেখক: গল্পকার ও উন্নয়নকর্মী
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঈদের জামা পরা হলো না ফাহিমের
নিহতের স্বজনরা জানান, গাজীপুর থেকে আজিমপুরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মা ও ভাইয়ের সঙ্গে ওই বাসে উঠেছিল ফাহিম। কিন্তু আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে ওই বাসটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় গাড়ি থেকে নামেন ফাহিমসহ অন্য যাত্রীরা। আজিমপুরে ওই শিশুর নানার বাড়ি। সেখান থেকে পরে ঈদের কেনাকাটা করার কথা ছিল তাদের। নিহত ফাহিম গাজীপুরের পলপপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র। তার পিতার নাম জাহাঙ্গীর আলম। তিনি একজন চা বিক্রেতা। মায়ের নাম ঝরনা বেগম। তাদের বাড়ি গাজীপুরের শ্রীপুরের দমনী গ্রামে।
ধানমন্ডি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আজম মিয়া জানান, বাসটি আজিমপুরে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে নষ্ট হয়ে যায়। এ ঘটনায় দুই বাসের চালককে আটক করা হয়েছে। অন্যদিকে ফাহিমের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৃষ্টিতে নিউমার্কেটে দুর্ভোগ -ছবি: সাবিনা ইয়াসমিন
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মালয়েশিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ উপ-প্রধানমন্ত্রীর
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুলিশের চড়...
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বপ্নার স্ক্যান্ডাল সিলেটে তোলপাড় by ওয়েছ খছরু
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাতীয় পার্টির মহাসচিবের উপস্থিতিতে সিলেট সার্কিট হাউস রণক্ষেত্র, গোলাগুলি by ওয়েছ খছরু
বাবলুকে হুইপ সেলিম উদ্দিনের ‘ঠক্কর’
সিলেটে এসে ‘ঠক্কর’ খেলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন বাবলু। দলের অধিকতর জুনিয়র নেতা ও পার্টির যুগ্ম মহাসচিব বিরোধীদলীয় হুইপ সেলিম উদ্দিনের সঙ্গে এ ঠক্কর খেলেন তিনি। মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সিলেট নগরীতে জাতীয় পার্টির তার বলয়ের নেতাদের নিয়ে ইফতার পার্টির আয়োজন করেছেন। আর জাতীয় পার্টির সিলেটের বর্তমান কমিটির নেতাদের নিয়ে আলাদা ইফতার পার্টির আয়োজন করলেন দলের কেন্দ্রীয় মহাসচিব জিয়াউদ্দিন বাবলু। এ ইফতার পার্টির আয়োজনকে কেন্দ্র করে সিলেটে জাতীয় পার্টির নেতারা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগেন। অনেক নেতাই কোন ইফতার পার্টিতে যোগ দেননি। তবে, বর্তমান কমিটির মূল স্রোতের নেতারা পার্টির মহাসচিবের ইফতার পার্টিতে যোগ দেন। সিলেটে জাতীয় পার্টিতে বিভক্তি নতুন নয়। দলের চেয়ারম্যান আলহাজ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ একেক সময় এক-এক নেতার হাতে দলের দায়িত্ব দেয়ার কারণে সিলেটের বিভক্তি চরমে। এ বিভক্তির সর্বশেষ পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য তাজ রহমান ও দলের যুগ্ম মহাসচিব সেলিমউদ্দিনের মধ্যে। তাজ রহমান দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য হলেও তিনি সংসদ সদস্য কিংবা হুইপ হতে পারেননি। আর সেলিম উদ্দিন দলের যুগ্ম মহাসচিব হওয়ার পাশাপাশি সংসদ সদস্য ও বিরোধীদলীয় হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে এটিইউ তাজ রহমান দলের প্রেসিডেন্ট আলহাজ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও সেলিম উদ্দিন বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ বলয়ের নেতা হিসেবে পরিচিত। এ দুই নেতার দ্বন্দ্বের কারণে বছরখানেক আগে জাতীয় পার্টির সেলিম উদ্দিনের নেতৃত্বে থাকা কমিটি ভেঙে দেন তাজ রহমান। আর সিলেট জাতীয় পার্টির ত্যাগী নেতা কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল্লাহ সিদ্দিকীকে আহ্বায়ক ও উসমান আলীকে সদস্য সচিব করে কমিটি গঠন করেন। এরপর সেলিম উদ্দিন অংশের নেতারা জাতীয় পার্টির ওই কমিটিকে প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর থেকে সিলেটে জাতীয় পার্টি দুই ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এবার রমজানে সিলেট জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টি কয়েক দিন ধরে