Thursday, May 12, 2016

শেয়ারবাজারে মূল্যসূচক ও লেনদেন দুই-ই কমেছে

দেশের শেয়ারবাজারে গতকাল বুধবারও দরপতন হয়েছে। দিনভর মূল্যসূচকের ব্যাপক ওঠানামার পর দরপতন দিয়েই প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন শেষ হয়। শেয়ারের দাম কমার পাশাপাশি দুই বাজারেই লেনদেনও কমে গেছে। ঢাকার বাজারে বুধবার লেনদেন নেমে এসেছে ৩০০ কোটি টাকার ঘরে। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন আবার ৫০ কোটির নিচে নেমে গেছে।
মঙ্গলবারের বড় দরপতনের পর গতকাল ডিএসইতে মূল্যসূচকের ঊর্ধ্বগতি দিয়েই লেনদেন শুরু হয়। কিন্তু সেটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। লেনদেন শুরুর ১৫ মিনিটের মধ্যেই মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৪০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর সূচক নিম্নমুখী হতে থাকে। নেমে আসে আগের দিনের অবস্থানে। এরপর থেকে দিনভরই চলে সূচকের ওঠানামা।
বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, সপ্তাহের প্রথম দুই দিনের বড় ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা কিছুটা আশান্বিত হলেও মঙ্গলবারের বড় দরপতনে আবারও শঙ্কা তৈরি করে। যার প্রভাব গতকালের বাজারে দেখা গেছে। অনেক বিনিয়োগকারী এখনো বাজার পর্যবেক্ষণ করছেন। বাজার স্থিতিশীল করতে গত সপ্তাহে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন দেখার জন্য অনেক বিনিয়োগকারী অপেক্ষায় রয়েছেন।
এদিকে বুধবার দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ২৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৮৫১ পয়েন্টে। মঙ্গলবার ডিএসইতে ৯০ শতাংশ শেয়ারেরই দাম কমেছিল। আর গতকাল লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৫৭ শতাংশেরই দাম কমেছে। বেড়েছে ৩৫ শতাংশের দাম। এদিন ঢাকার বাজারে ২৫৮টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে ১৪৮টির দাম কমেছে, বেড়েছে ৯০টির। আর অপরিবর্তিত ছিল ২০টির দাম। তবে পর পর দুই দিন ৫০০ কোটি টাকার লেনদেন হলেও বুধবার সেটি নেমে এসেছে প্রায় ৩২০ কোটি টাকায়। আগের দিনের চেয়ে যা ১৯৩ কোটি টাকা কম।
সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক গতকাল প্রায় ৭৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ১৬ হাজার ৫৭৩ পয়েন্টে। এই দিন চট্টগ্রামের বাজারে ১৮০টি কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচা হয়। যার মধ্যে ৫৬টির দাম বেড়েছে, কমেছে ১১৬টির। আর অপরিবর্তিত ছিল আটটি কোম্পানির শেয়ারের দাম। সেই হিসাবে সিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে প্রায় ৬৪ শতাংশেরই দাম কমেছে। দিনশেষে লেনদেন নেমে এসেছে ৪৭ কোটি টাকায়, যা আগের দিনের চেয়ে ৩২ কোটি টাকা কম।

রাজনৈতিক অস্থিরতা বাংলাদেশে বিনিয়োগে বাধা: ইইউ

বাংলাদেশে বিনিয়োগে প্রধান বাধা হিসেবে রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিদেশি নাগরিক হত্যা ও সন্ত্রাসবাদকে দায়ী করেছে ঢাকাস্থ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ইইউ-বাংলাদেশ ব্যবসা পরিবেশ সংক্রান্ত প্রথম সংলাপ অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়াদোন এ অভিযোগ করেন। এ ছাড়া বাংলাদেশে পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে শুল্কায়ন জটিলতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতার বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রীসহ আরও অনেকে। মায়াদোন বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বাংলাদেশের অনেক সম্পদ রয়েছে, যা আপনারা গোচরে এনেছেন। কিন্তু এরপরও বিদেশি বিনিয়োগ বাংলাদেশে বড় আকারে আসে নাই। বাংলাদেশভিত্তিক বিদেশি কোম্পানির পুনঃবিনিয়োগে বাস্তবতার এই চিত্র সব সময় প্রতিফলিত হয় না। কিন্তু সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাশার তুলনায় কমে গেছে। কেন এই প্যারাডক্স? নিজেই এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন মায়াদোন। তিনি বলেন, এই স্থবিরতাকে ব্যাখ্যা করতে সব সময় রাজনৈতিক অনিশ্চয়তাকে সামনে আনা হয়। সেই সঙ্গে বেড়ে চলা জঙ্গিবাদ, যা এখন অনেক হামলার মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হচ্ছে এবং বিদেশিসহ বেশ কিছু বর্বর, এখনও ব্যাখ্যাতীত হত্যাকা- রয়েছে, যার শাস্তি হয়নি।