ইফতারের আয়োজন করছিলেন। এ আয়োজনে প্রধান অতিথি হয়ে এসেছেন দলের মহাসচিব জিয়াউদ্দিন বাবলু। গতকাল সিলেট নগরীর ধোপাদিঘীড় পাড় এলাকার হোটেল মেট্রোতে এ ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে দুপুরে দলের মহাসচিব সিলেটে এসে পৌঁছলে বিমানবন্দরে দলের সিনিয়র নেতারা বরণ করেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য এটিইউ তাজ রহমান, আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, উসমান আলী, সদর দক্ষিণের আহ্বায়ক ফরিদুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম আহমদ মিন্টুসহ সিনিয়র নেতারা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। গতকালের ইফতার সম্পর্কে সিলেট জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক আবদুল্লাহ সিদ্দিকী গতকাল জানিয়েছেন, সেলিম আহমদ দলের যুগ্ম মহাসচিব হওয়ায় আমি নিজে গিয়ে দাওয়াত দিয়েছি। তিনি বলেছেন, জকিগঞ্জে তার একটি ইফতার মাহফিল রয়েছে তিনি সেখানে যাবেন। এ কারণে আসতে পারবেন না। এর পরও আমরা তাকে উপস্থিত থাকার জন্য বারবার অনুরোধ জানিয়েছি। তিনি বলেন, দলের মহাসচিবের সঙ্গে সিলেটের কারও ঠক্কর হতে পারে না। কেউ ইফতারে না এলে কিছু হবে না। এদিকে, জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব সেলিম উদ্দিন জানিয়েছেন, ভোরের দিকে সিদ্ধান্ত নিয়ে নগরীর শিবগঞ্জের শাকিল কমিউনিটি সেন্টারে আমরা ইফতারের আয়োজন করেছি। এ আয়োজনে ৫০০-এর বেশি নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করেন তিনি। সেলিম উদ্দিন বলয়ে জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল শহীদ লস্কর বশীর ছাড়াও বিদ্রোহী অংশের সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘লুটনে যাবো কিভাবে, ঢুকলেই গ্রেপ্তার হবো’ -সিরিয়া থেকে মিনারা by ওয়েছ খছরু
গ্রামের বাড়িতে নজরদারি: আইএসে যোগ দেয়া যুক্তরাজ্যের লুটন শহরের ১২ সদস্যের সিলেটী পরিবারের গ্রামের বাড়িতে গোয়েন্দা নজরদারি চলছে। ওই পরিবারের গ্রামের বাড়ি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের মাইজগাঁও গ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি চলছে। এ ছাড়া সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যরাও নজরদারি করছেন। লুটন শহরের ১২ সদস্যের যে পরিবারটি গত দেড়মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছে তারা হলেন সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইজগাঁওয়ের আবদুল মান্নান (৮২), তার স্ত্রী মিনারা খানম (৫৩), তাদের মেয়ে রাজিয়া খানম (২১), সেইদা খানম (২৭) ও তার স্বামী আবুল কাশেম সাকের (৩১), আবদুল মান্নানের ছেলে মোহাম্মদ জাঈদ হোসেন (২৫), মোহাম্মদ তৌফিক হোসেন (১৯), মোহাম্মদ সালেহ হোসেন (২৬), তার স্ত্রী রোশনারা বেগম (২৪) এবং ওই পরিবারের তিন শিশু সন্তান। গত ১১ই মে তারা বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশ্যে ফেরার পথে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে তিন দিন যাত্রা বিরতির পর সেখান থেকে তারা উধাও হয়ে যান। পরিবারের সদস্যরা আইএসে যোগ দেয়ার খবরে আবদুল মান্নানের গ্রামের বাড়ি মাইজগাঁওয়ে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এ নিয়ে উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা। ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ওসি নন্দন কান্তি কয়েক দিন আগে আবদুল লতিফের বাড়িতে গেছেন। তিনিও নিজে খোঁজ খবর নিয়ে এসেছেন। তিনি মানবজমিনকে জানান, ওই পরিবারের ১২ সদস্য আইএসে যোগ দেয়ার খবরে গ্রামের বাড়িতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। তবে, সেটি আতঙ্কের কিছু নয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1373)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
July
(1347)
-
▼
Jul 09
(54)
- তিস্তার পানি বণ্টন- প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পদক্ষে...
- রাজনীতি by মাহবুব তালুকদার
- অপমানে মুক্তিযোদ্ধার আত্মহত্যা? তদন্ত দাবি পরিবারের
- খালেদার বিচার হবে ট্রাব্যুনালে -শেখ হাসিনা
- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পরই বদলে যায় সবকিছু...