কে কিম জং উনের এই রহস্যময় বোন?

এ সপ্তাহান্তে বিরল এক দলীয় সভা আয়োজিত হতে যাচ্ছে উত্তর কোরিয়ায়। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, দেশটির নেতা কিম জং উনে’র বোন ইয়ো-জং বড় ধরণের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তাসংস্থা ইয়োনহ্যাপ বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে যে, শাসক দল কমিউনিস্ট ওয়ার্কার্স পার্টির মন্ত্রী-পর্যায়ের পদ পেতে পারেন ইয়ো-জং। এ খবর দিয়েছে বিবিসি। খবরে বলা হয়েছে, নিজ দল ও দেশের মধ্যে ক্ষমতা আরও কুক্ষিগত করতে কিম জং উনের বড় পরিকল্পনার অংশ এ পদক্ষেপ।
কে এই ইয়ো-জং?
কিম ইয়ো-জং হলেন দেশটির মৃত নেতা কিম জং-ইলের কনিষ্ঠতম কন্যা। বর্তমান নেতা কিম জং-উন ও তার ভাই জং-কোলের আপন সহোদর হলেন ইয়ো-জং। নর্থ কোরিয়া লিডারশিপ ওয়াচ এ তথ্য দিয়েছে। ১৯৮৭ সালে তার জন্ম। বড় ভাই কিম জং-উনের খুব ঘনিষ্ঠ ভাবা হয় তাকে। নেতার চেয়ে চার বছর ছোট তিনি। তারা দু’ জন একই সময়ে সুইজারল্যান্ডের বার্নে বসবাস করেছেন ও পড়ালেখা করেছেন। ওয়ার্কার্স পার্টির ক্ষমতাধর সেক্রেটারি খো রে‌্যাং-হাএর ছেলেকে তিনি বিয়ে করেছেন।
তিনি কী করেন?
এখন পর্যন্ত ইয়ো-জং-এর প্রধান কাজ ছিল তার ভাইয়ের ইমেজ রক্ষা করা। ২০১৪ সালে তিনি দলের প্রোপাগান্ডা বা প্রচার শাখার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ভাইয়ের জনসমক্ষে করা সব প্রোগ্রাম তিনি দেখাশোনা করেন। এছাড়া কাজ করছেন তার রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবেও।
সাম্প্রতিক কয়েক বছরে বিক্ষিপ্তভাবে নজরের আলোতে ছিলেন তিনি। ২০১১ সালে তার পিতার রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন। ২০১৪ সালে ভাইয়ের নির্বাচনেও দেখা গেছে তাকে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত কিম জং-উনের পাহাড় বেয়ে উঠার ছবিতেও মাঝেমাঝে তিনি ছিলেন।
গত বছরের অক্টোবরে গুজব উঠেছিল যে, বাজে পারফরম্যান্সের জন্য তাকে প্রোপাগান্ডা ডিপার্টমেন্ট থেকে সরিয়ে দিয়েছেন তার ভাই। কিন্তু পর্যবেক্ষকদের বিশ্বাস, মূল নেতৃত্বে একটি শীর্ষ পদ পাবেন তিনি। ২০০৮ সাল থেকে তার এ পদের কথা চিন্তা করে রাখা হয়েছিল। তৎকালীন নেতা ও তার পিতা কিম জং-ইলের স্বাস্থ্যের অবনতি হলে উত্তরাধিকার নিয়ে বড় ধরণের পরিকল্পনা হয়। ২০১৪ সালে তার ভাই অস্বাভাবিকভাবে অনেকদিন জনসম্মুখে উপস্থিত ছিলেন না। সে সময় উত্তর কোরীয় নেতার মৃত্যুর গুজবও চাউর হয়। অনেকে ভেবে নিয়েছিলেন, তিনিই হয়তো কিম জং-উনের পরবর্তী উত্তরাধিকার। যদিও এর সম্ভাবনা খুব কম।
তিনি কেমন?
অনেকে ইয়ো-জং-এর ব্যাপারে বলেছেন যে, তার মিষ্টি ও ভালো স্বভাব রয়েছে। টমবয় ছাপ্প আছে। তবে সাংবাদিকরা বলেন, তিনি বড় হয়েছেন অন্যত্র। কিম পরিবারের অন্য সদস্যরা তার সঙ্গে অতটা কথাবার্তা বলেনি। সুইজারল্যান্ডের যে স্কুলে তিনি পড়তেন, সেখানকার কর্মকর্তারা বলেন, তাকে সবসময় গার্ড ও তত্বাবধায়করা দল অতিমাত্রায় প্রহরা দিয়ে রাখতো। একবার তার হালকা ঠান্ডা হয়েছিল। তাকে সঙ্গে সঙ্গে স্কুল থেকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

জামায়াতে ইসলামীর ভবিষ্যৎ কি?

যুদ্ধাপরাধের বিচারে দলের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি হওয়ায় জামাতে ইসলামী চরম নেতৃত্ব শূন্যতায় পড়েছে, এবং সহসা এই শূন্যতা কাটানো কঠিন হবে।
বিবিসিকে একথা বলেছেন ঢাকার সিনিয়র সাংবাদিক এবং জামায়াতের রাজনীতির নিবিড় একজন পর্যবেক্ষক সালাহউদ্দিন বাবর।
"এটা সত্যি জামায়াত একটি ক্যাডার-ভিত্তিক দল, কিন্তু দলে নেতৃত্ব শূন্যতা দেখা দিয়েছে, নিঃসন্দেহে জামায়াতের নেতৃত্ব এখন বিপর্যস্ত অবস্থায়।"
কিন্তু এই নেতৃত্ব শূন্যতা কাটানো কতটা সহজ হবে? এই প্রশ্নে দৈনিক নয়া দিগন্তের নির্বাহী সম্পাদক বলেন, সহসা নতুন নেতৃত্ব তৈরি হওয়া কঠিন ব্যাপার। "রাজনীতিতে জামায়াত বিরোধিতা এখনও চরম মাত্রায়, ফলে ঐ পথে হাঁটা কষ্টকর হবে জামায়াতের জন্য।"
কিছুদিন আগ পর্যন্ত নেতাদের ফাঁসির রায় এবং কার্যকর করার প্রতিবাদে তৃণমূল স্তরে জামায়াত নেতা-কর্মীদের মধ্যে সহিংস তৎপরতা চোখে পড়তো। অথচ মঙ্গলবার দলের শীর্ষ নেতা এবং আমীর মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসি নিয়ে তেমন কোন বিক্ষোভ চোখে পড়েনি।
কেন তেমন প্রতিক্রিয়া নেই -- এই প্রশ্নে সালাউদ্দিন বাবর, যিনি একসময় জামায়াতের মুখপত্র দৈনিক সংগ্রামে কাজ করেছেন, বলেন নেতৃত্ব শূন্যতা এবং অব্যাহত ধর-পাকড়ে নেতা-কর্মীদের মনোবল দুর্বল হয়ে পড়েছে।
১৯৭১ এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ সবসময়ই জামায়াতের ঘাড়ে ছিল। যে সব জামায়াত নেতার বিচার হয়েছে এবং হচ্ছে, ১৯৭১ সাল থেকেই তারা সবাই অপরাধী হিসাবে সন্দেহের পাত্র ছিলেন।
এসব নেতাদের প্রস্থানের পর জামায়াত কি তাদের ঐতিহাসিক ভুল স্বীকার করে নতুন করে রাজনীতির পথ নিতে পারে?
সালাহউদ্দিন বাবর সে সম্ভাবনা নাকচ করছেন না।
তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়া শুরুর আগে দলের ভেতর থেকে কিছু লোক "ভিন্ন রাজনীতি, অন্যভাবে এগুনোর" কথা ওঠাতে শুরু করেছিলেন।
তবে মি বাবর, এ ধরণের ভিন্ন সুরে যারা কথা বলতেন, দলে তাদের তেমন শক্তি ছিলনা।
"তারা ছায়া ছিলেন, এখনও ছায়াই আছেন।"
"নতুন নেতৃত্বে নতুন ধ্যান-ধারণা নিয়ে নতুন রাজনীতি শুরুর কথা এখন হয়ত আবার উঠে আসবে, তবে সময় লাগবে।"
সালাহউদ্দিন বাবার বলেন, ঐ লক্ষ্যে এখনও তেমন কোনো পদক্ষেপ জামায়াতের ভেতর নেই।
- বিবিসি বাংলা