- ২০৫০-এর মধ্যে ৩ শূন্য অর্জনে ড. ইউনূসের ফর্মুলা
- চার্জশিট গ্রহণ ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
- ব্লাড ব্যাংকে অভিযান: যেভাবে পানি হয়ে যায় রক্ত
- পর্যাপ্ত বরাদ্দ কমানোর যুক্তি কী by নূরুননবী শান্ত
- ঈদের জামা পরা হলো না ফাহিমের
- বৃষ্টিতে নিউমার্কেটে দুর্ভোগ -ছবি: সাবিনা ইয়াসমিন
- মালয়েশিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ উপ-প্র...
- পুলিশের চড়...
- স্বপ্নার স্ক্যান্ডাল সিলেটে তোলপাড় by ওয়েছ খছরু
- জাতীয় পার্টির মহাসচিবের উপস্থিতিতে সিলেট সার্কিট হ...
- ‘লুটনে যাবো কিভাবে, ঢুকলেই গ্রেপ্তার হবো’ -সিরিয়া ...
- নারায়ণগঞ্জে সাত খুন: নারাজি নাকচ, অভিযোগপত্র গ্রহণ...
- খালেদার সৌদি সফর স্থগিতের নেপথ্যে-
- বিপজ্জনক বা স্পর্শকাতর ব্যক্তিদের তালিকা চেয়েছে প্...
- বিদেশি ঋণ প্রতিশ্রুতিতে ভাটা by জাহাঙ্গীর আলম
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্তৃত্ব আরোপ করতে চায় মোদি সরক...
- পানির সমস্যায় নাকাল উত্তর কাজীপাড়ার একাংশ by মোছা...
- তেলের সঙ্গে কোকেন: তদন্ত নিয়ে দ্বন্দ্বে না জড়াতে ...
- ফার্মগেটে যাত্রী দুর্ভোগ
- ডব্লিউএইচও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষম নয় -স...
- ফেসবুকে অশালীন মন্তব্যের ছড়াছড়ি কেন
- কুড়িগ্রামের ছিটমহলে যৌথ জরিপ: বেশির ভাগ মানুষই থাক...
- দিন-রাত ব্যস্ত পাদুকা কারখানা by সাঈদা ইসলাম
- মোদির ইসরাইল-প্রেম
- কেরানীগঞ্জে ধসে পড়েছে নির্মাণাধীন চারতলা ভবন
- রপ্তানি হচ্ছে তেঁতুলিয়ার টুপি by সাবিবুর রহমান সাবিব
- সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা: রাখাইনদের জায়গা দখল করে দ...
- মানবিক বিপন্নতা বাড়ছেই
- চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ক্রিকেট এখনও ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
- ‘ধর্ম মন্ত্রণালয় অধর্মের কাজ করছে’ -সংসদে অনির্ধার...
- লুঠ হচ্ছে মুসলমানদের উন্নয়নে দান করা কোটি কোটি টাক...
- এনবিপি বাংলাদেশে লোকসান দিয়েছে ১৮৫০ কোটি রুপি তদন্...
- দরপত্র জমা দিতে বরিশাল পলিটেকনিক ছাত্রলীগের বাধা
- প্রাণের প্রতিষ্ঠাতা আমজাদ খান মারা গেছেন
- পরীক্ষা দুর্নীতি নিয়ে বিপদে বিজেপি by সৌম্য বন্দ্...
- অপমান করে বের করে দেওয়ায় মুক্তিযোদ্ধার আত্মহত্যা?
- অপরিকল্পিতভাবে নদী থেকে বালু তোলায় হুমকিতে বাঁধ
- প্রধানমন্ত্রীকে ছদ্মবেশে মানুষের অবস্থা দেখার আহ্ব...
- বরিশাল মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র এবং পরিবার পরিকল্পন...
- মিয়ানমারে ভোট ৮ নভেম্বর: ২৫ বছরে প্রথম উন্মুক্ত ন...
- আফগান-তালেবান আলোচনা চলবে
- পাড়ানো ময়দায় সেমাই, কারখানা সিলগালা
- পাসপোর্ট পাচ্ছেন না নজরুল ইসলাম খান
- জাফরুল্লাহর বিষয়ে আদেশ ১২ জুলাই- আবারও আদালত অবমান...
- আঠারোর নিচে বিয়ে নয়: ইইউ, ইউনিসেফ
- দুই বাসের প্রতিযোগিতা, প্রাণ গেল পথচারীর
- ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু আজ থেকে
- এবার লুৎফুর রহমানের সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ
- 'খালেদার বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের পরিকল্পনা...
-
▼
Jul 09
(54)
-
▼
July
(1347)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...