যে কারণে ‘সমকামী’ হন ভারতের নারী ফুটবলাররা

বিস্ফোরণ ঘটালেন ভারতের সাবেক নারী ফুটবলার সোনা চৌধুরি। দীর্ঘদিন ভারতের নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন তিনি। সম্প্রতি নিজের আত্মজীবনী ‘গেম ইন গেম’ প্রকাশ করেছেন। সেখানে ফুটে উঠেছে ভারতের নারী ফুটবলের অন্ধকার দিক। শুধু প্রতিভা থাকলেই হয় না। জাতীয় দলে জায়গা পেতে হলে নারী ফুটবলারদের দিকে হয় শরীরও। গরম করতে হয় টিম ম্যানজমেন্টে থাকা লোকদের বিছানা। তাদের যৌন লালসা পূরণ না করলে জাতীয় দলে জায়গা হয় না। কোনো রকমে জায়গা হলেও পরবর্তীতে নিয়মিত কর্মকর্তাদের বিছানা গরম না করলে একাদশের বাইরে রাখা হয়। এতে বাধ্য হয়ে দলের নারী খেলোয়াড়রা ‘সমকামিতা’র আশ্রয় নিতো। কর্মকর্তাদের বুঝানোর চেষ্টা করতো যে, দুইজন নারী ফুটবলারের মধ্যে সম্পর্ক আছে। এভাবে একটি দলে বেশ কয়েকটি সমকামী জুটির বানিয়ে অভিনয় করতো তারা। কিন্তু এতেও ওইসব কমকর্তাদের হাত থেকে তারা রক্ষা পেতেন না। নিজের আত্মজীবনীতে এমন বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন সোনা চৌধুরি। বাইটি প্রকাশের পর ভারতে এখন তুমুল আলোচনা। ভারতের ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক বইতে আরও দাবি করেছেন, বিদেশে সফরের সময় কোচ ও দলের অন্যান্য কর্মকর্তাদের বিছানা নারী ফুটবলারদের রুমেই রাখা হতো। এরপর প্রতিদিন কোনো না কোনো নারী খেলোয়াড়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতো তারা। বিছানা গরম না করলে দলে খেলার সুযোগ হতো না। তার সময়ে অনেক খেলোয়াড় নাকি এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। উল্টো প্রতিবাদকারী খেলোয়াড়কে এক সময় দল থেকে বের করে দেয়া হয়। সোনা চৌধুরি আরও দাবি করেন, শুধু জাতীয় দলে নয়, এমন নোংরামি চলে রাজ্য পর্যায়ের নারী ফুটবল দলেও। খেলোয়াড়দের শরীর দেয়ার জন্য মানসিক চাপ দেয়া হয়। শরীর না দিলে রাজনীতির মারপ্যাচে দল থেকে বাদ দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। বইটি প্রকাশের পর অনেকে সোনা চৌধুরির লেখাগুলোকে ‘বানোয়াট’ বলেছেন। কিন্তু তার উত্তরে তিনি এক টুইটে লেখেন, ‘একজন খেলোয়াড় হিসেবে দলের মধ্যে থেকে যেসব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি, যা দেখেছি- শুধু তা-ই আমি লিখেছি’। সোনা চৌধুরিকে ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের সেরা নারী ফুটবলার বলা হয়। ১৯৯৫ সালে তিনি ভারতের জাতীয় দলে খেলা শুরু করেন। এক বছরের মধ্যে জাতীয় দলের অধিনায়ক নির্বাচিত হন। কিন্তু ১৯৯৮ সালে হাঁটুতে মারাত্মক আঘাত পাওয়ায় ফুটবল ক্যারিয়ার সেখানেই শেষ হয়ে যায়।